এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৪

সংগৃহীত গল্পটি যারা পড়েনি তাদের জন্য :-,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সংগৃহীত গল্পটি যারা পড়েনি তাদের জন্য :-


ফ্রান্ৎস কাফকা কখনো বিয়ে করেননি এবং তাঁর কোনো সন্তানাদিও ছিল না। তাঁর বয়স যখন ৪০, তখন একদিন তিনি বার্লিনের পার্কে হাঁটছিলেন। এমন সময় তিনি একটি ছোট্ট মেয়েকে দেখলেন যে তার প্রিয় পুতুলটি হারিয়ে কাঁদছিল। সেই মেয়েটি এবং কাফকা, দু’জনে মিলে খুব খুঁজলেন হারিয়ে যাওয়া পুতুলটিকে। কিন্তু কোথাও খুঁজে পাওয়া গেল না তা।

কাফকা মেয়েটিকে পরের দিন আবার সেখানে আসতে বললেন। উদ্দেশ্য, আবার তাঁরা দু’জনে মিলে হারিয়ে যাওয়া পুতুলটি খুঁজবেন সেখানে।

কিন্তু পরের দিনও পুতুলটিকে খুঁজে পাওয়া গেল না। তখন কাফকা ছোট্ট মেয়েটিকে একটি চিঠি দিলেন। আর বললেন, ‘এই চিঠিটি তোমার হারিয়ে যাওয়া পুতুলের লেখা’। সে চিঠিতে লেখা ছিল, ‘দয়া করে তুমি কেঁদো না। আমি পৃথিবী দেখতে বেরিয়েছি। আমি আমার রোমাঞ্চকর ভ্রমণকাহিনী তোমাকে নিয়মিত লিখে জানাব।’

এভাবেই শুরু হয়েছিল একটি গল্পের, যা চলেছিল কাফকার মৃত্যু পর্যন্ত।

ছোট্ট মেয়েটির সঙ্গে কাফকার নিয়মিত দেখা হতো। আর যখনই দেখা হতো তখনই কাফকা একটি চিঠি দিতেন মেয়েটিকে, বলতেন সেই একই কথা, ‘চিঠিটি তার হারিয়ে যাওয়া পুতুলের লেখা’, এবং পড়ে শোনাতেন তার প্রিয় পুতুলের বিশ্ব-ভ্রমণের রোমাঞ্চকর সব বর্ণনা খুব যত্নের সাথে, যে বর্ণনাগুলো মেয়েটিকে ভীষণ আনন্দ দিত।

এর কিছুদিন পর একদিন কাফকা একটি পুতুল কিনলেন এবং মেয়েটিকে দিলেন। বললেন, ‘এই নাও, তোমার হারিয়ে যাওয়া সেই পুতুল।’

মেয়েটি বললো, ‘এই পুতুলটি মোটেও আমার হারিয়ে যাওয়া পুতুলের মতো দেখতে নয়।’

কাফকা তখন মেয়েটিকে আরও একটা চিঠি দিলেন যেটাতে তার প্রিয় পুতুলটি তাকে লিখেছে, ‘ভ্রমণ করতে করতে আমি অনেক পাল্টে গিয়েছি।’

ছোট্ট মেয়েটি তখন নতুন পুতুলটিকে বুকের সাথে জড়িয়ে ধরল এবং অপার আনন্দে ভাসল।

এর এক বছর বাদে কাফকা মারা যান।

বহু বছর বাদে, সেই ছোট্ট মেয়েটি যখন অনেক বড় হয়ে গেছে, তখন সে সেই পুতুলটির ভিতরে একটি ছোট্ট চিঠি পায়। কাফকার সই করা ছোট্ট সে চিঠিটিতে লেখা ছিল, ‘Everything you love will probably be lost, but in the end, love will return in another way . ’   .........

ফ্রান্ৎস কাফকা ছিলেন একজন জার্মান ভাষার উপন্যাস ও ছোটগল্প লেখক।

ঈশপ (Aesop) ছিলেন এক প্রখ্যাত গ্রিক উপন্যাসকার ও গল্পকার,

 ঈশপ (Aesop) ছিলেন এক প্রখ্যাত গ্রিক উপন্যাসকার ও গল্পকার, যিনি প্রায় ২৫০০ বছর আগে বাস করতেন। তাঁর রচনা ও উপদেশগুলি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে চলতে থাকলেও তাঁর জীবন সম্পর্কে খুব বেশি তথ্য নেই। তবে, তিনি যে ধরনের গল্প রচনা করেছিলেন তা আজও বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়। ঈশপের কর্ম সম্পর্কে ১০টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট নিচে আলোচনা করা হলো:


১. ঈশপের পরিচয়: ঈশপ ছিলেন একজন দাস, যিনি গ্রীসের সাদী অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তাঁর জীবন সম্পর্কে বিস্তারিত ইতিহাস নেই, তবে তিনি প্রাচীন গ্রীসে খুবই জনপ্রিয় ছিলেন।


২. ঈশপের গল্পের ধরন: ঈশপের রচনা সাধারণত ছোট গল্প বা উপকথা হিসেবে পরিচিত, যা সাধারণত পশুদের মাধ্যমে মানবীয় গুণাবলী এবং নৈতিক শিক্ষা প্রদান করে। তাঁর গল্পগুলিতে সাধারণত একথা বলার চেষ্টা করা হয় যে, চরিত্র বা ঘটনাগুলির মধ্যে শিক্ষা লুকানো থাকে।


৩. ঈশপের কাল্পনিক চরিত্র: ঈশপের গল্পগুলোতে মূলত পশুদের চরিত্র থাকে, যেগুলি মানুষের মতো আচরণ করে এবং মানবিক গুণাবলী প্রতিফলিত করে। তাঁর গল্পগুলিতে শিয়াল, শূকর, খরগোশ, হাতি, বাজপাখি ইত্যাদি পশুদের গুরুত্ব ছিল।


৪: নৈতিক শিক্ষার দৃষ্টিভঙ্গি: ঈশপের গল্পগুলির মূল উদ্দেশ্য ছিল মানব সমাজে নৈতিক মূল্যবোধ এবং ভালো আচরণ শেখানো। তাঁর গল্পগুলোতে লোকদের বিভিন্ন ধরনের বৈষম্য, আত্মবিশ্বাস, দুর্বলতা এবং প্রকৃত শৌর্য সম্পর্কে শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।


৫: বিশ্ববিদ্যালয়ে জনপ্রিয়তা: ঈশপের গল্পগুলো শুধুমাত্র প্রাচীন গ্রীসে জনপ্রিয় ছিল না, তা বিশ্বব্যাপী প্রভাব ফেলেছে। তাঁর রচনা মধ্যযুগ এবং আধুনিক যুগেও অনেক পঠন-পাঠনে প্রভাবিত করেছে।


৬: উল্লেখযোগ্য গল্প: ঈশপের কিছু বিখ্যাত গল্পগুলির মধ্যে "শিয়াল ও আঙুর", "কচ্ছপ ও খরগোশ", "মিষ্টি মুখ, তৃষ্ণা" এবং "গাভী ও তার বাচ্চা" অন্তর্ভুক্ত। এই গল্পগুলো খুব সহজ ভাষায় লেখা, যা সহজে মানুষের মনের মধ্যে প্রভাব ফেলতে সক্ষম।


৭: ঈশপের শিক্ষা: ঈশপের গল্পগুলো প্রমাণ করে যে, ভালো আচরণ, সততা, পরিশ্রম, এবং বিচক্ষণতা সর্বদা পুরস্কৃত হয়। তিনি প্রচুর সময় ধরে নৈতিক শিক্ষা দিয়ে গেছেন, যা মানব জীবনের সকল ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।


৮: আধুনিক সংস্করণ: ঈশপের গল্পগুলো যুগে যুগে বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে এবং তাঁর শিক্ষাগুলো এখনো আধুনিক সমাজে মূল্যবান হয়ে উঠেছে। তাঁর গল্পগুলির আধুনিক সংস্করণও বিভিন্ন শিক্ষামূলক বইয়ে দেখা যায়।


৯: ঈশপের চরিত্রের প্রভাব: ঈশপের গল্পগুলোতে তার অনন্য দৃষ্টিভঙ্গি ও চরিত্ররা আজও প্রভাব বিস্তার করে। পৃথিবীজুড়ে শিশুদের জন্য শিক্ষামূলক গল্প হিসাবে ঈশপের নাম উচ্চারিত হয়।


১০: ঈশপের সাংস্কৃতিক অবদান: ঈশপের গল্প শুধু সাহিত্যের দিক থেকে নয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর গল্পগুলো নানা সমাজের নানা মানুষের মধ্যে সংলাপ তৈরি করেছে, যা বিশ্ব সংস্কৃতির অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।


ঈশপের গল্পগুলি সময় ও স্থান অতিক্রম করে আজও সমানভাবে মানুষের মনে বেঁচে আছে। তার সহজ, সরল ভাষা এবং গভীর শিক্ষা আজও আমাদের জীবনযাত্রাকে প্রভাবিত করে।

নকশী কাঁথার মাঠ __ পল্লী কবি জসীম উদ্‌দীন

 নকশী কাঁথার মাঠ

__ পল্লী কবি জসীম উদ্‌দীন7

সংক্ষিপ্ত 


একটি বছর হইয়াছে সেই রূপাই গিয়াছে চলি,

দিনে দিনে নব আশা লয়ে সাজুরে গিয়াছে ছলি |

কাইজায় যারা গিয়াছিল গাঁয়, তারা ফিরিয়াছে বাড়ী,

শহরের জজ, মামলা হইতে সবারে দিয়াছে ছাড়ি |

স্বামীর বাড়ীতে একা মেয়ে সাজু কি করে থাকিতে পারে,

তাহার মায়ের নিকটে সকলে আনিয়া রাখিল তারে |

একটি বছর কেটেছে সাজুর একটি যুগের মত,

প্রতিদিন আসি, বুকখানি তার করিয়াছে শুধু ক্ষত |


ও-গাঁয়ে রূপার ভাঙা ঘরখানি মেঘ ও বাতাসে হায়,

খুঁটি ভেঙে আজ হামাগুড়ি দিয়ে পড়েছে পথের গায় |

প্রতি পলে পলে খসিয়া পড়িছে তাহার চালের ছানি,

তারও চেয়ে আজি জীর্ণ শীর্ণ সাজুর হৃদয়খানি |

রাত দিন দুটি ভাই বোন যেন দুখেরই বাজায় বীণ |

কৃষাণীর মেয়ে, এতটুকু বুক, এতটুকু তার প্রাণ,

কি করিয়া সহে দুনিয়া জুড়িয়া অসহ দুখের দান!

কেন বিধি তারে এত দুখ দিল, কেন, কেন, হায় কেন,

মনের-মতন কাঁদায় তাহারে “পথের কাঙালী” হেন ?

সোঁতের শেহলা ভাসে সোঁতে সোঁতে, সোঁতে সোঁতে ভাসে পানা,

দুখের সাগরে ভাসিছে তেমনি সাজুর হৃদয়খানা |

কোন্ জালুয়ার মাছ সে খেয়েছে নাহি দিয়ে তায় কড়ি,

তারি অভিশাপ ফিরেছে কি তার সকল পরাণ ভরি !

কাহার গাছের জালি কুমড়া সে ছিঁড়েছিল নিজ হাতে,

তাহারি ছোঁয়া কি লাগিয়াছে আজ তার জীবনের পাতে !

তোর দেশে বুঝি দয়া মায়া নাই, হা-রে নিদারুণ বিধি

কোন্ প্রাণে তুই কেড়ে নিয়ে গেলি তার আঁচলের নিধি |

নয়ন হইতে উড়ে গেছে হায় তার নয়নের তোতা,

যে ব্যাথারে সাজু বহিতে পারে না, আজ তা রাখিবে কোথা ?

এমনি করিয়া কাঁদিয়া সাজুর সারাটি দিবস কাটে,

আমেনে কভু একা চেয়ে রয় দীঘল গাঁয়ের বাটে |

কাঁদিয়া কাঁদিয়া সকাল যে কাটে—দুপুর কাটিয়া যায়,

সন্ধ্যার কোলে দীপ নিবু-নিবু সোনালী মেঘের নায়ে |

তবু ত আসে না ! বুকখানি সাজু নখে নখে আজ ধরে,

পারে যদি তবে ছিঁড়িয়া ফেলায় সন্ধ্যার কাল গোরে |

মেয়ের এমন দশা দেখে মার সুখ নাই কোন মনে,

রূপারে তোমরা দেখেছ কি কেউ, শুধায় সে জনে জনে |

গাঁয়ের সবাই অন্ধ হয়েছে, এত লোক হাটে যায়,

কোন দিন কিগো রূপাই তাদের চক্ষে পড়ে নি হায় !

খুব ভাল করে খোঁজে যেন তারে, বুড়ী ভাবে মনে মনে,

রূপাই কোথাও পলাইয়া আছে হয়ত হাটের কোণে |

ভাদ্র মাসেতে পাটের বেপারে কেউ কেউ যায় গাঁরষ

নানা দেশে তারা নাও বেয়ে যায় পদ্মানদীর পার |

জনে জনে বুড়ী বলে দেয়, “দেখ, যখন যখানে যাও,

রূপার তোমরা তালাস লইও, খোদার কছম খাও |”

রবিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৪

অভিশাপ __কাজী নজরুল ইসলাম [ দোলনচাঁপা কাব্যগ্রন্থ ]

 অভিশাপ

__কাজী নজরুল ইসলাম

[ দোলনচাঁপা কাব্যগ্রন্থ ]


যেদিন আমি হারিয়ে যাব, বুঝবে সেদিন বুঝবে,

অস্তপারের সন্ধ্যাতারায় আমার খবর পুছবে-

                      বুঝবে সেদিন বুঝবে!

                  ছবি আমার বুকে বেঁধে

                  পাগল হ’লে কেঁদে কেঁদে

                  ফিরবে মর” কানন গিরি,

                  সাগর আকাশ বাতাস চিরি’

                  যেদিন আমায় খুঁজবে-

                      বুঝবে সেদিন বুঝবে!


স্বপন ভেঙে নিশুত্‌ রাতে জাগবে হঠাৎ চমকে,

কাহার যেন চেনা-ছোঁওয়ায় উঠবে ও-বুকে ছমকে,-

                      জাগবে হঠাৎ চমকে!

                  ভাববে বুঝি আমিই এসে 

                  ব’সনু বুকের কোলটি ঘেঁষে,

                  ধরতে গিয়ে দেখবে যখন

                  শূন্য শয্যা! মিথ্যা স্বপন!

                  বেদ্‌নাতে চোখ বুঁজবে-

                      বুঝবে সেদিন বুজবে।

গাইতে ব’সে কন্ঠ ছিঁড়ে আস্‌বে যখন কান্না,

ব’লবে সবাই-“ সেই য পথিক তার শেখানো গান না?’’

                      আস্‌বে ভেঙে কান্না!

                  প’ড়বে মনে আমার সোহাগ,

                  কন্ঠে তোমার কাঁদবে বেহাগ!

                  প’ড়বে মনে অনেক ফাঁকি

                  অশ্র”-হারা কঠিন আঁখি

                  ঘন ঘন মুছবে-

                      বুঝ্‌বে সেদিন বুঝবে!


আবার যেদিন শিউলি ফুটে ভ’রবে তোমার অঙ্গন,

তুলতে সে ফুল গাঁথতে মালা কাঁপবে তোমার কঙ্কণ-

                      কাঁদবে কুটীর-অঙ্গন!

                  শিউলি ঢাকা মোর সমাধি

                  প’ড়বে মনে, উঠবে কাঁদি’!

                  বুকের মালা ক’রবে জ্বালা

                  চোখের জলে সেদিন বালা

                  মুখের হাসি ঘুচবে-

                      বুঝবে সেদিন বুঝবে!

আসবে আবার আশিন-হাওয়া, শিশির-ছেঁচা রাত্রি,

থাকবে সবাই – থাকবে না এই মরণ-পথের যাত্রী!

                      আসবে শিশির-রাত্রি!

                  থাকবে পাশে বন্ধু স্বজন,

                  থাকবে রাতে বাহুর বাঁধন,

                  বঁধুর বুকের পরশনে

                  আমার পরশ আনবে মনে-

                  বিষিয়ে ও-বুক উঠবে-

                      বুঝবে সেদিন বুঝবে।

সুখের সংজ্ঞা " ——————-নীলুফার হাসান,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 "সুখের সংজ্ঞা "

——————-নীলুফার হাসান 

ফেলে আসা এক শহরে,

একটি মধ্যবিত্ত পরিবার কে  

চিনতাম অল্প পরিসরে।

সে বহু বছর আগে,

অনেক সময় পেরিয়ে গেছে মাঝে।

সেদিন হঠাৎ দেখা পেলাম ওদের,  ফেসবুকে।

ওদের হাসি খুশি মুখ,

ভাবছিলাম, সত্যিই কি ওদের আছে অনেক সুখ?

জীবনযাপন মোটামুটি, আটপৌরে সাধারণ,  

নেই ওদের তেমন বিশেষ,  উচ্চাভিলাষ স্বপ্নবিলাস।

নেই চিন্তা ভাবনায় কোন ইন্টেলেকচুয়াল আভাস।

দৈনন্দিন চেতনায়

বেচে থাকার সহজ সরল বাস্তবতায় প্রধান।  

ছোট ছোট পাওয়া গুলো

ওদের কাছে  অনেক মূল্যবান।  

আপসোস হুতাশ সেখানে পায় না কোন আহবান।

সুখ দেখেছি ওদের মাঝে

আনন্দ জোয়ারে  সাঁতার কাটে।

চাওয়ার বাইরে অল্প কিছু বাড়তি পাওয়াতেই

মন ওদের খুশিতে ডগমগ থাকে।

পৃথিবী ওদের ছিমছাম সঙ্কীর্ণ।

ছোট গণ্ডির বাইরে ওরা দেখে না কোন, অতিরিক্ত স্বপ্ন।

ওদের কে দেখি যখন,

আহা, অনুকম্পা করতে গিয়ে, হোঁচট খেয়ে ভাবি

সুখের সংজ্ঞাটা  আসলে  কি।

———— 

নীলুফার হাসান 


ছবি: সংগৃহীত

শুভেন্দুদার কী আফশোস! নায়িকা ‘শকুন্তলা’কে তো আমিই বিয়ে করতে পারতাম,,,,

 ♦️শুভেন্দুদার কী আফশোস! নায়িকা ‘শকুন্তলা’কে তো আমিই বিয়ে করতে পারতাম♦️


আমার ১০টি ছবির আটটিতেই তিনি নায়ক! ‘সুনয়নী’, ‘প্রতিশোধ’ হয়ে ‘অমরসঙ্গী’ এবং আরও।


♦️শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের স্মৃতিচারণায় শকুন্তলা বড়ুয়া 


শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে আমার পরিচয় কি আজকের? 

দাদা তখন মেডিকেল কলেজের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র। দারুণ সুপুরুষ। আমার বাবা সুপারিন্টেনডেন্ট। শিক্ষক-ছাত্র পরিচয়ের সুবাদে কাজে-অকাজে তিনি আসতেন আমাদের বাড়ি। আমি তখন একাদশ শ্রেণির ছাত্রী। শুনেছি, তখন থেকেই নাকি শুভেন্দুদার নাকি অনুরাগিনীর সংখ্যা অসংখ্য! তখন তো মেলামেশার অত সুযোগ ছিল না। ফলে, তাঁকে ঘিরে আলাদা করে মুগ্ধতা তৈরিরও সুযোগ হয়নি। কেবল চোখের দেখা ছিল। কথাবার্তা প্রায় কিছুই হত না। এটা মনে আছে, কলেজের বার্ষিক অনুষ্ঠানের আগে আমাদের বাড়িতে নাটকের মহড়া দিতেন। ওঁদের নাটকের যাবতীয় মঞ্চসজ্জার উপকরণ আমাদের বাড়ি থেকে যেত। আমাদের আসবাবও ওঁরা নাটকে ব্যবহার করতেন।

পরে শুভেন্দুদাও অভিনয়ে এলেন। এবং ঘটনাচক্রে আমিও। আমার প্রথম ছবি ‘সুনয়নী’র নায়ক তিনিই। ছবিটি আরও একটি কারণে আমার কাছে স্মরণীয়। এই ছবিতে এক সঙ্গে উত্তমকুমার আর শুভেন্দুদার সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছিলাম। শুভেন্দুদা বরাবরের রসিক। সেটে আমায় দেখে তিনি বেশ খুশি। হাসতে হাসতে সবাইকে বললেন, ‘‘তোমরা জানো, একে আমি কত বছর ধরে চিনি? শকুন্তলা আমার স্যরের মেয়ে।’’ তার পরেই তাঁর কপট আফশোস, ‘‘ইসস! তখন যদি তোমায় ভাল করে দেখতাম, আমিই তো নায়িকা শকুন্তলাকে বিয়ে করতে পারতাম। তা হলে কি আর তুমি অভিনয় দুনিয়ায় আসতে পারতে?’’ কথা শেষ হতেই হা হা করে হাসি।

রূপকথা


এই ছিলেন শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়। সেটে আমাদের খুব আড্ডা হত। অনেক মিল ছিল আমাদের। দাদা ভাল গাইতে পারতেন। আমিও গানের দুনিয়ার মানুষ। উত্তমকুমারকে তিনি দেবতার আসনে বসিয়েছিলেন। মহানায়কের কথা অক্ষরে অক্ষরে মানতেন। উত্তমকুমার শুধুই ওঁকে নয়, আমাকেও অনেক টিপস দিতেন। বলতেন, ‘‘তোমরা আগামী দিনের তারকা। কী ভাবে তারকা সত্তাকে ধরে রাখতে হয় সেটা না শেখালে তোমরাই বা জানবে কী করে?’’ মঞ্চে অভিনয়ের দৌলতে এমনিতেই অভিনয়ে দক্ষ ছিলেন শুভেন্দুদা। বড় পর্দায় তারকা অভিনেতাদের সঙ্গে কাজ করতে করতে সেই অভিনয় আরও ধারালো হয়েছিল। আমার ১০টি ছবির মধ্যে আটটিতেই তিনি নায়ক! ‘সুনয়নী’, ‘প্রতিশোধ’ হয়ে ‘অমর সঙ্গী’ এবং আরও।

রূপকথা

‘অমর সঙ্গী’-তে কাজ করতে গিয়ে একটা মজার ঘটনা ঘটেছিল। ছবিতে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বিপরীতে মুম্বইয়ের বিজয়েতা পণ্ডিত। ওঁর জন্য আমাদের সকাল সকাল গাড়িতে তোলা হয়েছে আউটডোর শ্যুটের জন্য। শুভেন্দুদা রেগে লাল। ওঁর দাবি, কে চেনে বিজয়েতাকে? মুম্বই থেকে এসেছে বলেই এত খাতির! প্রবীণ অভিনেতাদের ওঁর জন্য টানাহেঁচড়া করবে! আমি সমানে ওঁকে চুপ করাচ্ছি। আচমকা গাড়ি থামিয়ে দাদা বললেন, ‘‘সিগারেট কিনে আনছি।’’ ফেরার পথে তিনি এক ডাবওয়ালার মুখোমুখি। দাদা দেখি তাঁকে ধরে জিজ্ঞেস করছেন, ‘‘তুহারা নাম ক্যয়া হ্যায়? ’’ ডাবওয়ালা বলেছেন, কালীপদ। ‘‘এই তুম বিজয়েতা পণ্ডিত কো জানতা হ্যায়?’’ দাদার ফের প্রশ্ন। এ বার তিনি জানালেন, ‘‘নেহি সাব। নেহি জানতা।’’ ব্যস, কথাটা লুফে নিলেন দাদা। গাড়িতে উঠেই বললেন, ‘‘দ্যাখো শকুন্তলা, কালীপদ পর্যন্ত বিজয়েতাকে চেনে না! আর আমাদের এ কী হয়রানি!’’


তথ্যসূত্রঃ আনন্দবাজার পত্রিকা 


রূপকথা  রূপকথা

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

টমাস আলভা এডিসন ------- পৃথিবীর সেরা সফল মানুষের ব্যর্থতার গল্প -------

 টমাস আলভা এডিসন -------

পৃথিবীর সেরা সফল মানুষের ব্যর্থতার গল্প -------

আজকের পৃথিবীতে এমন কোনও শিক্ষিত মানুষ নেই যে টমাস আলভা এডিসন এর নাম জানে না।  বৈদ্যুতিক বাতি,চলচ্চিত্র, অডিও রেকর্ডিং, এনক্রিপটেড টেলিগ্রাফ সিস্টেম,আধুনিক ব্যাটারী,

এধরনের হাজারের ওপর আবিষ্কার করে তিনি পৃথিবীকে ঋণী করে গেছেন।


১৮৪৭ সালে আমেরিকার ওহাইওতে জন্ম নেয়া এই জিনিয়াসের ছোটবেলায় "স্কারলেট ফিভার" নামে একটি জটিল অসুখ হয়,যার ফলে তিনি কানে প্রায় শুনতেনই না। তাঁর স্কুল জীবন ছিল মাত্র ১২ সপ্তাহের।  কারণ তাঁর পড়াশুনার পারফরমেন্স এতই খারাপ ছিল যে স্কুলে আর তাঁকে রাখতে চাইছিল না। স্কুল থেকে দেয়া চিঠিতে লেখা ছিল যে টমাস পড়াশুনায় খুবই অমনযোগী ও তার মেধাও ভালো নয়,এই ধরনের দুর্বল ছাত্রকে স্কুলে রাখা যাবে না।


কিন্তু টমাসের মা চিঠি খুলে ছেলেকে শুনিয়ে পড়েছিলেন যে,টমাসের মেধা সাধারণ ছাত্রদের চেয়ে অনেক বেশি,এত বেশি মেধাবী ছাত্রকে পড়ানোর ক্ষমতা সাধারণ স্কুলের নেই। কাজেই তাকে যেন বাসায় রেখে পড়ানো হয়। মায়ের থেকে পাওয়া এই আত্মবিশ্বাস থেকেই টমাস পরে জটিল জটিল সব বিষয় নিয়ে পড়াশুনা করতে থাকেন। এবং এই আত্মবিশ্বাসের কারণেই তিনি কোনও কিছুতেই ব্যর্থতাকে মেনে নিতেন না।


বৈদ্যুতিক বাতি আবিষ্কারের সময়ে ১০ হাজার বার তাঁর এক্সপেরিমেন্ট ব্যর্থ হয়েছিল। কিন্তু তিনি তবুও চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। কারণ ছোটবেলায় তাঁর মা তাঁর মনে এই বিশ্বাস ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন যে,কিছুই অসম্ভব নয়।


কটু ভাষায় লেখা সেই চিঠিটি এডিসন অনেক বছর পরে খুঁজে পেয়েছিলেন,তাঁর মা সেটি লুকিয়ে রেখেছিলেন। ততদিনে মা মারা গেছেন। টমাস হয়ে উঠেছেন বিখ্যাত বিজ্ঞানী ও ধনী উদ্যোক্তা। চিঠিটি পড়ে টমাস সব বুঝতে পারেন। এবং নিজের ডায়েরীতে লেখেন - টমাস আলভা এডিসন একজন ছিল এক মেধাহীন শিশু। একজন অসাধারণ মায়ের প্রেরণায় সে হয়ে উঠে যুগের সেরা মেধাবী। 


শেষ কথা -------

প্রতিটি মানুষের জীবনেই ব্যর্থতা আসে। কোনও বড় স্বপ্নই একবারে পূরণ হয় না। এটা জীবনেরই একটা অংশ। পৃথিবীতে অসাধারণ সাফল্য সেইসব মানুষই অর্জন করতে পারেন,যাঁরা বার বার ব্যর্থ হয়েও চেষ্টা করে যান।


একবার ব্যর্থ হলে সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে তাঁরা আবার শুরু করেন। তারপর আবার ভুল করেন,

আবার শিক্ষা নিয়ে কাজ শুরু করেন। এভাবে শত শত বা হাজার হাজার বার ব্যর্থ হতে হতে একটা সময়ে গিয়ে তাঁরা সফল হন। বদলে দেন পৃথিবীর ইতিহাস।


আজ সফল মানুষের ব্যর্থতার গল্প বলার উদ্দেশ্য হল আপনাকে ব্যর্থতার পর উঠে দাঁড়ানোর অনুপ্রেরণা দেয়া। সবার মধ্যেই শুধু প্রয়োজন ব্যর্থতা থেকে উঠে দাঁড়িয়ে আবার চেষ্টা করার মানসিকতা। 


     -------- সংগৃহীত

পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট গল্প, মাত্র ৬ শব্দের...,,,,

 পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট গল্প, মাত্র ৬ শব্দের....


সবচেয়ে ছোট গল্পগুলোর মধ্যে বিখ্যাত একটি হলো আর্নেস্ট হ্যামিংওয়ের গল্পটি। মাত্র ছয় শব্দের গল্প। গল্পটা প্রায় সকলেরই জানা।


হ্যামিংওয়ে গল্পটা লিখেছিলেন বাজি ধরে। এখন মনে প্রশ্ন জাগছে নিশ্চয়ই! কার সঙ্গে বাজি ধরেছিলেন হ্যামিং? প্রচলিত আছে বাজি ধরেছিলেন অপর দুই মহারথীর সঙ্গে।


এক গ্রীষ্মে বোটে করে মাছ ধরতে গিয়েছেন তিনজন। হ্যামিংওয়ে, ফিদেল কাস্ত্রো আর চে গুয়েভরা। অনেকক্ষণ বড়শি নিয়ে বসে থেকেও কোনো মাছের দেখা না পেয়ে বিরক্ত হয়ে উঠছেন সবাই। বিরক্তি কাটাতে চে গুয়েভরা বললেন- আরে ধূর! মাছে খায় না তো কী হয়েছে? আমরা তো খেতে পারি।


বলতে বলতে তিনি স্ন্যাক্সের প্যাকেট খুলে খাওয়া শুরু করলেন। হ্যামিংওয়ে আর ক্যাস্ত্রোই বা আর বসে থাকবেন কেন। খাওয়া শুরু করলেন তারাও। খেতে খেতে ফিদেল কাস্ত্রো হ্যামিংওয়েকে বললেন- তা কী এমন গল্প লেখো? এখন একটা গল্প লিখে দেখাও তো। হ্যামিংওয়ে বললেন- এখন? এই মাঝ নদীতে গল্প লিখব কী করে? নোটবুক খাতাপত্র তো সব রেখে এসেছি।


চে গুয়েভরা তখন খাওয়া শেষে টিস্যু পেপারে হাত মুছছিলেন। হাত মোছা বন্ধ করে তিনি টিস্যু পেপারটা হ্যামিংওয়ের দিকে এগিয়ে দিয়ে বললেন- এই নাও টিস্যু পেপার। ইচ্ছে থাকলে এখানেও লেখা যায়। হ্যামিংওয়ে হাত বাড়িয়ে টিস্যু পেপারটি নিলেন। খাওয়া বন্ধ করে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলেন নদীর শান্ত স্বচ্ছ জলের দিকে। তারপর লিখলেন ছয়টি শব্দ।


এই ছয়টি শব্দ পরবর্তীতে পৃথিবীর সবচেয়ে বিখ্যাত ক্ষুদ্র ছোট গল্প হয়ে গেল। তিনি লিখলেন- 'ফর সেল, বেবিস সুজ,নেভার ওরন।' অর্থ্যাত্‍, 'বিক্রির জন্য, শিশুর জুতো, ব্যবহৃত নয়'।


গল্পটির ভাবার্থ এইরকম- বাচ্চার জন্য জুতো কেনা হয়েছিল। তবে সেই বাচ্চাটি পৃথিবীর আলোই দেখেনি। মায়ের গর্ভেই শিশুটির মৃত্যু হয়। ছয় শব্দে গর্ভে মারা যাওয়া শিশুর জন্য মায়ের অনুভূতি! এ ধরণের গল্পকে বলা হয় 'ফ্ল্যাশ ফিকশন' বা অণুগল্প। মাইক্রো শর্ট স্টোরি নামেও ডাকা হয় এসব গল্পকে। গল্পটি দারুণ পছন্দ হলো ফিদেল কাস্ত্রো এবং চে গুয়েভরা দু'জনেরই। ক্যাস্ত্রো সঙ্গে সঙ্গে ১০ ডলার বের করে বকশিশ দিলেন হ্যামিংওয়েকে।


তবে এই গল্পটার রচনা নিয়ে আরো একটি গল্প চালু আছে। হ্যামিংওয়ে একদিন তার অফিসের ছয় কলিগের সঙ্গে গল্প করছিলেন। হঠাত্‍ তিনি বললেন- মাত্র ছয় টি শব্দ দিয়ে তিনি একটি চমত্‍কার গল্প লিখতে পারবেন। তার কলিগরা হেসেই উড়িয়ে দিলো। বললো, ঠিক আছে। ১০ ডলারের বাজি। হ্যামিংওয়ে গল্পটা লিখলেন এবং বাজিতে জিতে গেলেন।


মার্কিন সাহিত্যিক আর্নেস্ট হেমিংওয়ে ১৯৫৪ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন। তিনি সাতটি উপন্যাস, ছয়টি ছোট গল্প সংকলন এবং দুটি নন ফিকশন গ্রন্থ প্রকাশ করেছিলেন। তার মৃত্যুর পর আরো তিনটি উপন্যাস, চারটি ছোট গল্প সংকলন এবং তিনটি নন-ফিকশন গ্রন্থ প্রকাশ হয়েছিল। তার প্রকাশিত গ্রন্থের অনেকগুলোই আমেরিকান সাহিত্যের চিরায়ত বা ক্লাসিক গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত হয়।


পৃথিবীর আরেকটি ক্ষুদ্রতম গল্প বা ফ্ল্যাশ ফিকশনের কথা জানেন কি? ‘নক’ নামের এ গল্পটির লিখেছিলেন ফ্রেড্ররিক ব্রাউন। এটি এখন পর্যন্ত পৃথিবীর সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত ভূতের গল্প। এ গল্পের লেখক ফ্রেড্ররিক ব্রাউনও ছিলেন আমেরিকান। গল্পটি নিশ্চয়ই জানতে ইচ্ছা করছে? গল্পটি হলো-


'দ্য লাস্ট ম্যান অন আর্থ সেট আ রুম। দেয়ার ওয়াজ আ নক অন দা ডোর'। এর অনুবাদ করলে দাঁড়ায়, পৃথিবীর সর্বশেষ মানুষটি একাকী একটা রুমে বসে আছেন। হঠাত্‍ কে যেন তার দরজায় নক করল।


লাইনটি পড়তে পড়তে আপনার মনে হয়তো অনেক প্রশ্নের উদয় হয়েছে? ভাবছেন পৃথিবীর শেষ মানুষ… তাহলে দরজায় নক করলে কে? এজন্যই এই লাইন দুটি জায়গা করে নিয়েছে ছোট গল্পের তালিকায়।

বাড়িতে গ্যাস সিলিন্ডার থাকলে যে ১০টি বিষয় খেয়াল করে চলবেন:

 🔥 বাড়িতে গ্যাস সিলিন্ডার থাকলে যে ১০টি বিষয় খেয়াল করে চলবেন: ⤵️

১) গ্যাস সিলিন্ডারের সঙ্গে যে রাবার পাইপটি থাকে,সেটিতে ‘বিএসটিআই’ ছাপ থাকা বাধ্যতামূলক।কিন্তু তার সঙ্গে আরও একটি বিষয় খেয়াল রাখুন।গ্যাসের পাইপটি যেন দৈর্ঘ্যে এক থেকে দেড় মিটার লম্বা হয় এবং বোতল ও গ্যাস বার্নার (চুলা) এর দূরত্ব যেন কমপক্ষে ১-১.৫ মিটার হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।


২) রেগুলেটরের নজলটি যাতে পাইপ দিয়ে ভালো করে কভার করা থাকে,তা লক্ষ্য রাখুন।গরম বার্নারের সঙ্গে যাতে গ্যাসের পাইপ কোনোভাবে লেগে না থাকে,তা খেয়াল রাখুন।


৩) পাইপটি নিয়মিত ভেজা কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করুন।কিন্তু ভুলেও সাবান পানি ব্যবহার করবেন না।২ বছর পরপর অবশ্যই পাইপটি বদলে ফেলুন।


৪) পরিষ্কার রাখার জন্য গ্যাসের পাইপটিকে কোনও রকমের কাপড় বা প্লাস্টিক জাতীয় জিনিস দিয়ে মুড়ে রাখবেন না।সে ক্ষেত্রে পাইপ ফেটে গেলে বা লিক হলে ধরা পড়বে না।


৫) গ্যাস লিক হচ্ছে বুঝতে পারলে বাড়ির কোনও ইলেক্ট্রিক অ্যাপ্লায়েন্স অন করবেন না।ওভেন,রেগুলেটর বন্ধ করে দরজা-জানালা খুলে দিন।


৬) গ্যাস লিক করার পরে যদি কিছুক্ষণের মধ্যে গন্ধ আসা বন্ধ না হয়,তাহলে গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরের অফিস বা হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করুন।সিলিন্ডার থেকে রেগুলেটর আলাদা করে দিয়ে সিলিন্ডারের মুখে সেইফটি ক্যাপও পরিয়ে দিতে পারেন।


৭) খালি সিলিন্ডার থেকে গ্যাসের রেগুলেটর খোলার সময় আশপাশে কোনও মোমবাতি বা প্রদীপ জাতীয় জিনিস যাতে না জ্বলে,তাও খেয়াল রাখুন।


৮) একটি ঘরে দু’টি সিলিন্ডার রাখার জন্য অন্তত ১০ বর্গফুট জায়গা থাকা জরুরি।এমন জায়গায় সিলিন্ডার রাখবেন না,যেখানে সহজেই তা অতিরিক্ত গরম হয়ে যেতে পারে।


৯) সিলিন্ডারের ওপরে কখনোই কোনও কাপড়,বাসন ইত্যাদি রাখবেন না।


১০) গ্যাসের ওভেনটি সব সময়ে সিলিন্ডারের অন্তত ছয় ইঞ্চি ওপরে রাখুন।ওভেনের ওপর যাতে সরাসরি হাওয়া না লাগে,সেদিকেও লক্ষ্য রাখুন।


সংগৃহীত

জীবন বদলে দেওয়ার মতো শেখ সাদীর ১৫ টি বিখ্যাত উপদেশ। 

 ❣️💕 জীবন বদলে দেওয়ার মতো শেখ সাদীর ১৫ টি বিখ্যাত উপদেশ। 


’ ফার্সি গদ্যের জনক মহাকবি শেখ সাদি দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাভাষী পাঠকের কাছে অতি প্রিয় কবি। শুধু বাঙালিই নয় বিশ্বজুড়ে তিনি অত্যন্ত সমাদৃত। তার ১৫টি বিখ্যাত উপদেশ যা কিনা আপনার জীবনকে বদলে দিবে।


১. তিন জনের নিকট কখনো গোপন কথা বলিও না- (ক) স্ত্রী লো'ক. (খ) জ্ঞানহীন মূ*র্খ. (গ) শ*ত্রু।


২. অ*কৃত*জ্ঞ মানুষের চেয়ে কৃতজ্ঞ কু*কুর শ্রেয়।


৩. আমি আল্লাহকে সবচেয়ে বেশী ভ*য় পাই, তার পরেই ভয় পাই সেই মানুষকে যে আল্লাহকে মোটেই ভ*য় পায় না।


৪. এমনভাবে জীবনযাপন করে যেন কখনো ম*রতে হবে না, আবার এমনভাবে ম*রে যায় যেন কখনো বেঁচেই ছিল না।


৫. হিং*স্র বাঘের উপর দয়া করা নি*রীহ হরিণের উপর জু*লুম করার নামান্তর।


৬. যে সৎ, নি*ন্দা তার কোন অ*নিষ্ঠ করতে পারে না।


৭. প্রতাপশালী লোককে সবাই ভ*য় পায় কিন্তু শ্রদ্ধা করে না।


৮. দেয়ালের সম্মুখে দাঁড়িয়ে কথা বলার সময় স*তর্ক হয়ে কথা বলো, কারন তুমি জান না দেয়ালের পেছনে কে কান পেতে দাঁড়িয়ে আছে।


৯. মুখের কথা হচ্ছে থু*থুর মত, যা একবার মুখ থেকে ফেলে দিলে আর ভিতরে নেওয়া সম্ভব নয়। তাই কথা বলার সময় খুব চিন্তা করে বলা উচিত।


১০. ম*ন্দ লোকের সঙ্গে যার উঠা বসা, সে কখনো কল্যানের মুখ দেখবে না।


১১. দুই শ*ত্রুর মধ্যে এমন ভাবে কথাবার্তা বল, তারা পরস্পরে মিলে গেলেও যেন তোমাকে ল*জ্জিত হতে না হয়।


১২. বাঘ না খেয়ে মরলেও কু*কুরের মতো উচ্ছিষ্ট মুখে তুলে না।


১৩. ইহ- পরকালে যাহা আবশ্যক তাহা যৌবনে সংগ্রহ করিও|


১৪. কোন কাজেই প্রমাণ ছাড়া বিশ্বাস করিও না|


১৫. অজ্ঞের পক্ষে নীরবতাই হচ্ছে সবচেয়ে উত্তম পন্থা। এটা যদি সবাই জানত তাহলে কেউ অজ্ঞ হত না। সংগৃহীত ❣️💕💞

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...