এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৫

দাদা পায়ে পড়িরে, মেলা থেকে বউ এনেদে"  বিখ্যাত এই লোকগীতি গানের স্রষ্টা ।ঝাড়গ্রামের ভূমিপুত্র আংশুমান রায় ছিলেন একজন জনপ্রিয় ভারতীয় বাঙালি সঙ্গীতশিল্পী, যিনি অসামান্য প্রতিভায় প্রায় তিন দশক ধরে বাংলা গানের জগতকে লোকসঙ্গীতে মাতিয়ে রেখেছিলেন

 "দাদা পায়ে পড়িরে, মেলা থেকে বউ এনেদে" 

বিখ্যাত এই লোকগীতি গানের স্রষ্টা ।ঝাড়গ্রামের ভূমিপুত্র আংশুমান রায় ছিলেন একজন জনপ্রিয় ভারতীয় বাঙালি সঙ্গীতশিল্পী, যিনি অসামান্য প্রতিভায় প্রায় তিন দশক ধরে বাংলা গানের জগতকে লোকসঙ্গীতে মাতিয়ে রেখেছিলেন।


  ১৯শে আগস্ট১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দে অবিভক্ত বাংলার ঝাড়গ্রাম জেলার বাছুরডোবাতে অংশুমান রায়ের জন্ম। পিতা রামপদ রায় ও মাতা বিভাবতী রায়। ছোটবেলা থেকেই সঙ্গীতের প্রতি তার প্রবল আগ্রহ ছিল। তার প্রথম সঙ্গীত শিক্ষা বড়দা শঙ্কর রায়ের কাছে। রাগ প্রধান সঙ্গীত ও ঠুমরীর তালিম নেন প্রতিবেশী এক কাকার (পিতার এক বন্ধু) কছে। গানের পাশাপাশি তবলা,বেহালা বাঁশি ও মাদল বাজানো শেখেন।অংশুমান ঝাড়গ্রামের কুমুদ কুমারী ইনস্টিটিউশন থেকে বিদ্যালয়ের পাঠ শেষে ঝাড়গ্রাম রাজ কলেজে পড়াশোনা করেন। এর পরে পাঁচের দশকে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ঝুমুর, ভাদু, টুসু ছাড়াও রাঢ় বাংলার লোকসঙ্গীত নিয়ে গবেষণা শুরু করেন এবং গবেষণার জন্য দীর্ঘদিন পুরুলিয়ার অযোধ্যা, বাঘমুন্ডি, পঞ্চকুটের পাহাড়ি অঞ্চলের অধিবাসীদের সঙ্গে বসবাস করেন। তাই তাঁর গানে রাঢ় বাংলার লোকগীতির কথা, সুর ও বাদ্যযন্ত্রের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। কলকাতায় এসে আধুনিক গানের চর্চা করেন প্রবীর মজুমদারের কাছে এবং বাংলা লঘু সঙ্গীতের শিক্ষা নেন পণ্ডিত জ্ঞানপ্রকাশ ঘোষের কাছে।


তার কণ্ঠ গীত জনপ্রিয় গানের কয়েকটি হল


ভাদর আশিন মাসে ভ্রমর বসে কাঁচা বাঁশে।

সাঁঝে ফোটে ঝিঙা ফুল সকালে মলিন গো।

দাদা পায়ে পড়ি রে মেলা থেকে বৌ এনে দে 

আমার বঁধু মান করেছে 

আর না থাকিয়ো বাপের ঘরেতে।

বলি ও খোকার মা।

আমার বেটার বিয়া দিব সময় হয়েছে।

হায় হায় সাত পাকে বাঁধা পড়ো না।

নেপথ্য সঙ্গীতশিল্পী হিসাবে বাংলা ।চলচ্চিত্রের জন্য কণ্ঠদান করেছেন তিনি। কয়েকটি ছায়াছবি হল-


বাবা তারকনাথ (১৯৭৭)

চারমূর্তি (১৯৭৮)

করুণাময়ী (১৯৭৮)

দক্ষযক্ষ (১৯৮০)

বাতাসী (১৯৮০) ইত্যাদি।


সম্মান প্রাপ্তি,


১৯৭৮ খ্রিস্টাব্দে চারমূর্তি ছায়াছবিতে নেপথ্যে "ঘোচাং ফু, খাবো তোকে" গানটি গেয়ে সেরা পুরুষ গায়কের পুরস্কার লাভ করেন।

১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার রচিত শোন একটি মুজিবের থেকে লক্ষ মুজিবের কণ্ঠস্বরের ধ্বনি-প্রতিধ্বনি.... বাংলাদেশ আমার বাংলাদেশ গানটি নিজের সুরে গেয়ে জনপ্রিয়তা লাভ করেন। বাংলাদেশ সরকার ২০১২ খ্রিস্টাব্দের ২৭ মার্চ তাকে দেশের শ্রেষ্ঠ সম্মান মরণোত্তর রাষ্ট্রীয় সম্মান, মরণোত্তর মুক্তিযোদ্ধা সম্মান বঙ্গবন্ধু স্বর্ণপদক প্রদান করে।


পারিবারিক জীবন ও জীবনাবসান


অংশুমান রায় কমলা ব্যানার্জীকে বিবাহ করেন। তাদের দুই পুত্র- সঙ্গীতশিল্পী ভাস্কর রায়, গিটার বাদক অন্তর রায় ও এক কন্যা মিতা গুহ রায়। স্ত্রী কমলা রায়ের মৃত্যুর দেড়মাস পর,কোলকাতার নিজ বাসভবনে অংশুমান ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দের ২২ এপ্রিল প্রয়াত হন।

From KABYA RAY-VLOGS

সার্জিকাল স্ট্রাইক

 ~*সার্জিকাল স্ট্রাইক*~


👔💼অফিস থেকে বাড়ি ফিরে সুবিমল বুঝলো পকেটে আই ফোনটা নেই। সেটা যে খোয়া গেছে সেটা বুঝলো আরো ⏱১৫ মিনিট পর যখন তন্ন তন্ন করে বাড়ি খোঁজার শেষে রিং করে দেখলো মোবাইল সুইচ অফ। 

বিরস বদনে সুবিমল একটা সিগারেট ধরালো।  


🚬প্রাণের চেয়ে প্রিয় তার ফোন। আজ বাড়িটা বড়ো ফাঁকা লাগছে। প্রিয়জন বিয়োগের যন্ত্রনায় সে যখন কাতর তখন তার কাঁধে হাত রাখলো তার ছোট্ট মেয়ে তিথি। বাবার দুঃখ ভোলাবার জন্য তার আবদার আজ বাইরে ডিনার করতে হবে।  সুবিমল নিজেও দেখলো তার একটু মনটাকে অন্য দিকে ঘোরানো দরকার আর তাই মেয়ে তিথি আর বৌ মিতাকে নিয়ে সে বেরিয়ে পড়লো। 


🐎প্রথমে ময়দানে ঘোড়া গাড়ি। 🍦তারপর আউট্রাম ঘাটে আইস ক্রিম, 🍝🍱সব শেষে পার্ক স্ট্রিটে ডিনার। 

👨‍👩‍👧ভরে গেলো সুবিমলের মনটা। শেষ কবে এতো আনন্দ করেছে সবাইকে নিয়ে সে ভুলেই গেছিলো। ফোন নেই।  ইন্টারনেট নেই। যেটা আছে সেটা হলো সে আর তার পরিবারের জন্য অফুরন্ত সময়।  


👫বাড়ি ফিরে তিথি ঘুমিয়ে পড়লে মিতাকে নিয়ে ছাদে গেলো সুবিমল। 🌛এমন জোছনা শেষ কবে দেখেছে.? মনে করতে পারলোনা সে। ☄হাতে হাত রেখে আকাশে সপ্তর্ষির দিকে তাকিয়ে মনে হলো এই জীবনকে সে কতই না অবহেলা করেছে। মুচকি হেসে সে বললো, "ভাবছি আর ফোন কিনবোনা। এই বেশ".! মিতা হেসে বললো "সে  তুমি পারবেনা। তার চেয়ে আজ যে রাত তুমি আমায় উপহার দিয়েছো সেটা আমার কাছে সঞ্চয় হয়ে থাকবে।"


🎁-"তাহলে আমায় রিটার্ন গিফট দাও" মজা করে সুবিমল। 


🧚🏻‍♀-"নিশ্চই" - বললো মিতা "চোখ বুজে হাত পাতো" 


💁🏻‍♂বাধ্য ছেলের মতো তাই করে সুবিমল। সে অনুভব করে তার হাতে কিছু একটা দেয়া হয়েছে। 


👀মিতা বললো "এবার চোখ খোলো"

চমকে ওঠে সুবিমল.! আরে এতো তার আই ফোন 

- "কোথায় পেলে এটা.?" উত্তেজনায় চিৎকার করে ওঠে সে...

🧝🏻‍♀শান্ত গলায় মিতা বললো, "যখন ঝুঁকে জুতো খুলছিলে তখন পকেট মেরেছি। একবার ভাবলাম সতীনটাকে দি সাবাড় করে। তারপর ভাবলাম নাঃ, আজ রাতটুকুই ওর থেকে আমি একটু কেড়ে নি। হ্যাঁ গো। রাগ করোনিতো.? সরি। কান ধরছি.!"


😅হেসে ফেললো সুবিমল। সেও বুঝেছে আজ রাতে সে কি পেয়েছে। 

মিতাকে বললো, "পকেটমারকে বিয়ে করেছি তাহলে.?"


🚀মিতা হেসে বললো, "পকেটমারিও বলতে পারো বা সার্জিকাল স্ট্রাইক-ও বলতে পারো। তোমার টেরিটোরিতে ঢুকে অশান্তির উৎসটাকে সরিয়ে ফেললাম.!"


💑দুজনেই হেসে উঠলো।  


📱আই ফোনে আলো জ্বলে উঠলো...!!!


_টোয়েন্টি ওয়ান আনরিড emails...!_


_*[Dedicated to All Mobile Users. Plz Spend Your Valuable Time With Your Family.]*_


কালেক্টেড পোস্ট

শ্রীরাধা বন্দ্যোপাধ্যায়। একজন প্রতিভাবান ভারতীয় বাঙালি গায়িকা। গতকাল ১ জানুয়ারি পেরিয়ে এলাম শিল্পীর জন্মদিন।

 🌺  শ্রদ্ধা ও প্রণাম 🙏🏼

তাঁর সংগীতজীবনের শুরুটা হয়েছিল পরিবারের থেকেই। বাবা সুন্দর নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় আর মা প্রতিমা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকেই তিনি প্রথম সঙ্গীতের পাঠ নেন। দুই বোন রূপরেখা ও রাজশ্রীও সঙ্গীতজগতে নিজেদের প্রতিভার পরিচয় দিয়েছেন।


শ্রীরাধা বন্দ্যোপাধ্যায়। একজন প্রতিভাবান ভারতীয় বাঙালি গায়িকা। গতকাল ১ জানুয়ারি পেরিয়ে এলাম শিল্পীর জন্মদিন।


রবীন্দ্রসঙ্গীত মানেই হৃদয়ের গভীরে এক আলাদা সুরের মেলবন্ধন, আর সেই সুরের মাঝেই নিজের জাদু ছড়িয়ে দিয়েছেন শ্রীরাধা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গের এক সঙ্গীতপ্রেমী পরিবারে বেড়ে ওঠা এই গায়িকা কেবলমাত্র রবীন্দ্রসঙ্গীতেই সীমাবদ্ধ থাকেননি, বরং চলচ্চিত্রের গান থেকে শুরু করে বিভিন্ন সঙ্গীত অ্যালবামেও রেখেছেন নিজের বিশেষ ছাপ।


শ্রীরাধার সুরের ভাণ্ডারে রয়েছে একের পর এক মনোমুগ্ধকর অ্যালবাম— আগমনীর আঙিনায় (২০০১) থেকে শুরু করে এক সমুদ্র ভালোবাসা (২০২২) পর্যন্ত। তাঁর গাওয়া অ্যালবামগুলির মধ্যে যেমন রয়েছে টুপুর টুপুর নূপুরের মিষ্টি সুর, তেমনি রয়েছে হৃদয়ের গভীরে পৌঁছে দেওয়া 'আমার হিয়ার মাঝে'-এর আবেগ। শুধু অ্যালবাম নয়, 'মহামিলন', 'পথে যেতে যেতে', কিংবা 'কাল মধুমাস'-এর মতো সিনেমাতেও শ্রীরাধার কণ্ঠস্বর মুগ্ধ করেছে শ্রোতাদের।


তাঁর প্রতিভার স্বীকৃতি এসেছে বহু পুরস্কারের মাধ্যমে। ১৯৯৬ সালে তিনি 'বউমণি' সিনেমার জন্য বিএফজেএ পুরস্কার পান। আবার ২০১৭ সালে মিরচি মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস-এ 'আমি তো বুঝিনি ঠিক' গানের জন্য সেরা নারী কণ্ঠশিল্পীর শিরোপা জিতেছেন। ২০১৮ সালে তিনি বঙ্গভূষণ পুরস্কার লাভ করেন, যা তাঁর দীর্ঘ সংগীতজীবনের এক উজ্জ্বল স্বীকৃতি।


শ্রীরাধা বন্দ্যোপাধ্যায় শুধুই একজন গায়িকা নন, তিনি বাঙালির হৃদয়ে এক সুরের রানি। তাঁর কণ্ঠে রবি ঠাকুরের গান যেন এক নতুন জীবন পায়। আর এই সুরের যাত্রা আজও থেমে নেই, বরং সময়ের সাথে আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে।


তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া।

বিশ্বাসঘাতকতা সবাই করতে পারে না। যারা করে, তারা অত্যন্ত চতুর, ঠাণ্ডা মাথার মানুষ। তাদের দেখলে মনে হবে যেন আসমান থেকে নেমে আসা এক ফেরেশতা। 

 বিশ্বাসঘাতকতা সবাই করতে পারে না। যারা করে, তারা অত্যন্ত চতুর, ঠাণ্ডা মাথার মানুষ। তাদের দেখলে মনে হবে যেন আসমান থেকে নেমে আসা এক ফেরেশতা। 


তারা এমনভাবে নিজেকে উপস্থাপন করবে, যেন আপনি ভাববেন, "একজন মানুষ এত ভালো কীভাবে হতে পারে?" তাদের আচরণে এমন মাধুর্য থাকবে যে, আপনি চাইলেও তাদের প্রতি আকৃষ্ট না হয়ে পারবেন না। আপনি হয়তো ভুল করে তাদের ভালোবাসতেও বাধ্য হবেন।


কিন্তু, এই ভালো মানুষের মুখোশটা আসলে একটা সাজানো ফাঁদ। আপনি যতই তাদের প্রতি বিশ্বাস এবং ভালোবাসা দেখাবেন,

ততটাই তাদের জালে আটকে যাবেন। যখন সেই ফাঁদে পুরোপুরি আটকে যাবেন, তখনই তাদের আসল রূপ আপনার সামনে উন্মোচিত হবে।


ততদিনে, আপনি তাদের প্রতি এমনভাবে আসক্ত হয়ে যাবেন যে, তারা যা-ই করুক, আপনার কিছুই করার থাকবে না।

 তারা আপনাকে জীবনের খেলায় ফুটবলের মতো ব্যবহার করবে, আর তারা হবে সেই খেলার মেসি। আপনি একসময় টের পাবেন, 

এই খেলায় আপনি একমাত্র বল নন; আরও অনেক বল রয়েছে তাদের জন্য।


একটা সময়ে তাদের অবহেলার বিষে আপনার মন বিষণ্ণ হয়ে পড়বে। ভেতরে ভেতরে আপনি পুড়তে থাকবেন অদৃশ্য এক আগুনে। 

যখন আপনি সেই ঝলসানো হৃদয় নিয়ে তাদের কাছে যাবেন সামান্য সহানুভূতি বা ভালোবাসার জন্য, তখনই তারা আপনাকে চূড়ান্ত আঘাত দিয়ে সম্পর্কের ইতি টেনে চলে যাবে।


তাদের বিদায়ের পর আপনি বুঝতে পারবেন, এই পৃথিবীতে কেউ আসলে কারও হয় না। 

সবাই স্বার্থের জন্য কাছে আসে, স্বার্থ ফুরিয়ে গেলে তারা চলে যায়।

সেই মুহূর্তে আপনি শিখবেন, নিজের মূল্য নিজেকেই দিতে হয়; অন্ধবিশ্বাস বা অযাচিত ভালোবাসা শুধুই কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।।

©️

ভীষণ প্রিয় জুটি মৌসুমী-ইলিয়াস কাঞ্চন-এর  দ্বৈত লিপে তুমুল জনপ্রিয় ১০টি গান।।।।।

 ভীষণ প্রিয় জুটি মৌসুমী-ইলিয়াস কাঞ্চন-এর

 দ্বৈত লিপে তুমুল জনপ্রিয় ১০টি গান।।।।।


১. সবার জীবনে প্রেম আসে 

শিল্পী: এন্ড্রু কিশোর-রিজিয়া পারভীন 

সিনেমা: ভাংচুর (১৯৯৫)

পরিচালক: সিদ্দিক জামাল নান্টু 

গীতিকার: মনিরুজ্জামান মনির 

সুরকার: আলম খান 

২. তোমার পথে তুমি যাও 

শিল্পী: কুমার শানু-বেবী নাজনীন 

সিনেমা: শেষ রক্ষা (১৯৯৫)

পরিচালক: শওকত জামিল 

গীতিকার: মনিরুজ্জামান মনির 

সুরকার: আলাউদ্দীন আলী 

৩. এ জীবন তোমাকে দিলাম 

সিনেমা: আত্মত্যাগ (১৯৯৬)

শিল্পী: কুমার শানু-মিতালী মুখার্জি 

 পরিচালক: সৈয়দ হারুন 

গীতিকার: মোহাম্মদ রফিকুজ্জামান 

সুরকার: আলাউদ্দীন আলী 

৪. আমার জীবন তুমি

শিল্পী: এন্ড্রু কিশোর- কনক চাঁপা 

সিনেমা: অন্ধ ভালোবাসা (১৯৯৭)

পরিচালক: মনতাজুর রহমান আকবর 

গীতিকার: আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল 

সুরকার: আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল 

৫. যে জীবনে তুমি ছিলে না

শিল্পী: এন্ড্রু কিশোর-কনক চাঁপা 

সিনেমা: সুখের ঘরে দুঃখের আগুন (১৯৯৭)

পরিচালক: মুশফিকুর রহমান গুলজার 

গীতিকার: মোহাম্মদ রফিকুজ্জামান ও আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল 

সুরকার: আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল 

৬. মনে রেখ পৃথিবী আমাদের প্রেম ভালবাসা 

শিল্পী: খালিদ হাসান মিলু- কনক চাঁপা 

সিনেমা: মনে রেখ পৃথিবী (২০০০)

পরিচালক: বজলুল রশীদ চৌধুরী 

গীতিকার: বজলুল রশীদ চৌধুরী 

 সুরকার: আবু তাহের 

৭. প্রথমও প্রেমের ছোঁয়া লেগেছে এ মনে

শিল্পী: সাবিনা ইয়াসমিন-এস ডি রুবেল 

সিনেমা: ভন্ড প্রেমিক (১৯৯৯)

পরিচালক: নজমুল হুদা মিন্টু 

গীতিকার: গাজী মাজহারুল আনোয়ার 

সুরকার: আলী হোসেন 

৮. চলতে চলতে পথ শেষ হয়

শিল্পী: এন্ড্রু কিশোর-রুনা লায়লা 

সিনেমা: গোলাগুলি (১৯৯৭)

পরিচালক: সিদ্দিক জামাল নান্টু 

গীতিকার: মনিরুজ্জামান মনির ও গাজী মাজহারুল আনোয়ার 

সুরকার: আলম খান 

৯. আমার মন এত পাগল যে 

শিল্পী: কুমার শানু-অলকা ইয়াগনিক 

সিনেমা: স্বজন (১৯৯৬)

পরিচালক: সোহানুর রহমান সোহান 

গীতিকার: পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়

সুরকার: নাদিম শ্রাবণ 

১০. আমার অন্তরে শুধু তুমি যে

শিল্পী: খালিদ হাসান মিলু-কনক চাঁপা 

সিনেমা: অন্ধ ভালোবাসা (১৯৯৭)

পরিচালক: মনতাজুর রহমান আকবর 

গীতিকার ও সুরকার: আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল 


★ Queen Express নিবেদিত

কোথাও একবার পড়েছিলাম, সৈয়দ মুজতবা আলীকে কোনো এক আসরে মদ খেতে দেখে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেছিলেন—আপনি যে মদ খাচ্ছেন, এটা দেখে তরুণ সমাজ কী শিখবে

 কোথাও একবার পড়েছিলাম, সৈয়দ মুজতবা আলীকে কোনো এক আসরে মদ খেতে দেখে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেছিলেন—আপনি যে মদ খাচ্ছেন, এটা দেখে তরুণ সমাজ কী শিখবে


?


উত্তরে সৈয়দ মুজতবা আলী মদের গ্লাসে চুমুক দিয়ে বলেছিলেন, 'তোমার তরুণ সমাজকে বলে দিও—মদ খাওয়ার আগে আমি পৃথিবীর ২৩ টি ভাষা রপ্ত করেছি।'


উনাকে নিয়ে আরেক মজার ঘটনা আছে!


সৈয়দ মুজতবা আলী তখন বেশ বিখ্যাত লেখক। প্রতিদিনই তাঁর দর্শন লাভ করতে ভক্তরা বাসায় এসে হাজির হয়। একদিন এক ভক্ত মুজতবা আলীর কাছে জানতে চাইলেন, তিনি কোন বই কী অবস্থায় লিখেছেন। মুজতবা আলী যতই এড়িয়ে যেতে চান, ততই তিনি নাছোড়বান্দা। শেষে মুজতবা আলী সরাসরি উত্তর না দিয়ে বললেন, 'দেখো, সুইস মনস্তত্ত্ববিদ কার্ল গুসতাফ জাং একদা তাঁর ডায়েরিতে লিখে রেখেছিলেন, কিছু লোক আমাকে জিজ্ঞেস করে, আমি কীভাবে লিখি। এ ব্যাপারে আমাকে একটা কথা বলতেই হয়, কেউ চাইলে তাকে আমরা আমাদের সন্তানগুলো দেখাতে পারি, কিন্তু সন্তানগুলো উৎপাদনের পদ্ধতি দেখাতে পারি না।'


এমনই হাস্যরসে পরিপূর্ণ ছিল এই মানুষটি। 


তাঁর লেখা 'দেশে বিদেশে' পড়েছি পাঁচ পাঁচবার! কাবুল-কান্দাহারে হারিয়েছি প্রতিবার। ভ্রমণ কাহিনী কতটা আনন্দদায়ক হতে পারে তা এ বই না পড়লে বুঝতে পারতাম না।


(সংগৃহীত)

মেঘনাদবধ কাব্য -বাঙালি কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত কর্তৃক অমিত্রাক্ষর ছন্দে লেখা একটি মহাকাব্য। এটি ৪ জানুয়ারী ১৮৬১ সালে দুই খণ্ডে বই আকারে প্রকাশিত হয়। কাব্যটি মোট নয়টি সর্গে বিভক্ত। মেঘনাদবধ কাব্য হিন্দু মহাকাব্য রামায়ণ অবলম্বনে রচিত, যদিও এর মধ্যে নানা বিদেশী মহাকাব্যের ছাপও সুস্পষ্ট। 

 মেঘনাদবধ কাব্য -বাঙালি কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত কর্তৃক অমিত্রাক্ষর ছন্দে লেখা একটি মহাকাব্য। এটি ৪ জানুয়ারী ১৮৬১ সালে দুই খণ্ডে বই আকারে প্রকাশিত হয়। কাব্যটি মোট নয়টি সর্গে বিভক্ত। মেঘনাদবধ কাব্য হিন্দু মহাকাব্য রামায়ণ অবলম্বনে রচিত, যদিও এর মধ্যে নানা বিদেশী মহাকাব্যের ছাপও সুস্পষ্ট। 


মধুসূদন ১৮৬১ খৃস্টাব্দে এ কাব্যটি রচনা করেন। কাব্যটি দুটি খন্ডে বিভক্ত। প্রথম খন্ড (১-৫ সর্গ) ১৮৬১ সালের জানুয়ারি মাসে, আর দ্বিতীয় খন্ড (৬-৯ সর্গ) ঐ বছরেই রচনা করেন।

গ্রিক রীতিতে হিন্দু পূরাণের কাহিনী অবলম্বন করে এই কাব্যটি রচিত। এর মূল উপজীব্য রামায়ণ। মধুসূদনের মেঘনাদ বধ কাব্য সর্বাংশে আর্য রামায়নকে অনুসরণ করে রচনা করেননি। প্রতিটি চরিত্রের উপর বাল্মীকির থেকে ইংবেঙ্গলের প্রভাব অনেক বেশী৷ ‘মেঘনাদ বধ’ কাব্যের লঙ্কা কাণ্ডের স্থান লঙ্কা দ্বীপের পরিবর্তে হল হিন্দু কলেজ, ভাষাতেও আধুনিকতার প্রচ্ছাপ৷ কবি মিলটন বিরচিত প্যারাডাইয লস্ট-এর রচনারীতির অনুগামীতা এতে পরিস্ফুট। প্রথম সর্গ "অভিষেক"-এ মোট ৭৮৫ টি চরণ আছে। 

এটি অমিত্রাক্ষর ছন্দ বা 'ফ্রি ভার্সে' রচিত। অমিত্রাক্ষরে প্রথম রচনা করেন তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য(১৮৬০)। এরপর ‌‌মেঘনাদ বধ কাব্য(১৮৬১) রচনা করেন অমিত্রাক্ষর ছন্দে। নিচের উদ্ধৃতি থেকে এ কাব্যের ছন্দ-প্রকৃতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে। এ অংশটি ষষ্ঠ সর্গের অংশ বিশেষ এবং ‌‌‌মেঘনাদ ও বিভীষণ নামে পরিচিত।

"এতক্ষণে" --অরিন্দম কহিলা বিষাদে

"জানিনু কেমনে আসি লক্ষণ পশিল

রক্ষঃপুরে ! হায়, তাত, উচিত কি তব

একাজ, নিকষা সতী তোমার জননী,

সহোদর রক্ষশ্রেষ্ঠ ? --শূলী-শম্ভূনিভ

কুম্ভকর্ণ ? ভ্রাতৃপুত্র বাসব বিজয়ী ?

নিজগৃহপথ, তাত, দেখাও তস্করে ?

চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে ?

কিন্তু নাহি গঞ্জি তোমা, গুরুজন তুমি

পিতৃতুল্য। ছাড় দ্বার, যাব অস্ত্রাগারে,

পাঠাইব রামানুজে শমন-ভবনে,

লঙ্কার কলঙ্ক আজি ভঞ্জিব আহবে 

মেঘনাদবধ কাব্য সংস্কৃত অলঙ্কারশাস্ত্র অনুযায়ী মহাকাব্যের গৌরব সর্বাংশে দাবী করতে পারে না। অবশ্য মধুসূদন দত্ত তিনি তাঁর কাব্যকে অষ্টাধিক সর্গে বিভক্ত করেছেন এবং সংস্কৃত অলঙ্কারশাস্ত্র অনুযায়ী এতে নগর, বন, উপবন, শৈল, সমুদ্র, প্রভাত, সন্ধ্যা, যুদ্ধ, মন্ত্রণা প্রভৃতির সমাবেশও করিয়াছেন। কিন্তু সর্গান্তে তিনি নূতন ছন্দ ব্যবহার করেননি, সর্গশেষে পরবর্তী সর্গকথা আভাসিত করেননি। যদিও তিনি বলেছিলেন -

গাইব মা বীররসে ভাসি মহাগীত 

তবুও কাব্যে করুণ রসেরই জয় হয়েছে। এতদ্ব্যতীত, সংস্কৃত মহাকাব্য মিলনান্তক, মধুসূদনের মহাকাব্য বিষাদাত্মক। সর্বোপরি, মধুসূদনের কাব্যের নায়ক রাবণ এবং রাবণ অনার্য্যবংশ সম্ভূত - সদ্বংশজ এবং ধীরোদাত্তগুণ সমন্বিত নন। সুতরাং, সংস্কৃত আলঙ্কারিকদের মতে একে মহাকাব্য বলে অনেকে স্বীকার করতে চান না। কাজেই মেঘনাদবধ কাব্য রামায়ণ-আহৃত কাহিনীর পুণরাবৃত্তি নয় - এটি নবজাগ্রত বাঙালীর দৃষ্টি নিয়তি-লাঞ্ছিত নবমানবতাবোধের সকরুণ মহাকাব্যের রূপে অপূর্ব গীতি-কাব্য। মেঘনাদবধ কাব্য এ দিক দিয়ে বাংলা কাব্য সাহিত্যে একক সৃষ্টি

মধুসূদন অতি আশ্চর্য্যজনকভাবে নির্মাণ-কুশলতা গুণে মহাকাব্যোচিত কাব্য-বিগ্রহ সৃষ্টি করেছেন। এ কাব্যের তাৎপর্য্য রাবণ-চরিত্রের প্রতীকতায়। তাঁর সৃষ্ট রাবণ চরিত্রে পরম দাম্ভিকতা প্রকট হয়ে উঠেনি। রামায়ণকে তিনি তাঁর মানবতার আলোকে বিধৌত করে যে মহাকাব্য রচনা করেছেন, তা আসলে রোমান্টিক মহাকাব্য। এ কারণে আকারে 'মেঘনাদবধ কাব্য' মহাকাব্যোচিত হলেও, এর প্রাণ-নন্দিনী সম্পূর্ণ রোমান্টিক এবং মধুসূদন এ কাব্যে জীবনের যে জয়গান করেছেন, তা বীররসের নয়, কারুণ্যের। কবি তাই, রবীন্দ্রনাথের ভাষায়,

সমুদ্রতীরের শ্মশানে দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলিয়া কাব্যের উপসংহার করিয়াছেন।

ঋণ- উইকি

সিঁড়ি নির্মাণে সঠিক মাপ নির্ধারণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি শুধু আরামদায়ক চলাচল নিশ্চিত করে না, বরং সুরক্ষা এবং স্থাপত্যগত সৌন্দর্যও বৃদ্ধি করে

 সিঁড়ি নির্মাণে সঠিক মাপ নির্ধারণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি শুধু আরামদায়ক চলাচল নিশ্চিত করে না, বরং সুরক্ষা এবং স্থাপত্যগত সৌন্দর্যও বৃদ্ধি করে


। সিঁড়ির ডিজাইন করতে গেলে ট্রেড (Tread), রাইজার (Riser), এবং অন্যান্য উপাদানের স্ট্যান্ডার্ড মাপ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হবে। নিচে সিঁড়ি ডিজাইন এবং নির্মাণের ক্ষেত্রে স্ট্যান্ডার্ড নির্দেশিকা দেওয়া হলো:


---


১. সিঁড়ির গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো:


1. রাইজার (Riser):


রাইজার হলো সিঁড়ির প্রতিটি ধাপের উল্লম্ব উচ্চতা। এটি মানুষের আরামদায়ক চলাচল নিশ্চিত করে।


স্ট্যান্ডার্ড মাপ:


গৃহস্থালী সিঁড়ি: ৬ ইঞ্চি (১৫০ মিমি) থেকে ৭ ইঞ্চি (১৭৫ মিমি)।


বাণিজ্যিক সিঁড়ি: ৬ ইঞ্চি বা এর কম।


বাহিরের সিঁড়ি: ৫ ইঞ্চি থেকে ৬ ইঞ্চি।


2. ট্রেড (Tread):


ট্রেড হলো সিঁড়ির প্রতিটি ধাপের অনুভূমিক প্রস্থ, যেখানে পা রাখা হয়।


স্ট্যান্ডার্ড মাপ:


গৃহস্থালী সিঁড়ি: ১০ ইঞ্চি (২৫০ মিমি) থেকে ১২ ইঞ্চি (৩০০ মিমি)।


বাণিজ্যিক সিঁড়ি: ১২ ইঞ্চি বা এর বেশি।


বাহিরের সিঁড়ি: ১২ ইঞ্চি থেকে ১৪ ইঞ্চি।


3. নোজিং (Nosing):


এটি ট্রেডের প্রান্তের বাড়তি অংশ, যা সিঁড়ির সৌন্দর্য ও নিরাপত্তা বৃদ্ধি করে।


সাধারণত ০.৫ ইঞ্চি থেকে ১ ইঞ্চি (১৫ থেকে ২৫ মিমি)।


4. সিঁড়ির চওড়াই (Width):


গৃহস্থালী সিঁড়ি: ৩ ফুট (৯০০ মিমি) বা তার বেশি।


বাণিজ্যিক সিঁড়ি: ৪ থেকে ৫ ফুট (১২০০ থেকে ১৫০০ মিমি)।


বহিরঙ্গন সিঁড়ি: ৪ ফুট বা এর বেশি।


---


২. ডিজাইন ফর্মুলা:


স্ট্যান্ডার্ড মাপ নিশ্চিত করতে "২R + T = ২৪ থেকে ২৬ ইঞ্চি" ফর্মুলা অনুসরণ করা হয়।


ফর্মুলার ব্যাখ্যা:


 = রাইজারের উচ্চতা।


 = ট্রেডের প্রস্থ।


ফলাফল: দুই রাইজারের সমষ্টি এবং এক ট্রেডের সমষ্টি ২৪ থেকে ২৬ ইঞ্চির মধ্যে থাকতে হবে।


উদাহরণ:


রাইজার ৭ ইঞ্চি হলে, 


 ইঞ্চি।


রাইজার ৬ ইঞ্চি হলে, 


 ইঞ্চি।


---


৩. বিভিন্ন প্রকার সিঁড়ির জন্য প্রস্তাবিত মাপ:


---


৪. সিঁড়ির ঢাল (Slope):


সিঁড়ির ঢাল বা ইনক্লাইন কোণ ৩০° থেকে ৩৭° এর মধ্যে রাখাই আদর্শ। এটি মানুষের আরামদায়ক চলাচলের জন্য সেরা।


---


৫. সিঁড়ির নিরাপত্তা ও সৌন্দর্য:


1. হ্যান্ড্রেইল (Handrail):


উচ্চতা: ৩৪ থেকে ৩৮ ইঞ্চি (৮৫০ থেকে ১০০০ মিমি)।


হ্যান্ড্রেইল ডিজাইনে সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।


2. হেডরুম (Headroom):


সিঁড়ির উপরের অংশে মাথার জন্য ন্যূনতম ক্লিয়ারেন্স থাকা প্রয়োজন।


স্ট্যান্ডার্ড: ন্যূনতম ৭ ফুট (২১০০ মিমি)।


3. ল্যান্ডিং:


প্রতি ১০-১২ ধাপের পর একটি ল্যান্ডিং প্রয়োজন।


ল্যান্ডিং-এর গভীরতা ট্রেডের দ্বিগুণ বা বেশি হওয়া উচিত।


---


৬. ডিজাইন এবং বাস্তবায়নে টিপস:


1. ড্রয়িং তৈরি:

AutoCAD, Revit, বা SketchUp ব্যবহার করে সঠিক ডাইমেনশনসহ পরিকল্পনা করুন।


2. কোড মেনে চলা:

স্থানীয় বিল্ডিং কোড অনুযায়ী সিঁড়ির মাপ এবং নিরাপত্তা মানদণ্ড নিশ্চিত করুন।


3. উপকরণ নির্বাচন:

কংক্রিট, ইস্পাত, কাঠ, বা অন্যান্য উপকরণ সঠিকভাবে ব্যবহার করুন।


---


উপসংহার:


সিঁড়ি ডিজাইনের সময় ব্যবহারকারীর আরামদায়ক চলাচল, নিরাপত্তা, এবং স্থাপত্যিক নান্দনিকতাকে গুরুত্ব দিতে হবে। উপরোক্ত স্ট্যান্ডার্ড নির্দেশিকা অনুসরণ করলে কার্যকর এবং সুরক্ষিত সিঁড়ি নির্মাণ সম্ভব।


আপনার প্রকল্পের জন্য নির্দিষ্ট কোনো সাহায্য বা বিস্তারিত ডিজাইন প্রয়োজন হলে জানাতে পারেন।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ০৭-০১-২০২৫ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ০৭-০১-২০২৫ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


শিল্প খাতে আরও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে প্রচারাভিযান বৃদ্ধির জন্য বেপজাকে নির্দেশ দিলেন প্রধান উপদেষ্টা।


সুপ্রিম কোর্টের কয়েকজন বিচারপতির বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের জন্য সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলকে নির্দেশ দিলেন রাষ্ট্রপতি।


উন্নত চিকিৎসার জন্য আজ লন্ডন যাচ্ছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।


সাদা পোশাকে কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারবে না গোয়েন্দা পুলিশ -জানালেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।


জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্রের পক্ষে জনমত গঠনের লক্ষ্যে ফরিদপুরে সমাবেশ - বিভাজনের রাজনীতি বাদ দিয়ে তরুণ প্রজন্মের বিপ্লবকে স্বীকৃতি দিতে রাজনীতিবিদদের প্রতি আহ্বান।


গত দেড় দশকে বলপূর্বক গুম ও বিচার বহির্ভূত হত্যার অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত ফ্যাসিবাদী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি।


দলীয় অন্তর্কোন্দলের কারণে পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো।


সিলেটে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে রংপুর রাইডার্স ও ফরচুন বরিশাল নিজ নিজ খেলায় জয়ী।

সেন্টমার্টিনের রিপ কারেন্ট ও বিপদজনক বিচ, যা সম্পর্কে আমাদের সকলের জানা থাকা উচিত।

 সেন্টমার্টিনের রিপ কারেন্ট ও বিপদজনক বিচ, যা সম্পর্কে আমাদের সকলের জানা থাকা উচিত।

বাংলাদেশের একমাত্র নীল পানির দ্বীপ বা সৈকতের জন্য সেন্টমার্টিন জনপ্রিয়। প্রতি বছর হাজার হাজার পর্যটকের পদচারণায় মূখরিত হয় যার পুরো প্রান্তর। অনেক জল্পনা কল্পনার শেষে, এই বছর আবারো শুরু হয়েছে সেন্টমার্টিনের সাথে সকল রুটের জাহাজ চলাচল। কেউ হয়তো প্রথমবার, কেউ হয়তো অসংখ্যবারের মতন আবারো ছুটবেন সেন্টমার্টিনের পথে। কিন্তু কিছু কথা সেন্টমার্টিন নিয়ে অন্তত প্রতি সিজেনের শুরুতে না বললেই হয়তো নয়। সেন্টমার্টিন ভ্রমণ যাতে কারো কাছে বিষাদের বিষয় বস্তুতে পরিনত না হয় তাই সেন্টমার্টিন যাবার পূর্বেই জেনে নেয়া দরকার। 


মনে আছে, কিছুদিন আগে ভাইরাল হওয়া নেটওয়ার্ক এর বাইরে - নাটকের কথা।  কিংবা বহু বছর আগে সেন্টমার্টিনে আহ‌্ছানউল্লাহ ইউনিভার্সিটির ছাত্রদের দুঃখজনক মৃত্যুর কথা। আজ বলবো কিছু কথা সেই বিষয়েই।  


যদি সেন্টমার্টিন এর ম্যাপ দেখেন আর যে প্রান্তে সর্বাধিক মৃত্যু ঘটে তা দেখেন তবে দেখবেন, সেন্টমার্টিনের মাথা বা কোনার দিকের এই ঘটনা বেশি ঘটে। বিস্তারিত ২ নাম্বার ছবিতে। সেন্ট মার্টিন দ্বীপের একটা ছবি যেইটায় একটা কোনার মত অংশ বেরিয়ে আছে।


বাংলাদেশের সাথে পৃথিবীর অন্য সৈকতের মানুষ মারা যাওয়ার একটা পার্থক্য হলো, ভাটার সময় কোন দেশে আপনাকে নামতেই দিবেনা। কিন্তু, বাংলাদেশে অনেক মানুষ, ভাটার সময় পানিতে নেমে ভেসে যায়, এই অজ্ঞানতার কারনে অনেক জীবন বিনষ্ট হচ্ছে। এই জন্যে কক্সবাজার বা কুয়াকাটায় যাওয়ার আগে গুগল করে। জোয়ার ভাটার সময় জেনে যেতে পারেন।


ভাটার সময় মানুষের ভেসে যাওয়া বাদেও আর একটা বিপদজনক ইস্যু আছে। যেটা সম্পর্কে আমাদের সচেতনতা অনেক কম।


একে বলা হয়, রিপ কারেন্ট। সোজা বাংলায় আমরা সুবিধার জন্যে এর নাম দিতে পারি উলটো স্রোত।


সমুদ্র সৈকতে ৮০% মৃত্যু এই রিপ কারেন্ট বা উলটো স্রোতের জন্যে হয়। এমনকি অস্ট্রেলিয়াতেও প্রতি বছর গড়ে ২২ জন মারা যায় রিপ কারেন্টের কারণে।


আমাদের দেশেও সমুদ্র সৈকতে যেই সব মৃত্যু হয়, তার বেশীর ভাগ এই রিপ কারেন্টের জন্যেই হওয়ার কথা। এবং সেন্টমার্টিনের মাথার দিকে যে সরু অংশ তাও রিপ কারেন্টের একটা বৈশিষ্ট্যের সাথে মিলে।


🚩রিপ কারেন্ট বা উলটো স্রোতঃ

এইটা এক ধরনের ঢেউ যা সমুদ্রের তটে ধাক্কা খেয়ে, উলটো দিকে প্রবাহিত হয়। অনেক ক্ষেত্রে, এই ধাক্কা খেয়ে ফিরে যাওয়া ঢেউ বাতাসের কারনে বা প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের কারণে চিকন একটা পথ ধরে, সমুদ্রে ফিরে যেতে পারে। এবং এর ফলে সেই সরু পথে যদি কেউ থাকে তবে ঢেউ তাকে ধাক্কা দিয়ে গভীর সমুদ্রে নিয়ে ফেলতে পারে। এই সরু পথের ঢেউটাকেই বলা হয়, রিপ কারেন্ট বা উলটো স্রোত।


আমি রিপ কারেন্টের কিছু ছবি দিচ্ছি ছবি ৩, ৪,৫


এইটা যে কোন স্থানে হতে পারে। যে কোন সমুদ্রে হতে পারে, কিন্তু কিছু কিছু জায়গায় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের কারনে নিয়মিত রিপ কারেন্ট বা উলটো স্রোত নিয়মিত হতে পারে।


🚩কিভাবে রিপ কারেন্ট বা উলটো স্রোত চিনবেন ?

রিপ কারেন্ট বা উলটো স্রোতের একটা ভয়ঙ্কর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এইটা দেখতে মনে হয় খুব শান্ত। এবং উপর থেকে একে গাঢ় নীল দেখা যায়। অনেক ক্ষেত্রে রিপ কারেন্ট বা উলটো স্রোতের সময়ে দেখবেন কিছু না কিছু ভেসে সাগরের দিকে যাচ্ছে বা আশে পাশের ঢেউ এর মধ্যে ঢেউ এর মাথা দেখা যাচ্ছে না। ছবিগুলো খেয়াল করেন, রিপ কারেন্ট যখন প্রবাহিত হয় তখন সে ফেরার পথে ঢেউয়ের মাথা ভেঙ্গে দেয়।


ফলে সেই স্থানটা বেশী শান্ত দেখায়।


🚩উলটো স্রোতে কিভাবে বাঁচতে হবে ?

যারা সাঁতার জানেন তারা রিপ কারেন্টে পড়লে, উলটো দিকে তীরের দিকে না গিয়ে সৈকতের সমান্তরাল ভাবে উলটো স্রোত থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করতে হবে। কারণ, সাগরের স্রোত যখন টান দিবে তখন শক্তি দিয়ে স্রোতের বিপরীতে ফেরা যাবেনা।


🚩কয় ধরনের রিপ কারেন্ট আছে ?

তিন ধরনের রিপ কারেন্ট আছে। একটা ফিক্সড আর একটা হঠাৎ আর একটা টপোগ্রাফিক যার মধ্যে অন্যতম একটা হচ্ছে হেডল্যান্ড এর কারনে রিপ কারেন্ট। ফিক্সডটা হয় কিছু কিছু এলাকায় যেমন যেইখানে ব্রিজ আছে, যেইখানে কোন গভীর গর্ত আছে। হঠাৎ যেইটা হয়, সেইটা যে কোন জায়গায় বাতাসের কারনে হতে পারে।


🎯সেন্ট মার্টিনের এই অংশটা একটা হেডল্যান্ড বৈশিষ্ট্যের এলাকায় যেইখানে রিপ কারেন্ট ঘন ঘন হবে প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের কারণে। [ছবি ৫]


কারণ বাতাসের কারণে দুই দিকের পানি ধাক্কা দিয়ে এর মাথায় বা তার দুই পাশেই একটা রিপ কারেন্ট তৈরি করতে পারে। এইটা একটা মৃত্যুফাঁদ। এইখানে প্রাকৃতিক অবস্থানের কারণে অনেক বড় বড় চ্যানেল তৈরি হয়েছে যেইগুলো দিয়ে ঘন ঘন উলটো স্রোত বা রিপ কারেন্ট প্রবাহিত হওয়ার চান্স বেশী। যা শান্ত পানি দেখে নামা পর্যটকদের ভাসিয়ে নিয়ে যায়। তাই অবশ্য জেটি ঘাটে নেমেই উত্তরের বিচে ছবিতে চিহ্নিত স্থানে ভুল করেও নামতে যাবেন না। যদিও সেন্টমার্টিন এর পানিতে নামার জন্য সব থেকে আকর্ষণীয় বিচ উত্তর বিচ। কিন্তু উত্তর-পূর্বের এই অংশেই আছে ভয়ংকর রিপ কারেন্ট। সেন্ট মার্টিনের এলাকাবাসি জানে এই এলাকায় সাঁতার কাটতে নাই। তাই সামনে কাউকে দেখলে এরা মানা করে। কিন্তু সেইটা সবার জানার সুযোগ হয় না। এই ভাবেই সামান্য অসাবধানতার কারণে অনেক পর্যটক মারা যায়।


সেন্টমার্টিনের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের কারণে হেডল্যান্ড ধরনের টপোগ্রাফিক রিপ কারেন্ট কিন্ত নিয়মিত একটা বৈশিষ্ট্য। এই স্থানে যদি একটা মৃত্যুও ঘটে আমরা তাকে দুর্ঘটনায় বলতে পারিনা। এইগুলো হয় আত্নহত্যা নয়তো হত্যার পর্যায় পড়ে। কারন আমাদের সকলের উচিত এসকল স্থান সম্পর্কে জানা ও অন্যকে জানানো। যাতে না জানার জন্য আর কোন মৃত্যু না হয়।


বলে রাখা ভালো রিপ কারেন্ট পৃথিবীর সব সৈকতে হয় এবং এই জন্যে সতর্কতা নিতে হয়। রিপ কারেন্টের ভয়ে সমুদ্রযাত্রা বন্ধ করার দরকার নাই। কিন্তু সতর্কতা গুলো নিতে হবে।


দেশবাসী ট্যুরে যান, ট্রেকিং এ যান। যেখানে মন চায় যান, যেভাবে মন চায় যান। কিন্তু প্রকৃতি ও পরিবেশের ক্ষতি হয় এমন কিছুই করবেন না প্লিজ।


 লেখা ও ছবি সংগৃহীত

ন্যানো-স্কেলে কোয়ান্টাম সুপারপজিশন: সোডিয়াম কণার 'একই সঙ্গে দুই জায়গায়' থাকার নতুন প্রমাণ,,,মুস্তাকীম ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ন্যানো-স্কেলে কোয়ান্টাম সুপারপজিশন: সোডিয়াম কণার 'একই সঙ্গে দুই জায়গায়' থাকার নতুন প্রমাণ ~ কোয়ান্টাম জগতের সবচেয়ে বিস্ময়কর ধার...