এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

অদ্ভুত_ধর্ষক পর্ব ১ লেখা- নয়ন_আলী_নাঈম

 অমাবস‍্যার গভীর রাত। নিজের স্তনে ঠান্ডা ত্বকের স্পর্শ অনুভব করে নুপুর। হাত পায়া নাড়াতে চেষ্টা করতেই অবাক হয়ে গেলো। তার মনে হচ্ছে যেনো,হাত পায়া ভাড় হয়েছে। বিছানা ছেড়ে উঠতে পারছে না। ঠান্ডা ত্বকের স্পর্শ ধীরে ধীরে তার পুরো শরীরকে গ্রাস করতে থাকে। সে শুধু অনুভব ছাড়া কিছুই করতে পারছেনা। 


চোখ মেলে দেখছে সুদর্শন একজন পুরুষ  তার শরীরের উপড়ে যৌন ক্ষিধায় ক্ষিপ্ত হয়ে আছে। অন্ধকার রুমে শুধু তার সুন্দর মুখটাই নুপুরের চোখে ভাসছে। শরীর থেকে চমৎকার সুগন্ধ ভেসে আসছে। ঠিক যেনো অমৃতের সুভাস। নুপুর যেনো মুহূর্তেই ভুলে গেলো নিজের সতিত্ব! ধীরে ধীরে তাল মিলাচ্ছে,রেসপন্স দিচ্ছে সুদর্শন পুরুষটাকে। এই প্রথম কোনো পুরুষের ছোয়া পাচ্ছে এবং মোন ভরে উপভোগ করছে। অথচ সে ভেবেও দেখছে না,সে কাকে রেসপন্স দিয়ে সহবাসে লিপ্ত হচ্ছে।  

বেশ ক্ষাণিক পর হঠাৎই উধাও হয়ে গেলো সুদর্শন পুরুষ এবং তার শরীর থেকে ভেসে আসা সুগন্ধ। নুপুর নেতিয়ে পড়ে অনবরত হাপাচ্ছে। কখন যে চোখে ঘুম এসে গেছে নিজেই যানেনা।


দূর মসজিদ থেকে ভোরের আজান ভেসে আসছে। মারমা জাতির হলেও কেনো জানি আজানের ধ্বনি তার অসম্ভব ভালো লাগে। মোন ভড়ে আজান শুনতে প্রতিদিন ভোরে ঘুম থেকে ওঠার অভ‍্যাস গড়ে তুলেছে। 

আজকেও অভ‍্যাসের কারনে ঘুম ভাঙ্গলো! সারা শরীরে ব‍্যাথা করছে। ঠোঁট জোড়া ঝাঝাচ্ছে। বিছানাটা ভেজা ও কড়াকড়া লাগছে। অবাক হয়ে রুমের বাল্বটা জালালো। বিছানার চাদরটা দেখতেই অবাক হয়ে গেলো! চাদরে রক্ত আর সাদা ছিটে ফোটার দাগ লেগে আছে। ততক্ষণাত মনে পড়ে গেলো সুদর্শন পুরুষটার কথা! তবে কেমনে সম্ভব,হয়তো স্বপ্নদোষ হবে? তাতেও দিধা নুপুরের মোনে। কেনো জানি সম্পূর্ণ ঘটনা বাস্তব মনে হচ্ছে। তা হলে সারা শরীরে ব‍্যাথা ক‍্যামনে সবে।

নুপুর এসব ভেবে কোনো কিছুরেই হিসাব মেলাতে পারছে না। আপাতত ওসব বাদ দিয়ে গোসল করে নিতে হবে। তাইতো দ্রুত বিছানা থেকে নেমে রক্তাক্ত চাদরটা নিয়ে গোসল করতে গেলো। শরীরে ব‍্যাথা নিয়ে চারদটা পরিস্কার করে ধুয়ে নিতে থাকে। পাটা'র ন‍্যায় কি বিশ্রি গন্ধ বের হচ্ছে। তবুও নাক চেপে চাদরটা ধুয়ে রুমেই শুকাতে দিলো এবং গোসল শেষে ড্রেস চেন্জ  করে আয়নার সামনে যেতেই দেখলো তার ঠোঁটের কিছু অংশ কেটে গেছে। সুদর্শন পুরুষটা নয়তো?কেমনে এটা হবে,যাষ্ট স্বপ্ন। উফ এসব নিতে পারছি না। সারা শরীর ব‍্যাথা করছে। মাথাটাও ধরেছে খুব আবার কলেজেও আজকে গুরুত্বপূর্ণ ক্লাস আছে। কিন্তু এই ঠোঁট? এই ঠোঁট নিয়ে কেমনে ফ্রেন্ডদের সামনে যাবো! উপায় পাইছি ওড়না দিয়ে মুসলিম মেয়েদের মতো হিজাব পড়বো। 

যেমন ভাবা তেমনি কাজ। ওড়না দিয়ে মুখ ঢেকে পিতামাতার আড়ালে মুখ লুকিয়ে খাবার খেয়ে করেজের দিকে যেতে লাগলো। নুপুরের বাবা হঠাৎ করে মেয়ের অদ্ভুত পরিবর্তন দেখে ভাবতে লাগলো! মেয়েটার কি হয়ে গেলো,হঠ‍্যাৎ করে মুখ ঢেকে খাবার খেয়ে কলেজে যাচ্ছে কেনো। 

কোনো উত্তর মিললো নুপুরের ভাবনার।


কলেজের গেটে দিয়ে ঢোকার পথে বন‍্যার সাথে দেখা হয় নুপুরের। কেমন যেনো উসখো খুসকো লাগছে বন‍্যাকে। চোখে মুখে কালো দাগ পড়েছে সাথে চুলগুলোয় ঝাপটা বেধেছে। 

বন‍্যা নুপুরকে একনজর দেখে ভিতরে প্রবেশ করতেছে। হয়তো নুপুরের মুখটা ঢেকে থাকার কারনে বন‍্যা নুপুরকে চেনেনি। এই ভেবে নুপুর বন‍্যাকে ডাক দিতেই বন‍্যা পিছনে ঘুরে দেখলো ওড়না দিয়ে হিজাব পড়া একটা মেয়ে তার দিকে আসতেছে। নুপুর বন‍্যার কাছে এসে বললো!

"কি হলো চিনতে পারিস নি।

বন‍্যা অবাক হয়ে বললো!

"নুপুর ওড়না দিয়ে মুখ ঢেকে কলেজে আসছিস কেনো? তোকে তো চিনতেই পাড়িনি।

নুপুর কি যেনো ভেবে বললো!এমনিই মন চাইলো এভাবে আসলাম। তবে তোর চেহারার এই অবস্থা কেনো। পাগলিদের মতো উসখো খুসকো হয়ে কলেজে আসছিস।

বন‍্যা কি আমতা আমতা করে বললো!

"তে'তেমন কিছু না। তারাহুরা করে আসছি'তো।

নুপুর লক্ষ্য করলো বন‍্যা তার থেকে কিছু হয়তো লুকাচ্ছে। তখনি বন‍্যার ঘাড়ে দিকে  চোখ পড়তেই দেখলো কামরের চিন্হ। হয়তো কোনো হিংস্র পশু এমন ভাবে কামরিয়েছে। বন‍্যা নুপুরের তাকানো'টা টের পেয়ে চুল দিয়ে দাগটা ডেকে ফেললো। 

বন‍্যার প্রতি নুপুরের ভাবনাটা বেড়ে গেলো। কেননা এই একই কামরের চিন্হ নুপুরের ঠোঁটেও। বন‍্যাকে এই বিষয়ে বলতে যেয়েও কিছুই বললো না। ভালো মন্দ জিজ্ঞাসা করে ক্লাসে গেলো। নুপুরের মুখ ঢেকে নেওয়া নিয়ে ফ্রেন্ডদের হাসি ঢাড্ডা। নুপুর ঠোঁটের দাগটার প্রবলেমে হাসি ঢাড্ডার মাঝেও মুখ থেকে ওড়না সরালো না। 

দুইটা ক্লাস করে মন টিকছে না ক্লাসে,তাই ক্লাস থেকে বেরিয়ে বাসার দিকে যেতে লাগলো। তার মনে হচ্ছে তাকে সঙ্গ দিয়ে কেউ একজন পাশে হাটছে। 

অথচ কেউই নেই তার পাশে। তবে রাতের সুদর্শন পুরুষটার শরীরের সুগন্ধ ভেসে আসছে নাকে!এই সুগন্ধ যেনো পাগল করে তুলতেছে নুপুরকে। রাস্তার কোনো দিকে খেয়াল নেই তার। হঠাৎই চারদিক আবছা অন্ধকার দেখতে লাগলো! চারপাশে মৃদু বাতাস বইছে! ঘন জঙ্গলের ভিতরে নিজেকে আবিস্কার করলো। দূরে একটা পুরোনো বিল্ডিং;ওখান থেকে অর্ধনগ্ন অবস্থায় হাত ছানি দিয়ে ডাকছে সুদর্শন পুরুষটা। নুপুরের মনে হচ্ছে যেনো তাকে চুম্বকের ন‍্যায় আকর্ষণ করে পুরুষটা নিজের দিকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। ছন্নছাড়া পাগলের মতো করে সে তার দিকে দৌড়াচ্ছে। মনে হচ্ছে পুরুষটাকে কাছে পেলেই দূর হয়ে যাবে জীবনের সব ক্লান্তি। 

দৌড়াতে দৌড়াতে পুরষটার খুব নিকটে গেলো নুপুর। পুরুষটা নেশা ভড়া চোখে অলতো করে এগিয়ে আসছে তার দিকে। এক  ধাক্কায় অন্ধকার রুমে নিয়ে গেলো তাকে। সাথে সাথেই মুখ আর স্তন দিয়ে রক্ত বের হতে থাকে নুপুরের।...


চলবে.........


পর্ব ১


অদ্ভুত_ধর্ষক


লেখা- নয়ন_আলী_নাঈম

কোন মন্তব্য নেই:

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...