এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

মিনু গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর

 #মিনু গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর


সৃজনশীল প্রশ্ন ১ : বন্যা সারা সকাল মিসেস সালমার বাসায় কাজ করে, তাকে খালাম্মা বলে ডাকে। সে মিসেস সালমার যাবতীয় কাজে সাহায্য করার চেষ্টা করে। দিবা শাখার একটি স্কুলেও সে পড়ে। পড়ালেখায় সে পিছিয়ে নেই। শুধু প্রকৃতির কোনো কিছুর সঙ্গে তার সখ্য গড়ে ওঠেনি; সে সময়ই বা তার কোথায়? তার নিজের জীবন আর কাজ নিয়েই সে ব্যস্ত। প্রকৃতিতে নয়, নিজের কাজেই সে শান্তি খুঁজে পায়। বন্যা তার কাজ দিয়ে, কথা দিয়ে মিসেস সালমাকে এমন করে নিয়েছে যে মিসেস সালমাও বন্যাকে পরিবারের অন্য সদস্যের মতোই মনে করে।


ক. মিনু কার বাড়িতে থাকত?

খ. ষষ্ঠ ইন্দ্ৰিয় বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

গ. অবস্থানগত দিক থেকে উদ্দীপকের বন্যা ও মিনুর মধ্যে যে বৈসাদৃশ্য লক্ষ করা যায়— তা ব্যাখ্যা করো।

ঘ. ‘বন্যার শিক্ষা ছিল প্রাতিষ্ঠানিক, আর প্রকৃতি হচ্ছে মিনুর পাঠশালা’– কথাটি বিশ্লেষণ করো।


প্রশ্নের উত্তর

ক মিনু দূরসম্পর্কের পিসিমার বাড়িতে থাকত।


খ. ষষ্ঠ ইন্দ্ৰিয় বলতে পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের বাইরে একটি বিশেষ দিক অর্থাৎ মনকে বোঝানো হয়েছে।

প্রত্যেক মানুষেরই পাঁচটি ইন্দ্রিয় আছে। লেখক এই পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের বাইরে মানুষের ভেতরে এক প্রকার অদৃশ্য অনুভূতির কথা বলেছেন। সে অনুভূতির উৎস হলো মানুষের মন বা হৃদয়। ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় বলতে এই মনকেই বোঝানো হয়েছে।


গ. শারীরিক অক্ষমতা এবং মানসিক অবস্থার বিচারে উদ্দীপকের বন্যা ও মিনুর মধ্যে বৈসাদৃশ্য লক্ষ করা যায়।

‘মিনু’ গল্পের মিনু বাক্ ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী মেয়ে। বাবা-মা না থাকায় দূর সম্পর্কের আত্মীয়ের বাসায় থাকে। সে বাড়ির সকল কাজ মনোযোগ দিয়ে করে । তার কোনো সঙ্গী না থাকায় প্রকৃতির সঙ্গেই গড়ে উঠেছে সখ্য। যে স্বপ্ন দেখে তার বাবা একদিন ফিরে আসবে। আর এই স্বপ্নই তাকে সকল প্রতিকূলতা অতিক্রম করতে সাহায্য করে।


উদ্দীপকের বন্যা যে বাসায় কাজ করে, সেই বাসার সে সদস্যের মতো হয়ে উঠছে। সে স্কুলে পড়ে, নিজের জীবন ও কাজ নিয়েই তার ব্যস্ততা। পারিবারিকভাবেও সে সবার সাথে মিশে গেছে, কিন্তু মিনু তা পারেনি। কাজ আর আত্মভাবনায় ডুবে থাকে মিনু। বন্যার তেমন দুঃখ না থাকলেও মিনুর মধ্যে বাবার জন্যে প্রতীক্ষার কষ্ট লক্ষ করা যায়। তাই দুজনের মধ্যে অবস্থানগত বৈসাদৃশ্য লক্ষ করা যায়।


ঘ. বন্যা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা লাভ করলেও মিনু শিক্ষা লাভ করেছে প্রকৃতি থেকে।


‘মিনু’ গল্পে মিনু একই সাথে বাক্ ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী এবং পিতামাতা হারা এতিম। সাধারণ মানুষের ভালোবাসা না পাওয়ায় প্রকৃতিকেই সে আপন করে নিয়েছে। মনে মনে সে সৃষ্টি করেছে কল্পনার জগৎ। ভোরবেলার নতুন সূর্যকে নিজের জ্বালানো চুল্লির সঙ্গে তুলনা করতেই তার ভালো লাগে। হলদে পাখি দেখে তার মনে পুলক জাগে। ভোরের শুকতারাকে সে নিজের সই বানিয়েছে, কেননা এত ভোরে সেই তাকে সঙ্গ দেয়। প্রকৃতি থেকেই সে প্রতিনিয়ত শিক্ষালাভ করে।


অন্যদিকে উদ্দীপকের বন্যা বাড়ির কাজ করলেও সে পেয়েছে গৃহকর্তার ভালোবাসা। সে স্কুলে গিয়ে শিক্ষালাভের সুযোগ পায়। পরিবারের সদস্যের মতোই জীবন অতিবাহিত করে। তাই তাকে প্রকৃতি থেকে শিক্ষা নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।


অর্থাৎ বন্যা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষালাভের সুযোগ পেলেও মিনুর ক্ষেত্রে তা সম্ভব নয়। সে বিরূপ সমাজে বসবাস করায় মানুষের সহানুভূতি পাচ্ছে না। আর তাই পাঠশালারূপ প্রকৃতি থেকেই মিনু শিক্ষা লাভ করেছে । প্রকৃতি তার নিয়মের মাধ্যমে মিনুকে শিক্ষা দিয়ে চলেছে।

এমন সব প্রশ্নের উত্তর পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। ভালো লাগলে লাইক কমেন্ট ও শেয়ার দিতে ভুলবেন না।


Collected


শহরের অল্প জায়গায় দুধাল গরু, ছাগল ও ভেড়া পালন: লাভজনক উদ্যোগ বদরুল আলম 


 শহরের অল্প জায়গায় দুধাল গরু, ছাগল ও ভেড়া পালন: লাভজনক উদ্যোগ

বদরুল আলম 

০১/০২/২০২৫


বর্তমান সময়ে নগর জীবনে কৃষিভিত্তিক উদ্যোগ গ্রহণ করা বেশ চ্যালেঞ্জিং। তবে সঠিক পরিকল্পনা ও উদ্ভাবনী ধারণার মাধ্যমে এটি সফলভাবে পরিচালনা করা সম্ভব। সিলেটের খোজারখলার উদ্যোক্তা Mitu Shah  ঠিক এমনই একটি অনন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন—তিনি অল্প জায়গায় দুধাল গরু, ছাগল ও ভেড়া পালন করে দেখিয়েছেন যে শহরেও কৃষিপ্রধান ব্যবসার সফলতা সম্ভব।  


ছোট জায়গায় পশুপালন: সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ  

শহরের বাড়িতে পশুপালন করা বেশ চ্যালেঞ্জিং হলেও আধুনিক ব্যবস্থাপনার কারণে এটি লাভজনক ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে উন্নত জাতের দুধাল গরু, ছাগল ও ভেড়া পালন করলে অল্প জায়গায় বেশি উৎপাদন সম্ভব হয়। খামারের জায়গা ছোট হলেও, উপযুক্ত খাবার, পরিচর্যা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করলে এটি একটি লাভজনক ব্যবসায় পরিণত হতে পারে।  


Mitu Shah এর উদ্যোগ: সফলতার গল্প  

সিলেটের খোজারখলার মিঠু শাহ তার বাড়ির সীমিত জায়গায় দুধাল গরু, ছাগল ও ভেড়া পালন শুরু করেন। প্রথমদিকে কিছু চ্যালেঞ্জ থাকলেও, আধুনিক পদ্ধতিতে খামার পরিচালনা করে তিনি ভালো লাভ করতে সক্ষম হন। তার ব্যবস্থাপনায় রয়েছে—  


1. উন্নত জাতের পশু নির্বাচন: উচ্চ দুধ উৎপাদনক্ষম গরু ও ছাগল পালন করা।  

2. সঠিক খাদ্য সরবরাহ: পুষ্টিকর খাবারের মাধ্যমে পশুর উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানো।  

3. স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা: নিয়মিত টিকা ও চিকিৎসার মাধ্যমে পশুগুলোকে সুস্থ রাখা।  

4. অল্প পরিসরে আধুনিক খামার: সীমিত জায়গার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা।  


নগর পশুপালনের ভবিষ্যৎ  

মিঠু শাহের মতো উদ্যোক্তাদের সফলতা দেখে অনেকেই এ ধরনের উদ্যোগ নিতে আগ্রহী হচ্ছেন। শহরের বাড়িতে পশুপালন করলে একদিকে যেমন স্থানীয়ভাবে দুধ, মাংস ও দুগ্ধজাত পণ্যের চাহিদা মেটানো সম্ভব, অন্যদিকে এটি একটি লাভজনক ব্যবসার পথ খুলে দেয়।  


উপসংহার  

নগর জীবনে অল্প জায়গায় দুধাল গরু, ছাগল ও ভেড়া পালন একটি সম্ভাবনাময় উদ্যোগ। সিলেটের মিঠু শাহের মতো আরও উদ্যোক্তারা যদি এই পথে এগিয়ে আসেন, তবে এটি শহরাঞ্চলে একটি নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনা তৈরি করবে। সঠিক পরিকল্পনা ও আধুনিক ব্যবস্থাপনায় এটি হতে পারে একটি টেকসই ও লাভজনক ব্যবসা।

#শহুরে_খামার #দুধাল_গরু #ছাগল_পালন #ভেড়া_পালন #লাভজনক_ব্যবসা #সিলেট #উদ্যোগ #গ্রামীণ_উন্নয়ন #টেকসই_ব্যবসা

বিবাহের সময় মেয়েকে লেখা খতিব উবায়দুল হক রহ. এর ঐতিহাসিক চিঠি ====

 বিবাহের সময় মেয়েকে লেখা খতিব উবায়দুল হক রহ. এর ঐতিহাসিক চিঠি

==================================

খতিব উবায়দুল হক রহ.- এর বড় মেয়ে রায়হানা হক সিলেটে তার দাদীর কাছে থাকতেন। যখন তার বিয়ের কথাবার্তা চলছিলো; তখন তিনি মেয়েকে উপদেশমূলক চিঠি লিখেন। সময়টা ছিলো ১৯৭৫ সাল। নিজের মেয়েকে আচার-ব্যবহারে ভদ্রতা ও নিপুণতা অর্জনের ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করে নভেম্বরের ১৬ তারিখে একটি পত্র লিখেছিলেন।


আলেম, লেখক ও সাংবাদিক এহসান সিরাজ  এর সৌজন্যে পাঠকের জন্য চিঠিটির আংশিক তুলে ধরা হলো।


স্নেহের…!

রায়হানা


এক বছর থেকে তোমার স্কুল শিক্ষা বন্ধ রয়েছে। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, তুমি লেখাপড়া ছেড়ে দিবে। বরং এখন আরো বেশি বেশি পড়া উচিত। লেখার চর্চাও করা দরকার। বিশেষভাবে দীনি কিতাবাদি এবং উর্দু বেহেশতী জেওর নিয়মিত পড়বে। দৈনিক দাদিজানের কাছে বসে বেহেশতী জেওর থেকে তিনি যতটুকু বলবেন ততটুকু পড়বে। তার কাছে জিজ্ঞেস করে বুঝে পড়ার চেষ্টা করবে।


কিতাব ছাড়াও আরেকটি বিষয়ের প্রতি খেয়াল রাখা অত্যাধিক জরুরী। তা অর্জন করতে না পারলে ডিগ্রি অর্জন করার কোনো মূল্য থাকে না। এ জিনিসটি হচ্ছে ‘ছালিক্বা’ তথা আচার-ব্যবহারে ভদ্রতা ও নিপুণতা অর্জন এবং গৃহস্থ বিষয়ক সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার শিক্ষা গ্রহণ। যে নারী এগুলো খেয়াল করে না, তাকে পদে পদে হোঁচট খেতে হয়। মানুষ তাকে ঘৃণা করে। পক্ষান্তরে যে মেয়ে এগুলো খেয়াল রাখে, লোকে তার তারিফ করে, সম্মান করে। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার মাধ্যমে এগুলো অর্জন হয় না, নিজের বুদ্ধি-বিবেচনার মাধ্যমেই তা শিখতে হয়।


 

ছালিক্বা কাকে বলে? এর অর্থ কী? ছালিক্বা মানে—

১. প্রতিটি কাজ সুষ্ঠুভাবে আঞ্জাম দেয়া।

২. নিজ দায়িত্বে ঘরের প্রতিটি কাজ সম্পাদন করা। কারো জন্য বসে না থাকা।

৩. ঘরের ছোট বড় সবার প্রতি লক্ষ্য রাখা।

৪. ঘরদোর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা।

৫. ঘরের প্রতিটি বস্তু যথাস্থানে হেফাজতে রাখা।

৬. ছোট-বড় সবার মর্জি মোতাবেক খাবার পরিবেশন করা ও তাদের অন্যান্য চাহিদার প্রতি লক্ষ্য রাখা।

৭. সবার সাথে নম্র ব্যবহার করা।

৮. বড়দের সেবা ও সম্মান এবং ছোটদের স্নেহ করা।

৯. ঘরে মেহমান আসলে তাদের সমাদর করা।

১০. ঘরে যা প্রয়োজন হতে পারে আগে থেকেই খেয়াল রাখা। এক সপ্তাহ পর কিসের প্রয়োজন হতে পারে, তা এখনই স্মরণ করিয়ে দেয়া।

১১. যে কাজে একবার দোষারোপ করা হয়, সে কাজে আবার যেন দোষারোপ করতে না হয়।


মোটকথা, ছলিক্বাসমৃদ্ধ মেয়ে সবসময় সুখে থাকবে। অন্যের সন্তুষ্টি পাবে। তার ঘর বেহেশতের নমুনা হবে। এসব বই পড়ে অর্জন করা যায় না। বুদ্ধি দিয়ে শিখতে হয়, আচার ব্যবহার থেকে শিখতে হয়। যার বয়বহার ভালো, তার কাছ থেকে শিক্ষা নিবে, যার ব্যবহার মন্দ, তার অনুসরণ করবে না।


আমার এ পত্রটি বুঝে শুনে দু’তিনবার পড়বে। যা বুঝে আসবে না, দাদী অথবা মাকে জিজ্ঞেস করে বুঝে নেবে। পত্রটি হেফাজত করে রাখবে। উপরোক্ত বিষয় সামনে রেখে নিজের মধ্যে কী কী ত্রুটি আছে, তা ভেবে দেখবে। নিয়মিত নামাজ পড়বে এবং কোরআন তেলাওয়াত করবে। এতে যেন ত্রুটি না হয়। এখানে সবাই ভালো আছে।


ইতি

উবায়দুল হক

১৬/১১/১৯৭৫

সরস্বতী পূজার আগে কুল কেন খায় না!

 সরস্বতী পূজার আগে কুল কেন খায় না!


একবার সরস্বতী দেবীকে তুষ্ট করার জন্য মহামুনি ব্যাসদেব হিমালয়ের পাদদেশে তাঁর আশ্রমে তপস্যা করছিলেন। তপস্যা শুরুর পূর্বে তাঁর তপস্যা স্থলের কাছে একটি কুল বীজ রেখে শর্ত দেওয়া হলো যে যখন এই কুলবীজ অংকুরিত হয়ে চারা, চারা থেকে গাছ, গাছের ফুল হতে নতুন কুল হবে কুল পেঁকে ব্যাসদেবের মাথায় পতিত হবে, সেইদিন তার তপস্যা পূর্ণ হবে এবং এর থেকে বোঝা যাবে যে  সরস্বতী দেবী তাঁর ওপর তুষ্ট হয়েছেন। ব্যাসদেবও সেই শর্ত মেনে নিয়ে তপস্যা শুরু করলেন।


ধীরে ধীরে বেশ কয়েক বছরে এই কুলবীজ অংকুরিত হয়ে চারা, চারা থেকে বড় গাছ, বড় গাছের ফুল থেকে নতুন কুল হয় এবং একদিন তা পেকে ব্যাসদেবের মাথায় পতিত হয়। তখন উনি বুঝতে পারলেন যে তাঁর তপস্যা পূর্ণ হয়েছে। কুল এর আরেক নাম বদ্রী, তপস্যার সাথে বদ্রী এর সম্পর্ক থাকায় ঐ স্থানের নাম বদরিকাশ্রম নামে প্রচার হয়ে যায়।


দিনটি ছিল শ্রীপঞ্চমীর দিন। সেদিন বেদমাতা সরস্বতীকে বদ্রী/কুল ফল নিবেদন করে অর্চনা করে তিনি ব্রহ্মসূত্র রচনা আরম্ভ করেন ও সরস্বতী দেবী তুষ্ট হয়েছিলেন। তাই সেই দিনের আগে অনেকে কুল ভক্ষণ করে না। শ্রীপঞ্চমীর দিন সরস্বতী দেবীকে কুল নিবেদন করার পরেই কুল ভক্ষণ করা হয়। 


দেবীভক্তরা এই সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন। তবে নিত্য পূজাকারী ভগবদ্ভক্তরা সরস্বতী পূজার আগেও ভগবানকে নিবেদন করে কুল বা বরই প্রসাদ গ্রহন করতে পারেন। সেই শাস্ত্র প্রমান বিষ্ণু-ধর্মোত্তর এবং শ্রীহরিভক্তিবিলাস ৯/৪০৬ এ উল্লেখ রয়েছে।


🕉️ নবমন্নং ফুলং পুষ্পং নিবেদ্য মধুসূদনে।

পশ্চাদ্ভুঙক্তে স্বয়ং যশ্চ তস্য তুষ্যতি কেশবঃ।।


📄 শ্রীমধুসূদনকে যিনি নূতন অন্ন, নূতন ফল(মৌসুমী ফল), ফুল প্রভৃতি অর্পণ করিয়া পরে নিজে ভোজন করেন, শ্রীকেশব তাহাকে অত্যন্ত প্রীতি করেন।


আরও বলা আছে,

🕉️ অম্বরীষ নবং বস্ত্রং ফলমন্নং রসাদিকম্।

কৃত্বা বিষ্ণুপভুভক্তন্ত্ত সদা সেব্যং হি বৈষ্ণবৈঃ।।


📄 হে মহারাজ অম্বরীষ! বৈষ্ণব ব্যক্তিগন নূতন কাপড়, প্রাপ্ত ফুল, নূতন ফল, অম্ল এবং রস প্রভৃতি সব দ্রব্যই শ্রীভগবানে সমর্পন করিয়া গ্রগন করিবেন।

~ (বিষ্ণুস্মৃতি, গৌতমাম্বরীষ সংবাদ)


📑 তাই, যারা প্রতিদিন ভগবানের মহাপ্রসাদ গ্রহন করেন, সরস্বতী পুজার পূর্বেও ভগবানকে কুল/বরই নিবেদন করে সেই প্রসাদ গ্রহন করতে পারেন। কিন্তু যারা ভগবানকে নিবেদন না করে নিজেরা গ্রহন করেন তাদের ক্ষেত্রে বিধি হচ্ছে তারা সরস্বতী পুজা পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন এবং এই পঞ্চমীর দিনে সরস্বতী মাতাকে নিবেদন করে সেই বরই গ্রহন করবেন।

শিক্ষক: কিরে, ক্লাসে তুই একাই নির্বোধ আর গাধা?

 ক্লাসরুমে এবং পরীক্ষার খাতায় ছাত্রছাত্রীদের দেওয়া কিছু অদ্ভুত উত্তর।


১.

বিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্ন এসেছে, পানিতে বাস করে এমন ৫টি প্রাণীর নাম লিখ।


ছাত্র লিখল...ব্যাঙ, ব্যাঙের বাবা, মা, বোন আর দুলাভাই।


২.

ইতিহাস ক্লাসে স্যার সুমিকে দাঁড় করালেন, "বলো তো, আকবর জন্মেছিলেন কবে?"


সুমি: স্যার, এটা তো বইয়ে নেই!


স্যার: কে বলেছে বইয়ে নেই। এই যে আকবরের নামের পাশে লেখা আছে ১৫৪২-১৬০৫।


সুমি: এটা জন্ম-মৃত্যুর তারিখ? আমি তো ভেবেছিলাম ওটা আকবরের ফোন নাম্বার। তাই তো বলি, এত্তবার ট্রাই করলাম, রং নাম্বার বলে কেন!


৩.

যুক্তিবিদ্যার ক্লাস চলছে।


শিক্ষক: আমি টেবিলটা ছুঁয়েছি, টেবিলটা মাটি ছুঁয়েছে, সুতরাং আমি মাটি ছুঁয়েছি — এভাবে একটা যুক্তি দেখাও তো।


দুজন ছাত্র হাত তুলল।


১ম ছাত্র: যেমন ধরুন স্যার, আপনি মুরগি খেয়েছেন, মুরগি কেঁচো খেয়েছে, সুতরাং আপনি কেঁচো খেয়েছেন।


২য় ছাত্র: আমি আপনাকে ভালবাসি, আপনি আপনার মেয়েকে ভালবাসেন, সুতরাং আমি আপনার মেয়েকে ভালবাসি।


৪.

বিজ্ঞান পরীক্ষার রেজাল্টের খাতা দেওয়ার দিন শিক্ষক জিজ্ঞাসা করলেন, "ব্যাকটেরিয়ার চিত্র আঁকতে বলা হয়েছিল। তুই সাদা খাতা জমা দিয়েছিস কেন?"


ছাত্র নির্বিকারভাবে জবাব দিল, স্যার, আমি ব্যাকটেরিয়ার চিত্র এঁকেছি। কিন্তু আপনি তো তা খালি চোখে দেখতে পারবেন না!


৫.

ড্রইং পরীক্ষায় বিড়াল আঁকতে দেওয়া হয়েছে। ক্লাস ফাইভের মেয়ে গম্ভীর মুখে বিরাট এক বিড়াল আঁকছে পাতা জুড়ে। নিচে ডানদিকে লিখেছে পি টি ও। টিচার অবাক। জিজ্ঞেস করলেন, "ড্রইং খাতায় পি টি ও কেন?"


ছাত্রী জানাল, "আমার মা বলে দিয়েছেন উত্তর এক পাতায় না ধরলে ওই কথা লিখতে হয়। আমার বিড়াল এত বড় হয়েছে যে সেই অনুপাতে একটি পেল্লায় লেজ দরকার। সেই লেজ এই পাতায় আঁটবে না। তাই আমি ঠিক করেছি পি টি ও লিখে পরের পাতায় মনের সাধ মিটিয়ে লেজখানা আঁকব।


৬.

শিক্ষক: "উত্তম" শব্দের বিপরীত শব্দ বলো।


ছাত্রী: (মুচকি হেসে) সুচিত্রা।


৭.

অন্যমনস্ক এক ছাত্রীকে স্যার জিজ্ঞাসা করলেন, "এই মেয়ে, সর্বনাম পদের দুইটা উদাহরণ দাও তো।"


মেয়েটি হকচকিয়ে দাঁড়িয়ে বলল, "কে? আমি?"


শিক্ষক বললেন, "গুড। হয়েছে, বসো।"


৮.

শিক্ষক: আচ্ছা দুধ থেকে ছানা তৈরির একটি সহজ উপায় বল।


ছাত্র: ভীষন সহজ স্যার। গাভীকে তেঁতুল খাওয়ালেই হবে।


৯.

শিক্ষক: তোমার কাছে দেয়াশলাই বা গ্যাস লাইট নেই। আগুন জ্বালাবে কীভাবে?


ছাত্র: স্যার রবি সিম সামনে রেখে বলবো জ্বলে ওঠো আপন শক্তিতে!


১০.

শিক্ষকঃ বল তো সবচেয়ে হাসিখুশি প্রাণী কোনটি?


ছাত্র: হাতি স্যার!


শিক্ষক: কেন?


ছাত্র: দেখেন না, হাতি খুশিতে সব সময় তার দাঁত বের করে রাখে।


১১.

শিক্ষক: সন্ধি কাকে বলে?


ছাত্র: স্যার, প্রথমটুকু পারি না, শেষেরটুকু পারি।


শিক্ষক: আচ্ছা, শেষেরটুকুই বল।


বল্টু: স্যার, শেষেরটুকু হলো...তাকে সন্ধি বলে।


১২.

শিক্ষক: তুই কি বলবে Dialog নাকি Paragraph?


ছাত্র: Dialog বলব স্যার।


শিক্ষক: ঠিক আছে বল।


ছাত্র: চৌধুরী সাহেব! আমরা গরিব হতে পারি, কিন্তু আমরা মানুষ, আমাদেরও ইজ্জত আছে।


(শিক্ষক রেগে গিয়ে খপ করে ছাত্রের চুলের মুঠি ধরে ফেললেন)


ছাত্র: তোর সাহস তো কম না, বামন হয়ে চাঁদের দিকে হাত বাড়াস। জানিস, তোর ওই হাত আমি কেটে ফেলতে পারি?


১৩.

শিক্ষক: যারা একেবারে নির্বোধ এবং গাধা তারা ছাড়া সবাই বসে পড়।


সকলে বসে পড়লেও শুধু সবুজ একা দাঁড়িয়ে আছে।


শিক্ষক: কিরে, ক্লাসে তুই একাই নির্বোধ আর গাধা?


সবুজ: না স্যার, আপনি একা দাঁড়িয়ে আছেন, এটা ভাল দেখাচ্ছে না, তাই...।


©অনুগল্প


#allfriends #allfollowers

পটুয়াখালী জেলায় কোন ইউনিয়নে আপনার বাড়ি?

 পটুয়াখালী জেলায় কোন ইউনিয়নে আপনার বাড়ি?


১. কাছিপাড়া  

২. বগা, 

৩. মদনপুর, 

৪. নাজিরপুর, 

৫. কালাইয়া 

৬. দাসপাড়া 

৭. বাউফল 

৮. আদাবারিয়া 

৯. ন‌ওমালা 

১০. চন্দ্রদ্বীপ

১১. কালিশুরি 

১২. ধুলিয়া 

১৩. কেশবপুরা 

১৪. সূর্যমনি 

১৫. বিলবিলাস 

১৬. রনগোপালদী 

১৭. আলিপুরা 

১৮. বেতাগী 

১৯. দশমিনা 

২০. বহরমপুর 

২১. বাঁশবাড়িয়া 

২২. চর বোরহান 

২৩. শ্রীরামপুর 

২৪. লেবুখালী 

২৫. পাঙ্গাসিয়া 

২৬. আঙ্গারিয়া 

২৭. মুরাদিয়া 

২৮. আমখোলা 

২৯. গোলখালি 

৩০. গলাচিপা 

৩১. পানপট্টি 

৩২. ডাকুয়া 

৩৩. চিকনিকান্দি 

৩৪. বকুলবাড়িয়া 

৩৫. চাকমাইয়া 

৩৬. টিয়াখালী 

৩৭. লালুয়া 

৩৮. মিডাগঞ্জ 

৩৯. নীলগঞ্জ 

৪০. ধানখালী 

৪১. বালিয়াতলী 

৪২. চম্পাপুর 

৪৩. মহিপুর 

৪৪. চালিতাবুনিয়া 

৪৫. ধুলাসার 

৪৬. ডাবলুগঞ্জ 

৪৭. রাঙ্গাবালী 

৪৮. বড় বাইশদিয়া 

৪৯. ছোট বাঁইশদিয়া 

৫০. চরমোনন্তাজ 

৫১. চালিত বুনিয়া 

৫২. মৌডুবি 

৫৩. চরকাজল 

৫৪. চর বিশ্বাস 

৫৫. কলাগাছিয়া 

৫৬. গজালিয়া 

৫৭. মাধবখালী 

৫৮. মির্জাগঞ্জ 

৫৯. সুবিদখালী 

৬০. কাকরাবুনিয়া 

৬১. মজিদ বারিয়া 

৬২. লাউকাঠি 

৬৩. বদরপুর 

৬৪. ইটবাড়িয়া 

৬৫. লোহালিয়া 

৬৬. কমলাপুর 

৬৭. জৈনকাঠি 

৬৮. কালিকাপুর 

৬৯. মাদারবুনিয়া 

৭০. আউলিয়াপুর 

৭২. ছোটবিঘাই 

৭২. বড়বিঘাই 

৭৩. মরিচবুনিয়া 

৭৪. ভুরিয়া 

৭৫. মৌকারন

আপনি ধান চাষে কি পরিমাণ সার ব্যবহার করলে বাম্পার ফলন পাবেন-শতক প্রতি হিসাব:

 আপনি ধান চাষে কি পরিমাণ সার ব্যবহার করলে বাম্পার ফলন পাবেন-শতক প্রতি হিসাব:


ইউরিয়া= ১.০৯ কেজি

টিএসপি/ডিএপি= ৪৫৪ গ্রাম 

জিপসাম= ৪৫৪ গ্রাম

পটাশ= ৩৩৬ গ্রাম 

জিংক/দস্তা= ৪৫ গ্রাম

বোরন = ৩৫ গ্রাম 

ম্যাগসার = ৬০ গ্রাম 

দানাদার= ৩৫ গ্রাম 


বিঘা প্রতি ৩৩ শতকে সারের পরিমান

ইউরিয়া= ৩৬ কেজি

টিএসপি/ডিএপি= ১৫ কেজি

জিপসাম= ১৫ কেজি 

পটাশ= ২১ কেজি

জিংক/দস্তা= ১.৫০ কেজি

বোরন = ১ কেজি

ম্যাগসার =২ কেজি

দানাদার= ১ কেজি


টিএসপি সারের পরিবর্তে ডিএপি সার দিলে ৪০%  ইউরিয়া সার কম প্রয়োগ করতে হবে। 


#সার_প্রয়োগ_পদ্ধতিঃ 


জমি তৈরির শেষ চাষে সমস্ত টিএসপি+জিপসাম+বোরন+ম্যাগসার+জিংক+দানাদার (আলাদাভাবে) তিন ভাগের দুই ভাগ পটাশ ছিটিয়ে দিতে পারেন। 


জিংক/দস্তা সার প্রথম বা দ্বিতীয় চাষে দেওয়া ভালো। 


ইউরিয়া সার তিন কিস্তিতে প্রয়োগ করতে হবে। 


#প্রথম_কিস্তি:

চারা রোপনের ১০-১২ দিনের মধ্যে ইউরিয়া উপরি করতে হবে। 


#দ্বিতীয়_কিস্তি: 

চারা রোপনের ২৫-৩০ দিনের মধ্যে উপরি প্রয়োগ করতে হবে। 


#তৃতীয়_কিস্তি: 

চারা রোপনের ৪৫-৫০ দিনের মধ্যে উপরি প্রয়োগ করতে হবে। এবং তিন ভাগের এক ভাগ পটাশ তৃতীয় কিস্তি ইউরিয়া সারের সাথে মিশিয়ে প্রয়োগ করতে হবে।


#ধান #ধানের

কুয়াকাটার দর্শনীয় স্থান যা আপনাকে মুগ্ধ করবেই! 

 কুয়াকাটার দর্শনীয় স্থান যা আপনাকে মুগ্ধ করবেই! 


কুয়াকাটা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত একটি জনপ্রিয় সমুদ্র সৈকত এবং পর্যটন স্থান। এটি পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত এবং বাংলাদেশের একমাত্র স্থান যেখান থেকে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত দুটিই দেখা যায়। কুয়াকাটার কিছু দর্শনীয় স্থান নিম্নরূপ:


### ১. **কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত**

   - কুয়াকাটার মূল আকর্ষণ হলো এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা সমুদ্র সৈকত। এখানে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের দৃশ্য অত্যন্ত মনোরম।

   - সৈকতটি পরিষ্কার এবং প্রশস্ত, যা পর্যটকদের জন্য হাঁটা, সাঁতার কাটা এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য আদর্শ।


### ২. **গঙ্গামতি চর**

   - কুয়াকাটা থেকে কিছু দূরত্বে অবস্থিত গঙ্গামতি চর একটি নির্জন এবং শান্তিপূর্ণ স্থান। এখানে সবুজ ম্যানগ্রোভ বন এবং সমুদ্রের মিলন দেখা যায়।

   - এই চরে পর্যটকরা নৌকা ভ্রমণ করতে পারেন এবং প্রকৃতির সান্নিধ্য উপভোগ করতে পারেন।


### ৩. **মিশ্রিপাড়া বৌদ্ধ বিহার**

   - কুয়াকাটার কাছে অবস্থিত মিশ্রিপাড়া বৌদ্ধ বিহার একটি ঐতিহাসিক এবং ধর্মীয় স্থান। এটি স্থানীয় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

   - বিহারটি স্থাপত্য শৈলী এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশের জন্য দর্শনীয়।


### ৪. **ফাতরার বন**

   - কুয়াকাটার কাছে অবস্থিত ফাতরার বন একটি প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বন। এটি জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ এবং বিভিন্ন প্রজাতির পাখি ও প্রাণীর আবাসস্থল।

   - পর্যটকরা এখানে নৌকা ভ্রমণ করে বনের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন।


### ৫. **ঝাউবাগান**

   - কুয়াকাটা সৈকতের পাশে অবস্থিত ঝাউবাগান একটি মনোরম স্থান। এখানে সারিবদ্ধ ঝাউগাছ এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পর্যটকদের আকর্ষণ করে।

   - এটি হাঁটার জন্য এবং ছবি তোলার জন্য একটি জনপ্রিয় স্থান।


### ৬. **লেবুর চর**

   - কুয়াকাটার কাছে অবস্থিত লেবুর চর একটি ছোট দ্বীপ, যা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং নির্জনতার জন্য পরিচিত। এখানে নৌকা ভ্রমণ করে প্রকৃতির সান্নিধ্য উপভোগ করা যায়।


### ৭. **আলীপুর বীচ**

   - কুয়াকাটা থেকে কিছু দূরত্বে অবস্থিত আলীপুর বীচ একটি নির্জন এবং শান্তিপূর্ণ সমুদ্র সৈকত। এটি কুয়াকাটার তুলনায় কম ভিড় এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা।


### ৮. **সোনাকাটা বীচ**

   - সোনাকাটা বীচ কুয়াকাটার আরেকটি জনপ্রিয় সমুদ্র সৈকত। এখানে পর্যটকরা সূর্যাস্তের দৃশ্য উপভোগ করতে পারেন।


### ৯. **কুয়াকাটা ইকো পার্ক**

   - কুয়াকাটা ইকো পার্ক একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চল, যা জীববৈচিত্র্য এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত। এখানে পর্যটকরা প্রকৃতির মাঝে সময় কাটাতে পারেন।


### ১০. **স্থানীয় মৎস্য বন্দর**

   - কুয়াকাটার স্থানীয় মৎস্য বন্দর একটি আকর্ষণীয় স্থান, যেখানে পর্যটকরা মাছ ধরার নৌকা এবং স্থানীয় মৎস্যজীবীদের জীবনযাত্রা দেখতে পারেন।


কুয়াকাটা তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, নির্জন সমুদ্র সৈকত এবং অনন্য সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের জন্য পর্যটকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণীয়। এটি প্রকৃতি প্রেমীদের জন্য একটি আদর্শ গন্তব্য।

- Khondokar Mohammad 

#hotel #grandsafa #kuakata #sightseeing Highlight

সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

পেঁপে গাছের চারা দ্রুত বৃদ্ধি এবং সঠিকভাবে বৃদ্ধির জন্য নিচে উল্লেখিত সার এবং কীটনাশকের ব্যবহার এবং যত্নের পরামর্শ দেওয়া হলো:

 পেঁপে গাছের চারা দ্রুত বৃদ্ধি এবং সঠিকভাবে বৃদ্ধির জন্য নিচে উল্লেখিত সার এবং কীটনাশকের ব্যবহার এবং যত্নের পরামর্শ দেওয়া হলো:


১. সারের ব্যবহার:


জৈব সার: চারা লাগানোর ২-৩ সপ্তাহ পর প্রতি গাছের গোড়ায় ১-২ কেজি পচা গোবর বা কম্পোস্ট সার দিন।


নাইট্রোজেন সার (ইউরিয়া): চারা বড় হওয়ার সময় প্রতি মাসে ২৫-৩০ গ্রাম ইউরিয়া ব্যবহার করুন। গাছের চারপাশে গোল করে মাটির সাথে মিশিয়ে দিন।


ফসফেট সার (টিএসপি): প্রতি গাছের জন্য ২০-২৫ গ্রাম প্রয়োগ করুন। এটি শিকড়ের বিকাশে সাহায্য করে।


পটাশ সার (এমওপি): প্রতি মাসে ১৫-২০ গ্রাম প্রয়োগ করুন। এটি ফল ধরার আগে প্রয়োজন।


ডোলোমাইট বা চুন: মাটির পিএইচ সঠিক রাখার জন্য প্রয়োগ করতে পারেন। এটি রোগ প্রতিরোধেও সহায়তা করে।


২. কীটনাশকের ব্যবহার:


পোকামাকড় প্রতিরোধে:


ইমিডাক্লোপ্রিড: এফিড বা সাদা মাছি দমন করতে পাতায় স্প্রে করুন (প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি)।


ক্লোরপাইরিফস: কাণ্ডের আশেপাশে মাটিতে পোকা দমনে প্রয়োগ করুন।


ছত্রাকনাশক:


ম্যানকোজেব বা কার্বেন্ডাজিম: প্রতি ১০-১২ দিনে একবার স্প্রে করুন। এটি ছত্রাকজনিত রোগ প্রতিরোধ করবে।


৩. অতিরিক্ত যত্ন:


সেচ: নিয়মিত পানি দিন, তবে জমে থাকা পানি এড়িয়ে চলুন।


আগাছা পরিষ্কার: গাছের চারপাশ পরিষ্কার রাখুন।


গোড়া মালচিং: মাটির আর্দ্রতা ধরে রাখতে এবং আগাছা কমাতে মালচ ব্যবহার করুন।


৪. রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা:


পেঁপে গাছে পাউডারি মিলডিউ বা ভাইরাস আক্রমণ হলে গাছ দুর্বল হয়ে যায়। এমন ক্ষেত্রে রোগ প্রতিরোধে উপযোগী কীটনাশক বা ছত্রাকনাশক ব্যবহার করুন।


নিয়মিত এসব উপাদান সঠিকভাবে প্রয়োগ করলে গাছ দ্রুত বেড়ে উঠবে।


মোহাম্মদ এগ্রো ফার্ম

একাকী সফর যে কতোটা ভয়ানক, তা’ যদি মানুষ বুঝতে পারতো, সে রাত্রীবেলায় একাকী সফর করতোনা ।” বোখারি ২৯

 “ একাকী সফর যে কতোটা ভয়ানক, তা’ যদি মানুষ বুঝতে পারতো, সে রাত্রীবেলায় একাকী সফর করতোনা ।” বোখারি ২৯৯৮. MQM


••• একাকী ও নিঃসঙ্গতা ইসলাম ধর্ম সমর্থন করেনা •••


*** নানা কারণে মানুষ কখনো কখনো একা হয়ে পড়ে । তাঁর উপর অবতীর্ণ হয় নিঃসঙ্গ জীবন । তাঁর চারপাশে কেবলই নীরবতা । অর্থ - সম্পদ , বিদ্যা - বুদ্ধি সবকিছু থেকেও যেনো নেই । সুস্পস্ট সূর্যের আলোতেও তাঁর চোখে কেবলই অন্ধকার ! ভাই- বোন, স্ত্রী - সন্তান কেউ তাঁকে সময় দেয়না ! কারো হাতে সময় নেই দেবার ! এ যেনো বড় কেয়ামতের পূর্বেই ছোট কেয়ামত ! নানামূখী টেনশান ও দুশ্চিন্তার সাথে লড়াই করে টিকে থাকতে না পেরে কেউ কেউ চিরতরে হারিয়ে যায় এ ধরণীর বুক থেকে ! 


*** আত্মহত্যার পথ বেচে নেয় ! আধুনিক সমাজে লাইভে না এসে আত্মহত্যা করা মাকরুহ !!! !!! আর তাই সবকিছু গুছিয়ে নিয়ে অতঃপর অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় আত্মহত্যা করে ! এখানেই ব্যক্তির চূড়ান্ত পরাজয় ! 


*** একাকী ভ্রমণ ও ঘরে নিঃসঙ্গ অবস্থান করতে নিষেধ করেছেন মহানবী সাঃ । 


ছহীহুল জামে’ ৬৯১৯

حاشية بلوغ المرام لابن باز رح  ٧٩٩

মুসনাদে আহমদ ৫৬৫০


*** মহানবী সাঃ বলেছেন “ একাকী সফর যে কতোটা ভয়ানক , তা’ যদি মানুষ বুঝতে পারতো , সে রাত্রীবেলা সফরে বের হতোনা ।” 


ছহীহুল বোখারি ২৯৯৮


*** মানুষ বিয়ে করে কেন ? এ জন্য বিয়ে করে যে, পারস্পরিক দৈহিক ও মানসিক শান্তি শেয়ার করবে । এতে করে উভয়ে টেনশান মুক্ত থাকতে পারবে । সুখ- দুঃখ ভাগাভাগি করে সামনে এগিয়ে যাবে । 


স্ত্রী যদি থাকেন অস্ট্রেলিয়ায় আর স্বামী যদি ঢাকার একটি ফ্ল্যাটে নিঃসঙ্গ ঘুমান ! এভাবেই যদি অতিক্রান্ত হয় সময়টা , বিপদ সুনিশ্চিত ! কারণ মহানবী সাঃ নিঃসঙ্গ থাকতে নিষেধ করেছেন । ঘরে একাকী বসবাস করতে নিষেধ করেছেন । 


*** মহানবী সাঃ কেন একাকী থাকতে নিষেধ করেছেন ? যেহেতু একাকী থাকা অবস্থায় ব্যক্তি যদি মারা যায়, সহজে কেউ জানতে পারবেনা । একাকী থাকা অবস্থায় যে কোন বিপদ অবতীর্ণ হতে পারে । জ্বীন - মানুষ শয়তানদের আক্রমণ ও খারাপ প্রভাব পড়তে পারে ! 


*** লোকালয়ে / হাটে - বাজারে/ জংশনে একাকী সফর করাতে সমস্যা নেই । পক্ষান্তরে ডেজার্টে / জন- মানবহীন স্থানে বা অনেক দূরের সফরে একাকী বের হওয়া বিপদজনক ! 


*** নিঃসঙ্গময় জীবনে শয়তান কুমন্ত্রণা / খারাপ পরামর্শ ও প্ররোচনা দিতে পারে অন্তরে । এ কারণে একাকী থাকা যাবেনা । কিন্তু আমাদের সমাজ ! আমাদের আপনজন ! আমাদের বাস্তবতা আমাদেরকে একাকী ও নিঃসঙ্গতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে ! এভাবেই হারিয়ে যাচ্ছে জাতির কিছু মূল্যবান সম্পদ । কিছুই বলার নেই ! 


MQM Saifullah Mehruzzaman

রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ ১৪-০৫-২০২৬

 রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ ১৪-০৫-২০২৬ আজকের সংবাদ শিরোনাম আগামী বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা জানুয়ারিতে, এইচএসসি জুনে --- জানালেন শিক...