এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ২৯ মার্চ, ২০২৪

মোটাতাজাকরণের ক্ষেত্রে বেশিরভাগ মানুষ যে পাঁচটি ভুল করে থাকে।

 গরু মোটাতাজাকরণের ক্ষেত্রে বেশিরভাগ মানুষ যে পাঁচটি ভুল করে থাকে।

 

১. বেশি খাবার দিলেই বেশি খাবে এবং তাড়াতাড়ি মোটাতাজা হবে এটা ভেবে অতিরিক্ত খাবার দেয়, এটা ভুল।

এতে করে খাদ্যের অপচয় ও খাদ্যের খরচ বৃদ্ধি পায়।


২. কাঁচা ঘাস বা UMS না খাওয়ানো। এবং শুধু দানাদার খাদ্যের উপর নির্ভর করা।

কাঁচা ঘাস না থাকলেও সমস্যা নেই কিন্তু এর বিকল্প হিসেবে UMS তৈরি করে খাওয়াতে হবে।


৩. খাবারের পরিবেশ আরামদায়ক না হওয়া।

অনেকে গরুর জন্য ডাইনিং টেবিলের মত খাবার চারি তৈরি করে কিন্তু এতে খাবার গ্রহণ ক্ষমতা কমে যায়।


৪. বেশি খাবার খাবে এই আশায় রাতে খাবার দেয় অথচ রাতে কখনো খাবার দেওয়া উচিত নয়।

পশুকে পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে খাবার গ্রহণ ও সেই খাবার পরিপাক করার।


৫. ভাত, জাউ এগুলো খাদ্য তালিকায় একেবাইরে রাখা যাবে না।

তবে Rice polish বা DORB খাওয়ানো যেতে পারে এতে প্রচুর পরিমাণ ফ্যাট থাকে যা খুদের ভাতের থেকে আপনাকে ভালো রেজাল্ট দিবে।

ভাত, জাউ এর কারণে বিষক্রিয়া/ফুড পয়জনিং হতে পারে।


পোস্টা সবাই সবার প্রোফাইলে শেয়ার করে রেখে দিন যাতে নিজেদের কাজে লাগে এবং অন্যরা উপকৃত হয়।

খামার বাড়ি



বৃহস্পতিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৪

পৃথিবীর শেষ রাস্তা,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 "পৃথিবীর শেষ রাস্তা "


পৃথিবীতেই সেই রাস্তা রয়েছে, যা শেষ হয়ে গিয়েছে। রাস্তা মিশে গিয়েছে অসীমে। ভূ-বিজ্ঞানীরা দিলেন সেই রাস্তার হদিশ। যেখানে স্বপ্ন এসে মিশে যায়। পৃথিবীর সেই শেষ রাস্তার ঠিকানা হল ইউরোপের ‘ই-৬৯ হাইওয়ে’। এই ‘ই-৬৯ হাইওয়ে’ অবস্থিত নরওয়ে-তে। ঠিকানা যখন রয়েছে পৃথিবীর শেষ রাস্তার তখন অ্যাডভেঞ্চারের সাক্ষী থাকতে নিশ্চয়ই একবার যেতে মন কাঁদবে অনেকেরই।নরওয়ের ওই ‘ই-৬৯ হাইওয়ে’তে পৃথিবীর শেষ রাস্তা দিয়ে অন্তত একবার হাঁটার শখ অনেকেরই। পৃথিবীর এই শেষ রাস্তাটি উত্তর গোলার্ধে অর্থাৎ নিরক্ষরেখার ঠিক উপরের দিকে। রাস্তাটিকে কেন পৃথিবীর শেষ রাস্তা বলা হয়, তার কারণও ব্যাখ্যা করেছেন ভূ-বিজ্ঞানীরা। সেখানে কি কেউ যেতে পারেন, কীভাবে যাওয়া সম্ভব সেখানে, তাও ব্যাখ্যা দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।নরওয়ের ‘ই-৬৯ হাইওয়ে’ উত্তর মেরুর গা ঘেঁষে চলে গিয়েছে। এই রাস্তা উত্তর ইউরোপের নর্ডক্যাপকে সংযুক্ত করেছে নরওয়ের ওল্ডাফিউওর্ড গ্রামের সঙ্গে। এই ‘ই-৬৯ হাইওয়ে’র দূরত্ব ১২৯ কিলোমিটার। পাঁচটি ট্যানেল পার হয়ে ওই রাস্তা অতিক্রম করতে হয়। এর মধ্যে সবথেকে যে লম্বা ট্যানেলটি রয়েছে তা হল ‘নর্থ কেপ’। ওই ‘নর্থ কেপ’-এর ৬.৯ কিলোমিটার দীর্ঘ।এই ‘নর্থ কেপ’ ট্যানেলটি গিয়ে পৌঁছয় সমুদ্রতলের ২১২ মিটার নিচে। সেখানেই শেষ রাস্তা। ওই রাস্তায় যাওয়ার কিছু নিয়ম রয়েছে। সেই নিয়ম না মানলে ওই রাস্তায় যাওয়ার অনুমতি মিলবে না, নিয়ম না মানলে ভয়ঙ্কর বিপদ লুকিয়ে রয়েছে ওই রাস্তার পরতে পরতে। তাই ‘ই-৬৯ হাইওয়ে’তে একা যাওয়ার কোনও অনুমতি নেই। 


সেই রাস্তায় ভূ-বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এখানে ভয়ানক গতিতে বাতায় বইতে থাকে। আর তেমনই ঠান্ডা। এতটাই ঠান্ডা যে গ্রীষ্মকালেও এখানে বরফ পড়ে। আর শীতকালে এই রাস্তা তুষারে ঢাকা থাকে। বন্ধ থাকে রাস্তা। অতিরিক্ত তুষারপাত, বৃষ্টির সঙ্গে যখন তখন সেখানে ঝড় উঠে। আবহাওয়ার কোনও পূর্বাভাসই এখানে কাজ করে না। আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনার জন্য এখানে একা যাওয়া নিষিদ্ধ।

[বি.দ্র:যে রাস্তাটি উত্তর মেরুকে নরওয়ের সাথে যুক্ত করেছে সেটিই পৃথিবীর শেষ রাস্তা। এর বাইরে কিছুই নয়, এটাই পৃথিবীর শেষ রাস্তা। এর নাম ই-৬৯ এবং এটি প্রায় ১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ]

#সংগৃীত

(সোর্স:Zoombangla)



ঢেঁড়শকে ইংরেজিতে বলা হয় ওকরা (Okra)। আমেরিকার বাইরের ইংরেজিভাষী স্থানে এটি লেডিজ ফিঙ্গার (Lady's Fingers) নামেও পরিচিত,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ঢেঁড়শকে ইংরেজিতে বলা হয় ওকরা (Okra)। আমেরিকার বাইরের ইংরেজিভাষী স্থানে এটি লেডিজ ফিঙ্গার (Lady's Fingers) নামেও পরিচিত [৩],। কোনো কোনো স্থানে, যেমন আমেরিকার কিছু অংশ এবং ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে এটি গাম্বো (gumbo) নামেও খ্যাত, যা এসেছে এর পর্তুগিজ নাম "quingombo," থেকে, যার আদি উৎস হলো পূর্ব আফ্রিকীয় শব্দ "quillobo,"[৪]


ওকরা নামটি পশ্চিম আফ্রিকা থেকে এসেছে।[৫] আফ্রিকার বান্টু ভাষায় এটাকে বলা হয় কিঙ্গুম্বো। আরবি ভাষায় এর নাম বামিয়া । দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে এটিকে ভেন্ডি বা ভিন্ডি বলা হয়।


ঢেঁড়শ ফুলের মুকুল ও অপরিপক্ক বীজ শুঁটি

ঢেঁড়শের আদি নিবাস ইথিওপিয়ার উচ্চভূমি এলাকায়। সেখান থেকে কীভাবে এটি অন্যত্র ছড়িয়ে যায়, তা জানা যায় না। মিশরীয় ও মূর জাতির বিভিন্ন রচনায় ১২শ ও ১৩শ শতকে আরবি ভাষায় ঢেঁড়শের কথা উল্লেখ রয়েছে। এতে ধারণা করা যায় যে, প্রাচ্য হতেই এটি সেখানে এসেছে। সম্ভবত ইথিওপিয়া হতে লোহিত সাগর বা আরব উপদ্বীপের নিকটবর্তী বাব-আল-মান্দিব প্রণালী পেরিয়ে এটি আরবে ও পরে ইউরোপে যায়। ১২১৬ সালে এক স্পেনীয় মূর জাতির ব্যক্তির লেখায় এর উল্লেখ রয়েছে। মিশর ভ্রমণকালে এই মূর তার রচনায় উল্লেখ করেন, স্থানীয় ব্যক্তিরা ঢেঁড়শের ফল আটার সাথে মিশিয়ে খেতো। [৪]


আরব থেকে ঢেঁড়শ ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী দেশগুলোতে, ও পরে পূর্বদিকে ছড়িয়ে পড়ে। ভারতবর্ষের প্রাচীন ভাষাগুলোতে এই গাছটির নামের উল্লেখ নেই, তা থেকে ধারণা করা যায়, খ্রিস্টের জন্মের পরেই কেবল এই গাছটি ভারতবর্ষে আসে। আটলান্টিক মহাসাগরের দাস বাণিজ্যের অংশ হিসেবে যাতায়াতকারী জাহাজগুলোর মাধ্যমে ঢেঁড়শ আমেরিকা মহাদেশে আসে। [৬]। ১৬৫৮ সাল নাগাদ ব্রাজিলে এর উপস্থিতির উল্লেখ পাওয়া গেছে। ১৬৮৬ সাল নাগাদ এটি সুরিনামে পৌছে যায়।


উত্তর আমেরিকাতে, বিশেষত দক্ষিণ-পূর্বাংশে ঢেঁড়শের আগমন ঘটে ১৮শ শতকের শুরুর দিকে। ১৭৪৮ সালে এটি উত্তরে ফিলাডেলফিয়া এলাকাতেও চাষ করা হতো। টমাস জেফারসনের রচনায় উল্লেখ রয়েছে, ১৭৮১ সালে ভার্জিনিয়াতে ব্যাপকভাবে ঢেঁড়শের চাষ করা হতো। 

--- উইকিপিডিয়া থেকে 


( জীবনে প্রথম ঢেঁরশ রান্না করলাম যদিও ভর্তার মতো হয়েছে অনেকটা।  আমার মতো গম্ভীর লোক শেষ পর্যন্ত ঢেঁরশ বা লেডিস ফিঙ্গার রান্না / ভাজি করল! ।



পেঁপে চাষাবাদের সংক্ষিপ্ত আলোচনা।,,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 পেঁপে চাষাবাদের সংক্ষিপ্ত আলোচনা।


১। পেঁপে চাষের জন্য বন্যামুক্ত  উচু জমি যেখানে বৃষ্টির পানি জমে না সেচ ও পানি নিষ্কাশনের সুব্যবস্থা আছে এমন রোদ্রউজ্জ্বল জমি নির্বাচন করতে হবে। 


২। পেঁপে বীজ অবশ্যই শোধন করে চারা করতে হবে। 


৩। জমিতে রোপণ করার পূর্বে  চারার বয়স  হতে হবে ৪৫/৬০ দিন তবে রাসায়নিক সার দিয়ে চারা করা জাবে না। 


৪। পলিথিন ব্যাগে চারা তৈরি করলে রোপণের পর চারা দ্রুত বৃদ্ধি পায়। ৫X৪ ইঞ্চি . আকারের ব্যাগে সমান পরিমাণ বালি, মাটি ও পচা গোবরের মিশ্রণ ভর্তি করে ব্যাগের তলায় ২-৩টি ছিদ্র করুন।


৫। প্রতি গাছে ১৫ কেজি জৈব সার, ৫৫০ গ্রাম ইউরিয়া সার, ৫৫০ গ্রাম টিএসপি সার, ৫৫০ গ্রাম এমওপি সার, ২৫০ গ্রাম জিপসাম সার, ২৫ গ্রাম বোরাক্স সার এবং ২০ গ্রাম জিংক সালফেট সার একত্রে ভালভাবে প্রয়োগ করতে হয়।  ইউরিয়া ও এমওপি সার ছাড়া সব সার গর্ত তৈরির সময় প্রয়োগ করতে হবে। চারা লাগানোর পর গাছে নতুন পাতা আসলে ইউরিয়া ও এমওপি সার ৫০ গ্রাম করে প্রতি ১ মাস পর পর প্রয়োগ করতে হয়। গাছে ফুল আসলে এ মাত্রা দ্বিগুণ করতে হবে। ফল তোলার ২ মাস আগে সার দেয়া বন্ধ করতে হবে।


৬। পেঁপের ড্যাম্পিং অফ রোগ দমনে অতিরিক্ত পানি বের করার ব্যবস্থা করুন। গোড়ায় ছাই ছিটিয়ে রাখতে পারেন।লাগানোর প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম কার্বেন্ডাজিম জাতীয় ছত্রাকনাশক যেমন: এমকজিম অথবা ৪ গ্রাম ট্রাইকোডারমা ভিরিডি মিশিয়ে ১৫-২০ মিনিট ধরে বীজ শোধন করে নিন।


৭। পেঁপে বাগানে পরিমাণ মতো সেচ ও পানি নিষ্কাশন  সাথে আগাছা দমন করতে হবে নাহলে উপরের কাজ গুলো সঠিক মতো করলেও কাংখিত ফলন পাওয়া যাবে না।



বুধবার, ২৭ মার্চ, ২০২৪

কোলগেটে দাঁত না মাজলে যাদের দিন ই শুরু হয়না তাদের জন্য,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 কলগেটে দাঁত না মাজলে যাদের দিন‌ই শুরু হয় না তাঁদের জন্য।

কলগেট জিনিসটা আগে মাজন ছিল না, ছিল সাবান। কি ভাবছেন, ছিল সাবান, হয়ে গেল টুথপেস্ট? না না, একটা লোকের পদবি ছিল কলগেট। ইংল‍্যাণ্ডের লোক ছিলেন রবার্ট কলগেট ( ১৭৫৮ - ১৮২৬)। তাঁর বৌয়ের নাম ছিল সারা বাউলস। রবার্ট সাহেব ছিলেন কৃষিজীবী মানুষ। কিন্তু তাঁর দোষ ছিল তিনি পলিটিক্স নিয়ে ভাবতে ভালবাসতেন। তিনি ফরাসি বিপ্লবের গুণগ্রাহী ছিলেন আর আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধের সমর্থক। এই অপরাধের দরুণ ইংল্যান্ডের বুকে আর তাঁর থাকার সুবিধা হল না। দূর দূর করে তাড়িয়ে দেওয়া হল। তাড়া খেয়ে চাটিবাটি গুটিয়ে রবার্ট সাহেব বৌ বাচ্চা সমেত পাড়ি দিলেন আমেরিকায়। সেখানে মেরিল্যান্ড প্রদেশের বাল্টিমোরে ঠাঁই নিলেন। সেটা ১৭৯৮ এর মার্চ মাস। ওখানে তিনি আরেকটি লোকের সঙ্গে পার্টনারশিপে সাবান আর মোমবাতি তৈরির কারখানা ফাঁদলেন। পরে চলে গেলেন নিউ ইয়র্কের ডেলাওয়ার কাউন্টিতে। পার্টনারশিপ কারবার দু বছরের বেশি টিঁকল না। তারপর তাঁর ছেলে উইলিয়াম কলগেট একটা সাবান তৈরির কারখানায় শিক্ষা নবিশিতে লাগলেন। সেটা ১৮০৪। এই উইলিয়াম কলগেট (২৫ জানুয়ারি, ১৭৮৩ - ২৫ মার্চ, ১৮৫৭) গোড়াপত্তন করলেন কলগেট পামোলিভ কোম্পানির। ১৯৫০ এর দিকে কপিরাইটার অ্যালিসিয়া টোবিন বিজ্ঞাপন করেছিলেন It Cleans Your Breath While It Cleans Your Teeth"। আর ক্রমেই দাঁতের মাজন হিসেবে বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল কলগেট। এমনকি অতি সাধারণ মানুষের কাছে কলগেট হয়ে গেল দাঁতের মাজনের প্রতিশব্দ।

এখন কলগেট পামোলিভ একটা বিশ্ববিখ্যাত প্রতিষ্ঠান। ২০২৩ এ জানা গিয়েছে চৌত্রিশ হাজার কর্মচারী এই সংস্থায় বেতনভুক হিসেবে কাজ করে। এই কোম্পানির নেট আয় ২.৩০ বিলিয়ন ডলার, আর এদের সম্পত্তির মোট অর্থমূল‍্য হল ১৬.৪ বিলিয়ন ডলার। কলগেট পামোলিভ কোম্পানির হেড কোয়ার্টারের ঠিকানা হল ৩০০, পার্ক অ্যাভিনিউ, মিডল টাউন, ম‍্যানহাটান, নিউ ইয়র্ক, ১০০২২, আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র। 

আজ থেকে ২১৮ বছর আগে ১৮০৬ খ্রিস্টাব্দে উইলিয়াম কলগেট সাবান আর বাতি তৈরির   ব‍্যবসা ফাঁদেন। তার চৌদ্দ বছর পর তিনি সাবান তৈরির কারখানা খুললেন। গোড়ায় অবশ‍্য তিনি একটা সাবান তৈরির কারখানায় বয়লার ঘরে শিক্ষা নবিশ হিসাবে কাজ শিখেছিলেন। আজ থেকে ১৫১ বছর আগে ১৮৭৩ এ উইলিয়াম কলগেট মারা যাবার অনেকদিন পর কাচের জারে করে সুগন্ধি টুথপেস্ট বিক্রি শুরু করে কলগেট। ১৮৯৬ তে সেই টুথপেস্ট টিউবে ভরে বিক্রি করা শুরু হল। 

গোড়ায় পামোলিভ বলে কিছু ছিল না। ১৮৯৮ তে পাম তেল আর অলিভ তেল থেকে সাবান তৈরির ফরমূলা তৈরি করলেন বারডেট জে জনসন। তিনি উইসকনসিন প্রদেশের মিলাওয়াকিতে পামোলিভ নামে কারবার ফা়ঁদলেন। ১৯২৮ এর পহেলা জুলাই কলগেট আর পামোলিভ আর পীট একজোট হল। আর ১৯৫৩ তে কারবারের নাম হল কলগেট পামোলিভ।

কলগেটের গোড়াপত্তন করেছিলেন যিনি, সেই উইলিয়াম কলগেটের আজ মৃত্যুদিন।  ছবিটি কলগেটের মৃত্যুর অনেক পরে আঁকা।



সকাল ০৭ টার সংবাদ  তারিখ : ২৭-০৩-২০২৪ ।,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সকাল ০৭ টার সংবাদ 

তারিখ : ২৭-০৩-২০২৪ ।


আজকের শিরোনাম:


যথাযথ মর্যাদায় ৫৪তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন - জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও সফররত ভুটানের রাজার গভীর শ্রদ্ধা। 


ধানমন্ডিতে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানালেন শেখ হাসিনা।


স্বাধীনতা দিবসে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনায় প্রধানমন্ত্রী ও ভুটানের রাজার যোগদান - আঞ্চলিক সমৃদ্ধি ও উন্নয়নে বাংলাদেশ ও ভুটানের যৌথ উদ্যোগের ওপর রাষ্ট্রপতির গুরুত্বারোপ।


ভুটানের রাজার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট পরিদর্শন - বাংলাদেশের আদলে সেদেশে অত্যাধুনিক বার্ন হাসপাতাল নির্মাণের আগ্রহ ।


অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বাংলাদেশের সাথে অংশীদার হতে পেরে যুক্তরাষ্ট্র গর্বিত-স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের শুভেচ্ছা বার্তায় বললেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এন্টনি জে. ব্লিনকেন।


জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে গাজায় যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাব পাস সত্ত্বেও ইসরাইলি হামলা অব্যাহত।


আজ ঢাকায় তৃতীয় ও শেষ একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার মোকাবেলা করবে  বাংলাদেশ নারী দল।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ, ২০২৪

সকাল ০৭ টার সংবাদ  তারিখ : ২৬-০৩-২০২৪ ।

 সকাল ০৭ টার সংবাদ 

তারিখ : ২৬-০৩-২০২৪ ।


আজকের শিরোনাম:


আজ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস - নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী বীর শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাচ্ছে জাতি। 


ভোরে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে দেশের বীর শহীদদের শ্রদ্ধা জানালেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। 


স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে সকল ষড়যন্ত্রের বেড়াজাল ছিন্ন করে ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রযাত্রাকে আরও এগিয়ে নিতে দেশবাসীর সহযোগিতা চাইলেন শেখ হাসিনা।


জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১০ বিশিষ্ট ব্যক্তির হাতে স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী।


শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করলেন সফররত ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক - বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে তিনটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর।


গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়ে নিরাপত্তা পরিষদে প্রস্তাব পাস।


ঢাকায় বিশ্বকাপ ফুটবল বাছাই পর্বের দ্বিতীয় রাউন্ডের ফিরতি ম্যাচে আজ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে খেলবে ফিলিস্তিন ।

সকাল ০৭ টার সংবাদ  তারিখ : ২৫-০৩-২০২৪ ।

 সকাল ০৭ টার সংবাদ 

তারিখ : ২৫-০৩-২০২৪ ।


আজকের শিরোনাম:


আজ ভয়াল ২৫শে মার্চ, গণহত্যা দিবস - ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানী বাহিনী বাঙালি নিধনে শুরু করে “অপারেশন সার্চলাইট”। 


পাঁচ দিনের সফরে আজ ঢাকায় আসছেন ভুটানের রাজা - তিনটি চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা।


গাজায় হত্যাকাণ্ড বন্ধে কোনো পদক্ষেপ না নেয়া দুঃখজনক - ফিলিস্তিনের ক্ষমতাসীন ফতেহ আন্দোলনের মহাসচিব সৌজন্য সাক্ষাতে এলে বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


ঈদ সামনে রেখে যান চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হল ৭টি ফ্লাইওভার - বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলে এখন যোগাযোগ আরো স্বস্তিদায়ক ও সহজ হবে - বললেন সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী।


জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী বিষয়ক সংস্থাকে উত্তর গাজায় ত্রাণ সহায়তা দিতে বাধা ইসরায়েলের।


সিলেট টেস্টে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে আজ চতুর্থ দিনে ৫ উইকেট হাতে নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামবে বাংলাদেশ।


সোমবার, ২৫ মার্চ, ২০২৪

লিচুর ফল ঝরে যাওয়া সমস্যা‌।

 লিচুর ফল ঝরে যাওয়া সমস্যা‌।


লক্ষণ:


* ফল ঝরা লিচুর সাধারণ সমস্যা, ফল ধরার পর থেকে শুরু করে ফল পরিপক্কতা হওয়া পর্যন্ত ফল ঝরা চলতে থাকে।


* ফল বাদামী থেকে কাল রং ধারণ করে।


* গুটি অবস্থায় ফল ঝরে পড়ে অর্থাৎ ফল ধরার ২-৪ সপ্তাহ সময়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশী ফল ঝরে।


কারণ: 


ছত্রাক, খরা/দীর্ঘ সময় আবহাওয়া শুষ্ক হলে, শারীরবৃত্তীয় কারণে ও গাছে পুষ্টির ঘাটতি/হরমোনের অভাব থাকলে ফল ঝরে পড়তে পারে ।


সমন্বিত দমন ব্যবস্থাপনা:


* শুষ্ক আবহাওয়া বিরাজ করলে সেচের ব্যবস্থা করতে হবে।


* মাটিতে জৈব সার সহ সুষম সার প্রয়োগ করতে হবে।


* ফল মটর দানা এবং মার্বেল আকার অবস্থায় প্রোটোজিম/প্লানোফিক্স/ফ্লোরা/মিরাকুলান/লিটোসেন/বাম্পার/বলবান এর যে কোন একটি অনুমোদিত মাত্রায় পানির সাথে মিশিয়ে  স্প্রে করতে হবে।


* গুটি বাধার পর জিংক সালফেট প্রতি লিটার পানিতে ১০ গ্রাম হারে মিশিয়ে পর পর ৩ সপ্তাহ গাছে স্প্রে করলে ফল ঝরা ও ফল ফাটা বন্ধ হয় এবং ফলের আকৃতিও বড় হয়। রোগ ও পোকার আক্রমণ প্রতিহত করতে হবে।



রাস্তার ধারে 'মমি' এবং পিরামিড থেকে পাওয়া (বা চুরি করা) জিনিষ বিক্রয় করছেন এক স্থানীয় মিশরীয় বিক্রেতা। কায়রো, মিশর। ১৮৭৫ সালের ছবি।

 🔺রাস্তার ধারে 'মমি' এবং পিরামিড থেকে পাওয়া (বা চুরি করা) জিনিষ বিক্রয় করছেন এক স্থানীয় মিশরীয় বিক্রেতা। কায়রো, মিশর। ১৮৭৫ সালের ছব

(ছবি সৌজন্যে - ব্রিটিশ লাইব্রেরী, ইউনাইটেড কিংডোম।)


'মমি বিক্রি', এই শব্দবন্ধটি পড়ে অবাক লাগলেও, এটি একসময় মিশরে খুবই সাধারণ বিষয় ছিল। আর এই বিক্রিবাটা হত রাস্তার ধারে এবং খোলা বাজারে। খ্রিস্টীয় ১৯ শতকে ধনী ইউরোপীয়ান এবং আমেরিকান ভ্রমনার্থীদের নিকট "ভ্রমণ স্মারক" (tourist souvenirs) রূপে 'মমি' বিক্রি মিশরের প্রায় সর্বত্র হত এবং এটি খুবই সাধারণ বিষয় ছিল। নীচে ছবিতে যেমন দেখা যাচ্ছে, তেমন ভাবেই রাস্তার ধারে বা খোলা বাজারে এগুলো বিক্রি করা হত মিশর ভ্রমণকারীদের জন্য, যাতে তাঁরা এগুলো নিজেদের দেশে, নিজেদের বাড়িতে নিয়ে যেতে পারেন।


ভিক্টোরিয়ান যুগে, ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়নের মিশর বিজয়, ইউরোপ ও ইউরোপীয়ানদের কাছে মিশর এবং মিশরের ইতিহাসের বন্ধ থাকা দরজা খুলে দিয়েছিল। সেই সময়ে ইউরোপীয়ান এলিট সমাজে মমি কে সম্মানের দৃষ্টিতে দেখা হত না। খ্রিস্টীয় ১৮ শতকে, মিশরের রাস্তার ধার ও বাজার থেকে কেনা মমিগুলোকে ইউরোপে বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে 'মজার জিনিষ' বলে সকলের সামনে প্রদর্শন করা হত। এমনকি ইউরোপে এই সময়ে 'মমি উন্মোচন' পার্টির আয়োজন পর্যন্ত করা হত। এই ধরণের পার্টিতে অতিথি অভ্যাগতদের সামনে মমির থেকে ব্যান্ডেজ খুলে সেগুলো কে উন্মুক্ত করা হত, এবং সেই দৃশ্য পানীয় সহযোগে, হাততালি দিয়ে তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করতেন পার্টিতে আমন্ত্রিত ব্যক্তিরা।


ইউরোপে শিল্প বিপ্লবের সাথে সাথে মিশর থেকে কিনে নিয়ে যাওয়া মমির অন্য ব্যবহার হওয়াও শুরু হল। মিশর থেকে জাহাজ ভরে মানুষ ও পশুর মমি ব্রিটেন ও জার্মানি তে নিয়ে যাওয়া হত, সেখানে সেগুলি জমির সার রূপে ব্যবহার করা হত। মমির শরীর থেকে ব্যান্ডেজ খুলে, সেই ব্যান্ডেজ আমেরিকায় পাঠানো হত, সেখানে সেগুলি কাগজ তৈরির জন্য ব্যবহৃত হত। বিখ্যাত লেখক মার্ক টোয়াইন তাঁর মিশর ভ্রমণের ডাইরি তে লিখে গিয়েছেন যে, মিশরে মমি কে লোকমটিভের জ্বালানি রূপেও ব্যবহার করা হত।


খ্রিস্টীয় ১৯ শতক এগিয়ে আসার সাথে সাথে, মিশরের মমি কেবলমাত্র ধনী ইউরোপীয় এবং মার্কিন প্রাইভেট সংগ্রাহকদের সংগ্রহের বিষয় বস্তু হয়ে দাঁড়ায়। তাঁরা মিশর ভ্রমণকালে উচ্চ মূল্যে এগুলো ক্রয় করে নিতেন "ভ্রমণ স্মারক" রূপে। যাঁরা আবার একটা আস্ত মমি কিনতে পারতেন না বা পেতেন না, তাঁরা চোরা বাজার থেকে মমির শরীরের বিভিন্ন অংশ যেমন মাথা বা পা বা হাত কিনে নিয়ে নিজের দেশে নিয়ে যেতেন।


মমির জন্য মিশরের ছোট বড় কোনও পিরামিডই ধনী ইউরোপীয় এবং মার্কিনদের লোভের হাত থেকে রক্ষা পায় নি। কেবলমাত্র যে পিরামিডগুলোর দরজা কোনও ভাবেই খোলা সম্ভব হয় নি বা যে পিরামিডগুলো তে অজানা মৃত্যু ফাঁদ ছিল, সেগুলোই লুঠের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছিল। এটাও উল্লেখ্য যে মমির সাথে পিরামিডের ভিতরে থাকা বিপুল ঐশ্বর্য এবং জিনিসপত্রও যথেচ্ছ ভাবে লুঠ করে ইউরোপ ও মার্কিন মুলুকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।


এই ব্যবসাতেও অবশ্য জালিয়াতি ছিল। ছিল জাল মমির উৎপাত। বিচারে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত আসামির দেহ, বয়স্ক মানুষের মৃতদেহ, গরীব মানুষের দেহ এবং যারা কোনও জটিল রোগে মারা গিয়েছেন তাঁদের দেহ, ক্রয় করে, সেই দেহ একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মরুভূমির তপ্ত বালি তে পুঁতে রেখে বা বিটুমিন দিয়ে স্টাফ করে, সেগুলো কে ব্যান্ডেজ দিয়ে মুড়িয়ে তারপরে আবার চড়া রোদে শুকিয়ে প্রাচীন মমি বলে ধনী বিদেশিদের কাছে চড়া মূল্যে বিক্রয় করা হত।


(তথ্য সৌজন্যে - ব্রিটিশ লাইব্রেরী, ইউনাইটেড কিংডোম।)

কৃতজ্ঞতা Dr Nobiul Islam Sohel


Stay Curious SIS 

Siddiqui's International School



মাসনা, সুলাসা, রুবা' حامدا ومصليا أما بعد শরীআতের সকল বিষয় সুস্পষ্ট বর্ণিত ও নির্ধারিত।  বিবাহ ও একাধিক বিবাহের বিধানও নির্ধারিত।

 মাসনা, সুলাসা, রুবা' حامدا ومصليا أما بعد শরীআতের সকল বিষয় সুস্পষ্ট বর্ণিত ও নির্ধারিত।  বিবাহ ও একাধিক বিবাহের বিধানও নির্ধারিত। এই অব...