এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৪

নাইন টেন টাইস্কোপ সুলতানা বিবিয়ানা

 উপেনটি বাইস্কোপ

নাইন টেন টাইস্কোপ

সুলতানা বিবিয়ানা

সাহেব বাবুর বৈঠকখানা।

বাবু বলেছেন যেতে

পান সুপারি খেতে।

পানের ভিতর মৌরি বাটা

ইস্কাপনের ছবি আঁটা। 

আমার নাম যদুমণি 

যেতে হবে অনেকখানি।


- একটি ছড়া, এক টুকরো শৈশব। বাঙালি ছেলেমেয়েদের স্মৃতিতে জায়গা করে নেওয়া এই ছড়া একসময় সবার মুখে মুখে ছিল। খেলার নিয়ম একদম সাদামাটা— দুজনের হাত ‘ভি’-এর মতো খুলে রেখে অন্যরা বৃত্তাকারে ঘুরত। ছড়াটি আবৃত্তি করতে করতে যখন থামা হতো, তখন এক ব্যক্তি ধরা পড়ত ফাঁকে। এই খেলায় শিশুরা যেমন মজা পেত, তেমনি অজান্তেই মুখস্থ করে ফেলত বাংলার সামাজিক ইতিহাসের এক অন্ধকার অধ্যায়ের কথা।


ছড়ার মাঝেই উঠে আসে একটি লাইন—“সাহেব বাবুর বৈঠকখানা।” এই বৈঠকখানা ছিল বাংলায় ঔপনিবেশিক শাসকদের এক বিশেষ সংস্কৃতির কেন্দ্র। ইংরেজ ও পর্তুগিজ সাহেবরা তাঁদের বিশ্রাম ও আনন্দ-উল্লাসের জন্য তৈরি করেছিলেন এই বৈঠকখানাগুলো। তবে এগুলো শুধুই সাহেবদের বৈঠকখানা ছিল না, এখানে ছিল শোষণের এক নির্মম চিত্র। 


“বাবু বলেছেন যেতে, পান সুপারি খেতে।” এই আমন্ত্রণ ছিলো নারীদের প্রতি। আপাতদৃষ্টিতে এটি একটি সহজ আমন্ত্রণ মনে হলেও, এই লাইনটি বাংলার মেয়েদের প্রতি সাহেবদের ব্যবহার এবং সামাজিক নিপীড়নের গভীর চিত্রকে ইঙ্গিত করে। ঐতিহাসিক গবেষণায় দেখা যায়, সেই সময় বাংলার গ্রামীণ মেয়েরা সাহেবদের লালসার শিকার হতেন। “পান সুপারি খেতে” ডাকা মানে সাহেবদের বৈঠকখানায় ভুলিয়ে নিয়ে যাওয়া। কখনো গ্রামবাসীদের বাধ্য করা হতো তাঁদের মেয়েদের সমর্পণ করতে। এই কাজ বলপূর্বকও করা হতো। মেয়েদের ক্রীতদাস হিসেবে বিক্রিও করা হতো। সাহেবদের এই বৈঠকখানাগুলো যেন বাংলার নারীদের জন্য লাঞ্ছনার প্রতীক হয়ে উঠেছিল।  


“পানের ভিতর মৌরি বাটা, ইস্কাপনের ছবি আঁটা”-এই লাইনটি সাহেবদের বৈঠকখানার বিলাসবহুল পরিবেশের কথা বলে। পান ও মৌরি ছিল তৎকালীন উচ্চশ্রেণির বিলাসিতার প্রতীক। “ইস্কাপনের ছবি” সাহেবদের দ্বারা আনা বিদেশি জিনিসপত্র, যেমন– শিল্পকর্ম বা বৈঠকখানার সজ্জাকে নির্দেশ করে। সহজেই অনুমিত হয় বৈঠকখানা পরিবেশটি সম্পূর্ণরূপে স্থানীয় দেশীয় সংস্কৃতির বাইরে ছিল।


যদুমণি / মণিমালা (যার নাম মণিমালা তারে দেব মুক্তার মালা) - তৎকালীন বাংলার নারীদের প্রতিনিধিত্ব করে। “যদুমণি” আসলে সেই সব নারী, যাঁরা সাহেবদের বৈঠকখানায় যেতে বাধ্য হতেন। “যেতে হবে অনেকখানি” বলতে বোঝানো হয়েছে নারীদের পাড়ি দিতে হওয়া মানসিক ও সামাজিক দূরত্ব।  


ছড়াটির মূল রূপে “বাইস্কোপ” শব্দটি ছিল কি না, তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। এটি সম্ভবত পরবর্তী সংযোজন, যখন হীরালাল সেনের হাত ধরে বাংলার সংস্কৃতিতে বায়োস্কোপ বা চলমান ছবির আবির্ভাব ঘটে। সেই সময়ের জনপ্রিয় বাইস্কোপ শব্দটি হয়তো ছড়াটির মূল ছন্দে নতুন সংযোজন হিসেবে যোগ হয়। যা ছড়াটিকে আধুনিকতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তোলে। তবুও, বাইস্কোপ শব্দের সংযোজন ছড়ার মর্মার্থ বদলাতে পারেনি। বাইস্কোপ এখানে শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং ঔপনিবেশিক শাসকদের দ্বারা বাংলায় আনা বিদেশি সংস্কৃতির প্রতীক। 


“নাইন টেন টাইস্কোপ” ছন্দময় পংক্তিটি ব্রিটিশদের ইংরেজি সংখ্যার প্রতি বাংলার অভ্যস্ততার প্রতিফলন। ঔপনিবেশিক যুগে ইংরেজি ভাষা শিক্ষার প্রসার এবং বিদেশি শব্দের প্রভাব বাংলার সমাজ ও সংস্কৃতিতে প্রবেশ করেছিল।


সাহেবদের বৈঠকখানার চিত্র, গ্রামীণ মেয়েদের প্রতি অন্যায় আচরণ এবং তাদের রক্ষিতা হয়ে ওঠার কাহিনী যেন ছড়াটির প্রতিটি শব্দে মিশে আছে। শিশুতোষ খেলার এইসব ছড়ায় তৎকালীন সমাজব্যবস্থার নিষ্ঠুরতাকে পরিহাস করে রচিত।  খেলার ছড়া ও অভিনয়ের মাঝে প্রজন্মের পর প্রজন্ম বারংবার উচ্চারিত হয়েছে নারীদের দীর্ঘ সংগ্রামের চিত্র। পূর্বনারীদের নিপীড়নের কথা মাথায় রেখে নতুন দিনে ঘুরে দাঁড়ানো নারীদের জন্য এসকল ছড়া যেন এক অলিখিত দলিল।  


লেখা ও সংগ্রহ - শ্রাবণী চক্রবর্ত্তী

পাখি পাকা পেঁপে খায় ছাড়াও আরো অনেক বাক্য আছে!

 পাখি পাকা পেঁপে খায় ছাড়াও আরো অনেক বাক্য আছে!

😜ঝট করে পড়ে ফ্যালো দেখিঃ---😜


★ নলিনী লালনের নোলক নাকে তাল তাকে থাক কাক তাকে খাক।

★ লালুর লড়াই রাবড়ি লড়েন।

★ হরলালের রেলগাড়ি

★ তেলে চুল তাজা জলে চুন তাজা

★ সূঁচে সুতো ছাতে ছুঁচো

★ লারা রোড রোলারে লর্ডসে যায়

★ লালা রি লোলা রি লিলারি লালারি লু

★ কাঁচা পেঁপে পাকা পেঁপে

★ বাবলা গাছে বাঘ বসেছে

★ পাতে পটল পড়লেও পড়তে পারে।

★ পাখি পাকা পেঁপে খায়

★ বারো হাঁড়ি রাবড়ি বড়ো বাড়াবাড়ি।

★ কাঁচা গাব পাকা গাব

★ লীনা নিলো নীলা লীলা নিলো না

★ দুর্যোধন জর্দা খেয়ে দরজা দিয়ে পালিয়ে যায়

★ বাঘার বাড়ি বাবার গাড়ি

★ লরির ওপর রোলার

★ লীলা নিলি নালা নালী

★ লেনিন নিলেন লিনেন,লিনেন লেনিন নিলেন,নিলেন লেনিন লিনেন।

★ লালু লালা নিলী লিলি লীলা লীনা

★ করলার কলে বাড়ে কলেরার কলরব

★ শ্যমবাজারের শশী বাবু সকাল বেলায় সাইকেল চড়ে শশা খেতে খেতে সশরীরে স্বর্গে গেলেন।

★ পাখি কাঁপে ফাঁদে, পাপী কাঁদে ফাঁকে।

★ এক আনায় আনা যায় কত আনারস।

★ মালির মাথায় মালার ডালা, মালার হাতে মালির মালা।

★ রণে রানী লড়ে, লনে নারী নড়ে।

★ মাসি মারে মশা, মেসো মারে মাছি।

★ অস্ট্র উষ্ট্রের সাথে অষ্ট অশ্ব।

★ চাচী তুমি চাঁছা চটা চেঁছ না আচাঁছা চটা চেঁছ।

★ লাল ল্যানোলিন, নীল ল্যানোলিন।

★ নেরু রেনুর কান টানে,রেনু নেরুর নাক টানে।

★ টাকে কাক, তাকে কাপ।

★ মিতা আটা হাতে আতা কাটে।

★ গাছ কাটা কাটা খাঁজ, খাঁজ কাটা কাটা গাছ।

★ মনাকে মনার মা মানা করেছে,মনা মায়ের মানা না শুনে চলে গেছে।

★ চল চপলার চকিত চরণে করিছে চরণ বিচরণ।

★ কত না জনতা জানালো যতনে যতনে।

★ কালুদের কুচকুচে কালো কুকুর কাল কচুরিতে কামড় দিয়েছিল।

★ টিপুর টুপি টুপুর টাকে, টুপুর টাকা টিপুর ট্যাঁকে।

★ উৎকটকটমহাশঙ্করকিটকিটাম্বররায়চৌধুরী 

★ চারুচন্দ্র চক্রবর্তী চটি জুতো চরণে জড়ায়ে চট্টগ্রাম চলে গেছে।

★ পাঁক পুকুরের পশ্চিম পাড়ের পাঁচু পাইন পাঁচটি পুলিশ কে পটিয়ে পাঁচটি পাইপ পুঁতিল।

★ হেলিকপ্টারের প্রোপ্রাইটারের প্রপিতামহ প্রপেলারের চোটে পটলপ্রাপ্ত।

★ গড়ের মাঠে গরুর গাড়ি গড় গড়িয়ে যায়।

★ কাকেরা কা কা করিয়া কাকে কাকা কইছে?

★ রুলারে লড়াই।

★ রোমা রল্যা লেড় খায়।

রক্ত চন্দনকে  ‘লাল সোনা’ বলেও অভিহিত  করা  হয়

 “ রক্ত চন্দন “…♥️


রক্ত চন্দনকে  ‘লাল সোনা’ বলেও অভিহিত 

করা  হয়।  কারণ  সোনার  মতোই  মূল্যবান 

এই গাছ। খুবই বিরল প্রজাতির একটি গাছ 

রক্তচন্দন। দ.ভারতের শেষাচলম পাহাড়ের 

ওই ঘন  জঙ্গলেতেই  একমাত্র  পাওয়া যায়। 


দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ু লাগোয়া অন্ধ্রপ্রদেশের চার জেলা— নেল্লোর, কুর্নুল, চিত্তোর এবং কাডাপ্পা জেলায় এই গাছ মেলে। পূর্বঘাট পর্বতের আবহাওয়া এই গাছের জন্য অনুকূল। গাছটির উচ্চতা ৮-১২ মিটার হয়। 


লাল চন্দন হলো এক ধরনের ‘এনডেমিক স্পিসিস’। ‘এনডেমিক স্পিসিস’ বলতে এমন একটি উদ্ভিদ বা প্রাণীর প্রজাতিকে বোঝায় যা একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ। অর্থাৎ এই গাছ ওই অঞ্চল ছাড়া আর কোথাও পাওয়া যায় না। 


যেহেতু, প্রাকৃতিকভাবে ‘এনডেমিক স্পিসিস’ বিশ্বের অন্য কোথাও পাওয়া যায় না তাই আন্তর্জাতিক বাজারে রক্ত চন্দনের চাহিদা আকাশছোঁয়া। 


মূলত, দুই ধরনের চন্দনকাঠ পাওয়া যায়। একটি সাদা, অন্যটি লাল। সাদা চন্দনে সুন্দর গন্ধ থাকলেও লাল বা রক্ত চন্দনে কোনও গন্ধ নেই। 


কিন্তু এই কাঠের বিশেষ গুণ রয়েছে। যার কারণে বিশ্ব জুড়ে এর বিপুল এই চাহিদার কারণেই এই কাঠ পাচার হয় বিপুল পরিমাণে। আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ সঙ্ঘ (আইইউসিএন) ২০১৮-য় এই গাছকে ‘প্রায় বিলুপ্ত’ শ্রেণির তালিকাভুক্ত করেছে। চোরা কাঠকারবারিদের পাল্লায় এই কাঠ এত বিপুল পরিমাণে কাটা এবং পাচার হয়েছে যে, সারা বিশ্বে আর মাত্র পাঁচ শতাংশ গাছ অবশিষ্ট রয়েছে। 


মূলত, আয়ুর্বেদিক ওষুধ হিসেবে এই কাঠের বিপুল ব্যবহার হয়। হজম, ডায়রিয়াসহ বেশকিছু রোগের চিকিৎসায় এই কাঠ কাজে লাগে। এছাড়াও, মনে করা হয় রক্ত পরিশোধনের গুণ রয়েছে রক্তচন্দন কাঠের। নানা ওষধি গুণ ছাড়াও বিভিন্ন শিল্পেও এই কাঠের বিপুল চাহিদা রয়েছে। পূজা-অর্চনা এবং বিভিন্ন প্রসাধনী দ্রব্য তৈরিতেও এই কাঠের বিপুল চাহিদা রয়েছে। 


রক্তচন্দন থেকে পাওয়া নির্যাস বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হয়। এতে বেশ কিছু ‘আর্থ মেটাল’ পাওয়া যায়। সেটিও বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়। প্রাকৃতিকভাবে আগুন রোধ করতে সক্ষম। কারণ, রক্তচন্দনের কাঠ সহজে পোড়ানো যায় না। পূর্বঘাট এলাকা শুষ্ক হওয়ায় সেখানকার জঙ্গলে অনেক সময়েই দাবানলের ঘটনা ঘটে। 


এটি একটি দামী কাঠ। আন্তর্জাতিক বাজারে কেজি প্রতি সাত হাজারেরও বেশি টাকায় এই কাঠ বিক্রি শুরু হয়। ভারতে এই গাছ কাটা আইনত কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। তবে আইনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এই কাঠ পাচার হয়। পাচার রোধে 'রেড স্যান্ডলার্স অ্যান্টি-স্মাগলিং টাস্ক ফোর্স'ও গঠন করা হয়েছে। 


অন্ধ্রপ্রদেশে প্রাকৃতিকভাবে রক্তচন্দনের দেখা পাওয়া গেলেও বর্তমানে ব্যবসায়িক চাহিদা এবং গাছের অস্তিত্ব সঙ্কটের কথা ভেবে অন্য রাজ্যেও এই গাছের চাষ করার চেষ্টা চলছে। আন্তর্জাতিক স্তরে, চিন, জাপান, সিঙ্গাপুর, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং অস্ট্রেলিয়ায় এই কাঠের বিপুল চাহিদা রয়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি চাহিদা চিনে। তাই সেই দেশেই সবচে বেশি পাচার হয় রক্ত চন্দন। আসবাব, ঘরসজ্জা এবং বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র তৈরিতে চিনে এই কাঠের চাহিদা খুব বেশি।


পুষ্পা কীভাবে এই কাঠ পাচার করে নিজের সাম্রাজ্য বিস্তার করেছে তা ই ফুটিয়ে তোলা হয়েছে  সিমেমার দুই পর্বের গল্পে। ব্যাপক সাড়া সেই সিনেমায়। আর আয়ও রক্ত চন্দনের মতোই সর্বকালের রেকর্ড ভাঙ্গা। মহিমা সেই লাল সোনাই।            

সূত্র... বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ১১-১২-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ১১-১২-২০২৪ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরনে নারীদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার।


বিখ্যাত বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার’ এর সেরা ১০ ব্যক্তিত্বের তালিকায় স্থান পেলেন অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস।


গণহত্যার বিচার করে বিশ্বের সামনে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চায় বাংলাদেশ - মন্তব্য তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টার।


ঢাকার বায়ুমান ঝুঁকিপূর্ণ, বলেছে পরিবেশ মন্ত্রণালয় - বাইরে চলাফেরায় মাস্ক পরার পরামর্শ।


‘‘জয় বাংলা’’কে জাতীয় শ্লোগান ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের ওপর সুপ্রিম কোর্টের স্থগিতাদেশ।


বিএনপি ক্ষমতায় এলে জবাবদিহিতামূলক সরকার প্রতিষ্ঠা করা হবে - বললেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।


সিরিয়ার জনগণকে স্থিতিশীলতা ও শান্তি উপভোগের আহ্বান অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ আল বশিরের।


সেন্ট কিটসে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচে ৭ উইকেটে জয়লাভ করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ১০-১২-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ১০-১২-২০২৪ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


বাংলাদেশ সম্পর্কে অপপ্রচার ঠেকাতে ইইউ কূটনীতিকদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা।


আগামী নির্বাচনের আগে সংস্কার কার্যক্রম শেষ করার পুনঃপ্রত্যয় ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের - সংস্কার ও নির্বাচন সম্পর্কিত ঘোষণা আসতে পারে এ মাসেই।


বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে এবং ইতিবাচক ও গঠনমূলক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক চায় ভারত - বললেন সফররত ভারতীয় পররাষ্ট্র সচিব।


নতুন দিল্লীকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার আহ্বান পররাষ্ট্র সচিব মোহাম্মদ জসীম উদ্দিনের।


দুদক ও বিচার বিভাগ বিগত স্বৈরাচারী সরকারের দাসে পরিণত হয়েছিল - মন্তব্য আইন উপদেষ্টার।


দেশের চতুর্থ অর্থনৈতিক শুমারী শুরু হচ্ছে আজ।


ইসরাইলের সিরীয় ভূমি দখল ১৯৭৪ সালের চুক্তির লংঘন, জানাল জাতিসংঘ - কাতার, ইরাক এবং সৌদি আরবের নিন্দা।


আজ সেন্ট কিটস-এ দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচে স্বাগতিক ওয়েষ্ট ইন্ডিজের মোকাবেলা করবে বাংলাদেশ।

অর্থনৈতিক ও খাদ্যের প্রস্তুতি :,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 অর্থনৈতিক ও খাদ্যের প্রস্তুতি :


১। নিজের খাদ্য নিজেই উৎপাদন করুন। যেমন : ধান, গম, আলু, শাক-সবজি ইত্যাদি। কৃষিকাজের মাধ্যমে চাষাবাদ করুন।

২। বাড়ির আঙিনায় পুকুর কেটে সেখানে মাছ চাষ করুন।

৩। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গবাদিপশু পালন করুন। যেমন : গরু, ছাগল, ভেড়া ইত্যাদি। হাদিসে আলাদাভাবে এর নির্দেশনা রয়েছে।

৪। চাপকল বা টিউবওয়েল মাটির অনেক গভিরে স্থাপন করুন। সাধারনত যতটুকু নীচ থেকে পানি উঠে তার চাইতে ৫০-১০০ ফুট নীচে। এছাড়াও নদী, পুকুর, ঝর্নার পানি বিশুদ্ধ করে ব্যবহার করার পদ্ধতি জেনে নিন। চাপকলের যাবতীয় প্রয়োজনীয় এক্সেসরিজ সংগ্রহ করে রাখুন।

৫। পর্যাপ্ত শুকনো খাবার সংগ্রহে রাখুন। যেমন চিড়া, মুড়ি, সীম বা কুমড়ার বিচি, বাদাম, ছোলা, কিসমিস ইত্যাদি ।

৬। আপনার ব্যাংক একাউন্ট, ডিপোজিট বা এ জাতীয় খাতে যত টাকা আছে তা এক মুহূর্তও নিরাপদ নয়। দ্রুত তুলে ফেলুন। তা দিয়ে স্বর্ন ক্রয় করুন বা গবাদী পশুতে ক্রয় করুন। মনে রাখবেন, বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট ব্যবস্থা ধ্বংস হলে ব্যাংকে টাকা থাকলেও তুলতে পারবেন না।

৭। বাসস্থানের আশেপাশে পর্যাপ্ত ফলগাছ রোপন করুন।

৮। বাচ্চাদেরকে এখন থেকেই চিপস, চকোলেট, আইসক্রীম জাতীয় খাবার থেকে বিরত রাখার অভ্যাস করুন।

৯। শুকনো লাকড়ির ব্যবস্থা করে রাখুন।


c

মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৪

গ্রিসে ৪০০০ বছরের পুরনো জলপাই গাছ" এই গাছটি প্রায় ২০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে বাড়তে শুরু করে

 "গ্রিসে ৪০০০ বছরের পুরনো জলপাই গাছ"

এই গাছটি প্রায় ২০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে বাড়তে শুরু করে।

ব্রোঞ্জ যুগে, 

যখন শেষ উলি ম্যামথ শিকার করা হয়েছিলো তখন মিশরের ৭ম রাজবংশ শেষ হয়েছিল এবং মানুষ কাঁচের অস্তিত্ব আবিষ্কার করেছিল। 

এই গাছ মানুষকে ব্রোঞ্জ যুগ থেকে পারমাণবিক যুগে যেতে দেখেছে। এটি আমাদের পরিবর্তিত বিশ্বকে প্রত্যক্ষ করেছে এবং অনেক যুদ্ধের মধ্য দিয়ে বেঁচে আছে। এটি অনেক রাজা, রাজনীতিবিদ, যোদ্ধা এবং নবীদের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত দেখেছে।

 এবং এটি এখনও বছরে জলপাই উৎপাদন করে চলেছে।



ফিনল্যান্ডের জঙ্গলে এক অবিশ্বাস্য প্রাকৃতিক বিস্ময় রয়েছে, যা কুম্মাকিভি নামে পরিচিত,,,

 ফিনল্যান্ডের জঙ্গলে এক অবিশ্বাস্য প্রাকৃতিক বিস্ময় রয়েছে, যা কুম্মাকিভি নামে পরিচিত। এটি একটি বিশাল ৫০০ টনের পাথর, যা আরেকটি পাথরের উপর ভারসাম্য বজায় রেখে টিকে আছে। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, এই পাথর প্রায় ১১,০০০ বছর ধরে একই অবস্থানে রয়েছে।


"অদ্ভুত পাথর" নামে পরিচিত এই মনোমুগ্ধকর গঠন দর্শকদের মুগ্ধ করে, কারণ এটি এমনভাবে স্থির রয়েছে যেন যেকোনো মুহূর্তে পড়ে যাবে। কিন্তু প্রকৃতির এই বিস্ময় যুগের পর যুগ ভারসাম্য বজায় রেখেছে। এর উৎপত্তি শেষ বরফ যুগ থেকে, যা একে প্রকৃতির অন্যতম রহস্যময় ও দীর্ঘস্থায়ী বিস্ময় হিসেবে পরিচিত করে তুলেছে।


ছবির কৃতিত্ব সংশ্লিষ্ট মালিকের।




জীবনানন্দ দাশ, যিনি জন্মেছিলেন এক উচ্চবংশে, কিন্তু পুরো জীবন কাটিয়ে দিলেন হতদরিভাবে

 জীবনানন্দ দাশ, যিনি জন্মেছিলেন এক উচ্চবংশে, কিন্তু পুরো জীবন কাটিয়ে দিলেন হতদরিভাবে। বিয়ে করলেন লাবণ্যকে, যে হয়তো ঘরমুখো ছিল, কিন্তু স্বপ্ন ছিল তার আকাশছোঁয়া। চাকরিবিহীন জীবন আর স্ত্রীর সাথে বন্ধনহীন সম্পর্কের মাঝেও  জীবনানন্দ খুঁজে বেড়ালেন এমন একজন, যে তাঁর মনের গভীরে পৌঁছাতে পারবে, অন্ধকারে আলো ছড়িয়ে দিবে। 


এই হাহাকার আর আকাঙ্ক্ষা নিয়ে লিখলেন 

বনলতা সেন। 

আর রবীন্দ্রনাথ? চারদিকে তাঁর গুণগান, নোবেল পুরস্কারের জয়জয়কার। কিন্তু মানুষ তখন তাকে বুঝলো না, প্রশান্তির বদলে দিলো অপমান—এতো বেদনার ভেতর দিয়ে তিনি সৃষ্টি করেছেন হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া কবিতা । একই সময়ে কেন আমাদের কবি মেসে ছারপোকার কামড় সহ্য করে, ক্ষুধার তাড়নায় চড়ুই পাখির ফেলে যাওয়া বিস্কুট খাওয়ার ইচ্ছা নিয়ে গল্প লিখে গেলো?

 মনের মধ্যে বিষন্নতা আর সংসারের টানাটানির পরেও বাংলার মাটি আর হৃদয়ের সঙ্গে তার প্রেম ছিল অফুরন্ত। কখনো সুদর্শন, আবার কখনো লক্ষ্মীপেঁচা হয়ে এই বাংলায় ফিরে আসতে চেয়েছেন তিনি। 


অবিশ্বাস্যভাবে, পৃথিবীতে ট্রাম দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া একমাত্র মানুষ জীবনানন্দই। এখন তিনি স্বেচ্ছায় প্রাণ দিলেন, নাকি আসলেই দুর্ঘটনার শিকার? আজ ঠিক সেই প্রহেলিকার দিন। তাঁর নামের মধ্যে লুকিয়ে আছে জীবন আর আনন্দ, কিন্তু সারা জীবন কী পেলেন তিনি—দুঃখ ছাড়া?

There is a movie called 'Grave Of The Fireflies.' There is a dialogue there " Why do fireflies have to die so soon?"

এর উত্তর কিন্তু  ৭০ বছর আগে এর উত্তর দিয়ে গেছেন। তিনি আমাদের বিষন্নতার কবি--

 ''পৃথিবীর পুরনো পথের রেখা হয়ে যায় ক্ষয়,

 প্রেম ধীরে মুছে যায়, নক্ষত্রেরও একদিন 

 মরে যেতে হয়" (দুজন - বনলতা সেন)।


সুপ্রভাত

এক কৃষকের শখ বিভিন্ন জাতের ঘোড়া সংগ্রহ করা। তার সংগ্রহ সম্পন্ন করতে এখন শুধু এক ধরনের ঘোড়ার প্রয়োজন, যেটা তার প্রতিবেশীর কাছেই রয়েছে,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 এক কৃষকের শখ বিভিন্ন জাতের ঘোড়া সংগ্রহ করা। তার সংগ্রহ সম্পন্ন করতে এখন শুধু এক ধরনের ঘোড়ার প্রয়োজন, যেটা তার প্রতিবেশীর কাছেই রয়েছে। কিন্তু প্রতিবেশী সেটা বিক্রি করতে ইচ্ছুক নয়। তারপরও সে প্রতিদিন তাকে বিরক্ত করেই যাচ্ছে ঘোড়াটি বিক্রি করার জন্য। শেষ পর্যন্ত সে তার প্রতিবেশীকে রাজি করাতে সক্ষম হয়, কিন্তু তার এই আনন্দও বেশি দিন সইল না। এর এক মাস পরেই ঘোড়াটি অসুস্থ হয়ে পড়ল।


পশু ডাক্তার এসে ঘোড়াটিকে দেখে বলল, এটি একটি মারাত্মক ক্ষতিকর ভাইরাসে আক্রান্ত। সে কিছু ওষুধ লিখে দিয়ে বলল, এগুলো তিন দিন ধরে খাওয়াতে হবে। এর মধ্যে সুস্থ না হলে তিন দিন পরে ঘোড়াটিকে মেরে ফেলতে হবে।


ডাক্তার আর কৃষকের কথাগুলো এর মধ্যে একটি ছাগল আবার মনোযোগ দিয়ে শুনছিল। কিছুক্ষণ পরে কৃষক এসে ঘোড়াটিকে ওষুধ খাইয়ে আবার নিজের কাজে গেল। তখন ছাগলটি এসে ঘোড়াটিকে বলল, শক্ত হও বন্ধু, তোমাকে সুস্থ হতেই হবে, না হলে ওরা তোমাকে মেরে ফেলবে।


দ্বিতীয় দিনও কৃষক ঘোড়াটিকে ওষুধ খাইয়ে যাওয়ার পর ছাগলটি ঘোড়াটিকে বলল, উঠো বন্ধু, তোমাকে কষ্ট করে হলেও হাঁটতে হবে, আসো আমি তোমাকে সাহায্য করছি।


তৃতীয় দিন কৃষকের সঙ্গে আবার সেই পশু ডাক্তার এলো, ওষুধ খাওয়ানোর পরে ডাক্তার বলতে লাগল, নাহ আর কিছু করার নেই, কালকে ঘোড়াটিকে মেরে ফেলতে হবে, না হলে তোমার অন্য ঘোড়াগুলোও সংক্রমিত হতে পারে, কোনো সুযোগ নেওয়া ঠিক হবে না। কৃষকও নিরুপায় হয়ে তাতে সায় দিল। এবার তারা চলে যাওয়ার পর ছাগলটি এসে ঘোড়াটিকে বলল, আজকেই শেষ সুযোগ বন্ধু, উঠে দাঁড়াও, তোমাকে পারতেই হবে, দৌড়াতে হবে, এই তো এই তো হচ্ছে, তুমি পেরেছ, আর একটু, চমৎকার, তুমি পারবেই। অবশেষে ঘোড়াটি দৌড়াতে শুরু করল।


এমন সময় হঠাৎ কৃষক এসে দেখতে পেল ঘোড়াটি দৌড়াচ্ছে, সে আনন্দে আত্মহারা হয়ে বলতে লাগল, ‘অবিশ্বাস্য, আমার ঘোড়া সুস্থ হয়ে গেছে, কোথায় সবাই, এই আনন্দে আজকে পার্টি হবে, এই কে আছিস, ছাগলটাকে নিয়ে আয়। 


শিক্ষা :

কিছু মানুষ কখনই জানতে পারে না প্রকৃত সাফল্যের পেছনে আসলে কারা থাকে, কারা পুরস্কৃত হয়, আর কারা অন্যের মঙ্গলে নিজেদের উৎসর্গ করে দেয়।

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...