এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৪

প্রতিদিন নিজেকে ছাড়িয়ে যাবেন যেভাবে!

 প্রতিদিন নিজেকে ছাড়িয়ে যাবেন যেভাবে!!


বলা হয়ে থাকে, যার আজকের দিনটি গতকালের থেকে উত্তম হলো না তার ধ্বংস অনিবার্য। এ কথার অন্তর্নিহিত অর্থ হলো, মানুষকে প্রতিদিন আত্মোন্নয়নের জন্য কাজ করতে হবে। আর এই প্রতিযোগিতা অন্য কোনো ব্যক্তির সঙ্গে নয়, বরং নিজের সঙ্গে। চেষ্টা করতে হবে নিজেই নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার। এর জন্য চাই প্রতিদিন নির্দিষ্ট কিছু কৌশল অনুশীলন করা। আর নতুন কিছু করার জন্য বছরের প্রথম দিনটির থেকে ভালো সময় হতেই পারে না। প্রতিদিন নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার কয়েকটি অনুশীলন দেওয়া হলো


নিজের কাজের তদারকি


নিজেকে ছাড়িয়ে যেতে হলে প্রথমে যেটি দরকার তা হলো, নিজের কাজের নিয়মিত তদারকি। প্রতিদিন যদি নিজের কাজের একটি তালিকা থাকে তবেই সেই তালিকাকে অতিক্রম করা সম্ভব হবে। নিজের কাজে তদারকি করার জন্য প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে সারা দিনে কী করলেন তা স্মরণ করুন। চাইলে একটি খাতায় বা ডায়েরিতে লিখতে পারেন। এরপর কোন কাজটি সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছে আর কোন কাজটি আরও ভালোভাবে করা প্রয়োজন তা লিখুন। এই কাজগুলো পরে যে সময় করবেন তখন কীভাবে আরও ভালোভাবে করা সম্ভব সে উপায় খুঁজে বের করুন। এই কৌশলগুলো কাজে লাগালেই গত দিনের থেকে আরও ভালোভাবে সম্পন্ন করতে পারবেন কাজগুলো। আর তাতেই গত দিনের থেকে উত্তম হয়ে যাবেন আপনি। এই প্রক্রিয়াকে আত্মসমালোচনাও বলা যায়। আত্মসমালোচনার সময় আরেকটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। সারা দিনে এমন কোনো কাজও কি করেছেন যেটি অনুচিত মনে হয়েছে পরে? তাহলে সেই কাজটি আর কখনো করবেন না প্রতিজ্ঞা করুন। The Great Bangladesh 


প্রতিদিন বই পড়ুন


বই জ্ঞানের আধার। বইয়ে লিপিবদ্ধ থাকে মনীষীদের চিন্তাভাবনা, অভিজ্ঞতা। তারা শারীরিকভাবে এ পৃথিবীতে না বাস করলেও তাদের চিন্তা বেঁচে থাকে বইয়ের মাধ্যমে। এই চিন্তা আমাদের দিকনির্দেশনা দেয়। তাই বই পড়ার অভ্যাস করুন। প্রতিদিন কোনো না কোনো বই নিয়ে বসুন। কমপক্ষে একটি অধ্যায় পড়ুন। এর ফলে আপনি একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি পাবেন। আরেকটি ভালো অভ্যাস হলো, বেশ আগে পড়া বই পরে আরেকবার চোখ বুলানো। অনেক সময় প্রথম পড়াতে আমরা কিছু জিনিস হয়তো লক্ষ্য করি না। দ্বিতীয়বার পড়ার সময় তাই অনেক নতুন উপলব্ধি হয়, যা জীবনকে ইতিবাচকভাবে এগিয়ে নিতে সাহায্য করে।


রাত ১০টার পরে ডিভাইস ব্যবহার নয়


দিনে পূর্ণ উদ্যমে কাজ করার জন্য দরকার শারীরিক ও মানসিক সতেজ ভাব। আর রাতের পূর্ণ বিশ্রামই পারে এই ক্লান্তিহীন সতেজভাব এনে দিতে। কিন্তু অনেকেই রাত জেগে সোশ্যাল মিডিয়া সার্ফিং করতে অভ্যস্ত। এর ফলে মস্তিষ্ক উত্তপ্ত থাকে। ঘুম আসতে দেরি হয়। সে জন্য সকালে উঠতে দেরি হয়। দিনটিই শুরু হয় তাড়াহুড়ো দিয়ে। তাই যদি রুটিন অনুসরণ করতে হয় তাহলে তাড়াতাড়ি ঘুমানোর অভ্যাস করতে হবে। আর তার জন্য চাই রাত ১০টার পরে ডিভাইস ব্যবহার বন্ধ করা।


নতুন কিছু শিখতে হবে প্রতিদিন


কবি সুনির্মল বসু বলেছেন, ‘বিশ্বজোড়া পাঠশালা মোর সবার আমি ছাত্র’। সত্যিই এই পৃথিবীর চারদিকে ছড়িয়ে আছে জ্ঞানভাণ্ডার। তা ছাড়া প্রতিনিয়ত বিশ্বের চারদিকে নানা পরিবর্তন হচ্ছে। নিয়ত পরিবর্তনশীল এই পৃথিবীর সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে শেখার চেষ্টা করতে প্রতিদিন শিখতে হবে চারপাশ থেকে। প্রতিদিন নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করুন। সেটা হতে পারে পেশাগত কোনো দক্ষতার একটি কৌশল বা সামাজিক জীবনের কোনো রীতি।


নিজের জন্য একটু সময়


চারপাশের ভিড়ের মাঝে কোলাহলে আমরা নিজেকে হারিয়ে ফেলি। হৃদয়ের গুঞ্জরিত অস্ফুট বাণী শুনতে পাই না এই কোলাহলে। নিজেই যেন নিজের থেকে দূরে সরে যেতে থাকি। এর ফলে আত্মতৃপ্তি কমে যায়। সাফল্যে শোকর করতে ভুলে যায়। শুরু হয় অশান্তি। এই অশান্তি থেকে মুক্তি পেতে কোলাহল থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখতে হয় কিছুটা সময়ের জন্য। যেন নিজের মনের গভীরের অব্যক্ত কথাটি শোনার জন্য তৈরি হয় নিস্তব্ধতা। প্রতিদিন কমপক্ষে আধা ঘণ্টা নিজের জন্য সময় রাখা তাই ভীষণ জরুরি।


দিনের জন্য একটি লক্ষ্য নির্ধারণ করুন প্রতিদিন


নিজেকে ছাড়িয়ে যেতে প্রতিদিন একটি লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। এই লক্ষ্য নির্ধারণ করার জন্য আগের দিনের আত্মসমালোচনামূলক লেখাটিতে চোখ বুলিয়ে নিন। এরপর নির্ধারণ করুন দিনের লক্ষ্য। চেষ্টা করুন তা অর্জন করতে। আপনি প্রতিদিন এগিয়ে যাবেন।


সমমনা মানুষের সঙ্গে মিশুন


যাদের সঙ্গে পেশার ও জীবনের লক্ষ্যের মিল আছে তাদের সঙ্গে বেশি সময় ব্যয় করতে চেষ্টা করুন। আপনাদের লক্ষ্য এক, সমস্যা এক। এর সমাধানও বের করতে হবে সবাই মিলে। নিজেদের চিন্তা একে অন্যের সঙ্গে ভাগ করুন। অন্যের লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করুন। নিজের লক্ষ্য অর্জনও সহজ হয়ে যাবে।


নিজেকে পুরস্কৃত করুন


প্রতিটি কাজ শুরুর আগে একটি লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। কাজটি সম্পন্ন হলে নিজেকে পুরস্কৃত করুন। এর ফলে আপনি আরও বেশি অনুপ্রাণিত বোধ করবেন। কাজে আনন্দ খুঁজে পাবেন।


সোর্স- দেশ রপান্তর

জমির রেকর্ড বা খতিয়ান কেন সংশোধন করবেন? কিভাবে করবেন?  

 জমির রেকর্ড বা খতিয়ান কেন সংশোধন করবেন? কিভাবে করবেন?  


ধরুন আপনার জমি আপনি মালিক, দখলেও আছেন কিন্তু খতিয়ানে একই ভূমি অন্যের নামে লিপিবদ্ধ হয়েছে বা করণিক ভুল থাকে তখন আপনি কী করবেন? 


সর্বশেষ চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত রেকর্ডের করনিক ভুল (ছোট ভুল)  সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসি ল্যান্ড হিসেবে কাজ করেন তিনিই  সংশোধন করতে পারেন। 


এইজন্য আপনাকে খতিয়ানে দৃষ্ট #করণিক ভুল সংশোধনের জন্য প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর পূর্ববর্তী জরিপের কাগজপত্র, প্রাথমিক #খাজনা বিবরণী, কালেক্টরের দপ্তরে সংরক্ষিত খতিয়ানের কপি এবং ২ নং রেজিস্ট্রার পর্যালোচনা ক্রমে এবং তিনি যে ধরনের অনুসন্ধান প্রয়োজন মনে করেন, তা করে এরূপ করণিক ভুল সংশোধনের নির্দেশ দেবেন। #কালেক্টর কর্তৃক বা ইউনিয়ন (ভূমি) সহকারী কর্মকর্তা কর্তৃক সংরক্ষিত খতিয়ান এবং ২ নম্বর রেজিস্ট্রার অনুযায়ী সংশোধন করার নির্দেশ প্রদান করত সংশোধনলিপির কপি সংশ্লিষ্ট পক্ষকে প্রদান করবেন।


সহকারী কমিশনার (ভুমি) কর্তৃক বিবেচনাযোগ্য করণিক ভুলের মধ্যে নামের ভুল, অংশ বসানোর হিসেবে ভুল, দাগসুচিতে ভুল, ম্যাপের সংঙ্গে রেকর্ডের ভুল, জরিপকালে বাবার মৃত্যুর কারণে সন্তানদের নামে সম্পত্তি রেকর্ড হবার কথা থাকলেও জরিপকারকদের ভুল বা অজ্ঞাত কারণে তা মূল প্রজা বা বাবার নামে রেকর্ড হওয়া ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।


এসব ক্ষেত্রে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে থেকে প্রতিবেদন পাঠানোর পর যার নামে খতিয়ানে ভুল নাম এসেছে বা সংশ্লিষ্ট পক্ষকে নোটিশ প্রদান করা হয়। তারপর একটি নির্ধারিত তারিখে উভয়পক্ষের শুনানি গ্রহণ ও দাখিলিয় গজপত্রাদি বিবেচনায় কোনো আপত্তি না থাকলে খতিয়ানের করণিক ভুল সংশোধনের আদেশ দেওয়া হয়। সংশোধিত আদেশ অনুসারে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা সংশোধিত খতিয়ান প্রস্তুত করে পেশ করেন এবং কানুনগো প্রয়োজনীয় রেকর্ড সংশোধন করেন।


আবেদনের সাথে যেসব কাগজপত্র জাম দিতে হবে:

১। সর্বশেষ নামজারি, সিএস, আর.এস, এসএ, বিএস, খতিয়ানের সত্যায়িত ফটোকপি/ সার্টিফাইড কপি

২। সংশ্লিষ্ট মৌজার এসএ ও বিএস মৌজা ম্যাপ

৩। ওয়ারিশ সনদপত্র ((প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) [অনধিক ০৩ মাসের মধ্যে ইস্যুকৃত]

৪। মূল দলিলের ফটোকপি/ সার্টিফাইড কপি( প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

৫। সর্বশেষ জরিপের পর থেকে ভায়া/পিট দলিল(প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

৬। ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের দাখিলা পত্র

৭। আদালতের রায়/আদেশ/ডিক্রির সার্টিফাইড কপি

৮। আদালতের রায়/আদেশ/ডিক্রি থাকলে আরজির সার্টিফাইড কপি

৯। বিএস জরিপের #মাঠপর্চা ডিপি খতিয়ান ইত্যাদি


খতিয়ান সংশোধন ফি ১১৫০ টাকা জমা দিয়ে #ডিসিআর এবং সংশোধিত খতিয়ানের কপি উপজেলা/সার্কেল ভূমি অফিস থেকে সংগ্রহ করা যাবে।


আদালতের মাধ্যমে রেকর্ড সংশোধন -   


কিভাবে চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত একটি খতিনের ভুল সংশোধন করা যায়ঃ-

চূড়ান্ত রেকর্ড প্রকাশিত হয়ে গেলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে #সেটেলমেন্ট অফিসার রেকর্ড সংশোধন করতে পারে, যেমন উক্ত ভুলগুলো যদি হয় শুধুমাত্র কারণিক ভুল / প্রিন্টিং -এ ভুল সেক্ষেত্রে এধরনের সামান্য ভুল গুলো অবশ্য সেটেলমেন্ট অফিসার সংশোধন করতে পারে, তবে অন্যান্য সকল প্রকারের ভুল সংশোধনের ক্ষমতা একমাত্র কোর্টের।


মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আইনজীবীকে ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালে / দেওয়ানী আদালতে রেকর্ড সংশোধনীর জন্য একটি “ঘোষণা মূলক” মোকাদ্দমা করতে হবে।উল্লেখ্য, ভুলক্রমে কোনো ব্যক্তির জমি ১ নং খাস খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেলে একই পদ্ধতিতে তা সংশোধন করতে হয়।


ভূমি রেকর্ড সংশোধন করতে আপনার ২-৩ বছর লেগে যেতে পারে, খতিয়ান ভুল এই মর্মে আদালত ডিক্রি/রায় দিলে সেই ডিক্রির সার্টিফাইড কপি নিয়ে খতিয়ান সংশোধনের জন্য সেটেলমেন্ট অফিসারের কাছে আবেদন করতে হবে।সেটেলমেন্ট অফিসার রেকর্ডটি সংশোধন করে নতুন করে একটি রেকর্ড প্রকাশ করবে।

সরিষার স্প্রে_সিডিউল:

 #সরিষার #স্প্রে_সিডিউল:


#প্রথম_স্প্রেঃ বীজ বপনের ১০-১৫ দিনের মধ্যে 


#এন্ট্রাকল৭০ডাব্লিউপি/

#টপ_নচ৭০ডাব্লিউপি

#ম্যাককল৭০ডাব্লিউপি

#ইটাকল৭০ডাব্লিউপি

#ফিয়েস্তা_জেড৭৮ যে কোন একটি ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে লিটারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


সাথে কাটুই পোকা ও ফ্লি বিটল পোকা দমনে-

#ক্লোরোপাইরিফস_সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক 

#সেতারা৫৫ইসি

#নাইট্রো৫৫ইসি

#সাবসাইড৫৫ইসি

#এসিমিক্স৫৫ইসি

#ক্লোরোসাইরিন৫৫ইসি যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ মিলি হারে লিটারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন


#দ্বিতীয়_স্প্রেঃ বীজ বপনের ২০-২৫ দিন বয়সে 

#ফ্লোরা/

#ভেজিমেক্স/

#প্রোটোজিম /

#বলবান/

#এস্টার/

#বায়োগ্রীণ যে কোন একটি পিজিআর প্রতি লিটার পানিতে ২ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে সাথে সলুবর বোরন ১.৫ গ্রাম হারে লিটারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


#তৃতীয়_স্প্রেঃ ফুল ঝরে যাওয়ার সময় জাবপোকা অল্টারনারিয়া ব্লাইট দামনে 


#ইমিডাক্লোরোপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক যেমন-

#এডমায়ার২০০এসএল/

#ইমিটাফ২০এসএল/

#টিডো২০এসএল/

#গেইন২০এসএল/

#জাদীদ২০০এসএল/

#ইমপেল২০এসএল/

#কনফিডর৭০ডাব্লিউজি/

#গেইন_সুপার৭০ডাব্লিউজি/

#টিডো_প্লাস৭০ডাব্লিউজি

যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন সাথে


#কার্বেন্ডাজিম_ইপ্রোডিয়ন গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন

#শেলটার৫২.৫ ডাব্লিউপি 

#হামা৫২.৫ ডাব্লিউপি 

#ব্রিপ্রোডাজিম৫২.৫ ডাব্লিউপি 

#হাইপ্রোজিম৫০ডাব্লিউপি যে কোন একটি ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


#চর্তুথ_স্প্রেঃ পড হয়ে গেলে জাবপোকা ও হোয়াইট মোল্ড রোগ দমনে

#এসিফেট গ্রুপের কীটনাশক যেমন-

#এসাটাফ৭৫ এসপি/

#ফরচুনেট ৭৫ এসপি/

#সিনোফেট৭৫ এসপি/

#হেসিফেট৭৫ এস পি/

#কুইনফেট ৭৫ এসপি/

#পিলারফেট ৭৫ এসপি যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।

সাথে 

#ইপ্রোডিয়ন গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন-


#রোভরাল৫০ডাব্লিউপি

#কিউরেট৫০ডাব্লিউপি

#রোভানন৫০ডাব্লিউপি

#মেমোরাল৫০ডাব্লিউপি

#নেক_ব্লচ৫০ডাব্লিউপি যে কোন একটি ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। অথবা


#মেনকোজেব_মেটালেক্সিল গ্রুপের ছত্রাকনাশক 

#রিডোমিল_গোল্ড৬৮ডাব্লিউপি

#করমিল_এমজেড৭২ডাব্লিউপি

#নাজাহ৭২ডাব্লিউপি যে কোন একটি ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


#বিশেষ_দ্রষ্টব্যঃ 

উক্ত স্প্রে সিডিউল টি সরিষা+কালোজিরা+তিল আবাদে স্প্রে করা যাবে। 


মোঃ ফরিদুল ইসলাম 

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা 

কালিগঞ্জ লালমনিরহাট

শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৪

কাজী নজরুল ইসলাম এর কিছু শিক্ষা মূলক  বিখ্যাত উক্তি৷ 

 "" কাজী নজরুল ইসলাম এর কিছু শিক্ষা মূলক  বিখ্যাত উক্তি৷ 

আত্বদর্শনে সূফীবাদ 


প্রিয় পাঠক আজ আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম “বিদ্রোহী কবি” কাজী নজরুল ইসলাম এর কিছু শিক্ষা মূলক বিখ্যাত উক্তি। 

চলুন তাহলে দেরি না করে দেখে নেওয়া যাক উক্তিগুলিঃ


(১) তুমি সুন্দর তাই চেয়ে থাকি প্রিয়, সে কি মোর অপরাধ? চাঁদেরে হেরিয়া কাঁদে চকোরিণী বলে না তো কিছু চাঁদ


(২) সে দেশে যবে বাদল ঝরে কাঁদে না কি প্রাণ একেলা ঘরে, বিরহ ব্যথা নাহি কি সেথা বাজে না বাঁশি নদীর তীরে।


(৩) চাঁদ হেরিছে চাঁদমুখ তার সরসীর আরশিতে ছোটে তরঙ্গ বাসনা ভঙ্গ সে অঙ্গ পরশিতে।


(৪) কোনকালে একা হয়নিকো জয়ী, পূরুষের তরবারী; প্রেরনা দিয়েছে, শক্তি দিয়াছে, বিজয়ালক্ষী নার


(৫) খেলিছ এ বিশ্ব লয়ে বিরাট শিশু আনমনে। প্রলয় সৃষ্টি তব পুতুল খেলা নিরজনে প্রভু নিরজনে।


(৬) স্বপনে কি যে কয়েছি তাই গিয়াছে চলে জাগিয়া কেদে ডাকি দেবতায় প্রিয়তম প্রিয়তম প্রিয়তম।।


(৭) বসন্ত এলো এলো এলোরে পঞ্চম স্বরে কোকিল কুহুরে মুহু মুহু কুহু কুহু তানে মাধবী নিকুঞ্জে পুঞ্জে পুঞ্জে ভ্রমর গুঞ্জে গুঞ্জে গুনগুন গানে


(৮) ভালবাসার কোন অর্থ বা পরিমাণ নেই


(৯) নুড়ি হাজার বছর ঝরণায় ডুবে থেকেও রস পায় না


(১০) মসজিদেরই পাশে আমার কবর দিও ভাই যেন গোরে থেকেও মোয়াজ্জিনের আজান শুনতে পাই।


(১১) আমি বিদ্রোহী ভৃগু, ভগবান বুকে এঁকে দিই পদ-চিহ্ন


(১২) বসন্ত এলো এলো এলো রে পঞ্চম স্বরে কোকিল কুহরে মুহু মুহু কুহু কুহু তানে


(১৩) বল বীর-বল উন্নত মম শির! শির নেহারী’ আমারি নতশির ওই শিখর হিমাদ্রীর


(১৪) গগনে কৃষ্ণ মেঘ দোলে – কিশোর কৃষ্ণ দোলে বৃন্দাবনে থির সৌদামিনী রাধিকা দোলে নবীন ঘনশ্যাম সনে; দোলে রাধা শ্যাম ঝুলন-দোলায় দোলে আজি শাওনে


(১৫) মিথ্যা শুনিনি ভাই এই হৃদয়ের চেয়ে বড় কোনও মন্দির-কাবা নাই


(১৬) কারার ঐ লৌহকপাট, ভেঙ্গে ফেল কর রে লোপাট, রক্ত-জমাট শিকল পূজার পাষাণ-বেদী।


(১৭) শিহরি উঠো না শাস্ত্রবিদেরের ক’রোনা ক’ বীর ভয় তাহারা খোদার খোদ ‘প্রাইভেট সেক্রেটারি’ তো নয়


(১৮) শুণ্যে মহা আকাশে তুমি মগ্ন লীলা বিলাসে ভাঙ্গিছো গড়িছো নীতি ক্ষণে ক্ষণে নির্জনে প্রভু নির্জনে খেলিছো


(১৯) অঞ্জলি লহ মোর সংগীতে প্রদীপ-শিখা সম কাঁপিছে প্রাণ মম তোমারে সুন্দর, বন্দিতে সঙ্গীতে।।


(২০) গিন্নির চেয়ে শালী ভালো


(২১) তোমারে যে চাহিয়াছে ভুলে একদিন, সে জানে তোমারে ভোলা কি কঠিন।

সম্পত্তির কাগজপত্র হারিয়ে যাওয়া একটি গুরুতর সমস্যা, কারণ এগুলি জমির মালিকানা বা ফ্ল্যাটের দখলের সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

 🟥 সম্পত্তির কাগজপত্র হারিয়ে যাওয়া একটি গুরুতর সমস্যা, কারণ এগুলি জমির মালিকানা বা ফ্ল্যাটের দখলের সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে কাগজপত্র হারিয়ে গেলেও ভয়ের কিছু নেই। বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আপনি জমির দলিলের ট্রু কপি বা সার্টিফায়েড কপি তুলতে পারবেন।


➡️ কোন কোন কাগজপত্র হারানো সবচেয়ে গুরুতর?

👉 জমি বা সম্পত্তির মূল দলিল:

✅ জমি কেনাবেচার দলিল।

✅ মিউটেশন সার্টিফিকেট ও খতিয়ান।

✅ নামজারি সংক্রান্ত কাগজপত্র।

✅ খাজনা পরিশোধের রসিদ।

✅ জমি সংক্রান্ত অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নথি:

✅ জমি মাপজোকের কাগজপত্র।

✅ হালনাগাদ নকশা বা ম্যাপ।

✅ রেজিস্ট্রারের দলিলের ফটোকপি।

✅ সম্পত্তির কাগজ হারিয়ে গেলে কী করবেন?

১. সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করুন:

✅ কাগজপত্র হারিয়ে গেলে প্রথমেই নিকটস্থ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করুন।

👉 জিডিতে উল্লেখ করুন:

✅ কোন কোন কাগজ হারিয়েছে।

✅ কীভাবে এবং কোথায় হারিয়েছে।

✅ জিডির কপি ভবিষ্যতে ট্রু কপি তোলার সময় প্রয়োজন হবে।

২. পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করুন:

✅ স্থানীয় বা জাতীয় পত্রিকায় কাগজপত্র হারানোর বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি দিন।

✅ বিজ্ঞপ্তিতে হারানো কাগজের বিস্তারিত বিবরণ এবং আপনার যোগাযোগের ঠিকানা দিন।

✅ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের একটি কপি সংরক্ষণ করুন।

৩. সংশ্লিষ্ট অফিসে আবেদন করুন:

✅ আপনার হারানো দলিল বা কাগজপত্র যেখানে রেজিস্টার করা হয়েছিল, সেখানে গিয়ে ট্রু কপি বা সার্টিফায়েড কপির জন্য আবেদন করতে হবে।


👉 যে অফিসগুলোতে আবেদন করবেন:

📌 জেলা রেজিস্ট্রি অফিস: জমির মূল দলিল।

📌 উপজেলা ভূমি অফিস: খতিয়ান ও মিউটেশন সার্টিফিকেট।

📌 সার্ভেয়ার অফিস: ম্যাপ বা জমি মাপজোকের নথি।


🟥 কীভাবে ট্রু কপি বা সার্টিফায়েড কপি তুলবেন?

১. আবেদনপত্র তৈরি করুন:

✅ নির্ধারিত ফরম বা সাদা কাগজে আবেদন লিখুন।

👉 আবেদনে উল্লেখ করুন:

✅ হারানো কাগজের নাম।

✅ দলিলের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও তারিখ।

✅ জমির ঠিকানা এবং মৌজা।

২. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যুক্ত করুন:

✅ থানায় করা জিডির কপি।

✅ পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির কপি।

✅ আপনার পরিচয়পত্র (জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট)।

✅ সম্পত্তির মালিকানার প্রমাণ হিসেবে অন্যান্য দলিল (যদি থাকে)।

৩. জমা দিন এবং রসিদ নিন:

✅ আবেদনপত্র সংশ্লিষ্ট অফিসে জমা দিন।

✅ জমা দেওয়ার পর অফিস থেকে রসিদ সংগ্রহ করুন।

৪. ফি পরিশোধ করুন:

✅ নির্ধারিত ট্রু কপি বা সার্টিফায়েড কপির ফি পরিশোধ করুন।

✅ ফি জমার রসিদ সংরক্ষণ করুন।

৫. কপি সংগ্রহ করুন:

✅ আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে নির্ধারিত সময়ে ট্রু কপি বা সার্টিফায়েড কপি সংগ্রহ করুন।

✅ কাগজপত্র পুনরুদ্ধারে সময়কাল

✅ সাধারণত ১৫ থেকে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে ট্রু কপি বা সার্টিফায়েড কপি পাওয়া যায়।

✅ সময়কাল নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট অফিসের কার্যক্রম এবং আবেদনের জটিলতার উপর।


🟥 সতর্কতামূলক ব্যবস্থা

১. কাগজপত্র ডিজিটাল ফরম্যাটে সংরক্ষণ করুন:

✅ জমির দলিল, খতিয়ান, রসিদসহ গুরুত্বপূর্ণ নথির স্ক্যান কপি সংরক্ষণ করুন।

✅ ক্লাউড স্টোরেজে বা পেনড্রাইভে ব্যাকআপ রাখুন।

২. জমি রেজিস্ট্রেশনের সময় ট্রু কপি রাখুন:

✅ জমির দলিল রেজিস্ট্রি করার সময় ট্রু কপির জন্য আবেদন করুন।

✅ এটি মূল কাগজপত্র হারালে কাজে লাগবে।

৩. প্রয়োজনীয় সব রেকর্ড আপডেট রাখুন:

✅ খাজনা, ট্যাক্স এবং অন্যান্য কাগজপত্র নিয়মিত হালনাগাদ করুন।


সবশেষে বলা যেতে পারে,

বাংলাদেশে সম্পত্তির কাগজপত্র হারিয়ে গেলে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। আইন এবং নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে হারানো দলিলের ট্রু কপি বা সার্টিফায়েড কপি পাওয়া সম্ভব। তবে ভবিষ্যতে এই ধরনের সমস্যা এড়াতে প্রয়োজনীয় নথি সুরক্ষিতভাবে সংরক্ষণ করা অত্যন্ত জরুরি।


➡️ আপনার সম্পত্তি সুরক্ষিত রাখতে সচেতন থাকুন এবং প্রয়োজনে অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিন। ♥️ 


#maxrealestate

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ১৩-১২-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ১৩-১২-২০২৪ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


সার্ককে সক্রিয় করার জন্য আবারো তাগিদ দিলেন প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস। 


সাইবার নিরাপত্তা অধ্যাদেশ-২০২৪ এর খসড়া উপদেষ্টা পরিষদে প্রাথমিক অনুমোদন। 


বাংলাদেশ বিরোধী অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানালেন ৫৩ বিশিষ্ট নাগরিক।


ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন রাখার বিষয়ে জুনাইদ আহমেদ পলককে জিজ্ঞাসাবাদ করবে তদন্ত সংস্থা।


সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও এমপিসহ ১২ জনের বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দুর্নীতি দমন কমিশনের।


গাজায় ইসরাইলি হামলায় অন্তত ৩০ ফিলিস্তিনি নিহত।


চিরবিদায় নিলেন বরেণ্য রবীন্দ্র সঙ্গীতশিল্পী পাপিয়া সারোয়ার, বনানি কবরস্থানে দাফন আজ।


সেন্ট কিটস-এ তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে চার উইকেটে বাংলাদেশকে পরাজিত করে তিন-শুন্যতে সিরিজ জিতে নিলো স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট?

 কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট?

➥১. পর্চা বা খতিয়ান। 

➥২. দলিল। 

➥৩. ম্যাপ বা নকশা।

এই ডকুমেন্টগুলো ছাড়া আপনি জমি বিক্রয়, হস্তান্তর অথবা ব্যাংক লোন হতে নানান সমস্যা হয়।

সেকারণে, জমির খতিয়ান, দলিলসহ সকল কাগজপত্র সংগ্রহে রাখার জন্য সরকারি নানান দপ্তর রয়েছে, যারা ভূমি সংক্রান্ত কাগজপত্র সংগ্রহ করে রাখে। এখন আপনার কাজ হল, ঐ সকল দপ্তরগুলো কে নিশ্চিত করে তাদের শরণাপন্ন হওয়া ও কাগজপত্র গুলো সংগ্রহ করা।

নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো, কোথায়, কীভাবে এবং কত সময়ের ভেতরে আপনি জমির খতিয়ান, দলিল ও নকশা সংগ্রহ করবেন।

➥প্রথমত,আপনার জমির খতিয়ান বা পর্চা কোথায় পাবেন.?

জমির পর্চা বা খতিয়ান মূলত চারটি অফিসে পাবেন। তা হলো,

১/ইউনিয়ন ভূমি অফিস।

২/উপজেলা ভূমি অফিস।

৩/জেলা ডিসি অফিস।

৪/সেটেলমেন্ট অফিস।

➤ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা তহশিল অফিস। ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যদিও খতিয়ান বা পর্চার বালাম বহি থাকে কিন্তু আপনি এই অফিসে হতে খতিয়ানের কপি নিতে পারবেন না। ইউনিয়ন ভূমি অফিস হতে শুধু খসরা খতিয়ান নিতে পারবেন যেটা আইনত কোন মূল্য নেই তারপরেও এই অফিসটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আপনার জমির খতিয়ান নাম্বার জানা না থাকলে এই অফিস থেকে জেনে নিতে পারবেন এছাড়া জমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর এই অফিসে দিতে হয়।

➤উপজেলা ভূমি অফিস

যদিও উপজেলা ভূমি অফিসের মূল কাজ নামজারী বা খারিজ বা মিউটেশন করা তবে খসরা খতিয়ান তুলতে পারবেন। এই অফিস হতেও খতিয়ানের সার্টিফাইড পর্চা বা কোর্ট পর্চা তুলতে পারবেন না।

➤জেলা ডিসি অফিস

এই অফিস হতে পর্চা বা খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি সংরক্ষণ করতে পারবেন। এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব সর্বাধিক। সব জায়গায় এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব রয়েছে।

➤সেটেলমেন্ট অফিস

শুধুমাত্র নতুন রেকর্ড বা জরিপের পর্চা / খতিয়ান এই অফিস হতে সংগ্রহ করা যাবে।

পাশাপাশি নতুন রেকর্ড এর ম্যাপ ও সংগ্রহ করা যায়।

❖প্রশ্নঃ খতিয়ান তুলতে কত টাকা লাগবে.?

উত্তরঃ সি এস, এস এ, আর এস, এর অনলাইন করি www.land.gov.bd থেকে বিনামূল্যে সংগৃহ করা যায়।তবে সিটি জরিপের জন্য ১০০ টাকা খরচ হবে।

➥দ্বিতীয়ত, আপনার জমির দলিল বা বায়া দলিল কোথায় পাবেন?

দলিল বা দলিল এর সার্টিফাইড কপি বা নকল মূলত দুটি অফিস হতে সংগ্রহ করা যায়, তা হলো।

১/উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস।

২/জেলা রেজিস্ট্রি বা সদর রেকর্ড রুম অফিস।

➤উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

যেখানে নতুন দলিল রেজিস্ট্রেশন করা হয় এই অফিস হতে নতুন দলিলের নকল ও মূল দলিল পাওয়া যায়। কিন্তু পুরাতন দলিল বা বায়া দলিল এই অফিসে পাওয়া যায় না।

➤জেলা রেজিস্ট্রি অফিস বা সদর রেকর্ড রুম।

এই অফিসে নতুন বা পুরাতন দলিলের সার্টিফাইড কপি বা নকল পাওয়া যায়। 

➥ আপনার জমির মৌজা ম্যাপ বা নকশা কোথায় পাবেন?

সাধারণত ম্যাপ বা নকশা দুইটি অফিসে পাবেন, তা হলো

১/জেলা ডিসি অফিস

২/ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর ( DLR) অফিস, ঢাকা।

➤জেলা ডিসি অফিস:

এই অফিস হতে সিএস, এসএ, আরএস, বিএস যেকোনো মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ করা যাবে।

সংগ্রহ করতে যা লাগবে আবেদন ফরম + ২০ টাকার কোর্ট ফি এবং ৫০০ টাকা নগদ জমা বাবদ বা ডি.সি.আর বাবদ। অর্থাৎ ৫২০ টাকায় মৌজা ম্যাপ তুলতে পারবেন।

➤ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, (তেজগাঁও সাতরাস্তার মোড়), ঢাকা।

সারা বাংলাদেশের যে কোনো মৌজা ম্যাপ সিএস, এসএ, আরএস, বিএস, জেলা ম্যাপ, বাংলাদেশ ম্যাপ উক্ত অফিস হতে তুলতে পারবেন।

এই অফিসের ম্যাপের গ্রহণযোগ্যতা ও অনেক বেশি। সারা বাংলাদেশের যে কোন ম্যাপ এই অফিসে পাওয়া যায়। ম্যাপ তুলতে খরচ আবেদন ফরম + কোর্ট ফি + ডি.সি.আর মোট= ৫৫০/= টাকা মাত্র।

❖প্রশ্নঃ ম্যপ তুলতে কতদিন সময় লাগে?

উত্তরঃ আবেদন করার দিন হতে, ৫-৮ কার্য দিবসের ভিতরে ম্যাপ সরবরাহ করা হয়।

আপনার জমির দলিল হারিয়ে গেলে করণীয় কি?  👍যদি কখনো আপনার জমির দলিল হারিয়ে গেলে ২ টি উপায়ে উঠাতে পারবেন:

 ✍✍আপনার জমির দলিল হারিয়ে গেলে করণীয় কি? 

👍যদি কখনো আপনার জমির দলিল হারিয়ে গেলে ২ টি উপায়ে উঠাতে পারবেন:


👤 প্রথম উপায়: প্রথমে নিচের তিনটি ধাপ অনূসরণ করুণ-

১) প্রথম ধাপ: প্রথমে জমির দাগ নাম্বার জানুন। আপনি যে দাগটি জানেন সেটা CS দাগ, না RS দাগ, না BS দাগ নিশ্চিত তা হোন ।

২)  ধাপ ২: দাগ নম্বর জেনে খতিয়ান নাম্বার জানুন। কোথা থেকে জানবেন? ইউনিয়ন ভূমি বা তফসিল অফিস হতে।

৩)  ধাপ ৩: খতিয়ানে যদি নামজারি বা খারিজ করা থাকে তাহলে দেখুন কার নামে নামজারি করা। নামজারি বা জমাভাগের কেস বা নথি বের করে নিন। নামজারি বা খারিজের নথিতে দলিলের নাম্বার দেয়া থাকে ওইখান থেকে দলিল নাম্বার নিয়ে নকল বা সার্টিফাইড কপির জন্য আবেদন করবেন।

কোথায় আবেদন করবেন? জেলা রেকর্ড রুম অথবা সাব রেজিস্ট্রি অফিস। আপনার জমির দলিল যদি বর্তমান সাল থেকে ৫-৬ বছর আগের হয় তাহলে সাব রেজিস্টি অফিস হতে দলিলের নকল বা সার্টিফাইড কপি নিতে পারবেন।

আর দলিল টি যদি অনেক বছর আগের হয় তাহলে জেলা রেজিস্ট্রার অফিস এর জেলা রেকর্ড রুম হতে সংগ্রহ করতে হবে।


🌐দ্বিতীয় উপায়: তিনটি ধাপ অনুসরণ করে দলিল নম্বর বা দলিল না পান তখন দলিল তল্লাশি বা সার্চ করতে হবে।

তল্লাশি বা সার্চ করতে যা যা লাগবে -

🌟 সম্ভাব্য সাল।

🌟 দলিল দাতা ও গ্রহীতার নাম।

🌟 দলিল দাতা ও গ্রহীতার বাবার নাম।

🌟  দাগ নম্বর ও মৌজার নাম।


♨️জমির দলিল হারিয়ে গেলে উক্ত কাজগুলো সঠিকভাবে করলে হারিয়ে যাওয়া দলিল সহজে পাওয়া যাবে। অনেক সময় অসাবধানতা বা দূর্ঘটানাজনিত কারনে মূল্যবান দলিল বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হারিয়ে যায়।যেমন- কোন দুর্ঘটনায় বা আগুনে পুড়ে যাওয়ার কারনে বা বন্যার প্রাকৃতিক দুর্যোগে মূল্যবান কাগজ বা দলিল নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ঠিক এই সময় হারানো কাগজ ফিরে পাবার জন্য বা কাগজের নকল সংগ্রহ করার জন্য পুলিশের সাহায্য নেয়া যাবে।


♨️এছাড়া আমরা জানি কোন ব্যক্তির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হারিয়ে গেলে অতি দ্রুত সংশ্লিষ্ট থানায় গিয়ে জিডি করতে হয়। জিডি করার পর পুলিশ অভিযোগকারীকে জিডির একটা কপি এবং কপির সাথে একটি নম্বর প্রদান করবেন। সেটিকে আপনার সংরক্ষণ করে রাখতে হবে। এরপর পুলিশ হারিয়ে যাওয়া কাগজ খুঁজে বের করার চেষ্টা করবেন বা নকল বা নতুন কাগজপত্র বা দলিল প্রদান করার জন্য অনুমতি প্রদান করবেন।


♨️এখন মনে করেন, আপনার বাবা আতাউর পৈত্রিকসূত্রে প্রাপ্ত ১৬ বিঘা জমি ভোগদখল করাকালে ২ বছর পূর্বে মারা যান।আপনার বাবা আতাউর এর মৃত্যুর পর এক পুত্র আতিক  ও এক কন্যা সালমা বেগম ওয়ারিশ থাকেন। আপনার বাবার ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত ১৬ বিঘা সম্পত্তির সি.এস খতিয়ান, এসএ এবং আরএস খতিয়ান এবং আপনার দাদা (পিতামহ) এর নামের দলিলগুলোর ফটোকপি থাকলেও মূল কাগজপত্র খুঁজে পান নাই ।


🗣 মূল কপি কি প্রকারে সংগ্রহ করবেন সে বিষয়টা তুলে ধরা হলোঃ

আপনি আপনার বাবা আতাউর এর মৃত্যুকালে রেখে যাওয়া ঐ সম্পত্তির সি.এস খতিয়ান ও এসএ এবং আরএস খতিয়ানের জাবেদা নকল ভোলা কলেক্টরেট অফিস (জেলা প্রশাসকের কার্যালয়) রেকর্ড রুম হতে নির্দিষ্ট জাবেদা নকলের ফরমে আবেদন করে জাবেদা নকল তুলতে পারবেন। এছাড়া আপনার দাদা (পিতামহ) এর নামীয় দলিল ভোলা জেলা রেজিষ্টার অফিস হতে জাবেদা নকল তুলতে পারবেন। আপনি দলিলের ফটোকপি দেখে দলিলের নম্বর অনুসারে জাবেদা নকলের জন্য আবেদন করতে পারবেন।


🌞 জমির দলিল হারিয়ে গেলে করণীয় আর ও মাধ্যম

দলিলের নকল (Certified Copy) প্রাপ্তির নিয়মাবলীঃ

রেজিস্ট্রেশন আইন ১৯০৮ এর ৫৭(১) ধারা মোতাবেক, প্রয়োজনীয় ফিস পরিশোধ সাপেক্ষে, যে কোন ব্যক্তি ১ নং (স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত দলিলের) ও ২ নং (রেজিস্ট্রি করতে অস্বীকার করা দলিলের) রেজিস্টার বহি ও ১ নং রেজিস্টার বহি সম্পর্কিত সূচিবহি পরিদর্শন করতে পারে এবং উক্ত আইনের ৬২ ধারার বিধানাবলি সাপেক্ষে উক্ত দলিলের সার্টিফাইড কপি গ্রহন করতে পারে।

রেজিস্ট্রেশন আইন ১৯০৮ এর ৫৭(২) ধারা মোতাবেক, প্রয়োজনীয় ফিস পূর্বে পরিশোধ সাপেক্ষে, দলিল সম্পাদনকারী বা তার এজেন্ট এবং সম্পাদনকারীর মৃত্যুর পর যে কোন আবেদনকারী ৩ নং নিবন্ধিত উইলের রেজিস্টার ৩ নং লিপিবদ্ধ বিষয়ের (অর্থাৎ উইল বা অছিয়ত দলিলের নকল বা সার্টিফাইড কপি) এবং ৩ নং বহি সম্পর্কিত সূচিপত্রের নকল গ্রহন করতে পারে।

রেজিস্ট্রেশন আইন ১৯০৮ এর ৫৭(৩) ধারা মতে, প্রয়োজনীয় ফিস পূর্বে পরিশোধ সাপেক্ষে, দলিলের সম্পাদনকারী বা দাবীদার ব্যক্তি বা তার এজেন্ট অথবা প্রতিনিধি ৪ নং বহিতে লিপিবদ্ধ বিষয়ের নকল গ্রহন করতে পারে।

রেজিস্ট্রেশন আইন ১৯০৮ এর ৫৭(৪) ধারা মতে, ৩ নং ও ৪ নং বহিতে লিখিত বিষয়ের তল্লাশি, সাব-রেজিস্ট্রার এর মাধ্যমে করা যাবে।


🌞জমির দলিল হারিয়ে গেলে করণীয় কিভাবে দলিল তল্লাশি করবেন?

যদি মূল দলিল থাকে- রেজিস্ট্রি অফিসে দলিলের রেজিস্ট্রি কার্যক্রম শেষ হলে মূল দলিলের শেষ পৃষ্টার উল্টোদিকে “দলিলটি কত সালের, কত নম্বর বালাম বইয়ের, কত পৃষ্ঠা থেকে কত নম্বর পৃষ্ঠায় নকল করা হয়েছ,  তা লিখে সাব-রেজিস্ট্রার কর্তৃক স্বাক্ষর করতে হয় । এভাবে খুব সহজে সহজেই রেজিস্ট্রি অফিসে থেকে দলিলের নকল উঠানো যায়/পাওয়া যায়।

মূল দলিল না থাকলে- রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল রেজিস্ট্রি শেষ হলে দলিলের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি তথ্য নিয়ে সূচিবহি তৈরি করা হয়। একটি সূচিবহি তৈরি হয় দলিলে উল্লিখিত জমির দাতা/বিক্রেতা, গ্রহিতা/ক্রেতা বা অন্য কোন পক্ষের নাম দিয়ে, আর একটি তৈরি হয় জমির মৌজার নাম দিয়ে।


• দলিলের নকল প্রাপ্তির আবেদনের নিয়মাবলিঃ

রেজিস্ট্রেশন বিধিমালা ২০১৪ এর ১০৮ অনুচ্ছেদে সূচিবহি তল্লাশ ও দলিলের নকলের জন্য আবেদনের নিয়মাবলী লিপিবদ্ধ আছে। এ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, যে সকল ক্ষেত্রে তল্লাশ ও পরিদর্শনের জন্য কোন ফিস পরিশোধযোগ্য নহে, সে সকল ক্ষেত্র ব্যতিত, সকল ক্ষেত্রে নকলের জন্য আবেদন দাখিল করিবার পূর্বে (৩৬ নং ফরম অনুযায়ী) তল্লাশি ও পরিদর্শনের জন্য আবেদন করিতে হইবে। এরপর ৩৭ নং ফরমে নকলের জন্য আবেদন করিতে হয়  |


#জমি_পরিমান #ভূমিসেবা #জমি_মাপা #জমি #জমিদার #জমির #ভূমি #ভূমিসেবা #দলিল #খতিয়ান #সার্ভে #নামজারি

ইমাম উদ্দিন চাচার ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 বাংলাদেশের ১ কোটি পুরুষ আছে, যারা একাধিক বিবাহ করে  আদালত ও ইনসাফের সাথে রাখতে পারেন। 

এবং ১০ লাখ পুরুষ আছে যারা চার বিবাহ করে চার স্ত্রীর মাঝে আদালত করতে সক্ষম। 

অথচ: বিবাহ কঠিন হওয়ার কারনে তারা বিবাহ না করে জিনায় লিপ্ত হচ্ছে। কারন সমাজ ও একশ্রেনীর আলেমরা তাদেরকে আদালত ও ইনসাফের ভয় দেখিয়ে একাধিক বিবাহ করতে দেয়না, কিন্তু জিনা করতে দেয়। 

অথচ আদালত ও ইনসাফ করা একেবারে সহজ। 


সমাজের অধিকাংশ বড় স্ত্রীরা জানে তার স্বামী চরিত্রহীন, স্বামী পতিতালয়ে যায়, পরকিয়া করে, স্ত্রীর পাশে শুয়ে পর্নগ্রাফি দেখে, স্ত্রীর অসুস্থকালিন সময়ে স্বামী মাস্টার্ব্যশন করে, স্ত্রীও তাতে সহযোগিতা করে। কিন্তু সেই পুরুষ বা স্বামী যখন আরেকটা বিবাহ করে তখন এই স্ত্রী পরিবার ও সমাজের মানুষ গুলো তাকে চরিত্রহীন বলে। 

 অথচ যারা একজন স্ত্রী নিয়ে থাকে, এবং অসংখ্য গার্লফ্রেন্ড নামক পতিতা, ও পেশাদার পতিতা ব্যবহার করে তাদেরকে এই সমাজ হিরো বলে।

ইসলামে কোন গার্লফ্রেন্ড বয় ফ্রেন্ড নেই। এটা পশ্চিমা কালচার। ইসলামে শুধুমাত্র স্বামী স্ত্রী ও বাদী ব্যবহার বৈধ। বাংলাদেশের বর্তমান সমাজ ব্যবস্থা কোন ইসলামি সমাজ ব্যবস্থা নয়, এটা পুরাপুরী গণতান্ত্রিক কুফুরী সমাজ ব্যবস্থা, এটা পশ্চিমা সমাজ ব্যবস্থা। 

আমাদের সমাজে যে যত বেশি জিনা করে বুক ফুলিয়ে চলে, তার তত বেশি সুনাম, সে ততবড় সেলিব্রিটি। 


আফসোস!

যে সমস্ত ফ্যমিলী গুলো দীনদার ও আলেম পরিবার নামে পরিচিত, তাদের পরিবারের দাম্পত্য লাইফ ও চলে পশ্চিমা সভ্যতার আদর্শে। তাদের পরিবারেও জিনা ভ্যবিচার করাকে তেমন কোন অপরাধ মনে করা হয়না। এই পরিবার গুলোতেও এখন দেরিতে বিবাহ দেওয়ার কারনে ছেলে-মেয়েগুলো গোপনে গুনায় জড়িত হয়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এদের বাবা-মা, রাও তাদের ছেলে-মেয়েদের কে পশ্চিমাদের মত ক্যরিয়ার গড়তে ও স্টাবলিশ করার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত করে রেখেছে। 

এদিকে স্টাবলিশ হতে হতে সন্তানের জীবন যৌবন সব নষ্ট করে ফেলছে। 


আলহামদুলিল্লাহ আমার বড় ছেলেকে ১৮ বছর বয়সে বিবাহ দিয়ে দিয়েছি, এবং মেয়ে ১৩+ বয়সে বিবাহ দিয়ে দিয়েছি। এবং নিয়ত করেছি ছোট ছেলে যেদিন বালেগ হবে সেদিনই তাকে বিবাহ দিয়ে দিবো ইনশাআল্লাহ । 


একদিন ও যেন তার জিনা করার প্রয়োজন না হয় সেই ব্যবস্থা করে দেবো ইনশাআল্লাহ।

বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৪

অভিনেতা হুমায়ূন ফরীদি এবং তাঁর প্রথম স্ত্রী মিনুর সংসার ছিল সর্বসাকুল্যে ৪ বছরের। 

 অভিনেতা হুমায়ূন ফরীদি এবং তাঁর প্রথম স্ত্রী মিনুর সংসার ছিল সর্বসাকুল্যে ৪ বছরের। সেই সংসারে ফুটফুটে এক মেয়েরও জন্ম হয়েছিল। কিন্তু ১৯৮৪ সালে বিচ্ছেদ হয়ে যায় তাদের। সেই বছরেই হুমায়ূন ফরীদি অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফাকে বিয়ে করে নতুন সংসার সাজিয়ে বসেন। এই দৃশ্যটি দূর থেকে দেখার কষ্ট সহ্য করতে হয় মিনুকে। সন্দেহ নেই, পৃথিবীর ভয়াবহতম কষ্টগুলোর একটি হলো নিজের প্রিয়জনকে অন্যের হতে দেখা। 


পৃথিবী মানুষের পাওনা বুঝিয়ে দিতে পছন্দ করে। যে কষ্ট হুমায়ূন ফরীদি তাঁর প্রথম স্ত্রী মিনুকে দিয়ে এসেছিলেন, সেই একই কষ্ট ফিরে পেতে দুই যুগের বেশি সময় অপেক্ষা করতে হলো না তাঁর। ২০০৮ সালে ফরীদিকে ছেড়ে দিয়ে নিজের চেয়ে চৌদ্দ বছরের ছোটো বদরুল আনাম সৌদকে বিয়ে করে ফেললেন সুবর্ণা মুস্তাফা। এই দৃশ্যটি ফরীদিকে দেখতে হলো দূর থেকে, অনেক বছর আগে যেমনটি দেখেছিলেন তাঁর প্রথম স্ত্রী মিনু। 


বাংলাদেশের কোনো এক জেলায় সংঘটিত হওয়া একটি ঘটনা শুনে শিউরে উঠেছিলাম। বাবাকে হত্যার দায়ে ছেলেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হত্যা করার সময় সে ছিল মাতাল৷ এক কোপে শরীর থেকে মাথা আলাদা করে ফেলেছে ছেলে। পুলিশ তদন্তের পর জানা গেল আরেক ভয়ঙ্কর তথ্য। যে বাবাকে হত্যা করা হয়েছে, সেই ব্যক্তি অনেক বছর আগে তার নিজের মাকে খুন করেছিল। প্রকৃতি তার প্রাপ্য বুঝিয়ে দিয়েছে কড়ায়-গণ্ডায়। একটুও কৃপণতা করেনি। 


প্রকৃতির এই প্রতিশোধের বিষয়টি স্থান পেয়েছে বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ থেকে নিয়ে শিল্প-সাহিত্যেও। হিন্দুদের কোনো এক ধর্মগ্রন্থে একজন রাজার কথা উল্লেখ করা হয়েছে৷ এক যুদ্ধে তার ৫ ছেলের সবাই নিহত হলো। তখন তিনি কেঁদে কেঁদে ঈশ্বরকে বললেন, 'ঈশ্বর! আমার সঙ্গে তুমি এমন নিষ্ঠুরতা কেন করলে?' ঈশ্বর জবাব দিলেন, 'খুব ছোটোবেলায় তুমি ৫টি প্রজাপতি মেরেছিলে, মনে পড়ে?' রাজা বললেন, 'আমি তো ওটা খেলাচ্ছলে করেছিলাম।' ঈশ্বর জবাব দিলেন, 'আমিও এটা খেলাচ্ছলে করলাম।' উল্লেখ্য, এটি রূপকথা হলেও উদাহরণটি কিন্তু সিগনিফিকেন্ট!


হুমায়ূন আহমেদের একটি খুব জনপ্রিয় ছোটোগল্পের নাম 'পিঁপড়া'৷ এই গল্পে দেখা যায়—মকবুল নামে এক ধনী গৃহস্থকে সারাক্ষণই পিঁপড়া তাড়া করে। এর থেকে বাঁচার জন্য এহেন কোনো ব্যবস্থা নেই, যা সে করে না। রাতে ঘুমানোর আয়োজনেও আনে বিশেষত্ব। খাটের চার পায়ার নিচে পানির পাত্র রাখার ব্যবস্থা রাখে, যেন পিঁপড়া না ওঠে। কিন্তু কিছুতেই কোনো লাভ হয় না। সর্বশেষ এক চিকিৎসকের কাছে সে খুলে বলে তার বৃত্তান্ত। তার বাড়িতে থাকা দুঃসম্পর্কের এক কিশোরী আত্মীয়াকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছিল সে। তার লাশে ওঠা পিঁপড়াই প্রথম পিছু নেয় তার। সেই থেকে চলছে...। 


মানুষের চূড়ান্ত বিচারের জন্য আল্লাহ পরকালের ব্যবস্থা রেখেছেন। কিন্তু অনেক পাপের শাস্তি তিনি দুনিয়াতেও দিয়ে থাকেন। আধুনিক সমাজ যেটাকে 'Revenge of nature' বলে থাকে। এটা সত্য, কোনো অংশেই মিথ্যে নয়। আমরা আজ অন্যায়ভাবে কাউকে কষ্ট দিলে কাল হয়তো অন্য কেউ একই কষ্টটা আমাদের দেবে। পৃথিবীটা এভাবেই ফাংশন করে। কাজেই নিজের ব্যাপারে সতর্ক থাকাটা প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি।


কবিগুরু লিখে গেছেন অনেক বছর আগে…..


'প্রত্যেক সামান্য ত্রুটি, ক্ষুদ্র অপরাধ/ ক্রমে টানে পাপ পথে, ঘটায় প্রমাদ।'


কপি পোস্ট,



নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন

 নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন 🌺 আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশই অবিশ্বাস্যভাবে সুনির্দিষ্ট এবং জটিল, বিশেষ করে যখন ...