এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ২৯ মে, ২০২৪

সকাল ৭ টার  সংবাদ।  তারিখ: ২৯-০৫-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭ টার  সংবাদ। 

তারিখ: ২৯-০৫-২০২৪ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


১৪ হাজার তিনশো কোটি টাকার বেশি ব্যয়ের ১১টি উন্নয়ন প্রকল্প একনেকে অনুমোদন - ঘূর্ণিঝড় রিমাল এর আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলীয় অঞ্চলের বাঁধগুলো বর্ষার আগেই দ্রুত মেরামত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ।


ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে উপকূলীয় অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি - দুর্যোগ কবলিত মানুষের সহায়তায় সরকারের ত্রাণ কার্যক্রম শুরু।


আগামীকাল ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে পটুয়াখালী যাবেন প্রধানমন্ত্রী - জানালেন ওবায়দুল কাদের।


তৃতীয় ধাপে দেশের ৮৭টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ আজ - সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন।


সঠিক তথ্য পাওয়ার অধিকার নিশ্চিতের পাশাপাশি অপতথ্য ও অপপ্রচার রোধে কার্যকর ভূমিকা পালনের ওপর তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ।


নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দেশে আজ পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস।


আজ দেশের বিভিন্ন ভেন্যুত অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ ফুটবলের পাঁচটি খেলা।

সকাল ৭ টার  সংবাদ।  তারিখ: ২৮-০৫-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭ টার  সংবাদ। 

তারিখ: ২৮-০৫-২০২৪ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত ও স্মার্ট দেশে পরিণত করতে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী। 


রিমালে এ পর্যন্ত নিহত ১০ জন; ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৩৭ লাখ ৫৮ হাজারের বেশি মানুষ — ব্রিফিংয়ে জানালেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী।


ঘূর্ণিঝড়ের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে জনপ্রতিনিধিসহ দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।


সম্প্রতি রাফার ক্যাম্পে আক্রমণের জন্য ইসরাইলের প্রতি নতুন করে বিশ্বব্যাপী নিন্দা।


আজ ডালাসে টি—টোয়েন্টি ক্রিকেট বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের মোকাবেলা করবে বাংলাদেশ।

সকাল ৭ টার  সংবাদ।  তারিখ: ২৭-০৫-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭ টার  সংবাদ। 

তারিখ: ২৭-০৫-২০২৪ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করছে ঘূর্ণিঝড় রিমাল - বাতাসের গতিবেগ ছিলো সর্বোচ্চ ১১১ কিলোমিটার। 


সঠিক পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণের ফলে ঘূর্ণিঝড়ে তেমন প্রভাব পড়েনি - বললেন আবহাওয়াবিদ।


ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রবল বৃষ্টিপাত।


আদালতের রায় কার্যকর করতে তারেক জিয়াকে দেশে ফিরিয়ে আনবে সরকার - পুনর্ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী।


কোনো সাংবাদিক যাতে হয়রানির শিকার না হয় সে ব্যাপারে সতর্ক রয়েছে সরকার - জানালেন ওবায়দুল কাদের।


প্রতিযোগিতার যুগে টিকে থাকতে বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের দক্ষতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর।


রাফার কাছে শরণার্থী শিবীরে ইসরাইলী হামলায় অর্ধশতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত।


ঢাকায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক কাবাডি টুর্ণামেন্টে উদ্বোধনী ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে বাংলাদেশের শুভ সূচনা।

সকাল ৭ টার  সংবাদ।  তারিখ: ২৬-০৫-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭ টার  সংবাদ। 

তারিখ: ২৬-০৫-২০২৪ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


পূর্ব মধ্যবঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড় রেমালে পরিণত হয়েছে - মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।


ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে সম্ভাব্য যেকোনো ধরনের দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রস্তুত সরকার - জানালেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী। 


ঢাকাবাসীকে সুন্দর জীবন উপহার দিতে কাজ করছে সরকার - বঙ্গবাজার পাইকারি নগর বিপনি বিতানসহ চারটি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে বললেন প্রধানমন্ত্রী।


দেশজুড়ে নানা আয়োজনে উদযাপিত হয়েছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৫-তম জন্মজয়ন্তী।


কোনো দলের নেতাকর্মীকে জেলে পাঠানোর এজেন্ডা সরকারের নেই - মন্তব্য আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের।


ভারতের গুজরাটে একটি বিনোদন পার্কে অগ্নিকাণ্ডে ৯টি শিশুসহ কমপক্ষে ২৭ জনের প্রাণহানি। 


গতরাতে টেক্সাসে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রকে ১০ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ।

কঠিন বাস্তবতা সাল ২০৮০ 

 কঠিন বাস্তবতা

🕛 সাল ২০৮০ 🕛

বিছানায় শুয়ে শুয়ে বোরিং হয়ে গেছি । বেড বক্সের উপর থেকে চশমাটা হাতরে নিলাম আর খাটের পাশ থেকে লাঠিটা নিয়ে নাতনীর ঘরে গেলাম গল্প করব বলে। গিয়ে দেখি, ল্যাপটপে কিছু একটা করছে। আমি যেতেই বলল, দাদুন তুমি ! বসো বসো। আমি টিউশনে যাবো। বসলাম ওর ঘরে। ল্যাপটপটা খোলাই ছিল। চশমা চোখে দিয়েও ভালো দেখতে পারি না। হঠাৎ মনে পড়ল আজ কত যুগ ধরে ফেসবুকে যাই না। অথচ যে ছেলেটা না এখনকার বুড়োটা একসময় দিন রাত ফেসবুকে চ্যাটিং, ছবি আপলোড দেওয়া নিয়ে ব্যাস্ত থাকতো। অনেক কষ্টে পাসওয়ার্ডটা মনে করলাম। আইডিটা লগ ইন করে দেখি ইনবক্সে ৮৬৭৮ টা ম্যাসেজ। আইডিটা চেনাই যাচ্ছে না। সব অপরিচিত লাগছে। ফ্রেন্ড সংখ্যা ছিল ৪৭৮৮ জন। কিন্তু এখন চ্যাট লিস্টে আছে ২৮ জন। বৃদ্ধ হয়ে যাওয়ায় হয়ত ওরাও আর ফেসবুক চালায় না। ইনবক্সে ঢুকতেই আমার ক্লোজ কয়েকটা ফ্রেন্ডের ম্যাসেজ। বন্ধু শরীরটা ভালো নেই। বেশিদিন হয়ত বাঁচব না। ম্যাসেজটা ছিল ৫ বছর আগে। খবর পেয়েছি ৪ বছর আগেই সে মারা গেছে। আমার বেস্টিও ৯ বছর আগে মারা গেছে। ওর সাথে চ্যাটিং গুলো পড়ে খুব ভালো লাগছিল। গ্রুপে ফ্রেন্ডদের সাথে কত মজা, আড্ডা এ সবই পড়ে আছে। ওদের অধিকাংশইই মারা গেছে। এরপর চ্যাট লিস্টের একদম শেষে পেলাম তার ম্যাসেজ। হ্যা আমার সেই পুরোনো "একতরফা" ভালোবাসা। ওর কোন খবরই জানি না। কত ভালোবাসতাম দুজন দুজনকে। কিন্তু ভাগ্যের পরিহাসে বিয়েটা হয়নি । আজ অনেক দিন পর তার কথা মনে পড়ছে। তার আইডিটায় ঢুকলাম লাস্ট পোস্ট ছিল ১৬ বছর আগে। তার নাতনীর সাথে ছবি। আরো একটু নিচে যেতে দেখলাম তার ফ্যামিলির ছবি। সে, তার স্বামী, মেয়ে, ছেলে আর নাতী- নাতনী। খুব হ্যাপি ফ্যামিলি। ওকে যেদিন শেষ দেখেছিলাম - চুলগুলো সেই রকম স্টাইল দেওয়া, পড়নে লাল শাড়ী ছিল , ভাগ্যক্রমে এখন তার ছিল অন্য। কিন্তু এখন এই ছবি গুলোতে সাদা শাড়ি পড়া, চুলগুলো সব সাদা। কিছু কিছু আবার মেহেদী দিয়ে লাল করা। হঠাৎ মোবাইলের স্ক্রীনে নিজের ছবিটা দেখলাম। হ্যা আমিও তো বুড়ো হয়ে গেছি। ও দেখলে নিশ্চয়ই বলত, বুড়ো দাদু। আচ্ছা ও কি আজও বেচে আছে ? জানি না ! ওর আইডিটায় শেয়ার করা একটা পোস্ট পেলাম। একজন ওর আইডির স্ক্রীনশট দিয়ে লিখেছে, এই দাদী গতকাল আনুমানিক বিকেল ৫ টায় হৃদক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেছেন , উনি যেনো সর্গ লাভ করেন এই আমার পার্থনা। পোস্ট পড়েই থমকে গেলাম। পাঁচ বছর আগের পোস্ট। ও মারা গেছে তাহলে ? হায়রে !. কোথায় সেই একসাথে বাঁচবো বলে কথা দেওয়া দিনগুলো। অজান্তেই চোখের কোনে পানি এলো। এরপর পরিচিত ফ্রেন্ডদের আইডিটা দেখছিলাম। ওদের আইডিটা এখনো প্রানবন্ত। কিন্তু ওরা প্রানবন্ত না। অনেকেই দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করেছে। যে ফ্রেন্ডটা রোজ নতুন নতুন সেলিফি আপলোড দিত ও ২০ বছর আগে ক্যান্সারে মারা গেছে। খবর শুনে দেখতে গেছিলাম। মজার মজার জোক্স পোস্ট করা ফ্রেন্ডটার খবর জানি না। লেখক ফ্রেন্ডটা ৮ বছর আগেও একটা পোস্ট দিয়েছে ওর ছেলে ওকে বৃদ্ধা আশ্রমে ফেলে এসেছে এই নিয়ে। ওর সাথে যোগাযোগ নেই। এরপর আমার আইডিটায় গেলাম। এত ট্যাগের ভিড়ে নিজের শেষ পোস্টটা পাচ্ছিলাম না। এইতো অনেক কষ্ট খুঁজে পেয়েছি ৩৩ বছর আগে আমার স্ত্রী আর মেয়েকে নিয়ে ঘুরতে গেছিলাম। সেই খানকার কয়েকটা পিক। আরো প্রিভিয়াস পোস্টগুলো পড়ে কখনো হাসলাম। কখনো কাঁদলাম।

হঠাৎ নাতনী ডাক দিল দাদু আমি রেডি। টিউশনে যাব। ল্যাপটপ দাও।

আমি: ল্যাপটপ নিয়ে টিউশনে যাবি?

নাতনী: আরে তুমি আদি যুগের মানুষ বোঝো না? আমরা তো ভার্চুয়াল ক্লাস করি।

আমি: ওহ! তা বই খাতা লাগে না?

নাতনী: ধূর! কি বল? ক্লাস করতে বই খাতা লাগে?

আমি: ওহ! লাগে না?

নাতনী: তোমাদের সময় লাগতো?

আমি: হ্যা লাগতো তো। তবে তখন আমরা বইয়ে পড়তাম দেশে ভার্চুয়াল ক্লাস হবে।

নাতনী: হা হা হা। টিউশনে খাতা - কলম লাগতো! দারুন ফানি! আচ্ছা আমি যাই টিউশন শেষে তোমাদের কালের গল্প শুনবো।

হ্যা এখনকার আধুনিক আমরা ২০৮০ সালের আদিম আমরা। আমাদেরও ওই যুগের ছেলে মেয়েরা আদি কালের মানুষ বলবে। 

"জানিনাা ২০৮০ সাল পর্যন্ত বাঁচবো কি না ! 😅

যদি বেঁচে থাকি তাহলে টাইমলাইন এ এসে লেখাটা আরো একবারের জন্য পড়বো 🙂❤️, আর এই সুন্দর দিনগুলোর কথা মনে করবো"।

#copiedpost

রবিবার, ২৬ মে, ২০২৪

ব্যাখ্যা,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 #ব্যাখ্যাঃ বন্ধুগণ,চাকরি শব্দের উৎপত্তি হয়েছে চাকর থেকে।চাকর তুর্কী শব্দ, এর মানে হল দাসত্ব।ইংরেজ শাসনামলে যখন আমরা আক্ষরিক অর্থেই দাস ছিলাম তখন তারা  শাসনকার্যের সুবিধার্থে আমাদের দেশীয় লোক নিয়োগ দিত নিম্ন শ্রেণীর কর্মচারী হিসাবে।আর এই দেশের মানুষের মূল সমস্যাই হল সাদা চামড়ার মানুষ দেখলে হুশ হারায়ে ফেলে। তাদের পাংখাপুলার, বাবুর্চি, ঝাড়ুদার, আয়া সব হত উপমহাদেশীয়। তাদের কাছে আমাদের লেভেল ছিল ওই পর্যন্তই এবং সবচাইতে অদ্ভূত ব্যাপার হল, আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকেও তারা ওভাবেই তৈরি করল যেন শিক্ষিত হবার পর সবাই চাকর হতে পারে।পাখি উড়ে গেলেও যেমন পালক ফেলে যায় তেমন ইংরেজরা চলে গেলেও তাদের তৈরি সিস্টেম থেকে গেল।বাচ্চাদের ছোট বেলা থেকেই ভাল চাকর হিসাবে গড়ে তোলা শুরু হল।বর্তমানে একজন মানুষের সাফল্যের মাপ- কাঠিই হল ভাল একটা চাকরি।আমি ফেসবুকে অনেক কেই দেখি নিজের জব নিয়ে ব্র্যাগ করতে।নিজের বসের সাথে সেলফি দিতে বা ছবি দিয়ে আনন্দে গদগদ হয়ে যেতে।প্রমোশন নিয়ে নাচতে।কিন্তু সত্য কথা হচ্ছে আপনার সাথে আপনার বাসার কাজের বুয়ার স্পেসিফিক তফাৎ নেই। কিভাবে?ওকে মিলিয়ে দেখেন, বুয়া মাস শেষে বেতন পায়, আপনিও পান।বুয়া কামাই দিলে বুয়ার বেতন কাটেন, সেইম গোজ টু ইউ।বুয়া রান্না বান্না ধোয়া মোছা করে কারণ তার কাজে এটুকু শিক্ষাই যথেষ্ট।আপনি অংক ইংরেজী হিসাব বিজ্ঞানে ভাল।কারণ আপনার কাজে ওসব শিক্ষা লাগে।বুয়া লেট করে আসলে আপনি তাকে গালমন্দ করেন, আপনি লেট করে একদিন অফিসে যান দেখি।এখন, বুয়ার রান্না ভাল হলে, বা কাজ ভাল হলে আপনি তার বেতন বাড়িয়ে দেন, এবং তাকে ভাল দুইটা কথা বলেন। এখন আপনার জায়গায়   আপনার বস আর বুয়ার জায়গায় নিজেকে বসিয়ে চিন্তা করে দেখেন।আলটিমেটলি চাকরি জীবি মানেই চাকর, বস মানেই মালিক।শব্দের বলার ধরণ আর ভাষাটাই বদলায় অর্থ বদলায় না।আপনাকে একদিন মাথায় হাত  বুলিয়ে আদর করার মানে কিন্তু এই না যে আপনি বিরাট কিছু হয়ে গেছেন।এটা হল আপনাকে নবউদ্যমে লাথি মারার পূর্বপ্রস্তুতি।আপনার কাজের বুয়া না পোষালে আপনার বাসার কাজ লাথি মেরে ভাগতে পারে।আপনি এত সহজে চাকরি ছাড়তে পারবেন না।তাইলেই বোঝেন কিছু কিছু ক্ষেত্রে চাকরীজীবির পজি শন বুয়ারও নিচে।জানি সবগুলো কথা সবজায় গায় খাটে না।ভিন্নতা থাকবেই কিন্তু ভিন্নতা উদাহরণ হতে পারে না।এটাও বলতে পারেন, দেশে এত লোক বেকার হেন তেন।আমি বলব বেকার না থেকে নিজে চেষ্টা করে কিছু করলেই পারে।যারা চাকরিজীবি চিন্তা করে দেখেন, আপ- নাদের বেশির ভাগের মালিকই আপনার তুলনায় শিক্ষাগত যোগ্যতায় অনেক নিচে।তারা আপনাকে চাকরী দেবার মত হেডাম দেখাইতে পারলে আপনার কি হাত পায়ের কমতি আছে নাকি?কিন্তু আমি জানি আপনারা পারবেন না।মায়ের দুধ ছাড়ার পর থেকেই আপ- নাদের ট্রেনিং দেওয়া হয়েছে ভাল চাকর হবার।মোটিভেশন স্পীচও আপনারা এই ব্যাপারেই শোনেন যে কিভাবে ভাল চাকর হতে পারব, কিভাবে ভাল কাজ পাব।একজন মানুষ কোন পর্যায়ে গেলে সফল হবে তার সীমাটা সে নিজেই নির্ধারণ করে।আমার সোনার বাংলা দেশের ছেলেদের দৌড় চাকরি পর্যন্তই। পাশের  দেশ ভারত এই চাকরির চক্কর থেকে ধীরে ধীরে বাইরে আসছে।ওদের দেশে অসংখ্য স্টার্ট আপ হয়। ফ্লিপকার্ট, জাবং, ট্রিভাগো। ছোট ছোট পোলাপান কলেজ পাশ করার আগেই মিলিয়ন ডলারে খেলে।শুধু অ্যাপ দিয়ে মিলিয়ন ডলার ইন্ডাস্ট্রী দাড় করিয়ে ফেলে।আমাদের দেশ এখান থেকে বের হতে পারবে না সহজে।বাপের থাকলে বসে খাবে আর না থাকলে চাকর হবে। তবে অনেকেই এখন চেষ্টা করছে নিজে কিছু করার। তবে সেই চেষ্টাটা খুব নগণ্য আর যারা করছে তাদের অধিকাংশই শো অফ করে আর একজন আরেক জনের পিছে লেগেই সময় পায় না।No hard feelings.আপনার পেশা নিয়ে বলার অধিকার আমার নাই।আমি জাস্ট আত্ম উপলদ্ধ্বিটা বললাম।butthurt হবার কিছু নাই।আল্লাহ মহান।আল্লাহ আমাদের সকলকে সঠিক জ্ঞান দান করুন।জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।জয় হোক দেশরত্ন জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এবং এদেশের জনগণের।আল্লাহ সহায় হোন।আমিন। 


মোঃআবুল কালাম আযাদ,

                       এডভোকেট, 

জজ কোর্ট,লক্ষ্মীপুর।বাংলাদেশ।  

মোবাঃ০১৭১৬৫৫৫৩১২

লিওনার্দো ভিনন্ঞ্চির সৃষ্টি মোনালিসাকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরী মেয়ের ছবি বলা হয়,,,,, কিন্তু টর্চ লাইট দিয়ে খুঁজলপও সৌন্দর্য খুঁজে পাওয়াটা কঠিন,,,,

 🔴 লিওনার্দো ভিঞ্চির সৃষ্টি মোনালিসাকে পৃথিবীর


সবচেয়ে সুন্দরি মেয়ের ছবি বলা হয়। কিন্তু


মোনালিসার ছবিতে টর্চলাইট দিয়ে খুজেও সৌন্দর্য


খুজে পাওয়াটা কঠিন!


কিন্তু মোনালিসার ছবির সৌন্দর্য ঠিক


মোনালিসাতে নয়। সৌন্দর্যটা এই ছবির রহস্যে! রং


তুলিতে এই ছবি আকতে গিয়ে ভিঞ্চি জন্ম দিয়ে


গেছেন অসংখ্য রহস্যের.........


১৫০৩ সালে ভিঞ্চি মোনালিসা আকা শুরু করেন।


১৫১৫ সালে মোনালিসা আকার সময় তিনি রহস্যজনক


ভাবে মৃত্যবরণ করেন। ১২ বছর সময় নিয়ে আকা


মোনালিসার ছবি সম্পূর্ণ না করেই তিনি মারা যান!


অর্থাৎ আমরা মোনালিসার যে ছবিটি এখন দেখি


সেটিতে আরো কিছু আঁকার বাকি ছিল.......


ভিঞ্চি মোনালিসাকে কোন কাগজ বা কাপড়ে নয়,


এঁকেছিলেন পাতলা কাঠের উপর। অবাক করার বিষয়


হলো মোনালিসার ছবিটিকে যদি বিভিন্ন এঙ্গেল


থেকে দেখা হয় তবে মোনালিসা তার হাসি


পরিবর্তন করে!


এ যেন এক রহস্যময়ী মোনালিসা!


১৭৭৪ সালে সর্বপ্রথম প্যারিসের লুভর মিউজিয়ামে


মোনালিসার ছবিটির দেখা মিলে। কিন্তু ছবিটা


মিউজিয়ামে কিভাবে এল কিংবা কে আনল এমন


প্রশ্নের উত্তর মিউজিয়ামের কর্মীরাই জানতোনা!


কারণ তারা কাউকে ছবিটি নিয়ে আসতে দেখিনি!!


রহস্যময়ভাবে লুভর মিউজিয়ামে পৌছানো এই ছবি


১৯১১ সালে চুরি হয়ে যায়! রাতের আধারে চোরকে


দেখে মিউজিয়ামের এক কর্মী পরদিনই চাকড়ি


ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে সে বলেছিল সে চোরকে


দেখেছে। সেই চোর আর কেউ নয়। প্রায় ৩৫০ বছর


আগে মারা যাওয়া ভিঞ্চি!!


১০ বছর পর এই ছবিটি আবার ওই মিউজিয়ামে পাওয়া


যায়। লুভর মিউজিয়াম কতৃপক্ষ ছবিটি সংরক্ষনের


জন্য প্রায় ৫০ কোটি টাকা খরচ করে একটি নিরাপদ


কক্ষ তৈরী করে। হয়ত ভাবছেন একটা ছবির জন্য


এতো টাকা খরচ!!


এই ছবির বর্তমান মূল্যের তুলনায় ৫০ কোটি টাকা


কিছুই নয়। মোনালিসা ছবির বর্তমান অর্থমূল্য ৭৯০


মিলিয়ন ডলার।


টাকায় পরিমানটা ৫৩৮০ কোটি টাকা!!


মোনালিসা কে? প্রশ্নটির উত্তর ভিঞ্চি নিজেও


দিয়ে যাননি। ২০০৫ সালে খুজে পাওয়া এক চিঠিতে


অনেকে মোনালিসার পরিচয় খুজে পেয়েছেন বলে


দাবি করেন। ১৫০৩ সালে লেখা এই চিঠিতে


ভিঞ্চির বন্ধু ফ্রান্সিস জিয়াকন্ড তার স্ত্রী লিসা


জিয়াকন্ডের একটি ছবি আঁকতে ভিঞ্চিকে অনুরোধ


করেন। আর ওই সময় ভিঞ্চি মোনালিসার ছবি আঁকা


শুরু করেন।


২০০৪ সালে বিজ্ঞানী পাস্কেল পাটে মোনালিসার


ছবিকে আলাদা ভাগে ভাগ করে হাইডেফিনেশন


ক্যামেরায় ছবি তোলেন। পাস্কেল আবিষ্কার করেন


যে ভিঞ্চি যে রং ব্যাবহার করেছিলেন তার স্তর


৪০ মাইক্রোমিটার।


অর্থাৎ একটি চিকন চুলের থেকেও পাতলা!


পাস্কেল আরো আবিষ্কার করেন যে মোনালিসার


ছবিতে আরো ৩টি চিত্র আছে। তাদের একটি সাথে


লিসা জিয়াকন্ডের মুখের মিল খুজে পাওয়া যায়।


সম্ভবত ভিঞ্চি বন্ধুর অনুরোধে লিসার ছবিটিই


আঁকছিলেন। কিন্তু তিনি এমন কিছু দেখেছিলেন যা


পুরো ছবিতে অন্য এক নতুন মুখের জন্ম দিয়ে


দিয়েছে!


সান্ডারল্যান্ড ইউনিভার্সিটির এক সার্ভেতে


মোনালিসা সম্পর্কে অদ্ভুত কিছু তথ্য পাওয়া যায়।


মোনালিসাকে দূর থেকে দেখলে মনে হয় সে


হাসছে। কিন্তু কাছে গিয়ে তার দিকে তাকালে


মনে হয় সে গভীরভাবে কোন কিছু চিন্তা করছে।


মোনালিসার চোখের দিকে তাকালে তাকে


হাসিখুশি মনে হয়। কিন্তু তার ঠোটের দিকে


তাকালেই সে হাসি গায়েব!


সান্দারলেন্ড ভার্সিটির ছাত্ররা মোনালিসার


ছবির বামপাশ থেকে আল্ট্রা ভায়োলেট পদ্ধতি


ব্যাবহার করে ভিঞ্চির লেখা একটি বার্তা উদ্ধার


করে। বার্তাটি ছিল " লারিস্পোস্তা শ্রী


তোভাকি"। যার অর্থ "উত্তরটা এখানেই আছে।"


যুগের পর যুগ মানুষকে মুগ্ধ করে আসা মোনালিসার


এই ছবি দেখে জন্ম নেয়া হাজার প্রশ্নের মাঝে


সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল, এই ছবি দিয়ে ভিঞ্চি কি


বোঝাতে চেয়েছিলেন?"


প্যারানোরমাল ম্যাগাজিনের একদল তরুন ছাত্র


উত্তরটা বের করার জন্য অনেক চেষ্টা করেছে।


অবশেষে তারা যা জানিয়েছে সেটাও চমকে


দেয়ার মত!


ভিঞ্চি মোনালিসার ছবির বামপাশে গোপন বার্তা


দিয়েছিলেন "উত্তর টা এখানেই আছে"।


সে বাম পাশকে আয়নার কাছে আনলে একটা ছবি


তৈরী হয়। অবাক করার বিষয় এই তৈরী হওয়া ছবির


জীবটিকে ভিঞ্চি ১৫০০ সালের দিকে


দেখেছিলেন!


ছবিটা একটা এলিয়েনের!!


ভিনগ্রহের এলিয়েন.....!!😲😲


কালেক্টেড



মুশফিকা ফেইসবুক পেইজ থেকে নেওয়া

 আমি সিনেমা যে খুব বুঝি তা নয়, তবে সময় পেলে ভালো মুভি খুজি। আজও "কেহনা হি কেয়া" গানটা শুনতে শুনতে ইচ্ছে হলো মানি রাতনামের "Bombay" মুভিটা দেখি। জিরো এক্সপেকটেশন নিয়ে দেখতে বসলাম। আমি মুভিটার ব্যাকস্টোরি জানতাম না। দেখার আগেও সার্চ দেই নি। প্রথম অর্ধেকে একটা ক্লিশে একটা প্রেমকাহিনী যেখানে প্রেমের বিরোধিতা করায় দুটো ছেলেমেয়ে ঘর ছেড়ে বোম্বে চলে যায় নিজেদের একটা দুনিয়া বানানোর জন্য৷ দুই পরিবার তাদের প্রেমে মোটেই রাজী থাকে না কারণ দুজনের ধর্ম আলাদা। চিঠির মাধ্যমে ত্যাজ্য, মৃত ইত্যাদি বলে। খুব ই নরমাল স্টোরি সেকেন্ড হাফে এতোটা ড্রাসটিক্যাল চেঞ্জ দেখাবে অকল্পনীয় ছিলো। হার্ডহিটিং কিছু মুভি থাকে না যা আপনাকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখাবে দেখ বাস্তব এই মুভিটাও তেমন। ৯২/৯৩ এ ইন্ডিয়াতে হয়ে যাওয়া কমিউনাল রাওট গুলো এতোটা বাস্তবিক ভাবে দেখবো অকল্পনীয় ছিলো। যে পরিবারের ভয়ে তারা বোম্বেতে এলো সেই পরিবার তো তাদের আপন করে নিলো কিন্তু পারিপার্শ্বিক দাঙ্গা ফাসাদে সব হারিয়ে ফেললো তারা। সুখের সংসার মুহূর্তেই পুড়ে গেলো। 


কিছু মোমেন্ট গুলো এতোটা বাস্তবিক রুপে দেখানো হয়েছে যে দেখতে গেলে বারবার এক প্রশ্নই মাথায় আসছিলো, "মানুষ কি তার মনুষত্ব ঠিকিয়ে রেখেছে!" আবার কিছু মোমেন্ট এমন ছিলো যেখানে আপনাকে ফিল করাবে না মনুষ্যত্ব এখনো আছে। দুটো উদাহরণ দেই; একটি সিন ছিলো যেখানে দুটো ছয় বছরের বাচ্চাকে ছু রি ধরে জিজ্ঞেস করা হচ্ছিলো তাদের ধর্ম। এরপর তাদের উপর কেরোসিন ঢেলে দিচ্ছিলো৷ আরেকটা সিন ছিলো যেখানে একজন মুসলমান নামায পড়ছিলো, তার ঘরে আগুন জ্বলছে একজন হিন্দু তাকে বলছে বের হয়ে যা। সে তার নামাজের পাটি উঠাতে নিবে তখন হিন্দু মানুষটি তার নামাজের পাটিটি উঠিয়ে জীবন বাঁচানোর জন্য ছুটছে যেনো দুজনের প্রাণ বাঁচে। কিন্তু তারা বাঁচলো না একই সাথে পুড়ে মরলো। ডিরেক্টরের থট প্রসেসে আমি মুগ্ধ। এই সিনেমাটা না দেখলে এমন মিশ্র অনুভূতি কখনোই হতো না। যারা দেখেন নি অবশ্যই একবার দেখবেন। মুভি শেষে একটা মিশ্র অনুভূতি হবে, তবে সেই অনুভূতিটা অনেক সুন্দর।


বাংলাদেশের একজন বিজ্ঞানীর লেখা বই পৃথিবীর বিখ্যাত বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচিতে রাখা

 ভাবা যায়!!! 

বাংলাদেশের একজন বিজ্ঞানীর লেখা বই পৃথিবীর বিখ্যাত বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচিতে রাখা হয়। আর সেখানে, তাঁকে বাঙালি চিনেও না, নামও শুনেনি হয়তো অনেকে। নিচের লেখাগুলোতে সেটাই স্পষ্ট-


"বাংলাদেশের একজন বিজ্ঞানী সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে স্টিফেন হকিং বলেছিলেন, "সে সেরা। আমি তার কাছে কিছুই না।"


"সায়েন্স ওয়ার্ল্ড" নামে একটি বিজ্ঞান ম্যাগাজিন ২০০৭ সালে জামাল নজরুল ইসলামকে নিয়ে একটি ফিচার ছাপিয়েছিল। বাংলাদেশের কোনো ম্যাগাজিনে উনাকে নিয়ে লেখা এটিই ছিলো প্রথম ও শেষ ফিচার।


"কৃষ্ণবিবর" নামে উনার একটি বই আছে যেটা বাংলাদেশে খুঁজে পাওয়া কষ্টকর ।


শুধু এটাই নয়, "কৃষ্ণবিবর" "দ্য আল্টিমেট ফেইট অব ইউভার্স" "রোটেটিং ফিল্ডস ইন জেনারেল রিলেটিভিটি" বইগুলো অক্সফোর্ড কেমব্রিজ আর হার্ভার্ড এর মত বিশ্ববিদ্যালয়সহ আরও ১০০ টারও বেশী বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো পড়ানো হয়।

কিন্তু যে দেশে তিনি জন্মেছিলেন, সেই বাংলাদেশের কোন একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে তার বই থেকে কোন লেকচার দেয়া হয় বলে আমার জানা নেই...


২০০১ সালে যখন পৃথিবী ধ্বংস হবার একটা গুজব উঠেছিল তখন জামাল নজরুল ইসলাম অংক কষে বলেছিলেন পৃথিবী তার কক্ষপথ থেকে ছুটে চলে যাবার কোনো সম্ভাবনা নেই।


স্টিফেন হকিং কে চিনে না এমন মানুষ খুব কম আছে। উনার লেখা "আ ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম" বইটি এক কোটি কপিরও বেশী বিক্রি হয়েছে সারাবিশ্বে । সে বইটি সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৮৮ সালে।


কিন্তু এই বইটি প্রকাশের প্রায় ৫ বছর আগেই ১৯৮৩ সালে জামাল নজরুল ইসলাম "দ্যা আল্টিমেট ফেইট অব দ্য ইউনিভার্স" বইটি লিখেছিলেন। দুটো বই-ই প্রায় একই সব টপিকের উপর লিখা। ব্লাকহোল, ওয়ার্ম হোল, সুপারনোভা, কসমিক রেডিয়েশন, প্যারালাল ইউনিভার্স, বাটারফ্লাই ইফেক্ট ইত্যাদি সব জোতিপদার্থর্বিজ্ঞানীয় ব্যাপারগুলোই ঘুরেফিরে দুটো বইতেই উঠে এসেছে। কিন্তু তুলনামূলক বিচারে জামাল নজরুল ইসলামের বইটিকেই বিশ্বখ্যাত বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকগন অধিক মূল্যায়ন করেছেন, যেটি প্রকাশিত হয়েছিল হকিং এর বইয়েরও প্রায় ৫ বছর পূর্বে।

অথচ হকিং এর বই নিয়ে যতটা না মাতামাতি সারাবিশ্বে হয়েছে, তার ছিঁটেফোঁটাও হয়নি জামাল নজরুল ইসলামের কোন বই নিয়ে.. কেনো? পরে বলছি।

বলা হয়ে থাকে, বিশ্বের ৭ জন শ্রেষ্ট বিজ্ঞানীর নাম বলতে গেলে সে তালিকায় নাকি জামাল নজরুলের নামও চলে আসবে।

বিশ্বের বুকে বাংলার গর্ব জামাল নজরুল ইসলাম। 


১৯৮১ সালে লন্ডনের লাখ টাকা বেতনের চাকরি এবং উন্নত সুযোগ-সুবিধা ছেড়ে মাত্র ৩ হাজার (২৮ শত) টাকা বেতনের চাকরি নিয়ে তিনি চলে আসেন মাতৃভূমি বাংলাদেশে। বাংলাদেশের বিজ্ঞান শিক্ষা এবং বিজ্ঞান গবেষণার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন তিনি। তাই সব সুযোগ সুবিধা ছেড়ে দেশে চলে এসেছিলেন।


সংগৃহীত: মহাকাশের যত কথা

পিরামিড রহস্য ৪

 পিরামিড রহস্য ৪


৭ পিরামিড তৈরির সবচেয়ে সমস্যা ছিল পাথর বহন। বিশাল বিশাল পাথরের চাঁই বহুদূর থেকে নিয়ে আসার মতো যন্ত্রপাতি আর প্রযুক্তি সেকালে আদৌ কি ছিল?


 এ প্রশ্নের উত্তর মিলতে সময় লেগেছে। তাই হয়তো মিসর নিয়ে মানুষ এত এত রহস্যের জাল বুনেছে।


 বেশির ভাগ পিরামিড তৈরি হয়েছে এমন সব জায়গায়, যার আশপাশে প্রচুর পাথরের জোগান আছে।


বহুদূর থেকে আসলে বয়ে আনা হয়নি পাথর। আনা হয়েছে আশপাশ থেকে। যেমন খুফু গ্রেট পিরামিড কেন গিজায় বানালেন। তাঁর বাবা স্নেফেরুর পিরামিডগুলো বানিয়েছিলেন।


দাশুরে। এর কাছাকাছি কোনো জায়গায় খুফু পিরামিড বানাতে পারতেন। তা না করে তিনি কেন গিজায় পিরামিড বানালেন, তার কারণ আগেই বলেছি —


 পাথরের পর্যাপ্ত জোগান। আসলে দাশুরের আশপাশের খনিগুলোতে পাথরের জোগান শেষ হয়ে গিয়েছিল।


তাই গিজাকে বেছে নেন খুফু। পর্যাপ্ত পাথরখনির কারণেই। সবাই এ সুবিধাটা পায়নি। দূর থেকেও পাথর বহনের নজির আছে পিরামিডগুলোতে। পাথর সহেজ নৌপথে পরিবহন করা যায়।


ভেলাজাতীয় জিনিস কিংবা বড় বড় নৌকা তৈরি করতে পারত মিসরীয়রা। ভাসমান কাঠ দিয়ে তৈরি করত ভেলা বা নৌকা। তার ওপর পাথরগুলো বেঁধে ছেড়ে দেওয়া হতো নদীতে। সেসব ভেলার সঙ্গে দড়ি বেঁধে গুন টানার মতো টেনে নেওয়া হতো নদীর কিনার থেকে। কখনো কখনো গবাদিপশুও ব্যবহার করা হতো গুন টানার কাজে। তাই চুনাপাথরের খনি অনেক দূরে হলেও সমস্যা ছিল না।


তবে অল্প দূরত্বে নেওয়াও কম কঠিন কাজ নয়। এই কঠিন কাজটা মিসরীয়রা করার জন্য একটা বিশেষ জিনিস তৈরি করেছিল। পাথরের চেয়ে বড় মাপের কাঠের মাচা তৈরি করা হয়েছিল। মাচাগুলো অনেকটা বিশালাকার স্লেজ গাড়ির মতো। পাথরের চাঁইগুলো ঢালু জায়গা থেকে গড়িয়ে তোলা হতো মাচার ওপর।


 নৌকার নিচে পানি আছে। পানি ঠেলে সহজেই নৌকা বাওয়া যায়। মাচাগুলো চলে কীভাবে? তা-ও আবার শুকনা বালুর ওপর।


প্রথমে মাচা চলার রাস্তায় পানি ছিটিয়ে ভিজিয়ে বালুকে শক্তপোক্ত করা হতো, যাতে ধসে না যায়, তার ওপর রাখা হতো গাছের গুঁড়ি। সেই গুঁড়িগুলোর ওপর দিয়ে চালিয়ে দড়ি বেঁধে টেনে নেওয়া হতো। বহু লোক একসঙ্গে দড়ি বেঁধে কিংবা ঠেলে পাথর গড়িয়ে নিত।


 তাই কাজটা কঠিন হলেও অসাধ্য ছিল না। মনে রাখতে হবে, একেকটা বড় আকারের পিরামিড বানাতে ১০ হাজারের বেশি লোক কাজ করেছেন একসঙ্গে।


 তাঁদের মিলিত শক্তি কম নয়। তা সত্ত্বেও পিরামিড যখন উঁচু হতে হতে কয়েক শ ফুট হয়ে গেছে, তখন অত উঁচুতে কীভাবে তোলা হতো পাথর?


আসলে এ নিয়ে প্রত্নতত্ত্ববিদেরাও দ্বিধাবিভক্ত। অনেকগুলো তত্ত্ব তাঁরা খাড়া করেছেন। সেগুলোর প্রতিটিই যুক্তিযুক্ত। তবে এটা ঠিক, সব পিরামিড একই পদ্ধতিতে তৈরি হয়নি। দিন যত এগিয়েছে, বদলেছে কৌশলের ধরন।


পিরামিড তৈরির একটা জনপ্রিয় তত্ত্ব হলো র‌্যাম্প থিওরি। এ পদ্ধতিতে নির্মাণ করা হতো ঢালু পথ, যা পিরামিড কাঠামোর সঙ্গে লাগানো। এটা দেখতে গ্যারেজে গাড়ি ঢোকানোর জন্য পথের মতো। সমতল ঢালু পথ। এই পথে পাথরগুলোকে টেনে ওপরে ওঠানো হতো।


আরেকটা হলো সুইচব্যাক পদ্ধতি। এ পদ্ধতি অনেকটা জিগজ্যাগ পদ্ধতিতে পিরামিডের চারপাশে তৈরি করা হতো র্যাম্পগুলো। অনেকটা প্যাঁচানো ধাপহীন সিঁড়ির মতো। পিরামিডের নির্মাণকাজ শেষ হলে ধ্বংস করে ফেলা হতো সব কটি র‌্যাম্প।


অন্যদিকে পিরামিডের চারপাশে পরিখা খননেরও একটা কারণ বের করে ফেলেছেন গবেষকেরা।


 পিরামিডের চারপাশে বড় পাথরগুলো সরানোর কাজটাও কম ঝক্কির ছিল না। তাই ভেলায় বেঁধে সহজেই এপাশ থেকে ওপাশ করানো যেত পরিখার পানিতে ভাসিয়ে।

সংগৃহীত. 

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...