এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৪

সবাইকে সুকুমার রায়ের এই গল্পটি পড়ার জন্য অনুরোধ করছি।

 সবাইকে সুকুমার রায়ের এই গল্পটি পড়ার জন্য অনুরোধ করছি।

------------------------------


গরিব চাষা, তার নামে মহাজন নালিশ করেছে। বেচারা কবে তার কাছে পঁচিশ টাকা নিয়েছিল, সুদে-আসলে তাই এখন পাঁচশো টাকায় দাঁড়িয়েছে। চাষা অনেক কষ্টে একশো টাকা যোগাড় করেছে; কিন্তু মহাজন বলছে, “পাঁচশো টাকার এক পয়সাও কম নয়; দিতে না পার তো জেলে যাও।” সুতরাং চাষার আর র'ক্ষা নাই।


এমন সময় শামলা মাথায় চশমা চোখে তোখোড়-বুদ্ধি উকিল এসে বলল, “ঐ একশো টাকা আমায় দিলে, তোমার বাঁচবার উপায় করতে পারি।” চাষা তার হাতে ধরল, পায়ে ধরল, বলল, “আমায় বাঁচিয়ে দিন।” উকিল বলল, “তবে শোন, আমার ফন্দি বলি। যখন আদালতের কাঠগড়ায় গিয়ে দাঁড়াবে, তখন বাপু হে কথা-টথা কয়ো না। যে যা খুসি বলুক, গাল দিক আর প্রশ্ন করুক, তুমি তার জাবাবটি দেবে না— খালি পাঁঠার মতো ‘ব্যা—’ করবে। তা যদি করতে পার, তা হ’লে আমি তোমায় খালাস করিয়ে দেব।” চাষা বলল, “আপনি কর্তা যা বলেন, তাতেই আমই রাজী।”


আদালতে মহাজনের মস্ত উকিল, চাষাকে এক ধমক দিয়ে জিজ্ঞাসা করল, “তুমি সাত বছর আগে পঁচিশ টাকা কর্জ নিয়েছিলে?” চাষা তার মুখের দিকে চেয়ে বলল, “ব্যা—”। উকিল বলল, “খবরদার!— বল, নিয়েছিলি কি না।” চাষা বলল, “ব্যা—”। উকিল বলল, “হুজুর! আসামীর বেয়াদবি দেখুন।” হাকিম রেগে বললেন, “ফের যদি অমনি করিস, তোকে আমিই ফাটক দেব।” চাষা অত্যন্ত ভয়ে পেয়ে কাঁদ কাঁদ হ’য়ে বলল, “ব্যা— ব্যা—”। হাকিম বললেন, “লোকটা কি পাগল নাকি?”


তখন চাষার উকিল উঠে বলল, “হুজুর, ও কি আজকের পাগল— ও বহুকালের পাগল, জন্মে অবধি পাগল। ওর কি কোনো বুদ্ধি আছে, না কাণ্ডজ্ঞান আছে? ও আবার কর্জ নেবে কি! ও কি কখনও খত লিখতে পারে নাকই? আর পাগলের খত লিখলেই বা কি? দেখুন দেখই, এই হতভাগা মহাজনটার কাণ্ড দেখুন তো! ইচ্ছে ক’রে জেনে শুনে পাগলটাকে ঠকিয়ে নেবার মতলব করেছে। আরে, ওর কি মাথার ঠিক আছে? এরা বলেছে, ‘এইখানে একটা আঙ্গুলের টিপ দে’— পাগল কি জানে, সে অমনি টিপ দিয়েছে। এই তো ব্যাপার!”


দুই উকিলে ঝ'গড়া বেধে গেল। হাকিম খানিক শুনে-টুনে বললেন, “মোকদ্দমা ডিস্‌মিস্‌।” মহাজনের তো চক্ষুস্থির। সে আদালতের বাইরে এসে চাষাকে বলল, “আচ্ছা, না হয় তোর চারশো টাকা ছেড়েই দিলাম — ঐ একশো টাকাই দে।” চাষা বলল, “ব্যা—!” মহাজন যতই বলে, যতই বোঝায়, চাষা তার পাঁঠার বুলি কিছুতেই ছাড়ে না। মহাজন রেগে-মেগে ব’লে গেল, “দেখে নেব, আমার টাকা তুই কেমন ক’রে হজম করিস।”


চাষা তার পোঁটলা নিয়ে গ্রামে ফিরতে চলেছে, এমন সময় তার উকিল এসে ধরল, “যাচ্ছ কোথায় বাপু? আমার পাওনাটা আগে চুকিয়ে যাও। একশো টাকায় রফা হয়েছিল, এখন মোকদ্দমা তো জিতিয়ে দিলাম।” চাষা অবাক হ’য়ে তার মুখের দিলে তাকিয়ে বলল, “ব্যা—।” উকিল বলল, “বাপু হে, ও-সব চালাকি খাটবে না— টাকাটি এখন বের কর।” চাষা বোকার মতো মুখ ক’রে আবার বলল, “ব্যা—।” উকিল তাকে নরম গরম অনেক কথাই শোনাল, কিন্তু চাষার মুখে কেবলই ঐ এক জবাব! তখন উকিল বলল, “হতভাগা গোমুখ্যু পাড়াগেঁয়ে ভূ'ত—তোর পেটে অ্যাতো শ'য়তানি কে জানে! আগে যদি জানতাম তা হ’লে পোঁটলাসুদ্ধ টাকাগুলো আটকে রাখতাম।” বুদ্ধিমান উকিলের আর দক্ষিণা পাওয়া হল না।

দাড়ি বিলাপ ____ কাজী নজরুল ইসলাম,,,,

 দাড়ি বিলাপ

____ কাজী নজরুল ইসলাম ❤️❤️

  

    − আজিও তেমনই করি

আষাঢ়ের মেঘ ঘনায়ে এসেছে

    ভারত-ভাগ্য ভরি।

আকাশ ভাঙিয়া তেমনই বাদল

    ঝরে সারা দিনমান,

দিন না ফুরাতে দিনের সূর্য

    মেঘে হল অবসান!

আকাশে খুঁজিছে বিজলি প্রদীপ,

    খোঁজে চিতা নদী-কূলে,

কার বয়নের মণি হরায়েছে

    হেথা অঞ্চল খুলে।

বজ্রে বজ্রে হাহাকার ওঠে,

    খেয়ে বিদ্যুৎ-কশা

স্বর্গে ছুটেছে সিন্ধু –

    ঐরাবত দীর্ঘশ্বসা।

ধরায় যে ছিল দেবতা, তাহারে

    স্বর্গ করেছে চুরি;

অভিযানে চলে ধরণির সেনা,

    অশনিতে বাজে তূরী।

ধরণির শ্বাস ধূমায়িত হল

    পুঞ্জিত কালো মেঘে,

চিতাচুল্লিতে শোকের পাবক

    নিভে না বাতাস লেগে।

শ্মশানের চিতা যদি নেভে, তবু

    জ্বলে স্মরণের চিতা,

এ-পারের প্রাণ-স্নেহরসে হল

    ও-পার দীপান্বিতা।

  

    − হতভাগ্যের জাতি,

উৎসব নাই, শ্রাদ্ধ করিয়া

    কাটাই দিবস রাতি!

কেবলই বাদল, চোখের বরষা,

    যদি বা বাদল থামে –

ওঠে না সূর্য আকাশে ভুলিয়া

    রামধনুও না নামে!

ত্রিশ জনে করে প্রায়শ্চিত্ত

    ত্রিশ কোটির সে পাপ,

স্বর্গ হইতে বর আনি, আসে

    রসাতল হতে শাপ!

হে দেশবন্ধু, হয়তো স্বর্গে

    দেবেন্দ্র হয়ে তুমি

জানি না কী চোখে দেখিছ

    পাপের ভীরুর ভারতভূমি!

মোদের ভাগ্যে ভাস্কর-সম

    উঠেছিলে তুমি তবু,

বাহির আঁধার ঘুচালে,

    ঘুচিল মনের তম কি কভু?

সূর্য-আলোকে মনের আঁধার

    ঘোচে না, অশনি-ঘাতে

ঘুচাও ঘুচাও জাতের লজ্জা

    মরণ-চরণ-পাতে!

অমৃতে বাঁচাতে পারনি এ দেশ,

    ওগো মৃত্যুঞ্জয়,

স্বর্গ হইতে পাঠাও এবার

    মৃত্যুর বরাভয়!

ক্ষূণ শ্রদ্ধার শ্রাদ্ধ-বাসরে

    কী মন্ত্র উচ্চারি

তোমারে তুষিব, আমরা তো নহি

    শ্রাদ্ধের অধিকারী!

শ্রদ্ধা দানিবে শ্রাদ্ধ করিবে

    বীর অনাগত তারা

স্বাধীন দেশের প্রভাত-সূর্যে

    বন্দিবে তোমা যারা!


আসুন একটু হেসে নিই ।,,,,বন্ধু ডট কম ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আসুন একটু হেসে নিই ।  😁😁😁😁


বাসে গাদাগাদি ভিড়। এক ভদ্রলোক একটি দামী স্যুটকেস নিয়ে উঠলেন। অধ্যাপক টাইপ চেহারা।


প্রশ্ন করলেন-"আচ্ছা, পলাশীর যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের কারণ কী?"


সকলেই চুপ করে শুনতে থাকলেন তার কথা। কেউ কোনও কথা বলছেন না দেখে তিনি আবার শুরু করলেন -


"পলাশীর প্রান্তরে সেদিন নবাব সিরাজউদ্দৌলার সৈন্য ছিল অনেক। লর্ড ক্লাইভের সৈন্য অল্পসংখ্যক থাকা সত্ত্বেও নবাব পরাজিত হয়েছিলেন। আপনারা বলবেন যে জগৎ শেঠ, মীর জাফরদের গাদ্দারির কারণে নবাব পরাজিত হয়েছিলেন। কিন্তু এই ইতিহাস সবটাই সত্য নয়। সত্য ইতিহাস জানতে হবে।"


একজন কৌতূহলী যাত্রী জানতে চাইলেন -- "তবে সত্য ইতিহাসটা কী?"


"সত্য ইতিহাস আজ আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই। ক্লাইভ দূরবীন দিয়ে নবাবের সৈন্যদের গতিবিধি লক্ষ্য করলেন। পলাশীর আম বাগান তখন শূন্য। মীর জাফর তার আয়ত্ত্বাধীন সৈন্য নিয়ে কেটে পড়েছে। ক্লাইভ তো অবাক। নবাবের সৈন্যরা তবে গেল কোথায়? নিশ্চয়ই কোনও চাল চেলেছে।


হঠাৎ নজর পড়ল আমগাছের দিকে। একটি ডাল নড়ে উঠল। ক্লাইভ এবার দেখল যে, নবাবের সৈন্যরা আম গাছের ডালে ডালে বসে আছে। নিচ দিয়ে যেতে গেলেই তারা গেরিলা আক্রমণ করবে বলে প্রস্তুত।


ক্লাইভ কাছাকাছি না গিয়ে দূর থেকে কামান আর বন্দুক তাক করল। ফলন্ত গাছ থেকে আমের সাথে সাথে টুপটুপ করে ঝরে পড়তে লাগল নবাবের সৈন্য। আহ্!"


ভদ্রলোকের বলার ভঙ্গিতে যাদু ছিল। সকলেই মন দিয়ে শুনছিলেন তার কথা। তিনি আবার বলে উঠলেন-


"নবাবের সৈন্যরা সকলেই ইংরেজদের হাতে মারা পড়লেন। কিন্তু আমার প্রশ্ন আপনাদের কাছে। আম গাছের ডাল সেদিন নড়ে উঠল কেন? কী ছিল ষড়যন্ত্র?"


যাত্রীদের সকলের মনে প্রশ্ন জেগে উঠল। তাই তো, আম গাছের ডাল নড়ে উঠল কেন? গাছের ডাল না নড়লে তো ক্লাইভের নজরে আসত না সৈন্যদের অবস্থান!


ভদ্রলোক বললেন, "কেন নড়ে উঠেছিল গাছের ডাল? কে বলতে পারবেন?"


যথারীতি সকলেই চুপ করে থাকলেন। ভাবগতিক এমন যে, "আমরা জানি না, আপনিই বরং বলে দিন।"


তিনি তখন স্যুটকেস খুললেন। একটি জিনিস বের করে সকলকে দেখিয়ে বললেন -


"ডাল নড়ে ওঠার কারণ ছিল- চুলকানি, দাউদ, চর্মরোগ। বড় মারাত্মক এই রোগ, বুঝলেন? নবাবের এক সৈন্যের ছিল চুলকানি। এই চুলকানির জন্যই সেদিন ডাল নড়ে উঠেছিল। ডাল না নড়লে ক্লাইভ নিশ্চিহ্ন হয়ে যেত।


*** আর তাই আমি এনেছি চুলকানির মলম। দাম মাত্র ত্রিশ টাকা!!

☺️😃😃

Collected

ফেইসবুক গল্প,,,, বন্ধু তট কম ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 এক ভদ্রলোক একদিন গঙ্গার ধারে বসে আছেন এমন সময় দেখেন তার বাড়ির অনেক দিন কাজ করা চাকর সাদা জামা ,  সাদা ধুতী আর মাথায় একটা সাদা টুপি পরে যাচ্ছে পাশ দিয়ে। ওঁর দিকে তাকিয়ে হেসে চলে যাবার সময়েই হঠাৎ সেই ভদ্রলোকের মনে পড়লো যে ওই চাকর তো বেশ কিছুদিন আগেই মারা গেছে। ডাকলেন ওকে। বললেন - কি রে ,  তুই তো বেশ কিছুদিন হল মারা গেছিস! আমি কি ঠিক দেখছি ? চাকরটি বললো - ঠিকই দেখছেন বাবু , আমি এখন যমদুত। ওই যে লোকটি গঙ্গাস্নান করছে এক্ষুনি ডুবে যাবে ও।  ওকেই নিতে এসেছি আমি। ভদ্রলোক বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করলেন-  যমদুতের এমন পোষাক কেন ?ইয়ার্কি মারছিস!!  লোকটি উত্তর দিল - না ,  আসল যমদুতেরা এমনই পোষাক পরে।


ভদ্রোলোক বললেন - তুই তো আমার নুন খেয়েছিস অনেক দিন। আমার একটা উপকার করবি। চাকরটি বললো- বলুন।  উনি বললেন - আমায় নিতে আসার কিছুদিন আগে আমায় বলে যাবি। বেশ কিছু কাজ বাকী আছে আমার,  তাহলে সেগুলো করে নিতে পারি।  চাকরটি হেসে বললো - ঠিক আছে। কিছুক্ষনের মধ্যেই গঙ্গাস্নান করতে নামা সেই লোকটি জলে ডুবে মারা গেল এবং সেই চাকর তাকে নিয়ে চলেও গেল।


তারপর দিন কাটে , বছর কাটে। গিন্নী বলেন এই কর , ওই কর। ভদ্রলোক বলেন এত তাড়া কিসের। দেখো সব কাজ সেরেই তবে যাব।


একদিন রাত্রে ভদ্রলোকের মাঝরাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে যায়। দেখেন মাথার কাছে সাদা জামা , ধুতি , মাথায় সাদা টুপি পরে সেই চাকর দাঁড়িয়ে আছে। হাসি মুখে। ভদ্রলোক তাকে জিজ্ঞেস করলেন - কি রে। কবে আসবি নিতে ? বাকী কাজগুলো তাহলে শেষ করি এবার। চাকরটি তাকে হেসে উত্তর দেয় - আপনাকে নিতেই এসেছি বাবু। চলুন।


ভদ্রলোক বেজায় রেগে গিয়ে বলেন- ব্যাটা নেমকহারাম। তোকে না বলেছিলাম আগে আমায় বলবি। চাকরটি বলে - আমরা তো নিজে আসতে পারি না বাবু , নিয়ম নেই। কিন্তু আমরা নোটিশ পাঠাই। আপনি আগে যত খেতে পারতেন,  এখন তা পারেন ?  আগে যত স্পস্ট দেখতে পেতেন ,  এখন পান ? কত রকমের ওষুধ খান আপনি!!  লাঠি নিয়ে হাঁটেন!! একটুতেই হাঁফিয়ে পড়েন। 

এ গুলি সবই নোটিশ বাবু। আমরা পাঠাই। আপনারা সেই  নোটিশ পড়েন না আর দোষ দেন আমাদের।


এখন চলুন,,,,,।


*পরম শ্রদ্ধেয় ও প্রিয় কথা সাহিত্যিক বিমল করের একটি ছোট গল্প " নোটিশ "




শনিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৪

বাঙালি চেনার ২০ টি সাধারণ পদ্ধতিঃ-,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 বাঙালি চেনার ২০ টি সাধারণ পদ্ধতিঃ-


০১. চা খাবে টোস্ট, বিস্কুট ডুবিয়ে।


০২. বেডের তলায় সারিসারি পুরনো পেপার ঢুকিয়ে রাখবে।


০৩. টয়লেটের ফ্লোরে পেশাব করে দেবে।


০৪. স্ত্রী ঘুমাবে দেয়ালের দিকটায় ঘেঁষে।


০৫. ঝাড়ু থাকবে দরজার পেছনে।


০৬. একজন ধনী হয়ে উঠলে, অন্যরা বলবে- নিশ্চয়ই সুদ/ঘুস/চুরির টাকা।


০৭. কেউ বুড়ো হতেই, অন্যরা অবাক হবে─ এখনো বাঁইচা আছে!


০৮. গোসল করলে, একে-একে জিজ্ঞেস করতে থাকবে─ কোথাও যাচ্ছ নাকি?


০৯. অতিথিদের জন্য থালাবাটি, কাপ, চামচ আলাদা করে তুলে রাখবে।


১০. মাংসের টুকরা গুনে রাখবে।


১১. এদের স্বাভাবিক মৃত্যু নেই, সব মৃত্যুতেই কারণ খুঁজবে, কারণ না-পেলে সমস্বরে বলবে─ সব আল্লার ইচ্ছা।


১২. এটিএম থেকে টাকা তুলে আবারও গুনবে, কারও উপরেই বিশ্বাস নেই।


১৩. কেউ সুন্দর মেয়ে বিয়ে করলেই, অন্যরা কানাঘুষা করবে─ চইদ্দ লম্বর মাইয়া। বাঙালি আজন্ম পরশ্রীকাতর।


১৪. মাছ, মাংসের বিশেষ কিছু অংশ স্বামীর জন্য আলাদা করে রাখবে, যেমন─ মাছের মাথা, মুরগির রান।


১৫. কাদায় হাঁটার সময় জুতো খুলে হাতে ঝোলাবে, তারপরও এঁকেবেঁকে চলবে যেন জুতোয় কাদা না-লাগে।


১৬. ঈদে,পূজায় নতুন কাপড় কিনবে, তারপর সারাবছর আফসোস করবে─ টাকাপয়সা নাই।


১৭. মাইক্রোফোন হাতে পেলে পয়লা একটা বিকট ফুঁ দিয়ে দেবে, তারপর আঙুল দিয়ে ঠুস করে একটা টোকা মারবে, ঠিক আছে কিনা পরীক্ষা-নিরীক্ষা। যদিও, যার হাত থেকে মাইক্রোফোনটি পেয়েছে, সে এতোক্ষণ ঠিকই কথা বলছিল ওটা দিয়ে।


১৮. অতিথি আসার সম্ভাবনা থাকলে পুরো ঘরবাড়ি, উঠান, এমনকি ছাদও, ঝাড়ু দিয়ে দিবে।


১৯. ওয়ান-ওয়ে রাস্তা পার হওয়ার সময়ও ডানে আর বামে চোখ ঘুরিয়েফিরিয়ে তাকাবে।


২০. পান করা শেষে খালি বোতলটি সযত্নে রেখে দিবে, ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য।


১টি বোনাস: বাসের মধ্যে কোনো বিদেশীর পাশে বসতে পারলে, না-নামা পর্যন্ত গর্বে বুকটা ঢোলের মতো ফুলিয়ে রাখবে।


সংগৃহীত 

বিষয়টি ভালো লেগেছে তাই পোস্ট করলাৃ


আবেগ আর বিবেকের টানাপোড়েনের নামই জীবন।,,,,,

 আবেগ আর বিবেকের টানাপোড়েনের নামই জীবন। 

এই ছবিতে আপনি যা দেখতে পাচ্ছেন,,,,,,

সেটি বলে দেবে আপনার কি আবেগ কাজ করে নাকি বিবেক।


সামাজিক মাধ্যমে আরব আমিরাতের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ও বিজনেস সাইকোলজির গবেষক ড. আশমিজা মাহামেদ ইসমাঈলের কিছু পার্সোনালিটি টেস্ট খুব সাড়া জাগিয়েছে। 

তিনি অত্যন্ত সহজ ও সুন্দর ভাষায় ছবিতে আমরা প্রথম নজরেই যা দেখতে পাই, তার ওপর ভিত্তি করে মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে এর ব্যাখা দেন। 

আর এ থেকেই ধারণা করা যায়, আমাদের কার মাঝে কেমন মানবিক গুণাবলী ও বৈশিষ্ট্য থাকে। এবারের ছবিটিতে দুটি ভিন্ন ধরনের জিনিস দেখা যেতে পারে প্রথমেই চোখ বুলালে। সে অনুযায়ী চলুন দেখে নিন আপনার আবেগ বেশি কাজ করে নাকি বিবেক। 

ড. আশমিজার থিওরি অনুযায়ী এর ব্যাখ্যাও দেওয়া হলো ছবির সঙ্গে।  


#খরগোশ

আপনি খরগোশের মতোই অস্থির স্বভাবের। আপনি সবকিছু খুব দ্রুত ও সঠিক সময়ে করতে পছন্দ করেন। আর সেজন্য আপনি মনের কথা শুনেই চলতে পছন্দ করেন।

অনেক সময় আবেগের বশবর্তী হয়ে হয়তো সঠিক কাজটি করা হয় না। তবুও বিবেক খাটিয়ে কালক্ষেপণ না করে আবেগের দেখানো পথেই চলেন আপনি। আর এটাই আপনার বিশেষত্ব, যা সবাইকে টানে।


#হাঁস

হাঁসের মতোই দুলকি চালে চলে আপনার জীবন। কোনো কিছু করার আগে বা কোনো ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দেওয়ার আগে আপনি বেশ ভাবনা-চিন্তা করেন। সব বিষয়ে আপনি বিচার-বিশ্লেষণ করেন। আচমকা কোনো কিছু করা আপনার কাজ নয়। 

অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিতে পছন্দ করেন আপনি। আর তার ছাপ আপনার জীবনের সিদ্ধান্তগুলোতে দেখা যায়। বলা যায়, আবেগ নয় আপনি বিবেকের কথা শুনে চলেন।


ইভেন্টের নামঃ ধুমধাড়াক্কা কুয়াকাটা,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ইভেন্টের নামঃ ধুমধাড়াক্কা কুয়াকাটা












































যারা ভাবছেন কুয়াকাটা কিছু নাই, শুধু তাদের জন্য এই অফার। ইভেন্ট ফ্রি মাত্র ৯৯৯ টাকা। এর ভিতরে আপনি যা পাবেন, তা কল্পনার বাইরে। দুপুরের খাবার এবং সমুদ্র পথে কুয়াকাটা ভ্রমণ।

কুয়াকাটা টপ ১০ টা দর্শনীয় স্থান ভ্রমণ করতে পারবেন। এর ভিতরে ২ টা জায়গা, যা সহজে মানুষ ভ্রমণ করতে পারে না। সুতরাং আপনাদের জন্য নিয়ে আসছি দারুণ সুযোগ।। এটা একমাত্র কুয়াকাটা ট্যূর লাইনের মাধ্যমে সম্ভব।।

ট্যূরের মূল আকর্ষনঃ চরবিজয়, সুন্দরবনের অংশ সহ কুয়াকাটার অন্য অন্য দর্শনীয় ভ্রমণ গুলো সমুদ্র পথে ভ্রমণ  করা। 

১ঃ চরবিজয় 

২ঃ সুন্দরবনের পূর্বাংশ 

৩ঃ তিন নদীর মোহনা

৪ঃ লাল কাকড়াচর

৫ঃ ঝাউবন

৬ঃ লেবুরবন 

৭ঃ শুটকি পল্লী 

৮ঃ কুয়াকাটা শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধ মন্দির 

৯ঃ শত বছরের বড় নৌকা 

১০ঃ গংগমতি ম^^রা গাছ

১১ঃ গংগমতি ফরেস্ট 

১২ঃ সান রাইজ পয়েন্ট 

১৩ঃ কাউয়ারচর 


কিছু জায়গা খুব পাশাপাশি এবং কিছু জায়গা অনেক দুরত্ব। উপরের জায়গা গুলো ভ্রমণ করলে মোটামুটি কুয়াকাটা ভ্রমণ করা শেষ। ছবি সহ বিস্তারিত জায়গা গুলো দিয়ে দিচ্ছি।।


পুরোটা ট্যূর আমরা সমুদ্র পথে ভ্রমণ করবো।। আমাদের সাথে থাকবেন ওয়াটার ক্রুজ ২।।


ট্যূর প্ল্যানঃ শুক্রবার সকাল ১০ টায় কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট থেকে ওয়াটার ক্রুজ সুন্দর বনের উদ্দেশ্য ছাড়া হবে  এবং সর্বশেষ চরবিজয় থেকে সূর্যাস্ত  দেখে কুয়াকাটা ব্যাক করা হবে। চর বিজয় থেকে সূর্যাস্ত দেখার কারণ চারপাশে দ্বীপ এবং সমুদ্র, সাথে জেলেদের মাছ ধরার দৃশ্য  মানে সারাদিন আমরা সমুদ্র ভ্রমণ করবো এবং ধাপে ধাপে প্রতিটা দর্শনীয় স্থান  ভ্রমণ করবো। দুপুরে সামুদ্রিক তাজা মাছ দিয়ে খাবারের ব্যবস্থা থাকবে। 

খাবারের মেনুঃ সামুদ্রিক পোয়া মাছ, বাইলা বা রুপচাঁদা। সাথে সামুদ্রিক লাল চিংড়ি, ডাল ভাত, সবজি এগুলো তো আছেই। 


এখন আসি সমুদ্র পথে ভ্রমণ করার কারন সমুদ্র পথে আমরা হাজার হাজার অতিথি পাখি এবং জেলেদের মাছ আহরণ করার বাস্তব দৃশ্য দেখতে পারবো। কুয়াকাটা এসে সবাই স্থলভাগে ভ্রমণ করে কিন্তু কেউ সমুদ্র পথে ভ্রমণ করে না।।


 আমরাই আপনাদের নিয়ে সমুদ্র পথে ভ্রমণ করবো।।  দিনশেষে Kuakata tour line Kuakata  সেরা বিশ্বাস না হলে আমার পেইজ ভিজিট করে আসুন


 এবং নিয়মিত কুয়াকাটার হোটেল বুকিং এর ডিসকাউন্ট পেতে এবং ভ্রমণের বিভিন্ন ধরনের প্যাকেজ পেতে পেইজ ফলো দিয়ে রাখুন। পেইজঃ কুয়াকাটা হোটেল বুকিং বা কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত 


ভ্রমণে ১০০% নিরাপত্তা পাবেন, সুন্দর ভাবে ভ্রমণ করতে পারবেন। সিঙ্গেল আপুরাও আমাদের সঙ্গে অংশগ্রহণ করতে পারবেন কারণ আমাদের সঙ্গে থাকবেন অভিজ্ঞ ফিমেল গাইড। 


এখন পর্যন্ত যারা কুয়াকাটা সমুদ্র পথে ভ্রমণ করছেন, তারা কমেন্ট করে জানাবেন আমাদের জার্নি টা কেমন হবে??  আর সমুদ্র পথে ভ্রমণ না করে থাকলেও কমেন্ট করে জানাবেন। 


পোস্ট টা শেয়ার করে সবাইকে আমাদের ইভেন্টে অংশ গ্রহণ করার সুযোগ করে দিন।


বিঃদ্রঃ পুরো পোস্ট টা মন দিয়ে পড়ুন, যারা অংশগ্রহণ করতে চান শুধু তারাই কমেন্টে দেওয়া মেসেঞ্জার গ্রুপে জয়েন করে নিন।।



উচ্চ-রেজোলিউশন, কমপ্যাক্ট অপটিক্যাল সিস্টেমের জন্য ফুল-কালার ইমেজিংয়ের জন্য মেটালেন্সগুলি এআই ব্যবহার করে***

 # ***উচ্চ-রেজোলিউশন, কমপ্যাক্ট অপটিক্যাল সিস্টেমের জন্য ফুল-কালার ইমেজিংয়ের জন্য মেটালেন্সগুলি এআই ব্যবহার করে***


স্মার্টফোন, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (ভিআর) এবং অগমেন্টেড রিয়েলিটি (এআর) ডিভাইসে ব্যবহৃত আধুনিক ইমেজিং সিস্টেমগুলি ক্রমাগত আরও কমপ্যাক্ট, দক্ষ এবং উচ্চ-কার্যক্ষমতা সম্পন্ন হওয়ার জন্য বিকশিত হচ্ছে। ঐতিহ্যগত অপটিক্যাল সিস্টেমগুলি ভারী কাচের লেন্সগুলির উপর নির্ভর করে, যার সীমাবদ্ধতা রয়েছে যেমন বর্ণময় বিকৃতি, একাধিক তরঙ্গদৈর্ঘ্যে কম দক্ষতা এবং বড় শারীরিক আকার। এই ত্রুটিগুলি ছোট, হালকা সিস্টেমগুলি ডিজাইন করার সময় চ্যালেঞ্জগুলি উপস্থাপন করে যা এখনও উচ্চ-মানের চিত্র তৈরি করে।


এই সমস্যাগুলি কাটিয়ে ওঠার জন্য, গবেষকরা ধাতব পদার্থ তৈরি করেছেন - ক্ষুদ্র ন্যানোস্ট্রাকচারের সমন্বয়ে গঠিত অতি-পাতলা লেন্স যা ন্যানোস্কেলে আলোকে ম্যানিপুলেট করতে পারে। মেটালেন্সগুলি অপটিক্যাল সিস্টেমগুলিকে ছোট করার জন্য অসাধারণ সম্ভাবনার অফার করে , কিন্তু সেগুলি তাদের নিজস্ব চ্যালেঞ্জ ছাড়া নয়, বিশেষ করে যখন এটি বিকৃতি ছাড়াই পূর্ণ-রঙের চিত্রগুলি ক্যাপচার করার ক্ষেত্রে আসে।


অ্যাডভান্সড ফটোনিক্স- এ প্রকাশিত একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় , গবেষকরা একটি উদ্ভাবনী, গভীর-শিক্ষা-চালিত, এন্ড-টু-এন্ড মেটালেন ইমেজিং সিস্টেম চালু করেছেন যা এই সীমাবদ্ধতাগুলির অনেকগুলিকে অতিক্রম করে। এই সিস্টেমটি গভীর শিক্ষার দ্বারা চালিত একটি বিশেষ চিত্র পুনরুদ্ধার কাঠামোর সাথে একটি ভর-উত্পাদিত ধাতব পদার্থ যুক্ত করে।


কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এর সাথে উন্নত অপটিক্যাল হার্ডওয়্যারকে একত্রিত করে, দলটি উচ্চ-রেজোলিউশন, বিভ্রান্তি-মুক্ত, পূর্ণ-রঙের ছবিগুলি অর্জন করেছে, সমস্ত কিছু কমপ্যাক্ট ফর্ম ফ্যাক্টর বজায় রেখে যা মেটালেন্সের প্রতিশ্রুতি দেয়।


মেটালেনগুলি নিজেই ন্যানোইমপ্রিন্ট লিথোগ্রাফি ব্যবহার করে তৈরি করা হয় , এটি একটি মাপযোগ্য এবং ব্যয়-কার্যকর পদ্ধতি, যার পরে পারমাণবিক স্তর জমা করা হয়, যা এই লেন্সগুলির বড় আকারের উত্পাদনের অনুমতি দেয়। মেটালেনগুলি আলোকে দক্ষতার সাথে ফোকাস করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে কিন্তু, বেশিরভাগ ধাতব পদার্থের মতো, বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলোর সাথে মিথস্ক্রিয়া করার কারণে বর্ণবিকৃতি এবং অন্যান্য বিকৃতির শিকার হয়।


এটি মোকাবেলা করার জন্য, গভীর শিক্ষার মডেলটিকে ধাতব পদার্থের দ্বারা সৃষ্ট রঙের বিকৃতি এবং অস্পষ্টতা সনাক্ত করতে এবং সংশোধন করতে প্রশিক্ষিত করা হয়। এই পদ্ধতিটি অনন্য কারণ এটি চিত্রগুলির একটি বৃহৎ ডেটাসেট থেকে শেখে এবং সিস্টেম দ্বারা ধারণ করা ভবিষ্যতের চিত্রগুলিতে এই সংশোধনগুলি প্রয়োগ করে৷


ইমেজ রিস্টোরেশন ফ্রেমওয়ার্ক অ্যাডভারসারিয়াল লার্নিং ব্যবহার করে, যেখানে দুটি নিউরাল নেটওয়ার্ক একসাথে প্রশিক্ষিত হয়। একটি নেটওয়ার্ক সংশোধন করা ছবি তৈরি করে, এবং অন্যটি তাদের গুণমানের মূল্যায়ন করে, সিস্টেমটিকে ক্রমাগত উন্নতির দিকে ঠেলে দেয়।


অতিরিক্তভাবে, অবস্থানগত এম্বেডিংয়ের মতো উন্নত কৌশলগুলি মডেলটিকে বুঝতে সাহায্য করে যে কীভাবে দেখার কোণের উপর নির্ভর করে চিত্রের বিকৃতি পরিবর্তন হয়। এর ফলে পুনরুদ্ধার করা চিত্রগুলিতে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়, বিশেষ করে দৃশ্যের পুরো ক্ষেত্র জুড়ে রঙের নির্ভুলতা এবং তীক্ষ্ণতার ক্ষেত্রে।


সিস্টেমটি এমন চিত্র তৈরি করে যা ঐতিহ্যবাহী, ভারী লেন্সগুলির সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তবে অনেক ছোট, আরও দক্ষ প্যাকেজে। এই উদ্ভাবনে স্মার্টফোন এবং ক্যামেরার মতো ভোক্তা ইলেকট্রনিক্স থেকে VR এবং AR-তে আরও বিশেষায়িত অ্যাপ্লিকেশনে বিস্তৃত শিল্পে বিপ্লব ঘটানোর সম্ভাবনা রয়েছে। ধাতব পদার্থের মূল সমস্যাগুলি সমাধান করার মাধ্যমে - ক্রোম্যাটিক এবং কৌণিক বিকৃতি - এই কাজটি আমাদের দৈনন্দিন ইমেজিং ডিভাইসগুলিতে এই কমপ্যাক্ট লেন্সগুলিকে একীভূত করার কাছাকাছি নিয়ে আসে৷


সিনিয়র এবং সংশ্লিষ্ট লেখক জুনসুক রো-এর মতে, পোহাং ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (পোস্টেক, কোরিয়া) এ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ যৌথ নিয়োগের সাথে মু-ইউন-জাই চেয়ার প্রফেসর, "এই গভীর-শিক্ষা - চালিত সিস্টেম অপটিক্স ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি চিহ্নিত করে, ছোট, আরও তৈরি করার জন্য একটি নতুন পথ সরবরাহ করে গুণমান বিসর্জন ছাড়াই দক্ষ ইমেজিং সিস্টেম।"


AI-চালিত সংশোধনের সাথে মিলিত উচ্চ-কার্যক্ষমতা সম্পন্ন ধাতব পদার্থের ব্যাপক উৎপাদন করার ক্ষমতা আমাদের ভবিষ্যতের কাছাকাছি নিয়ে আসে যেখানে কমপ্যাক্ট, লাইটওয়েট এবং উচ্চ-মানের ইমেজিং সিস্টেম বাণিজ্যিক এবং শিল্প উভয় ক্ষেত্রেই আদর্শ হয়ে ওঠে।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ২৯-১১-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ২৯-১১-২০২৪ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ঘেঁষে নতুন করে শাহবাগ থানা নির্মাণের সিদ্ধান্ত।


শহিদ আবু সাঈদ ফাউন্ডেশনের সনদ হস্তান্তর - প্রধান উপদেষ্টাকে রংপুরের একজন  হিসেবে বিবেচনা করতে সাঈদ পরিবারের প্রতি ডক্টর ইউনূসের আহ্বান।


তারল্য সংকটে থাকা কয়েকটি ব্যাংককে সাড়ে ২২ হাজার কোটি টাকা সহায়তা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক - জানালেন গভর্নর ডক্টর আহসান এইচ মনসুর।


দেশের আর্থিক খাত নিয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে সোমবার - বলেছেন শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রধান ডক্টর দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।


উপকূলীয় অঞ্চলের পরিবেশ সুরক্ষায় সমন্বিত পরিকল্পনা অপরিহার্য - মন্তব্য পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের।


১৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করে অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টে আইন পাস।


আজ সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ ক্রিকেটের উদ্বোধনী ম্যাচে আফগানিস্তানের মোকাবিলা করবে বাংলাদেশ।

এক বুড়োর বুড়ো না হওয়ার গল্প :=======

 এক বুড়োর বুড়ো না হওয়ার গল্প :=======


আমি বুড়ো হতে চাই না। এই বুড়ো টুড়ো আমার একদম না-পসন্দ । কিন্তু পৃথিবীটা এত জোরে ঘুরছে যে ফট করে এক একটা বছর পেরিয়ে যাচ্ছে । বয়স Naturally  বেড়ে যাচ্ছে । বয়সের পেছনে লাথি মারতে ইচ্ছে করছে। 


এই কারনে সকালে ঘুম থেকে ওঠেই প্রথমে বিছানা কে কষে একটা লাথি মারি। ওই বিছানা টা বহুত শয়তান। বলে -- আরে,  আর একটু শুয়ে থাকো। আরাম করো। আমি কিন্তু বেশ ভালোই জানি --- আরাম হারাম হ্যায় ! যত আরাম --তত বুড়ো । 


অনেক ভেবে আমি একটা ফর্মুলা বের করেছি। ফর্মুলা টা খুব Simple ----সব সময় ভাবতে হবে :: Hey man,  never become old-- you are always ever green gold. 


Practically বয়স বাড়বে কিন্তু Mentally বয়স কে রুখে দেয়া যায় । সবুজ রঙে নিজেকে মাখিয়ে নেয়া যায় । বয়স সত্তর তো মন  পঁচিশ । খূব সোজা। গাছ গাছালি করো-- নিন্দা থেকে সরো-- বউকে জড়িয়ে ধরো-- হঠাও যত বাজে -- শরীর লাগাও কাজে ! 


উঠতি বয়সের সবুজ ছেলে মেয়ে গুলো দাদু ডাকলে ব্যথা পাই। উনিশ বছরের লাস্যময়ী মেয়েকে বলি -- শোনো অনন্যা, তুমি আমাকে ভালোবাসবে ? নির্বিষ মিশবে ? এই বুড়োর হাত ধরবে ? এক ঘন্টা আমার সাথে গল্প করবে ? আমাকে পঁচিশে ফেরাতে পারবে ? যদি পারো তবে " দাদু" ডাকো হাজার বার -- আপত্তি নেই ! 


আমার পাঁচ বছরের দুষ্টু নাতনি আমাকে বলে --- এই পিন্টু, চলে এসো। খাবার রেডি। 

আমি বেশ খুশি হই।  বলি -- আসছি দিদি -- এই আসছি। এত ভালো লাগে " পিন্টু " ডাকটা , কী বলবো ! সবুজ হয়ে যাই ।

এভাবে ইয়াং থাকি। হলদেটে হই না। সবুজে ভরপুর। কাটছে সকাল দুপুর , --মেজাজে । 


এখনো ধান্দা করি-- টাকার। Monthly  extra money-- সবচেয়ে দামি honey  !  পকেটে টাকা তো মনটা ফুরফুরে-- বয়স যায় উড়ে -- বউ ভালোবাসে -- পুত্রবধূ চা নিয়ে আসে -- পুত্র পাশে বসে -- ছোট্ট নাতনি খিলখিলিয়ে হাসে । 


যে গোমড়া, সে একটা বোকা দামড়া। সংসারে হাসতে হয়। যতই বুড়ি হোক , বউ কে জড়িয়ে ধরতে হয় । ছেলেকে বলতে হয় -- আগে আমি তোর বন্ধু, তারপর বাপ -- পুত্রবধূ কে বলতে হয় :: তুই আমার exactly  ভালো মেয়ে , কোন মাছ তোর খেতে ভালো লাগে , বলে দে , আজ বাজার থেকে সেই মাছ -ই আনবো ! আর নাতনি কে বলতে হয় -- বড় দি , তোমার একটা খেলনা চাই ? 

     


    আশ্চর্য! এভাবে বেঁচে দেখেছি -- বয়স যত বাড়ছে -- আমি তত ইয়াং হচ্ছি -- হতাশা সরছে-- আকাশ পরিস্কার-- বয়স পালাচ্ছে দুদ্দাড়! 

    বলেছিলাম না , বয়সের পেছনে লাথি ! মারতে পেরেছি ভাই। 


আমার সত্তর বছর" বয়স" টা বলছে -----তুই শালা নাম্বার ওয়ান নচ্ছার-- ছেড়ে দে -- আমি পালাই ! বাপরে তোর কী দম ! তুই শালা বয়সের যম ! চালিয়ে যা ! 


এ কথা সত্যি-- শরীর কে বিশ্বাস নেই। কখন যে নাভিশ্বাস উঠবে। আছে কোনো  Fixed Date!!

তাই ভাই বোনেরা, আর করবেন না লেট।  আমার সামান্য বুদ্ধি-বোধ -- তবুও সনির্বন্ধ অনুরোধ-- ভালো লাগলে কথা গুলো নিয়ে নিন , আর ভালো না লাগলে , এই শালা বুড়োকে ছুঁড়ে ফেলে দিন। 


দিচ্ছি না উপদেশ

আপাতত কথা শেষ -----------।              

------------------------ চলি  !!


সংগৃহীত

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...