এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ১ জুলাই, ২০২৪

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ০১-০৭-২০২৪

সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ০১-০৭-২০২৪


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


আজ থেকে শুরু হওয়া অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট জাতীয় সংসদে পাস।


উন্নয়ন বাজেটে বিদেশ নির্ভরতা অনেক কমিয়ে আনা হয়েছে - বাজেট পাস হওয়ার পর সাংবাদিকদের বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।


সিলেট বিভাগ ছাড়া সারাদেশে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু।


খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে বিএনপি রাজনীতি করছে - অভিযোগ ওবায়দুল কাদেরের।


ফ্রান্সের পার্লামেন্ট নির্বাচনের প্রথম দফায় অতি ডানপন্থী ন্যাশনাল র‌্যালি পার্টির বড় ধরনের জয়।


ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবলে স্লোভাকিয়াকে হারিয়ে ইংল্যান্ড এবং জর্জিয়াকে হারিয়ে স্পেন কোয়ার্টার ফাইনালে।

ছড়াটির অন্তর্নিহিত ব্যাখ্যা জেনে সমৃদ্ধ হলাম।,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ছড়াটির অন্তর্নিহিত ব্যাখ্যা জেনে সমৃদ্ধ হলাম।

“ইকড়ি মিকড়ি চাম-চিকড়ি,

চামের কাঁটা মজুমদার,

ধেয়ে এল দামোদর।

দামোদরের হাঁড়ি-কুঁড়ি,

দাওয়ায় বসে চাল কাঁড়ি।

চাল কাঁড়তে হল বেলা,

ভাত খাওগে দুপুরবেলা।

ভাতে পড়ল মাছি,

কোদাল দিয়ে চাঁছি।

কোদাল হল ভোঁতা,

খা কামারের মাথা।”


ছোটবেলায় আমরা অনেকেই এই ছড়াটি পড়েছি। কিন্তু কখনো কি ভেবেছি নান্দনিক ছন্দের এই ছড়াটির অর্থ কি? এই ছড়া কোন ইতিহাস বয়ে বেড়ায় কিনা?


এই প্রশ্ন করলে হয়তো এই উত্তরই আসবে যে শিশুদের নির্ভেজাল আনন্দের জন্য এই ছড়ার রচনা হয়েছে। কিন্তু সত্যটা বেশ করুণ। আদতে আনন্দের ছিঁটেফোঁটাও নেই এই ছড়ায়, শিশুদের জন্য তো না বটেই।


মূলত এই ছড়ায় ছড়াকার অসাধারণ দক্ষতার সাথে চিরন্তন বাংলার সাধারণ মানুষের দুঃসহ আর্থ-সামাজিক অবস্থা তুলে ধরেছেন। চলুন এবার ছড়াটির প্রতিটি শব্দ ও পংক্তি ধরে বিশ্লেষণ করে দেখি।


'ইকড়ি' অর্থ সংসার পরিপালনের জন্য সারাদিন খেটেখুটে কঠোর পরিশ্রম করা। কিন্তু তাতেও যখন সংসার চলে না, তখন প্রয়োজন হয় 'মিকড়ি', অর্থাৎ আরও কিছু অতিরিক্ত উপার্জনের চেষ্টা করা। 'চাম' অর্থ রুজি-রোজগারের এলাকা। আর 'চিকড়ি' অর্থ সেই রোজগারের এলাকায় ঘুরে ঘুরে কিছু (অর্থ বা ফসল) উপার্জন করে তা ঘরে নিয়ে আসা।


কিন্তু সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় এই "চামের কাঁটা মজুমদার"। 'মজুমদার' মূলত এক প্রকার রাজকর্মচারীর পদবী যার কাজ ছিল খাজনা বা রাজস্ব আদায় ও হিসেব রাখা। আর তাই অনেক সময় খাজনা আদায়ের নামে দরিদ্র খেটে খাওয়া মানুষের সর্বস্ব কেড়ে নিয়ে যেত বলে তাকে পথের কাঁটা বলা হয়েছে।


আর অতঃপর "ধেয়ে এল দামোদর"। এই 'দামোদর' হলো মূলত ফড়ে-পাইকারের দল, যারা সাধারণ কৃষকের উৎপাদিত ফসল অথবা কুমারের বানানো তৈজসপত্র স্বল্প দামে কিনে নিয়ে বাজারে চড়া দামে বিক্রি করতো।


কিন্তু এই দামোদর শুধু এসেই ক্ষান্ত হয় না। এখানে বলা হয়েছে "দামোদরের হাঁড়ি-কুঁড়ি"। এর অর্থ হলো, তারা যখন আসে তখন সাথে করে হাঁড়ি কুঁড়ি নিয়ে আসে। অর্থাৎ খেটে খাওয়া মানুষের উৎপাদিত সব দ্রব্য সাথে করে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে আসে।


এরপর বলা হয়েছে "দাওয়ায় বসে চাল কাঁড়ি", অর্থাৎ মজুমদার আর ফড়ে পাইকারের থেকে লুকিয়ে যেটুকু চাল বাঁচানো গিয়েছে, এবার সেটা দিয়েই ঘরের দরজায় বসে ভাত রাঁধার প্রস্তুতি শুরু।


কিন্তু "চাল কাঁড়তে হল বেলা", অর্থাৎ এতসব ঝামেলা ঝক্কি সামলাতে সামলাতে ভাত রাঁধায় দেরী হয়ে যায়। তাই "ভাত খাওগে দুপুরবেলা", অর্থাৎ প্রথম প্রহরে বা সকালে খাওয়া আর সম্ভব হয় না। একেবারে দ্বিপ্রহরে বা দুপুরে খেতে হয়।


কিন্তু খাবে কী করে! কারণ "ভাতে পড়ল মাছি"। এখানে 'মাছি' বলতে আসলে চোরকে বুঝানো হয়েছে। অর্থাৎ গরীবের যে যৎসামান্য খাদ্য, তারও শেষ রক্ষা হয় না। ছিঁচকে চোর সেটাও চুরি করে নিয়ে যায়। তাই "কোদাল দিয়ে চাঁছি"। এই 'কোদাল'ও আক্ষরিক অর্থে ব্যবহৃত হয়নি। বরং কোদাল বলতে এখানে কোতোয়াল বা পুলিশের কথা বুঝানো হয়েছে। অর্থাৎ পুলিশের কাছে গিয়ে চোরের ব্যাপারে নালিশ করা হয়েছে।


তবে তাতেও যে গরীব মানুষের হয়রানি কম হয়, তা কিন্তু নয়। কারণ "কোদাল হল ভোঁতা"। অর্থাৎ পুলিশ বা কোতোয়াল কোন কাজই করে না। আর তাই "খা কামারের মাথা"। অর্থাৎ এই কোদাল যে কামার বানিয়েছে, মানে পুলিশ কোতোয়াল সৃষ্টিকারী গ্রামের উচ্চপর্যায়ের লোকেরা, শেষমেশ তাদের কাছে গিয়েই এই হতদরিদ্র মানুষ গুলোর মাথা কুটে কাঁদতে হয়।


সুতরাং এক কথা বললে, এই ছড়ায় ছড়াকার গ্রাম বাংলার সেই খেটে খাওয়া মানুষের জীবনবৃত্তান্ত তুলে ধরেছেন যে কিনা কঠোর পরিশ্রম করেও জমিদার, খাজনা আদায়কারী, অসাধু ব্যবসায়ী, চোর, পুলিশ এদের উপদ্রবে নিজের পরিবারের জন্য দু' বেলার খাবারও জোটাতে পারে না।


তথ্যসূত্রঃ

১। কলিম খান ও রবি চক্রবর্তী, "বঙ্গীয় শব্দার্থকোষ", ভাষাবিন্যাস

২। ড. মোহাম্মদ আমিন, "ইকড়ি মিকড়ি : অসাধারণ অর্থপূর্ণ একটি ছড়া", ব্লগ পোস্ট-সংগৃহিত



রবিবার, ৩০ জুন, ২০২৪

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ৩০-০৬-২০২৪

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ৩০-০৬-২০২৪


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


সংসদে পাশ হলো অর্থবিল-২০২৪ - ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়ন করা হবে - বললেন প্রধানমন্ত্রী।


কেনসিংটন ওভালে আইসিসি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট বিশ্বকাপের শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৭ রানে হারিয়ে শিরোপা জয় করলো ভারত।


চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু  হচ্ছে আজ। 


বিএনপি’র মেড ইন লন্ডন কর্মসূচি কেউ মানেনা - বললেন ওবায়দুল কাদের।


বাংলাদেশের সমস্ত অর্জন আওয়ামী লীগের হাত ধরেই হয়েছে - মন্তব্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীর।


জাতীয় স্বার্থে ও দেশের উন্নয়নে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর। 


নানা আয়োজনে বাংলাদেশ বেতার বরিশাল কেন্দ্রের ২৫ বছর পূর্তি উদযাপন  - এ উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বললেন বর্তমান যুগেও বেতারের ভূমিকা অনস্বীকার্য। 


ইউক্রেনের বিভিন্ন এলাকায় রুশ হামলায় চার শিশুসহ অন্তত ১২ জন নিহত।

শনিবার, ২৯ জুন, ২০২৪

বই কেনো পড়বেন,,, পড়লে কি, আর না পড়লে কি,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 বই কেন পড়বেন? বই পড়লে কি হয় আর না পড়লে কি হয়?


বই পড়ার ১০টি কারণ যা বই সম্পর্কে আপনার ধারণা বদলে দিবে -


১। মানসিক ব্যায়ামঃ

শরীরকে সুস্থ রাখতে যেমন ব্যায়াম এর বিকল্প নেই তেমনি একইভাবে, আপনার মস্তিষ্ক সচল রাখতে মানসিক ব্যায়াম জরুরি। মানসিক ব্যায়াম না করার ফলে আমাদের চিন্তাশক্তি লোপ পায়।

ধীরে ধীরে মস্তিষ্কের এই ক্ষমতা নষ্ট হতে থাকে। ব্যবহার না করলে এই ক্ষমতা হারিয়ে যাবে। বই পড়া মানসিক ব্যায়াম এর একটি বড় মাধ্যম। আপনার মস্তিষ্ক সচল রাখার জন্য নিয়মিত বই পড়া জরুরি।


২। মানসিক চাপ কমানোঃ

আপনি ব্যক্তিজীবন, পারিবারিক জীবন, একাডেমিক কিংবা চাকরিজীবনে যতই মানসিক চাপের মধ্যে থাকেন, এই সকল চাপকে আপনি পাশে সরিয়ে রাখতে পারেন যখন আপনি একটি ভালো বইয়ের মধ্যে নিজেকে ডুবিয়ে ফেলেন।

একটি ভালো বই আপনার দুশ্চিন্তা ও অবসাদ্গুলোকে পাশে সরিয়ে আপনাকে একটি অন্য দুনিয়ায় নিয়ে যেতে পারবে, যার মাধ্যমে আপনি মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকতে পারবেন।


৩। জ্ঞানঃ

বই পড়লে জ্ঞান বাড়বে - একথা বলাই বাহুল্য। নতুন নতুন তথ্য যা অব্যশই কোন না কোনো দিন আপনার দরকারে আসবে। আপনার জ্ঞানের ভান্ডার যত সমৃদ্ধ হবে, আপনার জীবনের বাধা বিপত্তি গুলো অতিক্রমে আপনি ততটাই শক্তিশালী হবেন।

একটি কথা আমরা সবাই জানি - আপনার চাকরি/ব্যবসায়, আপনার সম্পত্তি, আপনার অর্থবিত্ত, আপনার স্বাস্থ্য - সবই হারিয়ে যেতে পারে, কিন্তু আপনার অর্জিত জ্ঞান সবসময়ই আপনার সাথে থাকবে।


৪। শব্দভান্ডার বৃদ্ধিঃ

আপনি যত পড়বেন, তত নতুন নতুন শব্দ শিখবেন। আর এতেই আপনার শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ হবে। পারস্পরিক কমিউনিকেশন বা যোগাযোগ আমাদের শিক্ষাজীবন, ব্যক্তিজীবন বা কর্মজীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কর্মজীবনে তো সুন্দর ভাষা বা ভালো যোগাযোগ দক্ষতার জন্য অনেকে বেশ সমাদৃত হন।

এই দক্ষতা বৃদ্ধিতে আপনাকে সব থেকে সাহায্য করবে, 'বই পড়া'। নতুন শব্দ, এর অর্থ ও প্রয়োগ আপনাকে অনেকের মধ্যে আলাদা করে তুলতে পারে।


৫। স্মৃতিশক্তির উন্নতিঃ

তীক্ষ্ণ স্মৃতিশক্তি আমরা কে না চাই! প্রায়ই আমরা বলে থাকি, স্মৃতিশক্তি কমে যাচ্ছে, অনেক কিছু মনে থাকে না। আবার ভালো স্মৃতিশক্তির মানুষকে আমরা শ্রদ্ধার চোখে দেখি।

আপনি যখন একটি বই পড়েন, আপনাকে বইয়ের চরিত্র ও তাদের ভূমিকা, তাদের পটভূমি, তাদের উচ্চাকাঙ্ক্ষা, তাদের ইতিহাস, সূক্ষ্মতা স্মরণে রাখতে হয়।

আর মজার ব্যাপার হলো, আপনি যখনই আপনার মস্তিষ্কে নতুন একটি স্মৃতি দেন, তা একটি নতুন পথ তৈরি করে আপনার ব্রেইনে এবং আগের স্মৃতিগুলোকেও শক্তিশালী করে তোলে।


৬। চিন্তাশক্তি দক্ষতা শক্তিশালীঃ

দিন দিন একটি শব্দ অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠছে, Critical Thinking বা জটিল চিন্তাশক্তি। কর্ম বা ব্যক্তিজীবনে এই দক্ষতার কদর বেড়েই চলেছে। আমরা বই পড়ার সময় প্রায়ই জটিল কিছু ঘটনার কথা পড়ি, যেগুলো নিয়ে আমরা সচেতন বা অবচেতনভাবে চিন্তা করি। ঘটনাগুলোকে ধাপে ধাপে সাঁজাতে চেষ্টা করি, সমাধান করার চেষ্টা করি।

অনেক পাঠক তো রীতিমত কাগজ কলম নিয়ে বসে যায় রহস্য গল্প সমাধান করার জন্য। এছাড়াও বই গুলো নিয়ে আমরা অনেকের সাথে আলাপ করি, আমাদের চিন্তা, লেখকের চিন্তা ব্যক্ত করার চেষ্টা করি।

এইসবই কিন্তু আমাদের চিন্তাশক্তিকে বৃদ্ধি করে। এই দক্ষতাকে শক্তিশালী করে তোলে।


৭। একাগ্রতা বৃদ্ধিঃ

আপনি কি খেয়াল করেছেন, ফেসবুকে একসময় আমরা দীর্ঘ বা বড় ভিডিও দেখতাম, কিন্তু সেখান থেকে আমরা ছোট্ট রিলসে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছি? আমরা সারাদিন ফেসবুক ব্যবহার করি, কিন্তু বেশিরভাগ মানুষই দিন শেষে বলতে পারবে না, আজকে ফেসবুকে কি কি বিষয় আমরা দেখেছে? শুনতে খারাপ লাগলেও এটাই সত্যি, প্রযুক্তি আমাদের অনেক কিছু দিয়েছে।

আর আমাদের কাছ থেকে কেঁড়ে নিয়ে গেছে একাগ্রতার মত গুন। যেকোনো কাজে একাগ্রতা অত্যাবশক একটি ব্যাপার। একাগ্রতা দিয়ে অনেক বড় বড় কাজ অতীতে হয়েছে। যা দিন দিন আমাদের থেকে হারিয়ে যাচ্ছে।

যখন আমরা বই পড়ি, তখন আমরা অন্যসব কিছু থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে রাখতে পারি, একাগ্রভাবে গল্পের বা বইয়ের মধ্যে ডুবে যেতে পারি। যা আমাদের একাগ্রতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে ব্যাপকভাবে।


৮। ভালো লেখার দক্ষতাঃ

পড়া এবং লেখা একে অপরের সাথে পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত। পড়ার মাধ্যমে আমাদের ভাষা ও শব্দের জ্ঞান বাড়ে আর এই জ্ঞান আমাদের লেখনীশক্তিকে বৃদ্ধি করে। এই জন্যই বলে, লেখক হতে গেলে আগে অনেক অনেক পড়তে হবে, এরপর লিখতে হবে।


৯। প্রশান্তিঃ

বর্তমান সময়ে বই পড়ার সবথেকে বড় উপকার যদি চিন্তা করেন, বই পড়ার কারণে আমরা যে মানসিক প্রশান্তি পাই, সেটাই অনেক বড়। বই পড়ার সময়ে আমরা হয়তো ডিজিটাল ডিভাইসের পিছনে সময় নষ্ট করতাম, সেটা না করে আমরা যে ভালো কিছু পড়েছি, কিছু শিখেছি, এই চিন্তা এই প্রশান্তির কি অমূল্য নয়?


১০। বিনোদনঃ

বই পড়ে উপরের সবগুলো উপকার তো আমরা পাচ্ছিই, পাশাপাশি এটা আমাদের একটা বিনোদনের মাধ্যম। সবথেকে সস্তা কিন্তু কার্যকরী মাধ্যম। একটি ভাল গল্প, প্রবন্ধ বা উপন্যাস আমাদের মনকে বিনোদিত করে আর এটা বিনোদনের সর্বোত্তম পথ। নির্মল ও শান্তিময় বিনোদন হলো - বই পড়া।


বিঃদ্রঃ অনূদিত।



শুক্রবার, ২৮ জুন, ২০২৪

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ২৮-০৬-২০২৪

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ২৮-০৬-২০২৪


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ উদ্বোধন,  বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নির্ভর জ্ঞানের মাধ্যমে শিশুদের গড়ে তোলার ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ।


যেকোন দেশে টেকসই গণতন্ত্র বাস্তবায়নে রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র চর্চার বিষয়ে মতৈক্যে উপনীত বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য।


সাপে কামড়ানো রোগীকে দ্রুত ডাক্তারের কাছে নেওয়া অপরিহার্য এবং রাসেল ভাইপারের এন্টিভেনম দেশের সব হাসপাতালে আছে - জানালেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী।


টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার — বলেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী।


বাংলাদেশ থেকে বছরে ২ হাজার ট্যাক্সি ও মোটর সাইকেল চালক নিয়োগ দেবে সংযুক্ত আরব আমিরাত — জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী।


হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির মৃত্যুর পর দেশটির চর্তুদশ প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আজ।


টি—টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে ভারত - আগামীকাল টুর্নামেন্টের ফাইনালে মুখোমুখি হবে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা।

সতর্কতাঃ কুয়াকাটাতে যারা ঘুরতে আসবেন ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সতর্কতাঃ কুয়াকাটাতে যারা ঘুরতে আসবেন, জোয়ারের সময়, মনের ভুলেও জিরো পয়েন্টের আশপাশে গোসল করতে নামবেন না বা গোসল করবেন না। বীচের পশ্চিম দিকটা গোসল দেওয়ার জন্য সবসময়ই নিরাপদ কারন পশ্চিম দিকটায় জিও ব্যাগ নাই।।সমুদ্র অতিরিক্ত ভাঙ্গন রক্ষা করার জন্য জিরো পয়েন্টে জিও ব্যাগ ব্যবহার করা হয়েছে। যা জোয়ার পানিতে তলিয়ে থাকে এবং গোসল করতে গেলে যেকোনো মুহূর্ত দূর্ঘটনা ঘটতে পারে।। কুয়াকাটার টুরিস্ট পুলিশ, প্রশাসনের উচিত  জোয়ারের সময় পর্যটকদের গোসল করতে নামতে না দেওয়া এবং বীচের পশ্চিম দিকে গোসল দিতে নির্দেশনা দেওয়া।। পোস্টটা শেয়ার করে সবাইকে সর্তকতা অবলম্বন করার সুযোগ করে দিন।।  পোস্ট টা শেয়ার করুন কারণ যাতে উপর মহলের চোখ আসে এবং পর্যটকদের সর্তক করা হয়।।

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন, ২০২৪

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ২৭-০৬-২০২৪

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ২৭-০৬-২০২৪


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


নিরাপত্তা দিতে গিয়ে যেন তাকে জনবিচ্ছিন্ন করে না ফেলা হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে দায়িত্ব পালন করতে এসএসএফ— এর সদস্যদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।


দুর্নীতির একাধিক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে জোর কূটনৈতিক তৎপরতা ও আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে — জাতীয় সংসদে জানালেন প্রধানমন্ত্রী।


দুর্নীতি দমন কমিশনের কোনো তদন্ত কাজে হস্তক্ষেপ করবে না সরকার — বললেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।


বাংলাদেশের স্বার্থ সংরক্ষণ করেই ভারতের সাথে নতুন সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর ও পুরনো সমঝোতা স্মারক নবায়ন করেছে সরকার — মন্তব্য পররাষ্ট্র মন্ত্রীর।


বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের ক্ষেত্রে জনগণের আস্থা তৈরি করবে — বললেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী। 


নিত্যপণ্য আমদানির জন্য ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে চুক্তি করছে সরকার — জানালেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী।


প্রাণঘাতী বিক্ষোভের পর কেনিয়ায় কর বৃদ্ধির বিতর্কিত অর্থবিল প্রত্যাহারের ঘেষণা দিলেন দেশটির প্রেসিডেন্ট।


আইসিসি টি—টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে এখন দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি আফগানিস্তান - আজ রাতে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ভারতের মোকাবেলা করবে ইংল্যান্ড।

বুধবার, ২৬ জুন, ২০২৪

গ্রীষ্মে জমজমাট ছিংতাও,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 গ্রীষ্মে জমজমাট ছিংতাও 


জুন ২৬, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: জমজমাট হয়ে উঠেছে চীনের পর্যটন শহর ছিংতাও। ইয়েলো সি বা পীত সাগরের তীরবর্তী শানতোং প্রদেশের এই শহরে সারা বছরই পর্যটকদের ভিড় থাকে।


গ্রীষ্মের এই ভরা মৌসুমে সমুদ্র তীরে ছুটি কাটাতে অন্যান্য সময়ের চেয়েও বেশি সংখ্যায় আসেন পর্যটকরা। ছিংতাও সৈকতের দৃশ্য এবং সমুদ্রস্নানের আকর্ষণে তারা এখানে আসেন। শহরটিতে মানমন্দির, পাহাড়, সৈকতে দীর্ঘ হাঁটা পথ, ইউরোপীয় এবং চীনা রীতির স্থাপত্যসহ দেখার মতো অনেক কিছুই রয়েছে।


এখানে চীনে অনুষ্ঠিত গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের  কয়েকটি জলক্রীড়ার ইভেন্ট হয়েছিল। 


এ বছর গ্রীষ্মে এখানে জমজমাট হয়ে উঠেছে পর্যটনশিল্প। 


শান্তা/শুভ 








কৌতুক অভিনেতা  দিলদার...,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 কৌতুক অভিনেতা  দিলদার...


এক কন্যা উচ্চপদস্হ কর্মকর্তা অপর কন্যা এমবিবিস ডাক্তার, দুজন কন্যার গর্বিত পিতা জনপ্রিয় অভিনেতা দিলদার (দিলদার হোসেন) ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দের ১৩ জানুয়ারী, চাঁদপুরে জেলার শাহতলী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।তিনি এসএসসি পাস করার পর, আর লেখা-পড়া করেননি। চাকরি করতেন হোটেল পূর্বাণীতে, এখানেই দেখা হয় আরেক গুণি অভিনেতা অমল বোস-এর সাথে, আর অমল বোসই তাকে নিয়ে আসেন চলচ্চিত্রে।


দিলদার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র, অমল বোস পরিচালিত কেন এমন হয় মুক্তিপায় ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দে। তিনি আরো যেসব ছবিতে অভিনয় করেন- দুস্য বনহুর, শাহজাদা, অংশীদার, টক্কর, গাঁয়ের ছেলে, ওমর শরীফ, কোরবানি, সোনার তরী, নবাবজাদী, সুখের সংসার, জনতা এক্সপ্রেস, নাগ নাগিনী, নাগপুর্নিমা, সি আই ডি, বিদ্রোহী, মহানায়ক, তাসের ঘর, অস্বীকার, লড়াকু, ওগো বিদেশিনী, যন্ত্রণা, ভেজাচোখ, বেদের মেয়ে জোসনা, আপন দুলাল, মৃত্যুর মুখে, বিক্ষোভ, অন্তরে অন্তরে, দাঙ্গা, পাগল মন, নয়ালায়লা নয়ামজনু, দোলনা, কন্যাদান, চাওয়া থেকে পাওয়া, সুন্দর আলী, জীবন সংসার, স্বপ্নের নায়ক, আনন্দ অশ্রু, শান্ত কেন মাস্তান, গাড়িয়াল ভাই, মনে পরে তোমাকে, বীর সৈনিক, কুখ্যাত খুনী, কুলি, ডন, অচিন দেশের রাজকুমার, প্রেম যমুনা, নীল সাগরের তীরে, বাঁশিওয়ালা, আব্দুল্লাহ, বীর পুরুষ, নিষ্ঠুর, দূর্জয়, স্বপ্নের পৃথিবী, এই ঘর এই সংসার, তেজী, প্রিয়জন, বিচার হবে, কালুগুন্ডা, শুধু তুমি, স্বপ্নের নায়ক, আনন্দ অশ্রু, শান্ত কেন মাস্তান, গুন্ডা নাম্বার ওয়ান, তুমি কি সেই, বিষেভরা নাগিন, নাচনেওয়ালী, খাইরুন সুন্দরী, প্রিয়জন, প্রাণের চেয়ে প্রিয়, তুমি শুধু আমারসহ অসংখ্য ছবিতে তিনি অভিনয় করেছেন। 


দিলদার শ্রেষ্ঠ কৌতুক অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন ২০০৩ খ্রিষ্টাব্দে, তুমি শুধু আমার ছবিতে অভিনয়ের জন্য।


বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের সেরা কৌতুক অভিনেতাদের অন্যতম একজন ছিলেন, দিলদার। নিখুত অভিনয়ের মাধ্যমে সিনেমা পর্দায় সবচেয়ে বেশি হাস্যরস ফুটিয়ে তোলায় পারদর্শি অভিনেতা ছিলেন তিনি। একসময়ে কৌতুক অভিনয়ে সবাইকে ছাড়িয়ে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে অবস্থান নেন তিনি। দর্শকদের অতিপ্রিয় অভিনেতা হিসেবে, বক্সঅফিসে নিজের চাহিদাকে স্টার পর্যায়ে উন্নিত করতে সক্ষম হন। হয়ে ওঠেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী কৌতুক অভিনেতা। এমন একসময় গেছে যে, কোনো কোনো ছবির স্ক্রিপ্ট শুধু তার জন্য আলাদা ভাবে লেখা হত। 

দর্শকদের চাহিদার কথা চিন্তা করে চিত্রপরিচালকরা বেশিরভাগ সিনেমায় চাইতেন, দিলদারকে। এমনও সময় গেছে  বছরে তাঁর ৪০/৪২ টি ছবি মুক্তি পেয়েছে। দর্শক জনপ্রিয়তা এতোটাই আকাশচুম্বী হয়ে ওঠেছিল যে, কিছু কিছু ছবি শুধুমাত্র তাঁর জন্যই ব্যবসায়ীকভাবে উৎরে যেত।


কৌতুক অভিনয়ে জনপ্রিয়তার সকল রেকর্ড ভঙ্গ করা দিলদারকে নায়ক করেই নির্মাণ করা হয়েছিল ‘আব্দুল্লাহ’ নামে একটি ছবি। তাঁর বিপরীতে নায়িকা ছিলেন নূতন। ছবির পরিচালক ছিলেন প্রয়াত তোজাম্মেল হক বকুল। ‘আব্দুল্লাহ’ ছবিটি যেমন জনপ্রিয়তা পায়, তেমনি  ব্যবসায়ীকভাবেও সফল হয়। 


ংলাশের সিনেমাপর্দা হাসির বন্যায় ভাসিয়ে, কৌতুক অভিনয়কে সমৃদ্ধ করেছেন যিনি। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রশিল্পে অনন্য অবদান রেখেগেছেন যিনি। সেই অসম্ভব জনপ্রিয় অভিনেতাকে/ আনন্দময় মানুষটিকে, অনন্ত অভিবাদন। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসে চিরঅম্লান, কিংবদন্তিতুল্য কৌতুক  অভিনেতা দিলদার।


_Ashraful Alom



বাসিরহাটের ঐতিহাসিক ধান্যকুড়িয়া গাইন প্যালেস।

 বাসিরহাটের ঐতিহাসিক ধান্যকুড়িয়া গাইন প্যালেস।

আজ থেকে প্রায় দুশো তিরিশ বছর আগের কথা। সুবিশাল এই রাজবাড়ি বানিয়েছিলেন ধান্যকুড়িয়ার জমিদার মহেন্দ্রনাথ গায়েন। সেসময় ফুলেফেঁপে উঠেছিল তাঁর পাটের ব্যবসা। মূলত ইংরেজদের সঙ্গেই চলত তাঁর লেনদেন। আর সেই সুবাদেই উত্তর ২৪ পরগণার এই প্রান্তিক অঞ্চলেও নিত্যদিন লেগে থাকত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সাহেবদের আনাগোনা। তাঁদের বিলিতি সংস্কৃতি, ঐতিহ্যকে উস্কে দিতেই ইউরোপীয় দুর্গের আদলে এই রাজবাড়ি নির্মাণ করেন মহেন্দ্রনাথ।


৩০ একর জায়গায় জুড়ে দাঁড়িয়ে থাকা এই রাজবাড়ির মধ্যেই রয়েছে আস্ত এক পুষ্করিণী, যাতে রাজবাড়ির প্রতিচ্ছবি ঝলমল করে সারাদিন। গোটা দুর্গটিকে কেন্দ্র করে রয়েছে বিশাল এক বাগানও। দুর্গের ভেতরে ঢুকলেও রীতিমতো চমকে যেতে হবে। নানা ধরনের ভিক্টোরিয়ান কারুকাজ থেকে শুরু করে রয়েছে ইতালিয় কাচের তৈরি আসবাব। যা এক কথায় মন্ত্রমুগ্ধকর। গ্রীষ্মকালে এই রাজবাড়িতে এসে অনেক সময়ই ছুটি কাটাতেন ব্রিটিশ সাহেবরা। তাঁদের জন্য ছিল পৃথক নহবতখানা, অতিথিশালা। এমনকি সেসময় এই রাজবাড়ির জন্য পৃথক রেল স্টেশনও তৈরি করেছিল মার্টিন কোম্পানি।


গায়েন গার্ডেন নামের সেই স্টেশনে এসে থামত ন্যারো গেজের ছোট্ট বাষ্পচালিত ট্রেন। বর্তমানে অবশ্য সেই স্টেশনের অস্তিত্ব নেই আর। ২০০৮ সালে তা অধিগ্রহণ করে সরকার। গড়ে ওঠে অনাথ মেয়েদের সরকারি হোম। তবে মূল বাড়িটির কিছু অংশের পুনর্নির্মাণ হলেও, সামগ্রিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ধুঁকছে এই ঐতিহাসিক স্থাপত্যটি। বাড়ির সামনে অবস্থিত শ্বেত পাথরের দুটি সিংহ মূর্তির একটি চুরি গিয়েছিল বহু আগেই। কয়েক বছর আগে আরেকটি সিংহও চড়া দামে বিক্রি করে দেন মহেন্দ্রনাথের উত্তরসূরিরা। তবে শুধু ঔপনিবেশিক ইতিহাসই নয়, এই বাড়িতে শুটিং হয়েছে ‘সত্যান্বেষী’, ‘সাহেব-বিবি-গোলাম’, ‘সূর্যতপা’-সহ একাধিক জনপ্রিয় চলচ্চিত্রেরও। অভিনয় করে গেছেন স্বয়ং উত্তমকুমার। এমনকি বিদেশি বিভিন্ন চলচ্চিত্রেরও শুট হয়েছে এই দুর্গেই।


শিয়ালদহ /বারাসাত থেকে বসিরহাট লোকাল ধরে এক দিনেই ঘুরে আসা যায় এই প্রাচীন ঐতিহাসিক নিদর্শন। হাতে যদি একটু বেশি সময় থাকে তবে ইছামতী নদীর তীরের সাজানো শহর টাকি ও ভ্রমন তালিকায় রাখতে পারেন। তাহলে আর দেরি কিসের ঘুরে দেখুন ধান্যকুরি গায়েন রাজ বাড়ি। অনুভব করুন প্রাচীন বাংলার সমৃদ্ধ নগরী বসিরহাট।



নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...