এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৫

যৌবন আবদ্ধ নয় দু পায়ের ফাঁকে,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 যৌবন আবদ্ধ নয় দু পায়ের ফাঁকে 


হ্যাঁ । ঠিকই ভাবছেন । শিরোনাম পড়ে যা ভাবছেন আমি ঠিক সেটাই বলতে চেয়েছি । জীবন মানে একটা বড় অংশ জুড়ে যৌবন যার একটা বড় অংশ জুড়ে যৌনতা । আর যৌনতা মানেই যারা ভাবেন intercourse আর অবশ্যই virginity আছে না নেই সেই নিয়ে ছুঁতমার্গ তাহলে যৌনতার লাস্ট লেভেলটুকুই আপনি জানেন, যৌনতা সম্পর্কে কিসসু বোঝেন না । শুধু পানু দেখে বিকৃত কিছু ভাবনা নিয়ে চলেন আর বাথরুমের মেঝে, বিছানার চাদর আর অবশ্যই অন্তর্বাসকে অহেতুক কষ্ট দেন ।


যা লিখব সেটা কড়া ডোজের । অসুবিধে হলে এখনই পড়া বন্ধ করুন । তথাকথিত শালীনতা রাখার দায় শিল্পীর নয় আর তথাকথিত অশালীনতা থেকে বিরত থাকার সাবধানবাণী না দেওয়া সচেতন মানুষের কাজ নয় । তাই এরপর যা যা পড়বেন নিজের দায়িত্বে পড়বেন । 


যাই হোক, প্রথমে আসি যৌনতা নিয়ে । যৌনতার বীজ লুকিয়ে যৌনচেতনায় । একটা স্নিগ্ধ শিরশিরানি অনুভূতি যা মানুষকে সজীব করে তোলে, সেটাই যৌনচেতনা । প্রেমিকার শ্যাম্পু করা সদ্যস্নাত চুলের গন্ধ, লিপস্টিকের সিন্থেটিক স্বাদ, নরম বুকের ছোঁয়া, খোলা চামড়ার অংশ, চোখের দৃষ্টি, সর্বাঙ্গ ঢাকা টাইট জিন্স আর সোয়েটশার্ট ----- কিংবা প্রেমিকের বুকের লোম, গালের দাড়ি, ভাসা ভাসা চোখ, টানটান ঊরু, মুগ্ধ করা কন্ঠস্বর ------- আর অবশ্যই দুজনের সিগারেট খাওয়া নেশাতুর ঠোঁট, চা বা মদের আসরে উচ্চ পর্যায়ের ভাবনা ও রসবোধ ------ এগুলো এক অনির্বচনীয় অনুভূতির জন্ম দেয় যা মন জড়িয়ে শরীরের আকরে গিয়ে ধাক্কা দেয় অবিরত । তারপর কাছে আসা, ছোঁয়া, স্পর্শ, চুমু খাওয়া, জড়িয়ে ধরা আর সবশেষে যৌনমিলন । নগ্ন চামড়ায় যখন নগ্ন চামড়া ছুঁয়ে যায় তখন গায়ে কাঁটা দেওয়া এক অব্যক্ত অনুভূতি জন্ম নেয় । এখানেই অন্যান্য প্রাণীর সাথে মানুষের তফাৎ ।


বুঝলেন না ? তাহলে জেনে রাখুন, আপনি কোনোদিনই কিছুই বুঝবেন না । আর পড়ে সময় নষ্ট করবেন না । এখনই আমায় "আঁতেলচো*" খিস্তি দিয়ে অন্য কিছুতে মন দিন । কারণ এরপর যেটা বলব সেটা চোখ কান মাথা গরম করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট ।


ব্যাপার হল Virginity  । এই ন'টি অক্ষর দিয়ে তৈরি শব্দটা আপনার বিকৃতির প্রধান কান্ডারি । আসলে এক বিকৃত chauvinism এর মূলে । আদিম যুগ থেকেই পুরুষ নারীকে ভোগ করে এসেছে আর সেটাকেই অধিকার মনে করে এসেছে । তাই সব ধর্মগ্রন্থেই মেয়েদের ছোট করে দেখানো হয়েছে, সামাজিক সব নিষেধাজ্ঞা কেবল মেয়েদের বেলায় । ফলে আজকের প্রজন্ম যতই নিজেদের liberal বলুক, যতই The Second Sex পড়ুক, যতই লজিক নিয়ে তর্ক করুক - আজো জীনে ঘাপটি মেরে থাকা বিকৃতি মাথা চাড়া দেবেই । মজার ব্যাপার হল পুরুষ প্রথমে নারীর ওপর চাপিয়ে দেয় আর তারপর নারীই কান্ডারি হয়ে পুরুষের চেয়েও বেশি পুরুষতান্ত্রিক হয়ে ওঠে । পুরুষতান্ত্রিক একটি লিঙ্গভেদের অবস্থা নয়, একটি মানসিক অবস্থা যা লিঙ্গভেদের ঊর্ধ্বে চলে যায় ।


Hymen Layer কত কারণেই বিক্ষত হতে পারে, অথবা স্বেচ্ছায় কোনো সাবালক নারী পুরুষ রতিক্রিয়ায় লিপ্ত হবে যা অত্যন্ত স্বাভাবিক --- তারপর সোনার আংটি বাঁকা হলেও ওই দু আঙুল ফাঁক ঠিক করে দেয় একটি মেয়ের চরিত্র কেমন । Defloration আর Virginity নিয়ে গা ঘিনঘিন করতে থাকা অজস্র জোকস্ ছোট থেকে আমরা শুনে এসেছি, আমরা দেখেছি খিস্তিতে সবসময় মেয়েদেরই টার্গেট করা হয় --- তারপরেও আমরা লজিকের কথা বলি, মানবিকতার কথা বলি, শিক্ষার কথা বলি । ফুলশয্যায় সাদা চাদর পেতে রাখার জঘন্য প্রথা আজো এ দেশে চলে !


সবচেয়ে বড় কথা, প্রাক্তন শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে মেয়েদের অপরাধবোধ । আর পুরুষের চিরকালীন "আমার জিনিস অন্যের সামনে ল্যাংটো হল" জাতীয় sexual jealousy আর বিকৃত chauvinism চিরকাল প্রবল । Tess Of D'Urbervilles উপন্যাসে টমাস হার্ডি এই বিষয়টি নিয়ে ভিক্টোরিয়ান হিপোক্রেসি ছিঁড়ে কুটিকুটি করে দিয়েছেন । শেক্সপীয়ার আরো আড়াইশো বছর আগে করেছেন Othello- তে । নাবোকভ লিখলেন Lolita, জয়েস লিখলেন Ulysses, লরেন্স লিখলেন Lady Chatterley's Lover, বদলেয়র জীবন দিলেন - তবু সমাজ কুপমন্ডুক হয়ে দু পায়ের ফাঁকেই আটকে গেল । ফলে কোনো ন্যুড মডেল, কোনো ব্লু ফিল্মের নায়িকা, কোনো স্বাধীন নারী, কোনো শরীরোপজীবনী --- কারো চরিত্র আত্মসম্মান বা সম্মতি থাকতে নেই ! 


আর কি আশ্চর্য - এই চিহ্নিতকরণ করে মেয়েরাই । কখনও মা হিসেবে, কখনও স্ত্রী হিসেবে, কখনো শিক্ষিকা হিসেবে, কখনো ভদ্রঘরের গৃহিণী হিসেবে, কখনো ধর্মপ্রাণ নারী হিসেবে ---- বারবার । বিকৃত ধর্ষক পশু যে সব পুরুষ তাদের প্রত্যেককে তৈরি করার পেছনে নারীর অবদান অনস্বীকার্য । 


আসলে মেয়েদের অপরাধ তারা biologically weaker sex, তাদের রতিজীবনের চিহ্ন থাকে, পুরুষের থাকে না । ফলে পুরুষের চরিত্র চিরকাল অটুট থাকে । বলে রাখি, আজকাল যে মেয়েরা ভিক্টিম কার্ড খেলে পুরুষবিদ্বেষ প্রচার করে তাদের মানুষ বলেই মনে করছিনা তাই নারী ভাবার তো প্রশ্নই নেই কোনো । 


জীবন যৌবন আর যৌনতা একটা বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের মতই বিশাল, সেটাকে দু পায়ের ফাঁকে বেঁধে ফেললে হবে ? 


ভাবুন ভাবুন, ভাবা প্র্যাকটিস করুন । একজন virginity খুইয়ে আসা মেয়ের সত্যিকারের ভালোবাসা ফিরিয়ে দেবেন শুধু আপনি তার জীবনে প্রথম পুরুষ নন বলে ? নাকি আপনার বংশে বউ হওয়ার একমাত্র যোগ্যতা virginity ? 


শুধুই শরীর ? দু ইঞ্চি গভীরতা ? এত সহজে একজন মানুষের বিচার করা যায় ? 


কি বলবেন ? 


✍️NEMO

রসুনের সঠিক পরিচর্যা করার নিয়মঃ,,,,

 রসুনের সঠিক পরিচর্যা করার নিয়মঃ


👉১. রসুন বীজ রোপণের ১৫ দিনে প্রথম স্প্রে রোভরাল ১ গ্রাম+ রিডোমিল গোল্ড ২ গ্রাম প্রতি লিটার পানির জন্য।


👉২. ১০ দিন পরে ক্যাব্রিওটপ ১ মিলি প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে সমস্ত গাছ ভিজিয়ে স্প্রে করে দিবেন।


👉৩. ডিএপি সার (২০ গ্রাম ১০০ লিটার পানি)  মিশিয়ে ৭ দিন পর পর স্প্রে করতে দিবেন।


👉৪. রসুনের বয়স ৪০ দিন হওয়ার পরও যদি গাছ চিকন দূর্বল হয়,পাতার আগা শুকিয়ে সাদা বা হালকা হলুদ হয় তাহলে ‘উপশম' ২ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করে দিবেন।


👉৫. বিনা চাষে রসুনের ক্ষেত্রে যদি গাছের বৃদ্ধি স্বাভাবিক না হয় বা গাছ দুর্বল হয়ে থাকে গোড়া পঁচা রোগ দেখা দেয় এবং গোড়ায় সাদা সাদা ক্ষুদ্রাকৃতির পোকা দেখা দেয় তাহলে ২.৫, ইসি কীটনাশক ১ মিলি প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করে দিবেন।

 

👉কৃষি বিষয়ক প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করুন অথবা আমাদের সাথেই থাকুন। 

@topfans Md Biplob Hossain The natural beauty

রাসেল স্যারের মেসেজ ০৬/০১/২০২৫

 সবার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে কোম্পানি যে গাড়িগুলোতে মাল ডেলিভারি হয় যদি কোন প্রকার মাল কম পান তাহলে সাথে সাথে গাড়ি আটকায় রাখবেন রেখে আমাদেরকে ফোন দিবেন। গাড়ি ছাড়ার পর কোন কমপ্লেন গ্রহণযোগ্য না।

আর যারা ফ্যাক্টরি থেকে মাল নেন তারা ওখান থেকে গুনে দেখে বুঝে নিয়ে আসবেন কোন সমস্যা হলে ওখান থেকেই সমাধান করে তারপর গাড়ি ফ্যাক্টরি থেকে বের করবেন ফ্যাক্টরি থেকে বের হওয়ার পর কোন কমপ্লেন গ্রহণযোগ্য না

দুইটা বিষয় সকলে খুব ভালো করে মাথায় রাখবেন নেক্সট টাইমে এই বিষয় নিয়ে আর কোন কথা হবে না।

সবচেয়ে বড় অভাগা হলেন  ______ কবি কাজী নজরুল ইসলাম

 সবচেয়ে বড় অভাগা হলেন 

______ কবি কাজী নজরুল ইসলাম


তার চার বছরের শিশু বুলবুল যে রাতে মা/রা গিয়েছিল সে রাতে তার পকেটে একটা কানাকড়িও ছিল না। 

অথচ কাফন,দাফন,গাড়িতে করে দেহ নেওয়া ও গোরস্থানে জমি কেনার জন্য দরকার ১৫০ টাকা,

সে সময়ের ১৫০ টাকা মানে অনেক টাকা। এত টাকা কোথায় পাবে। বিভিন্ন লাইব্রেরীতে লোক পাঠানো হল। 

না, টাকার তেমন ব্যবস্থা হয়নি। শুধুমাত্র ডি. এম লাইব্রেরি দিয়েছিল ৩৫ টাকা।

আরো অনেক টাকা বাকি। টাকা আবশ্যক।

ঘরে দেহ রেখে কবি গেলেন এক প্রকাশকের কাছে।

প্রকাশক শর্ত দিল- এই মুহূর্তে কবিতা লিখে দিতে হবে। তারপর টাকা......💔


কবি মনের নীরব কান্না, যাতনা লিখে দিলেন কবিতায়..


"ঘুমিয়ে গেছে শ্রান্ত হয়ে

আমার গানের বুলবুলি।

করুণ চোখে চেয়ে আছে

সাঝের ঝরা ফুলগুলি।।


ফুল ফুটিয়ে ভোর বেলা কে গান গেয়ে,

নীরব হ’ল কোন নিষাদের বান খেয়ে,

বনের কোলে বিলাপ করে সন্ধ্যারাণী চুল খুলি।।


কাল হতে আর ফুটবে না হায়, লতার বুকে মঞ্জরী

উঠছে পাতায় পাতায় কাহার করুণ নিশাস মর্মরী।


গানের পাখি গেছে উড়ে শূণ্য নীড়,

কন্ঠে আমার নেই যে আগের কথার ভিড়,

আলেয়ার এই আলোতে আর আসবে না কেউ কুল ভুলি।।


একজন সন্তানহারা পিতার কি নিদারুণ কষ্ট। যদিও এই মানুষটাই বাংলা সাহিত্যকে অনেক কিছু দিয়েছেন....।

দেশের জন্য অনেক কিছু করেছেন, জেল খেটেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামের পক্ষে দাঁড়িয়ে...। কিন্তু হঠাৎ করে সেই মানুষটার পিছন থেকে সবাই সরে যায়..., 

একেবারে ভুলে যায়....., যাদের জন্য তিনি সর্বস্ব উজাড় করে দিয়ে গেছেন....💔


তিনি আমাদের বিদ্রোহী কবি। বিনম্র শ্রদ্ধা।🙏🏼

টবে মরিচ গাছ  পরিচর্যা🌲

 🌲টবে মরিচ গাছ  পরিচর্যা🌲


1️⃣মরিচ গাছ রোপনের উপযুক্ত সময়:


বছরের যে কোনো সময় মরিচ গাছ রোপন করা যায়। কিন্তু শীতে মরিচ গাছ রোপন করা সব থেকে ভালো সময়।


2️⃣টব নির্বাচন:


ছোট চারা ৪ ইঞ্চি টবে এবং গাছ বড় হলে ১০ ইঞ্চি টব মরিচ গাছের জন্য উপযুক্ত। পেজ মৌসুমিস ব্যালকনি


3️⃣পানি নিষ্কাশন:


টবের পানি নিষ্কাশনের জন্য অবশ্যই টবের নিচে ছিদ্র থাকতে হবে। ছিদ্র না থাকলে পানি জমে যাবে এবং গাছের গোড়া পঁ*চতে শুরু করবে এবং গাছ মা*রা যাবে।


4️⃣মাটি তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ:


৪ ভাগ মাটি, ২ ভাগ সাদা বালি, ৩ ভাগ ভার্মিকম্পোস্ট (কেঁচো সার ) বা ১ বছরের পুরোনো গোবর সার,১ ভাগ নিম খৈল গুঁড়া, ১ ভাগ সরিষার খৈল গুঁড়া, হারের গুঁড়া অথবা শিং কুচি ১ ভাগ, হাফ চা চামুচ করে এপসম সল্ট এবং ফাঙ্গিসাইট দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে মাটি তৈরী করতে হবে। গাছ রোপনের পর অবশ্যই গাছে ভালো ভাবে পানি দিতে হবে।


5️⃣সূর্যালোক:


মরিচ গাছের জন্য সরাসরি সূর্যের আলো প্রয়োজন। গাছ রোদ্র না পেলে ফুল না আসার সমস্যা দেখা দেয়। 

পেজ মৌসুমিস ব্যালকনি


6️⃣পানি:


গাছে পানি দেয়ার আগে টবের মাটি চেক করে নিতে হবে। অর্থাৎ গাছের গোড়া থেকে ১ ইঞ্চি ভিতরের মাটি যদি ভেজা থাকে তাহলে ঐদিন পানি না দিয়ে পরের দিন পানি দিতে হবে।


* পানি দেয়ার পর  অতিরিক্ত পানি টবের ড্রেনেজ ছিদ্র দিয়ে যেন বের হয়ে যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।


* অতিরিক্ত পানির ফলে গাছের পাতা হলুদ হয়ে ঝরে যায় এবং ফুল ও ঝরে যায়।

* আবার গাছের গোড়া একেবারে শুকনো খটখটে রাখা যাবে না। এই অবস্থার পরেই যখন গাছে পানি দেয়া হবে তখন গাছের পাতা, ফুল ঝরে যাবে।

* গাছের গোড়ায় যেন পানি না জমে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। 


7️⃣মরিচ গাছের সার/খাবার:


মরিচ গাছে ফুল আসার পর প্রতি সপ্তাহে ১ বার দিতে হবে লিকুইড ফার্টিলাইজার (ভার্মিকম্পোস্ট/গোবর সার পানিতে মিশিয়ে)।


8️⃣পরিচর্যা:


* চারা বড় হওয়ার পর গাছের ডগা গুলো কে*টে (পিনচিং) করে দিতে হবে। তাহলে গাছ ঝাঁকড়া হবে।

* সব সময় গাছের গোড়া পরিষ্কার রাখতে হবে। কোনো আগাছা থাকলে তা পরিষ্কার করে দিতে হবে। 

* গাছের পাতা বা ডাল মাটির সংস্পর্শে না আসে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। নাহলে পাতায় এবং গাছে ফাঙ্গাস আক্রমন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। প্রয়োজনে গাছের গোড়ার দিকের ডাল গুলো কেটে দিতে হবে। 

* মরিচ তোলার পর গাছ অল্প করে ডাল ছেটে দিতে হবে তাহলে গাছে আবার নতুন শাখা প্রশাখা বের হবে এবং বেশি ফুল ফল আসতে সাহায্য করবে। 

* ২/৩ বছরের পুরোনো মরিচ গাছ রিপটিং করা জরুরি।

(Collected) 

#agriculture #agro  #farming #farmers #village   #Bangladesh

অভিনেত্রী অঞ্জনা রহমান আর নেই,,,,,, প্রিয় বাংলা অনলাইন পত্রিকা থেকে নেওয়া

 

অভিনেত্রী অঞ্জনা রহমান আর নেই

অবশেষে না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্ত অভিনেত্রী অঞ্জনা রহমান। শনিবার (৪ জানুয়ারি) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। শিল্পী সমিতির সাভপতি মিশা সওদাগর তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অঞ্জনা রহমান টানা ১০ দিন ধরে অচেতন অবস্থায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সেই কদিন তিনি সিসিইউতে ভর্তি ছিলেন। কিন্তু তার আশানুরূপ কোনো উন্নতি হয়নি। বরং অবস্থার অবনতি হয়। তাই বুধবার (১ জানুয়ারি) রাতে তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ভর্তি করা হয়েছিল।

জানা গেছে,জানা গেছে, ১৫ দিন ধরে অঞ্জনা অসুস্থ। শুরুতে তার জ্বর ছিল। সারা শরীর কেঁপে জ্বর আসত। একটা সময় ওষুধ খেয়েও কাজ হচ্ছিল না। শেষে জানা যায় তার রক্তে সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এরপর চিকিৎসকের পরামর্শে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

প্রসঙ্গত, নায়িকা অঞ্জনা বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বেশ সুপরিচিত মুখ ছিলেন।

 নৃত্যশিল্পী থেকে নায়িকা হয়ে সর্বাধিক যৌথ প্রযোজনা এবং বিদেশি সিনেমায় অভিনয় করা একমাত্র দেশীয় চিত্রনায়িকাও তিনি।

‘দস্যু বনহুর’ দিয়ে শুরু। ১৯৭৬ সালের এই সিনেমার পর টানা কাজ করেন। এ পর্যন্ত তিন শতাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি।

 ‘পরিণীতা’ ও ‘গাঙচিল’-এ অভিনয়ের জন্য দুবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পেয়েছেন।

ঢাকাই সিনেমার নায়করাজ রাজ্জাকের সঙ্গে ৩০টি সিনেমাতে অভিনয় করেছেন অঞ্জনা। 

এর মধ্যে ‘অশিক্ষিত’, 

‘রজনীগন্ধা’, 

‘আশার আলো’, 

‘জিঞ্জির’, 

‘আনারকলি’,

 ‘বিধাতা’, 

‘বৌরানী’, 

‘সোনার হরিণ’,

 ‘মানা’,

 ‘রাম রহিম জন’,

 ‘সানাই’, 

‘সোহাগ’, 

‘মাটির পুতুল’,

 ‘সাহেব বিবি গোলাম’ ও

 ‘অভিযান’ উল্লেখযোগ্য।

তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য কিছু সিনেমা হলো মাটির মায়া (খান আতাউর রহমান), 

অশিক্ষিত (আজিজুর রহমান), 

চোখের মণি ও সুখের সংসার (নারায়ণ ঘোষ মিতা), 

জিঞ্জির, অংশীদার ও আনারকলি (দিলীপ বিশ্বাস),

 বিচারপতি (গাজী মাজহারুল আনোয়ার), আলাদীন আলীবাবা সিন্দাবাদ (শফি বিক্রমপুরী), অভিযান (নায়করাজ রাজ্জাক), 

মহান ও রাজার রাজা (আলমগীর কুমকুম), বিস্ফোরণ (এফ আই মানিক), 

ফুলেশ্বরী (আজিজুর রহমান), 

রাম রহিম জন (সত্য সাহা), 

নাগিনা (মতিউর রহমান বাদল), 

পরীণিতা (আলমগীর কবির) প্রভৃতি।


সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ০৬-০১-২০২৫ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ০৬-০১-২০২৫ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাবাহিনীকে সদা প্রস্তুত থাকার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার।


ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্নীতি ও ত্রুটিপূর্ণ নীতির কারণে দেশে বিদেশি বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে - মন্তব্য অর্থ উপদেষ্টার।


পরিবেশগত লক্ষ্য অর্জনে আগামী পাঁচ বছর বাংলাদেশকে সহজ শর্তে এক বিলিয়ন ডলার করে ঋণ সহায়তা দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক।


একটি সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে নির্বাচন কমিশন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ - জানালেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।


বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে দায়ের করা চারটি মামলা বাতিলে হাইকোর্টের রায় সুপ্রিম কোর্টে বহাল।


শিগগিরই মুক্তি দেওয়ার লক্ষ্যে আটক ৩৪ ইসরাইলি জিম্মির তালিকা অনুমোদন করেছে হামাস।


বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সিলেট পর্ব শুরু আজ - মুখোমুখি হচ্ছে সিলেট স্ট্রাইকার্সদ-রংপুর রাইডার্সের এবং দুর্বার রাজশাহী-ফরচুন বরিশালের।

শওকত ওসমান প্রগতিশীল চিন্তক ও কিংবদন্তী     কথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক। ১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার সবলসিংহপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান; ‘শওকত ওসমান’ তাঁর সাহিত্যিক নাম।

 শওকত ওসমান প্রগতিশীল চিন্তক ও কিংবদন্তী     কথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক। ১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার সবলসিংহপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান; ‘শওকত ওসমান’ তাঁর সাহিত্যিক নাম।


শওকত ওসমান কলকাতার আলীয়া মাদ্রাসা থেকে প্রবেশিকা (১৯৩৩), সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে আইএ (১৯৩৬) ও বিএ (১৯৩৯) এবং  কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় এমএ (১৯৪১) পাস করেন। আই.এ পাস করার পর তিনি কিছুদিন কলকাতা করপোরেশন এবং বাংলা সরকারের তথ্য বিভাগে চাকরি করেন। এম.এ পাস করার পর তিনি গভর্নমেন্ট কমার্শিয়াল কলেজে (১৯৪১) লেকচারার পদে নিযুক্ত হন। ১৯৪৭ সালে তিনি চট্টগ্রাম কলেজ অব কমার্স-এ যোগ দেন এবং ১৯৫৯ সাল থেকে ঢাকা কলেজে অধ্যাপনা করে ১৯৭২ সালে স্বেচ্ছায় অবসরে যান। চাকরি জীবনের প্রথমদিকে স্বল্পসময় তিনি কৃষক পত্রিকায় সাংবাদিকতা করেন।


উপন্যাস ও গল্প রচয়িতা হিসেবেই শওকত ওসমানের মুখ্য পরিচয়; তবে প্রবন্ধ, নাটক, রম্যরচনা, স্মৃতিকথা ও শিশুতোষ গ্রন্থও তিনি রচনা করেছেন। বিদেশি ভাষার অনেক উপন্যাস,  ছোটগল্প ও নাটক তিনি বাংলা ভাষায় অনুবাদ করেছেন। গ্রন্থ সম্পাদনার ক্ষেত্রেও তিনি কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রচনা হলো: উপন্যাস জননী (১৯৫৮), ক্রীতদাসের হাসি (১৯৬২), সমাগম (১৯৬৭), চৌরসন্ধি (১৯৬৮), রাজা উপাখ্যান (১৯৭১), জাহান্নাম হইতে বিদায় (১৯৭১), দুই সৈনিক (১৯৭৩), নেকড়ে অরণ্য (১৯৭৩), পতঙ্গ পিঞ্জর (১৯৮৩), আর্তনাদ (১৯৮৫), রাজপুরুষ (১৯৯২); গল্পগ্রন্থ  জুনু আপা ও অন্যান্য গল্প (১৯৫২), মনিব ও তাহার কুকুর (১৯৮৬), ঈশ্বরের প্রতিদ্বন্দ্বী (১৯৯০); প্রবন্ধগ্রন্থ ভাব ভাষা ভাবনা (১৯৭৪), সংস্কৃতির চড়াই উৎরাই (১৯৮৫), মুসলিম মানসের রূপান্তর (১৯৮৬); নাটক আমলার মামলা (১৯৪৯), পূর্ণ স্বাধীনতা চূর্ণ স্বাধীনতা (১৯৯০); শিশুতোষ গ্রন্থ ওটেন সাহেবের বাংলো (১৯৪৪), মস্কুইটোফোন (১৯৫৭), ক্ষুদে সোশালিস্ট (১৯৭৩), পঞ্চসঙ্গী (১৯৮৭); রম্যরচনা নিজস্ব সংবাদদাতা প্রেরিত (১৯৮২) ইত্যাদি।


তাঁর জননী ও ক্রীতদাসের হাসি উপন্যাস দুটি প্রশংসিত হয়েছে। জননীতে সামাজিক জীবন ও ক্রীতদাসের হাসিতে রাজনৈতিক জীবনের কিছু অন্ধকার দিক উন্মোচিত হয়েছে। প্রাচীন কাহিনী, ঘটনা ও চরিত্রের রূপকে লেখক সমকালীন রাজনীতিতে স্বৈরাচারী চরিত্র ও নিপীড়নের চিত্র তুলে ধরেছেন। জননীতে গ্রাম ও নগরজীবনের সংঘাতে একটি পরিবারের বিপর্যস্ত অবস্থার বিবরণ আছে। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত নেকড়ে অরণ্য গ্রন্থে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কর্তৃক বাংলার নরনারীর নির্যাতনের করুণ বিবরণ আছে।


শওকত ওসমানের স্মৃতিকথামূলক উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো: স্বজন সংগ্রাম (১৯৮৬), কালরাত্রি খন্ডচিত্র (১৯৮৬), অনেক কথন (১৯৯১), গুড বাই জাস্টিস মাসুদ (১৯৯৩), মুজিবনগর (১৯৯৩), অস্তিত্বের সঙ্গে সংলাপ (১৯৯৪), সোদরের খোঁজে স্বদেশের সন্ধানে (১৯৯৫), মৌলবাদের আগুন নিয়ে খেলা (১৯৯৬), আর এক ধারাভাষ্য (১৯৯৬) ইত্যাদি। স্বজন সংগ্রামে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন-সংগ্রামের অনেক কথা বর্ণিত হয়েছে।


তাঁর উল্লেখযোগ্য অনূদিত গ্রন্থ: নিশো (১৯৪৮-৪৯), লুকনিতশি (১৯৪৮), বাগদাদের কবি (১৯৫৩), টাইম মেশিন (১৯৫৯), পাঁচটি কাহিনী (লিও টলস্টয়, ১৯৫৯), স্পেনের ছোটগল্প (১৯৬৫), পাঁচটি নাটক (মলিয়ার, ১৯৭২), ডাক্তার আব্দুল্লাহর কারখানা (১৯৭৩), পৃথিবীর রঙ্গমঞ্চে মানুষ (১৯৮৫), সন্তানের স্বীকারোক্তি (১৯৮৫) ইত্যাদি।


সাহিত্য ও সংস্কুতিতে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি বাংলা একাডেমী পুরস্কার (১৯৬২), আদমজী সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৬), পাকিস্তান সরকারের প্রেসিডেন্ট পুরস্কার (১৯৬৭), একুশে পদক (১৯৮৩), মাহবুবউল্লাহ ফাউন্ডেশন পুরস্কার (১৯৮৩), মুক্তধারা সাহিত্য পুরস্কার (১৯৯১), স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার (১৯৯৭)-এ ভূষিত হন। ১৯৯৮ সালের ১৪ মে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।  [সৈয়দ আজিজুল হক]

তাঁর জন্মদিনে বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলী। 


তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া। 

সংকলনেঃ রামকেশব খাস্তগীর।

নকশী কাঁথার জমিন: প্রয়োজনীয় ও সময়োপযোগী সিনেমা মামুনুর রশীদ

 (অসংখ্য ধন্যবাদ মামুন ভাই) 

নকশী কাঁথার জমিন: প্রয়োজনীয় ও সময়োপযোগী সিনেমা

মামুনুর রশীদ


কাঁথায় স্বপ্ন আঁকছিল দুই বিধবা, যে কাঁথাটিই হয়ে উঠবে নকশিকাঁথা। হঠাৎ করে ঝড় এল, উড়িয়ে নিয়ে যেতে চাইল নকশিকাঁথা। বিধবার সাদা শাড়ি পরা দুই নারী প্রাণপণে সেই ঝড় ঠেকানোর চেষ্ট করছে। জীর্ণ দরজায় খিল এঁটে দিয়ে ঝড় থেকে বাঁচানোর সে এক আপ্রাণ চেষ্টা। শেষ পর্যন্ত ঝড় থামল, নকশিকাঁথায় স্বপ্ন আঁকা হতে থাকল। রক্তাক্ত জমিনে আবার জীবন ফুটতে থাকে।


বাংলার ইতিহাসটাই তা–ই। সেই ইতিহাসের একটা বড় জায়গাজুড়ে আমাদের একাত্তর, আমাদের মুক্তিযুদ্ধ। অতীতের অনেক যুদ্ধ আমরা দেখিনি, কিন্তু একাত্তরে আমাদের দর্শক হওয়ার উপায় ছিল না, হয় পক্ষে অথবা বিপক্ষে। সেই পক্ষে–বিপক্ষের যুদ্ধে ভাইয়ে–ভাইয়ে যুদ্ধ হয়েছে। কখনো দুই পক্ষই নিহত হয়েছে। কেউ মর্যাদা পেয়েছে বীরের, কেউ বিশ্বাসঘাতকের। কিন্তু নারী বহন করে চলে সব অতীত, সব বেদনা, সব গ্লানি।


দুঃসহ দিনের কাহিনি নিয়েই হাসান আজিজুল হক রচনা করেছিলেন ‘বিধবাদের কথা’। সেখান থেকেই চলচ্চিত্রকার আকরাম খান নির্মাণ করেছেন ‘নকশী কাঁথার জমিন’। এর আগেও তিনি এই কালজয়ী লেখকের গল্প নিয়ে নির্মাণ করেছিলেন ‘খাঁচা’। আকরাম হাসান আজিজুল হককে বোঝেন চলচ্চিত্রের একটা অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে। সে জন্য গল্পটা তিনি অবিকল রাখেন না। চরিত্রের সঙ্গে মেশান বাংলার প্রকৃতি, মানুষের জীবনযাপনের চিত্র। যেমন এই ছবিতে তিনি প্রকৃতিকে এনেছেন অনায়াসেই বৃষ্টি, মেঘ, বৃষ্টি, পুকুর-বিলে ফুটে ওঠা শাপলা ফুল, শীতের সকালের কুয়াশা, পূর্ণিমার চাঁদ আর তার সঙ্গে ফুটে উঠেছে মানুষের নৃশংসতা, হত্যা, রক্তাক্ত প্রকৃতি, নির্দয়তা এবং সবশেষে মুক্তির আকুতি।


দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর রাশিয়ার চলচ্চিত্রেও প্রকৃতি, প্রেম, ভালোবাসা—সবটা মিলিয়ে একটা মানবিক গল্প ফুটে উঠত। আকরাম অবশ্য সেই ছবিগুলোতে যেমন সম্মুখযুদ্ধ থাকত, এখানে তা রাখেননি। সম্ভবও নয়। এসব অসম্ভবকে রাখতে গিয়ে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ছবিগুলো সার্থক হতে পারেনি। কিন্তু সার্থক চলচ্চিত্রের যে চরিত্র তা এখানে রক্ষিত হয়েছে দারুণভাবেই। যেমন সত্যজিৎ রায়ের অশনিসংকেতে দৃশ্যত কোনো যুদ্ধ নেই কিন্তু যুদ্ধের প্রতিক্রিয়ায় যে মানুষের জন্ম হয় তা রক্ষিত হয়েছে ভয়ংকরভাবে। আকরামের ছবিতেও ক্যামেরায় ধরা পড়েছে মানুষ, যে মানুষ কীভাবে পাল্টে যায়, কতটা নৃশংস, কতটা সাহসী হয়। যাঁরা অভিনয় করেছেন, তাঁদের দিয়েও আধুনিক অভিনয়টা আদায় করেছেন। জয়া আহসান ও সেঁওতি দুই বিধবার বাক্হীন অভিনয় অত্যন্ত উঁচুমানের।


আকরাম এ দেশের চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলন থেকে আসা। পৃথিবীর চলচ্চিত্র আন্দোলনের ফলাফল তিনি জানেন। তাতেই আমরা একটি চলচ্চিত্র পেলাম, যা আজকের দিনে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এবং সময়োপযোগী। যে প্রজন্ম আমাদের মুক্তিযুদ্ধ দেখেনি, তাদের অবশ্যই এই ছবিটি দেখা প্রয়োজন।

একসময় গ্রামীণ জনপদের অধিকাংশ গৃহস্থের বাড়িতেই ছিল কাচারি ঘর। কাচারি ঘর ছিলো গ্রাম বাংলার ইতিহাস ঐতিহ্য,কৃষ্টি ও সংস্কৃতির একটি অংশ

 ✍️ইতিহাস ঐতিহ্য,, 

একসময় গ্রামীণ জনপদের অধিকাংশ গৃহস্থের বাড়িতেই ছিল কাচারি ঘর। কাচারি ঘর ছিলো গ্রাম বাংলার ইতিহাস ঐতিহ্য,কৃষ্টি ও সংস্কৃতির একটি অংশ। কালের বিবর্তনে আজ কাচারি ঘর বাঙালির সংস্কৃতি থেকে হারিয়ে যাচ্ছে। গেস্টরুম কিংবা ড্রয়িং রুমের আদি ভার্সন কাচারি ঘর। এখন আর গ্রামীণ জনপদে কাচারি ঘর দেখা যায় না।

আদিকালে মূল বাড়ি থেকে একটু দূরে আলাদা খোলামেলা  জায়গায় কাচারি ঘরের অবস্থান ছিল । অতিথি, পথচারী কিংবা সাক্ষাৎপ্রার্থীরা এই ঘরে এসেই বসতেন। প্রয়োজনে এক-দুই দিন রাত যাপনেরও ব্যবস্থা থাকতো কাচারি ঘরে। 

কাচারি ঘর ছিল বাংলার অবস্থাসম্পন্ন  ও মধ্যবিত্তের গৃহস্থের আভিজাত্যের প্রতীক। চারিদিকে ঢেউ টিনের বেড়া সঙ্গে কাঠের কারুকাজ করে উপরে টিন অথবা ছনের ছাউনি থাকতো কাচারি ঘরে। যা অতি প্রাকৃতিকবান্ধব পরিবেশ দিয়েআবেষ্টিত ছিল।


তখনকার যুগে বৈদ্যুতিক পাখা না থাকলে কাচারি ঘড় ছিল আরামদায়ক শীতল পরিবেশ। তীব্র গরমেও কাচারি ঘরের খোলা জানালা দিয়ে হিমেল বাতাস বইতো। আলোচনা, শালিস বৈঠক, গল্প-আড্ডার আসর,বসতো কাচারি ঘরে। 


আগের দিনে নিজেদের পারিবারিক অনুষ্ঠানে মানুষজন বেশি হলে ছেলেরা কাচারি ঘরে থাকতেন আর মেয়েরা থাকতেন ভিতর বাড়িতে।

বর্ষা মৌসুমে গ্রামের লোকজনদের উপস্থিতিতে কাচারি ঘরে বসতো পুঁথি পাঠ ও জারি গান । পথচারীরা এই কাচারি ঘরে ক্ষণিকের জন্য বিশ্রাম নিতেন। বিপদে পরলে রাত যাপনের ব্যবস্থা থাকতো কাচারি ঘরে।


গৃহস্থের বাড়ির ভিতর থেকে খাবার পাঠানো হতো কাচারি ঘরের অতিথিদের জন্য। আবাসিক গৃহশিক্ষকের (লজিং মাস্টার)ও আররি শিক্ষার ব্যবস্থার জন্য কাচারি ঘড়ের অবদান অনস্বীকার্য। মাস্টার ও আররি শিক্ষকগণ কাচারি ঘরে থাকার ব্যবস্থা থাকার ব্যাবস্থা করা হত।


কোন কোন বাড়ির কাচারি ঘর সকাল বেলা মক্তব হিসেবেও ব্যবহৃত হত।


জানা যায়, ঈশা খাঁর আমলে কর্মচারীদের খাজনা আদায়ের জন্য কাচারি ঘর ব্যবহার করা হতো। জমিদারী প্রথার সময়ও খাজনা আদায় করা হতো গ্রামের প্রভাবশালী গ্রাম্য মোড়লের বাড়ির সামনের কাচারি ঘরে বসে। এখন আর কাচারি ঘর তেমন চোখে পরে না। 


কুমিল্লার গোমতী নদীর ওপারে সীমান্তবর্তী এলাকা,শাহপুর, শাওয়ালপুর, গোলাবাড়ি, জেলার দেবিদ্বারের, বুড়িচং, মেঘনা,দাউদকান্দির এলাকার কিছু গ্রামে অত্যন্ত জীর্ণ শীর্ণ অবস্থায় কাচারি ঘর দেখতে পাওয়া যায়।


ছবি এবং তথ্য সংগৃহিত।

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:১২-০৫-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:১২-০৫-২০২৬ খ্রি:। আজকের শিরোনাম: রাজনৈতিক পরিচয় নয় অপরাধীদের অপরাধী হিসেবেই বিবেচনা করতে পুলিশ বাহিনীকে নির্দে...