এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ২২ জুন, ২০২৪

বসিরহাটের ঐতিহাসিক ধান্যকুড়িয়া,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 বসিরহাটের ঐতিহাসিক ধান্যকুড়িয়া 🏤


আজ থেকে প্রায় দুশো তিরিশ বছর আগের কথা। সুবিশাল এই রাজবাড়ি বানিয়েছিলেন ধান্যকুড়িয়ার জমিদার মহেন্দ্রনাথ গায়েন। সেসময় ফুলেফেঁপে উঠেছিল তাঁর পাটের ব্যবসা। মূলত ইংরেজদের সঙ্গেই চলত তাঁর লেনদেন। আর সেই সুবাদেই উত্তর ২৪ পরগণার এই প্রান্তিক অঞ্চলেও নিত্যদিন লেগে থাকত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সাহেবদের আনাগোনা। তাঁদের বিলিতি সংস্কৃতি, ঐতিহ্যকে উস্কে দিতেই ইউরোপীয় দুর্গের আদলে এই রাজবাড়ি নির্মাণ করেন মহেন্দ্রনাথ।


৩০ একর জায়গায় জুড়ে দাঁড়িয়ে থাকা এই রাজবাড়ির মধ্যেই রয়েছে আস্ত এক পুষ্করিণী, যাতে রাজবাড়ির প্রতিচ্ছবি ঝলমল করে সারাদিন। গোটা দুর্গটিকে কেন্দ্র করে রয়েছে বিশাল এক বাগানও। দুর্গের ভেতরে ঢুকলেও রীতিমতো চমকে যেতে হবে। নানা ধরনের ভিক্টোরিয়ান কারুকাজ থেকে শুরু করে রয়েছে ইতালিয় কাচের তৈরি আসবাব। যা এক কথায় মন্ত্রমুগ্ধকর। গ্রীষ্মকালে এই রাজবাড়িতে এসে অনেক সময়ই ছুটি কাটাতেন ব্রিটিশ সাহেবরা। তাঁদের জন্য ছিল পৃথক নহবতখানা, অতিথিশালা। এমনকি সেসময় এই রাজবাড়ির জন্য পৃথক রেল স্টেশনও তৈরি করেছিল মার্টিন কোম্পানি। গায়েন গার্ডেন নামের সেই স্টেশনে এসে থামত ন্যারো গেজের ছোট্ট বাষ্পচালিত ট্রেন। বর্তমানে অবশ্য সেই স্টেশনের অস্তিত্ব নেই আর। ২০০৮ সালে তা অধিগ্রহণ করে সরকার। গড়ে ওঠে অনাথ মেয়েদের সরকারি হোম। তবে মূল বাড়িটির কিছু অংশের পুনর্নির্মাণ হলেও, সামগ্রিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ধুঁকছে এই ঐতিহাসিক স্থাপত্যটি। বাড়ির সামনে অবস্থিত শ্বেত পাথরের দুটি সিংহ মূর্তির একটি চুরি গিয়েছিল বহু আগেই। কয়েক বছর আগে আরেকটি সিংহও চড়া দামে বিক্রি করে দেন মহেন্দ্রনাথের উত্তরসূরিরা। তবে শুধু ঔপনিবেশিক ইতিহাসই নয়, এই বাড়িতে শুটিং হয়েছে ‘সত্যান্বেষী’, ‘সাহেব-বিবি-গোলাম’, ‘সূর্যতপা’-সহ একাধিক জনপ্রিয় চলচ্চিত্রেরও। অভিনয় করে গেছেন স্বয়ং উত্তমকুমার। এমনকি বিদেশি বিভিন্ন চলচ্চিত্রেরও শুট হয়েছে এই দুর্গেই।

♦️লেখাটি ভালো লাগলে, দয়া করে শেয়ার করার অনুরোধ রইলো।💚


( #collected )

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


ইন্ডিয়ার কলকাতার দর্শনীয় স্থান সমুহ নিচে দেয়া হলো:,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ইন্ডিয়ার কলকাতার দর্শনীয় স্থান সমুহ নিচে দেয়া হলো: 

১. হাওড়া ব্রীজ, হাওরা 

২. ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল পার্ক 

৩. সায়েন্স সিটি 

৪. নিউমার্কেট এরিয়া, নিউ মার্কেট 

৫. কফি হাউজ, নিউ টাউন 

৬.  ইকো পার্ক, নিউ টাউন 

৭. ইন্ডিয়ান জাতীয় জাদুঘর, নিউ টাউন 

৮. ইন্ডিয়ান মিউজিয়াম, নিউ মার্কেট 

৯. জোড়া সাকো - রবীন্দ্রনাথের বাড়ি। 

১০. রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বড় বাজার।  

১১. নাখোদা জামে মসজিদ, বড় বাজার। 

১২. বিশ্ব বাংলা গেট রেস্টুরেন্ট, নিউ টাউন 

১৩. রবীন্দ্র তীর্থ, বিশ্ব বাংলা গেট।  

১৪. বড় বাজার পাইকারি মার্কেট।  

১৫. ওয়েস্ট বেঙ্গল ফিল্ম সেন্টার

১৬. ইডেন গার্ডেন স্টেডিয়াম। 

১৭. জেমস প্রিনসেপ ঘাট, স্ট্রান্ড রোড 

১৮. মিলেনিয়াম পার্ক, স্ট্রান্ড রোড 

১৯. সেন্ট পলস ক্যাথেড্রাল,

২০. বিড়লা মন্ডির, বালিগংগা 

২১. কালিঘাট মন্ডির, কালিঘাট 

২২. এম-পি বিড়লা তারামন্ডল 

২৩. বিড়লা ইন্ড্রস্ট্রিয়াল মিউজিয়াম 

২৪. আলিপুর চিড়িয়াখানা 

২৫. ইন্ডিয়ান কফি হাউস, কলেজ পাড়া রোড 

২৬. রবিন্দ্র সরোবর / ঢাকুরিয়া লেক, দক্ষিণ কলকাতা 

আপনার পেশা যাইহোক, ভ্রমণ হোক আপনার নেশা 

ধন্যবাদান্তে:,,,,,,,,,,, 

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

তাম্রলিপ্ত রাজবাড়ি, তমলুক পূর্ব মেদিনীপুর,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 একটি ভগ্নপ্রায় রাজবাড়ি ভ্রমণ

তাম্রলিপ্ত রাজবাড়ি, তমলুক পূর্ব মেদিনীপুর


তাম্রলিপ্ত রাজবাড়ি, পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকে অবস্থিত, একটি ঐতিহাসিক প্রাসাদ যা সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি তাম্রলিপ্ত রাজ্যের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের সাক্ষ্য বহন করে, যেখানে স্থাপত্যশৈলী এবং ঐতিহাসিক গুরুত্ব ফুটে উঠেছে। 


ঐতিহাসিক গুরুত্ব

তাম্রলিপ্ত রাজবাড়ির একটি সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে, যা তমলুক যখন তাম্রলিপ্ত নামে পরিচিত একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর শহর ছিল তখনকার সময় থেকে। রাজবাড়িটি প্রাক্তন রাজপরিবারের প্রতীক, যারা এই অঞ্চলের শাসন এবং সাংস্কৃতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। রাজবাড়ির সাথে জড়িত ঐতিহাসিক কাহিনীগুলি আকর্ষণীয়, যা স্থানীয় শাসকদের জীবন এবং প্রাচীন বাংলার সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করে।


স্থাপত্যশৈলী

তাম্রলিপ্ত রাজবাড়ির স্থাপত্য ঐতিহ্যবাহী বাংলা এবং ঔপনিবেশিক শৈলীর মিশ্রণ, যা এর নির্মাণকালের স্থাপত্য প্রবণতাকে প্রতিফলিত করে। জটিল খোদাই, বিশাল হল এবং দেশীয় উপকরণের ব্যবহার সেই সময়ের কারুশিল্পের প্রতিচ্ছবি। মূল বৈশিষ্ট্যগুলির মধ্যে রয়েছে:


সামনের অংশ: প্রধান সামনের অংশটি শৈল্পিক অলংকরণ এবং জটিল পাথরের কাজ দ্বারা অলঙ্কৃত।

দরবার হল: একটি বিশাল হল যা সরকারি অনুষ্ঠান এবং সমাবেশের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা রাজপরিবারের ঐশ্বর্য প্রতিফলিত করে।


বর্তমান অবস্থা

বর্তমানে, রাজবাড়িটি একটি জনপ্রিয় পর্যটন আকর্ষণ, যদিও এটি অনেক ঐতিহাসিক স্থানের মতো রক্ষণাবেক্ষণ সমস্যা এবং সময়ের ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণবিদদের প্রচেষ্টা চলছে রাজবাড়িকে তার পুরনো গৌরবে সংরক্ষণ এবং পুনরুদ্ধার করার জন্য।


ফটোগ্রাফি: মনোরম পরিবেশ এবং স্থাপত্যের সৌন্দর্য এটিকে ফটোগ্রাফারের জন্য আদর্শ স্থান করে তুলেছে।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান: ভ্রমণের সময় নির্ভর করে, পর্যটকরা স্থানীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং উৎসব দেখতে পারেন।


একদিনের ভ্রমণ পরিকল্পনা করুন: পুরো প্রাসাদ এবং এর আশেপাশের এলাকাগুলি অন্বেষণ করার জন্য যথেষ্ট সময় বরাদ্দ করুন।  রাজবাড়ির মধ্যে থাকা রাধাকৃষ্ণ মন্দির টি অবশ্যই দেখবেন। এছাড়া আরো অনেক দর্শনীয় স্থানসমূহ হল ৫১ সতীপীঠের একটি বর্গভীমা মন্দির, রূপনারায়ণ নদ, শ্রী শ্রী গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর মন্দির ও রাসমঞ্চ, তাম্রলিপ্ত সংগ্রহশালা, রামকৃষ্ণ মিশন, তমলুক হ্যামিল্টন হাইস্কুল প্রভৃতি। 


তাম্রলিপ্ত রাজবাড়ি তমলুক, পূর্ব মেদিনীপুরে একটি উল্লেখযোগ্য ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিক নিদর্শন হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। এর স্থাপত্যের সৌন্দর্য, সমৃদ্ধ ইতিহাস এবং সাংস্কৃতিক গুরুত্ব এটিকে ইতিহাসের উৎসাহী, স্থাপত্য প্রেমী এবং সাংস্কৃতিক অনুরাগীদের জন্য একটি অবশ্যই পরিদর্শনযোগ্য স্থান করে তোলে। ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য এর সমৃদ্ধ অতীত থেকে প্রশংসা করা এবং শেখার জন্য এই ঐতিহ্যবাহী স্থানটি সংরক্ষণের প্রচেষ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


কিভাবে আসবেন: হাওড়া বা সাত্রাগাছি থেকে হলদিয়া বা দীঘা যাওয়ার ট্রেন থেকে তমলুক স্টেশন এ নামুন। টোটো চেপে চলে আসুন রাজবাড়ি। মেছাদা স্টেশন থেকে অনেক বাস আসে তমলুকের উদ্দেশ্যে, যে কোনো একটিতে উঠে পড়ুন।


Post - Raju Sahoo 

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 















ভারত বর্ষের প্রায় ৪ হাজার বছরের রাজত্ব,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ভারত বর্ষের প্রায় ৪ হাজার বছরের রাজত্ব


মহাভারতে উল্লেখিত কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের পরবর্তী রাজাদের তালিকাঃ ইন্দ্রপ্রস্থের শেষ রাজা যশপাল। যুধিষ্ঠির থেকে যশপাল পর্যন্ত ১২৪ জন রাজা রাজত্ব করেছিলেন মোট ৪,১৭৫ বছর ৯ মাস ১৪ দিন। এরই মধ্যে রাজা যুধিষ্ঠির প্রভৃতি আনুমানিক ৩০ পুরুষ ১৭৭০ বছর ১১ মাস ১০ দিন রাজত্ব করে।

০১। রাজা যুধিষ্ঠির = ৩৬ বছর ৯ মাস ১৪ দিন।

০২। রাজা পরীক্ষিত = ৬০ বছর ৮ মাস ২৫ দিন।

০৩। রাজা জনমেজয় = ৮৪ বছর ৭ মাস ২৩ দিন।

০৪। রাজা অশ্বমেধ = ৮২ বছর ৮ মাস ৩২ দিন।

০৫। দ্বিতীয় রাম = ৮৮ বছর ২ মাস ৮ দিন।

০৬। ছত্রমল = ৮১ বছর ১১ মাস ২৭ দিন।

০৭। চিত্ররথ = ৭৫ বছর ৩ মাস ১৮ দিন।

০৮। দুষ্টশৈল্য = ৭৫ বছর ১০ মাস ২৪ দিন।

০৯। রাজাউগ্র সেন = ৭৮ বছর ৭ মাস ২১ দিন।

১০। শূরসেন = ৭৮ বছর ৭ মাস ২১ দিন।

১১। ভুবনপতি = ৬৯ বছর ৫ মাস ৫ দিন।

১২। রণজিৎ = ৬৫ বছর ১০ মাস ৪ দিন।

১৩। ঋক্ষক = ৬৪ বছর ৭ মাস ৪ দিন।

১৪। সুখদেব = ৬২-০-২৪

১৫। নরহরিদেব = ৫১-১০-০২

১৬। সুচিরথ = ৪২-১১-০২

১৭। শূরসেন (২য়) = ৫৮-১০-০৮

১৮। পর্বতসেন = ৫৫-০৮-১০

১৯। মেধাবী = ৫২-১০-১০

২০। সোনচীর = ৫০-০৮-২১

২১। ভীমদেব = ৪৭-০৯-২০

২২। নৃহরিদেব = ৪৫-১১-২৩

২৩। পূর্ণমল = ৪৪-০৮-০৭

২৪। করদবী = ৮৮-১০-০৮

২৫। অলংমিক = ৫০-১১-০৮

২৬। উদয়পাল = ৩৮-০৯-০

২৭। দুবনমল = ৪০-১০-২৬

২৮। দমাত = ৩২-০-০

২৯। ভীমপাল = ৫৮-০৫-০৮

৩০। ক্ষেমক = ৪৮-১১-২১

পাণ্ডু বংশের রাজত্ব এখানেই শেষ হয়ে যায়। রাজা ক্ষেমকের প্রধান মন্ত্রী বিশ্রবা ক্ষেমক রাজাকে নিহত করে সিংহাসন অধিকার করে ও পরবর্তীতে তাঁর ১৪ পুরুষ ৫০০ বছর ৩ মাস ১৭ দিন রাজত্ব করে।

১। বিশ্রবা = ১৭-০৩-২৯

২। পুরসেনী = ৪২-০৮-২১

৩। বীরসেনী = ৫২-১০-০৭

৪। ফবঙ্গশায়ী = ৪৭-০৮-২৩

৫। হরিজিৎ = ৩৫-০৯-১৭

৬। পরমসেনী = ৪৪-০২-২৩

৭। সুখপাতাল = ৩০-০২-২১

৮। কদ্রুত = ৪২-০৯-২৪

৯। সজ্জ = ৩২-০২-১৪

১০। ফমরচূড় = ২৭-০৩-১৬

১১। অমীপাল = ২২-১১-২৫

১২। দশরথ = ২৫-০৪-১২

১৩। বীরসাল = ৩১-০৮-১১

১৪। বীরসালসেন = ৪১-০০-১৪

রাজা বীরসাল সেনের প্রধান মন্ত্রী বীরমহা প্রধান তাঁহাকে হত্যা করে রাজ্যাধিকার করে। তাঁর বংশ ১৬ পুরুষ ৪৪৫ বৎসর ৫ মাস ৩ দিন রাজত্ব করে।

১। রাজা বীরমহা = ৩৫-১০-০৮

২। অজিত সিংহ = ২৭-০৭-১৯

৩। সর্বদত্ত = ২৮-০৩-১০

৪। ভুবনপতি = ১৫-০৪-১০

৫। বীরসেন (প্রথম) = ২১-০২-১৩

৬। মহীপাল = ৪০-০৮-০৭

৭। শত্রুশাল = ২৬-০৪-০৩

৮। সঙ্গরাজ = ১৭-০২-১০

৯। তেজপাল = ২৮-১১-১০

১০। মানিক চাঁদ = ৩৭-০৭-২১

১১। কামসেনী = ৪২-০৫-১০

১২। শত্রুমর্দন = ০৮-১১-১৩

১৩। জীবনলোক = ২৮-০৯-১৭

১৪। হরিরাও = ২৬-১০-২৯

১৫। বীরসেন (২য়) = ৩৫-০২-২০

১৬। আদিত্যকেতু = ২৩-১১-১৩

প্রয়োগের রাজা ‘ধন্ধব’ মগধদেশের রাজা আদিত্য কেতুকে হত্যা করে রাজ্যাধিকার করে। তাঁহার বংশ ৯ পুরুষ, ৩৭৪ বছর ১১ মাস ২৬ দিন রাজত্ব করে।

১। রাজা ধন্ধর = ৪২-০৭-২৪

২। মহর্ষি = ৪১-০২-২৯

৩। সনরচ্চী = ৫০-১০-১৯

৪। মহাযুদ্ধ = ২০-০৩-০৮

৫। দূরনাথ = ২৮-০৫-২৫

৬। জীবনরাজ = ৪৫-০২-০৫

৭। রুদ্রসেন = ৪৭-০৪-২৮

৮। অরীলক = ৫২-১০-০৮

৯। রাজপাল = ৩৬-০০-০০

সামন্ত মহান পাল রাজা রাজপালকে হত্যা করে রাজ্যাধিকার করে। সামন্ত মহান পালের ১ পুরুষ ১৪ বছর রাজত্ব করেছেন ও তাঁর কোন বৃদ্ধি নেই। এরপর রাজা বিক্রমাদিত্য অবন্তিকা (উজ্জায়নী) হইতে আক্রমণ চালাইয়া রাজা মহানপালকে হত্যা করে রাজ্যাধীকার করেন। তাঁহার বংশ ১ পুরুষ ৩৯ বছর রাজত্ব করেন। তাঁহারও কোন বৃদ্ধি নাই। শালিবাহনের মন্ত্রী সমুদ্রপাল, যোগীপৈঠনের রাজা বিক্রমাদিত্যকে হত্যা করে রাজ্যাধিকার করেন এবং তাঁহার বংশ ১৬ পুরুষ, ৩৭২ বছর, ৪ মাস ২৭ দিন রাজত্ব করেন।

১। সমুদ্রপাল = ৫৪-০২-২০

২। চন্দ্রপাল = ৩৬-০৫-০৪

৩। সাহায়পাল = ১১-০৪-১১

৪। দেবপাল = ২৭-০১-১৭

৫। নরসিংহপাল = ১৮-০০-২০

৬। সামপাল = ২৭-০১-১৭

৭। রঘুপাল = ২২-০৩-২৫

৮। গোবিন্দপাল = ২৭-০১-১৭

৯। অমৃতপাল = ৩৬-১০-১৩

১০। বলীপাল = ১৩-০৮-০৪

১১। মহীপাল = ১৩-০৮-০৪

রাজা মহাবাহু রাজ্য পরিত্যাগ করিয়া তপস্যার্থে বনে গমন করেন। ইহা শুনিয়া বঙ্গ দেশের রাজা আধীসেন ইন্দ্রপ্রস্থে আসিয়া নিজে রাজত্ব করেন। তাঁর বংশ ১২ পুরুষ, ১৫১ বৎসর ১১ মাস ২ দিন রাজত্ব করে।

১। রাজা আধীসেন = ১৮-০৫-২১

২। বিলাবলসেন = ১২-০৪-০২

৩। কেশবসেন = ১৫-০৭-১২

৪। মাধবসেন = ১২-০৪-০২

৫। ময়ূরসেন = ২০-১১-২৭

৬। ভীমসেন = ০৫-১০-০৯

৭। কল্যানসেন = ০৪-০৮-২১

৮। হরিসেন = ১২-০০-২৫

৯। ক্ষেমসেন = ০৮-১১-১৫

১০। নারায়ণসেন = ০২-০২-২৯

১১। লক্ষ্মীসেন = ২৬-১০-০০

১২। দামোদর সেন = ১১-০৫-১৯

রাজা দামোদরসেন তাঁর পাত্রমিত্রদিগকে অনেক কষ্ট দিতেন। এই নিমিত্ত তাঁর জনৈক পাত্রমিত্র দীপ্তসিংহ সৈন্য সংগ্রহ করিয়া তাঁহার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে ও তাঁকে যুদ্ধে নিহত করে স্বয়ং রাজত্ব করেন এবং তাঁহার বংশ ৬ পুরুষ, ১০৭ বৎসর ৬ মাস ২ দিন রাজত্ব করে।

১। দীপসিংহ = ১৭-০১-১৬

২। রাজসিংহ = ১৪-০৫-০০

৩। রণসিংহ = ০৯-০৮-১১

৪। নরসিংহ = ১৩-০২-২৯

৬। জীবনসিংহ = ০৮-০০-০১

কোন কারণ বশতঃ রাজা জীবনসিংহ তাঁহার সমস্ত সৈন্য উত্তরদিকে প্রেরণ করেন। বৈরাটের রাজা পৃথ্বীরাজ চৌহান সেই সংবাদ পেয়ে জীবনসিংহকে আক্রমণ করেন এবং তাঁহাকে যুদ্ধে নিহত করিয়া ইন্দ্রপ্রস্থে রাজত্ব করেন এবং তাঁর বংশ ৫ পুরুষ, ৮৬ বৎসর ০ মাস ২০ দিন রাজত্ব করেছেন।

১। পৃথ্বী রাজ = ১২-০২-১৯

২। অভয়পাল = ১৪-০৫-১৭

৩। দুর্জ্জব পাল = ১১-০৪-১৪

৪। উদয়পাল = ১১-০৭-০৩

৫। যশপাল = ৩৬-০৪-২৭

১২৪৯ সালে গজনীর দুর্গ হতে সুলতান শাহাবুদ্দিন ঘোরী যশপালকে আক্রমণ করে তাঁকে প্রয়োগের দুর্গে বন্ধী করে- অতঃপর সুলতান শাহাবুদ্দিন ইদ্রপ্রস্থে (দিল্লীতে) রাজত্ব করিতে আরম্ভ করে। তাঁর বংশ ৫৩ বৎসর, ১ মাস ও ১৭ দিন রাজত্ব করেছে।

ইন্দ্রপ্রস্ত তথা আর্যাবর্তের সকল রাজাদের ধারাবাহিক পরিচিতি ও রাজত্ব কালের পরিচয় প্রথম বারের মতো তুলে ধরেছিলেন মহর্ষি দয়ানন্দ সরস্বতী জী।

মহর্ষি দয়ানন্দ সরস্বতী এই তথ্য সংগ্রহ করেছিলেন রাজপুতনার অন্তর্গত উদয়পুর  রাজ্যের রাজধানী, চিতোরগড়ের শ্রিনাথদ্বার হতে প্রকাশিত ও বিদ্যার্থী সম্মিলিত হরিশ্চন্দ্র চন্দ্রিকা এবং মোহঞ্চন্দ্রিকা নামক পাক্ষিক পত্রিকা হতে।

 উক্ত পত্রিকাদ্বয়ের সম্পাদক মহাশয় ১৭৮২ বিক্রমাব্দে লিখিত একখানি গ্রন্থ তাহার কোন বন্ধুর নিকট হতে প্রাপ্ত হয়ে তা থেকে সংগ্রহ করে প্রচলিত ১৯৩৯ সালে মুদ্রন করেন।


সংগৃহীত-



আর্যভট্ট প্রাচীন বিশ্ব ইতিহাসে পৃথিবীর পরিধির সবচেয়ে সঠিক পরিমাপ প্রদান করেছিলেন,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ||





আর্যভট্ট প্রাচীন বিশ্ব ইতিহাসে পৃথিবীর পরিধির সবচেয়ে সঠিক পরিমাপ প্রদান করেছিলেন ||


ছবিটি পাকিস্তানের পাঞ্জাবের সল্ট রেঞ্জ পাহাড়ে অবস্থিত নান্দানা দুর্গে, ১১শ শতকের গোড়ার দিকে হিন্দু শাহী রাজবংশের রাজা আনন্দপাল নির্মিত শিব মন্দিরের ধ্বংসাবশেষের। 

কথিত আছে যে, এটি এখানেই নান্দানা দুর্গে, আল-বিরুনি প্রাচীন হিন্দু জ্যোতির্বিজ্ঞান ও গণিত অধ্যয়ন করে সেই জ্ঞান ব্যবহার করে ১১শ শতকে পৃথিবীর পরিধি নির্ধারণ করেছিলেন।


📌 তবে, আল-বিরুনির অনেক শতাব্দী আগে, দুজন ব্যক্তি ইতিমধ্যে দুটি ভিন্ন উপায়ে পৃথিবীর পরিধি নির্ধারণ করেছিলেন 👇🏼


📍গ্রিক গণিতবিদ এরাটোসথেনিস (খ্রিস্টপূর্ব ২৭৬–১৯৪) উল্লেখযোগ্য নির্ভুলতার সাথে পৃথিবীর আকার নির্ধারণ করেছিলেন- ২৪,৪১৯ মাইল, যা আমাদের আধুনিক মান প্রায় ২৪,৯০০ মাইলের তুলনায় অত্যন্ত কাছাকাছি।


📍কিন্তু বিখ্যাত ভারতীয় গণিতবিদ আর্যভট্ট I (৪৭৬-৫০০ খ্রিস্টাব্দ) পৃথিবীর পরিধির আরও সঠিক অনুমান দিয়েছিলেন - ২৪,৮৩৫ মাইল, যা আধুনিক মান ২৪,৯০০ মাইলের কাছাকাছি।


🚩আর্যভট্টের গণনা ছিল সর্বোত্তম এবং সবচেয়ে সঠিক পরিমাপ, যা এক হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।


আর্যভট্ট পৃথিবীর পরিধি নির্ধারণ করেছিলেন ছায়া এবং দুটি দ্রাঘিমাংশের মধ্যে দূরত্ব বিবেচনা করে। তিনি দেখতে পেয়েছিলেন যে পৃথিবীর পরিধি ৪৯৬৭ যোজন। এক যোজন সমান পাঁচ মাইল, যা পৃথিবীর পরিধি ২৪৮৩৫ মাইল হয।


মহাকর্ষীয় তরঙ্গের সঙ্গে মানব অস্তিত্বের যোগসূত্র কোথায়?,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 মহাকর্ষীয় তরঙ্গের সঙ্গে মানব অস্তিত্বের যোগসূত্র কোথায়?

মানবদেহ ও আমাদের চারপাশের জগৎ যেসব মৌলিক উপাদান দিয়ে তৈরি হয়েছে, এগুলো কীভাবে বা কোথা থেকে এসেছে?

‘কিংস কলেজ লন্ডনে’র জন আর এলিসের নেতৃত্বে একদল বিজ্ঞানী এ বিষয়ে একটি চমকপ্রদ তথ্য দিয়েছেন।

তাদের দাবি, মানুষ ও স্তন্যপায়ী প্রাণীর অস্তিত্বের সঙ্গে মহাবিশ্ব থেকে আসা তরঙ্গের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকতে পারে। মহাকর্ষীয় তরঙ্গ বা ‘গ্র্যাভিটেশনাল ওয়েভ’ নামে এটি পরিচিত।

আরও সহজ করে বললে, মহাকর্ষীয় তরঙ্গ হল— ঢেউয়ের মতো, যা বিশালাকারের বিভিন্ন বস্তুর নড়াচড়ার মাধ্যমে মহাবিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে।

এ ধরনের তরঙ্গ ‘মহাজাগতিক নৃত্যে’ বিশাল ভূমিকা পালন করে, যেখানে বিভিন্ন নিউট্রন তারা বা বিস্ফোরিত নক্ষত্রের অত্যন্ত ঘন অবশিষ্টাংশে ধীরে ধীরে একসঙ্গে কাছাকাছি চলে আসে ও এদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে।

এ সংঘর্ষ কেবল একটি দর্শনীয় মহাজাগতিক ঘটনাই নয়; বরং আয়োডিন ও ব্রোমিন’সহ পৃথিবীতে খুঁজে পাওয়া কয়েকটি প্রয়োজনীয় উপাদানের ‘কারখানাও’ বলা যায় একে।

এই আয়োডিন আর ব্রোমিন কেন গুরুত্বপূর্ণ? কারণ হচ্ছে, মানবদেহ অনেকটা জটিল মেশিনের মতো, যেটি সুচারুভাবে চালাতে বিভিন্ন উপাদানের দরকার হয়। আয়োডিন মানবদেহের থাইরয়েডের হরমোন তৈরির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি ঘাড়ের একটি ছোট গ্রন্থি, যা থেকে উৎপন্ন হরমোন পেটের ভেতর খাবার ভেঙে সেখান থেকে শক্তি উৎপন্ন করায় ভূমিকা রাখে।

ব্রোমিন, মানবদেহের বিশেষ একটি টিস্যুর বিকাশে সাহায্য করে - একে বলে কানেকটিভ বা সংযোজক টিস্যু। এ উপাদানগুলো না থাকলে আমরা যতটা সহজভাবে জীবনধারণ করি, সেটা সম্ভবত সম্ভব হতো না।

কিন্তু, এ উপাদানগুলো আসে কোথা থেকে? গবেষকরা বলছেন, মহাবিশ্ব একটি বিশাল রান্নাঘরের মতো, যেখানে বিভিন্ন উপাদান তৈরির জন্য নানা ধরনের রেসিপি রয়েছে।

হাইড্রোজেন, কার্বন ও অক্সিজেনের মতো জীবনের অপরিহার্য বিভিন্ন উপাদানের বেশিরভাগই তারা’র জ্বলন্ত চুল্লিতে রান্না করা হয়। আর এ তারাগুলো বিস্ফোরিত হয়ে মহাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ার মাধ্যমে একটি সুপারনোভায় পরিণত হয়।

আয়োডিন ও ব্রোমিনের সঙ্গে কিছু অন্যান্য উপাদান মিলে এক বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এ অবস্থা তৈরি হয়, আর এমনটা ঘটে যখন নিউট্রন তারা’র সংঘর্ষ ঘটে।

প্রক্রিয়াটি ‘আর-প্রসেস’ নামে পরিচিত, যেখানে নিউট্রন দ্রুত ধারণ করার মাধ্যমে ভারী উপাদান তৈরি হয়। কী অদ্ভুত এ যোগসূত্র যে, পৃথিবী থেকে শত কোটি কিলোমিটার দূরের বিভিন্ন বিধ্বংসী ঘটনার প্রভাব পড়ছে পৃথিবীতে জীবন ধারণের কয়েকটি মূল উপাদানের ওপর! - উল্লেখ রয়েছে এ নিয়ে প্রকাশিত বিজ্ঞানবিষয়ক সাইট নোরিজ-এর নিবন্ধে।

‘আর-প্রসেস’ শুধু একটি তত্ত্ব নয়। দীর্ঘদিন ধরেই নিউট্রন তারা’র সংঘর্ষ ও এদের থেকে সৃষ্ট মহাকর্ষীয় তরঙ্গ পর্যবেক্ষণ করে আসছেন বিজ্ঞানীরা। এমনই একটি সংঘর্ষ শনাক্ত হয়েছিল ২০১৭ সালে, যা এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, একেবারে স্পেস-টাইমের মধ্য দিয়ে তরঙ্গ পাঠিয়েছিল এটি। আর তা শনাক্ত করা গিয়েছিল পৃথিবীর বিভিন্ন মানমিন্দরের মাধ্যমে।

এই ঘটনা যে কেবল মহাকর্ষীয় তরঙ্গের প্রমাণ দিয়েছে, তা নয়। বরং এমন একটি মহাজাগতিক ঘটনা আমাদের সামনে তুলে এনেছে, যেখান থেকে জীবন ধারণের জন্য দরকারি উপাদান তৈরি হয়ে থাকে।

গবেষণাটি একটি অদ্ভুত ইঙ্গিত দেয়, চাঁদে সম্ভবত এমন মহাজাগতিক ঘটনার চিহ্ন পাওয়া যাবে, যা মানুষের কাছে এখনও অধরা রয়ে গেছে। চাঁদের মাটি গবেষণা করে বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, তারা এর থেকে আয়োডিনের মতো বিভিন্ন প্রয়োজনীয় উপাদানের উৎস সম্পর্কে আরও যোগসূত্র খুঁজে পাবেন।

মহাবিশ্ব শুধু তারা ও গ্রহে পরিপূর্ণ একটি জায়গা নয়, বরং এটি এমন গতিশীল, একে অপরের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা একটি সমন্বিত ব্যবস্থা, যা আমাদের অস্তিত্বের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে।

এ গবেষণার ফলাফল প্রকাশ পেয়েছে নিউ ইয়র্ক ভিত্তিক ‘কর্নেল ইউনিভার্সিটি’র ওয়েবসাইটে।

Source: Bdnews24

Science Hunter

ভারতীয় রেলের টিকিট দরকার ?  01913-825580 এই নাম্বারে ফোন দিন।,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ভারতীয় রেলের টিকিট দরকার ?  01913-825580 এই নাম্বারে ফোন দিন।

খুব সহজেই ভারতীয় ট্রেনের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন গন্তব্য যাওয়ার জন্য টিকেট কনফার্ম আমাদের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকেই করুন৷

বিঃদ্রঃ- কত তারিখের টিকিট, কোন শ্রেণীর টিকেট, কোন জায়গা থেকে কোন জায়গা যাবেন ? এবং আপনার পাসপোর্ট এর কপি দিয়ে আমাদেরকে এই 01913-825580 হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে নক করুন।।

#india #Dhaka #Bangladesh #kolkata #delhi #chennai #Siliguri #indian #chennai

বিশ্বস্ততার সাথে আমরা দিচ্ছি সঠিক মূল্যের সব ধরনের টিকেট।।

আমাদের সেবা সমূহ-

# ইন্ডিয়ান ট্রেন ও বিমান টিকেট

# ট্যুর প্যাকেজ ( দেশ ও বিদেশ)

# ইন্ডিয়া, চায়না, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম ভিসা প্রসেসিং

# বিমান টিকেট

# হোটেল বুকিং

# মেডিকেল টুরিজম ( ভারত ও থাইল্যান্ড )

# বাংলাদেশ ও ইন্ডিয়ান বাস টিকেট (আপাতত বন্ধ আছে) ইত্যাদি।।

যোগাযোগঃ-

Milon The Explorer

Parapar Holiday Ltd.

সার্কেল আম্বিয়া পয়েন্ট (২য় তলা),১৯ পূর্ব রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।

ফোন- 

ভারতীয় ভিসা- 

01612-690006 ( টুরিস্ট ও মেডিক্যাল ভিসা )

01911-111716 ( রুহুল আমিন )।

{ বি.দ্র বাংলাদেশ থেকে ভারতগামী মিতালী, মৈত্রী ও বন্ধন এক্সপ্রেস এর টিকিট আমরা কাটতে পারিনা। নিজে গিয়ে কাটতে হয়। দয়া করে এ বিষয়ে কেউ ফোন দিবেন না। }

কলকাতায় ঘুরতে গেলে কাজে লাগবে, গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিতে পারেন 

 কলকাতায় ঘুরতে গেলে কাজে লাগবে, গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিতে পারেন 


► #কলকাতা মেট্রো রেলের A to Z ◄

কলকাতা ঘুরতে গিয়ে সঠিক গাইড লাইনের অভাবে অনেকেই ট্যাক্সি বা ক্যাবের পিছনে অনেক টাকা খরছ করছেন । যারা ওই অতিরিক্ত খরছ কমিয়ে সুন্দর ভাবে ঘুরতে চাচ্ছেন তাদের ভরসার অন্য নাম হতে পারে কলকাতা মেট্রো রেল । এ সম্পর্কে আপনাদের কিছু বিষয় জানাচ্ছি । মেট্রো রেল গুলো প্রতি ৪ মিনিট পর পর সকাল থেকে রাত ১০.২০ মিনিট পর্যন্ত পাওয়া যায় । আপনি যদি টাকা কে পাইলটের মত উড়াতে ভালোবাসেন  তবে আমার এই পোস্ট টি আপনাদের জন্য নয় 🙂 

.

অনেকেই বনগাঁ থেকে সরাসরি শিয়ালদাহ স্টেশনে চলে আসেন । এর পর ক্যাবে ১০০ - ১৫০ রুপি দিয়ে পার্ক স্ট্রিট বা মির্জা গালিব স্ট্রীটে । আপনারা সরাসরি বনগাঁ থেকে দমদম জং এ এসে নামবেন ( দম দম জং এবং দম দম ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনের মধ্যে প্যাঁচ লাগাবেন না ) । এখান থেকে মাত্র ১০ রুপি দিয়ে মেট্রো রেলে করে পার্ক স্ট্রীট চলে আসতে পারবেন ।

কলকাতা মেট্রো রেলের রুট 

=====================

দম দম > বেল গাছি > শ্যাম বাজার > শোভা বাজার > গিরিশ পার্ক > M.G রোড > সেন্ট্রাল > চাঁদনী চক > স্প্লানেড > পার্ক স্ট্রীট > মায়দান > রবিন্দ্র সনদ > নেতাজী ভবন > জতিন দাস পার্ক > কালীঘাট > রবিন্দ্র সরোবর > টলিগঞ্জ > নেতাজি >মাস্টার দা সুর্যসেন > গীতাঞ্জলী > কবি নজরুল > শহীদ ক্ষুদিরাম > কবি সুভাস

ভাড়া ৫, ১০ , ১৫ , ২০ । আপনি যদি দমদম থেকে পার্ক স্ট্রীট আসেন তবে ভাড়া ১০ রুপি আবার পার্ক স্ট্রীট থেকে চাঁদনী চক যান তবে ভাড়া ৫ রুপির মত । চিন্তা করার কোন কারন নেই এই দ্রুত গামী মেট্রো রেলের প্রতিটি স্টেশনে সে স্টেশন থেকে যে স্টেশনে যাবেন সেখানকার ভাড়া লিখা আছে । আপনি টিকিট কেটে উপরের সাইনবোর্ড দেখে বাম বা ডান দিকের প্লাটফর্মের ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করবেন ।

.

এবার আসুন আলোচনা করি কোন মেট্রো রেলওয়ে স্টেশনের পাশে কি কি আছে ।

=====================================================

╚►ভিক্টরিয়াল মেমোরিয়ালঃ ময়দান মেট্রো স্টেশন

╚►গড়ের মাঠঃ ময়দান মেট্রো স্টেশন

╚►হাওড়া ব্রিজঃ মহত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন

╚►ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামঃ পার্ক স্ট্রীট অথবা ময়দান মেট্রো স্টেশন

╚►জোড়া সাঁকোর ঠাকুর বাড়িঃ গিরিশ পার্ক মেট্রো স্টেশন

╚►রাম মন্দিরঃ মহত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন

╚►মার্বেল প্লেসঃ মহত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন

╚►ময়দানঃ ময়দান মেট্রো স্টেশন

╚►কালীঘাট কালী মন্দিরঃ কালীঘাট মেট্রো স্টেশন

╚►ইডেন গার্ডেনঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন

╚►কার্জন পার্কঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন

╚►নেতাজী সুভাস স্টেডিয়ামঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন

╚►মিনেলিয়াম পার্কঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন

╚►দ্বিতীয় হুগলী ব্রিজঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন

╚►কলকাতা হাইকোর্টঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন

╚►বাবুঘাট কলকাতাঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন

╚►প্রিন্সেপ ঘাটঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন

╚►ফোর্ট উইলিয়ামঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন

╚►শহীদ মিনারঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন

╚►সেন্ট পল চার্চঃ রবীন্দ্র সদন মেট্রো স্টেশন

╚►চাঁদনী চকঃ চাঁদনী চক মেট্রো

╚►নিউমার্কেটঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন

╚►বড় বাজারঃ মহত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন

╚►রবীন্দ্র সরোবরঃ রবীন্দ্র সরোবর মেট্রো স্টেশন

╚►লায়ন সাফারি পার্কঃ রবীন্দ্র সরোবর মেট্রো স্টেশন

আমরা অনেকেই নিউমার্কেট এরিয়ায় অনেক সময় হোটেল সংকটের কারনে বেশি দামে হোটেল ভাড়া দিয়ে থাকি । আপনারা ইচ্ছে করলেই দমদম বা শোভা বাজার এদিকের হোটেলে থাকতে পারেন । সেক্ষেত্রে মাত্র ১০ বা ৫ রুপি দিয়ে এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশনে চলে আসুন । এখান থেকে মিনিট ২ হাটলেই নিউমার্কেট এরিয়া ।

নোটঃ মেট্রো রেলওয়ে স্টেশন গুলো থেকে ভ্রমনের স্থান গুলো খুব বেশি হলে ১ কিঃ মিঃ এর মধ্যে অবস্থিত, যারা ট্রাভেলার তাদের জন্য এটা কিছুই না 🙂 মেট্রো রেলের স্টেশন গুলোতে ছবি তুলা নিষিদ্ধ এবং এই ট্রেন গুলো তে আপনি বড় বড় বস্তা ক্যারি করতে পারবেন না । সাধারন ব্যাগ , হ্যান্ড ব্যাগ , অফিস ব্যাগ , শপিং ব্যাগ ইত্যাদি বহন করতে পারবেন । ভালো থাকবেন ..... Happy Travelling

দাগেস্তানে একটি 200 বছরের পুরানো পেরেক-মুক্ত কাঠের সেতু যার উপর একটি গাড়ি চলতে পারে।

 দাগেস্তানে একটি 200 বছরের পুরানো পেরেক-মুক্ত কাঠের সেতু যার উপর একটি গাড়ি চলতে পারে।






রাশিয়ার দাগেস্তানের তাবাসরান অঞ্চলের গুল্লি (জুলি) গ্রামের কাছে 200 বছরের পুরনো কাঠের সেতুটি একটি অসাধারণ ঐতিহাসিক এবং স্থাপত্য নিদর্শন। সম্পূর্ণভাবে পেরেক ছাড়াই নির্মিত, সেতুটি কাঠের লগ এবং মোটা বিম ব্যবহার করে, শুধুমাত্র স্থানীয়ভাবে পাওয়া কাঠ এবং পাথরের উপর নির্ভর করে। বয়স হওয়া সত্ত্বেও, সেতুটি অবিশ্বাস্যভাবে মজবুত এবং এমনকি একটি যাত্রীবাহী গাড়ির ওজনকেও সমর্থন করতে পারে। কিছু স্থানীয় বাসিন্দারা বিশ্বাস করেন যে সেতুটি অনেক বেশি পুরানো হতে পারে, পূর্বপুরুষের গল্পের ভিত্তিতে এটি 700 থেকে 800 বছরের মধ্যে পুরানো হতে পারে।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ২১-০৬-২০২৪

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ২১-০৬-২০২৪


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে আজ নতুন দিল্লি যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে সব সমস্যা আলোচনার টেবিলে সমাধান চায় - মন্তব্য ওবায়দুল কাদেরের।


সিলেট ও সুনামগঞ্জের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত - সিলেট বিভাগে আসন্ন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ৮ই জুলাই পর্যন্ত স্থগিত।


শিল্প মন্ত্রণালয়ের বন্ধ কারখানাগুলো আবার চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার - জাতীয় সংসদে জানালেন শিল্পমন্ত্রী।


রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপে সম্মত হয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো - নিষেধাজ্ঞার প্রধান টার্গেট রাশিয়ার লাভজনক তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস খাত।


নর্থ সাউন্ডে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইট পর্বে এখন অস্ট্রেলিয়ার মোকাবেলা করছে বাংলাদেশ - ব্রিজটাউনে গতরাতে ভারত ৪৭ রানে হারিয়েছে আফগানিস্তানকে।

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...