এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ২০ মার্চ, ২০২৪

কীটনাশক/ছত্রাকনাশক/সার স্প্রে করার সময়


 কীটনাশক/ছত্রাকনাশক/সার স্প্রে করার সময়: 

 

•কীটনাশক- স্প্রে করার সঠিক সময় হলো বিকেলবেলা। সকালে স্প্রে করলে উপকারী পোকা মারা যায় বেশি এবং ফুল অবস্থায় পরাগায়নে ক্ষতি হয়।

•ছত্রাকনাশক- রৌদ উজ্জ্বল দিনে দুপুরে প্রয়োগ করতে হয়। কারণ, ছত্রাকনাশক শুকিয়ে গিয়ে গাছের গায়ে একটি প্রটেক্টিব লেয়ার তৈরি করে। 


•সার(ফলিয়ার স্প্রে)- সকালের মিষ্টি রোদে স্প্রে করতে হয়। কারণ, সকালে সবচেয়ে বেশি পত্ররন্ধ্র খোলা অবস্থায় থাকে। সার পত্ররন্ধ্র দ্বারা গাছে শোষিত হয় । 


সোমবার, ১৮ মার্চ, ২০২৪

ছন্দে ছন্দে ৬৪ জেলার নাম,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 (জানিনা কে লিখেছেন,লিখার জন্য তাকে ধন্যবাদ)


ছন্দে সুরে বলছি আমি সকল(৬৪)জেলার নাম

তাল মেলাতে সবার আগে আসলো কুড়িগ্রাম।


প্রধান জেলা ঢাকা থেকে একটুখানি দূর

এক জেলার নাম নরসিংদী আর একটা গাজীপুর ।


জয়পুরহাট ও লালমনিরহাট দুইটা জেলার নাম

রাজশাহীর নাম উজ্জ্বল করছে মিষ্টি স্বাদের আম।


পাহাড় ঘেরা বান্দরবান ও সিলেট খাগড়াছড়ি

ময়মনসিংহের কিশোরগঞ্জে এই অধমের বাড়ি ।


নেত্রকোনা সুনামগঞ্জে আছে ধানের মাঠ

সুন্দর বনের কাছে আছে খুলনা বাগেরহাট ।


ভোলা এবং বরিশালে আছি অনেক নদী

পাবনায় আছে পাগলা গারদ বগুড়াতে দধি ।


পাশাপাশি দুইটা জেলা টাঙ্গাইল জামালপুর

আরো দুইটা জেলা হল কুষ্টিয়া যশোর ।


মনের মত একটা জেলা নাম তার মাগুরা

দন্তন্য তে নারায়ণগঞ্জ নাটোর ও নওগাঁ ।


দন্তন্য তে আরো চারটি জেলা বলতে পারি

নবাবগঞ্জ ও নোয়াখালী নড়াইল নীলফামারী ‌।


গঞ্জ দিয়া মানিকগঞ্জ হয় আরো মুন্সিগঞ্জ

গোপালগঞ্জ হয় হবিগঞ্জ হয় আরো সিরাজগঞ্জ ।


চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও কিন্তু গঞ্জ দিয়া ভাই

এদের ছাড়া বাংলাদেশে আর কোন গঞ্জ নাই ।


রংপুর এবং রাঙ্গামাটির নামটা রঙে রাঙা

নামের জন্য আরও সুন্দর চাঁদপুর চুয়াডাঙ্গা ‌।


কক্সবাজার নামের জেলা আছে সাগর পাড়ে

পঞ্চগড়টা পড়ছে বন্ধু দেশের এক কিনারে ।


ফেনী জেলার নামটা মাত্র দুইটা অক্ষর দিয়া

সবচেয়ে বেশি অক্ষর লাগে লিখতে বি-বাড়িয়া ।


ছয়টা অক্ষর লিখতে লাগে মৌলভীবাজার

এদিক থেকে শরীয়তপুর সমান তাহার ।


শেষের দিকে এসে দেখি বসছে পুরের মেলা

নামের শেষে পুর লাগানো অনেকগুলো জেলা ।


পুর দিয়ে ভাই শেরপুর আছে আছে পিরোজপুর

মেহেরপুর ও মাদারীপুর আরো দিনাজপুর।


ফরিদপুর ও লক্ষিপুর এই দুই টা জেলার সাথে 

পুরের পালা শেষ করিয়া গেলাম বরগুনাতে ।


আসার পথে কুমিল্লা ও ঝালকাঠি সহ

ঘুরে এলাম রাজবাড়ী তার সঙ্গে ঝিনাইদহ ‌।


গাইবান্ধার নাম বাদে থাকে আর মাত্র এক হালি

তাদের মধ্যে একটা জেলার নাম পটুয়াখালী ।


এখন শুধু বাকি আছে তিনটা জেলার নাম

এদের মধ্যে একটা জায়গা হইল চট্টগ্রাম ‌।


সাতক্ষীরায় আর ঠাকুরগাঁয়ে হইল এই গান শেষ

এদের নিয়েই গড়া আমার সোনার বাংলাদেশ । 

(কপি পোস্ট)


আজাইরা সাক্ষাৎ কার,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গকে আল আজাইরার এক হাম্বাদিক একবার প্রশ্ন করেছিল, ভাই, তুই এতো টাকা পয়সার মালিক হয়েও আম্রিকায় এতো এতো সুন্দরী মাইয়া থাকতে প্রিসিলা চ্যানের মতো খালাম্মা মার্কা এক চাইনিজ মাইয়্যা কেন বিয়ে করতে গেলি 🤔


মার্ক জাকারবার্গ: উত্তর তো তোর প্রশ্নের ভেতরেই আছে ভাই, তুই বললি না খালাম্মা মার্কা মাইয়া, ওর চেহারার সাথে আমার মার চেহারার খুব মিল, তাই দেখে বিয়ে করে ফেলছি, আবেগ কাজ করছে, বিবেক কাজ করে নাই 😊


হাম্বাদিক: দ্যাখ ভাই, ফাইজলামি করিস না, প্রিসিলা চ্যান মোটেও তোর মা,  মানে ক্যারেন আন্টির মতো না। সত্যি কথা বল ভাই, পিলিজ লাগে 🙏


মার্ক জাকারবার্গ: বিশ্বের সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যা কোন দেশে, চায়না তাই না? আমি মার্কিন পোলা, যদি মার্কিন মাইয়া বিয়া করতাম, তাহলে আমাদের দুইজনের একই দেশ থাকতো, আম্রিকা, কিন্তু চাইনিজ মাইয়া বিয়া করাতে আমার নিজের দেশ আম্রিকা, শশুর বাড়ি চায়না, তাহলে ভেবে দেখ, আমি কতো মানুষের আপন হয়ে গেলাম, আমার ব্যবসার স্কোপ কতো বেড়ে গেল, বিজনেস ভাই, সবই বিজনেস 😏


হাম্বাদিক: এগ্লা পুরান কথা, এতো প্যাচাইশ না, আসল কারণটা বল ভাই 😉


মার্ক জাকারবার্গ: তুই ভাই লোক ভালো না, খালি প্যাটের কথা বাইর করার চেষ্টা করিস, আচ্ছা, তাহলে আসল কারণ শোন, আম্রিকার বিবাহ বিচ্ছেদ আইন জানিস না তুই? এই দেশে বউ ছাড়তে গেলে, নিজের সম্পত্তির অর্ধেক দিয়ে দিতে হয়, বিল গেটস কাক্কুকে দিয়েই শুরু করি, তার বউ, মেলিন্ডা চাচিরে কতো ভালো মনে করতাম, বাসায় গেলেই আমারে হুইস্কি খাওয়াইতো, সে কীনা ২৭ বছর সংসার করার পর ৭৮ বিলিয়ন ডলার বাগানোর সুযোগ পেয়ে কাক্কুরে খেয়ে ছেড়ে দিলো!


আরেক ধনকুবের জেফ বেজোস কাক্কুর বউ ম্যাকেঞ্জি স্কট, ২৫ বছর সংসার করার পর বিবাহ বিচ্ছেদের সময় কাক্কুর কাছ থেকে ৩৬০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিলো, ইলন মাস্ক, তার দুই বউ জাস্টিন মাস্ক ও তালুলাহ রিলেকে তালাক দিতে গিয়েও মোটা অংকের টাকা হারাইছে, জাস্টিনকে তো এখনো প্রতি মাসে মাসোহারা দিয়ে যাইতে হইতেছে, মার্কিন আইন পুরুষ বান্ধব না, কষ্ট কইরা বেডা ছেলেরা আয় করবে আর তালাক দেয়ার সময় বউ ফাও অর্ধেক টাকা নিয়ে চলে গিয়ে আরেক বেডারে ধরবে, এরকম ঘটনা দুইটা না, বহু আছে, আমার আর প্রিসিলার যদি কখনো ছাড়াছাড়িও হয় তাহলে ও চাইনিজ হওয়াতে আম্রিকার আইনের প্যাচে ফেলে আমাকে ভাঙ্গিয়ে টাকা পয়সা নিয়ে যেতে পারবে না, কতো চালাক আমি তাই না, নাইলে কী আর এতো কম বয়সে এতো উন্নতি করতে পারি 😉😎


© হাসান ইমতি


বুড়িগঙ্গায় 'কালে খাঁ জমজম' ডুবে যাওয়ার পর লোকমুখে কুসংস্কার বেরিয়েছিল যে, 'বিবি মরিয়মে'র জন্য বুড়িগঙ্গা থেকে প্রায়ই গর্জন ভেসে আসতো। তারা বিশ্বাস করতেন, এ গর্জনের অর্থ হলো, কালে খাঁ তার সঙ্গিনী মরিয়মকে ডাকছে।,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 বুড়িগঙ্গায় 'কালে খাঁ জমজম' ডুবে যাওয়ার পর লোকমুখে কুসংস্কার বেরিয়েছিল যে, 'বিবি মরিয়মে'র জন্য বুড়িগঙ্গা থেকে প্রায়ই গর্জন ভেসে আসতো। তারা বিশ্বাস করতেন, এ গর্জনের অর্থ হলো, কালে খাঁ তার সঙ্গিনী মরিয়মকে ডাকছে।


হারিয়ে যাওয়া বিখ্যাত কালে খাঁ জমজম কামান

একসময় ঢাকার পর্যটকদের আকর্ষণ লালবাগ দূর্গ বা বড় কাটরা নয়, ছিল মোগল যুগের একটি কামান। ১৭৭৬ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির একজন কনিষ্ঠ কর্মকর্তা হিসেবে এসেছিলেন রবার্ট লিন্ডস। তিনি লিখেছিলেন, 'ঢাকায় গর্ব করার মতো তেমন কিছু নেই। লালবাগ দূর্গ, বড় কাটরা, তাঁতিবাজার আর টঙ্গীর পুল কিছুই তাকে আকৃষ্ট করেনি। শুধু একটি জিনিসই করেছে। তা হলো, ঢাকার একটি কামান।'


মুনতাসীর মামুনের রচনাবলি ২য় খন্ড বইয়ের 'ঢাকার হারিয়ে যাওয়া কামান' শিরোনামের একটি অধ্যায়ে পাওয়া যায় এই বর্ণনা।


কোথা থেকে এলো এই কামান


এত বিশাল ও ওজনে ভারি জিনিস জলপথে হাজার মাইল দূর থেকে আনা প্রায় অসম্ভব।


১৭ শতকের গোড়ার দিকে মোগল বাদশাহ সম্রাট জাহাঙ্গীর ঢাকায় বাংলার রাজধানী স্থাপন করলে, এখানে গড়ে ওঠে নানা প্রশাসনিক ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। সে সঙ্গে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে থাকে জলদস্যুদের উপদ্রবও। বিভিন্ন বই-পুস্তকে সেসময়কার জলদস্যুদের কথা উঠে এসেছে।


ঢাকার চারপাশ ঘিরে কয়েকটি নদী থাকায়, জলদস্যুরা সে পথ দিয়েই আসতো। বিশেষত মগ, পর্তুগিজ ও আরাকানি জলদস্যুদের উপদ্রব বেড়ে গিয়েছিল অনেক। তাই প্রতিরক্ষাব্যবস্থা জোরদার করতে ঢাকায় বেশ কিছু কামান তৈরি করা হয়। এর মধ্যে দুটি কামান  ছিল সুবিখ্যাত। মোগল নির্মাণশৈলীতে, বিশালত্বে ও সৌন্দর্যে এগুলো ছিল বিশ্বমানের কামান।


কামান দুটির একটির নাম কালে খাঁ জমজম ও অপরটির নাম বিবি মরিয়ম। ধারণা করা হয়, কালে খাঁ নামক কোনো বীর এবং তার স্ত্রীর নামে এই নামকরণ করা হয়েছিল। তবে কেউ কেউ দাবি করেছে, মীর জুমলাই এই কামানদুটির নাম রেখেছেন।


ব্রিটিশ রাজকর্মচারী ও পর্যটকেরা কালে খাঁ-কে দেখেই সবচেয়ে বেশি অবাক হতেন এবং এর বৃত্তান্ত লিখে রেখে যান। বিখ্যাত ভূগোলবিদ জেমস রেনেল তার স্মৃতিকথায় ঢাকার ঐ কামানের কথাই বিস্তারিতভাবে লিখে গেছেন। পরিমাপের দিক থেকে কালে খাঁ জমজমকে তিনি তুলনামূলক বেশি জমকালো এবং বিশাল হিসেবে আখ্যায়িত করে গেছেন।


নদী থেকে শোনা যেত গর্জন!


মীর জুমলা আসাম যুদ্ধে এই দুটি কামান ব্যবহার করেছিলেন। সম্রাট আওরঙ্গজেব ১৬৬০ সালে মীর জুমলাকে বাংলার সুবেদার নিয়োগ করেন। মীর জুমলা ১৬৬১ সালে আসাম অভিযানের সময় ৬৭৫টি ভারী কামান ব্যবহার করেন। তার মধ্যে বিবি মরিয়ম ছিল সর্ববৃহৎ। যুদ্ধশেষে বিজয়ী হয়ে তিনি বিবি মরিয়মকে বড় কাটরার দক্ষিণে সোয়ারীঘাটে স্থাপন করেন। মীর জুমলার সময় বড় কাটরা ছিল ঢাকার বৈশিষ্ট্যময় একমাত্র জাঁকালো অট্টালিকা!


সৈয়দ মোহাম্মদ তাইফুর তার 'গ্লিম্পস অব ঢাকা' বইয়ে বলেন, সুবাদার মীর জুমলা কামানটিকে আসাম অভিযানের সময় ব্যবহার করেছিলেন এবং তারপর তা আবার ফিরিয়ে এনেছিলেন ঢাকায়। হতে পারে, আসাম অভিযানের পর তিনি এটিকে কাটরার সামনে স্থাপন করেছিলেন যুদ্ধ জয়ের স্বারক বা দ্রষ্টব্য হিসেবে।

তখন থেকে কামানটি 'মীর জুমলার কামান' নামে পরিচিত লাভ করে। বুড়িগঙ্গার মোগরাই চরে রাখা হয় কালে খাঁ জমজমকে। পরবর্তীতে নদীভাঙ্গনে বুড়িগঙ্গায় বিসর্জিত হয় কালে খাঁ জমজম।


রবার্ট লিন্ডস ১৭৮০ সালের নদীভাঙ্গনে কালে খাঁ জমজমের ক্ষতির জন্য কর্তৃপক্ষকেই দায়ী করে গেছেন। কিন্তু স্থানীয়দের কাছে তা এতটাই পূজনীয় ও আধ্যাত্মিক ছিল যে তারা মনে করতেন, স্বর্গ থেকে এটি এসেছিল, আবার স্বর্গেই তা ফিরে গেছে!


এমনকি তাদের এই কুসংস্কারের তীব্রতা বোঝা যায় নিচের ঘটনাটি পড়লে। মুনতাসীর মামুন লিখেছেন, বুড়িগঙ্গায় কালে খাঁ জমজম ডুবে যাওয়ার পর লোকমুখে কুসংস্কার বেরিয়েছিল যে, নদী থেকে বিবি মরিয়মের (পরবর্তীতে মীর জুমলা নামকরণ) জন্য বুড়িগঙ্গা থেকে প্রায়ই গর্জন ভেসে আসতো। তারা বিশ্বাস করতেন, এ গর্জনের অর্থ হলো, 'কালে খাঁ' তার সঙ্গিনী 'মরিয়ম'কে ডাকছে। এবং তারা হলফ করে বলতেন, যে ঐ গুরুগম্ভীর আওয়াজ তারা শুনেছেন!


১ম ছবি বিবি মরিয়ম কামান৷(গুলিস্তানের কামান)

২য় ছবি হারিয়ে যাওয়া বিখ্যাত কালে খাঁ জমজম কামান৷ 


পোস্ট সংগ্রহ : নেট থেকে৷




নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একদিন জিবরাঈল (আ.)-কে বললেন, আপনি যতোবার আমার নিকট এসেছেন,  ততোবারই আপনার কপালে শোক ও  দুশ্চিন্তার ছাপ ছিলো? এর কারণ কি,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একদিন জিবরাঈল (আ.)-কে বললেন,

আপনি যতোবার আমার নিকট এসেছেন, 

ততোবারই আপনার কপালে শোক ও 

দুশ্চিন্তার ছাপ ছিলো? এর কারণ কি?


জিবরাঈল (আ.) নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি 

ওয়া সাল্লাম-এর প্রশ্নের জবাবে বললেন, 

"জাহান্নাম সৃষ্টির পর থেকে 

আমার ঠোঁটে, চোখে ও মুখে কখনো হাসি ফুটেনি।"


জাহান্নাম কেমন হবে?


১. জাহান্নামের গভীরতা এমন যে,

এর মুখ থেকে একটি পাথর ফেলে দিলে 

জাহান্নামের তলদেশে পৌঁছাতে ৭০ বছর সময় লাগে। বিচারের দিন জাহান্নামকে ৭০ হাজার শিকল দ্বারা টেনে আনা হবে, যার প্রত্যেক শিকল ৭০ হাজার ফেরেশতা বহন করবেন।


২. জাহান্নামে চাঁদ এবং সূর্যকে নিক্ষেপ করা হবে আর জাহান্নামে তা অবলীলায় হারিয়ে যাবে।


৩. জাহান্নামবাসীদের শরীরের চামড়া 

১২৬ ফুট পুরো করে দেওয়া হবে, যাতে করে আযাব অত্যন্ত ভয়াবহ কঠিন হয়। তাদের শরীরে আরও থাকবে তিল, যার এক একটি উহুদ পাহাড়ের সমান।


৪. প্রতিদিন জাহান্নামের আযাব পূর্বের দিন থেকে আরও তীব্র আর ভয়াবহ কঠিন করা হবে।


৫. জাহান্নামের খাদ্য হবে কাঁটাযুক্ত গাছ। আর পানীয় হবে ফুটন্ত পানি, পুঁজ ও রক্তের মিশ্রণ এবং উত্তপ্ত তেল। এরপরও জাহান্নামবাসীর পিপাসা এতো বেশি হবে যে, তারা এই পানীয় পান করতে থাকবে।


৬. জাহান্নামের এই ভয়াবহ কঠিন কল্পনাতীত আযাব অনন্তকাল ধরে চলতে থাকবে।

জাহান্নামবাসীরা এক পর্যায়ে জাহান্নামের দেয়াল টপকিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে, তাদেরকে লোহার হাঁতুড়ি দিয়ে আঘাত করে, পুনরায় জাহান্নামে ফেলে দেওয়া হবে।


এই জন্যই বলছি, আমার ভাইবোনরা আসুন, আমরা দীনের পথে চলি, ইসলাম মেনে চলি, আমাদের কখন, কি হবে আমরা কিন্তু কেউ জানি না?কেউ আমার সাথে যাবে না, আমার হিসাব আমাকেই দিতে হবে! দুনিয়াটা একটা ধোঁকা ও লালসাময়।


তাই আসুন, আমরা পবিত্র কুরআন- হাদিসের  আদেশ-নিষেধ ও শরিয়াহ মোতাবেক চলে, ভয়াবহ কঠিন জাহান্নাম থেকে বাঁচি, আমাদের পরিবারকে বাঁচাই ও সারাবিশ্বের মুসলমানদেরকে বাঁচাই।


হে আল্লাহ! আপনি আমাকে, আমাদের পরিবারকে ও সারাবিশ্বের সকল মুসলমানকে, ভয়াবহ কঠিন জাহান্নামের আযাব থেকে রক্ষা করুণ। আমিন।



আল-বিরুনি: ভুলে যাওয়া প্রতিভা যিনি পৃথিবীকে পরিমাপ করেছিলেন,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আল-বিরুনি: ভুলে যাওয়া প্রতিভা যিনি পৃথিবীকে পরিমাপ করেছিলেন

আল-বিরুনি (প্রায় 1,000 বছর আগে) আজকের স্বীকৃত মানের তুলনায় 99.7% নির্ভুলতার সাথে পৃথিবীর🌍 পরিধি পরিমাপ📏📐 করেছিলেন।

আল-বিরুনি ছিলেন একজন পারস্য পলিম্যাথ যিনি ৯৭৩ থেকে ১০৪৮ সাল পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তিনি জ্যোতির্বিজ্ঞান, গণিত, ভূগোল, পদার্থবিজ্ঞান এবং ইতিহাস সহ অনেক ক্ষেত্রের পণ্ডিত ছিলেন।

১০৩০ সালে আল-বিরুনি পৃথিবীর পরিধি পরিমাপের জন্য ত্রিকোণমিতি ব্যবহার করেন। তার অনুমান ছিল 6339.6 কিলোমিটার, যা 6378.1 কিলোমিটারের আধুনিক স্বীকৃত মূল্যের 0.3% এর মধ্যে।

আল-বিরুনির পদ্ধতিটি এই নীতির উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল যে পৃথিবীর বক্রতার কারণে দিগন্তটি সমুদ্রপৃষ্ঠের চেয়ে পাহাড়ের চূড়া থেকে নীচে প্রদর্শিত হয়। তিনি দিগন্ত এবং একটি প্লাম্ব লাইনের মধ্যবর্তী কোণটি দুটি ভিন্ন স্থানে পরিমাপ করেছিলেন এবং এই তথ্যটি পৃথিবীর ব্যাসার্ধ গণনা করতে ব্যবহার করেছিলেন।

আল-বিরুনির পৃথিবীর পরিধি পরিমাপ ছিল তার সময়ের অন্যতম সঠিক পরিমাপ। সপ্তদশ শতাব্দীর আগ পর্যন্ত এটি অতিক্রম করা যায়নি, যখন ফরাসি গণিতবিদ এবং জ্যোতির্বিজ্ঞানী জিন পিকার্ড পৃথিবীর পরিধি পরিমাপের জন্য আরও সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি ব্যবহার করেছিলেন।



গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড এশিয়ার অন্যতম প্রাচীন ও দীর্ঘতম সড়ক পথ। অন্তত ২৫০০ বছর ধরে  এটি

 আপনি জানেন কি? 


গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড এশিয়ার অন্যতম প্রাচীন ও দীর্ঘতম সড়ক পথ। অন্তত ২৫০০ বছর ধরে  এটি মধ্য এশিয়াকে ভারতীয় উপমহাদেশের সাথে সংযুক্ত করেছে। এটি বাংলাদেশের মায়ানমার সীমান্তে টেকনাফ হতে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও ঢাকা, কলকাতা, কানপুর, দিল্লি, ভারতের অমৃতসর হয়ে পশ্চিমে পাকিস্তানের লাহোর, গুজরাট, রাওয়ালপিন্ডি এবং পেশোয়ার কাবুল, আফগানিস্তান পর্যন্ত পৌছায়। এর প্রাক্তন নামের মধ্যে ছিল উত্তরপথ, শাহ রাহে আজ়ম, সড়কে আজ়ম, বাদশাহি সড়ক। সুর ​​সাম্রাজ্যের মধ্যযুগীয় শাসক শের শাহ সুরি ১৬ শতকে চন্দ্রগুপ্তের রয়্যাল রোড মেরামত করছিলেন। সোনারগাঁও এবং রোহতাসের পুরানো রুটটি আবার নতুন করে তৈরি করা হয় এবং একটি সরাই তৈরি করা হয়। জাহাঙ্গীর তার শাসনামলে ফরমান জারি করেন যে সমস্ত সরাই পোড়া ইট ও পাথর দিয়ে তৈরি করা হবে। লাহোর এবং আগ্রার মধ্যবর্তী এলাকায় গাছ লাগানো হয় এবং সেতু নির্মাণ করা হয়। রুটটিকে সুরি দ্বারা "সদক-ই-আজম" এবং মুঘলদের দ্বারা "বাদশাহী সড়ক" হিসাবে উল্লেখ করা হত।


১৮৩০-এর দশকে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাণিজ্যিক ও প্রশাসনিক উদ্দেশ্যে ধাতব রাস্তা নির্মাণের একটি কার্যক্রম শুরু করে। কলকাতা থেকে দিল্লি হয়ে আফগানিস্তানের কাবুল পর্যন্ত রাস্তাটি পুনর্নির্মিত হয়েছিল


গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোডের একটি অংশ চান্দিনা পালকি সিনেমা রোড  চান্দিনা বাজার হয়ে কাঠের পুল গিয়ে ঢাকা-চট্রগ্রাম হাইওয়ে সংযুক্ত হয়ে কুমিল্লা শহর দিয়ে চট্টগ্রাম, টেকনাফ হয়ে মিয়ানমারে মিলিত হয়েছে।।




বিদ্যুৎ ১০ ডব্লিউপি,,,,,


 বিদ্যুৎ ১০ ডব্লিউপি


উপাদানঃ বিদ্যুৎ ১০ ডব্লিউপি-এর প্রতি কেজিতে ১০০ গ্রাম ল্যামডা-সাইহ্যালোথ্রিন আছে। 

পরিচিতিঃ বিদ্যুৎ ১০ ডব্লিউপি স্পর্শক ও পাকস্থলী ক্রিয়াসম্পন্ন পাইরিথ্রয়েড জাতীয় কীটনাশক। এটি সহজে ব্যবহারযোগ্য ও কারিগরীভাবে উন্নত যা ঘরের ভিতরে এবং বাইরের ড্রেন, নালা ও গর্তে বসবাসকারী ক্ষতিকর বিভিন্ন কীটপতঙ্গ দমনে কার্যকর।



কার্যকারিতাঃ 

বিদ্যুৎ ১০ ডব্লিউপি স্পর্শক ও পাকস্থলী ক্রিয়াসম্পন্ন হওয়ায় স্প্রে করে ক্ষতিকর পোকার গায়ে লাগলে সাথে সাথে এবং পরবর্তিতে পোকার পেটে গেলে পোকা মারা যায়।

বিদ্যুৎ ১০ ডব্লিউপি সকল প্রকার মশা ধ্বংসে কার্যকর। ফলে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, ফাইলেরিয়া, চিকনগুনিয়া প্রভৃতি রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

বিদ্যুৎ ১০ ডব্লিউপি সফলভাবে মাছি দমন করে, ফলে মাছি বাহিত রোগজীবাণুসমূহ হতে মুক্ত থাকা যায়।

বিদ্যুৎ ১০ ডব্লিউপি ঘরের তেলাপোকা, ছারপোকা ও পিঁপড়ার উপদ্রব দমনেও সমানভাবে কার্যকরী।


ব্যবহারবিধিঃ ৮ লিটার পানিতে ৬২.৫ গ্রাম

বিদ্যুৎ ১০ ডব্লিউপি ছিটিয়ে ব্যবহার না করে অবশ্যই স্প্রে করতে হবে।

বিদ্যুৎ ১০ ডব্লিউপি কীটনাশকটি অনুমোদিত মাত্রায় পানি নিয়ে কাঠি বা অন্য কিছু দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে বাড়ির ভেতরের দেয়াল, আসবাবপত্রের পেছনে ও মেঝেতে স্প্রে করতে হবে।


সকাল ০৭ টার সংবাদ  তারিখ : ১৮-০৩-২০২৪ ।  

 সকাল ০৭ টার সংবাদ 

তারিখ : ১৮-০৩-২০২৪ ।

 

আজকের শিরোনাম:


বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন - জাতির পিতার জন্মবার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধুর প্রতি রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন।


 শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ না দিতে অভিভাবক ও শিক্ষকদের প্রতি শেখ হাসিনার আহ্বান।


জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি’র শুভেচ্ছাদূত হিসেবে পাঁচ দিনের সফরে আজ ঢাকা আসছেন সুইডেনের ক্রাউন প্রিন্সেস ভিক্টোরিয়া। 


কুমিল্লায় বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন। 


রাশিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভ্লাদিমির পুতিনের রেকর্ড ব্যবধানে নিরুঙ্কুশ বিজয়।


আজ চট্টগ্রামে সিরিজ নির্ধারণী শেষ ওডিআই-তে মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ ও শ্রীলংকা।

পঞ্চানন মণ্ডল ।। বিজ্ঞানকথা ।।,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সে এক সময় ছিল যখন মানুষের  হাতে হাতে দামী ক্যামেরা লাগানো স্মার্টফোন ছিল না বা হাতে ডিজিটাল DSLR ছিল না।সত্তর,আশি বা নব্বইয়ের দশকে ভারতবর্ষে পরিবারের সবাই মিলে দল বেঁধে স্টুডিওতে ছবি তুলতে যাচ্ছে এ দৃশ্য  হামেশাই চোখে পড়ত। যাদের অর্থ প্রতিপত্তি ছিল তারা ক্যামেরাম্যানকে বাড়িতে ডেকে ফ্যামিলি ফটো তুলত। এখন ডিজিটাল ক্যামেরা, স্মার্টফোন  সহজলভ্য হয়ে যাওয়ায় সে দৃশ্য আর চোখে পড়ে না।উল্টে পুজো পার্বনে উৎসবে অনুষ্ঠানে স্মার্টফোন আর ক্যামেরার মুহুর্মুহু ফ্লাসের আলো চোখে লাগে।  যার খুশি যখন খুশি  ইচ্ছে হলেই ক্লিক ক্লিকে সেই মূহুর্ত ক্যামেরা বন্দি। 


কিন্তু যদি আমরা ফ্ল্যাসব্যাকে একশ বছরের বেশি পিছিয়ে যাই ,তখন বিশ্বের চিত্রটা সম্পূর্ণ বিপরীত। তখন সবেমাত্র আবিষ্কার হয়েছে ছবি তোলার ফিল্ম। আর নিজের বা পরিবারের জীবনের অমূল্য মূহুর্ত বা স্মৃতি  বন্দি করতে হতো যথেষ্ট মূল্য দিয়ে।ক্যামেরায় ছবি তোলা ছিল এক আভিজাত্যের ব্যাপার। অনেকের কাছে তা স্বপ্ন। 


সেটা ১৮৮৮ সাল। এক  মার্কিন উদ্ভাবক জর্জ ইস্টম্যান যখন প্রথম বহনযোগ্য রোল ফিল্ম দেওয়া  ‘কোডাক’ ক্যামেরা বাজারে আনলেন, তখন তার দাম ছিল ২৫ ডলার। এতে প্রায় ১০০ ছবি তোলার মতো ফিল্ম থাকত।তার বিজ্ঞাপন ছিল  You press the button, we do the rest" ।১৮৮৯ সালে তিনি এই ক্যামেরার জন্য film stock নিয়ে এলেন আর ১৮৯৬ সালে আন্তর্জাতিক ভাবে এই film stock সরবরাহের ব্যবসা শুরু করলেন। ইস্টম্যানের এই কোডাক ক্যামেরা খুব জনপ্রিয় হয়েছিল। তবে বহনযোগ্য হলেও বেশ বড় ট্রাইপডের ওপর বসাতে হত ক্যামেরাটিকে। আর ফিল্ম শেষ হলে ছবি বানাতে ক্যামেরাসমেত পুরো সেটটিকেই পাঠাতে হত কোডাকের ল্যাবরেটরিতে। ফলে ছবি তোলাটা যেমন পরিণত হয়েছিল ধনীদের শখে, তেমনি সাধারণ ব্যবহারের ক্ষেত্রেও এটি ছিল অনুপযুক্ত।তাই ইস্টম্যান এই ক্যামেরার উন্নতিতে মনোনিবেশ করলেন। 


১৯০০ সালে ক্যামেরা শিল্পে যুগান্তকারী এক বিপ্লব ঘটিয়ে ফেললেন জর্জ ইস্টম্যান। ছোটখাটো আকারের  সত্যিকারের বহনযোগ্য এক ক্যামেরাই তৈরি করে ফেললেন তিনি। এর নাম দেওয়া হল ‘ব্রাউনি’। কার্ডবোর্ড দিয়ে তৈরি সেই ক্যামেরাটিই প্রথম সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের ছবি তোলার স্বপ্নকে সত্যি করেছিল । ফিল্মসহ ক্যামেরাটির দাম ছিল মাত্র এক ডলার! আর ফিল্ম থেকে ছবি বানাতে খরচ হত আরও দুই ডলার।


রয়্যাল ফটোগ্রাফিক সোসাইটির প্রেসিডেন্ট ড. মাইকেল পিচার্ডের মতে এই ক্যামেরাটিই বিশ্বব্যাপী সকল মানুষের স্মৃতিকে অমর করে রাখতে সহায়তা করেছিল। ‘এর দাম ছিল মাত্র এক 8ডলার। অর্থাৎ নিজের জীবনের স্মরণীয় মুহূর্তগুলোকে অক্ষয় করে রাখতে খরচ ছিল তুলনামূলক অনেক কম। ক্যামেরাটি চালাতে কোন বিশেষ প্রশিক্ষণেরও প্রয়োজন হত না। একটি শিশুও এটি চালাতে পারত। এই স্বল্পমূল্য ও সহজ ব্যবহার পদ্ধতির  কারণেই ব্রাউনি ক্যামেরা মানুষের মাঝে বেশি জনপ্রিয় হয়েছিল’।


কালের বিবর্তনে আজ দুষ্প্রাপ্য হয়ে গেছে ব্রাউনি ক্যামেরা । যদিও বিশ্বের কোথাও কোথাও এখনও ব্যবহার হয় এই ক্যামেরা ।আর এই ক্যামেরার এন্টিক মূল্যো নেহাত কম নয়।  

মানুষের জীবনের নানা মুহুর্ত ও স্মৃতি বন্দি করার যাদুকরের আজ প্রয়াণ দিবস। ১৯৩২ সালের ১৪ মার্চ তাঁর মৃত্যু হয়

জর্জ ইস্টমানের জন্ম ১৮৫৪ সালের ১২  জুলাই নিউইয়র্কে। 

আজ ১৪ মার্চ দিনটি পৃথিবী বিখ্যাত কয়েকজন  প্রতিভাবান বিজ্ঞানী ও উদ্ভাবকের সাথে সম্পর্কিত।তাদের মধ্যে অবশ্যই উল্লেখ করতে হয় আজ আলবার্ট আইনস্টাইন এর জন্মদিন,  স্টিভেন হকিং ও জর্জ ইস্টম্যান এর মৃত্যুদিন।  

এদের সবাইকে অসীম শ্রদ্ধা জানাই।

✍পঞ্চানন মণ্ডল ।। বিজ্ঞানকথা ।।


রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ ১১-০৫-২০২৬

 রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ ১১-০৫-২০২৬ আজকের সংবাদ শিরোনাম রাজনৈতিক পরিচয় নয় অপরাধীদের অপরাধী হিসেবেই বিবেচনা করতে পুলিশ বাহিনীকে নির্দে...