এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৫

বিশ্বাসঘাতকতা সবাই করতে পারে না। যারা করে, তারা অত্যন্ত চতুর, ঠাণ্ডা মাথার মানুষ। তাদের দেখলে মনে হবে যেন আসমান থেকে নেমে আসা এক ফেরেশতা। 

 বিশ্বাসঘাতকতা সবাই করতে পারে না। যারা করে, তারা অত্যন্ত চতুর, ঠাণ্ডা মাথার মানুষ। তাদের দেখলে মনে হবে যেন আসমান থেকে নেমে আসা এক ফেরেশতা। 


তারা এমনভাবে নিজেকে উপস্থাপন করবে, যেন আপনি ভাববেন, "একজন মানুষ এত ভালো কীভাবে হতে পারে?" তাদের আচরণে এমন মাধুর্য থাকবে যে, আপনি চাইলেও তাদের প্রতি আকৃষ্ট না হয়ে পারবেন না। আপনি হয়তো ভুল করে তাদের ভালোবাসতেও বাধ্য হবেন।


কিন্তু, এই ভালো মানুষের মুখোশটা আসলে একটা সাজানো ফাঁদ। আপনি যতই তাদের প্রতি বিশ্বাস এবং ভালোবাসা দেখাবেন,

ততটাই তাদের জালে আটকে যাবেন। যখন সেই ফাঁদে পুরোপুরি আটকে যাবেন, তখনই তাদের আসল রূপ আপনার সামনে উন্মোচিত হবে।


ততদিনে, আপনি তাদের প্রতি এমনভাবে আসক্ত হয়ে যাবেন যে, তারা যা-ই করুক, আপনার কিছুই করার থাকবে না।

 তারা আপনাকে জীবনের খেলায় ফুটবলের মতো ব্যবহার করবে, আর তারা হবে সেই খেলার মেসি। আপনি একসময় টের পাবেন, 

এই খেলায় আপনি একমাত্র বল নন; আরও অনেক বল রয়েছে তাদের জন্য।


একটা সময়ে তাদের অবহেলার বিষে আপনার মন বিষণ্ণ হয়ে পড়বে। ভেতরে ভেতরে আপনি পুড়তে থাকবেন অদৃশ্য এক আগুনে। 

যখন আপনি সেই ঝলসানো হৃদয় নিয়ে তাদের কাছে যাবেন সামান্য সহানুভূতি বা ভালোবাসার জন্য, তখনই তারা আপনাকে চূড়ান্ত আঘাত দিয়ে সম্পর্কের ইতি টেনে চলে যাবে।


তাদের বিদায়ের পর আপনি বুঝতে পারবেন, এই পৃথিবীতে কেউ আসলে কারও হয় না। 

সবাই স্বার্থের জন্য কাছে আসে, স্বার্থ ফুরিয়ে গেলে তারা চলে যায়।

সেই মুহূর্তে আপনি শিখবেন, নিজের মূল্য নিজেকেই দিতে হয়; অন্ধবিশ্বাস বা অযাচিত ভালোবাসা শুধুই কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।।

©️

ভীষণ প্রিয় জুটি মৌসুমী-ইলিয়াস কাঞ্চন-এর  দ্বৈত লিপে তুমুল জনপ্রিয় ১০টি গান।।।।।

 ভীষণ প্রিয় জুটি মৌসুমী-ইলিয়াস কাঞ্চন-এর

 দ্বৈত লিপে তুমুল জনপ্রিয় ১০টি গান।।।।।


১. সবার জীবনে প্রেম আসে 

শিল্পী: এন্ড্রু কিশোর-রিজিয়া পারভীন 

সিনেমা: ভাংচুর (১৯৯৫)

পরিচালক: সিদ্দিক জামাল নান্টু 

গীতিকার: মনিরুজ্জামান মনির 

সুরকার: আলম খান 

২. তোমার পথে তুমি যাও 

শিল্পী: কুমার শানু-বেবী নাজনীন 

সিনেমা: শেষ রক্ষা (১৯৯৫)

পরিচালক: শওকত জামিল 

গীতিকার: মনিরুজ্জামান মনির 

সুরকার: আলাউদ্দীন আলী 

৩. এ জীবন তোমাকে দিলাম 

সিনেমা: আত্মত্যাগ (১৯৯৬)

শিল্পী: কুমার শানু-মিতালী মুখার্জি 

 পরিচালক: সৈয়দ হারুন 

গীতিকার: মোহাম্মদ রফিকুজ্জামান 

সুরকার: আলাউদ্দীন আলী 

৪. আমার জীবন তুমি

শিল্পী: এন্ড্রু কিশোর- কনক চাঁপা 

সিনেমা: অন্ধ ভালোবাসা (১৯৯৭)

পরিচালক: মনতাজুর রহমান আকবর 

গীতিকার: আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল 

সুরকার: আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল 

৫. যে জীবনে তুমি ছিলে না

শিল্পী: এন্ড্রু কিশোর-কনক চাঁপা 

সিনেমা: সুখের ঘরে দুঃখের আগুন (১৯৯৭)

পরিচালক: মুশফিকুর রহমান গুলজার 

গীতিকার: মোহাম্মদ রফিকুজ্জামান ও আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল 

সুরকার: আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল 

৬. মনে রেখ পৃথিবী আমাদের প্রেম ভালবাসা 

শিল্পী: খালিদ হাসান মিলু- কনক চাঁপা 

সিনেমা: মনে রেখ পৃথিবী (২০০০)

পরিচালক: বজলুল রশীদ চৌধুরী 

গীতিকার: বজলুল রশীদ চৌধুরী 

 সুরকার: আবু তাহের 

৭. প্রথমও প্রেমের ছোঁয়া লেগেছে এ মনে

শিল্পী: সাবিনা ইয়াসমিন-এস ডি রুবেল 

সিনেমা: ভন্ড প্রেমিক (১৯৯৯)

পরিচালক: নজমুল হুদা মিন্টু 

গীতিকার: গাজী মাজহারুল আনোয়ার 

সুরকার: আলী হোসেন 

৮. চলতে চলতে পথ শেষ হয়

শিল্পী: এন্ড্রু কিশোর-রুনা লায়লা 

সিনেমা: গোলাগুলি (১৯৯৭)

পরিচালক: সিদ্দিক জামাল নান্টু 

গীতিকার: মনিরুজ্জামান মনির ও গাজী মাজহারুল আনোয়ার 

সুরকার: আলম খান 

৯. আমার মন এত পাগল যে 

শিল্পী: কুমার শানু-অলকা ইয়াগনিক 

সিনেমা: স্বজন (১৯৯৬)

পরিচালক: সোহানুর রহমান সোহান 

গীতিকার: পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়

সুরকার: নাদিম শ্রাবণ 

১০. আমার অন্তরে শুধু তুমি যে

শিল্পী: খালিদ হাসান মিলু-কনক চাঁপা 

সিনেমা: অন্ধ ভালোবাসা (১৯৯৭)

পরিচালক: মনতাজুর রহমান আকবর 

গীতিকার ও সুরকার: আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল 


★ Queen Express নিবেদিত

কোথাও একবার পড়েছিলাম, সৈয়দ মুজতবা আলীকে কোনো এক আসরে মদ খেতে দেখে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেছিলেন—আপনি যে মদ খাচ্ছেন, এটা দেখে তরুণ সমাজ কী শিখবে

 কোথাও একবার পড়েছিলাম, সৈয়দ মুজতবা আলীকে কোনো এক আসরে মদ খেতে দেখে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেছিলেন—আপনি যে মদ খাচ্ছেন, এটা দেখে তরুণ সমাজ কী শিখবে


?


উত্তরে সৈয়দ মুজতবা আলী মদের গ্লাসে চুমুক দিয়ে বলেছিলেন, 'তোমার তরুণ সমাজকে বলে দিও—মদ খাওয়ার আগে আমি পৃথিবীর ২৩ টি ভাষা রপ্ত করেছি।'


উনাকে নিয়ে আরেক মজার ঘটনা আছে!


সৈয়দ মুজতবা আলী তখন বেশ বিখ্যাত লেখক। প্রতিদিনই তাঁর দর্শন লাভ করতে ভক্তরা বাসায় এসে হাজির হয়। একদিন এক ভক্ত মুজতবা আলীর কাছে জানতে চাইলেন, তিনি কোন বই কী অবস্থায় লিখেছেন। মুজতবা আলী যতই এড়িয়ে যেতে চান, ততই তিনি নাছোড়বান্দা। শেষে মুজতবা আলী সরাসরি উত্তর না দিয়ে বললেন, 'দেখো, সুইস মনস্তত্ত্ববিদ কার্ল গুসতাফ জাং একদা তাঁর ডায়েরিতে লিখে রেখেছিলেন, কিছু লোক আমাকে জিজ্ঞেস করে, আমি কীভাবে লিখি। এ ব্যাপারে আমাকে একটা কথা বলতেই হয়, কেউ চাইলে তাকে আমরা আমাদের সন্তানগুলো দেখাতে পারি, কিন্তু সন্তানগুলো উৎপাদনের পদ্ধতি দেখাতে পারি না।'


এমনই হাস্যরসে পরিপূর্ণ ছিল এই মানুষটি। 


তাঁর লেখা 'দেশে বিদেশে' পড়েছি পাঁচ পাঁচবার! কাবুল-কান্দাহারে হারিয়েছি প্রতিবার। ভ্রমণ কাহিনী কতটা আনন্দদায়ক হতে পারে তা এ বই না পড়লে বুঝতে পারতাম না।


(সংগৃহীত)

মেঘনাদবধ কাব্য -বাঙালি কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত কর্তৃক অমিত্রাক্ষর ছন্দে লেখা একটি মহাকাব্য। এটি ৪ জানুয়ারী ১৮৬১ সালে দুই খণ্ডে বই আকারে প্রকাশিত হয়। কাব্যটি মোট নয়টি সর্গে বিভক্ত। মেঘনাদবধ কাব্য হিন্দু মহাকাব্য রামায়ণ অবলম্বনে রচিত, যদিও এর মধ্যে নানা বিদেশী মহাকাব্যের ছাপও সুস্পষ্ট। 

 মেঘনাদবধ কাব্য -বাঙালি কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত কর্তৃক অমিত্রাক্ষর ছন্দে লেখা একটি মহাকাব্য। এটি ৪ জানুয়ারী ১৮৬১ সালে দুই খণ্ডে বই আকারে প্রকাশিত হয়। কাব্যটি মোট নয়টি সর্গে বিভক্ত। মেঘনাদবধ কাব্য হিন্দু মহাকাব্য রামায়ণ অবলম্বনে রচিত, যদিও এর মধ্যে নানা বিদেশী মহাকাব্যের ছাপও সুস্পষ্ট। 


মধুসূদন ১৮৬১ খৃস্টাব্দে এ কাব্যটি রচনা করেন। কাব্যটি দুটি খন্ডে বিভক্ত। প্রথম খন্ড (১-৫ সর্গ) ১৮৬১ সালের জানুয়ারি মাসে, আর দ্বিতীয় খন্ড (৬-৯ সর্গ) ঐ বছরেই রচনা করেন।

গ্রিক রীতিতে হিন্দু পূরাণের কাহিনী অবলম্বন করে এই কাব্যটি রচিত। এর মূল উপজীব্য রামায়ণ। মধুসূদনের মেঘনাদ বধ কাব্য সর্বাংশে আর্য রামায়নকে অনুসরণ করে রচনা করেননি। প্রতিটি চরিত্রের উপর বাল্মীকির থেকে ইংবেঙ্গলের প্রভাব অনেক বেশী৷ ‘মেঘনাদ বধ’ কাব্যের লঙ্কা কাণ্ডের স্থান লঙ্কা দ্বীপের পরিবর্তে হল হিন্দু কলেজ, ভাষাতেও আধুনিকতার প্রচ্ছাপ৷ কবি মিলটন বিরচিত প্যারাডাইয লস্ট-এর রচনারীতির অনুগামীতা এতে পরিস্ফুট। প্রথম সর্গ "অভিষেক"-এ মোট ৭৮৫ টি চরণ আছে। 

এটি অমিত্রাক্ষর ছন্দ বা 'ফ্রি ভার্সে' রচিত। অমিত্রাক্ষরে প্রথম রচনা করেন তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য(১৮৬০)। এরপর ‌‌মেঘনাদ বধ কাব্য(১৮৬১) রচনা করেন অমিত্রাক্ষর ছন্দে। নিচের উদ্ধৃতি থেকে এ কাব্যের ছন্দ-প্রকৃতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে। এ অংশটি ষষ্ঠ সর্গের অংশ বিশেষ এবং ‌‌‌মেঘনাদ ও বিভীষণ নামে পরিচিত।

"এতক্ষণে" --অরিন্দম কহিলা বিষাদে

"জানিনু কেমনে আসি লক্ষণ পশিল

রক্ষঃপুরে ! হায়, তাত, উচিত কি তব

একাজ, নিকষা সতী তোমার জননী,

সহোদর রক্ষশ্রেষ্ঠ ? --শূলী-শম্ভূনিভ

কুম্ভকর্ণ ? ভ্রাতৃপুত্র বাসব বিজয়ী ?

নিজগৃহপথ, তাত, দেখাও তস্করে ?

চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে ?

কিন্তু নাহি গঞ্জি তোমা, গুরুজন তুমি

পিতৃতুল্য। ছাড় দ্বার, যাব অস্ত্রাগারে,

পাঠাইব রামানুজে শমন-ভবনে,

লঙ্কার কলঙ্ক আজি ভঞ্জিব আহবে 

মেঘনাদবধ কাব্য সংস্কৃত অলঙ্কারশাস্ত্র অনুযায়ী মহাকাব্যের গৌরব সর্বাংশে দাবী করতে পারে না। অবশ্য মধুসূদন দত্ত তিনি তাঁর কাব্যকে অষ্টাধিক সর্গে বিভক্ত করেছেন এবং সংস্কৃত অলঙ্কারশাস্ত্র অনুযায়ী এতে নগর, বন, উপবন, শৈল, সমুদ্র, প্রভাত, সন্ধ্যা, যুদ্ধ, মন্ত্রণা প্রভৃতির সমাবেশও করিয়াছেন। কিন্তু সর্গান্তে তিনি নূতন ছন্দ ব্যবহার করেননি, সর্গশেষে পরবর্তী সর্গকথা আভাসিত করেননি। যদিও তিনি বলেছিলেন -

গাইব মা বীররসে ভাসি মহাগীত 

তবুও কাব্যে করুণ রসেরই জয় হয়েছে। এতদ্ব্যতীত, সংস্কৃত মহাকাব্য মিলনান্তক, মধুসূদনের মহাকাব্য বিষাদাত্মক। সর্বোপরি, মধুসূদনের কাব্যের নায়ক রাবণ এবং রাবণ অনার্য্যবংশ সম্ভূত - সদ্বংশজ এবং ধীরোদাত্তগুণ সমন্বিত নন। সুতরাং, সংস্কৃত আলঙ্কারিকদের মতে একে মহাকাব্য বলে অনেকে স্বীকার করতে চান না। কাজেই মেঘনাদবধ কাব্য রামায়ণ-আহৃত কাহিনীর পুণরাবৃত্তি নয় - এটি নবজাগ্রত বাঙালীর দৃষ্টি নিয়তি-লাঞ্ছিত নবমানবতাবোধের সকরুণ মহাকাব্যের রূপে অপূর্ব গীতি-কাব্য। মেঘনাদবধ কাব্য এ দিক দিয়ে বাংলা কাব্য সাহিত্যে একক সৃষ্টি

মধুসূদন অতি আশ্চর্য্যজনকভাবে নির্মাণ-কুশলতা গুণে মহাকাব্যোচিত কাব্য-বিগ্রহ সৃষ্টি করেছেন। এ কাব্যের তাৎপর্য্য রাবণ-চরিত্রের প্রতীকতায়। তাঁর সৃষ্ট রাবণ চরিত্রে পরম দাম্ভিকতা প্রকট হয়ে উঠেনি। রামায়ণকে তিনি তাঁর মানবতার আলোকে বিধৌত করে যে মহাকাব্য রচনা করেছেন, তা আসলে রোমান্টিক মহাকাব্য। এ কারণে আকারে 'মেঘনাদবধ কাব্য' মহাকাব্যোচিত হলেও, এর প্রাণ-নন্দিনী সম্পূর্ণ রোমান্টিক এবং মধুসূদন এ কাব্যে জীবনের যে জয়গান করেছেন, তা বীররসের নয়, কারুণ্যের। কবি তাই, রবীন্দ্রনাথের ভাষায়,

সমুদ্রতীরের শ্মশানে দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলিয়া কাব্যের উপসংহার করিয়াছেন।

ঋণ- উইকি

সিঁড়ি নির্মাণে সঠিক মাপ নির্ধারণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি শুধু আরামদায়ক চলাচল নিশ্চিত করে না, বরং সুরক্ষা এবং স্থাপত্যগত সৌন্দর্যও বৃদ্ধি করে

 সিঁড়ি নির্মাণে সঠিক মাপ নির্ধারণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি শুধু আরামদায়ক চলাচল নিশ্চিত করে না, বরং সুরক্ষা এবং স্থাপত্যগত সৌন্দর্যও বৃদ্ধি করে


। সিঁড়ির ডিজাইন করতে গেলে ট্রেড (Tread), রাইজার (Riser), এবং অন্যান্য উপাদানের স্ট্যান্ডার্ড মাপ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হবে। নিচে সিঁড়ি ডিজাইন এবং নির্মাণের ক্ষেত্রে স্ট্যান্ডার্ড নির্দেশিকা দেওয়া হলো:


---


১. সিঁড়ির গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো:


1. রাইজার (Riser):


রাইজার হলো সিঁড়ির প্রতিটি ধাপের উল্লম্ব উচ্চতা। এটি মানুষের আরামদায়ক চলাচল নিশ্চিত করে।


স্ট্যান্ডার্ড মাপ:


গৃহস্থালী সিঁড়ি: ৬ ইঞ্চি (১৫০ মিমি) থেকে ৭ ইঞ্চি (১৭৫ মিমি)।


বাণিজ্যিক সিঁড়ি: ৬ ইঞ্চি বা এর কম।


বাহিরের সিঁড়ি: ৫ ইঞ্চি থেকে ৬ ইঞ্চি।


2. ট্রেড (Tread):


ট্রেড হলো সিঁড়ির প্রতিটি ধাপের অনুভূমিক প্রস্থ, যেখানে পা রাখা হয়।


স্ট্যান্ডার্ড মাপ:


গৃহস্থালী সিঁড়ি: ১০ ইঞ্চি (২৫০ মিমি) থেকে ১২ ইঞ্চি (৩০০ মিমি)।


বাণিজ্যিক সিঁড়ি: ১২ ইঞ্চি বা এর বেশি।


বাহিরের সিঁড়ি: ১২ ইঞ্চি থেকে ১৪ ইঞ্চি।


3. নোজিং (Nosing):


এটি ট্রেডের প্রান্তের বাড়তি অংশ, যা সিঁড়ির সৌন্দর্য ও নিরাপত্তা বৃদ্ধি করে।


সাধারণত ০.৫ ইঞ্চি থেকে ১ ইঞ্চি (১৫ থেকে ২৫ মিমি)।


4. সিঁড়ির চওড়াই (Width):


গৃহস্থালী সিঁড়ি: ৩ ফুট (৯০০ মিমি) বা তার বেশি।


বাণিজ্যিক সিঁড়ি: ৪ থেকে ৫ ফুট (১২০০ থেকে ১৫০০ মিমি)।


বহিরঙ্গন সিঁড়ি: ৪ ফুট বা এর বেশি।


---


২. ডিজাইন ফর্মুলা:


স্ট্যান্ডার্ড মাপ নিশ্চিত করতে "২R + T = ২৪ থেকে ২৬ ইঞ্চি" ফর্মুলা অনুসরণ করা হয়।


ফর্মুলার ব্যাখ্যা:


 = রাইজারের উচ্চতা।


 = ট্রেডের প্রস্থ।


ফলাফল: দুই রাইজারের সমষ্টি এবং এক ট্রেডের সমষ্টি ২৪ থেকে ২৬ ইঞ্চির মধ্যে থাকতে হবে।


উদাহরণ:


রাইজার ৭ ইঞ্চি হলে, 


 ইঞ্চি।


রাইজার ৬ ইঞ্চি হলে, 


 ইঞ্চি।


---


৩. বিভিন্ন প্রকার সিঁড়ির জন্য প্রস্তাবিত মাপ:


---


৪. সিঁড়ির ঢাল (Slope):


সিঁড়ির ঢাল বা ইনক্লাইন কোণ ৩০° থেকে ৩৭° এর মধ্যে রাখাই আদর্শ। এটি মানুষের আরামদায়ক চলাচলের জন্য সেরা।


---


৫. সিঁড়ির নিরাপত্তা ও সৌন্দর্য:


1. হ্যান্ড্রেইল (Handrail):


উচ্চতা: ৩৪ থেকে ৩৮ ইঞ্চি (৮৫০ থেকে ১০০০ মিমি)।


হ্যান্ড্রেইল ডিজাইনে সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।


2. হেডরুম (Headroom):


সিঁড়ির উপরের অংশে মাথার জন্য ন্যূনতম ক্লিয়ারেন্স থাকা প্রয়োজন।


স্ট্যান্ডার্ড: ন্যূনতম ৭ ফুট (২১০০ মিমি)।


3. ল্যান্ডিং:


প্রতি ১০-১২ ধাপের পর একটি ল্যান্ডিং প্রয়োজন।


ল্যান্ডিং-এর গভীরতা ট্রেডের দ্বিগুণ বা বেশি হওয়া উচিত।


---


৬. ডিজাইন এবং বাস্তবায়নে টিপস:


1. ড্রয়িং তৈরি:

AutoCAD, Revit, বা SketchUp ব্যবহার করে সঠিক ডাইমেনশনসহ পরিকল্পনা করুন।


2. কোড মেনে চলা:

স্থানীয় বিল্ডিং কোড অনুযায়ী সিঁড়ির মাপ এবং নিরাপত্তা মানদণ্ড নিশ্চিত করুন।


3. উপকরণ নির্বাচন:

কংক্রিট, ইস্পাত, কাঠ, বা অন্যান্য উপকরণ সঠিকভাবে ব্যবহার করুন।


---


উপসংহার:


সিঁড়ি ডিজাইনের সময় ব্যবহারকারীর আরামদায়ক চলাচল, নিরাপত্তা, এবং স্থাপত্যিক নান্দনিকতাকে গুরুত্ব দিতে হবে। উপরোক্ত স্ট্যান্ডার্ড নির্দেশিকা অনুসরণ করলে কার্যকর এবং সুরক্ষিত সিঁড়ি নির্মাণ সম্ভব।


আপনার প্রকল্পের জন্য নির্দিষ্ট কোনো সাহায্য বা বিস্তারিত ডিজাইন প্রয়োজন হলে জানাতে পারেন।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ০৭-০১-২০২৫ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ০৭-০১-২০২৫ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


শিল্প খাতে আরও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে প্রচারাভিযান বৃদ্ধির জন্য বেপজাকে নির্দেশ দিলেন প্রধান উপদেষ্টা।


সুপ্রিম কোর্টের কয়েকজন বিচারপতির বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের জন্য সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলকে নির্দেশ দিলেন রাষ্ট্রপতি।


উন্নত চিকিৎসার জন্য আজ লন্ডন যাচ্ছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।


সাদা পোশাকে কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারবে না গোয়েন্দা পুলিশ -জানালেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।


জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্রের পক্ষে জনমত গঠনের লক্ষ্যে ফরিদপুরে সমাবেশ - বিভাজনের রাজনীতি বাদ দিয়ে তরুণ প্রজন্মের বিপ্লবকে স্বীকৃতি দিতে রাজনীতিবিদদের প্রতি আহ্বান।


গত দেড় দশকে বলপূর্বক গুম ও বিচার বহির্ভূত হত্যার অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত ফ্যাসিবাদী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি।


দলীয় অন্তর্কোন্দলের কারণে পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো।


সিলেটে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে রংপুর রাইডার্স ও ফরচুন বরিশাল নিজ নিজ খেলায় জয়ী।

সেন্টমার্টিনের রিপ কারেন্ট ও বিপদজনক বিচ, যা সম্পর্কে আমাদের সকলের জানা থাকা উচিত।

 সেন্টমার্টিনের রিপ কারেন্ট ও বিপদজনক বিচ, যা সম্পর্কে আমাদের সকলের জানা থাকা উচিত।

বাংলাদেশের একমাত্র নীল পানির দ্বীপ বা সৈকতের জন্য সেন্টমার্টিন জনপ্রিয়। প্রতি বছর হাজার হাজার পর্যটকের পদচারণায় মূখরিত হয় যার পুরো প্রান্তর। অনেক জল্পনা কল্পনার শেষে, এই বছর আবারো শুরু হয়েছে সেন্টমার্টিনের সাথে সকল রুটের জাহাজ চলাচল। কেউ হয়তো প্রথমবার, কেউ হয়তো অসংখ্যবারের মতন আবারো ছুটবেন সেন্টমার্টিনের পথে। কিন্তু কিছু কথা সেন্টমার্টিন নিয়ে অন্তত প্রতি সিজেনের শুরুতে না বললেই হয়তো নয়। সেন্টমার্টিন ভ্রমণ যাতে কারো কাছে বিষাদের বিষয় বস্তুতে পরিনত না হয় তাই সেন্টমার্টিন যাবার পূর্বেই জেনে নেয়া দরকার। 


মনে আছে, কিছুদিন আগে ভাইরাল হওয়া নেটওয়ার্ক এর বাইরে - নাটকের কথা।  কিংবা বহু বছর আগে সেন্টমার্টিনে আহ‌্ছানউল্লাহ ইউনিভার্সিটির ছাত্রদের দুঃখজনক মৃত্যুর কথা। আজ বলবো কিছু কথা সেই বিষয়েই।  


যদি সেন্টমার্টিন এর ম্যাপ দেখেন আর যে প্রান্তে সর্বাধিক মৃত্যু ঘটে তা দেখেন তবে দেখবেন, সেন্টমার্টিনের মাথা বা কোনার দিকের এই ঘটনা বেশি ঘটে। বিস্তারিত ২ নাম্বার ছবিতে। সেন্ট মার্টিন দ্বীপের একটা ছবি যেইটায় একটা কোনার মত অংশ বেরিয়ে আছে।


বাংলাদেশের সাথে পৃথিবীর অন্য সৈকতের মানুষ মারা যাওয়ার একটা পার্থক্য হলো, ভাটার সময় কোন দেশে আপনাকে নামতেই দিবেনা। কিন্তু, বাংলাদেশে অনেক মানুষ, ভাটার সময় পানিতে নেমে ভেসে যায়, এই অজ্ঞানতার কারনে অনেক জীবন বিনষ্ট হচ্ছে। এই জন্যে কক্সবাজার বা কুয়াকাটায় যাওয়ার আগে গুগল করে। জোয়ার ভাটার সময় জেনে যেতে পারেন।


ভাটার সময় মানুষের ভেসে যাওয়া বাদেও আর একটা বিপদজনক ইস্যু আছে। যেটা সম্পর্কে আমাদের সচেতনতা অনেক কম।


একে বলা হয়, রিপ কারেন্ট। সোজা বাংলায় আমরা সুবিধার জন্যে এর নাম দিতে পারি উলটো স্রোত।


সমুদ্র সৈকতে ৮০% মৃত্যু এই রিপ কারেন্ট বা উলটো স্রোতের জন্যে হয়। এমনকি অস্ট্রেলিয়াতেও প্রতি বছর গড়ে ২২ জন মারা যায় রিপ কারেন্টের কারণে।


আমাদের দেশেও সমুদ্র সৈকতে যেই সব মৃত্যু হয়, তার বেশীর ভাগ এই রিপ কারেন্টের জন্যেই হওয়ার কথা। এবং সেন্টমার্টিনের মাথার দিকে যে সরু অংশ তাও রিপ কারেন্টের একটা বৈশিষ্ট্যের সাথে মিলে।


🚩রিপ কারেন্ট বা উলটো স্রোতঃ

এইটা এক ধরনের ঢেউ যা সমুদ্রের তটে ধাক্কা খেয়ে, উলটো দিকে প্রবাহিত হয়। অনেক ক্ষেত্রে, এই ধাক্কা খেয়ে ফিরে যাওয়া ঢেউ বাতাসের কারনে বা প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের কারণে চিকন একটা পথ ধরে, সমুদ্রে ফিরে যেতে পারে। এবং এর ফলে সেই সরু পথে যদি কেউ থাকে তবে ঢেউ তাকে ধাক্কা দিয়ে গভীর সমুদ্রে নিয়ে ফেলতে পারে। এই সরু পথের ঢেউটাকেই বলা হয়, রিপ কারেন্ট বা উলটো স্রোত।


আমি রিপ কারেন্টের কিছু ছবি দিচ্ছি ছবি ৩, ৪,৫


এইটা যে কোন স্থানে হতে পারে। যে কোন সমুদ্রে হতে পারে, কিন্তু কিছু কিছু জায়গায় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের কারনে নিয়মিত রিপ কারেন্ট বা উলটো স্রোত নিয়মিত হতে পারে।


🚩কিভাবে রিপ কারেন্ট বা উলটো স্রোত চিনবেন ?

রিপ কারেন্ট বা উলটো স্রোতের একটা ভয়ঙ্কর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এইটা দেখতে মনে হয় খুব শান্ত। এবং উপর থেকে একে গাঢ় নীল দেখা যায়। অনেক ক্ষেত্রে রিপ কারেন্ট বা উলটো স্রোতের সময়ে দেখবেন কিছু না কিছু ভেসে সাগরের দিকে যাচ্ছে বা আশে পাশের ঢেউ এর মধ্যে ঢেউ এর মাথা দেখা যাচ্ছে না। ছবিগুলো খেয়াল করেন, রিপ কারেন্ট যখন প্রবাহিত হয় তখন সে ফেরার পথে ঢেউয়ের মাথা ভেঙ্গে দেয়।


ফলে সেই স্থানটা বেশী শান্ত দেখায়।


🚩উলটো স্রোতে কিভাবে বাঁচতে হবে ?

যারা সাঁতার জানেন তারা রিপ কারেন্টে পড়লে, উলটো দিকে তীরের দিকে না গিয়ে সৈকতের সমান্তরাল ভাবে উলটো স্রোত থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করতে হবে। কারণ, সাগরের স্রোত যখন টান দিবে তখন শক্তি দিয়ে স্রোতের বিপরীতে ফেরা যাবেনা।


🚩কয় ধরনের রিপ কারেন্ট আছে ?

তিন ধরনের রিপ কারেন্ট আছে। একটা ফিক্সড আর একটা হঠাৎ আর একটা টপোগ্রাফিক যার মধ্যে অন্যতম একটা হচ্ছে হেডল্যান্ড এর কারনে রিপ কারেন্ট। ফিক্সডটা হয় কিছু কিছু এলাকায় যেমন যেইখানে ব্রিজ আছে, যেইখানে কোন গভীর গর্ত আছে। হঠাৎ যেইটা হয়, সেইটা যে কোন জায়গায় বাতাসের কারনে হতে পারে।


🎯সেন্ট মার্টিনের এই অংশটা একটা হেডল্যান্ড বৈশিষ্ট্যের এলাকায় যেইখানে রিপ কারেন্ট ঘন ঘন হবে প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের কারণে। [ছবি ৫]


কারণ বাতাসের কারণে দুই দিকের পানি ধাক্কা দিয়ে এর মাথায় বা তার দুই পাশেই একটা রিপ কারেন্ট তৈরি করতে পারে। এইটা একটা মৃত্যুফাঁদ। এইখানে প্রাকৃতিক অবস্থানের কারণে অনেক বড় বড় চ্যানেল তৈরি হয়েছে যেইগুলো দিয়ে ঘন ঘন উলটো স্রোত বা রিপ কারেন্ট প্রবাহিত হওয়ার চান্স বেশী। যা শান্ত পানি দেখে নামা পর্যটকদের ভাসিয়ে নিয়ে যায়। তাই অবশ্য জেটি ঘাটে নেমেই উত্তরের বিচে ছবিতে চিহ্নিত স্থানে ভুল করেও নামতে যাবেন না। যদিও সেন্টমার্টিন এর পানিতে নামার জন্য সব থেকে আকর্ষণীয় বিচ উত্তর বিচ। কিন্তু উত্তর-পূর্বের এই অংশেই আছে ভয়ংকর রিপ কারেন্ট। সেন্ট মার্টিনের এলাকাবাসি জানে এই এলাকায় সাঁতার কাটতে নাই। তাই সামনে কাউকে দেখলে এরা মানা করে। কিন্তু সেইটা সবার জানার সুযোগ হয় না। এই ভাবেই সামান্য অসাবধানতার কারণে অনেক পর্যটক মারা যায়।


সেন্টমার্টিনের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের কারণে হেডল্যান্ড ধরনের টপোগ্রাফিক রিপ কারেন্ট কিন্ত নিয়মিত একটা বৈশিষ্ট্য। এই স্থানে যদি একটা মৃত্যুও ঘটে আমরা তাকে দুর্ঘটনায় বলতে পারিনা। এইগুলো হয় আত্নহত্যা নয়তো হত্যার পর্যায় পড়ে। কারন আমাদের সকলের উচিত এসকল স্থান সম্পর্কে জানা ও অন্যকে জানানো। যাতে না জানার জন্য আর কোন মৃত্যু না হয়।


বলে রাখা ভালো রিপ কারেন্ট পৃথিবীর সব সৈকতে হয় এবং এই জন্যে সতর্কতা নিতে হয়। রিপ কারেন্টের ভয়ে সমুদ্রযাত্রা বন্ধ করার দরকার নাই। কিন্তু সতর্কতা গুলো নিতে হবে।


দেশবাসী ট্যুরে যান, ট্রেকিং এ যান। যেখানে মন চায় যান, যেভাবে মন চায় যান। কিন্তু প্রকৃতি ও পরিবেশের ক্ষতি হয় এমন কিছুই করবেন না প্লিজ।


 লেখা ও ছবি সংগৃহীত

সোমবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৫

যৌবন আবদ্ধ নয় দু পায়ের ফাঁকে,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 যৌবন আবদ্ধ নয় দু পায়ের ফাঁকে 


হ্যাঁ । ঠিকই ভাবছেন । শিরোনাম পড়ে যা ভাবছেন আমি ঠিক সেটাই বলতে চেয়েছি । জীবন মানে একটা বড় অংশ জুড়ে যৌবন যার একটা বড় অংশ জুড়ে যৌনতা । আর যৌনতা মানেই যারা ভাবেন intercourse আর অবশ্যই virginity আছে না নেই সেই নিয়ে ছুঁতমার্গ তাহলে যৌনতার লাস্ট লেভেলটুকুই আপনি জানেন, যৌনতা সম্পর্কে কিসসু বোঝেন না । শুধু পানু দেখে বিকৃত কিছু ভাবনা নিয়ে চলেন আর বাথরুমের মেঝে, বিছানার চাদর আর অবশ্যই অন্তর্বাসকে অহেতুক কষ্ট দেন ।


যা লিখব সেটা কড়া ডোজের । অসুবিধে হলে এখনই পড়া বন্ধ করুন । তথাকথিত শালীনতা রাখার দায় শিল্পীর নয় আর তথাকথিত অশালীনতা থেকে বিরত থাকার সাবধানবাণী না দেওয়া সচেতন মানুষের কাজ নয় । তাই এরপর যা যা পড়বেন নিজের দায়িত্বে পড়বেন । 


যাই হোক, প্রথমে আসি যৌনতা নিয়ে । যৌনতার বীজ লুকিয়ে যৌনচেতনায় । একটা স্নিগ্ধ শিরশিরানি অনুভূতি যা মানুষকে সজীব করে তোলে, সেটাই যৌনচেতনা । প্রেমিকার শ্যাম্পু করা সদ্যস্নাত চুলের গন্ধ, লিপস্টিকের সিন্থেটিক স্বাদ, নরম বুকের ছোঁয়া, খোলা চামড়ার অংশ, চোখের দৃষ্টি, সর্বাঙ্গ ঢাকা টাইট জিন্স আর সোয়েটশার্ট ----- কিংবা প্রেমিকের বুকের লোম, গালের দাড়ি, ভাসা ভাসা চোখ, টানটান ঊরু, মুগ্ধ করা কন্ঠস্বর ------- আর অবশ্যই দুজনের সিগারেট খাওয়া নেশাতুর ঠোঁট, চা বা মদের আসরে উচ্চ পর্যায়ের ভাবনা ও রসবোধ ------ এগুলো এক অনির্বচনীয় অনুভূতির জন্ম দেয় যা মন জড়িয়ে শরীরের আকরে গিয়ে ধাক্কা দেয় অবিরত । তারপর কাছে আসা, ছোঁয়া, স্পর্শ, চুমু খাওয়া, জড়িয়ে ধরা আর সবশেষে যৌনমিলন । নগ্ন চামড়ায় যখন নগ্ন চামড়া ছুঁয়ে যায় তখন গায়ে কাঁটা দেওয়া এক অব্যক্ত অনুভূতি জন্ম নেয় । এখানেই অন্যান্য প্রাণীর সাথে মানুষের তফাৎ ।


বুঝলেন না ? তাহলে জেনে রাখুন, আপনি কোনোদিনই কিছুই বুঝবেন না । আর পড়ে সময় নষ্ট করবেন না । এখনই আমায় "আঁতেলচো*" খিস্তি দিয়ে অন্য কিছুতে মন দিন । কারণ এরপর যেটা বলব সেটা চোখ কান মাথা গরম করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট ।


ব্যাপার হল Virginity  । এই ন'টি অক্ষর দিয়ে তৈরি শব্দটা আপনার বিকৃতির প্রধান কান্ডারি । আসলে এক বিকৃত chauvinism এর মূলে । আদিম যুগ থেকেই পুরুষ নারীকে ভোগ করে এসেছে আর সেটাকেই অধিকার মনে করে এসেছে । তাই সব ধর্মগ্রন্থেই মেয়েদের ছোট করে দেখানো হয়েছে, সামাজিক সব নিষেধাজ্ঞা কেবল মেয়েদের বেলায় । ফলে আজকের প্রজন্ম যতই নিজেদের liberal বলুক, যতই The Second Sex পড়ুক, যতই লজিক নিয়ে তর্ক করুক - আজো জীনে ঘাপটি মেরে থাকা বিকৃতি মাথা চাড়া দেবেই । মজার ব্যাপার হল পুরুষ প্রথমে নারীর ওপর চাপিয়ে দেয় আর তারপর নারীই কান্ডারি হয়ে পুরুষের চেয়েও বেশি পুরুষতান্ত্রিক হয়ে ওঠে । পুরুষতান্ত্রিক একটি লিঙ্গভেদের অবস্থা নয়, একটি মানসিক অবস্থা যা লিঙ্গভেদের ঊর্ধ্বে চলে যায় ।


Hymen Layer কত কারণেই বিক্ষত হতে পারে, অথবা স্বেচ্ছায় কোনো সাবালক নারী পুরুষ রতিক্রিয়ায় লিপ্ত হবে যা অত্যন্ত স্বাভাবিক --- তারপর সোনার আংটি বাঁকা হলেও ওই দু আঙুল ফাঁক ঠিক করে দেয় একটি মেয়ের চরিত্র কেমন । Defloration আর Virginity নিয়ে গা ঘিনঘিন করতে থাকা অজস্র জোকস্ ছোট থেকে আমরা শুনে এসেছি, আমরা দেখেছি খিস্তিতে সবসময় মেয়েদেরই টার্গেট করা হয় --- তারপরেও আমরা লজিকের কথা বলি, মানবিকতার কথা বলি, শিক্ষার কথা বলি । ফুলশয্যায় সাদা চাদর পেতে রাখার জঘন্য প্রথা আজো এ দেশে চলে !


সবচেয়ে বড় কথা, প্রাক্তন শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে মেয়েদের অপরাধবোধ । আর পুরুষের চিরকালীন "আমার জিনিস অন্যের সামনে ল্যাংটো হল" জাতীয় sexual jealousy আর বিকৃত chauvinism চিরকাল প্রবল । Tess Of D'Urbervilles উপন্যাসে টমাস হার্ডি এই বিষয়টি নিয়ে ভিক্টোরিয়ান হিপোক্রেসি ছিঁড়ে কুটিকুটি করে দিয়েছেন । শেক্সপীয়ার আরো আড়াইশো বছর আগে করেছেন Othello- তে । নাবোকভ লিখলেন Lolita, জয়েস লিখলেন Ulysses, লরেন্স লিখলেন Lady Chatterley's Lover, বদলেয়র জীবন দিলেন - তবু সমাজ কুপমন্ডুক হয়ে দু পায়ের ফাঁকেই আটকে গেল । ফলে কোনো ন্যুড মডেল, কোনো ব্লু ফিল্মের নায়িকা, কোনো স্বাধীন নারী, কোনো শরীরোপজীবনী --- কারো চরিত্র আত্মসম্মান বা সম্মতি থাকতে নেই ! 


আর কি আশ্চর্য - এই চিহ্নিতকরণ করে মেয়েরাই । কখনও মা হিসেবে, কখনও স্ত্রী হিসেবে, কখনো শিক্ষিকা হিসেবে, কখনো ভদ্রঘরের গৃহিণী হিসেবে, কখনো ধর্মপ্রাণ নারী হিসেবে ---- বারবার । বিকৃত ধর্ষক পশু যে সব পুরুষ তাদের প্রত্যেককে তৈরি করার পেছনে নারীর অবদান অনস্বীকার্য । 


আসলে মেয়েদের অপরাধ তারা biologically weaker sex, তাদের রতিজীবনের চিহ্ন থাকে, পুরুষের থাকে না । ফলে পুরুষের চরিত্র চিরকাল অটুট থাকে । বলে রাখি, আজকাল যে মেয়েরা ভিক্টিম কার্ড খেলে পুরুষবিদ্বেষ প্রচার করে তাদের মানুষ বলেই মনে করছিনা তাই নারী ভাবার তো প্রশ্নই নেই কোনো । 


জীবন যৌবন আর যৌনতা একটা বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের মতই বিশাল, সেটাকে দু পায়ের ফাঁকে বেঁধে ফেললে হবে ? 


ভাবুন ভাবুন, ভাবা প্র্যাকটিস করুন । একজন virginity খুইয়ে আসা মেয়ের সত্যিকারের ভালোবাসা ফিরিয়ে দেবেন শুধু আপনি তার জীবনে প্রথম পুরুষ নন বলে ? নাকি আপনার বংশে বউ হওয়ার একমাত্র যোগ্যতা virginity ? 


শুধুই শরীর ? দু ইঞ্চি গভীরতা ? এত সহজে একজন মানুষের বিচার করা যায় ? 


কি বলবেন ? 


✍️NEMO

রসুনের সঠিক পরিচর্যা করার নিয়মঃ,,,,

 রসুনের সঠিক পরিচর্যা করার নিয়মঃ


👉১. রসুন বীজ রোপণের ১৫ দিনে প্রথম স্প্রে রোভরাল ১ গ্রাম+ রিডোমিল গোল্ড ২ গ্রাম প্রতি লিটার পানির জন্য।


👉২. ১০ দিন পরে ক্যাব্রিওটপ ১ মিলি প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে সমস্ত গাছ ভিজিয়ে স্প্রে করে দিবেন।


👉৩. ডিএপি সার (২০ গ্রাম ১০০ লিটার পানি)  মিশিয়ে ৭ দিন পর পর স্প্রে করতে দিবেন।


👉৪. রসুনের বয়স ৪০ দিন হওয়ার পরও যদি গাছ চিকন দূর্বল হয়,পাতার আগা শুকিয়ে সাদা বা হালকা হলুদ হয় তাহলে ‘উপশম' ২ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করে দিবেন।


👉৫. বিনা চাষে রসুনের ক্ষেত্রে যদি গাছের বৃদ্ধি স্বাভাবিক না হয় বা গাছ দুর্বল হয়ে থাকে গোড়া পঁচা রোগ দেখা দেয় এবং গোড়ায় সাদা সাদা ক্ষুদ্রাকৃতির পোকা দেখা দেয় তাহলে ২.৫, ইসি কীটনাশক ১ মিলি প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করে দিবেন।

 

👉কৃষি বিষয়ক প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করুন অথবা আমাদের সাথেই থাকুন। 

@topfans Md Biplob Hossain The natural beauty

রাসেল স্যারের মেসেজ ০৬/০১/২০২৫

 সবার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে কোম্পানি যে গাড়িগুলোতে মাল ডেলিভারি হয় যদি কোন প্রকার মাল কম পান তাহলে সাথে সাথে গাড়ি আটকায় রাখবেন রেখে আমাদেরকে ফোন দিবেন। গাড়ি ছাড়ার পর কোন কমপ্লেন গ্রহণযোগ্য না।

আর যারা ফ্যাক্টরি থেকে মাল নেন তারা ওখান থেকে গুনে দেখে বুঝে নিয়ে আসবেন কোন সমস্যা হলে ওখান থেকেই সমাধান করে তারপর গাড়ি ফ্যাক্টরি থেকে বের করবেন ফ্যাক্টরি থেকে বের হওয়ার পর কোন কমপ্লেন গ্রহণযোগ্য না

দুইটা বিষয় সকলে খুব ভালো করে মাথায় রাখবেন নেক্সট টাইমে এই বিষয় নিয়ে আর কোন কথা হবে না।

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...