এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৪

ঘুরে_দাঁড়ানোর_গল্প ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 #ঘুরে_দাঁড়ানোর_গল্প

“একজন ভারতীয় মহিলা শাস্ত্রীয় নৃত্যশিল্পী হিসেবে দর্শক আমার থেকে আশা রাখেন, যে আমার একঢাল লম্বা চুল থাকবে। মাথার চুল পরে গেলে মহিলারা এমনিতেই নিজেদের লোকচক্ষুর আড়াল করে নিতে চান।


কিন্তু আমি মনে করি আমার চুল হলো আমার জীবনের একটি ক্ষুদ্র অংশ; এর অভাবে আমি নিশ্চয়ই বাঁচা ছেড়ে দেবো, তাই না? আমি আজও নিজেকে আগের মতোই সুন্দর দেখি। আর এইভাবেই যখন কেউ নিজেকে সাদরে গ্রহণ করে নেয়, সমাজও তখন তাকে সেইভাবেই গ্রহণ করে নেয়।


কত্থকের অর্থ হলো কাহিনী ব্যক্ত করা; এবং নৃত্য শুধুমাত্র শরীরের নড়াচড়ার বিষয় নয় বরং এটি মানুষকে নতুনভাবে ভাবতে শেখায়, যা সমাজ পরিবর্তনের অনুঘটক হিসেবে কাজ করে।


এমনও সময় গেছে, যখন আমি কখনও কেমোর একদিন আগে বা একদিন পরেও নৃত্য উপস্থাপন করেছি। নাচ আমার কাছে অক্সিজেনের মতো। আমি নাচ ছাড়া কিছুতেই থাকতে পারবো না। আমার তৃতীয় এবং ষষ্ঠ কেমোর মধ্যবর্তী সময়ে, আমি 15টি শো করেছি।


আমার মানসিক স্বাস্থ্য এবং একটি প্রাথমিক রোগ নির্ণয় আমাকে দ্রুত আরোগ্য লাভ করতে সাহায্য করেছে। আমি যদি বিছানায় থাকতাম, আমি অবসাদে চলে যেতাম। পরিবর্তে, নাচ আমাকে এই কঠিন রজার মধ্যেও বাঁচার শক্তি ও অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। কিন্তু আমিও একাকীত্বে চোখের জল ফেলি।


ঈশ্বরকে প্রশ্ন করি, ‘আমিই কেন?’ আমি তো কারো প্রতি কোন অন্যায় করিনি। কিন্তু যখন আমি দেখি কত মানুষ আমার থেকেও খারাপ পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, তখন আমি লড়াই করার শক্তি খুঁজে পাই। আমি কারও সহানুভূতি চাই না। আমি ভালবাসা চাই। একজন নারী হিসাবে, আমরা প্রতিনিয়ত অন্যের জন্য বাঁচতে গিয়ে নিজের বাঁচার কথাই ভুলে যাই। আমি বিশ্বাস করি, আপনি নিজে যদি সুখী থাকেন, একমাত্র তখনি আপনি অন্যকে সুখী রাখতে পারবেন।


মৃত্যু তো একদিন আসবেই; কিন্তু সেই একদিন মরার আগে প্রত্যেকদিন প্রাণভরে বাঁচবো না কেন আমি? আমি যখন আজ ঘুম ভেঙে চোখ খুলে আজকের সকাল দেখতে পেরেছি, তার মানে, আমি আরও একটা সুযোগ পেলাম নতুনভাবে বাঁচার জন্যে, তাহলে আমি অযথা দুশ্চিন্তা করে সময় নষ্ট করবো কেন?”


-- অলকানন্দা দাশগুপ্ত

কবিতা: হে হৃদয় বন্দিনী। লেখক:আহমেদ নূর।(অমানুষ)

 কবিতা: হে হৃদয় বন্দিনী।

লেখক:আহমেদ নূর।(অমানুষ)


তুমি যে গেছ দূরে, শূন্য এ জীবন,

পৃথিবী দেখায় ম্লান, অন্ধকারে মন।

তোমারি কথা মনে, জাগে ব্যথা অপার,

কেমনে থাকি একা, তুমিহীন এ সংসার।


হে হৃদয় বন্দিনী, ফিরে এসো প্রিয়,

এই বিরহের ব্যথা সহে নাহি হৃদয়।

আলো হয়ে আসো তুমি, আঁধারে আমার,

তোমার স্পর্শ বিনা জীবন বৃথা আমার।


তোমার সেই হাসি, সেই মধুর বাক,

স্মরণে আনিয়া দেয় অমৃতের স্বাদ।

তোমার ছায়ায় ছিলাম স্নিগ্ধ নির্ভয়ে,

এখন শুধু আঁধার, চারিদিক ঝরে।


তোমা বিনা প্রিয়, পথিকের গন্তব্য নাই,

তুমি ছিলে হৃদয়ে, অক্ষয় আশ্রয়।

ফিরিয়া এসো তুমি, সুখের মেলবন্ধনে,

ভালোবাসার ছায়া দাও, চিরন্তন ভুবনে।


হে হৃদয় বন্দিনী, কোন দূরলোক হতে,

তোমার স্মৃতি লয়ে আসি, অশ্রুজল পথে।

সদা তব স্মরণে মগ্ন হৃদয়,

তোমারে ভুলি কেমনে, জীবন যে মায়ায় ভরায়।

মানুষের জীবনের চাওয়া পাওয়াঃ- ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 মানুষের জীবনের চাওয়া পাওয়াঃ-

≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈

❐ উকিল চায় আপনি ঝামেলায় পড়ুন।

❐ ডাক্তার চায় আপনি অসুখে পড়ুন।

❐ পুলিশ চায় আপনি বেআইনী কাজ করেন।

❐ ইলেকট্রিশিয়ান চায় আপনার

বাড়ির ওয়্যারিং জ্বলে যাক।

❐ বাড়িওয়ালা চায় আপনি যেন

জীবনে বাড়ি করতে না পারেন।

❐ মুচি চায় আপনার নতুন জুতো ছিঁড়ে যাক।

❐ ব্যাংকার চায় আপনি টাকা লোন

নিয়ে ঋনগ্রস্থ হোন।

❐ প্রাইভেট টিউটর চায় আপনার

সন্তান পাঠ্যপুস্তকের পড়া কম বুঝুক।


🎇৩টি জিনিসের উপর ভরসা করা ঠিক নয়।

১| নদীর পাড়ের বাড়ি

২। ব্রেক ছাড়া গাড়ি

৩। ঘর ছাড়া নারী।

🎇তিনটি জিনিস একবার আসেঃ

(১) মাতা-পিতা

(২) সৌন্দর্য্য

(৩) যৌবন।

তিনটি জিনিস

🎇ফিরিয়ে আনা যায়নাঃ

(১) বন্দুকের গুলি

(২) কথা

(৩) রূহ।

🎇তিনটি জিনিস মৃত্যুর পর উপকারে আসেঃ

(১)সু-সন্তান

(২)ভাল কাজ

(৩) ইলম।

🎇তিনটি জিনিস সম্মান নষ্ট করেঃ

(১)চুরি

(২)চোগলখুরী

(৩)মিথ্যা।

🎇তিনটি জিনিস

জীবনে রাখতে নেইঃ

(১)হিংসা

(২)অভাব

(৩)সন্দেহ।

🎇তিনটি জিনিসকে সর্বদা মনে রাখা উচিতঃ

(১) উপদেশ

(২) উপকার

(৩) মৃত্যু।

🎇তিনটি জিনিস কে আয়ত্বে রাখা উচিতঃ

(১) রাগ

(২) জিহবা

(৩) মন।

🎇তিনটি জিনিস অভ্যাস করা উচিতঃ

(১) সততা

(২) ভক্তি

(৩) ভালোবাসা

🎇তিনটি জিনিস থেকে দূরে থাকা উচিতঃ

(১) মিথ্যা

(২) অহংকার

(৩) অভিশাপ।

🎇তিনটি জিনিসকে চিন্তা করে ব্যবহার করা উচিতঃ

(১) কলম

(২) কথা

(৩) কদম


নুপুরের দাম হাজার টাকা,,

কিন্তু তার স্থান পায়েই হয়,,

টিপের দাম এক টাকা হলেও ,,

তার স্থান কপালে। "যে নুনের মতো

তিতকুটে জ্ঞান দেয়, সে আসল বন্ধু"।

ইতিহাস সাক্ষী আছে, নুনে কখনো পোকা ধরেনি,,

আর মিষ্টিতে তো প্রতিদিনই পোকা ধরে, পিঁপড়ারাও ছাড়েনি।

মোমবাতি জ্বালিয়ে মৃত মানুষকে স্মরণ করা হয় ,,

আর মোমবাতি নিভিয়ে জন্মদিন পালন করা হয়।

মানুষ সোজা পথে চলতে চায় না,,

আর বাঁকা পথের প্রতি সবারই

আগ্রহ বেশী।

এজন্যই তো মদ বিক্রেতাকে কারো কাছে যেতে হয় না,,

আর দুধ বিক্রেতাকে পাড়ায় পাড়ায় যেতে হয়।

আমরা দুধ বিক্রেতাকে সর্বদা বলি, পানি মেশাননি তো?",,

আর মদে নিজেরাই পানি  মিশিয়ে খাই।

আজ পর্যন্ত মানুষকে এটুকুই বুঝলাম,,,

যে -"তাকে জানোয়ার বললে ক্ষেপে যায়,,

কিন্তু সিংহ বললে খুব খুশি হয় !!


🤔মানুষ বড়ই আজব প্রানী🤔


আপনাদের  পোস্ট টি ভালো লেগে থাকলে   আমার একটি অনুরোধ  রাখবেন সবাই

দয়া করে গ্রুপে জয়েন হয়ে যাবেন এরকম আরো পোস্ট পেতে   🙏🙏🙏

লাল সোনা’ পাচার করে পুষ্পার এতো রমরমা । কেন এতো দাম রক্তচন্দনের?

 ‘লাল সোনা’ পাচার করে পুষ্পার এতো রমরমা । কেন এতো দাম রক্তচন্দনের ? আর চীনেই বা এই রক্তচন্দন কাঠের চাহিদা সবচেয়ে বেশী কেন ?


তামিলনাড়ু সংলগ্ন অন্ধ্রপ্রদেশের চার জেলা--নেল্লোর , কুর্নুল , চিত্তোর এবং কাডাপ্পা জেলায় এই গাছ মেলে । পূর্বঘাট পর্বতের আবহাওয়ায় এই গাছ খুব ভালো হয় । এক একটি গাছের উচ্চতা ৮-১২ মিটার ।


৫ই  ডিসেম্বর মুক্তি পেয়েছে অল্লু অর্জুনের বহুপ্রতীক্ষিত ছবি ‘পুষ্পা ২: দ্য রুল’ । ২০২১ সালটির সুপারহিট ছবি ‘পুষ্পা : দ্য রাইজ়’ ছবির দ্বিতীয়ভাগ । এই সিনেমাটিতে মূল চরিত্র একজনই , পুষ্পারাজ । প্রথম ছবিটির মতো তাকে ঘিরেই গল্প আবর্তিত হয়েছে । সেই চরিত্রকে অল্লু পর্দায় সাবলীলভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন ।


তবে পুষ্পারাজ ছাড়াও এই ছবির আর এক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হলো লালচন্দন ,যেমন ছিল ছবির প্রথমপর্বেও । রক্তচন্দন কাঠের চোরাপাচার নিয়ে এই ছবির কাহিনী । কেন্দ্রীয় চরিত্র পুষ্পা কীভাবে এই রক্তচন্দন কাঠ চোরা পাচার করে এক সাম্রাজ্য বিস্তার করেছে ,ছবিটির ছত্রে ছত্রে সেই দৃশ্যই ফুটিয়ে তুলেছেন পরিচালক ।


এটা তো গেল সিনেমার গল্প । কিন্তু ঐ সিনেমাটির মত বাস্তবেও লাল চন্দন অথবা রক্তচন্দনের গাছ বহুমূল্য একটি জিনিস ।


কিন্তু রক্তচন্দনের কেনই বা এতো দাম ? সেই কাঠটিরই এতো চাহিদা কেন ? কেনই বা কালোবাজারি চলে লাল চন্দনকাঠ নিয়ে ?


রক্তচন্দনকে এই দেশে ‘লাল সোনা’ বলা হয় । সোনার মতোই বহুমূল্যবান এই গাছ । আর এই গাছটি হল খুবই বিরল প্রজাতির ।


‘পুষ্পা’ চিত্রে যে জঙ্গলের কথা বলা হয়েছে , রক্তচন্দন  শেষাচলম পাহাড়ের ওই ঘন জঙ্গলেই পাওয়া যায় ।


তামিলনাড়ু সংলগ্ন অন্ধ্রপ্রদেশের চার জেলা--নেল্লোর , কুর্নুল , চিত্তোর এবং কাডাপ্পা জেলায় এই গাছ মেলে । পূর্বঘাট পর্বতের আবহাওয়ায় এই গাছ খুব ভালো হয় । এক একটি গাছের উচ্চতা ৮-১২ মিটার ।


লালচন্দন হল এক ‘এনডেমিক স্পিসিস’। ‘এনডেমিক স্পিসিস’ বলতে বোঝায় এমন একটি উদ্ভিদ বা প্রাণীর প্রজাতি যেটি একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ ।


প্রাকৃতিকভাবেই এই ‘এনডেমিক স্পিসিস’ পাওয়া যায় না বিশ্বের অন্য কোথাও । আর সেই জন‍্য আন্তর্জাতিক বাজারেও রক্তচন্দনের চাহিদা কল্পনাতীত ।


দুই ধরনের চন্দনকাঠই পাওয়া যায় । সাদা এবং লাল । সাদা চন্দনে সুন্দর গন্ধ থাকলেও লাল কিম্বা রক্তচন্দনে কোনও গন্ধই নেই ।


কিন্তু এই কাঠের বিশেষ গুণের জন্যই সারা বিশ্ব জুড়ে এর বিপুল চাহিদা । আর সেই চাহিদার জন‍্যই এই কাঠ পাচার হয় । ২০১৮ সালে আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ সঙ্ঘ (আইইউসিএন) এই গাছকে ‘প্রায় বিলুপ্ত’ শ্রেণীর তালিকাভুক্ত করেছে ।


এই কাঠ এতো বিপুল পরিমাণে কাটা ও পাচার হয়েছে যে , সমগ্র বিশ্বে অবশিষ্ট রয়েছে আর মাত্র পাঁচ শতাংশ  গাছ ।


আয়ুর্বেদিক ওষুধ হিসেবেই এই কাঠের বিপুল ব্যবহার হয় । বদহজম , ডায়েরিয়া-সহ বেশ কয়েকটি দৈনন্দিন  রোগের চিকিৎসাতেই এই কাঠ কাজে লাগে ।


রক্ত শুদ্ধিকরণের গুণও রয়েছে এই রক্তচন্দন কাঠের । ঔষধি গুণ ছাড়া অন্যান্য শিল্পেও এই রক্তচন্দন কাঠের বিপুল চাহিদা । এসব ছাড়া পূজা-আর্চা অথবা প্রসাধনী দ্রব্য তৈরীতেও এই কাঠ ব্যবহৃত হয় ।


উল্লেখ্য , রক্তচন্দন থেকে যে নির্যাস পাওয়া যায় , তাও বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হয় । রক্তচন্দনে বেশ কিছু ‘আর্থ মেটাল’ পাওয়া যায় ।


রক্তচন্দনের কাঠ সহজে পোড়ানোও যায় না । পূর্বঘাট এলাকাটি শুষ্ক হওয়ায় সেখানকার জঙ্গলে আগুন ধরে যাওয়া অথবা দাবানলের ঘটনা ঘটবার আশঙ্কা প্রবল । রক্তচন্দন প্রাকৃতিকভাবেই আগুন রোধ করতে সক্ষম ।


বিশ্বের আন্তর্জাতিক বাজারে কেজি প্রতি তিনহাজারের বেশি টাকা দাম থেকেই এই কাঠ বিক্রয় শুরু হয় ।


ভারতে এই গাছ কাটা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ । তবে এমন কাঠও চোরা পাচার হয় আইনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে । পাচার রোখবার জন্য ‘রেড স্যান্ডলার্স অ্যান্টি-স্মাগলিং টাস্ক ফোর্স’ও গঠন করা হয়েছে ।


চীন , জাপান , সিঙ্গাপুর , সংযুক্ত আরব আমিরশাহী বা  অস্ট্রেলিয়ায় এই কাঠের বিপুল চাহিদা । তবে সবচেয়ে বেশি চাহিদা চীনেই । তাই পাচারও বেশী হয় ঐ দেশে । আসবাব , ঘরসজ্জা এবং বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র তৈরীতে সেই দেশে এই কাঠের চাহিদা খুবই বেশী ।


উল্লেখ্য , অন্ধ্রপ্রদেশে প্রাকৃতিকভাবে রক্তচন্দনের দেখা পাওয়া গেলেও এখন বাণিজ্যিক চাহিদা আর রক্তচন্দন বৃক্ষের অস্তিত্বের সঙ্কটের কথা ভেবে অন্য রাজ্যেও এই গাছের চাষ করার চেষ্টা চলছে ।...তথ‍্য  : আনন্দবাজার

ফেইসবুক গল্প ডাঃ ফারহানা জামান ফেইসবুক পেইজ থেকে নেওয়া

 বিয়ের আসরে ছেলের বাবা হাসিমুখে বললেন,

"বেয়াই সাহেব, বিয়েতো হয়ে যাচ্ছে তো আমার ছেলের জন্য বলছিলাম যে পাঁচ লাখ টাকা আর একটা বাইকের ব্যবস্থা করলে সুবিধা হতো। 


আসলে চাইতাম না তবুও ওর অফিসে যাতায়াতের জন্য বাইকটা খুবই প্রয়োজন ছিল। আর আমারও কিছু ঋণ-টিন আছে ওগুলাও পরিশোধ করতাম। ছেলে তো আমার একটাই। আমার যা আছে সবই তো ওর আর ওর মানে আমার বউমার।"

মেয়ে পক্ষের সকলে এই কথা শুনে চুপ করে রইলো। কিছুক্ষণ বাদেই কাজি সাহেব আসলেন বিয়ে পড়ানোর খাতা পত্র নিয়ে। যখন কাবিনের কথা উঠলো তখন মেয়ের বাবা কাউকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে কাজি সাহেবকে বললেন,

"আপনি দশ লাখ টাকা কাবিন লিখেন।"

এই কথা শুনে ছেলের বাবা ফুঁসে উঠে বললেন,

"দশ লাখ টাকা কাবিন? মগের মুল্লুক নাকি? আমার ছেলের সামর্থ্যও তো দেখতে হবে নাকি?"

মেয়ের বাবা সামান্য হেসে বলেন,

"মেয়ে তো আপনাদের কাছেই থাকবে তো দশ লাখ কাবিন হোক আর এক কোটি হোক তাতে কি আসে যায়?"

ছেলের বাবা রাগমিশ্রিত কণ্ঠে বলেন,

"যত যাই বলেন আমি এতো টাকা কাবিন দিবো না।"

মেয়ের বাবা ভরা মজলিসে সামান্য অট্টহাসি দিয়ে বলেন,

"দশ লাখ টাকা কাবিন দিতে আপনার ভয় যে ছেলে বউয়ের যদি কোনোভাবে ডিভোর্স হয়ে যায় তাহলে আপনার দশ লাখ টাকা গচ্চা যাবে আর এদিকে আপনি ঠিকই আমার কাছে ছেলের জন্য বাইক আর পাঁচলাখ টাকা নগদ চাচ্ছেন। বিষয়টা কেমন হয়ে গেলো না?"

"কিসের সাথে কি মিলান? জামাইকে শ্বশুর বাড়ি থেকে এসব টুকটাক তো সবাই দেয়। এটাতো সমাজেরই নিয়ম।"

মেয়ের বাবা ঠান্ডা মাথায় বললেন,

"যৌতুক নেওয়া যদি সমাজের নিয়ম হয় তাহলে কাবিনও বেশি দেওয়া সমাজের নিয়ম। একচোখে সবকিছু দেখলে হয় নাকি বেয়াই সাহেব?"

ছেলের বাবা এবার রাগান্বিত স্বরে বলেন,

"আমার ছেলে বড় চাকরি করে। দরকার হলে আপনার এখানে ছেলেকে বিয়ে দিবোনা, মেয়ের অভাব আছে নাকি?"

"আমার মেয়েও কিন্তু উচ্চশিক্ষিত, তাকেও আমি নিজের টাকা পয়সা খরচ করে এতোদূর এনেছি আর আপনিও আপনার ছেলের জন্য কষ্ট করেছেন, তাহলে যৌতুক কেনো মেয়ের বাবাকেই দেওয়া লাগবে? আর এখানে বিয়ের আসর ছেড়ে চলে গেলে ক্ষতি কিন্তু আপনারই। থানায় কল দিয়ে যদি বলি যৌতুকের জন্য বিয়ে ভেঙ্গে দিচ্ছেন তাহলে জেলে যাবেন কিন্তু আপনারাই। তাই ভেবে চিন্তেই সিদ্ধান্ত নিয়েন।"

মেয়ের বাবার কথা শুনে ছেলে পক্ষের সবাই চুপ। নিরবতা ঠেলে মেয়ের বাবা পুনরায় বলে উঠলেন,

"যাইহোক আপনাদের সাথে আমারও আর আত্মীয়তা করার সখ নেই। এখনই এই অবস্থা আর বিয়ের পর আমার মেয়েকে যৌতুকের জন্য অত্যাচার করবেন না তার কি গ্যারান্টি? তার থেকে বরং আমার এই বিয়ের আয়োজনের যেই খরচটা হলো সেটা দিয়ে কেটে পরুন। নাহলে বিষয়টা থানা পর্যন্ত গেলে কত কি হয়ে যাবে ভাবতে পারছেন?"

ছেলের বাবাসহ ছেলে পক্ষের সকলের মাঝে পিনপতন নীরবতা।


মেয়ের বাবা মেয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে বললেন,

"যত যাই হোক আমি অন্ততঃ তোকে কোনো ছোটলোকের কাছে বিয়ে দিবো না। আমার রাজকন্যা আমৃত্যু যেনো রাজকন্যার মতোই থাকে সেই ব্যবস্থাই করবো।"

গল্পটি কেমন লাগলো জানাবেন। একটু কমেন্টে রেস্পন্স করবেন। আজকাল ফেসবুকের রিচ নেই বললেই চলে।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া গল্প

 ভীড় ছিল ট্রেনে। আমি সীট না পেয়ে দাঁড়িয়ে আছি। ঘড়িতে তখন রাত সাড়ে আটটা। দেখলাম পঁচিশ ছাব্বিশ বছরের একটি ছেলে আমার দিকে অনেকক্ষণ ধরেই তাকিয়ে আছে। প্রায় ছ ফিট লম্বা, দেখতে হিরো টাইপ, হাতে একটা বালা। যখনই ছেলেটির চোখে চোখ পড়ছে,তখনই  দেখছি আমার দিকে দেখছে একদৃষ্টে। ব্যাপারটা বুঝতে না পেরে আমি ঘুরে দাঁড়ালাম, যাতে ও আর না আমার দিকে তাকায়। ব্যাপারটা আমার কাছে বেশ সন্দেহজনক ছিল। অপরিচিত কেউ একজন এভাবে ফলো করছে দেখে ব্যাপারটা ভালো ঠেকল না।


ভীড় বাড়তে লাগল। ভাবলাম ভালোই হল। ছেলেটির গতি প্রকৃতি ভালো লাগছিল না আমার। মনের মধ্যে একটা খটকা তৈরি হলো। ভাবছিলাম কেন তাকাচ্ছিল ও? চোখ দুটো বেশ সন্দিহান। ভীড়টা বেড়ে যেতেই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে পিছন ফিরে তাকাবার চেষ্টা করতে আর দেখতে পেলাম না ছেলেটিকে।


যাইহোক, আমার এ বিষয়ে এত না ভাবলেও চলে। হয়তো আমার লেখা পড়ে। তাই হয়তো চিনতে পেরেছে। খারাপ চিন্তা ছেড়ে ভালো চিন্তাই করতে শুরু করেছি তখন। মানুষকে খারাপ ভাবা ঠিক নয়। নিজের মত করে অনেক কিছুই ভেবে নিই আমরা, পরে দেখা যায় আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে ভুল থাকে।

ঠিক এমনটাই  ভাবছি, হঠাৎ আমি তাকিয়ে দেখি ছেলেটি একদম আমার পাশে। আমি বুঝতে পারিনি কখন আমার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। মুখের দিকে তাকাতেই দেখি, আমাকে আপাদ মস্তক দেখছে। হঠাৎ করেই আমার হাতটা চেপে ধরল, বেশ শক্ত করেই। আমি কিছু বলতে যাব,তার আগেই বলল,


-এড়িয়ে যাচ্ছেন আমাকে?


জিজ্ঞেস করলাম,


-কে আপনি?


-আমাকে আপনি বলছেন? আমাকে কি সত্যিই চিনতে পারলেন না স্যার?


স্যার বলতেই ধাতস্ত হলাম একটু। বললাম,


-চিনতে পারলাম না তো?


-আপনার ক্লাসের সব থেকে খারাপ ছেলেটা। টেনের টেস্ট পরীক্ষার সময় খাতা কেড়ে নিয়েছিলেন বলে আমি বলেছিলাম, আপনাকে দেখে নেব স্যার, সেই  খারাপ ছেলেটাই আমি।  বলতে পারেন ক্লাসের সব থেকে বদ ছেলেটা। জানেন স্যার এখনও মনে পড়লেই খুব লজ্জা লাগে। আজ আপনাকে সামনে দেখে খুব আনন্দ হচ্ছে। 


স্মৃতি হাতড়াতে গিয়ে মনে পড়ল রোগা পাতলা চেহারার তালপাতার সেপাইকে। বললাম,তুই মানে সেই...


-হ্যাঁ স্যার আমি সৌম্য। অনেকক্ষণ ধরে তাকিয়ে আছি। আপনি চিনতে পারেন নি বলেই হয়তো বুঝতে পারেন নি। আমি আপনাকে ঠিক চিনতে পেরেছি। দশ বছর আগে আপনাকে দেখেছিলাম। তারপর আজ দেখছি। আপনার লেখা পড়ি। ক্লাসে আপনার পড়া হয়তো শুনতাম না, এখন আপনার লেখা পড়ে মনের শক্তি পাই। পড়াশোনায় তো ভালো ছিলাম না, তাই আপনাকে মেসেজ করতে সাহস পাইনি। বিশ্বাস করুন স্যার স্কুলের সব স্যারকেই মনে আছে। আপনাকেও খুব মিস করি।বলতে বলতেই ভীড়ের মধ্যেই প্রণাম করতে গেলে বুকে টেনে নিই। মনে মনে বলি এত ভালোবাসা, এত সম্মান পায়ে রাখি কী করে? জিজ্ঞেস করলাম,


-করিস কী?


বলল,


-পোস্টিং পাঞ্জাবে। সেনাবাহিনীতে আছি।

আশীর্বাদ করবেন স্যার। জীবনে আপনাদের  অবদান যেন ভুলতে না পারি। একটা আর্জি আছে স্যার, আমাদের মত এই সাধারণ ছেলেদের নিয়ে একদিন  লিখবেন আপনার কলমে।আমি পাঞ্জাব থেকে পড়ব আর আমার সব সহকর্মী বন্ধুদের শোনাব, বলব আমার স্যার লিখেছে। 


চোখটা ভিজে যাচ্ছিল আমার। ট্রেন হাওড়া ঢুকল। নামলাম দুজনেই। ওর সাথে ওর বড় লাগেজ। আবার প্রণাম করতে গেলে, আমি বলি থাক রে। বলল, "স্যার আপনার পা দুটো ছুঁতে দিন অন্তত , এই প্রণামটা আমার সব স্যারদের জন্য। আপনাদের আশীর্বাদ না থাকলে এত দূর আসতে পারতাম? বাবা মায়ের পরেই তো আপনারা।" শিক্ষকতার জীবনে এই গুলোই তো আসল পাওয়া। বললাম, স্যালুট দেশ নায়ক। তোমরাই তো আমাদের রিয়েল হিরো।

(রিপোস্ট)

ঘটনা:৭ নভেম্বর,২০২২


কলমে:সরজিৎ ঘোষ।

ছবি সংগৃহীত।

পৃথিবীর এমনই একটি দেশ যার এক প্রান্তে যখন সন্ধ্যা অন্যপ্রান্তে তখন সকাল,,, জ্ঞান বিজ্ঞান ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 " পৃথিবীর এমনই একটি দেশ যার এক প্রান্তে যখন সন্ধ্যা অন্যপ্রান্তে তখন সকাল


"

পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘুরছে, পুরো একবার ঘুরে আসতে সময় লাগে ২৪ ঘণ্টা। ফলে এক দেশে সকাল হলে তার বিপরীত পাশের দেশে রাত। কিন্তু যদি ধরুন এমন হয় একই দেশে যদি এমন ঘটনা ঘটে তাহলে কেমন হবে বলুন তো। যখন দেশের একপ্রান্তের মানুষ ঘুম থেকে উঠে সকালের প্রাতরাশ করছেন তখন অন্যপ্রান্তে রাতের খাবার খাচ্ছেন।


শুধু তাই নয় এই দেশের অর্ধেক অংশে যখন দিন হয়, তখন অন্য অর্ধেক অংশে থাকে রাত। এটা পৃথিবীর একমাত্র দেশ যেখানে সকাল এবং রাত একসঙ্গে থাকে। সময় অনুযায়ী এখানকার একটি অংশে যখন কেউ সকালের চা খাচ্ছেন, আবার অন্য জায়গায় কেউ হয়তো খেতে বসেছেন রাতের খাবার।


শুনলে অবাক হবেন, এই দেশটির অর্ধেক অংশে যখন দিন, তখন অন্য অংশে হয় রাত। তবে সারা বছরই যে এরকম প্রক্রিয়া চলতে থাকে এমন কোন ব্যাপার নেই। এই প্রবণতা থাকে মে থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত, প্রায় ৭৬ দিন।বলতে পারবেন, কোন সেই দেশ? নামটি শুনলে কিন্তু খানিক অবাকই হবেন। সেই দেশটি হল রাশিয়া। আয়তনে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দেশও এই রাশিয়া। রাশিয়ার একটি শহর হল মর্মস্ক। এখানে গ্রীষ্মকাল দীর্ঘস্থায়ী। সেই সময় দিনরাতের অনুভূতি এখানে একেবারে থেমে যায়। সূর্য খুব উজ্জ্বল হয়ে ওঠে এবং মানুষ দিন ও রাতের অনুভূতি একেবারে ভুলে যান। রাশিয়ার এই শহরটিতে সূর্য কখনো অস্ত যায় না, সেটি কেবল আকাশজুড়ে ঘুরে চলে।


রাশিয়া বিশ্বের সর্বপ্রথম বৃহত্তম দেশ এবং  শীতলতম দেশ বলে এ দেশে সারাবছর হিমশীতল এবং শৈত্যপূর্ণ আবহাওয়া বিরাজ করে থাকে। অতিরিক্ত আর্কটিক বরফাচ্ছন্নের, অতি উচ্চভূমি এবং রুশ প্রকৃতির দ্বারা শৈত্যপ্রবাহ সৃষ্টি হয় এবং প্রায় সারাদিন শৈত্যপ্রবাহ চলতে থাকে। রাশিয়ার সাইবেরিয়া এলাকায় সারাদিন ঠান্ডা ও শৈত্যপ্রবাহ থাকে এবং পশ্চিম-দক্ষিণাংশে গরম থাকে।


From  জ্ঞানওবিজ্ঞান ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


সংগৃহীত পোস্ট 🌹



রিক্সা_আবিষ্কার পঙ্গু স্ত্রীকে শহর দেখানোর ইচ্ছা থেকে রিকশা আবিষ্কার। 👉🏻 রিকশা জাপানে উদ্ভাবিত হলেও সেটির নকশা করেছিলেন জোনাথন স্কোবি বা জোনাথন গোবলে নামের একজন মার্কিন খ্রিস্টান মিশনারী

 #রিক্সা_আবিষ্কার


পঙ্গু স্ত্রীকে শহর দেখানোর ইচ্ছা থেকে রিকশা আবিষ্কার।


👉🏻 রিকশা জাপানে উদ্ভাবিত হলেও সেটির নকশা করেছিলেন জোনাথন স্কোবি বা জোনাথন গোবলে নামের একজন মার্কিন খ্রিস্টান মিশনারী । 

পারকার এফ ক্যালভিনের লেখা জোনাথন গোবলে ইন জাপান বইয়ে এমনটাই দাবি করা হচ্ছে।


👉🏻মি. জোনাথন ধর্ম প্রচারের কাজে জাপানের ইয়োকোহামা শহরে থাকতেন। তার স্ত্রী এলিজা গোবলে হাঁটতে চলতে পারতেন না।

স্ত্রীকে ইয়োকোহামা শহর ঘুরিয়ে দেখাতে মি. স্কোবি ১৮৬৯ সালে দুই চাকার সামনে হাতল বিশিষ্ট বাহনের নকশা আঁকেন এবং কাঠ দিয়ে তৈরি করেন। 

সেই বাহনের নাম তিনি দেন জিনরিকশা। 

যা কালের বিবর্তনে রিকশা নামেই পরিচিতি পায়।


👉🏻 দুই চাকার এই হাতে টানা বাহনটি রিকশার প্রাথমিক সংস্করণ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের পেটেন্ট নিবন্ধন পায়।

তারপর সেটির অনুকরণে জাপানে এই বাহনটি নির্মাণ শুরু হয়। তবে এটি কোন মানুষ পরিবহনে নয় বরং ব্যবহৃত হতো মালপত্র পরিবহনের জন্য।


👉🏻 আবার এমনটাও বলা হয় যে, ১৮৮৮ সালে একজন মার্কিন ব্যাপ্টিস্ট রিকশা আবিষ্কার করেছেন।

উইলিয়াম ই লুইসের থ্রু দ্য হার্টল্যান্ড অন ইউএস বইয়ে বলা হয়েছে, রিকশা আবিষ্কার হয়েছিল ১৮৪৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটসের ওরচেস্টারে। সেখানকার এক কামার অ্যালবার্ট টোলম্যান দক্ষিণ আমেরিকান মিশনারীর চলাচলে সুবিধার জন্য রিকশাটি আবিষ্কার করেছিলেন বলে জানা যায়।


👉🏻 আবার বার্লিংটন কাউন্টি হিস্ট্রিকাল সোসাইটির গবেষণায় বলা হয়েছে, মার্কিন গাড়ি নির্মাতা জেমস বার্চের জাদুঘরে এ ধরণের একটি রিকশার মডেল প্রথম প্রদর্শন করতে দেখা যায়। সেটাও ১৮৬৭ সালের দিকে। মি. বার্চ দাবি করেছিলেন, এটি তার ডিজাইন করা বাহন।

সংগৃহীত



 সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ১২-১২-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ১২-১২-২০২৪ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


পার্বত্য চট্টগ্রামে যোগাযোগ ত্বরান্বিত করতে প্রযুক্তি বিকাশের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার।


বাংলাদেশের অর্থনীতি চাঙ্গা করতে চলমান সংস্কার কার্যক্রমে সহায়তা ও অব্যাহত বিনিয়োগের আশ্বাস জাপানের ।


ভারতের প্রতি নতজানু পররাষ্ট্রনীতি থেকে দূরে সরে যাচ্ছে সরকার - মন্তব্য স্থানীয় সরকার উপদেষ্টার।


তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন রাজনৈতিক দলগুলো সংস্কারের চেয়ে নির্বাচনকে বেশী গুরুত্ব দিচ্ছে - সংস্কার তাদের অধীনে করতে চায় ।


শেখ হাসিনাকে পলাতক দেখিয়ে বিচারে বাধা নেই - বলেছেন আইসিটি’র চিফ প্রসিকিউটরের বিশেষ পরামর্শক ব্যারিস্টার টবি ক্যাডম্যান।


বাংলাদেশ যখন ইতিবাচক ধারার দিকে এগোচ্ছে তখন ফ্যাসিস্টরা দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চালাচ্ছে - বললেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির।


যুদ্ধ বিধ্বস্ত গাজা ও ওয়েষ্ট ব্যাংকের জন্য চারশ’ ৭ কোটি মার্কিন ডলার সহায়তা চেয়েছে জাতিসংঘ।


আজ সেন্ট কিটসে তৃতীয় ও শেষ একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচে স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।

বুধবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৪

ইউরোপের জন্য যা কখনো করবেন না 

 🇪🇺 ইউরোপের জন্য যা কখনো করবেন না 🙏

১. লোন করে বা সুদের উপরে টাকা নিয়ে এডভান্স করবেন না।

২. ভিসা না হওয়া অব্দি কর্ম/চাকরি ছেড়ে দিবেন না ।

৩. এজেন্সি যে সময় দিবে তার থেকে কিছু দিন কম বেশি লাগতে পারে। ধৈর্য না থাকলে ফাইল জমা দিবেন না।

৪. ভিসা পাবার আগে পুরো টাকা দিবেন না। ভিসা না হলে এডভান্স টাকা কি করনীয় তা না জেনে টাকা দিবেন না।

৫. সাগর পথে যাবেন না ।

৬. বাংলাদেশ থেকে গেইম দিয়ে এশিয়ার কোন দেশে গিয়ে ইউরোপ গেইম দিবেন না ।

৭. দ্রুত ভিসা লাগবে বা ভিসা না হলে জীবন শেষ, এমন পরিস্থিতি থাকলে ইউরোপ এপ্লাই করবেন না।

৮. যে দেশ গুলোর ভিসা কঠিন সেই দেশে জন্য আবেদন করবেন না ।

৯. বেশি লোভ করবেন না।

১০. পরিবারের একান্ত আদর-যত্নের মানুষ থাকলে না ভেবে ফাইল জমা করবেন না। ভিসা পাওয়ার আগ পর্যন্ত ইউরোপ যাচ্ছেন বলে এলাকায় বলে বেড়াবেন না।

১১. যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলা করে কাজ-কর্ম করতে প্রস্তুত না থাকলে এপ্লাই করবেন না।

১২. ইউরোপ এসে ২-৪ মাস কাজ না পেলে চলার ব্যবস্থা না থাকলে আসবেন না।

১৩. পরিবার ছেড়ে দুরে থেকে এসে কষ্টের কাজ করার ইচ্ছা না থাকলে আসবেন না।

১৪. পরিবারের দামি সব সম্পদ বিক্রি করে আসবেন না।

১৫. নিজের, পরিবারের বা দেশের ঝুকি হয় এমন কিছু করে ইউরোপ আসবেন না।

১৬. এজেন্ট//এজেন্সি সম্পর্কে ভালো মত না জেনে ফাইল জমা দিবেন না। আর জমা দিলে যেভাবে বলবে মেনে নিবেন, তাদের মত কাজ করতে দিবেন।

১৭. ডিপ্রেশন/ টেনশন/হায়-হোতাশ করলে ইউরোপের জন্য জমা না দিয়ে মিডলইস্টে চলে যাবেন।

১৮. একসাথে একাধিক এজেন্সিতে ফাইল জমা দিবেন না।

১৯. ফাইল জমা দিয়ে ইউরোপ কনফার্ম আসতেছেন এমন কিছু সবাইকে বলবেন না। ভিসা না পেলে বেশি কষ্ট পাবেন।

২০. আপনার এজেন্সিকে সময়-সুযোগ দিয়ে ঠান্ডা মাথায় প্রসেস সম্পন্ন করুন।

©ফেসবুক পোস্ট

নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন

 নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন 🌺 আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশই অবিশ্বাস্যভাবে সুনির্দিষ্ট এবং জটিল, বিশেষ করে যখন ...