এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ৯ জুন, ২০২৪

সৌদি ফ্যামিলি ভিসা পাওয়ার প্রক্রিয়াটি,,,,,

 আপনি যদি সৌদি আরবে কাজ করেন এবং আপনার স্ত্রী এবং সন্তানদের সাথে আপনি থাকতে চান, তাহলে আপনাকে সৌদি ফ্যামিলি ভিসা পাওয়ার প্রক্রিয়াটি জানতে হবে। যদিও প্রয়োজনীয়তা এবং প্রক্রিয়া জটিল বলে মনে হতে পারে, সঠিক পরিকল্পনা এবং নিয়ম বোঝার সাথে, আপনি সফলভাবে  আপনার প্রিয়জনদের সাথে পুনরায় মিলিত হতে পারবেন । আপনার যা জানা দরকার তা এখানে.


সৌদির ফ্যামিলি ভিসার জন্য কারা যোগ্য?

বৈধ সৌদি রেসিডেন্স পারমিট (ইকামা) ধারণকারী বিদেশী কর্মীরা তাদের জন্য ফ্যামিলি ভিসার  আবেদন করতে পারেন :

১. স্বামী স্ত্রী (একটি বৈধ বিবাহের কাবিননামা প্রদান করতে হবে)

২. কর্মী যাদেরকে ফ্যামিলি ভিসায় সৌদি আরব নিতে পারবে।

 ১.স্বামী /স্ত্রী ২. ভাই, বোন ৩. শশুর, শাশুড়ি 

 ৪. পিতা, মাতা ৫. সন্তান 

    


কর্মীর ইকামার বৈধতা অবশ্যই ফ্যামিলি ভিসার জন্য কমপক্ষে 3 মাস থাকতে হবে।


একটি পারিবারিক ভিসার জন্য আবেদন করতে, আপনাকে নিম্নলিখিত ডকুমেন্ট প্রদান করতে হবে:


১.পারিবারিক ভিসার আবেদনপত্র পূরণ করা।


২.পরিবারের প্রতিটি সদস্যের আসল পাসপোর্ট (অন্তত 6 মাসের জন্য বৈধ।)


৩.কর্মীর ইকামার কপি।


৪.কর্মীর পাসপোর্টের কপি।


৫.বিবাহের কাবিননামা (স্ত্রীর জন্য।)


৬.জন্ম সনদ (শিশুদের জন্য।)


৭.16 বছরের বেশি পরিবারের সদস্যদের জন্য মেডিকেল রিপোর্ট এবং টিকা দেওয়ার রেকর্ড।


৮.সম্পর্কের প্রমাণ, যেমন বিবাহ বা জন্ম সনদ , 

সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দ্বারা প্রত্যয়িত।


সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্প্রতি ভিসার জন্য আবেদনের প্রক্রিয়াকে নিরবিচ্ছিন্ন করে একটি পরিবর্তিত ওয়েবসাইট চালু করেছে। আপনি এটি এখানে অ্যাক্সেস করতে পারেন: KSA ভিসা


প্রক্রিয়াকরণের সময় এবং ফি:

সৌদি পারিবারিক ভিসার জন্য প্রক্রিয়াকরণের সময় পরিবর্তিত হতে পারে, তবে এটি সাধারণত আবেদনের তারিখ থেকে 2 থেকে 4 কর্ম দিবসের মধ্যে হয়ে যাবে । কিছু ক্ষেত্রে, অতিরিক্ত ডকুমেন্টেশন প্রয়োজন হলে এটি আরও বেশি সময় নিতে পারে।


ভিসা ফি আবেদনকারীর জাতীয়তা এবং ভিসার সময়কালের উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়। 


সৌদি পারিবারিক ভিসা নীতির সাম্প্রতিক পরিবর্তন

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে, সৌদি আরব তার পারিবারিক ভিসা নীতিতে বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছে প্রক্রিয়াটিকে সহজতর করার জন্য:


2019 সালে, সৌদি আরব পারিবারিক ভিসা আবেদনের জন্য একটি অনলাইন পোর্টাল চালু করেছিল, যা কর্মীদের ইলেকট্রনিকভাবে নথি জমা দেওয়ার অনুমতি দেয়।


2020 সালে, অবিবাহিত কন্যাদের পারিবারিক ভিসার জন্য যোগ্য হওয়ার সর্বোচ্চ বয়স সীমা অপসারণ করা হয়েছিল। আগে, 25 বছরের বেশি মেয়েরা যোগ্য ছিল না।


2021 সালে, পারিবারিক ভিসার মেয়াদ 6 মাস থেকে 1 বছরে বাড়ানো হয়েছিল, ঘন ঘন রিনিউ প্রয়োজনীয়তা হ্রাস করে।


পারিবারিক ভিসা প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা

যদিও সৌদি পারিবারিক ভিসার জন্য কোনো সরকারী দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ নেই, তবে একটি মসৃণ এবং সময়মত আবেদন নিশ্চিত করার জন্য আপনি কিছু পদক্ষেপ নিতে পারেন:


সমস্ত প্রয়োজনীয় নথিগুলি সম্পূর্ণ, নির্ভুল এবং সঠিকভাবে প্রত্যয়িত কিনা তা দুবার-চেক করুন।

আপনার উদ্দেশ্য ভ্রমণের তারিখের আগে আপনার আবেদন জমা দিন।

যদি সম্ভব হয়, আবেদন প্রক্রিয়াটি পরিচালনা করার 


ফামিলি ভিসার ভ্যালিডিটি :

সৌদি আরবে একবার আপনার পরিবারের সদস্যরা তাদের ভিসা পেয়ে গেলে তারা সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন। 


আগমনের পরে, তাদের প্রয়োজন হবে:

১.90 দিনের মধ্যে একটি রেসিডেন্স পার্মিট (ইকামা)।

২.মেডিকেল পরীক্ষা করুন এবং স্বাস্থ্য বীমা পান।

৩.শিশুদের স্কুলে ভর্তি করান (যদি প্রযোজ্য হয়)

আপনার পরিবারকে সৌদি আরবে আপনার সাথে বসবাসের জন্য নিয়ে আসা  একজন প্রবাসী হিসাবে আপনার অভিজ্ঞতাকে ব্যাপকভাবে বাড়িয়ে তুলতে পারে। 

আপনার ফ্যামিলি ৯০ দিন ভিসার রিনিউ করে 

মোট ১ বছর থাকতে পারবে।


ফ্যামিলি ভিসা প্রসেসিং এর জন্য আপনি আমাদের 

সাহায্য নিতে পারেন।

 

লিনেটহোম" ডেনমার্কের আগামী কৃত্রিম একটি দ্বীপ ...

 "লিনেটহোম"

ডেনমার্কের আগামী কৃত্রিম একটি দ্বীপ ...


রাজধানী  কোপেনহেগেন এর  উপকূল  

অঞ্চলে  সম্প্রতি  বিশালাকৃতির  একটি 

কৃত্রিম দ্বীপ  তৈরির  পরিকল্পনা নেওয়া 

হয়েছে, যা ৪০০টি ফুটবল স্টেডিয়ামের 

আয়তনের সমান  আকারের তৈরি হবে,

আর থাকতে  পারবে ৩৫ হাজার মানুষ!


ডেনমার্কের রাজধানীতে কৃত্রিম এই দ্বীপের আয়তন হবে ৪০০টি ফুটবল মাঠের সমান। জানা গেছে, ৩৫ হাজার মানুষের বসবাসের জন্য কৃত্রিম ওই দ্বীপটি তৈরি করা হচ্ছে।  সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে ঝুঁকিতে থাকা কোপেনহেগেন বন্দরকে সুরক্ষা দেয়াও দ্বীপটি তৈরির অন্যতম উদ্দেশ্য। বিশাল এই দ্বীপের নাম হবে লিনেটহোম।পরিকল্পনা অনুযায়ী একটি রিং রোড, সুড়ঙ্গপথ ও মেট্রো লাইন দিয়ে মূল ভূখন্ডের সঙ্গে দ্বীপটিকে যুক্ত করা হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি বছরের শেষে প্রকল্পটির কাজ শুরু হবে।


স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, শুধু বদ্বীপ এলাকাটি গড়ে তুলতেই আট কোটি টন মাটি প্রয়োজন হবে। লিনেটহোম দ্বীপকে ঘিরে একটি বেড়িবাঁধ তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। এটি বন্দরকে ডুবে যাওয়ার ঝুঁকি এবং ঝড়-জলোচ্ছ্বাস থেকে বাঁচাবে।


নির্মাণকাজ পরিকল্পনা মাফিক এগোলে উপকূলে এই দ্বীপ তৈরির জন্য ভিত্তি বসানোর অধিকাংশ কাজই ২০৩৫ সালের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। পুরো দ্বীপটি তৈরির কাজ সম্পন্ন হতে পারে ২০৭০ সালে।


সংসদে বিল পাশ হলেও পরিবেশবাদীদের বিরোধিতার মুখে পড়েছে এই প্রকল্প। নির্মাণকাজের পরিবেশগত প্রভাব নিয়ে তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এরই মধ্যে পরিবেশবাদী দলগুলো ইউরোপিয়ান বিচার আদালতে এই প্রকল্পের বিরুদ্ধে মামলা করেছে।


পরিবেশবাদীরা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, সমুদ্রের তলদেশে যে পলি জমা হয়ে আছে এই নির্মাণ কাজের ফলে তা ব্যাপকভাবে নাড়া খাবে। এর ফলে সাগরের পানিতে এই তলানি মিশে গিয়ে জলের মান দূষিত হতে পারে। এতে সামুদ্রিক জীবন ও জীববৈচিত্র্যের ওপর এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সূত্র...বিবিসি




চীনের ছোট্ট এই গ্রামের সবাই কোটিপতি..

 চীনের ছোট্ট এই গ্রামের সবাই কোটিপতি..


পৃথিবীর দ্বিতীয় জনবহুল রাষ্ট্র চীন।চীনের বিভিন্ন প্রদেশে অবস্থিত গ্রামগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ধনী গ্রাম হুয়াক্সি। সারা বিশ্ব জুড়েই এই গ্রাম ‘সুপার ভিলেজ’ নামে পরিচিত।গ্রামটি চীনের জিয়াংসু প্রদেশে অবস্থিত। এই গ্রামে প্রায় দুই হাজার জন মানুষ বসবাস করেন। প্রতিটি বাসিন্দার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে রয়েছে কমপক্ষে প্রায় এক কোটি টাকা।গ্রামটির বাসিন্দাদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা সহ সবকিছু বিনামূল্যে দেওয়া হয়। এছাড়াও এখানকার লোকদের কাছে রয়েছে আধুনিক সুযোগ সুবিধাযুক্ত বিলাসবহুল বাড়ি আর অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্রান্ডেড গাড়ি। গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে পরিবারের সদস্য সংখ্যা অনুযায়ী কম করে হলেও দুটি করে গাড়ি রয়েছে। শুধু তাই নয় একথা শুনলে অবাক হবেন এখানকার মানুষরা দূরবর্তী কোনো জায়গায় যেতে হেলিকপ্টার ব্যবহার করেন।গ্রামটিতে রয়েছে সবসমেত সাতটি বহুজাতিক শিল্প প্রতিষ্ঠান। যার শেয়ার হোল্ডার বা অংশীদার এই গ্রামের গ্রামবাসীরাই। বিশাল বিশাল শিল্পপ্রতিষ্ঠান থেকে তারা বছরে প্রায় ৮০০ কোটি মার্কিন ডলার উপার্জন করেন। হুয়াক্সিতে সবাই ধনী হলেও সেখানকার সবকিছুই অনেক রহস্যময়। গ্রামের অবস্থিত প্রতিটি ঘরের আকার এবং নকশা একই রকমের। বাড়িগুলো দেখতে অনেকটাই জমিদার বাড়ির মতো।এখানকার স্থানীয় বাসিন্দারা সবাই নামিদামি ব্র্যান্ডের জিনিসপত্র ব্যবহার করেন। সব বাসিন্দা একসঙ্গে সমবেত হওয়া ও খাওয়ার জন্য বিশাল জায়গা থাকলেও গ্রামের জুয়া খেলা ও মাদক সেবন পুরোপুরি নিষিদ্ধ। আধুনিক সভ্য সমাজের মতো সুযোগ সুবিধা থাকলেও সেখানে নেই কোনো ক্লাব, মদের দোকান, নাইট ক্লাব এমনকি পার্টি করার জন্য কোনো রেস্তরাও নেই। ২০১১ সালে এই গ্রামটির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ৩২৮ মিটার লম্বা একটি হোটেল তৈরি করা হয়। যা আইফেল টাওয়ারের  থেকে অনেকটাই বড়। এই ভবনের চূড়ায় সম্পূর্ণ স্বর্ণের তৈরি একটি ষাঁড়ের ভাস্কর্যও রয়েছে। একটন ওজনের এই ভাস্কর্যের বর্তমানে মূল্য ৪৩  মিলিয়ন ডলারেরও বেশি। এই গ্রামে আগত পর্যটকদের কাছে অন্যতম প্রধান আকর্ষণ এই হোটেলটিকে বলা হয় হুয়াক্সির ঝুলন্ত গ্রাম। আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে এই গ্রামের কর্মরত শ্রমিকদের কোনো ছুটির দিন নেই। তাদেরকে সপ্তাহের সাতদিনই কাজ করতে হয়। গ্রামে বসবাসকারী কোনো সদস্যের গণমাধ্যমের সামনে কথা বলার অনুমতিও নেই।


সংগৃহীত



আম তিনটি দেশের জাতীয় ফল এটি

১.তিনটি দেশের জাতীয় ফল এটি। পাকিস্তান, ভারত আর ফিলিপাইনের জাতীয় ফল আম। আর বাংলাদেশের জাতীয় বৃক্ষ হলো আম গাছ।

২.  আমের রয়েছে শত শত জাত। বহু বৈচিত্র্যময় জাতের আম রয়েছে অঞ্চল ভেদে এমনকি রয়েছে স্বতন্ত্র জাত। কোনটা রসালো আর মিষ্টি, কোনটা টক, কোনটা আনারসের মতো স্বাদের, আবার সুপারমার্কেট প্রায়শই এমন আমও কিনতে পাওয়া যায় যেগুলো মিশ্র স্বাদের।

৩. ম্যাঙ্গো শব্দটির উৎপত্তি ভারতে। ইংরেজিতে ম্যাঙ্গো শব্দটি সম্ভবত তামিল 'ম্যানকেই' কিংবা তামিল 'মানগা' শব্দ থেকে এসেছে। যখন পর্তুগিজ ব্যবসায়ীরা দক্ষিণ ভারতে বসতি স্থাপন করে, তারা নাম হিসেবে 'ম্যাংগা' শব্দটি গ্রহণ করে।

৪. সারাবিশ্বে প্রায় ৪ কোটি ৬০ মিলিয়ন টন আম উৎপন্ন হয়। প্রায় সবই টমি এটকিন্স জাতের আম। এগুলো দ্রুত বৃদ্ধি পায়, আকারে বড় এবং রঙও সুন্দর, অনেক ধরনের ছত্রাক প্রতিরোধী আর সহজে নষ্টও হয় না এবং দীর্ঘ সময় সুপারমার্কেটে সাজিয়ে রাখা যায়। আর এইসব বৈশিষ্ট্যের জন্যেই এগুলো সারা পৃথিবীজুড়ে রপ্তানি হয়।

৫. পৃথিবী জুড়েই আম পাওয়া যায়। সুপারমার্কেটগুলো বিশ্বের প্রায় সব অঞ্চল থেকেই আম সংগ্রহ করে থাকে। বছরের শুরুর দিকে আম আসে পেরু থেকে, এরপর পশ্চিম আফ্রিকা আর তারপর আসে ইসরায়েল থেকে। মিশর থেকে আম আসে বছরের তৃতীয় ভাগে আর তারপর আমের উৎস হলো ব্রাজিল।

৬. বিশ্বের সবচেয়ে বেশি আম উৎপন্ন হয় ভারতে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশটিতে বছরে ১ কোটি ৮০ লাখ টন আম উৎপন্ন হয়- যা কিনা বিশ্বের মোট আম উৎপাদনের ৪০%। কিন্তু আন্তর্জাতিকভাবে বাণিজ্যে এক শতাংশেরও কম আম তারা যোগান দেয়, বেশিরভাগ দেশটির অভ্যন্তরীণ চাহিদাতেই লেগে যায়।

৭. ভারতে প্রথম আম জন্মে পাঁচ হাজার বছর আগে। হিমালয় পর্বতমালার পাদদেশে ভারত এবং মিয়ানমারে প্রথম বন্য আম উৎপন্ন হয় বলে মনে করা হয়। আর প্রথম পাঁচ হাজার বছর আগে আমের চাষ করা হয় ভারতের দক্ষিণ অংশ, মিয়ানমার এবং আন্দামান দ্বীপপুঞ্জে (বঙ্গোপসাগরের একটি দ্বীপপুঞ্জ)।

৮. আমের বিশ্ব ভ্রমণ। আমের উদ্ভব এশিয়ায়, কিন্তু এখন পুরো পৃথিবী জুড়েই আম দেখা যায়।

বলা হয় যে, ১০ম শতাব্দীর শুরুর দিকে আফ্রিকাতে আমের চাষ হয়। ১৪শ শতাব্দীর উত্তর আফ্রিকার মহান পর্যটক ও পণ্ডিত ইবনে বতুতার লেখাতে আমের বিবরণ পাওয়া যায়, তিনি মোগাদিসুতে আম দেখেছেন বলে উল্লেখ করেন। বর্তমানে প্রচুর পরিমাণে আম জন্মে ক্যারিবিয়ান অঞ্চল, ব্রাজিল এমনকি আন্দিজের উষ্ণতম অঞ্চল যেমন পেরুতে। স্পেন হলো একমাত্র ইউরোপীয় দেশ যেখান আম জন্মে- মালাগার তুষারপাত মুক্ত এলাকায়।

৯. সবচেয়ে প্রাচীন আম গাছটি বেঁচে আছে শতাব্দী পর শতাব্দী জুড়ে। বয়স প্রায় ৩০০ বছর। মধ্য ভারতের পূর্ব কান্দেশে আছে গাছটি, আর সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো যে প্রাচীনতম গাছটিতে ফল দিচ্ছে!

১০. কাজু বাদাম এবং পেস্তা বাদামের সাথে আমের মিল রয়েছে। আম ড্রুপ জাতীয় ফল: এ ধরনের ফল রসালো এবং পাতলা আবরণ যুক্ত হয়, এর মধ্যভাগে থাকে শক্ত যাকে বলে এন্ডোক্রাপ যেখানে ফলটির বীজ থাকে।

জলপাই, খেজুর এবং চেরিও ড্রুপ জাতীয়। এমনকি যতই বাদাম বলা হোক- কাজু এবং পেস্তাও এই ড্রুপ জাতীয়ই, তাদের কে আমের দু:সম্পর্কের আত্মীয় বলা যায়।

১১. বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্যে আম গাছ খুব পবিত্র। বলা হয়, বুদ্ধ তাঁর সঙ্গী সন্ন্যাসীদের নিয়ে এক শান্তিময় আম বাগানে বসে ধ্যানরত ছিলেন এবং সেখানে বিশ্রাম নিয়েছিলেন।

এরপর থেকে বৌদ্ধদের কাছে আম গাছ পবিত্র বৃক্ষ হিসেবে বিবেচিত হয়।

১২. আম আপনার জন্যে খুবই উপকারী। এক কাপ আমে থাকে ৬০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি, যুক্তরাজ্যে ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস-এর প্রস্তাব অনুযায়ী ১৯ থেকে ৬৪ বছরের পূর্ণবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন ৪০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি প্রয়োজন, আর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত খাদ্যতালিকায় যা ৬০ মিলিগ্রাম।

আমে রয়েছে ২০ টি ভিন্ন ভিন্ন ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থ, যার মধ্যে অধিক পরিমাণে ভিটামিন এ, পটাশিয়াম এবং ভিটামিন বি এর একটি উপাদান ফোলাইট থাকে। আর আছে প্রচুর আঁশ।

১৩. গিনেস বুক এর বিশ্ব রেকর্ড বলছে, বিশ্বের সবচেয়ে বড় আমটির ওজন ৩.৪৩৫ কেজি আর দৈর্ঘ্য ৩০.৪৮ সেন্টি মিটার, পরিধি ৪৯.৫৩ সেমি এবং প্রস্থ ছিল ১৭.১৮ সেমি। ২০০৯ সালে ফিলিপাইনের সার্জিও ও মারিয়া সিকোরো বোডিওনগানের বাগানে আমটি হয়েছিল,,,


সকাল ৭ টার  সংবাদ।  তারিখ: ০৯-০৬-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭ টার  সংবাদ। 

তারিখ: ০৯-০৬-২০২৪ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আজ যোগ দেবেন শেখ হাসিনা।


উন্নত-সমৃদ্ধ, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে সরকারের পাশাপাশি লায়ন সদস্যদের এগিয়ে আসার আহ্বান রাষ্ট্রপতির।


এবারের বাজেটের মূল লক্ষ্য দেশের অর্থনীতিকে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ পূর্ববর্তী উচ্চ গতিশীল অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে ফিরিয়ে নেয়া - বাজেটোত্তর আওয়ামী লীগের প্রতিক্রিয়ায় জানালেন দলের সাধারণ সম্পাদক।


‘স্মার্ট ভূমি সেবা, স্মার্ট নাগরিক’ প্রতিপাদ্য নিয়ে দেশে চলছে ভূমি সেবা সপ্তাহ - এখন থেকে ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের সময়কাল হবে পহেলা জুলাই থেকে ৩০ শে জুন - জানালেন ভূমিমন্ত্রী।


দেশে আজ ভোট গ্রহণ করা হবে ১৯টি উপজেলা পরিষদের।


গাজা থেকে চার জিম্মিকে উদ্ধারের সময় এক অভিযানে দুইশোর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত।


আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার নিজ নিজ ম্যাচে জয়লাভ - আজ রাতে পরষ্পরের মুখোমুখি হবে ভারত-পাকিস্তান।

শনিবার, ৮ জুন, ২০২৪

যশোর জেলার  ইতিহাস,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌿♥️যশোর জেলার  ইতিহাস♥️ 🌿


১৭৮১ খ্রীষ্টাব্দের ৭ জুন। তখনও প্রকৃতি বর্ষা ঋতুকে স্বাগত জানায়নি। আবহাওয়া শুষ্ক, বাতাসে গুমোট ভাব। তাপমাত্রাও অসহনীয়। এই নরকযন্ত্রনা সহ্য করার ক্ষমতা সাদা চামড়ার ইউরোপীয় সাহেবদের থাকার কথা নয়। তবুও এই ধরনের পরিস্থিতিকে উপেক্ষা করেই টিলম্যান হেঙ্কেল ওই দিন সকালে মুড়লীতে তাঁর অফিসের প্রথম কর্মদিবস শুরু করলেন। কলকাতায় দীর্ঘদিন থাকা হেঙ্কেল মুড়লীতে আসতে উৎসাহী হয়েছিলেন লোভনীয় বেতন এবং অন্যান্য সুবিধার জন্য। পদমর্যাদাও কম নয় একাধারে জজ ও ম্যাজিষ্ট্রেট। তাছাড়া স্বয়ং গবর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেষ্টিংস তাঁকে পছন্দ করে দায়িত্ব দিয়ে পাঠিয়েছেন পরীক্ষামূলকভাবে একটি নতুন প্রশাসনিক পদ্ধতি চালুর জন্য। এটি হেঙ্কেলের জন্য একটি চ্যালেঞ্জও। আর তিনি নিজের জীবনের শূন্য থেকে অনেক উপরে উঠে এসেছেন চ্যালেঞ্জকে স্বাভাবিকভাবে নিতে পেরেছেন বলেই। নতুন কর্মস্থলে হেঙ্কেল সহকারী হিসাবে পছন্দ করে নিয়ে এসেছেন রিচার্ড রোককে। রোকও কাজে যোগদান করেছেন একই দিন। যশোরের জেলা জজ ও ম্যাজিষ্ট্রেট হিসাবে টিলম্যান হেঙ্কেলের কাজে যোগদানের মধ্য দিয়ে এভাবে ইতিহাসে একটি নতুন প্রশাসনিক কাঠামোর শুরু। এ কারণে এদেশের জেলা প্রশাসনের ইতিহাসে ১৭৮১ খ্রীষ্টাব্দের ৭ জুন একটি মাইলফলক।

টিলম্যান হেঙ্কেল যশোরের প্রথম জজ ও ম্যাজিষ্ট্রেট হিসাবে তার কার্যালয় স্থাপন করেছিলেন মুড়লীতে। সেটি ছিল অতীত ইতিহাস সমৃদ্ধ।  দ্বিতীয় চন্ডগুপ্তের আমলে(খ্রিষ্টীয় চতুর্থ শতক) চীনা পর্যটক ফা-হিয়েন ও মহারাজ হর্ষবর্ধনের শাসনকালে (৬ষ্ঠ শতক) ইউয়ান চোয়েন ভারতবর্ষ সফর করেন। তাঁদের বর্ণনায় প্রমান মেলে মুড়লীতে ছিল বৌদ্ধ মঠ। প্রাচীন সমস্ত মানচিত্রে অবস্থান থাকা মুড়লীকে ঐতিহাসিক ক্যানিংহাম বলেছেন, সমতট রাজ্যের রাজধানী ছিল স্থানটি। পাঠান এবং মুঘল আমলেও মুড়লী বিখ্যাত ছিল দানবীর হাজী মুহসীনের স্মৃতিধন্যও। বির্তক যাই থাক না কেন ভৈরব নদীর তীরে যশোর শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে ৫ কিলোমিটার দুরে পৌরসভাভুক্ত মুড়লী সেদিন ছিল জেলা কার্যালয় স্থাপনের উপযুক্ত স্থান। হেঙ্কেল ১৭৮১ খ্রীষ্টাব্দের ৭ জুন মুড়লীতে তাঁর কার্যালয় বসান। ১৭৮৯ তে তিনি বদলী হয়ে গেলে তাঁর সহকারী রিচার্ড রোক যশোরের দ্বিতীয় জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট ও জজের দায়িত্ব পান। ১৭৯৩ খ্রীষ্টাব্দে বদলীর আগে তিনি মুড়লীতে কার্যালয় সরিয়ে আনেন সাহেবগঞ্জ এলাকায়।বর্তমান জেলা রেজিষ্ট্রি অফিসের কাছে। যশোর জেলার জন্য প্রথম কালেক্টরেট ভবন তৈরি হয় ১৮০১ খ্রীষ্টাব্দে। সাহেবগঞ্জ নামটিও এখন আর উচ্চারিত হয়, এর পাশেই ছিল কসবা। এটি এখন পুরাতন কসবা নামে পরিচিত। ৮৫ বছর ওই কালেক্টরেটটি দায়িত্ব পালন করে। এরপর ১৮৮৫ খ্রীষ্টাব্দে বর্তমান কালেক্টরেট ভবনটি একতলা হিসাবে নির্মিত হয়েছিল তখনকার ২ লাখ ৬৩ হাজার ৬শ’ ৭৯ টাকা ব্যয়ে। বাংলায় দীর্ঘতম এই ভবনটি ছিল সেই সময়ে দর্শনীয় এবং তা ৩৬০ দরজা’র ঘর নামে সাধারণ মানুষের কাছে পরিচিত ছিল দীর্ঘকাল। মুলকাঠামো ও সৌষ্ঠব বজায় রেখে ১৯৮২ খ্রীষ্টাব্দে এটিকে দোতলায় পরিণত করা হয়। সেটি এখনও বাংলাদেশের  অত্যতম দর্শনীয় ভবন। বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় যশোরের ডেপুটি ম্যাজিষ্ট্রেট ও ডেপুটি কালেক্টর হিসাবে চাকরিতে যোগদান করেন। ১৮৬০ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত বঙ্কিম চন্দ্র যশোরে ছিলেন। তিনি অফিস করতেন যশোরের পুরাতন যে রেজিষ্ট্রি অফিস আছে সেখানে।

যশোরকে কেন নতুন জেলার কেন্দ্রস্থল হিসাবে বেছে নেয়া হয়েছিল ? প্রশ্নটি নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ। আসলে বর্তমান যশোর শহরেকে জেলা কেন্দ্র হিসাবে মনোনীত করার পিছরে ছিল অনেক কারণ এবং এটি কিছুটা মুঘল শাসনের ধারাবারিকতার ফলও বলা যায়। যশোর যে প্রাচীন জনপদ, তার স্বীকৃতি আছে ইতিহাসে। তবে রাজা প্রতাপাদিত্য ১৫৮৪ খ্রীষ্টাব্দে ক্ষমতা গ্রহনের পর যে যশোর রাজ্যের আনুষ্ঠানিক জন্ম দেন, তার কেন্দ্র বিন্দু ছিল বা রাজধানী ছিল বর্তমান সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার ‘ধুমঘাট’ নামক স্থানে। প্রতাপের মুঘল বাহিনীর হাতে পরাজয়ের পর ফৌজদাররা (মুঘল) ধুমঘাটে কিছু কাল অবস্থানের পর শাসন কেন্দ্র সরিয়ে আনেন ১৬৪৯ খ্রীষ্টাব্দে বর্তমান যাশোরের কেশবপুরের কপোতাক্ষ ভদ্রা নদীর সঙ্গম স্থলে মীর্জানগরে। বাংলা কোম্পনী শাসনে গেলে সব দিক বিবেচনায় তাঁরা বর্তমান যশোরকে ভবিষ্যত শাসন কেন্দ্র বানতে সিদ্ধান্ত নেয়। কারণ কলকাতার সঙ্গে সড়ক ও নৌ পথের যোগাযোগ ব্যবস্থ থাকা। গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড কলকাতা হয়ে যশোর ছুঁয়ে চলে গিয়েছিল সোনারগাঁ। যদিও তা ছিল চলাচলের অযোগ্য, তবুও সেই  পথে যাতায়াত চালু ছিল। যশোর থেকে ভৈরব হয়ে কপোতাক্ষ-মাখাভাঙ্গা-চুর্নী নদী দিয়ে ভাগীরথী (গঙ্গা) পথে কলকাতা যাওয়া যেত এবং এ নৌপথ তখন ছিল নাব্য। যশোর নামকরণ নিয়ে নানা মতভেদ আছে। এর মধ্যে একটি যুক্তি অনেকের কাছে গুরুত্বপুর্ণ। সেটি হলো চতুর্দশ শতাব্দীতে খান জাহান আলী বাগেরহাট যাবার পথে যশোরে অবস্থান করেন এবং ভৈরব নদীর উপর ঝুলন্ত সেতু বানান রশি দিয়ে। ফারসী শব্দ ‘জসর’ অর্থে সেতু। জেলা কেন্দ্র স্থাপন হওয়ায় যশোরে বিট্রিশরা ছাড়াও প্রচুর ইউরোপীয় আসেন। ১৮৪৬ খ্রীষ্টাব্দে ভোলানাথ চন্দ্র নামের এক পর্যটক কলকাতা থেকে যশোর ভ্রমন করেন এবং লেখেন শহরের স্থায়ী বাসিন্দারা হলেন আমলা, মোক্তার, দোকানদার ও শ্রমিকগন। শহরের মহিলাদের মধ্যে আছেন উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সাইপ্রাসের অধিবাসী। এটি অস্বাস্থ্যকর স্থানও। প্রচুর লোক ম্যালেরিয়াতে মারা যান। খ্রীষ্টান সমাধিতে শুয়ে থাকা বিশিষ্ট সরকারী কর্মকর্তাদের নামও তিনি লিপিবদ্ধ করেছেন। 

প্রথম জেলা হিসাবে যশোরের অধীন বর্তমান খুলনা, ফরিদপুর, পাবনা, নদীয়া ও ২৪ পরগনা জেলার অধিকাংশ এলাকা অন্তর্ভুক্ত ছিল। বার বার এর সীমানা বদল হয়েছে। ১৮৮২ খ্রীষ্টাব্দে যশোরের মহাকুমা খুলনা পৃথক হয়ে জেলা হয়। দেশ ভাগের সময় বনগাঁ মহাকুমাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয় ২৪ পরগনার সাথে। সর্বশেষ ১৯৮৪ খ্রীষ্টাব্দে যশোরের ৪ টি মহাকুমাই পরিণত হয় জেলায়। যশোরের বকচরের জমিদার দানবীর কালীপোদ্দার যশোর-চাকদহ(নদীয়া) সড়ক নির্মান করেন। যশোর-বনগাঁ থেকে কলকাতা অংশ, যেটি ছিল গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোডের ধবংসাবশেষ, সেটিও নির্মান ও সংস্কারে সহযোগিতা করেন তিনি। কলকাতায় ‘যশোর রোড’ এখনও এর সাক্ষ্য দেয়। আঠারো শতকে রেল পথ যশোরকে কলকাতার সাথে যুক্ত করে। ১৯৪৬ খ্রীষ্টাব্দে যশোর থেকে একটি রেল শাখা দর্শনার সাথে যুক্ত হয়।

দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় যশোরে তৈরি হয় বিমানবন্দর ও বিমান ঘাঁটি। যশোরের সাংস্কৃতিক জীবনও সমৃদ্ধ। ১৮৫৪ খ্রীষ্টাব্দে এখানে স্থাপিত হয় পাবলিক লাইব্রেরি, যা ভারতবর্ষ তথা বাংলার প্রাচীন লাইব্রেরির একটি। যশোর জন্ম দিয়েছে বহুখ্যাতিমান সন্তানকে, যারা নিজ নিজ ক্ষেত্রে স্বকীয়তায় উজ্জ্বল। প্রজা বিদ্রোহ, নীল বিদ্রোহ, তেভাগার সংগ্রাম, ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা যুদ্ধ প্রতিটি ক্ষেত্রেও যশোর পালন করেছে অগ্রণী ভুমিকা। ১৯৭১ খ্রীষ্টাব্দের ৬ ডিসেম্বর যশোর পাক হানাদার বাহিনী মুক্ত হয়েছিল এবং এটি প্রথম কোন মুক্ত জেলা শহর। প্রথম স্থাপিত জেলা প্রথম মুক্তির স্বাদ গ্রহণ করার মর্যাদা পাওয়া দুর্লভই বটে। বাংলাদেশের প্রথম পর্যায়ে গঠিত পৌর সভা গুলোর একটি হলো যশোর, যেটি ১৮৬৪ খ্রীষ্টাব্দের ১ আগস্ট স্থাপিত। পদাধিকার বলে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট মি: ই ডব্লিউ মালোনী পৌর সভার প্রথম চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন। বর্তমান পৌরমেয়র হায়দার গনি খান পলাশ । টিলম্যান হেঙ্কেল দিয়ে যে জেলার জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের কার্যকাল শুরু, সেই জেলায় এখন জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করছেন জনাব মো: আবরাউল হাছান মজুমদার । 


সাজেদ ভাই

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

বাগবাজার, কলিকাতা,,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া,,,

 বাগবাজার, কলিকাতা

==============

"বাগবাজার " - কলিকাতার উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত একটি বহু প্রাচীন বর্ধিষ্ণু অঞ্চল । এই অঞ্চলটি কলকাতা তথা বাংলা তথা ভারতের অন্যতম পীঠস্থান। এই অঞ্চলের সাথে বহু মনিষীর সংযোগ ঘটছে। কেউ বা এখানে জন্মেছেন, কেউ জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত থেকেছেন, কেউ বা জীবনের অনেকটা সময় এখানেই অতিবাহিত করেছে।  

* সারদা মা (১৮৫৩ - ১৯২০) 

* রামকৃষ্ণ (১৮৩৬ - ১৮৮৬)

* বিবেকানন্দ  (১৮৬৩ - ১৯০২) 

* নিবেদিতা (১৮৬৭  - ১৯১১) 

* গিরিশচন্দ্র ঘোষ (প্রখ্যাত নট ও নাট্যকার) (১৮৪৪ - ১৯১২) 

* বলরাম বসু – (শ্রীরামকৃষ্ণের বিশিষ্ট ভক্ত) ( ১৮৪২ - ১৮৯০)

* নন্দলাল বসু - স্বনামধন্য চিত্রশিল্পী (১৮৮২ - ১৯৬৬) 

* নগেন্দ্রনাথ বসু (১৮৬৬-১৯৩৮)

 - বিশ্বকোষ নামক বাংলা জ্ঞানকোষ রচয়িতা, বাগবাজারের ৮ নং কাঁটাপুকুর বাইলেনে তাঁর নিবাস ছিল। এখানেই তিনি তাঁর গ্রন্থটি রচনা করেন। কলকাতা পৌরসংস্থা তাঁর সম্মানে এই লেনটি বিশ্বকোষ লেন নামে উৎসর্গ করেছে। সম্ভবত এটিই পৃথিবীর একমাত্র বইয়ের নামে রাস্তা।

* মোহনচাঁদ বসু ( নিধুবাবুর শিষ্য। উনিশ শতকে বাগবাজারে বাস করতেন। বাংলা আখড়াই গানে খেউড় উদ্ভাবন তিনিই করেন।)

* ভোলা ময়রা (আঠারো-উনিশ শতক )  স্বনামধন্য কবিয়াল ও বাগবাজারের  মিষ্টান্ন বিক্রেতা (রসগোল্লার উদ্ভাবক ও ) 

ইত্যাদি ইত্যাদি ।

-

ময়মনসিংহের মুগ ভালো, খুলনার ভালো কই।

ঢাকার ভালো পাতাক্ষীর, বাঁকুড়ার ভালো দই।।

কৃষ্ণনগরের ময়রা ভালো, মালদহের ভালো আম।

উলোর ভালো বাঁদর পুরুষ, মুর্শিদাবাদের জাম।।

রংপুরের শ্বশুর ভালো, রাজশাহীর জামাই।

নোয়াখালির নৌকা ভালো, চট্টগ্রামের ধাই।।

দিনাজপুরের কায়েত ভালো, হাবড়ার ভালো শুঁড়ি।

পাবনা জেলার বৈষ্ণব ভালো, ফরিদপুরের মুড়ি।।

বর্ধমানের চাষী ভালো, চব্বিশ পরগণার গোপ।

গুপ্তিপাড়ার মেয়ে ভালো, শীঘ্র-বংশলোপ।।

হুগলির ভালো কোটাল লেঠেল, বীরভূমের ভালো বোল।

ঢাকের বাদ্য থামলেই ভালো, হরি হরি বোল।।

−ভোলা ময়রা

* নবীন চন্দ্র দাস (ভোলা ময়রার নাতী) (১৮৪৫ - ১৮২৫) - স্বনামধন্য  মিষ্টান্ন বিক্রেতা (  শোনা যায় ইতি প্রথম  রসগোল্লা বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে চেয়েছিলেন) 

***********************************************************************

এছাড়া অসংখ্য নাম আর ইতিহাস জড়িয়ে আছে বাগবাজারের সাথে লিখে শেষ করা যাবে না।

***********************************************************************

অনেকের মতে ব্রিটিশ আমলে বাগবাজার এ বিশাল “বাগ” (বাগান/ উদ্যান) ছিল, সেই “বাগ” থেকে বাগবাজার শব্দটির উদ্ভব। তবে ভাষাতাত্ত্বিক সুকুমার সেন মনে করেন বাগবাজার শব্দটি ‘বাঁক বাজার’ শব্দের অপভ্রংশ। কারণ এই অঞ্চলের নিকটে হুগলি নদীর একটি প্রকাণ্ড বাঁক অবস্থিত।

বাগবাজার একসময় ছিল সুতানুটি গ্রামের অন্তর্ভুক্ত বর্ধিষ্ণু অঞ্চল । এই অঞ্চল ছিল বসু ও পাল পরিবারের আবাসভূমি। এই বসু পরিবারে অন্যতম ধনাঢ্য ব্যক্তিত্ব নন্দলাল বসু ব্রিটিশদের আগমনের অনেক আগেই সুতানুটিতে আসেন। ডিহি কলকাতা গ্রামে বসতি স্থাপনের পর সুতানুটি অঞ্চল ধীরে ধীরে ইংরেজ কর্তৃক পরিত্যক্ত হয়। এই অঞ্চলের উত্তরভাগে পেরিনস গার্ডেন নামে একটি প্রমোদ উদ্যান ছিল । কলকাতার আদিযুগে কোম্পানির গণ্যমান্য কর্মচারীরা একসময় সস্ত্রীক এই উদ্যানে আমোদ প্রমোদ করতে আসতেন বলে জানা যায়। ১৭৪৬ সাল নাগাদ এই উদ্যানে ইংরেজ যাতায়াত উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি পেয়েছিল। ১৭৫২ সালে ২৫,০০০ টাকায় এই উদ্যানটি বিক্রি হয়ে যায়। যাঁর নামে এই উদ্যান, সেই ক্যাপ্টেন পেরিন ছিলেন বহু জাহাজের মালিক। 

১৭৫৪ সালে কর্নেল সি এফ স্কট এই অঞ্চলের উত্তর ভাগে একটি বারুদ উৎপাদন কারখানা স্থাপন করেছিলেন।

কলকাতার অন্যতম ধনাঢ্য ও প্রভাবশালী জমিদার ‘ব্ল্যাক জমিদার’ নামে পরিচিত গোবিন্দরাম মিত্রের পুত্র রঘু মিত্র ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনকালেই বাগবাজারের বিখ্যাত বাগবাজার ঘাটটি নির্মাণ করান। ১৭৫৬ সালের ২০শে জুন তারিখে বাংলার নবাব সিরাজদ্দৌলা কলকাতা আক্রমণ করলে বাগবাজারের অদূরেই কোম্পানির সঙ্গে তাঁর বিখ্যাত লালদিঘির যুদ্ধটি ঘটে। এই যুদ্ধে সিরাজ জয়লাভ করেন ও কলকাতা অধিকার করে নেন।

ঊনবিংশ শতাব্দীতে কলকাতার যে বিশিষ্ট মানুষটির সঙ্গে বাগবাজারের নাম ওতোপ্রতোভাবে জড়িয়ে পড়ে, তিনি শ্রীরামকৃষ্ণ। সম্ভবত ১৮৭৭ সালে প্রথমবার তিনি বাগবাজারে এসেছিলেন। ৪০, বোসপাড়া লেনে (বর্তমান নাম মা সারদামণি সরণি) কালীনাথ বসুর পৈত্রিক বাসভবনে তিনি আসেন। এখানেই হরিনাথ চট্টোপাধ্যায় (পরবর্তীকালে স্বামী তুরীয়ানন্দ), গদাধর ঘটক (গঙ্গোপাধ্যায়) (পরবর্তীকালে স্বামী অখণ্ডানন্দ) ও বিশিষ্ট নাট্যকার গিরিশচন্দ্র ঘোষের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ ঘটে।

রামকৃষ্ণ মিশনের সংঘ-জননী সারদা দেবীর কলকাতায় বসবাসের সুবিধার জন্য মিশন বাগবাজারেই তাঁর জন্য একটি সুউচ্চ তিনতলা বাড়ি নির্মাণ করেন। বর্তমানে এই বাড়িটি ‘মায়ের বাড়ি’ নামে পরিচিত এবং মিশনের বাংলা মুখপত্র উদ্বোধন পত্রিকার কার্যালয়। এই বাড়ি থেকে দূরে মারাঠা খাল ও গঙ্গার মিলনস্থলটি দেখা যায়। বাড়ি সম্মুখস্থ রাস্তাটির নাম মুখার্জ্জী লেন থেকে পরিবর্তিত করে উদ্বোধন লেন করা হয়েছে। বাড়ির দক্ষিণে কাশী মিত্র শ্মশানঘাট ও শ্মশানেশ্বর শিব মন্দির অবস্থিত।

বাগবাজার অঞ্চলের উত্তরে বাগবাজার খাল (মারহাট্টা/মারাঠা ডিচ) , পূর্বে শ্যামবাজার, দক্ষিণে শোভাবাজার ও কুমারটুলি এবং পশ্চিমে প্রবাহিত হুগলি নদী। সুপ্রাচীন চিৎপুর রোড (বর্তমান নাম রবীন্দ্র সরণি) সুদীর্ঘকাল ধরেই বাগবাজার অঞ্চলের জীবনরেখা। সাবর্ণ রায়চৌধুরী নির্মিত হালিশহর থেকে বেহালা পর্যন্ত বিস্তৃত একটি তীর্থপথের (এই নিয়ে পূর্বেই অনেক আলোচনা করা হয়ে গেছে) উপরে এই রাস্তা নির্মিত হয়েছিল। ১৯০৪ সালে এই পথ ধরেই ট্রামলাইন বাগবাজার অবধি বিস্তৃত করা হয়।

বাগবাজার বাংলার বহু কৃতি সন্তানের বাসভূমি। তাছাড়া কলকাতার সংস্কৃতি আন্দোলনের সঙ্গেও এই অঞ্চলের নাম বিশেষভাবে জড়িত। ১২৫ বছরের পুরনো বাগবাজার রিডিং লাইব্রেরিটি শহরের অন্যতম প্রাচীন লাইব্রেরি। বাগবাজার সার্বজনীন সুপ্রাচীন দুর্গাপূজাও কলকাতার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় বারোয়ারি দুর্গাপূজা। এই পূজাটিও বাগবাজার স্ট্রিটেই অনুষ্ঠিত হয়।

রামকৃষ্ণ ভক্তসমাজ এই অঞ্চলের প্রতি বিশেষ আকর্ষণ অনুভব করেন। বাংলা সাহিত্যেও এই অঞ্চলের বহু উল্লেখ পাওয়া যায়। বিশেষত আলালের ঘরের দুলাল গ্রন্থে প্যারীচাঁদ মিত্র বাগবাজার ঘাটে স্নানরতা মেয়েদের কথোপকথনের একটি মনোজ্ঞ বর্ণনা দিয়েছেন।

তথ্য সূত্রঃ 

বাংলা স্থাননাম, সুকুমার সেন, আনন্দ পাবলিশার্স

আলালের ঘরের দুলাল : বসুমতী কর্পোরেশন লিমিটেড (কলকাতা) সংস্করণ

ইত্যাদি, ইত্যাদি।


সংগৃহিত

Copypaste

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 




সকাল ৭ টার  সংবাদ।  তারিখ: ০৮-০৬-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭ টার  সংবাদ। 

তারিখ: ০৮-০৬-২০২৪ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস পালিত - জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন - বাঙালি জাতিকে ছয় দফার মধ্যদিয়েই স্বাধীনতার দিকে ধাপে ধাপে এগিয়ে নিয়েছেন বঙ্গবন্ধু - বললেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


সরকার বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতি মাথায় রেখে জনগণের মৌলিক অধিকারগুলো পূরণের লক্ষ্যেই বাজেট প্রণয়ন করেছে - আগামী অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে বললেন শেখ হাসিনা।


নরেন্দ্র মোদির প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আজ নয়াদিল্লি যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


সরকার গৃহীত ব্যবস্থায় সামনের দিনগুলোতে মুদ্রাস্ফীতি কমে আসবে - বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে আশাবাদ অর্থমন্ত্রীর।


আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে দ্রব্যমূল্য হ্রাসের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ। 


আগামী ১৭ই জুন দেশে উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল আজহা ।


সশস্ত্র সংঘাতে শিশুদের নির্যাতনকারী দেশ হিসেবে ইসরাইলকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে জাতিসংঘ।


যুক্তরাষ্ট্রে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এখন শ্রীলঙ্কার মোকাবেলা করছে বাংলাদেশ।

জমির হিসাব,,,,,

 ১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট।

১ কাঠা = ৮০ বর্গগজ।

১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ।

১ কাঠা = ১৬ ছটাক।

২০ কাঠা = ১ বিঘা।

৬০.৫ কাঠা = ১ একর।

=========================

১ একর = ১০০ শতাংশ।

১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক।

১ একর = ৬০.৫ কাঠা।

=========================

১ বিঘা = ১৪,৪০০ বর্গফুট।

১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ।

১ বিঘা = ২০ কাঠা ।

১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ।

=========================

১ শতাংশ =৪৩৫ বর্গফুট ৬৫.৪৫ বর্গ ইঞ্চি।

১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ।

৫ শতাংশ = ৩ কাঠা। = ১৩০৬.৮ বর্গফুট ।

=========================

১ অযুতাংশ = ৪ বর্গফুট ৫২.৩৬ বর্গ ইঞ্চি।

১ ছটাক = ৪৫ বর্গফুট।

=========================

চট্টগ্রামের অধিবাসীদের জন্য নিচের হিসাবটা উপযোগী।

১ কানি = ১৬,৯৯০ বর্গফুট।

১ কানি = ৩৯ শতাংশ।

১ কানি = ২৩.৫ কাঠা।

১ কানি = ২০ গন্ডা।

=========================

১ গন্ডা = ৮৭১ বর্গফুট।

১ গন্ডা = ২ শতাংশ।

১ গন্ডা = ১.২১ কাঠা।

২০ গন্ডা = ১ কানি ।

=========================

কানিঃ

কানি দুই প্রকার। যথা- (ক) কাচ্চা কানি (খ) সাই কানি

কাচ্চা কানি

: ৪০ শতকে এক বাচ্চা কানি। কাচ্চা কানি ৪০ শতকে হয় বলে একে ৪০ শতকের কানিও বলা হয়।

সাই কানিঃ

এই কানি কোথাও ১২০ শতকে ধরা হয়। আবার কোথাও কোথাও ১৬০ শতকেও ধরা হয়।

কানি গন্ডার সাথে বিভিন্ন প্রকারের পরিমাপের তুলনা

২ কানি ১০ গন্ডা (৪০ শতকের কানিতে) = ১ একর

১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট

১ কানি = ১৯৩৬ বর্গগজ

১ কানি = ১৬১৯ বর্গমিটার

১ কানি = ৪০ বর্গ লিঙ্ক

১ একর = ১০ বর্গ চেইন

১ একর = ১০০ শতক

১ একর = ৪,০৪৭ বর্গমিটার

১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক

১ একর = ৬০.৫ কাঠা

১ শতক = ১ গন্ডা বা ৪৩২.৬ বর্গফুট

বিঘা-কাঠার হিসাব

১ বিঘা = (৮০ হাত × ৮০ হাত) ৬৪০০ বর্গহাত

১ বিঘা = ২০ কাঠা

১ কাঠা = ১৬ ছটাক

১ ছটাক = ২০ গন্ডা

উপরোক্ত পরিমাপ পদ্ধতির মাধ্যমে এবার আপনি খুব সহজেই হিসাব করতে পারবেন আপনার ফ্ল্যাটটির পরিমাপ। তারপরও আপনাদের সুবিধার্থে আরও সহজভাবে তুলে ধরা হলো।

* ৩ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ২১৬০ বর্গফুট।

* ৫ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ৩৬০০ বর্গফুট।

* ১০ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ৭২০০ বর্গফুট।

এই হিসাব পদ্ধতির মাধ্যমে এবার আপনি ঠিক করুন আপনি আপনার জায়গায় কোন আয়তনের ফ্ল্যাট নির্মাণ করবেন। তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যে, রাজউক ইমারত নির্মাণ আইনে মোট জমির এক তৃতীয়াংশ জায়গা খালি রাখতে হয় রাস্তা, ড্রেন ও আলো বাতাসের জন্য।

আর যারা রেডি ফ্ল্যাট কিনবেন তারা এই হিসাবটি জেনে রাখুন। কেননা ফ্ল্যাট বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানগুলো ফ্ল্যাটের মোট আয়তন ছাড়াও সিড়ি, ফ্ল্যাটের সামনে, পিছনে, সাইডের খালি জায়গাও ফ্লাটের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করে থাকে। যেমন –

* আপনি যদি ৯০০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট কেনেন তাহলে আপনার মূল ফ্ল্যাটের আয়তন হবে ৬০০ থেকে ৬৫০ বর্গফুট।

* আর যদি ১২০০ বর্গফুট হয় সেক্ষেত্রে ৭৮০ থেকে ৮৫০ বর্গফুট হবে আপনার মূল ফ্ল্যাটের আয়তন।

* ১৬০০ বর্গফুট আয়তনের ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে সব কিছু বাদ দিয়ে মূল ফ্ল্যাটের আয়তন হবে ১২০০ থেকে ১২৫০ বর্গফুট


সংগৃহীত পোস্ট।



সংসারের টুকিটাকি টিপস:,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সংসারের টুকিটাকি টিপস:


১। সাদা মোজা ধোয়ার জন্য গুড়া সাবানের সঙ্গে ১ চা চামচ সাদা সিরকা মিশিয়ে নিন। এতে মোজা যেমন সাদা হবে তেমনি মোলায়েম থাকবে।


২। ওয়াশিং মেশিনে কাপড় ধোয়ার সময় ওয়াশিং পাউডারের সঙ্গে ১ চামচ বরিক পাউডার মিশিয়ে দিন। এতে ধোয়ার পর কাপড় সব একসঙ্গে জট পাকাবে না।


৩। সাদা কাপড় থেকে হালকা কোন দাগ তোলার জন্য কাপড় ধোয়ার পর ২টি পাতি লেবুর রস আধা বালতি পানিতে মিশিয়ে ভিজা কাপড় ডুবিয়ে দিন। ১০ মিনিট পর তুলে না নিংড়ে মেলে দিন।


৪। বলপেনের দাগ কাপড় থেকে তুলতে চাইলে কাচা মরিচের রস ঘষে ঘষে দাগের ওপর লাগিয়ে শুকিয়ে নিন। তারপর গুঁড়া সাবান দিয়ে কাপড় ধুয়ে নিন। দাগ চলে যাবে।


৫। তেল চিটচিটে তাক বা কাঠের র‍্যাক পরিষ্কার করা জন্য ১ কাপ পানিতে ১ চা চামচ সরিষার তেল মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ মসলিনের কাপড় দিয়ে ঘষে ঘষে মুছে নিন। তাকগুলো চমৎকার হয়ে উঠবে।


৬। ওয়াশ বেসিন বা সিল্ক বেসিন পরিষ্কার করার জন্য খানিকটা ফ্ল্যাট সোডা যেমন কোক-পেপসি ইত্যাদি ঢেলে দিন। ৫ মিনিট পর মুছুন। দেখুন কেমন নতুনের মত চকচকে হয়ে উঠেছে।


৭। হাঁড়ি-পাতিল থেকে পোড়া ও কালো দাগ তোলার জন্য সিরিষ কাগজে গুঁড়া সাবান লাগিয়ে ঘষুন। তারপর ধুয়ে নিন। পোড়া দাগ চলে যাবে।


৮। পুরোনো হাঁড়ি থেকে তেল কালির দাগ তোলার জন্য চা পাতা বা কফি দিয়ে ঘষুন। দেখবেন দাগ চলে যাবে।


৯। মশা, মাছি ও পিপড়ার উপদ্রব থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ঘর মোছার পানিতে সামান্য ডিজেল মিশিয়ে নিন। উপদ্রব বন্ধ হয়ে যাবে।


১০। ঘরের মেঝে বা যেকোন মোজাইক পরিষ্কার করার জন্য পানিতে কেরোসিন মিশিয়ে নিন ও এই পানি দিয়ে ঘর মুছে নিন। এতে মেঝে চকচক করবে।


১১। রান্নাঘরের কেবিনেট বা কাউন্টার যদি মার্বেল পাথরের হয় তাহলে পরিষ্কার করার জন্য খাবার সোডা পানিতে গুলে রাতে লাগিয়ে রাখুন। সকালে পানিতে সাদা সিরকা মিশিয়ে কাপড় দিয়ে মুছে নিন। সব দাগ চলে যাবে।


১২। রান্নাঘর থেকে পোড়া বা যেকোন গন্ধ দূর করতে চাইলে একটি পাত্রে কিছুটা সিরকা চুলায় চাপান। শুকান অবধি জ্বাল করুন।


১৩। বারান্দা বা জানালার গ্রিল পরিষ্কার করার জন্য প্রথমে শুকনা কাপড় দিয়ে মুছে নিন। তারপর আধা কাপ কেরোসিন তেলের সঙ্গে সরিষার তেল মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ তুলোয় দিয়ে লাগিয়ে নিন। এতে গ্রিলে ময়লা বা জং লাগবে না।


১৪। বাসনকোসনে কোন কিছুর কষ লাগলে টক দই বা দুধের সর দিয়ে ঘষে ধুয়ে নিলে দাগ দূর হয়ে যাবে।


১৫। চিনেমাটির পাত্রে দাগ পড়লে লবণ পানি দিয়ে সহজেই পরিষ্কার করা যায়।


১৬। নারকেল ভাংগার পূর্বে কিছু সময় পানিতে ভিজিয়ে রাখলে নারকেলটি সমান দু'ভাগে ভেঙে যাবে।


১৭। সেদ্ধ ডিমের খোসা তাড়াতাড়ি এবং ভাল ভাবে ছাড়াতে চাইলে ফ্রিজের ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।


১৮। পাটালী গুড় শক্ত রাখতে চাইলে গুড়টি মুড়ির মাঝে রাখুন।


১৯। আদা টাটকা রাখার জন্য বালির মাঝে রেখে দিন।


২০। ঘি-এ সামান্য লবণ মিশিয়ে রাখলে অনেকদিন পর্যন্ত ভালো থাকবে।


২১। বিস্কুট টাটকা এবং মচমচে রাখার জন্য কৌটার মাঝে এক চামুচ চিনি অথবা ব্লটিং পেপার রেখে দিন।


২২। অপরিপক্ক লেবু থেকে রস পাওয়ার জন্য ১৫মিনিট গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।


২৩। রান্না তাড়াতাড়ি করার জন্য মসলার সাথে ক'ফোটা লেবুর রস মিসিয়ে দিন, দেখবেন সবজি তাড়াতাড়ি সেদ্ধ হয়ে যাচ্ছে।


২৪। সবজির রঙ ঠিক রাখতে ঢাকনা দিয়ে জ্বাল না দেয়াই ভালো। আর কিছু সবজি আছে যেগুলো সামান্য সেদ্ধ করে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললেও রান্নার পরও রঙ ঠিক থাকে।


২৫। কড়াইতে গরম তেলে কিছু ভাজার সময়, যা দেবেন তার সঙ্গে সামান্য লবন দিল। তাহলে আর তেল ছিটবেনা।


২৬। খেজুরের গুড় দিয়ে পায়েস করতে গিয়ে অনেক সময় দুধটা ফেটে যায়। দুধ ঘন হয়ে গেলে নামিয়ে একটু ঠান্ডা করে তারপর গুড় মেশাবেন। ভালো করে নেড়ে আবার কিছুটা ফুটিয়ে নেবেন, দুধ ফাটবে না।


২৭। চিনেবাদাম ও কাজুবাদাম তেলে ভেজে পরে রান্নায় ব্যবহার করুন। খাবারের স্বাদ বাড়বে।


২৮। সেমাই বা মিষ্টিজাতীয় খাবারে অনেকে বাদাম ব্যবহার করেন। বাদামে যদি তেল মেখে পরে তাওয়ায় ভাজেন তাহলে তেল কম লাগবে। নয়তো শুকনো ভাজতে গেলে তেল বেশি লাগবে।


২৯। ওল, কচু অথবা কচুশাক রান্না করলে তাতে কিছুটা তেঁতুলের রস বা লেবুর রস দিয়ে দিন। তাহলে খাওয়ার সময় গলা চুলকানোর ভয় থাকবে না।


৩০। কেক বানাতে যদি ডিমের পরিমাণ কম হয়, তার বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন কর্নফ্লাওয়ার।


৩১। অনেক সময়ই তাড়াতাড়ি স্যুপ রান্না করতে গিয়ে তা পাতলা হয়ে যায়। তখন দুটো আলু সেদ্ধ করে স্যুপে মিশিয়ে ফোটালে স্যুপ ঘন হবে।


৩২। আলু ও ডিম একসঙ্গে সেদ্ধ করুন। দুটো দুই কাজে ব্যবহার করলেও সেদ্ধ তাড়াতাড়ি হয়।

#Copy

ওসিয়তনামা(উইল)।

 ⛔ওসিয়তনামা(উইল)।👇 ওসিয়তনামা (উইল) এর নমুনা ফরম্যাট নোট: বাংলাদেশে মুসলিম ব্যক্তির ওসিয়ত সাধারণত মোট সম্পদের এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত কার্যকর হয়...