এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

অদ্ভুত_ধর্ষক পর্ব ১ লেখা- নয়ন_আলী_নাঈম

 অমাবস‍্যার গভীর রাত। নিজের স্তনে ঠান্ডা ত্বকের স্পর্শ অনুভব করে নুপুর। হাত পায়া নাড়াতে চেষ্টা করতেই অবাক হয়ে গেলো। তার মনে হচ্ছে যেনো,হাত পায়া ভাড় হয়েছে। বিছানা ছেড়ে উঠতে পারছে না। ঠান্ডা ত্বকের স্পর্শ ধীরে ধীরে তার পুরো শরীরকে গ্রাস করতে থাকে। সে শুধু অনুভব ছাড়া কিছুই করতে পারছেনা। 


চোখ মেলে দেখছে সুদর্শন একজন পুরুষ  তার শরীরের উপড়ে যৌন ক্ষিধায় ক্ষিপ্ত হয়ে আছে। অন্ধকার রুমে শুধু তার সুন্দর মুখটাই নুপুরের চোখে ভাসছে। শরীর থেকে চমৎকার সুগন্ধ ভেসে আসছে। ঠিক যেনো অমৃতের সুভাস। নুপুর যেনো মুহূর্তেই ভুলে গেলো নিজের সতিত্ব! ধীরে ধীরে তাল মিলাচ্ছে,রেসপন্স দিচ্ছে সুদর্শন পুরুষটাকে। এই প্রথম কোনো পুরুষের ছোয়া পাচ্ছে এবং মোন ভরে উপভোগ করছে। অথচ সে ভেবেও দেখছে না,সে কাকে রেসপন্স দিয়ে সহবাসে লিপ্ত হচ্ছে।  

বেশ ক্ষাণিক পর হঠাৎই উধাও হয়ে গেলো সুদর্শন পুরুষ এবং তার শরীর থেকে ভেসে আসা সুগন্ধ। নুপুর নেতিয়ে পড়ে অনবরত হাপাচ্ছে। কখন যে চোখে ঘুম এসে গেছে নিজেই যানেনা।


দূর মসজিদ থেকে ভোরের আজান ভেসে আসছে। মারমা জাতির হলেও কেনো জানি আজানের ধ্বনি তার অসম্ভব ভালো লাগে। মোন ভড়ে আজান শুনতে প্রতিদিন ভোরে ঘুম থেকে ওঠার অভ‍্যাস গড়ে তুলেছে। 

আজকেও অভ‍্যাসের কারনে ঘুম ভাঙ্গলো! সারা শরীরে ব‍্যাথা করছে। ঠোঁট জোড়া ঝাঝাচ্ছে। বিছানাটা ভেজা ও কড়াকড়া লাগছে। অবাক হয়ে রুমের বাল্বটা জালালো। বিছানার চাদরটা দেখতেই অবাক হয়ে গেলো! চাদরে রক্ত আর সাদা ছিটে ফোটার দাগ লেগে আছে। ততক্ষণাত মনে পড়ে গেলো সুদর্শন পুরুষটার কথা! তবে কেমনে সম্ভব,হয়তো স্বপ্নদোষ হবে? তাতেও দিধা নুপুরের মোনে। কেনো জানি সম্পূর্ণ ঘটনা বাস্তব মনে হচ্ছে। তা হলে সারা শরীরে ব‍্যাথা ক‍্যামনে সবে।

নুপুর এসব ভেবে কোনো কিছুরেই হিসাব মেলাতে পারছে না। আপাতত ওসব বাদ দিয়ে গোসল করে নিতে হবে। তাইতো দ্রুত বিছানা থেকে নেমে রক্তাক্ত চাদরটা নিয়ে গোসল করতে গেলো। শরীরে ব‍্যাথা নিয়ে চারদটা পরিস্কার করে ধুয়ে নিতে থাকে। পাটা'র ন‍্যায় কি বিশ্রি গন্ধ বের হচ্ছে। তবুও নাক চেপে চাদরটা ধুয়ে রুমেই শুকাতে দিলো এবং গোসল শেষে ড্রেস চেন্জ  করে আয়নার সামনে যেতেই দেখলো তার ঠোঁটের কিছু অংশ কেটে গেছে। সুদর্শন পুরুষটা নয়তো?কেমনে এটা হবে,যাষ্ট স্বপ্ন। উফ এসব নিতে পারছি না। সারা শরীর ব‍্যাথা করছে। মাথাটাও ধরেছে খুব আবার কলেজেও আজকে গুরুত্বপূর্ণ ক্লাস আছে। কিন্তু এই ঠোঁট? এই ঠোঁট নিয়ে কেমনে ফ্রেন্ডদের সামনে যাবো! উপায় পাইছি ওড়না দিয়ে মুসলিম মেয়েদের মতো হিজাব পড়বো। 

যেমন ভাবা তেমনি কাজ। ওড়না দিয়ে মুখ ঢেকে পিতামাতার আড়ালে মুখ লুকিয়ে খাবার খেয়ে করেজের দিকে যেতে লাগলো। নুপুরের বাবা হঠাৎ করে মেয়ের অদ্ভুত পরিবর্তন দেখে ভাবতে লাগলো! মেয়েটার কি হয়ে গেলো,হঠ‍্যাৎ করে মুখ ঢেকে খাবার খেয়ে কলেজে যাচ্ছে কেনো। 

কোনো উত্তর মিললো নুপুরের ভাবনার।


কলেজের গেটে দিয়ে ঢোকার পথে বন‍্যার সাথে দেখা হয় নুপুরের। কেমন যেনো উসখো খুসকো লাগছে বন‍্যাকে। চোখে মুখে কালো দাগ পড়েছে সাথে চুলগুলোয় ঝাপটা বেধেছে। 

বন‍্যা নুপুরকে একনজর দেখে ভিতরে প্রবেশ করতেছে। হয়তো নুপুরের মুখটা ঢেকে থাকার কারনে বন‍্যা নুপুরকে চেনেনি। এই ভেবে নুপুর বন‍্যাকে ডাক দিতেই বন‍্যা পিছনে ঘুরে দেখলো ওড়না দিয়ে হিজাব পড়া একটা মেয়ে তার দিকে আসতেছে। নুপুর বন‍্যার কাছে এসে বললো!

"কি হলো চিনতে পারিস নি।

বন‍্যা অবাক হয়ে বললো!

"নুপুর ওড়না দিয়ে মুখ ঢেকে কলেজে আসছিস কেনো? তোকে তো চিনতেই পাড়িনি।

নুপুর কি যেনো ভেবে বললো!এমনিই মন চাইলো এভাবে আসলাম। তবে তোর চেহারার এই অবস্থা কেনো। পাগলিদের মতো উসখো খুসকো হয়ে কলেজে আসছিস।

বন‍্যা কি আমতা আমতা করে বললো!

"তে'তেমন কিছু না। তারাহুরা করে আসছি'তো।

নুপুর লক্ষ্য করলো বন‍্যা তার থেকে কিছু হয়তো লুকাচ্ছে। তখনি বন‍্যার ঘাড়ে দিকে  চোখ পড়তেই দেখলো কামরের চিন্হ। হয়তো কোনো হিংস্র পশু এমন ভাবে কামরিয়েছে। বন‍্যা নুপুরের তাকানো'টা টের পেয়ে চুল দিয়ে দাগটা ডেকে ফেললো। 

বন‍্যার প্রতি নুপুরের ভাবনাটা বেড়ে গেলো। কেননা এই একই কামরের চিন্হ নুপুরের ঠোঁটেও। বন‍্যাকে এই বিষয়ে বলতে যেয়েও কিছুই বললো না। ভালো মন্দ জিজ্ঞাসা করে ক্লাসে গেলো। নুপুরের মুখ ঢেকে নেওয়া নিয়ে ফ্রেন্ডদের হাসি ঢাড্ডা। নুপুর ঠোঁটের দাগটার প্রবলেমে হাসি ঢাড্ডার মাঝেও মুখ থেকে ওড়না সরালো না। 

দুইটা ক্লাস করে মন টিকছে না ক্লাসে,তাই ক্লাস থেকে বেরিয়ে বাসার দিকে যেতে লাগলো। তার মনে হচ্ছে তাকে সঙ্গ দিয়ে কেউ একজন পাশে হাটছে। 

অথচ কেউই নেই তার পাশে। তবে রাতের সুদর্শন পুরুষটার শরীরের সুগন্ধ ভেসে আসছে নাকে!এই সুগন্ধ যেনো পাগল করে তুলতেছে নুপুরকে। রাস্তার কোনো দিকে খেয়াল নেই তার। হঠাৎই চারদিক আবছা অন্ধকার দেখতে লাগলো! চারপাশে মৃদু বাতাস বইছে! ঘন জঙ্গলের ভিতরে নিজেকে আবিস্কার করলো। দূরে একটা পুরোনো বিল্ডিং;ওখান থেকে অর্ধনগ্ন অবস্থায় হাত ছানি দিয়ে ডাকছে সুদর্শন পুরুষটা। নুপুরের মনে হচ্ছে যেনো তাকে চুম্বকের ন‍্যায় আকর্ষণ করে পুরুষটা নিজের দিকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। ছন্নছাড়া পাগলের মতো করে সে তার দিকে দৌড়াচ্ছে। মনে হচ্ছে পুরুষটাকে কাছে পেলেই দূর হয়ে যাবে জীবনের সব ক্লান্তি। 

দৌড়াতে দৌড়াতে পুরষটার খুব নিকটে গেলো নুপুর। পুরুষটা নেশা ভড়া চোখে অলতো করে এগিয়ে আসছে তার দিকে। এক  ধাক্কায় অন্ধকার রুমে নিয়ে গেলো তাকে। সাথে সাথেই মুখ আর স্তন দিয়ে রক্ত বের হতে থাকে নুপুরের।...


চলবে.........


পর্ব ১


অদ্ভুত_ধর্ষক


লেখা- নয়ন_আলী_নাঈম

শিক্ষানীয় গল্প ফেইসবুক থেকে নেওয়া

  শিক্ষানীয় গল্প 

আমা‌দের দে‌শে খুব কম স্বামীই আছেন যারা ওয়াই‌ফের পি‌রিয়‌ডের সময় তা‌দের প্যাড পা‌ল্টে দেওয়ার ম‌তো ম‌নোভাব পোষন ক‌রেন।


‌সিজা‌রের ঘন্টা দুই কি তিন পর। একজন আয়া এসে সবাই‌কে বল‌‌লেন,

'কে‌বিন থে‌কে বের হোন ‌রোগী‌কে ফ্রেশ কর‌তে হ‌বে।'

আ‌মি তখন যন্ত্রণায় কাতর। তা-ও জি‌জ্ঞেস কর‌লাম,

'কী রকম ফ্রেশ?'

ম‌হিলা বলল,

'প্যাড বদলা‌তে হ‌বে।'


আমি অসহায় চো‌খে তা‌কি‌য়ে বললাম,

'আপ‌নি চেইঞ্জ কর‌বেন?'

'হ্যাঁ।'

আ‌মি বেশ অস্বস্তি বললাম,

'আ‌মি নি‌জে ক‌রে নিব। আপ‌নি প্লিজ চ‌লে যান।'

ম‌হিলা শক্ত ক‌ণ্ঠে বলল,

'আপ‌নি চে‌য়েও এখন নি‌জের পা-ও নাড়া‌তে পার‌বেন না। পাল্টা‌বেন কী ক‌রে? সিজা‌রের পর তো আমিই আপনা‌কে চেইঞ্জ ক‌রে দি‌য়ে‌ছিলাম।'

'আ‌মি সেটা দে‌খি‌নি। আপ‌নি প্লিজ যান। আমি নি‌জে ক‌রে নিব। আমার শরী‌রে অন্য ‌কেউ হাত দি‌লে রাগ লা‌গে। হোক সে মে‌য়ে মানুষ।'


ম‌হিলা কিছু বলতে গে‌লে আজমীর সা‌হেব বল‌লেন,

'আ‌ন্টি, আপ‌নি যান। আমি দেখ‌ছি। ওর কো‌নো কাজ আপনা‌দের কর‌তে হ‌বে না। আমি আছি সারাক্ষণ ওর সা‌থে। ওর সব কাজ আমি করব।'

‌বোঝা গেল মহিলা বেশ বিরক্ত হ‌য়ে চ‌লে গে‌ছি‌লেন আজমীর সা‌হেব দরজা বন্ধ ক‌রে বলল,

'এটা কীভা‌বে পাল্টায় বলে দাও। আমি পা‌ল্টে দি‌চ্ছি।'

আমি প্রচণ্ড লজ্জা পে‌য়ে ব‌লে‌ছিলাম,

'তু‌মি আমা‌কে ধ‌রে দাঁড় করাও, ওয়াশরু‌মে নি‌য়ে চ‌লো। বা‌কিটা আমি করে নিব।'

ভদ্র‌লোক মুচ‌কি হে‌সে বলল,

'চুপ ক‌রে শু‌য়ে থা‌কো।'


‌সে সময় আমা‌কে ফ্রেশ ক‌রি‌য়ে দেওয়ার পর ওকে কিছু বল‌তে পা‌রি‌নি। লজ্জায় ওর দি‌কে তাকা‌‌তেই পারি‌নি। শুধু আস্তে ক‌রে ব‌লে‌ছিলাম,

'‌তে‌ামার ঘৃণা লাগ‌ছে না?'

‌সে তার চিরা‌চরিত দুষ্টু মি‌ষ্টি হা‌সি হাসল। সে সময় তা‌কে কিছু বল‌তে পা‌রি‌নি। প‌রের দুই বা‌রেও বল‌তে পা‌রি‌নি। বিকা‌লে আবার ‌চেইঞ্জ করার পর বলল‌াম,

'‌তোমার স‌ত্যি ঘৃণা লা‌গে না?'


ভদ্র‌লোক আমার পা‌শে ব‌সে মাথাটা আমার বু‌কে রে‌খে অনেকটা শক্ত ক‌রে জ‌ড়ি‌য়ে ধ‌রে বলল,

'কতক্ষণ পর তোমা‌কে একা পেলাম। সারাক্ষণ তোমার আশেপা‌শে লোকজন মা‌ছির ম‌তো ভিন‌ভিন ক‌রে। যেন তু‌মি আর আমার মে‌য়ে গর‌মের দি‌নের পাকা আম। তার জন্য এতো মা‌ছি ভনভন কর‌ছে। এতো কেন দেখতে হবে? বউ আমার, বাচ্চা আমার অথচ আমি একটু একা তা‌দের পা‌চ্ছি না।'


আ‌মি মৃদু হে‌সে বলে‌ছিলাম,

'আমার প্র‌শ্নের জবাব কিন্তু প‌াই‌নি।'

ভদ্র‌লোক আমার গা‌লে চুমু এঁকে ব‌লে‌ছি‌লেন,

'তু‌মি এতো বছ‌রেও বুঝ‌তে পা‌রো‌নি, আমি তোমা‌কে কতটা ভা‌লোবা‌সি!'

আ‌মি চুপ ক‌রে শুধু তার মাথ‌ায় হাত বুলা‌চ্ছিলাম। কিছু বলার ম‌তো খুঁজে পাই‌নি। সু‌খের কান্নাগু‌লো চোখ বে‌য়ে নিচে পড়ার আগেই আমি আট‌কে দি‌য়ে‌ছিলাম। সে বলেছিল,

'‌‌তোমার এই যন্ত্রণার জন্য তো আমিই দা‌য়ি।'

'কীভা‌বে?'


ফা‌জিল লোক দুষ্ট হে‌সে ব‌লে‌ছি‌লেন,

'মা তো আর একা একা হতে পা‌রে‌া‌নি। আমারও ক‌ন্ট্রি‌বিউশন আছে। জা‌নো কতটা ভ‌য়ে ছিল‌াম। বারবার ম‌নে হ‌চ্ছিল বাবা হ‌তে চাওয়‌াটা ঠিক হয়‌নি। য‌দি তোমা‌কে হা‌রিয়ে ফে‌লি! তোমরা মে‌য়েরা স‌ত্যি অনবদ্য। একটা বাচ্চার জন্য নি‌জের জীবনটার কথাও ভা‌বো না। তোমার প্র‌তি আগে যা সম্মান ছিল, এখন আরও হাজার লক্ষগুণ তা বে‌ড়ে গে‌ছে।'

আ‌মি দীর্ঘশ্বাস ছে‌ড়ে সেই পুড়া‌নো ডায়লগ ব‌লে‌ছিলা,

'তু‌মি কি স‌ত্যি এতোটা ভা‌লো? না‌কি অভিনয় কর‌ছো এতগুলো বছর যাবত?'

‌সে হে‌সে বলে‌ছিল,

'তু‌মি জা‌নো না, আমি ক‌তো বড়ো মা‌পের অভি‌নেতা।'

উক্ত লাইন‌টি আমি তা‌কে প্রায়ই ব‌লি। কারণ সে কাজগু‌লোই এমন ক‌রে। বারবার ভা‌বি, একটা মানুষ স‌ত্যি কী এতটা ভা‌লো হ‌তে পা‌রে?


সে‌দিন সন্ধ্যার পর আমি প্রচণ্ড অসুস্থ হয়ে প‌ড়ি। জীবন নি‌য়ে টানাটা‌নি হ‌য়ে‌ছিল। মৃত্যুর মু‌খোমু‌খি ঐ মুহূ‌র্তে আমার মাথায় দু‌টো প্রশ্ন ঘুরপাক খা‌চ্ছিল,

'আ‌মি না থাক‌লে এই পাগলা‌টা নি‌জে‌কে সামলা‌তে পার‌বে তো? আর ভাব‌ছিলাম, আমার সদ্য জন্ম নেওয়া মে‌য়ের কথা।'


‌সে‌দিন তার পাগলা‌মির গল্প না হয় আরেক‌দিন বলব।

আজমীর সা‌হে‌বকে য‌ত জে‌নেছি, তত তার প্র‌তি মুগ্ধ হ‌য়ে‌ছি, আকৃষ্ট হ‌য়ে‌ছি। তত সম্মান, শ্রদ্ধা বে‌ড়ে‌ছে তার প্র‌তি। সৃ‌ষ্টিকর্তার কা‌ছে প্রার্থণা আমার ভদ্রলোকটা সবসময় খুব ভা‌লো থাকুক। আমার লেখায় পোস্টগুলো কখনো যদি ভুল হয় তাহলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন সবাই প্লিজ। 


____________________সমাপ্ত______________________

বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

রহস্যময় ভালোবাসা: পুনর্জন্মের অভিশাপ

 ⭕⭕ রহস্যময় ভালোবাসা: পুনর্জন্মের অভিশাপ ⭕⭕


রাহুলের মনে পড়ল সেই রাতের কথা—যখন সে নীলার অনুরোধে অভিশপ্ত আয়নাটি ভেঙে ফেলেছিল। তার মনে হয়েছিল, সে হয়তো নীলাকে মুক্তি দিয়েছে। কিন্তু সবকিছু এত সহজে শেষ হতে পারে?


পরদিন সকালে, সে পাশের বাড়ির দিকে তাকাল। বাড়িটি আবার আগের মতোই নীরব, ধূলিধূসর। কিন্তু কেন যেন মনে হচ্ছিল, কিছু একটা ঠিক নেই। রাতের স্মৃতিগুলো তার মাথায় ঝড়ের মতো ঘুরপাক খাচ্ছিল।তারপরই অদ্ভুত ঘটনা শুরু হলো।


প্রথমে খুব সামান্য। গভীর রাতে, তার ঘরের জানালার কাঁচে অদ্ভুত একটা ছাপ পড়তে লাগল—ঠিক যেন কোনো নারীর হাতের স্পর্শ। বাতাসে মাঝে মাঝে ভেসে আসত মিষ্টি, কিন্তু কিছুটা পোড়া গন্ধ। রাহুল যখনই আয়নার সামনে দাঁড়াত, মনে হতো যেন তার পাশে কেউ দাঁড়িয়ে আছে।


কিন্তু এক রাতে, যখন সে অন্ধকার ঘরে শুয়ে ছিল, তখন তার দরজায় এক ধীর অথচ জোরালো শব্দ হলো—ঠকঠক... ঠকঠক...


সে উঠে দরজা খুলতেই দেখল, কেবল অন্ধকার। ঠান্ডা বাতাস ঘরের ভেতরে ঢুকে পড়ল, তার সারা শরীর শীতল হয়ে গেল।


হঠাৎ তার ঘরের আয়নার সামনে একটা ছায়া দেখা গেল। ধীরে ধীরে ছায়াটা পরিষ্কার হতে লাগল—নীলা!কিন্তু এটি সেই নীলা নয়, যাকে রাহুল চিনত।


তার চোখদুটি এখন সম্পূর্ণ কালো, মুখে কোনো আবেগ নেই, আর শরীর যেন কুয়াশার মতো ধীরে ধীরে দুলছে।"তুমি... তুমি কি মুক্ত হলে না?" রাহুল কাঁপা কণ্ঠে বলল।


নীলা ধীরে ধীরে এগিয়ে এল, ফিসফিস করে বলল, "আমি মুক্ত হয়েছি... কিন্তু ওরা নয়!"


রাহুল হতবাক হয়ে গেল। "ওরা? কারা?"নীলা হঠাৎ দরজার দিকে তাকাল। ঘরের বাতিগুলো একে একে নিভে গেল। বাতাস ভারী হয়ে উঠল, যেন চারপাশের সব কিছু থমকে গেছে। তারপর একটা শীতল কণ্ঠ শোনা গেল—"আমরা মুক্তি চাই... আমরা মুক্তি চাই..."


রাহুলের পুরো শরীর অবশ হয়ে গেল। সে দেখল, তার ঘরের আয়নাটার ভেতর ধীরে ধীরে কিছু অস্পষ্ট মুখ স্পষ্ট হয়ে উঠছে। তারা সবাই তার দিকে তাকিয়ে আছে—বিভৎস, মৃত, কালো চোখের শূন্যতা নিয়ে।


নীলা বলল, "এই আয়নাটাই আসল অভিশপ্ত বস্তু, রাহুল। তুমি যেটা ভেঙেছিলে, সেটা ছিল প্রতিচ্ছবি মাত্র। আসল আয়নাটা এখানেই ছিল—তোমার নিজের ঘরে।"


রাহুল দৌড়ে দরজার দিকে যেতে চাইল, কিন্তু দরজাটা কিছুতেই খুলছিল না! তার মাথার ওপর বাতিটা বিকট শব্দে ফেটে গেল, ঘরের চারপাশে ছায়াগুলো আরও গাঢ় হয়ে উঠল।


"তোমাকে এটা শেষ করতে হবে, রাহুল। নাহলে আমরাও মুক্তি পাব না, আর তুমিও নয়।" নীলার কণ্ঠ আগের মতো কোমল ছিল না, যেন এক বিষাদময় অভিশাপের ধ্বনি।


রাহুল জানত, যদি সে এবার ব্যর্থ হয়, তাহলে এই অভিশাপ চিরতরে তার জীবনের অংশ হয়ে যাবে।


রাহুল ধীরে ধীরে আয়নার সামনে দাঁড়াল। ভেতরের ছায়াগুলো আরও তীব্র হয়ে উঠেছে, তাদের মুখগুলো এখন স্পষ্ট—নীলার বাবা, মা, ছোট ভাই, এবং আরও অনেক অপরিচিত মুখ।"তারা সবাই অভিশপ্ত?"


নীলা মাথা ঝাঁকালো, তার চোখে জল চিকচিক করছিল। "ওরা সবাই এই আয়নার দ্বারা বন্দী। একমাত্র এটাকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করতে পারলেই ওরা মুক্তি পাবে। কিন্তু...""কিন্তু কী?"


"একজনকে এই অভিশাপ নিজের শরীরে ধারণ করতে হবে, নাহলে আয়না শেষ হবে না। কেউ না কেউ এর মূল্য দেবে।"


রাহুল জানত, সে যদি এই আয়নাটা ধ্বংস করে, তাহলে হয়তো নিজেই সেই অভিশাপের শিকার হবে। কিন্তু সে দেরি করতে পারল না।সে দ্রুত আয়নাটা তুলে নিয়ে দেওয়ালের দিকে ছুঁড়ে মারল!


ভেঙে যাওয়ার ঠিক আগের মুহূর্তে, আয়নার ভেতর থেকে বিকট এক চিৎকার বেরিয়ে এলো! একটা কালো ছায়া বেরিয়ে এসে রাহুলের শরীরে ঝাঁপিয়ে পড়ল।


সে অনুভব করল, শরীরটা কাঁপছে, যেন কিছু একটা তার ভেতরে ঢুকছে!


চারপাশে সব কিছু ধীরে ধীরে শান্ত হয়ে গেল। নীলা হাসল, তার শরীর ফিকে হতে লাগল।"ধন্যবাদ, রাহুল..."তারপর সে মিলিয়ে গেল বাতাসে।


পরদিন সকালে, রাহুল জেগে উঠল। তার শরীর ভারী লাগছিল, মাথার মধ্যে এক অদ্ভুত চাপ অনুভব করছিল।সে আয়নার দিকে তাকাল।


আর সেখানে সে নিজের প্রতিচ্ছবি দেখতে পেল না।বরং, দেখতে পেল নীলাকে!তার ঠোঁটে এক অদ্ভুত হাসি, আর চোখদুটি সম্পূর্ণ কালো।


রাহুল চিৎকার করতে চাইল, কিন্তু তার কণ্ঠ বের হলো না। সে বুঝতে পারল—এবার সে-ই অভিশপ্ত!"আমি মুক্তি পেয়েছি... কিন্তু তুমিও কি পাবে?"


চারপাশের বাতাস থমকে গেল, আর রাহুলের ভেতর থেকে একটা নিঃশব্দ হাসি বেরিয়ে এলো...

এক_মুঠো_রোদ্দুর  (সূচনা পর্ব)১১১

 -- স্যার কাজ করাবেন? আমার অনেক টাকার প্রয়োজন। প্লিজ আসেন। এক রাতের জন্য আপনি খুশি হয়ে যা দিবেন তাই হবে। 


রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে আদনান। তখনই মেয়েলি কণ্ঠ শুনে পিছন ফিরে তাকালো। মেয়েটা তাকানো দেখে আবার বলল, স্যার যাবেন?  আমার বাবা খুব অসুস্থ আমার অনেক টাকার প্রয়োজন। 


আদনান নিজের রাগ কন্ট্রোল করে বলল,


-- আমাকে দেখে কি মনে হয় তোমার? 


-- স্যার বিশ্বাস করুন আমি আজ প্রথম এসেছি। আর আপনি হবেন আমার প্রথম কাস্টমার। 


-- আমার সামনে থেকে যাও। এমনিতেই মেজাজ গরম হয়ে আছে।


আদনান মেয়েটার দিকে না তাকিয়ে আবার হাঁটা শুরু করে। কিছুক্ষণ আগে গাড়ির গ্যাস শেষ হয়ে যাওয়াতে গাড়ি সেখানেই রেখে পায়ে হেঁটে বাসায় যাচ্ছে আদনান। আর রাস্তায় এই মেয়ের সাথে দেখা। আদনান নিজ গতিতে হেঁটে যাচ্ছে সে খেয়াল করিনি মেয়েটা যে এখনও তার পিছনে পড়ে আছে।হঠাৎ করে একটা শব্দ বেশে আসে আদনানের কানে। সাথে সাথে পিছনে ঘুরতেই সে দেখতে পায় কয়েকটি ছেলে মিলে মেয়েটার সাথে খারাপ ব্যবহার করছে। আর মেয়েটাকে কোথাও নিয়ে যাওয়ার জন্য টানাহেঁচড়া করছে। আদনান এবার এগিয়ে যেতেই ছেলে গুলো দৌড়ে পালিয়ে যায়। 


-- ধন্যবাদ স্যার।


-- ধন্যবাদ দেওয়ার কিছু হয়নি। বাসায় চলে যাও রাত অনেক হয়েছে। 


-- কিন্তু!


-- কিন্তু কি? 


-- আমার বাবার চিকিৎসার টাকা না নিয়ে গেলে তো আমার বাবার চিকিৎসা হবে না। আমার বাবা ছাড়া এই দুনিয়ায় আমার আর কেউ নেই। 


এই কথা বলে মেয়েটা কান্না করতে শুরু করে। আদনান এবার মেয়েটার দিকে ভালো ভাবে তাকায়। মেয়েটার মুখে হিজাব থাকায় মুখ দেখা যাচ্ছেনা। পড়নে কালো বোরখা। 


-- কোন হাসপাতালে আছে তোমার বাবা? 


মেয়েটা হাসপাতালের নাম বলল। হাসপাতালের নাম শুনে আদনান একটা রহস্যময় হাসি দিলেন। আর বলল -- কতো নাম্বার কেবিনে আছে তোমার বাবা? 


-- তিনশো দশ নাম্বার কেবিন। 


-- ঠিক আছে তুমি এখন বাসায় চলে যাও। আর টাকা নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। তোমার বাবার চিকিৎসা হবে। 


-- কীভাবে হবে?  


-- এতো কিছু তোমার না জানলেও চলবে। তুমি এখন বাসায় যাও। 


-- এতো রাতে আমি একা কীভাবে বাসায় যাবো?  


আদনান দাঁতে দাঁত চেপে নিজেকে কন্ট্রোল করে বলল -- একা বের হতে পারছ আর এখন যেতে পারবেনা? আজব মেয়ে তো!  


মেয়েটা মাথা নিচু করে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কান্না করতে শুরু করে। মেয়েদের কান্না আদনানের অসহ্য লাগে। তাই আদনান একটা ধমক দিয়ে মেয়েটাকে থামিয়ে দেয়। আদনানের ধমকে মেয়েটা কেঁপে ওঠে। 


-- আজাইরা কান্নাকাটি করতে হবে না। তোমার বাসা কোথায়?  


মেয়েটা নিজের ঠিকানা বলল। 


-- ঠিক আছে আমার বাসাও ঐদিকে। 


এবার দু'জনে হাঁটতে শুরু করে। দু'জনেই নিশ্চুপ। নিরবতা ভাঙে মেয়েটা বলল -- স্যার আমার নাম আদিবা রহমান। 


এই কথা বলে আদিবা আদনানের দিকে হাত বাড়িয়ে দিতেই আদনান মেয়েটার দিকে চোখ বড়বড় করে তাকায়। আদনানের চোখ দেখে আদিবা একটা ঢোঁক গেলে। আর সে নিজের হাত নামিয়ে মনে মনে আদনানের চোদ্দগুষ্টিকে উদ্ধার করতে থাকে। 


-- ও স্যার আপনার নাম তো বললেন না!


-- তোমার বাসা চলে আসছে, তুমি এখন বাসায় যাও।


-- কিন্তু আপনার নামটা? 


-- আর কোনো কথা নই। বাসায় যাও। আর একটা কথা! আজ যে ভুল পথে পা বাড়ালে নেক্সট টাইম কখনো এসব চিন্তা ও মাথায় আনবেনা। 


-- ঠিক আছে, আপনার নাম? 


-- গুড নাইট। 


এই কথা বলে আদনান চলে গেলো। আর আদিবা মনে মনে বলছে, গুড নাইট আবার কারোর নাম হয় নাকি? তাতে আমার কি? হলেও হতে পারে। তবে নামটা সুন্দর আছে 'গুড নাইট' হিহিহি। 


এদিকে আদনান কিছুক্ষণের মধ্যেই নিজের বাসায় পৌছে যায়। বাসায় গিয়ে দরজার কলিং বেলে চাপ দিতেই আদনানের আম্মু এসে দরজা খুলে দেয়। পায়ে হেঁটে আসার কারণে আদনানের পুরো শরীর ঘেমে একাকার হয়ে গেছে। 


-- কিরে তোর এই অবস্থা কীভাবে হলো?


-- রাস্তায় হঠাৎ করে গাড়ির গ্যাস শেষ হয়ে গেছে। তাই পায়ে হেঁটে আসছি। 


-- গ্যাস চেক করিস নি? 


-- না। এখন এতো কথা বলতে পারবোনা। আমি ফ্রেশ হয়ে আসছি তুমি খাবার রেডি করে রেখো।


আদনানের আম্মুকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে সে নিজের রুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে বেরিয়ে কাওকে ফোন দেয়। ফোনে কথা বলে সে খাবার খাওয়ার জন্য আসে। আদনানের আম্মু রানী বেগম খাবার নিয়ে অপেক্ষা করছে। আদনান আসতেই বলল, 


-- এতক্ষণ লাগে? 


-- একটু ফোনে কথা বলছিলাম। 


-- এভাবে আমি আর একা কতো কাজ করব? এবার তো একটা বিয়ে কর। আমার ও কথা বলার একটা মানুষ হবে। 


-- আবার শুরু করলে? বলছিনা আমার সময় হলে আমি অবশ্যই বলব। 


-- পড়াশোনা তো অনেক আগেই শেষ করলি। আর তুই তো বেকার না। 


-- শোনো আম্মু আমি মনের মতো যেদিন কাওকে পাবো সেদিন সবার আগে তোমাকে বলব। এখন এসব নিয়ে কথা বলবেনা। 


-- ঠিক আছে এখন খাবার খেয়ে নে। আমাকে ঘুমাতে হবে।


আদনান এবার খাবার খেয়ে নিজের রুমে গিয়ে  ঘুমিয়ে পড়ে। 


সকালে খুব তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠে আদিবা। আর সে তার অসুস্থ বাবার জন্য রান্না করতে শুরু করে। রান্নাবান্না শেষ করে খাবার গুলো নিয়ে হাসপাতালের দিকে চলে যেতে থাকে। কিছুক্ষণের মধ্যেই আদিবা হাসপাতালে পৌছে যায়। আর সে বাবার কেবিনে গিয়ে দেখে কেবিন ফাঁকা হয়ে আছে। আদিবা বাবাকে কেবিনে দেখতে না পেয়ে সে ঘাবড়ে যায়। আর তাড়াতাড়ি করে ডাক্তারের কাছে চলে গেল। 


-- ডাক্তার আমার বাবা কেবিনে নেই কেন? আমার বাবাকে কি করছেন আপনারা? আমার বাবা কোথায়? (কান্না করতে করতে কথাগুলো বলছে আদিবা)


-- কান্না করছেন কেন? ভয় পাবেন না আপনার বাবা ঠিক আছে। 


-- কোথায় আমার বাবা? আমার বাবাকে আমার কাছে এনে দেন। 


ডাক্তার উঠে আদিবার কাছে আসতেই আদিবা ডাক্তারের পা ধরে বলে -- ডাক্তার প্লিজ আমাকে কিছু সময় দেন। আমি টাকার ব্যবস্থা করব। তাও আমার বাবাকে ফিরিয়ে দেন। আমার বাবা ছাড়া আমার আর কেউ নেই। 


-- কি করছ তুমি এসব। তোমার বাবার কাল রাতেই অপারেশন হয়েছে। উনি এখন সুস্থ আছে। 


আদিবা কথাটা শুনে দাঁড়িয়ে নিজের চোখের পানি মুছতে মুছতে বলল, 


-- মানে? আমি তো এখনও টাকা দিতে পারিনি। তাহলে অপারেশন কীভাবে হলো?  


-- আমাদের বড় স্যার সব কিছুর ব্যবস্থা করছে। 


-- আমার বাবা এখন কোথায় আছে? 


-- কিছুক্ষণ পরে কেবিনে নিয়ে যাওয়া হবে তখন দেখবে। আর চিন্তার কোনো কারণ নেই।


-- আচ্ছা আপনাদের স্যার কোথায় ওনার সাথে কি দেখা করা যাবে? 


-- উনি এতো তাড়াতাড়ি হাসপাতালে আসেন না। 


-- কখন আসবেন?


-- দশটার দিকে। 


কিছুক্ষণ পরে আদিবার বাবাকে কেবিনে নিয়ে আসা হয়। আদিবা গিয়ে তার বাবার পাশে বসতেই উনি চোখে মেলে তাকান। 


-- বাবা তোমার আর কষ্ট হবেনা। তুমি এবার খুব তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে যাবে। 


-- তুই আমার জন্য অনেক কষ্ট করছিস। আমি তো ভাবতেও পারিনি আবার তোর সাথে কথা বলতে পারবো। আমি ভাবছিলাম আমিও বুঝি তোকে একা করে দিয়ে চলে যাবো। 


-- এসব কথা বলতে নেই বাবা। তোমার কিছু হয়ে গেলে আমার কি হতো? 


-- তুই এতো টাকা কোথায় পেয়েছিস? 


-- আমি তো কিছুই করতে পারিনি তোমার জন্য। সব করছে একটা অচেনা মানুষ। 


-- কে সে? 


-- আমিও জানিনা। ডাক্তার বলল এই হাসপাতালে বড় স্যার। 


-- ওহ। 


তাদের কথা বলার মাঝে একজন নার্স এসে আদিবাকে বলল -- আপনাকে বড় স্যার ডাকছেন। ওনার সাথে দেখা করুন। 


বড় স্যারের কথা শুনে আদিবা তাড়াতাড়ি চলে যায় বড় স্যারের কেবিনে। আদিবা কেবিনের সামনে গিয়ে দেখে গতকাল রাতের সেই লোক।


আদিবা ভিতরে যেতে যেতে বলল -- আরে গুড নাইট স্যার আপনি? 


কথাটা শুনে এবার আদনান তাকিয়ে দেখে তার সামনে দাঁড়িয়ে আছে একটা পরির মতো মেয়ে। মায়াবী চেহারা। আদনান মেয়েটার দিকে তাকিয়ে রইল। আদিবা আদনানের কাছে গিয়ে বলল -- গুড নাইট স্যার আপনি এখানে?  


আদনান আদিবার কথা শুনে বলল -- কে আপনি? 


-- আরে স্যার আমি আদিবা। কাল রাতে পরিচয় হয়ে ছিল। আমাকে চিনতে পারছেন না গুড নাইট স্যার?  


আদিবার কথা শুনে আদনান পাশে তাকিয়ে দেখে নার্স দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মুচকি মুচকি হাসছে। আদনান নার্সকে ধমক দিয়ে বলল -- এখানে দাঁড়িয়ে হাসার কি আছে? নিজের কাজে যান। 

১নার্স আদনানের রাগী মুখ দেখে১ তাড়াতাড়ি বেরিয়ে যায়। আদনানের রাগি মুখ দেখে আদিবাও একটু ভয় পায়।

দা Delete5ো আদনান নিজের চেয়ার থেকে উঠে আদিবার দিকে এগিয়ে আসতে থাকে। আরআদিবা ভয়ে পিছনে যেতে থাকে। চলবে? 

এক_মুঠো_রোদ্দুর 

(সূচনা পর্ব)১১১

পাশে_থাকা  চলবে.....  Nusrat হক ১ ফেইসবুক থেকে নেওয়া

বিয়ের ৮ মাস পর আমার জরায়ু কেটে ফেলতে হয়।। আমার ২৩ বছর বয়সে বিয়ে হয় এক প্রবাসীর সাথে। তিনি চীনে থাকেন।। পারিবারিক ভাবেই আমাদের বিয়ে হয়। 

বিয়ের আগে থেকেই আমার তলপেটে খুব ব্যাথা করতো। আর আমার পিরিয়ড নিয়মিত ছিলো না। ডাক্তার দেখিয়েছিলাম কিন্তুু কখনও কোনো পরীক্ষা করা হয়নি। 

এমনি ওষুধ খেতাম ভালো হয়ে যেতো। আবার শুরু হতো। এমন করেই দিন গুলো পার করেছি৷ 


বিয়ের পর থেকে পেটে ব্যাথা আমার অনেক তীব্র আকার ধারণ করে। যখনি শারীরিক সম্পর্ক হতো সবসময় রক্ত যেতো। 

আমি খুব অসুস্থ হয়ে যায় বিয়ের ৭ দিন পরেই। 

শশুর বাড়ির সবাই বলেছিলো অসুস্থ বউ এনেছে তারা। 

কিন্তুু আমার স্বামী ভীষণ ভালো মানুষ ছিলো। সে সবসময় আমার টেককেয়ার করতো এবং আমাকে ওষুধ এনে দিতো ফার্মেসী থেকে।। 

স্বামী ২ মাস থেকে চলে যায় চীনে। যাওয়ার সময় আমাকে বাপের বাড়িতে দিয়ে যায়৷ এবং সাথে কিছু টাকা দেয় চিকিৎসা করানোর জন্য। 

বাপের বাড়িতে এসে একজন গাইনি ডাক্তার দেখায়। 

তিনি আমাকে বিভিন্ন টেস্ট দেয়। 

এবং টেস্ট গুলো করার পর ধরা পড়ে আমার জরায়ু তে টিউমার।। 

এরপর আমি আর উনাকে না দেখিয়ে বড় নামকরা প্রফেসর গাইনি ডাক্তার কাছে যায়। 

তিনি রিপোর্ট এবং আরো পরীক্ষা- নীরিক্ষা করার পর আমাকে ঢাকায় চলে যেতে বলে। 

কারণ উনি ধারণা করছে জরায়ুর টিউমার গুলো থেকে   ক্যান্সার টাইপ কিছু হয়েছে। 


আমার পরিবার এর  আলহামদুলিল্লাহ আর্থিক অবস্থা ভালো ছিলো। 

তাই দেরি না করে ঢাকার বঙ্গবন্ধু মেডিকেল এ চলে যায়।। সেখানে একজন ক্যান্সার  বিশেষজ্ঞ দেখায় উনি বলেন যত তাড়াতাড়ি পসিবল হয় জরায়ু কেটে ফেলা উচিত।  আপনারা অনেক দেরি করে ফেলেছেন। আরো আগে কেন আসেন নাই। তাহলে মেয়েটার জরায়ু কাটা লাগতো না। অনেক বড় ভুল করে ফেলেছেন। না হলে এ টিউমার থেকে ক্যান্সার ছড়িয়ে যাবে। টিউমার গুলো থেকে কিছু টা ক্যান্সার এর ভাব আসছে। 

ওই সময়টাতে মানসিক অবস্থা টা বুঝাতে পারবো না। 

আমার স্বামী আমাকে অনেক ভালো বাসতো। 

কিন্তুু এ সমস্যা টা আমি শশুর বাড়ির কাউকে বলি নি এমনকি আমার স্বামীকে ও না। সংসার ভাঙার ভয়ে। 


আমার পরিবার বলে দিতে চেয়েছিলো কিন্তুু আমি বলতে দি নাই। ভয়ে যদি উনি আমাকে ছেড়ে দেন এ ভয় টা আমি পেয়েছি। 

অপারেশন এর আগের দিন আমি উনি যখন আমাকে ফোন করেন আমি বলি আচ্ছা আপনি কি কখনও আমায় ভুলে যাবেন। 

উনি বলেন কেন এ কথা বলছো। তোমাকে ভীষণ ভালোবাসি আমি।। 


কিন্তুু মনে মনে বলি সত্যি টা জানলে হয়তো আপনি ভুলে যাবেন আমাকে। 


সেদিন রাতে নামাজ রত অবস্থায় রবের দরবারে অনেক কান্না কাটি করি। 

আল্লাহ শুধু বলেছি আল্লা রে মানুষ টা যেন আমার জীবনে থাকে। 

পরের দিন অপারেশন হয়। 

আমার জরায়ু কেটে ফেলে দেয়।। আমার অপারেশন এর ৯ ঘন্টা পর সেন্স আসে৷ 

ডাক্তার রা আমাকে প্রতি ৪ ঘন্টা পর পর একটা একটা ইনজেকশন মারতো।। 

মেডিকেল এ ১২ দিন ছিলাম। 

এরপর আমরা চিটাগং এ আসি। 

মাসে ১ বার ঢাকায় যেতাম চেকাপ এর জন্য।। 


আমার স্বামীকে কিছু বলি নি। অপারেশন এর সময় অসুস্থ ছিলাম উনি প্রতিদিন ফোন দিতো। তখন বলতাম জ্বর উঠেছে শুয়ে আছি তাই। উনি পাগল হয়ে যেতেন।। টাকা পাঠিয়েছিলেন ডাক্তার দেখানোর জন্য ১০ হাজার।। 

আমি বলেছিলাম জ্বর উঠেছে সামান্য এত টাকা পাঠাতে হবে না। 

উনি বলেছেন আর গুলো দিয়ে কিছু কিনি ও তুমি। 

আস্তে আস্তে আমি সুস্থ হলাম। ৫ মাস বাপের বাড়িতে ছিলাম। 

৫ মাস পর শশুর বাড়িতে যায়। আমার শাশুড়ী অনেক রাগারাগি করে এত দিন কেন ছিলাম। 

কিন্তুু স্বামী নিষেধ করায় উনি তেমন কিছু বলেনি। 


শশুর বাড়িতে সবসময় মনমরা হয়ে থাকতাম। খেতে ইচ্ছে করতো। কিছু করতে ইচ্ছে করতো না। তারপরেও কাজ করতে হতো। লুকিয়ে লুকিয়ে ওষুধ খেতাম। কারণ উনারা দেখলে জিজ্ঞেস করবে এত ওষুধ কেন খাচ্ছি। আমার মা এসে ওষুধ শেষ হলে লুকিয়ে ওষুধ দিয়ে যেতো। 

আমার মা বার বার বলেছিলো শশুর বাড়ির কাউকে না বললেও যেন জামাইকে বলে দি। 

কিন্তুু আমি বলিনি উনাকে হারানোর ভয়ে।। 


আমার স্বামী ২ বছর পর ছুটিতে আবার আসে ৪ মাসের জন্য। 

আমার স্বামী আমাকে বলে তুমি এত শুকিয়ে গেছো কেন। 

আমি হেঁসে বলি আপনার চিন্তায় চিন্তায়। আপনি এসেছেন এখন মোটা হয়ে যাবো। 

উনার সাথে আমার শারীরিক সম্পর্ক করতে তেমন ইচ্ছে হতো না। 

কিন্তুু কিছু বলতাম না তারপরেও। 


আমি খুব ভয় পেতাম। সুযোগ পেলে উনাকে ছড়িয়ে ধরতাম সবসময় মনে হতো সত্যি টা জানলে হয়তো আমাকে ছেড়ে দিবেন। 

আমার শশুর বাড়ির মানুষ জন বলে বাচ্চা নিয়ে ফেলো।। 

আমার  স্বামী ও চাইছিলেন একটা বাচ্চা হয়ে যাক। 

আমি চুপচাপ শুনতাম কিছু বলতাম না। কারণ আমি তো জানি আমার জরায়ু নাই বাচ্চা কোথা থেকে আসবে। 


এভাবে ৪ মাস শেষ হলে উনার ছুটি শেষ হয়ে যায় উনি চলে যান। 


আমার শাশুড়ী পিরিয়ড হয়ছে কিনা জিজ্ঞেস করলে মিথ্যা বলি। বলি পিরিয়ড হয়ে গিয়েছে। 

আমার তো পিরিয়ড ও হয়না কারণ জরায়ু নাই। 


অনেক বার সুইসাইড করতে চেয়েছি। কিন্তুু পারিনি। 

বাপের বাড়ি আসি উনি চলে যাওয়ার পর। 


আমার তখন মনে হচ্ছিলো আমি উনাকে ঠকাচ্ছি সত্যি টা বলে দেওয়া উচিত। 

আমি তখন উনাকে এসএমএস এ সব বলে দি এবং বলি আমার জরায়ু নেই আমার তো বাচ্চা হবে না। 

উনি সিন করে কোনো রিপ্লাই দেয় না। 

এভাবে ১ মাস কেটে যায় রিপ্লাই দেয় না। 

২ মাস কেটে যায় রিপ্লাই দেয় না। 

যোগাযোগ হয়না ফোন করে না। 

আমি তো কান্না করতে করতে শেষ। উনাকে জীবন থেকে হারিয়ে ফেললাম। 


পাশে_থাকা 

চলবে..... 

Nusrat হক

আগামী ১৪ ই ফেব্রুয়ারি রোজ শুক্রবার দিবাগত রাত অর্থাৎ দিন শেষ হয়ে যেই রাতটি আসে সেই রাতটি হচ্ছে “লাইলাতুন নিসফি মিন শা'বান” তথা মধ্য শা'বানের রাত।

 🔲 আগামী ১৪ ই ফেব্রুয়ারি রোজ শুক্রবার দিবাগত রাত অর্থাৎ দিন শেষ হয়ে যেই রাতটি আসে সেই রাতটি হচ্ছে “লাইলাতুন নিসফি মিন শা'বান” তথা মধ্য শা'বানের রাত।


🔸 আরবীতে শব শব্দের অর্থ রাত্রি, আর বারা'আত শব্দের অর্থ মুক্তি। তাহলে শবে বারা'আত শব্দের অর্থ দাঁড়ালো মুক্তির রাত৷ কিন্তু আমরা বাংলা ভাষায় এর অর্থটি পাল্টে দিয়ে শবে বারা'আতকে “শবে বরাত” তথা “ভাগ্য রজনী” বানিয়ে ফেলেছি। [শবে বরাত অর্থ হচ্ছে ভাগ্য রজনী]


🔹 অথচ আল্লাহ তা'য়ালা এই রাত্রিতে বান্দার গুনাহ সমূহ মাফ করে থাকেন, যেটা কিনা সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। 


🔸 কিন্তু এই রাত্রিতে আল্লাহ তা'য়ালা বান্দার ভাগ্য নির্ধারণ করে থাকেন এই কথাটি সম্পূর্ণরূপে ভিত্তিহীন.!! এই ব্যাপারে যতগুলো হাদীস পাওয়া যায়, তার সবগুলোই জাল হাদীস, আর তাফসীরে যে দু-একটি কথা বলা হয়েছে, সেটাকেও কোনো তাফসীরকারক সমর্থন করেন নি।


🔹 হাদীসে পাকে বর্ণিত আছে, রাসূল সল্লল্ল-হু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,


“আল্লাহ তা'য়ালা মধ্য শা'বানের রাতে আত্নপ্রকাশ করেন এবং মুশ-রিক ও হিং-সুক ব্যক্তি ব্যতীত তাঁর সৃষ্টির সকলকে ক্ষমা করে দেন।” [সুনানে ইবনে মাজাহ- ১৩৯০]


🔸 অর্থাৎ এই রাত্রিতে মহান আল্লাহ তা'য়ালা দুই শ্রেণীর মানুষ অর্থাৎ মুশ-রিক এবং বিদ্বেষ পোষণকারী (হিংসুক) ব্যতীত সকলকেই ক্ষমা করে দেন। তাই আমাদের সকলের জন্য উচিত হচ্ছে প্রতিদিনের ন্যায় এই রাত্রিতেও বেশি বেশি করে ক্ষমা প্রার্থণা করা।


🔹 তবে বর্তমানে শবে বারা'আতকে কেন্দ্র করে যে সকল মিলাদ-মাহফিল, জলশা-জুলুশ এবং হালুয়া রুটি... ইত্যাদী খাবারের আয়োজন করা হয়, এসবের কোনো ভিত্তি কুরআন হাদীসে নেই। এসব কাজকে সুন্নাহ এবং জরুরী মনে করে করলে বিদ'আত হবে। আর বিদআতকারীর কোনো ইবাদত আল্লাহ তা'য়ালা কবুল করবেন না এবং বিদআতী ব্যক্তি হাউযে কাউসারেরও পানি পাবে না। [সহীহ বুখারী- ৭২৭৭]


🔸 আবার অনেকে আছে যারা শবে বারা'আতকে কেন্দ্র করে শবে বারা'আতের নিয়তে নির্দিষ্ট করে ১২ রাকাত নফল নামাজ আদায় করে থাকে। এসব আমলেরও কোনো ভিত্তি কুরআন হাদীসে নেই, এসবই মানুষের বানানো আমল


🔹 তবে একটি দুর্বল হাদীসে এই দিনে রোজা রাখার কথা বলা হয়েছে। তাই এই দিনে রোযা রাখা সুন্নত আমল নয়, তবে মুস্তাহাব আমল বলা যেতে পারে। আর যেহেতু একটি দূর্বল হাদীসে নফল রোজা রাখার কথা বলা হয়েছে, তাই কেউ চাইলে এই দিনে নফল রোজা রাখতে পারবে। আর রাসূল সল্লাল্ল-হু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম শা'বান মাসে খুব বেশি পরিমাণে নফল রোজা রাখতেন, তাই এই মাসের যেকোনো দিন নফল রোজা রাখা যাবে ইন শা আল্লাহ।


🔸 আবার প্রতি আরবী মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ রোজা রাখা সুন্নত। এই রোজাকে আইয়্যামে বীজে রোজা বলা হয়। তাই সেই দৃষ্টিকোণ থেকে এই দিন সমূহে আইয়্যামে বীজের নিয়তে রোজা রাখা যেতে পারে। চলতি মাসের আইয়্যামে বীজের রোজা ১৩, ১৪ ও ১৫ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ বৃহস্পতি শুক্র ও শনিবার রাখতে হবে ইন শা আল্লাহ


🔹 সর্বোপরি মূল কথা হচ্ছে, আপনারা সকলেই রমাদানের প্রস্তুতি স্বরূপ এই রাত্রিতে সাধ্য মোতাবেক কিছু নফল নামাজ (যেমনঃ- সালাতুত তাসবীহ, সালাতুল হাজত, তাহাজ্জুদ, পূর্বের কাজা নামাজ), কুরআন তিলাওয়াত, জিকির আযকার, তাসবীহ তাহলীল ও তওবা এস্তেগফার পাঠ করতে পারবেন ইন শা আল্লাহ। তবে নির্দিষ্ট করে শবে বারাআতের নিয়তে ১২ রাকাত নফল নামাজ আদায় করার প্রয়োজন নেই, অন্যথায় সেটা বিদ'আত হিসেবে গন্য হবে।


🔲 আমলের নিয়তে এবং দ্বীন প্রচারের উদ্দেশ্যে লিখাটি কপি করে নিজ নিজ আইডি, স্টোরি এবং গ্রুপগুলোতে পোষ্ট করে দিবেন ইন শা আল্লাহ। এতে করে অনেকেই শবে বারা'আত এবং আইয়্যামে বীজের রোজা সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানতে পেরে উপকৃত হবে ইন শা আল্লাহ 💝✅

নামাজের নিয়ম ও দোয়া

পেঁয়াজ চাষে বিঘা প্রতি সার প্রয়োগের পরিমাণও সেচ পদ্ধতি। সার ব্যবস্থাপনা:

 পেঁয়াজ চাষে বিঘা প্রতি সার প্রয়োগের পরিমাণও সেচ পদ্ধতি।


সার ব্যবস্থাপনা:

একবিঘা জমির জন্য ইউরিয়া ৩৫ কেজি, টিএসপি/ডিএপি ৩০ কেজি, এমপি ২০ কেজি, ফুরাডান ৫জি ৩ কেজি, মুক্তাপ্লাস ২ কেজি এবং গোবর ১.৫ টন। শেষ চাষের সময় সব গোবর, টিএসপি, অন্যান্য সার এবং ইউরিয়া, এমপি সারের অর্ধেক জমিতে সমানভাবে ছিটিয়ে দিতে হবে। বাকি ইউরিয়া, এমপি সার রোপণের ২৫ দিন এবং ৫০ দিন পর দুই ভাগ করে দিতে হবে। পিএইচের মাত্রা তিনের নিচে হলে চুন প্রয়োগ করতে হবে।


💧সেচ

মাটির অবস্থা ভেদে ১০-১৫ দিন পর পর সেচ প্রয়োজন। জলাবদ্ধতায় পেঁয়াজের ক্ষতি হয়।


✅✅পেঁয়াজ চাষে সার প্রয়োগ ও সেচ ব্যবস্থা। 


পেঁয়াজ একটি মসলা জাতীয় ফসল,বাংলাদেশের হাতে গুনে ৫-৮ টা জেলায় চাষ হয়।

অন্যান্য জেলার মধ্যে রাজশাহী কোনো অংশে কম নয় কারন পেঁয়াজের জন্মস্থান রাজশাহী। আর আমাদের চাষ পদ্ধতি সবচেয়ে আধুনিক ও উন্নত। 

আমাদের দেশি জাত তাহেরপুরি আমাদের এখানে শুরু থেকেই  বিঘা প্রতি ১০০+ মন উৎপাদন হয়ে থাকে।

আর বর্তমানে অন্যান্য জাত বিঘা প্রতি ১৫০+ ছাড়িয়েছে।

এটা আমাদের সফলতার অংশ।

আমাদের এখানে

তাহেরপুর, বানেশ্বর,ঝলমলিয়া,দূর্গাপুর,মোল্লাপাড়া হাট থেকে সপ্তাহে শতশত টন পেঁয়াজ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে যায় ১২ মাস।


➡️আসুন_জেনে_নিই_সার_প্রয়োগ_পদ্ধতি 


রোপণের পূর্বে, শেষ চাষে৷ বা বেড করার পূর্বে।


★★জৈবসার_ও_ট্রাইকোডার্মা

বিঘা প্রতি ৮০ কেজি।

সাথে ট্রাইকোডার্মা ২  কেজি মিশিয়ে নিতে হবে,অথবা ট্রাইকোডার্মা মিশ্রিত জৈবসার নিতে হবে।

এতে জমির স্বাস্থ্য ঠিক থাকবে এবং জৈবভাবে ছত্রাক দমন হবে।

পেঁয়াজ পঁচে যাবেনা।

জনপ্রিয় কয়েকটি কোম্পানির ট্রাইকোডার্মা হলোঃ

ইস্পাহানি-বায়োডার্মা,

হেকিম-ট্রাইকষ্ট,

জি এম ই- জি ডার্মা।


👉রোপণের_পূর্বে_শেষ_চাষে।

★★বিঘা প্রতি রাসায়নিক সার।

টি এস পি ৪০ কেজি।

ডি এ পি ৩০ কেজি।

এম ও পি ২০ কেজি।

জীব ১০ কেজি।

রুটণ(শিকড় বর্ধক) ৪ কেজি।

বোরণ ১ কেজি।

২.৫ ইসি বিষ ৪০০ মিলি।

দানাবিষ ৪ কেজি।


❌আগাছানাশক

★★★★রোপণের পরে অথবা পূর্বে, আগাছানাসক

পেন্ডামিথালিন ৩৩ ইসি দিতে হবে তাহলে ঘাস অনেক রোধ করা যায়। 

আমরা পেঁয়াজ চারা রোপণের পূর্বে দিয়ে থাকি।

আর পানিডা স্প্রে করার ২৪ ঘন্টার মধ্যে সেচ দিতে হবে।

এটা লিটার পানিতে ৪/৫ মিলি ব্যবহার করতে হবে ভালো ফলাফল পেতে।

কয়েকটি জনপ্রিয় কোম্পানির প্রোডাক্টঃ

অটো-পানিডা,

ইনতেফা-দাফা

স্কয়ার-তরুনীল

জি এম ই-পেন্ডি কেয়ার,

জি এম ই-ফুল ক্লিয়ার।


ফুল ক্লিয়ার,রোপণের পরে স্প্রে করা যাবেনা কারন এটায় মেটাক্লোর নামের উপাদান যোগ যার ফলে যেকোনো গাছের পাতায় পড়লে পাতা পুড়ে যায়।

আর আবহাওয়ার সাথে ম্যাচিং না হলে পেঁয়াজেও পার্শপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।


পেঁয়াজ চারা রোপণের ৯০ দিন পর  উত্তলোন করা যায়। 

আর এসময়টাতে ৩-৭/৮ টা সেচ দেওয়া লাগে এলাকা ভেদে কম বেশি হে পারে।

আমরা ৬/৭ টা সেচ দিয়ে থাকি তাই সেভাবে পরবর্তী সার প্রয়োগ আলোচনা,করা হলো।


রোপণের পর

★★১ম_সেচঃ💧

১২-১৫ দিন বয়সে দিয়ে থাকি।

এই সেচ দেওয়ার পূর্বে কোনো সার দিইনা।

সেচের পরদিন বিকলে বিঘা প্রতি

 ম্যাগনেসিয়াম ৪ কেজি।

ইউরিয়া ৮ কেজি।


★★২য়_সেচ💧

৩০ দিন বয়সে দিয়ে থাকি।

এসময়টাতে পেঁয়াজের গঠন ও মোটাতাজা হতে থাকে তাই এই সময় ভালো একটা ডোজ দিতে হয়।

বিঘা প্রতি 

টি এস পি ২০ কেজি

ডি এ পি ২০ কেজি 

এম ও পি ১০ কেজি

দস্তা ২ কেজি।

লবন ৮ কেজি কনফিডেন্স বা ফ্রেশ

হিউমিক এসিড ১ কেজি।

থিয়োভিট ১ কেজি।

৫৫ ইসি বিষ ৪০০ গ্রাম সব একসাথে মিশিয়ে সেচের পূর্বে দিয়ে সেচ দিতে হবে।

এবং সেচের পরদিন বিকেলে ইউরিয়া ১০ কেজি।


★★৩য়_সেচ💧

এটা ৪২-৪৫ দিন বয়সে দিয়ে থাকি।

এই সেচে বিঘা প্রতি 

ডি এ পি ১০

এম ও পি ১০ কেজি

দস্তা ১ কেজি

বোরণ ১ কেজি।


সেচের পর ৮ কেজি ইউরিয়া ও ৪ কেজি ম্যাগনেসিয়াম


★★৪র্থ_সেচ 💧

এটা ৬০ দিন বয়সে দিতে হবে।

এই সেচে বিঘা প্রতি শুধু 

এম ও পি ১০ কেজি ছিটিয়ে সেচ দিতে হবো।

সেচের পর প্রয়োজনবোধে ইউরিয়া ৭/৮ কেজি,দেওয়া যাবে।


★★৫ম_সেচ💧

৭২ দিন বয়সে দিতে হবে,

কোনো সার দরকার নাই।ফাঁকা সেচ।


★★৬ষ্ঠ_সেচ💧

এটা ৮৪ দিন বয়সে দিতে হবে কোনো সার দরকার নাই।তারপর ৯০+ দিন বয়সে হারভেষ্ট। 


👉জমির অবস্থা ও এলাকা ভেদে সার, সেচ কম বেশি হতে পারে।


👉কৃষি বিষয়ক প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে নিকটস্থ উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করুন অথবা আমাদের সাথেই থাকুন।

অ্যালার্জি দূর করতে কাজে লাগান’ ঘরোয়া পদ্ধতি জেনে নিন ... নিমিষেই পাবেন মুক্তি

 অ্যালার্জি দূর করতে কাজে লাগান’ ঘরোয়া পদ্ধতি

জেনে নিন ... নিমিষেই পাবেন মুক্তি

---------------------------------------------------

হিমেল হাওয়া বদলে যাচ্ছে ভ্যাপসা গরমে। একটু বেলা হলে আর বেশি ক্ষণ রোদে দাঁড়ানো যাচ্ছে না। অর্থাৎ গ্রীষ্মকালের পূর্বাভাস। আর গরম মনেই ঘাম। তার সঙ্গে উপরি পাওনা ঘামাচি আর বিভিন্ন ত্বকের অ্যালার্জি।


এই সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়ার অবশ্য কিছু ঘরোয়া উপায়ও আছে। আমাদের বাড়ির আশেপাশেই এমন কিছু গাছ আছে যেগুলো ওষুধের মতোই দ্রুত কাজ করে ত্বকের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনে। কী সেগুলো দেখে নিন:


লেবু : লেবু প্রায় সব বাঙালি বাড়িতেই থাকে। লেবুর অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি গুণ জ্বালাভাব কমায়। ত্বকের যে জায়গায় সমস্যা হচ্ছে সেখানে একটা পাতিলেবুর রস লাগিয়ে দিন।


তুলসী : গ্রামের দিকে এখনও বাড়ির চারপাশে আগাছার মতোই জন্মে থাকে তুলসীগাছ। তাছাড়া বাড়িতে বাড়িতে তুলসীর পুজো করারও রীতি রয়েছে। তুলসীতে ইউজেনল নামে এক ধরনের রাসায়নিক আছে। তুলসীর রস বা তুলসী পাতা ফোটানো জল ওই অংশে লাগান।


পুদিনা : প্রচুর পরিমাণে মেনথল আছে পুদিনাতে। র‌্যাশের উপর পুদিনার রস লাগালে সেই অংশটা খুব ঠাণ্ডা হয়ে যায় এবং আরাম দেয়।


ফলের খোসা : ফল খাওয়ার পর খোসা না ফেলে লাগিয়ে নিতে পারেন অ্যালার্জির উপরে। কলা এবং তরমুজের খোসা অ্যালার্জির জন্য বিশেষ উপকারী

পেঁয়াজ চাষে লোনা (Nacl) এবং ফ্লোরা (Boron) প্রয়োগের সঠিক সময় ও উপকারিতা নিচে বিস্তারিত দেওয়া হলো—

 #JoyShorif ভাই জানতে চেয়েছেন! 


পেঁয়াজ চাষে লোনা (Nacl) এবং ফ্লোরা (Boron) প্রয়োগের সঠিক সময় ও উপকারিতা নিচে বিস্তারিত দেওয়া হলো—


১. পেঁয়াজে লোনা (NaCl) প্রয়োগ


প্রয়োগের সময়:


পেঁয়াজ চারা রোপণের ২৫-৩০ দিন পরে।


পেঁয়াজ গাছ যখন ৪-৫ টি পাতা গজিয়ে ওঠে।


প্রয়োজনে দ্বিতীয়বার প্রয়োগ করা যেতে পারে ৫০-৬০ দিন বয়সে।


উপকারিতা:


পেঁয়াজের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।


গুঁড়া রোগ (Downy Mildew) ও ফিউজেরিয়াম (Fusarium rot) প্রতিরোধে কার্যকর।


কন্দের আকার বড় ও স্বাস্থ্যবান হয়।


পেঁয়াজের সংরক্ষণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।


উচ্চ ফলন নিশ্চিত করে।


প্রয়োগ পদ্ধতি:


২-৩ গ্রাম লবণ (NaCl) ১ লিটার পানিতে গুলিয়ে পাতায় স্প্রে করতে হবে।


প্রয়োগের পর পর্যাপ্ত পানি সেচ দিতে হবে, যাতে মাটিতে লবণের মাত্রা বেশি না হয়।


---


২. পেঁয়াজে ফ্লোরা (Boron) প্রয়োগ


প্রয়োগের সময়:


পেঁয়াজ চারা ৩০-৩৫ দিন বয়সে প্রথমবার।


প্রয়োজনে দ্বিতীয়বার প্রয়োগ ৫০-৬০ দিন বয়সে।


উপকারিতা:


পেঁয়াজের কন্দ গঠন ভালো হয় ও আকার বৃদ্ধি পায়।


কন্দের ফাটা সমস্যা কমে।


শিকড়ের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে, ফলে পেঁয়াজ গাছ বেশি পুষ্টি গ্রহণ করতে পারে।


ফুল ধরার হার কমায়, ফলে পেঁয়াজ কন্দ বেশি হয়।


ভালো মানের ও মজবুত পেঁয়াজ কন্দ উৎপাদন হয়।


প্রয়োগ পদ্ধতি:


২-৩ গ্রাম বোরন সার (Borax বা Boric acid) ১ লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।


সরাসরি মাটিতে প্রয়োগ: ১০-১২ কেজি বোরন সার প্রতি হেক্টরে প্রয়োগ করা যেতে পারে।


বিঃদ্রঃ


অতিরিক্ত লবণ বা বোরন প্রয়োগ করা ক্ষতিকর হতে পারে, তাই নির্দিষ্ট মাত্রায় প্রয়োগ করতে হবে।


প্রয়োগের পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যদি অতিরিক্ত লবণের লক্ষণ (পাতা পুড়ে যাওয়া) দেখা যায়, তাহলে পর্যাপ্ত পানি সেচ দিতে হবে।


আপনার পেঁয়াজ চাষের জন্য আর কোনো পরামর্শ লাগলে জানাতে পারেন!

মহিলাদের জ*রায়ু অপারেশন করলে কি মেলা/মেশা করা যায়

 মহিলাদের জ*রায়ু অপারেশন করলে কি মেলা/মেশা করা যায়


মহিলাদের জ*রায়ু অপারেশন বা হিস্টেকটমি (যখন জ*রায়ু অপসারণ করা হয়) করার পর সে/ক্সের ব্যাপারে কিছু বিষয় লক্ষ্য রাখতে হয়। এটি মহিলার শারীরিক ও মানসিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে। তবে সঠিক চিকিৎসা ও যত্ন নিলে সাধারণত সে/ক্স করার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হওয়া উচিত নয়।


১. অপারেশন পরবর্তী সময়ের প্রাথমিক অবস্থা

অপারেশনের পর প্রথম কয়েক সপ্তাহ সে/ক্সে অংশগ্রহণ না করার পরামর্শ দেয়া হয়। এতে সার্জারি থেকে সেরে উঠতে সময় পাওয়া যায় এবং সংক্রমণ বা যন্ত্রণা এড়ানো যায়।

সাধারণত ৪-৬ সপ্তাহের পর ডাক্তারের অনুমতি নিলে সে/ক্স করার জন্য শারীরিকভাবে প্রস্তুত হওয়া উচিত।


২. অপারেশন প্রকার অনুযায়ী প্রভাব

হিস্টেকটমি (জরায়ু অপসারণ)

টোটাল হিস্টেকটমি: জ*রায়ু এবং সা*র্ভিক্স (গর্ভাশয় ও গলা) অপসারণ করা হয়। এতে মহিলার যৌ/নাঙ্গে বড় কোনো পরিবর্তন হওয়ার কথা নয়, তবে যো/নির শুষ্কতা বা উত্তেজনার অভাব হতে পারে।

সাবটোটাল হিস্টেকটমি: জরায়ু অপসারণ করা হয়, কিন্তু সার্ভিক্স থাকে। এই ধরনের অপারেশনে খুব কম সময়ের মধ্যে সে/ক্সের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা দেখা দেয়।

ল্যাপারোস্কোপিক বা রোবটিক হিস্টেকটমি

এই পদ্ধতিতে অপারেশন আরও কম আক্রমণাত্মক (minimally invasive) হওয়ায় সেরে উঠতে সময় কম লাগে, এবং পুনরুদ্ধারের পর সে/ক্সে অংশগ্রহণে কোনো সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা কম।


৩. যৌ/ন জীবন ও মানসিক পরিবর্তন

অপারেশনের পর কিছু মহিলার মানসিক পরিবর্তন (যেমন উদ্বেগ, হতাশা) হতে পারে, যা তাদের যৌ/ন জীবনে প্রভাব ফেলতে পারে।

অপারেশন পরবর্তী শারীরিক পরিবর্তন যেমন যো/নি শুষ্কতা, অস্বস্তি বা ব্যথা ঘটতে পারে, বিশেষ করে হরমোনের ভারসাম্য পরিবর্তন হলে। এ ক্ষেত্রে হরমোন থেরাপি বা লুব্রিকেন্ট ব্যবহার সহায়ক হতে পারে।

৪. পরামর্শ

অপারেশন পরবর্তী শারীরিক পুনরুদ্ধারের জন্য ডাক্তারের পরামর্শ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

হরমোন থেরাপি বা যো/নি লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করলে অনেক মহিলাই স্বাভাবিক যৌ/ন জীবন উপভোগ করতে পারেন।

মানসিকভাবে যদি কোনো পরিবর্তন ঘটে, তবে কাউন্সেলিং বা থেরাপি সহায়ক হতে পারে।

শেষ কথা

জ/রায়ু অপারেশন পরবর্তী সে/ক্সের সক্ষমতা এবং আনন্দ অনেকাংশে শরীরের পুনরুদ্ধার, মানসিক অবস্থা, ও চিকিৎসকের পরামর্শের ওপর নির্ভর করে। সুতরাং, সে/ক্সে অংশগ্রহণের জন্য ডাক্তারের অনুমতি এবং সঠিক যত্ন নিলে এটি সম্ভব এবং নিরাপদ।

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:১২-০৫-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:১২-০৫-২০২৬ খ্রি:। আজকের শিরোনাম: রাজনৈতিক পরিচয় নয় অপরাধীদের অপরাধী হিসেবেই বিবেচনা করতে পুলিশ বাহিনীকে নির্দে...