এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৪

পোস্টমাস্টার  - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

 পোস্টমাস্টার 

- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

প্রথম কাজ আরম্ভ করিয়াই উলাপুর গ্রামে পোস্টমাস্টারকে আসিতে হয়। গ্রামটি অতি সামান্য। নিকটে একটি নীলকুঠি আছে, তাই কুঠির সাহেব অনেক জোগাড় করিয়া এই নূতন পোস্টআপিস স্থাপন করাইয়াছে।


আমাদের পোস্টমাস্টার কলিকাতার ছেলে। জলের মাছকে ডাঙায় তুলিলে যে-রকম হয়, এই গণ্ডগ্রামের মধ্যে আসিয়া পোস্টমাস্টারেরও সেই দশা উপস্থিত হইয়াছে। একখানি অন্ধকার আটচালার মধ্যে তাঁহার আপিস; অদূরে একটি পানাপুকুর এবং তাহার চারি পাড়ে জঙ্গল। কুঠির গোমস্তা প্রভৃতি যে-সকল কর্মচারী আছে তাহাদের ফুরসত প্রায় নাই এবং তাহার ভদ্রলোকের সহিত মিশিবার উপযুক্ত নহে।


বিশেষত কলিকাতার ছেলে ভালো করিয়া মিশিতে জানে না। অপরিচিত স্থানে গেলে, হয় উদ্ধত নয় অপ্রতিভ হইয়া থাকে। এই কারণে স্থানীয় লোকের সহিত তাঁহার মেলামেশা হইয়া উঠে না। অথচ হাতে কাজ অধিক নাই। কখনো-কখনো দুটো-একটা কবিতা লিখিতে চেষ্টা করেন। তাহাতে এমন ভাব ব্যক্ত করিয়াছেন যে, সমস্ত দিন তরুপল্লবের কম্পন এবং আকাশের মেঘ দেখিয়া জীবন বড়ো সুখে কাটিয়া যায়-- কিন্তু অন্তর্যামী জানেন, যদি আরব্য উপন্যাসের কোনো দৈত্য আসিয়া এক রাত্রের মধ্যে এই শাখাপল্লব-সমেত সমস্ত গাছগুলা কাটিয়া পাকা রাস্তা বানাইয়া দেয় এবং সারি সারি অট্টালিকা আকাশের মেঘকে দৃষ্টিপথ হইতে রুদ্ধ করিয়া রাখে, তাহা হইলে এই আধমরা ভদ্রসন্তানটি পুনশ্চ নবজীবন লাভ করিতে পারে।


পোস্টমাস্টারের বেতন অতি সামান্য। নিজে রাঁধিয়া খাইতে হয় এবং গ্রামের একটি পিতৃমাতৃহীন অনাথা বালিকা তাঁহার কাজকর্ম করিয়া দেয়, চারিটি-চারিটি খাইতে পায়। মেয়েটির নাম রতন। বয়স বারো-তেরো। বিবাহের বিশেষ সম্ভাবনা দেখা যায় না।


সন্ধ্যার সময় যখন গ্রামের গোয়ালঘর হইতে ধূম কুণ্ডলায়িত হইয়া উঠিত, ঝোপে ঝোপে ঝিল্লি ডাকিত, দূরে গ্রামের নেশাখোর বাউলের দল খোল-করতাল বাজাইয়া উচ্চৈঃস্বরে গান জুড়িয়া দিত-- যখন অন্ধকার দাওয়ায় একলা বসিয়া গাছের কম্পন দেখিলে কবিহৃদয়েও ঈষৎ হৃৎকম্প উপস্থিত হইত তখন ঘরের কোণে একটি ক্ষীণশিখা প্রদীপ জ্বালিয়া পোস্টমাস্টার ডাকিতেন "রতন"। রতন দ্বারে বসিয়া এই ডাকের জন্য অপেক্ষা করিয়া থাকিত কিন্তু এক ডাকেই ঘরে আসিত না-- বলিত, "কী গা বাবু, কেন ডাকছ।"


পোস্টমাস্টার। তুই কী করছিস।


রতন। এখনই চুলো ধরাতে যেতে হবে-- হেঁশেলের--


পোস্টমাস্টার। তোর হেঁশেলের কাজ পরে হবে এখন-- একবার তামাকটা সেজে দে তো।


অনতিবিলম্বে দুটি গাল ফুলাইয়া কলিকায় ফুঁ দিতে দিতে রতনের প্রবেশ। হাত হইতে কলিকাটা লইয়া পোস্টমাস্টার ফস্‌ করিয়া জিজ্ঞাসা করেন, "আচ্ছা রতন, তোর মাকে মনে পড়ে?" সে অনেক কথা; কতক মনে পড়ে, কতক মনে পড়ে না। মায়ের চেয়ে বাপ তাহাকে বেশি ভালোবাসিত, বাপকে অল্প অল্প মনে আছে। পরিশ্রম করিয়া বাপ সন্ধ্যাবেলায় ঘরে ফিরিয়া আসিত, তাহারই মধ্যে দৈবাৎ দুটি-একটি সন্ধ্যা তাহার মনে পরিষ্কার ছবির মতো অঙ্কিত আছে। এই কথা হইতে হইতে ক্রমে রতন পোস্টমাস্টারের পায়ের কাছে মাটির উপর বসিয়া পড়িত। মনে পড়িত, তাহার একটি ছোটোভাই ছিল-- বহু পূর্বেকার বর্ষার দিনে একদিন একটা ডোবার ধারে দুইজনে মিলিয়া গাছের ভাঙা ডালকে ছিপ করিয়া মিছামিছি মাছধরা খেলা করিয়াছিল-- অনেক গুরুতর ঘটনার চেয়ে সেই কথাটাই তাহার মনে বেশি উদয় হইত। এইরূপ কথাপ্রসঙ্গে মাঝে মাঝে বেশি রাত হইয়া যাইত, তখন আলস্যক্রমে পোস্টমাস্টারের আর রাঁধিতে ইচ্ছা করিত না। সকালের বাসী ব্যঞ্জন থাকিত এবং রতন তাড়াতাড়ি উনুন ধরাইয়া খানকয়েক রুটি সেঁকিয়া আনিত-- তাহাতেই উভয়ের রাত্রের আহার চলিয়া যাইত।


এক-একদিন সন্ধ্যাবেলায় সেই বৃহৎ আটচালার কোণে আপিসের কাঠের চৌকির উপর বসিয়া পোস্টমাস্টারও নিজের ঘরের কথা পাড়িতেন-- ছোটোভাই, মা এবং দিদির কথা, প্রবাসে একলা ঘরে বসিয়া যাহাদের জন্য হৃদয় ব্যথিত হইয়া উঠিত তাহাদের কথা। যে-সকল কথা সর্বদাই মনে উদয় হয় অথচ নীলকুঠির গোমস্তাদের কাছে যাহা কোনোমতেই উত্থাপন করা যায় না, সেই কথা একটি অশিক্ষিতা ক্ষুদ্র বালিকাকে বলিয়া যাইতেন, কিছুমাত্র অসংগত মনে হইত না। অবশেষে এমন হইল, বালিকা কথোপকথনকালে তাঁহার ঘরের লোকদিগকে মা, দিদি, দাদা বলিয়া চিরপরিচিতের ন্যায় উল্লেখ করিত। এমন-কি, তাহার ক্ষুদ্র হৃদয়পটে বালিকা তাঁহাদের কাল্পনিক মূর্তিও চিত্রিত করিয়া লইয়াছিল।


একদিন বর্ষাকালে মেঘমুক্ত দ্বিপ্রহরে ঈষৎ-তপ্ত সুকোমল বাতাস দিতেছিল, রৌদ্রে ভিজা ঘাস এবং গাছপালা হইতে একপ্রকার গন্ধ উত্থিত হইতেছিল, মনে হইতেছিল যেন ক্লান্ত ধরণীর উষ্ণ নিশ্বাস গায়ের উপরে আসিয়া লাগিতেছে, এবং কোথাকার এক নাছোড়বান্দা পাখি তাহার একটা একটানা সুরের নালিশ সমস্ত দুপুরবেলা প্রকৃতির দরবারে অত্যন্ত করুণস্বরে বার বার আবৃত্তি করিতেছিল। পোস্টমাস্টারের হাতে কাজ ছিল না-- সেদিনকার বৃষ্টিধৌত মসৃণ চিক্কণ তরুপল্লবের হিল্লোল এবং পরাভূত বর্ষার ভগ্নাবশিষ্ট রৌদ্রশুভ্র স্তূপাকার মেঘস্তর বাস্তবিকই দেখিবার বিষয় ছিল; পোস্টমাস্টার তাহা দেখিতেছিলেন এবং ভাবিতেছিলেন, এই সময়ে কাছে একটি-কেহ নিতান্ত আপনার লোক থাকিত-- হৃদয়ের সহিত একান্তসংলগ্ন একটি স্নেহপুত্তলি মানবমূর্তি। ক্রমে মনে হইতে লাগিল, সেই পাখি ঐ কথাই বার বার বলিতেছে এবং এই জনহীন তরুচ্ছায়ানিমগ্ন মধ্যাহ্নের পল্লবমর্মরের অর্থও কতকটা ঐরূপ। কেহ বিশ্বাস করে না, এবং জানিতেও পায় না, কিন্তু ছোটো পল্লীর সামান্য বেতনের সাব-পোস্টামাস্টারের মনে গভীর নিস্তব্ধ মধ্যাহ্ন দীর্ঘ ছুটির দিনে এইরূপ একটা ভাবের উদয় হইয়া থাকে।


পোস্টামাস্টার একটা দীর্ঘনিশ্বাস ফেলিয়া ডাকিলেন, "রতন"। রতন তখন পেয়ারাতলায় পা ছড়াইয়া দিয়া কাঁচা পেয়ারা খাইতেছিল; প্রভুর কন্ঠস্বর শুনিয়া অবিলম্বে ছুটিয়া আসিল-- হাঁপাইতে হাঁপাইতে বলিল, "দাদাবাবু, ডাকছ?" পোস্টমাস্টার বলিলেন, "তোকে আমি একটু একটু করে পড়তে শেখাব।" বলিয়া সমস্ত দুপুরবেলা তাহাকে লইয়া "স্বরে অ" "স্বরে আ" করিলেন। এবং এইরূপে অল্পদিনেই যুক্ত-অক্ষর উত্তীর্ণ হইলেন।


শ্রাবণমাসে বর্ষণের আর অন্ত নাই। খাল বিল নালা জলে ভরিয়া উঠিল। অহর্নিশি ভেকের ডাক এবং বৃষ্টির শব্দ। গ্রামের রাস্তায় চলাচল প্রায় একপ্রকার বন্ধ-- নৌকায় করিয়া হাটে যাইতে হয়।


একদিন প্রাতঃকাল হইতে খুব বাদলা করিয়াছে। পোস্টমাস্টারের ছাত্রীটি অনেকক্ষণ দ্বারের কাছে অপেক্ষা করিয়া বসিয়া ছিল, কিন্তু অন্যদিনের মতো যথাসাধ্য নিয়মিত ডাক শুনিতে না পাইয়া আপনি খুঙ্গিপুঁথি লইয়া ধীরে ধীরে ঘরের মধ্যে প্রবেশ করিল। দেখিল, পোস্টমাস্টার তাঁহার খাটিয়ার উপর শুইয়া আছেন-- বিশ্রাম করিতেছেন মনে করিয়া অতি নিঃশব্দে পুনশ্চ ঘর হইতে বাহিরে যাইবার উপক্রম করিল। সহসা শুনিল "রতন"। তাড়াতাড়ি ফিরিয়া গিয়া বলিল, "দাদাবাবু, ঘুমোচ্ছিলে?" পোস্টমাস্টার কাতরস্বরে বলিলেন, "শরীরটা ভালো বোধ হচ্ছে না-- দেখ্‌ তো আমার কপালে হাত দিয়ে।"


এই নিতান্ত নিঃসঙ্গ প্রবাসে ঘনবর্ষায় রোগকাতর শরীরে একটুখানি সেবা পাইতে ইচ্ছা করে। তপ্ত ললাটের উপর শাঁখাপরা কোমল হস্তের স্পর্শ মনে পড়ে। এই ঘোর প্রবাসে রোগযন্ত্রণায় স্নেহময়ী নারীরূপে জননী ও দিদি পাশে বসিয়া আছেন, এই কথা মনে করিতে ইচ্ছা করে। এবং এস্থলে প্রবাসীর মনের অভিলাষ ব্যর্থ হইল না। বালিকা রতন আর বালিকা রহিল না। সেই মুহূর্তেই সে জননীর পদ অধিকার করিয়া বসিল, বৈদ্য ডাকিয়া আনিল, যথাসময়ে বটিকা খাওয়াইল, সারারাত্রি শিয়রে জাগিয়া রহিল, আপনি পথ্য রাঁধিয়া দিল, এবং শতবার করিয়া জিজ্ঞাসা করিল, "হাঁগো দাদাবাবু, একটুখানি ভালো বোধ হচ্ছে কি।"


বহুদিন পরে পোস্টমাস্টার ক্ষীণ শরীরে রোগশয্যা ত্যাগ করিয়া উঠিলেন-- মনে স্থির করিলেন, আর নয়, এখান হইতে কোনোমতে বদলি হইতে হইবে। স্থানীয় অস্বাস্থ্যের উল্লেখ করিয়া তৎক্ষণাৎ কলিকাতায় কর্তৃপক্ষদের নিকট বদলি হইবার জন্য দরখাস্ত  করিলেন।


রোগসেবা হইতে নিষ্কৃতি পাইয়া রতন দ্বারের বাহিরে আবার তাহার স্বস্থান অধিকার করিল। কিন্তু পূর্ববৎ আর তাহাকে ডাক পড়ে না; মাঝে মাঝে উঁকি মারিয়া দেখে, পোস্টমাস্টার অত্যন্ত অন্যমনস্কভাবে চৌকিতে বসিয়া অথবা খাটিয়ায় শুইয়া আছেন। রতন যখন আহ্বান প্রত্যাশা করিয়া বসিয়া আছে, তিনি তখন অধীরচিত্তে তাঁহার দরখাস্তের উত্তর প্রতীক্ষা করিতেছেন। বালিকা দ্বারের বাহিরে বসিয়া সহস্রবার করিয়া তাহার পুরানো পড়া পড়িল। পাছে যেদিন সহসা ডাক পড়িবে সেদিন তাহার যুক্ত-অক্ষর সমস্ত গোলমাল হইয়া যায়, এই তাহার একটা আশঙ্কা ছিল। অবশেষে সপ্তাহখানেক পরে একদিন সন্ধ্যাবেলায় ডাক পড়িল। উদ্‌বেলিতহৃদয়ে রতন গৃহের মধ্যে প্রবেশ করিয়া বলিল, "দাদাবাবু, আমাকে ডাকছিলে?"


পোস্টমাস্টার বলিলেন, "রতন, কালই আমি যাচ্ছি।"


রতন।  কোথায় যাচ্ছ, দাদাবাবু।


পোস্টমাস্টার।  বাড়ি যাচ্ছি।


রতন।  আবার কবে আসবে।


পোস্টমাস্টার।  আর আসব না।


রতন আর-কোনো কথা জিজ্ঞাসা করিল না। পোস্টমাস্টার আপনিই তাহাকে বলিলেন, তিনি বদলির জন্য দরখাস্ত করিয়াছিলেন, দরখাস্ত নামঞ্জুর হইয়াছে; তাই তিনি কাজে জবাব দিয়া বাড়ি যাইতেছেন। অনেকক্ষণ আর কেহ কোনো কথা কহিল না। মিটমিট করিয়া প্রদীপ জ্বলিতে লাগিল এবং একস্থানে ঘরের জীর্ণ চাল ভেদ করিয়া একটি মাটির সরার উপর টপ টপ করিয়া বৃষ্টির জল পড়িতে লাগিল।


কিছুক্ষণ পরে রতন আস্তে আস্তে উঠিয়া রান্নঘরে রুটি গড়িতে গেল। অন্যদিনের মতো তেমন চটপট হইল না। বোধ করি মধ্যে মধ্যে মাথায় অনেক ভাবনা উদয় হইয়াছিল। পোস্টমাস্টারের আহার সমাপ্ত হইলে পর বালিকা তাঁহাকে জিজ্ঞাসা করিল, "দাদাবাবু, আমাকে তোমাদের বাড়ি নিয়ে যাবে?"


পোস্টমাস্টার হাসিয়া কহিলেন, "সে কী করে হবে।" ব্যাপারটা যে কী কী কারণে অসম্ভব তাহা বালিকাকে বুঝানো আবশ্যক বোধ করিলেন না।


সমস্ত রাত্রি স্বপ্নে এবং জাগরণে বালিকার কানে পোস্টমাস্টারের হাস্যধ্বনির কন্ঠস্বর বাজিতে লাগিল-- "সে কী করে হবে'।


ভোরে উঠিয়া পোস্টমাস্টার দেখিলেন, তাঁহার স্নানের জল ঠিক আছে; কলিকাতার অভ্যাস অনুসারে তিনি তোলা জলে স্নান করিতেন। কখন তিনি যাত্রা করিবেন সে কথা বালিকা কী কারণে জিজ্ঞাসা করিতে পারে নাই; পাছে প্রাতঃকালে আবশ্যক হয় এইজন্য রতন তত রাত্রে নদী হইতে তাঁহার স্নানের জল তুলিয়া আনিয়াছিল। স্নান সমাপন হইলে রতনের ডাক পড়িল। রতন নিঃশব্দে গৃহে প্রবেশ করিল এবং আদেশপ্রতীক্ষায় একবার নীরবে প্রভুর মুখের দিকে চাহিল। প্রভু কহিলেন, "রতন, আমার জায়গায় যে লোকটি আসবেন তাঁকে বলে দিয়ে যাব তিনি তোকে আমারই মতন যত্ন করবেন, আমি যাচ্ছি বলে তোকে কিছু ভাবতে হবে না।" এই কথাগুলি যে অত্যন্ত স্নেহগর্ভ এবং দয়ার্দ্র হৃদয় হইতে উত্থিত সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নাই, কিন্তু নারীহৃদয় কে বুঝিবে। রতন অনেকদিন প্রভুর অনেক তিরস্কার নীরবে সহ্য করিয়াছে কিন্তু এই নরম কথা সহিতে পারিল না। একেবারে উচ্ছ্বসিতহৃদয়ে কাঁদিয়া উঠিয়া কহিল, "না না, তোমার কাউকে কিছু বলতে হবে না, আমি থাকতে চাই নে।"


পোস্টমাস্টার রতনের এরূপ ব্যবহার কখনো দেখেন নাই, তাই অবাক হইয়া রহিলেন।


নূতন পোস্টমাস্টার আসিল। তাহাকে সমস্ত চার্জ বুঝাইয়া দিয়া পুরাতন পোস্টমাস্টার গমনোন্মুখ হইলেন। যাইবার সময় রতনকে ডাকিয়া বলিলেন, "রতন, তোকে আমি কখনো কিছু দিতে পারি নি। আজ যাবার সময় তোকে কিছু দিয়ে গেলুম, এতে তোর দিনকয়েক চলবে।"


কিছু পথখরচা বাদে তাঁহার বেতনের যত টাকা পাইয়াছিলেন পকেট হইতে বাহির করিলেন। তখন রতন ধুলায় পড়িয়া তাঁহার পা জড়াইয়া ধরিয়া কহিল, "দাদাবাবু, তোমার দুটি পায়ে পড়ি, তোমার দুটি পায়ে পড়ি, আমাকে কিছু দিতে হবে না; তোমার দুটি পায়ে পড়ি, আমার জন্যে কাউকে কিছু ভাবতে হবে না"-- বলিয়া একদৌড়ে সেখান হইতে পলাইয়া গেল।


ভূতপূর্ব পোস্টমাস্টার নিশ্বাস ফেলিয়া হাতে কার্পেটের ব্যাগ ঝুলাইয়া, কাঁধে ছাতা লইয়া, মুটের মাথায় নীল ও শ্বেত রেখায় চিত্রিত টিনের পেঁটরা তুলিয়া ধীরে ধীরে নৌকাভিমুখে চলিলেন।


যখন নৌকায় উঠিলেন এবং নৌকা ছাড়িয়া দিল, বর্ষাবিস্ফারিত নদী ধরণীর উচ্ছলিত অশ্রুরাশির মতো চারি দিকে ছলছল করিতে লাগিল, তখন হৃদয়ের মধ্যে অত্যন্ত একটা বেদনা অনুভব করিতে লাগিলেন-- একটি সামান্য গ্রাম্য বালিকার করুণ মুখচ্ছবি যেন এক বিশ্বব্যাপী বৃহৎ অব্যক্ত মর্মব্যথা প্রকাশ করিতে লাগিল। একবার নিতান্ত ইচ্ছা হইল, "ফিরিয়া যাই, জগতের ক্রোড়বিচ্যুত সেই অনাথিনীকে সঙ্গে করিয়া লইয়া আসি"- কিন্তু তখন পালে বাতাস পাইয়াছে, বর্ষার স্রোত খরতর বেগে বহিতেছে, গ্রাম অতিক্রম করিয়া নদীকূলের শ্মশান দেখা দিয়াছে- এবং নদীপ্রবাহে ভাসমান পথিকের উদাস হৃদয়ে এই তত্ত্বের উদয় হইল, জীবনে এমন কত বিচ্ছেদ, কত মৃত্যু আছে, ফিরিয়া ফল কী। পৃথিবীতে কে কাহার।


কিন্তু রতনের মনে কোনো তত্ত্বের উদয় হইল না। সে সেই পোস্টআপিস গৃহের চারি দিকে কেবল অশ্রুজলে ভাসিয়া ঘুরিয়া ঘুরিয়া বেড়াইতেছিল। বোধ করি তাহার  মনে ক্ষীণ আশা জাগিতেছিল, দাদাবাবু যদি ফিরিয়া আসে-- সেই বন্ধনে পড়িয়া কিছুতেই দূরে যাইতে পারিতেছিল না। হায় বুদ্ধিহীন মানবহৃদয়! ভ্রান্তি কিছুতেই ঘোচে না, যুক্তিশাস্ত্রের বিধান বহুবিলম্বে মাথায় প্রবেশ করে, প্রবল প্রমাণকেও অবিশ্বাস করিয়া মিথ্যা আশাকে দুই বাহুপাশে বাঁধিয়া বুকের ভিতরে প্রাণপণে জড়াইয়া ধরা যায়, অবশেষে একদিন সমস্ত নাড়ী কাটিয়া হৃদয়ের রক্ত শুষিয়া সে পলায়ন করে, তখন চেতনা হয় এবং দ্বিতীয় ভ্রান্তিপাশে পড়িবার জন্য চিত্ত ব্যাকুল হইয়া উঠে।


#বাংলাচর্চা 

#রবীন্দ্রনাথ_ঠাকুর 

#পোস্টমাস্টার 

#ছোটগল্প

প্রেশার কুকারের রান্নার ডিটেইলস:-

 প্রেশার কুকারের রান্নার ডিটেইলস:-

ভাত___

 পানির পরিমান:- যেই পট দিয়ে চাল মাপবেন, সেই পট দিয়ে চালের ডাবল পরিমান পানি দিবেন। 

 সিটি:- লো আচে  ২ টা সিটি এবং হাই আচে ৩থেকে৪ টা সিটি।


আলু- 

পানির পরিমান দিবেন :- আলু ডুবিয়ে বা অর্ধেক ডুবিয়ে পানি দিবেন। (আলু তে বেশি পানি দিলে পানসে হয়প যায়)

 সিটি:- লো আচে  ২ টা সিটি এবং হাই আচে ৩-৪ টা সিটি


🥘খিচুড়ি- 

পানির পরিমান:- যেই পট দিয়ে চাল ও ডাল মাপবেন, সেই পট দিয়ে চাল ডালের ডাবল পরিমান পানি দিবেন। নরম খিচুড়ি করতে চাইলে আরো একটু বেশি পানি দিবেন।

 সিটি:- লো আচে ২ টা সিটি এবং বেশু আচে ৩-৪ টা সিটি।


🍚পোলাও- 

পানির পরিমান:- যদি ১ পট চাল হয় তাহলে ডাবল পানি দিবেন। এর বেশি চাল হলে ডাবলের একটু কম পানি দিবেন। যেমন ২ পটে ১.৫ পট পানি এইভাবে 

 সিটি:- লো আচে ১ টা সিটি এবং হাই আচে ২টা সিটি।


🍗দেশি মুরগি-

 পানির পরিমান:- কষিয়ে নিয়ে সামান্য পানি দিয়ে দিবেন।

 সিটি:- লো আচে  ২ টা সিটি এবং হাই আচে ৩-৪ টা সিটি।


🐓 কক মুরগি-

পানির পরিমান:- কষিয়ে নিয়ে সামান্য পানি দিয়ে দিবেন।

 সিটি:- লো আচে  ২ টা সিটি এবং হাই আচে ৩-৪ টা সিটি।


  লাউ ডাল- 

পানির পরিমান:- পানি না দিলেও হবে। চাইলে সামান্য দিতে পারেন।

 সিটি:- ২ সিটি


🫕পাতলা ডাল- 

পানির পরিমান:- ডালের ডাবল পানি। প্রথমে ১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখলে ভালো হয়।

 সিটি:- লো আচে  ২ টা সিটি এবং হাই আচে ৩-৪ টা সিটি।


🦆 হাঁস- 

পানির পরিমান:- কষিয়ে নিয়ে সামান্য পানি দিয়ে দিবেন।

 সিটি:- লো আচে  ২ টা সিটি এবং হাই আচে ৩-৪ টা সিটি।


 চিকেন বিরিয়ানি- 

পানির পরিমান:- যদি ১ পট চাল হয় তাহলে ডাবল পানি দিবেন। এর বেশি চাল হলে ডাবলের একটু কম পানি দিবেন। যেমন ২ পটে ১.৫ পট পানি এইভাবে।


প্রয়োজনে সবাই শেয়ার দিয়ে রাখতে পারেন।


#reelsfypシ #viralreelsシ #reelsvideoシ #highlightseveryone #highlightseveryonefollowers #viralvideoシ #viralreelsfacebook

নেহারি রেসিপি,,,,,

 * নেহারি রেসিপি


চাইলে ঘরেই নিহারি রাঁধতে পারেন, তাও আবার খুব সহজেই। চালের আটার রুটি, পরোটা অথবা পরোটা সাথে গরম গরম নেহারি খুবই সুস্বাদু। ৮৮৮ নিহারি রান্নার রেসিপি- জেনে নিন সঠিক ও সহজ উপায়ে


উপকরণ


১. গরু / খাসির পা ২কেজি


২. মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ


৩. হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ


৪. ধনিয়ার গুঁড়া ১ টেবিল চামচ


৫. জিরা বাটা/জিরার গুঁড়া ১ টেবিল চামচ


৬. পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ


৭. লবণ স্বাদমতো


৮. আদা বাটা ১ টেবিল চামচ


৯. রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ


১০. তেজপাতা ৩/৪টি


১১. দারুচিনি ২/৩ টুকরো


১২. লবঙ্গ ৫/৬টি


১৩. এলাচ ৫/৬টি


১৪. গেলামরিচ আধা চা চামচ


১৫. পানি ২ লিটার


১৬. তেল আধা কাপ


১৭. শুকনো লাল মরিচ ৩/৪টি


১৮. পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ


১৯. রসুন কুচি ২ টেবিল চামচ


২০. ভাজা জিরার গুঁড়া ১চা চামচ ও


২১. গরম মসলার গুঁড়া ১ চা চামচ


পদ্ধতি


প্রেসার কুকারে গরু / খাসির সঙ্গে ২-১৫ নং পর্যন্ত সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে ২ লিটারের মতো পানি দিলেই হয়ে যাবে।


অন্য পাত্রে রান্না করলে পানির পরিমাণ আরেকটু বেশি লাগবে। সেটা দেখে বুঝেই পানির পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে হবে।


ভালোভাবে মসলা মিশিয়ে ঢাকনা  দিয়ে ঢেকে মাঝারি আঁচে রান্না করতে হবে প্রায় ঘণ্টাখানেক। এরপর ঢাকনা খুলে যদি দেখেন নেহারি সেদ্ধ হয়ে গেছে তখনই বাগার দিতে হবে।


এজন্য চুলায় একটি প্যান বসিয়ে তেল গরম করে তেল আধা কাপ গরম করে নিন। এবার এতে ১৭-১৯ নং পর্যন্ত উপকরণ দিয়ে ভেজে নিন।


নাড়তে নাড়তে যখন পেঁয়াজ-রসুন বাদামিরঙ হয়ে আসবে তখনই দিয়ে দিন জিরা। এরপর এই বাগার ঢেলে দিন নেহারির মধ্যে।


সাথে দিতে হবে ভাজা জিরার গুঁড়া ও গরম মসলার গুঁড়া। ভালোভাবে নেড়ে মিশিয়ে চুলার জ্বাল বন্ধ করে ঢেকে রাখুন ১০-১৫মিনিট। ব্যাস পরিবেশনের জন্য তৈরি হয়ে।।।


রেসিপি যেন না হারিয়ে যায় তাই তাড়াতাড়ি আপনার টাইমলাইনে শেয়ার করে রেখে দিন। যেনো প্রয়োজনে খুঁজে পান। এমন ভিন্ন স্বাদের মজাদার সব রেসিপি পেতে আমাদের রান্নাঘর পেজে অবশ্যই লাইক কমেন্ট শেয়ার দিয়ে পাশেই থাকুন। ধন্যবাদ

টবের নাগা মরিচ/বোম্বাই মরিচ চাষ পদ্ধতি।

 টবের নাগা মরিচ/বোম্বাই মরিচ চাষ পদ্ধতি।


বোম্বাই মরিচ মূলত প্রচণ্ড ঝালের কারণে সর্বাধিক পরিচিত। সবার প্রিয়ও বলা চলে। একটু চেষ্টা করলেই ফলাতে পারবেন বোম্বাই মরিচ। বাসার ছাদে, বারান্দায়, ভবনের চারপাশে টবে বোম্বাই মরিচের ফলন ভালো হয়। তাই আজ থেকেই চেষ্টা করে দেখুন। চাষের নিয়ম-কানুন জেনে নিন এখনই-


বীজ বা চারা: 


যেকোনো বাজারে বীজ কিনতে পাওয়া যায়। তবে নতুনদের জন্য চারা কেনাই ভালো। নার্সারি, হর্টিকালচার সেন্টার বা গ্রামের হাট-বাজার থেকেও বোম্বাই মরিচের চারা কেনা যায়। তবে জাত ও চারার মান সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে। এছাড়া বীজ থেকেও চারা উৎপাদন করে রোপণ করা যায়।


চাষের নিয়ম: 


প্রতিটি চারা টবে লাগানোর আগে মাটি প্রস্তুত করে নিতে হবে। প্রতিটি ১০ ইঞ্চি টবের জন্য ১/৩ গোবর (২ ভাগ মাটি, ১ ভাগ গোবর), ২ চিমটি টিএসপি, ১ চিমটি ইউরিয়া, ১ চিমটি পটাশ সার, অল্প পরিমাণ সরিষার খৈল দিয়ে ৪-৫ দিন মাটি রোদে শুকাতে হবে। তারপর এ মাটিতে চারা লাগাতে হবে। চারা যদি সবল না হয় তাহলে দিনে ২-৩ বার ইউরিয়া মিশ্রিত পানি স্প্রে করলে চারা সবল হয়ে যাবে।


সপ্তাহে ১ দিন মাটি খুঁচিয়ে আলগা করে দিতে হবে। আগাছা দেখা দিলে সরিয়ে দিতে হবে। চারা লাগানোর ২০-২৫ দিনের মধ্যেই গাছে ফুল আসবে। আর সেই ফুল থেকে আস্তে আস্তে ধরতে শুরু করবে আপনাদের প্রিয় বোম্বাই/নাগা মরিচ। মরিচ যত বেশি দিন গাছে থাকবে তত ঝাল হবে।


খুব নিচের শাখাগুলো কেটে/ভেঙে ফেলতে হবে। এমনটি না করলে গাছের জোর কমে যাবে, মরিচের আকার হবে ছোট। গাছ কড়া রোদে রাখতে হবে, ছায়ায় থাকলে মরিচ ধরবে না। ১টা মরিচ গাছ অনেক দিন ফল দেবে। আর ১টা গাছে যে পরিমাণ মরিচ ধরে তা খেয়েই শেষ করা কঠিন।


পোকা দমন: 


মরিচ গাছে পোকা আক্রমণ করতে পারে। তবে ২-৪ টা গাছ হলে পোকা-মাকড় হাতেই মেরে দমন করা যায়। গাছ বেশি হলে কীটনাশক ব্যবহার করা যায়। তবে শাক-সবজিতে কীটনাশক ব্যবহার না করাই ভালো।


ফলন: 


মরিচ যত বেশি দিন গাছে থাকবে; তত বেশি ঝাল হবে। নিচের শাখাগুলো কেটে ফেলতে হবে। না হলে মরিচের আকার হবে ছোট। গাছ কড়া রোদে রাখতে হবে, ছায়ায় থাকলে মরিচ ধরবে না। ১টি গাছ অনেক দিন ফল দেবে।

ছাদকৃষির জন্য ১২ টি পরামর্শ

 🪴🌿🍆🌽🌶️ছাদকৃষির জন্য ১২ টি পরামর্শ🍆🌽🌶️🥕🍉

"ছাদ বাগানীদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। টবে, ড্রামে গাছ লাগানো হয়। কেউ ফল, কেউবা সবজির গাছ লাগান। কেউ সফল হন। কেউ সফল হন না। ছোট ছোট কিছু ভুল বাগানীরা করে থাকেন। সে কারণে যত্ন নিলেও ফল আসে না। এখানে ছাদ বাগানীদের জন্য কিছু টিপস দেয়া হলো, যা মানলে সফলতা পাওয়া সহজ হতে পারে।


প্রথমেই মনে রাখতে হবে, টবে বা ড্রামে গাছ লাগালে তাকে খাবার দিতে হবে। প্রকৃতিতে বিদ্যমান গাছের মতো সে খাবার সংগ্রহ করতে পারে না। রোগ-বালাই হলো কিনা সেটাও বুঝে ব্যবস্থা নিতে হবে। ধৈর্য্য ধারণ করতে হবে।


১. মাটির সাথে অবশ্যই কিছু কোকোপিট মেশাবেন। গাছের গোড়া স্যাতস্যাতে হতে দিবেন না। স্যাতস্যাতে হলে অসংখ্য রোগ হবে। মাটি ভেজা থাকবে তবে স্যাতস্যাতে না। কেকোপিট মেশালে পানি কম দিলেও হবে। কোকোপিট (নারকেলের ছোবলার গুড়া) পানি ধরে রাখে। অতি বৃষ্টি হলে গোড়ায় পানি জমতে দেয় না। হালকা হওয়ায় ছাদে ওজনের চাপ পড়ে না। এছাড়া কোকোপিটে কিছু পুষ্টি উপাদান আছে। যা গাছের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। কোকোপিটে চারা দ্রুত গজায়, বড় হয়। মাটির চেয়ে কোকোপিটে চারা ভালো হয়।


২. গাছের জন্য বিরিয়ানি হলো সরিষার খৈল-পচা পানি। মাটির হাড়িতে খৈল পচাতে হবে। কমপক্ষে ৫ দিন। ৭ দিন কিংবা বা ১৫ দিন হলে উত্তম। অল্প পানিতে পচিয়ে তার সাথে আরো পানি মিশিয়ে দিতে হবে। এটি গাছের জন্য অত্যন্ত উপকারী। একটু গন্ধ হয়, তাই অল্প একটু গুড় দিতে পারেন। ছাদে হাড়িতে পচালে বাসায় গন্ধ আসবে না। বৃষ্টির সময় খৈল-পচা পানি দেবেন না। পুকুরের নিচে থাকা পাক কাদা গাছের জন্য খুব উপকারী।


৩. আমরা জানি, মাটিতে অসংখ্য ক্ষতিকর ছত্রাক থাকে। যা গাছকে মেরে ফেলার জন্য যথেস্ট। তাই মাটি রেডি করার সময় কিছুটা বায়োডামা সলিট দিবেন। এটি উপকারী ছত্রাক। মাটিতে ক্ষতিকারক উপাদানগুলো মেরে ফেলে। আবার জৈব সারের কাজও করে। গাছের জন্য মাটি হবে ঝুরঝুরে, হালকা।


৪. যাই লাগান না কেন, ভালো জাতের বীজ কিনা নিশ্চিত হয়ে নেবেন। ভালো বীজে ভালো ফসল হবে। নতুবা যতই যত্ন নেন না কেন, সব পরিশ্রম বেলাশেষে জলে যাবে। বীজ থেকে নিজে চারা করা উত্তম। কারণ বাজার থেকে যে চারা কিনবেন সেটার জাত ভালো হবে সে নিশ্চয়তা কোথায়? ছত্রাকনাশক দিয়ে বীজ শোধন করে নেয়া উত্তম। পদ্ধতি হলো- ছত্রাকনাশক দেয়া পানিতে কিছুটা সময় বীজ ভিজিয়ে রাখতে হবে। ম্যানসার, মেটারিল দুটি ছত্রাকনাশক।


৫. গাছ বেশি তো ফলন বেশি- এটি ভুল ধারণা। অল্প জায়গায় বেশি গাছ লাগানো যাবে না। গাছ পাতলা করে লাগাতে হবে। বেশি লাগালে গাছ প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাবে না। একটি ফলের ক্রেটে মাত্র দুটি গাছ। একটি টবে একটি গাছ। ক্রেট বা টবে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখতে হবে।


৬. ছাদে মাচা দেয়া সমস্যা। কারণ ঘুঁটি থাকে না। এ জন্য ফলের ক্রেটের চারপাশে লাঠি বেঁধে সহজে মাচা দেয়া যায়। লতাপাতা জাতীয় গাছ লাগানোর পাত্র একটু গভীর হলে উত্তম। গাছের জন্য সবচেয়ে বেশি ভালো জৈব সার হলো পাতা-পচা সার, তারপর ভার্মি কম্পোস্ট, তারপর গোবর সার। পাতা-পচা সার সহজলভ্য নয়। দাম বেশি। কিন্তু ভার্মি কম্পোস্ট সহজলভ্য। মাটির সঙ্গে মিনিমাম ৪০% জৈব সার দেয়া উত্তম।


৭. নিম কীটনাশককে ক্ষতিকারক পোকা-মাকড় খুব অপছন্দ করে। এটি দিলে তারা বিরক্ত বোধ করে। গাছে বাসা বাঁধতে পারে না। প্রতি সাত দিনে একবার সব গাছের পাতায় নিম কীটনাশক স্প্রে করতে হবে। মাসে একবার ইপসম সল্ট স্প্রে করে দেয়া উত্তম। একইভাবে মাসে একবার পানির সঙ্গে হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড মিশিয়ে স্প্রে করা ভালো।


৮. ডাটা, পুইশাক, লালশাক, ধনেপাতা এসব লাগাতে পারেন। মাত্র ২৫ দিনে খেতে পারবেন। লালশাক লাগালে নেট দিয়ে ঘিরে দেবেন। শাকপাতা লাগালে দ্রুত আউটপুট পাবেন। যা আপনাকে প্রেরণা দেবে। পুইশাক গাছের পাতায় দাগ হলে পাতা কেটে দিন। অথবা ছত্রাকনাশক স্প্রে করেন। অথবা গাছ উঠিয়ে আবার লাগান। ইউরিয়া সার দিলে পুইশাক দ্রুত বাড়বে। শশা গাছের বৃদ্বির জন্য ডিএপি সার দিলে ভালো হবে। শশা গাছে ছাড়া ছাড়া ছত্রাকনাশক স্প্রে করতে হয়। খুব রোদ, গাছের গোড়ায় মালচিং করে দিয়ে উত্তম ফল মিলবে। মালচিং হলো গাছের গোড়ায় বিশেষ পলিথিন কিংবা শুকনো পাতা, খড় দিয়ে ঢেকে দেয়া।


৯. ফুল আসার পরে প্রানোফিক্স অথবা মিরাকুরান গাছের পাতায় শেষ বিকালে স্প্রে করবেন। বাসায় দুইটি গ্রুপের ছত্রাকনাশক রাখা ভালো। যেমন- ম্যানসার, মেটারিল। ১৫ দিনে একবার স্প্রে করবেন।  এগরোমিন্ড গোল্ড অনুখাদ্য বা অন্য কোনো অনুখাদ্য বাসায় রাখতে হবে। মাসে কমপক্ষে একবার স্প্রে করবেন। অতিরিক্ত গরম, বৃষ্টি, খাদ্যের অভাব, গাছ রোগাক্রান্ত, আবহাওয়া দ্রুত আপডাউন করা ইত্যাদি কারণে ফুল ঝরে পড়তে পারে। আবার পরাগায়ন না হলে ঝরে পড়তে পারে। এ জন্য হাতের মাধ্যমে পরাগায়ন করতে হবে। পুরুষ ফুলের পরাগদণ্ড নারী ফুলে গর্ভে ঘষে দিতে হবে।


১০. ছাদ বাগানে গাছ মারা যাওয়ার অন্যতম কারণ পানি বেশি বা কম দেয়া। যতটুকু লাগে ঠিক ততটুকু পানি দিতে হবে। কোন গাছের কি চাহিদা, রোগ একটু স্টাডি করলে সহজে সফল হতে পারবেন।


১১. গাছের পাতার নিচে খেয়াল করবেন। বেগুন গাছের পোকা মারার জন্য সেক্স ফোরেমান ফাঁদ লাগাবেন। ডগা ছিদ্র বা ফল ছিদ্র হলে সাইপারমেত্রিন গ্রুপের কীটনাশক দিতে হবে। একটি বেগুন গাছ অনেক দিন ফল দেয়। ঢেড়স গাছ বেশি রোদ পড়ে এমন জায়গায় লাগাবেন। বেগুন, ঢেড়স, লালশাক, পুইশাক, ধনেপাতা, ডাটা শাক- এসব গাছের খুব যত্ন করতে হয় না।


১২. রসুন আর লবঙ্গ বেটে সেই পানি গাছে স্প্রে করলে পোকা কম আসবে। মরিচ গাছে নেপথলিন বেঁধে দিন, পোকা কম আসবে। পাতা কোকড়ালে ভার্মিটেক কিংবা এবোম কীটনাশক দিন। কোকড়ানো পাতা ফেলে দিন। মরিচ গাছে দশ দিন পর পর ডায়মেথট গ্রুপের (যেমন টাফগর) কীটনাশক দিলে উপকার হবে। সবকিছু করছেন, তারপরও কাজ হচ্ছে না। এক্ষেত্রে গাছের জায়গা বদল করেন, উঠিয়ে অন্যত্র লাগান।"


শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিলাম ধন্যবাদ।

দক্ষতা আপনার, সহযোগিতা আস-সুন্নাহ’র—এই স্লোগানকে সামনে রেখে নতুন বছরে শুরু হচ্ছে আমাদের ভিন্নধর্মী কার্যক্রম ‘দক্ষতাভিত্তিক উদ্যোক্তা তৈরি প্রকল্প-২০২৫’। 

 ‘দক্ষতা আপনার, সহযোগিতা আস-সুন্নাহ’র—এই স্লোগানকে সামনে রেখে নতুন বছরে শুরু হচ্ছে আমাদের ভিন্নধর্মী কার্যক্রম ‘দক্ষতাভিত্তিক উদ্যোক্তা তৈরি প্রকল্প-২০২৫’। 


আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি ও নবীন উদ্যোক্তা তৈরি এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।


কারিগরি জ্ঞান ও বাস্তব অভিজ্ঞতা-সম্পন্নদের এই প্রকল্পের আওতায় বিশেষ আর্থিক সহায়তা করা হবে, যেন তিনি আত্মনির্ভরতার পাশাপাশি আরো কয়েকটি পরিবারের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারেন।


আবেদন প্রক্রিয়া: 


নিচের লিংকে আবেদন ফরম পাওয়া যাবে। সম্ভাব্য উদ্যোক্তা ফরমটি প্রিন্ট করে যথাযথভাবে পূরণ করবেন। কুরিয়ারের মাধ্যমে অথবা সরাসরি অফিসে এসে আবেদন ফরম জমা দিতে পারবেন। আবেদন ফরমের সঙ্গে পাঠাতে হবে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, দক্ষতার সার্টিফিকেট (যদি থাকে), দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি। 


ঠিকানা: মানবসেবা, আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন, প্লট সি-৭০, রোড-৩, ব্লক-সি, আফতাবনগর, ঢাকা। ফোন : ০১৯৫৮২৭৭৬০৩ 


আবেদন ফরম লিংক :  https://shorturl.at/7iEdm




১৬টি প্রশ্নের উত্তর দিলাম আশাবাদী নবীনদের কাজে লাগবে: ইন্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ১৬টি প্রশ্নের উত্তর দিলাম আশাবাদী নবীনদের কাজে লাগবে:

১💕প্রশ্নঃ রাত্রে সাইটে মালামাল আসলে সকালে সাইটে প্রবেশ করে ইঞ্জিনিয়ারের কি করা উচিৎ? 

উত্তরঃ মালামাল আসলে তার গুনগত মান ঠিক আছে কি না চালানের সাথে মিল করে দেখা, প্রতিদিন কি পরিমান মালামাল আসে এবং কি পরিমান ব্যবহার করা হচ্ছে সাইট মেজারমেন্ট বইতে তুলে রাখতে হবে, মালামাল কম আসে কিনা সে দিকে নজর রাখতে হবে, কোন সমস্যা থাকলে অফিসে জানাতে হবে।


২💕প্রশ্নঃ সাইটে বালি আসলে কিভাবে রিসিভ করা হয়? 

উত্তরঃ ট্রাক সাইটে আসার পর ট্রাকের উপরে উঠে দেখতে হবে মাল সমান আছে কিনা, সমান না থাকলে সমান করতে হবে তারপর ট্রাকের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ মাপতে হবে আর 10 মিমি রড দিয়ে উচ্চতা মাপতে হবে। লােকাল গাড়ীর মাপ সাধারনত = 14'-6"X7'6"X1'-10" = 199.01 ঘনফুট।


৩💕প্রশ্নঃ সাইটে সিমেন্ট আসলে কিভাবে রিসিভ করা হয়?

উত্তরঃ সাইটে সিমেন্ট আসলে গাড়ীতে কত ব্যাগ সিমেন্ট আছে সেটা আগে জানতে হবে। আর সাইটে 12 টা করে ইস্টাক দিয়ে দুইটা ইস্ট্রাক মিলে তার উপর এক বস্তা দিলে মােট 25 (12+12+1) এই ভাবে সিমেন্ট রিসিভ করতে হয়। 


৪💕প্রশ্নঃ সাইটে রড আসলে কিভাবে রিসিপ করা হয়? 

উত্তরঃ রড বান্ডিল হিসাবে আসে তাই বান্ডিল হিসাবে বুঝে নেওয়া হয়। তাছাড়া মােট রডের দৈর্ঘ্য বা rft বের করে কেজিতে হিসাব করা হয়। 


৫💕প্রশ্নঃ সাইডে ইট কিভাবে রিসিভ করবেন? 

উত্তরঃ ইট গাড়ীতে গুনে নেওয়া ভাল, না হলে সাইটে ইস্টাক দিয়ে বুঝে নেওয়া যায়। গাড়ীতে উঠে এক সারিতে কয়টা আর কয়টা সারি আছে গুনে ইট বুঝে নিতে হয়। যেমন দৈর্ঘ্য বরাবর এক সারিতে 50 টা প্রস্থ বরাবর এক সারিতে 10 টা আর উচ্চতা বরাবর এক সারিতে আছে 6টা তাহলে মােট = 50X10X6 = 3000 পিচ। 


৬💕প্রশ্নঃ সাইটে কাঠ আসলে কিভাবে রিসিভ করবেন? 

উত্তরঃ সাটারিং কাঠ সাইটে আসলে প্রথমে সাইজ অনুযায়ী সাজাতে হয়। তারপর গুনে হিসাব করতে হয়। যেমন (5' - 0" X 0' - 5" X 0' - 1.25" X 200) - 144 = 43.40 ঘনফুট (6' - 0" X 0' - 6" X 0' - 1.25" X 250) - 144 = 78.13 ঘনফুট (6' - 0" X 0' - 3" X 0' - 2" X 300) - 144 = 75.00 ঘনফুট মােট 196.52 ঘনফুট 


৭💕প্রশ্নঃ সাইটে স্যানিটারী মালামাল আসলে কিভাবে রিসিভ করবেন? 

উত্তরঃ 8" 6" 4" 2" ইউপিভিসি পাইপ 20' লম্বা হয় আমরা পিচ হিসাবে বুঝিয়া নেই এবং 2" 1.5" 1.25" 1" 3/4" 1/2" জি.আই. পাইপ 10' লম্বা হয় আমরা পিচ হিসাবে বুঝিয়া নেই। অন্যান্য মালামাল পিচ হিসাবে আসলে ভাল ভাবে গুনে ডায়া অনুয়ায়ী বুঝিয়া রাখতে হবে।


 ৮💕প্রশ্নঃ সাইটে ইলেকট্রিক মালামাল আসলে কিভাবে রিসিভ করবেন? 

উত্তরঃ তার কয়েল হিসাবে আর.এম, আর.ই অনুযায়ী গুনে আলাদা ভাবে বুঝে নিতে হয়। 1.25" 1" 3/4" 1/2" পিভিসি পাইপ 10' লম্বা হয়। সকেট, বেন, ফ্যান হুক, সার্কুলার বক্স পিচ হিসাবে বুঝে নিতে হয়। 


৯💕প্রশ্নঃ সাইটে রং আসলে কিভাবে রিসিভ করবেন?

উত্তরঃ রং ড্যাম হিসাবে, চক পাউডার বস্তা হিসাবে, ইস্পিট গ্যালন হিসাবে, গালা কেজি হিসাবে কাগজ পিচ হিসাবে বুঝিয়ে নিতে হয়। 


১০💕প্রশ্নঃ সাইটে টাইলস আসলে কিভাবে রিসিভ করবেন? 

উত্তরঃ টাইলস বর্গফুট হিসাবে বা পিচ হিসাবে কোড নম্বর মিলিয়ে বুঝে রাখতে হবে। 


১১💕প্রশ্নঃ সাইটে গ্রীল আসলে কিভাবে রিসিভ করা হয়?

উত্তরঃ সাইজ সহ পিচ হিসেবে বুঝে নিতে হয়।


১২💕প্রশ্নঃ সাইটে চৌকাঠ, পাল্লা আসলে কিভাবে রিসিভ করা হয়? 

উত্তরঃ চোকাঠ, পাল্লা সাইজ অনুযায়ী পিচ হিসাবে বুঝে নিতে হয়। 


১৩💕প্রশ্নঃ সাইটে থাই আসলে কিভাবে রিসিভ করবেন? 

উত্তরঃ থাই বর্গফুট হিসাবে বুঝে নিতে হবে। 


১৪💕প্রশ্নঃ সাইটে হার্ডওয়ার মালামাল কিভাবে রিসিভ করা হয়?

উত্তরঃ হার্ডওয়ার তালা, হ্যান্ডেল, ছিটকানী, কজা বা হিন্স ইত্যাদি গুনে বুঝে নিতে হয়। এছাড়া আরও অনেক পদের মালামাল সাইটে রিসিপ করতে হয়। 


১৫💕প্রশ্নঃ এক পিচ রডের দৈর্ঘ্য কয়ফুট থাকে? 

উত্তরঃ 39'-6"। 


১৬💕প্রশ্নঃ তােমার সাইটে গাড়ি পাথর এসেছে, কিভাবে পরিমাপ করবে? 

উত্তরঃ দৈঘ্য x প্রস্থ x উচ্চতা গুণ করলে cft বের করতে হবে। যেমন: ধরুন 14.5'x7.5'X1.83' = 199 cft (দৈর্ঘ্য, 14'-6" প্রস্থ 7'- 6" এবং উচ্চতা 1'10") 


 #কন্সট্রাকশন_টিপস #বাংলা_ইঞ্জিনিয়ারিং #রডের_হিসাব #সিভিল_ইঞ্জিনিয়ার_বাংলাদেশ #বিল্ডিং_কন্সট্রাকশন #কলাম_ডিজাইন #ইঞ্জিনিয়ারিং_টিপস #সিভিলইঞ্জিনিয়ারিং

কাগজের কলম

 কাগজের কলম

কলমের quality অনেক ভালো। এতে ৮৫ ভাগ কম প্লাস্টিক ব্যাবহৃত হয়েছে। তাছাড়া কলমের পিছনে গাছের বীজ দেওয়া আছে যা কলমের কালি শেষ হলে উল্টা করে মাটিতে বা টবে পুঁতে রাখলে এখান থেকে গাছ জন্মাবে। 


কাগজের কলমের বৈশিষ্ট্য 


** এটি কাগজের তৈরি তাই ওজনে হালকা।

** হাতের লেখা সুন্দর করে ।

** হাতের অতিরিক্ত ঘাম শোষন করে।

** প্রতিটা কলমেই ফুল,ফল, সবজির বীজ দেওয়া আছে যা কলমের কালি শেষ হলে মাটিতে বা টবে পুঁতে রাখলে এখান থেকে গাছ হবে।


**এই কলমটি ছোট বাচ্চাদের বা আপনার প্রিয় মানুষকে উপহার দিতে পারেন আনকমন হিসেবে।

**একটি কলম আপনার প্রিয়জন বা কাস্টমারকে গিফট করলে আপনার কম্পানির বা ব্রান্ডের ভ্যালু বৃদ্ধি পায়।


**নিজের নাম,প্রতিষ্ঠানের নাম, স্কুল , কলেজ,মাদ্রাসা ,কোচিং সেন্টারের নাম, ঔষধ কোম্পানীর নাম, এনজিও সহ সকল সামাজিক প্রচারনা প্রোমোট করতে অর্ডার করুন ।

            ***   ০১৬৩২-৭০৫৭৩০  *** 


লোকেশন : বরিশাল। 


বিঃদ্রঃ সারা দেশে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে হোম ডেলিভারী করা হয়।

চাপটি রেসিপি: 

 🔸🔸চাপটি রেসিপি: 

শীতের সকাল এ হাঁসের মাংস আর চাপটি খেতে কার না ভালো লাগে। আসুন জেনে নিই সহজ নিয়মে কিভাবে চাপটি বানানো যায়:


✅উপকরনঃ


১ কাপ চালের গুড়ো


১/২ কাপ ডাল বাটা


১ চা চামচ লবণ


৪টা কাচা মরিচ কুচি


দুটি পেয়াজ কুচি


১ টা টমেটো কুচি


ধনে পাতা


✅রান্নার নির্দেশঃ

1

উপরিউক্ত সব উপকরণ, পরিমাণ মত জল দিয়ে একসাথে মিশিয়ে নিতে হবে।


2

প্যান গরম হলে, এতে সামান্য তেল ব্রাশ করে ডুবো হাতা দিয়ে মিশ্রণ টা ঢেলে দিতে হবে


3

প্যান টা ঘুরিয়ে দিতে হবে, যাতে মিশ্রণ টা চারদিকে ছড়িয়ে যায়।


4

কিছু ক্ষন ঢেকে রাখতে হবে


5

ঢাকনা তুলে এক পিঠ হয়ে গেলে আরেক পিঠ দিতে হবে


6

দুই পিঠ হয়ে গেলে নামিয়ে নিতে হবে


🔸🔸হাঁসের মাংস ভুনা রেসিপি: 


শীতকালে চাপটি দিয়ে হাঁস ভুনার তুলনা হয় না। আসুন জেনে নিই কিভাবে রান্না করবো।


✅উপকরণঃ


হাঁসের মাংস ১ কেজি

পেঁয়াজকুচি ১ টেবিল চামচ

পেঁয়াজবাটা ১ টেবিল চামচ

মরিচের গুঁড়া ১ টেবিল চামচ

হলুদের গুঁড়া ১ চা–চামচ

আদাবাটা ১ টেবিল চামচ

রসুনবাটা ১ টেবিল চামচ

ধনেগুঁড়া ১ চা–চামচ

জিরাবাটা ১ চা–চামচ

গরমমসলার গুঁড়া; জায়ফল গুঁড়া, জয়ত্রী গুঁড়া, মৌরি গুঁড়া ১ চা–চামচ করে

এলাচ, দারুচিনি, তেজপাতা, লং, গোলমরিচ ২টি করে

কাজুবাদামবাটা এক টেবিল চামচ

কাঠবাদামবাটা ১ টেবিল চামচ

নারকেল দুধ ১ কাপ

কাঁচা মরিচ কয়েকটি

লবণ স্বাদমতো

তেল পরিমাণমতো।


✅প্রণালিঃ


তেল গরম করে তেজপাতা, এলাচ, দারুচিনি, লং, গোলমরিচ ফোড়নে পেঁয়াজকুচি নেড়ে ভেজে নিন। এবার পেঁয়াজবাটা দিয়ে নেড়ে দিন। মরিচ, হলুদের গুঁড়া দিয়ে নেড়ে বাকি সব মসলা দিয়ে দিন। একটু পানিতে কষিয়ে নিন। এর মধ্যে পরিষ্কার করে পানি ঝরিয়ে নেওয়া হাঁসের মাংস দিয়ে নাড়ুন। কষিয়ে পানি দিয়ে ঢেকে দিন। নারকেল দুধ দিয়ে নেড়ে কাজুবাদাম ও কাঠবাদামবাটা দিন। কাঁচা মরিচ ছড়িয়ে কষিয়ে নিন। গা মাখা মাখা হয়ে এলে এলাচ, দারুচিনি, জায়ফল, জয়ত্রী, মৌরি গুঁড়া ছড়িয়ে নামিয়ে নিন।


রেসিপি ভালো লাগলে শেয়ার করে রাখুন আপনার টাইমলাইনে। 

নতুন নতুন রেসিপি পেতে আমার পেইজে নিয়মিত লাইক কমেন্ট ও ফলো দিয়ে পাশে থাকুন। ❤️

 


#followerseveryonehighlights #highlightseveryonefollowers #reelsviral #reelsvideo #fypシ゚ #reelsvideoシ #highlightseveryone #rahmaniyakitchen #viralreelsシ #viralpost2024 #viralreelsfacebook #প্রয়োজনীয়টিপস #রেসিপি

গড়াই নদীর নামকরণ এই নদীর নামে চলাচল করে কুষ্টিয়া-খুলনার  বিখ্যাত সেমি লোকাল অপারেটর গড়াই পরিবহন

 গড়াই নদীটি কুষ্টিয়া জেলার হাটশহরিপুর ইউনিয়নে প্রবহমান পদ্মা নদী হতে উৎপত্তি লাভ করে মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার নাকোল ইউনিয়ন পর্যন্ত প্রবাহিত হয়ে মধুমতি নদীতে পতিত হয়েছে।


[১] একসময় গড়াই নদী দিয়ে গঙ্গার প্রধান ধারা প্রবাহিত হতো, যদিও হুগলি-ভাগীরথী ছিল গঙ্গার আদি ধারা। কুষ্টিয়া জেলার উত্তরে হার্ডিঞ্জ সেতুর ১৯ কিলোমিটার ভাটিতে তালবাড়িয়া নামক স্থানে গড়াই নদী পদ্মা থেকে উৎপন্ন হয়েছে। নদীটি কুষ্টিয়া জেলার ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে গণেশপুর নামক স্থানে ঝিনাইদহ জেলায় প্রবেশ করেছে। অতঃপর ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া সীমানা বরাবর প্রবাহিত হয়ে চাদর নামক গ্রাম দিয়ে রাজবাড়ী জেলায় প্রবেশ করেছে। এরপর ঝিনাইদহ-রাজবাড়ী জেলা, মাগুরা জেলা-রাজবাড়ী জেলা এবং মাগুরা জেলা-ফরিদপুর জেলার সীমানা বরাবর প্রবাহিত হয়ে মধুমতি নদী নামে নড়াইল ও বাগেরহাট জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।[৩]


গড়াই নদী-মধুমতী নদীর গতিপথ আঁকাবাঁকা ও দীর্ঘ। গড়াই নামে ৮৯ কিমি, মধুমতী নামে ১৩৭ কিমি এবং বলেশ্বর নামে ১৪৬ কিমি। 

গড়াইয়ের বহু শাখা-প্রশাখা রয়েছে- কুমার নদী, কালীগঙ্গা, ডাকুয়া, বুড়ি গড়াই, বুড়িশাল ইত্যাদি গড়াইয়ের শাখা। তাছাড়া নবগঙ্গা নদী, চিত্রা, কপোতাক্ষ, সাতক্ষীরার যমুনা, গোলঘেসিয়া, এলেংখালী, আঠারোবাঁকি প্রভৃতি নদী এর সংস্পর্শে এসেছে। 

 নদীটির মোহনা থেকে উজানে কামারখালী পর্যন্ত অংশ জোয়ার-ভাটা দ্বারা প্রভাবিত হয়।[৩] 

পদ্মার সাথে সংযুক্ত হওয়ায় নৌপথে পণ্য আদান প্রদানে বিশেষ সহযোগী হিসাবে কাজ করে। নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে অনেক জনপদ। নদীতে প্রচুর পরিমাণ মত্‍স রয়েছে যা এ অঞ্চলের মানুষ আহরণের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে। মধুমতি নদী তীরবর্তী অঞ্চল খুব উর্বর। তাই ফসল উত্‍পাদনের জন্য অনুকূল।


এবং


এই নদীর নামে চলাচল করে কুষ্টিয়া-খুলনার  বিখ্যাত সেমি লোকাল অপারেটর গড়াই পরিবহন।

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...