এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

𝗣𝗘𝗡𝗧𝗔𝗚𝗥𝗔𝗣𝗛 (পেন্টাগ্রাফ) 

 ♦️ 𝗣𝗘𝗡𝗧𝗔𝗚𝗥𝗔𝗣𝗛 (পেন্টাগ্রাফ) ♦️

-------------------------------------------

✳️খতিয়ান এ জমি আছে কিন্তু নকশায় জমি কম!

উক্ত কম জমি বের করার জন্য দুইটি বা তিনটি নকশার সমন্বয় করে নকশার তুলনা (পেন্টাগ্রাফ) করলে সহজে বের করা সম্ভব। যেমন -সিএস, আরএস, বিএস, সিটি ইত্যাদি ম্যাপের দাগে দাগে বসিয়ে এই পেন্টাগ্রাফ করা হয়। 


✳️সাবেক দাগ থেকে হাল দাগ অথবা হাল দাগ থেকে সাবেক দাগ বের করা যাবে।


✳️পুরাতন দাগ থেকে নতুন বি এস / সিটি জরিপের নতুন দাগ নং বের করা যাবে। 


✳️নতুন জমি প্লট কেনার আগে প্যান্টাগ্রাফের মাধ্যমে জমির বাস্তব অবস্থান জানা যাবে এবং সাথে ডিজিটাল নকশা  প্রস্তুত করা যাবে। 


✳️সঠিক মালিকানা থাকলে কোর্টের মাধ্যমে নকশার কম জমি পুনরুদ্ধার করানো সম্ভব।


✳️Advocate/ যাদের প্রতিনিয়ত পেন্টাগ্রাফ লাগে তারা আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন৷ আমরা দ্রুত সময়ে ডেলেভারী দিয়ে থাকি।

 


যোগাযোগ -whatsapp 01714-020272

গ্রীর ইনভার্টারের রিমোটের সব কয়টি বাটনের কাজ।

 গ্রীর ইনভার্টারের রিমোটের সব কয়টি বাটনের কাজ।


Mode button- মোড বাটনে ক্লিক করলে   প্রথমে আসবে অটো মোড, রুমের টেম্পারেচার দেখে এসি কুল, ফ্যান, ড্রাই মোডে চলবে।  এই মোডে এসি চালানোর দরকার নাই।  বিল বেশি আসবে।


Cool mode-এই মোড হচ্ছে এসির ডিফল্ট মোড, কুল মোডে সেট টেম্পারেচার ২৬ রাখবেন। 


Dry mode- এটি বর্ষাকালের মোড, রুম যখন স্যাতস্যাতে হবে, ভেজা ভেজা ভাব থাকবে রুমে তখন এই মোড চালু করতে হয়। কম্প্রোসার তখন কম ওয়াটে চালু হবে, ইনডোর ফ্যান লো স্পিডে থাকবে তখন।


Fan mode- এই মোডে শুধু ইনডোরের ফ্যান চলবে। এসি ঠান্ডা বা গরম কিছুই দিবে না এই মোডে।


Heat mode- যাদের এসিতে Heat ফিচার আছে তারা এই মোডে শীতের সময় গরম বাতাস পাবেন এই মোডে। এই মোড কিন্তু সব রিমোটেই আছে, কিন্তু সব এসিতে হিট ফিচার নাই।


Fan button-ফ্যানের স্পিড কমানো, বাড়ানোর কাজ করে এই বাটন।

যত বেশি দাগ ততবেশি স্পিড, Auto লেখা উঠলে তখন ফ্যানও অটো করবে। মানে কুলিংয়ের সময় ফ্যানের স্পিড কমবে, বাড়বে।


On/off button-এসিকে অন/অফ করা এই বাটনের কাজ।


left/right swing button-এসির বাতাসকে ডানে/বামে করতে এই বাটনে ক্লিক করতে হয়। 


 Up/Down swing button-এসির বাতাসকে উপর নিচে করতে এই বাটন ব্যবহার হয়।


Turbo button - রুম টেম্পারেচার বেশি হলে, রুম দ্রুত/বেশি ঠান্ডা করতে চাইলে এই বাটন অন করতে হয়। এই বাটন সবসময় অন করা ঠিক না।


Up Arrow button- সেট টেম্পারেচার বাড়াতে এই বাটন ব্যবহার করা হয়।


Down Arrow button- সেট টেম্পারেচার কমাতে এই বাটন ক্লিক করতে হয়। 


Sleep button-এই বাটনে ক্লিক করলে এসির সেট করা টেম্পারেচার প্রতি ঘন্টায় ১ ডিগ্রি করে বাড়বে। মানে, ইউজার সেট টেম্পারেচার ১৮ রেখে Sleep button অন করে রিমোট রেখে দিলো, তাহলে এসিটি ১ ঘন্টা পর সেট টেম্পারেচার ১৯ করবে। ২ ঘন্টা পর ২০, এভাবে ২৫ পর্যন্ত যাবে। 

যারা সেট টেম্পারেচার ২৫-২৬ রাখেন, এই মোড তাদের জন্য না।


I feel button- ইউজারের সেট করা টেম্পারেচার থেকে এসিটি যদি কম/বেশি ঠান্ডা দেয়, তখন এই বাটন চালু করে রিমোটকে এসির দিকে রেখে, ইউজারের কাছাকাছি রাখলে, ইউজার তার সেট করা কমফোর্টেবল কুলিং পাবে। এই সেটিংয়ে এসি তার মেইন সেন্সরকে না পড়ে, রিমোটে থাকা সেন্সরের চাহিদামতো কুলিং কম/বেশি করে। রুমে কমফোর্টেবল কুলিং থাকলে এই ফিচার অফ রাখা উচিত।


Timer On- এই বাটন অন করে রাখলে সেট করা টাইমে এসি অন হবে। 


Timer Off-সেট করা টাইমে এসি অফ হবে। 


Clock Button-এই বাটন দিয়ে অন/অফ টাইম সেট করা হয়। 


Health button-গাছ হচ্ছে হেল্থ ফিচার, এই ফিচার অন করলে এসি আয়ন উৎপাদন করে রুমের বাতাসে হিউমিডিটির ভারসাম্য ঠিক রাখে, এবং রুমে থাকা জীবাণুকে ধব্বংস করে। 


হেল্থ মোডে আরেকটি ফিচার আছে, যেটির নাম হচ্ছে স্ক্যাভিগিনিং ফিচার।

রুম থেকে বেড স্মেল ধূর করা করা এই ফিচারের কাজ।


Quiet button- এই বাটনে ফ্যান স্পিড লোতে থাকবে, এসির ইনডোরে সাউন্ড কমবে, তবে এই বাটনে বিদ্যুতের বিল বেশি আসবে।


Wifi Button-এই বাটন দিয়ে এসিকে মোবাইল দিয়েও অপারেট করা যাবে। 

এজন্য ঘরে ওয়াইফাই থাকতে হবে, মোবাইলে gree+ অ্যাপ ইনস্টল করতে হবে। 


Temp- এই বাটনে ক্লিক করলে সেট টেম্পারেচার, রুম টেম্পারেচার এবং আউটডোরের টেম্পারেচার দেখা যায়।


Light button- এই বাটনে ক্লিক করে এসির ডিসপ্লের লাইটকে অন/অফ করা যায়।


X fan feature- ফ্যান বাটনকে ৩ সেকেন্ড প্রেস করে রাখলে,  রিমোটের সেট টেম্পারেচারের বামপাশে যে ফ্যানটি দেখা যায়, ঐটিই x fan feature.


 এসিকে কুল মোডে চালু করার পর, এসির কুলিং চালু হলে, এসির ইনডোরের কয়েল ভিজে যায়, এবং পানি উৎপন্ন হয়, এই পানি পুরোপুরি ড্রেন লাইন দিয়ে বের হয় না, কিছু পানি এসিতে থাকে। পানির সাথে ধুলোও থাকে। x fan  চালু রাখলে, রিমোট দিয়ে এসি বন্ধ করার পরও, ৩ মিনিট ইনডোর ফ্যান চালু থাকে, এবং এই পানি/ভেজা কয়েলকে শুকিয়ে ফেলে।

এতে করে এসিতে ব্যাড স্মেল হয় না।

আর ভেজা কয়েলে রাশ পড়ে না, তাতে ইনডোর কয়েলে লিকেজ হওয়ার সম্ভাবনা ও কমে।


Self clean/Frost Clean- এসিকে রিমোট দিয়ে বন্ধ করে নিবেন, এরপর ফ্যান বাটন আর মোড বাটনকে একসাথে ৫ সেকেন্ড প্রেস করে রাখবেন। এসির ডিসপ্লেতে cl লেখা উঠবে। এরপর রিমোট রেখে দিন, এসি নিজে থেকে সেল্ফ ক্লিন হয়ে আগের মোডে চলে যাবে। সেল্ফ ক্লিনের আগে ফিল্টার পরিষ্কার করে নিবেন, সেল্ফ ক্লিনের সময় আওয়াজ হবে, ভয়ের কিছু নাই।


Se Mode- ইউজার যদি মনে করে তার এসিটি কম বিদ্যুৎ নিয়ে চালু থাকুক, ঠান্ডা কম দিলেও সমস্যা নাই। তাহলে Se mode অন করে নিবেন। 

বেশি গরমে se মোড না।


temp+clock বাটন একসাথে চেপে ধরলে/প্রেস করলে Se mode আসবে।


F/C মোড-রিমোটে যদি সেলসিয়াসের পরিবর্তে ফারেনহাইট সেট হয়ে যায়, তাহলে Mode button আর Up arrow button কে একসাথে ক্লিক করতে হবে।


Child lock- এসির রিমোটকে যদি লক করে রাখতে হয়, তাহলে Up arrow button+Down arrow buttonকে একসাথে প্রেস করলে/ চেপে ধরলে রিমোট লক/আনলক হবে।


আরও কিছু বাকি থাকলে কমেন্টে বলা যাবে।

পেঁয়াজের জন্য পটাশ সার স্প্রে করার সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে ভালো ফলন পাওয়া যায়। এখানে ধাপে ধাপে নির্দেশনা দেওয়া হলো

 পেঁয়াজের জন্য পটাশ সার স্প্রে করার সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে ভালো ফলন পাওয়া যায়। এখানে ধাপে ধাপে নির্দেশনা দেওয়া হলো—


পটাশ সার স্প্রে করার পদ্ধতি:


1. সারের নির্বাচন:


পটাশ সার হিসেবে পটাশিয়াম সালফেট (SOP) বা পটাশিয়াম নাইট্রেট (KNO₃) ব্যবহার করতে পারেন।


পটাশিয়াম ক্লোরাইড (MOP) পেঁয়াজের জন্য উপযুক্ত নয়, কারণ এতে ক্লোরিন থাকে যা ক্ষতিকর হতে পারে।


2. মিশ্রণের পরিমাণ:


পটাশিয়াম সালফেট (SOP): প্রতি লিটার পানিতে ৫-৭ গ্রাম।


পটাশিয়াম নাইট্রেট (KNO₃): প্রতি লিটার পানিতে ৩-৫ গ্রাম।


3. স্প্রে করার সময়:


পেঁয়াজের গাছ যখন ৩০-৩৫ দিন বয়সে পৌঁছে যায়, তখন প্রথম স্প্রে করুন।


এরপর ১০-১৫ দিন পরপর ২-৩ বার স্প্রে করা যায়।


বিকেলের দিকে স্প্রে করা ভালো, যাতে সূর্যের আলোতে পাতায় দাগ না পড়ে।


4. স্প্রে করার নিয়ম:


পরিষ্কার পানিতে সার গুলিয়ে নিতে হবে।


স্প্রে মেশিন দিয়ে গাছের উপর সমানভাবে স্প্রে করুন।


ঝড়ো বাতাস বা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলে স্প্রে করবেন না।


উপকারিতা:


✅ গাছের গঠন মজবুত হয়।

✅ ফলন বাড়ে এবং পেঁয়াজের আকার বড় হয়।

✅ রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।


আপনার এলাকায় পটাশ সার সহজলভ্য কিনা বা নির্দিষ্ট কোন সমস্যা হচ্ছে কিনা জানালে আরও নির্দিষ্ট পরামর্শ দিতে পারব!

সদ্য ক্লাস নাইনে উত্তীর্ণ একটি মেয়ে প্রেগনেন্সি কীট কিনতে ফার্মেসিতে এসেছে। বিষয়টি অবিশ্বাস্য

 সদ্য ক্লাস নাইনে উত্তীর্ণ একটি মেয়ে প্রেগনেন্সি কীট কিনতে ফার্মেসিতে এসেছে। বিষয়টি অবিশ্বাস্য। কিন্তু এই অবিশ্বাস্য ঘটনাটি এখন ঘটছে মকবুলের ফার্মেসিতে। মকবুল কটুক্তির চোখে মেয়েটিকে দেখছে। মুখ ফুটে বেরিয়ে আসতে চাইছে_ ছি:! এই বয়সে এসব? নষ্টা মাগী জানি কোথাকার। 

এই নষ্টা মাগীদের জন্যই সমাজটা দিন দিন নর্দমায় পরিণত হচ্ছে। বুক ভরে শ্বাস নেওয়া যায় না। চারিদিকে দুর্গন্ধ! ছি:


অমানিশার পুরো শরীর এখনো কাঁপছে। সন্তপর্ণে চতুর্দিকে চোখ বোলাচ্ছে বারবার। গায়ে স্কুলের ইউনিফর্ম। কেউ তাকে দেখছে না তো? কাঁপা গলায় সে পুনরায় প্রশ্ন করল, 

ভাইয়া, প্রেগনেন্সি কীট আছে কি? 

মকবুল বিষদৃষ্টিতে অমানিশার দিকে তাঁকিয়ে উত্তর দিল, আছে। 


ভাইয়া একটু তাড়াতাড়ি দিন। কাগজে মুড়িয়ে দিয়েন ভালো করে। 


মকবুল প্রেগনেন্সি কীট কাগজে মোড়াতে মোড়াতে দাঁতের ফাঁক দিয়ে নিচু স্বরে গালি দিল, বেশ্যার ঘরের বেশ্যা!


কত টাকা ভাইয়া? 


সত্তর টাকা। 


থ্যাংক ইউ। 


অমানিশা আরোও একবার আশেপাশে চোখ বুলিয়ে নিল। এরপর যত দ্রুত সম্ভব ব্যাগে কীটটি ঢুকিয়ে ফেলল। ফার্মেসি থেকে বের হয়ে ফুটপাত ধরে হাঁটতে লাগল। আজকাল হাঁটতে বড় কষ্ট হয় তার। কয়েক কদম ফেললেই বুকটা ধরফর ধরফর করে। গত কয়েকদিন ধরে একদম খেতে পারছে না সে। শরীর জুড়ে অবসাদ। বড় ক্লান্ত লাগে। হাত পা অবশ হয়ে আসে। 

অমানিশা ভ্রুঁ কুঁচকে আকাশের দিকে তাকানোর চেষ্টা করল। সূর্য একদম মাথার ওপর। সমস্ত তাপ ঢেলে দিচ্ছে প্রকৃতিতে। তার কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমেছে। নাক ঘেমে উঠেছে। শ্যামবর্ণের মেয়ে বলে গালের লাল টুকটুকে আভা সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে নি বরং তার মুখ আরোও কালো দেখাছে। 


হঠাৎ অমানিশার মনে হল, লোকে বলে_ নাক ঘামলে নাকি জামাই আদর করে! তার ঠোঁটের কোণে মিষ্টি হাসির দেখা মিলল। 

কিছুটা অন্যমনস্ক হয়ে সে রিক্সা ডাকল। গন্তব্যস্থল ঠিক করে রিক্সায় জড়োসড়ো হয়ে বসল। ভালোমতো স্কার্ফ দিয়ে মুখ ঢেকে নিল। এক্ষুনি স্কুলের সামনে দিয়ে রিক্সা যাবে। টিফিন পিরিয়ডে কোনোভাবে গার্ডের চোখ ফাঁকি দিয়ে বাইরে এসেছে। ইউনিফর্ম পরিহিতা কাউকে দেখলে অবশ্যই গার্ড আটকাবে। জিজ্ঞাসাবাদ করবে। 

- তুমি কোন শিফট এর? বাসা কোথায়? ইউনিফর্ম পরে বাইরে কেনো ঘুরছো? ইত্যাদি।

উত্তর মন:পুত না হলে সোজা হেডমাস্টারের ঘরে! অমানিশা এজাতীয় ঝক্কিঝামেলায় জড়াতে চাইছে না। 


অবশ্য, এজাতীয় ঝক্কিঝামেলা তাকে পোহাতেও হল না।


স্কুলের সীমানা অতিক্রম করার সাথে সাথেই অমানিশা ব্যাগ থেকে একটি ছোট্ট বাটন ফোন বের করল। এই ফোনটি সে লুকিয়ে ব্যবহার করে শুধুমাত্র আহনাফের সাথে কথা বলার জন্য। অমানিশা আহনাফের নাম্বার ডায়াল করল। কয়েকবার রিং হওয়ার পর ওপাশ থেকে ভরাট কণ্ঠস্বর ভেসে এলো। 


হ্যালো। 


অমানিশার পুরো শরীরে যেন দ্রুতবেগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হল। এই অনুভূতি তার কাছে নতুন নয়। যতবার সে আহনাফের কণ্ঠস্বর শুনে ঠিক ততবার তাকে এই অনুভূতি কাবু করে ফেলে। তার মুখের সমস্ত শব্দ কেড়ে নেয়। তাকে বোবা করে দেয়।  


আহনাফ চিন্তিত স্বরে আবারও বলল, 

হ্যালো নিশা, শুনতে পাচ্ছো? 


তুমি বাসায় আছো? 


হুঁ। আজ সকালে এসেছি।


আমি তোমার বাসায় আসছি। 


আহনাফ ফিঁক করে হেসে ফেলল।

আবার স্কুল পালিয়েছো? 


অমানিশা প্রত্যুত্তরে হাসল। বলল, 

তোমার সাথে দেখা করার জন্য - একবার নয়, দুবার নয়, তিনবার নয়, সহস্রবার স্কুল পালাতে রাজী আছি!


আহনাফ জিজ্ঞেস করল, শুধু দেখা করার জন্য? - তার কণ্ঠস্বরে ভরপুর দুষ্টুমি। 


অমানিশা এপ্রশ্নের উত্তর দিল না। বলল, 

আমার আসতে আর পাঁচ মিনিট লাগবে। 


সাবধানে এসো। 


অমানিশা ফোন কেটে দিল। 


আহনাফদের পাঁচ তলা বাসাটি তার বাবা, চাচা ও ফুফুরা মিলে করেছে। প্রতি ফ্লোরে দুটো করে ইউনিট। দোতলার একটি ইউনিটে আহনাফ তার মা এবং প্যারালাইজড বাবাকে নিয়ে থাকে। অন্য ইউনিটে ভাড়াটিয়া ছিল তবে গতমাসেই তারা ছেড়ে দিয়েছে। নতুন করে ভাড়া দেওয়া হয় নি। এ সুযোগে আহনাফ গাট্টি বোচকা নিয়ে খালি ইউনিটে গিয়ে উঠেছে। 


বলিউডের 'আশিকী টু' মুভি মাত্র রিলিজ পেয়েছে। কি চমৎকার এই মুভির গানগুলো! সাউন্ডবক্সে উচ্চশব্দে 'তুম হি হো' গানটি শুনছিল আহনাফ। ঘরের জানালা বন্ধ। ভারী পর্দা টেনে রাখা। এদিকে একটার পর একটা সিগারেট ফুঁকছে সে। অতিরিক্ত ধোঁয়ায় ঘরটাকে ভুতুড়ে দেখাচ্ছে। 


ঠক ঠক। দরজায় দুইবার টোকা পড়ল। আহনাফ নিচু স্বরে জিজ্ঞেস করল, কে?

ওপাশ থেকে অমানিশার মিষ্টি কণ্ঠস্বর শুনতে পাওয়া গেল। 

আমি, আহনাফ। দরজা খোলো। 


আহনাফ সিগারেটে লম্বা করে একটা টান দিয়ে ধোঁয়া ছাড়তে ছাড়তে দরজা খুলে দিল। অমানিশা ঘরে ঢুকতেই তাড়াহুড়ো করে দরজা লাগিয়ে দিল। 


আহনাফের লাল টুকটুকে চোখ দেখে অমানিশা কিছু একটা বলতে চাইছিল। তাকে সেই সুযোগ দেওয়া হল না। দেয়ালে হাত দুটো চেপে ধরে গভীরভাবে চুমু খেতে লাগল তার ঠোঁটে। নিশ্বাস ধীরে ধীরে উত্তপ্ত হতে লাগল অমানিশার। আহনাফের ঠোঁটের ঢেউয়ের কারুকাজের কাছে নিজের প্রচেষ্টা বরাবরই তুচ্ছ মনে হয় তার। তবুও ভালোবাসা প্রকাশ করার এই মাধ্যমে অমানিশা কখনো ছাড়তে চায় না। নিজের সবটুকু দিয়ে ঠোঁটের এই খেলায় অংশগ্রহণ করে। আজও করল। 


কতক্ষণ দুজন এভাবে মিশে ছিল সময়ও হয়তো হিসেব রাখে নি। এক পর্যায়ে দুজন শান্ত হয়ে পাশাপাশি বসল। অমানিশা হাঁপাচ্ছে। আহনাফ হেসে জিজ্ঞেস করল, 

পানি খাবে? 


অমানিশা মাথা ঝাঁকাল। আহনাফ তার দিকে পানির বোতল এগিয়ে দিল। এক নিশ্বাসে প্রায় আধা বোতল পানি শেষ করল অমানিশা। আহনাফ ফ্লোর বেডে শুয়ে হাসিমুখে আরেকটি সিগারেট ধরালো। বিছানার একপাশে সাদা কাগজে গোলাপি রঙের তিনটি ট্যাবলেট রাখা। সেদিকে ঘৃণ্য চোখে ক্ষণিককাল তাকিয়ে রইল অমানিশা। এরপর দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, 

আবার নেশা করেছো? তুমি আমাকে কথা দিয়েছিলে আর নেশা করবে না। 


আহনাফ কোনো উত্তর দিল না। সিগারেট ফুঁকায় মন দিল। 


অমানিশা অশ্রুসিক্ত চোখে বলল,

তুমি না বলেছিলে ডাক্তার দেখিয়েছো? নেশা ছাড়ার জন্য তোমাকে অনেক দামী দামী ওষুধ দিয়েছে? কোথায় সেগুলো? আমি কত কষ্ট করে অতগুলো টাকা এরেঞ্জ করেছি জানো? সোনার আংটিটা বিক্রি করতে হয়েছে!


আহা ওষুধগুলো আছে তো! মার ঘরে। 


তোমার ওষুধ মার ঘরে কেনো? 


মার ঘরে একটা বড় ঝুড়ি আছে। ওখানেই সব ওষুধগুলো রেখে দিয়েছি। 


ওষুধও খাচ্ছো আবার নেশাও করছো? 


একবারে কি ছাড়া যায়? আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি, নিশা। তুমি আমাকে বিশ্বাস করো না? 


অবশ্যই, বিশ্বাস করি। 


আহনাফ হেসে অমানিশাকে নিজের বুকের সাথে মিশিয়ে ফেলল। বলল, 

তাহলে এত প্রশ্ন করছো কেন? 


অমানিশা ছলছল চোখে বলল,

আমার অনেক ভয় করছে, আহনাফ।


কিসের ভয়? 


অমানিশা ফুঁপিয়ে উঠল। 


আহনাফ ভ্রুঁ কুঁচকে জিজ্ঞেস করল, 

বলো, কিসের ভয়? 


আমার পিরিয়ড হচ্ছে না। অলরেডি পনেরো দিন লেট। 


আহনাফ কিছুক্ষণ চুপ করে রইল। 

এরপর জিজ্ঞেস করল, তোমার কি মনে হচ্ছে তুমি প্রেগন্যান্ট? 


অমানিশা হ্যাঁ সূচক মাথা নাড়ল। 


আহনাফ উল্লাসিত কণ্ঠে বলল, 

আমি বাবা হব? তুমি মা হবে? 


অমানিশা কঠিন গলায় বলল,

তোমার কি মনে হয় আমি মজা করছি? 


আহনাফ অবাক হয়ে বলল, 

আমিও তো মজা করছি না। প্রেগন্যান্সি কীট কিনেছো? 


হুঁ। 


তুমি কিনতে গেলে কেনো? আমাকে বললেই আমি কিনে দিতাম। 


তোমাকে কল করলে তুমি ফোন ধরো? গত তিনদিন ধরে চেষ্টা করছি। রিং হয় অথচ তুমি ধরো না। আজকেও তুমি ফোন ধরবে কিনা এ নিয়ে সন্দেহ ছিল। আচ্ছা, তুমি ফোন কেনো ধরো না? 


আহনাফ সহজ গলায় উত্তর দিল, 

তুমি তো জানো আমি উদাস প্রকৃতির। আমি বাসায় ফোন ফেলেই আবিরদের গ্রামে চলে গিয়েছিলাম। 


অমানিশা চোখ মুখ শক্ত করে বলল, 

আবির ভাইয়ার কাছে তো আমার নাম্বার আছে। উনাকেও আমি অনেকবার ফোন করেছি তোমার খোঁজ নিতে। উনিও ফোন ধরে নি। একটা ম্যাসেজ তো করতে পারো তুমি!


আহনাফ প্রসঙ্গ পালটে বলল, 

আচ্ছা বাদ দাও না। এখন বলো তুমি প্রেগন্যান্ট হলে আমাদের কি করা উচিত? 


অমানিশা লজ্জা পেয়ে বলল,

কি করা উচিত? 


অবশ্যই বিয়ে করা উচিত। - একথা বলে অমানিশার কপাল থেকে চুল সরিয়ে ছোট্ট একটি চুমু খেলো আহনাফ। এরপর অমানিশার ঠোঁটের ওপর ঠোঁট চেপে ধরে ফিসফিস করে জিজ্ঞেস করল, তুই কি আমায় শাসন করার ব্যক্তিগত রাণী হবি? আমার অগোছালো জীবন টা গুছিয়ে দিবি? আমার লক্ষ্মী বউ হবি, অমানিশা? 


অমানিশা ছলছল চোখে আহনাফকে জিজ্ঞেস করল, 

তুমি আমাকে সত্যিই বিয়ে করবে? 


সত্যি, সত্যি, সত্যি! এইতো তিন সত্যি বলে দিলাম। টেস্ট করে রেজাল্ট কি আসে দেখো। এরপর আমরা যত দ্রুত সম্ভব সিদ্ধান্ত নেই। কেমন? আবির আর আমি একটা ব্যবসার পরিকল্পনা করছি। দোয়া করো আমাদের পরিকল্পনা যেন সফল হয়!


অমানিশা আহনাফের লোমশ বুকে মুখ ঘষে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলল। 


গল্পটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে

অমানিশার_মধ্যরাত 

লিখা: আতিয়া আদিবা


গল্পের সকল পর্ব পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন। 

https://golpermohol.com/category/dharabahik-golpo/অমানিশার-মধ্যরাত/

জীবন গড়ার ২১টি সঠিক নিয়ম

 👉জীবন গড়ার ২১টি সঠিক নিয়ম

👉জীবন গড়ার ২১টি সঠিক নিয়ম


✍️মানুষের জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত এবং নীতির গুরুত্ব অপরিসীম। সঠিক নীতি অনুসরণ করলে জীবনের মান উন্নত হয়, আর ভুল নীতি আপনাকে বিপদে ফেলতে পারে। নিচে কিছু মূল্যবান নিয়ম এবং জীবনব্যবস্থা উল্লেখ করা হলো যা আপনাকে জীবনে সাফল্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে:


---


**১. নিজেকে কখনো বড় করে প্রকাশ করবেন না।**  

নিজেকে বড় করে তুলে ধরা আত্মবিশ্বাস নয়, অহংকার। এটি অন্যের চোখে আপনাকে ছোট করে তোলে। বিনয়ী এবং নম্র আচরণ মানুষের মন জয় করার চাবিকাঠি।


---


**২. ভুল স্বীকার করুন এবং "Thank you", "Please" বলুন।**  

ভুল স্বীকার করা দুর্বলতা নয় বরং আত্মজ্ঞান এবং সাহসিকতার পরিচয়। ছোট কথাগুলো যেমন "ধন্যবাদ" বা "অনুগ্রহ করে" মানুষকে সম্মানিত করে এবং সম্পর্ক উন্নত করে।


---


**৩. নিজের গোপন কথা কাউকে বলবেন না।**  

গোপন বিষয় শেয়ার করা ঝুঁকিপূর্ণ। কাউকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করলে আপনাকে বিপদে পড়তে হতে পারে। সবসময় সতর্ক থাকুন।


---


**৪. অভিজ্ঞতা ছাড়া ব্যবসায় ঝাঁপ দেবেন না।**  

অর্থ এবং সময়ের অপচয় এড়াতে যেকোনো ব্যবসায় নামার আগে জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতা অর্জন করুন। 


---


**৫. পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত হবেন না।**  

পর্ন আসক্তি আপনাকে সাময়িক আনন্দ দিলেও দীর্ঘমেয়াদে আপনার আত্মবিশ্বাস, সম্পর্ক এবং মনস্তাত্ত্বিক স্থিতি নষ্ট করে দেয়।


---


**৬. পরচর্চা করবেন না।**  

যে অন্যের নিন্দা করে, সে আপনার পেছনেও নিন্দা করবে। নিজের সময় এবং মানসিক শক্তি নষ্ট না করে ইতিবাচক কাজে মনোযোগ দিন।


---


**৭. গাধার সঙ্গে তর্ক করবেন না।**  

তর্কের শুরুতেই সে আপনাকে তার স্তরে নামিয়ে আনবে এবং আপনাকে অপদস্থ করবে। তাই, যুক্তিহীন তর্ক এড়িয়ে চলুন।


---


**৮. কোনো কাজ পরে করার জন্য ফেলে রাখবেন না।**  

যদি কাজ ফেলে রাখেন, তা আর কখনোই সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। "এখনই" কাজ শেষ করার অভ্যাস তৈরি করুন।


---


**৯. ‘না’ বলতে শিখুন।**  

সবসময় অন্যকে খুশি করার জন্য নিজেকে বোঝার মধ্যে ফেলবেন না। প্রয়োজনে দৃঢ়ভাবে ‘না’ বলুন। এটি আত্মসম্মান রক্ষার অংশ।


---


**১০. বাবা-মা এবং জীবনসঙ্গীকে সমান গুরুত্ব দিন।**  

কোনো সম্পর্কের কারণে অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে উপেক্ষা করবেন না। পরিবার হলো জীবনের মূল শক্তি।


---


**১১. সবাইকে সন্তুষ্ট করার চেষ্টা করবেন না।**  

আপনি যদি সবসময় অন্যকে সন্তুষ্ট করার জন্য নিজেকে পরিবর্তন করেন, তবে নিজের ব্যক্তিত্ব হারাবেন। নিজের মূল্য বুঝতে শিখুন।


---


**১২. ঝুঁকি ছাড়া সাফল্য আসে না।**  

সফল হতে হলে জীবনে হিসাব করা ঝুঁকি নিতে হবে। সঠিক পরিকল্পনা এবং সাহসিকতার মাধ্যমে এগিয়ে যান।


---


**১৩. স্মার্টফোনে আসক্ত হবেন না।**  

স্মার্টফোন জীবন সহজ করে, তবে অতিরিক্ত ব্যবহার আপনার সময় এবং মনোযোগ নষ্ট করে। গুগলে সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায় না, তাই বাস্তব জীবনেও অভিজ্ঞতা অর্জন করুন।


---


**১৪. ইচ্ছা প্রকাশ করতে দেরি করবেন না।**  

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে ভয় পাবেন না। দেরি করার ফলে হয়তো কখনোই তা আর প্রকাশ করা হবে না, যা সারা জীবনের আফসোস হয়ে থাকতে পারে।


---


**১৫. মানসিক শান্তি নষ্ট করে এমন সম্পর্ক থেকে সরে আসুন।**  

যে সম্পর্ক আপনাকে কষ্ট দেয়, তা আঁকড়ে ধরা উচিত নয়। মানসিক যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিন।


---


**১৬. লক্ষ্যের পিছু ধাওয়া করা বন্ধ করবেন না।**  

আপনি কখনোই জানেন না যে সাফল্য ঠিক কতটা কাছাকাছি। তাই ধৈর্য ধরে চেষ্টা চালিয়ে যান। বেশিরভাগ মানুষ হাল ছেড়ে দেয় সাফল্যের ঠিক আগে।


---


**১৭. অকারণে শত্রু তৈরি করবেন না।**  

অকারণে কারো সঙ্গে শত্রুতা তৈরি করা নিজের ক্ষতি ডেকে আনে। সম্পর্ক রক্ষা করতে যতটা সম্ভব কৌশলী থাকুন।


---


**১৮. কারো ধর্মবিশ্বাসে আঘাত করবেন না।**  

ধর্ম এবং বিশ্বাস মানুষের অন্তরের গভীরে থাকে। এটি নিয়ে কটূক্তি করা বা সোশ্যাল মিডিয়ায় আপত্তিকর পোস্ট দেওয়া সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।


---


**১৯. একান্ত মুহূর্তের ছবি বা ভিডিও করবেন না।**  

ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি বা ভিডিও রেকর্ড করা ভবিষ্যতে বিপদের কারণ হতে পারে। এ ধরনের ভুল থেকে দূরে থাকুন।


---


**২০. সম্মান বিসর্জন দিয়ে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখবেন না।**  

যে জায়গায় আপনার সম্মান নেই, সেখানে থাকা নিজের আত্মসম্মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। নিজেকে মূল্য দিন।


---


**২১. টাকার পেছনে দৌড়ে প্রিয়জনদের উপেক্ষা করবেন না।**  

টাকা গুরুত্বপূর্ণ, তবে তা যেন প্রিয়জনদের সময় এবং ভালোবাসার বিকল্প না হয়। ব্যালান্স বজায় রাখুন।


---


**২২. যা হারিয়েছেন তা নিয়ে আফসোস করবেন না।**  

হারানো জিনিস বা সময় নিয়ে আফসোস করা কেবল আপনাকে পেছনে টানে। ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।


---


এই নিয়মগুলো অনুসরণ করলে জীবন আরও সমৃদ্ধ, শান্তিময় এবং সফল হয়ে উঠবে। জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে সচেতন হয়ে সিদ্ধান্ত নিন।


#pageforyou #sumaiya's fashion

✍️মানুষের জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত এবং নীতির গুরুত্ব অপরিসীম। সঠিক নীতি অনুসরণ করলে জীবনের মান উন্নত হয়, আর ভুল নীতি আপনাকে বিপদে ফেলতে পারে। নিচে কিছু মূল্যবান নিয়ম এবং জীবনব্যবস্থা উল্লেখ করা হলো যা আপনাকে জীবনে সাফল্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে:


---


**১. নিজেকে কখনো বড় করে প্রকাশ করবেন না।**  

নিজেকে বড় করে তুলে ধরা আত্মবিশ্বাস নয়, অহংকার। এটি অন্যের চোখে আপনাকে ছোট করে তোলে। বিনয়ী এবং নম্র আচরণ মানুষের মন জয় করার চাবিকাঠি।


---


**২. ভুল স্বীকার করুন এবং "Thank you", "Please" বলুন।**  

ভুল স্বীকার করা দুর্বলতা নয় বরং আত্মজ্ঞান এবং সাহসিকতার পরিচয়। ছোট কথাগুলো যেমন "ধন্যবাদ" বা "অনুগ্রহ করে" মানুষকে সম্মানিত করে এবং সম্পর্ক উন্নত করে।


---


**৩. নিজের গোপন কথা কাউকে বলবেন না।**  

গোপন বিষয় শেয়ার করা ঝুঁকিপূর্ণ। কাউকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করলে আপনাকে বিপদে পড়তে হতে পারে। সবসময় সতর্ক থাকুন।


---


**৪. অভিজ্ঞতা ছাড়া ব্যবসায় ঝাঁপ দেবেন না।**  

অর্থ এবং সময়ের অপচয় এড়াতে যেকোনো ব্যবসায় নামার আগে জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতা অর্জন করুন। 


---


**৫. পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত হবেন না।**  

পর্ন আসক্তি আপনাকে সাময়িক আনন্দ দিলেও দীর্ঘমেয়াদে আপনার আত্মবিশ্বাস, সম্পর্ক এবং মনস্তাত্ত্বিক স্থিতি নষ্ট করে দেয়।


---


**৬. পরচর্চা করবেন না।**  

যে অন্যের নিন্দা করে, সে আপনার পেছনেও নিন্দা করবে। নিজের সময় এবং মানসিক শক্তি নষ্ট না করে ইতিবাচক কাজে মনোযোগ দিন।


---


**৭. গাধার সঙ্গে তর্ক করবেন না।**  

তর্কের শুরুতেই সে আপনাকে তার স্তরে নামিয়ে আনবে এবং আপনাকে অপদস্থ করবে। তাই, যুক্তিহীন তর্ক এড়িয়ে চলুন।


---


**৮. কোনো কাজ পরে করার জন্য ফেলে রাখবেন না।**  

যদি কাজ ফেলে রাখেন, তা আর কখনোই সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। "এখনই" কাজ শেষ করার অভ্যাস তৈরি করুন।


---


**৯. ‘না’ বলতে শিখুন।**  

সবসময় অন্যকে খুশি করার জন্য নিজেকে বোঝার মধ্যে ফেলবেন না। প্রয়োজনে দৃঢ়ভাবে ‘না’ বলুন। এটি আত্মসম্মান রক্ষার অংশ।


---


**১০. বাবা-মা এবং জীবনসঙ্গীকে সমান গুরুত্ব দিন।**  

কোনো সম্পর্কের কারণে অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে উপেক্ষা করবেন না। পরিবার হলো জীবনের মূল শক্তি।


---


**১১. সবাইকে সন্তুষ্ট করার চেষ্টা করবেন না।**  

আপনি যদি সবসময় অন্যকে সন্তুষ্ট করার জন্য নিজেকে পরিবর্তন করেন, তবে নিজের ব্যক্তিত্ব হারাবেন। নিজের মূল্য বুঝতে শিখুন।


---


**১২. ঝুঁকি ছাড়া সাফল্য আসে না।**  

সফল হতে হলে জীবনে হিসাব করা ঝুঁকি নিতে হবে। সঠিক পরিকল্পনা এবং সাহসিকতার মাধ্যমে এগিয়ে যান।


---


**১৩. স্মার্টফোনে আসক্ত হবেন না।**  

স্মার্টফোন জীবন সহজ করে, তবে অতিরিক্ত ব্যবহার আপনার সময় এবং মনোযোগ নষ্ট করে। গুগলে সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায় না, তাই বাস্তব জীবনেও অভিজ্ঞতা অর্জন করুন।


---


**১৪. ইচ্ছা প্রকাশ করতে দেরি করবেন না।**  

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে ভয় পাবেন না। দেরি করার ফলে হয়তো কখনোই তা আর প্রকাশ করা হবে না, যা সারা জীবনের আফসোস হয়ে থাকতে পারে।


---


**১৫. মানসিক শান্তি নষ্ট করে এমন সম্পর্ক থেকে সরে আসুন।**  

যে সম্পর্ক আপনাকে কষ্ট দেয়, তা আঁকড়ে ধরা উচিত নয়। মানসিক যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিন।


---


**১৬. লক্ষ্যের পিছু ধাওয়া করা বন্ধ করবেন না।**  

আপনি কখনোই জানেন না যে সাফল্য ঠিক কতটা কাছাকাছি। তাই ধৈর্য ধরে চেষ্টা চালিয়ে যান। বেশিরভাগ মানুষ হাল ছেড়ে দেয় সাফল্যের ঠিক আগে।


---


**১৭. অকারণে শত্রু তৈরি করবেন না।**  

অকারণে কারো সঙ্গে শত্রুতা তৈরি করা নিজের ক্ষতি ডেকে আনে। সম্পর্ক রক্ষা করতে যতটা সম্ভব কৌশলী থাকুন।


---


**১৮. কারো ধর্মবিশ্বাসে আঘাত করবেন না।**  

ধর্ম এবং বিশ্বাস মানুষের অন্তরের গভীরে থাকে। এটি নিয়ে কটূক্তি করা বা সোশ্যাল মিডিয়ায় আপত্তিকর পোস্ট দেওয়া সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।


---


**১৯. একান্ত মুহূর্তের ছবি বা ভিডিও করবেন না।**  

ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি বা ভিডিও রেকর্ড করা ভবিষ্যতে বিপদের কারণ হতে পারে। এ ধরনের ভুল থেকে দূরে থাকুন।


---


**২০. সম্মান বিসর্জন দিয়ে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখবেন না।**  

যে জায়গায় আপনার সম্মান নেই, সেখানে থাকা নিজের আত্মসম্মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। নিজেকে মূল্য দিন।


---


**২১. টাকার পেছনে দৌড়ে প্রিয়জনদের উপেক্ষা করবেন না।**  

টাকা গুরুত্বপূর্ণ, তবে তা যেন প্রিয়জনদের সময় এবং ভালোবাসার বিকল্প না হয়। ব্যালান্স বজায় রাখুন।


---


**২২. যা হারিয়েছেন তা নিয়ে আফসোস করবেন না।**  

হারানো জিনিস বা সময় নিয়ে আফসোস করা কেবল আপনাকে পেছনে টানে। ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।


---


এই নিয়মগুলো অনুসরণ করলে জীবন আরও সমৃদ্ধ, শান্তিময় এবং সফল হয়ে উঠবে। জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে সচেতন হয়ে সিদ্ধান্ত নিন।


#pageforyou #sumaiya's fashion

ভেষজগুণে সমৃদ্ধ মিষ্টি গাছ** 'স্টেভিয়া' **সৃষ্টিকর্তার এক অলৌকিক সৃষ্টি। 

 # ভেষজগুণে সমৃদ্ধ মিষ্টি গাছ** 'স্টেভিয়া' **সৃষ্টিকর্তার এক অলৌকিক সৃষ্টি। 


**এ গাছ শত শত বছর ধরে প্যারাগুয়ের পাহাড়ি অঞ্চলে চাষাবাদ হয়ে এসেছে। প্যারাগুয়ের উপজাতিরা একে বলে 'কাহিহি' অর্থাৎ মধু গাছ।**


১৮৮৭ সালে সুইজ উদ্ভিদবিজ্ঞানী ড. এমএস বার্টনি প্রথম স্টেভিয়াকে বিশ্ববাসীর কাছে পরিচয় করিয়ে দেন। পৃথিবীতে স্টেভিয়ার প্রায় ৯০টি জাত এবং ২৪০টি প্রজাতি আছে। এদের মধ্যে স্টিভিয়া রিবাউডিয়ানা বিশ্বজুড়ে বেশি প্রচলিত। এই প্রজাতির পাতায় সবচেয়ে মিষ্টি উপাদান রিবাউডিওসাইড যৌগটি রয়েছে।


স্টেভিয়া গাছের সবুজ পাতাই মিষ্টি উপাদানের উৎস। চিনির চেয়ে স্টেভিয়ার পাতা ৩০-৪০ গুণ বেশি মিষ্টি। স্টেভিয়া পাতা সংগ্রহের পর সূর্যালোকে বা ড্রায়ারের মাধ্যমে শুকান হয়। তারপর ক্রাশ করে পাউডারে পরিণত করা হয়। এক কেজি পাতা শুকিয়ে প্রায় ২০০-৩০০ গ্রাম পাউডার পাওয়া যায়।


**স্টেভিয়া পাতার ১০০ গ্রাম নির্যাস থেকে ৪০ কেজি চিনির সমপরিমাণ মিষ্টি পাওয়া যায়। প্রসেস করলে মিষ্টির পরিমাণ আরো বেড়ে যায়। পাতা থেকে রিফাইন করা স্টিভিওসাইডের স্বাদ সাদা চিনির মতো এবং সাদা চিনির চেয়ে প্রায় ৪০০ গুণ বেশি মিষ্টি!**


***স্টেভিয়ার কাঁচা বা শুকনো পাতা সরাসরি চিবিয়ে খাওয়া যায়। প্রতি ১ কেজি খাবার মিষ্টিকরণের জন্য মাত্র ৭.৯ মিলিগ্রাম স্টেভিয়াই যথেষ্ট!***


***এক গ্লাস পানিতে একটি কাঁচাপাতার রস মিশালেই অনেক মিষ্টি হয়ে যায়। চা-কফি, মিষ্টি খাবার এবং পানীয় দ্রব্যে ব্যবহার করা যায় স্টেভিয়া পাউডার, ট্যাবলেট কিংবা সিরাপ।***


ইউরোপিয়ান ফুড সেফটি অথরিটি(EFSA) এর অ্যাডভাইজড ডেইলি ইনটেক(ADI) রেকমেন্ডেশন অনুযায়ী, একজন মানুষের দিনে প্রতি কেজি ওজনের জন্য প্রায় ৪ মিলিগ্রাম পরিমাণ স্টেভিয়া(প্রসেসড) কনজিউম করা নিরাপদ। উদাহরণস্বরূপ, ৭০ কেজি ওজনের একজন ব্যক্তির প্রতিদিন ৭০×৪= ২৮০ মিলিগ্রামের বেশি স্টেভিয়া খাওয়া উচিত নয়।


বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর মতে- 'স্টেভিয়া প্রাকৃতিক সুইটনার তাই মানবশরীরের জন্য নিরাপদ।'


স্টেভিয়া পাতায় থাকে খনিজ, বিটা ক্যারোটিন, এন্টিওক্সিডেন্ট ও ভিটামিন। চিনির পরিবর্তে নির্ভয়ে স্টেভিয়া ব্যবহার করতে বলেন চিকিৎসকেরা। স্টেভিয়া পাউডার দিয়ে বানানো মিষ্টান্ন ডায়াবেটিস রোগীরা খেতে পারেন।


১৯৬৪ সালে প্যারাগুয়েতে স্টেভিয়ার বাণিজ্যিক চাষাবাদ শুরু হয়। জাপানে শুরু হয় ১৯৬৮ সালে। অল্পদিনের মধ্যেই ব্রাজিল, কলম্বিয়া, পেরু, চীন, কোরিয়া, আমেরিকা, কানাডা, ইসরাইল, মেক্সিকো, থাইল্যান্ড, মালেশিয়া প্রভৃতি দেশে বাণিজ্যিকভাবে স্টেভিয়ার চাষ শুরু হয়।


*বর্তমানে জাপানে প্রায় ৪০ শতাংশ মিষ্টির চাহিদা মেটানো হয় স্টেভিয়া দিয়ে। ক্যান্সার সৃষ্টিকারী হওয়ার কারণে ১৯৭০ এর দশকে জাপান সরকার আর্টিফিশিয়াল সুইটনার নিষিদ্ধ করে। জাপানে ১৯৭৩ সালের দিকে ৪৩ টি রিসার্চ সেন্টারে স্টেভিয়ার চাষ ও প্রাকৃতিক সুইটনার বানানো নিয়ে পরিক্ষা নিরীক্ষা সম্পন্ন হয়। তারপর কিছুদিনের মধ্যেই জাপানি সিজনিং, কোমল পানীয় এবং আইসক্রিমে স্টেভিয়ার ব্যবহার শুরু হয়।*


*জাপানে অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরই নিশ্চিত করা হয়েছে যে, মানুষের জন্য স্টেভিয়ার ব্যবহার নিরাপদ। বর্তমানে সেখানে কৃত্রিম চিনি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কেমিক্যাল সুইটনারের বদলে তারা স্টেভিয়া ব্যবহার করে।*


বিশ্বব্যাপী প্রায় ১৫ কোটি মানুষ চিনির বিকল্প হিসাবে স্টেভিয়া ব্যবহার করে৷ তবে স্টেভিয়া এখনো চিনির স্থান দখল করতে পারেনি৷ WHO এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন৷ বিশ্বে চিনি কনজিউম হয় প্রায় ১৮০ মিলিয়ন মেট্রিক টন৷ মিষ্টি জাতীয় খাদ্য বিক্রি হয় ৬০ বিলিয়ন ইউরোর সমপরিমাণ৷ বাজারে স্টেভিয়া সহজলভ্য হলে ইউরোপীয় চিনি উৎপাদনকারীদের ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে!


*চিনি কোম্পানি, আর্টিফিশিয়াল সুইটনার কোম্পানি এবং চিনি রপ্তানি নির্ভর কিছু দেশ স্টেভিয়াতে বিষাক্ত পদার্থ রয়েছে বলে বহুদিন অপপ্রচার চালিয়েছে। কিন্তু পরে USFDA এর গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে- 'স্টেভিয়াতে কোনো ক্ষতিকারক পদার্থ নেই।' আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটিও স্টেভিয়াকে নিরাপদ বলে ঘোষণা দিয়েছে।*


আমেরিকায় ২০০৮ সালে স্টেভিয়াকে GRAS (সর্বসাধারণের জন্য নিরাপদ) স্বীকৃতি এবং ফুড প্রোডাকশনে ব্যবহারের অনুমোদন দেয়া হয়। বর্তমানে স্টেভিয়া দিয়ে সব ধরনের খাবার এবং পানীয় তৈরি হয়। যুক্তরাষ্ট্রের গ্যাটোরেড ফিট, ভিটামিন ওয়াটার জিরো, সোবি লাইফওয়াটার, কোকা-কোলা লাইফ এবং ক্রিস্টাল লাইট সহ আরো অনেক ফুড ও বেভারেজ প্রোডাক্টে স্টেভিয়া ব্যবহার হয়।


স্টেভিয়াতে রক্তে গ্লুকোজ লেভেল কমানোর ক্ষমতা রয়েছে। এটি অক্সিডেটিভ স্ট্রেস, মাইক্রোবিয়াল সংক্রমণ এবং স্থূলতা থেকে রক্ষা করে, ইনফ্লামেশন ও টিউমারের বৃদ্ধি থামাতে পারে এবং ক্যান্সার কোষের মৃত্যু ঘটাতে পারে। এতে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যার মধ্যে রয়েছে ওপিজেনিন, কেমফেরল এবং কুয়েরিট্রিন। যা মানুষের ডিএনএ স্ট্র্যান্ডের ক্ষতি প্রতিরোধে সহায়তা করে।


**বাংলাদেশের আবহাওয়া ও মাটি স্টেভিয়া চাষের জন্য খুবই উপযোগী। এদেশে সারা বছরই লাভজনকভাবে স্টেভিয়া চাষ করা সম্ভব। বৃষ্টির পানি জমে না এরকম জৈব পদার্থযুক্ত লাল ক্ষারীয় মাটিতে স্টেভিয়া ভালো জন্মে। হেক্টরপ্রতি ১০ হাজার থেকে ১২ হাজার কেজি শুকনো স্টেভিয়া পাতা উৎপাদন হয়।**


ভারতে বিভিন্ন কোম্পানি চাষীদের চুক্তিভিত্তিক চারা সরবরাহ করে এবং তাদের কাছ থেকে ন্যায্যমূল্যে স্টেভিয়া পাতা কিনে নেয়। আমাদের দেশে বৃহত্তর রংপুর অঞ্চলে একই পদ্ধতিতে তামাক চাষ করা হয়। ক্ষতিকর তামাক চাষের পরিবর্তে ঐ অঞ্চলে স্টেভিয়া চাষ হতে পারে।


**বাসাবাড়িতে সহজেই স্টেভিয়া চাষ করা যায়। সারা বছরই বাড়ির বারান্দায় বা ছাদে স্টেভিয়া চাষ করা সম্ভব। বাংলাদেশে বিএসআরআইয়ের বিজ্ঞানীরা উদ্ভিদটি নিয়ে কাজ শুরু করেছিলেন ২০০১ সালে। ঔষধি উদ্ভিদ স্টেভিয়া সহজে চাষ করা যায়। টবেও চাষ করা যায়। বাংলাদেশের যেকোনো এলাকায় এর চাষ সম্ভব। একবার লাগালে তিন থেকে চার বছর নতুন করে চারা লাগানোর প্রয়োজন পড়ে না। স্বল্প শ্রম ও খরচে স্টেভিয়া উৎপাদন হয়।**


Muhammad Rahat

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ ১২-০২-২০২৫ খ্রি:

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ ১২-০২-২০২৫ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


মার্কিন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সের সঙ্গে বৈঠকে দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প ও সংস্কারে  যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা। 


আগামী ডিসেম্বরে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।


অপারেশন ডেভিল হান্ট চলাকালে কোনো দুষ্কৃতকারী যেন পার না পায় সেজন্য  আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার।


অক্টোবরের মধ্যে শেখ হাসিনা ও তার সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তিন থেকে চারটি মামলার রায় দেবে আইসিটি - জানালেন আইন উপদেষ্টা।


শনিবারের মধ্যে জিম্মিদের মুক্তি না দিলে গাজায় আবার হামলা শুরুর হুমকি ইসরায়েলের।


করাচিতে ত্রিদেশীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সিরিজে আজ দক্ষিণ আফ্রিকার মোকাবেলা করবে স্বাগতিক পাকিস্তান।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ১১-০২-২০২৪ খ্রি:

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ১১-০২-২০২৪ খ্রি:


রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ১৫-১১-২০২৪ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


মার্কিন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সের সঙ্গে বৈঠকে দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প ও সংস্কারে  যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা।   


আগামী ডিসেম্বরে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।


অপারেশন ডেভিল হান্ট চলাকালে কোনো দুষ্কৃতকারী যেন পার না পায় সেজন্য  আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার।  


অক্টোবরের মধ্যে শেখ হাসিনা ও তার সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তিন থেকে চারটি মামলার রায় দেবে আইসিটি --- জানালেন আইন উপদেষ্টা।


শনিবার দুপুরের মধ্যে হামাস জিম্মিদের মুক্তি না দিলে ইসরাইলের উচিত যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাতিল করা --- বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।


এবং আগামীকাল করাচিতে ত্রিদেশীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সিরিজের তৃতীয়টিতে দক্ষিণ আফ্রিকার মোকাবেলা করবে পাকিস্তান।

স্ট্রোক হলে কিভাবে বুঝবেন?

 স্ট্রোক হলে কিভাবে বুঝবেন?

খুব প্রয়োজনীয় একটি পোস্ট।।

একটা অনুষ্ঠানে গিয়ে একজন ভদ্রমহিলা হঠাৎ হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলেন। উঠে দাঁড়িয়ে তিনি বললেন, সবকিছু ঠিক আছে, মেঝের টাইলসে তার নতুন জুতোর হীল বেঁধে যাওয়ায় তিনি পড়ে গিয়েছিলেন। কেউ একজন অ্যাম্বুলেন্স ডাকার কথা বললেও তিনি তাতে রাজি হলেন না।

সবকিছু ঠিকঠাক করে, পরিস্কার করে তিনি নতুন করে প্লেটে খাবার নিলেন। যদিও মনে হচ্ছিলো যেন তিনি একটু কেঁপে কেঁপে উঠছেন। অনুষ্ঠানের সম্পূর্ণ সময় জুড়েই তিনি উপস্থিত থাকলেন। পরদিন দুপুরে ভদ্রমহিলার স্বামী ফোন করে জানালেন, তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সন্ধ্যা ছয়টার সময় তিনি মা*রা গেলেন।

মূল যে ঘটনা ঘটেছিল, তা হলো- তার অনুষ্ঠান চলাকালীন সময় স্ট্রোক হয়েছিল। সেখানে যদি কেউ জানতেন, কিভাবে স্ট্রোক সনাক্ত করা সম্ভব, তাহলে হয়তো ভদ্রমহিলা আজও বেঁচে থাকতেন।

সবাই যে মৃ*ত্যু*বরণ করে, তা নয়। অনেকের ঠাঁই হয় বিছানায়, সাহায্যহীন, ভারসাহীন মূমুর্ষূ অবস্থায়। মাত্র তিনটে মিনিট সময় নিয়ে এটা পড়ে ফেলুন।

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, যদি একজন স্ট্রোকের শিকার রোগীকে স্ট্রোক হবার তিন ঘন্টার মধ্যে হাসপাতালে নেওয়া যায়, তবে তাকে সম্পূর্ণভাবে সুস্থ অবস্থায় ফেরত পাওয়া সম্ভব। শুধু আমাদের জানতে হবে কিভাবে স্ট্রোক চেনা যায়, এবং কিভাবে রোগীকে উল্লেখ্য সময়ের মধ্যে মেডিকেল কেয়ারে নেয়া যায়।

স্ট্রোককে চিনুন...

সহজ তিনটি ধাপঃ- S T ও R... পড়ুন এবং জানুন!

মাঝে মাঝে স্ট্রোকের উপসর্গ সনাক্ত করা অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। আমাদের অজ্ঞতার কারণেই নেমে আসে যাবতীয় দুর্যোগ। স্ট্রোকের শিকার রোগীর যখন ভয়ানক রকম ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে, পাশে দাঁড়ানো প্রিয়জনটিই হয়তো বুঝতে পারছে না, কি অপেক্ষা করছে তাদের কাছের মানুষের জীবনে।

সহজ উপায়ে স্ট্রোক সনাক্ত করার উপায়, সহজ তিনটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করুনঃ

S – Smile. রোগীকে হাসতে বলুন।

T – Talk. রোগীকে আপনার সাথে সাথে একটি বাক্য বলতে বলুন। উদাহরণঃ আজকের দিনটা অনেক সুন্দর।

R – Raise hands. রোগীকে একসাথে দুইহাত উপরে তুলতে বলুন।

এর কোনো একটিতে যদি রোগীর সমস্যা বা কষ্ট হয়, তৎক্ষণাৎ দেরি না করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। এবং চিকিৎসককে সমস্যাটি খুলে বলুন। (রোগী বলতে স্ট্রোকের শিকার সন্দেহ করা ব্যক্তি বোঝানো হয়েছে)

সনাক্তকরণের আরেকটি উপায় হচ্ছে, রোগীকে বলুন তার জিহবা বের করতে। যদি তা ভাঁজ হয়ে থাকে, বা অথবা যদি তা বেঁকে যেকোনো একদিকে চলে যায়, সেটাও স্ট্রোকের লক্ষণ। তৎক্ষণাৎ তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।

যদি আমরা সবাই-ই এই সহজ ব্যাপারগুলো জেনে রাখি, তবে আমরা একজনের হলেও জীবন বাঁচাতে পারবো। সুতরাং, আপনি শিখলেন- আপনার বন্ধু ও প্রিয়জনদেরও শেখান..!!

ইউরোপ এবং শেনজেন: পার্থক্য এবং ভিসার বিষয়গুলো কি কি

 📌 ইউরোপ এবং শেনজেন: পার্থক্য এবং ভিসার বিষয়গুলো কি কি❓❓


ইউরোপের কিছু দেশ ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) সদস্য, কিছু শেনজেন এলাকার সদস্য, আবার কিছু কোনো গ্রুপেরই অংশ নয়।


❇️ শেনজেন এলাকা (Schengen Area):

   - এটি ২৯ টি দেশের একটি অঞ্চল যেখানে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ নেই।এই এলাকায় আপনি একবার ভিসা পেলে যেকোনো শেনজেন সদস্য দেশে বিনা বাধায় ভ্রমণ করতে পারবেন। এটি ৯০ দিনের মধ্যে স্বল্পমেয়াদী ভ্রমণের জন্য প্রযোজ্য l 

   - অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, চেক প্রজাতন্ত্র, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রীস, হাঙ্গেরি, আইসল্যান্ড, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, লাক্সেমবার্গ, মাল্টা, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, স্পেন, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড, লিচেনস্টেইন এবং ক্রোয়েশিয়া, রোমানিয়া, বুলগেরিয়া


❇️ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) সদস্য কিন্তু শেনজেন নয়: - সাইপ্রাস, আয়ারল্যান্ড ইত্যাদি EU সদস্য কিন্তু এখনো শেনজেনের অন্তর্ভুক্ত নয়।

   - এসব দেশে যেতে হলে তাদের নিজস্ব ভিসা লাগে শেনজেন ভিসা দিয়ে যাওয়া যাবেনা ।


❇️ ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত কিন্তু EU এবং শেনজেন সদস্য নয়: - এসব দেশে যাওয়ার জন্য আপনাকে তাদের নিজস্ব ভিসা নিতে হবে। শেনজেন ভিসা দিয়ে যেতে পারবেন না l

  - যুক্তরাজ্য, উক্রেন, সার্বিয়া, তুরস্ক, বেলারুশ, রাশিয়া, আলবেনিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা এবং মলদোভা। 


✔️পরামর্শ : ইউরোপ আসার আগে এই বিষয়গুলো নিয়ে একটু রিসার্চ করে আসবেন l নাহলে অনেক এজেন্সি ভুলভাল বুঝিয়ে টাকা নিয়ে নিতে পারে l এতে করে আপনি এজেন্সিদ্বারা প্রতারণা থেকে বাঁচতে পারেন। সঠিক ভিসা নিয়মাবলী জানার জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস বা কনস্যুলেটে যোগাযোগ করা সবচেয়ে ভালো। এছাড়া, ভ্রমণ নিয়ে নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট এবং অন্যান্য উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন।


#Collected_Post #europe #EuropeVisa #travel #exploretheworld #visa #bangladeshifoodyy #abroad #travelwithsuvra #suvranag

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...