এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৫

বীম কাকে বলে? কত প্রকার ও কী কী?

 বীমঃ

* বীম কাকে বলে? কত প্রকার ও কী কী?

উ: বীম এক প্রকার আনুভূমিক কাঠামো, যা এক বা একাধিক খুটি,কলাম,পিলার,দেওয়াল ইত্যাদি উপর অবস্থান করে এবং এর আরোপিত লোডকে সাপোর্ট এ স্থানান্তরিত করে।


বীম ৫ প্রকার।যথা-

i)সাধারণভাবে স্থাপিত বীম

ii)ক্যান্টিলিভার বীম

iii)ঝুলন্ত বীম

iv)আবদ্ধ বীম

v)ধারাবাহিক বীম


#সাধারণভাবে_স্থাপিত_বীম(Simply Supported beam):যে সকল বীমের উভয় প্রান্ত মুক্ত অবস্থায় সাপোর্টের উপর অবস্থান করে লোড বহন করে তাকে সাধারণভাবে স্থাপিত বীম(Simply Supported beam)বলে।


#ক্যান্টিলিভার_বীম(Cantilever beam):যে সকল বীমের একপ্রান্ত দৃঢ় ভাবে আবদ্ধ এবং অন্য প্রান্ত মুক্ত অবস্থায় থেকে লোড বহন করে তাকে ক্যান্টিলিভার বীম(Cantilever beam)বলে।


#ঝুলন্ত_বীম(Over hanging beam):যে সকল বীমের এক প্রান্ত বা উভয় প্রান্তই সাপোর্টের বাহিরে বাড়ানো অবস্থায় লোড বহন করে।তাকে ঝুলন্ত বীম(Over hanging beam)বলে।


#আবদ্ধ_বীম(Fixed beam):যে সকল বীমের উভয় প্রান্তই সাপোর্টের সাথে দৃঢ়ভাবে আবদ্ধ থাকা অবস্থায় লোড বহন করে তাকে আবদ্ধ বীম(Fixed beam)বলে।


#ধারাবাহিক_বীম(Continuous beam):যেসকল বীম একাধিক সাপোর্টের উপর অবস্থান করে এর উপর আরোপিত লোড বহন করে থাকে ধারাবাহিক বীম(Continuous beam)বলে।


২.বীমে কী কী ধরননের লোড কাজ করে?

উ: ৩ ধরনের লোড কাজ করে।যথা-

i)কেন্দ্রিভূত লোড

ii)সমভাবে বিস্তৃত লোড

iii)অসমভাবে বিস্তৃত লোড


৩.বীমের উপর কী কী লোড ক্রিয়া করে?

উ: বীমের উপর ৩ ধরনের লোড ক্রিয়া করে।যথা-

i)নিশ্চল ভর

ii)সচল ভর

iii)পারিপার্শ্বিক ভর


৪.বীম কি ধরনের ফোর্স ফেল করে?

উ: টেনশন ফোর্স।


৫. বীমে স্টিরাপ কেন ব্যবহার করা হয়?

উত্তর: শিয়ার ফোর্স প্রতিরোধে এবং ডায়াগোনাল টেনশনকে চেক দেওয়ার জন্য ।


৬.বীমের চাপ এলাকা (Compression zone) ও টান এলাকা (Tension zone)কাকে বলে?

উ: বীমের নিরপেক্ষ অক্ষ থেকে সর্ব উপরি তল পর্যন্ত এলাকা কে চাপ এলাকা বা Compression zone বলে।


নিরপেক্ষ অক্ষ থেকে সর্বনিম্ন তল পর্যন্ত এলাকাকে টান এলাকা বা Tension zone বলে।


৭.স্টিরাপ প্রয়োগ করেও কখন বীমে ব্যর্থ রোধ করা যায় না?

উ:কোন R.C.C বীমে সৃষ্ট শিয়ার পীড়নের মান কংক্রিট ও স্টীলের অনুমোদনযোগ্য শিয়ার পীড়নের মানের চেয়ে বেশি হলে।


৮.লোডের কারনে R.C.C বীম কিভাবে ব্যর্থ হতে পারে?

উ:৩ ভাবে ব্যর্থ হতে পারে।যথা-

i)প্রসারণ স্টীলে ব্যর্থ

ii)সংকোচন কংক্রিটে ব্যর্থ

iii)প্রসারন স্টিল ও সংকোচন কংক্রিট একই সাথে ব্যর্থ


৯.ক্যান্টিলিভার বীমের প্রধান রড কোথায় ব্যবহার করা হয়?

উ: মোমেন্টের মান সবসময় ঋণাত্মক হয় বলে প্রধান রড বিমের উপরিভাগে দেয়া হয়।


১০.টি-বীম কাকে বলে?

উ: বীম এবং স্ল্যাব একত্রে ঢালাই করলে এবং বীম ও স্ল্যাব সম্মিলিত অংশ দেখতে T এর মত হয়,একে টি-বীম বলে।


১১.বীমে সর্বনিম্ন কভারিং কত ধরা হয়?

উ: ১.৫"।


১২. বীম তদন্ত কেন করা হয়?

উ: বীমের প্রকৃত পীড়নদ্বয় অর্থাৎ fc ও fs এর মান নির্নয় করে বীম আরোপিত লোডে নিরাপদ কিনা যাচাই করার জন্য বীম তদন্ত করা হয়।


১৩. বীমে ব্যবহৃত রডের ক্র‍্যাংক করার পদ্ধতিটা কি?

উ: সাধারণভাবে স্থাপিত উভয় প্রান্তে সাপোর্ট থেকে L/7 দুরত্বে এবং আংশিক অবিচ্ছিন্ন বীমের অবিচ্ছিন্ন প্রান্তে এবং ধারাবাহিক বীমের উভয় প্রান্তে সাপোর্ট থেকে L/5 দুরত্বে ক্র‍্যাংক করা হয়।


১৪.বীমের শাটারিং এ খাড়া দিক ও তলার ঠেকনা কতদিন পর খোলা হয়?

উ: খাড়া দিক ১-২ দিন পর এবং ঠেকনা ৭ দিন পর।


১৫.বীমের আর সি সি কাজে কী হারে রড ব্যবহার করা হয়?

উ: ১%-২% হারে।


১৬.বীমে বা স্ল্যাবে ক্র‍্যাংক বার কেন ব্যবহার করা হয়?

উ : ঋণাত্মক বেন্ডিং মোমেন্ট ও সাপোর্টের কাছাকাছি সর্বাধিক শিয়ার ফোর্সকে প্রতিরোধের জন্য ।


১৭.ঢালাই এর আগে কি কি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে?

উ: ঢালাইয়ের আগে ফর্মওয়ার্ক, রডের সঠিক অবস্থান,স্পেসিংঅর্থাৎ ড্রইং মোতাবেক হয়েছে কিনা,ক্লিয়ার কভার চেক, বেশি উচু থেকে কংক্রিট না ঢালা,বৃষ্টির দিন হলে পলিথিনের ব্যবস্থা রাখা,ভালোভাবে ভাইব্রেটর করা,সর্বোপরি ঢালাই পর্যন্ত সাথে থাকা।


১৮.বীমে বা স্ল্যাবের এক্সটা টপ কেন ব্যবহার করা হয়?

উত্তর :লোডের তীব্রতা হ্রাস করার জন্য ।


১৯.কনসিল বীম কি ?


উত্তর : কনসীল বীম এর অন্য একটি নাম হলো হিডেন বীম। স্ল্যাবের সমান পুরুত্বের বীমকে কনসীল বীম বলা হয়ে থাকে।


#বিস্তারিত :

মুলত ফ্লাট স্ল্যাবে কলাম বরাবর যেভাবে স্ট্রীপ চিন্তা করে অতিরিক্ত রিইনফোর্সমেন্ট দেয়া হয়, এমন চিন্তা থেকেই এই কনসীল বীমের ধারণা এসেছে। তবে ইঞ্জিনিয়ারিং এ এই কনসীল বীম হিসাবে আসলে তেমন কিছু নেই।


200 মিমি এর নিচের পুরত্বের কোন ছাদে এই জাতীয় বীম ব্যবহার করা উচিত না। তবে সবসময়ই এই কনসীল বীম পরিহার করে চলা উচিত।


যদি করতেও হয় তাহলে শুধু বীম নয়, পুরো স্ল্যাব সহ মডেলটি এনালাইসিস করতে হবে।


কনসীল বীমের জন্য কলামের পাঞ্চিং শেয়ার অবশ্যই চেক করে নিতে হবে।

ইকড়ি মিকড়ি চাম-চিকড়ি, চামের কাঁটা মজুমদার,

 “ইকড়ি মিকড়ি চাম-চিকড়ি,

চামের কাঁটা মজুমদার,

ধেয়ে এল দামোদর।

দামোদরের হাঁড়ি-কুঁড়ি,

দাওয়ায় বসে চাল কাঁড়ি।

চাল কাঁড়তে হল বেলা,

ভাত খাওগে দুপুরবেলা।

ভাতে পড়ল মাছি,

কোদাল দিয়ে চাঁছি।

কোদাল হল ভোঁতা,

খা কামারের মাথা।”


ছোটবেলায় আমরা অনেকেই এই ছড়াটি পড়েছি। কিন্তু কখনো কি ভেবেছি নান্দনিক ছন্দের এই ছড়াটির অর্থ কি? এই ছড়া কোন ইতিহাস বয়ে বেড়ায় কিনা?


এই প্রশ্ন করলে হয়তো এই উত্তরই আসবে যে শিশুদের নির্ভেজাল আনন্দের জন্য এই ছড়ার রচনা হয়েছে। কিন্তু সত্যটা বেশ করুণ। আদতে আনন্দের ছিঁটেফোঁটাও নেই এই ছড়ায়, শিশুদের জন্য তো না বটেই।


মূলত এই ছড়ায় ছড়াকার অসাধারণ দক্ষতার সাথে চিরন্তন বাংলার সাধারণ মানুষের দুঃসহ আর্থ-সামাজিক অবস্থা তুলে ধরেছেন। চলুন এবার ছড়াটির প্রতিটি শব্দ ও পংক্তি ধরে বিশ্লেষণ করে দেখি।


'ইকড়ি' অর্থ সংসার পরিপালনের জন্য সারাদিন খেটেখুটে কঠোর পরিশ্রম করা। কিন্তু তাতেও যখন সংসার চলে না, তখন প্রয়োজন হয় 'মিকড়ি', অর্থাৎ আরও কিছু অতিরিক্ত উপার্জনের চেষ্টা করা। 'চাম' অর্থ রুজি-রোজগারের এলাকা। আর 'চিকড়ি' অর্থ সেই রোজগারের এলাকায় ঘুরে ঘুরে কিছু (অর্থ বা ফসল) উপার্জন করে তা ঘরে নিয়ে আসা।


কিন্তু সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় এই "চামের কাঁটা মজুমদার"। 'মজুমদার' মূলত এক প্রকার রাজকর্মচারীর পদবী যার কাজ ছিল খাজনা বা রাজস্ব আদায় ও হিসেব রাখা। আর তাই অনেক সময় খাজনা আদায়ের নামে দরিদ্র খেটে খাওয়া মানুষের সর্বস্ব কেড়ে নিয়ে যেত বলে তাকে পথের কাঁটা বলা হয়েছে।


আর অতঃপর "ধেয়ে এল দামোদর"। এই 'দামোদর' হলো মূলত ফড়ে-পাইকারের দল, যারা সাধারণ কৃষকের উৎপাদিত ফসল অথবা কুমারের বানানো তৈজসপত্র স্বল্প দামে কিনে নিয়ে বাজারে চড়া দামে বিক্রি করতো।


কিন্তু এই দামোদর শুধু এসেই ক্ষান্ত হয় না। এখানে বলা হয়েছে "দামোদরের হাঁড়ি-কুঁড়ি"। এর অর্থ হলো, তারা যখন আসে তখন সাথে করে হাঁড়ি কুঁড়ি নিয়ে আসে। অর্থাৎ খেটে খাওয়া মানুষের উৎপাদিত সব দ্রব্য সাথে করে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে আসে।


এরপর বলা হয়েছে "দাওয়ায় বসে চাল কাঁড়ি", অর্থাৎ মজুমদার আর ফড়ে পাইকারের থেকে লুকিয়ে যেটুকু চাল বাঁচানো গিয়েছে, এবার সেটা দিয়েই ঘরের দরজায় বসে ভাত রাঁধার প্রস্তুতি শুরু।


কিন্তু "চাল কাঁড়তে হল বেলা", অর্থাৎ এতসব ঝামেলা ঝক্কি সামলাতে সামলাতে ভাত রাঁধায় দেরী হয়ে যায়। তাই "ভাত খাওগে দুপুরবেলা", অর্থাৎ প্রথম প্রহরে বা সকালে খাওয়া আর সম্ভব হয় না। একেবারে দ্বিপ্রহরে বা দুপুরে খেতে হয়।


কিন্তু খাবে কী করে! কারণ "ভাতে পড়ল মাছি"। এখানে 'মাছি' বলতে আসলে চোরকে বুঝানো হয়েছে। অর্থাৎ গরীবের যে যৎসামান্য খাদ্য, তারও শেষ রক্ষা হয় না। ছিঁচকে চোর সেটাও চুরি করে নিয়ে যায়। তাই "কোদাল দিয়ে চাঁছি"। এই 'কোদাল'ও আক্ষরিক অর্থে ব্যবহৃত হয়নি। বরং কোদাল বলতে এখানে কোতোয়াল বা পুলিশের কথা বুঝানো হয়েছে। অর্থাৎ পুলিশের কাছে গিয়ে চোরের ব্যাপারে নালিশ করা হয়েছে।


তবে তাতেও যে গরীব মানুষের হয়রানি কম হয়, তা কিন্তু নয়। কারণ "কোদাল হল ভোঁতা"। অর্থাৎ পুলিশ বা কোতোয়াল কোন কাজই করে না। আর তাই "খা কামারের মাথা"। অর্থাৎ এই কোদাল যে কামার বানিয়েছে, মানে পুলিশ কোতোয়াল সৃষ্টিকারী গ্রামের উচ্চপর্যায়ের লোকেরা, শেষমেশ তাদের কাছে গিয়েই এই হতদরিদ্র মানুষ গুলোর মাথা কুটে কাঁদতে হয়।


সুতরাং এক কথা বললে, এই ছড়ায় ছড়াকার গ্রাম বাংলার সেই খেটে খাওয়া মানুষের জীবনবৃত্তান্ত তুলে ধরেছেন যে কিনা কঠোর পরিশ্রম করেও জমিদার, খাজনা আদায়কারী, অসাধু ব্যবসায়ী, চোর, পুলিশ এদের উপদ্রবে নিজের পরিবারের জন্য দু' বেলার খাবারও জোটাতে পারে না।


তথ্যসূত্রঃ

১। কলিম খান ও রবি চক্রবর্তী, "বঙ্গীয় শব্দার্থকোষ", ভাষাবিন্যাস

২। ড. মোহাম্মদ আমিন, "ইকড়ি মিকড়ি : অসাধারণ অর্থপূর্ণ একটি ছড়া", ব্লগ পোস্ট

জমি নামজারির পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত জানুন।

 ◆ জমি নামজারির পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত জানুন।


যা যা লাগবেঃ

১) জমির দলিল এর সার্টিফাইড কপি/মূল কপি।

২) এস এ খতিয়ান, আর এস খতিয়ান বা যে খতিয়ান থেকে দলিল হয়েছে সেইটার কপি।

৩) ওয়ারিশান সনদ (হাল) এর কপি যদি ওয়ারিশ সম্পত্তি হয়।

৪) ছবি (যদি জন্ম নিবন্ধন দিয়া নামজারী হয়)।

৫) বায়া দলিল এর কপি যদি প্রয়োজন হয়।

৬)মোবাইল নাম্বার।

৭) এনআইডি/জাতীয় পরিচয়পত্র।

৮) কর/খাজনার রশিদ।


🔴প্রথম কাজঃ

এইসবগুলা ডকুমেন্ট নিয়ে নাগরিক/কম্পিউটার কর্ণার থেকে অনলাইনে আবেদন করবেন। একটা আইডি নাম্বার পড়বে বা কেস নাম্বার এটা আপনার মোবাইলে সাথে সাথে এসএমএস পাবেন।


🔴দ্বিতীয় কাজঃ

আবেদন ফাইল কপি ইউনিয়ন ভূমি অফিস এ যাবে তদন্তে আপনার সব কিছু ঠিক থাকলে ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে প্রস্তাব পাঠাবে উপজেলা ভূমি অফিসে।

🔴তৃতীয় কাজঃ এসিল্যান্ড অফিস আপনাকে একটি শুনানির তারিখ দিবে এসএমএসের মাধ্যমে। কাজ সম্পন্ন হলে তারপর ডিসিআর ফি দিয়ে দুই একদিন পর অনলাইনে কিউআর কোডযুক্ত নামজারি তুলতে পারবেন। পুরো প্রক্রিয়া শেষ হতে ১৫ থেকে ২০ দিন সময় লাগতে পারে। মোট খরচ হবে ১১৭০ টাকা।



সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ১৭-০১-২০২৫ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ১৭-০১-২০২৫ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র চূড়ান্ত করতে সর্বদলীয় বৈঠক - অন্তর্বর্তী সরকার ঐক্যের মাধ্যমে জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে - সূচনা বক্তব্যে বললেন প্রধান উপদেষ্টা।


ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য ধরে রাখাই সবচেয়ে জরুরি - সর্বদলীয় বৈঠক শেষে মন্তব্য করলেন বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন আহমেদ।


জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ  ৮’শো ৩৪ জনের গেজেট প্রকাশ।


১৭ বছর পর কারামুক্ত হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর।


বিশ্বে চতুর্থ সফল দেশ হিসেবে স্পেস ডকিং টেকনোলজির সূচনা করেছে ভারত। 


চট্টগ্রামে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ফরচুন বরিশাল ও চিটাগং কিংসের নিজ নিজ খেলায় জয়লাভ - দুর্বার রাজশাহী – সিলেট স্ট্রাইকার্সের এবং চিটাগং কিংস – রংপুর রাইডার্সের মুখোমুখি হবে আজ।

কাপড় শুখাতে গিয়ে গোপনীয়তা হারাবেন না

 বারান্দায় কাপড় শুকোতে দেয়া আমাদের মা-বোনদের নিত্যদিনের অভ্যাস। বিশেষত শহুরে ফ্ল্যাটে বারান্দা ছাড়া উপায়ও নেই যেন। তবে এ ক্ষেত্রে অনেকেই মস্তবড় ভুলটি করে বসেন। শহরের ঘিঞ্জি এলাকায় তারা বারান্দায় কাপড় শুকোতে দিয়ে রাখেন, এমনকি পরিধেয় বিশেষ পোশাকটিও তারা বারান্দায় উন্মুক্তভাবে রোদে দেন। এতে কিছু সমস্যা হতে পারে।

.

যেমন আশেপাশের ফ্ল্যাট থেকে এসব কাপড়ের দিকে লোলুপ দৃষ্টি দেয়া হয়। এরপর এটা সীমা ছাড়িয়ে ইভটিজিংয়ে পরিণত হয়। ইভটিজিং না হলেও দুশ্চরিত্র ব্যক্তিরা এসব কাপড় দেখেই অনেক মাপজোখ করে ফেলে। এরপর থেকে অসৎ উদ্দেশ্যে বারবার উঁকিঝুঁকি মারতে থাকে।

.

এ জন্য উত্তম হলো, বারান্দায় বড় কাপড় দিয়ে পর্দা লাগিয়ে দেয়া। কমপক্ষে গাঢ় কালারের নেট-জাতীয় পর্দা হলেও লাগিয়ে নেয়া যেতে পারে। এরপর বারান্দায় কাপড় শুকানো। অথবা বারান্দায় দুই স্তর করে রশি লাগানো। সামনের দিকে পুরুষদের কাপড় দিয়ে ভেতরের দিকে মহিলাদের কাপড় শুকাতে দেয়া। এতে করে বাইরে থেকে শুধু পুরুষদের কাপড়গুলোই দেখা যাবে।

.

কাপড় শুকানোর পর রশিতে তা ফেলে না রাখা। অনেকেই একদিন গোসল করে কাপড় শুকাতে দেয়ার পর পরদিন গোসলের সময় রশি থেকে কাপড় আনতে যান। আবার কেউ কেউ ছাদেও সারারাত ধরে কাপড় ফেলে রাখেন। এতেও বদজিনের আছর পড়ার সমূহ আশঙ্কা থাকে।

.

এ ক্ষেত্রে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কাপড় পরার সময় সব সময় বিসমিল্লাহ বলে পরা। পোশাক-আশাক খোলা ও পরিধানের সময় দুআ পড়া। এবং নিরাপত্তার দুআসমূহের ওপর আমল করা।




দালাল ছাড়া ঘ‌রে ব‌সেই একদম কম খর‌চে নামজা‌রি কর‌বেন যেভা‌বে : A to Z তু‌লে  ধরা হ‌লো

 ⛔ দালাল ছাড়া ঘ‌রে ব‌সেই একদম কম খর‌চে নামজা‌রি কর‌বেন যেভা‌বে : A to Z তু‌লে  ধরা হ‌লো


✅ জমি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য : নামজারি প্রক্রিয়া ও খরচ :


নামজারি বা মিউটেশন হলো জমির বর্তমান খতিয়ান থেকে নতুন মালিকের নাম সংযোজন করে একটি নতুন খতিয়ান তৈরি করার প্রক্রিয়া। জমি ক্রয়-বিক্রয় বা ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত জমি বৈধভাবে নিজের নামে রেকর্ড করতে এটি অপরিহার্য।


✅নামজারি করতে যা যা প্রয়োজন:


নামজারি আবেদন করার জন্য নিচের ডকুমেন্টগুলো জমা দিতে হবে :


1. জমির দলিলের সার্টিফাইড কপি/মূল কপি।


2. এস এ/আর এস খতিয়ানের কপি।


3. ওয়ারিশান সনদের কপি (যদি ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত জমি হয়)।


4. ছবি (জন্মনিবন্ধনের ভিত্তিতে আবেদন করলে)।


5. বায়া দলিলের কপি (যদি প্রয়োজন হয়)।


6. মোবাইল নম্বর।


7. জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)।


8. কর/খাজনার রশিদ।


✅ নামজারি প্রক্রিয়া:


১ম ধাপ:

mutation.land.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে নাগরিক বা কম্পিউটার কর্ণার থেকে অনলাইনে আবেদন করুন। আবেদন করার পর একটি কেস নম্বর পাবেন, যা মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে।


২য় ধাপ:

আপনার আবেদন ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাবে। তদন্তের পর সব ঠিক থাকলে ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে উপজেলা ভূমি অফিসে প্রস্তাব পাঠানো হবে।


৩য় ধাপ:

এসিল্যান্ড অফিস থেকে শুনানির তারিখ এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে। শুনানির পর ডিসিআর ফি পরিশোধ করে অনলাইনে কিউআর কোডসহ নামজারি কপি সংগ্রহ করতে পারবেন।


✅সময় ও খরচ:

নামজারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে সাধারণত ১৫-৩০ দিন সময় লাগে।


মোট খরচ: ১১৭০ টাকা।


✅ তথ্য ও সহায়তা :

নামজারি আবেদন বিষয়ক যেকোনো তথ্যের জন্য কল সেন্টার 16122-এ যোগাযোগ করুন। অথবা সমস্যার সমাধানে ভিজিট করুন:

#viralvideochallenge #everyonehighlightsfollowers1. স্বল্পমূল্যে বাংলাদেশের যেকোনো জেলার জমিজমা সংক্রান্ত সুলভ মূল্যে নামজারি/খারিজ/মিসকেস  করতে চাইলে ইনবক্সে নক দেন।। 

সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।।

2.সি এস,এস এ,বি এস,আর এস, সহ সকল ধরনের পর্চা স্বল্পমুল্যে লাগলে ইনবক্সে নক দেন।।


বিঃদ্রঃ - সকল ধরনের মৌজা ম্যাপ ও নকশা সুলভ মূল্যে দেওয়া হয়।

মোবাঃ 01922648644

আমরা শৈশব থেকেই শিখেছি যে নায়ক মানেই ভালো আর ভিলেন মানেই খারাপ।,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমরা শৈশব থেকেই শিখেছি যে নায়ক মানেই ভালো আর ভিলেন মানেই খারাপ। রূপকথা ও ডিজনি সিনেমাগুলোতে ভালো ও মন্দ একেবারে আলাদা করে দেখানো হয়। সবাই সবসময় নায়কের পক্ষেই থাকে। কিন্তু আজকাল দেখা যাচ্ছে, ভিলেনরাও আমাদের মনোযোগ কেড়ে নিচ্ছে। যেমন, জোকার, মালেফিসেন্ট, লোকি, ডার্থ ভেডার—আমরা কি বুঝতে পারছি যে তারা আসলে এতটা খারাপ নয়? নাকি আমরা নিজেরাই ধীরে ধীরে ডার্ক সাইড-এর প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছি?


মানুষ সাধারণত নিজেদের সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা রাখে। তারা মনে করে "আমি একজন ভালো মানুষ।" আর এই ধারণা রক্ষা করার জন্য এমন কিছু এড়িয়ে চলে যা তাদের আত্মসম্মানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এ নিয়েও হয়েছে গবেষণা। গবেষকরা জানতে চেয়েছিলেন, মানুষ কি ভিলেনদের মাধ্যমে তাদের ব্যক্তিত্বের অন্ধকার দিকগুলো নিরাপদে দেখতে চায়?


উদাহরণস্বরূপ, হ্যারি পটার গল্পে ভলডেমর্ট হ্যারিকে বলেছিল, "তুমি আর আমি অনেকটা একরকম।" কিন্তু হ্যারি সাথে সাথে সেটা অস্বীকার করেছিল। বাস্তবে, মানুষও এরকম আচরণ করে। তারা এমন কোনো তথ্য বা কথা এড়িয়ে চলে যা তাদের ভালো ইমেজ নষ্ট করতে পারে।


তবে কল্পিত ভিলেনদের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা একটু আলাদা। আমরা যদি এমন ভিলেনের সঙ্গে নিজেদের তুলনা করি, যারা বাস্তব নয় যেমন ম্যাগনিটো তাহলে সেটা আমাদের তেমন হুমকির মুখে ফেলে না।


গবেষক রেবেকা ক্রাউস এবং ডেরেক রাকার এই বিষয়ে কয়েকটি পরীক্ষা চালান। তারা দেখতে চেয়েছিলেন, মানুষ কল্পিত ভিলেনদের প্রতি আকৃষ্ট হয় কি না এবং কেন তারা তাদের পছন্দ করে।


তারা দেখেন, ভিলেনদের কাহিনি আমাদের এমন একটা জায়গা করে দেয়, যেখানে আমরা নিজেরা নিজেদের ডার্ক সাইডগুলো দেখতে পাই। কিন্তু সেই দিকগুলো বাস্তবে প্রয়োগ করা অনৈতিক এবং অসম্ভব। ভিলেনরা আমাদের সেই দিকগুলো ভাবতে সাহায্য করে, যা বাস্তবে আমরা কখনোই করতে পারব না।


গবেষকরা দেখেন, মানুষ তাদের নিজের ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মেলে এমন চরিত্রদের বেশি পছন্দ করে। এটা পরীক্ষা করার জন্য একটা ওয়েবসাইট, CharacTour, ব্যবহার করা হয়। এখানে একটা কুইজ ছিল যেখানে অংশগ্রহণকারীরা ১ থেকে ৫ পর্যন্ত একটি স্কেলে উত্তর দেয়। যদি তাদের ব্যক্তিত্ব কোনো চরিত্রের সঙ্গে মেলে, তাহলে তারা ১ বা ২ পয়েন্ট দেয়। যদি মেলে না, তাহলে ৪ বা ৫ পয়েন্ট। ৩ পয়েন্ট মানে নিরপেক্ষ।


উদাহরণস্বরূপ, যারা খুব চঞ্চল এবং কথা বলতে ভালোবাসে, তারা শ্রেকের ডঙ্কির সঙ্গে বেশি মিলে। আর যারা শান্ত প্রকৃতির, তারা গ্রুটের সঙ্গে মিলে। কুইজে ভিলেনদের– মালেফিসেন্ট, জোকার, ডার্থ ভেডার এবং নন-ভিলেনদের ইয়োডা, শার্লক হোমস, জোই ট্রিবিয়ানি কে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।


গবেষণায় দেখা যায়, মানুষ এমন চরিত্রদের বেশি পছন্দ করে, যাদের ব্যক্তিত্ব তাদের নিজের মতো। যারা ভিলেনদের ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মেলে, তারা ভিলেনদের ফ্যান হয়। আর যারা নন-ভিলেনদের ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মেলে, তারা তাদের ফ্যান হয়।


প্রথম গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষ কল্পিত চরিত্রদের সঙ্গে নিজেদের তুলনা করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। এরপর গবেষকরা দেখতে চেয়েছিলেন, এই প্রবণতা কি বাস্তব জীবনের ভিলেনদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য?


দ্বিতীয় গবেষণায় নর্থওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির ১০০ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের ১৪টি কুইজ দেওয়া হয়, যেখানে কল্পিত নায়ক, কল্পিত ভিলেন, বাস্তব নায়ক এবং বাস্তব ভিলেনদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।।শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে, বাস্তব ভিলেনদের নিয়ে কুইজ নেওয়া তাদের জন্য খুব অস্বস্তিকর। তবে, কল্পিত ভিলেনদের সঙ্গে তুলনা করতে তারা অনেক স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেছে।।গল্পের ভিলেনরা আমাদের এমনভাবে ভাবায়, যেখানে আমরা নিজেদের খারাপ দিকগুলো ভাবতে পারি।


গবেষণায় দেখা গেছে, যদি কেউ একা একা সিনেমা দেখে, তাহলে তারা এমন ভিলেন বেশি পছন্দ করে যারা তাদের ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মেলে। কিন্তু যদি অন্য কারও সঙ্গে অর্থাৎ বন্ধুবান্ধবদের বা প্রেমিক/প্রেমিকার সাথে সিনেমা দেখতে হয়, তাহলে তারা ভিলেনের মতো চরিত্র বেছে নিতে কম আগ্রহী। কারণ তারা মনে করে, এতে অন্যের কাছে তাদের সামাজিক ইমেজ নষ্ট হতে পারে।


একটি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের তাদের একজন বন্ধু বলেছিল, 'তুমি এই ভিলেনের মতো!' তারপর দেখা গেছে, এই ধরনের মন্তব্য মানুষকে সিনেমার ভিলেন বেছে নিতে আরও কম আগ্রহী করে তোলে।


গবেষণার ফলাফলে জানা গেছে, কল্পিত ভিলেনরা আমাদের নিজেদের অন্ধকার দিকগুলো চিনতে সাহায্য করে। তবে সেটা এমনভাবে হয় যাতে আমাদের নৈতিক মূল্যবোধ বা আত্মসম্মান ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। মানুষ তখনই ভিলেনদের সঙ্গে নিজেদের তুলনা করতে বেশি আগ্রহী হয়, যখন তাদের সামাজিক ইমেজ হুমকির মুখে থাকে না।


সর্বশেষে বলা যায় আমরা ভিলেনদের পছন্দ করি কারণ তারা আমাদের ব্যক্তিত্বের অজানা দিকগুলো দেখতে সাহায্য করে। তবে, এই আকর্ষণ তখনই কাজ করে, যখন সেটা ব্যক্তিগত পর্যায়ে সীমাবদ্ধ থাকে এবং আমাদের সামাজিক অবস্থানে কোনো প্রভাব ফেলে না।


বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৫

উহুদের যুদ্ধে ৭০ জন শহীদ হয়েছে

 – উহুদের যুদ্ধে ৭০ জন শহীদ হয়েছে! সকল শহীদের লাশ এনে এক জায়গায় রাখা হচ্ছে। নবীজি গুনে দেখেলেন ৬৮ টা লাশ। ২ টা নাই ... একজন তাঁর চাচা হামজা (রাঃ) আরেকজন হানজালা (রাঃ)। অস্থির হয়ে পড়েছেন নবীজি। সব সাহাবাদের পাঠাইলেন লাশ খুজার জন্য। ...হটাত বোরকা পরা এক মহিলা এসে দাঁড়ালেন নবীজির কাছে। নবী তাকে চিনলেন না। 😭-মহিলা বললেন; ইয়া রাসুল্লাহ আজকে আপনি একটা বিয়ে পড়িয়েছিলেন মনে আছে? নবীজি বলেন; হা আমি তো হানজালার বিয়ে পড়িয়েছি। যার বিয়ের খুশিতে আমি খুরমা খেজুর ছিটিয়ে ছিলাম। -মহিলা বললেন; ইয়া রাসুল্লাহ! আমার হাতটা দেখেন। হাতের মেহেদী এখনও শুখায় নাই। কাল বিকেলে বিয়ে হয়েছিল আর রাত ২ টা বাজে উহুদের যুদ্ধের জন্য বের হয়ে গেছে হাঞ্জেলা। বাসর রাতে উনার সাথে আমার ভালোভাবে পরিচয়ই হয়নাই। যাওয়ার আগে শুধু বলে গেছেন "যদি দেখা হয় তাহলে দেখা হবে দুনিয়ায়, আর যদি শহীদ হয়ে যাই তাহলে দেখা হবে জান্নাতে"। মহিলা বললেন ইয়া রাসুল্লাহ যাওয়ার আগে আমার কপালে 😭একটা চুম্মন করে গেছেন। লজ্জায় বলতেও পারি নাই আপনার জন্য গোসল ফরজ। নবীজি কাঁদতেসেন। মহিলা বললেন ইয়া রাসুল্লাহ, শহীদদের তো আপনি গোসল দেন না, আমার স্বামীকে আপনি একটু গোসল দিয়েন? নবীজি সম্মতি প্রকাশ করার পর একজন সাহাবি দৌড়ে এসে বলল ইয়া রাসুল্লাহ হানজালা কে পাওয়া গেছে। --- সবাই গেলেন। গিয়ে দেখলেন সাদা 😭কাফনের ভিতর লাশের মাথায় পানি। নবীজি মাথা হাতায়ে দিলেন। জিবরাঈল আসলো! ...এসে বলল; ইয়া রাসুল্লাহ হানজালার কোরবানিতে আল্লাহ্ পাক এতটাই খুশি হয়েছে যে আমার বাহিনিকে আদেশ করলেন তাকে নিয়ে আসতে। ...ইয়া রাসুল্লাহ আমরা ফেরেশতারা তাকে তৃতীয় আসমানে এনে জমজমের পানি দিয়ে গোসল করিয়েছি এবং তার শরীরে থেকে যে  সুগন্ধ পাচ্ছেন, এটা আল্লাহ্ পাকের বিশেষ খুসবু মিশক আম্বর আতরের ঘ্রাণ । আমরাই উনাকে কাফনের কাপড়ে আচ্ছাদিত করেছি ।......

সুবহানআল্লাহ !!! আল্লাহ্ তাঁর প্রিয় মানুষকে কি পরিমাণ ভালবাসেন, কি পরিমাণ সম্মানিত করেন তা আমাদের পক্ষে কল্পনা করাও সম্ভব নয়।

পরিশেষে বলতে চাই, "হে আল্লাহ্ _ আপনি আমাদেরকে সফল মানুষদের পথের পথিক হওয়ার তওফিক দান করুন,😭🤲🤲


আমিন❤️

ফসলের পোকা দমনে মেহগনি গাছের বীজ থেকে জৈব কীটনাশক তৈরির পদ্ধতি।

 #ফসলের পোকা দমনে মেহগনি গাছের বীজ থেকে জৈব কীটনাশক তৈরির পদ্ধতি।



বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। এদেশের গ্রামীণ অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম উপাদান হলো কৃষি। দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে কৃষির অবদান অপরিসীম। কৃষির উৎপাদন এখন দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে। কিন্তু কৃষির উৎপাদন বাড়ানোর জন্য ফসলের জমিতে নানা ধরনের কীটনাশক ব্যবহার হয়ে থাকে। এসব কীটনাশক ব্যবহারের ফলে ফসলের জমির পাশাপাশি মানব দেহেরও ক্ষতি হয়। তাই জৈব বালাইনাশক বা জৈব কীটনাশক ব্যবহার করলে বিষমুক্ত নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন করা যায়। আর জৈব কীটনাশক হিসেবে মেহগনির বীজ অত্যন্ত কার্যকর।


➡️জৈব কীটনাশক তৈরির পদ্ধতি :


পরিবেশবান্ধব এই ভেষজ কীটনাশক তৈরির জন্য প্রথমে ২ থেকে আড়াই কেজি মেহগনির বীজ সংগ্রহ করে কুচি কুচি করে কেটে প্রায় ১০ লিটার পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে(সিডস মার্ট)। ৩ থেকে ৪ দিন পর এটি তুলে ছেঁকে নিতে হবে। তারপর এর নির্যাসের সঙ্গে প্রায় ৫০ গ্রাম ডিটারজেন্ট পাউডার ভালোভাবে মিশ্রণ করতে হবে। এই নির্যাসের সাথে পাঁচগুণ পানি মিশিয়ে ফসলের জমিতে ব্যবহার করা যাবে।


➡️এই জৈব কীটনাশক ব্যবহারে মাজরা পোকা, পাতামোড়া রোগ, বাদামি গাছ, ফড়িং, জাব পোকা, পাতা ছিদ্রকারী পোকা দমনে ভালো ফল পাওয়া যায়। ফসলের ডগা ও ফলের মাজরা পোকা, কাঁঠালি পোকা, ঢ্যাঁড়শের জ্যাসিড, সবজিতে পোকামাকড় দমনসহ ছত্রাক নাশ ও নানা রোগব্যাধি দূর করে। পিঁপড়া ও উঁইপোকা দমনেও মেহগনি কীটনাশকের কার্যকারিতা অপরিসীম। মেহগনির কীটনাশক ছিটালে শুধু ফসলের ক্ষতিকর পোকাই দমন হয় না, মশাও বিতাড়িত হয়।


➡️তাই ফসলের জমিতে রাসায়নিক কীটনাশক ব্যবহার না করে জৈব কীটনাশক ব্যবহার করে বিষমুক্ত ফসল উৎপাদন ও পরিবেশ রক্ষায় এগিয়ে আসা উচিত।


👉জৈব কীটনাশক তৈরি করতে পরিশ্রম একটু বেশি কিন্তু খরচের পরিমাণ খুবই কম আসুন প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে রাসায়নিক কীটনাশক প্রয়োগের পরিবর্তে জৈব কীটনাশক ব্যবহার করি। 


👉কৃষি বিষয়ক প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে আমাদের সাথে থাকুন অথবা নিকটস্থ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করুন।


মেঘে_ঢাকা_আ কাশ পর্ব-১ নেই গল্প

 আমার ছাত্রী অবনিকে পড়াতে গিয়ে দেখলাম তাঁর আম্মু একটা ছেলের সাথে খুব অন্ত*রঙ্গ হয়ে বসে আছে। আমি তাদের দুজনকে দেখে লজ্জায় মুখ ঘুরিয়ে নিলাম। আমাকে দেখে তারা নিজেরাও নিজেদেরকে গুছিয়ে নিলো। আসলে মানুষের আসল চেহারাটা বুঝা যায় না। অবনির মা যে এরকম একটা খারাপ কাজ করতে পারে এটা কখনো আমার ভাবনায় আসেনি। তবে চাহিদার প্রয়োজনে মানুষ অনেক জ*ঘন্য কাজও করে থাকে। নিজের থেকে বয়সে অনেক ছোট ছেলের সাথেও মানুষ প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে সেটা আমি আজ বুঝলাম। আমি কিছু বলার আগেই অবনির মা আমাকে বলল,অবনি তো এখনো স্কুল থেকে ফেরেনি। আর আজ তুমি এতো আগেই পড়াতে আসবে সেটা বলবে না?


তখন আমি বললাম আজ মাসের শেষ তারিখ। তাই একটু আগেই পড়াতে এসেছি,টাকাটাও দরকার ছিলো।"


তখন অবনিরা মা বলল,

আচ্ছা ঠিক আছে। তুমি বসো আমি টাকা নিয়ে আসছি।"


কিছুক্ষণ পর অবনির মা এসে আমার হাতে দশ হাজার টাকা দিয়ে বলল,

 

"ও হচ্ছে আমার খালাতো ভাই সুজন। অবনিকে ওর কথা বলার দরকার নেই। তোমাকে অগ্রিম মাসের টাকাটাও দিয়ে দিলাম। তোমার নাকি টাকার সমস্যা বলেছিলে। আজকে পড়াতে হবে না তুমি বরং কালকে এসো।"


টাকাটা নিয়ে আমি চলে আসি। অবনিকে পড়াই আজ ছয়মাস হতে চলল। সত্যি বলতে অবনিকে আমি টাকার জন্যই পড়াই। অবনির বাবার টাকা পয়সার কোনো অভাব নেই। তাঁর বাবা বিদেশ থাকেন তাই আমাকে মাস শেষে পাঁচ হাজার টাকা দিতে কোনো সমস্যা হয় না। দশ হাজার টাকা পেয়ে সেখান থেকে মাকে চার হাজার টাকা দিলাম। আর বোনকে এক হাজার টাকা। বাকিগুলো আমার প্রয়োজনে কাজে লাগাবো রেখে দিলাম। মাকে দেওয়া এটা আমার প্রথম কোনো উপহার। আমি এর আগে কখনো মাকে টাকা দেইনি। টাকা দেওয়ার পর মায়ের চোখে যে আনন্দটা দেখেছিলাম সেটার কাছে পৃথিবীর সব আনন্দ তুচ্ছ। এক হাজার টাকা পেয়ে আমার বোন এতোটা খুশি হবে ভাবিনি। কিন্তু যখন টাকা পেয়ে সে আমাকে খুশিতে জড়িয়ে ধরে ভাইয়া বলল। তখন মনে হলো এমন বোনের জন্য জীবনে কিছু করতে না পারলে জীবনের কাছে ঋণী থেকে যাবো।


পরের দিন অবনিকে পড়াতে গিয়ে দেখলাম অবনি খুব সুন্দর করে সেজেছে। আকাশী রঙের শাড়িতে মেয়েটাকে অন্য দিনের চেয়ে আজ একটু বেশিই সুন্দর লাগছে। তাই পড়ানোর সময় তাঁর দিক থেকে কেনো জানি চোখ সরাতে পারছিলাম না। আমার এমন অবস্থা দেখে অবনি বলল,


"স্যার আপনার কি কোনো গার্লফ্রেন্ড আছে?"


নিজের ছাত্রীর মুখে এমন প্রশ্ন শুনে কিছুটা আনইজি ফিল করলাম। তারপরেও ধমকের শুরু বললাম।


"এসব কি প্রশ্ন? আমার গার্লফ্রেন্ড দিয়ে তুমি কি করবে? বাচ্চাদের এসব জানতে হয় না। তুমি পড়াশোনায় মনোযোগ দাও।"


তখন অবনি বলল,


"কে পিচ্চি? দেখেন আমি কতো বড় হয়ে গিয়েছি। আর ক্লাস নাইনে পড়া একটা মেয়েকে বাচ্চা বলা মোটেও উচিত না। আমার এক বান্ধবির বিয়ে হয়েছে,বাচ্চার মাও হয়ে গেছে। আর আপনি আমাকে বাচ্চা বলছেন।"


অবনির কথায় ঠিক। অবনিকে আজ মোটেও বাচ্চা বাচ্চা লাগছে না। বড়ই মনে হচ্ছে। শাড়ি পড়লে ছোট মেয়েদেরকেও অনেক বড় মনে হয়। অবনিকেও আজ বড়দের মতোই মনে হচ্ছে। আমি অবনির কথা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও পারলাম না। অবনি আবার জিগ্যেস করলো।


"স্যার আপনি কিন্তু বললেন না,আপনার কোনো গার্লফ্রেন্ড আছে নাকি?"


তখন বাঁধ্য হয়ে বললাম।


"ছিলো একসময় তবে এখন নেই। এবার খুশি তুমি? তোমার প্রশ্নের উত্তর খুুঁজে পেয়েছো।"


তখন অবনির চোখেমুখে অনেক আনন্দ দেখতে পেলাম। আমার গার্লফ্রেন্ড নেই শুনে অবনি এতোটা খুশি হলো কেনো বুঝতে পারলাম না।


প্রায় ছয় মাস পর হঠাৎ করেই জানতে পারলাম অবনির মা প্রেগন্যান্ট। এমন অবস্থায় সব জায়গায় জানাজানি হয়ে গেলো। যেহেতু অবনিদের বাসায় আমি বাদে আর কোনো ছেলে যাওয়া আসা করতো না তাই সবাই আমার দিকে আঙুল তুলতে লাগলো,আমাকে সন্দেহ করতে লাগলো। অবনির মা যখন আমাকেই দোষ দিলো তখন আমার মরে যেতে ইচ্ছে করছিলো। অবনির মা নিজেকে বাঁচানোর জন্য আমার নামে যে এতো বড় একটা মিথ্যা কথা বলবে আমি কখনো কল্পনা করিনি। অবনির সামনে সেদিন কি লজ্জাটাই না পেয়েছিলাম। কোনো অপরাধ না করেও আমি অবনির চোখের দিকে তাকাতে পারিনি। অবনি অনেক ঘৃণা নিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে ছিলো। সে কাঁদতে কাঁদতে যখন বলল।


"স্যার আপনি চাইলে তো আমিই আপনাকে এই সুখটা দিতাম। আপনাকে আমি ভালোবাসতাম। আর আপনি কিনা আমার মায়ের সাথেই এটা করলেন? আপনার প্রতি যে রেসপেক্ট ছিলো সেটা আপনি রাখেননি। আপনি কখনোই একজন শিক্ষক হওয়ার যোগ্যতা রাখেন না।"


কথা গুলোই বলেই অবনি আমাকে ধাক্কা দিয়ে তাদের বাড়ি থেকে বের করে দেয়। আমিও চলে আসি। এলাকার সবাই জেনে গিয়েছে বিষয়টা। তাই লজ্জায় কারো সামনে যেতে পারতাম না। বাসায়ও চুপচাপ থাকতাম,মা বাবা বোন কেউ আমার সাথে আগের মতো কথা বলে না। আমার জীবনটা যেনো একাকিত্বের এক নরকে পরিণত হলো। ঠিক এমন সময় আমার নরকীয় জীবনটাকে আরও বিষাক্ত করে তুলতে ফোন দিলো আমার প্রাক্তন।


মিলির সাথে আমার দুই বছরের সম্পর্ক ছিলো। হঠাৎ করেই একদিন প্রচণ্ড রাগারাগি হলো দুজনের মাঝে। সেদিনই ব্রেকআপ করলাম আমরা। তারপরে আমি আর তাকে কোনোদিন ফোন দেইনি। কারণ আমি আমার ইগোর সাথে কখনো আপোষ করতে চাইনি। সেও কখনো ফোন দেয়নি। আজ এতোদিন পর কেনো ফোন দিলো সেটার কারণ খুঁজতে গেলাম না। ফোনটা রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে ভেসে আসলো চির পরিচিত সেই কণ্ঠস্বর।


"তোমার সাথে বিচ্ছেদ হয়ে ভালোই হয়েছে। এমন একটা কাজ করবে কখনো ভাবিনি।"


"আমি ভেবেছিলাম এতোদিন পর ফোন দিয়ে তুমি জানতে চাইবে আমি কেমন আছি? কিন্তু তা না করে কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিচ্ছো? এটা বলার জন্যই কি ফোন দিয়েছো?"


"সেটা বলার প্রয়োজন মনে হয়নি কারণ তুমি ভালোই আছো। সেজন্যই হয়তো নিজের থেকে বয়সে অনেক বড় একটা মেয়ের সাথেও অবৈধ সম্পর্কে জড়াতে পেরেছো। ভালো না থাকলে মানুষ এমন কাজ করতে পারে? বল।"


"আর সবাই না হয় আমার সম্পর্কে জানে না তাই এমনটা বলছে। কিন্তু তুমি তো আমার সম্পর্কে সব জানো,আমাকে চেনো আমি কেমন মানুষ। তারপরেও এমনটা বললে? তোমার সাথে তো দুইটা বছর রিলেশন করেছি কখনো তো একটা চুমুও খেতে চাইনি তোমাকে। তুমিই বল,তোমার সাথে যদি আমি ফিজিক্যাল রিলেশন করতে চাইতাম তাহলে কি তুমি না করতে? আমার তো মনে হয় না তুমি না করতে। যেখানে তোমার মতো মেয়ের সাথে এমনটা করিনি সেখানে আমার থেকে বয়সে বড় একটা মহিলার সাথে এটা করবো কি করে ভাবলে তুমি?"


ঠিক এমন সময় বাবা আমার রুমে এসে পড়ায় আমি ফোনটা কেটে দিলাম। দীর্ঘ দুইমাস পর আমার রুমে কেউ আসলো,আমার সাথে কেউ কথা বলল। আমার তো ভালো লাগার কথা,খুশি হওয়ার কথা। কিন্তু আমি খুশি হতে পারলাম না বরং বাবার কথাগুলো শুনে চোখের পানিটাকে অনেক চেষ্টা করেও ধরে রাখতে পারলাম না।


বাবা যখন বললেন,


"কয়েকদিন পর তোর বোনকে দেখতে আসবে। আমি চাই না তোর কারণে আমার মেয়ের বিয়েটা ভেঙে যাক। তুই এক বছরের জন্য এই বাড়ি থেকে চলে যা। সবাই জানবে তোকে আমরা ত্যা'জ্যপুত্র করেছি। তোর সাথে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। একবছরে যদি কিছু করতে না পারিস,নিজের বেঁচে থাকার মতো অবস্থা তৈরি করতে না পারিস তাহলে চলে আসিস। তখন তোর বোনের বিয়ে হয়ে যাবে। তাই আর কোনো সমস্যা হবে না। তবে আমি চাইবো না তুই আর কখনো এই বাড়িতে ফিরে আস। তোর কারণে আমি আমার মান সম্মান সব হারিয়েছি। কাজটা করার আগে তোর ভাবা উচিত ছিলো তোর সাথে তোর পরিবারের মানসম্মানটাও মিশে আসে। যাইহোক তোর মাকে আমি এখনো কথাটা বলিনি। তুই চলে যাওয়ার পরেই বলবো। আজ রাতেই চলে যাবি। তোর মা কিংবা বোনের সাথে দেখার করার দরকার নেই। টাকা লাগলে বল,দিয়ে দিবো।"


আমি কিছু বলতে পারলাম না। আমি জীবনে কোনোদিনও চিন্তা করিনি আমার বাবা আমার প্রতি এতো কঠোর হবেন কখনো। কাঁদতে কাঁদতে শুধু বললাম।


"না কোনো টাকা লাগবে না।"


আমি লক্ষ্য করলাম আমার কান্না ভেজা কণ্ঠটাও বাবার ভিতরটাকে নাড়া দিতে পারলো না। বাবা আমার রুম থেকে চলে গেলেন।


ফোনের দিকে তাকাতেই দেখলাম একুশবার ফোন দিয়েছে মিলি। এখনো দিয়েই যাচ্ছে। তাঁর ফোনটা ধরতে ইচ্ছে করছিলো না। কারণ সবকিছু গোছগাছ করতে হবে,আজকেই বাবা আমাকে চলে যেতে বলেছেন। জানি না কোথায় যাবো,যাওয়ার মতো তেমন কোনো জায়গাও নেই। তবে যেতো তো হবে। পৃথিবীটা তো অনেক বড়,কোথাও না কোথাও তো জায়গা হবে?


চলবে.......... 


 #sk_azimul 

মেঘে_ঢাকা_আ

কাশ

পর্ব-১



ভালো লাগলে ফলো করতে ভুলবেন না কিন্তু ধন্যবাদ আপনাক

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...