এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৪

কিংবদন্তি মান্না দে খুব সুস্পষ্ট ভাবে বলেছেন কিশোর যথেষ্ট ভাল মানুষ ছিলেন

 কিংবদন্তি মান্না দে খুব সুস্পষ্ট ভাবে বলেছেন কিশোর যথেষ্ট ভাল মানুষ ছিলেন। কিন্তু কিশোরকুমার নাকি কিঁপটে! মান্না দে বলেছেন তিনি এমন ঘটনা জানেন কিশোর নিজের পয়সা খরচ করে স্টুডিয়ো ভাড়া নিয়ে বিনা পারিশ্রমিকে গান গেয়েছেন। আসলে সুবিধাবাদী লোকদের থেকে কিশোর নিজেকে আলাদা করে রাখতেন। সবচেয়ে বড় কথা কেন নিজের কষ্ট করা উপার্জনের টাকা আজেবাজে কেন খরচ করবে। মান্না দে বলেছেন কিশোর ভালই করত  কষ্টের টাকা বাজে নষ্ট না করে।

ধ্রুবতারাদের খোঁজে 


ভারতীয় সংগীতের কিংবদন্তি কিশোরকুমার গাঙ্গুলি সম্পর্কে যত প্রশংসা করা হয় কমই করা হয়। আমাদের দেশে অনেক বরেণ্য শিল্পীর জন্ম হয়েছে,তারা প্রতিভায় কম নন। কিন্তু কতজন পেরেছেন  কিশোরকুমারের মত প্রকৃত অর্থে মানুষের শিল্পী হতে ! সারা ভারতের সব স্তরের মানুষের কাছে কিশোরের কণ্ঠ আজও কি বিপুল জনপ্রিয় সেকথা নতুন করে বলার প্রয়োজন নেই। উদাত্ত খোলামেলা গলা, নিজস্ব ঢঙ বারেবারে শ্রোতাদের মোহিত করেছে। প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে কিশোরকুমার গান শেখেননি, রেওয়াজ খুব নিয়ম মেনে করতেন কি! কিন্তু অসামান্য উদাত্ত কণ্ঠে কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী আবালবৃদ্ধবনিতা কে তাঁর কণ্ঠে মোহিত হয়েছেন।


 মান্না দে বলেছেন ক্ষেমচাঁদ প্রকাশের সুরে যখন কিশোর ' মুকাদ্দার' ছবিতে প্রথম গান গাইতে আসে তারা সবাই বুঝতে পেরেছিলেন কালবৈশাখীর মত সংগীতের জগতে এক শিল্পীর আবির্ভাব হয়েছে যিনি নিজের প্রতিভার জোরে, প্রতিভার দ্যুতিতে একদিন অন্য সবাইকে ম্লান করবেন। কিশোর কুমারের আবির্ভাবের আগে বোম্বেতে মহম্মদ রফি যুগ চলছে, কিন্তু শুনতে হয়ত খারাপ লাগবে কিশোর আসার পর থেকেই 

 আস্তে আস্তে রফির গানের হাওয়া ক্রমেই কিশোরমুখী হল। এটা হল বাস্তবতা। আক্ষরিক অর্থে কিশোর ও মুকেশ হয়ে উঠেছিলেন জনগনের শিল্পী। তবে জনপ্রিয়তায় কিশোর সবাইকে ছাপিয়ে গিয়েছেন। 

ধ্রুবতারাদের খোঁজে 


মেহেমুদ একবার মান্না দে' কে বললেন ' পডেশন' ছবির গান গাইতে হবে। কিশোরের সঙ্গে ডুয়েট। ' চতুর নার' গান ভারতীয় সংগীতের দুই কিংবদন্তি গাইলেন । গানটির রেকর্ডিং শুরু হয় প্রায় সকাল নটায় শেষ হয় প্রায় বারো ঘন্টা পরে। কেমন গেয়েছিলেন কিশোর কুমার? মান্না দে বলেছেন অপূর্ব গেয়েছিলেন,গলায় এত বৈচিত্র্য অবিশ্বাস্য রকমের ভাল। গানটা রেকর্ডিংয়ের পরে সবাই বলাবলি করছিলেন মান্না যখন গাইছেন মনে হচ্ছে কোনও মানুষ গান নিয়ে তপস্যা করছেন, অন্যদিকে কিশোরকে দেখুন কত ন্যাচারাল ভাবে গাইলেন। আসল কথা হল কিশোরকুমার অবিশ্বাস্য একজন জন্মগত প্রতিভা। মান্না কিশোরের ডুয়েট সবাই মনে রেখেছেন ' চলতি কা নাম গাড়ি' তে ' বাবু সমঝে ইশারে'। ভারতীয় সিনেমার আইকনিক ছবি 'শোলে'তে মান্না- কিশোরের ডুয়েট ' এ দোস্তি হাম নেহি তোড়েঙ্গে' কেউ কখনও ভুলতে পারবেন?


কিশোরকুমার একটি বিষয়ে বেশ খুঁতখুঁতে ছিলেন গানের কথা বা সুর পছন্দ না হলে সে গান কিছুতেই গাইতেন না। বড়দের খুব সম্মান করতেন। আর একটা খুব মজার জিনিস করতেন ডুয়েট গানের মাঝে খুব হাসাতেন। মান্না বলতেন কি হচ্ছে কিশোর? এত হাসালে কিভাবে গান গাইবে? কিশোর তখন চুপ করে যেতেন। হ্যাঁ কোনও গান ভাল না গাইতে পারলে কিশোরকুমার নিজে খুব অতৃপ্ত হতেন,মনে মনে বিড়বিড় করতেন এরপর আস্তে আস্তে ঠিক মনোসংযোগ করে ফেলতেন। যখন গানটি ভাল করে গাইতে পারলেন চোখ মুখ খুশিতে উজ্জ্বল হয়ে উঠত। তবে হ্যাঁ কিশোরকুমার আসলে সুবিধাবাদী লোকদের থেকে নিজেকে আলাদা করে রাখতেন। হয়ত সেই কারণে তিনি কিঁপটে বলে প্রচার হয়েছে, কখনও বা বলা হয়েছে একটু পাগলাটে ধরনের মানুষ। সত্যি কি তাই!

 ধ্রুবতারাদের খোঁজে 

#kishorekumar 

#MannaDey 

#playbacksinger 

#legend

#dhrubotaraderkhonje 

#song 

#music 


 পুস্তক ঋণ ও কৃতজ্ঞতা স্বীকার, জীবনের জলসাঘরে মান্না দে

সক্রেটিস করেছিলেন দুই বিয়ে। প্রথম স্ত্রী জ্যানথিপি সুন্দরী ছিলেন বটে! কিন্তু মুখে ছিলো বিষ আর চোখে আগুন। সক্রেটিসের ঘরে ঝগড়া লেগেই থাকতো। সারাদিন জ্ঞান বিলায় লোকটা। 

 সক্রেটিস করেছিলেন দুই বিয়ে। প্রথম স্ত্রী জ্যানথিপি সুন্দরী ছিলেন বটে! কিন্তু মুখে ছিলো বিষ আর চোখে আগুন। সক্রেটিসের ঘরে ঝগড়া লেগেই থাকতো।


সারাদিন জ্ঞান বিলায় লোকটা।  বিনিময়ে একটি কড়িও নেন না। কোনো আয় উপার্জন নেই। ঘরে তিন সন্তান, এক স্ত্রী। এর উপর করেছেন দ্বিতীয় বিয়ে, মির্টো নামের এক মেয়েকে! বাপের কিছু সম্পদ আছে তার। একে বাড়াবে দূরে থাক, গরিবদের দিয়েই শেষ করে চলছেন।

কতো আর সহ্য করবেন জ্যানথিপি?


একরাতে ঘরে নেই খাবার, ছেলে-মেয়ে কেঁদেকেটে ঘুমিয়েছে। সক্রেটিস ঘরে বসে ধ্যান করছেন। জ্যানথিপির সহ্য হলো না। শুরু করলেন বকাঝকা।

যেই সেই বকা নয়, ভয়াবহ কিছু!


সক্রেটিস নিরবে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন। বাইরে এসে চাঁদের আলোয় শুরু করলেন বইপড়া।

জ্যানথিপি এটা দেখে তো আরো আগুন!

করলেন কী? ঘরে সারা দিনের জমানো ময়লাপানি ছিলো এক গামলায়। সেই গামলার পানি ঢেলে দিলেন সক্রেটিসের উপর!


সক্রেটিস রাগ করলেন না। বরং হেসে বললেন, এতো গুরুগম্ভীর মেঘের গর্জনের পরে এক পশলা বৃষ্টি না হলে কি আর শোভা পায় ?!


গ্রীষ্ম হোক আর শীত হোক, সক্রেটিসের গায়ে থাকতো একটাই কোট। সব ঋতুতে এটাই পরতেন। অন্য কোনো জামা ছিলো না তার। পায়ে ছিলনা কোনো জুতা। তাকে জিজ্ঞেস করা হল, সুখের সুযোগ ত্যাগ করে এতো  কষ্টের জীবন কেন বেছে নিলেন?


সক্রেটিস বললেন, এটা  বেছে নিলাম, যাতে লোভের কুকুরগুলো  বুঝে- সত্য, জ্ঞান ও স্বাধীনতা এমন  এমন এক সুখ, যাকে ক্রয় করতে হয় কষ্ট ও কৃচ্ছ্রতার বিনিময়ে!


সেখান থেকেই আমরা পাই তাঁর বিখ্যাত উক্তি - "যদি তুমি ভালো বউ পাও তাহলে তুমি সুখি হবে, আর না পেলে তুমি দার্শনিক হবে"।

রাজ্জাক-ববিতা অভিনিত-অনন্ত প্রেম ----

 রাজ্জাক-ববিতা অভিনিত-অনন্ত প্রেম ----

বাংলাদেশের একটি সিনেমায় এমন একটা দৃশ্য ছিল যা পৃথিবীর আর কোনো সিনেমায় নেই। নায়ক আর নায়িকা পালিয়ে জঙ্গলে আশ্রয় নিয়েছে। নায়কের দাড়ি শেভ করা দরকার,কিন্তু আয়না নেই। অগত্যা নায়িকার চোখের আয়নায় নায়ক দাড়ি কাটছে। নায়িকার মুখের বেশ কাছে নায়ককে ঝুঁকে আসতে হয়েছে। তাঁরা দুজনের নিঃশ্বাসের উত্তাপ অনুভব করছে। একই সিনেমায় পলাতক নায়ক পরিশ্রান্ত হয়ে ঘুমাচ্ছে। নায়িকা ঘুমন্ত নায়কের শিয়রে বসে গাইছে - আলো তুমি নিভে যাও …যাও… রাত আঁধার হয়ে যাও …যাও।


সিনেমার ইতিহাসে সবচেয়ে রোমান্টিক এইসব দৃশ্য আর দেখার উপায় নেই। কারন সিনেমাটা হারিয়ে গেছে। ১৯৭৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমাটার নায়ক রাজ্জাক,নায়িকা ববিতা। এই সিনেমাতেই দেশের সিনেমার ইতিহাসে প্রথম নায়ক নায়িকার চুম্বন দৃশ্য ছিল "যদিও পরে তা বাদেই সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হয়" এখন সিনেমাটা খুঁজে পাওয়ার একমাত্র উপায় হলো যদি কারো ব্যক্তিগত সংগ্রহে থেকে থাকে। 


অনন্ত প্রেমের গল্প -----

একেবারেই নতুন ভিন্ন গল্পকাঠামো নিয়ে নির্মিত হয় "অনন্ত প্রেম" ছবিতে রাজ্জাক এবং তার তিন বন্ধু খলিল এটিএম শামসুজ্জামান ও ব্লাক আনোয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন। ববিতাও একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী। খলিল ববিতাকে পছন্দ করে,কিন্তু ববিতা তাকে পাত্তা দেয় না। সে ক্ষেত্রে খলিলকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে রাজ্জাক,ব্ল্যাক আনোয়ার ও এটিএম শামসুজ্জামান। পরিকল্পনা করতে থাকে কীভাবে ববিতাকে পটানো যায়। সেই মতে নির্জন স্থানে ববিতাকে আক্রমণ করে তিন বন্ধু। আর ববিতার সাহায্যে এগিয়ে আসে খলিল। সাজানো মারামারির কারণে সবাইকে হারিয়ে ববিতার চোখে হিরো হয়ে যায় খলিল।


পরবর্তীতে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে ববিতাকে নির্জন জায়গায় নিয়ে ইজ্জত লুটতে চায় খলিল। চিৎকার শুনে রাজ্জাক ও বন্ধুরা এগিয়ে যায়। তবে এবার সত্যিকারের মারামারির একপর্যায়ে রাজ্জাকের হাতে খলিল খুন হয়। ববিতাকে তার বাসায় পৌঁছে দিয়ে রাজ্জাক পুলিশের হাতে ধরা পড়ে। ঘটনার সঙ্গে ববিতার নাম জড়ালে তার বদনাম হবে ভেবে রাজ্জাক পুলিশের কাছে বলে টাকা নিয়ে ঝগড়ার কারণে বন্ধুকে একাই খুন করেছে।


পরে পুলিশ হেফাজত থেকে পালিয়ে যায় রাজ্জাক। এ দিকে শৈশবে মাতৃহীন ববিতাকে অত্যাচার-অনাচারের অংশ হিসেবে এক লম্পটের সঙ্গে সৎমা বিয়ে দিতে চাইলে বিয়ের আসর থেকে ববিতাও পালিয়ে যায়। রাজ্জাক ও ববিতা দুজনই পালিয়ে যায় দুদিক থেকে,

তবে ট্রেনে দেখা হয়ে যায় তাদের। এবার তারা পালিয়ে চলে যায় পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম অরণ্যে। যেখানে নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে তারা একে অপরের প্রেমে পড়ে যায়,

শুরু হয় এক অনন্ত প্রেম কাহিনির যাত্রা। গভীর পাহাড়ি অরণ্যে ভেসে ওঠে মধুর সেই সুর - ও চোখে চোখ পড়েছে যখনই,তুমি হলে মনের রানি।


এ দিকে ব্ল্যাক আনোয়ার ও এটিএম শামসুজ্জামান পুলিশের হাত থেকে পালাতে গিয়ে গুলি খেয়ে মারা যায়। ফলে প্রকৃত ঘটনার সাক্ষী দেওয়ার মতো আর কেউ থাকে না। রাজ্জাকের নামে পুলিশের হুলিয়া জারি হয়,হন্য হয়ে পুলিশ খুঁজতে থাকে তাকে। একপর্যায়ে তাদের সন্ধানও পেয়ে যায়,গভীর অরণ্যের মাঝে তাদের ধাওয়া করে পুলিশ। জীবন বাঁচাতে পালিয়ে যাবার সময় একটি ঝর্ণার কাছে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয় দুজনের। মৃত্যুর সময় ভালোবাসার নির্দশন স্বরূপ পরস্পরকে চুম্বন করেন তারা। শেষ পর্যন্ত ঝর্ণার তীরে পড়ে থাকে তাদের আলিঙ্গনবদ্ধ প্রাণহীন দেহ। মূলত এটাই কালজয়ী চলচ্চিত্র "অনন্ত প্রেম" এর মূল কাহিনি৷


ছবির শেষ দৃশ্যের দিকে রাজ্জাক ববিতার একটি চুম্বন দৃশ্য ছিল,যা পরবর্তীতে বাদ দেওয়া হয়। যার একমাত্র কারণ ছিলেন ববিতা। তিনি কিছুতেই এরকম একটি দৃশ্যে অভিনয় করতে রাজি হচ্ছিলেন না,তবে রাজ্জাক সাহেব এমনভাবে বুঝিয়েছিলেন তাতে আর ববিতা দৃশ্যটি না করে থাকতে পারেননি। তবে শুটিংয়ের পরই ববিতা আফসোস করতে থাকলেন,রীতিমত কান্নাকাটি শুরু করেন। ভাবলেন এরকম দৃশ্য দেখলে তো তাকে আর কেউ বিয়ে করবে না। ঠিক তখন রাজ্জাক সাহেব আশ্বস্ত করে ববিতাকে বললেন "আগে তুমি দৃশ্যটি দেখ, যদি ভালো না লাগে এটি বাদ দিয়ে দেবো" অবশ্য পরে ববিতা দৃশ্যটির শিল্পরূপ দেখে বাদ না দেওয়ার জন্য বলেছিলেন,কিন্তু তখন রাজ্জাক সাহেব ববিতার ভবিষ্যতের কথা ভেবে দৃশ্যটি আর রাখেননি। তিনি ভেবেছিলেন এরকম একটি দৃশ্যের জন্যে হয়তো ববিতার ভবিষ্যতের উপর কোন প্রভাব পড়তে পারে। সহশিল্পীর প্রতি এমন দায়িত্ববোধ ও ভালোবাসা দেখিয়ে দিয়েছিলেন রাজ্জাক - ববিতারা।


তবে ছবি মুক্তির আগে এক বিবৃতিতে রাজ্জাক এটাও বলেন,আমার ছবির শেষ দৃশ্যে একটি চুম্বন দৃশ্য ছিল। পত্রিকায় সে খবর প্রকাশিত হওয়ার পর আমার অগণিত ভক্ত,অনেক মা-বোন ব্যক্তিগতভাবে অনেক চিঠি এবং টেলিফোনে আমার কাছে প্রশ্ন রেখেছেন যে,

চুম্বন দৃশ্যটি ছবিতে না থাকলেই কি নয়? আমি পুরো ছবিটি আবার দেখে উপলব্দি করলাম যে চুম্বন দৃশ্য না থাকলে ছবির এতটুকুও সৌন্দর্যহানি হয় না। ঐটুকু ছাড়াই এ ছবি দর্শকদের ভালো লাগবে। তাই ভক্ত এবং মা-বোনদের অনুরোধ রক্ষার্থে আমি চুম্বন দৃশ্য বাদ দিয়ে দিয়েছে।


তূমুল দর্শকপ্রিয় ছবিটির সবকটি গানও পেয়েছিল সমান জনপ্রিয়তা। সংগীত পরিচালক ছিলেন আজাদ রহমান সাহেব,অবশ্য "ঐ আকাশ যতদিন থাকবে,এই পৃথিবী যতদিন থাকবে,আমি যে তোমারই থাকবো" গানটির পরিচালক ছিলেন জনাব খন্দকার নূরুল আলম সাহেব,গীতিকার ছিলেন কাজী আজিজ আহমেদ সাহেব৷


আজাদ রহমানের সুরে_আলো তুমি নিভে নিভে যাও যাও_ঐ কোর্ট কাচারির এমনই রায়_তোমারই কাছে আমি বারবার আসবো_ও চোখে চোখ পড়েছে যখনই। গানগুলো এখনো সমান জনপ্রিয় বিশেষ করে গাজী মাজহারুল আনোয়ারের লেখায় খুরশীদ আলম ও সাবিনা ইয়াসমিনের কন্ঠে "ও চোখে চোখ পড়েছে যখনি" গানটি সময়ের স্পর্শকে বাঁচিয়ে রেখে বাংলা চলচ্চিত্রের একটি ক্ল্যাসিক গানে পরিণত হয়েছে। গানটির শুটিং হয়েছিল কাপ্তাইয়ের অসাধারণ সুন্দর সব লোকেশনে!


লিখেছেন - আরিফুল হাসান

বাংলা মুভি ডেটাবেজ থেকে সংগ্রহ করা।

ব্যর্থ সমাজের প্রকৃতি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে- 

 ব্যর্থ সমাজের প্রকৃতি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে- রাশিয়ান লেখক আন্তন চেখভ  বলেন: 


ব্যর্থ সমাজে মানুষ জ্ঞান বিজ্ঞানে জেগে ওঠেনা। সে জেগে ওঠে শ্লোগানে। এখানে- পাঠাগার কম থাকে। উপসানালয় বেশী থাকে। যে উপাসনালয়গুলো আবার সপ্তাহের ছয়দিনই খালি পড়ে থাকে।  


ব্যর্থ সমাজে প্রতিটি চিন্তাশীল মানুষের বিপরীতে  হাজার হাজার বোকা থাকে  এবং প্রতিটি সচেতন শব্দের বিপরীতে থাকে  হাজার হাজার পচনশীল শব্দ। তারা সমস্যার উপরে ভেসে বেড়ায়, গভীরে প্রবেশ করতে পারে না।


সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ হয় সর্বদা নির্বোধ।  

সমাজের অতি  তুচ্ছ বিষয়গুলি নিয়ে মানুষ আলোচনায় মেতে থাকে। 

মূল বিষয়গুলো হারিয়ে যায়। সমস্যা সমাধানের চেয়ে একে অন্যের উপর প্রতিনিয়ত দোষ চাপাতে থাকে।  

 

অর্থহীন গান ও সস্তা বিনোদনের পিছনে লক্ষ লক্ষ মানুষ ছুটে, ফলে, সস্তা বিনোদন করেও মানুষ প্রচুর জনপ্রিয়তা অর্জন করে। 


এবং এইসব গান, বাদ্য বাজনার মানুষগুলো জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।  


রাজনৈতিক নেতাদের দেবতার মতো করে পূজা-অর্চনা করা হয়। আর এক দলের দেবতাকে অন্য দল সহ্য করতে পারে না। যে কোনো একটা খেলা দিয়ে মানুষকে দিনের পর দিন নেশাগ্রস্থ করে রাখা হয়। 


চিন্তাশীল মানুষের  মূল্য বা ওজন কেউ বোঝে না। অধিকাংশ মানুষ আজেবাজে কথায় সময় পার করে দেয়। আজে বাজে কথা বলে যে মানুষকে হাসায়, তার চেয়ে কঠিন সত্য বলে  যে বাস্তবতাকে জাগিয়ে তোলে তাকে কেউ গ্রহণ করে না। 


অজ্ঞ সংখ্যাগরিষ্ঠরা এখানে আপনার ভাগ্য নির্ধারণ করে। সবার যেমন একটি করে পশ্চাতদেশ থাকে; ঠিক তেমনি ব্যর্থ সমাজে যে কোনো বিষয়ের উপর সবার একটি করে মতামতও থাকে।


ব্যর্থ সমাজে মানুষ ব্যর্থ হয় না, এখানে সচতুরভাবে তাকে ব্যর্থ বানানো হয়।

আপনার ছাদ বাগানে পাকা কলা ঝুলিয়ে রাখুন।

 আপনার ছাদ বাগানে পাকা কলা ঝুলিয়ে রাখুন।


১. উপকারী পোকা আকর্ষণ করে: অতিরিক্ত পাকা কলার মিষ্টি সুবাস প্রজাপতি, মৌমাছি এবং লেডিবাগ আকর্ষণ করে।


২। পুষ্টি সমৃদ্ধ কম্পোস্ট: পোকামাকড় আকৃষ্ট করে আপনার কম্পোস্ট স্তুপে কলা যোগ করতে পারেন পুষ্টি সমৃদ্ধ মাটির জন্য।


৩। প্রাকৃতিক সার: কলা যত পচে যায়, তা সরাসরি মাটিতে পুষ্টি দেয়, প্রাকৃতিক সার হিসেবে কাজ করে।


৪. কিছু কীটপতঙ্গ দূর করে: অতিরিক্ত পাকা কলার তীব্র গন্ধ এফিড এবং জিনটের মত কীটপতঙ্গ দূর করতে পারে।


৫। কেঁচোর কার্যকলাপ তরান্বিত করে: অতিরিক্ত পাকা কলা আপনার বাগানের মাটির কার্যক্রমকে তরান্বিত করতে পারে, মাটির স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়।

তুমি কি তা জানো..!! 🐝 মৌমাছির দুটি পেট আছে


 তুমি কি তা জানো..!!

🐝 মৌমাছির দুটি পেট আছে,একটিতে তার খাবার এবং অন‍্যটিতে অমৃত সংরক্ষণ করে মধু বানানোর জন্য,যাকে 'বীক'ও বলা হয়।


🐝 মৌমাছি গড়ে 40 দিন বাঁচে, কমপক্ষে 1000 ফুলে আহরোণ করতে পারে এবং তার জীবদ্দশায় এক চা চামচ মধু উৎপাদন করে। আমাদের কাছে এক চামচ মধু, কিন্তু তার কাছে তার সারাজীবনের গল্প।।

রাগ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ছোট একটি শিক্ষণীয় গল্প।

 রাগ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ছোট একটি শিক্ষণীয় গল্প। 


ছোট একটি ছেলে খুব রাগী।

বাবা কিছুতেই ছেলের রাগ নিয়ান্ত্রণে আনতে পারছেন না।

একদিন বাবা ছেলেকে স্নেহের পরশে কাছে ডাকলেন।

  একটি পেরেকভর্তি ব্যাগ দিয়ে বললেন,যতবার তুমি রেগে যাবে, ততবার একটি করে পেরেক আমাদের বাগানের কাঠের বেড়াতে লাগিয়ে আসবে। এটি তোমার প্রতি আমার আদেশ।

প্রথম দিনেই ছেলেটিকে ৩৭টি পেরেক মারতে হয়েছে।


কারণ, সে এদিন ৩৭বার রেগে গিয়েছিল। ক্রমশ সে উপলব্ধি করছিল, তার রাগ অনেক বেশি-৩৭বার পেরেক মারতে হয়েছে।


আরও ভাবল, কষ্ট করে পেরেক মারার চেয়ে রাগ কমিয়ে দেওয়া সহজ।


ছেলেটি পেরেক মারার কষ্ট লাঘব করতে করতে রাগ নিয়ন্ত্রণে আনা শিখে গেল। ধীরে ধীরে পেরেনক মারা কমতে থাকল এবং অবশেষে একদিন তাকে আর একটি পেরেকও মারতে হলোনা।


বাবা বুঝলেন, তার প্রিয় সন্তান রাগ নিয়ন্ত্রণে এনেছে।


এবার তিনি তাকে প্রতিদিন বাগানের বেড়ার একটি করে পেরেক তুলে ফেলতে বলতেন। বাবার আদেশ পালন করল ছেলেটি।


পেরেক তুলা শেষ হয়ে গেলে তার বাবা তাকে বাগানে নিয়ে গিয়ে কাঠের বেড়াটি দেখিয়ে বললেন- দেখ, কাঠে পেরেকের গর্তগুলো এখনো রয়ে গেছে। কাঠের বেড়াটি কখনো আগের অবস্থায় আনা যাবেনা।


যখন তুমি কাউকে রেগে গিয়ে কিছু বলো,তখন তার মনে ঠিক এমন একটা আঁচড় লেগে যায়-যা কখনোই আর মুছে যায়না বেটা।


তাই রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে শিখো।


মানসিক ক্ষত অনেক সময় শারীরিক ক্ষতের চেয়েও ভয়ংকর! 🙂

বিষয়: কবিতা শিরোনাম: রামপেয়ারীর স্বপ্নের রাম রাজত্ব কলমে:আশীষ কুমার রা

 বিষয়: কবিতা

শিরোনাম: রামপেয়ারীর স্বপ্নের রাম রাজত্ব

কলমে:আশীষ কুমার রায়

৩০/১১/২০২৪

রামপেয়ারী স্বপ্ন দেখে সে হয়েছে রাজা জগাই, মাধো, কেলো এক এক জন হয়েছে তার মন্ত্রী, 

পাড়ার সব লোক তার প্রজা আর কুচুটে লোকগুলি সবাই ষড়যন্ত্রী। 

তার দাপটে সবাই ভীত, বাঘে গরুতে এক ঘাটে জল খায়, 

চারিদিকে শুধুই তার জয়গান, সবাই বলে জয় রামপেয়ারী রাজার জয়। 

আশেপাশের সব রাজ্যের রাজা, মন্ত্রী, সিপাহী সবাই তার ভয়ে জড়সড়,

তার রাজ্যের সাথে যুদ্ধ করার কথা ভাবলে তাদের পা কাঁপে থরথর। 

জগাই সামলায় কোষাগার হয়না হেথায় কোনরকম কারচুপি, 

এইতো সেদিন তছরুপ করতে গিয়ে জেলে গেল তারই প্রজা টেকো গুপী। 

মাধোর হাতে আইনের ভার রাজ্যে নেই যে কোন রাহাজানি, 

রাজ্যে কার ঘাড়ে কটা মাথা আছে যে করবে এই রাজ্যে মা, বোনেদের সম্মানহানি। 

কেলো হলো শিক্ষামন্ত্রী ভীষন যে তার অনুশাসন,

বাচ্চারা হেথায় করেনা কোন অন্যায় আবদার, তাদের মা, বাবারা তাদের সময়মতো পাঠশালায় পাঠান। 

তার রাজত্ব যেন রাম রাজত্ব নেই চোর বাটপাড়ের ভয়, 

তার রাজ্যে এমন কোন প্রজা নেই যে অর্থাভাবে অভুক্ত শোয়। 

হঠাৎ তার ঘুম ভেঙ্গে যায় বোঝে সবটাই স্বপ্ন ছিলো, সে উঠে ধরফরিয়ে বসে, 

মনে মনে ভগবানকে বলে রাজা হবার সাধ নেই তার তবু যেন এমন সুখের সমাজ আসে।

জাগ্রত কবিতা

 আমি এক অসহায় নারী 

তেজ বীর্যে তোমার পাশে,

আমি দুর্বল

নারী দেহধারী।


আমার কোনো শোক নেই।


তোমার বিপুল শক্তিতে তৈরি হয়েছে 

বিশ্বযুদ্ধ।

ভুলে গেলে?

ফ্লোরেন্স হয়ে তোমার জন্য,

আমি-ই তো ছিলাম সেথা।


তোমার গুনে তুমি রবীন্দ্রনাথ,

ভুলে গেলে?

কাদম্বরী হয়ে আমি-ই তো ছিলাম,

তোমার প্রেরণা।


আমি অসহায় দামিনী,

কিংবা,

আমার ধর্ষণের রক্তে রক্তাক্ত,

তোমাদের কামদুনি।


অথচ দেখো,

কখনো মা, কখনো বোন 

কখনো স্ত্রী হয়ে শেষে,

আমি আজও তোমার পাশে।


তোমারি রক্ষায় আমি ত্রিশূল ধারিণী 

তোমারি প্রয়োজনে আমি গর্ভধারিনী।


সেই মহাভারতে,

পঞ্চস্বামী ধারণ করেছি,

তোমারি মান রক্ষার্থে।


কলঙ্কের কালি দিয়েছিলে তুমি 

আমি যে অসহায় 

তাই তোমারি জন্যে 

কলঙ্কিনী দ্রৌপদী 

কিংবা রাধা।


আমিই মেরি, সানিয়া, ছন্দা,

তবুও তোমারি গর্বে গর্বিতা,

তোমারি পরিচয়ে অহংকারী 

আমি অসহায় এক নারী।


যুগ যুগ ধরে 

তোমারি জন্যে 

বলিদান করেছি নিজেকে।


কী দিয়েছো তুমি?

ভালোবাসা?

ওই কথা বলো না,

হাস্যকর শোনায়।


ভালোবাসা শিখলে কবে?

তুমি তো পারো 

অধিকার নিতে।


তবুও দেখো,

তোমারি জন্যে বৃষ্টিধৌত যৌবন সাজিয়ে আছি!


আমি অসহায় এক নারী।

আজ বাংলাদেশের স্বনামধন্য ব্যক্তিত্ব খান আতাউর রহমান এর ৯৭-তম জন্মদিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাই। 

 আজ বাংলাদেশের স্বনামধন্য ব্যক্তিত্ব খান আতাউর রহমান এর ৯৭-তম জন্মদিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাই। 


সুরকার, গায়ক, সঙ্গীত পরিচালক, গীতিকার, 

প্রযোজক, সংলাপ রচয়িতা ও কাহিনীকার

(জন্মঃ ১১ ডিসেম্বর ১৯২৮ । মৃত্যূঃ ১ ডিসেম্বর ১৯৯৭)


বিখ্যাত চলচ্চিত্রকার খান আতাউর রহমান ১৯২৮ সালের ১১ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। খান আতা নামে পরিচিত এই গুণীজন একাধারে সুরকার, গায়ক, সঙ্গীত পরিচালক, গীতিকার, প্রযোজক, সংলাপ রচয়িতা ও কাহিনীকার ছিলেন। তার কাজ বাংলাদেশি সংস্কৃতি ও চলচ্চিত্রকে নানাভাবে সমৃদ্ধ করেছে। খান আতা মানিকগঞ্জ জেলার সিঙ্গাইরের রামকান্তপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বাবার নাম জিয়ারত হোসেন খান, মায়ের নাম যোহরা খাতুন। মা আদর করে ডাকতেন ‘তারা’ নানার পরিবার ছিল মাজারের খাদিম। ধর্মীয় উরসে তার মামা নানারকম আধ্যাত্মিক সঙ্গীত পরিবেশন করতেন। এইসব ঘটনা তার উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। ১৯৩৭ সালে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় ঢাকা জিলা সঙ্গীত প্রতিযোগিতায় প্রথম হন তিনি। ১৯৫৮ সালে পাকিস্তানি পরিচালক আখতার জং কারদারের পরিচালনায় ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ অবলম্বনে নির্মিত ছবি ‘জাগো হুয়া সাভেরা’তে মূল ভূমিকাতে অভিনয়ের মাধ্যমে তার চলচ্চিত্র জীবনের সূত্রপাত হয়। তার বিপরীতে ছিলেন তৃপ্তি মিত্র নামের ভারতীয় অভিনেত্রী। এ ছবির সহকারী পরিচালক ছিলেন জহির রায়হান। চলচ্চিত্রে তিনি ‘আনিস’ নামটি ব্যবহার করতেন। তার অভিনীত প্রথম বাংলা ছবি এহতেশাম পরিচালিত ‘এদেশ তোমার আমার’ মুক্তি পায় ১৯৫৯ সালে। এই ছবিতে তিনি সঙ্গীত পরিচালক হিসেবেও কাজ করেন। ১৯৬০ সালে জহির রায়হানের সঙ্গে গড়ে তোলেন লিটল সিনে সার্কেল। তার অভিনীত অন্যান্য উল্রেখযোগ্য চলচ্চিত্র হলো- কখনো আসেনি (১৯৬১), কাঁচের দেয়াল (১৯৬৩), সাত ভাই চম্পা (১৯৬৮), মনের মত বউ (১৯৬৯), জীবন থেকে নেয়া (১৯৭০), আবার তোরা মানুষ হ (১৯৭৩) ও সুজন সখী (১৯৭৫)। তার প্রথম পরিচালিত ছবির নাম ‘অনেক দিনের চেনা’ (১৯৬৩) মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী বাস্তবতা নিয়ে তৈরি করেন ‘আবার তোরা মানুষ হ’ (১৯৭৩) মুক্তিযুদ্ধের উপর ১৯৯৪ সালে তিনি ‘এখনো অনেক রাত’ নামের একটি ছবি তৈরি শুরু করেন। ১৯৯৭ সালে ছবির কাজ শেষ হয়। কিন্তু সেন্সর বোর্ড ছবির ৭ টি স্থানে দৃশ্য কেটে ফেলার নির্দেশ দেয়ায় ক্ষুব্ধ হন তিনি। তার পরিচালিত অন্যান্য ছবির মধ্যে রয়েছে- রাজা সন্ন্যাসী, নবাব সিরাজউদ্দৌলা (১৯৬৭), সাত ভাই চম্পা (১৯৬৮), অরুণ বরুণ কিরনমালা (১৯৬৮), জোয়ার ভাটা (১৯৬৯), মনের মত বউ (১৯৬৯), সুজন সখী (১৯৭৫), দিন যায় কথা থাকে, আরশীনগর ও পরশ পাথর। এছাড়া তিনি ‘কবি জসীম উদ্দীনের জীবনী’, ‘গঙ্গা আমার গঙ্গা’ ও ‘গানের পাখি আব্বাস উদ্দিন’ নামে ৩টি তথ্যচিত্রও নির্মাণ করেন। গীতিকার, সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে ১৯৬২ সালে ‘সূর্যস্নান’ ছবিতে কলিম শরাফীর কন্ঠে তিনি উপহার দেন ‘পথে পথে দিলাম ছড়াইয়া রে’। ১৯৬৩ সালে জহির রায়হানের ‘কাঁচের দেয়াল’ ছবিতে ‘শ্যামল বরণ মেয়েটি’ গানটি খুবই জনপ্রিয়তা পায়। ১৯৬৯ সালে জহির রায়হানের ‘জীবন থেকে নেয়া’ ছবিতে তিনি ‘এ খাঁচা ভাঙবো আমি কেমন করে’ শিরোনামের কালজয়ী গানটি লিখেন ও কন্ঠ দেন। ১৯৭০ ও ৮০ এর দশকে উপহার দেন সাবিনা ইয়াসমীনের কন্ঠে ‘এ কি সোনার আলোয়’ ও শহনাজ রহমতুল্লাহের কন্ঠে ‘এক নদী রক্ত পেরিয়ে এর মতো গান’. চলচ্চিত্র, আধুনিক ও দেশাত্মবোধক মিলিয়ে তিনি প্রায় ৫০০ গানের রচিয়তা। গীতিকার ও সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে তার উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র হলো- এ দেশ তোমার আমার (১৯৫৯), কখনো আসেনি (১৯৬১), সঙ্গম (১৯৬৪), বাহানা (১৯৬৫), নবাব সিরাজউদ্দৌলা (১৯৬৭), অরুণ বরুণ কিরনমালা (১৯৬৮), সাত ভাই চম্পা (১৯৬৮), জোয়ার ভাটা (১৯৬৯), মনের মত বউ (১৯৬৯), জীবন থেকে নেয়া (১৯৭০), আবার তোরা মানুষ হ (১৯৭৩) ও সুজন সখী (১৯৭৫)। ‘সূর্যস্নান’ ছবির গীতিকার হিসেবে এবং ‘কাঁচের দেয়াল’ ছবির সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে পাকিস্তান ফিল্ম ফেস্টিভালে ১৯৬৫ সালে তিনি শ্রেষ্ঠ পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি (বাচসাস) পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কার পান। মুক্তিযুদ্ধে তার উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে দেশাত্মবোধক গান লিখেন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের খাদ্য ও চিকিৎসাসামগ্রী সরবরাহ করে সাহায্য করেন। এছাড়া তার চলচ্চিত্র ও গানে দেশ ও মানবতার কথা বারে বারে উঠে এসেছে। খান আতাউর রহমান তিনবার বিয়ে করেন। লন্ডনে থাকাকালীন সময়ে তিনি শার্লি নামক এক ইংরেজ নারীকে বিয়ে করেন। বাংলাদেশে আমিন নামে এক ছেলে হওয়ার পরে তাদের মধ্যে ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। এরপর তিনি সঙ্গীত শিল্পী মাহবুবা হাসনাতকে বিয়ে করেন। তাদের মেয়ে কন্ঠশিল্পী রুমানা ইসলাম। ১৯৬৮ সালে প্রখ্যাত কন্ঠশিল্পী নিলুফার ইয়াসমিনকে বিয়ে করেন। খান আতা এবং নিলুফারের ছেলে আগুন বাংলাদেশের একজন শীর্ষস্থানীয় সঙ্গীতশিল্পী।

নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন

 নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন 🌺 আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশই অবিশ্বাস্যভাবে সুনির্দিষ্ট এবং জটিল, বিশেষ করে যখন ...