এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৪

বাংলাদেশ ভারত সীমান্তের আসাম ও ত্রিপুরা ঘেষা এক জনপদ “বোবারথল”

 সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রল করলে রিলসের মধ্যে কোনো দর্শনীয় স্থান কিংবা নির্মল সবুজ ট্রাভেল ডেস্টিনেশনের স্বল্পদৃশ্যের আকর্ষণীয় রিলস পাওয়া যাবে না এমনটা নেই। প্রতিনিয়ত ওয়েভমেকার জেন-জি এর সোশ্যাল রিলসে নেটিজেনদের মুগ্ধতার দৃষ্টি কাড়ে বদ্বীপের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। তবে এই ট্রেন্ডে উঠে আসেনি বাংলাদেশ ভারত সীমান্তের আসাম ও ত্রিপুরা ঘেষা এক জনপদ “বোবারথল”। প্রাকৃতিক সব রূপলাবন্য ও ঐতিহাসিক জীবনধারা নিয়ে এখনো লোকচক্ষুর আড়ালে থেকে গেছে পর্যটনের অপার সম্ভাবনাময় “বোবারথল”। দুর্গম যোগাযোগ আর বাংলাদেশের সর্বপূর্বের সীমান্তবর্তী ডেস্টিনেশনটিতে প্রচারের অভাবে এখনো পা পড়েনি ভ্রমণবাজদের।


সুউচ্চ পাহাড়ি ট্রেইল, অগণিত প্রাকৃতিক ঝর্ণা, বিশাল লেক, গিরিখাত, বৈচিত্র্যময় আদিবাসী সংস্কৃতি ও ঐতিহাসিক স্থানীয় জীবনধারা নিয়ে স্বয়ংসম্পূর্ণ একটি ভ্রমণ গন্তব্য বোবারথল। এডভ্যাঞ্চারপ্রিয় পর্যটকদের জন্য এটি একটি আদর্শ গন্তব্য। ঢাকা থেকে প্রায় ২৩০ কি.মি. দূরে মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নে এর অবস্থান। বোবারথলে যাত্রাটা কিছুটা সরল ও কিছুটা রোমাঞ্চকর তবে পুরো জার্নিটা দারুণ উপভোগ্য।


বোবারথল যাত্রায় আমাদের চমক শুরু হয় পাহাড় ও চা-বাগানের বুক চিরে ছুটে চলে ট্রেন জার্নি দিয়ে। ঢাকা থেকে এসে নামতে হয় কুলাউড়া জংশনে। তারপর লোকাল বাস কিংবা অটোতে পৌঁছাতে হয় বড়লেখা উপজেলা সদরে। তারপর মাত্র ১০ মিনিটে অটোযোগে পৌঁছাতে হবে বোবারথলের প্রবেশদ্বার ছোটলেখা বাজারে। তারপর শুরু হবে চাদের গাড়ি কিংবা জীপ গাড়িতে পাহাড়-টিলা আর চা বাগানের বুক চিরে এক রোমাঞ্চকর যাত্রা। ক্রমাগত পাহাড়ার চূড়া আর ঢালুপথ পাড়ি দিতে হবে আপনাকে, যত সামনে আগাবেন আপনি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে শত মিটারে উপরে উঠবেন আর হারিয়ে যাবেন সবুজের আবৃত এক পাহাড়ি জনপদের গহীনে।


শীত কিংবা বর্ষার যেই সিজনে আপনি যাত্রা করেন না কেনো দিনের যেকোনো সময়ে সেখানে পৌঁছালে পথিমধ্যে আপনি উপভোগ করবেন সাজেক ও বান্দরবনের আদলের সৃষ্টিকর্তার অপরুপ সৃষ্টি। প্রাকৃতিক এই লীলাভূমিতে প্রবেশ করার দু'টি রাস্তা রয়েছে, আপনি যদি গগণটিলা (হরতকি টিলা) দিয়ে প্রবেশ করেন তবে এই এলাকার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ (পাথারিয়া সংরক্ষিত বনাঞ্চলের অংশ) গগণটিলার বিশালতা উপভোগ করবেন। গগণটিলা থেকেই পতিত দুটি প্রাকৃতিক ঝর্ণায় আপনি গা ভিজিয়ে নিতে পারবেন। তার পাশেই রয়েছে খাসিয়া সম্প্রদায়ের ছবির মতো সাজানো গ্রাম গান্ধাই পুঞ্জি। সেখানে উঁকি মেরে দেখে আসতে পারেন সমৃদ্ধ আদিবাসী জীবনযাপন, বিশেষভাবে পান ও সুপারির ঝুমচাষ কিভাবে তাদের অর্থনীতিকে মজবুত করেছে।


আপনি যদি ছোটলেখা চা বাগানের ভেতর দিয়ে বোবারথল নয়া বাজার রাস্তা দিয়ে প্রবেশ করেন তবে জীপ গাড়িতে যাত্রাপথের অর্ধেকটা সময় পার করবেন ছবির মতো সুন্দর চা বাগানের মধ্যে। উঁচু পাহাড় চড়তে শুরু করার আগেই আপনার যাত্রায় যোগ হবে ছোটলেখা লেক এর জলরাশির আচ্ছাদন। প্রায় দেড় কি.মি. বিস্তৃত এই পাহাড়ি লেকের পাড়ে দাঁড়িয়ে আপনি চারপাশের সুউচ্চ পাহাড়ে আবৃত হীম শীতল আবহে গা ছিমছিম ভয়ংকর অনুভূতি পাবেন। তার পাশেই রয়েছে আরেকটি আদিবাসী পল্লী 'আগার পুঞ্জি'। খাসিয়া ও গারোদের এই পুঞ্জিতে আপনি ঢুঁ মেরে দেখে আসতে পারেন তাদের বৈচিত্র্যময় জীবনধারা। নয়তো সোজা পথে উঁচু উঁচু পাহাড় পাড়ি দেয়ার রক্ত হীম করা এক জীপ জার্নি শেষ করে এসে পৌঁছারে পারেন বোবারথলের মূল জনপদে।


বোবারথলে পৌঁছে আপনি ছোট ছোট ৮ টি গ্রাম নিয়ে গঠিত একটি রহস্যঘেরা পাহাড়ি বাঙালি জনপদে অনেকটা সেকেলে সভ্যতার প্রতিচ্ছবি দেখতে পাবেন। স্বয়ংসম্পূর্ণ অর্গানিক কৃষিপন্য, ঐতিহ্যগত খাবার, বিভিন্ন অচেনা ফল আর গ্রামীন আতিথিয়েতার এক আবহমান বাংলার খাঁটি জীবনধারা। প্রতিটি পাহাড় ও টিলার বাঁকে ছোট ছোট বাড়ি এবং গৃহস্থালি আয়োজন। প্রায় প্রতিটি বাড়ি ঘিরে পান ও সুপারি চাষ। জাম্বুরা, লেবু, জামির বা জাড়া (বিশেষ জাতের বড় লেবু), কমলা, লটকনসহ বিভিন্ন পাহাড়ি ফলের গাছগাছালির দেখা পাবেন প্রতিটি বাড়িতে। কৃষিতে সমৃদ্ধ এই জনপদের মানুষ স্থানীয় উৎপাদনে তাদের বেশিরভাগ চাহিদার যোগান নিশ্চিত হয়।


বোবারথলে আপনি ঘুরে দেখতে পারবেন পেকুছড়া ঝর্ণা, করইছড়া ঝর্ণা, পরিরঢর ঝর্ণা (মুরাগঞ্জ ছড়া), গগণটিলা ঝর্ণা, ষাটঘরি সীমান্ত ছড়াসহ ছোট বড় ৮টি ঝর্ণা। এখানকার প্রতিটি পাহাড়ি ঝিরির উপরিভাগে গহীন পাহাড়ে একটি করে ঝর্ণা রয়েছে, যেগুলোর কোনো নাম ও স্বীকৃতি নেই। স্থানীয়দের কাছে এসব ঝর্ণা বিশুদ্ধ পানির উৎস ছাড়া বিশেষ কোনো গুরুত্ব নেই। এছাড়া গান্ধাই কয়লাটিলা, হরতকি চুনাপাহাড়, সাততলা টিলা (প্রাকৃতিক ব্রিজ), ছোটলেখা লেক, গগণটিলা, ছোটলেখা চা বাগান, জিংগাআলা শাহবাজপুর চা বাগান, গান্ধাই পুঞ্জি, আগারপুঞ্জি, ডিমাই পুঞ্জি ও বাংলাদেশের একমাত্র মুসলিম খাসিয়া পল্লি 'মাঝ গান্ধাই পুঞ্জি'।


বোবারথলকে অন্বেষণ করতে আপনাকে দুই দিনের ভ্রমণ পরিকল্পনা করতে হবে। বোবারথল ভ্রমণের সাথে আপনি দেখে আসতে পারেন সিলেটের সর্বোচ্চ জলপ্রপাত মাধবকুণ্ড ও এশিয়ার সর্ববৃহৎ হাওর হাকালুকি হাওর। বড়লেখা উপজেলা সদর থেকে ১৫ কি.মি. দূরতে আপনি পৌঁছাতে পারেন মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত ও হাকালুকি হাওরে একই সাথে ঘুরে আসতে পারেন ঐতিহাসিক খোঁজার মসজিদ ও পাথারিয়া পাহাড়।


পর্যটনের অপার সম্ভাবনাময় বোবারথলে এখনো সরকারিভাবে কোনো পর্যটন ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। তবে এই পাহাড়ি জনপদের মাঝে সরকারি সহযোগিতায় প্রথমবারের মতো সেখানে কমিউনিটি বেইজড ট্যুরিজম চালু করেছে Ovigo নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। স্থানীয়দের বাড়িতে স্বল্প খরচে হোম-স্টে ও ঐতিহ্যবাহী স্থানীয় খাবারসহ গাইডেড ট্যুর করার সুবিধা রয়েছে সেখানে। এজন্য আপনাকে আগাম অভিগো'র মাধ্যমে হোম-স্টে বুক করতে হয়। তারা আপনার যাত্রার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সব ব্যবস্থা করে দিবে।


বোবারথল জুড়ে অনেক পৌরানিক ভুতের গল্প এখনো প্রচলিত সেখানে গেলে স্থানীয়দের মুখে তা শুনতে মিস করবেন না কিন্তু। আর সবার কাছে একটাই অনুরোধ, এই জায়গা গুলো কিন্তু আর ১০টা পর্যটন স্থানের মত না, সেখানে গিয়ে এমন কিছু করবেন না যাতে স্থানীয়দের কোন সমস্যায় পড়তে হয়।


জমি কেনার আগে অবশ্যই যে বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করবেন: I. প্রথমেই , জমির তফসিল অর্থাৎ জমির মৌজা, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর এবং উক্ত দাগে জমির মোট পরিমাণ সম্পর্কে জানতে হবে। II. যার কাছ থেকে জমি কিনবেন তার কাছ থেকে ঐ জমি সংক্রান্ত সকল কাগজপত্রের ফটোকপি চেয়ে নিন, যেমন- সি.এস খতিয়ান, এস.এ খতিয়ান , আর.এস খতিয়ান, বি.এস/ঢাকা সিটি জরীপের খতিয়ানসহ সর্বশেষ পর্যন্ত যে সকল বেচাকেনা হয়েছে সেগুলোর বায়া দলিল(chain of title), নামজরী খতিয়ান এবং হাল সনের খাজনার দাখিলাসহ সংশ্লিষ্ট সকল কাগজপত্র। III. যার কাছ থেকে জমি কিনবেন সে যদি ক্রয়সূত্রে ভূমির মালিক হয়ে থাকলে তার ক্রয় দলিল বা বায়া দলিল রেকর্ডের সঙ্গে মিল করে বিক্রেতার মালিকানা নিশ্চিত করতে হবে এবং সে যদি উত্তরাধিকার সূত্রে ভুমির মালিক হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে সর্বশেষ জরিপের খতিয়ান বিক্রেতা বা তিনি যার মাধ্যমে প্রাপ্ত তাঁর নামে অস্তিত্ব (যোগসূত্র) মিলিয়ে দেখতে হবে। IV. উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমি বিক্রেতার শরিকদের সঙ্গে বিক্রেতার সম্পত্তি ভাগাভাগির বণ্টননামা (ফরায়েজ) দেখে নিতে হবে। বিক্রেতা যদি বলেন যে আপোষমুলে বণ্টন হয়েছে, কিন্তু রেজিস্ট্রি হয়নি, তবে ফারায়েজ অনুযায়ী বিক্রেতা যেটুকু অংশের দাবিদার শুধু সেটুকু কিনাই নিরাপদ হবে। V. উক্ত জমিটি নিয়ে কোন মামলা বিচারাধীন আছে কিনা কিংবা কোন প্রকার মামলা নিস্পত্তি হয়েছে কিনা এবং ব্যাংক কিংবা অন্য কোন প্রতিষ্ঠানে জমিটি বন্ধক/ দায়বদ্ধতা আছে কিনা। VI. যাচাই করতে হবে জমিটি খাস, পরিত্যক্ত, শত্রু স¤পত্তি কিনা বা সরকার কোন কারনে অধিগ্রহণ করেছে কিনা সে বিষয়ে উপজেলা ভূমি অফিস বা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এল এ শাখা থেকে জেনে নিতে হবে। VII. জমির মালিক নাবালক বা অপ্রকৃতিস্থ কিনা লক্ষ্য রাখতে হবে। নাবালক হলে আদালতের মাধ্যমে অভিভাবক নিযুক্ত করে বিক্রয়ের অনুমতি নিতে হবে। VIII. সর্বশেষ নামজারি পরচা ডিসিআর খাজনা দাখিল (রসিদ) যাচাই করে দেখতে হবে। IX. জমির মালিকানা স্বত্ব সঠিক পাওয়ার পর আপনাকে সি.এস/আর.এস/বি.এস/ঢাকা সিটি জরীপের নকশা নিয়ে সরেজমিনে গিয়ে দেখতে হবে নকশা অনুযায়ী ঐ জমিটি সেই দাগের কিনা এবং সাব–রেজিস্ট্রারের অফিসে তল্লাশি দিয়ে জমির সর্বশেষ বেচাকেনার তথ্য জেনে নেওয়া যেতে পারে। X. এরপর বিক্রয়ের জন্য নির্দিষ্ট জমিটি বর্তমানে কে দখলে আছে, কিনতে গেলে কোন কারনে ভোগ দখলে বাধাগ্রস্থ হবে কিনা কিংবা রাস্তা বা পথাধিকারের কোন বাধা নিষেধ আছে কিনা তাও সরেজমিনে যাচাই করে নিতে হবে।

 জমি কেনার আগে অবশ্যই যে বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করবেন:


I. প্রথমেই , জমির তফসিল অর্থাৎ জমির মৌজা, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর  এবং উক্ত দাগে জমির মোট পরিমাণ সম্পর্কে জানতে হবে।


II. যার কাছ থেকে জমি কিনবেন তার কাছ থেকে ঐ জমি সংক্রান্ত সকল কাগজপত্রের ফটোকপি চেয়ে নিন, যেমন- সি.এস খতিয়ান, এস.এ  খতিয়ান , আর.এস খতিয়ান, বি.এস/ঢাকা সিটি জরীপের খতিয়ানসহ সর্বশেষ পর্যন্ত যে সকল বেচাকেনা হয়েছে সেগুলোর বায়া দলিল(chain of title), নামজরী খতিয়ান এবং হাল সনের খাজনার দাখিলাসহ সংশ্লিষ্ট সকল কাগজপত্র।


III. যার কাছ থেকে জমি কিনবেন সে যদি  ক্রয়সূত্রে ভূমির মালিক হয়ে থাকলে তার ক্রয় দলিল বা বায়া দলিল রেকর্ডের সঙ্গে মিল করে বিক্রেতার মালিকানা নিশ্চিত করতে হবে এবং সে যদি  উত্তরাধিকার সূত্রে ভুমির মালিক হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে সর্বশেষ জরিপের খতিয়ান বিক্রেতা বা তিনি যার মাধ্যমে প্রাপ্ত তাঁর নামে অস্তিত্ব (যোগসূত্র) মিলিয়ে দেখতে হবে।


IV. উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমি বিক্রেতার শরিকদের সঙ্গে বিক্রেতার সম্পত্তি ভাগাভাগির বণ্টননামা (ফরায়েজ) দেখে নিতে হবে। বিক্রেতা যদি বলেন যে আপোষমুলে বণ্টন হয়েছে, কিন্তু রেজিস্ট্রি হয়নি, তবে ফারায়েজ অনুযায়ী বিক্রেতা যেটুকু অংশের দাবিদার শুধু সেটুকু কিনাই নিরাপদ হবে। 


V. উক্ত জমিটি নিয়ে কোন মামলা বিচারাধীন আছে কিনা কিংবা কোন প্রকার মামলা নিস্পত্তি হয়েছে  কিনা এবং ব্যাংক কিংবা অন্য কোন প্রতিষ্ঠানে জমিটি বন্ধক/ দায়বদ্ধতা আছে কিনা।


VI. যাচাই করতে হবে জমিটি খাস, পরিত্যক্ত, শত্রু স¤পত্তি কিনা বা সরকার কোন কারনে অধিগ্রহণ করেছে কিনা সে বিষয়ে উপজেলা ভূমি অফিস বা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এল এ শাখা থেকে জেনে নিতে হবে।

 

VII. জমির মালিক নাবালক বা অপ্রকৃতিস্থ কিনা লক্ষ্য রাখতে হবে। নাবালক হলে আদালতের মাধ্যমে অভিভাবক নিযুক্ত করে বিক্রয়ের অনুমতি নিতে হবে।


VIII. সর্বশেষ নামজারি পরচা ডিসিআর খাজনা দাখিল (রসিদ) যাচাই করে দেখতে হবে।


IX. জমির মালিকানা স্বত্ব সঠিক পাওয়ার পর আপনাকে সি.এস/আর.এস/বি.এস/ঢাকা সিটি জরীপের নকশা নিয়ে সরেজমিনে গিয়ে দেখতে হবে নকশা অনুযায়ী ঐ জমিটি সেই দাগের কিনা এবং  সাব–রেজিস্ট্রারের অফিসে তল্লাশি দিয়ে জমির সর্বশেষ বেচাকেনার তথ্য জেনে নেওয়া যেতে পারে।


X. এরপর বিক্রয়ের জন্য নির্দিষ্ট জমিটি বর্তমানে কে দখলে আছে, কিনতে গেলে কোন কারনে ভোগ দখলে বাধাগ্রস্থ হবে কিনা কিংবা রাস্তা বা পথাধিকারের কোন বাধা নিষেধ আছে কিনা তাও সরেজমিনে যাচাই করে নিতে হবে।

ফুচকা তৈরি করার রেসিপি এখানে দেওয়া হলো

 ফুচকা তৈরি করার রেসিপি এখানে দেওয়া হলো:🤤😋🥰👇


উপকরণ


ফুচকার জন্য:


সুজি: ১ কাপ


ময়দা: ১ টেবিল চামচ


লবণ: স্বাদমতো


জল: মাখার জন্য


তেল: ভাজার জন্য


পুরের জন্য:


সেদ্ধ আলু: ২-৩ টি


সেদ্ধ ছোলা: ১/২ কাপ


পেঁয়াজ কুচি: ১টি


ধনেপাতা কুচি: ১/৪ কাপ


ভাজা জিরা গুঁড়া: ১ চা চামচ


বিট লবণ: ১/২ চা চামচ


লেবুর রস: ১ টেবিল চামচ


কাঁচা মরিচ কুচি: স্বাদমতো


জলের জন্য:


তেঁতুল: ১/৪ কাপ


জল: ২ কাপ


ভাজা জিরা গুঁড়া: ১ চা চামচ


বিট লবণ: ১/২ চা চামচ


চিনি: ১ চা চামচ


কাঁচা মরিচ বাটা: স্বাদমতো


প্রস্তুত প্রণালি


ফুচকার জন্য:


1. একটি পাত্রে সুজি, ময়দা, এবং লবণ একসাথে মিশিয়ে নিন।


2. অল্প অল্প পানি দিয়ে মেখে নরম ডো বানান।


3. ডোটি ৩০ মিনিট ঢেকে রেখে দিন।


4. ডো থেকে ছোট ছোট বল বানিয়ে রুটি আকৃতির করে নিন।


5. মাঝারি আঁচে তেলে ভেজে ফুচকা ফুলিয়ে নিন।


পুরের জন্য:


1. সেদ্ধ আলু চটকে নিয়ে তার সঙ্গে ছোলা, পেঁয়াজ, ধনেপাতা, ভাজা জিরা গুঁড়া, বিট লবণ, লেবুর রস এবং কাঁচা মরিচ মিশিয়ে নিন।


2. ভালো করে মিশিয়ে পুর তৈরি করুন।


পানির জন্য:


1. তেঁতুলের সাথে পানি মিশিয়ে নিন এবং ছেকে নিন।


2. তেঁতুল পানিতে জিরা গুঁড়া, বিট লবণ, চিনি, এবং কাঁচা মরিচ বাটা মিশিয়ে রাখুন।


পরিবেশন প্রণালি


1. ফুচকার ভেতরে পুর ভরে নিন।


2. তেঁতুল পানি সঙ্গে পরিবেশন করুন।


3. খাওয়ার সময় ফুচকার ভিতরে তেঁতুল পানি ঢেলে উপভোগ করুন।


আপনার ফুচকা উপভোগ করুন!

চা বানানোর গুরুত্বপূর্ণ টিপসঃ

 ☕ চা বানানোর গুরুত্বপূর্ণ টিপসঃ ⤵️


☕ চিনি দিয়ে চা খাওয়ার অভ্যাস থাকলে কাপে চিনি দিন।কখনই চিনি,চা পাতা,পানি একসঙ্গে ফুটতে দেবেন না।এতে চায়ের গন্ধ নষ্ট হয়।


☕ এলাচ,লবঙ্গ,দারচিনি দেওয়া চা পছন্দ হলে তা ড্রাইরোস্ট করে থেঁতো করে তবেই ব্যবহার করুন।এতে আরও ভাল গন্ধ পাওয়া যায়।


☕ চা পাতা কখনই প্লাস্টিকের কৌটোতে নয়,কাঁচ কিংবা স্টিলের জারে সংরক্ষণ করুন।খেয়াল রাখবেন যাতে সরাসরি রোদ না লাগে কৌটোতে।


☕ রং চা বানানোর ক্ষেত্রে,পানি আর চা পাতা কিন্তু কখনই একসঙ্গে ফোটাবেন না।এতে গ্যাস নষ্ট,সময় নষ্ট সেই সঙ্গে চায়ের কোনও রকম স্বাদও পাওয়া যায় না।যেমনই চা পাতা হোক না কেন আগে পানি ফুটিয়ে গ্যাস বন্ধ করে তবেই চা পাতা দিন।এরপর ২ থেকে ৩ মিনিট ঢাকা দিয়ে রেখে ছেঁকে নিন।


☕ দুধ চা আর লিকার চা বানানোর পদ্ধতি কিন্তু একদম আলাদা।যে চায়ের পাতায় ভাল লিকার হয়,সেই পাতা দিয়ে দুধ চা বানাবেন না।এক্ষেত্রে দানা চা ( CTC Tea) ব্যবহার করুন।ভাল রং পাবেন।


☕ আদা দিয়ে চা করতে চাইলে আদা গ্রেট করে প্রথমে গরম পানির মধ্যে দিন।তাতে দু-একটা তুলসি পাতা,তিন থেকে চারটে লবঙ্গ,গোলমরিচ ফেলে দিতে পারেন।এই পানি ভাল ভাবে ফুটলে তারপরই গ্যাস বন্ধ করে চা পাতা দিন।দুকাপ চা হলে এক চা চামচ চা পাতা দিন।এই অনুপাতে চায়ের পাতা ব্যবহার করবেন।অতিরিক্ত চা পাতা দিলেই চা খেতে ভাল হবে,এই ধারনা একেবারে ভুল।


☕ লেবু চা বা কমলালেবুর চা পছন্দ হলে আগে থেকে খোসা ছাড়িয়ে তা রোদে শুকিয়ে রাখুন।খুব ভাল করে শুকনো হলে সেই খোসা গুঁড়ো করে অল্প পরিমাণ চায়ের সঙ্গে মিশিয়ে রাখুন।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ১৬-১২-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ১৬-১২-২০২৪ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


নানা কর্মসূচিতে জাতি উদযাপন করছে মহান বিজয় দিবস।


বিজয় দিবস উপলক্ষে কিছুক্ষণ আগে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের গভীর শ্রদ্ধা জানালেন রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা ও বিশেষ আমন্ত্রিত অতিথি পূর্ব তিমুরের সফররত প্রেসিডেন্ট।


পূর্ব তিমুরের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক – বাংলাদেশ ও পূর্ব তিমুরের মধ্যেকার সম্পর্ক ক্রমশ বিস্তৃত ও গভীর হওয়ার আশাবাদ প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের।


বাংলাদেশ ও পূর্ব তিমুরের মধ্যে দুটি চুক্তি সই – বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের তার দেশে বিনিয়োগের আহবান জানালেন প্রেসিডেন্ট জোসে রামোস-হোর্তা।


পেনশনভোগীসহ সব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী মহার্ঘ্য ভাতা পাবেন -জানালেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ডক্টর মোহাম্মদ মোখলেস উর রহমান।


বিনামূল্যে দেওয়া হবে রাশিয়ায় তৈরি ক্যান্সার ভ্যাকসিন। 


সেন্ট ভিসেন্টে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে এখন বাংলাদেশ ব্যাট করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে।

ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাস : দক্ষিণ এশিয়া

 ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাস : দক্ষিণ এশিয়া

• প্রস্তর যুগ ৫০,০০০-৩৩০০ খ্রীষ্টপূর্ব

• মেহেরগড় ৭০০০-৩৩০০ খ্রীষ্টপূর্ব

• হরপ্পা ও মহেঞ্জদর সভ্যতা ৩৩০০-১৭০০খ্রীষ্টপূর্ব

• হরপ্পা সংস্কৃতি ১৭০০-১৩০০ খ্রীষ্টপূর্ব

. বৈদিক যুগ ১৫০০-৫০০ খ্রীষ্টপূর্ব

. লৌহ যুগ ১২০০-৩০০ খ্রীষ্টপূর্ব

• ষোড়শ মহাজনপদ ৭০০-৩০০ খ্রীষ্টপূর্ব

• মগধ সাম্রাজ্য ৫৪৫খ্রীষ্টপূর্ব

• মৌর্য সাম্রাজ্য ৩২১-১৮৪খ্রীষ্টপূর্ব

• মধ্যকালীন রাজ্যসমূহ ২৫০ খ্রীষ্টপূর্ব

• চোল সাম্রাজ্য ২৫০খ্রীষ্টপূর্ব

• সাতবাহন সাম্রাজ্য  ২৩০খ্রীষ্টপূর্ব

• কুষাণ সাম্রাজ্য৬০-২৪০ খ্রীষ্টাব্দ

• বাকাটক সাম্রাজ্য ২৫০-৫০০ খ্রীষ্টাব্দ

• গুপ্ত সাম্রাজ্য ২৮০-৫৫০ খ্রীষ্টাব্দ

• পাল সাম্রাজ্য ৭৫০-১১৭৪ খ্রীষ্টাব্দ

• রাষ্ট্রকুট ৭৫৩-৯৮২

• ইসলামের ভারত বিজয় ৭১২

• সুলতানী আমল ১২০৬-১৫৯৬

• দিল্লি সালতানাত ১২০৬-১৫২৬

• দক্ষিণাত্য সালতানাত ১৪৯০-১৫৯৬

• হৈসল সাম্রাজ্য ১০৪০-১৩৪৬

• কাকতীয় সাম্রাজ্য ১০৮৩-১৩২৩

• আহমন সাম্রাজ্য ১২২৮-১৮২৬

. বিজয়নগর সাম্রাজ্য ১৩৩৬-১৬৪৬

. মুঘল সাম্রাজ্য ১৫২৬-১৮৫৮

. মারাঠা সাম্রাজ্য ১৬৭৪-১৮১৮

. শিখ রাষ্ট্র ১৭১৬-১৮৪৯

. শিখ সাম্রাজ্য ১৭৯৯-১৮৪৯

. ব্রিটিশ ভারত ১৮৫৮–১৯৪৭

. ভারত ভাগ ১৯৪৭

. স্বাধীন ভারত ১৯৪৭–বর্তমান 

. জাতীয় ইতিহাসঃ

. বাংলাদেশ • ভুটান • ভারত

. মালদ্বীপ • নেপাল • পাকিস্তান • শ্রীলঙ্কা

. আঞ্চলিক ইতিহাস

. আসাম • বেলুচিস্তান • বঙ্গ

. হিমাচল প্রদেশ • উড়িষ্যা • পাকিস্তানের অঞ্চল সমূহ

. পাঞ্জাব • দক্ষিণ ভারত • তিব্বত

. বিশেষায়িত ইতিহাস

. টঙ্কন • রাজবংশ • অর্থনীতি ভারততত্ত্ব

• ভাষাবিজ্ঞানের ইতিহাস • সাহিত্য • নৌসেনা

• সেনা • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি • সময়রেখা

এই বাক্সটি: দেখুনসম্পাদনা

এই নিবন্ধটি ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পূর্ববর্তী ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাস-সম্পর্কিত। ১৯৪৭-পরবর্তী ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের ইতিহাস জানতে হলে দেখুন ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের ইতিহাস নিবন্ধটি। এছাড়া পাকিস্তান বা বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ইতিহাস জানতে হলে দেখুন যথাক্রমে পাকিস্তানের ইতিহাস ও বাংলাদেশের ইতিহাস। দক্ষিণ ভারত, অবিভক্ত বাংলা ও পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস জানতে হলে দেখুন যথাক্রমে দক্ষিণ ভারতের ইতিহাস, বাংলার ইতিহাস ও পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস।

অব্যবহিত পরবর্তীতেই একাধিক বৈদেশিক শাসনে আওতায় চলে আসে উত্তর-পূর্বের এই অঞ্চল। এগুলির মধ্যে ৫৪৩ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ নাগাদ প্রতিষ্ঠিত হখামনি পারসিক সাম্রাজ্য ৩২৬ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ নাগাদ মহামতি আলেকজান্ডারের রাজত্বকাল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এছাড়া পাঞ্জাব ও গান্ধার অঞ্চলে ব্যাকট্রিয়ার প্রথম ডিমেট্রিয়াস কর্তৃক ১৮৪ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে স্থাপন করেন ইন্দো-গ্রিক রাজ্য। প্রথম মিনান্ডারের আমলে গ্রিকো-বৌদ্ধ যুগে এই রাজ্য বাণিজ্য ও সাংস্কৃতিক সমৃদ্ধির চরমে পৌঁছায়।


খ্রিষ্টপূর্ব তৃতীয় ও চতুর্থ শতাব্দীতে মৌর্য সাম্রাজ্যের অধীনে উপমহাদেশে রাজনৈতিক ঐক্য সাধিত হয়। পরবর্তী দশ শতাব্দীকালে একাধিক ক্ষুদ্রকায় রাজ্য ভারতের বিভিন্ন অংশ শাসন করে। চতুর্থ খ্রিষ্টাব্দে উত্তর ভারত পুনরায় ঐক্যবদ্ধ হয় এবং পরবর্তী প্রায় দুই শতাব্দীকাল গুপ্ত সাম্রাজ্যের যাবৎ এই ঐক্য বজায় থাকে। এই যুগটি ছিল হিন্দুধর্মসংস্কৃতির পুনর্জাগরণের কাল। ভারতের ইতিহাসে এই যুগ "ভারতের সুবর্ণ যুগ" নামে অভিহিত । এই সময় ও পরবর্তী কয়েক শতাব্দীতে দক্ষিণ ভারতে রাজত্ব করেন চালুক্য, চোল, পল্লব ও পাণ্ড্য রাজন্যবর্গ। তাদের রাজত্বকাল দক্ষিণ ভারতের নিজস্ব এক সুবর্ণ যুগের জন্ম দেয়। এই সময়ই ভারতীয় সভ্যতা, প্রশাসন, সংস্কৃতি তথা হিন্দু ও বৌদ্ধধর্ম এশিয়ার অধিকাংশ অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। ৭৭ খ্রিষ্টাব্দ নাগাদ কেরলের সঙ্গে রোমান সাম্রাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্যের কথাও জানা যায়।


৭১২ খ্রিষ্টাব্দে আরব সেনানায়ক মুহাম্মদ বিন কাশিম দক্ষিণ পাঞ্জাবের সিন্ধ ও উত্তর পাঞ্জাবের মুলতান অধিকার করে নিলে ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলমান শাসনের সূচনা ঘটে।এই অভিযানের ফলে দশম থেকে পঞ্চদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে মধ্য এশিয়া থেকে সংগঠিত একাধিক অভিযানের ভিত্তিভূমি সজ্জিত করে। এরই ফলস্রুতিতে ভারতীয় উপমহাদেশে দিল্লি সুলতানি ও মুঘল সাম্রাজ্যের মতো মুসলমানি সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়। মুঘল শাসনে উপমহাদেশের প্রায় সমগ্র উত্তরাঞ্চলটি ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। মুঘল শাসকরা ভারতে মধ্যপ্রাচ্যের শিল্প ও স্থাপত্যকলার প্রবর্তন ঘটান। মুঘলদের সমকালেই দক্ষিণ ও উত্তর-পূর্ব পশ্চিম ভারতে বিজয়নগর সাম্রাজ্য, অহোম রাজ্য এবং বাংলা, মারাঠা সাম্রাজ্য ও একাধিক রাজপুত রাজ্যের মতো বেশ কিছু স্বাধীন রাজ্যের উন্মেষ ঘটে। অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে ধীরে ধীরে মুঘলদের পতন শুরু হয়। এর ফলে আফগান, বালুচ ও শিখরা উপমহাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে নিজেদের আধিপত্য বিস্তারে সক্ষম হয়।অবশেষে ব্রিটিশরা সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার উপরে নিজেদের শাসন কায়েম করে।


অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যভাগে ও পরবর্তী শতাব্দীতে ধীরে ধীরে ভারত ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনাধীনে চলে যায়। ভারতের প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধের নামে অভিহিত সিপাহী বিদ্রোহেরপ্রেক্ষিতে কোম্পানির শাসনে অসন্তুষ্ট ব্রিটিশ সরকার সরাসরি ভারতকে ব্রিটিশ রাজের প্রত্যক্ষ শাসনে নিয়ে আসেন। এই সময়টি ছিল ভারতের পরিকাঠামো উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অবনমনের এক অধ্যায়। যদিও পাশ্চাত্য আধুনিক শিক্ষার প্রসার এই যুগেই বাংলার মাটিতে নবজাগরণের জন্ম দেয়।


বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস দেশব্যাপী এক স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেয়। অবশেষে, ১৯৪৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশ গ্রেট ব্রিটেনের অধীনতাপাশ ছিন্ন করে ধর্মের ভিত্তিতে ভারত বিভক্ত হয়। উপমহাদেশের পূর্ব ও পশ্চিমাংশের মুসলমান অধ্যুষিত অঞ্চলগুলি নিয়ে পাকিস্তান ও অবশিষ্ট অঞ্চল ভারতীয় প্রজাতন্ত্র নামে পরিচিত হয়। পূর্ব পাকিস্তান নামে পরিচিত পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চল ১৯৭১ সালে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্র হিসেবে আত্ম-প্রতিষ্ঠা করে।


প্রাগৈতিহাসিক যুগ

বৈদিক ও বেদোত্তর যুগঃ


লিচ্ছবি রাজ্যের রাজধানী বৈশালী। লিচ্ছবি ছিল অরোয়াদের পর পৃথিবীর দ্বিতীয় গণতান্ত্রিক রাজ্য।

বৈদিক সংস্কৃতে মৌখিকভাবে রচিত হিন্দুদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ বেদকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা আর্য সভ্যতাই ছিল বৈদিক যুগের ভিত্তি। বেদ বিশ্বের প্রাচীনতম প্রাপ্ত গ্রন্থগুলির অন্যতম। এই গ্রন্থ মেসোপটেমিয়া ও প্রাচীন মিশরের ধর্মগ্রন্থগুলির সমসাময়িক। বৈদিক যুগের সময়কাল ১৫০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ থেকে ৫০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ। এই সময়েই হিন্দুধর্ম ও প্রাচীন ভারতীয় সমাজের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক উপাদানের মূল ভিত্তিগুলি স্থাপিত হয়। গাঙ্গেয় সমভূমি অঞ্চলকে কেন্দ্র করে সমগ্র উত্তর ভারতে বৈদিক সভ্যতাকে ছড়িয়ে দেয় আর্যরা। ভারতীয় উপমহাদেশে ইন্দো-আর্যভাষী উপজাতিগুলির অনুপ্রবেশের ফলে প্রাগৈতিহাসিক পরবর্তী হরপ্পা সভ্যতার পতন ঘটে এবং বিদ্যমান স্থানীয় সভ্যতার উপরেই স্থাপিত হয় বৈদিক সভ্যতা। স্থানীয় বাসিন্দারা আর্যদের কাছে দস্যু নামে পরিচিত হয়।


আদি বৈদিক সমাজ ছিল গ্রামকেন্দ্রিক। ফলত এই যুগে পরবর্তী হরপ্পা সভ্যতার নগরায়ণের ধারণাটি পরিত্যক্ত হয়।ঋগ্বেদোত্তর যুগে, আর্য সমাজ অধিকতর কৃষিভিত্তিক হয়ে পড়ে এবং এই সময়েই সমাজে বর্ণাশ্রম প্রথার উদ্ভব ঘটে। মনে করা হয়, হিন্দুদের আদি ধর্মগ্রন্থ বেদ ছাড়াও সংস্কৃত মহাকাব্য রামায়ণ ও মহাভারতের আদি সূত্রগুলি এই যুগেই নিহিত ছিল। বিভিন্ন পুরাতাত্ত্বিক খননের ফলে প্রাপ্ত মৃৎপাত্রগুলিতে আদি ইন্দো-আর্য সভ্যতার কিছু নিদর্শনের সন্ধান পাওয়া যায়। প্রাচীন ভারতের কুরু রাজ্যে,  কৃষ্ণ ও রক্ত ধাতব ও চিত্রিত ধূসর ধাতব সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া যায়। ১০০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে উত্তর-পশ্চিম ভারতে লৌহ যুগের সুচনা হয়। এই সময়ে রচিত অথর্ববেদে প্রথম লৌহের উল্লেখ মেলে। উক্ত গ্রন্থে লৌহকে "শ্যাম অয়স" বা কালো ধাতু বলে চিহ্নিত করা হয়। চিত্রিত ধূসর ধাতব সভ্যতা উত্তর ভারতে ১১০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ থেকে ৬০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত স্থায়ী হয়।বৈদিক যুগেই ভারতে বৈশালীর মতো একাধিক গণরাজ্য স্থাপিত হয়। এগুলি খ্রিষ্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দী এমনকি কোনো কোনো অঞ্চলে চতুর্থ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্তও স্থায়ী হয়েছিল। এই যুগের পরবর্তী পর্যায়ে বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মধ্যে রাজ্যস্থাপন ও রাজ্যবিস্তারের সংগ্রাম শুরু হয়। এই রাজ্যগুলিই পরিচিত হয় মহাজনপদ নামে।


পাদটীকা: ইতিহাস সম্পর্কিত লেখাগুলো বিভিন্ন সুত্র থেকে সংগৃহীত।




আমাদের গোয়াল ঘর,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 "এই হিসাব যদি মাথায় ডুকাতে পারেন তাহলে দুধের গাভীর খামার করে কখনো লসে পড়বেন না,তবে এলাকা ভিত্তিক দুধের চাহিদা ও দাম ঠিক থাকতে হবে,


 *ধরুন একটি গাভীর ওজন ৪০০ কেজি এবং সে দুধ দেয় ১৪ কেজি,


 *তাহলে এই গাভীকে কত কেজি দানাদার দিতে হবে?

উত্তরঃ সাত কেজি + 


*কত কেজি ঘাস দিতে হবে ?

উত্তরঃ ২০ কেজি + 


*এই গাভীর জন্য কত মেঘাজুল শক্তি দরকার?

উত্তর ১১০ মেঘাজুল,


*কত গ্রাম প্রোটিন দরকার?

উত্তরঃ ১৮০০ গ্রাম,


*এক কেজি উন্নত মানের ঘাসে কত মেঘাজুল শক্তি থাকে?

উত্তরঃ ২ মেঘাজুল,

২০*২=৪০ মেঘাজুল,


*এক কেজি দানাদারে কত মেঘাজুল শক্তি থাকে?

উত্তর ১০ মেঘাজুল,

১০*৭=৭০ মেঘাজুল,


*এক কেজি উন্নত মানের ঘাসে কত গ্রাম প্রোটিন থাকে?

উত্তরঃ ১৩ -২০ গ্রাম বা %

২০*২০= ৪০০ গ্রাম


*এক কেজি দানাদারে কত গ্রাম প্রোটিন থাকে?

উত্তরঃ ২০০ গ্রাম,

২০০*৭=১৪০০গ্রাম,


*১০০ কেজি বডি ওয়েটের জন্য কত মেঘাজুল শক্তি দরকার?

উত্তরঃ ১০ মেঘাজুল,

১০*৪=৪০ মেঘাজুল,


*এক কেজি দুধের জন্য কত মেঘাজুল শক্তি দরকার?

উত্তরঃ ৫ মেঘাজুল,

১৪*৫=৭০ মেঘাজুল,


*১০০ কেজি ওজনের জন্য কত গ্রাম প্রোটিন দরকার?

উত্তরঃ ১০০ গ্রাম,

৪০০ কেজি বডি ওয়েট=৪০০গ্রাম প্রোটিন,


*এক কেজি দুধের জন্য কত গ্রাম প্রোটিন দরকার?

উত্তরঃ ১০০ গ্রাম,

১০০*১৪=১৪০০ গ্রাম প্রোটিন,


শুকনো খড় কম দিলেও হবে,কারন এতে প্রোটিন মাত্র ৩ %,অথচ এর দাম কেজি প্রতি ২০-২২ টাকা,


অপর দিকে কাঁচা ঘাসে প্রোটিন থাকে ১৩-২০ % গ্রাম,অথচ নিজে চাষ করলে এর দাম পড়ে কেজি প্রতি মাত্র ২ টাকা,অথবা সামান্য কম বেশি হতে পারে,


লক্ষ করে দেখুন ২০ টাকার খড়ে পেলেন মাত্র ৩ গ্রাম প্রোটিন,আর ২ টাকার ঘাসে পেলেন ১৩-২০ % বা গ্রাম প্রোপিন,


আপনি যদি এই গাভীকে ২০ কেজির জায়গায় ২৫ কেজি বেশি প্রোটিন সমৃদ্ধ কাঁচা ঘাস দিতে পারেন তাহলে আপনার এই গাভীকে ৬ কেজি দানাদার দিলেও চলবে,এটি প্রমানিত,তাহলে আপনার খরচ কিছুটা কমে আসবে,এখানেই খামারের আসল লাভ,যে ভাবে পারেন খরচ কমাতে হবে,


এই হিসাব নিয়ে কারো অমত থাকলে জানাবেন,সংশোধন করে নেব,


শেয়ার করে নিজের টাইম লাইনে রেখে দিন।

ভালো লাগলে লাইক কমেন্ট শেয়ার করবেন

 

আমাদের গোয়াল ঘর

গরুর খামারের এই প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো জেনে রাখা জরুরী...!! 

 গরুর খামারের এই প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো জেনে রাখা জরুরী...!! 

খামার করে কস্টিং খরচ যতো কমিয়ে রাখতে পারবেন ততটাই কিন্তু লাভের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে।

তার জন্য কিছু কিছু দিক আমাদের অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে😃😃


১.গরুর চোখের ভাষা বুঝতে হবে, নিয়মিত খাবার খাচ্ছে কিনা, জাবর কাটা ও শারীরিক কোন সমস্যা আছে কিনা এরপরে  প্রতি মাসে কতটুকু মাংস বৃদ্ধি পাচ্ছে সেটা অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। 


২.ফার্মে অবশ্যই থার্মোমিটারের ব্যবস্থা রাখতে হবে, যেকোনো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আগে জ্বর সাধারণত ১০৪°/১০৮° পর্যন্ত হয়ে থাকে।

 

৩.নিজেকে অবশ্যই প্রাথমিক চিকিৎসা গুলো জানতে হবে, আর কোনগরু আক্রান্ত হলে তাৎক্ষণিকভাবে আলাদা রাখতে হবে। 

৪.আমরা অনেকেই কৃমির ডোজ সম্পন্ন করতে অনিহা প্রকাশ করি, অবশ্যই গবাদিপশুর গোবর পরীক্ষা করে নিয়মিত ৩/৪ মাস পর পর ক্রিমির ডোজ সম্পন্ন করতে হবে। 

৫.ফার্মের রোগ ছড়িয়ে পড়ার আগেই অবশ্যই ভ্যাকসিন করতে হবে। টিকার ডোজ  সম্পূর্ণ করা থাকলে ফার্মে অনেক রোগ বালাই কম হয়। 


৬.মোটাতাজাকরণ আর গাভী গরু হোক পর্যাপ্ত পরিমাণ কাঁচা ঘাস খাওয়াতে হবে, এতে আপনার দানাদার খাবার খরচ অনেক কম হবে।


৭.১২ থেকে ১৫ টি গরুর নিচে রাখাল রাখা যাবে না, পাঁচটি গাভির জন্য একটি রাখাল তা না হলে আপনার ফার্মের কস্টিং খরচ অনেক বেড়ে যেতে পারে। 


৮.ফার্ম নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এবং এবং গরুকে ১০ ঘণ্টা খাবার দিতে হবে এবং ১৪ ঘন্টা রেস্ট করতে দিতে হবে তাহলে পর্যাপ্ত পরিমাণ জাবর কাটবে এবং হজম শক্তি ভালো হবে এবং গরুকে ভয় দেখানো যাবেনা। 


৯.জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ফার্মে বাহিরে লোক প্রবেশ করতে দেওয়া যাবে না বিশেষ করে যাদের গরু আছে, কারণ ব্যক্তির মাধ্যমে রোগ জীবাণু ছড়াতে পারে। 


১০.নিয়মিত দুই থেকে তিন বেলা গরুর জন্য সাদা ফ্রেশ পানির ব্যবস্থা রাখতে হবে কারণ গবাদিপশু সুস্থ রাখতে রাখতে পানির কোন বিকল্প নাই। 

১১.রাত দশটার পর অবশ্যই ফার্মের প্রত্যেকটা গরু জাবর কাটছে কিনা,নাকের সামনের মাসলটা ভিজা কিনা,  শরীরের লোম দাঁড়ানো কিনা, পেটের মধ্যে গ্যাস হয়েছে কিনা এই সমস্ত বিষয় কিন্তু অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। 


সাধারণত এই বিষয়গুলো  খেয়াল করলে আমাদের ফার্ম অনেকটাই নিরাপদ এবং গবাদীপশু সুস্থ রাখতে পারব ইনশাআল্লাহ। 

ধন্যবাদ সবাইকে, প্রয়োজনের শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিন। 


গবাদি পশুর সম্বন্ধে যেকোনো পরামর্শ নিতে যোগাযোগ করুন।

জান্নাত ডেইরি ফার্ম 

০১৯৫৩-২০১৮০৪ ইমো হোয়াটসঅ্যাপ।

রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৪

কিছু রান্না ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 হোয়াইট সস 

""""""""""""""""""'

উপকরণঃ

বাটার অথবা তেল-১ টেবিল চামচ,ময়দা -১ টেবিল চামচ,চিনি -১চা চামচ , তরল দুধ -১/২ কাপ,রসুন কুচি +গোল মরিচ গুঁড়া+লবন -১/৪ চা চামচ করে 


প্রণালীঃ-

প্যানে বাটার গলে যাওয়ার পর ময়দা দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়েচেড়ে যোগ করতে হবে রসুন কুচি, গোল মরিচ গুঁড়া,লবন, চিনি। এরপর তরল দুধ দিয়ে অনবরত নাড়তে হবে। ঘন ক্রিমের মতো হয়ে এলে নামিয়ে নিতে হবে।(চুলার আঁচ লো রাখতে হবে)


তেল,ডিম ছাড়া শর্মা সস

"""""""""""""""""""""""'""""""""""""'

উপকরণঃ

টক দই(পানি ঝরানো) - ১/২ কাপ,রসুন বাটা -১/৪ চা চামচ,গুঁড়ো দুধ - ১ টেবিল চামচ,সরিষা বাটা -১/৪ চা চামচ ,গোল মরিচ গুঁড়া - ২ চিমটি পরিমাণ,চিনি - দেড় চা চামচ (স্বাদ মতো),লবণ - স্বাদ বুঝে,টমেটো সস -২ থেকে ৩ টেবিল চামচ

**ঝাল বাড়াতে চাইলে অল্প মরিচ গুঁড়া ব্যবহার করতে পারেন।


প্রণালীঃ-

সব গুলো উপকরণ একত্রে চামচের সাহায্যে ভালো ভাবে কিছুক্ষণ নেড়েচেড়ে মিশিয়ে নিলেই শর্মা সস তৈরি।


**ব্লেন্ডার ব্যবহার করতে চাইলে সবগুলো উপকরণ ৩০-৪০ সেকেন্ডের মতো ব্লেন্ড করে নিলেই হবে, সেক্ষেত্রে রসুন আর সরিষা আস্ত দেওয়া যাবে।

**টমেটো সস, সরিষা বাটা বাদ দিয়ে একই ভাবে ব্লেন্ড করে মেয়োনিজ তৈরি করতে পারেন।


মেয়োনিজ

""""'"""""'"""""'

উপকরণঃ 

ডিম(নরমাল টেম্পারেচার) -১ টি,সয়াবিন তেল -১ কাপের মতো (ডিমের সাইজের উপর নির্ভর করবে),গোল মরিচ গুঁড়া -আধা চা চামচ, চিনি -২ চা চামচ ,লবন - কোয়ার্টার (১/৪) চা চামচ,সিরকা অথবা লেবুর রস - ১ টেবিল চামচ


প্রণালীঃ- 

ব্লেন্ডারে তেল ছাড়া বাকি সব উপকরণ একসঙ্গে  ভালো ভাবে ৩০ সেকেন্ডের ব্লেন্ড করে, আস্তে আস্তে তেল ঢালতে হবে। তেল একবারে ঢালা যাবে না। থেমে থেমে ৪,৫ বারে ঢালতে হবে।২মিনিটের মধ্যে তৈরি হয়ে যাবে মেয়োনিজ।


***মেয়োনিজ ১ সপ্তাহের মতো নরমাল ফ্রিজে সংরক্ষণ করা যায়।

***মেয়োনিজের পারফেক্ট কনসিস্টেন্সি বোঝার উপায় হলো- ব্লেন্ডার উপুড় করে ধরলে সাথে সাথে গড়িয়ে পড়বে না, পড়লে আরেকটু তেল দিয়ে ব্লেন্ড করে নিতে হবে।


বার্গার/শর্মা সস

"""""""""""""""""""""""

উপকরণঃ 

ডিম -১ টি,চিনি - ১ টেবিল চামচ,লবন - আধা চা চামচ,সাদা সরিষা বাটা - আধা চা চামচ,তেল -১ কাপ বা কিছু টা কম,রসুন কুচি -১ চা চামচ,সিরকা -১টেবিল চামচ,গোল মরিচ গুঁড়া - আধা চা চামচ, গুঁড়া দুধ -১ টেবিল চামচ (অপশনাল),টমেটো সস - ৪ টেবিল চামচ


প্রণালীঃ-

মেয়োনিজ এর মতো একই পদ্ধতিতে ব্লেন্ড করে টমেটো সস এ্যাড করে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে শর্মা সস।


@followers

জীবনের এই তিনটি ধাপে দুঃখ করবেন না:

 জীবনের এই তিনটি ধাপে দুঃখ করবেন না:


(১) প্রথম ক্যাম্প: ৫৮ থেকে ৬৫ বছর


কর্মক্ষেত্র থেকে আপনি দূরে সরে যান।

আপনার ক্যারিয়ারে যত সফল বা ক্ষমতাবানই হোন না কেন, এই সময় আপনাকে একজন সাধারণ ব্যক্তি হিসেবেই দেখা হবে।

তাই পুরোনো চাকরি বা ব্যবসার মানসিকতা এবং শ্রেষ্ঠত্বের অনুভূতি আঁকড়ে ধরে রাখবেন না।


(২) দ্বিতীয় ক্যাম্প: ৬৫ থেকে ৭২ বছর


এই সময় সমাজ ধীরে ধীরে আপনাকে দূরে সরিয়ে দেয়।

বন্ধু-বান্ধব এবং সহকর্মীদের সংখ্যা কমতে শুরু করবে। আগের কর্মস্থলে হয়তো খুব কম মানুষই আপনাকে চিনবে।

"আমি আগে ছিলাম..." বা "আমার এক সময় ছিল..." এই কথাগুলি বলার প্রয়োজন নেই, কারণ তরুণ প্রজন্ম আপনাকে চেনার প্রয়োজন মনে করবে না। এতে দুঃখ করবেন না।


(৩) তৃতীয় ক্যাম্প: ৭২ থেকে ৭৭ বছর


এই পর্যায়ে, পরিবারও আপনাকে ধীরে ধীরে দূরে সরিয়ে দেয়।

আপনার সন্তান-সন্ততি বা নাতি-নাতনি যতই থাকুক, বেশিরভাগ সময় আপনি হয়তো সঙ্গীর সাথে বা একাই থাকবেন।

যখন তারা মাঝে মাঝে দেখা করতে আসে, সেটিকে স্নেহের প্রকাশ হিসেবে দেখুন।

তারা কম দেখা করার জন্য তাদের দোষারোপ করবেন না, কারণ তারা তাদের জীবনের কাজ নিয়ে ব্যস্ত।


এবং ৭৭-এর পর থেকে,

পৃথিবী আপনাকে ধ্বংস করতে চায়।

এই সময়ে মন খারাপ বা দুঃখ করবেন না, কারণ এটি জীবনের শেষ ধাপ, এবং সবাই একদিন এই পথেই যাবে।


তাই যতদিন শরীর সুস্থ থাকে, জীবনটাকে আনন্দে পূর্ণ করে তুলুন।


আপনার যা ভালো লাগে তা খান,

পান করুন, খেলুন, এবং যা ইচ্ছে তাই করুন।


সুখে থাকুন, আনন্দে জীবন কাটান।


প্রিয় প্রবীণ নাগরিক বন্ধু ও বোনেরা,


উপরের লেখা লেখক অত্যন্ত সুন্দরভাবে লিখেছেন।

লেখকের জন্য অনেক ধন্যবাদ এবং অভিনন্দন।


৫৮-এর পর বন্ধুদের একটি গ্রুপ তৈরি করুন এবং মাঝে মাঝে নির্দিষ্ট স্থানে নির্দিষ্ট সময়ে মিলিত হন। টেলিফোনের মাধ্যমে সংযোগ বজায় রাখুন। পুরোনো জীবনের স্মৃতি শেয়ার করুন এবং একে অপরের সাথে আনন্দ ভাগ করুন।


সবসময় সুখে থাকুন। 💖💖


©

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...