এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৪

ইকিগাই বইয়ের ১০ শিক্ষা

 ইকিগাই বইয়ের ১০ শিক্ষা


হেক্টর গার্সিয়া ও ফ্রান্সেস্ক মিরালসের লেখা ‘ইকিগাই: দ্য জাপানিজ সিক্রেট টু অ্যা লং অ্যান্ড হ্যাপি লাইফ’ বইটি ২০১৬ সালের এপ্রিলে জাপানে প্রথম প্রকাশিত হয়। বইটি সারা বিশ্বে বহু ভাষায় অনূদিত হয়েছে এবং মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়েছে। জাপানিদের দীর্ঘজীবন এবং সুখের রহস্য নিয়ে লেখা এই বইটি আমাদের জীবনে সুখী ও অর্থপূর্ণ জীবনযাপন করতে সহায়ক হতে পারে। এ বইটির ১০টি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা তুলে ধরেছেন এম এম মুজাহিদ উদ্দীন।


আপনার ইকিগাই খুঁজুন


ইকিগাই হলো একটি জাপানি ধারণা, যা জীবনের উদ্দেশ্য এবং বেঁচে থাকার কারণকে বোঝায়। এটি চারটি বিষয়ের সমন্বয় যেমন: আপনি কী করতে ভালোবাসেন; আপনি কোন বিষয়ে দক্ষ; বিশ্বের জন্য কী প্রয়োজন; আপনি কিসের জন্য অর্থ পান। যে কাজগুলো করতে আপনি ভালোবাসেন এবং দক্ষ, সেগুলোকে গুরুত্ব দিন। ইকিগাই খুঁজে পেতে আবেগ ও প্রতিভার মধ্যে ভারসাম্য আনুন।


আপনার কাজ উপভোগ করুন


এমন কাজ করুন যা আপনাকে আনন্দ দেয়। আনন্দদায়ক কাজ করলে কাজের সফলতা পাওয়া যায়। কাজে ক্লান্তিও আসে না।


সাদামাটা জীবনযাপন করুন


অতিরিক্ত চাহিদা না রেখে সাদাসিধে জীবনযাপন করুন। এটি মানসিক প্রশান্তি আনে এবং অপ্রয়োজনীয় চাপ এড়াতে সাহায্য করে।


সক্রিয় থাকুন


দীর্ঘ ও সুস্থ জীবনের অন্যতম রহস্য হলো সক্রিয় থাকা। অলস বসে না থেকে নিয়মিত শারীরিক কার্যকলাপে যুক্ত থাকুন। এর মানে এই নয় যে আপনাকে পেশাদার ক্রীড়াবিদ হতে হবে। প্রতিদিন হাঁটাহাঁটি, শখের কাজ করা বা ছোটখাটো শরীরচর্চা করলেই বড় ফলাফল আসতে পারে। শরীর সক্রিয় থাকলে মনও সতেজ থাকে।


স্বাস্থ্যকর খাবার খান


আপনার খাদ্যাভ্যাস স্বাস্থ্য ও সুস্থতার ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। স্বাস্থ্যকর খাবার খান। যেমন: ফল, শাকসবজি ও গোটা শস্য। প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং অতিরিক্ত চিনি এড়িয়ে চলুন। বইটিতে উল্লেখিত ‘হারা হাচি বু’ নামক পরিভাষার অর্থ হলো পেটের ৮০% পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত খাওয়া। মনোযোগ দিয়ে ধীরে ধীরে খাওয়া এবং প্রতিটি কামড়ের স্বাদ

উপভোগ করা।


পর্যাপ্ত ঘুমান


শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য পর্যাপ্ত ঘুম অপরিহার্য। প্রতি রাতে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করুন। এটি কর্মদক্ষতা বাড়ায়, শরীর ও মনকে সতেজ রাখে। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে মেজাজ খিটখিটে হয়, ধৈর্য কমে এবং বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়।


সম্পর্ক তৈরি করুন


মানুষ সামাজিক জীব। সুন্দর জীবনযাপনের জন্য অন্যের সঙ্গে সুন্দর সম্পর্ক গড়ে তুলুন। জাপানি ‘মোয়াই’ পরিভাষা বোঝায়, একই মানসিকতা ও লক্ষ্যযুক্ত মানুষের সঙ্গে একটি কমিউনিটি তৈরি করা। ভালো বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে সময় কাটান। সম্পর্কের যত্ন নিন এবং একাকিত্ব দূর করুন। সুস্থ ও দীর্ঘ জীবনের জন্য এই ধরনের সম্পর্ক খুবই গুরুত্বপূর্ণ।


আজকের জন্য বাঁচুন


জীবনের সেরা উপায় হলো বর্তমানে বাঁচা। অতীতের দুঃখ বা ভবিষ্যতের দুশ্চিন্তা না করে বর্তমান উপভোগ করুন। ছোটখাটো বিষয়ও উপভোগ করুন, যেমন একটি সুন্দর খাবার, বাগানে হাঁটা বা বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো। প্রতিটি মুহূর্ত উদ্‌যাপন করুন।


কৃতজ্ঞ থাকুন


সুখী ও পরিপূর্ণ জীবনের জন্য কৃতজ্ঞ থাকার অভ্যাস গড়ে তুলুন। প্রতিদিন ছোট-বড় যেকোনো বিষয়ে কৃতজ্ঞতার কথা ভাবুন। কৃতজ্ঞতা একটি শক্তিশালী আবেগ যা জীবনে সুখ ও প্রশান্তি নিয়ে আসে।


শেখা কখনো থামাবেন না


জীবনব্যাপী শিক্ষা ও আত্মোন্নয়ন ইকিগাইয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। নতুন কিছু শেখা, বই পড়া বা দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে নিজেকে সমৃদ্ধ করুন। প্রতিটি চ্যালেঞ্জকে শেখার সুযোগ হিসেবে দেখুন। বইয়ে বলা হয়েছে, ‘আমাদের ইকিগাই হলো একটি ধ্রুবক বিবর্তন, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তিত হয়। তরুণ থাকতে শেখার প্রতি আগ্রহ বজায় রাখতে হবে।

মেগাস্টার শাকিব খানের অল মুভির লিষ্ট!

 মেগাস্টার শাকিব খানের অল মুভির লিষ্ট!

________________________________

১!অনন্ত ভালোবাসা

২!দুজন দুজনার

৩!আজকের দাপট

৪!বিষে ভরা নাগিন

৫!হিরা চুন্নি পান্না 

৬!জানের জান

৭!সবাই তো সুখি হতে চায়

৮! অশান্তির আগুন

৯!গোলাম 

১০!পাল্টা হামলা

১১!কসম বাংলার মাটি

১২!বিষাক্ত নাগিন

১৩!ফুল নেবো না অশ্রু নেবো

১৪!কঠিন শাস্তি 

১৫!আজকের ক্যাডার

১৬!দুষমন দরদী

১৭!দুই নাগিন

১৮!মেজাজ গরম

১৯!হিম্মত 

২০!ঠেকাও মাস্তান 

২১!বাপ বেটির যুদ্ধ 

২২!বিশ্ব বাটপার

২৩!বন্ধু যখন শত্রু 

২৪!শিকারি

২৫!গণ দুশমন

২৬!নাটের গুরু

২৭!নাচনে ওয়ালী

২৮!স্বপ্নের বাসর 

২৯!ডাকু রানী 

৩০!যুদ্ধে যাবো

৩১!মুখোশ ধারী 

৩২!জুয়াড়ি 

৩৩!পাগলা বাবা 

৩৪!বোবা খুনি 

৩৫!ভন্ড ওঝা

৩৬!উত্তেজিত 

৩৭!ভয়ংকর পরিণাম 

৩৮!হিংসার পতন 

৩৯!লোহার শিকল 

৪০!খল নায়িকা 

৪১!স্ত্রীর মর্যাদা 

৪২!মায়ের জিহাদ 

৪৩!দস্যু

৪৪!পড়েনা চোখের পলক 

৪৫!সবার উপরে প্রেম 

৪৬!মরণ নিশান 

৪৭!ও প্রিয়া তুমি কোথায় 

৪৮!ক্ষমতার দাপট 

৪৯!হিংসা প্রতিহিংসা 

৫০!হুমকির মুখে 

৫১!ওরা দালাল 

৫২!বাহাদুর সন্তান 

৫৩!বড় মালিক

৫৪!ডেঞ্জার 

৫৫!প্রাণের মানুষ 

৫৬!সাহসী মানুষ চাই 

৫৭!ওরা সাহসী 

৫৮!নয়ন ভরা জল 

৫৯!রুখে দাড়াও 

৬০!আন্ডারওয়ার্ল্ড 

৬১!প্রেম সংঘাত 

৬২!পাল্টা আক্রমণ 

৬৩!গুরু দেব

৬৪!ভাড়াটে খুনি 

৬৫!হৃদয় শুধু তোমার জন্য 

৬৬!লাস্ট টার্গেট 

৬৭!নষ্ট 

৬৮!মায়ের হাতের বালা 

৬৯!ধর শয়তান 

৭০!জ্যান্ত লাশ 

৭১!বস্তির রানী সুরিয়া 

৭২!খুনি শিকদার 

৭৩!জাত শত্রু 

৭৪!আজকের সমাজ

৭৫!সমাজের শত্রু 

৭৬!দুর্ধর্ষ 

৭৭!রাঙ্গা মাস্তান 

৭৮!ব্যাড স্যান

৭৯!টপ লিডার 

৮০!নগ্ন হামলা 

৮১!খোঁজ সংবাদ 

৮২!আমার স্বপ্ন তুমি 

৮৩!সিটি টেরর

৮৪!সুভা

৮৫!দুই নাম্বার 

৮৬!বাঁধা 

৮৭!লালু কসাই

৮৯!মায়ের মর্যাদা 

৯০!হট লাইন

৯১!কোটি টাকার কাবিন

৯২!সাত খুন মাফ 

৯৩!জন্ম 

৯৪!পিতার আসন

৯৫!রঙ্গিন রসের বাইদানী 

৯৬!হিংস্র মানব 

৯৭!চাচ্চু 

৯৮!নিষ্পাপ কয়েদি 

৯৯!ঢাকাইয়া পোলা বরিশালের মাইয়া 

১০০!নষ্ট ছাত্র

__________________________________

১০১!দাদীমা 

১০২!জমজ

১০৩!স্বামীর সংসার 

১০৪!ডাক্তার বাড়ি 

১০৫!আমার প্রানের স্বামী 

১০৬!তুই যদি আমার হইতিরে 

১০৭!কথা দাও সাথী হবে 

১০৮!তোমার জন্য মরতে পারি 

১০৯!কপাল

১১০!মা আমার স্বর্গ 

১১১!দানব সন্তান 

১১২!কঠিন প্রেম 

১১৩!কাবিন নামা

১১৪!এক বুক জ্বালা 

১১৫!রাজধানীর রাজা 

১১৬!টিপ টিপ বৃষ্টি 

১১৭!ভালোবাসার দুশমন 

১১৮!সন্তান আমার অহংকার 

১১৯!তুমি স্বপ্ন তুমি সাধনা 

১২০!বিয়ের প্রস্তাব 

১২১!প্রিয়া আমার প্রিয়া 

১২২!১ টাকার বউ 

১২৩!হৃদয় আমার নাম 

১২৪!আমাদের ছোট সাহেব 

১২৫!যদি বউ সাজোগো

১২৬!মনে প্রানে আছো তুমি 

১২৭!তুমি আমার প্রেম 

১২৮!আমার জান আমার 

১২৯!তোমাকে বউ বানাবো 

১৩০!সামধি

১৩১!মিয়া বাড়ির চাকর 

১৩২!জন্ম তোমার জন্য 

১৩৩!বলবো কথা বাসর ঘরে 

১৩৪!বিয়ে বাড়ি 

১৩৫!প্রেম কয়েদি 

১৩৬!মন যেখানে হৃদয় সেখানে 

১৩৭!স্বামী স্ত্রীর ওয়াদা 

১৩৮!জান আমার জান 

১৩৯!মায়ের হাতে বেহেস্তের চাবি 

১৪০!বলো না কবুল

১৪১!সাহেব নামে গোলাম 

১৪২!ও সাথী রে 

১৪৩!ভালোবাসা লাল গোলাপ 

১৪৪!সবার উপরে তুমি

১৪৫!আমার প্রাণের প্রিয়া 

১৪৬!মনে বড় কষ্ট 

১৪৭!ভালোবাসা দিবি কিনা বল 

১৪৮!টাকার চেয়ে প্রেম বড় 

১৪৭!প্রেমে পড়েছি

১৪৮!জীবন মরনের সাথী 

১৪৯!আমার বুকের মধ্যখানে 

১৫০!জনম জনমের প্রেম 

১৫১!তুমি আমার মনের মানুষ 

১৫২!ভালবাসলে ঘর বাঁধা যায় না 

১৫৩!ভালোবেসে মরতে পারি 

১৫৪!চেহারা ভন্ড টু 

১৫৫!প্রেমিক পুরুষ 

১৫৬!নাম্বার ওয়ান শাকিব খান 

১৫৭!নিঃশ্বাস আমার তুমি 

১৫৮!চাচ্চু আমার চাচ্চু 

১৫৯!টপ হিরো 

১৬০!বলোনা তুমি আমার 

১৬১!পরান যায় জলিয়া রে 

১৬২!হাই প্রেম হাই ভালবাসা

১৬৩!প্রেম মানেনা বাধা 

১৬৪!মনের জ্বালা 

১৬৫!অন্তরে আছো তুমি 

১৬৬!মাটির ঠিকানা 

১৬৭!কোটি টাকার প্রেম 

১৬৮!তোর কারনে বেচে আছি 

১৬৯!একবার বলো ভালবাসি 

১৭০!টাইগার নাম্বার ওয়ান 

১৭১!জান কোরবান 

১৭২!মনের ঘরে বসত করে 

১৭৩!প্রিয়া আমার জান 

১৭৪!কিং খান

১৭৫!বস নাম্বার ওয়ান 

১৭৬!আদরের জামাই 

১৭৭!আই লাভ ইউ

১৭৮!আমার চ্যালেঞ্জ 

১৭৯!এক টাকার দেনমোহর 

১৮০!সন্তানের মত সন্তান

১৮১!খোদার পরে মা

১৮২!মাই নেম ইজ সুলতান

১৮৩!ঢাকার কিং

১৮৪!হে আমার মন কেটেছে 

১৮৫!দূরদর্শ প্রেমিক

১৮৬!জিদ্দি মামা 

১৮৭!বুক ফাটে তো মুখ ফোটে না 

১৮৯!ডন নাম্বার ওয়ান 

১৯০!জোর করে ভালোবাসা হয় না 

১৯১!দেবদাস

১৯২!জজ ব্যারিস্টার পুলিশ কমিশনার

১৯৩!নিষ্পাপ মুন্না 

১৯৪!মাই নেম ইজ খান 

১৯৫!ভালোবাসা আজকাল 

১৯৬!ঢাকা টু বোম্বে 

১৯৭!পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেম কাহিনী 

১৯৮!ফুল এন্ড ফাইনাল 

১৯৯!প্রেমিক নাম্বার ওয়ান 

২০০!লাট্টু কসাই

__________________________________

২০১!রাজত্ব 

২০২!দবির সাহেবের সংসার 

২০৩!ডেয়ারিং লাভার 

২০৪!ভালোবাসা এক্সপ্রেস 

২০৫!ফাঁদ 

২০৬!হিরো দ্য সুপারস্টার 

২০৭!হিটম্যান 

২০৮!কঠিন প্রতিশোধ 

২০৯!সেরা নায়ক 

২১০!এক কাপ চা

২১১!এইতো প্রেম 

২১২!দুই পৃথিবী 

২১৩!লাভ ম্যারেজ 

২১৪!আরো ভালোবাসবো তোমায় 

২১৫!রাজা বাবু 

২১৬!রাজা ৪২০

২১৭!পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেম কাহিনীর ২ 

২১৮!শিকারি

২১৯!সম্রাট 

২২০!রানা পাগলা দা মেন্টাল 

২২১!বসগিরি 

২২২!শুটার 

২২৩!ধুমকেতু 

২২৪!সত্তা 

২২৫!রাজনীতি 

২২৬!নবাব

২২৭!রংবাজ

২২৮!অহংকার 

২২৯!আমি নেতা হবো

২৩০!চালবাজ 

২৩১!চিটাগাংইয়া পোয়ানোয়াখাইল্লা মাইয়া

২৩২!পাংকু জামাই

২৩৩!সুপার হিরো

২৩৪!ভাইজান এলো রে 

২৩৫!ক্যাপ্টেন খান 

২৩৬!নাকাব

২৩৭!পাসওয়ার্ড 

২৩৮!নোলক

২৩৯!মনের মত মানুষ পাইলাম না 

২৪০!বীর

২৪১!শাহেন শাহ

২৪২!নবাব L.L.B

২৪৩!বিদ্রোহী 

২৪৪!গলুই

২৪৫!লিডার আমি বাংলাদেশ

২৪৬!প্রিয়তমা 

২৪৭!রাজকুমার 

২৪৮!তুফান

২৪৯!দরদ

২৫০!বরবাদ...লোডিং

সময় ব্যবস্থাপনার পাঁচটি কৌশল:

 🟪🟥সময় ব্যবস্থাপনার পাঁচটি কৌশল:

‘সময়ের মূল্য’ রচনা পড়েননি, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না। মানুষের জীবন ও মৃত্যুর যেমন নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকে না, তেমনি বেঁচে থাকাকালীন জীবনের সব কাজের জন্য প্রতিটি মহূর্ত ও সময়ের নির্দিষ্ট সময়সীমা রয়েছে। ‘সময় গেলে সাধন হবে না’—এমন একটি বিখ্যাত গানও রয়েছে। তাই সময় ব্যবস্থাপনার ব্যাপারে হতে হবে কৌশলী। সময় ব্যবস্থাপনার পাঁচটি কৌশল নিয়ে লিখেছেন মো. খশরু আহসান।


🟪🟥পোমোডোরো পদ্ধতি


পোমোডোরো পদ্ধতি হলো বিশ্বের জনপ্রিয় সময় ব্যবস্থাপনার কৌশল। মানুষের কর্মক্ষমতা সঠিকভাবে ব্যবহারের জন্য এ পদ্ধতিতে একটি মডেল দাঁড় করানো হয়েছে। পদ্ধতিটিতে কোনো কাজকে ২৫ মিনিটের ব্যবধানে বিভক্ত করা হয়, যাকে পোমোডোরো মডেল বলা হয়। মডেলটিতে প্রতি ২৫ মিনিট পর ৫ মিনিটের বিরতি থাকে। এমন ৪টি পোমোডোরো শেষ হওয়ার পর আপনি ১৫-২০ মিনিটের দীর্ঘ বিরতি নিতে পারেন। পোমোডোরো মডেল মস্তিষ্ককে ক্লান্ত হওয়া থেকে দূরে রাখতে সক্ষম। মডেলটি শিক্ষার্থীদের জন্য, বিশেষ করে অধ্যয়নের সময় মন সতেজ করার জন্য ঘন ঘন বিরতির সঙ্গে একাগ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।


🟪🟥টাইম ব্লকিং


টাইম ব্লকিং হলো একটি শিডিউলিং পদ্ধতি, যেখানে দিনটিকে নির্দিষ্ট কাজ বা ক্রিয়াকলাপের জন্য বিভিন্ন অংশে ভাগ করে নেওয়া যায়। প্রতিদিনই প্রত্যেকের নির্দিষ্ট কিছু কাজ থাকে। আপনি কোন সময়ে কোন কাজটি করবেন, তা লিখে রাখলে কাজের কাঠামোগত মান বজায় থাকে। তা ছাড়া এমন কাজের তালিকা কাজের প্রতি স্পৃহা বাড়ায়। আপনি কোন কাজে কত সময় ব্যয় করবেন, তার লিখিত রূপ টেবিলের সামনে টাঙিয়ে রাখতে পারেন বা মোবাইলের নোট কিংবা ক্যালেন্ডারে সময় নির্ধারণ করে রাখা যায়। তালিকা অনুযায়ী কাজ না হলে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। অনুশীলনের ফলে একসময় এমন অভ্যাস হয়ে যাবে।


🟪🟥আইজেনহাওয়ার ম্যাট্রিক্স


আইজেনহাওয়ার ম্যাট্রিক্স হলো গুরুত্ব অনুসারে সবচেয়ে জরুরি কাজগুলো সাজিয়ে ফেলা এবং সে অনুযায়ী কার্যক্রম শেষ করা। এ পদ্ধতি যেকোনো মানুষকে, বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে বেশি মনোযোগ ধরে রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি গুরুত্বহীন কাজে সময় নষ্ট করা এড়াতে শেখায়। পদ্ধতিটি অনুশীলনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সময় ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে ভালো ধারণা পান এবং কোন কাজে কত সময় দেওয়া যেতে পারে, সে ব্যাপারে সচেতন হন। এতে বিভ্রান্তিকর কার্যক্রম হ্রাস পায় এবং সঠিক সময়ে কাজ শেষ করা যায়।


🟪🟥ডিজিটাল ক্যালেন্ডার বা নোটবুক ব্যবহার


মোবাইলের নোটপ্যাড কিংবা ক্যালেন্ডার ব্যবহার করুন। এতে আপনার সময় বেঁচে যেতে পারে। মোবাইলের ক্যালেন্ডারে নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিলে কাজ শুরু এবং শেষে ক্যালেন্ডার রিমাইন্ডার দেয়। ফলে অনুমান করা যায় যে আপনার কর্মদক্ষতা অনুযায়ী কতটুকু কাজ এগিয়ে নিতে পেরেছেন কিংবা পারেননি। ফলে সঠিক সময়ে


নির্দিষ্ট কাজ করার প্রবণতা দেখা


যায় এবং অবশ্যই তা যেকোনো ব্যক্তিকে আনন্দিত করে। পাশাপাশি নতুনভাবে কাজ করার প্রতি উৎসাহিত করতে পারে।


🟪🟥স্মার্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করা


স্মার্ট লক্ষ্যগুলো হলো নির্দিষ্ট, পরিমাপযোগ্য, অর্জনযোগ্য, প্রাসঙ্গিক ও সময়সীমা। একজন শিক্ষার্থীর কাজের সঠিক কাঠামো ও সঠিক মানদণ্ড পরিমাপক হিসেবে কাজ করে। প্রতিটি মানদণ্ড একটি স্পষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করে। ফলে শিক্ষার্থীরা কাজের জন্য বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা তৈরি করতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, অনেক বই সামনে রাখলে অবসাদের প্রবণতা বেশি থাকে। নির্দিষ্টভাবে যে বই বা সিলেবাস শেষ করতে হবে, সেটি সামনে রাখলে পড়ার প্রতি আগ্রহ বেশি কাজ করে। এতে নির্দিষ্ট কাজের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় থাকে।সোর্স আজকের পত্রিকা. careercare

কি  গো ঢাকার মৌমাছি(বউ), কী রান্না আজ?

 কি গো ঢাকার মৌমাছি(বউ), কী রান্না আজ?


বউ- তেমন কিছু না। এই জয়দেবপুরের কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের ধানের চাল>ভাত, শিবগঞ্জের মসলা দিয়ে ঈশ্বরদীর ডাল, গাজীপুরের তেলবীজ (সরিষা, সয়াবিন, সূর্যমুখী প্রভৃতি) থেকে তৈরি সদ্যোজাত তৈল দিয়ে মানিক মিয়ার পাট শাক ভাজি, আর তোমার প্রিয় সিলেটের ব্ল্যাকবেঙ্গল ছাগলের মাংস।

আর খাবার শেষে বগুড়ার দই, নাটরের কাঁচাগোল্লা, নওগাঁর প্যারাসন্দেশ। এই তো সামান্য আয়োজন।


আমি- 🤔🤔। কি মতলব?


বউ- কিছু না গো, ওই একটু সাহেবপ্রতাপ, নরসিংদির তাঁতের শাড়ি আর রাজশাহীর রেশমিসুতোর শাড়ির নতুন কালেকশন দেখে মনটা কেমন করছে। শোনো নাহ! সন্ধ্যায় বাসায় ফেরার সময় জয়দেবপুর উদ্যান থেকে আমার জন্য ১১ ধরনের ফুলগাছ নিয়ে এসো। জানোই তো আমার বাগান করার সখ।

ওহ ভালো কথা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম আছে ফ্রিজে, কেটে দিবো? নাকি শ্রীমঙ্গলের চা খাবে? রাতে কি রুটি করবো। নশিপুরের গমের?

ওই, একটু শোনো নাহ! আমার তাই জাদুঘর দেখার সখ হইছে। শাহবাগে জাতীয় জাদুঘর, আগারগাঁওয়ের মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর দিয়ে বিজয় সরণিতে যাবো সামরিক জাদুঘর দেখতে। তারপর, কুষ্টিয়ার কুঠিবাড়ি রবীন্দ্র ও লালন জাদুঘর দেখে রাজশাহী বরেন্দ্র জাদুঘর ঘুরে মহাস্থানগর জাদুঘরের দিক রওনা হবো। সেখান থেকে এসে লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর আর কুমিল্লার ময়নামতি দেখে আর কোত্থাও যেতে চাইব না প্রমিস্।


আমি শুনেও না শোনার ভান্ করে ভাত খেয়ে যাচ্ছি। সে আমার সাড়া না পেয়ে-

তুমি আমাকে কোথাও নিয়ে যেতে চাও না। কেন? কেন? আমি তো তেমন ঘুরিও না। সেই ছয়মাস আগে কুমিল্লা গেছি শালবন ও আনন্দ বিহারে, আর চট্টগ্রামে মহামুনি বিহারে আধাঘন্টা, রাঙ্গামাটি রাজবন বৌদ্ধ বিহারে আধাঘন্টা। ব্যাস শেষ। নওগাঁর সোমপুর বিহার, জগদ্দল বিহার, বগুড়ার বাসু বিহার, দিনাজপুরের সীতাকোট বিহার যাওয়াই হলো না আমার। এ জীবনে হবে কিনা কে জানে! 😢


কথা শুনে এবার খাওয়া বন্ধ হয়ে গেলো। মেজাজ গরম, রক্তের গতি চরম। বললাম-

ইউনেস্কো ঘোষিত ষাট গম্বুজ মসজিদ আর সুন্দরবন/টাইডাল বন/বাদাবন বাদ দিলে যে? বলো? সরকারি আটটা ইপিজেট (হালিশহর, কুমিল্লা ২টা, সাভার, বাগেরহাট, পাকশি,নীলফামারী,নারায়ণগঞ্জ) এ যাবো। বলো বলো? কর্ণফুলি নদীর তীরে চট্টগ্রাম বন্দর, পশুর নদীর তীরে মংলা বন্দর, কলাপাড়ার পায়রা বন্দর (সমুদ্রবন্দর)। সাথে ২৮টা স্থলবন্দর, নারায়ণগঞ্জের প্রধান নদী বন্দর।

তেল শোধনাগার আছে, কয়লা শোধনাগার আছে, মানুষ শোধনাগার থাকলে এটাকে শোধন করে নিতাম। (মনে মনে বিড় বিড় করছি 🤔)


বউ- তোমার সংসারে আমার মত মেয়ে দেখে আছে, অন্য কেউ হলে.......। (কমন ডায়লগ)

কোথাও নিয়ে যেতে চাওনা। একটা মুভি দেখাইছো বিয়ের পর? চিত্রা বউদিকে তার বর অস্কারে যাওয়া মাটির ময়না, শ্যামল ছায়া, ঘেটুপুত্র কমলা, অজ্ঞাতনাম সব কয়টা দেখিয়েছে। ওমা ভাবি সেদিন আমাকে এক নিঃশ্বাসে ১০টা ছবির নাম বললো। বৃত্তের বাহিরে, জালালের গল্প, রেহেনা মরিয়ম নূর, জোনাকির আলো, সপ্নডানায় আরও কত কী। তোমার মত হুমু সেপিয়েন স্বামী আমি জীবনেও দেখিনি। (কাঁন্না শুরু)।

আমার ছোটবোন বিয়ের পর সর্ব দক্ষিণের ছেঁড়াদ্বিপ, উত্তরের জায়গীরজোত, পূর্বের আখাইনঠং, পশ্চিমের মনাকষা ঘুরে এলো। বাংলার ভেনিস/শস্যভান্ডর, সাগরকন্যা, কুমিল্লার দুঃখ, ৩৬০ আওলিয়ার দেশ, উত্তর বঙ্গের প্রবেশদ্বার, পাহাড়-পর্বত ও রহস্যের লীলাভুমি কি দেখেনি সে। নদীয়া, বিক্রমপুর, জাহানাবাদ, শ্রীহট্ট, শমশেরনগর, সিংহজানী, পালংকি, গন্ডোয়ানাল্যান্ড কত শত নাম বললো।


বউ এর কথা শুনে আমার তো আক্কেলগুড়ুম। মনে হচ্ছে সাগরে ডুব দিয়ে মরি।


বউ: সাগর পাবে কই। বঙ্গো উপসাগর আছে। যার অর্থনৈতিক সীমা ২০০ ন.মা, রাজনৈতিক সীমা ১২ ন.মা। ১ নটিকাল মাইল =১.১৫ মাইল/১.৮৫ কিমি। তুমি তো ১০০ মিটারও হাটতে চাও না। আর সাগরে নামতে এই দুরত্ব পায়ে হেটে যেতে পারবে তো?


আমি: এরে! বিসিএস বইগুলি কই? এসব পড়ে ওর মাথা গেছে। বাড়িতেই থাকবো না যাহ! দরকার হয় বনবাসে যাবো, নয়তো এভারেস্টে চলে যাবো। 


বউ: বাংলাদেশে বন ২৫%ও নেই। ৭-১২% মাত্র। যাবে কই। বড় বন একটাই সেটাও মাত্র ৬০১৭ বর্গকিমি। এটুকু জায়গায় যেখানেই যাও খুঁজে বের করবো। আর এভারেস্টের কথা বলছো। মুসা ইব্রাহিম (২০১০), নিশাত মজুমদার (২০১২) এই দুজন ছাড়া আর কেউ জয় করতে পারেনি বাংলাদেশ থেকে। আর তুমি তো রিপণ! কিউকারাডং এ যাওয়ার মুরুদ নেই, আবার এভারেস্ট জয়ের ঠাকুর। তোমার মতো ছা-পোষা সরকারি চাকুরিজীবীর দ্বারা ওই চাকরিই করতে হবে, জীবনে আর কিছু করতে পারবে না। তোমার............ ..  .. (মুখ চলমান)।


আরও আধাঘন্টা বক বক চললো তার। আমি বালিশ্ নিয়ে এই অগ্রহায়ণ মাসের শীতে ছাঁদবাসী হয়ে গেলাম।

😔😢


©Riponarya Kormokar (রিপণার্য কর্মকার)

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ১৪-১২-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ১৪-১২-২০২৪ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


আজ শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস - শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা।


প্রধান উপদেষ্টার আমন্ত্রণে ৪ দিনের সফরে আজ ঢাকায় আসছেন পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্ট।


চলতি মাসে চূড়ান্ত হবে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা - বলেছেন পরিবেশ উপদেষ্টা।


ঢাকা মহানগর এলাকায় উচ্চ মাত্রার হর্ন ব্যবহারের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ ডি.এম.পি’র।


দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বয়ে যাচ্ছে মৌসুমের প্রথম মৃদু শৈত্যপ্রবাহ - দুস্থ মানুষের জীবনযাত্রায় দুর্ভোগ।


গাজার নুসেইরাতে ইসরাইলী বিমান হামলায় ৩০ জনের বেশী ফিলিস্তিনি নিহত।


সেঞ্চুরিয়নে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে পাকিস্তানকে ৭ উইকেটে হারিয়ে দুই-শূণ্যতে সিরিজ নিশ্চিত করলো স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা।

প্রতিদিন নিজেকে ছাড়িয়ে যাবেন যেভাবে!

 প্রতিদিন নিজেকে ছাড়িয়ে যাবেন যেভাবে!!


বলা হয়ে থাকে, যার আজকের দিনটি গতকালের থেকে উত্তম হলো না তার ধ্বংস অনিবার্য। এ কথার অন্তর্নিহিত অর্থ হলো, মানুষকে প্রতিদিন আত্মোন্নয়নের জন্য কাজ করতে হবে। আর এই প্রতিযোগিতা অন্য কোনো ব্যক্তির সঙ্গে নয়, বরং নিজের সঙ্গে। চেষ্টা করতে হবে নিজেই নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার। এর জন্য চাই প্রতিদিন নির্দিষ্ট কিছু কৌশল অনুশীলন করা। আর নতুন কিছু করার জন্য বছরের প্রথম দিনটির থেকে ভালো সময় হতেই পারে না। প্রতিদিন নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার কয়েকটি অনুশীলন দেওয়া হলো


নিজের কাজের তদারকি


নিজেকে ছাড়িয়ে যেতে হলে প্রথমে যেটি দরকার তা হলো, নিজের কাজের নিয়মিত তদারকি। প্রতিদিন যদি নিজের কাজের একটি তালিকা থাকে তবেই সেই তালিকাকে অতিক্রম করা সম্ভব হবে। নিজের কাজে তদারকি করার জন্য প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে সারা দিনে কী করলেন তা স্মরণ করুন। চাইলে একটি খাতায় বা ডায়েরিতে লিখতে পারেন। এরপর কোন কাজটি সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছে আর কোন কাজটি আরও ভালোভাবে করা প্রয়োজন তা লিখুন। এই কাজগুলো পরে যে সময় করবেন তখন কীভাবে আরও ভালোভাবে করা সম্ভব সে উপায় খুঁজে বের করুন। এই কৌশলগুলো কাজে লাগালেই গত দিনের থেকে আরও ভালোভাবে সম্পন্ন করতে পারবেন কাজগুলো। আর তাতেই গত দিনের থেকে উত্তম হয়ে যাবেন আপনি। এই প্রক্রিয়াকে আত্মসমালোচনাও বলা যায়। আত্মসমালোচনার সময় আরেকটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। সারা দিনে এমন কোনো কাজও কি করেছেন যেটি অনুচিত মনে হয়েছে পরে? তাহলে সেই কাজটি আর কখনো করবেন না প্রতিজ্ঞা করুন। The Great Bangladesh 


প্রতিদিন বই পড়ুন


বই জ্ঞানের আধার। বইয়ে লিপিবদ্ধ থাকে মনীষীদের চিন্তাভাবনা, অভিজ্ঞতা। তারা শারীরিকভাবে এ পৃথিবীতে না বাস করলেও তাদের চিন্তা বেঁচে থাকে বইয়ের মাধ্যমে। এই চিন্তা আমাদের দিকনির্দেশনা দেয়। তাই বই পড়ার অভ্যাস করুন। প্রতিদিন কোনো না কোনো বই নিয়ে বসুন। কমপক্ষে একটি অধ্যায় পড়ুন। এর ফলে আপনি একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি পাবেন। আরেকটি ভালো অভ্যাস হলো, বেশ আগে পড়া বই পরে আরেকবার চোখ বুলানো। অনেক সময় প্রথম পড়াতে আমরা কিছু জিনিস হয়তো লক্ষ্য করি না। দ্বিতীয়বার পড়ার সময় তাই অনেক নতুন উপলব্ধি হয়, যা জীবনকে ইতিবাচকভাবে এগিয়ে নিতে সাহায্য করে।


রাত ১০টার পরে ডিভাইস ব্যবহার নয়


দিনে পূর্ণ উদ্যমে কাজ করার জন্য দরকার শারীরিক ও মানসিক সতেজ ভাব। আর রাতের পূর্ণ বিশ্রামই পারে এই ক্লান্তিহীন সতেজভাব এনে দিতে। কিন্তু অনেকেই রাত জেগে সোশ্যাল মিডিয়া সার্ফিং করতে অভ্যস্ত। এর ফলে মস্তিষ্ক উত্তপ্ত থাকে। ঘুম আসতে দেরি হয়। সে জন্য সকালে উঠতে দেরি হয়। দিনটিই শুরু হয় তাড়াহুড়ো দিয়ে। তাই যদি রুটিন অনুসরণ করতে হয় তাহলে তাড়াতাড়ি ঘুমানোর অভ্যাস করতে হবে। আর তার জন্য চাই রাত ১০টার পরে ডিভাইস ব্যবহার বন্ধ করা।


নতুন কিছু শিখতে হবে প্রতিদিন


কবি সুনির্মল বসু বলেছেন, ‘বিশ্বজোড়া পাঠশালা মোর সবার আমি ছাত্র’। সত্যিই এই পৃথিবীর চারদিকে ছড়িয়ে আছে জ্ঞানভাণ্ডার। তা ছাড়া প্রতিনিয়ত বিশ্বের চারদিকে নানা পরিবর্তন হচ্ছে। নিয়ত পরিবর্তনশীল এই পৃথিবীর সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে শেখার চেষ্টা করতে প্রতিদিন শিখতে হবে চারপাশ থেকে। প্রতিদিন নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করুন। সেটা হতে পারে পেশাগত কোনো দক্ষতার একটি কৌশল বা সামাজিক জীবনের কোনো রীতি।


নিজের জন্য একটু সময়


চারপাশের ভিড়ের মাঝে কোলাহলে আমরা নিজেকে হারিয়ে ফেলি। হৃদয়ের গুঞ্জরিত অস্ফুট বাণী শুনতে পাই না এই কোলাহলে। নিজেই যেন নিজের থেকে দূরে সরে যেতে থাকি। এর ফলে আত্মতৃপ্তি কমে যায়। সাফল্যে শোকর করতে ভুলে যায়। শুরু হয় অশান্তি। এই অশান্তি থেকে মুক্তি পেতে কোলাহল থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখতে হয় কিছুটা সময়ের জন্য। যেন নিজের মনের গভীরের অব্যক্ত কথাটি শোনার জন্য তৈরি হয় নিস্তব্ধতা। প্রতিদিন কমপক্ষে আধা ঘণ্টা নিজের জন্য সময় রাখা তাই ভীষণ জরুরি।


দিনের জন্য একটি লক্ষ্য নির্ধারণ করুন প্রতিদিন


নিজেকে ছাড়িয়ে যেতে প্রতিদিন একটি লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। এই লক্ষ্য নির্ধারণ করার জন্য আগের দিনের আত্মসমালোচনামূলক লেখাটিতে চোখ বুলিয়ে নিন। এরপর নির্ধারণ করুন দিনের লক্ষ্য। চেষ্টা করুন তা অর্জন করতে। আপনি প্রতিদিন এগিয়ে যাবেন।


সমমনা মানুষের সঙ্গে মিশুন


যাদের সঙ্গে পেশার ও জীবনের লক্ষ্যের মিল আছে তাদের সঙ্গে বেশি সময় ব্যয় করতে চেষ্টা করুন। আপনাদের লক্ষ্য এক, সমস্যা এক। এর সমাধানও বের করতে হবে সবাই মিলে। নিজেদের চিন্তা একে অন্যের সঙ্গে ভাগ করুন। অন্যের লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করুন। নিজের লক্ষ্য অর্জনও সহজ হয়ে যাবে।


নিজেকে পুরস্কৃত করুন


প্রতিটি কাজ শুরুর আগে একটি লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। কাজটি সম্পন্ন হলে নিজেকে পুরস্কৃত করুন। এর ফলে আপনি আরও বেশি অনুপ্রাণিত বোধ করবেন। কাজে আনন্দ খুঁজে পাবেন।


সোর্স- দেশ রপান্তর

জমির রেকর্ড বা খতিয়ান কেন সংশোধন করবেন? কিভাবে করবেন?  

 জমির রেকর্ড বা খতিয়ান কেন সংশোধন করবেন? কিভাবে করবেন?  


ধরুন আপনার জমি আপনি মালিক, দখলেও আছেন কিন্তু খতিয়ানে একই ভূমি অন্যের নামে লিপিবদ্ধ হয়েছে বা করণিক ভুল থাকে তখন আপনি কী করবেন? 


সর্বশেষ চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত রেকর্ডের করনিক ভুল (ছোট ভুল)  সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসি ল্যান্ড হিসেবে কাজ করেন তিনিই  সংশোধন করতে পারেন। 


এইজন্য আপনাকে খতিয়ানে দৃষ্ট #করণিক ভুল সংশোধনের জন্য প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর পূর্ববর্তী জরিপের কাগজপত্র, প্রাথমিক #খাজনা বিবরণী, কালেক্টরের দপ্তরে সংরক্ষিত খতিয়ানের কপি এবং ২ নং রেজিস্ট্রার পর্যালোচনা ক্রমে এবং তিনি যে ধরনের অনুসন্ধান প্রয়োজন মনে করেন, তা করে এরূপ করণিক ভুল সংশোধনের নির্দেশ দেবেন। #কালেক্টর কর্তৃক বা ইউনিয়ন (ভূমি) সহকারী কর্মকর্তা কর্তৃক সংরক্ষিত খতিয়ান এবং ২ নম্বর রেজিস্ট্রার অনুযায়ী সংশোধন করার নির্দেশ প্রদান করত সংশোধনলিপির কপি সংশ্লিষ্ট পক্ষকে প্রদান করবেন।


সহকারী কমিশনার (ভুমি) কর্তৃক বিবেচনাযোগ্য করণিক ভুলের মধ্যে নামের ভুল, অংশ বসানোর হিসেবে ভুল, দাগসুচিতে ভুল, ম্যাপের সংঙ্গে রেকর্ডের ভুল, জরিপকালে বাবার মৃত্যুর কারণে সন্তানদের নামে সম্পত্তি রেকর্ড হবার কথা থাকলেও জরিপকারকদের ভুল বা অজ্ঞাত কারণে তা মূল প্রজা বা বাবার নামে রেকর্ড হওয়া ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।


এসব ক্ষেত্রে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে থেকে প্রতিবেদন পাঠানোর পর যার নামে খতিয়ানে ভুল নাম এসেছে বা সংশ্লিষ্ট পক্ষকে নোটিশ প্রদান করা হয়। তারপর একটি নির্ধারিত তারিখে উভয়পক্ষের শুনানি গ্রহণ ও দাখিলিয় গজপত্রাদি বিবেচনায় কোনো আপত্তি না থাকলে খতিয়ানের করণিক ভুল সংশোধনের আদেশ দেওয়া হয়। সংশোধিত আদেশ অনুসারে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা সংশোধিত খতিয়ান প্রস্তুত করে পেশ করেন এবং কানুনগো প্রয়োজনীয় রেকর্ড সংশোধন করেন।


আবেদনের সাথে যেসব কাগজপত্র জাম দিতে হবে:

১। সর্বশেষ নামজারি, সিএস, আর.এস, এসএ, বিএস, খতিয়ানের সত্যায়িত ফটোকপি/ সার্টিফাইড কপি

২। সংশ্লিষ্ট মৌজার এসএ ও বিএস মৌজা ম্যাপ

৩। ওয়ারিশ সনদপত্র ((প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) [অনধিক ০৩ মাসের মধ্যে ইস্যুকৃত]

৪। মূল দলিলের ফটোকপি/ সার্টিফাইড কপি( প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

৫। সর্বশেষ জরিপের পর থেকে ভায়া/পিট দলিল(প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

৬। ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের দাখিলা পত্র

৭। আদালতের রায়/আদেশ/ডিক্রির সার্টিফাইড কপি

৮। আদালতের রায়/আদেশ/ডিক্রি থাকলে আরজির সার্টিফাইড কপি

৯। বিএস জরিপের #মাঠপর্চা ডিপি খতিয়ান ইত্যাদি


খতিয়ান সংশোধন ফি ১১৫০ টাকা জমা দিয়ে #ডিসিআর এবং সংশোধিত খতিয়ানের কপি উপজেলা/সার্কেল ভূমি অফিস থেকে সংগ্রহ করা যাবে।


আদালতের মাধ্যমে রেকর্ড সংশোধন -   


কিভাবে চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত একটি খতিনের ভুল সংশোধন করা যায়ঃ-

চূড়ান্ত রেকর্ড প্রকাশিত হয়ে গেলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে #সেটেলমেন্ট অফিসার রেকর্ড সংশোধন করতে পারে, যেমন উক্ত ভুলগুলো যদি হয় শুধুমাত্র কারণিক ভুল / প্রিন্টিং -এ ভুল সেক্ষেত্রে এধরনের সামান্য ভুল গুলো অবশ্য সেটেলমেন্ট অফিসার সংশোধন করতে পারে, তবে অন্যান্য সকল প্রকারের ভুল সংশোধনের ক্ষমতা একমাত্র কোর্টের।


মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আইনজীবীকে ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালে / দেওয়ানী আদালতে রেকর্ড সংশোধনীর জন্য একটি “ঘোষণা মূলক” মোকাদ্দমা করতে হবে।উল্লেখ্য, ভুলক্রমে কোনো ব্যক্তির জমি ১ নং খাস খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেলে একই পদ্ধতিতে তা সংশোধন করতে হয়।


ভূমি রেকর্ড সংশোধন করতে আপনার ২-৩ বছর লেগে যেতে পারে, খতিয়ান ভুল এই মর্মে আদালত ডিক্রি/রায় দিলে সেই ডিক্রির সার্টিফাইড কপি নিয়ে খতিয়ান সংশোধনের জন্য সেটেলমেন্ট অফিসারের কাছে আবেদন করতে হবে।সেটেলমেন্ট অফিসার রেকর্ডটি সংশোধন করে নতুন করে একটি রেকর্ড প্রকাশ করবে।

সরিষার স্প্রে_সিডিউল:

 #সরিষার #স্প্রে_সিডিউল:


#প্রথম_স্প্রেঃ বীজ বপনের ১০-১৫ দিনের মধ্যে 


#এন্ট্রাকল৭০ডাব্লিউপি/

#টপ_নচ৭০ডাব্লিউপি

#ম্যাককল৭০ডাব্লিউপি

#ইটাকল৭০ডাব্লিউপি

#ফিয়েস্তা_জেড৭৮ যে কোন একটি ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে লিটারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


সাথে কাটুই পোকা ও ফ্লি বিটল পোকা দমনে-

#ক্লোরোপাইরিফস_সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক 

#সেতারা৫৫ইসি

#নাইট্রো৫৫ইসি

#সাবসাইড৫৫ইসি

#এসিমিক্স৫৫ইসি

#ক্লোরোসাইরিন৫৫ইসি যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ মিলি হারে লিটারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন


#দ্বিতীয়_স্প্রেঃ বীজ বপনের ২০-২৫ দিন বয়সে 

#ফ্লোরা/

#ভেজিমেক্স/

#প্রোটোজিম /

#বলবান/

#এস্টার/

#বায়োগ্রীণ যে কোন একটি পিজিআর প্রতি লিটার পানিতে ২ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে সাথে সলুবর বোরন ১.৫ গ্রাম হারে লিটারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


#তৃতীয়_স্প্রেঃ ফুল ঝরে যাওয়ার সময় জাবপোকা অল্টারনারিয়া ব্লাইট দামনে 


#ইমিডাক্লোরোপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক যেমন-

#এডমায়ার২০০এসএল/

#ইমিটাফ২০এসএল/

#টিডো২০এসএল/

#গেইন২০এসএল/

#জাদীদ২০০এসএল/

#ইমপেল২০এসএল/

#কনফিডর৭০ডাব্লিউজি/

#গেইন_সুপার৭০ডাব্লিউজি/

#টিডো_প্লাস৭০ডাব্লিউজি

যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন সাথে


#কার্বেন্ডাজিম_ইপ্রোডিয়ন গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন

#শেলটার৫২.৫ ডাব্লিউপি 

#হামা৫২.৫ ডাব্লিউপি 

#ব্রিপ্রোডাজিম৫২.৫ ডাব্লিউপি 

#হাইপ্রোজিম৫০ডাব্লিউপি যে কোন একটি ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


#চর্তুথ_স্প্রেঃ পড হয়ে গেলে জাবপোকা ও হোয়াইট মোল্ড রোগ দমনে

#এসিফেট গ্রুপের কীটনাশক যেমন-

#এসাটাফ৭৫ এসপি/

#ফরচুনেট ৭৫ এসপি/

#সিনোফেট৭৫ এসপি/

#হেসিফেট৭৫ এস পি/

#কুইনফেট ৭৫ এসপি/

#পিলারফেট ৭৫ এসপি যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।

সাথে 

#ইপ্রোডিয়ন গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন-


#রোভরাল৫০ডাব্লিউপি

#কিউরেট৫০ডাব্লিউপি

#রোভানন৫০ডাব্লিউপি

#মেমোরাল৫০ডাব্লিউপি

#নেক_ব্লচ৫০ডাব্লিউপি যে কোন একটি ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। অথবা


#মেনকোজেব_মেটালেক্সিল গ্রুপের ছত্রাকনাশক 

#রিডোমিল_গোল্ড৬৮ডাব্লিউপি

#করমিল_এমজেড৭২ডাব্লিউপি

#নাজাহ৭২ডাব্লিউপি যে কোন একটি ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


#বিশেষ_দ্রষ্টব্যঃ 

উক্ত স্প্রে সিডিউল টি সরিষা+কালোজিরা+তিল আবাদে স্প্রে করা যাবে। 


মোঃ ফরিদুল ইসলাম 

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা 

কালিগঞ্জ লালমনিরহাট

শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৪

কাজী নজরুল ইসলাম এর কিছু শিক্ষা মূলক  বিখ্যাত উক্তি৷ 

 "" কাজী নজরুল ইসলাম এর কিছু শিক্ষা মূলক  বিখ্যাত উক্তি৷ 

আত্বদর্শনে সূফীবাদ 


প্রিয় পাঠক আজ আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম “বিদ্রোহী কবি” কাজী নজরুল ইসলাম এর কিছু শিক্ষা মূলক বিখ্যাত উক্তি। 

চলুন তাহলে দেরি না করে দেখে নেওয়া যাক উক্তিগুলিঃ


(১) তুমি সুন্দর তাই চেয়ে থাকি প্রিয়, সে কি মোর অপরাধ? চাঁদেরে হেরিয়া কাঁদে চকোরিণী বলে না তো কিছু চাঁদ


(২) সে দেশে যবে বাদল ঝরে কাঁদে না কি প্রাণ একেলা ঘরে, বিরহ ব্যথা নাহি কি সেথা বাজে না বাঁশি নদীর তীরে।


(৩) চাঁদ হেরিছে চাঁদমুখ তার সরসীর আরশিতে ছোটে তরঙ্গ বাসনা ভঙ্গ সে অঙ্গ পরশিতে।


(৪) কোনকালে একা হয়নিকো জয়ী, পূরুষের তরবারী; প্রেরনা দিয়েছে, শক্তি দিয়াছে, বিজয়ালক্ষী নার


(৫) খেলিছ এ বিশ্ব লয়ে বিরাট শিশু আনমনে। প্রলয় সৃষ্টি তব পুতুল খেলা নিরজনে প্রভু নিরজনে।


(৬) স্বপনে কি যে কয়েছি তাই গিয়াছে চলে জাগিয়া কেদে ডাকি দেবতায় প্রিয়তম প্রিয়তম প্রিয়তম।।


(৭) বসন্ত এলো এলো এলোরে পঞ্চম স্বরে কোকিল কুহুরে মুহু মুহু কুহু কুহু তানে মাধবী নিকুঞ্জে পুঞ্জে পুঞ্জে ভ্রমর গুঞ্জে গুঞ্জে গুনগুন গানে


(৮) ভালবাসার কোন অর্থ বা পরিমাণ নেই


(৯) নুড়ি হাজার বছর ঝরণায় ডুবে থেকেও রস পায় না


(১০) মসজিদেরই পাশে আমার কবর দিও ভাই যেন গোরে থেকেও মোয়াজ্জিনের আজান শুনতে পাই।


(১১) আমি বিদ্রোহী ভৃগু, ভগবান বুকে এঁকে দিই পদ-চিহ্ন


(১২) বসন্ত এলো এলো এলো রে পঞ্চম স্বরে কোকিল কুহরে মুহু মুহু কুহু কুহু তানে


(১৩) বল বীর-বল উন্নত মম শির! শির নেহারী’ আমারি নতশির ওই শিখর হিমাদ্রীর


(১৪) গগনে কৃষ্ণ মেঘ দোলে – কিশোর কৃষ্ণ দোলে বৃন্দাবনে থির সৌদামিনী রাধিকা দোলে নবীন ঘনশ্যাম সনে; দোলে রাধা শ্যাম ঝুলন-দোলায় দোলে আজি শাওনে


(১৫) মিথ্যা শুনিনি ভাই এই হৃদয়ের চেয়ে বড় কোনও মন্দির-কাবা নাই


(১৬) কারার ঐ লৌহকপাট, ভেঙ্গে ফেল কর রে লোপাট, রক্ত-জমাট শিকল পূজার পাষাণ-বেদী।


(১৭) শিহরি উঠো না শাস্ত্রবিদেরের ক’রোনা ক’ বীর ভয় তাহারা খোদার খোদ ‘প্রাইভেট সেক্রেটারি’ তো নয়


(১৮) শুণ্যে মহা আকাশে তুমি মগ্ন লীলা বিলাসে ভাঙ্গিছো গড়িছো নীতি ক্ষণে ক্ষণে নির্জনে প্রভু নির্জনে খেলিছো


(১৯) অঞ্জলি লহ মোর সংগীতে প্রদীপ-শিখা সম কাঁপিছে প্রাণ মম তোমারে সুন্দর, বন্দিতে সঙ্গীতে।।


(২০) গিন্নির চেয়ে শালী ভালো


(২১) তোমারে যে চাহিয়াছে ভুলে একদিন, সে জানে তোমারে ভোলা কি কঠিন।

সম্পত্তির কাগজপত্র হারিয়ে যাওয়া একটি গুরুতর সমস্যা, কারণ এগুলি জমির মালিকানা বা ফ্ল্যাটের দখলের সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

 🟥 সম্পত্তির কাগজপত্র হারিয়ে যাওয়া একটি গুরুতর সমস্যা, কারণ এগুলি জমির মালিকানা বা ফ্ল্যাটের দখলের সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে কাগজপত্র হারিয়ে গেলেও ভয়ের কিছু নেই। বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আপনি জমির দলিলের ট্রু কপি বা সার্টিফায়েড কপি তুলতে পারবেন।


➡️ কোন কোন কাগজপত্র হারানো সবচেয়ে গুরুতর?

👉 জমি বা সম্পত্তির মূল দলিল:

✅ জমি কেনাবেচার দলিল।

✅ মিউটেশন সার্টিফিকেট ও খতিয়ান।

✅ নামজারি সংক্রান্ত কাগজপত্র।

✅ খাজনা পরিশোধের রসিদ।

✅ জমি সংক্রান্ত অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নথি:

✅ জমি মাপজোকের কাগজপত্র।

✅ হালনাগাদ নকশা বা ম্যাপ।

✅ রেজিস্ট্রারের দলিলের ফটোকপি।

✅ সম্পত্তির কাগজ হারিয়ে গেলে কী করবেন?

১. সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করুন:

✅ কাগজপত্র হারিয়ে গেলে প্রথমেই নিকটস্থ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করুন।

👉 জিডিতে উল্লেখ করুন:

✅ কোন কোন কাগজ হারিয়েছে।

✅ কীভাবে এবং কোথায় হারিয়েছে।

✅ জিডির কপি ভবিষ্যতে ট্রু কপি তোলার সময় প্রয়োজন হবে।

২. পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করুন:

✅ স্থানীয় বা জাতীয় পত্রিকায় কাগজপত্র হারানোর বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি দিন।

✅ বিজ্ঞপ্তিতে হারানো কাগজের বিস্তারিত বিবরণ এবং আপনার যোগাযোগের ঠিকানা দিন।

✅ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের একটি কপি সংরক্ষণ করুন।

৩. সংশ্লিষ্ট অফিসে আবেদন করুন:

✅ আপনার হারানো দলিল বা কাগজপত্র যেখানে রেজিস্টার করা হয়েছিল, সেখানে গিয়ে ট্রু কপি বা সার্টিফায়েড কপির জন্য আবেদন করতে হবে।


👉 যে অফিসগুলোতে আবেদন করবেন:

📌 জেলা রেজিস্ট্রি অফিস: জমির মূল দলিল।

📌 উপজেলা ভূমি অফিস: খতিয়ান ও মিউটেশন সার্টিফিকেট।

📌 সার্ভেয়ার অফিস: ম্যাপ বা জমি মাপজোকের নথি।


🟥 কীভাবে ট্রু কপি বা সার্টিফায়েড কপি তুলবেন?

১. আবেদনপত্র তৈরি করুন:

✅ নির্ধারিত ফরম বা সাদা কাগজে আবেদন লিখুন।

👉 আবেদনে উল্লেখ করুন:

✅ হারানো কাগজের নাম।

✅ দলিলের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও তারিখ।

✅ জমির ঠিকানা এবং মৌজা।

২. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যুক্ত করুন:

✅ থানায় করা জিডির কপি।

✅ পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির কপি।

✅ আপনার পরিচয়পত্র (জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট)।

✅ সম্পত্তির মালিকানার প্রমাণ হিসেবে অন্যান্য দলিল (যদি থাকে)।

৩. জমা দিন এবং রসিদ নিন:

✅ আবেদনপত্র সংশ্লিষ্ট অফিসে জমা দিন।

✅ জমা দেওয়ার পর অফিস থেকে রসিদ সংগ্রহ করুন।

৪. ফি পরিশোধ করুন:

✅ নির্ধারিত ট্রু কপি বা সার্টিফায়েড কপির ফি পরিশোধ করুন।

✅ ফি জমার রসিদ সংরক্ষণ করুন।

৫. কপি সংগ্রহ করুন:

✅ আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে নির্ধারিত সময়ে ট্রু কপি বা সার্টিফায়েড কপি সংগ্রহ করুন।

✅ কাগজপত্র পুনরুদ্ধারে সময়কাল

✅ সাধারণত ১৫ থেকে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে ট্রু কপি বা সার্টিফায়েড কপি পাওয়া যায়।

✅ সময়কাল নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট অফিসের কার্যক্রম এবং আবেদনের জটিলতার উপর।


🟥 সতর্কতামূলক ব্যবস্থা

১. কাগজপত্র ডিজিটাল ফরম্যাটে সংরক্ষণ করুন:

✅ জমির দলিল, খতিয়ান, রসিদসহ গুরুত্বপূর্ণ নথির স্ক্যান কপি সংরক্ষণ করুন।

✅ ক্লাউড স্টোরেজে বা পেনড্রাইভে ব্যাকআপ রাখুন।

২. জমি রেজিস্ট্রেশনের সময় ট্রু কপি রাখুন:

✅ জমির দলিল রেজিস্ট্রি করার সময় ট্রু কপির জন্য আবেদন করুন।

✅ এটি মূল কাগজপত্র হারালে কাজে লাগবে।

৩. প্রয়োজনীয় সব রেকর্ড আপডেট রাখুন:

✅ খাজনা, ট্যাক্স এবং অন্যান্য কাগজপত্র নিয়মিত হালনাগাদ করুন।


সবশেষে বলা যেতে পারে,

বাংলাদেশে সম্পত্তির কাগজপত্র হারিয়ে গেলে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। আইন এবং নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে হারানো দলিলের ট্রু কপি বা সার্টিফায়েড কপি পাওয়া সম্ভব। তবে ভবিষ্যতে এই ধরনের সমস্যা এড়াতে প্রয়োজনীয় নথি সুরক্ষিতভাবে সংরক্ষণ করা অত্যন্ত জরুরি।


➡️ আপনার সম্পত্তি সুরক্ষিত রাখতে সচেতন থাকুন এবং প্রয়োজনে অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিন। ♥️ 


#maxrealestate

নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন

 নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন 🌺 আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশই অবিশ্বাস্যভাবে সুনির্দিষ্ট এবং জটিল, বিশেষ করে যখন ...