এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৪

শিক্ষনিয় কিছু কথা,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

💌 শিক্ষনিয় কিছু কথা🙏


✨  গাধাকে সৃষ্টি করার পরে সৃষ্টিকর্তা বললেন : 

"তুই আজীবন কঠোর পরিশ্রম করবি, অন্যের বোঝা বয়ে বেড়াবি। তোর মাথায় কোনো বুদ্ধিও থাকবেনা। তোকে আয়ু দিলাম ৫০ বছর। 


👉 গাধা : সে কি !! এত কষ্ট করে আমি এত দীর্ঘদিন বাঁচতে চাইনা। প্লিজ, আমার আয়ু কমিয়ে ২০ বছর করে দিন। 


👉 সৃষ্টিকর্তা : যাহ, তাই দিলাম। 


👉 কুকুরকে বললেন : "তুই হবি মানুষের সবচেয়ে বিশ্বস্ত বন্ধু, কিন্তু মানুষের উচ্ছিষ্ট খেয়ে বেঁচে থাকবি। তোর আয়ু হবে ৩০ বছর।" 


শুনে, কুকুর বলল : দয়া করে একটু শর্ট করে ঐটা ১৫ করান। এতদিন বাঁচতে চাইনা। এইবারও রাজি হয়ে গেলেন। 


👉 এরপর উনি বানরকে বললেন : "হে বানর, তোর একমাত্র কাজ হবে লাফিয়ে লাফিয়ে এক গাছ থেকে আরেক গাছে যাওয়া, আর তামশা দেখিয়ে মানুষকে বিনোদন দেওয়া। তোর আয়ু দিলাম ২০ বছর। 


👉 সে আবেগে কেঁদে বলল : দিবেনই যখন ১০ বছর দেন, আমি এত বড় জীবন দিয়ে কি করব??


👉 এইবার মানুষকে বলল : "তুমি হবে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব। সবচেয়ে জ্ঞানী এবং বিচক্ষণ। তোমার আয়ুও হবে ২০ বছর।" সে তো খুশিতে পাগল হয়ে গেল,কিন্তু এত মহত জীবন নিয়ে মাত্র ২০বছর?? 


👉 সে করজোরে প্রভুকে বলল : একটা কাজ করা যায়না?আপনি আমাকে গাধার ফেরত দেওয়া ৩০ বছর, 

কুকুরের ১৫ বছর, 

বানরের ১০ বছর দিয়ে দেন। 


👉 সৃষ্টিকর্তা বললেন : নিজের ভালো পাগলেও বোঝে, তুই বুঝলি না। যাহ, দিলাম। 


সেই থেকে মানুষ সুন্দর ভাবে বাঁচে ২০ বছর, 

পরের ৩০ বছর গাধার মত সংসারের বোঝা টানে, 

তার পরের ১৫ বছর ছেলে মেয়ে যা দেয় তাই খেয়ে পরে বেঁচে থাকে কুকুরের মতো, আর তার পরের দশ বছর বানরের মত, কখনো এক সন্তানের বাসা তো কখনো আরেক সন্তানের বাসায় ঘোরে আর নাতি নাতনিদের বিনোদন দেওয়াই হয় তাদের প্রধান দায়িত্ব।


(সংগ্রহীত)

মানুষের জীবনের মূল্য মাত্র ২০,০০০ টাকা।,,,, ফেইস দ্যা পিওপিল ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 মানুষের জীবনের মূল্য মাত্র ২০,০০০ টাকা। 


জীবনটা কি এতোটাই মূল্যহীন । আমার স্ত্রী গত ২৬ তারিখে রাস্তা পার হওয়ার সময়  শ্যামলী ধাক্কা লেগে মাথায় আঘাত পেয়ে ১৫ দিন ধরে আইসিউতে অজ্ঞান অবস্থায় জীবন মৃত্যুর প্রহর গুনছে। এছাড়াও তার হাত ভাঙছে, কাঁধের হাড় ভাঙ্গছে।  


আমার স্ত্রীর জীবন বিপন্ন অবস্থায় রেখে আমি তাদের সাথে মিমাংসার জন্য বসলাম, সেখানে আমরা আমাদের চিকিৎসার খরচ চেয়েছি। রাজি না হওয়ার পরবর্তীতে আমরা মিনিমাম ৫০% চেয়েছি। শ্যামলী কর্তৃপক্ষ আমাদের প্রস্তাব করে ২০,০০০ টাকা।  


এ টাকা দিয়ে আমাদের এম্বুলেন্স ভাড়াও হবেনা। তাহলে তারা কি জীবন নিয়ে খেলা করবে। পরপর একটা স্কুল,পল্লী বিদ্যুৎ অফিস,সদর হাসপাতাল , এবং পৌরশহরে ঢোকার সময় গাড়ির গতি কিভাবে ৮০/৯০ হয়। তাছাড়া চালকের আসনে বসা যে ব্যাক্তি পালিয়েছে, উনি আদৌ ড্রাইভার না হেলপার সে বিষয়ে সন্দেহ আছে। আমার অলরেডি ৬ লাখ খরচ হয়েছে। 


যেখানে হাসপাতালের অনেকটা  বিল বাকি রয়েছে, যা আমি পরিশোধ করতে পারতেছি না। আমার স্ত্রীকে বাঁচাতে অনেক দিন চিকিৎসা প্রয়োজন, যেটা চালিয়ে যাওয়া আমার জন্য কখনোই সম্ভব না।  আমার স্ত্রীর কিছু হলে আমার ও আমার সাত বছরের মেয়ের জীবনের ভার কে নিবে। রাষ্ট্রের কি কোন দ্বায় নাই। 


আইনের ফাঁক ফোঁকর দিয়ে এভাবেই তারা পাড় পেয়ে যাবে। মানুষের জীবনের কোন দাম নাই। আমার স্ত্রীর কিছু হলে আমার ও আমার মেয়ের জীবনের দ্বায় রাষ্ট্রের উপর থাকবে।  


কোনদিন ক্ষমা করবোনা এরকম আইন ও আইন সৃষ্টিকারী মানুষকে ও বিচারের আসনে বসা শাসক গনকে।


ফেস দ্যা পিপলকে পাঠিয়েছেন সোহেল শিকদার নামক একজন দর্শক।


রসমালাই রেসিপি

 🔴 রসমালাই রেসিপি


উপকরণ:


দুধ – ১ লিটার


চিনি – ৭৫-১০০ গ্রাম (স্বাদ অনুযায়ী)


এলাচ গুঁড়ো – ১/২ চা চামচ


বাদাম (কাটা) – ১ টেবিল চামচ


পেস্তা (কাটা) – ১ টেবিল চামচ


সাদা ময়দা – ২ টেবিল চামচ


গুঁড়ো দুধ – ২ টেবিল চামচ


গোলাপ জল – ১ চা চামচ


রসমালাই বানানোর পদ্ধতি:


১. চামচ তৈরি করা:


🍀 প্রথমে একটি পাত্রে ২ টেবিল চামচ ময়দা, ২ টেবিল চামচ গুঁড়ো দুধ এবং কিছুটা পানি দিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। এর পর এই মিশ্রণটি ভালোভাবে মেখে ময়দা লাগানো হাত দিয়ে ছোট ছোট বল (রসমালাই) তৈরি করুন।


🍀রসমালাই বলগুলো গরম পানিতে ১০-১৫ মিনিট সেদ্ধ করুন, যাতে সেগুলি ফুলে ওঠে। বলগুলি ফুলে ওঠার পর জল থেকে বের করে গরম জল ঝরিয়ে আলাদা করে রাখুন।


🛑 2. সিরা তৈরি করা:


এবার একটি পাত্রে দুধ দিয়ে ভালোভাবে ফুটাতে দিন। যখন দুধ প্রায় আধা হয়ে আসবে, তখন তাতে চিনি এবং এলাচ গুঁড়ো দিয়ে মিশিয়ে দিন।


দুধ ঘন হয়ে আসলে তাতে গোলাপ জল এবং বাদাম-পেস্তা কুচি দিয়ে দিন।


3. রসমালাই মেশানো:


এবার সেদ্ধ করা রসমালাই বলগুলি একে একে দুধের সিরায় ভিজিয়ে দিন।


১৫-২০ মিনিট ধীরে ধীরে রান্না হতে দিন, যাতে রসমালাই বলগুলো দুধের স্বাদ শোষণ করতে পারে।


4. গরম অথবা ঠান্ডা পরিবেশন:


রসমালাই ঠান্ডা করতে হলে ফ্রিজে কিছু সময় রাখুন, অথবা গরম পরিবেশন করতে পারেন। উপরে বাদাম-পেস্তা কুচি দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।


এভাবেই রসমালাই তৈরি হয়ে যাবে!


চাপে নেই এমন মানুষ আসলে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর

 চাপে নেই এমন মানুষ আসলে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। বিভিন্ন কর্পোরেট হাউসের বিক্রয়কর্মীদের নানারকম স্ট্রেস সামলাতে হয়, স্ট্রেস সামলাতে হয় বিভাগীয় প্রধান থেকে একজন সিইওকে। উদ্যোক্তাদের চাপের কোনো শেষ নেই। 


আবার যারা নতুন ক্যারিয়ার তৈরি করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, কিন্তু ব্যাটে-বলে হচ্ছে না, তাদের চাপও কম নয়। ব্যক্তিজীবনে সম্পর্কের টানাপোড়েন থেকেও অনেকে চাপে ভোগেন। এই বইয়ে আমরা নেগেটিভ চাপ কী করে দূর করব এবং পজিটিভ চাপের মাধ্যমে কী করে অনুপ্রাণিত হব সেই সব হ্যাকস নিয়ে কথা বলা হয়েছে। 


বলা হয়েছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় ব্যবস্থাপনার কৌশল নিয়ে। আর হ্যাঁ, লাইফস্টাইল, হেলদি লাইফস্টাইল, সেল্ফ কেয়ার কী করে আমাদের জীবনের নেগেটিভ চাপকে পজিটিভ চাপে রূপ দেবে সেইসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে সমধিক গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। 


যারা চাপ সামলে জীবনে সামনে এগুতে চান, যারা নিজেদের জীবনকে সুশৃঙ্খল নিয়মে পরিচালিত করতে চান, হতে চান সফল উদ্যোক্তা, কর্পোরেট লিডার— বইটি তাদের জন্য। টিনএজার থেকে শুরু করে তাদের অভিভাবকরাও উপকৃত হবেন এই বই থেকে, দায়িত্ব নিয়ে বলছি।

জমির দলিল বৈধ কি না কিভাবে বুঝবেন?

 জমির দলিল বৈধ কি না কিভাবে বুঝবেন?


জমি কেনা বা বিক্রি একটি গুরুত্বপূর্ণ লেনদেন, এবং এর সাথে জড়িত আইনি প্রক্রিয়াগুলি বোঝা জরুরি। জমির দলিল হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি যা মালিকানার অধিকার প্রমাণ করে। তাই, জমি কেনার আগে দলিলটি সঠিকভাবে যাচাই করে নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


জমি কেনা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ, এবং আইনি জটিলতা এড়াতে জমির দলিলের বৈধতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। একটি জমির দলিল বৈধ কিনা তা নির্ধারণ করার জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে।


১. দলিলের মূল কপি পরীক্ষা করুন:


👉নিশ্চিত করুন যে দলিলটি সঠিকভাবে সাব-রেজিস্ট্রারের দ্বারা স্বাক্ষরিত এবং সিল করা আছে।

👉দলিলের মূল কপিতে থাকা ছবি এবং মালিকের বর্তমান ছবি মিলে যাচ্ছে কিনা তা পরীক্ষা করুন।

👉দলিলের সকল পাতায় সঠিকভাবে স্ট্যাম্প লাগানো আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন।


২. দলিলের তথ্য যাচাই করুন:


👉দলিলে উল্লেখিত মালিকের নাম, ঠিকানা, জমির পরিমাণ, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর ইত্যাদি তথ্য সঠিক কিনা তা খতিয়ান, দাগ খতিয়ান, এবং সরকারি রেকর্ডের সাথে মিলিয়ে দেখুন।

👉দলিলে উল্লেখিত সাক্ষীদের নাম এবং ঠিকানা সঠিক কিনা তা যাচাই করুন।


৩. আইনি পরামর্শ নিন:


👉একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া জমির দলিলের বৈধতা নিশ্চিত করার সবচেয়ে নিরাপদ উপায়।

👉আইনজীবী দলিলের সকল দিক বিশ্লেষণ করে আপনাকে দলিলটি বৈধ কিনা তা জানাতে পারবেন।


৪. অনলাইন মাধ্যম ব্যবহার করুন:

👉সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে গিয়ে জমির দলিলের তথ্য অনলাইনে যাচাই করতে পারেন।

👉কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও জমির দলিলের বৈধতা যাচাই করার সার্ভিস প্রদান করে।


৫. সতর্কতা অবলম্বন করুন:


👉দলিলের বৈধতা সম্পর্কে কোন সন্দেহ থাকলে দলিলটি ক্রয় করা থেকে বিরত থাকুন।

অসৎ ব্যক্তিদের প্রতারণার শিকার হতে সাবধান থাকুন।

👉জমি কেনার আগে জমির দলিলের বৈধতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উপরে উল্লেখিত পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করে আপনি একটি জমির দলিল বৈধ কিনা তা নির্ধারণ করতে পারবেন।


জমির দলিল বৈধ কিনা তা বোঝার জন্য কিছু প্রশ্ন ও উত্তর


১) দলিলে কি সকল প্রয়োজনীয় তথ্য আছে?


দলিলে জমির মালিকের নাম, ঠিকানা, জমির পরিমাণ, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর, মৌজা, উপজেলা, জেলা স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে কিনা?

,👉দলিলের সাক্ষীদের নাম, ঠিকানা স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে কিনা?

👉দলিলের স্বাক্ষর ও তারিখ স্পষ্টভাবে আছে কিনা?


২) দলিলের স্ট্যাম্প ও রেজিস্ট্রেশন


👉দলিলে সরকার নির্ধারিত স্ট্যাম্প ব্যবহার করা হয়েছে কিনা?

👉দলিলটি সঠিকভাবে রেজিস্ট্রি করা হয়েছে কিনা?

রেজিস্ট্রারের স্বাক্ষর ও তারিখ স্পষ্টভাবে আছে কিনা?


৩) দলিলের মালিকানার ধরণ।


👉দলিলের মাধ্যমে মালিকানা কিভাবে অর্জিত হয়েছে (উত্তরাধিকার, ক্রয়, বিনিময়, দান ইত্যাদি)?

👉মালিকানার ধরণ কি (মালিকানা, দখল, ভাগচাষ ইত্যাদি)?

👉মালিকানার কোনো শর্ত বা বাধা আছে কিনা?


৪) জমির অবস্থা


👉জমি কি বাস্তবে বিদ্যমান?

👉জমির মালিকানা বিতর্কমুক্ত কিনা?

👉জমির উপর কোনো ঋণ বা বন্ধক আছে কিনা?


৫) আইনি পরামর্শ

জমির দলিল বৈধ কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া উচিত।


৬. দলিলের বয়স:

প্রশ্ন: কত বছরের পুরোনো দলিল বৈধ?

উত্তর: দলিলের বয়সের কোন নির্দিষ্ট সীমা নেই। তবে, 1976 সালের আগের দলিলগুলো "পুরাতন দলিল" হিসেবে বিবেচিত হয় এবং বৈধতা যাচাইয়ের জন্য অতিরিক্ত যাচাই-বাছাই প্রয়োজন হতে পারে।


৭. দলিলের ধরন:

প্রশ্ন: কত ধরণের জমির দলিল আছে?

উত্তর: বাংলাদেশে 4 ধরণের জমির দলিল আছে:

°দাগ নম্বর খতিয়ান

°মৌজা খতিয়ান

°সিএস খতিয়ান

°আরএস খতিয়ান


৮. দলিলের মালিকানা:


প্রশ্ন: দলিলে একাধিক মালিকের নাম থাকলে কী করবেন?

উত্তর: সকল মালিকের সম্মতি ছাড়া জমি বিক্রি করা যাবে না। মালিকানা পরিবর্তনের জন্য সকলের স্বাক্ষর এবং সম্মতি প্রয়োজন।


৯. দলিলের মিউটেশন:


প্রশ্ন: মিউটেশন কী?

উত্তর: মিউটেশন হলো জমির মালিকানা পরিবর্তনের নথিভুক্তি প্রক্রিয়া। নতুন মালিকের নাম খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য মিউটেশন করা আবশ্যক।


১০. দলিলের জালিয়াতি:

প্রশ্ন: জাল দলিলের বৈশিষ্ট্যগুলো কী কী?

উত্তর: জাল দলিলে ভুল বানান, অস্পষ্ট তথ্য, মিথ্যা স্বাক্ষর, এবং অসঙ্গতিপূর্ণ তথ্য থাকতে পারে।


১১. দলিল যাচাই:

প্রশ্ন: জমির দলিল যাচাই করার সর্বোত্তম উপায় কী?

উত্তর: সাব-রেজিস্ট্রার অফিস: আপনি যেখানে জমি অবস্থিত সেখানকার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে গিয়ে দলিলের মূল কপি এবং খতিয়ানের সাথে মিলিয়ে দেখতে পারেন।


ভূমি অফিস: আপনি যেখানে জমি অবস্থিত সেখানকার ভূমি অফিসে গিয়ে দলিলের তথ্য অনলাইনে যাচাই করতে পারেন।

আইনজীবীর পরামর্শ: একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া জমির দলিলের বৈধতা যাচাই করার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায়।


১২. দলিল সংক্রান্ত আইনি জটিলতা:


প্রশ্ন: জমির দলিল সংক্রান্ত আইনি জটিলতা সমাধানের জন্য কী করবেন?

উত্তর: জমির দলিল সংক্রান্ত আইনি জটিলতা সমাধানের জন্য একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করা উচিত।


উল্লেখ্য: এই তথ্যগুলো শুধুমাত্র সাধারণ ধারণার জন্য। জমির দলিলের বৈধতা যাচাই করার।

👉- সংগৃহীত


Help post

ইকিগাই বইয়ের ১০ শিক্ষা

 ইকিগাই বইয়ের ১০ শিক্ষা


হেক্টর গার্সিয়া ও ফ্রান্সেস্ক মিরালসের লেখা ‘ইকিগাই: দ্য জাপানিজ সিক্রেট টু অ্যা লং অ্যান্ড হ্যাপি লাইফ’ বইটি ২০১৬ সালের এপ্রিলে জাপানে প্রথম প্রকাশিত হয়। বইটি সারা বিশ্বে বহু ভাষায় অনূদিত হয়েছে এবং মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়েছে। জাপানিদের দীর্ঘজীবন এবং সুখের রহস্য নিয়ে লেখা এই বইটি আমাদের জীবনে সুখী ও অর্থপূর্ণ জীবনযাপন করতে সহায়ক হতে পারে। এ বইটির ১০টি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা তুলে ধরেছেন এম এম মুজাহিদ উদ্দীন।


আপনার ইকিগাই খুঁজুন


ইকিগাই হলো একটি জাপানি ধারণা, যা জীবনের উদ্দেশ্য এবং বেঁচে থাকার কারণকে বোঝায়। এটি চারটি বিষয়ের সমন্বয় যেমন: আপনি কী করতে ভালোবাসেন; আপনি কোন বিষয়ে দক্ষ; বিশ্বের জন্য কী প্রয়োজন; আপনি কিসের জন্য অর্থ পান। যে কাজগুলো করতে আপনি ভালোবাসেন এবং দক্ষ, সেগুলোকে গুরুত্ব দিন। ইকিগাই খুঁজে পেতে আবেগ ও প্রতিভার মধ্যে ভারসাম্য আনুন।


আপনার কাজ উপভোগ করুন


এমন কাজ করুন যা আপনাকে আনন্দ দেয়। আনন্দদায়ক কাজ করলে কাজের সফলতা পাওয়া যায়। কাজে ক্লান্তিও আসে না।


সাদামাটা জীবনযাপন করুন


অতিরিক্ত চাহিদা না রেখে সাদাসিধে জীবনযাপন করুন। এটি মানসিক প্রশান্তি আনে এবং অপ্রয়োজনীয় চাপ এড়াতে সাহায্য করে।


সক্রিয় থাকুন


দীর্ঘ ও সুস্থ জীবনের অন্যতম রহস্য হলো সক্রিয় থাকা। অলস বসে না থেকে নিয়মিত শারীরিক কার্যকলাপে যুক্ত থাকুন। এর মানে এই নয় যে আপনাকে পেশাদার ক্রীড়াবিদ হতে হবে। প্রতিদিন হাঁটাহাঁটি, শখের কাজ করা বা ছোটখাটো শরীরচর্চা করলেই বড় ফলাফল আসতে পারে। শরীর সক্রিয় থাকলে মনও সতেজ থাকে।


স্বাস্থ্যকর খাবার খান


আপনার খাদ্যাভ্যাস স্বাস্থ্য ও সুস্থতার ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। স্বাস্থ্যকর খাবার খান। যেমন: ফল, শাকসবজি ও গোটা শস্য। প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং অতিরিক্ত চিনি এড়িয়ে চলুন। বইটিতে উল্লেখিত ‘হারা হাচি বু’ নামক পরিভাষার অর্থ হলো পেটের ৮০% পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত খাওয়া। মনোযোগ দিয়ে ধীরে ধীরে খাওয়া এবং প্রতিটি কামড়ের স্বাদ

উপভোগ করা।


পর্যাপ্ত ঘুমান


শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য পর্যাপ্ত ঘুম অপরিহার্য। প্রতি রাতে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করুন। এটি কর্মদক্ষতা বাড়ায়, শরীর ও মনকে সতেজ রাখে। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে মেজাজ খিটখিটে হয়, ধৈর্য কমে এবং বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়।


সম্পর্ক তৈরি করুন


মানুষ সামাজিক জীব। সুন্দর জীবনযাপনের জন্য অন্যের সঙ্গে সুন্দর সম্পর্ক গড়ে তুলুন। জাপানি ‘মোয়াই’ পরিভাষা বোঝায়, একই মানসিকতা ও লক্ষ্যযুক্ত মানুষের সঙ্গে একটি কমিউনিটি তৈরি করা। ভালো বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে সময় কাটান। সম্পর্কের যত্ন নিন এবং একাকিত্ব দূর করুন। সুস্থ ও দীর্ঘ জীবনের জন্য এই ধরনের সম্পর্ক খুবই গুরুত্বপূর্ণ।


আজকের জন্য বাঁচুন


জীবনের সেরা উপায় হলো বর্তমানে বাঁচা। অতীতের দুঃখ বা ভবিষ্যতের দুশ্চিন্তা না করে বর্তমান উপভোগ করুন। ছোটখাটো বিষয়ও উপভোগ করুন, যেমন একটি সুন্দর খাবার, বাগানে হাঁটা বা বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো। প্রতিটি মুহূর্ত উদ্‌যাপন করুন।


কৃতজ্ঞ থাকুন


সুখী ও পরিপূর্ণ জীবনের জন্য কৃতজ্ঞ থাকার অভ্যাস গড়ে তুলুন। প্রতিদিন ছোট-বড় যেকোনো বিষয়ে কৃতজ্ঞতার কথা ভাবুন। কৃতজ্ঞতা একটি শক্তিশালী আবেগ যা জীবনে সুখ ও প্রশান্তি নিয়ে আসে।


শেখা কখনো থামাবেন না


জীবনব্যাপী শিক্ষা ও আত্মোন্নয়ন ইকিগাইয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। নতুন কিছু শেখা, বই পড়া বা দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে নিজেকে সমৃদ্ধ করুন। প্রতিটি চ্যালেঞ্জকে শেখার সুযোগ হিসেবে দেখুন। বইয়ে বলা হয়েছে, ‘আমাদের ইকিগাই হলো একটি ধ্রুবক বিবর্তন, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তিত হয়। তরুণ থাকতে শেখার প্রতি আগ্রহ বজায় রাখতে হবে।

মেগাস্টার শাকিব খানের অল মুভির লিষ্ট!

 মেগাস্টার শাকিব খানের অল মুভির লিষ্ট!

________________________________

১!অনন্ত ভালোবাসা

২!দুজন দুজনার

৩!আজকের দাপট

৪!বিষে ভরা নাগিন

৫!হিরা চুন্নি পান্না 

৬!জানের জান

৭!সবাই তো সুখি হতে চায়

৮! অশান্তির আগুন

৯!গোলাম 

১০!পাল্টা হামলা

১১!কসম বাংলার মাটি

১২!বিষাক্ত নাগিন

১৩!ফুল নেবো না অশ্রু নেবো

১৪!কঠিন শাস্তি 

১৫!আজকের ক্যাডার

১৬!দুষমন দরদী

১৭!দুই নাগিন

১৮!মেজাজ গরম

১৯!হিম্মত 

২০!ঠেকাও মাস্তান 

২১!বাপ বেটির যুদ্ধ 

২২!বিশ্ব বাটপার

২৩!বন্ধু যখন শত্রু 

২৪!শিকারি

২৫!গণ দুশমন

২৬!নাটের গুরু

২৭!নাচনে ওয়ালী

২৮!স্বপ্নের বাসর 

২৯!ডাকু রানী 

৩০!যুদ্ধে যাবো

৩১!মুখোশ ধারী 

৩২!জুয়াড়ি 

৩৩!পাগলা বাবা 

৩৪!বোবা খুনি 

৩৫!ভন্ড ওঝা

৩৬!উত্তেজিত 

৩৭!ভয়ংকর পরিণাম 

৩৮!হিংসার পতন 

৩৯!লোহার শিকল 

৪০!খল নায়িকা 

৪১!স্ত্রীর মর্যাদা 

৪২!মায়ের জিহাদ 

৪৩!দস্যু

৪৪!পড়েনা চোখের পলক 

৪৫!সবার উপরে প্রেম 

৪৬!মরণ নিশান 

৪৭!ও প্রিয়া তুমি কোথায় 

৪৮!ক্ষমতার দাপট 

৪৯!হিংসা প্রতিহিংসা 

৫০!হুমকির মুখে 

৫১!ওরা দালাল 

৫২!বাহাদুর সন্তান 

৫৩!বড় মালিক

৫৪!ডেঞ্জার 

৫৫!প্রাণের মানুষ 

৫৬!সাহসী মানুষ চাই 

৫৭!ওরা সাহসী 

৫৮!নয়ন ভরা জল 

৫৯!রুখে দাড়াও 

৬০!আন্ডারওয়ার্ল্ড 

৬১!প্রেম সংঘাত 

৬২!পাল্টা আক্রমণ 

৬৩!গুরু দেব

৬৪!ভাড়াটে খুনি 

৬৫!হৃদয় শুধু তোমার জন্য 

৬৬!লাস্ট টার্গেট 

৬৭!নষ্ট 

৬৮!মায়ের হাতের বালা 

৬৯!ধর শয়তান 

৭০!জ্যান্ত লাশ 

৭১!বস্তির রানী সুরিয়া 

৭২!খুনি শিকদার 

৭৩!জাত শত্রু 

৭৪!আজকের সমাজ

৭৫!সমাজের শত্রু 

৭৬!দুর্ধর্ষ 

৭৭!রাঙ্গা মাস্তান 

৭৮!ব্যাড স্যান

৭৯!টপ লিডার 

৮০!নগ্ন হামলা 

৮১!খোঁজ সংবাদ 

৮২!আমার স্বপ্ন তুমি 

৮৩!সিটি টেরর

৮৪!সুভা

৮৫!দুই নাম্বার 

৮৬!বাঁধা 

৮৭!লালু কসাই

৮৯!মায়ের মর্যাদা 

৯০!হট লাইন

৯১!কোটি টাকার কাবিন

৯২!সাত খুন মাফ 

৯৩!জন্ম 

৯৪!পিতার আসন

৯৫!রঙ্গিন রসের বাইদানী 

৯৬!হিংস্র মানব 

৯৭!চাচ্চু 

৯৮!নিষ্পাপ কয়েদি 

৯৯!ঢাকাইয়া পোলা বরিশালের মাইয়া 

১০০!নষ্ট ছাত্র

__________________________________

১০১!দাদীমা 

১০২!জমজ

১০৩!স্বামীর সংসার 

১০৪!ডাক্তার বাড়ি 

১০৫!আমার প্রানের স্বামী 

১০৬!তুই যদি আমার হইতিরে 

১০৭!কথা দাও সাথী হবে 

১০৮!তোমার জন্য মরতে পারি 

১০৯!কপাল

১১০!মা আমার স্বর্গ 

১১১!দানব সন্তান 

১১২!কঠিন প্রেম 

১১৩!কাবিন নামা

১১৪!এক বুক জ্বালা 

১১৫!রাজধানীর রাজা 

১১৬!টিপ টিপ বৃষ্টি 

১১৭!ভালোবাসার দুশমন 

১১৮!সন্তান আমার অহংকার 

১১৯!তুমি স্বপ্ন তুমি সাধনা 

১২০!বিয়ের প্রস্তাব 

১২১!প্রিয়া আমার প্রিয়া 

১২২!১ টাকার বউ 

১২৩!হৃদয় আমার নাম 

১২৪!আমাদের ছোট সাহেব 

১২৫!যদি বউ সাজোগো

১২৬!মনে প্রানে আছো তুমি 

১২৭!তুমি আমার প্রেম 

১২৮!আমার জান আমার 

১২৯!তোমাকে বউ বানাবো 

১৩০!সামধি

১৩১!মিয়া বাড়ির চাকর 

১৩২!জন্ম তোমার জন্য 

১৩৩!বলবো কথা বাসর ঘরে 

১৩৪!বিয়ে বাড়ি 

১৩৫!প্রেম কয়েদি 

১৩৬!মন যেখানে হৃদয় সেখানে 

১৩৭!স্বামী স্ত্রীর ওয়াদা 

১৩৮!জান আমার জান 

১৩৯!মায়ের হাতে বেহেস্তের চাবি 

১৪০!বলো না কবুল

১৪১!সাহেব নামে গোলাম 

১৪২!ও সাথী রে 

১৪৩!ভালোবাসা লাল গোলাপ 

১৪৪!সবার উপরে তুমি

১৪৫!আমার প্রাণের প্রিয়া 

১৪৬!মনে বড় কষ্ট 

১৪৭!ভালোবাসা দিবি কিনা বল 

১৪৮!টাকার চেয়ে প্রেম বড় 

১৪৭!প্রেমে পড়েছি

১৪৮!জীবন মরনের সাথী 

১৪৯!আমার বুকের মধ্যখানে 

১৫০!জনম জনমের প্রেম 

১৫১!তুমি আমার মনের মানুষ 

১৫২!ভালবাসলে ঘর বাঁধা যায় না 

১৫৩!ভালোবেসে মরতে পারি 

১৫৪!চেহারা ভন্ড টু 

১৫৫!প্রেমিক পুরুষ 

১৫৬!নাম্বার ওয়ান শাকিব খান 

১৫৭!নিঃশ্বাস আমার তুমি 

১৫৮!চাচ্চু আমার চাচ্চু 

১৫৯!টপ হিরো 

১৬০!বলোনা তুমি আমার 

১৬১!পরান যায় জলিয়া রে 

১৬২!হাই প্রেম হাই ভালবাসা

১৬৩!প্রেম মানেনা বাধা 

১৬৪!মনের জ্বালা 

১৬৫!অন্তরে আছো তুমি 

১৬৬!মাটির ঠিকানা 

১৬৭!কোটি টাকার প্রেম 

১৬৮!তোর কারনে বেচে আছি 

১৬৯!একবার বলো ভালবাসি 

১৭০!টাইগার নাম্বার ওয়ান 

১৭১!জান কোরবান 

১৭২!মনের ঘরে বসত করে 

১৭৩!প্রিয়া আমার জান 

১৭৪!কিং খান

১৭৫!বস নাম্বার ওয়ান 

১৭৬!আদরের জামাই 

১৭৭!আই লাভ ইউ

১৭৮!আমার চ্যালেঞ্জ 

১৭৯!এক টাকার দেনমোহর 

১৮০!সন্তানের মত সন্তান

১৮১!খোদার পরে মা

১৮২!মাই নেম ইজ সুলতান

১৮৩!ঢাকার কিং

১৮৪!হে আমার মন কেটেছে 

১৮৫!দূরদর্শ প্রেমিক

১৮৬!জিদ্দি মামা 

১৮৭!বুক ফাটে তো মুখ ফোটে না 

১৮৯!ডন নাম্বার ওয়ান 

১৯০!জোর করে ভালোবাসা হয় না 

১৯১!দেবদাস

১৯২!জজ ব্যারিস্টার পুলিশ কমিশনার

১৯৩!নিষ্পাপ মুন্না 

১৯৪!মাই নেম ইজ খান 

১৯৫!ভালোবাসা আজকাল 

১৯৬!ঢাকা টু বোম্বে 

১৯৭!পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেম কাহিনী 

১৯৮!ফুল এন্ড ফাইনাল 

১৯৯!প্রেমিক নাম্বার ওয়ান 

২০০!লাট্টু কসাই

__________________________________

২০১!রাজত্ব 

২০২!দবির সাহেবের সংসার 

২০৩!ডেয়ারিং লাভার 

২০৪!ভালোবাসা এক্সপ্রেস 

২০৫!ফাঁদ 

২০৬!হিরো দ্য সুপারস্টার 

২০৭!হিটম্যান 

২০৮!কঠিন প্রতিশোধ 

২০৯!সেরা নায়ক 

২১০!এক কাপ চা

২১১!এইতো প্রেম 

২১২!দুই পৃথিবী 

২১৩!লাভ ম্যারেজ 

২১৪!আরো ভালোবাসবো তোমায় 

২১৫!রাজা বাবু 

২১৬!রাজা ৪২০

২১৭!পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেম কাহিনীর ২ 

২১৮!শিকারি

২১৯!সম্রাট 

২২০!রানা পাগলা দা মেন্টাল 

২২১!বসগিরি 

২২২!শুটার 

২২৩!ধুমকেতু 

২২৪!সত্তা 

২২৫!রাজনীতি 

২২৬!নবাব

২২৭!রংবাজ

২২৮!অহংকার 

২২৯!আমি নেতা হবো

২৩০!চালবাজ 

২৩১!চিটাগাংইয়া পোয়ানোয়াখাইল্লা মাইয়া

২৩২!পাংকু জামাই

২৩৩!সুপার হিরো

২৩৪!ভাইজান এলো রে 

২৩৫!ক্যাপ্টেন খান 

২৩৬!নাকাব

২৩৭!পাসওয়ার্ড 

২৩৮!নোলক

২৩৯!মনের মত মানুষ পাইলাম না 

২৪০!বীর

২৪১!শাহেন শাহ

২৪২!নবাব L.L.B

২৪৩!বিদ্রোহী 

২৪৪!গলুই

২৪৫!লিডার আমি বাংলাদেশ

২৪৬!প্রিয়তমা 

২৪৭!রাজকুমার 

২৪৮!তুফান

২৪৯!দরদ

২৫০!বরবাদ...লোডিং

সময় ব্যবস্থাপনার পাঁচটি কৌশল:

 🟪🟥সময় ব্যবস্থাপনার পাঁচটি কৌশল:

‘সময়ের মূল্য’ রচনা পড়েননি, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না। মানুষের জীবন ও মৃত্যুর যেমন নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকে না, তেমনি বেঁচে থাকাকালীন জীবনের সব কাজের জন্য প্রতিটি মহূর্ত ও সময়ের নির্দিষ্ট সময়সীমা রয়েছে। ‘সময় গেলে সাধন হবে না’—এমন একটি বিখ্যাত গানও রয়েছে। তাই সময় ব্যবস্থাপনার ব্যাপারে হতে হবে কৌশলী। সময় ব্যবস্থাপনার পাঁচটি কৌশল নিয়ে লিখেছেন মো. খশরু আহসান।


🟪🟥পোমোডোরো পদ্ধতি


পোমোডোরো পদ্ধতি হলো বিশ্বের জনপ্রিয় সময় ব্যবস্থাপনার কৌশল। মানুষের কর্মক্ষমতা সঠিকভাবে ব্যবহারের জন্য এ পদ্ধতিতে একটি মডেল দাঁড় করানো হয়েছে। পদ্ধতিটিতে কোনো কাজকে ২৫ মিনিটের ব্যবধানে বিভক্ত করা হয়, যাকে পোমোডোরো মডেল বলা হয়। মডেলটিতে প্রতি ২৫ মিনিট পর ৫ মিনিটের বিরতি থাকে। এমন ৪টি পোমোডোরো শেষ হওয়ার পর আপনি ১৫-২০ মিনিটের দীর্ঘ বিরতি নিতে পারেন। পোমোডোরো মডেল মস্তিষ্ককে ক্লান্ত হওয়া থেকে দূরে রাখতে সক্ষম। মডেলটি শিক্ষার্থীদের জন্য, বিশেষ করে অধ্যয়নের সময় মন সতেজ করার জন্য ঘন ঘন বিরতির সঙ্গে একাগ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।


🟪🟥টাইম ব্লকিং


টাইম ব্লকিং হলো একটি শিডিউলিং পদ্ধতি, যেখানে দিনটিকে নির্দিষ্ট কাজ বা ক্রিয়াকলাপের জন্য বিভিন্ন অংশে ভাগ করে নেওয়া যায়। প্রতিদিনই প্রত্যেকের নির্দিষ্ট কিছু কাজ থাকে। আপনি কোন সময়ে কোন কাজটি করবেন, তা লিখে রাখলে কাজের কাঠামোগত মান বজায় থাকে। তা ছাড়া এমন কাজের তালিকা কাজের প্রতি স্পৃহা বাড়ায়। আপনি কোন কাজে কত সময় ব্যয় করবেন, তার লিখিত রূপ টেবিলের সামনে টাঙিয়ে রাখতে পারেন বা মোবাইলের নোট কিংবা ক্যালেন্ডারে সময় নির্ধারণ করে রাখা যায়। তালিকা অনুযায়ী কাজ না হলে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। অনুশীলনের ফলে একসময় এমন অভ্যাস হয়ে যাবে।


🟪🟥আইজেনহাওয়ার ম্যাট্রিক্স


আইজেনহাওয়ার ম্যাট্রিক্স হলো গুরুত্ব অনুসারে সবচেয়ে জরুরি কাজগুলো সাজিয়ে ফেলা এবং সে অনুযায়ী কার্যক্রম শেষ করা। এ পদ্ধতি যেকোনো মানুষকে, বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে বেশি মনোযোগ ধরে রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি গুরুত্বহীন কাজে সময় নষ্ট করা এড়াতে শেখায়। পদ্ধতিটি অনুশীলনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সময় ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে ভালো ধারণা পান এবং কোন কাজে কত সময় দেওয়া যেতে পারে, সে ব্যাপারে সচেতন হন। এতে বিভ্রান্তিকর কার্যক্রম হ্রাস পায় এবং সঠিক সময়ে কাজ শেষ করা যায়।


🟪🟥ডিজিটাল ক্যালেন্ডার বা নোটবুক ব্যবহার


মোবাইলের নোটপ্যাড কিংবা ক্যালেন্ডার ব্যবহার করুন। এতে আপনার সময় বেঁচে যেতে পারে। মোবাইলের ক্যালেন্ডারে নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিলে কাজ শুরু এবং শেষে ক্যালেন্ডার রিমাইন্ডার দেয়। ফলে অনুমান করা যায় যে আপনার কর্মদক্ষতা অনুযায়ী কতটুকু কাজ এগিয়ে নিতে পেরেছেন কিংবা পারেননি। ফলে সঠিক সময়ে


নির্দিষ্ট কাজ করার প্রবণতা দেখা


যায় এবং অবশ্যই তা যেকোনো ব্যক্তিকে আনন্দিত করে। পাশাপাশি নতুনভাবে কাজ করার প্রতি উৎসাহিত করতে পারে।


🟪🟥স্মার্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করা


স্মার্ট লক্ষ্যগুলো হলো নির্দিষ্ট, পরিমাপযোগ্য, অর্জনযোগ্য, প্রাসঙ্গিক ও সময়সীমা। একজন শিক্ষার্থীর কাজের সঠিক কাঠামো ও সঠিক মানদণ্ড পরিমাপক হিসেবে কাজ করে। প্রতিটি মানদণ্ড একটি স্পষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করে। ফলে শিক্ষার্থীরা কাজের জন্য বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা তৈরি করতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, অনেক বই সামনে রাখলে অবসাদের প্রবণতা বেশি থাকে। নির্দিষ্টভাবে যে বই বা সিলেবাস শেষ করতে হবে, সেটি সামনে রাখলে পড়ার প্রতি আগ্রহ বেশি কাজ করে। এতে নির্দিষ্ট কাজের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় থাকে।সোর্স আজকের পত্রিকা. careercare

কি  গো ঢাকার মৌমাছি(বউ), কী রান্না আজ?

 কি গো ঢাকার মৌমাছি(বউ), কী রান্না আজ?


বউ- তেমন কিছু না। এই জয়দেবপুরের কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের ধানের চাল>ভাত, শিবগঞ্জের মসলা দিয়ে ঈশ্বরদীর ডাল, গাজীপুরের তেলবীজ (সরিষা, সয়াবিন, সূর্যমুখী প্রভৃতি) থেকে তৈরি সদ্যোজাত তৈল দিয়ে মানিক মিয়ার পাট শাক ভাজি, আর তোমার প্রিয় সিলেটের ব্ল্যাকবেঙ্গল ছাগলের মাংস।

আর খাবার শেষে বগুড়ার দই, নাটরের কাঁচাগোল্লা, নওগাঁর প্যারাসন্দেশ। এই তো সামান্য আয়োজন।


আমি- 🤔🤔। কি মতলব?


বউ- কিছু না গো, ওই একটু সাহেবপ্রতাপ, নরসিংদির তাঁতের শাড়ি আর রাজশাহীর রেশমিসুতোর শাড়ির নতুন কালেকশন দেখে মনটা কেমন করছে। শোনো নাহ! সন্ধ্যায় বাসায় ফেরার সময় জয়দেবপুর উদ্যান থেকে আমার জন্য ১১ ধরনের ফুলগাছ নিয়ে এসো। জানোই তো আমার বাগান করার সখ।

ওহ ভালো কথা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম আছে ফ্রিজে, কেটে দিবো? নাকি শ্রীমঙ্গলের চা খাবে? রাতে কি রুটি করবো। নশিপুরের গমের?

ওই, একটু শোনো নাহ! আমার তাই জাদুঘর দেখার সখ হইছে। শাহবাগে জাতীয় জাদুঘর, আগারগাঁওয়ের মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর দিয়ে বিজয় সরণিতে যাবো সামরিক জাদুঘর দেখতে। তারপর, কুষ্টিয়ার কুঠিবাড়ি রবীন্দ্র ও লালন জাদুঘর দেখে রাজশাহী বরেন্দ্র জাদুঘর ঘুরে মহাস্থানগর জাদুঘরের দিক রওনা হবো। সেখান থেকে এসে লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর আর কুমিল্লার ময়নামতি দেখে আর কোত্থাও যেতে চাইব না প্রমিস্।


আমি শুনেও না শোনার ভান্ করে ভাত খেয়ে যাচ্ছি। সে আমার সাড়া না পেয়ে-

তুমি আমাকে কোথাও নিয়ে যেতে চাও না। কেন? কেন? আমি তো তেমন ঘুরিও না। সেই ছয়মাস আগে কুমিল্লা গেছি শালবন ও আনন্দ বিহারে, আর চট্টগ্রামে মহামুনি বিহারে আধাঘন্টা, রাঙ্গামাটি রাজবন বৌদ্ধ বিহারে আধাঘন্টা। ব্যাস শেষ। নওগাঁর সোমপুর বিহার, জগদ্দল বিহার, বগুড়ার বাসু বিহার, দিনাজপুরের সীতাকোট বিহার যাওয়াই হলো না আমার। এ জীবনে হবে কিনা কে জানে! 😢


কথা শুনে এবার খাওয়া বন্ধ হয়ে গেলো। মেজাজ গরম, রক্তের গতি চরম। বললাম-

ইউনেস্কো ঘোষিত ষাট গম্বুজ মসজিদ আর সুন্দরবন/টাইডাল বন/বাদাবন বাদ দিলে যে? বলো? সরকারি আটটা ইপিজেট (হালিশহর, কুমিল্লা ২টা, সাভার, বাগেরহাট, পাকশি,নীলফামারী,নারায়ণগঞ্জ) এ যাবো। বলো বলো? কর্ণফুলি নদীর তীরে চট্টগ্রাম বন্দর, পশুর নদীর তীরে মংলা বন্দর, কলাপাড়ার পায়রা বন্দর (সমুদ্রবন্দর)। সাথে ২৮টা স্থলবন্দর, নারায়ণগঞ্জের প্রধান নদী বন্দর।

তেল শোধনাগার আছে, কয়লা শোধনাগার আছে, মানুষ শোধনাগার থাকলে এটাকে শোধন করে নিতাম। (মনে মনে বিড় বিড় করছি 🤔)


বউ- তোমার সংসারে আমার মত মেয়ে দেখে আছে, অন্য কেউ হলে.......। (কমন ডায়লগ)

কোথাও নিয়ে যেতে চাওনা। একটা মুভি দেখাইছো বিয়ের পর? চিত্রা বউদিকে তার বর অস্কারে যাওয়া মাটির ময়না, শ্যামল ছায়া, ঘেটুপুত্র কমলা, অজ্ঞাতনাম সব কয়টা দেখিয়েছে। ওমা ভাবি সেদিন আমাকে এক নিঃশ্বাসে ১০টা ছবির নাম বললো। বৃত্তের বাহিরে, জালালের গল্প, রেহেনা মরিয়ম নূর, জোনাকির আলো, সপ্নডানায় আরও কত কী। তোমার মত হুমু সেপিয়েন স্বামী আমি জীবনেও দেখিনি। (কাঁন্না শুরু)।

আমার ছোটবোন বিয়ের পর সর্ব দক্ষিণের ছেঁড়াদ্বিপ, উত্তরের জায়গীরজোত, পূর্বের আখাইনঠং, পশ্চিমের মনাকষা ঘুরে এলো। বাংলার ভেনিস/শস্যভান্ডর, সাগরকন্যা, কুমিল্লার দুঃখ, ৩৬০ আওলিয়ার দেশ, উত্তর বঙ্গের প্রবেশদ্বার, পাহাড়-পর্বত ও রহস্যের লীলাভুমি কি দেখেনি সে। নদীয়া, বিক্রমপুর, জাহানাবাদ, শ্রীহট্ট, শমশেরনগর, সিংহজানী, পালংকি, গন্ডোয়ানাল্যান্ড কত শত নাম বললো।


বউ এর কথা শুনে আমার তো আক্কেলগুড়ুম। মনে হচ্ছে সাগরে ডুব দিয়ে মরি।


বউ: সাগর পাবে কই। বঙ্গো উপসাগর আছে। যার অর্থনৈতিক সীমা ২০০ ন.মা, রাজনৈতিক সীমা ১২ ন.মা। ১ নটিকাল মাইল =১.১৫ মাইল/১.৮৫ কিমি। তুমি তো ১০০ মিটারও হাটতে চাও না। আর সাগরে নামতে এই দুরত্ব পায়ে হেটে যেতে পারবে তো?


আমি: এরে! বিসিএস বইগুলি কই? এসব পড়ে ওর মাথা গেছে। বাড়িতেই থাকবো না যাহ! দরকার হয় বনবাসে যাবো, নয়তো এভারেস্টে চলে যাবো। 


বউ: বাংলাদেশে বন ২৫%ও নেই। ৭-১২% মাত্র। যাবে কই। বড় বন একটাই সেটাও মাত্র ৬০১৭ বর্গকিমি। এটুকু জায়গায় যেখানেই যাও খুঁজে বের করবো। আর এভারেস্টের কথা বলছো। মুসা ইব্রাহিম (২০১০), নিশাত মজুমদার (২০১২) এই দুজন ছাড়া আর কেউ জয় করতে পারেনি বাংলাদেশ থেকে। আর তুমি তো রিপণ! কিউকারাডং এ যাওয়ার মুরুদ নেই, আবার এভারেস্ট জয়ের ঠাকুর। তোমার মতো ছা-পোষা সরকারি চাকুরিজীবীর দ্বারা ওই চাকরিই করতে হবে, জীবনে আর কিছু করতে পারবে না। তোমার............ ..  .. (মুখ চলমান)।


আরও আধাঘন্টা বক বক চললো তার। আমি বালিশ্ নিয়ে এই অগ্রহায়ণ মাসের শীতে ছাঁদবাসী হয়ে গেলাম।

😔😢


©Riponarya Kormokar (রিপণার্য কর্মকার)

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ১৪-১২-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ১৪-১২-২০২৪ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


আজ শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস - শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা।


প্রধান উপদেষ্টার আমন্ত্রণে ৪ দিনের সফরে আজ ঢাকায় আসছেন পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্ট।


চলতি মাসে চূড়ান্ত হবে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা - বলেছেন পরিবেশ উপদেষ্টা।


ঢাকা মহানগর এলাকায় উচ্চ মাত্রার হর্ন ব্যবহারের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ ডি.এম.পি’র।


দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বয়ে যাচ্ছে মৌসুমের প্রথম মৃদু শৈত্যপ্রবাহ - দুস্থ মানুষের জীবনযাত্রায় দুর্ভোগ।


গাজার নুসেইরাতে ইসরাইলী বিমান হামলায় ৩০ জনের বেশী ফিলিস্তিনি নিহত।


সেঞ্চুরিয়নে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে পাকিস্তানকে ৭ উইকেটে হারিয়ে দুই-শূণ্যতে সিরিজ নিশ্চিত করলো স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা।

নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন

 নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন 🌺 আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশই অবিশ্বাস্যভাবে সুনির্দিষ্ট এবং জটিল, বিশেষ করে যখন ...