এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ৩০ মে, ২০২৪

ব্রিটিশ আমল থেকে অভিনয় করছেন বাংলাদেশের এই অভিনেতা, চেনেন তো?

 ব্রিটিশ আমল থেকে অভিনয় করছেন বাংলাদেশের এই অভিনেতা, চেনেন তো?

ব্রিটিশ ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ—তিন আমলেই অভিনয় করা মানুষ মাসুদ আলী খান। মঞ্চ, টিভি ও চলচ্চিত্র—তিন মাধ্যমেই বিচিত্র সব চরিত্রে অভিনয় করে হয়ে উঠেছেন সবার চেনা। গুণী এই অভিনয়শিল্পী গতকাল শুক্রবার পেয়েছেন ‘মেরিল-প্রথম আলো আজীবন সম্মাননা ২০২৪’। তাঁর অভিনেতা হয়ে ওঠার গল্প শোনাচ্ছেন আলতাফ শাহনেওয়াজ


মঞ্চে রানাপ্রতাপ সিংহ নাটকের অভিনয় চলছে। মানিকগঞ্জের জামির্ত্তা সত্যগোবিন্দ উচ্চবিদ্যালয় মাঠে রাত নামলেও হ্যাজাকের আলোয় মাঠটি তখন দিনের চেয়েও উজ্জ্বল। মঞ্চে গুটিসুটি পায়ে উঠল দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়া ছোট্ট এক ছেলে। অভিনয় আর কী, মঞ্চে উঠে দরাজ গলায় গান গাইল। তাতেই ধন্য ধন্য পড়ে গেল। 


‘গলাডা কী সোন্দর! এইডা কার পোলা?’


‘চিনো না? ধানবাড়িয়ার আরশাদ আলীর পোলা।’


লোকজন যখন এসব বলাবলি করছিল, ছোট্ট বালক মাসুদ তখন উত্তেজনা আর আনন্দে আটখানা। নাটক শেষে সে মেকাআপও তুলল না, বাড়ি ফিরে সে বেশেই ঘুমিয়ে পড়ল। পরদিন স্কুলেও গেল ওই সাজে—যেন বরাবরই সে চারণ বালক!


‘ভবিষ্যতে আমি যে অভিনেতাই হব—সেদিনই বোধ হয় নির্ধারিত হয়ে গিয়েছিল,’ বললেন মাসুদ আলী খান। আমাদের দেশের জীবিত অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে তিনিই সম্ভবত এখন সবচেয়ে বয়স্ক। তাঁর বয়স এখন ৯৪ বছর।


‘এত বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছেন…আপনি তো জাতীয় বাবা’ বলতেই আমাদের সংশোধন করে দিলেন এই বর্ষীয়ান অভিনেতা, ‘না না, বাবা ছাড়িয়ে আমি এখন দাদা।’


১৯৯৯ সালে পেয়েছিলেন প্রথম মেরিল-প্রথম আলো সমালোচক পুরস্কার। আর এবার রজতজয়ন্তীর বছরে পেলেন ‘আজীবন সম্মাননা’। সেই উপলক্ষেই দিন কয় আগে তাঁর গ্রিন রোডের বাসায় গিয়েছিলাম আমরা। ঘরে ঢুকতেই দেখা গেল শ পাঁচেক নাটকে অভিনয় করা মানুষটি চেয়ারে বসে আছেন। সামনে ওয়াকার। আট বছর আগে পা পিছলে পড়ে গিয়েছিলেন। তখন থেকেই ওয়াকার তাঁর সঙ্গী। বললেন, ‘এখনো অভিনয় করি, তবে শুয়ে শুয়ে। হাঁটতে তো পারি না। কিছু মনে করতেও কষ্ট হয়।’


ড্রামা সার্কেল প্রযোজিত দৃষ্টি নাটকে

স্মৃতি মনে করতে কষ্ট হয় বলেই কি পুরোনো ছবির অ্যালবামে খোঁজেন ফেলে আসা দিন? মাসুদ আলী খানের বসার ঘরে ঢুকতেই দেখা গেল টেবিলে একতাড়া সাদাকালো ছবি। সবই নাটকের। আমাদের হাত থেকে ছবিগুলো নিয়ে ছুঁয়ে ছুঁয়ে দেখেন, ‘এই সবই ড্রামা সার্কেলের নাটকের ছবি। এই যে রক্তকরবীর শো…এই যে লায়লা সামাদ… এই যে আর্মস অ্যান্ড দ্য ম্যান নাটকে আমি, মাঝখানে কেয়া চৌধুরী, তারপর বুলবুল আহমেদ…আর এই যে কালো চুলে যাকে দেখছেন, সে কে বলুন তো?’


প্রশ্নটি তিনি করলেন, উত্তরও তিনিই দিলেন। এর মধ্যেই এই অভিনেতার মুখে বাঁকা চাঁদের মতো একফালি হাসি ফুটেছে। ভাবছি, কালো চুলের এমন মাসুদ আলী খানকে কি আমরা কখনো দেখেছি!


মাসুদ আলী খান, ১৯৬০

মাসুদ, মাখন অথবা নিজাম


সনদপত্রে মাসুদ আলী খানের জন্মসাল ১৯৩১। তবে তাঁর কাছ থেকে জানা গেল, ‘আমার জন্ম এরও দুই বছর আগে, মানিকগঞ্জের পারিল নওধা গ্রামে, নানাবাড়িতে।’


বাবা আরশাদ আলী খান ছিলেন সরকারি চাকুরে। থাকতেন কলকাতায়। মা সিতারা খাতুন। পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে মাসুদ তৃতীয়। মা তাঁকে আদর করে ডাকতেন ‘মাখন’ আর বাবা ‘নিজাম’। আমাদের সঙ্গে গল্প করতে করতে মানিকগঞ্জের মাঠঘাট আর কলকাতার পথে পথে যেন ছুটে বেড়াচ্ছিলেন বাবা-মায়ের সেই মাখন বা নিজাম।


‘বাবা গান গাইতেন ও লিখতেন। বাদামি রঙের একটা বাঁধানো খাতায় সেই গান তুলে রাখতেন মা। আমাদের বাড়িতে গ্রামোফোন ছিল। আঙ্গুরবালা, হরিমতির গান বাজত। সেসব শুনে শুনে খুব ছোট থেকেই আমি গলায় গান তুলে নিতে পারতাম,’ স্মৃতি হাতড়ে শৈশবে চলে গেছেন মাসুদ। ‘ক্লাস টু পাস করে আমরা কলকাতা চলে গেলাম। দেশভাগের পরের বছর ১৯৪৮ সালে আবার এ বাংলায় ফিরে এলাম। তখন আমি নাইনে পড়ি। মানিকগঞ্জে নয়, কুমিল্লায় বড় বোনের বাড়িতে আমার ঠাঁই হলো। তখন আমি ফুটবল খেলি আর গলা ছেড়ে গাই, ‘ভালোবাসা মোরে ভিখারি করেছে তোমারে করেছে রানী।’


তাহলে কি নাটক তাঁর জীবনে ছিল না এ সময়?


মাথা ঝাঁকালেন মাসুদ আলী খান, ছিল। স্কুলের বার্ষিক নাটকগুলোতে তিনি ছিলেন অপরিহার্য অভিনেতা। আর কুমিল্লাবাসের সময় ভার্নাল থিয়েটারের সাহজাহান নাটকেও অভিনয় করেছিলেন।


মাসুদ আলী খান বিচিত্র সব চরিত্রে অভিনয় করে হয়ে উঠেছেন সবার চেনাছবি: কবির হোসেন

প্রেম এসেছিল নীরবে


১৯৪৯ সালে মাধ্যমিকের পর উচ্চমাধ্যমিক পড়তে চলে এলেন ঢাকা। তবে এর আগে তাঁর জীবনে ‘প্রেম এসেছিল নীরবে’। কুমিল্লায় যে বাড়িতে থাকতেন, তার মালিকের মেয়ে রুবী। তাঁকে দেখে তরুণ মাসুদ আলী খানের মনে অনুরাগ জন্মাল। কিন্তু রুবীকে মুখ ফুটে কখনো বলতে পারেননি সে কথা।


মজার ব্যাপার হলো, ১৯৫৫ সালে তাহমিনা খান নামে যাঁকে বিয়ে করেন, তাঁর ডাকনামও রুবী! ‘নামের কারণেই বোধ হয় তাঁর প্রেমে পড়েছিলাম,’ বলতে বলতে হেসে ফেললেন মাসুদ আলী খান। তাঁর স্ত্রী তখন পাশে বসে হাসিমুখেই শুনছিলেন এ গল্প।


ঢাকায় ‘বখে’ যাওয়া


‘ঢাকায় আজিমপুরে বড় ভাই মাহবুব আলী খানের মেসে এসে উঠলাম।’ পড়াশোনার পাশাপাশি এ সময় ডাক ও টেলিফোন বিভাগে কাজও জুটিয়ে ফেললেন। ‘পড়াশোনা লাটে উঠল। ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা দিলাম না। সবাই বলল, আমি বখে গেছি।’


এক বছর বাদে ১৯৫২ সালে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। দুই বছর পর জগন্নাথ কলেজ থেকে বিএ।


সেই ‘বখে’ যাওয়া জীবনেই প্রথম মার্ক্সবাদের সংস্পর্শে আসেন মাসুদ আলী খান। ‘তখন শুধু রাত জেগে পোস্টার মারতাম।’ এর মধ্যেই যুক্ত হন শহীদ সাবের, বদরুল হাসান, ফওজুল করিম, মেসবাহ-উল হক, মন্টু খানদের গড়ে তোলা সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘অগ্রণী শিল্পী সংঘ’-এর সঙ্গে।


সেই উত্তাল সময়ের গল্প আরও বিশদে জানতে চাই আমরা। কিন্তু অস্ফুট স্বরে, সলজ্জ ভঙ্গিতে মাসুদ আলী বললেন, ‘কিছুই যে মনে নেই!’


বাঁ থেকে (দাঁড়ানো): জামাতা নাজির আহমেদ খান, মেয়ে নাজমা খান, পুত্রবধূ মুতরিবা শিরিন, ছেলে মাহমুদ আলী খান। (নিচে বাঁ থেকে) নাতনি অমি, নাতনি শ্রেয়া, মাসুদ আলী খান, স্ত্রী তাহমিনা খান ও নাতি অয়নছবি: পারিবারিক অ্যালবাম থেকে

ড্রামা সার্কেলের দিনগুলো


আরও অনেক কিছুই তাঁর মনে নেই । একসময় যে ‘ড্রামা সার্কেল’–এর সক্রিয় সদস্য ছিলেন, এটা মনে থাকলেও কোথায় মহড়া করতেন, কীভাবে নাটক করতেন এবং কোন কোন প্রযোজনায় অংশ নিয়েছেন—এসব আর সেভাবে মনে নেই।


হেদায়েত হোসাইন মোরশেদের ‘ড্রামা সার্কেল: প্রসঙ্গকথা এবং একক বজলুল করিম’ লেখা থেকে জানা যায়, ১৯৫৬ সালে মাকসুদুস সালেহীন ও বজলুল করিম গড়ে তোলেন ড্রামা সার্কেল। দলটিকে বলা হয় ঢাকার প্রথম আধুনিক নাট্যদল। প্রায় শুরু থেকেই দলটির সঙ্গে ছিলেন মাসুদ আলী খান। ড্রামা সার্কেলের হয়ে রক্তকরবী, বহিপীর, রাজা ও রাণী, ইডিপাস, আর্মস অ্যান্ড দ্য ম্যান, দৃষ্টিসহ বহু নাটকে অভিনয় করেন তিনি। নব্বইয়ের দশকে দলটি পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় হয়ে যাওয়ার আগপর্যন্ত এখানে তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি ছিল।


অভিনয়ের পাশাপাশি কখনো কখনো নাট্যপরিচালনাও করেছেন তিনি। ১৯৬৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক সংসদের উদ্যোগে বাংলা একাডেমি মঞ্চে তাঁর পরিচালনায় মঞ্চস্থ হয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের তাসের দেশ।


বরেণ্য অভিনেতা মাসুদ আলী খানকে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার ২০২৩ আজীবন সম্মাননা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে (বাঁ থেকে) উপস্থাপক হানিফ সংকেত, শিল্পী রফিকুন নবী, মাসুদ আলী খান ও স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী। গতকাল রাজধানীর ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টারের দ্য গ্রেস মিলনায়তনেছবি: সাজিদ হোসেন

মঞ্চ থেকে ছোট-বড় পর্দায়


১৯৬৪ সালে ঢাকায় টেলিভিশন স্থাপিত হওয়ার পর পর নূরুল মোমেনের নাটক ভাই ভাই সবাই দিয়ে ছোট পর্দায় মাসুদ আলী খানের অভিষেক। আর সাদেক খানের নদী ও নারী দিয়ে বড় পর্দায় হাতেখড়ি। এই চলচ্চিত্রে নায়ক আসগর চরিত্রে অভিনয় করে সবার নজর কাড়েন।


এরপর পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে একের পর এক বৈচিত্র্যময় নানা চরিত্র করে চেনামুখ হয়ে ওঠেন মাসুদ আলী খান।


অনেক সিঁড়ি পেরিয়ে


ব্যক্তিজীবনে এই অভিনেতার এক ছেলে ও এক মেয়ে। ছেলে মাহমুদ আলী খান যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী। আর মেয়ে নাজমা খান ধানমন্ডির বাসিন্দা। চাকরিজীবনে সরকারের নানা দপ্তরে কাজ করেছেন তিনি। ১৯৬২ সালে শুরু করেন পর্যটন করপোরেশনের চাকরি। আর ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সচিব হিসেবে চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন আরও এক যুগ। এর পর থেকে অভিনয়ই তাঁর ‘পেশা’। আলাপের শেষ বেলায় হাসির ছলে যেমনটা বললেন, ‘অভিনেতার চাকরি করি।’


পাটখালী' নামকরণের ইতিহাস,,,,

'পাটখালী' নামকরণের ইতিহাস

-------------------------------------------

'পাটখালী' শব্দটি খালী প্রত্যয়যুক্ত একটি সাধিত শব্দ। 

পাট বা কোষ্টা বাংলাদেশ তথা বিশ্বে সোনালী আঁশের উদ্ভিদ বলে পরিচিত ও শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী একটি ফসল। এক গবেষণায় দেখা যায়, দক্ষিণ মাগুরার এই স্থানটির মাটি, পাট চাষের জন্য অধিক উপযোগী এবং উপমহাদেশে পাট চাষের শুরু হতে, পাট উৎপাদনে মুখ্য ভূমিকা পালন করে আসছে। তাই স্থানটির নাম করণে 'পাট' শব্দটি 'সোনালী আঁশ' অর্থেই সমীচীন।


খাল থেকে খালী।

খাল শব্দের অর্থ দীর্ঘ খাত, জলপ্রবাহের খাই। শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে সংস্কৃত খাত থেকে, যার অর্থ গভীর নালা। খাল বা গভীর নালাকে ক্ষুদ্র বোঝাতে খালি/খালী ব্যবহৃত হয়।

বাংলাদেশে 'খালী' প্রত্যয়যুক্ত দুটি জেলাসহ একাধিক উপজেলা ও স্থানের নাম রয়েছে। নোয়াখালী, পটুয়াখালী, কুমারখালী, বোয়ালখালী, মহেশখালী, কালুখালী।

সুতরাং বলা যেতে পারে এখানে পাট সংশ্লিষ্ট ছোট খাল ছিল। যেখানে চৈত্র-বৈশাখে পানিশূন্য অবস্থায় পাট বোনা হত অথবা বর্ষা মৌসুমে পাট পঁচানো হতো বলে স্থানটিকে ডাকা হতো পাটের খাল। সময়ের পরিক্রমায় এবং উচ্চারণের সুবিধার্থে যা বর্তমান 'পাটখালী'


পাটখালী নাকি পাটোখালী

-------------------------------------

'নদী' শব্দটি লিখিত শুদ্ধরূপ হলেও আমরা কিন্তু উচ্চারণ করে থাকি 'নোদি'

বাংলা ভাষায় এরূপ অনেক শব্দ রয়েছে যেগুলো লিখিত রূপের বাইরে (ও) কার উচ্ছারণরীতি হয়। অনুরূপ তিন বা তার অধিক বর্ণে গঠিত শব্দের মধ্য-‘অ’-এর আগে যদি অ, আ, এ এবং ও-কার থাকে তবে সে-ক্ষেত্রে সে ‘অ’-এর উচ্চারণে ‘ও’-কারের প্রবণতা থাকে সমধিক। এমন কিছু শব্দ নিম্নরূপ:

লিখিতরূপ   উচ্চারণরীতি 

বামন           বামোন্

কানন           কানোন্‌ 

রাবণ            রাবোন্‌

বামনখালী   বামোনখালি

সাগরদাঁড়ি   শাগোরদাড়ি

পাটখালী     পাটোখালি

শতখালী      শতোখালি

কতদিন        কতোদিন

শব্দগুলোর উচ্চারণরীতিতে মধ্য বর্ণে 'ও' কার হলেও লিখিতরূপ কিন্তু 'ও' কার বিহীন। আলোচ্য

'পাটখালী' গ্রামটির লিখিত যাবতীয় নথিপত্র, দলিলদস্তাবেজেও তদ্রূপ 'পাটখালী' বানানটি 'ও' কার ছাড়া ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তাই লিখিতরূপে 'পাটখালী' লেখা যুক্তিযুক্ত, যা উচ্চারণরীতিতে পাটোখালী উচ্চারিত হয়।


আযম জোয়ারদার

পাটখালী

সকাল ৭ টার  সংবাদ।  তারিখ: ৩০-০৫-২০২৪ খ্রি:

 সকাল ৭ টার  সংবাদ। 

তারিখ: ৩০-০৫-২০২৪ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে আজ পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় যাচ্ছেন। 


বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় এখন দায়িত্বশীল ও নির্ভরযোগ্য নাম বাংলাদেশ - আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসের অনুষ্ঠানে বললেন প্রধানমন্ত্রী। 


উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপেও বেশিরভাগ উপজেলায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীদের জয়লাভ। 


ঘূর্ণিঝড় রিমাল অত্যন্ত দক্ষতার সাথে মোকাবেলা করেছে সরকার - বললেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী - ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সরকারি সহায়তা অব্যাহত। 


জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবেলা ও ক্ষুদ্র দ্বীপদেশগুলোর উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহায়তার জোর আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর।


দেশের স্বার্থ বিরোধী যে কোন ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবেলা করতে গণমাধ্যমসহ সকলের প্রতি তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর আহ্বান।


হামলা বন্ধে আইসিজের আদেশ সত্ত্বেও দক্ষিণ গাজার রাফায় ইসরাইলের প্রাণঘাতী হামলা অব্যাহত।


আজ ঢাকায় বঙ্গবন্ধু কাপ আন্তর্জাতিক কাবাডি টুর্ণামেন্টে পোল্যান্ডের মুখোমুখি হবে স্বাগতিক বাংলাদেশ।

বুধবার, ২৯ মে, ২০২৪

প্রাচীন পেশা 'ভিস্তিওয়ালা' ঢাকা থেকে যেভাবে বিলুপ্ত হল.. ভিস্তিওয়ালা কারা

 ## প্রাচীন পেশা 'ভিস্তিওয়ালা' ঢাকা থেকে যেভাবে বিলুপ্ত হল..

## ভিস্তিওয়ালা কারা?


১৮৭৮ সালে ঢাকা শহরে আধুনিক সুপেয় পানি সরবরাহ ব্যবস্থা চালু হয়। এর আগে ঢাকায় খাবার পানির উৎস ছিল পুকুর, কুয়া, নদী। সে সময় কিছু লোক টাকার বিনিময়ে মশকে (চামড়ার ব্যাগ) করে ঢাকা শহরের বাসায় বাসায় খাবার পানি পৌঁছে দিতেন। এ ধরনের পেশাজীবীদের বলা হত ভিস্তিওয়ালা বা 'সুক্কা'।


‘ভিস্তি আবে ভিস্তি’ এরকম হাঁক দিয়ে তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পানি সরবরাহ করত।


অষ্টাদশ শতাব্দী পর্যন্ত ঢাকায় সুপেয় পানির স্থায়ী ব্যবস্থা ছিল না।


তখনকার ঢাকা জেলা কালেক্টরকে সুপেয় পানির জন্য ১৫০ রুপি বরাদ্দ দেয়া হত। অথচ মাত্র দুই রুপিতেই সে সময় চাল পাওয়া যেত।


স্বাস্থ্যসম্মত পানির অভাবের জন্যই এত বিপুল অর্থ সে সময় বরাদ্দ দেওয়া হত। কারণ সে সময় সুপেয় পানির অভাবে কলেরার প্রাদুর্ভাব ছিল বেশি।


অধ্যাপক মুনতাসির মামুনের ঢাকা সমগ্র গ্রন্থে বলা হয়েছে, ১৮৭১ সালে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের জন্য ঢাকাবাসীদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়। কিন্তু কাজ চলে খু্বই ধীর গতিতে।


নবাব আবদুল গণি ও তার ছেলে খাজা আহসান উল্লাহ সম্মিলিতভাবে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করার জন্য এক লাখ টাকা দান করেন। নগরবাসীর উপর করের বোঝা দেওয়া হবে না এই শর্তে নবাব আবদুল গণি টাকা দিয়েছিলেন।


কিন্তু নানা জটিলতায় আটকে যায় কাজ।


পরে ১৮৭৪ সালের আগস্ট মাসে রাজপ্রতিনিধি লর্ড নর্থব্রুক ঢাকায় ওয়াটার ওয়ার্কসের ভিত্তি স্থাপন করেন।


ধীরগতিতে এই প্রকল্পের কাজ চলছিল আর একসময় পৌরসভার টাকা শেষ হলেও প্রকল্পের কাজ তখনও শেষ হয়নি।


পরে সরকার বাধ্য হয়ে প্রকল্পের কাজ শেষ করার জন্য আরও ৯৫ হাজার ৩৫০ টাকা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।


অবশেষে ১৮৭৮ সালে ১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্পের কাজ শেষ হয়। এই প্রকল্প থেকে দৈনিক পানি সরবরাহের ক্ষমতা ছিল দুই লাখ গ্যালন।


এর মাধ্যমে ঢাকায় প্রথমবারের মতো বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের কাজ শুরু হয়।


পরবর্তীতে ১৯৬৩ সালে ঢাকায় ‘ওয়াসা’ নির্মাণের ফলে সুপেয় পানির আর অভাব রইল না। এতে নগরবাসীর সুপেয় পানিসহ স্বাস্থ্যসম্মত পানির অভাব ঘুচে যায়।


ষাটের দশক পর্যন্ত মোটামুটি দাপটের সাথেই ভিস্তিওয়ালারা ঢাকায় পানি সরবরাহের এই কাজ করেন।


ইতিহাসের বিভিন্ন বইয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৬৮ সালের পর থেকেই মূলত ঢাকায় ধীরে ধীরে এই পেশাজীবীদের অস্তিত্ব বিলীন হতে থাকে।


উন্নত জাতের হলুদ চাষ পদ্ধতি।

 উন্নত জাতের হলুদ চাষ পদ্ধতি।


হলুদ স্বল্প পরিশ্রমে, অল্প ব্যয়ে, পানি জমে থাকে না, এমন  ছায়াযুক্ত স্থানে অতি সহজে  চাষ করা সম্ভব। ছায়াযুক্ত পরিবেশে দেশি বা উন্নত জাতের  হলুদ চাষ করা যায়।  তবে উন্নত জাতের হলুূদ চাষে ফলন বেশি হয় এবং তাতে আয়ও বেশি হয়। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে, নানা জাতের হলুদ রয়েছে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট দুইটি জাতের  হলুদ উদ্ভাবন করেছে। এ দু’টি জাত ডিমলা ও সুন্দরী। এ দু’টি জাতের চাষাবাদ পদ্ধতি  প্রায় একই রকমের  চৈত্র মাসের শুরু থেকে বৈশাখের মাঝামাঝি পর্যন্ত হলুদ বীজ বপন করা যায়।


জমি প্রস্তুতকরণ ও বপন:


হলুদ চাষে হলুদের কন্দ বীজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। প্রতি হেক্টরে ২২০০ থেকে ২৪০০ কেজি কন্দের প্রয়োজন হয়। প্রতিটি কন্দের দুটি চোখ জরুরি। ভালোভাবে জমি তৈরি করার পর দেশি লাঙ্গল বা বপনের জন্য হাতে টানা লাঙ্গল দ্বারা ৫০ সেন্টিমিটার দূরত্বে পাঁচ থেকে সাত সেন্টিমিটার গভীর করে ২৫ সেন্টিমিটার দূরে দূরে স্থাপন করতে হয়। এরপর  দুই লাইনের মধ্যবর্তী জায়গা থেকে মাটি দিয়ে বীজ কন্দগুলোকে একটু উঁচু করে ঢেকে দিতে হয়। এতে দুই লাইনের মাঝে নালার মতো তৈরি হয় যা দিয়ে পানি সরে বা বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা যায়। বীজ বপনের প্রায় একমাস পরে চারা গজায়। বহুবর্ষী বৃক্ষের ছায়ায় চাষের ক্ষেত্রে গাছ থেকে এমন দূরত্ব হলুদ চাষ করতে হবে যাতে শিকড় কাটা না পরে।


সার প্রয়োগ :


হলুদ চাষে প্রতি হেক্টরে সারের পরিমাণ ও প্রয়োগ পদ্ধতি উল্লেখ করা হলো- টিএসপি ১৮০ কেজি,  এমওপি ২০০ কেজি এবং ইউরিয়া ২২০ কেজি প্রতি হেক্টর এসব  সার  ছাড়াও জমিভেদে হেক্টর প্রতি ৫ থেকে ১০ টন জৈব সার জমিতে প্রয়োগ করা যায়। শেষ চাষে টিএসপির পুরো অংশ এবং  এমওপি সারের অর্ধেক প্রয়োগ করতে হয়। অতঃপর বীজ বপনের ৫০ থেকে ৬০ দিন পর আগাছা পরিষ্কার করে দুই সারির মাঝে অর্ধেক ইউরিয়া প্রয়োগ করে কোদাল দিয়ে মাটি ঝুরঝুরা করে দিতে হয়। দ্বিতীয় উপরি প্রয়োগের আরও ৫০ থেকে ৬০ দিন পর বাকি এমওপি, ইউরিয়া প্রয়োগ করতে হয়।


অন্যান্য পরিচর্যা:


মাটি অধিক শুষ্ক হলে সেচের প্রয়োজন হতে পারে। প্রতিবার সেচের পর জমিতে জো আসার সাথে সাথে মাটির উপরের চটা ভেঙে দেওয়া উচিত। অতিবৃষ্টির সময় গাছের গোড়ায় যাতে পানি জমে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। গাছের বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করতে, সময় মতো আগাছা দমন করতে হবে। গাছের গোড়ায় মাটি তুলে দিতে হয়।


ফসল সংগ্রহ:


হলুদ লাগানোর ৯ থেকে ১০ মাস পর যখন হলুদের কা- পর্যন্ত  শুকিয়ে যায়, তখন হলুদ সংগ্রহ করতে হয়। সুন্দরী জাতের হলুদ, ডিমলা জাতের চেয়ে প্রায় একমাস আগে উত্তোলন করা যায়।


হলুদ গাছ ছায়া  সইতে পারে। তাই বসতবাড়ির আঙিনায় ফল বাগানে হলুদের চাষ করা যায়। চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম বাগানে অনেকে হলুদ চাষ করে বাড়তি লাভ করছেন। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহের জার্মপ্লাজম সেন্টারে দীর্ঘদিন ধরে বহু স্তরবিশিষ্ট ফল বাগানে নারিকেল ও লেবু গাছের নিচে হলুদ চাষ করে সুফল পাওয়া যাচ্ছে। এ ছাড়া নারিকেলের সাথে পেয়ারা ও হলুদ চাষ করা যেতে পারে। পাহাড়ে হলুদ ক্ষেতের মধ্যে আন্তঃফসল হিসেবে শিমুল, আলু, ভুট্টা ইত্যাদি লাগানো হয়।


বালাই ব্যবস্থাপনা:


হলুদ গাছের পোকার চেয়ে রোগের আক্রমণ বেশি হয় এবং এর মধ্যে হলুদের কন্দপচা রোগ প্রধান। তবে পাহাড়ে সম্প্রতি পাতা ঝরা রোগ ও  অন্যান্য রোগ ব্যাপকভাবে দেখা যাচ্ছে। 

কন্দ পচা রোগ : কন্দ পচা এটি একটি ছত্রাকজনিত রোগ। এ রোগটি প্রায়ই হলুদ ক্ষেতে দেখা যায়। এ রোগের ফলে প্রথমে হলুদ গাছের গোড়ার দিকের পাতা হলুদ হতে শুরু করে। ক্রমে উপরের পাতাগুলো হলুদ হয়ে যায়। শেষে মাটির নিচে কন্দ পচতে শুরু করে। একপর্যায়ে পুরো  কন্দ বা মোথাই  পচে নষ্ট হয়। পচা মোথা  থেকে দুর্গন্ধ বের হয়।


ব্যবস্থাপনা: 


জমি থেকে অতিরিক্ত পানি যাতে জমতে না পারে সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। আক্রান্ত গাছ জমি থেকে তুলে ধ্বংস করতে হবে। রোগ দেখা মাত্র ক্ষেতে ছত্রাকনাশক (রিডোমিল গোল্ড, ডায়থেন এম ৪৫) প্রতি ১০ লিটার পানিতে ২০ গ্রাম পরিমাণ গুলে গাছের গোড়ায় স্প্রে করতে হবে। ১৫ দিন পর পর তিন থেকে চার বার স্প্রে করলে এই রোগ নিয়ন্ত্রণ করা যায়। বীজের জন্য রোগমুক্ত হলুদ গাছ থেকে কন্দ তুলতে হবে। আক্রান্ত জমিতে পরের বছর আর হলুদ চাষ করা ঠিক হবে না।


পাতা ঝলসা বা লিফ ব্লচ রোগ: 


এটি একটি ছত্রাকজনিত রোগ। এ রোগের ফলে প্রথমে পাতা ফ্যাকাশে রং ধারণ করে। পাতার দু পাশেই ছোট ছোট অসংখ্য দাগ দেখা যায়। পরে দাগগুলো একত্র হয়ে পাতা ঝলসানো মতো দেখা যায়। শেষে আক্রান্ত পাতা শুকিয়ে ঝরে পড়ে।


ব্যবস্থাপনা: 


এ রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য আক্রান্ত পাতা জমি থেকে তুলে পুড়িয়ে ফেলতে হবে। এ রোগ দেখা মাত্র ক্ষেতে    ছত্রাকনাশক (ফলিকুর ১০ মিলি বা ২০ গ্রাম ডাইথেন এম ৪৫) প্রতি ১০ লিটার পানিতে গুলে ১৫ দিন পরপর তিনবার পাতা ভিজিয়ে স্প্রে করতে হবে। বীজের জন্য অবশ্যই রোগ মুক্ত হলুদ গাছ থেকে কন্দ তুলতে হবে, কন্দ তোলার পর বীজ হিসেবে তা মজুদের আগে ব্যাভিস্টিন দিয়ে শোধন করে নিতে হবে।


পাতায় দাগ রোগ: 


সাধারণত সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে এ রোগ বেশি দেখা যায়। নভেম্বর মাসে এ রোগে আক্রান্ত গাছের পাতা শুকাতে শুরু করে। এটি একটি ছত্রাকজনিত রোগ। এ রোগের ফলে প্রথমে পাতায় ধূসর কেন্দ্র বিশিষ্ট বাদামি দাগ সৃষ্টি হয়। দাগের চারপাশে গাঢ় বাদামি বেষ্টনী থাকে, তার পাশে থাকে হলুদ রঙের আভা। ধীরে ধীরে দাগগুলো একত্রে মিলে বড় পাতাকে পুড়িয়ে ফেলে।


ব্যবস্থাপনা : 


এ রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য আক্রান্ত পাতা জমি থেকে তুলে পুড়িয়ে ফেলতে হবে। রোগ দেখা মাত্র ক্ষেতে  ছত্রাক নাশক (ফলিকুর ১০ মিলি বা ২০ গ্রাম ডায়থেন  এম ৪৫) প্রতি ১০ লিটার পানিতে গুলে ১৫ দিন পরপর তিনবার পাতা ভিজিয়ে স্প্রে করতে হবে।  কন্দ তোলার পর বীজ হিসেবে তা মজুদের আগে ব্যাভিস্টিন দিয়ে শোধন করে নিতে হবে। আক্রান্ত জমিতে পরের বছর আর হলুদ চাষ করা ঠিক হবে না।

হলুদ প্রক্রিয়াজাতকরণ : হলুদ কাঁচা ও শুকনো দুই অবস্থাতে বিক্রি করা যায়। শুকানোর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিতে হয়। হলুদ তোলার পর হলুদ পরিষ্কার করে একটি বড় পাত্রে প্রতি ১০০ কেজি কাঁচা হলুদের সাথে ৩০ থেকে ৪০ গ্রাম খাবার সোডা মিশিয়ে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট পানিতে সেদ্ধ করতে হয়। গরম পানি থেকে হলুদ উঠিয়ে ১২ থেকে ১৫ দিন কড়া রোদে শুকাতে হবে। শুকিয়ে গেলে শুকনো হলুদ হাতের চাপে মট করে ভেঙে যাবে। ভালোভাবে না শুকালে সেভাবে ভাঙবে না। শুকানোর পর তা হলুদ ভাঙানো  কলে নিয়ে গুঁড়া করতে হবে। না করলে পলিথিনের বস্তায় ভরে ঘরের শুকনো জায়গায় মজুদ করে রাখতে হয়।


হলুদ বীজ উৎপাদন ও মজুদ ব্যবস্থাপনা :  


বীজ হলুদের জন্য ক্ষেত থেকে প্রথমে সুস্থ ও রোগমুক্ত গাছ থেকে হলুদ তুলতে হবে। তারপর সেগুলো ঠিকমতো পরিষ্কার করে মজুদের ব্যবস্থা নিতে হয়। মজুদের জন্য চালার নিচে সুবিধামতো  কোন জায়গায় গর্ত করে গর্তের ভেতর চারপাশে শুকনো খড় বিছিয়ে থলিতে হলুদ ভরে মজুদ রাখতে হয়। তবে বালি দিয়ে মজুদ করা যায়। এজন্য প্রথমে হলুদ মজুদের জায়গায় তিন থেকে চার সেন্টিমিটার পুরু করে বালির স্তর বানাতে হবে। এরপর এর উপরে ১০ থেকে ১২ সেন্টিমিটার পুরু করে হলুদ বিছাতে হবে।  হলুদের উপর নিম বা বিষকাটালী  পাতার পাতলা স্তর দিয়ে ঢেকে তার উপরে আবার ৩-৪ সেন্টিমিটার পুরু বালুর স্তর দিয়ে ঢেকে রাখলে ভালো হয়। এতে পোকার আক্রমণ কম হয়। এমনকি বীজ মজুদের আগে ছত্রাকনাশক দিয়ে শোধন করে নিলে মজুদ করা কন্দের পচা কমে। বীজের পরিমাণ বেশি হলে এভাবে কয়েকটি স্তরে হলুদ রাখা যেতে পারে।


লেখক : 

কৃষিবিদ অসিত কুমার সাহা

প্রাক্তন উপপরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, গোপালগঞ্জ।

বুড়ো না হওয়ার ফর্মুলা 

 " বুড়ো না হওয়ার ফর্মুলা " 🌹


আমি বুড়ো হতে চাই না। এই বুড়ো টুড়ো আমার একদম না-পসন্দ । কিন্তু পৃথিবীটা এত জোরে ঘুরছে যে ফট করে এক একটা বছর পেরিয়ে যাচ্ছে । বয়স naturally  বেড়ে যাচ্ছে । বয়সের পেছনে লাথি মারতে ইচ্ছে করছে। 


এই কারনে সকালে ঘুম থেকে ওঠেই প্রথমে বিছানা কে কষে একটা লাথি মারি। ওই বিছানা টা বহুত ঢ্যামনা। বলে -- আরে,  আর একটু শুয়ে থাকো। আরাম করো। আমি কিন্তু বেশ ভালোই জানি --- আরাম হারাম হ্যায় ! যত আরাম --তত বুড়ো । 


অনেক ভেবে আমি একটা ফর্মুলা বের করেছি। ফর্মুলা টা খুব simple ----সব সময় ভাবতে হবে :: hey man,  never become old-- you are always ever green gold. 


Practically বয়স বাড়বে কিন্তু mentally বয়স কে রুখে দেয়া যায় । সবুজ রঙে নিজেকে মাখিয়ে নেয়া যায় । বয়স সত্তর তো মন  পঁচিশ । খূব সোজা। গাছ গাছালি করো-- নিন্দা থেকে সরো-- বউকে জড়িয়ে ধরো-- হঠাও যত বাজে -- শরীর লাগাও কাজে ! 


উঠতি বয়সের সবুজ ছেলে মেয়ে গুলো দাদু ডাকলে ব্যথা পাই। উনিশ বছরের লাস্যময়ী মেয়েকে বলি -- শোনো অনন্যা, তুমি আমাকে ভালোবাসবে ? নির্বিষ মিশবে ? এই বুড়োর হাত ধরবে ? এক ঘন্টা আমার সাথে গল্প করবে ? আমাকে পঁচিশে ফেরাতে পারবে ? যদি পারো তবে " দাদু" ডাকো হাজার বার -- আপত্তি নেই ! 


আমার পাঁচ বছরের দুষ্টু নাতনি আমাকে বলে --- এই পিন্টু, চলে এসো। খাবার রেডি। 

আমি বেশ খুশি হই।  বলি -- আসছি দিদি -- এই আসছি। এত ভালো লাগে " পিন্টু " ডাকটা , কী বলবো ! সবুজ হয়ে যাই ।

এভাবে ইয়াং থাকি। হলদেটে হই না। সবুজে ভরপুর। কাটছে সকাল দুপুর , --মেজাজে । 


এখনো ধান্দা করি-- টাকার। monthly  extra money-- সবচেয়ে দামি honey  !  পকেটে টাকা তো মনটা ফুরফুরে-- বয়স যায় উড়ে -- বউ ভালোবাসে -- পুত্রবধূ চা নিয়ে আসে -- পুত্র পাশে বসে -- ছোট্ট নাতনি খিলখিলিয়ে হাসে । 


যে গোমড়া, সে একটা বোকা দামড়া। সংসারে হাসতে হয়। যতই বুড়ি হোক , বউ কে জড়িয়ে ধরতে হয় । ছেলেকে বলতে হয় -- আগে আমি তোর বন্ধু, তারপর বাপ -- পুত্রবধূ কে বলতে হয় :: তুই আমার exactly  ভালো মেয়ে , কোন মাছ তোর খেতে ভালো লাগে , বলে দে , আজ বাজার থেকে সেই মাছ -ই আনবো ! আর নাতনি কে বলতে হয় -- বড় দি , তোমার একটা খেলনা চাই ? 

     


    আশ্চর্য! এভাবে বেঁচে দেখেছি -- বয়স যত বাড়ছে -- আমি তত ইয়াং হচ্ছি -- হতাশা সরছে-- আকাশ পরিস্কার-- বয়স পালাচ্ছে দুদ্দাড়! 

    বলেছিলাম না , বয়সের পেছনে লাথি ! মারতে পেরেছি ভাই। 


আমার সত্তর বছর" বয়স" টা বলছে -----তুই শালা নাম্বার ওয়ান নচ্ছার-- ছেড়ে দে -- আমি পালাই ! বাপরে তোর কী দম ! তুই শালা বয়সের যম ! চালিয়ে যা ! 


এ কথা সত্যি-- শরীর কে বিশ্বাস নেই। কখন যে নাভিশ্বাস উঠবে। আছে কোনো  fixed date  ?

তাই ভাই বোনেরা, আর কোরবেন না লেট।  আমার সামান্য বুদ্ধি-বোধ -- তবুও সনির্বন্ধ অনুরোধ-- ভালো লাগলে কথা গুলো নিয়ে নিন , আর ভালো না লাগলে , এই শালার বুড়োকে ছুঁড়ে ফেলে দিন। 


দিচ্ছি না উপদেশ--আপাতত কথা শেষ -----------।              

------------------------ চলি  !! 


সংগৃহীত 

অচল মামলা সচল করা’র গল্প!,,,,, রকমারী গল্ল ফেইসবুক থেকে

 ‘অচল মামলা সচল করা’র গল্প!

(যারা বুঝাপড়া না করেই মামলা করতে চান!  তারা সময় নিয়ে হলেও গল্পটা পড়বেন)


‘গাজী সেরাজদ্দিন', দাদার আমলে অনেক জায়গা-সম্পত্তি ছিল। বাবার আমলেই বিক্রি শুরু। নিজের আমলে তলানিতে তলিয়ে যায় সম্পত্তি। পাতিলের তলার ভাতে যে কারণে ‘কণা’ থাকে সে কারণে তলানির সম্পত্তিতেও সমস্যা থাকে। গাজী সেরাজদ্দিন মামলা করতে আসেন সদরে। এক আইনজীবী কাগজপত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বলেন ‘মামলা চলে না’। আইনজীবীর কথায় সেরাজদ্দিন খুশি হয়নি। কাগজপত্র ফেরত নিতে চাইলেই, আইনজীবী সাহেব,

- আমার পরামর্শ ফি?

- আমি তো আপনার পরামর্শ নিলাম না।

- কাগজপত্র পরীক্ষা করতে গিয়ে আমার সময় নষ্ট হয়েছে, সেই সময়ের মূল্য?

- সময় নষ্ট তো আমারও হয়েছে।


বে-কায়দায় পড়ে গেলে কোনো উকিলই মক্কেলের সাথে কথায় কুলিয়ে উঠতে পারেন না। মক্কেল কাগজপত্র নিয়ে চলে গেল পাশের চেম্বারে। পাশের চেম্বারে লোকজন গিজগিজ করছে। বাবার সাথে মাঝে মাঝে সদরে আসার কারণে সেরাজদ্দিনকে অনেকেই চেনে। উকিল সাহেবের নজর পড়তেই,

- গাজী সাহেব কী কারণে সদরে?

- আর বলবেন না, এক মাঠে মড়া উকিলের কাছে এসেছিলাম মামলা করতে। আমার দিনটাই মাটি করে দিলো। সারা দিন কাগজ নাড়াচাড়া করে এখন কয়, মামলা চলে না।

- কে বলে মামলা চলে না। চালাতে জানলেই চলতে শুরু করবে। খরচপাতি একটু বেশি লাগে, এই আর কী!


বেশি খরচ দিতেই চলতে শুরু করে মামলা। অচল মামলা সচল রাখতে গিয়ে উকিল সাহেব কখনো চঞ্চল, কখনো অস্থির এবং কখনো গম্ভীর হয়ে উঠতেন। উকিল সাহেবের মুখের দিকে তাকিয়ে এরকম বিপরীত আচরণ করতেন সেরাজদ্দিনও। উকিল সাহেবের অস্থির ভাব দেখে স্বস্তির ভাব নিয়ে মামলার হালচাল জানতে চাইত সেরাজদ্দিন। উত্তরে আইনজীবী,

- অচল মামলা তো, বড় কষ্ট করে সচল রাখতে হচ্ছে।


সেরাজদ্দিনও মানুষ, হাবভাব দেখেই উকিল সাহেবের কষ্ট বুঝতে পারেন। উকিলের কষ্ট বুঝতে পারেন বলেই অন্যান্য মক্কেল যেখানে ১০ টাকা খরচ করে, সেখানে সেরাজদ্দিন খরচ করেন ২০ টাকা। নিজের পেটের খরচ কমিয়ে উকিল সাহেবের খরচ বাড়িয়ে দেন। বছর পাঁচেক পর মামলা দো-তরফাসূত্রে খারিজ হয়ে যায়।

- এত ভালো মামলা খারিজ হয়ে গেল?

উকিল সাহেবের মুখের দিকে তাকিয়ে বিস্মিত কণ্ঠে প্রশ্ন করেন সেরাজদ্দিন।

- হাকিম মামলা বোঝে না।

বিজ্ঞের মতো উত্তর দেয় বিজ্ঞ আইনজীবী।

- এখন কী করতে হবে?

বিষণ্ণ বদনে প্রশ্ন করেন সিরাজদ্দিন।

- আপিল করতে হবে।

বিজ্ঞের মতো উত্তর দেন আইনজীবী সাহেব।


আপিল দায়ের করতেই আবার চলতে শুরু করে মামলা। উভয় কোর্টের উকিল এক ব্যক্তি হলে কী হবে, নিম্ন আদালত আর আপিল আদালত এক নয়। আপিল আদালত বড় আদালত, খরচও বড়। সর্ব প্রকারের খরচ বাড়িয়ে দেয়া সত্ত্বেও উকিল সাহেবের খাটাখাটির কোনো মূল্যায়ন না করে বছর কয়েক পর বিজ্ঞ বিচারক নির্মমভাবে আপিলও খারিজ করে দেন।

-ওদের (হাকিমদের) মাথায় কিচ্ছু নেই। কী বই পড়ে হাকিম হয়েছে, বুঝতে পারলাম না। আমার ক্ষমতা থাকলে এসব মাথাবিহীন হাকিমদের বান্দরবান পাঠিয়ে দিতাম।


সেরাজদ্দিন কৈফিয়ৎ চাওয়ার আগেই সেরাজদ্দিনকে শুনিয়ে প্রচণ্ড ক্ষোভ নিয়ে হাকিমের মাথা ও বিদ্যা-বুদ্ধির স্বল্পতা নিয়ে অনেক কথা বলেন বিজ্ঞ আইনজীবী সাহেব। আবার আপিল হয়। আবার খারিজ হয়, হয় রিভিশনও। রিভিশনও শেষ হয়। এক দিন শেষ হয় দেশের সর্বোচ্চ আদালতও। মামলা চলাকালে মক্কেলের জ্বালা উকিল বুঝল- উকিলের জ্বালা মক্কেল বুঝল। দু’জনের মিলিত জ্বালা গত ২২ বছরেও বুঝল না বিচারক। মামলা সাথে সাথে জোয়ান সেরাজদ্দিন গাজীর টানটান চামড়াও ঢিলেঢালা হয়। ‘গাজী সেরাজদ্দিন’ নামটিও একসময় সংক্ষিপ্ত আকারে হয়ে পড়ে ‘ছিরোগাজী’।


শেষ বিচারের ভার আল্লাহর ওপর ছেড়ে দিয়ে এখন উকিলের কাছ থেকে বিদায় নেয়ার পালা। এক থলে কাগজপত্র নিয়ে গাজী সেরাজদ্দিন সে-ই আইনজীবীর চেম্বারের সামনে দিয়ে বের হয়ে যাচ্ছিল, যে-ই আইনজীবী বলেছিলেন, মামলাটি চলে না। সেদিন প্রথম আইনজীবীর পারিশ্রমিক না দিয়ে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে চলে গিয়েছিল সেরাজদ্দিন। প্রথম আইনজীবীর অবজারভেশন যে সঠিক ছিল, তা প্রমাণের জন্য মামলার ওপর পরোক্ষ নজর রাখতেন প্রথম আইনজীবীও। গাজী সেরাজদ্দিন ছিরোগাজী খেতাবসহ দ্বিতীয় আইনজীবীর চেম্বার থেকে বিদায় হয়ে যাওয়ার সময় খোঁচা দিয়ে,

- গাজী সাহেব, মামলার খবর কী?

প্রশ্নের উত্তর না দিয়েই হন্ হন্ করে বের হয়ে যায় ছিরোগাজী। উত্তর দেন দ্বিতীয় আইনজীবী। কারণ, প্রথম আইনজীবীর কথার খোঁচা লেগেছিল দ্বিতীয় আইনজীবীর গায়েও। দ্বিতীয় আইনজীবী প্রথম আইনজীবীর কাছে এসে,

- আপনি তো বলেছিলেন ‘মামলাই চলে না’। আমি ২২ বছর চালাইলাম। জুনিয়ার থেকে সিনিয়র হলাম, ছেলে-মেয়ে মানুষ করলাম, বাড়ি করলাম, গাড়ি করলাম, (বৃদ্ধাঙ্গুলি মুখের কাছে নিয়ে) আপনি কী করছেন?


- (দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে, মনে মনে) ঠিকই তো, মেঘে মেঘে অনেক বেলা হয়ে গেল, কিছুই তো করতে পারলাম না।

অচল মামলা সচল রাখতে কোনো কোনো আইনজীবীর ভাগ্যের চাকা খুলে গেলেও বন্ধ হয়ে পড়ে ক্লায়েন্টের জীবনের চাকা। ‘গাজী সেরাজদ্দিন’ সুন্দর নামটিও মামলাবাজ ‘ছিরোগাজী’তে রূপান্তর হয়ে এলাকায় হয়ে পড়েছিলেন উপহাসের পাত্র।

---------------------------------------------


এবার সিদ্ধান্ত আপনাকে নিতে হবে। ফি দিয়ে সঠিক পরামর্শ নিবেন নাকি চটকদার, মিষ্টি  কথায় মুগ্ধ হয়ে ২২ বছর পার করে শূন্য হাতে বাড়ী ফিরবেন। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা হলো মানুষ উচিত কথা শুনতে পছন্দ করেনা। উচিত কথা বললে মামলা মোকদ্দমা পাওয়া যায় না বা কম পাওয়া যায়। বরং মক্কেল যে প্রাপ্তি সংবাদ শুনতে চায়, সেটা বললে উপরের ঘটনার মত বেশী ফি আদায় করা যায়।


ধন্যবাদ Rokon ভাই।

স্যারের মেসেজ 29/05/2025

 স্যারের মেসেজ ২৯/০৫/২০২৪


আজকে আবহাওয়ার অবস্থা ভালো সকলের DPL সমস্ত প্রোডাক্ট মেলায় একটা ওয়ার্ক অর্ডার প্রদান করুন মিনিমাম দোকান থাকবে ৩০ টা।,,,,,,,,,,,,,,,

সুপারভাইজার ভাই আপনারা সকলের সাথে ওয়ান বাই ওয়ান কথা বলেন এবং মেজারমেন্ট কালেকশন করেন। এবং যত দ্রুত সম্ভব আমাকে ওয়ার্ক অর্ডার বানিয়ে দিন।,,,,,,,,,,,,,,,,,

আজ সারাদিন যারা কাজ করবেন তারা শুধুমাত্র DPL মেজারমেন্ট নিয়ে কাজ করবেন।


এ মাসে মাত্র ১১ জন লোক সেল করতেছে বাদবাকি লোকের কোন সেল নাই আমি সবাইকে অনুরোধ করব sales করার জন্য.. সেলস না করতে পারলে তারা অন্য জায়গায় চাকরি খুঁজতে পারেন।,,,,,,,,,,, 

প্রিয় সেলস লিডারগন । 

সবার প্রতি সালাম ও শুভেচ্ছা। 

ব্রি ধান ৭৫ একটি সল্প মেয়াদি  ধান।  রংপুর, দিনাজপুর,  ঠাকুরগাঁও,  জয়পুরহাট, নীলফামারি  ও বগুড়ার যে এলাকা তে আমন ধান করার পরে আলু বা শরিষা অথবা  আগাম সবজি  আবাদ করে ঐ এলাকাতে  ব্রি ধান ৭৫ ব্যাপক ভাবে আবাদ হয়।এছাড়া যশোর চুয়াডাঙ্গা আগাম   সবজি আবাদের জন্য ৭৫ ধান আবাদ করে থাকে।   এই অঞ্চলের সেলস প্রতিনিধিরা একটু মেহনত করলে  ৭৫ ধান আরও কিছু  বিক্রয় করা সম্ভব হবে।  ব্রি ধান  ৯৩ বা সর্না -৫  উত্তর অঞ্চলের সব জেলাতেই আবাদ হয়।  বিগত বছরের তুলনায় এ বছর আপনারা অনেক ভাল করছেন।  আমরা আশাবাদী আপনারা আরও ভাল করবেন। 

ধন্যবাদ।

,,,,,


সকাল ৭ টার  সংবাদ।  তারিখ: ২৯-০৫-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭ টার  সংবাদ। 

তারিখ: ২৯-০৫-২০২৪ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


১৪ হাজার তিনশো কোটি টাকার বেশি ব্যয়ের ১১টি উন্নয়ন প্রকল্প একনেকে অনুমোদন - ঘূর্ণিঝড় রিমাল এর আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলীয় অঞ্চলের বাঁধগুলো বর্ষার আগেই দ্রুত মেরামত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ।


ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে উপকূলীয় অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি - দুর্যোগ কবলিত মানুষের সহায়তায় সরকারের ত্রাণ কার্যক্রম শুরু।


আগামীকাল ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে পটুয়াখালী যাবেন প্রধানমন্ত্রী - জানালেন ওবায়দুল কাদের।


তৃতীয় ধাপে দেশের ৮৭টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ আজ - সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন।


সঠিক তথ্য পাওয়ার অধিকার নিশ্চিতের পাশাপাশি অপতথ্য ও অপপ্রচার রোধে কার্যকর ভূমিকা পালনের ওপর তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ।


নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দেশে আজ পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস।


আজ দেশের বিভিন্ন ভেন্যুত অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ ফুটবলের পাঁচটি খেলা।

সকাল ৭ টার  সংবাদ।  তারিখ: ২৮-০৫-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭ টার  সংবাদ। 

তারিখ: ২৮-০৫-২০২৪ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত ও স্মার্ট দেশে পরিণত করতে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী। 


রিমালে এ পর্যন্ত নিহত ১০ জন; ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৩৭ লাখ ৫৮ হাজারের বেশি মানুষ — ব্রিফিংয়ে জানালেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী।


ঘূর্ণিঝড়ের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে জনপ্রতিনিধিসহ দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।


সম্প্রতি রাফার ক্যাম্পে আক্রমণের জন্য ইসরাইলের প্রতি নতুন করে বিশ্বব্যাপী নিন্দা।


আজ ডালাসে টি—টোয়েন্টি ক্রিকেট বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের মোকাবেলা করবে বাংলাদেশ।

মুখের দুর্গন্ধে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ হোমিও ঔষধ সমূহ 

 🌿 মুখের দুর্গন্ধে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ হোমিও ঔষধ সমূহ 🌿 ━━━━━━━━━━━━━━━ 🌿 ১️⃣ Mercurius Solubilis 👉 মুখে অতিরিক্ত লালা 👉 মাড়ি ফোলা ও ...