এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৪

কিছু ইংরেজি শব্দ

 ⭕Nothing to do → কিছু করার নাই।

⭕Nothing to see → কিছু দেখার নাই।

⭕Nothing to say → কিছু বলার নাই।


⭕No need to eat → খাওয়ার প্রয়োজন নাই।

⭕No need to say →  বলার প্রয়োজন নাই।

⭕No need to see →  দেখার প্রয়োজন নাই।


⭕please come →  অনুগ্রহ করে আসুন।

⭕Please read → অনুগ্রহ করে পড়ুন।

⭕Please listen →  অনুগ্রহ করে শুনুন।


⭕Go to Dhaka →  ঢাকা যাও।

⭕Go to macca →  মক্কায় যাও।

⭕Go to China → চায়নায় যাও।


⭕Don't go to Dhaka → ঢাকায় যেও না।

⭕Don't go to China →  চায়নায় যেও না।


⭕To read → পড়তে।

⭕To know → জানতে।

⭕To play → খেলতে।

⭕To write →  লিখতে।


⭕practice reading → পড়ার চর্চা করো।

⭕Practice writing → লেখার চর্চা করো।

⭕Practice playing → লেখার চর্চা করো।


⭕Let me eat →  আমাকে খেতে দাও।

⭕Let me do → আমাকে করতে দাও।

⭕Let me say → আমাকে বলতে দাও।


⭕It is bad to say → এটা বলা খারাপ।

⭕It is bad to see → এটা দেখা খারাপ।

⭕It is bad to listen → এটা শুনা খারাপ।


⭕Something to do → কিছু করার আছে।

⭕Something to say → কিছু বলার আছে।

⭕Something to eat → কিছু খাওয়ার আছে।


⭕Let's not do it →  চলো আমরা এটা না করি।

⭕Let's not see it → চলো আমরা এটা না দেখি।

⭕Let's not eat it →  চলো আমরা এটা না খাই।


⭕It is time to eat →  এখন খাওয়ার সময় হয়েছে।

⭕It is time to go → এখন যাওয়ার সময় হয়েছে।

⭕It is time to recite →  এখন তেলাওয়াতের সময় হয়েছে।


⭕Try to say →  বলার চেষ্টা করো।

⭕Try to learn → শেখার চেষ্টা করো।

⭕Try to listen →  শোনার চেষ্টা করো।


7

বিভিন্ন রকম সুস্বাদু সস তৈরি রেসিপি দেওয়া হয়েছে 

 🥫😋 বিভিন্ন রকম সুস্বাদু সস তৈরি রেসিপি দেওয়া হয়েছে 🥫


১. চকলেট সস


উপকরণ:

- ১ কাপ চকলেট চিপস (ডার্ক বা মিল্ক)

- ১/২ কাপ দুধ

- ২ টেবিল চামচ চিনি

- ১ টেবিল চামচ মাখন


প্রণালী:

1. একটি প্যানে দুধ এবং চিনি মিশিয়ে হালকা আঁচে গরম করুন।

2. দুধ গরম হয়ে গেলে, চকলেট চিপসগুলো যোগ করুন এবং ভালো করে মিশিয়ে নিন।

3. মাখন যোগ করে কিছু সময় কষাতে থাকুন যতক্ষণ না সসটি মসৃণ হয়ে আসে।

4. চকলেট সস প্রস্তুত। এটি আইসক্রিম, কেক বা প্যানকেকের সাথে পরিবেশন করতে পারেন।


-------------------------🥫😋❣️-----------------------


২. লেমন বাটার সস


উপকরণ:

- ১/৪ কাপ লেবুর রস

- ১/৪ কাপ মাখন

- ২ টেবিল চামচ মধু বা চিনি

- ১ চা চামচ লবণ

- ১/২ চা চামচ মরিচ গুঁড়া


প্রণালী:

1. একটি প্যানে লেবুর রস, মাখন, মধু, লবণ এবং মরিচ গুঁড়া মিশিয়ে মাঝারি আঁচে গরম করুন।

2. মাখন গলে গেলে সসটি ভালোভাবে মিশিয়ে কিছু সময় রান্না করুন যতক্ষণ না সসটি কিছুটা ঘন হয়।

3. সসটি তৈরি হয়ে গেলে গরম গরম পরিবেশন করুন।


--------------------------🥫😋❣️-----------------------


৩. রেড চিলি সস


উপকরণ:

- ৫-৬টি শুকনো লাল মরিচ

- ২টি রসুনের কোয়া

- ১ টেবিল চামচ চিনি

- ১ টেবিল চামচ ভিনেগার

- ১/২ কাপ পানি

- লবণ স্বাদ অনুযায়ী


পণালী:

1. শুকনো মরিচগুলো ১০-১৫ মিনিট গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।

2. মরিচগুলো ভিজে গেলে, রসুন, চিনি, ভিনেগার, লবণ এবং পানি দিয়ে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন।

3. একটি প্যানে মিশ্রণটি কিছু সময় রান্না করুন যতক্ষণ না সসটি ঘন হয়।

4. রেড চিলি সস তৈরি হয়ে গেলে গরম বা ঠাণ্ডা পরিবেশন করুন।


--------------------------🥫😋❣️-----------------------


৪. হোয়াইট সস (বেশি করে বেচেল সস)


উপকরণ:

- ২ টেবিল চামচ মাখন

- ২ টেবিল চামচ ময়দা

- ১ কাপ দুধ

- ১/২ চা চামচ লবণ

- ১/৪ চা চামচ সাদা মরিচ গুঁড়া


প্রণালী:

1. একটি প্যানে মাখন গলিয়ে নিন।

2. মাখন গললে ময়দা যোগ করুন এবং হালকা আঁচে ২ মিনিট মেশান।

3. ধীরে ধীরে দুধ যোগ করে ভালো করে ফেটিয়ে নিন যাতে কোনো গুটি না পড়ে।

4. সাদা মরিচ গুঁড়া এবং লবণ যোগ করে সসটি ঘন হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন।

5. সসটি পরিবেশন করুন।


--------------------------🥫😋❣️-----------------------


৫. কাঁচা মরিচের সস


উপকরণ:

- ৫টি কাঁচা মরিচ (স্বাদ অনুযায়ী বাড়াতে পারেন)

- ২ টেবিল চামচ ভিনেগার

- ১/৪ কাপ পানি

- ১ টেবিল চামচ চিনি

- লবণ স্বাদ অনুযায়ী


প্রণালী:

1. কাঁচা মরিচগুলো ভালোভাবে ধুয়ে কেটে ফেলুন।

2. মরিচ, পানি, ভিনেগার, চিনি এবং লবণ একটি ব্লেন্ডারে দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে পেস্ট তৈরি করুন।

3. পেস্টটি একটি প্যানে নিয়ে কয়েক মিনিট রান্না করুন।

4. সসটি ঘন হলে, ঠাণ্ডা করে সসটি পরিবেশন করুন।


এগুলো সবই সহজে তৈরি করা যায় এবং আপনি এগুলো বিভিন্ন খাবারের সঙ্গে উপভোগ করতে পারেন।

৯৯ শতাংশ মানুষের থেকে এগিয়ে থাকবেন যেভাবে..

 ৯৯ শতাংশ মানুষের থেকে এগিয়ে থাকবেন যেভাবে...🟠


সফলতা ধারাবাহিক কাজের ফল। এটি চূড়ান্ত ফলও নয়। প্রতি মুহূর্তে লক্ষ্য পরিবর্তিত হয়। লক্ষ্য অর্জিত হলে নতুন লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হয়। তারপর শুরু হয় সেই লক্ষ্য অর্জনের জন্য কর্মযজ্ঞ। তাই সাফল্য অর্জনের জন্য প্রয়োজন ছোট ছোট কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী প্র*ভাব সৃষ্টিকারী কাজের ধারাবাহিকতা রক্ষা। এই ছোট ছোট কাজগুলোকে অভ্যাসে রূপান্তরিত করে ফেললেই তা সম্পাদন করা সহজ হয়ে যায়। এমন কিছু ছোট ছোট কাজ আছে, সেগুলো অভ্যাস করলে খুব সহজেই পৃথিবীর ৯৯ শতাংশ মানুষকে পেছনে ফেলে হয়ে যেতে পারবে পৃথিবীর শীর্ষ ১ শতাংশ মানুষের একজন। লিখেছেন: এজাজ পারভেজ।


🛌আট ঘণ্টা ঘুম


ঘুম আমাদের দেহের ক্লান্তি দূর করে। নতুন কোষ সৃষ্টি করে ক্ষয়পূরণ করে। আর এসবের জন্য প্রয়োজন হয় নিয়মিত প্রতিদিন আট ঘণ্টা ঘুমের। সাত ঘণ্টার কম হলে মস্তিষ্কসহ অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গে নতুন কোষ সৃষ্টি করতে পারে না। আর তা থেকেই স্মৃতিলোপ থেকে অন্যান্য শারীরিক সমস্যা দেখা যায়। তাই আট ঘণ্টার ঘুম শরীরের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। [fb. com/ janaojanaa360 ]


🧘‍♂️ঘুম থেকে উঠতে হবে ভোরে


সেই গুহা জীবন থেকেই আমাদের দেহ ভোরে ঘুম থেকে উঠে অভ্যস্ত। তাই ভোরে ঘুম থেকে ওঠা সুস্থ দেহ ও সুস্থ মনের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। ভোরের বাতাস থাকে নিমর্ল, দূষণ থাকে না বললেই চলে। এই মুক্ত বাতাস মনকে প্রফুল্ল করে। দেহে সঞ্চালিত হয় প্রয়োজনীয় অক্সিজেন। চিত্তে সৃষ্টি হয় নবউদ্দীপনা। এজন্যই যুগ যুগ ধরে গ্রামবাংলায় প্রচলিত আছে, ‘ভোর বেলার হাওয়া, লাখ টাকার দাওয়া’ কথাটি। শুধু শরীরের সুস্থতার জন্যই নয়, ভোরে ঘুম থেকে উঠলে সারাদিনের কাজের জন্য তুমি পেয়ে যাবে বাড়তি দুই-তিন ঘণ্টা সময়। যে কাজ তাড়াহুড়া করে করতে হতো শুধু ভোরবেলায় ওঠার কারণে তুমি সেই কাজটি করতে পারবে পরিকল্পিতভাবে, সুন্দরভাবে।


🏃‍♂️প্রতিদিন ১০ হাজার পা


আমাদের দেহছন্দের সঙ্গে হাঁটা ব্যাপারটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। হাঁটাকে ধরা হয় অন্যতম সুষম ব্যায়াম। এটি দেহকে সচল রাখে। অতিরিক্ত মেদ ঝরিয়ে শরীরকে রাখে ঝরঝরে। প্রতিদিন ১০ হাজার পদক্ষেপ তোমাকে দীর্ঘদিন কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করবে। এর সঙ্গে যুক্ত করতে হবে ব্যায়াম। সপ্তাহে কমপক্ষে তিন দিন শরীর চর্চা করতে হবে।


🏋️‍♂️সপ্তাহে তিন দিন শরীরচর্চা


দেহকে সুস্থ রাখতে হলে শরীরচর্চার বিকল্প নেই। শরীরচর্চার ফলে মাংসপেশি সুগঠিত হয়, হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখে, হজমশক্তি সুস্থ রাখে, বহুমূত্র রোগ প্রতিরোধ করে, স্থূলতা দূর করে। তাই নিয়মিত শরীরচর্চা করতে হবে। এই শরীরচর্চা বাসায় নিজে নিজে বা জিমে প্রশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে হতে পারে। কিন্তু একটা জিনিস খেয়াল রাখতে হবে। সপ্তাহে সাত দিন না হলেও সপ্তাহে কমপক্ষে তিন দিন শরীরচর্চা করতেই হবে। তবেই দিনে ১০ হাজার কদম হাঁটা শরীরের জন্য যথেষ্ট হবে। [fb. com/ janaojanaa360 ]


🕗চার ঘণ্টার নিমগ্ন কাজ


প্রতিদিন কমপক্ষে চার ঘণ্টা মনোযোগী হয়ে নিমগ্ন কাজ করতে হবে। এই চার ঘণ্টা একটানা কাজ করতে হবে এমন না। চারটি আলাদা ভাগে বা প্রয়োজন মতো একে ভাগ করে নেওয়া যাবে। প্রতিটি ঘণ্টাকে একটি পাওয়ার আওয়ার ধরা হয়, তাহলে তা হবে ৪৫ মিনিট কাজ ও ১৫ মিনিট বিশ্রামের সমষ্টি। একটি ঘণ্টা পরিকল্পনা ও বাকি তিনটি নিমগ্ন ঘণ্টা কাজ সমাধাতে ব্যয় করতে পারো।


📖প্রতিদিন ১০ পৃষ্ঠা পাঠ


বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ধনীদের মধ্যে যে গুণগুলোর মিল পাওয়া গেছে, তার মধ্যে অন্যতম হলো, তারা প্রত্যেকেই খুবই ভালো পাঠক। তারা প্রত্যেকেই প্রতিদিন বই পড়েন। তাদের পছন্দের বইগুলোর মধ্যে যেমন ফিকশন বইগুলো রয়েছে, তেমনি রয়েছে নন-ফিকশন বইয়ের নাম। শুধু ধনী ব্যক্তিরা কেন পুরস্কার জয়ী খেলোয়াড়, অভিনেতা, বিজ্ঞানী, অর্থনীতিবিদ সবার মধ্যেই বই পড়ার অভ্যাস দেখা যায়। এর কারণ হলো, বইয়ের মধ্যে সঞ্চিত থাকে যুগযুগান্তরের জ্ঞান। সেই জ্ঞান তারা অর্জন করেন এবং নিজেদের সুবিধামতো যুগোপযোগী করে ব্যবহার করেন। আর তাতেই তারা সফল হন। পৃথিবীর সেরা ১ শতাংশ জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত হতে হলে বই পড়ার অভ্যাস করতে হবে। এক দিনে পুরো বই শেষ না করে চেষ্টা করো, প্রতিদিন ১০ পাতা করে পড়তে। বেশি হলে ক্ষ*তি নেই, কিন্তু কম যেন না হয়। তাহলে অভ্যাসটি মর্মমূলে গেঁথে যাবে। [ জানা-অজানা 360 ]


💸২০ শতাংশ আয় সঞ্চয় করো


অনেকেই মনে করতে পারো, শিক্ষার্থী জীবনে আমাদের আয় কোথায়? কিন্তু এখানে পরিমাণটি ধর্তব্যের বিষয় না। বরং, সঞ্চয়ের অভ্যাসটিই বিষয়। অনেকেই টিউশনি করে, মা-বাবা হাতখরচ দেন, উৎসবে বড়রা টাকা দেন অর্থ হিসেবে। এগুলোকে আয় ধরা যেতে পারে। টাকা যেখান থেকেই আসুক, যদি তুমি তার ২০ শতাংশ সঞ্চয় করার অভ্যাস করো এটি থেকে যাবে তোমার মর্মে। ফলে স্বাবলম্বী হওয়ার পরও এই অভ্যাস জারি রাখতে পারবে। আর সহজেই হয়ে যাবে ১ শতাংশ সফল মানুষদের একজন। 

.

তথ্যসূত্রঃ দেশ রূপান্তর, ১৩/১২/২৪ খ্রি.


ঘুরে দাঁড়াও বইটি পর্ন-আসক্তি থেকে মুক্তিলাভের প্রেসক্রিপশন,,,,ফেইসবুক ৎেকে নেওয়া

 ঘুরে দাঁড়াও বইটি পর্ন-আসক্তি থেকে মুক্তিলাভের প্রেসক্রিপশন। তবে এই বইয়ের নির্দেশনাগুলো মেনে চলতে পারলে শুধু আসক্তি থেকে মুক্তিলাভ করবেন এমন নয়, আপনি সত্যিকার অর্থেই একজন আত্মপ্রত্যয়ী সফল মানুষ হতে পারবেন।

.

ভাববেন না এই বইটি গৎবাঁধা উপদেশমালা কিংবা অনুপ্রেরণামূলক কথাবার্তায় ভরপুর। একটি কথা আছে, উইল-পাওয়ার বা ইচ্ছাশক্তি দিয়ে সবকিছু হয় না, কিন্তু একটি কার্যকর সিস্টেম দিয়ে হয়। এই বইতে সেই সিস্টেমেটিক প্রসেসগুলোই সবিস্তারে বলা হয়েছে। বইটি একটানে পড়ে সেলফে উঠিয়ে রাখলে কোনো লাভ হবে না। এর প্রতিটি অধ্যায় আসলে এক-একটি এক্সারসাইজ। আপনি প্রথম অধ্যায় শেষ করবেন—নিজের ওপর প্রয়োগ করবেন। পরবর্তী অধ্যায় শেষ করবেন—নিজের ওপর প্রয়োগ করবেন। এভাবে চর্চা করে করে পড়ে যেতে হবে।

.

বইটির মূল্য লেখক ওয়ায়েল ইব্রাহিম একজন অভিজ্ঞ লাইফ কোচ। উনার অভিজ্ঞার প্রতিফলন এই বইতে পরিষ্কারভাবেই তুলে আনতে সক্ষম হয়েছেন। এই যাত্রায় কোথায় কোথায় চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে পারে তা আগেভাগেই বলে দেওয়া আছে। এসব চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে কী ধরনের প্রস্তুতি নিতে হবে সেই সমাধানও দিয়ে দেওয়া আছে।

.

পুরো বইটি আপনার জীবনের একটী অংশের টাইমলাইনের মতো। আপনার জীবনের কিছু মাস কিংবা বছর যেখানে আসক্তি থেকে মুক্তিলাভের সংগ্রাম এবং সাফল্য অর্জনের গল্প আছে, সেই সময়কালের এক খণ্ড ডায়েরি হচ্ছে ঘুরে দাঁড়াও বইটি।

নলেন গুড়ের মাখা সন্দেশ বানানোর পদ্ধতি:

 🌿 নলেন গুড়ের মাখা সন্দেশ বানানোর পদ্ধতি:❤️


🍁☘️ উপকরণ:

- ছানা – ২০০ গ্রাম 

- লিকুইড দুধ - ৫০০ গ্রাম 

- নলেন গুড় – ১/২ কাপ 

- ঘি – ২ টেবিল চামচ

- এলাচ গুঁড়ো – ১/৪ চা চামচ


🍁☘️ প্রস্তুত প্রণালী:

🌿 1. একটি প্যান বা কড়াইতে ঘি গরম করুন।


🌿 2. এবার লিকুইড দুধ দিয়ে একটু ফুটিয়ে নিন।


🌿 3. এবার এতে ছানা যোগ করে ভালো ভাবে মিশ্রণটি নাড়ুন। অল্প আঁচে রান্না করুন যতক্ষণ না মিশ্রণটি ঘন হয়ে আসে।


🌿 4. একটু ঘন হলে নলেন গুড় ও এলাচ গুঁড়ো যোগ করুন এবং মেশাতে থাকুন। মিশ্রণটি ধীরে ধীরে শুকিয়ে আসবে এবং প্যানের প্রান্তে সরে আসবে। গ্যাস অফ করে দিন ও একটি বাটিতে রেখে ঠান্ডা করে নিন। কিছুক্ষণ নরমাল টেম্পারেচারে রেখে ফ্রিজে ১ ঘন্টা রেখে দিন।


🌿 5. মিশ্রণটি ঠান্ডা হয়ে গেলে একটি চামচ দিয়ে কেটে নিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবেশন করুন।


শিক্ষনিয় কিছু কথা,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

💌 শিক্ষনিয় কিছু কথা🙏


✨  গাধাকে সৃষ্টি করার পরে সৃষ্টিকর্তা বললেন : 

"তুই আজীবন কঠোর পরিশ্রম করবি, অন্যের বোঝা বয়ে বেড়াবি। তোর মাথায় কোনো বুদ্ধিও থাকবেনা। তোকে আয়ু দিলাম ৫০ বছর। 


👉 গাধা : সে কি !! এত কষ্ট করে আমি এত দীর্ঘদিন বাঁচতে চাইনা। প্লিজ, আমার আয়ু কমিয়ে ২০ বছর করে দিন। 


👉 সৃষ্টিকর্তা : যাহ, তাই দিলাম। 


👉 কুকুরকে বললেন : "তুই হবি মানুষের সবচেয়ে বিশ্বস্ত বন্ধু, কিন্তু মানুষের উচ্ছিষ্ট খেয়ে বেঁচে থাকবি। তোর আয়ু হবে ৩০ বছর।" 


শুনে, কুকুর বলল : দয়া করে একটু শর্ট করে ঐটা ১৫ করান। এতদিন বাঁচতে চাইনা। এইবারও রাজি হয়ে গেলেন। 


👉 এরপর উনি বানরকে বললেন : "হে বানর, তোর একমাত্র কাজ হবে লাফিয়ে লাফিয়ে এক গাছ থেকে আরেক গাছে যাওয়া, আর তামশা দেখিয়ে মানুষকে বিনোদন দেওয়া। তোর আয়ু দিলাম ২০ বছর। 


👉 সে আবেগে কেঁদে বলল : দিবেনই যখন ১০ বছর দেন, আমি এত বড় জীবন দিয়ে কি করব??


👉 এইবার মানুষকে বলল : "তুমি হবে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব। সবচেয়ে জ্ঞানী এবং বিচক্ষণ। তোমার আয়ুও হবে ২০ বছর।" সে তো খুশিতে পাগল হয়ে গেল,কিন্তু এত মহত জীবন নিয়ে মাত্র ২০বছর?? 


👉 সে করজোরে প্রভুকে বলল : একটা কাজ করা যায়না?আপনি আমাকে গাধার ফেরত দেওয়া ৩০ বছর, 

কুকুরের ১৫ বছর, 

বানরের ১০ বছর দিয়ে দেন। 


👉 সৃষ্টিকর্তা বললেন : নিজের ভালো পাগলেও বোঝে, তুই বুঝলি না। যাহ, দিলাম। 


সেই থেকে মানুষ সুন্দর ভাবে বাঁচে ২০ বছর, 

পরের ৩০ বছর গাধার মত সংসারের বোঝা টানে, 

তার পরের ১৫ বছর ছেলে মেয়ে যা দেয় তাই খেয়ে পরে বেঁচে থাকে কুকুরের মতো, আর তার পরের দশ বছর বানরের মত, কখনো এক সন্তানের বাসা তো কখনো আরেক সন্তানের বাসায় ঘোরে আর নাতি নাতনিদের বিনোদন দেওয়াই হয় তাদের প্রধান দায়িত্ব।


(সংগ্রহীত)

মানুষের জীবনের মূল্য মাত্র ২০,০০০ টাকা।,,,, ফেইস দ্যা পিওপিল ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 মানুষের জীবনের মূল্য মাত্র ২০,০০০ টাকা। 


জীবনটা কি এতোটাই মূল্যহীন । আমার স্ত্রী গত ২৬ তারিখে রাস্তা পার হওয়ার সময়  শ্যামলী ধাক্কা লেগে মাথায় আঘাত পেয়ে ১৫ দিন ধরে আইসিউতে অজ্ঞান অবস্থায় জীবন মৃত্যুর প্রহর গুনছে। এছাড়াও তার হাত ভাঙছে, কাঁধের হাড় ভাঙ্গছে।  


আমার স্ত্রীর জীবন বিপন্ন অবস্থায় রেখে আমি তাদের সাথে মিমাংসার জন্য বসলাম, সেখানে আমরা আমাদের চিকিৎসার খরচ চেয়েছি। রাজি না হওয়ার পরবর্তীতে আমরা মিনিমাম ৫০% চেয়েছি। শ্যামলী কর্তৃপক্ষ আমাদের প্রস্তাব করে ২০,০০০ টাকা।  


এ টাকা দিয়ে আমাদের এম্বুলেন্স ভাড়াও হবেনা। তাহলে তারা কি জীবন নিয়ে খেলা করবে। পরপর একটা স্কুল,পল্লী বিদ্যুৎ অফিস,সদর হাসপাতাল , এবং পৌরশহরে ঢোকার সময় গাড়ির গতি কিভাবে ৮০/৯০ হয়। তাছাড়া চালকের আসনে বসা যে ব্যাক্তি পালিয়েছে, উনি আদৌ ড্রাইভার না হেলপার সে বিষয়ে সন্দেহ আছে। আমার অলরেডি ৬ লাখ খরচ হয়েছে। 


যেখানে হাসপাতালের অনেকটা  বিল বাকি রয়েছে, যা আমি পরিশোধ করতে পারতেছি না। আমার স্ত্রীকে বাঁচাতে অনেক দিন চিকিৎসা প্রয়োজন, যেটা চালিয়ে যাওয়া আমার জন্য কখনোই সম্ভব না।  আমার স্ত্রীর কিছু হলে আমার ও আমার সাত বছরের মেয়ের জীবনের ভার কে নিবে। রাষ্ট্রের কি কোন দ্বায় নাই। 


আইনের ফাঁক ফোঁকর দিয়ে এভাবেই তারা পাড় পেয়ে যাবে। মানুষের জীবনের কোন দাম নাই। আমার স্ত্রীর কিছু হলে আমার ও আমার মেয়ের জীবনের দ্বায় রাষ্ট্রের উপর থাকবে।  


কোনদিন ক্ষমা করবোনা এরকম আইন ও আইন সৃষ্টিকারী মানুষকে ও বিচারের আসনে বসা শাসক গনকে।


ফেস দ্যা পিপলকে পাঠিয়েছেন সোহেল শিকদার নামক একজন দর্শক।


রসমালাই রেসিপি

 🔴 রসমালাই রেসিপি


উপকরণ:


দুধ – ১ লিটার


চিনি – ৭৫-১০০ গ্রাম (স্বাদ অনুযায়ী)


এলাচ গুঁড়ো – ১/২ চা চামচ


বাদাম (কাটা) – ১ টেবিল চামচ


পেস্তা (কাটা) – ১ টেবিল চামচ


সাদা ময়দা – ২ টেবিল চামচ


গুঁড়ো দুধ – ২ টেবিল চামচ


গোলাপ জল – ১ চা চামচ


রসমালাই বানানোর পদ্ধতি:


১. চামচ তৈরি করা:


🍀 প্রথমে একটি পাত্রে ২ টেবিল চামচ ময়দা, ২ টেবিল চামচ গুঁড়ো দুধ এবং কিছুটা পানি দিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। এর পর এই মিশ্রণটি ভালোভাবে মেখে ময়দা লাগানো হাত দিয়ে ছোট ছোট বল (রসমালাই) তৈরি করুন।


🍀রসমালাই বলগুলো গরম পানিতে ১০-১৫ মিনিট সেদ্ধ করুন, যাতে সেগুলি ফুলে ওঠে। বলগুলি ফুলে ওঠার পর জল থেকে বের করে গরম জল ঝরিয়ে আলাদা করে রাখুন।


🛑 2. সিরা তৈরি করা:


এবার একটি পাত্রে দুধ দিয়ে ভালোভাবে ফুটাতে দিন। যখন দুধ প্রায় আধা হয়ে আসবে, তখন তাতে চিনি এবং এলাচ গুঁড়ো দিয়ে মিশিয়ে দিন।


দুধ ঘন হয়ে আসলে তাতে গোলাপ জল এবং বাদাম-পেস্তা কুচি দিয়ে দিন।


3. রসমালাই মেশানো:


এবার সেদ্ধ করা রসমালাই বলগুলি একে একে দুধের সিরায় ভিজিয়ে দিন।


১৫-২০ মিনিট ধীরে ধীরে রান্না হতে দিন, যাতে রসমালাই বলগুলো দুধের স্বাদ শোষণ করতে পারে।


4. গরম অথবা ঠান্ডা পরিবেশন:


রসমালাই ঠান্ডা করতে হলে ফ্রিজে কিছু সময় রাখুন, অথবা গরম পরিবেশন করতে পারেন। উপরে বাদাম-পেস্তা কুচি দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।


এভাবেই রসমালাই তৈরি হয়ে যাবে!


চাপে নেই এমন মানুষ আসলে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর

 চাপে নেই এমন মানুষ আসলে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। বিভিন্ন কর্পোরেট হাউসের বিক্রয়কর্মীদের নানারকম স্ট্রেস সামলাতে হয়, স্ট্রেস সামলাতে হয় বিভাগীয় প্রধান থেকে একজন সিইওকে। উদ্যোক্তাদের চাপের কোনো শেষ নেই। 


আবার যারা নতুন ক্যারিয়ার তৈরি করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, কিন্তু ব্যাটে-বলে হচ্ছে না, তাদের চাপও কম নয়। ব্যক্তিজীবনে সম্পর্কের টানাপোড়েন থেকেও অনেকে চাপে ভোগেন। এই বইয়ে আমরা নেগেটিভ চাপ কী করে দূর করব এবং পজিটিভ চাপের মাধ্যমে কী করে অনুপ্রাণিত হব সেই সব হ্যাকস নিয়ে কথা বলা হয়েছে। 


বলা হয়েছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় ব্যবস্থাপনার কৌশল নিয়ে। আর হ্যাঁ, লাইফস্টাইল, হেলদি লাইফস্টাইল, সেল্ফ কেয়ার কী করে আমাদের জীবনের নেগেটিভ চাপকে পজিটিভ চাপে রূপ দেবে সেইসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে সমধিক গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। 


যারা চাপ সামলে জীবনে সামনে এগুতে চান, যারা নিজেদের জীবনকে সুশৃঙ্খল নিয়মে পরিচালিত করতে চান, হতে চান সফল উদ্যোক্তা, কর্পোরেট লিডার— বইটি তাদের জন্য। টিনএজার থেকে শুরু করে তাদের অভিভাবকরাও উপকৃত হবেন এই বই থেকে, দায়িত্ব নিয়ে বলছি।

জমির দলিল বৈধ কি না কিভাবে বুঝবেন?

 জমির দলিল বৈধ কি না কিভাবে বুঝবেন?


জমি কেনা বা বিক্রি একটি গুরুত্বপূর্ণ লেনদেন, এবং এর সাথে জড়িত আইনি প্রক্রিয়াগুলি বোঝা জরুরি। জমির দলিল হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি যা মালিকানার অধিকার প্রমাণ করে। তাই, জমি কেনার আগে দলিলটি সঠিকভাবে যাচাই করে নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


জমি কেনা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ, এবং আইনি জটিলতা এড়াতে জমির দলিলের বৈধতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। একটি জমির দলিল বৈধ কিনা তা নির্ধারণ করার জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে।


১. দলিলের মূল কপি পরীক্ষা করুন:


👉নিশ্চিত করুন যে দলিলটি সঠিকভাবে সাব-রেজিস্ট্রারের দ্বারা স্বাক্ষরিত এবং সিল করা আছে।

👉দলিলের মূল কপিতে থাকা ছবি এবং মালিকের বর্তমান ছবি মিলে যাচ্ছে কিনা তা পরীক্ষা করুন।

👉দলিলের সকল পাতায় সঠিকভাবে স্ট্যাম্প লাগানো আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন।


২. দলিলের তথ্য যাচাই করুন:


👉দলিলে উল্লেখিত মালিকের নাম, ঠিকানা, জমির পরিমাণ, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর ইত্যাদি তথ্য সঠিক কিনা তা খতিয়ান, দাগ খতিয়ান, এবং সরকারি রেকর্ডের সাথে মিলিয়ে দেখুন।

👉দলিলে উল্লেখিত সাক্ষীদের নাম এবং ঠিকানা সঠিক কিনা তা যাচাই করুন।


৩. আইনি পরামর্শ নিন:


👉একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া জমির দলিলের বৈধতা নিশ্চিত করার সবচেয়ে নিরাপদ উপায়।

👉আইনজীবী দলিলের সকল দিক বিশ্লেষণ করে আপনাকে দলিলটি বৈধ কিনা তা জানাতে পারবেন।


৪. অনলাইন মাধ্যম ব্যবহার করুন:

👉সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে গিয়ে জমির দলিলের তথ্য অনলাইনে যাচাই করতে পারেন।

👉কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও জমির দলিলের বৈধতা যাচাই করার সার্ভিস প্রদান করে।


৫. সতর্কতা অবলম্বন করুন:


👉দলিলের বৈধতা সম্পর্কে কোন সন্দেহ থাকলে দলিলটি ক্রয় করা থেকে বিরত থাকুন।

অসৎ ব্যক্তিদের প্রতারণার শিকার হতে সাবধান থাকুন।

👉জমি কেনার আগে জমির দলিলের বৈধতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উপরে উল্লেখিত পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করে আপনি একটি জমির দলিল বৈধ কিনা তা নির্ধারণ করতে পারবেন।


জমির দলিল বৈধ কিনা তা বোঝার জন্য কিছু প্রশ্ন ও উত্তর


১) দলিলে কি সকল প্রয়োজনীয় তথ্য আছে?


দলিলে জমির মালিকের নাম, ঠিকানা, জমির পরিমাণ, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর, মৌজা, উপজেলা, জেলা স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে কিনা?

,👉দলিলের সাক্ষীদের নাম, ঠিকানা স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে কিনা?

👉দলিলের স্বাক্ষর ও তারিখ স্পষ্টভাবে আছে কিনা?


২) দলিলের স্ট্যাম্প ও রেজিস্ট্রেশন


👉দলিলে সরকার নির্ধারিত স্ট্যাম্প ব্যবহার করা হয়েছে কিনা?

👉দলিলটি সঠিকভাবে রেজিস্ট্রি করা হয়েছে কিনা?

রেজিস্ট্রারের স্বাক্ষর ও তারিখ স্পষ্টভাবে আছে কিনা?


৩) দলিলের মালিকানার ধরণ।


👉দলিলের মাধ্যমে মালিকানা কিভাবে অর্জিত হয়েছে (উত্তরাধিকার, ক্রয়, বিনিময়, দান ইত্যাদি)?

👉মালিকানার ধরণ কি (মালিকানা, দখল, ভাগচাষ ইত্যাদি)?

👉মালিকানার কোনো শর্ত বা বাধা আছে কিনা?


৪) জমির অবস্থা


👉জমি কি বাস্তবে বিদ্যমান?

👉জমির মালিকানা বিতর্কমুক্ত কিনা?

👉জমির উপর কোনো ঋণ বা বন্ধক আছে কিনা?


৫) আইনি পরামর্শ

জমির দলিল বৈধ কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া উচিত।


৬. দলিলের বয়স:

প্রশ্ন: কত বছরের পুরোনো দলিল বৈধ?

উত্তর: দলিলের বয়সের কোন নির্দিষ্ট সীমা নেই। তবে, 1976 সালের আগের দলিলগুলো "পুরাতন দলিল" হিসেবে বিবেচিত হয় এবং বৈধতা যাচাইয়ের জন্য অতিরিক্ত যাচাই-বাছাই প্রয়োজন হতে পারে।


৭. দলিলের ধরন:

প্রশ্ন: কত ধরণের জমির দলিল আছে?

উত্তর: বাংলাদেশে 4 ধরণের জমির দলিল আছে:

°দাগ নম্বর খতিয়ান

°মৌজা খতিয়ান

°সিএস খতিয়ান

°আরএস খতিয়ান


৮. দলিলের মালিকানা:


প্রশ্ন: দলিলে একাধিক মালিকের নাম থাকলে কী করবেন?

উত্তর: সকল মালিকের সম্মতি ছাড়া জমি বিক্রি করা যাবে না। মালিকানা পরিবর্তনের জন্য সকলের স্বাক্ষর এবং সম্মতি প্রয়োজন।


৯. দলিলের মিউটেশন:


প্রশ্ন: মিউটেশন কী?

উত্তর: মিউটেশন হলো জমির মালিকানা পরিবর্তনের নথিভুক্তি প্রক্রিয়া। নতুন মালিকের নাম খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য মিউটেশন করা আবশ্যক।


১০. দলিলের জালিয়াতি:

প্রশ্ন: জাল দলিলের বৈশিষ্ট্যগুলো কী কী?

উত্তর: জাল দলিলে ভুল বানান, অস্পষ্ট তথ্য, মিথ্যা স্বাক্ষর, এবং অসঙ্গতিপূর্ণ তথ্য থাকতে পারে।


১১. দলিল যাচাই:

প্রশ্ন: জমির দলিল যাচাই করার সর্বোত্তম উপায় কী?

উত্তর: সাব-রেজিস্ট্রার অফিস: আপনি যেখানে জমি অবস্থিত সেখানকার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে গিয়ে দলিলের মূল কপি এবং খতিয়ানের সাথে মিলিয়ে দেখতে পারেন।


ভূমি অফিস: আপনি যেখানে জমি অবস্থিত সেখানকার ভূমি অফিসে গিয়ে দলিলের তথ্য অনলাইনে যাচাই করতে পারেন।

আইনজীবীর পরামর্শ: একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া জমির দলিলের বৈধতা যাচাই করার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায়।


১২. দলিল সংক্রান্ত আইনি জটিলতা:


প্রশ্ন: জমির দলিল সংক্রান্ত আইনি জটিলতা সমাধানের জন্য কী করবেন?

উত্তর: জমির দলিল সংক্রান্ত আইনি জটিলতা সমাধানের জন্য একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করা উচিত।


উল্লেখ্য: এই তথ্যগুলো শুধুমাত্র সাধারণ ধারণার জন্য। জমির দলিলের বৈধতা যাচাই করার।

👉- সংগৃহীত


Help post

নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন

 নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন 🌺 আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশই অবিশ্বাস্যভাবে সুনির্দিষ্ট এবং জটিল, বিশেষ করে যখন ...