এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৪

চার্লি চ্যাপলিন -------- পৃথিবীর সেরা সফল মানুষের ব্যর্থতার গল্প -------

 চার্লি চ্যাপলিন --------

পৃথিবীর সেরা সফল মানুষের ব্যর্থতার গল্প -------

১৮৮৯ সালে জন্ম নেয়া বিশ্ব বিখ্যাত অভিনেতা ও পরিচালক চার্লি চ্যাপলিনকে তো সবাই চেনে।  সিনেমার শুরুর সময় থেকে আজ পর্যন্ত সব সিনেমা পাগল তাঁকে ভালোবাসে ও শ্রদ্ধা করে। পৃথিবীর সফলতম অভিনেতা ও পরিচালকদের একজন তিনি।  কমেডির রাজা বলা হয় তাঁকে। এসব কথাও সবাই জানে। তাহলে চলুন আজ জেনে নেয়া যাক এমন কিছু কথা যা সবাই জানে না।


চ্যাপলিনের বাবা ছিলেন একজন পাঁড় মাতাল।  কোনও কাজ করতেন না,দিন-রাত মদ খেয়ে পড়ে থাকতেন। চ্যাপলিনের ২ বছর বয়সে তাঁর বাবা বাড়ি ছেড়ে চলে যান। মা নামেমাত্র একটি কাজ করতেন যাতে সংসারের খরচ কোনওভাবেই মিটতো না।


৭ বছর বয়সে চার্লি "ওয়ার্কহাউজ" এ যেতে বাধ্য হন।  সেই সময়ে বৃটেনে গরিবদের জন্য একটি ব্যবস্থা চালু ছিল,যেখানে পরিশ্রমের বিনিময়ে খাবার ও শোয়ার জায়গা দেয়া হত।


কিছুদিন পর আবার চার্লি সেখান থেকে ফিরে আসেন এবং আবার তাঁর ৯ বছর বয়সে তাঁর মা পাগল হয়ে যান,এবং তাকে মানসিক হাসপাতালে যেতে হয়।  মায়ের মানসিক হাসপাতালে যাওয়ার কারণে চ্যাপলিনকে আবারও ওয়ার্কহাউজে ফিরে যেতে হয়।  কিছুদিন পর তাঁর বাবা লিভার নষ্ট হয়ে মারা যান।


এরপর তাঁর মায়ের পাগলামি এতই বেড়ে যায় যে তাকে সব সময়ের জন্য পাগলা গারদে বন্দী করে রাখার প্রয়োজন পড়ে। চ্যাপলিন ও তাঁর ভাই সিডনি একদম পথে বসে পড়েন। দিনের পর দিন না খেয়ে রাস্তায় ঘুরে কাটান।


এভাবে চলতে চলতেই এক সময়ে তিনি মঞ্চে কাজ নেন। বিভিন্ন মঞ্চ নাটকে অভিনয় করতে করতে নিজের কমেডি প্রতিভাকে শক্তিশালী করেন। পরে হলিউডে পাড়ি জমিয়ে সর্বকালের সেরা নির্বাক অভিনেতা হয়ে ওঠেন।।


শেষ কথা -------

প্রতিটি মানুষের জীবনেই ব্যর্থতা আসে। কোনও বড় স্বপ্নই একবারে পূরণ হয় না। এটা জীবনেরই একটা অংশ। পৃথিবীতে অসাধারণ সাফল্য সেইসব মানুষই অর্জন করতে পারেন,যাঁরা বার বার ব্যর্থ হয়েও চেষ্টা করে যান।


একবার ব্যর্থ হলে সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে তাঁরা আবার শুরু করেন। তারপর আবার ভুল করেন,

আবার শিক্ষা নিয়ে কাজ শুরু করেন। এভাবে শত শত বা হাজার হাজার বার ব্যর্থ হতে হতে একটা সময়ে গিয়ে তাঁরা সফল হন। বদলে দেন পৃথিবীর ইতিহাস।


আজ সফল মানুষের ব্যর্থতার গল্প বলার উদ্দেশ্য হল আপনাকে ব্যর্থতার পর উঠে দাঁড়ানোর অনুপ্রেরণা দেয়া। সবার মধ্যেই শুধু প্রয়োজন ব্যর্থতা থেকে উঠে দাঁড়িয়ে আবার চেষ্টা করার মানসিকতা। 


-------- সংগৃহীত

সত্যজিৎ রায় নিজের শোওয়ার ঘরের সামনের বারান্দায় বসিয়ে তাঁর ছবি তুললেন। পরে সেই ছবি ' সিনে অ্যাডভ্যান্স' পত্রিকায় বড় করে বের হল।

 সত্যজিৎ রায় নিজের শোওয়ার ঘরের সামনের বারান্দায় বসিয়ে তাঁর ছবি তুললেন। পরে সেই ছবি ' সিনে অ্যাডভ্যান্স' পত্রিকায় বড় করে বের হল।

অপুর সংসারে ' অপর্ণা কে হবেন! কেউ বোধহয় রিঙ্কুর কথা বলেছিলেন! মানিকবাবুদের সাথে তাঁর বাবা- মায়ের আগেই পরিচয় আছে। টিঙ্কু ' কাবুলিওয়ালা ' ছবিতে অভিনয় করেছেন। নিশ্চয়ই এই মেয়ের ক্ষেত্রে ইরা- গীতিন্দ্রনাথ আপত্তি করবেন না!' কাবুলিওয়ালা'র টিঙ্কুর বড় বোন রিঙ্কুকে নিয়ে মানিকবাবুর বাড়িতে এসেছেন গীতীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও তাঁর সহধর্মিণী। ওদিকে বিজয়া রায় গ্ৰামের মেয়ে ' অপর্ণা' চরিত্রের জন্য বেছে নেওয়া কন্যাটিকে দেখে একটু হলেও হতাশ। কিশোরী ফ্রক পরা ফুটফুটে মেয়ে, ঘাড় পর্যন্ত ঘন কোঁকড়ানো চুলের রাশি, সবথেকে বড় চেহারার মধ্যে শহুরে ছাপ। এহেন কন্যা কিভাবে ' অপর্ণা ' হবে!


 মানিক বাবু বিজয়া রায় কে বললেন -ওকে বেডরুমে নিয়ে যাও। খুব টেনে চুলটা বেঁধে ঘাড়ের উপর একটা খোঁপা করে দেবে। বাংলা ফ্যাশনে শাড়ি পরিয়ে কপালে একটা সিঁদুরের টিপ দিয়ে ঘোমটা টেনে ওকে সাজিয়ে নিয়ে এসো। সবটাই সত্যজিৎ রায়ের নির্দেশ মত হল ,শুধু বাড়তি হিসেবে বিজয়া রায় তাঁর আইব্রাউ পেনসিল দিয়ে চোখের তলায় একটু কাজলের মত লাগিয়ে দিলেন। পোশাক পরিবর্তনের পর শহরের রিঙ্কু গাঁয়ের অপরূপা অপর্ণা । অপূর্ব দুটো চোখ, ঠোঁটের কোণে একটু মিষ্টি হাসি, সঙ্গে হাসলে দুগালে টোল পড়ে।

বিজয়া রায় নিজেও অভিভূত কিন্তু মৌন। জায়ার দিকে তাকিয়ে মানিকবাবু মৌন থেকে যেন জোরেই বললেন - কেমন বলেছিলাম না ,মিলে গেল।

সেদিন সব চুড়ান্ত হল, সত্যজিৎ ,রিঙ্কুর মতামত নিলেন, শুধু একবার বললেন কী তোমার নিজের কোন ও আপত্তি নেই তো? আমরা কোনওরকম জোর করব না।

 'অপুর সংসার  'দেবী', ' আরাধনা ', ' অমর প্রেম', ' নায়ক ', সহ অনেক সফল ছবিতে তাঁর অবিস্মরণীয় উপস্থিতি। চোদ্দ বছর বয়স থেকেই শর্মিলা ছায়াছবির নায়িকা। যদিও পিতৃদেব গীতীন্দ্রনাথ চাননি মেয়ে পাকাপাকি ভাবে অভিনয় জগত বেছে নিন,শর্মিলাও চেয়েছিলেন লেখাপড়া করবেন। সেই লক্ষ্যে ভর্তি হয়েছিলেন লোরেটো কলেজে ইতিহাসে অনার্স নিয়ে। নৃত্যশিল্পী অথবা চিত্রশিল্পী হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। গগনেন্দ্রনাথের প্রপৌত্রী ছবি আঁকার স্বপ্ন স্বাভাবিক,নাচ শিখেছেন একেবারেই ছোট থেকে। 


শর্মিলার ছোট বোন ঐন্দ্রিলা ( টিঙ্কু) পাঁচ বছর বয়সে তপন সিংহের 'কাবুলিওয়ালা' ছায়াছবিতে অভিনয় করে সবার হৃদয় জিতে নিয়েছিলেন। কয়েকবছর পরে যখন সত্যজিৎ রায় 'অপুর সংসারের ' জন্য নতুন মুখ খুঁজছেন বাড়ির সবাই শর্মিলা কে খ্যাপায় সে কি আবেদন করবে। অবশ্য এর আগে সত্যজিৎ রায় নিজেই ফোন করেছিলেন শর্মিলার পিতার কাছে। আক্ষরিক অর্থেই অভিনেত্রী হওয়ার সব গুণ শর্মিলার মধ্যে ছিল। কথা বলা দুটো অসাধারণ চোখ,সরল নিস্পাপ চাওনি,গালের দুটো টোল,মনের ভাব ফুটিয়ে তোলার দূর্লভ ক্ষমতা সবই শর্মিলাকে নায়িকা হিসেবে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছিল। অপুর সংসার কিংবা দেবীর সাথে কাশ্মীর কি কলি অথবা অ্যান ইভনিং ইন প্যারিস দুই ধরনের ছবিতেই শর্মিলা নিজেকে অপরিহার্য হিসেবে প্রমাণ করেছেন। অনেকেই বলেন শর্মিলাদের তিন বোন মায়ের ধারা বহন করেছেন। তাদের 'মা' ইরা কলেজে খুব সুন্দর অভিনয় করতেন। ইরা ১৯৪৩ সালে ইংরেজি সাহিত্যে এম এ করেন। গীতীন্দ্রনাথের সাথে প্রেম,পরিণয় এমন একটা সময়ে। রবীন্দ্রনাথ অত্যন্ত স্নেহ করতেন ইরাকে । তবে ইরার প্রতিভা সেভাবে ফুটে ওঠার সুযোগ না পেলেও তিন মেয়ে পেয়েছেন সেই ধারা। শৈশবেই টিঙ্কু ঠাকুর তপন সিংহের আবিষ্কার, কৈশোর পেরোবার আগে শর্মিলা সত্যজিৎ রায়ের আবিষ্কার। ইরার ছোট মেয়ে রোমিলা হতে পারতেন অপর্ণা সেনের আবিষ্কার, কেননা তাঁর ইচ্ছা ছিল '৩৬, চৌরঙ্গী লেন' এ জেনিফারের ছাত্রীর ভূমিকায় রোমিলা কে নেবেন, কিন্তু মডেলিং জগতে পা রাখলেও অভিনয় রোমিলাকে টানেনি।


আর রোমিলার দিদি শর্মিলা বিয়ে করেছেন পতৌদির নবাবকে,গৃহজীবন ও কর্মজীবনে চমৎকার ভারসাম্য রক্ষা করেছেন,যেমন তাঁর উজ্জ্বল উপস্থিতি ' ছায়াসূর্য', ' অরণ্যের দিনরাত্রি ', ' নির্জন সৈকতে ', মত ছবিতে।

ঐন্দ্রিলা বা টিঙ্কু ঠাকুর আর অভিনয়ে ফেরেন নি। কিন্তু তাঁর দিদি রিঙ্কু আজও অভিনয়ের ব্যপ্তিতে অনন্য।  ' আরাধনা 'র 'মা' 'নায়কের' সাংবাদিক, মৌসমের নায়িকার সঙ্গে অমর প্রেমে'র নায়িকা।  সব চরিত্রগুলো  শর্মিলা ঠাকুর অসাধারণ অভিনয় দক্ষতায় বিশ্বসযোগ্য করতে পেরেছেন। ঐন্দ্রিলা অসাধারণ অভিনয় করে শিশুশিল্পী হিসেবে তিনি স্মরণীয় হয়ে আছেন,পরে খেলার জগতে তাঁকে মাঝে মাঝে পাওয়া গিয়েছে,ব্রিজ খেলায় অসমান্য দক্ষতা দেখিয়েছেন। তাস খেলার উপর লিখেছেন, অকালে না চলে গেলে হয়ত আরও লিখতেন। অবশ্য তাঁর দিদি শর্মিলা আজও অভিনয়ের ব্যপ্তিতে অনন্য। যিনি ' আরাধনা 'র 'মা' 'নায়কের' সাংবাদিক, মৌসমের নায়িকার সঙ্গে অমর প্রেমে'র নায়িকা । সব চরিত্রগুলো অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুর বিশ্বাসযোগ্য করতে পেরেছেন।১৯৬৭ সালে শক্তি সামন্তের ‘অ্যান ইভিনিং ইন প্যারিস’ সিনেমায় শর্মিলার সাহসী ছবি  রীতিমত আলোড়ন ফেলে দেয় সারা দেশে। র়ক্ষণশীল মানসিকতার অনেকেই সাহসী সে ছবি দেখে সমালোচনা করেছেন , কিন্তু  লাস্য ভঙ্গিমায় শর্মিলার অভিনয় বিপুলভাবে প্রশংসিত হয়। সেই বছরেই ‘ফিল্মফেয়ার ম্যাগাজিনে’র প্রচ্ছদেও এই বেশে তাঁকে দেখা যায়।

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেম কাহিনী ..........

 সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেম কাহিনী ...........✍️


 পরিণত বয়সে সুনীল যাকে ভালবেসে ছিলেন তিনি ছিলেন একজন ফরাসী তরুণী। নাম মার্গারিট ম্যাথিউ । সাতাশ বছরের এই তরুণীর সঙ্গে সুনীলের সাক্ষাৎ হয়েছিল আমেরিকায়। সুনীল তথন মধ্য-পশ্চিম আমেরিকার আয়ওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্য বিভাগের ‘ক্রিয়েটিভ রাইটিং প্রোগ্রাম’-এ অংশ নিতে এক বছরের জন্য সেখানে গিয়েছিলেন। মার্গারিট ছিলেন ওই বিশ্ববিদ্যালয়েরই ফরাসী বিভাগের শিক্ষিকা। সুনীল আয়ওয়া যাওয়ার দু’বছর আগে থেকেই তিনি সেখানে শিক্ষকতা করছিলেন। -


মার্গারিটের আগ্রহ ছিল ভারতীয় পুরাণ ও সংস্কৃতিতে। অন্যদিকে সুনীলের গভীর অনুরাগ ছিল ফরাসী ভাষা ও সাহিত্যে। দু’জনে ছিলেন দু’জনার পরিপূরক। সুতরাং খুব দ্রুত তাদের মধ্যে অন্তরঙ্গতা হয়ে গিয়েছিল। ঘণ্টার পর ঘণ্টা, কথনো বা সারাদিন দু’জন একই ঘরে গল্প করেছেন, ড্রিঙ্ক করেছেন, খাবার ভাগাভাগি করে খেয়েছেন, এমন কী মাসিক খরচও শেয়ার করেছেন। দু’জন এতটাই অন্তরঙ্গ হয়ে উঠেছিলেন যে, কেউ কাউকে ছাড়া দীর্ঘ সময় থাকতে পারতেন না - 


সুনীল তার ‘ছবির দেশে, কবিতার দেশে’ শীর্ষক আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থে তাদের সম্পর্ক ও ঘটনা প্রবাহের যে বর্ণনা দিয়েছেন, এতে এটুকু পরিষ্কার যে তাদের সম্পর্কটা শুধু বন্ধুত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। দু’জন দু’জনকে গভীরভাবে শুধু ভালই বাসেননি, প্রেমেও পড়েছিলেন। মার্গারিট তার ধর্মীয় সংস্কারের কারণে এবং সুনীল তার বাস্তব পরিস্থিতি ও দেশে ফেরার টানে প্রকাশ্যে এ প্রেমের কথা একে-অপরের কাছে স্বীকার করেননি। অবশ্য শেষের দিকে মার্গারিট অনেকখানি দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন, ভালবাসা ও ধর্মীয় বিশ্বাসের টানাপোড়নে ভেঙ্গে পড়েছিলেন। অন্যদিকে সুনীল নিজেকে সামলে নিতে পারলেও মার্গারিটের জন্য তার হাহাকারের কথা বহুবার স্বীকার করেছেন তার লেখায়। 


মার্গারিটের সঙ্গে সুনীলের বন্ধুত্বের সূত্রপাতটা ছিল বেশ মজার। একদিন সুনীল তার ‘ক্রিয়েটিভ রাইটিং প্রোগ্রাম’-এ অংশগ্রহণকারী বন্ধুদের নিমন্ত্রণ   করেছিলেন বাসায়। ওই দলে মার্গারিটও এসেছিলেন তার এক বান্ধবীর সঙ্গে। যাওয়ার সময় মার্গারিট তার একটি বই ফেলে রেখে যান সুনীলের বাসায়। পরের দিন বইটা নিতে যাওয়ার সময় মার্গারিট বলেন, তিনি শকুন্তলা উপাখ্যানটা বুঝতে চান। সুনীল যদি তাকে এটা বুঝিয়ে দেন, তাহলে তিনিও তাকে অনেক ফরাসী কবিতা পড়ে শোনাবেন। এ প্রস্তাবে সুনীল খুশী হয়েছিলেন। কিন্তু এরপর মার্গারিটের আর দেখা নেই। সুনীলও তাকে মনে মনে খুঁজছিলেন, কিন্তু লজ্জায় কাউকে সে কথা বলতে পারছিলেন না। পরে একদিন লাইব্রেরীতে দেখা হলে সুনীল তাকে বললেন, ‘কী ব্যাপার শকুন্তলার উপাখ্যান শুনতে তুমি আর এলে না?’ জবাবে মার্গারিট বলেন, ‘তুমি তো আমাকে ডাকোনি।…আমি নিজে থেকে তোমার বাড়িতে দু’বার গেছি। তারপরও কি আবার সেধে সেধে যাব ?’ মূলতঃ এ ঘটনার পর থেকেই দু’জনের বন্ধুতের শুরু। পরবর্তীকালে দু’জনের সম্পর্কটা যখন গাঢ় হয়, তখন মার্গারিট একদিন কথায় কথায় বলেন, বইটা তিনি সুনীলের বাসায় ইচ্ছে করেই ফেলে রেখে গিয়েছিলেন। যাতে তার সঙ্গে আরেকবার দেখা হয়। জবাবে সুনীলও বলেন, লাইব্রেরীতে মার্গারিটের সঙ্গে তার হঠাৎ দেখা হয়নি। তার দেখা পাওয়ার জন্য তিনিও কয়েকদিন ধরে লাইব্রেরীতে যাওয়া-আসা করছিলেন। সুনীল লিখেছেন, পুরনো এ ঘটনাটা নিয়ে পরে তারা দু’জনেই বেশ হাসাহাসি করেছেন। 


মার্গারিট ছিলেন গোঁড়া ক্যাথলিক পরিবারের মেয়ে। তার দুই বোন ছিল নান্ (সন্ন্যাসিনী)।  সুনীল লিখেছেন, মার্গারিটের বাড়িতে যাওয়ার কথা শুনে মার্গারিট তার হাত চেপে ধরে কাতর গলায় বলেছিল, “সুনীল, প্লীজ, তুমি আমাকে বিয়ে করতে চেও না।… তুমি চাইলে আমি না বলতে পারব না। কিন্তু আমার মা-বাবা এমন কষ্ট পাবেন, আমার অসুস্থ মা এমন আঘাত সহ্য করতে পারবেন না। না, না, তা আমি পারব না।


এর দুই-তিন বছর পর স্বাতীর প্রেমে বাঁধা পড়েন সুনীল। তবে স্বাতীকে সুনীল মার্গারিটের সব কথাই খুলে বলেছিলেন এবং একই সঙ্গে মার্গারিটকেও জানিয়েছিলেন স্বাতীর কথা। মার্গারিট মেনে নিয়েছিলেন সবকিছু। স্বাতীও মার্গারিটকে চিঠি লিখেছিলেন। মার্গারিট শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন সুনীল-স্বাতীর বিয়েতে।


সুনীলের বিয়ের কয়েক বছর পর মার্গারিটের জীবনে ঘটে এক দুঃখজনক ঘটনা। শ্বেতাঙ্গ মার্গারিটকে একদিন রাস্তা থেকে একটি মাইক্রোতে করে তুলে নিয়ে যায় কয়েকজন কৃষ্ণাঙ্গ দুর্বৃত্ত। তারপর তার আর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। 


সুনীল লিখেছেন, “মার্গারিটের কাছ থেকে আমি অনেক দূরে সরে এসেছি। আমার বয়স বেড়েছে, কিন্তু তার বয়স একটুও বাড়েনি।… মার্গারিট বেঁচে থাকলে এতদিনে  তার সঙ্গে আমার কী রকম সম্পর্ক হতো, তা জানি না। তবে ফরাসী দেশের মাটিতে পা দিলেই আমি যেন শুনতে পাই তার যৌবনময় কণ্ঠস্বর। তার উচ্ছসিত হাসির শব্দ, তার চোখ দিয়েই এখনো অনেক কিছু দেখি। ...

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~ সংগৃহীত.....

আপনার জীবনকে পাল্টে দিতে পারে শেক্সপিয়ারের এমন কিছু উক্তি সমূহ :

 আপনার জীবনকে পাল্টে দিতে পারে শেক্সপিয়ারের এমন কিছু উক্তি সমূহ :


 📍যা তুমি দেখাও, তার চেয়ে বেশি তোমার থাকা উচিত। যা তুমি জান, তার তুলনায় কম কথা বলা উচিত।!


 📍সততার কাছে দুর্নীতি কোন দিন জয়ী হতে পারে না।


 📍দুটো জিনিস খুবই কষ্টদায়ক। একটি হচ্ছে, যখন তোমার ভালোবাসার মানুষ তোমাকে ভালোবাসে কিন্তু তা তোমাকে বলে না। আর অপরটি হচ্ছে, যখন তোমার ভালোবাসার মানুষ তোমাকে ভালোবাসে না এবং সেটা তোমাকে সরাসরি বলে দেয়।


📍বিপদের সময়ে যে হাত বাড়িয়ে দেয় সেই সত্যিকারের বন্ধু।


 📍দু:খ কখনও একা আসে না, যখন আসে তখন তার দলবল নিয়ে-ই আসে।


📍আমি সবসময় নিজেক সুখী ভাবি, কারণ আমি কখনো কারো কাছে কিছু প্রত্যাশা করি না, কারো কাছে কিছু প্রত্যাশা করাটা সবসময় এই দুঃখের কারণ হয়ে দাড়ায়।


📍অভাব যখন দরজায় এসে দাঁড়ায়, ভালবাসা তখন জানালা দিয়ে পালায়।


📍কাউকে সারা জীবন কাছে পেতে চাও। তাহলে প্রেম দিয়ে নয় বন্ধুত্ব দিয়ে আগলে রেখো। কারন, প্রেম একদিন হারিয়ে যাবে কিন্তু বন্ধুত্ব কোনদিন হারায় না।


📍যে তার ভালবাসা প্রকাশ করতে পারে না, সে ভালোবাসতেই জানে না।


 📍আনন্দ ও কাজ সময়কে সংক্ষিপ্ত করে।


 📍সাফল্যের ৩টি শর্তঃ - অন্যের থেকে বেশী জানুন! - অন্যের থেকে বেশী কাজ করুন! - অন্যের থেকে কম আশা করুন!


 📍তোমার একটু অভিমানের জন্য যদি কারো চোঁখে জল আসে, তবে মনে রেখো, তার চেয়ে বেশি কেউ তোমাকে ভালোবাসে না।


📍তোমার বন্ধু যখন বিপদে থাকবে, তখন সে না ডাকলেও তাকে সাহায্য কর। কিন্তু, যখন সে খুশিতে থাকবে, তখন সে না ডাকলে যেওনা।


📍শেক্সপিয়ার কে একজন জিজ্ঞেস করলো "তুমি বিয়ে করেছ তোমার চেয়ে বেশি বয়সের একটি মেয়েকে। তোমার লজ্জা করেনা।" শেক্সপিয়ার তাকে একটি ক্যালেন্ডার এনে দেখালেন আর বললেন "আপনি বলতে পারবেন সপ্তাহের সাতটি দিনের মধ্যে কোনটা যুবক আর কোনটা বৃদ্ধ?" আসলে ভালবাসার কোন বয়স হয়না আপনি যে কাউকেই ভালবাসতে পারেন।


📍প্রয়োজন খারাপ কেও ভাল করে তোলে।


📍মহত্ত্বের প্রতীক হচ্ছে ক্ষমাশীলতা।


 📍জীবন-জীবন মানেই অনিশ্চিত ভ্রমণ।


 📍আমি নষ্ট করেছি সময়, এখন সময় নষ্ট করছে আমায়।


 📍ভীরুরা তাদের প্রকৃত মৃত্যুর আগেই বহুবার মরে, কিন্তু সাহসীরা জীবনে মাত্র একবারই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করে থাকে|

👉ভালো লাগলে লাইক কমেন্ট এবং শেয়ার দিয়ে রাখুন।

#সংগৃহীত

গায়রত কী?

 গায়রত কী?


সাহাবীরা তাদের স্ত্রী'র নাম পর্যন্ত পরপুরুষকে বলতো না।

এটাই গায়রত।

একজন গায়রতহীন পুরুষ বড়ই ভ*য়ং*কর।

এখনকার সময়ের পুরুষদের গায়রত থাকবে তো দূর, তারা তাদের স্ত্রীর বে*পর্দা ছবি ফেসবুকে আপলোড দেয়!!

আল্লাহুম্মাগফিরলী..!


ঘটনা ১

একদিন এক ব্যাক্তি আলি ইবনু আবি তালিব (রা) কে জিজ্ঞাসা করলেন তার স্ত্রী কেমন আছে?

তিনি উত্তর দিলেন:

" যদি তোমার র;ক্ত হালাল হতো,তাহলে আমি ত*র*বা*রি দিয়ে তোমার মা*থা কে*টে ফেলতাম।"

[ ইবনে কাসীর,আল- বিদায়া ওয়ান- নিহায়া]


ঘটনা ২ 

মক্কার এক মু*শ*রি*ক তার উটকে জ*বে;হ 

করে দিচ্ছিলো। তখন তাকে জিজ্ঞেস করা হলো আপনি উট টি জ*বে*হ কেন করলেন?

 আপনার টাকার প্রয়োজন হলেত বিক্রি করে দিতে পারতেন।

তখন লোকটি বললো, 

এই উটের উপর আমার মহিলারা  বসতো, বিক্রি করে দিলে এই উটের উপর অন্যপুরুষ বসবে এটা আমার সহ্য হবে না, 

তাই এই উটই আমি রাখবো না।

একজন মু*শ*রি;ক হওয়া সত্বেও তার কত গায়রত!!!

আর আমাদের ভাই- বোনদের কি দশা??

আস্তাগফিরুল্লাহ্ 


গায়রতহীন পুরুষরা সবাই দা*ই*য়ুজ। রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ তারা জান্নাত তো পাবেই না, জান্নাতের গন্ধও পাবে না।


وَ مَا الۡحَیٰوۃُ  الدُّنۡیَاۤ   اِلَّا مَتَاعُ  الۡغُرُوۡرِ ﴿۲۰﴾

আর দুনিয়ার জীবনটা তো ধো*কার সামগ্রী ছাড়া আর কিছুই নয়।

 (সুরা হাদীদ-২০)


এবং সেদিন জা*হা*ন্না*ম*কে আনা হবে!

সেদিন মানুষ স্মরণ করবে, কিন্তু এই স্মরণ তার কি কাজে আসবে? 

(সূরা ফাজর,আয়াত-২০)

স্ত্রীকে সাথে নিয়ে বন্ধুদের সাথে হাসি তামাসা আড্ডায় ব্যস্ত থাকে!!

বউয়ের চুল দেখা যাবে তাতে কষ্ট পাবে তো দূর, বিয়ের সময় বন্ধুকে নিজের বউকে দেখিয়ে পরে আবার শোনে, মেয়েটা কেমন রে!!

বন্ধুদের চোখের খো*রা*ক বানিয়ে তারপর সে বিয়ে করে!

আর এটাই নাকি এখনকার ভদ্র সমাজের ট্রেন্ড! 


আল্লাহুম্মাগফিরলী

আর এখনকার পুরুষদের গায়রত থাকবে তো দূরের কথা,,,

অনেকে গায়রত কি সেটাও জানেনা 

হায় আফসোস!


এই উম্মাহর কোনো নারী গায়রতহীন পুরুষকে আপন করে নিছে এমন নজির নাই। 

হায় আফসোস! 

 

এই উম্মার পুরুষরা আজ জানেই না 

গায়রত কী? 

মহিলারা আজ বোঝে না গায়রতের মর্ম। 

বরং তারা গায়রতহীন চাকচিক্যময় নিবেদিত পুরুষদেরই খুঁজে ফেরে হর হামেশা

গায়রতহীন পুরুষরা সবাই দা*ই*য়ু*জ রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ তারা জান্নাত তো পাবেই না, জান্নাতের গন্ধও পাবে না।

ইয়া রব বুঝার তৌফিক দান করুন সকল মুসলিম ভাই বোনকে।

আল্লাহুম্মা আমীন..!🤲

©

ধীরেন্দ্রনাথ রায় চৌধুরী দরজা খুলে হাসিমুখে বললেন- কেমন আছ বাবা? (তিনি ধরেই নিলেন সামনে দাঁড়িয়ে থাকা যুবকটি তাঁর ছাত্র) কলিমউল্লাহ বলল- স্যার ভালো আছি

 ধীরেন্দ্রনাথ রায় চৌধুরী দরজা খুলে হাসিমুখে বললেন- কেমন আছ বাবা?

(তিনি ধরেই নিলেন সামনে দাঁড়িয়ে থাকা যুবকটি তাঁর ছাত্র)

কলিমউল্লাহ বলল- স্যার ভালো আছি। আপনি কী আমাকে চিনতে পেরেছেন, স্যার?

(তিনি তাকে চিনতে পারেন নি। চিনতে পারার কথাও না)

তারপরও হাসিমুখে বললেন- চিনতে পারব না কেন?চিনেছি।

(মিথ্যা বলার কারণ হলো তিনি অতীত অভিজ্ঞতায় দেখেছেন, যতবার কোনো ছাত্রকে দেখে তিনি না চেনার কথা বলেছেন, ততবারই তারা ভয়ঙ্কর মনে কষ্ট পেয়েছে। এক ছাত্র তো কেঁদেই ফেলেছিল)

.

ধীরেন্দ্রনাথ রায় বললেন- বাবা, তোমার নামটা যেন কী?

- কলিমউল্লাহ।

- হ্যাঁ, তাই তো। কলিমউল্লাহ। এখন পরিষ্কার মনে পড়েছে। তুমি কি খাওয়াদাওয়া করেছ?

- জ্বি না, স্যার।

- এসো আমার সঙ্গে চারটা ভাত খাও। আয়োজন খুব সামান্য। ভাত, ডিম ভর্তা। ঘরে আরো ডিম আছে। তোমাকে ডিম ভেজে দেব। ঘরে এক কৌটা ভালো গাওয়া ঘি ছিল, কৌটাটা খুঁজে পাচ্ছি না..

.

কলিমউল্লাহ বলল- এখন খেতে পারব না। আপনার কাছে আমি একটা অতি জরুরি কাজে এসেছি।

- জরুরি কাজটা কী?

- মিলিটারির এক কর্নেল আপনার সাথে কথা বলতে চান।

ধীরেন্দ্রনাথ রায় বিস্মিত হয়ে বললেন- আমার সাথে মিলিটারির কী কথা?

- আমি জানি না। তবে স্যার আপনার ভয়ের কিছু নেই। আমি সঙ্গে আছি।

.

ধীরেন্দ্রনাথ রায় বললেন- তুমি আমার কোন ব্যাচের ছাত্র বলো তো?

- কথা বলে সময় নষ্ট করতে পারব না। মিটিংটা শেষ করে আসি, তারপর গল্প করব।

- দুইটা মিনিট অপেক্ষা করো, ভাতটা খেয়ে নিই। আমি খুব ক্ষুধার্ত। সকালে নাশতা করিনি।

- ভাত খাবার জন্যে অপেক্ষা করার সময় নাই স্যার।

- তাহলে দাঁড়াও, পাঞ্জাবিটা গায়ে দিয়ে আসি। আমার সঙ্গে কি কথা বুঝলাম না। সে আমার ছাত্র না তো? করাচি ইউনাভার্সিটিতে আমি দু'বছর মাষ্টারি করেছি। প্রফেসর সালাম সাহেব সেখানে আমার কলিগ ছিলেন।


কলিমউল্লাহ বলল- আপনার ছাত্র হবার সম্ভাবনা আছে। কর্নেল সাহেব যেভাবে বললেন "স্যারকে একটু নিয়ে আসো"... তাতে মনে হচ্ছে উনি আপনার ছাত্র।

.

ধীরেন্দ্রনাথ রায় চৌধুরী গাড়িতে উঠে দেখলেন.. গাড়ি ভর্তি মানুষ । তারা সবাই চিন্তায় অস্থির। ধীরেন্দ্রনাথ রায় তাদের দিকে তাকিয়ে আন্তরিক ভঙ্গিতে হাসলেন। ভুলে তিনি চশমা ফেলে এসেছেন বলে তাদের কাউকে চিনতে পারলেন না। চোখে চশমা থাকলে এদের অনেককেই তিনি চিনতেন। বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানরা সেই গাড়িতে বসেছিলেন। তাঁদের নিয়ে যাওয়া হবে বধ্যভূমিতে....


(জোছনা ও জননীর গল্প : হুমায়ূন আহমেদ)

BMW সম্পর্কে দশটি অজানা তথ্য

 #BMW সম্পর্কে দশটি অজানা তথ্য


১. প্রতিষ্ঠা এবং ইতিহাস: বিএমডব্লিউ, বায়ারিশে মোটরেন ওয়ার্ক এজি, ১৯১৬ সালে মিউনিখ, জার্মানিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, প্রথমে বিমানের ইঞ্জিন উৎপাদন করে। কোম্পানী 1920 এর দশকে মোটর সাইকেল উৎপাদনে রূপান্তরিত হয় এবং অবশেষে 1930 এর দশকে অটোমোবাইলে পরিণত হয়।


২। আইকনিক লোগো: বিএমডব্লিউ লোগো, যাকে প্রায়শই "রাউন্ডেল" বলা হয়, একটি কালো আংটি নিয়ে গঠিত যা নীল এবং সাদা চার চতুর্থাংশ দিয়ে ছেদ করে। এটি বিমানের কোম্পানির উত্সকে প্রতিনিধিত্ব করে, নীল এবং সাদা একটি স্পষ্ট নীল আকাশের বিরুদ্ধে একটি ঘূর্ণন প্রপেলার প্রতীক।


৩। প্রযুক্তিতে উদ্ভাবন: বিএমডব্লিউ অটোমোটিভ প্রযুক্তিতে উদ্ভাবনের জন্য বিখ্যাত। এটি ২০১৩ সালে বিশ্বের প্রথম বৈদ্যুতিক গাড়ি, বিএমডব্লিউ আই৩ চালু করে, এবং উন্নত ড্রাইভিং সহায়তা সিস্টেম (এডিএএস) এবং হাইব্রিড পাওয়ারট্রেন উন্নয়নে একজন নেতা হয়েছে।


৪. কর্মক্ষমতা এবং মোটরস্পোর্ট হেরিটেজ: মোটরস্পোর্টে বিএমডব্লিউ এর একটি শক্তিশালী ঐতিহ্য আছে, বিশেষ করে ভ্রমণের গাড়ি এবং ফর্মুলা 1 রেসিং এ। ব্র্যান্ড এর এম বিভাগ তাদের নিয়মিত মডেলগুলির উচ্চ-পারফরম্যান্স সংস্করণ তৈরি করে, যা তাদের নির্ভুলতা ইঞ্জিনিয়ারিং এবং উত্তেজনাপূর্ণ ড্রাইভিং গতিশীলতার জন্য পরিচিত।


৫। বিশ্বব্যাপী উপস্থিতি: বিএমডব্লিউ একটি বিশ্বব্যাপী অটোমোটিভ কোম্পানি


৬. বিলাসিতা এবং নকশা: বিএমডব্লিউ বিলাসিতা এবং স্বতন্ত্র নকশার সমার্থক, কারুশিল্প যা আধুনিক প্রযুক্তি এবং আরামের সাথে কমনীয়তা মিশ্রিত করে।


৭. টেকসই অনুশীলন: বিএমডব্লিউ স্থায়িত্বের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তার যানবাহনের মধ্যে পরিবেশ বান্ধব উপকরণ এবং উৎপাদন প্রক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত করে, পাশাপাশি বিএমডব্লিউ আই৪ এবং আইএক্স এর মত মডেলের সঙ্গে বৈদ্যুতিক যানবাহন প্রযুক্তির অগ্রগতি।


৮. গ্লোবাল ম্যানুফ্যাকচারিং: বিএমডব্লিউ বিশ্বব্যাপী অসংখ্য প্রোডাকশন সুবিধা পরিচালনা করে, যার মধ্যে আছে জার্মানি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং অন্যান্য দেশ আছে, যাতে একটি বিশ্বব্যাপী পৌঁছানোর এবং স্থানীয় উত্পাদনের নিশ্চিত হয়।


৯। ব্র্যান্ড পোর্টফোলিও: এর বিখ্যাত বিএমডব্লিউ ব্র্যান্ড ছাড়াও, কোম্পানী মিনি এবং রোলস-রয়েস এর মালিক, বিভিন্ন ধরণের অটোমোটিভ স্বাদ এবং বিলাসবহুল সেগমেন্টস সরবরাহ করে।


১০। সাংস্কৃতিক প্রভাব: বিএমডব্লিউ এর গাড়িগুলি প্রায় সাংস্কৃতিক আইকন হয়ে ওঠে, যা বৈশিষ্টযুক্ত।

পরম শ্রদ্ধায় তাকে স্মরন করে তারই কিছু কবিতা আমি দিলাম এখানে।

 পরম শ্রদ্ধায় তাকে স্মরন করে তারই কিছু কবিতা আমি দিলাম এখানে।

কতখানি বিরহ বেদনার সাগরে ভেসে ভেসে তিনি  কবিতাকে ভালোবেসে হেলেনকে ভুলতে চেয়েছেন?

হেলাল হাফিজ।


"অবেলার খেলা"।


প্লিজ..


অবেলায় তরঙ্গ তুলিয়া 

রঙ্গে ভঙ্গ দিওনা।

ওগো,বাঁচিবনা

মরিয়া যাইবো আমি মরনের আগে"॥


(২)

আজন্ম মানুষ আমাকে পোড়াতে পোড়াতে 

কবি করে তুলেছে।

মানুষের কাছে এও তো এর ধরনের ঋন!

এমনই কপাল আমার 

অপরিশোধ্য এই ঋন বেড়েই চলেছে।।


(৩)

যুক্তি যখন আবেগের কাছে অকাতরে

পর্যুদস্ত হতে থাকে

কবি কিংবা মানুষের কাছে

সেইটা বোধকরি সব চেয়ে বেশী

সংকোচ আর সংকোটের সময়।


আছি।

হয়তো তোমাকে হারিয়ে দিয়েছি

নয়তো গিয়েছি হেরে

থাকনা ধ্রুপদী অস্পস্টতা

কে কাকে গেলাম ছেড়ে


হয়ত এখন

আমি নিয়ন্ত্রহীন 

নাজুক পরিস্থিতির মুখোমুখি

নইলে তোমাকে এতদিন তোমাকে

একটা চিঠিও লিখতে না পারার

কস্ট কি আমারও কম?

মনে হয় মরনের পাখা গজিয়েছে।।।


উনার চলে যাবার তীব্র যাতনা পাঠকের হৃদয় চুরমার করে দিয়েছে।

আসলে প্রেম আর দ্রোহ মিলিয়ে মিশিয়ে তার রচনার যে অনন্ত অসীমের বর্হিপ্রকাশ ছিলো তা পাঠকের কাছে পৌঁছে দিয়ে চিরতরে উনি শান্তির কোলে চলে গেলেন।

উনার প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা রইল,ওপারে উনি ভালো থাকবেন।।।

বাংলাদেশের সংগীত জগতের তিন স্বর্ণগায়িকার কন্ঠে পাঁচটি করে দেশের গান: 

 বাংলাদেশের সংগীত জগতের তিন স্বর্ণগায়িকার কন্ঠে পাঁচটি করে দেশের গান: 


★শাহনাজ রহমতউল্লাহ 


১. জয় বাংলা, বাংলার জয় 

কথা: গাজী মাজহারুল আনোয়ার 

সুর: আনোয়ার পারভেজ 

সহশিল্পী: আব্দুল জব্বার 


২. এক নদী রক্ত পেরিয়ে 

কথা,সুর: খান আতাউর রহমান 


৩. একতারা তুই দেশের কথা 

কথা: গাজী মাজহারুল আনোয়ার 

সুর: দেবু ভট্টাচার্য 


৪. একবার যেতে দে না ছোট্ট সোনার গাঁয় 

কথা: গাজী মাজহারুল আনোয়ার 

সুর: আনোয়ার পারভেজ 


৫. প্রথম বাংলাদেশ, আমার শেষ বাংলাদেশ 

কথা: মনিরুজ্জামান মনির 

সুর: আলাউদ্দিন আলী 


★ সাবিনা ইয়াসমিন 


১.একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার 

কথা: নঈম গহর 

সুর: অজিত রায় 


২. জন্ম আমার ধন্য হলো 

কথা: নঈম গহর 

সুর: আজাদ রহমান 


৩.সব কটা জানালা খুলে দাও না 

কথা: নজরুল ইসলাম বাবু 

সুর: আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল 


৪. সেই রেললাইনে ধারে মেঠো পথ

কথা: মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান 

সুর: আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল 


৫. সুন্দর সুবর্ণ তারুণ্য 

কথা,সুর: আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল 


★রুনা লায়লা 

১. প্রতিদিন তোমায় দেখি সূর্যরাগে 

কথা: মো: মনিরুজ্জামান 

সুর: দেবু ভট্টাচার্য 


২. আমার অনেক ঋণ আছে 

কথা: শামসুর রাহমান 

সুর: খন্দকার নুরুল আলম 


৩. নদীর মাঝি বলে এসো নবীন 

কথা: আবু হেনা মোস্তফা কামাল 

সুর: খন্দকার নুরুল আলম 


৪. বাংলাদেশের স্বাধীনতা লক্ষ প্রাণের দান 

কথা: মো: মনিরুজ্জামান 

সুর: দেবু ভট্টাচার্য 


৫. স্বাধীনতা এক গোলাপ ফোটানো দিন 

কথা: মো: মনিরুজ্জামান 

সুর: দেবু ভট্টাচার্য

মুগডাল উৎপাদন কৌশল,,,, কৃষি বাতায়ন

 

পুষ্টি মূল্য
মুগ ডালে প্রচুর পরিমানে খাদ্য শক্তি ও প্রোটিন আছে।

ব্যবহার
ডাল হিসেবে প্রধানত খাওয়া হয়।

উপযুক্ত জমি ও মাটি
বেলে দো-আঁশ ও পলি দো-আঁশ মাটি, মাঝারি উঁচু এবং সুনিষ্কাশিত জমি মুগ আবাদের জন্য উপযোগী।

 

জাত পরিচিতি

বারি মুগ-২ (কান্তি)
বারি মুগের কান্তি জাত দিবস নিরপেক্ষ হওয়ায় খরিফ-১, খরিফ-২ এবং রবি মৌসুমের শেষ দিকেও চাষ করা যায়। রান্নার সময়কাল ১৫-১৮ মিনিট। আমিষের পরিমাণ ২০-২৪%। জীবনকাল ৬০-৬৫ দিন। ফলন হেক্টরপ্রতি ০.৯-১.১ টন। জাতটি সারকোস্পোরা দাগ ও হলদে মোজাইক রোগ সহনশীল।
বারি মুগ-৩ (প্রগতি)
বীজ মসৃণ ও রং বাদামি সবুজ। রান্না হওয়ার সময়কাল ১৪-১৭ মিনিট। দিবস নিরপেক্ষ হওয়ায় খরিফ-১, খরিফ-২ এবং রবি মৌসুমে বিলম্বে আবাদ করা যায়। আমিষের পরিমাণ ১৯-২১%। জীবনকাল ৬০-৬৫ দিন। ফলন হেক্টরপ্রতি ১.০-১.১ টন। জাতটি সারকোস্পোরা দাগ ও হলদে মোজাইক ভাইরাস রোগ সহনশীল।
বারি মুগ-৪ (রুপসা)
বীজ মসৃণ ও রং সবুজ। এ জাত দিবস নিরপেক্ষ হওয়ায় খরিফ-১, খরিফ-২ এবং রবি মৌসুমে বিলম্বে বপন করা যায়। জাতটি দেশের দক্ষিণাঞ্চলের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী। ডাল রান্নার সময়কাল ১৫-২০ মিনিট। আমিষের পরিমাণ ২১-২৪%। জীবনকাল ৬০-৬৫ দিন। ফলন হেক্টরপ্রতি ১.২-১.৪ টন। জাতটি সারকোস্পোরা দাগ ও হলদে মোজাইক ভাইরাস রোগ সহনশীল।
বারি মুগ-৫ (তাইওয়ানী)
গাছের পাতা, ফল ও বীজ আকারে বেশ বড়। বীজের রং গাঢ় সবুজ। হাজার বীজের ওজন ৪০-৪২ গ্রাম। জাতটির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো যে ফল এক সাথে পাকে। ডাল রান্নার সময়কাল ১৭-২০ মিনিট। আমিষের পরিমাণ ২০-২২%। জাতটির জীবনকাল ৬০-৬৫ দিন। ফলন হেক্টরপ্রতি ১.২-১.৫টন। জাতটি সারকোস্পোরা দাগ ও হলদে মোজাইক ভাইরাস রোগ সহনশীল।
বারি মুগ-৬ (রুপসা)
একই সময়ে প্রায় সব শুটি পরিপক্ক হয়। পাতা ও বীজের রং গাঢ় সবুজ এবং পাতা চওড়া। ফুল আসার পরে দৈহিক বৃদ্ধি কম। দানার আকার বড়। প্রতি ১০০ বীজের ওজন ৫.১-৫.২ গ্রাম। গম কাটার পর এপ্রিলের ১ম সপ্তাহ পর্যন্ত বপন করা যায়। এ ছাড়া খরিফ-২ ও রবি মৌসুমের শেষেও বপন করা যায়। হলুদ মোজাইক ভাইরাস এবং পাতার দাগ রোগ সহনশীল। জীবনকাল ৫৫-৫৮ দিন। হেক্টরপ্রতি ফলন ১৫০০ কেজি।
এছাড়াও বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট থেকে উদ্ভাবিত মুগের জাতগুলো হলো:
বিনামুগ-১ (সোনামুগ): বীজ হলদে রঙের এবং অমসৃন। দানার আকার মাঝারি। হেক্টর প্রতি গড় ফলন ০.৯ টন।
বিনামুগ-২: বীজের রঙ ঘোলাটে সবুজ। বারিমুগ-২ (কান্তি) এর বীজ থেকে বড় আকারের বীজ। হেক্টর প্রতি গড় ফলন ১.৪ টন।
বিনামুগ-৩: বীজ সবুজ রঙের এবং অমসৃন। দানার আকার মাঝারি। হেক্টর প্রতি গড় ফলন ১.৪ টন।
বিনামুগ-৪: বীজ সবুজ রঙের এবং অমসৃন। দানার আকার মাঝারি। হেক্টর প্রতি গড় ফলন ১.১ টন।
বিনামুগ-৫: বীজের রঙ উজ্জ্বল সবুজ। বারিমুগ-২ (কান্তি) এর বীজ থেকে বড় আকারের বীজ। হেক্টর প্রতি গড় ফলন ১.৫ টন।
বিনামুগ-৬; বীজের রঙ উজ্জ্বল সবুজ। বারিমুগ-২ (কান্তি) এর বীজ থেকে বড় আকারের বীজ। হেক্টর প্রতি গড় ফলন ১.৫ টন।
বিনামুগ-৭: বীজের রঙ সবুজ। বারিমুগ-২ (কান্তি) এর বীজ থেকে বড় আকারের বীজ। হেক্টর প্রতি গড় ফলন ১.৮ টন।

বীজ বপন
ছিটিয়ে এবং সারি উভয় পদ্ধতিতেই বপন করা যায়। সারিতে বপনের ক্ষেত্রে সারি থেকে সারির দূরত্ব ৩০ সেমি রাখতে হবে।
বারি মুগ-২, বারি মুগ-৩ ও বারি মুগ-৪ এর জন্য হেক্টরপ্রতি ২৫-৩০ কেজি। বারি মুগ-৫ এর জন্য ৪০-৪৫ কেজি বীজের প্রয়োজন। ছিটিয়ে বপনের ক্ষেত্রে বীজের পরিমাণ সামান্য বেশি দিতে হবে।
এলাকাভেদে মুগের বপন সময়ের তারতম্য দেখা যায়। খরিফ-১ মৌসুমে ফাল্গুন মাসের প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত (ফেব্রুয়ারির শেষ ভাগ হতে মার্চের মধ্য ভাগ)। খরিফ-২ মৌসুমে শ্রাবণ-ভাদ্র মাস (আগস্টের প্রথম হতে সেপ্টেম্বরের শেষ ভাগ)। রবি মৌসুমে বরিশাল এলাকার জন্য বপনের উত্তম সময় পৌষ-মাঘ মাস (জানুয়ারির শেষ সপ্তাহ থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্য ভাগ)।

সার ব্যবস্থাপনা
অনুর্বর জমিতে হেক্টরপ্রতি নিম্নরূপ সার ব্যবহার করতে হবে।
সারের নাম            সারের পরিমাণ কেজি/হেক্টর
ইউরিয়া                 ৪০-৫০
টিএসপি                 ৮০-৮৫
এমওপি                 ৩০-৩৫
অণুজীব সার           ৪-৫
শেষ চাষের সময় সমুদয় সার প্রয়োগ করতে হবে। অপ্রচলিত এলাকায় আবাদের জন্য সুনির্দিষ্ট অণুজীব সার প্রয়োগ করা যেতে পারে। তবে প্রতি কেজি বীজের জন্য ৮০ গ্রাম অণুজীব সার প্রয়োগ করা যেতে পারে। সাধারণতঃ অণুজীব সার ব্যবহার করলে ইউরিয়া সার প্রয়োগ করতে হয় না।

সেচ ও আগাছা ব্যবস্থাপনা
বপনের ২৫-৩০ দিনের মধ্যে একবার আগাছা দমন করা প্রয়োজন। অতিবৃষ্টির ফলে যাতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতে না পারে সেজন্য অতিরিক্ত পানি বের হওয়ার ব্যবস্থা রাখতে হবে। এছাড়া খরিফ-১ মৌসুমে বৃষ্টি না হলে সঠিক সময়ে বপনের জন্য বপনের আগে বা পরে একটি সেচ প্রয়োজন। সেচ দিলে চারা গজানোর পর মালচিং করে দিতে হবে।

 

রোগ ব্যবস্থাপনা
রোগের নাম: মুগের পাতার দাগ রোগ
ক্ষতির নমুনা: পাতায় ছোট ছোট লালচে বাদামি বর্ণের গোলাকৃতি হতে ডিম্বাকৃতির দাগ পড়ে। আক্রান্ত পাতার উপর ছিদ্র হয়ে যায়। আক্রমণের মাত্রা বেশি হলে সম্পূর্ণ পাতা ঝলসে যায়। পরিত্যক্ত ফসলের অংশ, বায়ু ও বৃষ্টির মাধ্যমে এ রোগ বিস্তার লাভ করে।
অনুকুল পরিবেশ: বেশি আর্দ্রতা (৮০%) এবং উচ্চ তাপে (২৮ ডিগ্রী সে.) এ রোগ দ্রুত বিস্তার লাভ করে।
ব্যবস্থাপনা: বাভিস্টিন (০.২%) নামক ছত্রাকনাশক ১২-১৫ দিন পরপর ২-৩ বার স্প্রে করতে হবে। রোগ প্রতিরোধী জাত ব্যবহার (বারি মুগ-২, ৩, ৪ এবং ৫) করতে হবে।

রোগের নাম: মুগের পাউডারি মিলডিউ
ক্ষতির নমুনা: এ রোগে পাতায় পাউডারের মত আবরণ পড়ে। সাধারণত: শুষ্ক মৌসুমে এ রোগের প্রকোপ বেশি দেখা যায়। বীজ, পরিত্যক্ত গাছের অংশ ও বায়ুর মাধ্যমে এ রোগ বিস্তার লাভ করে।
ব্যবস্থাপনা: বিকল্প পোষক ও গাছের পরিত্যক্ত অংশ পুড়ে ফেলতে হবে। টিল্ট-২৫০ বা থিওভিট (০.২%) ১০-১২ দিন পরপর ২-৩ বার স্প্রে করতে হবে।

রোগের নাম: মুগের হলদে মোজাইক ভাইরাস রোগ
ক্ষতির নমুনা: মোজাইক ভাইরাস দ্বারা এ রোগ হয়ে থাকে। আক্রান্ত পাতার উপর হলদে সবুজ দাগ পড়ে। সাধারণত: কচি পাতা প্রথমে আক্রান্ত হয়। আক্রান্ত বীজ ও বায়ুর মাধ্যমে এ রোগ বিস্তার লাভ করে। সাদা মাছি নামক পোকা এ রোগের বাহক হিসেবে কাজ করে।
অনুকুল পরিবেশ: বিকল্প পোষক ও সাদা মাছির আধিক্য এ রোগ দ্রুত বিস্তারে সহায়ক।
ব্যবস্থাপনা: রোগ মুক্ত বীজ ব্যবহার করতে হবে। সাদা মাছি দমনের জন্য অনুমোদিত কীটনাশক প্রয়োগ করতে হবে। আক্রান্ত গাছ তুলে পুড়ে ফেলতে হবে।

 

গুদামজাত ডালের পোকা ব্যবস্থাপনা:
ভূমিকা: পূর্ণবয়স্ক পোকা ও কীড়া উভয়ই গুদামজাত ডালের ক্ষতি করে থাকে।
ক্ষতির নমুনা: এ পোকা ডালের খোসা ছিদ্র করে ভিতরে ঢুকে শাঁস খেতে থাকে। ফলে দানা হাল্কা হয়ে যায়। এর ফলে বীজের অঙ্কুরোদগম ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায় এবং খাওয়ার অনুপযুক্ত হয়ে পড়ে।
ব্যবস্থাপনা: গুদামজাত করার আগে দানা ভালভাবে পরিষ্কার করতে হয়। ডালের দানা শুকিয়ে পানির পরিমান ১২% এর নিচে আনতে হবে। বীজের জন্য টন প্রতি ৩০০ গ্রাম ম্যালাথিয়ন বা সেভিন ১০% গুড়া মিশিয়ে পোকার আক্রমণ প্রতিরোদ করা যায়। ফসটক্সিন ট্যাবলেট ২টি বড়ি প্রতি ১০০ কেজি গুদামজাত ডালে ব্যবহার করতে হয়। এ বড়ি আবদ্ধ পরিবেশে ব্যবহার করতে হয়।

ফসল তোলা:
মধ্য-কার্তিক থেকে শেষ ভাগ (অক্টোবর শেষ থেকে নভেম্বর প্রথম)।

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...