এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৪

আপনার জমির দলিল হারিয়ে গেলে করণীয় কি?  👍যদি কখনো আপনার জমির দলিল হারিয়ে গেলে ২ টি উপায়ে উঠাতে পারবেন:

 ✍✍আপনার জমির দলিল হারিয়ে গেলে করণীয় কি? 

👍যদি কখনো আপনার জমির দলিল হারিয়ে গেলে ২ টি উপায়ে উঠাতে পারবেন:


👤 প্রথম উপায়: প্রথমে নিচের তিনটি ধাপ অনূসরণ করুণ-

১) প্রথম ধাপ: প্রথমে জমির দাগ নাম্বার জানুন। আপনি যে দাগটি জানেন সেটা CS দাগ, না RS দাগ, না BS দাগ নিশ্চিত তা হোন ।

২)  ধাপ ২: দাগ নম্বর জেনে খতিয়ান নাম্বার জানুন। কোথা থেকে জানবেন? ইউনিয়ন ভূমি বা তফসিল অফিস হতে।

৩)  ধাপ ৩: খতিয়ানে যদি নামজারি বা খারিজ করা থাকে তাহলে দেখুন কার নামে নামজারি করা। নামজারি বা জমাভাগের কেস বা নথি বের করে নিন। নামজারি বা খারিজের নথিতে দলিলের নাম্বার দেয়া থাকে ওইখান থেকে দলিল নাম্বার নিয়ে নকল বা সার্টিফাইড কপির জন্য আবেদন করবেন।

কোথায় আবেদন করবেন? জেলা রেকর্ড রুম অথবা সাব রেজিস্ট্রি অফিস। আপনার জমির দলিল যদি বর্তমান সাল থেকে ৫-৬ বছর আগের হয় তাহলে সাব রেজিস্টি অফিস হতে দলিলের নকল বা সার্টিফাইড কপি নিতে পারবেন।

আর দলিল টি যদি অনেক বছর আগের হয় তাহলে জেলা রেজিস্ট্রার অফিস এর জেলা রেকর্ড রুম হতে সংগ্রহ করতে হবে।


🌐দ্বিতীয় উপায়: তিনটি ধাপ অনুসরণ করে দলিল নম্বর বা দলিল না পান তখন দলিল তল্লাশি বা সার্চ করতে হবে।

তল্লাশি বা সার্চ করতে যা যা লাগবে -

🌟 সম্ভাব্য সাল।

🌟 দলিল দাতা ও গ্রহীতার নাম।

🌟 দলিল দাতা ও গ্রহীতার বাবার নাম।

🌟  দাগ নম্বর ও মৌজার নাম।


♨️জমির দলিল হারিয়ে গেলে উক্ত কাজগুলো সঠিকভাবে করলে হারিয়ে যাওয়া দলিল সহজে পাওয়া যাবে। অনেক সময় অসাবধানতা বা দূর্ঘটানাজনিত কারনে মূল্যবান দলিল বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হারিয়ে যায়।যেমন- কোন দুর্ঘটনায় বা আগুনে পুড়ে যাওয়ার কারনে বা বন্যার প্রাকৃতিক দুর্যোগে মূল্যবান কাগজ বা দলিল নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ঠিক এই সময় হারানো কাগজ ফিরে পাবার জন্য বা কাগজের নকল সংগ্রহ করার জন্য পুলিশের সাহায্য নেয়া যাবে।


♨️এছাড়া আমরা জানি কোন ব্যক্তির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হারিয়ে গেলে অতি দ্রুত সংশ্লিষ্ট থানায় গিয়ে জিডি করতে হয়। জিডি করার পর পুলিশ অভিযোগকারীকে জিডির একটা কপি এবং কপির সাথে একটি নম্বর প্রদান করবেন। সেটিকে আপনার সংরক্ষণ করে রাখতে হবে। এরপর পুলিশ হারিয়ে যাওয়া কাগজ খুঁজে বের করার চেষ্টা করবেন বা নকল বা নতুন কাগজপত্র বা দলিল প্রদান করার জন্য অনুমতি প্রদান করবেন।


♨️এখন মনে করেন, আপনার বাবা আতাউর পৈত্রিকসূত্রে প্রাপ্ত ১৬ বিঘা জমি ভোগদখল করাকালে ২ বছর পূর্বে মারা যান।আপনার বাবা আতাউর এর মৃত্যুর পর এক পুত্র আতিক  ও এক কন্যা সালমা বেগম ওয়ারিশ থাকেন। আপনার বাবার ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত ১৬ বিঘা সম্পত্তির সি.এস খতিয়ান, এসএ এবং আরএস খতিয়ান এবং আপনার দাদা (পিতামহ) এর নামের দলিলগুলোর ফটোকপি থাকলেও মূল কাগজপত্র খুঁজে পান নাই ।


🗣 মূল কপি কি প্রকারে সংগ্রহ করবেন সে বিষয়টা তুলে ধরা হলোঃ

আপনি আপনার বাবা আতাউর এর মৃত্যুকালে রেখে যাওয়া ঐ সম্পত্তির সি.এস খতিয়ান ও এসএ এবং আরএস খতিয়ানের জাবেদা নকল ভোলা কলেক্টরেট অফিস (জেলা প্রশাসকের কার্যালয়) রেকর্ড রুম হতে নির্দিষ্ট জাবেদা নকলের ফরমে আবেদন করে জাবেদা নকল তুলতে পারবেন। এছাড়া আপনার দাদা (পিতামহ) এর নামীয় দলিল ভোলা জেলা রেজিষ্টার অফিস হতে জাবেদা নকল তুলতে পারবেন। আপনি দলিলের ফটোকপি দেখে দলিলের নম্বর অনুসারে জাবেদা নকলের জন্য আবেদন করতে পারবেন।


🌞 জমির দলিল হারিয়ে গেলে করণীয় আর ও মাধ্যম

দলিলের নকল (Certified Copy) প্রাপ্তির নিয়মাবলীঃ

রেজিস্ট্রেশন আইন ১৯০৮ এর ৫৭(১) ধারা মোতাবেক, প্রয়োজনীয় ফিস পরিশোধ সাপেক্ষে, যে কোন ব্যক্তি ১ নং (স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত দলিলের) ও ২ নং (রেজিস্ট্রি করতে অস্বীকার করা দলিলের) রেজিস্টার বহি ও ১ নং রেজিস্টার বহি সম্পর্কিত সূচিবহি পরিদর্শন করতে পারে এবং উক্ত আইনের ৬২ ধারার বিধানাবলি সাপেক্ষে উক্ত দলিলের সার্টিফাইড কপি গ্রহন করতে পারে।

রেজিস্ট্রেশন আইন ১৯০৮ এর ৫৭(২) ধারা মোতাবেক, প্রয়োজনীয় ফিস পূর্বে পরিশোধ সাপেক্ষে, দলিল সম্পাদনকারী বা তার এজেন্ট এবং সম্পাদনকারীর মৃত্যুর পর যে কোন আবেদনকারী ৩ নং নিবন্ধিত উইলের রেজিস্টার ৩ নং লিপিবদ্ধ বিষয়ের (অর্থাৎ উইল বা অছিয়ত দলিলের নকল বা সার্টিফাইড কপি) এবং ৩ নং বহি সম্পর্কিত সূচিপত্রের নকল গ্রহন করতে পারে।

রেজিস্ট্রেশন আইন ১৯০৮ এর ৫৭(৩) ধারা মতে, প্রয়োজনীয় ফিস পূর্বে পরিশোধ সাপেক্ষে, দলিলের সম্পাদনকারী বা দাবীদার ব্যক্তি বা তার এজেন্ট অথবা প্রতিনিধি ৪ নং বহিতে লিপিবদ্ধ বিষয়ের নকল গ্রহন করতে পারে।

রেজিস্ট্রেশন আইন ১৯০৮ এর ৫৭(৪) ধারা মতে, ৩ নং ও ৪ নং বহিতে লিখিত বিষয়ের তল্লাশি, সাব-রেজিস্ট্রার এর মাধ্যমে করা যাবে।


🌞জমির দলিল হারিয়ে গেলে করণীয় কিভাবে দলিল তল্লাশি করবেন?

যদি মূল দলিল থাকে- রেজিস্ট্রি অফিসে দলিলের রেজিস্ট্রি কার্যক্রম শেষ হলে মূল দলিলের শেষ পৃষ্টার উল্টোদিকে “দলিলটি কত সালের, কত নম্বর বালাম বইয়ের, কত পৃষ্ঠা থেকে কত নম্বর পৃষ্ঠায় নকল করা হয়েছ,  তা লিখে সাব-রেজিস্ট্রার কর্তৃক স্বাক্ষর করতে হয় । এভাবে খুব সহজে সহজেই রেজিস্ট্রি অফিসে থেকে দলিলের নকল উঠানো যায়/পাওয়া যায়।

মূল দলিল না থাকলে- রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল রেজিস্ট্রি শেষ হলে দলিলের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি তথ্য নিয়ে সূচিবহি তৈরি করা হয়। একটি সূচিবহি তৈরি হয় দলিলে উল্লিখিত জমির দাতা/বিক্রেতা, গ্রহিতা/ক্রেতা বা অন্য কোন পক্ষের নাম দিয়ে, আর একটি তৈরি হয় জমির মৌজার নাম দিয়ে।


• দলিলের নকল প্রাপ্তির আবেদনের নিয়মাবলিঃ

রেজিস্ট্রেশন বিধিমালা ২০১৪ এর ১০৮ অনুচ্ছেদে সূচিবহি তল্লাশ ও দলিলের নকলের জন্য আবেদনের নিয়মাবলী লিপিবদ্ধ আছে। এ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, যে সকল ক্ষেত্রে তল্লাশ ও পরিদর্শনের জন্য কোন ফিস পরিশোধযোগ্য নহে, সে সকল ক্ষেত্র ব্যতিত, সকল ক্ষেত্রে নকলের জন্য আবেদন দাখিল করিবার পূর্বে (৩৬ নং ফরম অনুযায়ী) তল্লাশি ও পরিদর্শনের জন্য আবেদন করিতে হইবে। এরপর ৩৭ নং ফরমে নকলের জন্য আবেদন করিতে হয়  |


#জমি_পরিমান #ভূমিসেবা #জমি_মাপা #জমি #জমিদার #জমির #ভূমি #ভূমিসেবা #দলিল #খতিয়ান #সার্ভে #নামজারি

ইমাম উদ্দিন চাচার ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 বাংলাদেশের ১ কোটি পুরুষ আছে, যারা একাধিক বিবাহ করে  আদালত ও ইনসাফের সাথে রাখতে পারেন। 

এবং ১০ লাখ পুরুষ আছে যারা চার বিবাহ করে চার স্ত্রীর মাঝে আদালত করতে সক্ষম। 

অথচ: বিবাহ কঠিন হওয়ার কারনে তারা বিবাহ না করে জিনায় লিপ্ত হচ্ছে। কারন সমাজ ও একশ্রেনীর আলেমরা তাদেরকে আদালত ও ইনসাফের ভয় দেখিয়ে একাধিক বিবাহ করতে দেয়না, কিন্তু জিনা করতে দেয়। 

অথচ আদালত ও ইনসাফ করা একেবারে সহজ। 


সমাজের অধিকাংশ বড় স্ত্রীরা জানে তার স্বামী চরিত্রহীন, স্বামী পতিতালয়ে যায়, পরকিয়া করে, স্ত্রীর পাশে শুয়ে পর্নগ্রাফি দেখে, স্ত্রীর অসুস্থকালিন সময়ে স্বামী মাস্টার্ব্যশন করে, স্ত্রীও তাতে সহযোগিতা করে। কিন্তু সেই পুরুষ বা স্বামী যখন আরেকটা বিবাহ করে তখন এই স্ত্রী পরিবার ও সমাজের মানুষ গুলো তাকে চরিত্রহীন বলে। 

 অথচ যারা একজন স্ত্রী নিয়ে থাকে, এবং অসংখ্য গার্লফ্রেন্ড নামক পতিতা, ও পেশাদার পতিতা ব্যবহার করে তাদেরকে এই সমাজ হিরো বলে।

ইসলামে কোন গার্লফ্রেন্ড বয় ফ্রেন্ড নেই। এটা পশ্চিমা কালচার। ইসলামে শুধুমাত্র স্বামী স্ত্রী ও বাদী ব্যবহার বৈধ। বাংলাদেশের বর্তমান সমাজ ব্যবস্থা কোন ইসলামি সমাজ ব্যবস্থা নয়, এটা পুরাপুরী গণতান্ত্রিক কুফুরী সমাজ ব্যবস্থা, এটা পশ্চিমা সমাজ ব্যবস্থা। 

আমাদের সমাজে যে যত বেশি জিনা করে বুক ফুলিয়ে চলে, তার তত বেশি সুনাম, সে ততবড় সেলিব্রিটি। 


আফসোস!

যে সমস্ত ফ্যমিলী গুলো দীনদার ও আলেম পরিবার নামে পরিচিত, তাদের পরিবারের দাম্পত্য লাইফ ও চলে পশ্চিমা সভ্যতার আদর্শে। তাদের পরিবারেও জিনা ভ্যবিচার করাকে তেমন কোন অপরাধ মনে করা হয়না। এই পরিবার গুলোতেও এখন দেরিতে বিবাহ দেওয়ার কারনে ছেলে-মেয়েগুলো গোপনে গুনায় জড়িত হয়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এদের বাবা-মা, রাও তাদের ছেলে-মেয়েদের কে পশ্চিমাদের মত ক্যরিয়ার গড়তে ও স্টাবলিশ করার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত করে রেখেছে। 

এদিকে স্টাবলিশ হতে হতে সন্তানের জীবন যৌবন সব নষ্ট করে ফেলছে। 


আলহামদুলিল্লাহ আমার বড় ছেলেকে ১৮ বছর বয়সে বিবাহ দিয়ে দিয়েছি, এবং মেয়ে ১৩+ বয়সে বিবাহ দিয়ে দিয়েছি। এবং নিয়ত করেছি ছোট ছেলে যেদিন বালেগ হবে সেদিনই তাকে বিবাহ দিয়ে দিবো ইনশাআল্লাহ । 


একদিন ও যেন তার জিনা করার প্রয়োজন না হয় সেই ব্যবস্থা করে দেবো ইনশাআল্লাহ।

বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৪

অভিনেতা হুমায়ূন ফরীদি এবং তাঁর প্রথম স্ত্রী মিনুর সংসার ছিল সর্বসাকুল্যে ৪ বছরের। 

 অভিনেতা হুমায়ূন ফরীদি এবং তাঁর প্রথম স্ত্রী মিনুর সংসার ছিল সর্বসাকুল্যে ৪ বছরের। সেই সংসারে ফুটফুটে এক মেয়েরও জন্ম হয়েছিল। কিন্তু ১৯৮৪ সালে বিচ্ছেদ হয়ে যায় তাদের। সেই বছরেই হুমায়ূন ফরীদি অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফাকে বিয়ে করে নতুন সংসার সাজিয়ে বসেন। এই দৃশ্যটি দূর থেকে দেখার কষ্ট সহ্য করতে হয় মিনুকে। সন্দেহ নেই, পৃথিবীর ভয়াবহতম কষ্টগুলোর একটি হলো নিজের প্রিয়জনকে অন্যের হতে দেখা। 


পৃথিবী মানুষের পাওনা বুঝিয়ে দিতে পছন্দ করে। যে কষ্ট হুমায়ূন ফরীদি তাঁর প্রথম স্ত্রী মিনুকে দিয়ে এসেছিলেন, সেই একই কষ্ট ফিরে পেতে দুই যুগের বেশি সময় অপেক্ষা করতে হলো না তাঁর। ২০০৮ সালে ফরীদিকে ছেড়ে দিয়ে নিজের চেয়ে চৌদ্দ বছরের ছোটো বদরুল আনাম সৌদকে বিয়ে করে ফেললেন সুবর্ণা মুস্তাফা। এই দৃশ্যটি ফরীদিকে দেখতে হলো দূর থেকে, অনেক বছর আগে যেমনটি দেখেছিলেন তাঁর প্রথম স্ত্রী মিনু। 


বাংলাদেশের কোনো এক জেলায় সংঘটিত হওয়া একটি ঘটনা শুনে শিউরে উঠেছিলাম। বাবাকে হত্যার দায়ে ছেলেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হত্যা করার সময় সে ছিল মাতাল৷ এক কোপে শরীর থেকে মাথা আলাদা করে ফেলেছে ছেলে। পুলিশ তদন্তের পর জানা গেল আরেক ভয়ঙ্কর তথ্য। যে বাবাকে হত্যা করা হয়েছে, সেই ব্যক্তি অনেক বছর আগে তার নিজের মাকে খুন করেছিল। প্রকৃতি তার প্রাপ্য বুঝিয়ে দিয়েছে কড়ায়-গণ্ডায়। একটুও কৃপণতা করেনি। 


প্রকৃতির এই প্রতিশোধের বিষয়টি স্থান পেয়েছে বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ থেকে নিয়ে শিল্প-সাহিত্যেও। হিন্দুদের কোনো এক ধর্মগ্রন্থে একজন রাজার কথা উল্লেখ করা হয়েছে৷ এক যুদ্ধে তার ৫ ছেলের সবাই নিহত হলো। তখন তিনি কেঁদে কেঁদে ঈশ্বরকে বললেন, 'ঈশ্বর! আমার সঙ্গে তুমি এমন নিষ্ঠুরতা কেন করলে?' ঈশ্বর জবাব দিলেন, 'খুব ছোটোবেলায় তুমি ৫টি প্রজাপতি মেরেছিলে, মনে পড়ে?' রাজা বললেন, 'আমি তো ওটা খেলাচ্ছলে করেছিলাম।' ঈশ্বর জবাব দিলেন, 'আমিও এটা খেলাচ্ছলে করলাম।' উল্লেখ্য, এটি রূপকথা হলেও উদাহরণটি কিন্তু সিগনিফিকেন্ট!


হুমায়ূন আহমেদের একটি খুব জনপ্রিয় ছোটোগল্পের নাম 'পিঁপড়া'৷ এই গল্পে দেখা যায়—মকবুল নামে এক ধনী গৃহস্থকে সারাক্ষণই পিঁপড়া তাড়া করে। এর থেকে বাঁচার জন্য এহেন কোনো ব্যবস্থা নেই, যা সে করে না। রাতে ঘুমানোর আয়োজনেও আনে বিশেষত্ব। খাটের চার পায়ার নিচে পানির পাত্র রাখার ব্যবস্থা রাখে, যেন পিঁপড়া না ওঠে। কিন্তু কিছুতেই কোনো লাভ হয় না। সর্বশেষ এক চিকিৎসকের কাছে সে খুলে বলে তার বৃত্তান্ত। তার বাড়িতে থাকা দুঃসম্পর্কের এক কিশোরী আত্মীয়াকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছিল সে। তার লাশে ওঠা পিঁপড়াই প্রথম পিছু নেয় তার। সেই থেকে চলছে...। 


মানুষের চূড়ান্ত বিচারের জন্য আল্লাহ পরকালের ব্যবস্থা রেখেছেন। কিন্তু অনেক পাপের শাস্তি তিনি দুনিয়াতেও দিয়ে থাকেন। আধুনিক সমাজ যেটাকে 'Revenge of nature' বলে থাকে। এটা সত্য, কোনো অংশেই মিথ্যে নয়। আমরা আজ অন্যায়ভাবে কাউকে কষ্ট দিলে কাল হয়তো অন্য কেউ একই কষ্টটা আমাদের দেবে। পৃথিবীটা এভাবেই ফাংশন করে। কাজেই নিজের ব্যাপারে সতর্ক থাকাটা প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি।


কবিগুরু লিখে গেছেন অনেক বছর আগে…..


'প্রত্যেক সামান্য ত্রুটি, ক্ষুদ্র অপরাধ/ ক্রমে টানে পাপ পথে, ঘটায় প্রমাদ।'


কপি পোস্ট,



একটি শিক্ষামূলক গল্প ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 -- একটি শিক্ষামূলক গল্প 😊🖤


একদিন এক লোক তার ছোট্ট মেয়েকে নিয়ে পার্কে হাঁটছিলেন। পাশে ফলের দোকান দেখে মেয়েটি তার বাবাকে আপেল কিনতে বললো। লোকটির পকেটে খুব বেশি টাকা ছিলোনা, তাই, মাত্র দুটি আপেল কিনে মেয়েকে দিলেন,মেয়েটি দু'হাতে দুটি আপেল ধরল।


লোকটি বললো, এসো দুজনে ভাগাভাগি করে খাই, একথা শুনে মেয়েটি তাড়াতাড়ি একটা আপেলে কামড় দিয়ে একটু খেয়ে নিলো। আরেকটা আপেলের দিকে হাত বাড়িয়ে কিছু বলার আগেই মেয়েটি সেটিতেও কামড় বসিয়ে দিলো... 


তার মনটা খুব খারাপ হয়ে গেলো, মেয়েটা এত লোভী হলো কী করে! তাহলে সন্তানকে কি সঠিক শিক্ষা দিতে পারছেন না। লোকাচার, ভদ্রতা, মিলেমিশে চলা, ভাগাভাগি করে খাওয়া এগুলো কি তার সন্তানকে শেখানো হয়নি!!!তাহলে মেয়েটি এমন লোভী আচরণ করলো কেন? মুখ থেকে হাসি মুছে গেল, তিনি চিন্তায় ডুবে গেলেন...


এসময় হঠাৎ তার মেয়ে ডান হাতের আপেল টা বাবার দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বললো, "বাবা তুমি এটা খাও, এইটা অনেক বেশী টেষ্টি"।


লোকটা ভাষা হারিয়ে ফেললো!!


শিক্ষা: কোনো বিষয়ে দ্রুত কোনো কিছুর বিচার করতে নেই বা দ্রুত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছতে নেই। ভালভাবে বোঝার জন্য হলেও একটু সময় নেয়া উচিত। এমনওতো হতে পারে যাকে ভুল বুঝে বসে আছি, তার ভেতরে আমারই জন্য ভিন্ন কোনও ভালোবাসা কাজ করছে...🙂🌸

স্মৃতির ক্যানভাস জুড়ে .... ========== রেডিয়োয় ভাষণ দিয়েছেন মাত্র একবার,রেকর্ডিং করতে বেতার কতৃপক্ষ এসেছিল আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের ঘরে... 

স্মৃতির ক্যানভাস জুড়ে ....

==========

রেডিয়োয় ভাষণ দিয়েছেন মাত্র একবার,রেকর্ডিং করতে বেতার কতৃপক্ষ এসেছিল আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের ঘরে... 


পরাধীন ভারতে আধুনিক বিজ্ঞানচর্চার অন্যতম শ্রেষ্ঠ রূপকার আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় তাঁর সুদীর্ঘ ৮৩বছরের জীবনে মাত্র একবার রেডিয়োয় বক্তব্য রেখেছিলেন,শুনতে হবাক হলেও সত্য মাত্র একটিবার তিনি বেতারে বলেছেন,ঐতিহাসিক ও স্মরণীয় সেই বেতার ভাষণ ১৯৪০সালের ৮ডিসেম্বর রাত্রি আটটায় রেডিয়োয় প্রচারিত হয়৷ 


মাত্র ১২মিনিট প্রফুল্লচন্দ্র রেডিয়োয় বলেছিলেন তাঁর বক্তব্যের বিষয় ছিল 'আমি ও আমার জীবন'৷ যদিও আচার্যদেব সেই বক্তৃতা রেডিয়োর স্টুডিয়োয় এসে দেন নি,কারণ তখন তিনি আশি বছর স্পর্শ করতে আর মাত্র কয়েক মাস বাকি,শরীর ভেঙেছে,কিন্তু মস্তিষ্কের আশ্চর্য কর্মদক্ষতা ও অনমনীয় মনোবল অক্ষুন্ন৷ এর আগে পর্যন্ত প্রফুল্লচন্দ্র রায় মহাশয়কে বেতার ভাষণে রাজি করানো যায় নি৷


১৯৪০সালের দিকে বেতার অফিসের অনেকেই নিজেদের মধ্যে আলোচনায় সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ভারতের আধুনিক বিজ্ঞান চর্চার অন্যতম শ্রেষ্ঠ রূপকার বিজ্ঞানী প্রফুল্লচন্দ্র রায় রেডিয়োয় কোনওদিন বক্তব্য রাখেন নি,এই লজ্জা বেতার কতৃপক্ষের৷ তখন তিনি প্রায় আশি,স্বাস্থ ক্রমশ অপটু হয়ে যাচ্ছে,এইবেলা যদি ব্যবস্থা না করা যায় তাহলে আফশোসের আর সীমা থাকবে না৷ এই বিষয়ে চমৎকার একটি নিবন্ধ লিখেছেন মনোমোহন ঘোষ(চিত্রগুপ্ত) খুলনা সন্মিলনী প্রকাশিত 'আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র জন্ম শতবর্ষ পূর্তি স্মারকগ্রন্থে মুদ্রিত হয়,শিরোনাম ছিল'বেতারে আচার্যদেবের রেকর্ড)৷

ওই নিবন্ধে মনোমোহন ঘোষ লিখেছেন কিছুদিন আগে বেতারের বক্তৃতাবিভাগের ভার তাঁর ওপর ন্যস্ত হওয়ায় তিনি অগ্রসর হলেন,গেলেন তাঁর বাসস্থান সার্কুলার রোডে (বর্তমানে আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রোড) বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান কলেজ ভবনে৷ সর্বত্যাগী আচার্যদেব রসায়ন—বিভাগের গবেষণাগারের একটি ঘরে বাস করেন৷ খবর পেয়ে তাঁর তখনকার সেক্রেটারি ভবেশচন্দ্র রায় বেরিয়ে এসে হাসিমুখে বললেন ' শরীর তো ওঁর খুবই খারাপ৷ বেশিক্ষণ বসতে পারেন না৷ অধিকাংশ সময়েই শুয়ে থাকেন৷ শুয়ে শুয়েই পড়াশুনা করেন৷ রেডিয়োতে বলতে যাবে কী করে'? তখন মনোমোহন বাবু বলেছিলেন আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় কে রেডিয়ো স্টেশনে যেতে হবে না,তারা এখানে এসে রেকর্ড করে নিয়ে যাবেন,বক্তৃতা ব্রডকাস্ট হবে,রেকর্ডখানা থেকে যাবে৷


 ভবেশবাবু মনোমোহন ঘোষ কে সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছিলেন প্রফুল্লচন্দ্রের ঘরে,একদিকে ছোট একটা লোহার খাট,সামান্য উপকরণের বিছানা আর টেবিল চেয়ার৷ আচার্যদেব ঘরে প্রবেশ করে মনোমোহন বাবুকে বললেন খাটে চল৷ দু-এক কথায় তাকে আরও বলেছিলেন চা খাস?খাস না তো?খাস নি! যা ওই চেয়ারটা টেনে এনে বোস৷ এরপর মনোমোহন ঘোষ সুযোগ বুঝে বললেন আপনার গলার আওয়াজ রেকর্ড করে রাখতে হবে যে! এখানে এসে রেকর্ড করে নিয়ে ব্রডকস্ট করবো৷ স্মিতমুখে তাকিয়ে তিনি বলেছিলেন এবার তিনি মরে যেতে পারেন বলে ভয় হয়েছে বুঝি,কিন্তু কী বলবো বল দেখি,বলতে যে আর ভাল লাগে না'৷


বেতারের বক্তৃতা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক বলেছিলেন তিনি দেশবাসীর উদ্দেশ্যে যা খুশি বলবেন,ভবেশবাবু বড় বড় অক্ষরে টুকে দেবেন,তারপর তিনি খাটে শুয়ে শুয়েই সেটা পড়বেন৷ তাঁর মুখের সামনে মাইক্রোফোন ধরে রাখা হবে,রেকর্ডিস্ট রেকর্ড করে নেবেন,মিনিট পনেরোর বেশি সময় লাগবে না৷

আচার্যদেব অবশ্য বলেছিলেন অত কান্ড তারা করবে!শুয়ে শুয়ে হবে! 


প্রফুল্লচন্দ্রের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল বেতারের লোকজন কবে আসবে,তিনি তাদের একদিন পরে সময় দিয়ে বললেন কাল লেখাটা তৈরি করে নেবেন৷ এরপর খ্যাতনামা সাহিত্যিক পরিমল গোস্বামী সহ বেতার কতৃপক্ষ রেকর্ডিং-এর সরঞ্জাম নিয়ে সবাই হাজির হয়েছিলেন৷ প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের লোহার খাটের মাথার দিকের রেলিং-এর গায়ে বালিশ জড়ো করা হয়,সেই বালিশের পিঠে ভর দিয়ে আধশোয়া অবস্থায় বক্তৃতা পড়েছিলেন৷বেশ ভারি মাইক-স্ট্যান্ডটিকে ঠিক তার মুখের কাছে বারো মিনিট ধরে রাখা হল,রেকর্ড হল আচার্য প্রফুল্লচন্দ্রের বানী : 'আমি ও আমার জীবন'৷ ১৯৪০সালের আট ডিসেম্বর রাত্রি ঠিক আটটায় আচার্য প্রফুল্লচন্দ্রের জীবনের একমাত্র বেতার ভাষণ ব্রডকাস্ট করা হয়৷

পরিমল গোস্বামী খ্যাতনামা সাহিত্যিক,ফটোগ্রাফিতে তাঁর ভারতজোড়া নাম,বেতার কতৃপক্ষের প্রস্তাবে সম্মত হয়ে তিনি বক্তৃতারত প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের ফটো তুলে দিতে তাদের সঙ্গে ওইদিন গিয়েছিলেন৷


গ্রন্থঋণ,চিত্রঋণ,ঐতিহ্য উত্তরাধিকার ও বিজ্ঞানী প্রফুল্লচন্দ্র,শ্যামল চক্রবর্তী


লেখাটি সংগৃহীত 

লেখক অরুণাভ সেন৷

ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে সফলতা আসে না।  জোর করে নিয়ে আসতে হয়। 

 ❣️💕 ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে সফলতা আসে না।  জোর করে নিয়ে আসতে হয়। 


🌹🥀শচীন টেন্ডুলকার জীবনে যতবার আউট হয়েছেন আপনি হয়তো ততবার ক্রিকেট খেলাও দেখেননি। কিন্তু দিন শেষে আজ  শচীনকে ক্রিকেট নক্ষত্র হিসাবেই জানে।


🌹🥀মার্ক জুকারবার্গকে তার গার্লফ্রেন্ড যখন সকল সোশ্যাল সাইট থেকে ব্লক করে দেয়, তখন সে জেদ করে সবচেয়ে বড়  সোশ্যাল সাইট ফেসবুক বানিয়ে ফেলে, যার মাধ্যমে সে ওয়ার্ল্ড এর টপ ফাইভ রিচম্যানদের একজন। আর আপনি হলে কি করতেন ? শেভ করা ছেড়ে দিয়ে সিগারেট টানতেন আর বলতেন- বেঁচে থেকে লাভ কি বল, তোকে ছাড়া আর...!!


🌹🥀টমাস আলভা এডিসন একটা বৈদ্যুতিক বাতি আবিষ্কার করতে গিয়ে যতবার ব্যর্থ হয়েছেন এই পৃথিবীর ইতিহাসে কেউ তত বছর বাঁচেওনি। ৯৯৯ বার ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। আর আপনি ? সফল হওয়ার আগে প্রশ্ন করুন নিজেকে কতবার চেষ্টাটা করতে পারবেন ?


🌹🥀সাইকেল গ্যারেজে কাজ করা রাইট ভ্রাতৃদ্বয় প্ল্যান করে যতবার চেষ্টা করে করে বিমান উড়াতে ব্যর্থ হয়েছেন, আপনি ততবার প্ল্যান করে পাখির উড়াও দেখেননি। তবু তিনি বিমান টা আবিষ্কার করেই ছাড়লেন। 


🌹🥀সৃষ্টিকর্তাকে একবার জানান দেন সাকসেস আসার আগ পর্যন্ত আপনি থামবেন না, হেরে গেলেও না, বারবার ব্যর্থ হলেও না...!!

ছোট বেলায় যেভাবে হাঁটতে না পারলে আবার চেষ্টা করতেন, পড়ে গিয়ে বেথা পেয়ে কান্না করতে করতে আবার দেয়াল ধরে হাঁটতে চাইতেন, এখন সময় এসেছে আবার দাঁতে দাঁত চেপে নাছোড়বান্দার মতো লেগে থাকার। 


🌹🥀যে যাই বলুক, যে যা করুক আপনি শুধু লেগে থাকুন, বাকিটা সিস্টেম্যাটিক্যালি স্রষ্টা আপনাকে দিয়ে দিবেন। সংগৃহীত❣️💕💞

ভারতীয় সিনেমা জগতের শ্রেষ্ঠ সুন্দরীদের মধ্যে নাফিসা আলী একদম প্রথম দিকে থাকবেন

 ভারতীয় সিনেমা জগতের শ্রেষ্ঠ সুন্দরীদের মধ্যে নাফিসা আলী একদম প্রথম দিকে থাকবেন।কোলকাতায় বাঙ্গালি পিতা আহমেদ আলী এবং  এংলো ইন্ডিয়ান মা ফিলোমেনা টরেসানের কন্যা নাসিফা ১৯৫৭ সালের ১৮ই জানুয়ারি জন্মগ্রহন করেন। তিনি ঐতিহ্যশালী একটি পরিবারে বেড়ে উঠে ছিলেন।তার পিতামহ ওয়াজিদ আলী ছিলেন একজন লেখক, এবং তার পিসি জাইব-উন-নিসা হামিদুল্লাহ ছিলেন একজন বিশিষ্ট পাকিস্তানি সাংবাদিক ও সমাজ কর্মী।বড় হয়ে, তিনি লা মার্টিনিয়ার কলকাতা থেকে পড়াশুনা করেন এবং পরে স্বামী চিন্মায়ানন্দের অধীনে বেদান্ত অধ্যয়ন করেন।নাসিফা আলী বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী ছিলেন।একাধিক ক্ষেত্রে সফলতা অর্জন করেছেন নাফিসা। তিনি 1972 থেকে 1974 সাল পর্যন্ত জাতীয় সাঁতার চ্যাম্পিয়ন ছিলেন, এবং 1976 সালে, তিনি ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া খেতাব জিতে মিস ইন্টারন্যাশনাল প্রতিযোগিতায় 2য় রানার-আপ হয়েছেন। তিনি ১৯৭৯ সালে কলকাতা জিমখানায় জকিও ছিলেন।

শশী কাপুরের বিপরীতে জুনুন (১৯৭৯) সিনেমার তিনি প্রথম নজর কাড়েন।মেজর সাব (১৯৯৮) বেওয়াফা (২০০৫), লাইফ ইন এ... মেট্রো (২০০৭) সহ আরও বেশ কিছু সিনেমায় অভিনয় করেন।লাইফ ইন এ মেট্রো সিনেমায় অসাধারন অভিনয় করে ছিলেন।রাজনীতির সঙ্গে ও ছিল তার প্রত্যক্ষ যোগাযোগ।কলকাতা থেকে লড়েছেন নির্বাচনেও।ভারতীয় সেনাবাহিনীর কর্নেল,অর্জুন পুরস্কার প্রাপ্ত পোলো খেলোয়াড় আর এস সোধি কে বিবাহ করেন।একজন প্রতিভাময়ী মানুষ হিসাবে তিনি প্রথম সারিতে থাকবেন।

ব্ল্যাক সোয়ালোয়ার, বিষ্ফোরক এক সমুদ্র দৈত্য। যার কাজকর্ম সত্যিই ভয়ংকর,,,,

 " ব্ল্যাক সোয়ালোয়ার, বিষ্ফোরক এক সমুদ্র দৈত্য। যার কাজকর্ম সত্যিই ভয়ংকর "

ব্ল্যাক সোয়ালোয়ার এই মাছটাকে এককথায় বলা যায় দুঃস্বপ্ন। আমাদের সৌভাগ্যই বলা যায়, এরা সমুদ্রের উপরিভাগে থাকে না। যদি এরা সমুদ্রের উপরিভাগে বসবাস করত তাহলে এদের বেশ কিছু কাজকর্ম মানুষের রাতের ঘুম কেড়ে নেওয়ার জন্য যথেষ্ট।


এরা কিন্তু দৈর্ঘ্যে খুবই ছোট। সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্যই হয় এক ফুটের মতো, তবে বেশিরভাগের ক্ষেত্রে দৈঘ্যের পরিমাণ হয় ৬-৮ ইঞ্চি। কিন্তু মুখটা এদের প্রকান্ড। বিশাল সব শিকারকে অনায়াসে গিলে ফেলতে পারে। নিজেদের থেকে বিশাল কাউকে চট করে ঢুকিয়ে ফেলা তো সহজ কথা না। কাজেই, রেজর ব্লেডের মতো ধারালো দাঁত রয়েছে এদের। আর, একবার শিকার ঢুকে গেলে আর যেন বেরিয়ে আসতে না পারে, সেজন্য রয়েছে কাঁটাযুক্ত তালু। 


কিন্তু কোন প্রাণীকে শিকার করে তাকে খালি গিললেই তো হবে না, জায়গাও তো দিতে হবে। ছোট্ট দেহের নিচে তাই একটি বেলুনের মতো পেট আছে এদের। দৈর্ঘ্যে প্রায় দ্বিগুণ এবং ভরের দিক থেকে নিজের দশগুণ যেকোনো মাছকে এরা আস্ত গিলে ফেলতে পারে। সম্পূর্ণ অদ্ভুত ধরনের এক গঠন এদের শরীরের। শিকারকে এরা ঠেসে পেটের মধ্যে ঢুকিয়ে ফেলে। আর এভাবে স্বীকারকে আসতো পেটের মধ্যে ঢুকিয়ে ফেলতে এরা এদের তীক্ষ্ণ দাঁতের সাহায্য নিয়ে থাকে।


শুনতে অদ্ভুতুড়ে মনে হলেও এদের কাজকর্মের পেছনের ব্যাপারটা আসলে খুব সরল। এরা থাকে আটলান্টিক মহাসাগরের ট্রপিক্যাল এবং সাবট্রপিক্যাল অংশে, সমুদ্রের ব্যাথিপেলাজিক অঞ্চলে। কালিগোলা এই গভীর অন্ধকারময় জলে খুব সহজে শিকার পাওয়ার উপায় নেই। এরা তাই একবারে পুরোটুকু খেয়ে নিয়ে সেটাকে জমিয়ে রেখে বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি সংরক্ষণ করার চেষ্টা করে।


কিন্তু সবসময় ব্যাপারটা এত শান্তিপূর্ণ হয় না এদের জন্য।খাদ্যের পরিমাণ অতিরিক্ত বেশি হলে যথা সময়ে এরা পুরো খাবার হজম করতে পারে না। তখন এই খাবার পঁচতে শুরু করে, যার ফলে গ্যাস তৈরি হয়। এই গ্যাস পেটের মধ্যে চাপ দিতে থাকে। ফলাফল ক্ষেত্রবিশেষে পেটে অতিরিক্ত পরিমাণ গ্যাস হওয়ার কারণে বিস্ফোরিতও হতে দেখা যায় ব্ল্যাক সোয়ালোয়ারকে। অনেক সময় বিস্ফোরণের ফলে ব্ল্যাক সোয়ালোয়ারের মৃতদেহ সমদ্রপৃষ্ঠে ভেসে ওঠে।


From #জ্ঞানওবিজ্ঞান


সংগৃহীত পোস্ট

ঘুরে_দাঁড়ানোর_গল্প ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 #ঘুরে_দাঁড়ানোর_গল্প

“একজন ভারতীয় মহিলা শাস্ত্রীয় নৃত্যশিল্পী হিসেবে দর্শক আমার থেকে আশা রাখেন, যে আমার একঢাল লম্বা চুল থাকবে। মাথার চুল পরে গেলে মহিলারা এমনিতেই নিজেদের লোকচক্ষুর আড়াল করে নিতে চান।


কিন্তু আমি মনে করি আমার চুল হলো আমার জীবনের একটি ক্ষুদ্র অংশ; এর অভাবে আমি নিশ্চয়ই বাঁচা ছেড়ে দেবো, তাই না? আমি আজও নিজেকে আগের মতোই সুন্দর দেখি। আর এইভাবেই যখন কেউ নিজেকে সাদরে গ্রহণ করে নেয়, সমাজও তখন তাকে সেইভাবেই গ্রহণ করে নেয়।


কত্থকের অর্থ হলো কাহিনী ব্যক্ত করা; এবং নৃত্য শুধুমাত্র শরীরের নড়াচড়ার বিষয় নয় বরং এটি মানুষকে নতুনভাবে ভাবতে শেখায়, যা সমাজ পরিবর্তনের অনুঘটক হিসেবে কাজ করে।


এমনও সময় গেছে, যখন আমি কখনও কেমোর একদিন আগে বা একদিন পরেও নৃত্য উপস্থাপন করেছি। নাচ আমার কাছে অক্সিজেনের মতো। আমি নাচ ছাড়া কিছুতেই থাকতে পারবো না। আমার তৃতীয় এবং ষষ্ঠ কেমোর মধ্যবর্তী সময়ে, আমি 15টি শো করেছি।


আমার মানসিক স্বাস্থ্য এবং একটি প্রাথমিক রোগ নির্ণয় আমাকে দ্রুত আরোগ্য লাভ করতে সাহায্য করেছে। আমি যদি বিছানায় থাকতাম, আমি অবসাদে চলে যেতাম। পরিবর্তে, নাচ আমাকে এই কঠিন রজার মধ্যেও বাঁচার শক্তি ও অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। কিন্তু আমিও একাকীত্বে চোখের জল ফেলি।


ঈশ্বরকে প্রশ্ন করি, ‘আমিই কেন?’ আমি তো কারো প্রতি কোন অন্যায় করিনি। কিন্তু যখন আমি দেখি কত মানুষ আমার থেকেও খারাপ পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, তখন আমি লড়াই করার শক্তি খুঁজে পাই। আমি কারও সহানুভূতি চাই না। আমি ভালবাসা চাই। একজন নারী হিসাবে, আমরা প্রতিনিয়ত অন্যের জন্য বাঁচতে গিয়ে নিজের বাঁচার কথাই ভুলে যাই। আমি বিশ্বাস করি, আপনি নিজে যদি সুখী থাকেন, একমাত্র তখনি আপনি অন্যকে সুখী রাখতে পারবেন।


মৃত্যু তো একদিন আসবেই; কিন্তু সেই একদিন মরার আগে প্রত্যেকদিন প্রাণভরে বাঁচবো না কেন আমি? আমি যখন আজ ঘুম ভেঙে চোখ খুলে আজকের সকাল দেখতে পেরেছি, তার মানে, আমি আরও একটা সুযোগ পেলাম নতুনভাবে বাঁচার জন্যে, তাহলে আমি অযথা দুশ্চিন্তা করে সময় নষ্ট করবো কেন?”


-- অলকানন্দা দাশগুপ্ত

কবিতা: হে হৃদয় বন্দিনী। লেখক:আহমেদ নূর।(অমানুষ)

 কবিতা: হে হৃদয় বন্দিনী।

লেখক:আহমেদ নূর।(অমানুষ)


তুমি যে গেছ দূরে, শূন্য এ জীবন,

পৃথিবী দেখায় ম্লান, অন্ধকারে মন।

তোমারি কথা মনে, জাগে ব্যথা অপার,

কেমনে থাকি একা, তুমিহীন এ সংসার।


হে হৃদয় বন্দিনী, ফিরে এসো প্রিয়,

এই বিরহের ব্যথা সহে নাহি হৃদয়।

আলো হয়ে আসো তুমি, আঁধারে আমার,

তোমার স্পর্শ বিনা জীবন বৃথা আমার।


তোমার সেই হাসি, সেই মধুর বাক,

স্মরণে আনিয়া দেয় অমৃতের স্বাদ।

তোমার ছায়ায় ছিলাম স্নিগ্ধ নির্ভয়ে,

এখন শুধু আঁধার, চারিদিক ঝরে।


তোমা বিনা প্রিয়, পথিকের গন্তব্য নাই,

তুমি ছিলে হৃদয়ে, অক্ষয় আশ্রয়।

ফিরিয়া এসো তুমি, সুখের মেলবন্ধনে,

ভালোবাসার ছায়া দাও, চিরন্তন ভুবনে।


হে হৃদয় বন্দিনী, কোন দূরলোক হতে,

তোমার স্মৃতি লয়ে আসি, অশ্রুজল পথে।

সদা তব স্মরণে মগ্ন হৃদয়,

তোমারে ভুলি কেমনে, জীবন যে মায়ায় ভরায়।

নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন

 নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন 🌺 আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশই অবিশ্বাস্যভাবে সুনির্দিষ্ট এবং জটিল, বিশেষ করে যখন ...