এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৪

জীবন চলার পথে কথা গুলো কাজে লাগবে-

 ★জীবন চলার পথে কথা গুলো কাজে লাগবে---

১. কখনো বাসে জানালার পাশে বসে মোবাইল টিপবেন না। কখন নিয়ে যাবে,

টের পাবেন না।

-

২. রিকশাতে বসে কোলে ব্যাগ রাখবেন না। পাশ থেকে মটরসাইকেল কিংবা গাড়িতে করে এসে হ্যাচকা টান দেবে।

-

৩. রাস্তায় কিছু খাবেন না, কিছুই না। দূরপাল্লার যাত্রা হলে বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে আসুন অথবা প্যাকেটজাত কিছু খান।

পাশের যাত্রী কিছু দিলে খান না, তাতে কি?

হয়তো যে পানি বা ডাব কিনলেন, বা

অন্যকিছু তাতেই থাকতে পারে ঔষধ।

-

৪. ট্রেন জার্নিতে দরজার পাশে, দুই বগির পাশে দাড়াবেন না। কিংবা যতোই ভালো লাগুক দরজায় দাঁড়িয়ে সিগারেট খাবেন না। ট্রেনের ছাদে চলাচল যতোই রোমান্টিক লাগুক, যে গ্যাং গুলো ছিনতাই করে, তারা খুবই নির্দয় এবং বেপরোয়া। অনেক

যাত্রীর লাশ পাওয়া যায় সারাদেশের ট্রেন লাইনের আশেপাশে। বেশিরভাগই বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন

করে ফেলা হয়।

-

৫. কপাল খারাপ হলে ছিনত্যাইয়ের শিকার হবেন। ধরা যাক হলেন। কি করবেন ? ছিনতাইকারী বেশ কয়েকজন। আপনি একা, চারপাশে কেউ নেই। আপনাকে ঘেরাও করে রেখেছে। আপনার পকেটে দামী ফোন। এসবক্ষেত্রে ভালো হয় ফোনের মায়া ত্যাগ করা। কারণ যারা ছিনতাইকারী তাদের বেশিরভাগই নেশাগ্রস্থ।

আপনার জীবনের দাম পৃথিবীর যেকোনো দামী ফোনের চেয়েও অনেক বেশি।

-

৬. বান্ধবী বা মেয়ে বন্ধুর সাথে রেস্টুরেন্ট বা পার্কে যাচ্ছেন। হঠাৎ দেখবেন আপনার চারপাশে একদল ছেলের আবির্ভাব। এরা কিন্তু একটা গ্যাং।

দেখবেন আপনাদের নিয়ে নানান রকম আজে বাজে কথা বলছে, বাজে ইঙ্গিত দিচ্ছে। আসলে ওরা চাইছেই আপনাকে উত্তেজিত করে একটা

ঝামেলায় বাধাতে।

এতে ওদের লাভ, সেটা

কিরকম ?

ধরাযাক আপনি মাথা গরম করে ঝামেলায় জড়ালেন। ওরা আপনাকে অপমান করেছে বলে আপনি পাল্টা কিছু বললেন বা করলেন। এই পেয়ে

গেলো সুযোগ। ওরা তখন বাইরে থেকে নেতা গোছের কাউকে ধরে আনবে। যিনি এসেই আপনাকে আপনার বান্ধবীর সামনেই নানান

রকমভাবে জেরা করবে। তারপর বিচারে আপনাকেই দোষী বানিয়ে দেবে।

অত:পর মিটমাট করার নাম করে আপনার কাছ থেকে জরিমানা

বাবদ টাকা পয়সা কিংবা দামী ঘড়ি, ফোন অথবা ল্যাপটপটা রেখে দেবে। তাই এসব জায়গায় কথা বাড়ানো

মানেই ঝামেলা ডেকে আনা। আর নির্জন জায়গা হলে এদের দেখা মাত্রই সরে পড়ুন।

-

৭. ভোররাতে ঢাকা এসে পৌঁছেছেন। সাহস দেখিয়ে রাস্তায় নেমে পড়তে যাবেন না। বাসস্টপে বা ট্রেন স্টেশনেই অপেক্ষা করুন। সকালে যখন রাস্তায় যথেস্ট মানুষ থাকবে তখন বের হন।

-

৮. ট্রেন স্টেশনে বা সদরঘাটে নিজে নিজে বয়ে নিয়ে যেতে পারেন না এমন বোঝা নিয়ে এসেছেন তো মরেছেন। মাথায় করে পৌঁছেব দেয়ার নামে আপনার কাছ থেকে চাদার মতো

৪০০-৫০০ টাকা খসিয়ে ছাড়বে কুলিরা। তাই সাবধানে থাকুন,

দরদাম করে তারপর কুলি ঠিক করুন।

-

৯. নিউমার্কেট বা নীলক্ষেতের মত জায়গায় কেনা কাটা করতে গেলে খুবই সাবধান। কৌতুহলের

বশে কোনো কিছুর দাম জিজ্ঞেস করলেও

এখানে আপনাকে পাল্টা দাম বলার জন্য জোরাজুরি করবে। মনে রাখবেন এখানে মেজাজ দেখিয়ে লাভ নাই, এখানকার দোকানীরা সংঘবদ্ধ হয়ে কাজ করে।

-

১০. বাসে উঠলে প্যান্টের পিছনের পকেটে মোবাইল, মানিব্যাগ এসব কিছু রাখা নিরাপদ না।

দেখবেন ভিড়ের মাঝে বাসে ওঠতেছেন যে কেউ টান মেরে নিয়ে যেতে পারে টের ও পাবেন না। তাই সামনের পকেটে এসব জিনিস রাখুন।

-

১১. বাণিজ্যমেলা, চিড়িয়াখানা, চন্দ্রিমা উদ্যান কিংবা শিশুপার্কে গিয়ে দাম খুব ভালো করে না জেনে কিচ্ছু খাবেন না। দেখা যাবে একটা সিংগাড়া কিংবা আধা প্লেট বিরিয়ানি খাইয়ে ৪০০-৫০০টাকার বিল ধরিয়ে

দেবে আপনাকে।

-

১২. রাতে ঘোরাঘুরি না করাই ভালো। ছিনত্যাইকারী ধরলেতো কথাই নেই। এমনকি ‌( কিছু বিপদগামী)পুলিশ ( সক‌লেই  নয় )ধরলেও বিপদ। যতই নির্দোষ হন, পুলিশ যদি বুঝতে না চায়

আর আপনাকে আটকে রাখার নিয়ত যদি থাকে, তাহলে আপনার কিছুই করার থাকবে না।

-

১৩. বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে আছেন, হঠাৎ একটা মাইক্রোবাস এসে থামলো আপনার সামনে। সেটা প্রাইভেট গাড়িও হতে পারে। আপনাকে চালক

বলবে সে গ্যারেজে ফেরার পথে বাড়তি কিছু ‘ট্রিপ’ নিচ্ছে। খুব অল্প ভাড়ায় আপনাকে পৌছে দেবার কথা বলবে। আপনি উঠবেন না। মেয়ে

হলেতো আরো আগে না।

-

১৪. রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছেন। হঠাৎ ভদ্রবেশি কেউ এসে, সে হতে পারে ছেলে বা মেয়ে বা বয়ষ্ক পুরুষ কিংবা মহিলা, আপনার ফোন চাইলো।

বললো, উনার কোন একটা সমস্যার কথা, এক্ষুনি একটা ফোন দিতে হবে কাউকে। আপনি বিশ্বাস করে ফোনটা দিলেন, দেখবেন পরক্ষণেই হুট

করে বাইকে উঠে হাওয়া।

-

১৫. সাথে সবসময় আইডি কার্ডের ফটোকপি সাথে রাখুন। বিপদে পড়লে খুব কাজে দেয়। হয়তো কোনো দূর্ঘটনা ঘটেছে, অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছেন, তখন যারা

উদ্ধার কাজে আসবে তারা আপনার পরিবার পরিজনকে জানাতে পারবে।

-

১৬. নতুন বিবাহিত হলে এবং স্ত্রীকে সাথে নিয়ে ঘুরতে এলে কাবিননামার ছবি মোবাইলে তুলে রাখুন। কখন কোন কাজে লেগে যাবে বুঝতেও

পারবেন না।

 সবচেয়ে বড় কথা, সবসময় সতর্ক

থাকুন, চোখ কান খোলা রাখুন।

মনে রাখবেন, দোয়া পড়ে বাহির হবেন।


আপনার নিরাপত্তা আপনারই হাতে।

এই বিষয়ে আপনারা সতর্ক থাকবেন।


নিজে সতর্ক ও সচেতন থাকুন এবং অন্যকেও সতর্ক ও সচেতন করুন।


 শিক্ষা ও তথ্য কেন্দ্র


( সংগৃহীত )

শরীর_ব্যবসার অজানা দিক নিয়ে লিখবো বলেছিলাম। 

 শরীর_ব্যবসার অজানা দিক নিয়ে লিখবো বলেছিলাম। 

শুরুটা আমার পছন্দের প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার ইতিহাস দিয়েই করা যাক। আজ রইলো প্রাচীন মিশরের শরীর ব্যবসার কিছু অজানা তথ্য। 


#প্রথম_পর্ব


আজ থেকে কয়েক হাজার বছর আগেই প্রাচীন মিশরীয়রা জন্মনিয়ন্ত্রণের বেশ কিছু পন্থা আবিষ্কার করেছিল। আসলে প্রাচীন মিশরীয় সমাজে অবাধ যৌন স্বাধীনতা উপভোগ করার জন্যে এই পন্থা আবিষ্কারে তারা একরকম বাধ্যই হয়েছিল। এই পন্থাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় ছিল মধু আর সোডিয়াম বাই কার্বনেটের এক বিশেষ মিশ্রণ। যৌন মিলনের আগে এই বিশেষ মিশ্রণ নারী দেহের যৌনাঙ্গের ভেতরে প্রলেপের মতন করে লাগানো হতো।


সেই প্রাচীন কালেই এলিট ক্লাসের মিশরীয় নারীরা যৌনতার বিষয়ে যথেষ্ট আধুনিক ছিলেন। শোনা যায় প্রথম যৌবনে ক্লিওপেট্রা নাকি নিজের একাকিত্ব দূর করতে এক রকম ভাইব্রেটর ব্যবহার করতেন। প্যাপিরাস পাতা দিয়ে বানানো এক ধরণের সরু ঠোঙার ভেতরে অসংখ্য জীবন্ত মৌমাছি ঢুকিয়ে দেওয়া হতো। মৌমাছিদের গুঞ্জনের ফলে যে কম্পনের সৃষ্টি হয় তাকে নিজের শরীরে উপভোগ করতেন ক্লিওপেট্রা।


প্রাচীন মিশরীয় সমাজ যৌনতা প্রসঙ্গে এতটাই আধুনিক ছিল যে অন্যান্য সভ্যতাগুলোর মতন তারা নারীর কুমারিত্ব নিয়ে বিশেষ বিব্রত হতো না। প্রাচীন মিশরীয় শব্দমালায় ‘ভার্জিন’ বলে কোনও শব্দের উল্লেখই পাওয়া যায় না। বিবাহের সময়ও প্রাচীন মিশরের পুরুষরা নারীদের কুমারিত্ব নিয়ে বিশেষ মাথা ঘামাত না। বিবাহের আগে কোনও নারী যদি স্যাক্রেড প্রস্টিটিউশনের সঙ্গে জড়িত থাকতো তবে তাকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হতো। 

 প্রাচীন মিশরে বিবাহের আগে শারীরিক মিলনকে সহজভাবে দেখা হলেও বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক বেশ ঘৃণ্য কাজের মধ্যেই পড়তো, বিশেষ করে নারীর ক্ষেত্রে। বিবাহের পর অন্য পুরুষের সঙ্গে শারীরিক মিলনের শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের শাস্তির উদাহরণও রয়েছে প্রাচীন মিশরীয় ইতিহাসে। তবে পুরুষের ক্ষেত্রে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হলেও সেই শাস্তি ছিল বেশ লঘু।


প্রাচীন মিশরে ডিভোর্সের প্রথা প্রচলিত থাকলেও তা চাইলেই সম্ভব হতো না। মূলত দুটি কারণে ডিভোর্সকে মেনে নিত প্রাচীন মিশরীয় সমাজ। সন্তানহীনতা এবং বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া ছিল সেই দুটি কারণ।


পৃথিবীর ইতিহাসে সর্বপ্রথম ওরাল সেক্স’এর উদাহরণ কিন্তু প্রাচীন মিশরীয় মাইথোলজিতেই খুঁজে পাওয়া যায়। দেবতা সেথ তার ভাই দেবতা ওসাইরিসকে খুন করেছিলেন তাদের হাফ সিস্টার দেবী আইসিস’কে পাবার জন্যে। ওসাইরিসকে খুন করার পর তার শরীরকে অসংখ্য টুকরো করে নীল নদের উপত্যকায় ছড়িয়ে দিয়েছিলেন দেবতা সেথ। দেবী আইসিস অবশ্য নিজের ভালোবাসার মানুষ ওসাইরিসকে পুনরায় বাঁচিয়ে তুলেছিলেন। এই কাজ করতে গিয়ে তিনি নীল নদের বিস্তীর্ণ উপত্যকা জুড়ে ওসাইরিসের শরীরের অংশ খুঁজে একত্রিত করেছিলেন। তবে সব কিছু খুঁজে পেলেও ওসাইরিসের যৌনাঙ্গ খুঁজে পাননি তিনি। ফলে ওসাইরিসের শরীরে প্রাণের সঞ্চার সম্ভব হচ্ছিল না। তখন দেবী আইসিস নীল নদের তীরের পবিত্র মাটি দিয়ে একটি পুরুষাঙ্গ বানান। তারপর মাটির তৈরি সেই পুরুষাঙ্গকে নিজের দুই ঠোঁটের মাঝে রেখে তাতে উষ্ণতা প্রদান করেন এবং তা ওসাইরিসের শরীরে সঠিক জায়গায় স্থাপন করেন। সঙ্গে সঙ্গে দেবতা ওসাইরিস যৌন উত্তেজনা অনুভব করেন এবং তার শরীরে প্রাণের সঞ্চার হয়।


প্রাচীন মিশরে যৌনাঙ্গের মতন দেখতে অ্যামুলেট পরিধান করার রীতি ছিল। সাধারণত দেবতার মন্দিরে স্যাক্রেড প্রস্টিটিউশনের সঙ্গে যুক্ত নারীরা দেবতার যৌনাঙ্গের আকৃতির অ্যামুলেট পরতেন তাদের দুই বাহুতে।


চলবে...


 তথ্য ও রচনা -©️ বিশ্বজিৎ সাহা

মাটির প্রকারভেদঃ,,,,,,,,

 👉🏻কোন মাটিতে কি ফসল ভালো হয় 🪔

মাটির প্রকারভেদঃ


মাটি প্রধানত ৩ প্রকার:-


১। এঁটেল মাটি

২। বেলে মাটি

৩। দোআঁশ মাটি


মাটির বৈশিষ্ট্য নিম্ন্রুপঃ


১। এঁটেল মাটি

ক) এটেল মাটিতে বালু অপেক্ষা পলি ও কাদার ভাগ বেশি থাকে।

খ) এ কাদা মাটি খুব নরম, দানা খুব ছোট ও মিহি।

গ) ও মাটি বেশি পানি ধরে রাখতে পারে।

ঘ) এ মাটিতে ভালভাবে বাতাস চলাচল করতে পারেনা।

ঙ) এ মাটি সব ফসলের জন্য তেমন উপকারী নয়, তবে ধান চাষ করা যায়।


২।বেলে মাটি

ক) বেলে মাটিতে বালির ভাগ বেশি থাকে।

খ) এ মাটির পানি ধারন ক্ষমতা কম।

গ) বেলে মাটিতে ফসল তেমন ভাল হয় না তবে তরমুজ শসা, বাঙ্গী, চীনাবাদাম, মিষ্টি আলু ইত্যাদি ভাল জন্মে।


৩। দোআঁশ মাটি

ক) দোআঁশ মাটিতে বালি, পলি ও কাদা সম পরিমানে থাকে।

খ) এ মাটির পানি ধারন ক্ষমতা মাঝারী।

গ) চাষাবাদের জন্য দোআঁশ মাটি উপযুক্ত। এ মাটিতে ধান, পাট, গম, পিয়াজ, মরিচ, ভূট্টা, আলু, শাকসবজি ইত্যাদি ভাল জন্মে।

,,,,,,,,,,,,

বিভিন্ন প্রকারের রাসায়নিক সারের কাজ।


আমরা কৃষি জমিতে সবাই বিভিন্ন রকম সার ব্যবহার করি। কিন্তু কোন সার ফসলের জন্য কি কাজ করে তা আমরা অনেকে জানি আবার  জানি না, এমনকি জানার চেষ্টাও করিনা। কিন্তু ভাল ফসল উৎপাদনের জন্য এটা জানা খুবই জরুরী। নিচে কোন প্রকার রাসায়নিক সারের কি কাজ তা সংক্ষেপে তুলে ধরলাম। 


#ইউরিয়া:


ইউরিয়া সার গাছের ডালপালা, কান্ড ও পত্রের বৃদ্ধি সাধন করে। এই সার গাছপালাকে গাঢ় সবুজ রং প্রদান করে। এর নাইট্রোজেন পাতার সবুজ কণিকা বা ক্লোরফিলের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং উদ্ভিদের প্রোটিন উৎপাদনে সহায়তা করে।


#টিএসপি:


টিএসপি, ডিএপি বা ফসফেট জাতীয় সারের ফসফরাস গাছের প্রথম পর্যায়ের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে। এছাড়া উদ্ভিদের জীবকোষের বিভাজনে অংশগ্রহণ করে এবং গাছের মূল বা শিকড়ের গঠন ও বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। তাছাড়া সময় মতো গাছকে ফুল ও ফলে শোভিত করে এবং ফলের পরিপক্কতা ত্বরান্বিত করে। 


#পটাশ:


এমপি সার বা পটাশ সারের পটাশিয়াম পাতার ক্লোরফিল তৈরির অবিচ্ছেদ্য অংশ যা শর্করা প্রস্তুতিতে সহায়তা এবং সেগুলির দেহাভ্যন্তরে চলাচলের পথ সুগম করে। এই সার নাইট্রোজেনের কার্যকারিতার পরিপূরক এবং পোকামাকড় ও রোগবালাই থেকে গাছকে রক্ষা করে। এই সার গাছের খরা সহিঞ্চুতা বাড়ায়, গাছকে মজবুত করে।


#জিপসাম:


জিপসাম সারের মধ্যে থাকা সালফার নাইট্রোজেন আত্মকরণে সহায়তা করে। এই সার প্রোটিন প্রস্তুতিতে অংশ গ্রহণ করে, তেল উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং সালফার ভিটামিন ও কো-এনজাইমের উপাদান তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। 


#জিংক_সালফেট:


জিংক সালফেটের জিংক প্রোটিন প্রস্তুতিতে সহায়তা করে এবং হরমোনের কার্যকারিতার জন্য সহায়তা করে।


#বোরাক্স:


বোরাক্সের বোরন ফলের বিকৃতি রোধ করে এবং ফুল ফল ধারণে সাহায্য করে।


কিভাবে বুঝবেন আপনার জমির দলিল বৈধ কি না

 কিভাবে বুঝবেন আপনার জমির দলিল বৈধ কি না?


জমি কেনা বা বিক্রি একটি গুরুত্বপূর্ণ লেনদেন, এবং এর সাথে জড়িত আইনি প্রক্রিয়াগুলি বোঝা জরুরি। জমির দলিল হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি যা মালিকানার অধিকার প্রমাণ করে। তাই, জমি কেনার আগে দলিলটি সঠিকভাবে যাচাই করে নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


জমি কেনা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ, এবং আইনি জটিলতা এড়াতে জমির দলিলের বৈধতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। একটি জমির দলিল বৈধ কিনা তা নির্ধারণ করার জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে।


১. দলিলের মূল কপি পরীক্ষা করুন:


👉নিশ্চিত করুন যে দলিলটি সঠিকভাবে সাব-রেজিস্ট্রারের দ্বারা স্বাক্ষরিত এবং সিল করা আছে।

👉দলিলের মূল কপিতে থাকা ছবি এবং মালিকের বর্তমান ছবি মিলে যাচ্ছে কিনা তা পরীক্ষা করুন।

👉দলিলের সকল পাতায় সঠিকভাবে স্ট্যাম্প লাগানো আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন।


২. দলিলের তথ্য যাচাই করুন:


👉দলিলে উল্লেখিত মালিকের নাম, ঠিকানা, জমির পরিমাণ, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর ইত্যাদি তথ্য সঠিক কিনা তা খতিয়ান, দাগ খতিয়ান, এবং সরকারি রেকর্ডের সাথে মিলিয়ে দেখুন।

👉দলিলে উল্লেখিত সাক্ষীদের নাম এবং ঠিকানা সঠিক কিনা তা যাচাই করুন।


৩. আইনি পরামর্শ নিন:


👉একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া জমির দলিলের বৈধতা নিশ্চিত করার সবচেয়ে নিরাপদ উপায়।

👉আইনজীবী দলিলের সকল দিক বিশ্লেষণ করে আপনাকে দলিলটি বৈধ কিনা তা জানাতে পারবেন।


৪. অনলাইন মাধ্যম ব্যবহার করুন:

👉সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে গিয়ে জমির দলিলের তথ্য অনলাইনে যাচাই করতে পারেন।

👉কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও জমির দলিলের বৈধতা যাচাই করার সার্ভিস প্রদান করে।


৫. সতর্কতা অবলম্বন করুন:


👉দলিলের বৈধতা সম্পর্কে কোন সন্দেহ থাকলে দলিলটি ক্রয় করা থেকে বিরত থাকুন।

অসৎ ব্যক্তিদের প্রতারণার শিকার হতে সাবধান থাকুন।

👉জমি কেনার আগে জমির দলিলের বৈধতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উপরে উল্লেখিত পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করে আপনি একটি জমির দলিল বৈধ কিনা তা নির্ধারণ করতে পারবেন।


জমির দলিল বৈধ কিনা তা বোঝার জন্য কিছু প্রশ্ন ও উত্তর


১) দলিলে কি সকল প্রয়োজনীয় তথ্য আছে?


দলিলে জমির মালিকের নাম, ঠিকানা, জমির পরিমাণ, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর, মৌজা, উপজেলা, জেলা স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে কিনা?

,👉দলিলের সাক্ষীদের নাম, ঠিকানা স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে কিনা?

👉দলিলের স্বাক্ষর ও তারিখ স্পষ্টভাবে আছে কিনা?


২) দলিলের স্ট্যাম্প ও রেজিস্ট্রেশন


👉দলিলে সরকার নির্ধারিত স্ট্যাম্প ব্যবহার করা হয়েছে কিনা?

👉দলিলটি সঠিকভাবে রেজিস্ট্রি করা হয়েছে কিনা?

রেজিস্ট্রারের স্বাক্ষর ও তারিখ স্পষ্টভাবে আছে কিনা?


৩) দলিলের মালিকানার ধরণ।


👉দলিলের মাধ্যমে মালিকানা কিভাবে অর্জিত হয়েছে (উত্তরাধিকার, ক্রয়, বিনিময়, দান ইত্যাদি)?

👉মালিকানার ধরণ কি (মালিকানা, দখল, ভাগচাষ ইত্যাদি)?

👉মালিকানার কোনো শর্ত বা বাধা আছে কিনা?


৪) জমির অবস্থা


👉জমি কি বাস্তবে বিদ্যমান?

👉জমির মালিকানা বিতর্কমুক্ত কিনা?

👉জমির উপর কোনো ঋণ বা বন্ধক আছে কিনা?


৫) আইনি পরামর্শ

জমির দলিল বৈধ কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া উচিত।


৬. দলিলের বয়স:

প্রশ্ন: কত বছরের পুরোনো দলিল বৈধ?

উত্তর: দলিলের বয়সের কোন নির্দিষ্ট সীমা নেই। তবে, 1976 সালের আগের দলিলগুলো "পুরাতন দলিল" হিসেবে বিবেচিত হয় এবং বৈধতা যাচাইয়ের জন্য অতিরিক্ত যাচাই-বাছাই প্রয়োজন হতে পারে।


৭. দলিলের ধরন:

প্রশ্ন: কত ধরণের জমির দলিল আছে?

উত্তর: বাংলাদেশে 4 ধরণের জমির দলিল আছে:

°দাগ নম্বর খতিয়ান

°মৌজা খতিয়ান

°সিএস খতিয়ান

°আরএস খতিয়ান


৮. দলিলের মালিকানা:


প্রশ্ন: দলিলে একাধিক মালিকের নাম থাকলে কী করবেন?

উত্তর: সকল মালিকের সম্মতি ছাড়া জমি বিক্রি করা যাবে না। মালিকানা পরিবর্তনের জন্য সকলের স্বাক্ষর এবং সম্মতি প্রয়োজন।


৯. দলিলের মিউটেশন:


প্রশ্ন: মিউটেশন কী?

উত্তর: মিউটেশন হলো জমির মালিকানা পরিবর্তনের নথিভুক্তি প্রক্রিয়া। নতুন মালিকের নাম খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য মিউটেশন করা আবশ্যক।


১০. দলিলের জালিয়াতি:

প্রশ্ন: জাল দলিলের বৈশিষ্ট্যগুলো কী কী?

উত্তর: জাল দলিলে ভুল বানান, অস্পষ্ট তথ্য, মিথ্যা স্বাক্ষর, এবং অসঙ্গতিপূর্ণ তথ্য থাকতে পারে।


১১. দলিল যাচাই:

প্রশ্ন: জমির দলিল যাচাই করার সর্বোত্তম উপায় কী?

উত্তর: সাব-রেজিস্ট্রার অফিস: আপনি যেখানে জমি অবস্থিত সেখানকার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে গিয়ে দলিলের মূল কপি এবং খতিয়ানের সাথে মিলিয়ে দেখতে পারেন।


ভূমি অফিস: আপনি যেখানে জমি অবস্থিত সেখানকার ভূমি অফিসে গিয়ে দলিলের তথ্য অনলাইনে যাচাই করতে পারেন।

আইনজীবীর পরামর্শ: একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া জমির দলিলের বৈধতা যাচাই করার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায়।


বি:দ্র: তথ্যটি গুরুত্বপূর্ণ মনে করলে শেয়ার করে আপনার টাইমলাইনে রাখুন।


সকাল ০৭ টার সংবাদ তারিখ: ২৯-০৪-২০২৪

 সকাল ০৭ টার সংবাদ

তারিখ: ২৯-০৪-২০২৪


সংবাদ শিরোনাম:


থাইল্যান্ডে ছয় দিনের সরকারি সফর শেষে আজ দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 


তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে ঢাকাসহ পাঁচ জেলায় আজ মাধ্যমিক স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা বন্ধ - প্রভাতি শাখায় ক্লাশ হওয়ায় খোলা থাকছে প্রাথমিক বিদ্যালয়।


কালো চশমা পরা বিএনপি নেতারা দেশের উন্নয়ন  দেখতে পায় না - শহীদ শেখ জামালের ৭১তম জন্মদিনে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বললেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। 


বিদেশে বসে যারা দেশবিরোধী অপপ্রচারে লিপ্ত, তাদের বিরুদ্ধে সেদেশের আইনে ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর।


চলতি সপ্তাহের মধ্যেই ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত। 


গতকাল আইপিএল ক্রিকেট টুর্ণামেন্টে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু এবং চেন্নাই সুপার কিংস-এর নিজ নিজ খেলায় জয়লাভ।

সকাল ০৭ টার সংবাদ তারিখ: ২৮-০৪-২০২৪

 সকাল ০৭ টার সংবাদ

তারিখ: ২৮-০৪-২০২৪


সংবাদ শিরোনাম:


সারাদেশে চলমান তীব্র তাপদাহে জনজীবনে অস্বস্তি - আগামী মাসের শুরুতে বৃষ্টির সম্ভাবনা, জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।


তীব্র তাপদাহের মধ্যে আজ খুলছে দেশের সব স্কুল-কলেজ - বন্ধ থাকবে অ্যাসেম্বলি ও প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির কার্যক্রম।


ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য বিদেশী প্রভুদের দাসত্ব করছে বিএনপি  - শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হকের মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বললেন ওবায়দুল কাদের।


থাইল্যান্ডের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর।


নানা কর্মসূচিতে পালিত হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় পুত্র ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ জামালের ৭১তম জন্মদিন।


‘পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি’ দিবসে আজ ‘গ্রিন ফ্যাক্টরি অ্যাওয়ার্ড’ পাচ্ছে ২৯ প্রতিষ্ঠান।


কম্বোডিয়ার এক সামরিক ঘাঁটিতে গোলাবারুদ বিস্ফোরণে ২০ সৈন্য নিহত।


 সিলেটে বাংলাদেশ ও ভারত নারী দলের মধ্যে পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট সিরিজের প্রথমটি অনুষ্ঠিত হবে আজ।

রবিবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৪

কথায় গাঁথা সুরের মেলা,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ১। Internet আবিষ্কৃত হয় 1969 সালে।

২। Email আবিষ্কৃত হয় 1971 সালে।

৩। Hotmail আবিষ্কৃত হয় 1996 সালে।

৪। Google আবিষ্কৃত হয় 1998 সালে।

৫। Facebook আবিষ্কৃত হয় 2004 সালে।

৬। Youtube আবিষ্কৃত হয় 2005 সালে।

৭। Twitter আবিষ্কৃত হয় 2006 সালে।

৮। বিশ্বে ইন্টারনেট চালু হয় ১৯৬৯সালে

৯। বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার চালু হয়

১৯৯৩ সালে।

১০। বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার সবার

জন্য উন্মুক্ত হয় ১৯৯৬ সালে।

১১। বাংলাদেশে 3g চালু হয় 14

OCTOBER,2012।

১২। বাংলাদেশে স্থাপিত প্রথম

কম্পিউটার "IBM-1620 ‘ যা স্থাপিত হয়

বাংলাদেশ পরমানু শক্তি কমিশনে ১৯৬৪

সালে।

১৩। ২১মে ২০০৬ সালে কক্সবাজারের

ঝিলংজা-তে ল্যান্ডিং স্টেশন স্থাপনের

মাধ্যমে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলে

যুক্ত হয়।

১৪। বাংলাদেশর বিজ্ঞানীরা

প্রথমাবারের মতো ‘জীবনরহস্য‘ উন্মোচন

করেছেন মহিষের।

১৫। ২০১৩সালে দেশি পাটের জীবন রহস্য

উন্মোচনে নেতৃত্ব দেন ড মাকসুদুল আলম।

১৬। ১৯৮১ এপসন কোম্পানি সর্বপ্রথম

ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রচলন করেন তার

নামঅসবর্ন-১।

১৭। বিশ্বের একমাত্র কম্পিউটার জাদুঘরটি

অবস্থিতযুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায়।

১৮। বাংলা সামাজিক মাধ্যম ‘‘বেশত‘‘ চালু

হয় ২৮ ফ্রেব্রু ২০১৩।

১৯। বাংলাদেশের ‘টেলিফোন শিল্প

সংস্থা লিমিটেড(টেশিস) কর্তৃক তৈরী

প্রথম ল্যাপটপ --এর নামদোয়েল।

২০। জাতিসংঘ রেডিও বাংলা যাত্রা শুরু

করে ২১ ফ্রেব্রু:২০১৩।

২১। বাংলাদেশের প্রথম সার্চ ইঞ্চিন

‘‘পিপীলিকা‘‘ উদ্ধোধন করা হয় ১৩এপ্রিল,

২০১৩।

২২। বাংলাদেশে দ্রুত গতির ইন্টারনেট

‘‘ওয়াইম্যাক্স‘ চালু হয় >>June,2009, Banglalion।

২৩। বাংলাদেশে কবে , কোথায় সাইবার

ক্যাফে চালু হয় ১৯৯৯ সালে,বনানীতে।

২৪। বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল ফোন

কোম্পানীর সিটিসেল ডিজিটাল, ১৯৯৩

সাল।

২৫। বাংলাদেশে প্রথম ডিজিটাল

টেলিফোন ব্যবস্থা চালূ হয় ৪ জানুয়ারী,

১৯৯০।

২৬। বাংলাদেশে কখন থেকে কার্ড ফোন

চালূ হয় ১৯৯২ সালে।

২৭। প্রথম ডিজিটার জেলা যশোর।

২৮। প্রথম ওয়াই ফাই নগর সিলেট।

২৯। সাইবার সিটি সিলেট।

৩০। প্রথম ডিজিটাল টেলিফোন এক্সচেঞ্জ

মিঠাপুকুর ,রংপুর।

=> GIF এর পূর্ণরূপ — Graphic Interchangeable

Format

=> BMP এর পূর্ণরূপ — Bitmap

=> JPEG এর পূর্ণরূপ — Joint Photographic Expert

Group

=> PNG এর পূর্ণরূপ — Portable Network

=> Wi-Fi র পূর্ণরূপ — Wireless Fidelity

=> HTTP এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer

Protocol

=> HTTPS এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer

Protocol Secure

=> URL এর পূর্ণরূপ — Uniform Resource Locator

=> IP এর পূর্ণরূপ— Internet Protocol

=> VIRUS এর পূর্ণরূপ — Vital Information

Resource Under Seized

=> UMTS এর পূর্ণরূপ — Universal Mobile

Telecommunication System

=> RTS এর পূর্ণরূপ — Real Time Streaming

=> AVI এর পূর্ণরূপ — Audio Video Interleave

=> SIS এর পূর্ণরূপ — Symbian OS Installer File

=> AMR এর পূর্ণরূপ — Adaptive Multi-Rate Codec

=> JAD এর পূর্ণরূপ — Java Application Descriptor

=> JAR এর পূর্ণরূপ — Java Archive

=> MP3 এর পূর্ণরূপ — MPEG player lll

=> 3GPP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation

Partnership Project

=> 3GP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation Project

=> MP4 এর পূর্ণরূপ — MPEG-4 video file

=> SIM এর পূর্ণরূপ — Subscriber Identity Module

=> 3G এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation

=> GSM এর পূর্ণরূপ — Global System for Mobile

Communication

=> CDMA এর পূর্ণরূপ — Code Divison Multiple

Access

=> AAC এর পূর্ণরূপ — Advanced Audio Coding

=> SWF এর পূর্ণরূপ — Shock Wave Flash

=> WMV এর পূর্ণরূপ — Windows Media Video

=> WMA এর পূর্ণরূপ — Windows Media Audio

=> WAV এর পূর্ণরূপ — Waveform Audio

1) GOOGLE : Global Organization Of Oriented

Group Language Of Earth

2) YAHOO : Yet Another Hierarchical Officious

Oracle

3) WINDOW : Wide Interactive Network

Development for Office work Solution

4) COMPUTER : Common Oriented Machine

Particularly United and used under Technical and

Educational Research

5) VIRUS : Vital Information Resources Under

Siege

6) UMTS : Universal Mobile Telecommunications

System

7) AMOLED: Active-matrix organic light-emitting

diode


 ★OLED : Organic light-emitting diode

9) IMEI: International Mobile Equipment Identity

10) ESN: Electronic Serial Number

11) UPS: uninterrupted power supply

12) HDMI: High-Definition Multimedia Interface

13) VPN: virtual private network

14) APN: Access Point Name

15) SIM: Subscriber Identity Module

16) LED: Light emitting diode

17) DLNA: Digital Living Network Alliance

18) RAM: Random access memory

19) ROM: Read only memory

20) VGA: Video Graphics Array

21) QVGA: Quarter Video Graphics Array

22) WVGA: Wide video graphics array

23) WXGA: Wide screen Extended Graphics Array

24) USB: Universal serial Bus

25) WLAN: Wireless Local Area Network

26) PPI: Pixels Per Inch

27) LCD: Liquid Crystal Display

28) HSDPA: High speed down-link packet access

29) HSUPA: High-Speed Uplink Packet Access

30) HSPA: High Speed Packet Access.

কথায় গাঁথা সুরের মেলা 


সকাল ০৭ টার সংবাদ তারিখ: ২৭-০৪-২০২৪

সকাল ০৭ টার সংবাদ

তারিখ: ২৭-০৪-২০২৪


সংবাদ শিরোনাম:…


প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে দেশ ও জনগণের জন্য কাজ করতে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহ্বান। 


ব্যাংককে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক - পারস্পরিক সহযোগিতায় ৫টি দলিল স্বাক্ষরিত। 


উপজেলা নির্বাচনে দলীয় নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে - আবারো হুঁশিয়ারি ওবায়দুল কাদেরের। 


জলবায়ু অভিযোজন কর্মকাণ্ডে সহায়তা দ্বিগুণ করার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে হবে - বার্লিনে জলবায়ু সংলাপে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যে বললেন সাবের হোসেন চৌধুরী। 


মাদক পাচার ও মাদকের অপব্যবহার শীর্ষক মরিশাসে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দিলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী। 


ইউক্রেনের জন্য ৬ বিলিয়ন ডলারের নতুন সামরিক সহায়তা ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। 


বিপিএল ফুটবলে আজ দেশের বিভিন্ন ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে তিনটি খেলা।

শনিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৪

সিমেন্ট এর বস্তার গায়ে উপাদান এর পরিমাণ দেয়া থাকেঃ আসুন দেখে নেই এর কার্যাবলি কি এবং কেমন......

 সিমেন্ট এর বস্তার গায়ে উপাদান এর পরিমাণ দেয়া থাকেঃ আসুন দেখে নেই এর কার্যাবলি কি এবং কেমন......


১। লাইম বা চুন (CaO) : সিমেন্টে প্রায় ৬৩% চুন থাকে। ক্যালসিয়াম সিলিকেট ও ক্যালসিয়াম অ্যালুমিনেট তৈরির জন্য পর্যাপ্ত চুন থাকা আবশ্যক। এর পরিমাণ কম হলে সিমেন্টের শক্তি হ্রাস পায় এবং জমাটবদ্ধতার সময় ত্বরান্বিত করে। চুনের পরিমাণ অধিক হলে সিমেন্ট খুঁতযুক্ত হয় এবং এর প্রসারণ ও সংসক্তি হারিয়ে ফেলে।


২। সিলিকা (SiO2) : সিমেন্টে প্রায় ২২% সিলিকা থাকে। এটা চুনের উপস্থিতিতে ডাই-ক্যালসিয়াম সিলিকেট ও ট্রাই- ক্যালসিয়াম সিলিকেটে রূপান্তরিত হয়। এটা সিমেন্টের শক্তি বৃদ্ধি করে।


৩। অ্যালুমিনা (Al2O3) ঃ সিমেন্টে প্রায় ৭% অ্যালুমিনা থাকে। এটা ক্লিংকার গঠনের তাপমাত্রা কমিয়ে দেয় এবং সিমেন্টের অন্যান্য যৌগকে সহজে পানির সঙ্গে সংযুক্ত করে। এটা সিমেন্টের জমাটবদ্ধতা ত্বরান্বিত করে। এটার আধিক্য সিমেন্টকে দুর্বলকরে।


৪। ম্যাগনেশিয়া (MgO) : সিমেন্টে ম্যাগনেশিয়ার পরিমাণ ২% এর অধিক হওয়া উচিত নয়। এটার আধিক্য সিমেন্টের জন্য ক্ষতিকর এবং এটা সিমেন্টের শক্তি কমিয়ে দেয় ।


৫। আয়রন অক্সাইড (Fe2O3) : সিমেন্টে আয়রন অক্সাইডের পরিমাণ প্রায় ৩%। এটা সিমেন্টের কাঠিন্য ও শক্তি উন্নত করে।সিমেন্টের বর্ণও এটার উপর নির্ভর করে। আয়রন অক্সাইড উচ্চতাপে ক্যালসিয়াম ও অ্যালুমিনার সাথে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে ট্রাই ক্যালসিয়াম অ্যালুমিনোফেরাইট গঠন করে। এ যৌগটির উপরই সিমেন্টের শক্তি ও কাঠিন্য নির্ভর করে।


৬। ক্যালসিয়াম সালফেট (CaSO4) বা জিপসাম : সিমেন্টে ক্যালসিয়াম সালফেটের পরিমাণ প্রায় ৮%। এটা জিপসাম (CaSO4, 2H2O) হিসেবে সিমেন্ট ক্লিংকারের সাথে মিশিয়ে মিহি পাউডারে পরিণত করা হয়। এটা সিমেন্টের জমাটবদ্ধতার গতি মন্থর করে । সাধারণ পোর্টল্যান্ড সিমেন্টে ৩-৪% জিপসাম মিশালে প্রাথমিক জমাটবদ্ধতার সময় 30 মিনিটের কম হয় না এবং চূড়ান্ত জমাটবদ্ধতার সময় ১০ ঘণ্টার অধিক হয় না ।


৭। সালফার ট্রাই-অক্সাইড (SO) : সালফার ট্রাই-অক্সাইডের পরিমাণ ২% এর অধিক হওয়া অনুচিত। এর আধিক্য সিমেন্টকে খুঁতযুক্ত করে।


৮। ক্ষারকীয় দ্রব্য : ক্ষারকীয় দ্রব্যের পরিমাণ ১% এর অধিক হওয়া অনুচিত। সিমেন্টের কাঁচামালে যে ক্ষারকীয় দ্রব্য থাকে পোড়ানোর সময় তা দূরীভূত হয়। এটার আধিক্য নির্মাণকে লোনাক্রান্ত করে।



গৌড় মালদহের ভুলে যেতে বসা এক ইতিহাস... 

 গৌড় মালদহের ভুলে যেতে বসা এক ইতিহাস... 


গৌড় বাংলার এককালীন রাজধানী এবং অধুনা ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি নগর যার অবস্থান বর্তমান ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী অঞ্চলে। এটি লক্ষণাবতী বা লখনৌতি নামেও পরিচিত। প্রাচীন এই দুর্গনগরীর অধিকাংশ পড়েছে বর্তমান ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মালদহ জেলায় এবং কিছু অংশ পড়েছে বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায়। শহরটির অবস্থান ছিল গঙ্গানদীর পূর্ব পাড়ে, রাজমহল থেকে ৪০ কিমি ভাটিতে এবং মালদার ১২ কিমি দক্ষিণে। তবে গঙ্গা নদীর বর্তমান প্রবাহ গৌড়ের ধ্বংসাবশেষ থেকে অনেক দূরে।

পাণিনির ব্যাকরণে, কৌটিল্যের অর্থ শাস্ত্রে বাৎসায়নের কামসূত্রে গৌড়পুর বা গৌড়ের নাম পাওয়া যায়। বাৎস্যায়নের কামসূত্র-এ গৌড়ের সমৃদ্ধির কথা বিশেষভাবে জানা যায়। এই গ্রন্থমতে বঙ্গ থেকে দক্ষিণ কলিঙ্গ পর্যন্ত গৌড়ের বিস্তার ছিল। হর্ষবর্ধনের অনুশাসনলিপি থেকে জানা যায়, মৌখরীর রাজা ঈশান বর্মণ গৌড়বাসীকে পরাজিত করে সমুদ্র পর্যন্ত বিতারিত করেন। এই লিপি অনুসারে ধারণা করা যায়, গৌড় সুমুদ্রের নিকটবর্তী এলাকায় ছিল। রাষ্ট্রকূট-রাজ প্রথম অমোঘবর্ষের অনুশাসনলিপিতে মুর্শিদাবাদকে এর একটি অঞ্চল হিসাবে উল্লেখ করেছেন। এই অনুশাসনে এক বলা হয়েছে 'গৌড়-বিষয়'। সম্ভবত এই 'গৌড়-বিষয়' থেকে গৌড়দেশ নামটি সৃষ্টি হয়েছিল। বরাহমিহির তাঁর বৃহৎ-সংহিতা গ্রন্থে গৌড়কে পুণ্ডবর্ধন, সমতট, তাম্রলিপ্ত প্রভৃতি অঞ্চল থেকে পৃথক এলাকা হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে।


ইতিহাস:-


শক্তিসঙ্গমতন্ত্র মতে গৌড়ের অনুসারে গৌড় ছিল বিস্তীর্ণ জনপদ। কুর্ম ও লিঙ্গপুরাণ মতে, সূর্যবংশীয় শ্রাবস্তী পুত্র বংশক গৌড়দেশে শ্রাবস্তী নগরী তৈরি করেন। বর্তমানে এই প্রাচীন নগরী অযোধ্যা প্রদেশের অন্তর্গত। স্কন্দপুরাণে  সারস্বত, কনোজ, উৎকল, মিথিলা ও গৌড় অঞ্চলের বসবাসকারী ব্রাহ্মণদেরকে বলা হয়েছে পঞ্চগৌড় ব্রাহ্মণ। এর ভিতরে মিথিলা ও বঙ্গের মধ্যবর্তী অঞ্চলে ছিল গৌড়। বাণভট্টের শ্রীহর্ষচরিতে পাওয়া যায়, রাজ্যবর্ধন ও হর্ষবর্ধনের সময় গৌড়ে নরেন্দ্রগুপ্ত নামক একজন রাজা ছিলেন।


আধুনিক ঐতিহাসকদের মতে খ্রিষ্টীয় ষষ্ঠ শতাব্দীতে রাজা স্কন্ধগুপ্ত (৪৫৫-৪৬৭ খ্রিষ্টাব্দ)-এর মৃত্যুর পর পরবর্তী অযোগ্য শাসকরা রাজত্ব করেন। এই সময় গুপ্তরাজ বংশের উত্তরাধিকারদের মধ্যে আত্মকলহের সুযোগে সাম্রাজ্যের অন্যান্য অঞ্চলে একাধিক রাজবংশের উত্থান ঘটে। হুনরা গান্ধার, পাঞ্জাব থেকে শুরু করে মালব পর্যন্ত দখল করে। এর পাশাপাশি দক্ষিণে বলভীর  মৈত্রবংশ, থানেশ্বররের পুষ্যভূতি বংশ, কনৌজের মৌখরীবংশ এবং ভারতের পূর্বাঞ্চলে দুটি শক্তিশালী রাজ্যের উদ্ভব ঘটে। এই রাজ্য দুটি হলো- স্বাধীন বঙ্গরাজ্য ও স্বাধীন গৌড়রাজ্য।


৫২৫ থেকে ৫৭৫ খ্রিষ্টাব্দের ভিতরে বঙ্গরাজ্য প্রবল দাপটে প্রতিষ্ঠিত ছিল। এই সময় পৃথক রাজশক্তি হিসেবে গৌড় ততটা শক্তিশালী ছিল না। এরপর চালুক্য-রাজ কীর্তিবর্মণ-এর আক্রমণে বঙ্গরাজ্য হীনবল হয়ে পড়ে। কিন্তু গৌড় শক্তিশালী রাজ্যে পরিণত হয় এবং বঙ্গরাজ্যের একটি অংশ গৌড়রাজ্য দখল করে। এই সময় উত্তর ভারতের রাজা মৌখরী গৌড়রাজ্য বারবার আক্রমণ করতে থাকে।  মৌখরী রাজ বংশের ঈশান বর্মণ গৌড় রাজাকে পরাজিত করে, তাঁর রাজ্য থেকে বিতারিত করেন। একই সময় চালুক্য রাজারাও গৌড় আক্রমণ করা শুরু করে। ফলে অচিরেই গৌড়রাজ্য ক্ষীণবল হয়ে পড়ে।


গৌড়রাজ্যের এই হীনাবস্থার ভিতরে শশাঙ্কের গৌড়ের রাজা হন। সম্ভবত তিনি মগধ ও গৌড়ের অধিপতি মহাসেনের অধীনে মহাসামন্ত হিসেবে কিছুদিন রাজ্য শাসন করেন। তিনি উত্তর ও পশ্চিম বঙ্গের গুপ্তবংশীয় শাসকদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে, ৬০৬ খ্রিষ্টাব্দের দিকে গুপ্তশাসকদের নিয়ন্ত্রণ থেকে গৌড়কে মুক্ত করে একটি স্বাধীন রাজ্যের পত্তন ঘটিয়েছিলেন। গঞ্জামের তাম্রলিপি থেকে জানা যায়, শশাঙ্ক ৬১৯ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ৬৩৭ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত স্বাধীনভাবে রাজত্ব করেছিলেন। তাঁর রাজ্যের রাজধানীর নাম ছিল কর্ণসুবর্ণ। ধারণা করা হয়— পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় রাজবাড়িডাঙ্গা'র (রক্তমৃত্তিকা মহাবিহারের প্রত্নস্থল অথবা আধুনিক রাঙ্গামাটি) সন্নিকটে চিরুটি রেলস্টেশনের কাছে কর্ণসুবর্ণ ছিল।


শশাঙ্কের মৃত্যুর পর কামরূপের রাজা ভাস্করবর্মন কর্ণসুবর্ণকে নিজের রাজ্যভুক্ত করেছিলেন। ৬৪৭ খ্রিষ্টাব্দে হর্ষবর্ধনের মৃত্যুর পর শশাঙ্কের মানবদেব নামক এক পুত্র রাজ্য পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। এরপর জয়নাগ নামক জনৈক সামন্ত গৌড়ের সিংহাসনে বসেন। তিনি  ভাস্করবর্মনের অধিকারভুক্ত থেকে কর্ণসুবর্ণকে মুক্ত করেন। এই রাজা নিজের নামে মুদ্রা প্রচলন করেছিলেন। তবে জয়নাগ সম্পর্কে এর বেশি কিছু জানা যায় না।


সেন শাসনামলে লক্ষ্ম‌ণাবতী বা লখনৌতি উন্নতি লাভ করে।লক্ষনাবতী নগরের নামকরণ করা হয়েছে সেন রাজা লক্ষ্মণ সেনের নামানুসারে। সেন সাম্রাজ্যের গোড়াপত্তনের আগে গৌড় অঞ্চলটি পাল সাম্রাজ্যের অধীনের ছিল এবং সম্ভবত রাজা শশাঙ্কের রাজধানী কর্ণসুবর্ণ ছিল এর প্রশাসনিক কেন্দ্র। পশ্চিমবঙ্গের মালদহ শহর থেকে দশ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত প্রাচীন বাংলার রাজধানী গৌড় ও পাণ্ডুয়া (প্রাচীন নাম গৌড়নগর ও পাণ্ডুনগর )। অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীতে বৌদ্ধ যুগে পাল বংশের রাজাদের সময় থেকে বাংলার রাজধানী ছিল গৌড়। ১১৯৮ খ্রিস্টাব্দে (৬০৫ বঙ্গাব্দে) মুসলমান শাসকেরা গৌড় অধিকার করবার পরেও গৌড়েই বাংলার রাজধানী থেকে যায়। ১৩৫০ খ্রিস্টাব্দ (৭৫৭ বঙ্গাব্দ) থেকে রাজধানী কিছুদিনের জন্য পাণ্ডুয়ায় স্থানান্তরিত হলেও ১৪৫৩ খ্রিস্টাব্দে (৮৬০ বঙ্গাব্দে) আবার রাজধানী ফিরে আসে গৌড়ে, এবং গৌড়ের নামকরণ হয় জান্নাতাবাদ।

অনুমান করা হয় ১৫০০ খ্রিষ্টাব্দে এটি বিশ্বের অন্যতম জনবহুল শহর হিসেবে পরিচিত ছিল। উপমহাদেশীয় অঞ্চলের মধ্যে বিজয়নগর (বিজয় সেনের এর প্রতিষ্ঠিত নগর) ও গৌড় সবথেকে নগরায়িত বলে সুপরিচিত ছিল।


বড় সোনা মসজিদ বা বারো দুয়ারী:-


গৌড়ের স্থাপত্য কীর্তিগুলির মধ্যে এটি সবথেকে বড়। সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহ এটির নির্মাণ কার্য্য শুরু করলেও তিনি এ কাজ সমাপ্ত করে যেতে পারেননি। তার পুত্র সুলতান নাসিরউদ্দীন (নুসরাত শাহ) ১৫২৬ সালে এই কাজ সম্পন্ন করেন। এর উচ্চতা ২০ ফুট, দৈর্ঘ্য ১৬৮ ফুট ও প্রস্থ ৭৬ ফুট।


দাখিল দরওয়াজা:-


এটি গৌড় দুর্গে প্রবেশের প্রধান দ্বার। এটি ৬০ ফুট উঁচু ও ৭৩ ফুট চওড়া এই দরওয়াজাটি ছোট ছোট ইট ও পাথর দিয়ে তৈরী করেছিলেন সম্ভবতঃ সুলতান রুকনউদ্দীন (বারবক শাহ)। ভিতরের পথটি বেশ চওড়া, তাই সওয়ারী সহ হাতি অনায়াসে এই দরওয়াজা দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করতে পারতো। এই দরজার দুপাশ থেকে তোপধ্বনি করে সুলতান ও ঊর্ধ্বতন রাজপুরুষদের সম্মান প্রদর্শন করা হত। তাই এই দরওয়াজার আর এক নাম সেলামী দরওয়াজা।


লোটন মসজিদ:-


কোতোয়ালি দরওয়াজা থেকে ১ কিমি উত্তরে রয়েছে এই লোটন মসজিদ। এখানে ইঁটের উপর রংবেরঙের মীনার কারুকার্য ছিল, বর্তমানে যার প্রায় কিছুই অবশিষ্ট নেই, তবে খুব ভাল করে দেখলে বোঝা যায় এর সামান্য অস্তিত্ব । ছাদের গম্বুজের নিচের দিককার সৌন্দর্য অপূর্ব।


লুকোচুরি দরওয়াজা:-


১৬৫৫ খ্রিস্টাব্দে (১০৬২ বঙ্গাব্দে) বাংলার সুবেদার শাহ সুজা গৌড় দুর্গে প্রবেশ করবার জন্য এই লুকোচুরি দরওয়াজাটি তৈরি করেন। উচ্চতা ৬৫ ফুট ও চওড়া ৪২ ফুট। দুইদিকে প্রহরীদের ঘর ও ওপরে নহবতখানা আছে।


কদম রসুল মসজিদ:-


লুকোচুরি ফটক বা দরোয়াজা দিয়ে গৌড় দুর্গে ঢোকার পর ডানদিকে রয়েছে কদমরসুল সৌধ। এখানে রয়েছে হজরত মুহাম্মদের পদচিহ্ন, যেটা সুদূর আরব থেকে পীর শাহ জালাল ইয়েমেনী এনেছিলেন পাণ্ডুয়ার বড় দরগায়, সেখান থেকে সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহ এটিকে নিয়ে আসেন গৌড় দুর্গে। তার পুত্র সুলতান নসরত শাহ ১৫৩০ খ্রিস্টাব্দে (৯৩৭ বঙ্গাব্দে) একটি কষ্ঠি পাথরের বেদির ওপর পদচিহ্নটি স্থাপন করে তার ওপর কদম রসুল সৌধ নির্মাণ করেন।


চিকামসজিদ :-


এক গম্বুজ বিশিষ্ট এই স্থাপত্যটি ১৪৫০ খ্রিস্টাব্দে (৮৫৭ বঙ্গাব্দে) তৈরি। পূর্বে এটি সম্ভবত সমাধিস্থল ছিল। তবে কথিত আছে যে সম্রাট হুসেন শাহ এটিকে কারাগার হিসেবে ব্যবহার করতেন। স্থাপত্যটির ভিতরের দেয়ালে অনেক হিন্দু দেব দেবীর মূর্তি রয়েছে। পরবর্তী কালে এখানে চামচিকার উপদ্রব শুরু হলে এর নাম হয় চামকান মসজিদ বা চিকা(চামচিকা থেকে) মসজিদ।


বিশেষ অনুরোধ :

সংগৃহীত তথ্যে কোনো ভুল থাকলে দয়া করে সঠিক তথ্য দিয়ে সাহায্য করবেন। এই পোস্টটি করার উদ্দ্যেশ্য অতীত ইতিহাস কে জানার চেষ্টা ও তার স্বল্প পরিসরে বিস্তার, যদি কারো কে কিছু সংযোজন করতে হয় ইনবক্স বা কমেন্ট এ আহ্বান জানাই।

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৩-০৫-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৩-০৫-২০২৬ খ্রি:। আজকের শিরোনাম: দিনব্যাপী সফরে আজ ময়মনসিংহ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান - যোগ দেবেন খাল ...