এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ২৯ মে, ২০২৪

অচল মামলা সচল করা’র গল্প!,,,,, রকমারী গল্ল ফেইসবুক থেকে

 ‘অচল মামলা সচল করা’র গল্প!

(যারা বুঝাপড়া না করেই মামলা করতে চান!  তারা সময় নিয়ে হলেও গল্পটা পড়বেন)


‘গাজী সেরাজদ্দিন', দাদার আমলে অনেক জায়গা-সম্পত্তি ছিল। বাবার আমলেই বিক্রি শুরু। নিজের আমলে তলানিতে তলিয়ে যায় সম্পত্তি। পাতিলের তলার ভাতে যে কারণে ‘কণা’ থাকে সে কারণে তলানির সম্পত্তিতেও সমস্যা থাকে। গাজী সেরাজদ্দিন মামলা করতে আসেন সদরে। এক আইনজীবী কাগজপত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বলেন ‘মামলা চলে না’। আইনজীবীর কথায় সেরাজদ্দিন খুশি হয়নি। কাগজপত্র ফেরত নিতে চাইলেই, আইনজীবী সাহেব,

- আমার পরামর্শ ফি?

- আমি তো আপনার পরামর্শ নিলাম না।

- কাগজপত্র পরীক্ষা করতে গিয়ে আমার সময় নষ্ট হয়েছে, সেই সময়ের মূল্য?

- সময় নষ্ট তো আমারও হয়েছে।


বে-কায়দায় পড়ে গেলে কোনো উকিলই মক্কেলের সাথে কথায় কুলিয়ে উঠতে পারেন না। মক্কেল কাগজপত্র নিয়ে চলে গেল পাশের চেম্বারে। পাশের চেম্বারে লোকজন গিজগিজ করছে। বাবার সাথে মাঝে মাঝে সদরে আসার কারণে সেরাজদ্দিনকে অনেকেই চেনে। উকিল সাহেবের নজর পড়তেই,

- গাজী সাহেব কী কারণে সদরে?

- আর বলবেন না, এক মাঠে মড়া উকিলের কাছে এসেছিলাম মামলা করতে। আমার দিনটাই মাটি করে দিলো। সারা দিন কাগজ নাড়াচাড়া করে এখন কয়, মামলা চলে না।

- কে বলে মামলা চলে না। চালাতে জানলেই চলতে শুরু করবে। খরচপাতি একটু বেশি লাগে, এই আর কী!


বেশি খরচ দিতেই চলতে শুরু করে মামলা। অচল মামলা সচল রাখতে গিয়ে উকিল সাহেব কখনো চঞ্চল, কখনো অস্থির এবং কখনো গম্ভীর হয়ে উঠতেন। উকিল সাহেবের মুখের দিকে তাকিয়ে এরকম বিপরীত আচরণ করতেন সেরাজদ্দিনও। উকিল সাহেবের অস্থির ভাব দেখে স্বস্তির ভাব নিয়ে মামলার হালচাল জানতে চাইত সেরাজদ্দিন। উত্তরে আইনজীবী,

- অচল মামলা তো, বড় কষ্ট করে সচল রাখতে হচ্ছে।


সেরাজদ্দিনও মানুষ, হাবভাব দেখেই উকিল সাহেবের কষ্ট বুঝতে পারেন। উকিলের কষ্ট বুঝতে পারেন বলেই অন্যান্য মক্কেল যেখানে ১০ টাকা খরচ করে, সেখানে সেরাজদ্দিন খরচ করেন ২০ টাকা। নিজের পেটের খরচ কমিয়ে উকিল সাহেবের খরচ বাড়িয়ে দেন। বছর পাঁচেক পর মামলা দো-তরফাসূত্রে খারিজ হয়ে যায়।

- এত ভালো মামলা খারিজ হয়ে গেল?

উকিল সাহেবের মুখের দিকে তাকিয়ে বিস্মিত কণ্ঠে প্রশ্ন করেন সেরাজদ্দিন।

- হাকিম মামলা বোঝে না।

বিজ্ঞের মতো উত্তর দেয় বিজ্ঞ আইনজীবী।

- এখন কী করতে হবে?

বিষণ্ণ বদনে প্রশ্ন করেন সিরাজদ্দিন।

- আপিল করতে হবে।

বিজ্ঞের মতো উত্তর দেন আইনজীবী সাহেব।


আপিল দায়ের করতেই আবার চলতে শুরু করে মামলা। উভয় কোর্টের উকিল এক ব্যক্তি হলে কী হবে, নিম্ন আদালত আর আপিল আদালত এক নয়। আপিল আদালত বড় আদালত, খরচও বড়। সর্ব প্রকারের খরচ বাড়িয়ে দেয়া সত্ত্বেও উকিল সাহেবের খাটাখাটির কোনো মূল্যায়ন না করে বছর কয়েক পর বিজ্ঞ বিচারক নির্মমভাবে আপিলও খারিজ করে দেন।

-ওদের (হাকিমদের) মাথায় কিচ্ছু নেই। কী বই পড়ে হাকিম হয়েছে, বুঝতে পারলাম না। আমার ক্ষমতা থাকলে এসব মাথাবিহীন হাকিমদের বান্দরবান পাঠিয়ে দিতাম।


সেরাজদ্দিন কৈফিয়ৎ চাওয়ার আগেই সেরাজদ্দিনকে শুনিয়ে প্রচণ্ড ক্ষোভ নিয়ে হাকিমের মাথা ও বিদ্যা-বুদ্ধির স্বল্পতা নিয়ে অনেক কথা বলেন বিজ্ঞ আইনজীবী সাহেব। আবার আপিল হয়। আবার খারিজ হয়, হয় রিভিশনও। রিভিশনও শেষ হয়। এক দিন শেষ হয় দেশের সর্বোচ্চ আদালতও। মামলা চলাকালে মক্কেলের জ্বালা উকিল বুঝল- উকিলের জ্বালা মক্কেল বুঝল। দু’জনের মিলিত জ্বালা গত ২২ বছরেও বুঝল না বিচারক। মামলা সাথে সাথে জোয়ান সেরাজদ্দিন গাজীর টানটান চামড়াও ঢিলেঢালা হয়। ‘গাজী সেরাজদ্দিন’ নামটিও একসময় সংক্ষিপ্ত আকারে হয়ে পড়ে ‘ছিরোগাজী’।


শেষ বিচারের ভার আল্লাহর ওপর ছেড়ে দিয়ে এখন উকিলের কাছ থেকে বিদায় নেয়ার পালা। এক থলে কাগজপত্র নিয়ে গাজী সেরাজদ্দিন সে-ই আইনজীবীর চেম্বারের সামনে দিয়ে বের হয়ে যাচ্ছিল, যে-ই আইনজীবী বলেছিলেন, মামলাটি চলে না। সেদিন প্রথম আইনজীবীর পারিশ্রমিক না দিয়ে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে চলে গিয়েছিল সেরাজদ্দিন। প্রথম আইনজীবীর অবজারভেশন যে সঠিক ছিল, তা প্রমাণের জন্য মামলার ওপর পরোক্ষ নজর রাখতেন প্রথম আইনজীবীও। গাজী সেরাজদ্দিন ছিরোগাজী খেতাবসহ দ্বিতীয় আইনজীবীর চেম্বার থেকে বিদায় হয়ে যাওয়ার সময় খোঁচা দিয়ে,

- গাজী সাহেব, মামলার খবর কী?

প্রশ্নের উত্তর না দিয়েই হন্ হন্ করে বের হয়ে যায় ছিরোগাজী। উত্তর দেন দ্বিতীয় আইনজীবী। কারণ, প্রথম আইনজীবীর কথার খোঁচা লেগেছিল দ্বিতীয় আইনজীবীর গায়েও। দ্বিতীয় আইনজীবী প্রথম আইনজীবীর কাছে এসে,

- আপনি তো বলেছিলেন ‘মামলাই চলে না’। আমি ২২ বছর চালাইলাম। জুনিয়ার থেকে সিনিয়র হলাম, ছেলে-মেয়ে মানুষ করলাম, বাড়ি করলাম, গাড়ি করলাম, (বৃদ্ধাঙ্গুলি মুখের কাছে নিয়ে) আপনি কী করছেন?


- (দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে, মনে মনে) ঠিকই তো, মেঘে মেঘে অনেক বেলা হয়ে গেল, কিছুই তো করতে পারলাম না।

অচল মামলা সচল রাখতে কোনো কোনো আইনজীবীর ভাগ্যের চাকা খুলে গেলেও বন্ধ হয়ে পড়ে ক্লায়েন্টের জীবনের চাকা। ‘গাজী সেরাজদ্দিন’ সুন্দর নামটিও মামলাবাজ ‘ছিরোগাজী’তে রূপান্তর হয়ে এলাকায় হয়ে পড়েছিলেন উপহাসের পাত্র।

---------------------------------------------


এবার সিদ্ধান্ত আপনাকে নিতে হবে। ফি দিয়ে সঠিক পরামর্শ নিবেন নাকি চটকদার, মিষ্টি  কথায় মুগ্ধ হয়ে ২২ বছর পার করে শূন্য হাতে বাড়ী ফিরবেন। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা হলো মানুষ উচিত কথা শুনতে পছন্দ করেনা। উচিত কথা বললে মামলা মোকদ্দমা পাওয়া যায় না বা কম পাওয়া যায়। বরং মক্কেল যে প্রাপ্তি সংবাদ শুনতে চায়, সেটা বললে উপরের ঘটনার মত বেশী ফি আদায় করা যায়।


ধন্যবাদ Rokon ভাই।

স্যারের মেসেজ 29/05/2025

 স্যারের মেসেজ ২৯/০৫/২০২৪


আজকে আবহাওয়ার অবস্থা ভালো সকলের DPL সমস্ত প্রোডাক্ট মেলায় একটা ওয়ার্ক অর্ডার প্রদান করুন মিনিমাম দোকান থাকবে ৩০ টা।,,,,,,,,,,,,,,,

সুপারভাইজার ভাই আপনারা সকলের সাথে ওয়ান বাই ওয়ান কথা বলেন এবং মেজারমেন্ট কালেকশন করেন। এবং যত দ্রুত সম্ভব আমাকে ওয়ার্ক অর্ডার বানিয়ে দিন।,,,,,,,,,,,,,,,,,

আজ সারাদিন যারা কাজ করবেন তারা শুধুমাত্র DPL মেজারমেন্ট নিয়ে কাজ করবেন।


এ মাসে মাত্র ১১ জন লোক সেল করতেছে বাদবাকি লোকের কোন সেল নাই আমি সবাইকে অনুরোধ করব sales করার জন্য.. সেলস না করতে পারলে তারা অন্য জায়গায় চাকরি খুঁজতে পারেন।,,,,,,,,,,, 

প্রিয় সেলস লিডারগন । 

সবার প্রতি সালাম ও শুভেচ্ছা। 

ব্রি ধান ৭৫ একটি সল্প মেয়াদি  ধান।  রংপুর, দিনাজপুর,  ঠাকুরগাঁও,  জয়পুরহাট, নীলফামারি  ও বগুড়ার যে এলাকা তে আমন ধান করার পরে আলু বা শরিষা অথবা  আগাম সবজি  আবাদ করে ঐ এলাকাতে  ব্রি ধান ৭৫ ব্যাপক ভাবে আবাদ হয়।এছাড়া যশোর চুয়াডাঙ্গা আগাম   সবজি আবাদের জন্য ৭৫ ধান আবাদ করে থাকে।   এই অঞ্চলের সেলস প্রতিনিধিরা একটু মেহনত করলে  ৭৫ ধান আরও কিছু  বিক্রয় করা সম্ভব হবে।  ব্রি ধান  ৯৩ বা সর্না -৫  উত্তর অঞ্চলের সব জেলাতেই আবাদ হয়।  বিগত বছরের তুলনায় এ বছর আপনারা অনেক ভাল করছেন।  আমরা আশাবাদী আপনারা আরও ভাল করবেন। 

ধন্যবাদ।

,,,,,


সকাল ৭ টার  সংবাদ।  তারিখ: ২৯-০৫-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭ টার  সংবাদ। 

তারিখ: ২৯-০৫-২০২৪ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


১৪ হাজার তিনশো কোটি টাকার বেশি ব্যয়ের ১১টি উন্নয়ন প্রকল্প একনেকে অনুমোদন - ঘূর্ণিঝড় রিমাল এর আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলীয় অঞ্চলের বাঁধগুলো বর্ষার আগেই দ্রুত মেরামত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ।


ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে উপকূলীয় অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি - দুর্যোগ কবলিত মানুষের সহায়তায় সরকারের ত্রাণ কার্যক্রম শুরু।


আগামীকাল ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে পটুয়াখালী যাবেন প্রধানমন্ত্রী - জানালেন ওবায়দুল কাদের।


তৃতীয় ধাপে দেশের ৮৭টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ আজ - সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন।


সঠিক তথ্য পাওয়ার অধিকার নিশ্চিতের পাশাপাশি অপতথ্য ও অপপ্রচার রোধে কার্যকর ভূমিকা পালনের ওপর তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ।


নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দেশে আজ পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস।


আজ দেশের বিভিন্ন ভেন্যুত অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ ফুটবলের পাঁচটি খেলা।

সকাল ৭ টার  সংবাদ।  তারিখ: ২৮-০৫-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭ টার  সংবাদ। 

তারিখ: ২৮-০৫-২০২৪ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত ও স্মার্ট দেশে পরিণত করতে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী। 


রিমালে এ পর্যন্ত নিহত ১০ জন; ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৩৭ লাখ ৫৮ হাজারের বেশি মানুষ — ব্রিফিংয়ে জানালেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী।


ঘূর্ণিঝড়ের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে জনপ্রতিনিধিসহ দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।


সম্প্রতি রাফার ক্যাম্পে আক্রমণের জন্য ইসরাইলের প্রতি নতুন করে বিশ্বব্যাপী নিন্দা।


আজ ডালাসে টি—টোয়েন্টি ক্রিকেট বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের মোকাবেলা করবে বাংলাদেশ।

সকাল ৭ টার  সংবাদ।  তারিখ: ২৭-০৫-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭ টার  সংবাদ। 

তারিখ: ২৭-০৫-২০২৪ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করছে ঘূর্ণিঝড় রিমাল - বাতাসের গতিবেগ ছিলো সর্বোচ্চ ১১১ কিলোমিটার। 


সঠিক পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণের ফলে ঘূর্ণিঝড়ে তেমন প্রভাব পড়েনি - বললেন আবহাওয়াবিদ।


ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রবল বৃষ্টিপাত।


আদালতের রায় কার্যকর করতে তারেক জিয়াকে দেশে ফিরিয়ে আনবে সরকার - পুনর্ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী।


কোনো সাংবাদিক যাতে হয়রানির শিকার না হয় সে ব্যাপারে সতর্ক রয়েছে সরকার - জানালেন ওবায়দুল কাদের।


প্রতিযোগিতার যুগে টিকে থাকতে বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের দক্ষতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর।


রাফার কাছে শরণার্থী শিবীরে ইসরাইলী হামলায় অর্ধশতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত।


ঢাকায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক কাবাডি টুর্ণামেন্টে উদ্বোধনী ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে বাংলাদেশের শুভ সূচনা।

সকাল ৭ টার  সংবাদ।  তারিখ: ২৬-০৫-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭ টার  সংবাদ। 

তারিখ: ২৬-০৫-২০২৪ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


পূর্ব মধ্যবঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড় রেমালে পরিণত হয়েছে - মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।


ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে সম্ভাব্য যেকোনো ধরনের দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রস্তুত সরকার - জানালেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী। 


ঢাকাবাসীকে সুন্দর জীবন উপহার দিতে কাজ করছে সরকার - বঙ্গবাজার পাইকারি নগর বিপনি বিতানসহ চারটি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে বললেন প্রধানমন্ত্রী।


দেশজুড়ে নানা আয়োজনে উদযাপিত হয়েছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৫-তম জন্মজয়ন্তী।


কোনো দলের নেতাকর্মীকে জেলে পাঠানোর এজেন্ডা সরকারের নেই - মন্তব্য আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের।


ভারতের গুজরাটে একটি বিনোদন পার্কে অগ্নিকাণ্ডে ৯টি শিশুসহ কমপক্ষে ২৭ জনের প্রাণহানি। 


গতরাতে টেক্সাসে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রকে ১০ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ।

কঠিন বাস্তবতা সাল ২০৮০ 

 কঠিন বাস্তবতা

🕛 সাল ২০৮০ 🕛

বিছানায় শুয়ে শুয়ে বোরিং হয়ে গেছি । বেড বক্সের উপর থেকে চশমাটা হাতরে নিলাম আর খাটের পাশ থেকে লাঠিটা নিয়ে নাতনীর ঘরে গেলাম গল্প করব বলে। গিয়ে দেখি, ল্যাপটপে কিছু একটা করছে। আমি যেতেই বলল, দাদুন তুমি ! বসো বসো। আমি টিউশনে যাবো। বসলাম ওর ঘরে। ল্যাপটপটা খোলাই ছিল। চশমা চোখে দিয়েও ভালো দেখতে পারি না। হঠাৎ মনে পড়ল আজ কত যুগ ধরে ফেসবুকে যাই না। অথচ যে ছেলেটা না এখনকার বুড়োটা একসময় দিন রাত ফেসবুকে চ্যাটিং, ছবি আপলোড দেওয়া নিয়ে ব্যাস্ত থাকতো। অনেক কষ্টে পাসওয়ার্ডটা মনে করলাম। আইডিটা লগ ইন করে দেখি ইনবক্সে ৮৬৭৮ টা ম্যাসেজ। আইডিটা চেনাই যাচ্ছে না। সব অপরিচিত লাগছে। ফ্রেন্ড সংখ্যা ছিল ৪৭৮৮ জন। কিন্তু এখন চ্যাট লিস্টে আছে ২৮ জন। বৃদ্ধ হয়ে যাওয়ায় হয়ত ওরাও আর ফেসবুক চালায় না। ইনবক্সে ঢুকতেই আমার ক্লোজ কয়েকটা ফ্রেন্ডের ম্যাসেজ। বন্ধু শরীরটা ভালো নেই। বেশিদিন হয়ত বাঁচব না। ম্যাসেজটা ছিল ৫ বছর আগে। খবর পেয়েছি ৪ বছর আগেই সে মারা গেছে। আমার বেস্টিও ৯ বছর আগে মারা গেছে। ওর সাথে চ্যাটিং গুলো পড়ে খুব ভালো লাগছিল। গ্রুপে ফ্রেন্ডদের সাথে কত মজা, আড্ডা এ সবই পড়ে আছে। ওদের অধিকাংশইই মারা গেছে। এরপর চ্যাট লিস্টের একদম শেষে পেলাম তার ম্যাসেজ। হ্যা আমার সেই পুরোনো "একতরফা" ভালোবাসা। ওর কোন খবরই জানি না। কত ভালোবাসতাম দুজন দুজনকে। কিন্তু ভাগ্যের পরিহাসে বিয়েটা হয়নি । আজ অনেক দিন পর তার কথা মনে পড়ছে। তার আইডিটায় ঢুকলাম লাস্ট পোস্ট ছিল ১৬ বছর আগে। তার নাতনীর সাথে ছবি। আরো একটু নিচে যেতে দেখলাম তার ফ্যামিলির ছবি। সে, তার স্বামী, মেয়ে, ছেলে আর নাতী- নাতনী। খুব হ্যাপি ফ্যামিলি। ওকে যেদিন শেষ দেখেছিলাম - চুলগুলো সেই রকম স্টাইল দেওয়া, পড়নে লাল শাড়ী ছিল , ভাগ্যক্রমে এখন তার ছিল অন্য। কিন্তু এখন এই ছবি গুলোতে সাদা শাড়ি পড়া, চুলগুলো সব সাদা। কিছু কিছু আবার মেহেদী দিয়ে লাল করা। হঠাৎ মোবাইলের স্ক্রীনে নিজের ছবিটা দেখলাম। হ্যা আমিও তো বুড়ো হয়ে গেছি। ও দেখলে নিশ্চয়ই বলত, বুড়ো দাদু। আচ্ছা ও কি আজও বেচে আছে ? জানি না ! ওর আইডিটায় শেয়ার করা একটা পোস্ট পেলাম। একজন ওর আইডির স্ক্রীনশট দিয়ে লিখেছে, এই দাদী গতকাল আনুমানিক বিকেল ৫ টায় হৃদক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেছেন , উনি যেনো সর্গ লাভ করেন এই আমার পার্থনা। পোস্ট পড়েই থমকে গেলাম। পাঁচ বছর আগের পোস্ট। ও মারা গেছে তাহলে ? হায়রে !. কোথায় সেই একসাথে বাঁচবো বলে কথা দেওয়া দিনগুলো। অজান্তেই চোখের কোনে পানি এলো। এরপর পরিচিত ফ্রেন্ডদের আইডিটা দেখছিলাম। ওদের আইডিটা এখনো প্রানবন্ত। কিন্তু ওরা প্রানবন্ত না। অনেকেই দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করেছে। যে ফ্রেন্ডটা রোজ নতুন নতুন সেলিফি আপলোড দিত ও ২০ বছর আগে ক্যান্সারে মারা গেছে। খবর শুনে দেখতে গেছিলাম। মজার মজার জোক্স পোস্ট করা ফ্রেন্ডটার খবর জানি না। লেখক ফ্রেন্ডটা ৮ বছর আগেও একটা পোস্ট দিয়েছে ওর ছেলে ওকে বৃদ্ধা আশ্রমে ফেলে এসেছে এই নিয়ে। ওর সাথে যোগাযোগ নেই। এরপর আমার আইডিটায় গেলাম। এত ট্যাগের ভিড়ে নিজের শেষ পোস্টটা পাচ্ছিলাম না। এইতো অনেক কষ্ট খুঁজে পেয়েছি ৩৩ বছর আগে আমার স্ত্রী আর মেয়েকে নিয়ে ঘুরতে গেছিলাম। সেই খানকার কয়েকটা পিক। আরো প্রিভিয়াস পোস্টগুলো পড়ে কখনো হাসলাম। কখনো কাঁদলাম।

হঠাৎ নাতনী ডাক দিল দাদু আমি রেডি। টিউশনে যাব। ল্যাপটপ দাও।

আমি: ল্যাপটপ নিয়ে টিউশনে যাবি?

নাতনী: আরে তুমি আদি যুগের মানুষ বোঝো না? আমরা তো ভার্চুয়াল ক্লাস করি।

আমি: ওহ! তা বই খাতা লাগে না?

নাতনী: ধূর! কি বল? ক্লাস করতে বই খাতা লাগে?

আমি: ওহ! লাগে না?

নাতনী: তোমাদের সময় লাগতো?

আমি: হ্যা লাগতো তো। তবে তখন আমরা বইয়ে পড়তাম দেশে ভার্চুয়াল ক্লাস হবে।

নাতনী: হা হা হা। টিউশনে খাতা - কলম লাগতো! দারুন ফানি! আচ্ছা আমি যাই টিউশন শেষে তোমাদের কালের গল্প শুনবো।

হ্যা এখনকার আধুনিক আমরা ২০৮০ সালের আদিম আমরা। আমাদেরও ওই যুগের ছেলে মেয়েরা আদি কালের মানুষ বলবে। 

"জানিনাা ২০৮০ সাল পর্যন্ত বাঁচবো কি না ! 😅

যদি বেঁচে থাকি তাহলে টাইমলাইন এ এসে লেখাটা আরো একবারের জন্য পড়বো 🙂❤️, আর এই সুন্দর দিনগুলোর কথা মনে করবো"।

#copiedpost

রবিবার, ২৬ মে, ২০২৪

ব্যাখ্যা,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 #ব্যাখ্যাঃ বন্ধুগণ,চাকরি শব্দের উৎপত্তি হয়েছে চাকর থেকে।চাকর তুর্কী শব্দ, এর মানে হল দাসত্ব।ইংরেজ শাসনামলে যখন আমরা আক্ষরিক অর্থেই দাস ছিলাম তখন তারা  শাসনকার্যের সুবিধার্থে আমাদের দেশীয় লোক নিয়োগ দিত নিম্ন শ্রেণীর কর্মচারী হিসাবে।আর এই দেশের মানুষের মূল সমস্যাই হল সাদা চামড়ার মানুষ দেখলে হুশ হারায়ে ফেলে। তাদের পাংখাপুলার, বাবুর্চি, ঝাড়ুদার, আয়া সব হত উপমহাদেশীয়। তাদের কাছে আমাদের লেভেল ছিল ওই পর্যন্তই এবং সবচাইতে অদ্ভূত ব্যাপার হল, আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকেও তারা ওভাবেই তৈরি করল যেন শিক্ষিত হবার পর সবাই চাকর হতে পারে।পাখি উড়ে গেলেও যেমন পালক ফেলে যায় তেমন ইংরেজরা চলে গেলেও তাদের তৈরি সিস্টেম থেকে গেল।বাচ্চাদের ছোট বেলা থেকেই ভাল চাকর হিসাবে গড়ে তোলা শুরু হল।বর্তমানে একজন মানুষের সাফল্যের মাপ- কাঠিই হল ভাল একটা চাকরি।আমি ফেসবুকে অনেক কেই দেখি নিজের জব নিয়ে ব্র্যাগ করতে।নিজের বসের সাথে সেলফি দিতে বা ছবি দিয়ে আনন্দে গদগদ হয়ে যেতে।প্রমোশন নিয়ে নাচতে।কিন্তু সত্য কথা হচ্ছে আপনার সাথে আপনার বাসার কাজের বুয়ার স্পেসিফিক তফাৎ নেই। কিভাবে?ওকে মিলিয়ে দেখেন, বুয়া মাস শেষে বেতন পায়, আপনিও পান।বুয়া কামাই দিলে বুয়ার বেতন কাটেন, সেইম গোজ টু ইউ।বুয়া রান্না বান্না ধোয়া মোছা করে কারণ তার কাজে এটুকু শিক্ষাই যথেষ্ট।আপনি অংক ইংরেজী হিসাব বিজ্ঞানে ভাল।কারণ আপনার কাজে ওসব শিক্ষা লাগে।বুয়া লেট করে আসলে আপনি তাকে গালমন্দ করেন, আপনি লেট করে একদিন অফিসে যান দেখি।এখন, বুয়ার রান্না ভাল হলে, বা কাজ ভাল হলে আপনি তার বেতন বাড়িয়ে দেন, এবং তাকে ভাল দুইটা কথা বলেন। এখন আপনার জায়গায়   আপনার বস আর বুয়ার জায়গায় নিজেকে বসিয়ে চিন্তা করে দেখেন।আলটিমেটলি চাকরি জীবি মানেই চাকর, বস মানেই মালিক।শব্দের বলার ধরণ আর ভাষাটাই বদলায় অর্থ বদলায় না।আপনাকে একদিন মাথায় হাত  বুলিয়ে আদর করার মানে কিন্তু এই না যে আপনি বিরাট কিছু হয়ে গেছেন।এটা হল আপনাকে নবউদ্যমে লাথি মারার পূর্বপ্রস্তুতি।আপনার কাজের বুয়া না পোষালে আপনার বাসার কাজ লাথি মেরে ভাগতে পারে।আপনি এত সহজে চাকরি ছাড়তে পারবেন না।তাইলেই বোঝেন কিছু কিছু ক্ষেত্রে চাকরীজীবির পজি শন বুয়ারও নিচে।জানি সবগুলো কথা সবজায় গায় খাটে না।ভিন্নতা থাকবেই কিন্তু ভিন্নতা উদাহরণ হতে পারে না।এটাও বলতে পারেন, দেশে এত লোক বেকার হেন তেন।আমি বলব বেকার না থেকে নিজে চেষ্টা করে কিছু করলেই পারে।যারা চাকরিজীবি চিন্তা করে দেখেন, আপ- নাদের বেশির ভাগের মালিকই আপনার তুলনায় শিক্ষাগত যোগ্যতায় অনেক নিচে।তারা আপনাকে চাকরী দেবার মত হেডাম দেখাইতে পারলে আপনার কি হাত পায়ের কমতি আছে নাকি?কিন্তু আমি জানি আপনারা পারবেন না।মায়ের দুধ ছাড়ার পর থেকেই আপ- নাদের ট্রেনিং দেওয়া হয়েছে ভাল চাকর হবার।মোটিভেশন স্পীচও আপনারা এই ব্যাপারেই শোনেন যে কিভাবে ভাল চাকর হতে পারব, কিভাবে ভাল কাজ পাব।একজন মানুষ কোন পর্যায়ে গেলে সফল হবে তার সীমাটা সে নিজেই নির্ধারণ করে।আমার সোনার বাংলা দেশের ছেলেদের দৌড় চাকরি পর্যন্তই। পাশের  দেশ ভারত এই চাকরির চক্কর থেকে ধীরে ধীরে বাইরে আসছে।ওদের দেশে অসংখ্য স্টার্ট আপ হয়। ফ্লিপকার্ট, জাবং, ট্রিভাগো। ছোট ছোট পোলাপান কলেজ পাশ করার আগেই মিলিয়ন ডলারে খেলে।শুধু অ্যাপ দিয়ে মিলিয়ন ডলার ইন্ডাস্ট্রী দাড় করিয়ে ফেলে।আমাদের দেশ এখান থেকে বের হতে পারবে না সহজে।বাপের থাকলে বসে খাবে আর না থাকলে চাকর হবে। তবে অনেকেই এখন চেষ্টা করছে নিজে কিছু করার। তবে সেই চেষ্টাটা খুব নগণ্য আর যারা করছে তাদের অধিকাংশই শো অফ করে আর একজন আরেক জনের পিছে লেগেই সময় পায় না।No hard feelings.আপনার পেশা নিয়ে বলার অধিকার আমার নাই।আমি জাস্ট আত্ম উপলদ্ধ্বিটা বললাম।butthurt হবার কিছু নাই।আল্লাহ মহান।আল্লাহ আমাদের সকলকে সঠিক জ্ঞান দান করুন।জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।জয় হোক দেশরত্ন জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এবং এদেশের জনগণের।আল্লাহ সহায় হোন।আমিন। 


মোঃআবুল কালাম আযাদ,

                       এডভোকেট, 

জজ কোর্ট,লক্ষ্মীপুর।বাংলাদেশ।  

মোবাঃ০১৭১৬৫৫৫৩১২

লিওনার্দো ভিনন্ঞ্চির সৃষ্টি মোনালিসাকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরী মেয়ের ছবি বলা হয়,,,,, কিন্তু টর্চ লাইট দিয়ে খুঁজলপও সৌন্দর্য খুঁজে পাওয়াটা কঠিন,,,,

 🔴 লিওনার্দো ভিঞ্চির সৃষ্টি মোনালিসাকে পৃথিবীর


সবচেয়ে সুন্দরি মেয়ের ছবি বলা হয়। কিন্তু


মোনালিসার ছবিতে টর্চলাইট দিয়ে খুজেও সৌন্দর্য


খুজে পাওয়াটা কঠিন!


কিন্তু মোনালিসার ছবির সৌন্দর্য ঠিক


মোনালিসাতে নয়। সৌন্দর্যটা এই ছবির রহস্যে! রং


তুলিতে এই ছবি আকতে গিয়ে ভিঞ্চি জন্ম দিয়ে


গেছেন অসংখ্য রহস্যের.........


১৫০৩ সালে ভিঞ্চি মোনালিসা আকা শুরু করেন।


১৫১৫ সালে মোনালিসা আকার সময় তিনি রহস্যজনক


ভাবে মৃত্যবরণ করেন। ১২ বছর সময় নিয়ে আকা


মোনালিসার ছবি সম্পূর্ণ না করেই তিনি মারা যান!


অর্থাৎ আমরা মোনালিসার যে ছবিটি এখন দেখি


সেটিতে আরো কিছু আঁকার বাকি ছিল.......


ভিঞ্চি মোনালিসাকে কোন কাগজ বা কাপড়ে নয়,


এঁকেছিলেন পাতলা কাঠের উপর। অবাক করার বিষয়


হলো মোনালিসার ছবিটিকে যদি বিভিন্ন এঙ্গেল


থেকে দেখা হয় তবে মোনালিসা তার হাসি


পরিবর্তন করে!


এ যেন এক রহস্যময়ী মোনালিসা!


১৭৭৪ সালে সর্বপ্রথম প্যারিসের লুভর মিউজিয়ামে


মোনালিসার ছবিটির দেখা মিলে। কিন্তু ছবিটা


মিউজিয়ামে কিভাবে এল কিংবা কে আনল এমন


প্রশ্নের উত্তর মিউজিয়ামের কর্মীরাই জানতোনা!


কারণ তারা কাউকে ছবিটি নিয়ে আসতে দেখিনি!!


রহস্যময়ভাবে লুভর মিউজিয়ামে পৌছানো এই ছবি


১৯১১ সালে চুরি হয়ে যায়! রাতের আধারে চোরকে


দেখে মিউজিয়ামের এক কর্মী পরদিনই চাকড়ি


ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে সে বলেছিল সে চোরকে


দেখেছে। সেই চোর আর কেউ নয়। প্রায় ৩৫০ বছর


আগে মারা যাওয়া ভিঞ্চি!!


১০ বছর পর এই ছবিটি আবার ওই মিউজিয়ামে পাওয়া


যায়। লুভর মিউজিয়াম কতৃপক্ষ ছবিটি সংরক্ষনের


জন্য প্রায় ৫০ কোটি টাকা খরচ করে একটি নিরাপদ


কক্ষ তৈরী করে। হয়ত ভাবছেন একটা ছবির জন্য


এতো টাকা খরচ!!


এই ছবির বর্তমান মূল্যের তুলনায় ৫০ কোটি টাকা


কিছুই নয়। মোনালিসা ছবির বর্তমান অর্থমূল্য ৭৯০


মিলিয়ন ডলার।


টাকায় পরিমানটা ৫৩৮০ কোটি টাকা!!


মোনালিসা কে? প্রশ্নটির উত্তর ভিঞ্চি নিজেও


দিয়ে যাননি। ২০০৫ সালে খুজে পাওয়া এক চিঠিতে


অনেকে মোনালিসার পরিচয় খুজে পেয়েছেন বলে


দাবি করেন। ১৫০৩ সালে লেখা এই চিঠিতে


ভিঞ্চির বন্ধু ফ্রান্সিস জিয়াকন্ড তার স্ত্রী লিসা


জিয়াকন্ডের একটি ছবি আঁকতে ভিঞ্চিকে অনুরোধ


করেন। আর ওই সময় ভিঞ্চি মোনালিসার ছবি আঁকা


শুরু করেন।


২০০৪ সালে বিজ্ঞানী পাস্কেল পাটে মোনালিসার


ছবিকে আলাদা ভাগে ভাগ করে হাইডেফিনেশন


ক্যামেরায় ছবি তোলেন। পাস্কেল আবিষ্কার করেন


যে ভিঞ্চি যে রং ব্যাবহার করেছিলেন তার স্তর


৪০ মাইক্রোমিটার।


অর্থাৎ একটি চিকন চুলের থেকেও পাতলা!


পাস্কেল আরো আবিষ্কার করেন যে মোনালিসার


ছবিতে আরো ৩টি চিত্র আছে। তাদের একটি সাথে


লিসা জিয়াকন্ডের মুখের মিল খুজে পাওয়া যায়।


সম্ভবত ভিঞ্চি বন্ধুর অনুরোধে লিসার ছবিটিই


আঁকছিলেন। কিন্তু তিনি এমন কিছু দেখেছিলেন যা


পুরো ছবিতে অন্য এক নতুন মুখের জন্ম দিয়ে


দিয়েছে!


সান্ডারল্যান্ড ইউনিভার্সিটির এক সার্ভেতে


মোনালিসা সম্পর্কে অদ্ভুত কিছু তথ্য পাওয়া যায়।


মোনালিসাকে দূর থেকে দেখলে মনে হয় সে


হাসছে। কিন্তু কাছে গিয়ে তার দিকে তাকালে


মনে হয় সে গভীরভাবে কোন কিছু চিন্তা করছে।


মোনালিসার চোখের দিকে তাকালে তাকে


হাসিখুশি মনে হয়। কিন্তু তার ঠোটের দিকে


তাকালেই সে হাসি গায়েব!


সান্দারলেন্ড ভার্সিটির ছাত্ররা মোনালিসার


ছবির বামপাশ থেকে আল্ট্রা ভায়োলেট পদ্ধতি


ব্যাবহার করে ভিঞ্চির লেখা একটি বার্তা উদ্ধার


করে। বার্তাটি ছিল " লারিস্পোস্তা শ্রী


তোভাকি"। যার অর্থ "উত্তরটা এখানেই আছে।"


যুগের পর যুগ মানুষকে মুগ্ধ করে আসা মোনালিসার


এই ছবি দেখে জন্ম নেয়া হাজার প্রশ্নের মাঝে


সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল, এই ছবি দিয়ে ভিঞ্চি কি


বোঝাতে চেয়েছিলেন?"


প্যারানোরমাল ম্যাগাজিনের একদল তরুন ছাত্র


উত্তরটা বের করার জন্য অনেক চেষ্টা করেছে।


অবশেষে তারা যা জানিয়েছে সেটাও চমকে


দেয়ার মত!


ভিঞ্চি মোনালিসার ছবির বামপাশে গোপন বার্তা


দিয়েছিলেন "উত্তর টা এখানেই আছে"।


সে বাম পাশকে আয়নার কাছে আনলে একটা ছবি


তৈরী হয়। অবাক করার বিষয় এই তৈরী হওয়া ছবির


জীবটিকে ভিঞ্চি ১৫০০ সালের দিকে


দেখেছিলেন!


ছবিটা একটা এলিয়েনের!!


ভিনগ্রহের এলিয়েন.....!!😲😲


কালেক্টেড



মুশফিকা ফেইসবুক পেইজ থেকে নেওয়া

 আমি সিনেমা যে খুব বুঝি তা নয়, তবে সময় পেলে ভালো মুভি খুজি। আজও "কেহনা হি কেয়া" গানটা শুনতে শুনতে ইচ্ছে হলো মানি রাতনামের "Bombay" মুভিটা দেখি। জিরো এক্সপেকটেশন নিয়ে দেখতে বসলাম। আমি মুভিটার ব্যাকস্টোরি জানতাম না। দেখার আগেও সার্চ দেই নি। প্রথম অর্ধেকে একটা ক্লিশে একটা প্রেমকাহিনী যেখানে প্রেমের বিরোধিতা করায় দুটো ছেলেমেয়ে ঘর ছেড়ে বোম্বে চলে যায় নিজেদের একটা দুনিয়া বানানোর জন্য৷ দুই পরিবার তাদের প্রেমে মোটেই রাজী থাকে না কারণ দুজনের ধর্ম আলাদা। চিঠির মাধ্যমে ত্যাজ্য, মৃত ইত্যাদি বলে। খুব ই নরমাল স্টোরি সেকেন্ড হাফে এতোটা ড্রাসটিক্যাল চেঞ্জ দেখাবে অকল্পনীয় ছিলো। হার্ডহিটিং কিছু মুভি থাকে না যা আপনাকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখাবে দেখ বাস্তব এই মুভিটাও তেমন। ৯২/৯৩ এ ইন্ডিয়াতে হয়ে যাওয়া কমিউনাল রাওট গুলো এতোটা বাস্তবিক ভাবে দেখবো অকল্পনীয় ছিলো। যে পরিবারের ভয়ে তারা বোম্বেতে এলো সেই পরিবার তো তাদের আপন করে নিলো কিন্তু পারিপার্শ্বিক দাঙ্গা ফাসাদে সব হারিয়ে ফেললো তারা। সুখের সংসার মুহূর্তেই পুড়ে গেলো। 


কিছু মোমেন্ট গুলো এতোটা বাস্তবিক রুপে দেখানো হয়েছে যে দেখতে গেলে বারবার এক প্রশ্নই মাথায় আসছিলো, "মানুষ কি তার মনুষত্ব ঠিকিয়ে রেখেছে!" আবার কিছু মোমেন্ট এমন ছিলো যেখানে আপনাকে ফিল করাবে না মনুষ্যত্ব এখনো আছে। দুটো উদাহরণ দেই; একটি সিন ছিলো যেখানে দুটো ছয় বছরের বাচ্চাকে ছু রি ধরে জিজ্ঞেস করা হচ্ছিলো তাদের ধর্ম। এরপর তাদের উপর কেরোসিন ঢেলে দিচ্ছিলো৷ আরেকটা সিন ছিলো যেখানে একজন মুসলমান নামায পড়ছিলো, তার ঘরে আগুন জ্বলছে একজন হিন্দু তাকে বলছে বের হয়ে যা। সে তার নামাজের পাটি উঠাতে নিবে তখন হিন্দু মানুষটি তার নামাজের পাটিটি উঠিয়ে জীবন বাঁচানোর জন্য ছুটছে যেনো দুজনের প্রাণ বাঁচে। কিন্তু তারা বাঁচলো না একই সাথে পুড়ে মরলো। ডিরেক্টরের থট প্রসেসে আমি মুগ্ধ। এই সিনেমাটা না দেখলে এমন মিশ্র অনুভূতি কখনোই হতো না। যারা দেখেন নি অবশ্যই একবার দেখবেন। মুভি শেষে একটা মিশ্র অনুভূতি হবে, তবে সেই অনুভূতিটা অনেক সুন্দর।


নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন

 নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন 🌺 আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশই অবিশ্বাস্যভাবে সুনির্দিষ্ট এবং জটিল, বিশেষ করে যখন ...