এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৪

আগে কি সুনৃদর দিন কাটাইতাম ইচ্ছেখাতা ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ৩০ বছর আগেও আমাদের বাবা চাচারা খুব অল্প বেতনে চাকরি করে অথবা ছোট খাট মুদি দোকান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। ওনারা জমানো টাকা দিয়ে শহরে জমি কিনে আস্ত বাড়ি বানাতে পারতেন। ঢাকা চট্টগ্রাম সহ সব দেশের সব জেলার ইতিহাস সেইম। এখন চাকরি ব্যবসা করে জমি কিনে বাড়ি করা তো দূরের কথা ফ্ল্যাট কেনাও অসম্ভব।


চাকরিও তখন নির্ঝঞ্ঝাট ছিল। সরকারি বেসরকারি চাকরির ডিউটি ছিল ৯-৫ টা। মার্কেট দোকান সন্ধ্যা পর্যন্ত চলত। 


বাবা চাচারা বিকালেই বাসায় ফিরতেন। সন্তানকে পড়াতেন, রাত ১০ টায় ঘুমিয়ে পড়তেন। সকালে মায়েরা নাস্তা বানিয়ে দিত সকালে খাওয়ার জন্য। আমাদেরকে স্কুলে নেয়ার জন্য টিফিন বানিয়ে দিতেন। বাবা চাচাদেরকে অফিসের জন্য টিফিন ক্যারিতে ভাত তরকারি দিতেন। এরপর মহিলাদের তেমন কোন কাজ থাকত না। 


মহিলারা নিজেদের জন্য কাথা সেলাই করতেন। আমার মাকে দেখেছি আমাদের জন্য সোয়েটার বুনাতে। সেটাকে তখন জাম্পার বলা হতো। হাত মোজা পা মোজা মায়েরাই বানাতেন। মহিলাদের হাতে বানানো সেইসব শীতের পোষাক পুরুষরা পরত। প্রায় সব বাসায় মহিলারা বিভিন্ন ধরনের আচার বানাতেন। লাকড়ির চুলা, কেরোসিনের চুলায় রান্না অনেক কঠিন। কিন্তু এর মধ্যে মহিলারা হরেক রকম আইটেম রান্না করতেন। বাসায় মেহামান জোর করে ডেকে আনা হতো।


৩০ বছর আগেও সবচেয়ে সস্তা মাছ ছিল নদীর ইলিশ। সেই ইলিশের স্বাদ আর ঘ্রাণ এ যুগের কেউ পায় নাই, পাবেও না শিউর। এখনকার ইলিশের স্বাদ আর রুই মাছের স্বাদ সেইম। প্রতি বছর ২/৩ টা পালা দেশী মুরগী খাই এখনো। এই মুরগীর যে স্বাদ সেই স্বাদ ভোলা যায় না। অথচ আগে মানুষ এই অসাধারণ স্বাদের মুরগীই খেত। এখন তো ফার্ম ছাড়া মুরগীই হয় না। মাছ চাষ করা যায় সেটা শুনলে মানুষ অবাক হতো। পুকুরের ন্যাচারাল মাছ খেয়েই কুলাতো না। 


আমরা বছরে একবার গ্রামে গেলে মামারা জাল নিয়ে বের হতো মাছ ধরার জন্য। জাল ফেললে কিছু না কিছু মাছ পেতেনই। নিজের পুকুর নেই? কোনো সমস্যা নেই। প্রতি এলাকায় বড় বড় খাল ছিল। সেই খালে বড়শী বা জাল ফেললেই মাছ পাওয়া যেত। 'আনতা' নামের এক ধরনের গুড়া মাছ ধরার ফাঁদ পেতে রাখা হতো। প্রতিদিন সকালে উঠে সেই মাছ দিয়ে মানুষ ভাত খেত। এখন সেইম মাছের দাম এখনকার হিসেবে ৭০০/৮০০ টাকা কেজি হবে। অর্থাৎ এখন খুব ধনীরা যে মাছ খায় তখন খুব গরিবরা সেই মাছ খেতেন! 


দেশী মুরগীর ডিম এখন ২০/২৫ টাকা পিস। হাসের ডিম ২০ টাকা পিস। অথচ সেই আমলের গরিবদের দেখেছি এক সাথে ৩ টা ডিম খেতে। আবার সেই ডিমেও অনেক বরকত ছিল। ১ টা ডিম ভাজলে পরিবারের ৩/৪ জন খেতে পারত। ডিম কিনতে হতো না, সবার বাড়িতেই মুরগী হাস গরু ছাগল থাকত।


এখন যে সবজি ৭০/৮০ টাকা দিয়ে কিনে খাই ৩০ বছর আগে গরিবরা এর চেয়েও ভালো মানের সবজি ফ্রী খেত। গরিব মানে সেই লেভেলের গরিবের কথা বলছি যাদের চাষের জমি নাই।


লাস্ট কবে দেশী গরুর দুধ খেয়েছেন? আমার ধারনা কেউই খান নাই। এখন দুধে স্বাদ নেই। তাই দুধে চিনি মিশিয়ে বিভিন্ন খাবার বানিয়ে খাই। এক সময় দই বানাতে চিনি দিতে হতো না শুনেছি অথচ এখন চিনি ছাড়া দই ই হয় না। কী পরিমান স্বাদ কমে গেছে বুঝতে পারছেন?


এখন মুরগীতে স্বাদ নেই। তাই মুরগীকে পুড়িয়ে চিকেন ফ্রাই, অতিরিক্ত মশলা দিয়ে ঝাল ফ্রাই, সস মিশিয়ে বার্গার, পিজ্জা, হাবিজাবি নামে খাই। আজ পলিশ করা চাল না খেলে ইজ্জত থাকে না। ভাত না প্লাস্টিক খাচ্ছি বুঝি না। হাইব্রিড ডালে স্বাদ নেই, পেয়াজে ঝাঝ নেই, স্বাদের লাউ নিয়ে গান ছিল, সেই লাউ এখন বিভিন্ন রেসিপি করে স্পেশাল ভাবে রান্না করে খেতে হয়। অথচ এই লাউ সেদ্ধ করলেই সেই স্বাদের তরকারি হতো। আগে এক তরকারিতে বিশেষ করে মাছ মাংসের আইটেমে অনেক সময় তেল দেয়াই লাগত না। আর দিতে হলেও কয়েক ফোঁটা তেল যথেষ্ট ছিল। আর এখন প্রায় তরকারিতে ডুবো তেল দেয়া লাগে।


দামের হিসাবে ৩০/৪০ বছর আগে গরিবরা যা খেতেন এখনকার মধ্যবিত্তরা তা চোখেও দেখেন নাই। জাস্ট একটা উদাহরণ দিচ্ছি, ৯৬ সালেই চট্টগ্রাম শহরে ১০ টাকা পিস ইলিশ পাওয়া যেত। সেইম ইলিশ ছিল অনেক বড় সাইজের যেখানে অন্য মাছের দাম ছিল ২০ টাকা পিস। আমরা প্রতিদিন ইলিশ খেতে খেতে ত্যাক্ত বিরক্ত হয়ে গেছিলাম! অথচ সেইম সাইজের ইলিশ আমি নিজেই বেচি এখন ৩ হাজার টাকা পিস, ওজন দেড় কেজির চেয়েও কম! একটা নদীর রুই ভাগে বেচি ৭০০/৮০০ টাকা কেজি।


© ফখরুল ইসলাম


#ইচ্ছেখাতা

#scrapbook

আপনি কি এমপিও ভুক্ত স্কুলে ১)চারু ও কারুকলা (শিল্প সংস্কৃতি) ২)কম্পিউটার তথ্য ও যোগাযোগ   প্রযুক্তি (ICT

 🔔 আপনি কি এমপিও ভুক্ত স্কুলে

১)চারু ও কারুকলা (শিল্প সংস্কৃতি) ২)কম্পিউটার তথ্য ও যোগাযোগ   প্রযুক্তি (ICT)

৩)ফিজিক্যাল এডুকেশন (শারীরিক শিক্ষা)

 শিক্ষক হতে চান?

 এই কলেজটি চারুকলা ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) এবং ফিজিক্যাল এডুকেশন, (শারীরিক শিক্ষা)বিষয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করে। আমরা কলেজে শিক্ষাদান এবং শেখার প্রতি আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য একটি উচ্চ-মানের শিক্ষার পরিবেশ প্রদানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

একটি কোর্স করেই আপনার শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করতে পারেন ,প্রাইমারিতে চারুকলা বিষয়ে ৫০০০+ শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম চলছে, ফিজিক্যাল এডুকেশন (শারীরিক শিক্ষা) বিষয়ক ৫০০০ শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে,


☑ভর্তি প্রক্রিয়া: 

জানুয়ারি - ডিসেম্বর ২০২৫ সেশনে ভর্তি চলছে,

১৮ তম এনটিআরসির গণ বিজ্ঞপ্তিতে এক বছর মেয়াদী এডভান্সড সার্টিফিকেট কোর্স এ পাস করা শিক্ষার্থীর আবেদন করেছে ।

সীমিত আসনে ভর্তি চলছে!

আজই যোগাযোগ করুন:-

ফিউচার প্রফেশনাল ফাইন আর্টস ইন্সটিটিউট, (প্রতিষ্ঠান কোড  সমূহ-৫৩২১২, (সৃষ্টি ৫০০০২১)।

 হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার 01730-587470 /01762-309731

ভর্তির সময় যে সকল তথ্য প্রয়োজন :-এসএসসি+ডিগ্রি বা অনার্স সমমান যাই করেছেন এগুলোর মার্কশিট অথবা সার্টিফিকেট এর ফটোকপি+NID+পাসপোর্ট সাইজের ২ কপি ছবি। ই-মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে তথ্য পাঠানো যাবে ।

 📩 fpfaibd@gmail.com


👉আমাদের বৈশিষ্ট্যসমূহ :-

১. দূরবর্তী প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য অনলাইনে ক্লাসের ব্যবস্থা।

২. চাকুরীজীবীদের  জন্য শুক্রবার ও শনিবার এবং সান্ধ্যাকালীন ক্লাসের ব্যবস্থা।

৩. কম্পিউটার ল্যাবে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা।

৪. উন্নত যন্ত্রপাতিসহ  চারুকলা ল্যাব রয়েছে।

৫. প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব শিক্ষক দ্বারা হ্যান্ডনোট দেয়া হয় ।

৬. ফিজিক্যাল এডুকেশন (বিপিএড) এর জন্য রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণ প্রাকটিক্যাল ক্লাসের ব্যবস্থা

৭. প্রতিষ্ঠানের সুন্দর ও মনোরম পরিবেশ রয়েছে।

৮. শিক্ষার্থীদের আবাসিক থাকার ব্যবস্থা রয়েছে।

🏆 কোর্সে ভর্তির যোগ্যতা:--

১. যেকোনো বিষয়ে ডিগ্রি /অনার্স 

২. ফাজিল/কামিল বা উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় হতে সমমান পাস।

কোর্সটি শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দক্ষতা এবং জ্ঞান বৃদ্ধি করবে। এটি শিক্ষাদানের তাত্ত্বিক এবং ব্যবহারিক উভয় দিক বিকাশের জন্য সহায়ক হবে এবং কোর্সটি শিক্ষার্থীদের চারুকলা আইসিটি, এবং শারীরিক শিক্ষা-এর কার্যকরী শিক্ষক হতে সক্ষম করার জন্যে তৈরি করা হয়েছে।

🏠 আমাদের সাথে যোগাযোগের ঠিকানা:-

 (প্রতিষ্ঠান কোড 53212) হাবিবা সরকার কমপ্লেক্স,টঙ্গী সরকারি কলেজ সংলগ্ন,কলেজ গেট, টঙ্গী,গাজীপুর।

মোবাইল নং- 01730-587470/  01762-309731

নারিকেল পুলি পিঠা বানানো ও অনেক সহজ

 অনেকেরই পছন্দের এই পিঠা ।  নারিকেল পুলি পিঠা বানানো ও অনেক সহজ । তাই আপনাদের সুবিধার জন্য দিয়ে দিলাম এই পিঠার সবচেয়ে সহজ এবং বেষ্ট রেসিপি ।


নারিকেল পুলি পিঠা


আটার খামির তৈরীর জন্য


টাটকা চালের গুঁড়া ৬ কাপ

পানি পরিমাণ মতো

লবণ সামান্য


পুর তৈরীর জন্য –


কোড়ানো নারিকেল ২ টা ,

চিনি দেড় কাপ,

সাদা তিল ২ টেবিল চামচ ( দিলে ভালো, তবে না দিলেও চলবে )

তেল বা ঘি ১ টেবিল চামচ

সাদা এলাচ ৪ টা

তেজপাতা ছোট দুইটা

আর ডুবো তেলে ভাজার জন্য তেল পরিমান মত ।


 প্রণালী


( ১ ) প্রথমে একটি কড়াই বা প্যান এ ঘি বা তেল দিয়ে গরম করে তার মধ্যে কোড়ানো নারিকেল, চিনি, এলাচ, তেজপাতা একসাথে জ্বাল দিয়ে পুর তৈরি করে নিতে হবে । পুর হয়ে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে তিল মেশাতে হবে ।


( ২ ) পুর তৈরীর সময় চুলার আঁচ অল্প থাকবে এবং ঘন ঘন নেড়ে দিতে হবে যেন পুড়ে বা লেগে না যায় । পুর তৈরী হয়ে গেলে নামিয়ে ঠান্ডা হওয়ার জন্য রেখে দিন ।


( ৩ ) এরপর চুলায় একটি পাত্রে পরিমাণমতো পানি ও লবণ দিয়ে ফুটাতে হবে । পানি ফুটে উঠলে চালের গুঁড়া অল্প অল্প করে দিয়ে ভালোভাবে নেড়ে সুন্দর কাই তৈরী করতে হবে । এরপর আটা সিদ্ধ হবার জন্য কিছুক্ষণ একদম অল্প আঁচে ঢেকে রাখতে হবে ।


( ৪ ) আটা সিদ্ধ হলে নামিয়ে ভালো করে মথে মসৃন খামির তৈরী করতে হবে । এবার বানিয়ে রাখা খামির থেকে অল্প অল্প করে আটার লেচি নিয়ে হাতে পুলি বানিয়ে তার মাঝে নারিকেলের পুর ভরে পুলির মুখ বন্ধ করে নকশা কেটে দিন । এভাবে সবটুকু খামির দিয়ে পুলি বানিয়ে ফেলুন ।


( ৫ ) আর যদি আপনার পুলি বানানোর ডাইস থাকে তবে অল্প অল্প করে লেচি নিয়ে রুটি বেলে নিন। পিঠা বানানোর ডাইসে রুটি দিয়ে ভেতরে নারিকেলের পুর দিন। এরপর ডাইস চেপে পিঠা কেটে নিন। এভাবে সবগুলো পুলি তৈরী করে নিন ।


( ৬ ) এরপর ডুবো তেলে হালকা আঁচে নারিকেল পুলি বাদামী করে ভেজে নিতে পারেন বা ভাপ  দিয়ে সিদ্ধ করে নিতে পারেন।


পরিবেশন

একবার বানিয়ে রেখে দিলে বেশ কয়েক দিন ধরে খাওয়া যায় নারিকেল পুলি । এই উপকরণে ৮ -১০ জন কে পরিবেশন করা যাবে ।

ছুটির ঘণ্টা --- ১৯৮০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বাংলাদেশী শিশুতোষ চলচ্চিত্র

 ছুটির ঘণ্টা ---

১৯৮০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বাংলাদেশী শিশুতোষ চলচ্চিত্র। ছবিটি পরিচালনা করেছেন আজিজুর রহমান। ঈদের ছুটি ঘোষণার দিন স্কুলের বাথরুমে সকলের অজান্তে তালাবদ্ধ হয়ে আটকে পড়ে একটি ১২ বছর বয়সের ছাত্র।


আর তালাবদ্ধ বাথরুমে দীর্ঘ ১১ দিনের ছুটি শেষ হওয়ার প্রতিক্ষার মধ্য দিয়ে হৃদয় বিদারক নানা ঘটনা ও মুক্তির কল্পনায় ১০ দিন অমানবিক কষ্ট সহ্য করার পর কীভাবে একটি নিষ্পাপ কচি মুখ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে এমনই একটি করুন দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে এই ছবিতে।


ছবির মূল ভূমিকায় অভিনয় করেছে শিশু শিল্পী সুমন ও অন্যান্য চরিত্রে নায়ক রাজ রাজ্জাক,শাবানা,

সুজাতা,শওকত আকবর এবং এ টি এম শামসুজ্জামান।


কাহিনী সংক্ষেপ -----

জেলখানায় দুপুরে খাবারের জন্যে ঘণ্টা বেজে উঠল আর তখনই একজন বৃদ্ধ আব্বাস "রাজ্জাক" চিৎকার করে বলতে থাকে - আমি কতো বার বলেছি তোমরা এই ঘণ্টা বাজাইও না,আমি এই ঘণ্টার শব্দ শুনতে চাই না এই শব্দ আমাকে খোকা সাহেবের কচি মুখের কথা মনে করিয়ে দেয়।


এক পুলিশ জিজ্ঞেস করে-কেন আপনি এই ঘণ্টার শব্দ শুনে প্রতিদিন পাগলের মতো চিৎকার করে উঠেন? "সে বলে আমি খুনী" আমি খোকা সাহেবকে খুন করেছি। পুলিশ সব জানতে চাইলে সে বলে। একটি চঞ্চল উচ্ছল হাসিখুশি ছেলে আসাদুজ্জামান খোকন বয়স ১২ বছর। সে স্কুলের খুব ভাল ছাত্র এবং স্কুলের অনন্যা ছাত্র,শিক্ষক সহ সবাই ভালোবাসে ওকে,বিশেষ করে স্কুলের দপ্তরি আব্বাস মিয়া।


ঈদে স্কুল ছুটিতে খোকন নানা বাড়িতে বেড়াতে যাবে,তাই খোকন এর "নানা"ও শওকত আকবর দুদিন আগেই চলে এসেছে,মেয়ে "সুজাতা খোকনের মা" ও নাতিকে নিয়ে যেতে। এসেই মেয়ে ও খোকনকে নিয়ে কেনাকাটায় বেরিয়ে পড়েছে “জাদুকর” জুয়েল আইচ এর জাদু প্রদর্শনী হবে জেনে খোকন বায়না ধরল জাদু দেখবে। জুয়েল আইচ দেখাল একটি তালা বন্ধ বাক্স থেকে কীভাবে বের হতে হয়,খোকন তার কাছে জানতে চায় তালা বন্ধ ঘর থেকে বের হতে পারবে কিনা,সে বলে - যেকোনো বন্ধ ঘর বা জেলখানা থেকেও বের হতে পারবে।


খোকন জাদু শিখতে চাইলে সে বলে বড় হলে শিখিয়ে দেবে,খোকনকে ঠিকানা দিয়ে যেতে বলে। আজ স্কুলের ছুটি ঘোষণার দিন,খোকনের ভাল লাগছেনা মন চাইছেনা স্কুলে যেতে,তবুও মা ছেলেকে আদর করে বুঝিয়ে স্কুলে পাঠায়। স্কুলে শিক্ষক যখন পড়াচ্ছিল - মরিতে চাইনা আমি সুন্দর ভূবনে... তখনই ছুটির নোটিশ এলো,শিক্ষক ছুটির কথা জানিয়ে দিতেই ছুটির ঘণ্টা বেজে উঠল। ছাত্র,শিক্ষক সহ সবাই সবার কাছ থেকে বিদায় নিচ্ছে "১১ দিন" ছুটি। খোকন চলে এলো দপ্তরি চাচার কাছে,তাকে একটি নতুন জামা দিয়ে বিদায় নিল তার কাছ থেকে।


ওর গাড়ি আসতে আজ দেরি হচ্ছে,ওর বন্ধু পিকলু,রবার্ট,গণেশ ওকে গাড়িতে উঠিয়ে বিদায় জানাতে দাড়িয়ে আছে। কিন্তু গাড়ি আসতে দেরি খোকনই ওদের বেবীতে উঠিয়ে বিদায় জানায়। তখনই প্রকৃতির ডাকে সে স্কুলের বাথরুমে যায়। এদিকে দপ্তরি আব্বাস মিয়া সব কক্ষ তালা মেরে চলে যায়। খোকন বাথরুমের কাজ সেরে দরজা খুলতে গিয়ে দেখে ওপাশ থেকে আটকানো,প্রথমে ভেবেছিল ওর কোন বন্ধু দুষ্টুমি করছে,কিন্তু অনেকক্ষণ দরজা ধাক্কানোর পরও যখন খুলতে পারেনি তখন সে বুঝতে পারে স্কুল তালা মেরে সবাই চলে গেছে।


ওর ভিতরে একটা আতঙ্ক সৃষ্টি হয়,ভাবে- তাহলে আমাকে কি এই ১১ দিন এই বাথরুমেই থাকতে হবে? এতদিন মাকে দেখতে পারব না। দিন গড়িয়ে সন্ধা হয়,খোকন এখনো বাড়ি ফেরেনি,এদিকে আবার ছেলেধরাদের উৎপাত। ওর মা পাগলের মতো ছেলেকে খুঁজতে থাকে দপ্তরি আব্বাস মিয়াকে সাথে নিয়ে। খোকনের বন্ধুদের বাড়ি,হাসপাতাল,থানা কোথাও নেই খোকন আর এতে মায়ের আহাজারি আরও বেড়ে যায়।


এদিকে খোকন একা তালা বন্ধ বাথরুমে পোকা-মাকড় দেখে ভয়ে চিৎকার চেঁচামেচি করে ব্যাগের আড়ালে মুখ লুকায়। এক সময় নিজের অজান্তে ঘুমিয়ে পড়ে। হঠাৎ খোকনের কানে ভেসে এলো - "একটি বিশেষ ঘোষণাঃ গতকাল খোকন নামে একটি ১২ বছরের ছেলে হারানো গিয়েছে" খোকনের ঘুম ভেঙ্গে গেলে মনে পড়ে যায় - সে সারা রাত এই বাথরুমে ছিল।


মাইকে ঘোষণা শুনে সে চিৎকার করে বলে - "আমি এখানে,আমি এখানে" কিন্তু কেউ তার আওয়াজ শুনলো না,তাই মনে অনেক কষ্ট নিয়ে বাথরুমের দেওয়ালে দেওয়ালে নিজের কষ্টের কথাগুলো লিখতে থাকে। একদিন বুদ্ধি করে একটা চিঠি লিখে বাথরুমের ওয়াল ম্যাটের ফাঁক দিয়ে বাহিরে ফেলে কল্পনা করে- ওর বন্ধুরা খেলতে এসে চিঠিটা পেয়ে দপ্তরী চাচাকে খবর দিলে সে সহ বন্ধুরা এসে তালা খুলছে,ভেঙ্গে যায় কল্পনা,চিঠিটা কুড়িয়ে নিয়ে যায় এক টোকাই। আজ কয়েক দিন যাবত খোকন শুধু পানি খেয়ে বেঁচে আছে। এদিকে তার মাও খাওয়া দাওয়া ছেড়ে দিয়েছে ছেলে হারানোর শোকে।


এদিকে দপ্তরি আব্বাস মিয়া একরাতে স্বপ্ন দেখে খোকন বাথরুমে আটকে আছে, ঘুম থেকে জেগেই ছুটে যায় প্রাধান শিক্ষকের কাছে চাবি আনতে। এবং তার স্বপ্নের কথা জানালে শিক্ষক বলেন - "আসলে তুমি ওকে বড্ড বেশি ভালবাসোতো তাই এমন স্বপ্ন দেখছ, যাও এখন গিয়ে ঘুমাও" ঈদের আগের দিন বিকেলে মাইকে ঘোষণা দেয়- ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে স্কুল মাঠে।


শুনে খোকন খুশি হয়ে আশায় বুক বাঁধে আর বলে- "কাল সবাই নামাজ পড়তে এলে আমি চিৎকার করে সবাইকে ডাকলে ওরা নিশ্চয়ই শুনতে পেয়ে আমাকে এখান থেকে মুক্ত করবে। "কিন্তু নিয়তির কি নির্মম পরিহাস- কিছুক্ষন পরই আকাশে বজ্রপাত সেই সাথে বৃষ্টি,স্কুল মাঠে পানি জমে গেলে রাতেই ঈদের নামাজের স্থান পরিবর্তনের কথা জানিয়ে দেয়। এটা শুনে খোকনের বিলাপ - মা,সন্তান কোথায় থাকে,কি করে- মায়েরা নাকি সব জানতে পারে,তাহলে তুমি আমাকে এখান থেকে নিয়ে যাও না কেন মা।


আজ ছুটির ১০ম দিন,খোকন পানি খেতে গেল কিন্তু কলে হঠাৎ পানি আসছে না,কল অনেক ঝাঁকাঝাঁকি করেও কোনো লাভ হলো না। এবার কি হবে - মাথায় এলো ফ্লাশ ট্যাংকে জমে থাকা পানির কথা,সেই পানি সংগ্রহ করতে গিয়ে শিকলে হাতের টান লেগে সব পানি যথাস্থানে পড়ে গেল আর ও শুধু চেয়ে দেখল। সব আশা শেষে হঠাৎ জাদুকরের কথা মনে পড়ে,সে বলেছিল- বন্দি ঘর থেকে মুক্তির কথা,ভাবতেই জাদুকর এসে হাজির সে ওকে মুক্ত করে স্বপ্নের দেশে নিয়ে যায়- আর ও আনন্দে নাচছে গাইছে,এক সময় দেখে এর সবই ওর কল্পনা।


এতোদিন ধরে পানি খেয়ে নাম মাত্র বেঁচে আছে,পানির পিপাসায় ওর গলা শুকিয়ে যাচ্ছে, নিশ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে,দেহের তেজও ধীরে ধীরে কমে যেতে লাগলো। ক্ষুদার জ্বালা সইতে না পেরে শেষ পর্যন্ত বই-খাতা,

কাগজ,টাকা খেয়েও নিজেকে জীবনের ছুটির ঘণ্টার হাত থেকে বাচাতে পারল না খোকন - আস্তে আস্তে কচি শরীর ঢলে পড়লো মেঝেতে, নিথর চোখ দুটি বন্ধ হয়ে গেল চিরতরে।


আর এই মৃত্যুর জন্যেই দপ্তরি আব্বাস মিয়া স্বেচ্ছায় মৃত্যুর দায় নিজের কাঁধে নিয়ে জেলে যায়।


ছুটির ঘণ্টা ছবির সংগীত পরিচালনা করেন বিখ্যাত সংগীত পরিচালক সত্য সাহা।


-- সংগৃহীত

গুগল থেকে পিডিএফ বই ডাউনলোডের কৌশল!!

 গুগল থেকে পিডিএফ বই ডাউনলোডের কৌশল!!

 

ইন্টারনেটের সহজলভ্যতায় প্রয়োজনীয় প্রায় সব ধরনের তথ্য ও বই এখন গুগলে খুঁজে পাওয়া যায়। তবে প্রায়ই দেখা যায়, বই খুঁজে পেলেও সেটি পিডিএফ ফরম্যাটে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। কিছু সহজ কৌশল অনুসরণ করলে গুগল থেকে পিডিএফ ফাইল ডাউনলোড করা অনেক সহজ হয়। এই কৌশলগুলোর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের বই সহজে ডাউনলোড করা যায়, যেমন একাডেমিক বই, গবেষণাভিত্তিক বই, ইতিহাস বিষয়ক বই, জীবনী, উপন্যাস, গল্পের বই, জীবনধর্মী বই, প্রযুক্তি ও সায়েন্স ফিকশন, ধর্মীয় গ্রন্থ, ভাষা শিক্ষার বই, কিশোর সাহিত্য এবং স্ব-উন্নয়নমূলক বই। পিডিএফ বই ডাউনলোড করার সময় অবশ্যই কপিরাইট আইন মেনে চলা এবং ফাইলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। এতে অবৈধ ফাইল ডাউনলোড এবং ম্যালওয়্যারের ঝুঁকি থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। 


কীভাবে নির্দিষ্ট বই খুঁজে পাওয়া যায়?

  

নির্দিষ্ট কোনো বইয়ের পিডিএফ ডাউনলোড করতে চাইলে গুগলের সার্চ বারে বইয়ের নামের সঙ্গে 𝙛𝙞𝙡𝙚𝙩𝙮𝙥𝙚:𝙥𝙙𝙛 যোগ করতে হয়। উদাহরণ হিসেবে, 𝘼𝙩𝙤𝙢𝙞𝙘 𝙃𝙖𝙗𝙞𝙩𝙨 বইটির পিডিএফ খুঁজতে হলে সার্চ বারে লিখতে হবে 𝘼𝙩𝙤𝙢𝙞𝙘 𝙃𝙖𝙗𝙞𝙩𝙨 𝙛𝙞𝙡𝙚𝙩𝙮𝙥𝙚:𝙥𝙙𝙛। এই কৌশল ব্যবহার করলে গুগল শুধুমাত্র পিডিএফ ফরম্যাটে বইটির লিংক দেখাবে, যা খুব সহজেই ডাউনলোড করা সম্ভব।


কীভাবে বিষয়ভিত্তিক বই খুঁজে পাওয়া যায়?

  

নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে পিডিএফ বই খুঁজতে হলে, সেই বিষয়ের নামের শেষে 𝐟𝐢𝐥𝐞𝐭𝐲𝐩𝐞:𝐩𝐝𝐟 যুক্ত করতে হয়। উদাহরণস্বরূপ, মেশিন লার্নিং বিষয়ের পিডিএফ বই খুঁজতে হলে সার্চ বারে লিখতে হবে 𝙈𝙖𝙘𝙝𝙞𝙣𝙚 𝙇𝙚𝙖𝙧𝙣𝙞𝙣𝙜 𝙛𝙞𝙡𝙚𝙩𝙮𝙥𝙚:𝙥𝙙𝙛। এভাবে সার্চ দিলে মেশিন লার্নিং সম্পর্কিত বিভিন্ন বইয়ের পিডিএফ লিংক প্রদর্শিত হবে, যেখান থেকে পছন্দের বইটি ডাউনলোড করা সম্ভব।


কীভাবে ফ্রি এবং ওপেন সোর্স বই খুঁজে পাওয়া যায়?

  

ফ্রি বা ওপেন সোর্স পিডিএফ বই খুঁজে পেতে কিছু সহজ কৌশল অনুসরণ করলে কাঙ্ক্ষিত বই সহজেই পাওয়া সম্ভব। গুগল সার্চ বারে বইয়ের নামের সঙ্গে নির্দিষ্ট কিছু শব্দ যোগ করলে বইয়ের পিডিএফ ফাইল দ্রুত খুঁজে পাওয়া যায়। যেমন, যদি 𝘼𝙧𝙩𝙞𝙛𝙞𝙘𝙞𝙖𝙡 𝙄𝙣𝙩𝙚𝙡𝙡𝙞𝙜𝙚𝙣𝙘𝙚 বিষয়ক ফ্রি পিডিএফ বই খুঁজতে হয়, তাহলে সার্চ বারে লিখতে হবে 𝘼𝙧𝙩𝙞𝙛𝙞𝙘𝙞𝙖𝙡 𝙄𝙣𝙩𝙚𝙡𝙡𝙞𝙜𝙚𝙣𝙘𝙚 𝙛𝙧𝙚𝙚 𝙙𝙤𝙬𝙣𝙡𝙤𝙖𝙙 𝙛𝙞𝙡𝙚𝙩𝙮𝙥𝙚:𝙥𝙙𝙛। এর ফলে শুধুমাত্র সেই পিডিএফ ফাইলগুলো দেখাবে যেগুলো বিনামূল্যে ডাউনলোড করা সম্ভব। এছাড়াও, ওপেন সোর্স বই খুঁজতে সার্চের সঙ্গে open source শব্দটি যোগ করা যেতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, 𝙈𝙖𝙘𝙝𝙞𝙣𝙚 𝙇𝙚𝙖𝙧𝙣𝙞𝙣𝙜 𝙤𝙥𝙚𝙣 𝙨𝙤𝙪𝙧𝙘𝙚 𝙛𝙞𝙡𝙚𝙩𝙮𝙥𝙚:𝙥𝙙𝙛 লিখলে গুগল ওপেন সোর্স পিডিএফ বইগুলো দেখাবে, যেগুলো কপিরাইট মুক্ত এবং বিনামূল্যে ডাউনলোড করা যায়।   


এছাড়াও কয়েকটি জনপ্রিয় ওয়েবসাইট রয়েছে, যেগুলো থেকে বিনামূল্যে বই ডাউনলোড করা বা অনলাইনে পড়া সম্ভব, যেমন:


𝟏. 𝐀𝐧𝐧𝐚’𝐬 𝐀𝐫𝐜𝐡𝐢𝐯𝐞 (https ://annas-archive .org)  

𝟐. 𝐋𝐢𝐛𝐫𝐚𝐫𝐲 𝐆𝐞𝐧𝐞𝐬𝐢𝐬 (http ://libgen .is)  

𝟑. 𝐙-𝐋𝐢𝐛𝐫𝐚𝐫𝐲 (https ://z-lib .id/)  

𝟒. 𝐏𝐃𝐅 𝐃𝐫𝐢𝐯𝐞 (https ://www .pdfdrive .com)  

𝟓. 𝐎𝐩𝐞𝐧 𝐋𝐢𝐛𝐫𝐚𝐫𝐲 (https ://openlibrary .org)  

𝟔. 𝐏𝐫𝐨𝐣𝐞𝐜𝐭 𝐆𝐮𝐭𝐞𝐧𝐛𝐞𝐫𝐠 (https ://www .gutenberg .org)  

𝟕. 𝐅𝐫𝐞𝐞-𝐄𝐛𝐨𝐨𝐤𝐬.𝐧𝐞𝐭 (https ://www .free-ebooks .net)  

𝟖. 𝐁𝐨𝐨𝐤𝐛𝐨𝐨𝐧 (https ://bookboon .com)  

𝟗. 𝐈𝐧𝐭𝐞𝐫𝐧𝐞𝐭 𝐀𝐫𝐜𝐡𝐢𝐯𝐞 (https ://archive .org)  

𝟏𝟎. 𝐒𝐜𝐢𝐞𝐧𝐜𝐞𝐃𝐢𝐫𝐞𝐜𝐭 (https ://www .sciencedirect .com)  

𝟏𝟏. 𝐆𝐨𝐨𝐠𝐥𝐞 𝐁𝐨𝐨𝐤𝐬 (https ://books .google .com)  

𝟏𝟐. 𝐁𝐃𝐞𝐛𝐨𝐨𝐤𝐬 (https ://bdebooks .com/books/)


সতর্কতা: কপিরাইট সংক্রান্ত সমস্যা এড়াতে, প্রতিটি লিঙ্কের ডট (., : ) এর আগে একটি white space যোগ করা হয়েছে। লিঙ্কটি অনুসন্ধান করার আগে, white space টি সরিয়ে নিন। 


ডাইরেক্ট লিংক প্রথম কমেন্টে দেওয়া আছে!!

©️

মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪

শুভ জন্মদিনে শুভ কামনা ও অভিনন্দন জানাই।,,,, আফরোজা বানু। আজ ১৫ ডিসেম্বর তার জন্মদিন।

 শুভ জন্মদিনে শুভ কামনা ও অভিনন্দন জানাই। 


কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা থানার গোপীনাথপুর গ্রামের সেই ছোট্ট বেলিই নাট্যাঙ্গনের দাপুটে ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী আফরোজা বানু। আজ ১৫ ডিসেম্বর তার জন্মদিন।


ছোটবেলায় বেলি, মঞ্জুলিকা কিংবা বলাকাসহ আরও বেশক’টি পারিবারিক নাম থাকলেও দর্শকের কাছে এখন তিনি আফরোজা বানু নামেই পরিচিত। রাজধানীর অগ্রণী বালিকা বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষা দেয়ার পরপরই বাংলাদেশ বেতারে নাটকে অভিনয় এবং অনুষ্ঠান উপস্থাপনার কাজ শুরু করেন আফরোজা বানু। স্কুল জীবনে যে শিক্ষিকার সাহচর্যে এসে অভিনয়ে অনুপ্রেরণা পান তিনি জীবন্ত কিংবদন্তি অভিনেত্রী ফেরদৌসী মজুমদার। তার সরাসরি ছাত্রী আফরোজা বানু। রেডিওতে কাজ করার সময় জ্যেষ্ঠ শিল্পী হিসেবে রেডিওতে আসতেন ফেরদৌসী মজুমদার। তিনিই মূলত একসময় আফরোজা বানুকে ‘থিয়েটার’র সঙ্গে সম্পৃক্ত করেন। তারই নির্দেশনায় এবং মমতাজ উদ্দীন আহমদের নাট্যরূপে রবিঠাকুরের ‘দুই বোন’ মঞ্চ নাটকে প্রথম অভিনয় করেন। সেই থেকে এখন পর্যন্ত আফরোজা বানু ‘থিয়েটার’র সঙ্গে সম্পৃক্ত। ছোটপর্দায় আতিকুল হক চৌধুরীর প্রযোজনায় আফরোজা বানু প্রথম অভিনয় করেন ‘মরা মানুষের পাঠশালা’ নাটকে। তবে অভিনেত্রী হিসেবে তিনি দর্শকপ্রিয়তা এবং তারকাখ্যাতি পান বেগম মমতাজ হোসেনের রচনায় ও রহমতুল্লাহ’র প্রযোজনায় ‘সকাল সন্ধ্যা’ ধারাবাহিক নাটকে শিমু চরিত্রে অভিনয় করে। একই লেখকের ‘বেলা অবেলা’, আবদুল্লাহ আল মামুনের রচনা ও প্রযোজনায় ‘কুমুর নিজের জীবন’, জিয়া আনসারীর ‘আধুলী’, রবিঠাকুরের ‘বেনু গোপালের মাস্টার’ ইত্যাদি নাটকে ভিন্নধর্মী চরিত্রে আফরোজা বানুর অনবদ্য অভিনয়ে মুগ্ধ হন দর্শক। মঞ্চ আর ছোটপর্দাই নয়, বড় পর্দাতেও তার উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। ওয়াকিল আহমেদের নির্দেশনায় ‘কে অপরাধী’ চলচ্চিত্রে আফরোজা প্রথম বড়পর্দায় নিজের সম্পৃক্ততা ঘটান। এরপর ‘ভুলোনা আমায়’সহ আরও বেশকিছু চলচ্চিত্রে তিনি অভিনয় করেছেন। সর্বশেষ মুক্তি পাওয়া সোহেল আরমান পরিচালিত ‘এইতো প্রেম’ চলচ্চিত্রে তিনি নায়কের মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন।

ঔপনিবেশিক ভারতের এক পেশাজীবী শ্রেণী ছিল 'পাঙ্খাওয়ালা' নামে। জানেন কি তাদের সম্পর্কে আপনি?

 ঔপনিবেশিক ভারতের এক পেশাজীবী শ্রেণী ছিল 'পাঙ্খাওয়ালা' নামে। জানেন কি তাদের সম্পর্কে আপনি?


ভারতবর্ষে আসার প্রথমদিকে ব্রিটিশদের জন্য এই অঞ্চলে মানিয়ে নেওয়া সহজ ছিল না। দীর্ঘ সময়েও এই অঞ্চলের যে জিনিসে ব্রিটিশরা কখনোই অভ্যস্ত হতে পারেনি, তা হলো ভারতের অসহনীয় গরম। 


পর্তুগিজরাই নাকি সর্বপ্রথম এ অঞ্চলে টানা পাখা নিয়ে আসে। তবে টানা পাখাকে জনপ্রিয় করে তোলে ব্রিটিশরা। পর্তুগিজদের অনুসরণ করে গরম থেকে বাঁচতে তারা গির্জা, বাসাবাড়ি ও দপ্তরে টানা পাখার ব্যবস্থা করে। সময়ের সঙ্গে দেশীয় অভিজাত বাড়িতেও এই পাখার ব্যবহার শুরু হয়। একইসঙ্গে পাখা টেনে বাতাস করতে পাঙ্খাওয়ালা নামে নতুন এক পেশাজীবী শ্রেণির উদ্ভব ঘটে।


ঘরের সিলিং থেকে বড় কাঠের ফ্রেমে পাখার কাপড় আটকানো থাকত। পাখার নিচের অংশে থাকত মসলিনের ঝালর। সিলিং থেকে ঝুলানো পাখাগুলো লম্বায় ৮ থেকে ১২ ফিট এমনকি অনেকসময় ২০ থেকে ৩০ ফিটও হতো। সিলিংয়ের ৩-৪টি হুক থেকে বাহারি দড়ির সঙ্গে পাখার কাপড় ঝুলিয়ে দেওয়া হতো।


পাঙ্খাওয়ালাদের দিন-রাত ২৪ ঘণ্টাই অবিরাম পাখা টানার কাজ করতে হতো। আর তাই যে ঘরে ইংরেজ সাহেব-বিবিরা অবসর যাপন করতেন সেখানে তাদের উপস্থিতি কাম্য ছিল না। অধিকাংশ সময় বারান্দা কিংবা বাইরের ঘরেই তাদের ঠাঁই মিলত।


সময়ের সঙ্গে পাঙ্খাওয়ালা নিয়োগে এক নতুন প্রবণতা দেখা দেয়। বধির, বয়স্ক কিংবা শ্রবণ শক্তি কম, এমন ব্যক্তিদের পাঙ্খাওয়ালা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া শুরু হয়। ঘরের বাইরে ছাড়াও অনেক সময় ঘরের ভেতরে এক কোণায় পাঙ্খাওয়ালার জন্য নির্দিষ্ট জায়গা বরাদ্দ ছিল।


১৮ শতকে সারাদিন পাখা টানার জন্য পাখাওয়ালারা তিন আনা করে মাইনে পেত। রাতে কাজ করলেও একইহারে বেতন থাকত। পাখা টানা ছাড়াও তাদের বাড়ি ও দপ্তরের বিভিন্ন ফুটফরমায়েশ খাটতে হতো।


বিদ্যুৎ আসার সঙ্গেই কমতে থাকে টানা পাখার ব্যবহার। ১৯ শতকের শেষ দিকে উপমহাদেশে বিদ্যুৎ আসে। ১৮৭৯ সালে কলকাতায় প্রথম বিজলিবাতি জ্বালানো হয়। ১৮৯৯ সালে চালু হয় বৈদ্যুতিক পাখা। ফলে সময়ের সঙ্গে হারিয়ে যেতে থাকে টানা পাখা। বিংশ শতাব্দীতে এসে পাঙ্খাওয়ালা পেশাটিও বিলুপ্ত হয়।


এইরকম তথ্যবহুল পোস্ট এবং ভিডিও পেতে আমাদের পেজটিকে ফলো করুন।


#information #gk #generalknowledge #সাধার

একটি নদীর সাগর হওয়ার গল্প

 একটি নদীর সাগর হওয়ার গল্প


একদিন নদীর খুব ইচ্ছে হলো মহাসাগরের সাথে যুক্ত হয়ে যাওয়ার। দিনক্ষণ ঠিক করে সে বেড়িয়ে পরলো সাগরের সাথে মিলিত হওয়ার জন্য।অনেক  দীর্ঘপথ পাড়ি দিতে হবে জেনেও নদীর পথ চলা থেমে থাকলো না, এক মুহুর্তের জন্যও।নদী যেন আরও বেশি গতি দিয়ে সামনে এগিয়ে যেতেই থাকলো।


অবশেষে  নদী যখন সাগরের খুব নিকটে এসে দাড়ালো। সাগরের বিশালতা দেখে  নদী এবার তার  ইচ্ছেটাকে হারিয়ে ফেলল।ভয়ে অনবরত কাঁপতে শুরু করলো। 


মনে মনে ভাবতে লাগলো এখন সে কী করবে? যাত্রাপথের দিকে তাঁকিয়ে সে ভাবতে লাগলো অনেকটা  পথ অতিক্রম করে এসেছে সে।পথে পথে পাড়ি দিতে হয়েছে শৃঙ্গ,পাহাড়, জঙ্গল। অতিক্রম করতে হয়েছে কত বাঁধা বিপত্তি। 


নদী মনে মনে এটাও ভাবলো এই বিশাল সাগরে প্রবেশ করা মানে চিরতরে অদৃশ্য হয়ে যাওয়া। নিজেকে হারিয়ে ফেলা।কিন্তু সে তো আর ফিরে যেতে পারবে না।ফিরে যাওয়ার কোনো পথ আর খোলা নেই।প্রকৃতির নিয়ম মেনে তাকে সাগরের বুকেই ডুবে যেতে হবে।


প্রকৃতির নিয়ম মেনে অবশেষে নদী সাগরে প্রবেশ করলো। অতঃপর সে অনুভব করলো সে আরও বিশাল  জায়গা জুড়ে নিজেকে ছড়িয়ে দিতে পেরেছে।একটা সময় নদী অনুভব করতে শুরু করলো যে সে সাগরের বিশালতার মাঝে নদী পরিচয় হারিয়েছে। সে তখন বিশালতম  সাগরে পরিণত হয়েছে।


গল্পটির শিক্ষা হলো,বড় বড় স্বপ্ন দেখতে আমরা ভয় পাই।অথচ সাহস করে আমরা যদি সামনে এগিয়ে যেতে পারি অবশেষে  সফলতা আমাদের হাতেই ধরা দেবে।


ফারহানা সুমনা

শিরোনাম***রাজপথে রানি               কলমে***দুলাল বালা                 তারিখ 17--12--24                  ১লা পৌষ ১৪৩১

 শিরোনাম***রাজপথে রানি

              কলমে***দুলাল বালা

                তারিখ 17--12--24

                 ১লা পৌষ ১৪৩১


        রাজা-রানি ফিরছে দেশের রাজপথে,

        পারিষদবর্গ চলে তার সাথে সাথে।

        মহা-ধুমধাম রাজ আড়ম্ভর কতো!

        রানির অঙ্গে মূল্যবান রত্নভূষণ যতো।

        অঙ্গে কুসুম গন্ধ-সুবাস বাতাসে ভাসে।


        হঠাৎ মহারানি স্বর্ণরথ থেকে নেমে।

        খুলেছে যতো গরীবের অঙ্গ-ভূষণ!

        ক্রোধে রানির অঙ্গ-ভূষণ পড়লো খসে!

        পারিষদ দল বলে শাবাস শাবাস!

        এটাই গরীবের দুঃখের-নির্মম পরিহাস?


        কে করবে প্রতিবাদ? ঘাড়ে ক'টা মাথা!

         লাগুক লজ্জা লাগুক মরমে ব্যথা!

         অসহায় দুর্বল চিরদিনই রাজ-রোষে!

        শকুনি মন্ত্রী রাজা দুর্যোধন যে দেশে।


        যুবতীর পোশাক ধরে চলে টানাটানি।

        বিস্ময়ে অবাক!এ-কোন কুসিৎ-ভণ্ডামি?

        কেনো কর'ছে নারীর শীলতা হানি?

        তুমি মহারানি? বড্ড জিদ্দি-ভিখারিণী! 


        দূরে দাড়িয়ে অতিসাধারণ গ্রাম‍্য-বালিকা

        উচ্চস্বরে প্রতিবাদে করে জোর-চিৎকার।

        সমেবেত প্রতিবাদে ওঠে উচ্চ-কণ্ঠস্বর।

        ভাগে রাজ প্রহরি যতো চাটুকার।

        প্রতিবাদে ভাঙ্গলো রানির অহংকার!


       ভাঙ্গলো ঘুম, ফিরলো রানির হুঁশ।

       ছুটে গেলো চাটুকারের রাতের ঘুম!

       গণদেবতা রাজ দণ্ড নিলো রানির কেড়ে!

       উমেদার-চাটুকার-পেটুয়ারা কারাগারে!


একটা কাক ভালোবেসেছিল এক ময়ূরকে।,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 একটা কাক ভালোবেসেছিল এক ময়ূরকে। সে প্রায়ই ময়ূরের পিছে পিছে ঘুরে বেড়াত। ময়ূর এটা বুঝতে পারলেও না বোঝার ভান করে কাককে এড়িয়ে চলতো। এভাবে দীর্ঘদিন কেটে যায়। 


একদিন ময়ূর তার বাসার সামনে একটা হলুদ খাম দেখতে পেল। সেই খামের ভিতরে একটা ছোট্ট কালো রঙের ফুল। ময়ূর বুঝতে পারল কাকই খামের ভিতরে ফুল পাঠিয়েছে।

 

কয়েকদিন পর কাকের সাথে ময়ূরের দেখা হলো। ময়ূর বলল, "তোমার শরীর যেমন কালো রঙের, তেমনি তোমার রুচিও কালো। তাই তো এত ভালো ভালো রঙের ফুল থাকতে কালো ফুল পাঠিয়েছো!"

কাক ময়ূরের কথা শুনে দু:খ পেয়ে চলে গেল।

 

বেশ কিছুদিন ময়ূর আর কাকের দেখা পেল না। এভাবে সপ্তাহ গেল, মাস গেল, বছর পেরিয়ে গেল। কাকের সন্ধান আর ময়ূর পেল না। অবশ্য ময়ূর কাকের খোঁজ নেওয়ার চেষ্টাও কখনো করে নি। 


কয়েক বছর পর হঠাৎ করে কাকের সাথে ময়ূরের দেখা হয়ে গেল। ময়ূর কাককে দেখে বলল, "আমার রূপ দেখে সবাই আমাকে ভালোবাসতে চায়। তুমিও তো ভালোবাসতে চেয়েছিলে। তবে আমাকে জয় করার চেষ্টা আর করলে না কেন?"


কাক জবাব দিল, "তোমার সাথে জীবনে একদিনই আমার কথা হয়েছিল। তুমি যতদিন আমার সাথে কথা বলো নি; ততদিন মনে হয়েছিল, সুন্দর রূপের আড়ালে একটা সুন্দর মনও লুকিয়ে আছে। কিন্তু যখন দেখলাম, ফুলের মতো জিনিসকেও তুমি রঙ দেখে বিচার করো; তখনই বুঝেছিলাম মরীচিকার পিছে ছুটে চলেছি। তাইতো নিজেকে সরিয়ে নিলাম।"


ময়ূর বলল, "এখন যদি তোমাকে পেতে চাই, তবে কি তুমি আমাকে ভালোবাসবে?"


কাক বলল, "চোখের নেশা কেটে গেছে। চোখের নেশা কেটে গেলে ময়ূরের সৌন্দর্যও আর চোখে ধরা পড়ে না। তখন ময়ূরকেও কাকের মতো লাবণ্যহীন মনে হয়। জীবনের আসল বাস্তবতা তখন চোখের সামনে দীপ্তিমান হয়ে ফুটে ওঠে। এই বাস্তবতা-ই সঠিক পথের দিশা দেয়। বাস্তবতাকে ভুলে আবেগে আবার গা ভাসালে দিশাহীন নাবিকের মতো অথই সাগরে ঘুরপাক খাব।"


কাক ও ময়ূর বিপরীত দিকে হাঁটা শুরু করল। ধীরে ধীরে দু'জনার দূরত্ব বাড়তে লাগল। এ দূরত্ব যত বাড়বে "জীবন" নামক সমুদ্র থেকে তারা তত বেশি মুক্তা সংগ্রহ করতে পারবে।

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...