এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৪

লোকটা মারা যাওয়ার আগে তার নাতিকে তিনটা উপদেশ দিয়ে গেল,,,,,

 লোকটা মারা যাওয়ার আগে তার নাতিকে তিনটা উপদেশ দিয়ে গেল....😴😴😴

১. ঘরের বউকে কখনও মনের কথা বলবি না!!🤐😶

২. বাড়ির সামনে কখনও বড়ই এর গাছ লাগাবি না!!✌😑

৩. পুলিশের সাথে কখনও বন্ধুত্ব করবি না!!🙃🤐

দাদা মারা যাওয়ার পর নাতির মাথায় সারাক্ষণ একটাই চিন্তা। দাদা কেন এই কাজগুলো নিষেধ করে গেল? নাতির মনে একটা সময় জেদ চেপে বসলো, সে ভাবলো দাদার নিষেধ করা কাজগুলো সে করবে, এবং দেখবে কী ঘটে!😴😴🤥

যেই কথা সেই কাজ। সে সর্বপ্রথম একজন পুলিশের সাথে ইনিয়ে বিনিয়ে বন্ধুত্ব করলো। মাঝে মাঝেই সেই পুলিশ বন্ধুকে বাড়িতে নিয়ে এসে দাওয়াত খাওয়ানো শুরু করলো। পাশাপাশি বাড়ির সদর দরজার সামনে একটি বড়ই গাছ লাগালো। বাকি থাকলো বউয়ের কাছে মনের কথা বলা...🤭🤭🤭

সে বসে বসে প্লান করলো, বউকে মনের কোন কথাটা বলা যায়...😑

সে বাজারে গেল। তিনটা ডাব কিনলো। তিনটা গামছা কিনলো। তারপর দোকান থেকে কিছু লাল রং কিনলো। তারপর বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে পুকুরঘাটে বসে ডাবের উপর লাল রং মেশালো। রং মেশানোর পর গামছা দিয়ে ডাব এমনভাবে পেচিয়ে ফেললে যাতে দেখে মনে হয় গামছার ভিতরে মানুষের কাটা মাথা...🥴🥴🥴

তারপর দৌড়াতে দৌড়াতে বাড়িতে এসেই ভং ধরে বউকে বললো, আমি তো তিনটা মানুষকে খুন করে ফেলছি! তুমি এই কথা কাউকে বইলো না প্লিজ...😰🙏

তারপর স্বামী স্ত্রী দুজনে মিলে একটা গর্ত করলো, সেই গর্তে তিনটা ডাব ( পড়ুন কাটা মাথা ) পুঁতে রাখলো। তারপর অনেক দিন কেটে গেল। কোনো প্রকার সমস্যায় হল না...😯😯

নাতি বসে বসে দাদার কথা ভাবছে আর হাসছে। শালা বুইড়া সবই তো করলাম। কিছুই তো হল না। হা হা হা....😂🤣

সবকিছুই ঠিকঠাক যাচ্ছিলো। ব্যাপারটা একসময় সে ভুলেই গেল। হঠাৎ একদিন বউয়ের সাথে তার প্রচুর ঝগড়া হল। রেগে গিয়ে বউ বললো, তোর গোপন কথা ফাঁস করে দিবো ওয়েট...🥴😐😐

বউ তখন স্বামীর পুলিশ বন্ধুকে ফোন করে বাড়িতে ডাকলো...🤒

পুলিশ আসার পর লোকটির বউ পুলিশকে গর্তের কাছে নিয়ে গিয়ে বললো, এখানে তিনজন মানুষের মাথা আছে, আমার স্বামী এদের খুন করছে...

গর্ত থেকে পুলিশ গামছা পেঁচানো তিনটা মুন্ডু বের করলো। গামছা খুলে দেখা গেল, তিনটা ডাব! বউ তখন বললো, এখানে মানুষের মাথা ছিল, আমার স্বামী মাথা চেইঞ্জ করে ডাব পুঁতে রাখছে!

 আমি সাক্ষী...

"ঢাবির রিটেনের জন্য রিটেন সামিট ও জাবির আই-কিউ এর জন্য আই-কিউ সামিট পড়বেই"।

পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে বললো, এরেস্ট হিম!

লোকটি দৌড় দিতে যাবে ঠিক তখনই সদর দরজায় বড়ই গাছের কাটা পায়ে লেগে লোকটি পড়ে গেল। পালাতেও পারলো না...

পুলিশ তাকে ধরে ফেললো, মারতে মারতে জিজ্ঞেস করলো, বল! মুন্ডু গুলা কোথায় লুকিয়ে রাখছিস?

লোকটা আকাশের দিকে মুখ করে কাঁদতে কাঁদতে বললো, দাদা আমারে বাঁচাও, আমার শিক্ষা হয়ে গেছে!! আমারে বাঁচাও!!😬😬

এক গ্রামে এক বৃদ্ধ মালী বাস করতেন। তিনি তার জীবনের প্রায় সবটাই গাছপালা লাগিয়ে এবং তাদের যত্ন নিয়ে কাটিয়েছেন

 এক গ্রামে এক বৃদ্ধ মালী বাস করতেন। তিনি তার জীবনের প্রায় সবটাই গাছপালা লাগিয়ে এবং তাদের যত্ন নিয়ে কাটিয়েছেন। তার বাগান ছিল গ্রামের সবচেয়ে সুন্দর জায়গা। বাগানের প্রতিটি গাছ তার নিজের সন্তানের মতো ছিল।


তার বাগানে একটি সাদা বক বাস করত। বকটি প্রতিদিন সকালে বাগানের লতা-পাতার ফাঁকে পোকামাকড় খেত এবং বাগানকে রোগমুক্ত রাখত। বৃদ্ধ মালী তাকে খুব ভালোবাসতেন এবং তার জন্য নিয়মিত খাবার রাখতেন। বকটি মালীকে দেখলেই তার চারপাশে উড়তে শুরু করত। তাদের সম্পর্ক ছিল যেন একে অপরের প্রতি অগাধ বিশ্বাসের।


একদিন সকালে মালী বাগানে কাজ করছিলেন। তখন তিনি দেখতে পান, তার প্রিয় একটি আমগাছের গোড়ায় মাটি খুঁড়ে যেন কেউ গর্ত করেছে। তিনি মনে করলেন, এটি নিশ্চয়ই কোনো বেজি বা বড় পোকা করেছে। গাছটি শুকিয়ে যাওয়ার ভয়ে তিনি চিন্তিত হয়ে পড়েন।


ঠিক তখনই বকটি তার ডানা ঝাপটাতে ঝাপটাতে এসে মাটির গর্তের কাছে বসে। মালী দেখলেন, বকটি যেন গর্তটি আরও বড় করার চেষ্টা করছে। এটি দেখে মালী খুব রেগে গেলেন। তিনি ভাবলেন, বকটি হয়তো তার গাছের ক্ষতি করছে। রাগে তিনি একটি কাঠি হাতে তুলে নিলেন এবং বকটির দিকে তেড়ে গেলেন।


বকটি ভয়ে উড়ে গাছের ডালে গিয়ে বসে, কিন্তু কিছুক্ষণ পর আবারও নিচে নামে এবং একই গর্তের কাছে ফিরে যায়। এবার মালী আর সহ্য করতে পারেননি। তিনি কাঠি দিয়ে বকটির ডানা আঘাত করেন। বকটি কাতর শব্দ করে উড়ে যাওয়ার চেষ্টা করে, কিন্তু আহত হয়ে মাটিতে পড়ে যায়।


এতদিনের সঙ্গী বকটির এই অবস্থা দেখে মালী হতভম্ব হয়ে যান। তিনি বুঝতে পারেন, তার রাগ তাকে কত বড় ভুল করিয়েছে। বকটি রক্তাক্ত অবস্থায় নিস্তেজ হয়ে পড়ে আছে।


মালী গর্তের দিকে তাকিয়ে দেখেন, সেখানে একটি বিষধর সাপ বসে আছে, যা হয়তো আমগাছের গোড়া নষ্ট করার পাশাপাশি তাকে আক্রমণও করতে পারত। বকটি আসলে গর্তের সাপটিকে তাড়ানোর চেষ্টা করছিল। মালী এক লাঠি দিয়ে সাপটিকে মেরে ফেলেন, কিন্তু ততক্ষণে বকটি মারা গেছে।


মালী দীর্ঘ সময় ধরে বকটির নিথর দেহ হাতে নিয়ে বসে থাকেন। তার হৃদয় অনুশোচনায় ভরে ওঠে।


শিক্ষা:

এই গল্প আমাদের শেখায় যে, রাগ ও ভুল বোঝাবুঝি মানুষকে অনুশোচনায় ডুবিয়ে দিতে পারে। প্রিয়জনের কাজের গভীর অর্থ বোঝার চেষ্টা না করে তাদের ওপর রাগ করা কখনোই সঠিক সিদ্ধান্ত হতে পারে না।

কপি পোস্ট

ইলিয়াস কাঞ্চন (১৯৫৬) –

 ইলিয়াস কাঞ্চন (১৯৫৬) –


আমাদের চলচ্চিত্রের আশি ও নব্বইয়ের দশকের একজন জনপ্রিয় অভিনেতা,প্রযোজক ও পরিচালক। 

প্রকৃত নাম ইদ্রিস আলী।

জন্ম কিশোরগঞ্জে।

পিতা হাজী আবদুল আলী ও মাতার নাম সরুফা খাতুন।

সুভাষ দত্তের আবিষ্কার ইলিয়াস কাঞ্চন। তাঁর বসুন্ধরা (১৯৭৭) ছবিতে ববিতার বিপরীতে প্রথম নায়ক হয়ে আসেন।তারপর থেকে এখন পর্যন্ত ২৫৩ টি ছবিতে নানান চরিত্রে অভিনয় করেছেন।অনেক হিট ছবির নায়ক তিনি। হয়েছেন দর্শকনন্দিত। সারাজীবনের কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পেয়েছেন দুইবার(পরিণীতা ও শাস্তি ছবির জন্য) জাতীয় চলচ্চিত্রের শ্রেষ্ঠ অভিনেতা ও শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতার পুরস্কার। পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্রের আজীবন সম্মাননাও।২০১৮ খ্রিষ্টাব্দে পেয়েছেন একুশ পদক।

ব্যক্তিগত জীবনে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন জাহানারা কাঞ্চনকে।এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় স্ত্রীর মৃত্যু ঘটে।তারপর থেকে সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণের লক্ষে নিরাপদ সড়ক চাই নামে একটি সংগঠনের মাধ্যমে দেশব্যাপী কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।প্রয়াত নায়িকা দিতিকে দ্বিতীয়বারের মত বিয়ে করেছিলেন।সে বিয়েও টেকেনি।মিরাজুন মঈন জয় ও ইশরাত জাহান ইমা নামে দুটি সন্তান রয়েছে।

বাবা আমার বাবা ও মায়ের স্বপ্ন নামে দুটি ছবি পরিচালনা করেছেন।

কিশোর মুক্তিযোদ্ধা, নিরাপদ সড়ক চাই এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাবেক সভাপতির প্রতি আমাদের পক্ষ থেকে রইল নিরন্তর শুভেচ্ছা।


কার্টেসি – গোলাম সারওয়ার

নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায় __সৈয়দ শামসুল হক।

 নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়

__সৈয়দ শামসুল হক।


নিলক্ষা আকাশ নীল, হাজার হাজার তারা ঐ নীলে অগণিত আর

নিচে গ্রাম, গঞ্জ, হাট, জনপদ, লোকালয় আছে ঊনসত্তর হাজার।

ধবল দুধের মতো জ্যোৎস্না তার ঢালিতেছে চাঁদ-পূর্ণিমার।

নষ্ট খেত, নষ্ট মাঠ, নদী নষ্ট, বীজ নষ্ট, বড় নষ্ট যখন সংসার

তখন হঠাৎ কেন দেখা দেয় নিলক্ষার নীলে তীব্র শিস

দিয়ে এত বড় চাঁদ?


অতি অকস্মাৎ

স্তব্ধতার দেহ ছিঁড়ে কোন ধ্বনি? কোন শব্দ? কিসের প্রপাত?

গোল হয়ে আসুন সকলে,

ঘন হয়ে আসুন সকলে,

আমার মিনতি আজ স্থির হয়ে বসুন সকলে।

অতীত হঠাৎ হাতে হানা দেয় মানুষের বন্ধ দরোজায়।

এই তীব্র স্বচ্ছ পূর্ণিমায়

নুরুলদীনের কথা মনে পড়ে যায়।

কালঘুম যখন বাংলায়

তার দীর্ঘ দেহ নিয়ে আবার নূরলদীন দেখা দেয় মরা আঙিনায়।


নূরলদীনের বাড়ি রংপুরে যে ছিল,

রংপুরে নূরলদীন একদিন ডাক দিয়েছিল

১১৮৯ সনে।

আবার বাংলার বুঝি পড়ে যায় মনে,

নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়

যখন শকুন নেমে আসে এই সোনার বাংলায়;

নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়

যখন আমার দেশ ছেয়ে যায় দালালেরই আলখাল্লায়;

নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়

যখন আমার স্বপ্ন লুট হয়ে যায়;

নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়

যখন আমার কণ্ঠ বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে যায়;

নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়

যখন আমারই দেশে এ আমার দেহ থেকে রক্ত ঝরে যায়

ইতিহাসে, প্রতিটি পৃষ্ঠায়।


আসুন, আসুন তবে, আজ এই প্রশস্ত প্রান্তরে;

যখন স্মৃতির দুধ জ্যোৎস্নার সাথে ঝরে পড়ে,

তখন কে থাকে ঘুমে? কে থাকে ভেতরে?

কে একা নিঃসঙ্গ বসে অশ্রুপাত করে?

সমস্ত নদীর অশ্রু অবশেষে ব্রহ্মপুত্রে মেশে।

নূরলদীনের কথা যেন সারা দেশে

পাহাড়ী ঢলের মতো নেমে এসে সমস্ত ভাসায়,

অভাগা মানুষ যেন জেগে ওঠে আবার এ আশায়

যে, আবার নূরলদীন একদিন আসিবে বাংলায়,

আবার নূরলদীন একদিন কাল পূর্ণিমায়

দিবে ডাক, “জাগো, বাহে, কোনঠে সবায়?”


ছবির কপিরাইট :

A Freedom fighter in 1971: Photographed by the French photographer Anne de Henning

চার্লি চ্যাপলিন 💕

 চার্লি চ্যাপলিন 💕

১৯৭২ সালে ৮৩ বছর বয়সে যখন অস্কার নিতে মঞ্চে ওঠেন , টানা বারো মিনিট হাততালির ঝড় বয়ে যায় অস্কার মঞ্চে। অস্কারের ইতিহাসে সেটাই ছিল দীর্ঘতম অভ্যর্থনা। আবেগে প্রায় কিছুই তিনি বলতে পারেননি সে দিন | 


ব্রিটিশ এই কিংবদন্তি মাত্র ১৮ বছর বয়সে ইংল্যান্ডে কুড়ানো তুমুল জনপ্রিয়তাকে সঙ্গী করে পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে। সেই দেশ কত চেয়েছে তাকে নাগরিকত্ব দিতে। তিনি নেননি। তিনি কখনই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হতে চাননি। পরে যুক্তরাষ্ট্র একসময় 'কমিউনিস্ট' বলে 'গালি দিয়ে' তার জন্য দরজা বন্ধ করে দেয়। তাই বাকি জীবন কাটানোর জন্য তিনি বেছে নিয়েছিলেন সুইজারল্যান্ডকে। 


যখন খ্যাতির শীর্ষে তখন একবার দুই দিনের জন্য জন্মভূমি ইংল্যান্ডে গেলেন। আর এই সময়ের মধ্যে ঘটে গেল অবাক কাণ্ড। মাত্র দু’দিনে তাঁর কাছে প্রায় ৭৩ হাজার চিঠি আসে !


তাঁর আত্মজীবনীতে লিখেছেন, তাঁর কাছে সৌন্দর্য মানে নর্দমায় ভেসে যাওয়া একটা গোলাপ ফুল। এই যে বীভৎস দ্বন্দ্ব থেকে সৃষ্টি হওয়া সৌন্দর্য, এখানেই বাস্তবতার সব নিষ্ঠুর দরজা খুলে যায়। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি দুঃসহ শৈশব বয়ে নিয়ে বেড়িয়েছেন। যেখানে তাঁর মাতাল বাবা, মাকে নির্যাতন করত ছোট্ট শিশুটির সামনেই। একসময় সেই বাবা মাকে ছেড়ে যায়, তাতে সামান্য সময়ের জন্য হাঁপ ছেড়ে বাঁচেন । কিন্তু কতক্ষণের জন্য? পরেরবার খিদে লাগার আগেপর্যন্ত! 


মা কখনও সস্তা নাটকে অভিনয় করতেন, কখনও সেলাই করতেন, কখনও বা মা–ছেলে মিলে ভিক্ষা করতেন। কখনও নরম নিষ্পাপ হাতে দিব্যি চুরি করতেন। এর মাঝেই অসুখে পড়ে ভুগে মারা যান মা। আর তাঁর নির্বাক কমেডি নাড়া দিতে থাকে সমগ্র ইংল্যান্ডকে। তাই তো তিনি বলেছেন, সত্যিকারের কমেডি তখনই করা যায়, যখন নিজের সব দুঃখ, বঞ্চনা সফলভাবে গিলে ফেলা যায়। 


আর তাঁর জনপ্রিয়তা ?


রাশিয়ার এক ভক্ত নভোবিজ্ঞানী তাঁর আবিষ্কৃত উপগ্রহের নাম রাখেন ৩৬২৩ চ্যাপলিন ! আর এদিকে জাঁদরেল চলচ্চিত্র নির্মাতা জঁ লুক গদার চ্যাপলিনকে তুলনা করেছিলেন লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির সঙ্গে | 


তিনি কমেডিয়ান নন, অভিনেতা নন, সব ছাপিয়ে তিনি মহান শিল্পীর ঢিলেঢালা কোট গায়ে এক তুখোড় বিপ্লবী। তিনি চার্লি চ্যাপলিন |


- সংগৃহীত

বাংলা চলচ্চিত্রের এক সময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা লিমা।যিনি অমর নায়ক সালমান শাহ্ - এর সাথে জুটি

 🌺বাংলা চলচ্চিত্রের এক সময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা

লিমা।যিনি অমর নায়ক সালমান শাহ্ - এর সাথে জুটি

বেঁধে ১৯৯৪ সালে 'প্রেমযুদ্ধ' ও ১৯৯৫ সাকে 'কন্যাদান'

সিনেমায় সাবলীল অভিনয় করেছেন। তিনি নিজেকে

ঢালিউডের প্রথম সারিতে নিয়েছিলেন।কিন্তু অশ্লীলতা

যখন চরম মাত্রায় পৌঁছেছিল, তখন নিজেকে সিনেমা থেকে গুটিয়ে নিয়েছিলেন।এখন অবশ্য বোনের সংসার

নিয়ে বেশ সুখেই আছে।ব্যক্তি জীবনে আজও বিয়ের

পিঁড়িতে আবদ্ধ হননি সুপারহিট এই নায়িকা।অভিনেত্রী 

লিমা বোনের ৩ টি সন্তানসহ ঢাকার বারিধারায় থাকে।


♦️চিত্রনায়িকা লিমা অভিনীত চলচ্চিত্রের তালিকা :


১। প্রেমযুদ্ধ (সালমান শাহ্)

২। কন্যাদান (সালমান শাহ্)

৩। সতর্ক-শয়তান (রুবেল)

৪। লড়াই (রুবেল)

৫। সুখের আগুন (রুবেল)

৬। নীল সাগরের তীরে (রুবেল)

৭। ক্ষমতার লড়াই (রুবেল)

৮। গরীবের সংসার (শাহীন আলম)

৯। বনের রাজা টারজান

১০। হাবিলদার 

১১। ঘরের শত্রু (রুবেল)

১২। দুঃসাহস (রুবেল)

১৩। প্রেমগীত (বাপ্পারাজ ও ওমর সানী)


©️ রহমান মতি

উল্টো দেশে উল্টো প্রথা  কলমে - রাহিবুল মোল্লা    তারিখ - 30. 12. 24

 উল্টো দেশে উল্টো প্রথা

 কলমে - রাহিবুল মোল্লা  

 তারিখ - 30. 12. 24


 উল্টো দেশে উল্টো প্রথা

 উল্টো রীতি-নীতি।

 সত্যের চেয়েও মিথ্যা সেথা 

 প্রাধান্য পাই বেশি।

 ন্যায়ের সাথে কেউ থাকেনা 

 অন্যায় ভূরি ভূরি।

 গুরুত্বহীন সত্যবাদী সব 

 দুর্বল কম-বেশি।

 ক্ষমতাশীল মিথ্যাবাদী দল 

 চেঁচাই বেশি বেশি।


 উল্টো দেশে উল্টো প্রথা 

 উল্টো রীতি-নীতি।

 প্রজার পেটে থাকলেও ক্ষুধা 

 মুখে বাধ্য হাসি।

 প্রতিবাদ কখনো হয় না সেথা 

 হোক না যতই ফাঁসি।

 আন্দোলনে নামলে প্রজা  

 হবে-ই দেশদ্রোহী।

 ক্ষমতার জোরে বিচার ব্যবস্থা 

 পাল্টাই রাতারাতি।


 উল্টো দেশে উল্টো প্রথা 

 উল্টো রীতি-নীতি।

 মূর্খরা সব পণ্ডিত সেথা 

 করে দাপাদাপি।

 অহিংসার চেয়ে হিংসা সেথা 

 ছড়ায় বেশি বেশি।

 শিক্ষিতরা বেজায় বোকা

 চলে চুপি চুপি।

 ভন্ডরা সব সাধু সেথা 

 নেশায় থাকে ডুবি।


 উল্টো দেশে উল্টো প্রথা 

 উল্টো রীতি-নীতি 

 রাজার পায়ে সোনার জুতা 

 হিরেই মোড়া বাড়ি।

 প্রজার পেটে ভাত জোটে না  

 নেই বাড়ি, গাড়ি।

 অবৈধ টাকায় দেশের নেতা 

 করছে বিলাসী।

 সরকারী সব কর্মকর্তা 

 ঘুষ পেলে হয় খুশি।

আমি হেলাল হাফিজ বলছি জান্নাতুল মেহেকা মুন্নী  ২৩/১২/২০২৪

 আমি হেলাল হাফিজ বলছি

জান্নাতুল মেহেকা মুন্নী 

২৩/১২/২০২৪


হেলেন, 

আমি তোমার সকল অভিযোগের পাতাগুলোকে অভিমান বলে ধরে নিলাম। 

কিন্তু আমি প্রেমিক হতে পারিনি এ অপবাদ মানতে পারলাম না। 


আমি যদি ভালো সন্তান হতাম, আমার একটি সংসার হতো।  আমার বাবা আমার যাযাবর জীবনের দুশ্চিন্তা নিয়ে পৃথিবী ছাড়তেন না। 


আমি যদি ভালো ভাই হতাম, আমার ভাইয়ের বিপদে ঢাল হয়ে দাঁড়ানোর জন্য একজন ভাতিজা থাকতো। তাঁকে দুর্বল একটি জীবন দিতাম না। 

আমি যদি ভালো বন্ধু হতাম আমার নিঃসঙ্গতায় জীবন যেত না! 


হেলেন, 

পৃথিবী পরাজিত প্রেমশক্তির কাছে। কিন্তু ক্ষুধার কাছে প্রেম পরাজিত এটা বোধ হয় তুমি জানো না। সেদিনের নিরবতায় তুমি ব্যর্থতা দেখলেও আমি আমাদের ভবিষ্যৎ দেখেছিলাম। একটা সংসার যেখানে অভাব আমাদের সুখ ছিঁড়ে ছিঁড়ে খাচ্ছে। 

আমি একজন স্বামী যার শরীরের কোথাও, তোমার চোখে এক-ফোঁটা সম্মান নেই। 

বেকার প্রেমিকের মুখের বুলি প্রেম হলেও, 

বেকার স্বামীর প্রেম মনে হয় ছলনা। এটা বোধ হয় তুমি জানো না। 

আমি স্বামী হতে গিয়ে প্রেমিককে হত্যা করতে চাইনি বলেই, সুখের নৌকায় তুলে দিয়েছিলাম তোমাকে। অথচ আজ নির্দ্ধিধায় বলে দিলে আমি প্রেমিক হতে পারিনি! 


২৪ শে এসে তুমি বেপরোয়া একজন প্রেমিক চাইবে এটা স্বাভাবিক। কিন্তু তুমি হয়তো ভুলে গেছো, আমরা ৯০ দশকের প্রেমিক প্রেমিকা। আমাদের প্রেম মানে যৌনতা না! 


তোমার প্রেমে পড়ে জগতের প্রেম, সংসারের প্রেম, বিসর্জন দিয়েছি।

তোমার প্রেমে পড়ে, যৌবনের ক্ষুধার সাথে যুদ্ধ করেছি। সঙ্গীময় জীবনের সুযোগ পেয়েও, নিঃসঙ্গ জীবন বেছে নিয়েছি। 


আমি প্রেমিক বলেই আমার কবিতায় তোমার স্থান দিয়েছি। 

বেঈমান হলে নির্দ্ধিধায় ভুলে যেতাম, হেলেন নামে আমার কোন প্রেমিকা ছিলো। 

আমি প্রেমিক বলেই আমার কবিতায় তোমার প্রসাংশা করেছি। 

আমি প্রেমিক বলেই তোমার শরীর ডিঙিয়ে 

হৃদয় ছুঁয়ে তোমাকে কারাগার জীবন দিয়েছি। 

পৃথিবীর কোন পুরুষের কী এ দুঃসাধ্য সাধন করার ক্ষমতা ছিলো বলো? 


তুমি হয়তো জানো না, 

প্রেমিক বলেই আমার মৃত্যু হয়েছে বাথরুমে। না হলে আমার মৃত্যু হতো কোন এক রমনীর কোলের উপর মাথা দিয়ে। 

সন্তানের হাতের পানি গালে নিয়ে। 


এত ত্যাগ এত বিসর্জনের প্রতিদান হিসাবে আজ পেলাম  অপবাদের তীর। 

মানতেই হবে তুমি দারুণ প্রেমিকা, ২৪ শের প্রেমিকা, কিন্তু হেলাল হাফিজের প্রেমিকা হেলেন না।


সংস্পর্শে না থেকেও মৃত্যু পর্যন্ত বাঁচিয়ে রেখেছে যে প্রেম, তাঁকে যদি তোমার প্রেমিক না মনে হয়। 

শুধু শরীর ছুঁতে না পারায় যদি প্রেমিক হিসাবে ব্যর্থ মনে হয়, তবে তুমিও প্রেমিকা হওয়ার যোগ্য না। 

হেলাল হাফিজের প্রেমিকা তো কখনোই না। 


আমি হেলেন বলছি কবিতার কাউন্টার।

মুঘল-এ-আজম সিনেমায় পরিহিত সমস্ত পোশাক দিল্লিতে সেলাই করা হয়েছিল এবং এই পোশাকগুলিতে নকশা খোদাই করা হয়েছিল সুরাটে

 #ফিল্মি_Friday

মুঘল-এ-আজম সিনেমায় পরিহিত সমস্ত পোশাক দিল্লিতে সেলাই করা হয়েছিল এবং এই পোশাকগুলিতে নকশা খোদাই করা হয়েছিল সুরাটে। হায়দ্রাবাদে গহনা তৈরি করা হয়েছিল এবং মুকুট তৈরি হয়েছিল কোলহাপুরে। একই সময়ে রাজস্থান থেকে অস্ত্র আমদানি করা হয়েছিল। কোটি টাকা খরচ করা এই ছবিতে 2000 উট ও 4000 ঘোড়া ব্যবহার করা হয়েছিল।


শীশ মহল সেটে মধুবালার সাথে শ্যুট করা 'পেয়ার কিয়া তো ডরনা কেয়া...' গানটি লিখেছেন শাকিল বন্দউনি। সঙ্গীত পরিচালক নওশাদের অনুমোদন পাওয়ার আগে এটি 105 বার লেখা হয়েছিল। এই গানটি সেই সময়ে 10 লক্ষ টাকায় শ্যুট করা হয়েছিল, যা একটি সম্পূর্ণ চলচ্চিত্র তৈরির জন্য যথেষ্ট ছিল।


কে. আসিফ পরিচালিত বলিউডের আইকনিক চলচ্চিত্র মুঘল-এ-আজম 1960 সালে মুক্তি পায়। বড় পর্দায় প্রেম, আনুগত্য, পরিবার এবং যুদ্ধকে দুর্দান্তভাবে চিত্রিত করা এই চলচ্চিত্রটি তৈরির পিছনের গল্পও এই ছবির মতোই বিশেষ!


আপনি কি জানেন যে, এই সিনেমাটি তৈরি করতে প্রায় 16 বছর সময় লেগেছিল!! চলচ্চিত্রটির নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল 1944 সালে এবং 1960 সালে ছবিটি মুক্তি পায়। মনে প্রশ্ন আসে কেন? এত বছর সময় লাগলো কেন?


কারণ 1947 সালে ভারত ভাগ হয়। এরপর দেশের পরিস্থিতির অনেক পরিবর্তন হয় এবং এর প্রভাব পড়ে কে. আসিফের চলচ্চিত্রে উপরও। এরই মধ্যে এই ছবির কাস্টও বদল হয় বেশ কয়েকবার। প্রথম কাস্টে আকবরের চরিত্রে চন্দ্রমোহন, সেলিম চরিত্রে ডি কে সাপ্রু এবং আনারকলির ভূমিকায় নার্গিস অভিনয় করেছিলেন। 1949 সালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে চন্দ্রমোহন মারা যান। এরপর প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়া ছবিটি আবার নতুন কাস্ট নিয়ে শুরু হয়। যেখানে মুখ্য ভূমিকায় ছিলেন পৃথ্বীরাজ কাপুর, দিলীপ কুমার, মধুবালা। ছবিটির বিলম্বের ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল।


দ্বিতীয় কারণ ছিল, এই ছবির জাঁকজমক সেট। এটি সেই সময়ে সবচেয়ে ব্যয়বহুল চলচ্চিত্র ছিল, এবং এর দুর্দান্ত সেটগুলির জন্য শুটিংয়ের সময় বিশ্বের আলোচনায় পরিণত হয়েছিল। মুঘল-এ-আজম-এর শুটিং চলাকালীন, শীশ মহলের সেট তৈরি করতে প্রায় দুই বছর লেগেছিল। আসিফ জয়পুরের আমের ফোর্টের শীশ মহল থেকে এর অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন।


ভারতে যে রঙিন কাঁচ পাওয়া যায় তা তেমন ভালো ছিল না, তাই আসিফ এই সেটের জন্য বেলজিয়াম থেকে কাচের অর্ডার দিয়েছিলেন। খাতিজা আকবর তাঁর জীবনী 'দ্য স্টোরি অফ মধুবালা'-তে লিখেছেন, "শীশ মহলের সেট তৈরির সময় ঈদ এলো।"


মুঘল-এ-আজমের শুটিংয়ের জাঁকজমক এমন ছিল যে, অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এর শুটিং দেখতে আসেন। এতে চীনের প্রধানমন্ত্রী চৌ এন লাই, বিখ্যাত উর্দু কবি ফয়েজ আহমেদ ফয়েজ এবং জুলফিকার আলী ভুট্টোও ছিলেন, যিনি পরে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন।


যাই হোক.. এত সময়, ধৈর্য এবং অর্থ ব্যয় করার পরে, এই ছবিটিও প্রচুর প্রশংসাও পেয়েছে। কে. আসিফের অনবদ্য পরিচালনা, দুর্দান্ত সেট, চমৎকার সঙ্গীতের জন্য মুঘল-এ-আজম আজও স্মরণীয়।


কেমন লাগলো আজকের #ফিল্মি_Friday এর বিষয়? কমেন্ট বক্সে আমাদের জানাতে ভুলবেন না যেন। এরকম আরও নতুন নতুন ও অজানা তথ্য জানতে হলে ফলো করুন দ্য বেটার ইন্ডিয়া বাংলা কে।


#FilmyFriday #MughalEAzam #DilipKumar #Madhubala #Bollywood #CinemaLovers #MovieLovers #ClassicMovie #BengaliNews #Bengali #Kolkata #TheBetterIndiaBangla

এত সুর আর এত গান,,,,,,

 ॥ এত সুর আর এত গান ॥


সা রে গা মা পা ধা নি — এর বাইরে কখনো সুর হয় না। আর যখন কিছু কথা এই সাত স্বরের মধ্যে ঘোরাফেরা করে, ছুঁয়ে যায় আমাদের মনকে, আমরা বলি ‘গান’।


গানকে ঘিরে থাকে নানান ঘটনার ঘনঘটা। কখনো গায়ক, কখনো গীতিকার, আবার কখনো বা সুরকারের অকপট স্বীকারোক্তিতে এইসব ঘটনা সামনে আসে আমাদের। আর সেইসব গল্প নিয়েই “কিছু কথা ॥ কিছু সুর।”


আজকের গল্প সেই শিল্পীকে নিয়ে, যার গলাকে বলা হয় স্বর্ণযুগের স্বর্ণকন্ঠ। যার দাপট শুধু বাংলা আধুনিক গানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, হিন্দি ছায়াছবির গানেও ছিল অসামান্য। তিনি সুবীর সেন। আজকের দিনে তিনি আমাদের ছেড়ে পাড়ি দিয়েছিলেন অজানার উদ্দেশ্যে। শিল্পীর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে নিয়েই আজ আমাদের এই বিশেষ পর্ব।


একদিন গীতিকার পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় ও ভূপেন হাজারিকা গ্র্যান্ড হোটেলের প্রিন্সেস এ গিয়েছেন। সেখানে প্রায়ই বিদেশি ক্যাবারে আসত, ফলে নিত্যনতুন সুর পাওয়া যেত।


দুজন গিয়ে দেখলেন বিশাল বিশাল ট্রিপল কঙ্গো বাজাচ্ছেন বিদেশি কৃষ্ণাঙ্গ বাদ্যযন্ত্রীরা। ভূপেনবাবু পুলকবাবুকে বললেন — “ছন্দটা ধরে ফেলুন”। পুলকবাবু সেই ছন্দের ভাঁজে ভাঁজে কথা বসিয়ে ওখানেই লিখে ফেললেন গানটি। অনবদ্য সুর করলেন ভূপেন হাজারিকা।

গান তো তৈরি হল। এইবার প্রশ্ন, গাইবে কে?

দুজন একসাথে বললেন — “সুবীর সেন!”


তৈরি হল–

“কালো মেঘে ডম্বরু

গুরু গুরু ওই শুরু!

তবু তো ভাসাই তরী...

বিভীষিকা ঘন আধারে..

ডেকেছ তুমি যে আমারে।”


সুবীর সেনের বাড়ি এবং বেড়ে ওঠা আসামের ডিব্রুগড়ে। বাড়িতে তখন গানের একটা পরিবেশ ছিল। সেই সময় ভারতবর্ষে বসুমতী পত্রিকায় গানের স্বরলিপি প্রকাশিত হত। আর এই পত্রিকা গুলো বাড়িতেও আসত। বাবা সেই স্বরলিপি দেখে গান তোলার চেষ্টা করতেন। আর মা গুনগুন করে গান গাইতেন ঘরোয়াভাবে খালি গলায়। কিন্তু এতকিছুর পরেও বাড়ির সবাই চেয়েছিলেন সুবীর সেন যেন ডাক্তার হন। কারণ বাবা ছিলেন পেশায় ডাক্তার, আর তাঁদের পারিবারিক ওষুধের ব্যবসাও ছিল। কিন্তু গান যার নেশা, তার পক্ষে কি আর ডাক্তারি পড়া সম্ভব?


ডিব্রুগড়ে একটা গানের স্কুল ছিল। পারিবারিক নানা বাধানিষেধ কাটিয়ে সুবীর সেখানে ভর্তি হলেন। সেখানেই মাঝেমধ্যে আসতেন রাগাশ্রয়ী গায়ক- পন্ডিত রতন ঝংকার। তাঁর কাছে গানের হাতেখড়ি সুবীরের। গানের পরীক্ষায় সেখানে প্রথম হলেন সুবীর সেন। তারপর ওখানেই ম্যাট্রিক পাশ করে চলে এলেন কলকাতায়। ভর্তি হলেন আশুতোষ কলেজে। থাকতেন মামাবাড়িতে। তখন তাঁর স্বপ্নের গায়ক হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, তালাদ মাহমুদ, ধনঞ্জয় ভট্টাচার্য প্রমুখরা। ভাবলেন এঁদের মতো গান গাইতে গেলে তো গানটা ভালো করে শিখতে হবে আগে।


প্রথমেই গেলেন চিন্ময় লাহিড়ীর কাছে। সেখানে কিছুদিন শেখার পর চিন্ময়বাবু সুবীর সেনকে পাঠালেন ঊষারঞ্জন মুখোপাধ্যায়ের কাছে ঠুমরি শিখতে।


সুবীর সেন তখন নিয়ম করে প্রতি রবিবার বিখ্যাত বিখ্যাত শিল্পীদের বাড়িতে গিয়ে হাজির হতেন। এরকমই একদিন গিয়ে হাজির অনুপম ঘটকের বাড়িতে। বাড়িতে তখন অন্য অনেকের ভীড়। জায়গা না পেয়ে বসলেন ছোট্ট ডিভানের একটা কোনে। ভীড় ফাঁকা হতে অনুপম ঘটককে বললেন যে তিনি গান শিখতে চান।

অনুপম ঘটক কিছুক্ষণ সুবীরের দিকে তাকিয়ে বললেন — “তোমার গান না শুনেই বলছি, তোমার গান হবে। দেখে নিও”। 


পরে একদিন বলেছিলেন যে “যে জায়গায় সুবীর সেন অজান্তেই বসেছিলেন, সেটি ছিল গানের জায়গা। কারন সেখানেই একদিন এসে বসেছিলেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, কে.এল. সায়গলের মতো দিকপালেরা।”


দূর্ভাগ্যবশতঃ অনুপম ঘটক বেশিদিন পৃথিবীতে ছিলেন না। ফলে তাঁর কাছে গান শেখাও হল না। কিন্তু তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী অক্ষরে অক্ষরে মিলে গিয়েছিল। সুবীর সেন সত্যিকারের বড় গায়ক হয়েছিলেন।


এখন যেমন “সুপার সিঙ্গার”, “সারেগামাপা” “ইন্ডিয়ান আইডল” এর রমরমা, এতটা না হলেও পঞ্চাশের দশকেও কিন্তু ট্যালেন্ট হান্ট হত। তার মধ্যে অন্যতম সেরা ছিল HMV আয়োজিত “কেরেজু কম্পিটিশন ফর নিউ ট্যালেন্টস্”। এখানে নাম দিলেন কলেজ পড়ুয়া সুবীর সেন। প্রায় ১৪০০ প্রতিযোগীদের মধ্যে প্রথম হলেন তিনি। আর তারপর HMV-র সঙ্গে তিন বছরের চুক্তি। নতুন গান বাছাই করার দায়িত্ব গায়কের। সুবীর পড়লেন মহা চিন্তায়। এর আগে বন্ধুদের সঙ্গে রেকর্ড কোম্পানিতে এসেছেন ঠিকই, রেকর্ডও করেছেন চিত্ত রায়ের সুরে, তবে সেই গানগুলো তেমন জনপ্রিয়তা পায়নি। তাহলে কি করা যায়? এইরকম সাতপাঁচ ভাবতে ভাবতে হাজির হলেন উত্তর কলকাতার সিঁথি অঞ্চলে। ঠিকানা– 19/D গুপ্ত লেন। বাড়িটি একজন সঙ্গীত পরিচালকের।

তাঁকে গিয়ে সুবীর বাবু বললেন — “আমায় একটা ভালো গান দিন। আমি রেকর্ড করতে চাই।”


সুরকার ভদ্রলোক সব শুনে বললেন — “ভালো গান?” কিছুক্ষণ ভেবে তারপর একটা গান শোনালেন। তবে গানটা ঠিক পছন্দ হল না সুবীর সেনের। কিন্তু মুখের উপর “না” বলাও যায় না।

তাই সুবীরবাবু একটু চালাকি করে বললেন — “আচ্ছা আর একটা গান যদি শোনান....”

তখন ওই সুরকার ভদ্রলোক আরো একটা গান গাইলেন। আর সেটা শুনেই পছন্দ হয়ে গেল সুবীর সেনের।

বললেন — আমি এটাই গাইব!

কিন্তু সুরকার কিছুক্ষণ চুপ করে রইলেন। তারপর আমতা আমতা করে বললেন — “মানে, আসলে, এটা তো আর একজনকে দেওয়ার কথা আছে..”

সুবীর সেন বললেন — “বেশ! ঠিক আছে। তাহলে আমি গাইব না। আমার কোনো গানই দরকার নেই।”

সুবীর সেনের এই নীরব অভিমান ছুঁয়ে গেল ওই সঙ্গীত পরিচালকের হৃদয়।

খানিক চুপ থেকে বললেন — “আচ্ছা গানটা গাও তো দেখি একবার।”

সুবীর বাবু গাইলেন।

শুনে সুরকার বললেন— “ঠিক আছে। গানটা তুমিই গাইবে।”

সেদিনের ওই সুরকার ছিলেন সুধীন দাশগুপ্ত। গানটি লিখেওছিলেন তিনি। আর এই একটা গানেই বাংলা গানের শ্রোতাদের কাছে নতুন গায়ক হিসেবে পরিচিত হলেন সুবীর সেন।

গানটি ছিল —


“ওই উজ্জ্বল দিন,

ডাকে স্বপ্ন রঙিন।

ছুটে আয় রে

লগন বয়ে যায় রে,

মিলনবীণ ওই তো তুলেছে তান

শোনো ওই আহ্বান”


১৯৫৮। গায়ক চললেন বম্বেতে। তাঁর রবীন্দ্রসঙ্গীত ও আধুনিক গান শুনে স্বয়ং গুরু দত্ত তাঁকে ডেকে পাঠিয়েছেন। সেখানে গিয়ে সুবীরের পরিচয় হল সঙ্গীত পরিচালক শঙ্কর জয়কিষান এর সঙ্গে। ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ল তাঁর নাম। বলরাজ সাহানি, রাজেন্দ্র কুমার, শাম্মি কাপুর, মেহমুদ এর লিপে একের পর এক হিট গান উপহার দিয়ে চললেন সুবীর সেন।


আর বাংলাতেও তখন শিল্পীর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। যেমন সুদর্শন, তেমনই গানের গলা। ধীরে ধীরে ডাক আসতে লাগল অভিনয়ের জন্য। সুবীর সেনের বেশ ভালো পরিচয় ছিল ঋষিকেশ মুখার্জীর সঙ্গে। ঋষিবাবুও তাঁকে অভিনয়ের অফার দিলেন। কিন্তু সুবীরবাবু সবিনয়ে তা প্রত্যাখ্যান করলেন।

পরবর্তীকালে ওই ঋষিকেশ মুখার্জীরই অন্যতম সেরা ছবি “অভিমান” এ অমিতাভ বচ্চনের অভিনীত চরিত্রটির নাম ছিল “সুবীর কুমার”।


এইরকম নানান রঙিন ঘটনার সমাহার রয়েছে সুবীর সেনের সঙ্গীত জীবন জুড়ে।


এই বম্বেতে থাকাকালীনই তাঁর জীবনের আরও একটি সেরা গান তৈরি হয়েছিল। চলুন শোনা যাক সেই গল্প...


তখন বম্বেতে বাঙালিদের চাঁদের হাট। সুরকার, গায়ক অনেকেই। অনেকে আবার নিয়মিত বম্বে-কলকাতা করেন। বম্বেতে একই জায়গায় থাকতেন সুধীন দাশগুপ্ত ও সুবীর সেন।

একদিন সকালবেলা সুধীনবাবু বেশ গলা চড়িয়ে ডাক দিলেন— “অ্যাই সুবীর! এদিকে এসো। একটা গান লিখেছি, শোনো।”

এই বলে পড়ে শোনালেন সেই গান। গানের লিরিক্স শুনেই উচ্ছসিত সুবীর।

বললেন— দূর্দান্ত হয়েছে!

সুধীনবাবু বললেন— “গানটা তুমিই গাইবে।”

“কিন্তু সুর?”— ভ্রু কুঞ্চিত সুবীরের প্রশ্ন।

“ভাবছি..” — গালে হাত দিয়ে সুধীনবাবুর উত্তর।


পরদিন সকালেই আবার জরুরি তলব সুবীরবাবুকে। সুর হয়ে গেছে। আর তাও তিনি নিজেই করেছেন। গেয়ে শোনালেন সুবীরবাবুকে। গানটায় একটা ইংরেজি গানের ছায়া আছে। কিন্তু বাংলা কথার মোড়কে সুরকার যেভাবে সেটাকে মুড়ে নতুন রূপে উপস্থাপন করলেন, তা এককথায় অনবদ্য। রেকর্ডিং হল কলকাতায়। সুবীর সেনের গাওয়া সেরা গানগুলোর অন্যতম—


“এত সুর আর এত গান

যদি কোনদিন থেমে যায়,

সেইদিন তুমিও তো ওগো

জানি ভুলে যাবে যে আমায়...”


১৯৫৭ সালের এই গানের রেকর্ডের উল্টোপিঠে ছিল আরও একটা গান। আর সেটা নিয়েও রয়েছে গল্প–


গান লিখেছেন অনল চট্টোপাধ্যায়, আর নিজেই সুর করেও নিয়ে এসেছেন। শোনালেন সুরকার সুধীন দাশগুপ্ত কে।

সুধীনবাবু শুনেই বললেন — “দারুন হয়েছে লেখাটা। কিন্তু সুর আমি করব!”

অনলবাবু বললেন — “সুর তো আমি করেই এনেছি অলরেডি।

সুধীনবাবু বললেন — “শুনুন না অনলবাবু, কথাগুলো যখন আপনি শোনাচ্ছিলেন, তখনই আমার মাথায় একটা দারুন সুর এসে গেছে। আমি সেটাই করতে চাই।”


অবশেষে ঠিক হল যে, সুধীনবাবুও ওই একই গানে সুর করবেন। তারপর যার সুরটা বেশি ভালো লাগবে, সেটাই ফাইনাল করা হবে। সুর করে নিয়ে এলেন সুধীনবাবু। সবাই শুনে বললেন সুধীনবাবুর সুরটাই থাক!

আর এভাবেই আরও একটা অন্যধরনের গান তৈরি হল —


“তোমার হাসি লুকিয়ে হাসে

চাঁদের মুখেতে..

আমার হাসি শ্রাবণ মেঘের

ধারার বুকেতে।”


বম্বেতে থাকাকালীন বিখ্যাত গায়ক-গায়িকা এবং সুরকারদের বাড়িতে অবাধ যাতায়াত ছিল সুবীর সেনের। এভাবেই একদিন তিনি গেছেন লতা মঙ্গেশকরের বাড়িতে। গিয়ে দেখলেন সেখানে রয়েছে লতাজীর বাবার ছবি, উস্তাদ বড়ে গোলাম আলী খান এর ছবি, এবং এক বিদেশী কৃষ্ণাঙ্গ মানুষের ছবি।

সুবীরবাবু লতাজীকে জিজ্ঞেস করলেন — “ইনি কে?”

লতাজী বললেন — “ওই বিদেশী মানুষটির নাম- ন্যাট কিং কোল। অন্য অনেকের গান হৃদয় দিয়ে অনুভব করতে হয়, আর কিং কোল এর গান লোমকূপ দিয়ে হৃদয়ে প্রবেশ করে।”

এই বলে লতাজী কিং কোল এর একটি রেকর্ড সুবীর সেনকে দিলেন। গান শুনে অভিভূত সুবীরবাবু। তখন তিনি বেশ কিছু অনুষ্ঠানে হিন্দি ও বাংলা গানের পাশাপাশি ইংরেজি গানও গাইতেন। সুতরাং এ গানও অনায়াসেই গলায় তুলে নিলেন।

পরবর্তীকালে একটি গান রেকর্ড হয়েছিল, যার সুরকার ছিলেন অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং গীতিকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার।

সেই গানের মধ্যেও ন্যাট কিং কোল এর গানের ছায়া খুঁজে পাওয়া যায়—


“নয় থাকলে আরো কিছুক্ষন,

নয় রাখলে হাতে দুটি হাত..

নয় ডাকলে আরো কিছু কাছে,

দ্যাখো জোছনা ভেজা এই রাত.....”


অসম্ভব সুন্দর দেখতে ছিলেন সুবীর সেন। ফলে ছবিতে হিরো হবার অফার সবসময়ই আসত তার কাছে।

একদিন উত্তমকুমার তাকে ডেকে বললেন — “অভিনয় করো না কেন?”

সুবীর সেন কি আর বলেন! একথা সেকথা বলে কাটিয়ে দিলেন।

সে যাত্রায় তো রক্ষে হল, কিন্তু এরপর হঠাৎ একদিন পরিচালক সলিল দত্ত এসে হাজির তার বাড়িতে।

বললেন — “উত্তমকুমার আমাকে পাঠিয়েছেন। বলেছেন ওই ছবিতে তোমাকে অভিনয় করতে হবে। তোমার বিপরীতে নায়িকা সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়। এবং ছবিতে ডাক্তারের ভূমিকায় স্বয়ং উত্তমকুমার।”


উত্তমকুমারের আদেশ কিকরে অগ্রাহ্য করবেন! অগত্যা রাজি হলেন। ছবির নাম – “মোমের আলো”। সেখানে প্লেব্যাক তো করলেনই, ছবিতে লিপও মেলালেন।

ছবির একটি দৃশ্যে লং ড্রাইভে গাড়িতে বসে নায়িকা সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে এই গানটি অবশ্যই এই ছবির একটা অমূল্য সম্পদ—


“ওগো কাজল নয়না...

বলো বলো,

ওগো বলো,

তুমি কি গো সেই মধুমালা

মোর শত জনমের কামনা।

ওগো কাজল নয়না...”


শুধু বাংলা ছবিই নয়, হিন্দি ছবিতেও ছোটখাটো ভুমিকায় অভিনয় করেছেন সুবীর সেন।

পরিচালক বাসু ভট্টাচার্যের হিন্দি ছবি –“অনুভব”। নায়ক সঞ্জীব কুমার, নায়িকা তনুজা। এ ছবিতেও এক উল্লেখযোগ্য মুহূর্তে তাকে দেখা গেছে গান গাইতে।

পুরো হিন্দি ছবিতে একটিই মাত্র বাংলা গান। রবীন্দ্রসঙ্গীত— 


“সেদিন দুজনে দুলেছিনু বনে,

ফুলডোরে বাঁধা ঝুলনা...”


রবীন্দ্রসঙ্গীতেও তাঁর দক্ষতা ও জনপ্রিয়তা ছিল অতুলনীয়। একবার রবীন্দ্রসঙ্গীতের রেকর্ড বের হবার পর তার একটি কপি নিয়ে হাজির হলেন দেবব্রত বিশ্বাসের বাড়িতে। প্রিয় “জর্জদা” কে সেটি দিলেন শুনবার জন্য। এর দিনকয়েক পর আবারও সেখানে গেছেন। গিয়ে দেখলেন দেবব্রত বিশ্বাস গানের প্রথম লাইন শুনেই রেকর্ডের পিন টা তুলে নিচ্ছেন, আবারও চালাচ্ছেন, আবারও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। এভাবে বেশ কয়েকবার শুনলেন।

তারপরে সুবীরবাবুর দিকে তাকিয়ে বললেন— “কি অসাধারণ গাইসো তুমি!”

সত্যিই সেই গানটা অসাধারণ গেয়েছিলেন সুবীর সেন। 

ফাংশনে তার জনপ্রিয় গানগুলোর মাঝে এই রবীন্দ্রসঙ্গীতটিও বারবার গাইতে হত তাকে—


“তুমি যে আমারে চাও...

আমি সে জানি...

কেন যে মোরে কাঁদাও

আমি সে জানি...”


গানের জগতে সুবীর সেন যখন এসেছিলেন, তখন বাংলা গানে রথী-মহারথীদের ভীড়। হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, মান্না দে, শ্যামল মিত্র, ধনঞ্জয় ভট্টাচার্য, মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায় প্রমুখরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন রীতিমতো। সকলের মাঝে থেকেও কন্ঠমাধুর্য এবং প্রতিভার জোরে শ্রোতাদের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন সুবীর সেন। পঞ্চাশের দশকের মাঝামাঝি থেকে টানা সত্তরের দশক পর্যন্ত খ্যাতির শীর্ষে ছিলেন তিনি। 


আজকের এই ছোট্ট প্রতিবেদনে কতটুকু আর তাঁকে ধরা সম্ভব? তবুও আজ তাঁর প্রয়াণের দিনে তাঁকে কিছুটা স্মরণ করার প্রয়াস করলাম মাত্র।

এখন এক পলকে দেখে নিই তাঁর গাওয়া কিছু গান–


চাঁদ তুমি এত আলো কোথা হতে পেলে

কথা- বঙ্কিম ঘোষ, সুর- অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়।


মোনালিসা, তুমি কে বলো না

কথা ও সুর - অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়।


সারাদিন তোমায় ভেবে

কথা ও সুর - অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়।


সন্ধ্যালগনে স্বপ্ন মগনে

কথা- শ্যামল ঘোষ। সুর- অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়।


নগর জীবন ছবির মতন

কথা - অমিয় দাশগুপ্ত। সুর - অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়।


স্বর্ণঝরা সূর্যরঙে

কথা ও সুর - সুধীন দাশগুপ্ত।


ডাকলেই সাড়া দিতে নেই

কথা- পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়। সুর- অনিল চট্টোপাধ্যায়।


চন্দন আঁকা ছোট্ট কপাল

কথা- পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়। সুর- অনিল চট্টোপাধ্যায়।


তুমি আমার প্রেম

কথা- মিল্টু ঘোষ। সুর- অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়।


আকাশ যেখানে গল্প বলে পথকে

কথা- সুনীলবরন। সুর- সুধীন দাশগুপ্ত।


তুমি বলেছিলে কোনো মনের মুক্তো

কথা- অমিয় দাশগুপ্ত। সুর- অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়।

_____________________________

তথ্য সহায়তা: সারেগামা (HMV), আনন্দবাজার পত্রিকা ও অন্যান্য পত্র পত্রিকা।

কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...