এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে তুলসীর ১৬ টি গুণাগুনঃ-

 আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে তুলসীর ১৬ টি গুণাগুনঃ-তুলসী একটি মহা-মূল্যবান ঔষধিগাছ। তুলসী অর্থ যার তুলনা নেই। এর পাতা, বীজ, ডাল সবকিছুই মানুষের উপকারে লাগে। আয়ুর্বেদে তুলসীকে ভেষজের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আখ্যা দেয়া হয়েছে। 

তুলসী সর্দি, কাশি, কৃমি ও বায়ুনাশক এবং মুত্রকর, হজমকারক ও এন্টিসেপটিক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বুদ্ধি ও স্মরণশক্তি বাড়াতে প্রতিদিন ৫-৭টা তুলসী পাতা খেতে পারেন। আসুন জেনে নিন এর ১৬ টি পুষ্টিগুণ-

১. জ্বর প্রতিরোধে-

জ্বর হলে পানির মধ্যে তুলসী পাতা, গোল মরিচ এবং মিশ্রী মিশিয়ে ভাল করে সেদ্ধ করুন। তুলসী পাতা, গোল মরিচ এবং মিশ্রী মিশিয়ে সিরাপ তৈরি করুন। দিনের মধ্যে তিন-চার বার সিরাপ খেলে জ্বর খুব তাড়াতাড়ি সেরে যাবে।

২. ডায়রিয়া হলে-

পেট খারাপ হলে তুলসীর ১০ টা পাতা সামান্য জিরের সঙ্গে পিষে ৩-৪ বার খেলে পায়খানা বন্ধ হয়ে যাবে।

৩. ত্বকের বলীরেখা ও ব্রন দূর করতে-

ত্বকের চমক বাড়ানো, ত্বকের বলীরেখা এবং ব্রন দূর করার জন্য তুলসী পাতা পিষে মুখে লাগান। স্মরণশক্তি বাড়ানোর জন্য প্রতিদিন ৫-৭ টা তুলসী পাতা চিবান। ত্বকের সমস্যা দূর করতে তিল তেলের মধ্যে তুলসী পাতা ফেলে হালকা গরম করে ত্বকে লাগান।

৪. মূত্রাশয়ের জ্বালা যন্ত্রনায়-

প্রস্রাবে জ্বালা হলে তুলসী পাতার রস ২৫০ গ্রাম দুধ এবং ১৫০ গ্রাম জলের মধ্যে মিশিয়ে পান করুন। তুলসীর বীজ পানিতে ভিজালে পিচ্ছিল হয়। এই পানিতে চিনি মিশিয়ে শরবতের মত করে খেলে প্রস্রাবজনিত জ্বালা যন্ত্রনায় বিশেষ উপকার হয়।

৫. সর্দি-কাশিতে তুলসী-

ছেলেমেয়েদের সর্দি-কাশিতে তুলসী পাতার রস ব্যাপক ভাবে ব্যবহৃত হয়। এসব ক্ষেত্রে কয়েকটি তাজা তুলসী পাতার রসের সাথে একটু আদার রস ও মধুসহ খাওয়ানো হয়। বাচ্চাদের সর্দি-কাশিতে এটি বিশেষ ফলপ্রদ। তাজা তুলসী পাতার রস মধু, আদা ও পিঁয়াজের রসের সাথে এক সাথে পান করলে সর্দি বের হয়ে যায় এবং হাপানিতে আরাম হয়।

৬. আমাশয়, রক্ত-

তুলসী পাতার রসে মধু মিশিয়ে খাওয়ালে বাচ্চাদের পেট কামড়ানো, কাশি ও লিভার দোষে উপকার পাওয়া যায়। এটি হজমকারক। প্রতিদিন সকালে ১৮০ গ্রাম পরিমান তুলসী পাতার রস খেলে পুরাতন জ্বর, রক্তক্ষয়, আমাশয়, পায়ু পথে রক্ত পরা রোগ ভালো হয়ে যায়।

৭. চর্মরোগে-

তুলসী পাতা ও দুর্বার ডগা বেটে গায়ে মাখলে ঘামাচি ও চুলকানি ভাল হয়। যে কোনো চর্মরোগ বা ঘা দ্রুত কমাতে তুলসী পাতা এবং ফিটকিরি একসঙ্গে পিষে ঘা এর স্থানে লাগান, কমে যাবে।

৮. ম্যালেরিয়া জ্বর-

তুলসীর পাতা ও শিকড় ম্যালেরিয়া জ্বরের জন্য বেশ উপকারী। ম্যালেরিয়ার প্রতিষেধক হিসেবে প্রতিদিন সকালে গোল মরিচের সাথে তুলসী পাতার রস খেতে দেয়া হয়। বসন্ত, হাম প্রভৃতির পুঁজ ঠিকমত বের না হলে তুলসী পাতার রস খেলে তাড়াতাড়ি বের হয়ে আসবে।

৯. বক্ষপ্রদাহ ও উদারাময়-

তুলসী পাতার রসের সাথে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে ক্রিমি রোগে বেশ উপকার পাওয়া যায়। শুষ্ক তুলসী পাতা সর্দি, স্বরভঙ্গ, বক্ষপ্রদাহ, উদারাময় প্রভৃতি রোগ নিরাময় করে থাকে।

১০. কানের ব্যথায়-

তুলসী পাতার রস ফোঁটা ফোঁটা করে কানে দিলে কানের ব্যথা ও কান থেকে পুঁজ পড়া রোগ সেরে যায়।

১১. বাত ব্যথায়-

অর্শ এবং অজীর্ণ রোগ সেরে যায়। বাত ব্যথায় আক্রান্ত স্থানে তুলসী পাতার রসে ন্যাকড়া ভিজিয়ে পট্টি দিলে ব্যথা সেরে যায়।

১২. বিষাক্ত কীট-পতঙ্গ কামড়ালে-

বোলতা, ভীমরুল, বিছা প্রভৃতি বিষাক্ত কীট-পতঙ্গ কামড়ালে ঐ স্থানে তুলসী পাতার রস গরম করে লাগালে জ্বালা-যন্ত্রণা কম হয়।

১৩. যৌনদূর্বলতা-

তুলসী পাতার রস, এলাচ গুঁড়া এবং এক তোলা পরিমাণ মিছরী মিশ্রণ পান করলে ধাতু পরা সমস্যা ভালো হয়। এটি অত্যন্ত ইন্দ্রিয় উত্তেজক। প্রতিদিন এক ইঞ্চি পরিমাণ তুলসী গাছের শিকড় পানের সাথে খেলে যৌনদূর্বলতা রোগ সেরে যায়।

১৪. শ্লেষ্মা ও মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে-

তুলসী পাতা গরম পানিতে সেদ্ধ করে সে পানিতে গড়গড়া করলে মুখ ও গলার রোগজীবাণু মরে, শ্লেষ্মা দূর হয় ও মুখের দুর্গন্ধও দূর হয়। মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে দিনে ৪-৫ বার তুলসী পাতা চেবান ৷

১৫. উচ্চ রক্তচাপ কমাতে-

এটি উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমিয়ে হৃদপিণ্ডের রক্ত সরবরাহের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। এটি যকৃতের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।

১৬. পোড়া দাগ-

শরীরের কোন অংশ যদি পুড়ে যায় তাহলে তুলসীর রস এবং নারকেলের তেল ফেটিয়ে লাগান, এতে জ্বালা কমবে। পোড়া জায়গাটা তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে। সেখানে কোন দাগ থাকবে না।

এই ওষধি পাতা সারাবছরই ব্যবহার করা যায়। এমন গুরুত্বপূর্ণ ঔষধি গাছ আমাদের পরিবেশে, বনে-ঝোপে প্রাকৃতিক পরিবেশে খুব বেশি আর টিকে নেই। তুলসী গাছের বাতাস ও যথেষ্ট উপকারী। আসুন পরিবেশ বাঁচাতে গাছ রক্ষায় প্রতিরোধ গড়ে তুলি।

অত্যন্ত স্বল্প খরচে প্রাকৃতিকভাবে কৃষিপণ্য ও ফল-সবজি সংরক্ষণের টেকনোলজি: **জিরো এনার্জি কুলিং চেম্বার **

 # অত্যন্ত স্বল্প খরচে প্রাকৃতিকভাবে কৃষিপণ্য ও ফল-সবজি সংরক্ষণের টেকনোলজি: **জিরো এনার্জি কুলিং চেম্বার **


**ZECC হলো এমন একটি সহজ প্রযুক্তি, যা কোনো কেমিক্যাল বা বিদ্যুৎ ছাড়াই শীতলতা সৃষ্টি করে ফসল ফ্রেশ রাখে, যা ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের জন্য অত্যন্ত কার্যকর। এটি কম খরচে তৈরি করা যায়। যেসব অঞ্চলে কৃষকরা বিদ্যুৎবিহীন কোল্ড স্টোরেজ খুঁজছেন, তাদের জন্য ZECC হতে পারে একটি টেকসই সমাধান।** 


বাংলাদেশসহ অনেক দেশে কৃষকদের অন্যতম প্রধান সমস্যা হলো ফসল কাটার পর সংরক্ষণ করা। সঠিক সংরক্ষণের অভাবে প্রচুর পরিমাণে ফলমূল ও শাকসবজি নষ্ট হয়ে যায়, যা কৃষকদের জন্য বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কোল্ড স্টোরেজ কৃষকদের জন্য ব্যয়বহুল ও বিদ্যুৎনির্ভর হওয়ায় অনেক ক্ষেত্রেই তা ব্যবহারযোগ্য নয়। এই সমস্যার সমাধান হতে পারে "জিরো এনার্জি কুলিং চেম্বার" (ZECC), যা অত্যন্ত কম খরচে কার্যকরভাবে কৃষিপণ্য সংরক্ষণে সাহায্য করতে পারে।


জিরো এনার্জি কুলিং চেম্বার (ZECC) কী?


**ZECC এমন একটি প্রযুক্তি যা বাষ্পীয় শীতলীকরণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খাদ্য সংরক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হয়। এটিতে মূলত দুটি ইটের দেয়ালের মধ্যে বালু ভর্তি করে এবং তা নিয়মিত পানি দিয়ে ভিজিয়ে রাখা হয়। ফলে পানি বাষ্পীভূত হওয়ার সময় তাপ শোষণ করে ভিতরের তাপমাত্রা কমিয়ে দেয়। এই চেম্বারের প্রধান কার্যপ্রণালী হলো বাষ্পীভবনের মাধ্যমে তাপমাত্রা কমানো। এই প্রক্রিয়ায় চেম্বারের ভেতরকার তাপমাত্রা আশপাশের পরিবেশের তুলনায় ১০-১৫°C কম থাকে।**


ভারতে মাঠপর্যায়ে পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে ZECC ব্যবহার করে ফল ও সবজির সতেজকাল উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা যায়। 


তাদের গবেষণায় দেখা গেছে—


**- ব্রকলি: বাইরে ৭ দিন, ZECC-তে ১২ দিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করা সম্ভব।**


**- কলা: বাইরে ৭ দিন, ZECC-তে ২০ দিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করা সম্ভব!**


**- টমেটো: বাইরের তাপমাত্রায় ৫-৭ দিন, ZECC-তে ১৫-২০ দিন সতেজ থাকে।**


**- আম: বাইরে ৬-৮ দিন ভালো থাকে, ZECC-তে ১৫ দিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়।**


**- আলু বাইরে ৪৬ দিন, ZECC-তে ৯০ দিন ভাল থাকে। **


**- মরিচ বাইরে ৫ দিন, ZECC-তে ১০ দিন ভাল থাকে।**


**- পাতাযুক্ত সবজি যেমন লাল শাক, পালং শাক ZECC-এ ৩-৫ দিন পর্যন্ত সতেজ রাখা সম্ভব, যা বাইরে ১ দিনেই নষ্ট হতে পারে।**


এই কুলিং চেম্বার তৈরিতে কৃষকদের জন্য বাস্তবিক সুবিধাগুলো হচ্ছে—


**- এটি সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব। এটি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় কাজ করে, তাই কোনো কেমিক্যাল কিংবা বিদ্যুৎ সংযোগের প্রয়োজন হয় না।**


**- কম খরচে তৈরি করা সম্ভব। স্থানীয়ভাবে সহজলভ্য উপকরণ দিয়ে এটি নির্মাণ করা যায়।**


**- ফসলের সংরক্ষণকাল বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষকরা পণ্যের ভালো দাম পেতে পারে। ফলে কৃষকদের ক্ষতি কমে এবং লাভজনক কৃষি সম্ভব হয়।**


**- পুষ্টিমান অটুট থাকে। প্রচলিত পদ্ধতিতে সংরক্ষণের চেয়ে এটিতে ফল ও সবজির স্বাদ ও পুষ্টিমান ভালোভাবে বজায় রাখে।**


**- কোনো দক্ষ শ্রমিকের প্রয়োজন নেই, সাধারণ কৃষকরাও এটি তৈরি করতে পারেন।  **


**- শুধুমাত্র দৈনিক দুইবার পানি ছিটিয়ে ভিজিয়ে রাখলেই এটি কার্যকর থাকে। একবার তৈরি করলে অনেক বছর ধরে ব্যবহার করা যায়।  **


**- বিভিন্ন খামারজাত পণ্য সংরক্ষণেও ব্যবহারযোগ্য। শাকসবজি ও ফল ছাড়াও দুধ, দই, ফুল, রান্না করা খাবার, মাশরুম ইত্যাদি সংরক্ষণে এটি কার্যকর।  **


*ভারতের মিজোরামে মাঠপর্যায়ে কৃষকদের উপর গবেষণায় দেখা গেছে, ZECC ব্যবহারের ফলে কৃষকরা তাদের বিক্রয়যোগ্য ফ্রেশ পণ্যের পরিমাণ ৩০-৪০% পর্যন্ত বাড়াতে পেরেছে। কৃষকরা তাদের ফসল সংরক্ষণ করতে পারায় তারা ভালো দামে বিক্রি করতে পেরেছে।*


বাংলাদেশে পচনশীল কৃষিপণ্য সংরক্ষণের অভাবে কৃষকরা প্রায়ই বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হন। প্রচলিত কোল্ড স্টোরেজ ব্যবস্থাপনা ব্যয়বহুল এবং বিদ্যুৎনির্ভর, যা অনেক কৃষকের নাগালের বাইরে। এই সমস্যার সমাধানে "জিরো এনার্জি কুলিং চেম্বার" (ZECC) একটি টেকসই ও কার্যকরী সমাধান হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে।


ZECC নির্মাণের উপকরণ ও পদ্ধতি—


*- ইট*


*- জল শোষণকারী পদার্থ (বালি, খড় বা কাঠের গুঁড়া) *


*- সিমেন্ট*


*- কাঠ*


*- জিআই তার*


*- শিট*


*এছাড়াও, স্থানীয়ভাবে সহজলভ্য উপকরণ যেমন কাদামাটি, বাঁশ, শুকনো ঘাস ও পাটের চট ইত্যাদি দিয়েও জিরো এনার্জি কুলিং চেম্বার তৈরি করা যায়। *


নির্মাণ পদ্ধতি:


*1. স্থান নির্বাচন: ছায়াযুক্ত স্থানে ZECC তৈরি করা হয়।*


*2. ইটের কাঠামো: দুই স্তরের ইটের দেয়াল তৈরি করা হয়, যার মধ্যে ৭.৫ সেমি ফাঁক থাকে।*


*3. বালু ভরাট: দেয়ালের মধ্যবর্তী ফাঁকা জায়গা বালু দিয়ে ভরাট করা হয়।*


*4. পানির ব্যবহার: বালুতে নিয়মিত পানি দিয়ে ভিজিয়ে রাখা হয়, যাতে বাষ্পীয় শীতলীকরণ প্রক্রিয়া সক্রিয় থাকে।*


*5. ছাদ নির্মাণ: রোদ ও বৃষ্টির হাত থেকে রক্ষা করতে টিনের ছাদ তৈরি করা হয়।*


*

*Muhammad Rahat

ভুল সবই ভুল। জেনে নিন কোনটা ভুল আর কোনটা নির্ভুল:

 ভুল সবই ভুল। জেনে নিন কোনটা ভুল আর কোনটা নির্ভুল:

১. ভুলঃ কোমর ব্যথা মানে কিডনি রোগ!

নির্ভুলঃ কিডনি রোগে প্রস্রাব কমে যায়, খাওয়ার রুচি কমে যায়, বমি বমি লাগে, মুখ ফুলে যায়!

২. ভুলঃ ঘন ঘন প্রস্রাব মানেই ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগ!!

নির্ভুলঃ ডায়াবেটিস হলে প্রথম অনুভূতি হল- এতো খেলাম, তবুও কেন শক্তি পাইনা, এছাড়া ওজন কমে যায়, মুখে দুর্গন্ধ হয়, ঘা শুকাতে চায়না!

৩. ভুলঃ ঘাড়ে ব্যথা মানেই প্রেসার!

নির্ভুলঃ প্রেসার বাড়লে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কোন উপসর্গ পাওয়া যায় না! একটু অস্বস্তিকর অনুভুতি হয় মাত্র।

৪. ভুলঃ বুকের বামে ব্যথা মানে হার্টের রোগ!

নির্ভুলঃ হার্টের রোগে সাধারণত বুকে ব্যথা হয় না। হলেও বামে নয়তো বুকের মাঝখানে ব্যথা হয়... হার্টের সমস্যায় সাধারণত বুকের মাঝখানে চাপ চাপ অনুভূতি হয়, মনে হয় বুকের মাঝখানটা যেন কেউ শক্ত করে ধরে আছে!!

৫. ভুলঃ মিষ্টি খেলেই ডায়াবেটিস হয়।

নির্ভুলঃ ডায়াবেটিস হরমোনাল অসুখ। অগ্ন্যাশয় ঠিকমত কাজ না করলে ডায়াবেটিস হয়। তাই মিষ্টি খাওয়ার সাথে এই রোগ হবার সম্পর্ক নেই। কিন্তু ডায়াবেটিস হয়ে গেলে মিষ্টি খেতে হয় না।

৬. ভুলঃ প্রেগন্যান্সিতে বেশি পানি খেলে পায়ে পানি আসে।

নির্ভুলঃ প্রেগন্যান্সিতে প্রোটিন কম খেয়ে, কার্বোহাইড্রেট বেশি খেলে পায়ে পানি আসে। তাই প্রোটিন বেশি বেশি খেতে হয়।

৭. ভুলঃ এক্সক্লুসিভ ব্রেস্ট ফিডিং করাকালীন বেবির (৬মাসের আগে পানিও খাওয়ানো যায় না একারণে) ডায়রিয়া হলে, মা স্যালাইন খেলেই বেবিরও চাহিদা পূরণ হয়ে যায়।

নির্ভুলঃ মা খেলেই বাচ্চার চাহিদা পূরণ হয় না... বেবিকেও স্যালাইন খাওয়াতে হয়।

৮. ভুলঃ দাঁত তুললে চোখের আর ব্রেইনের ক্ষতি হয়।

নির্ভুলঃ দাঁত তোলার সাথে চোখের আর ব্রেইনের কোনো সম্পর্ক নেই। দাঁত, চোখ, মাথার নার্ভ সাপ্লাই সম্পূর্ণ আলাদা।

৯. ভুলঃ মাস্টারবেশন করলে চোখের জ্যোতি কমে যায়!

নির্ভুলঃ ভিটামিন এ জাতীয় খাবার না খেলে চোখের জ্যোতি কমে যায়।

১০. টক/ ডিম/ দুধ খেলে ঘা দেরীতে শুকায়।

নির্ভুলঃ টক/ ডিমের সাদা অংশ/ দুধ খেলে ঘা তাড়াতাড়ি শুকায়।

১১. ভুলঃ অস্বাভাবিক আচরন, ভাংচুর, পাগলামি মানেই জ্বিন ভুতে ধরা!!!

নির্ভুলঃ এটা বাইপোলার ডিসঅর্ডার, সিজোফ্রেনিয়া, হ্যালুসিনেশন।

১২. ভুলঃ তালু কাটা, এক চোখ, কপালে চোখ, বাঘের মত ডোরাকাটা দাগ নিয়ে জন্ম গ্রহন করা বাচ্চা কিয়ামতের আলামত, আল্লাহর গজব, বাঘের বাচ্চা।

নির্ভুলঃ মানুষের পেট থেকে বাঘের বাচ্চা হয় না আর কিয়ামতের আলামত বা গজব বাচ্চাদের উপর আসে না। এসব জিনগত রোগ বা জন্মগত রোগ।

১৩. ভুলঃ প্রেগন্যান্ট মহিলা আয়রণ, ক্যালসিয়াম এসব খেলে বাচ্চা বড় হয়ে যায়। তাই গাইনী ডাক্তার সিজার করার জন্য এগুলা প্রেসক্রাইব করে....

নির্ভুলঃ প্রেগন্যান্ট মহিলা আয়রণ, ক্যালসিয়াম না খেলে গর্ভস্থ বেবির নিউরাল টিউব ডিফেক্ট হয়।

১৪. ভুলঃ প্রেগন্যান্সিতে সাদাস্রাব হলে ফ্লুইড কমে যায়।

নির্ভুলঃ White discharge এবং Amniotic fluid সম্পূর্ণ আলাদা দুটো ফ্লুইড.. একটার সাথে আর একটার কোনো সম্পর্ক নেই।

১৫. বাচ্চা না হওয়া মানেই বন্ধ্যা নারী।

নির্ভুলঃ বন্ধ্যা, নারী এবং পুরুষ উভয়ই হতে পারে।।______________________________________

এ ধরণের আরো অনেক ধরণের গুজব বা কুসংস্কার আমাদের সমাজে প্রচলিত, যেগুলোর কোনো ভিত্তি বা বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই।

সৌজন্যেঃ ডাক্তার তানিয়া সুলতানা

গল্প_খালতো_বোন  পর্ব:-১ লেখা ও কাহিনী #অভ্রনীল_শুভ

 আজ আমার বড় ভাইয়ের বিয়ে কিন্তু বড় ভাই বিয়ের আসর থেকে পালিয়ে গিয়েছে। 

বাধ্যতামূলক বিয়েটা আমার করতে হচ্ছে। 

বাসর ঘরে যে বসে আছে সে আর কেউ নয় আমার আপন খালতো বোন, যে কিনা  আমার কয়েক বছরের সিনিয়র।

আমার বড় ভাইয়ের সাথে বিয়ে হবার কথা ছিল কিন্তু তার অন্য কোথাও সম্পর্ক থাকার কারণে সে ওই মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে। 

এখন  আমি ফেঁসে গিয়ে বিয়েটা করতে হল। 

মা-বাবার কথার উপর আমি আর কিছু বলতে পারিনি।

মা-বাবাকে আমি ভীষণ ভয় পাই।

আর অন্যদিকে আমি আমার গার্লফ্রেন্ডকে কি জবাব দিব সেটাই বুঝতে পারছি না। আমার গার্লফ্রেন্ড আমাকে একটার পর একটা কল দিয়েই যাচ্ছে। 

এমন সময় আমার বাবা ডাক দিয়ে বলল, এত রাতে বারান্দায় কি করিস রুমে যা তোর জন্য বসে আছে মিমি।

তারপর আমি বাসর ঘরে ঢুকতেই আমার খালতো বোন মানে আমার বউ বলল, কখন থেকে বসে আছি তোর জন্য তুই কোথায় ছিলি। 

আমার জন্য মানে? 

তোর জন্য মানে তোর জন্য। আজকে থেকে তুই আমার বর। আর আজকে আমাদের বাসর রাত। 


এসব বিয়ে শাদী আমি মানি না। 


তুই মানিস না তোর ফেসবুকের পাসওয়ার্ড দে? 


তুমি আমার ফেসবুকের পাসওয়ার্ড দিয়ে কি করবে তুমি আমার বোন বোনই থাকো সেটাই ভালো। 

তোমার সাথে সংসার করা আমার কাছে সম্ভব না। 


তুই ফেসবুকের পাসওয়ার্ড দিবি না আমি তোর বাপকে ডাক দিব। 


আমার সাথে কথা বলছো আবার তার মধ্যে বাবাকে জরাচ্ছ কেন। 

পাসওয়ার্ড নাও দিচ্ছি 


এখন থেকে আমার কথা শুনবি, আমি যা যা বলবো তা করবি,কোন মেয়ের সাথে ঘোরাফেরা করবি না। আর এগুলা যদি তোর মনে থাকে তাহলে তোর জীবন সুন্দর আর নয় তো জানিস কি হবে তোর।


ভাবছিলাম আমার হাসবেন্ড টা অনেক রোমান্টিক হবে কিন্তু কে জানত তোর মতন আনরোমান্টিক আমার কপালে জুটবে।

সে যাই হোক এখন বিয়ে হয়ে গেছে কিছু করার নেই তোকে দিয়েই চলতে হবে।

তোর ফেসবুক মেসেঞ্জার এখন আর চেক করলাম না কারণ আজকের রাতটা আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা রাত। 

প্লিজ বোন তুমি আমার ইজ্জত হরণ করো না এভাবে,আমি তোমার ছোট ভাইয়ের মতো। 

তুই কথা না বলে ফ্রেশ হতে যাবি নাকি খালুকে ডাক দিব। 


যাচ্ছি-যাচ্ছি ভয় দেখাও কেন এত।


ওয়াশরুম থেকে বের হয়ে বিছানার বালিশটার হাতে নিয়ে যেতেই খালতো বোন হাতটা ধরে বিছানায় ধাক্কা মেরে ফেলে দিল। প্লিজ আমাকে ছেড়ে দাও আমি তোমার ছোট ভাইয়ের মত।


অভ্র তুই চুপ করবি নাকি আমি খালুকে ডাক দিব। 


কি বলছ তুমি আপু, আমি যদি চুপ থাকি তাহলে তো সব হরণ হয়ে যাবে। কিভাবে চুপ থাকব বুঝতে পারছি না।


চলবে,,,,,,


#গল্প_খালতো_বোন 

পর্ব:-১

লেখা ও কাহিনী #অভ্রনীল_শুভ


দ্বিতীয় পর্ব ১৮+ হবে সবাই নিজ দায়িত্বে পড়ুন

পরবর্তী পর্বের জন্য অবশ্যই কমেন্ট করা আবশ্যক

এটাকে কি শাক বা আগাছা বলেন আপনারা? 

 এটাকে কি শাক বা আগাছা বলেন আপনারা? 


কারও বাগানে এ রকম আগাছার দেখা পেলে পা দিয়ে কখনোই মাড়িয়ে দিবেন না। এটা সোনার খনির মত মহা মুল্যবান বস্তু। আমরা একে শাক, জুস, ঔষধি ও হার্ব জাতীয় গাছ হিসাবে ব্যবহার করতে পারি । এটাকে ইংরেজীতে Purslane বলে। এটা আমাদের দেশে অবহেলিত আগাছা হলেও বিদেশে এটাকে স্বাস্থ্যের জন্য সর্বাধিক উপকারী Superfood হিসাবে মর্যাদা দেয়া হয়েছে। সুপার ফুড মানেই হচ্ছে নানা ধরনের পুষ্টির ভান্ডার ও বিভিন্ন প্রকার রোগ থেকে বেঁচে থাকার অতি প্রয়োজনীয় ঔষধ। 

স্বাস্থের উপকারিতা:

এর মধ্যে আছে  Omega-3 Fatty Acids: 

এই ওমেগা 3 ফ্যাটি এসিডের কথা বলে কেউ কেউ কাফির লাইম লেবুর চারা ১২০০০ হাজার টাকা বিক্রির চেষ্টা করে। 

সামান্য এই আগাছা থেকেই আমরা পেতে পারি Omega-3 Fatty Acids,  Omega-3 Fatty Acids যা আমাদের হার্টের রোগ প্রতিরোধ ও সুস্থতা, ব্যাথা কমানো ও ব্রেন ফাংশনের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এন্টি এক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি  পাওয়া যায় প্রচুর পরিমানে।

মন ভালো রাখার Mood Regulation এটা একি সাথে হতাশাও দূর করে।

কোলেস্টেরাল হ্রাস করে,  আর্থাইটিসের ব্যাথা কমানো,

হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি  স্কীনের উন্নতি, মাংশ পেশীর  সমস্যা দূর করে। 

এর মধ্যে আছে Melatonin Content যা ঘুম ও সর্বপরি সারা দেহের জন্য খুবই ভালো ঔষধ। 

সবশেষে একটি কথাই বলবো, কারও বাগানে এই শাকের দেখা পেলে একে বাগান থেকে পুরোপুরিভাবে নিশ্চিহ্ন হতে বা হারিয়ে যেতে দিবেন না। সম্ভব হলে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় অল্প পরিমানে হলেও এই শাক রাখুন।

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ ১১-০২-২০২৫ খ্রি:। 

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ ১১-০২-২০২৫ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


জুলাই অভ্যুত্থানে শহিদ ও আহতদের রাষ্ট্রীয়ভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান শুরু - জুলাইয়ের শহিদ ও আহতরা ইতিহাসের স্রষ্টা - বললেন প্রধান উপদেষ্টা।


প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপি প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ - দ্রুত জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন বিষয় আলোচনা।


দেশ সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত অপারেশন ডেভিল হান্ট চলবে - জানালেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।


মুদ্রাস্ফীতি কমানোর লক্ষ্যে নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রেখে চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের মুদ্রানীতি ঘোষণা। 


ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগে জিম্মি মুক্তি স্থগিত করলো হামাস।


গুয়াতেমালায় একটি যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ৫১ জন নিহত।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ১০-০২-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ১০-০২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


 শিরোনাম


জুলাই অভ্যুত্থানে শহিদ ও আহতদের রাষ্ট্রীয়ভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান শুরু --- জুলাইয়ের শহিদ ও আহতরা ইতিহাসের স্রষ্টা --- বললেন প্রধান উপদেষ্টা।


প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপি প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ --- দ্রুত জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন বিষয় আলোচনা।


দেশ সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত অপারেশন ডেভিল হান্ট চলবে --- বললেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।


মুদ্রাস্ফীতি কমানোর লক্ষ্যে নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রেখে চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের মুদ্রানীতি ঘোষণা।


ফিলিস্তিনিদের গাজা থেকে স্থানান্তরের মার্কিন প্রস্তাব প্রত্যাখান করলো তুরস্ক ও সৌদি আরব।  


এবং পাকিস্তানে ত্রিদেশীয় এক দিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সিরিজের ফাইনালে  নিউজিল্যান্ড।

১বলে১ বলে ২৮৬ রান! ঘটনাটি অবিশ্বাস্য  লাগলেও ঘটনাটি  কিন্তু সত্যি। এমনই ঘটনা ঘটেছিলো অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটে। ঘটনাটি ১৮৯৪ সালের। 

 ১ বলে১ বলে ২৮৬ রান! ঘটনাটি অবিশ্বাস্য  লাগলেও ঘটনাটি  কিন্তু সত্যি। এমনই ঘটনা ঘটেছিলো অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটে। ঘটনাটি ১৮৯৪ সালের। দেশটির প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে মুখোমুখি হয়েছিলো ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া ও ভিক্টোরিয়া। ইনিংসের প্রথম বলেই সজোরে ব্যাট চালান ভিক্টোরিয়ার ব্যাটসম্যান।


মাঠের ভেতরেই ছিলো বিশাল আকৃতির একটি জাররাহ গাছ। গাছের ডালে গিয়ে আটকে যায় বলটি। বলটি এত ওপরে আটকে যায়, যা ফিল্ডারদের ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলো। বলটি হারিয়ে গেছে বলে আম্পায়ারের কাছে আবেদন করেন তারা। কিন্তু আম্পায়াররা অসম্মতি জানান, কেননা বলটি স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিলো কোথায় আটকে আছে।


অন্যদিকে চতুর ব্যাটসম্যানরা দৌড় থামাননি। তাঁরা দৌড়াতেই থাকেন। ফিল্ডাররাও কম বুদ্ধিমান ছিলেন না। তাঁদের মধ্যে একজন কুঠার দিয়ে গাছ কেটে ফেলার চেষ্টা করতে থাকেন।


তাদের মধ্যে আরেকজন ছিলেন, যিনি কিনা আইনস্টাইনের চেয়েও বেশি বুদ্ধিমান। গুলি করে বল পাড়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। যাই হোক শেষ পর্যন্ত কয়েকটা গুলি খরচের পর বলটি মাটিতে পড়ে।


দুর্ভাগ্যবশতঃ বলটি কোনও ফিল্ডারই ধরতে পারেনি। বলটি যখন তারা মাটি থেকে কুড়িয়ে নেয়, এরই মধ্যে ২৮৬ বার নিজেদের মধ্যে ক্রিজ বদল করে নেন ভিক্টোরিয়ার দুই ব্যাটসম্যান। এ সময় তাঁরা প্রায় ৬ কি.মি. পথ দৌড়ান। যেটা যুক্তরাজ্যের একটি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিলো। এই ঘটনার একমাত্র প্রমাণও এটি। এক বলে ২৮৬ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে ভিক্টোরিয়া। ম্যাচটি তারা জিতেও যায়। এক বলেই ইনিংস ঘোষণা করার আর কোনো নজির নেই ক্রিকেট ইতিহাসে। ২৮৬ রান! ঘটনাটি অবিশ্বাস্য  লাগলেও ঘটনাটি  কিন্তু সত্যি। এমনই ঘটনা ঘটেছিলো অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটে। ঘটনাটি ১৮৯৪ সালের। দেশটির প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে মুখোমুখি হয়েছিলো ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া ও ভিক্টোরিয়া। ইনিংসের প্রথম বলেই সজোরে ব্যাট চালান ভিক্টোরিয়ার ব্যাটসম্যান।


মাঠের ভেতরেই ছিলো বিশাল আকৃতির একটি জাররাহ গাছ। গাছের ডালে গিয়ে আটকে যায় বলটি। বলটি এত ওপরে আটকে যায়, যা ফিল্ডারদের ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলো। বলটি হারিয়ে গেছে বলে আম্পায়ারের কাছে আবেদন করেন তারা। কিন্তু আম্পায়াররা অসম্মতি জানান, কেননা বলটি স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিলো কোথায় আটকে আছে।


অন্যদিকে চতুর ব্যাটসম্যানরা দৌড় থামাননি। তাঁরা দৌড়াতেই থাকেন। ফিল্ডাররাও কম বুদ্ধিমান ছিলেন না। তাঁদের মধ্যে একজন কুঠার দিয়ে গাছ কেটে ফেলার চেষ্টা করতে থাকেন।


তাদের মধ্যে আরেকজন ছিলেন, যিনি কিনা আইনস্টাইনের চেয়েও বেশি বুদ্ধিমান। গুলি করে বল পাড়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। যাই হোক শেষ পর্যন্ত কয়েকটা গুলি খরচের পর বলটি মাটিতে পড়ে।


দুর্ভাগ্যবশতঃ বলটি কোনও ফিল্ডারই ধরতে পারেনি। বলটি যখন তারা মাটি থেকে কুড়িয়ে নেয়, এরই মধ্যে ২৮৬ বার নিজেদের মধ্যে ক্রিজ বদল করে নেন ভিক্টোরিয়ার দুই ব্যাটসম্যান। এ সময় তাঁরা প্রায় ৬ কি.মি. পথ দৌড়ান। যেটা যুক্তরাজ্যের একটি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিলো। এই ঘটনার একমাত্র প্রমাণও এটি। এক বলে ২৮৬ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে ভিক্টোরিয়া। ম্যাচটি তারা জিতেও যায়। এক বলেই ইনিংস ঘোষণা করার আর কোনো নজির নেই ক্রিকেট ইতিহাসে।

সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

হঠাৎ করে প্রেসার বেড়ে বা কমে গেলে খুব দ্রুত যা করবেন এবং খাবেন-------

 ®® হঠাৎ করে প্রেসার বেড়ে বা কমে গেলে খুব দ্রুত যা করবেন এবং খাবেন-------

® ® হঠাৎ প্রেসার বেড়ে গেলে কী করবেন?

হঠাৎ করে প্রেসার – হাই ব্লাড প্রেসার বা উচ্চ র*ক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। সঠিক খাদ্যগ্রহণের মাধ্যমে এর থেকে দূরে থাকা সম্ভব। উচ্চ র*ক্তচাপ কমানোর জন্য এমন সব খাবারের পরিকল্পনা করতে হবে, যাতে থাকবে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম।

কারণ খাদ্যের এসব উপাদান উচ্চ র*ক্তচাপ কমাতে সহায়ক। কম চর্বিযুক্ত দুধ বা চর্বিবিহীন দুধ বা দুধজাত খাদ্য যেমন দই ইত্যাদিতে পাওয়া যায় পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম।

তাজা ফল যেমন আপেল, কলা আর শাকসবজি হচ্ছে পটাশিয়ামের ভালো উৎস। টমেটোতেও আছে বেশ পটাশিয়াম।

বেশি ম্যাগনেশিয়াম পাওয়া যায় দানা শস্য বা গোটা শস্য, বিচি জাতীয় খাবার, বাদাম, শিমের বিচি, ডাল, ছোলা, লাল চালের ভাত, লাল আটা, আলু, সবুজ শাকসবজি, টমেটো, তরমুজ, দুধ ও দই ইত্যাদিতে।

১. কম চর্বিযুক্ত দুধ বা চর্বিবিহীন দুধ বা দুধজাত খাবার প্রতিদিন খেতে হবে ২ থেকে ৩ সার্ভিং। এক সার্ভিং দুধ বা দুধজাত খাবার মানে আধা পাউন্ড বা এক গ্লাস দুধ অথবা এক কাপ দই।

৩. ফল ৪ থেকে ৫ সার্ভিং প্রতিদিন। টুকরো টুকরো করে কাটা আধা কাপ ফল কিংবা মাঝারি সাইজের একটা আপেল বা অর্ধেকটা কলা অথবা আধা কাপ ফলের রস এতে হবে ফলের এক সার্ভিং। ফলের রসের চেয়ে আস্ত ফলই ভালো।

৪. শাকসবজি প্রতিদিন প্রয়োজন ৪ থেকে ৫ সার্ভিং। শাকসবজির এক সার্ভিং মানে এক কাপ কাঁচা শাক বা আধা কাপ রান্না করা শাক।

৫. দানা শস্য প্রতিদিন দরকার ৭ থেকে ৮ সার্ভিং। দানা শস্যের এক সার্ভিংয়ের উদাহরণ হলো এক স্লাইস রুটি অথবা আধাকাপ ভাত বা এক কাপ পরিমাণ গোটা দানা শস্য।

৬. বিচি জাতীয় খাবার প্রতি সপ্তাহে প্রয়োজন ৪ থেকে ৫ সার্ভিং। বিচি জাতীয় খাবারের এক সার্ভিংয়ের উদাহরণ হলো এক কাপের তিন ভাগের এক ভাগ বাদাম বা আধাকাপ রান্না করা শিম বা মটরশুঁটি।

® ® হঠাৎ প্রেসার কমে গেলে কী করবেন?

ব্লা*ড প্রেসার বা র*ক্তচাপ মানবদেহে র*ক্ত সঞ্চালনে চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করে। মানবদেহে র*ক্তচাপের একটি স্বাভাবিক মাত্রা আছে। তার ওপর ভিত্তি করেই উচ্চ র*ক্তচাপ বা হাই ব্লা*ড প্রেসার ও নিম্ন র*ক্তচাপ বা লো ব্লা*ড প্রেসার পরিমাপ করা হয়। উচ্চ র*ক্তচাপের মতোই নিম্ন র*ক্তচাপও কিন্তু শরীরের জন্য ক্ষতিকর। লো ব্লা*ড প্রেসারের আরেক নাম হাইপোটেনশন।চিকিৎসকের মতে, একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের র*ক্তচাপ থাকে ১২০/৮০। অন্যদিকে র*ক্তচাপ যদি ৯০/৬০ বা এর আশপাশে থাকে তাহলে লো ব্লা*ড প্রেসার হিসেবে ধরা হয়। প্রেসার যদি অতিরিক্ত নেমে যায় তাহলে মস্তিষ্ক, কিডনি ও হৃদপিণ্ডে সঠিকভাবে র*ক্ত প্রবাহিত হতে পারে না তখন এ রোগ দেখা দেয়। আবার অতিরিক্ত পরিশ্রম, দুশ্চিন্তা, ভয় ও স্নায়ুর দুর্বলতা থেকে লো ব্লা*ড প্রেসার হতে পারে।

® লক্ষণঃ

সাধারণত প্রেসার লো হলে মাথা ঘোরানো, ক্লান্তি, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, বমি বমি ভাব, বুক ধড়ফড় করা, অবসাদ, দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসা ও স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস নিতেও কষ্ট হয়। অতিরিক্ত ঘাম, ডায়রিয়া বা অত্যধিক বমি হওয়া, দেহের ভেতরে কোনো কারণে র*ক্তক্ষরণ হলে যেমন: র*ক্তবমি, পায়খানার সঙ্গে অতিরিক্ত র*ক্তক্ষরণ হলে, শারীরিকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত বা দুর্ঘটনার ফলে র*ক্তপাত ঘটলে এবং অপুষ্টিজনিত কারণেও লো ব্লা*ড প্রেসার দেখা দিতে পারে।আবার গর্ভবতী মায়েদের গর্ভের প্রথম ৬ মাস হরমোনের প্রভাবে লো প্রেসার হতে পারে। এ সময় মাথা ঘোরানো বা মাথা হালকা অনুভূত হওয়া, মাথা ঘুরে অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, বসা বা শোয়া থেকে হঠাৎ উঠে দাঁড়ালে মাথা ঘোরা বা ভারসাম্যহীনতা, চোখে অন্ধকার দেখা, ঘন ঘন শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়া, হাত-পা ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়া, খুব বেশি তৃষ্ণা অনুভূত হওয়া, অস্বাভাবিক দ্রুত হৃদকম্পন, নাড়ি বা পালসের গড়ি বেড়ে যায়।

প্রাথমিক চিকিৎসাঃ

লো ব্লা*ড প্রেসার বা নিম্ন র*ক্তচাপ নিয়ে অনেকেই চিন্তায় থাকেন। তবে বিষয়টি নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। কারণ এটা উচ্চ র*ক্তচাপের চেয়ে কম ক্ষতিকর ও স্বল্পমেয়াদী সমস্যা। আর প্রেসার লো হলে বাড়িতেই প্রাথমিক কিছু পদক্ষেপ নেওয়া যায়।

এক্ষেত্রে হঠাৎ প্রেসার কমে গেলে যা করবেন-লবণ-পানি লবণ র*ক্তচাপ বাড়ায়। কারণ এতে সোডিয়াম আছে। তবে পানিতে বেশি লবণ না দেওয়াই ভালো। সবচেয়ে ভালো হয়, এক গ্লাস পানিতে দুই চা-চামচ চিনি ও এক-দুই চা-চামচ লবণ মিশিয়ে খেলে। তবে যাদের ডায়াবেটিস আছে, তাদের চিনি বর্জন করাই ভালো।

কফি-হট চকলেটঃ

হঠাৎ করে লো প্রেসার দেখা দিলে এক কাপ কফি খেতে পারেন। স্ট্রং কফি, হট চকোলেট, কমল পানীয়সহ যে কোনো ক্যা*ফেইন সমৃদ্ধ পানীয় দ্রুত ব্লা*ড প্রেসার বাড়াতে সাহায্য করে। আর যারা অনেক দিন ধরে এ সমস্যায় ভুগছেন, তারা সকালে ভারী নাশতার পর এক কাপ কফি খেতে পারেন।

বিটের রসঃ

বিটের রস হাই ও লো প্রেসার দুটোর জন্য সমান উপকারী। এটি রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। এভাবে এক সপ্তাহ খেলে উপকার পাবেন।

বাদামঃ

লো-প্রেসার হলে পাঁচটি কাঠবাদাম ও ১৫ থেকে ২০টি চিনাবাদাম খেতে পারেন। এটা পেসার বাড়াতে সহায়তা করে।

পুদিনাঃ

ভিটামিন ‘সি’, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম ও প্যান্টোথেনিক উপাদান যা দ্রুত ব্লা*ড প্রেসার বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মানসিক অবসাদও দূর করে পুদিনা পাতা। এর পাতা বেটে নিয়ে এর সঙ্গে মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন।

যষ্টিমধুঃ

আদিকাল থেকেই যষ্টিমধু বিভিন্ন রোগের মহৌষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এক কাপ পানিতে এক টেবিল চামচ যষ্টিমধু দিয়ে রেখে দিন। ২-৩ ঘণ্টা পর পান করুন। এছাড়া দুধে মধু দিয়ে খেলেও উপকার পাবেন।

স্যালাইনঃ

শরীরে পানিশূন্যতা ও ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতার কারণে নিম্ন র*ক্তচাপ হলে শুধু খাবার স্যালাইন মুখে খেলেই প্রেসার বেড়ে যায়। লো ব্লা*ড প্রাসারে খাবার স্যালাইন সবচেয়ে উপযোগী এবং তাৎক্ষণিক ফলদায়ক। তবে যেসব ওষুধে র*ক্তচাপ কমে বা লো প্রেসার হতে পারে, সেসব ওষুধ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করুন। যাদের দীর্ঘমেয়াদি নিম্ন র*ক্তচাপে ভুগছেন তারা অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। চিকিৎসকরা নিম্ন র*ক্তচাপের কারণ শনাক্ত করে তারপর ব্যবস্থাপত্র দিয়ে থাকেন। লো ব্লা*ড প্রাসারে খাবার স্যালাইনের পাশাপাশি কার্বোহাইড্রেট এবং গ্লুকোজ খেলেও কিন্তু ভালো উপকার পাওয়া যায়। এছাড়া লো প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সময় মতো পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা উচিত।

ছাদ ঢালাইয়ের সময় কী কী বিষয় খেয়াল রাখা উচিত ??

 ছাদ ঢালাইয়ের সময় কী কী বিষয় খেয়াল রাখা উচিত ??

----------------------------------------------------------------------


১। ছাদ বা ফ্লোরের শাটারিং কোনোভাবেই ধাপে ধাপে করা যাবে না। একটি ফ্লোর বা ছাদ ঢালাই করার সময় পুরো ছাদের শাটারিং একবারে করা অত্যাবশ্যক। এর সাথে সম্পূর্ণ ফর্মা সমতল হয়েছে কিনা তা-ও একবারেই যাচাই করে নিতে হবে।


২। ছাদ ও বীম ঢালাইয়ের কাজও করতে হবে একসাথেই। যদিও ছাদের লোড বীমের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়, তবুও তৈরির ক্ষেত্রে এদের একসাথে তৈরি করা অত্যাবশ্যক। ছাদ ৪ থেকে ৮ ইঞ্চি পুরু হতে পারে।


৩। সাধারণত ২১ দিন পর থেকেই ফর্মা খোলা হয়। তবে ২৮ দিন ফর্মা খোলাই ভালো। অবশ্যই ঢালাইয়ের একদিন পরই ছাদের উপরিভাগে পানি ধরে রেখে কিউরিং করতে হবে।


৪। ঢালাইয়ের জন্য যে কাঠের কাজ করা হয়, তাকে বলা হয় সেন্টারিং। এর জন্য যে তক্তা বা প্লেট ব্যবহার করা হয়, তাতে ছিদ্র থাকা চলবে না এবং তক্তার উপরে কোনো তৈলাক্ত পদার্থ (যেমন- ডিজেল বা গ্রিজ) লাগানো থাকলে তা সুন্দর হয়। তবে বর্তমানে পাতলা পলিথিন ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এসব প্রক্রিয়া মেনে চললে সর্বনিম্ন সময়ে শাটার খোলা সম্ভব।


৫। মর্টার মেশাতে যদি মেশিন ব্যবহার করা হয়, তাহলে খেয়াল রাখতে হবে দুটি ব্যাপারে-

১. কমপক্ষে ২ মিনিট ধরে মেশাতে হবে।

২. মেশানোর সময় সম্পূর্ণ পানির সাথে মিক্সচার গুলে যাওয়া যাবে না।


৬। হাতে মিক্সচার তৈরি না করাই উচিত। এতে করে গুণগত মানের ধারাবাহিকতা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না। মানসম্পন্ন কংক্রিট অনেকদিন স্থায়ী ছাদ তৈরিতে খুবই দরকারি।


৭। ছাদ ঢালাইয়ের সময় সেটিং শুরু হবার আগেই প্রক্রিয়া শেষ করা উচিত। আধা ঘণ্টা থেকে ১ ঘণ্টা সময় নেওয়াটা ভালো মানের পরিচায়ক। দেরি হয়ে গেলে ঢালাই আবার নতুন করে তৈরি করা উচিত। অতিরিক্ত পানি ব্যবহার করলে তা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।


৮। পিলারের শাটার তৈরির পরে তার মধ্যে ঢালাই ঢালার নিয়ম হচ্ছে, ঢালাই ১.৫ মিটারের বেশি উপর থেকে না ঢালা। এতে মিক্সচারের উপাদান আলাদা হয়ে যাবার ঝুঁকি থাকে।


৯। ঢালাই করার পর যাচাই করে দেখতে হবে ঢালাই যেন নিরেট হয় ও তাতে কোনো ফাঁকফোকর না থাকে। এক্ষেত্রে নিডল ভাইব্রেটর বা লোহার রড দিয়ে ঠাসাই করা উচিত।


ছাদ ঢালাই করার নিয়মঃ-


১। উপাদান – সিমেন্ট, বালি এবং নুড়ি/খোয়া।

২। উপাদানের অনুপাত – সিমেন্টঃ বালিঃ খোয়া – ১ঃ২ঃ৪।

৩। এই মিশ্রণ প্রতি ৫০ কেজির সিমেন্টের বস্তার ক্ষেত্রে মেনে চলতে হবে এবং পানির পরিমাণ হবে সর্বোচ্চ ২৫ লিটার।

৪। ২ মিনিট ধরে এই মিশ্রণ মেশিনে প্রস্তুত করতে হবে। যদি হাতে তৈরি করতে হয় তাহলে পাকা মেঝেতে সিমেন্ট-বালুর মিশ্রণ তৈরি করে দক্ষ হাতে মর্টার তৈরি করতে হবে। ১ ফুট পরপর মোটা বাঁশ দিয়ে ঢেকে দিতে হবে বা ধাতব ফ্রেম ব্যবহার করতে হবে, যাতে ছাদ ও বীমের ফর্মা যথেষ্ট মজবুত হয়। আগের বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করে সেন্টারিং, শাটারিং, ঢালাই, জমাট বাঁধা ও কিউরিং ইত্যাদি ধাপ মেনে ঢালাই সম্পন্ন করতে হবে।


মেঝে ঢালাই করার নিয়মঃ-


মেঝে ঢালাই দেবার নিয়ম অনেকটা ছাদ ঢালাইয়ের মতোই। তবে মেঝে ঢালাই তুলনামূলক সহজ, কারণ, এটি ভেঙে গিয়ে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবার আশঙ্কা তুলনামূলক কম। তবে এখানেও মান নিয়ন্ত্রণ করতে হবে সবক্ষেত্রেই। এক্ষেত্রে অতিরিক্ত যা করতে হবে তা হলো-

•    মেঝে ভিটে বালি দিয়ে ভরাট করতে হবে।

•    ভালোভাবে মুগুর দিয়ে দুরমুজ করে সমান করে নিতে হবে।

•    পানি ঢালতে হবে।

•    ঢালাইয়ের আগে ইট বিছাতে হবে।

•    ঢালাইয়ের পুরুত্ব হতে হবে তিন ইঞ্চি।


ঢালাইয়ের উপর নিরাপত্তা ও স্থায়িত্ব দুইই নির্ভরশীল। তাই ঢালাইয়ের আগে নকশা সম্পর্কে নিশ্চিত হোন। অভিজ্ঞ মিস্ত্রির সাহায্য তো প্রয়োজন হবেই, তবে পুরো প্রক্রিয়াতে মিস্ত্রির উপর নির্ভর না করে অবশ্যই দক্ষ প্রকৌশলীর সাহায্য নেওয়া উচিৎ।

কারণ, শুধু অভিজ্ঞতা থেকে আধুনিক পদ্ধতিতে নির্মাণকাজ পরিচালনা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ অসম্ভব। এজন্যই ঢালাইয়ের খুঁটিনাটি সম্পর্কে নিজে সম্যক ধারণা রাখুন ও পেশাদার নির্মাণ নিশ্চিতকরণে হয়ে উঠুন সতর্ক।

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...