এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

শখের তোলা আশি টাকা” প্রবাদটির বাস্তব উদাহরণ ছিলেন সিরাজগঞ্জের দেলোয়ার হোসেন মিঞা

 “শখের তোলা আশি টাকা” প্রবাদটির বাস্তব উদাহরণ ছিলেন সিরাজগঞ্জের দেলোয়ার হোসেন মিঞা। তার শখ পূরণের গল্প যেমন ব্যতিক্রমী, তেমনি মর্মস্পর্শী।


ঘটনাটি ১৯৬৫ সালের। সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার রহিমাবাদ গ্রামের বাসিন্দা দেলোয়ার হোসেন মিঞা। যিনি পাঁচ বিঘা জমি বিক্রি করে একটি রেডিও কিনছিলেন, আর ব্যাটারি কেনার জন্য বিক্রি করেছিলেন আরও এক বিঘা জমি!


শখ পূরণে মানুষ কতকিছুই তো করে, কিন্তু এমন ঘটনা ইতিহাসে বিরল। এর জন্য অবশ্য পরবর্তীতে দেলোয়ার মিঞাকে অনেক কষ্টও করতে হয়েছে। অভাবের তাড়নায় সাত বছরের মাথায় আবার শখের সেই রেডিও বিক্রিও করেছেন তিনি। তার আগে বিক্রি করছেন নিজের বসতবাড়ি।


তাঁর ছেলে আলতাফ হোসেন বাবার স্মৃতি হিসেবে ৫০ বছর পরে ২০২২ সালে সেই রেডিও আবার বাড়িতে ফিরিয়ে এনেছেন।


অর্ধশতাব্দীর বেশি পুরোনো রেডিও দেখতে এখন অনেকে ভিড় করছেন আলতাফ হোসেনের বাড়িতে। কিন্তু তিনি রেডিও বাজাতে পারছিলেন না। রেডিওটি চালু করতে একসঙ্গে আটটা ব্যাটারি লাগে। এর দাম প্রায় ৪০০ টাকা। কিন্তু ওই টাকা খরচের সামর্থ্যও নেই আলতাফের। কারণ, শখের মূল্য দিতে গিয়ে বাবা তাঁদের নিঃস্ব করে গেছেন। রেডিওটার গায়ে লেখা আছে নিপ্পন ইলেকট্রনিক কোম্পানি লিমিটেড, জাপান।


বাবার সেই কাহিনি বলতে গিয়ে চোখ ভিজে উঠে আলতাফের। তাঁর বয়স এখন প্রায় সত্তর বছর। শুনেছি, তিনি মানুষের বাড়িতে রাখালের কাজ করেন।


আলতাফ হোসেন বলেন, বাবার শখের শেষ ছিল না। এলাকার মানুষ যা চাইতেন, বাবা তা–ই দিতেন। সবাইকে খুশি করতে গিয়ে একসময় পৈতৃক ২৬ বিঘা জমি শেষ হয়ে গেল। ১৯৭২ সালে রেডিওটাও ১৮০ টাকায় বিক্রি করে দিলেন। আলতাফ বললেন, ‘তখন আমি চিক্কর দিয়া উঠলাম। কইলাম বাবা, জমিও গেল, রেডিও গেল! বাবা আমাক সান্ত্বনা দিয়ে কইলেন, আবার কিনে দিব।’


রেডিও বিক্রির আগে আলতাফ হোসেনের বাবা ১৯৬৯ সালে নিজের বাড়িও বিক্রি করেন। ২০১৪ সালের ৩০ জানুয়ারি তিনি মারা যান। কয়েকবছর আগে শুনেছিলাম, আলতাফ পাশের বনবাড়িয়া গ্রামের রহমান মাস্টারের বাড়িতে রাখালের কাজ করেন। তাতেও তাঁর কোনো দুঃখ নেই। তাঁর মন পড়ে থাকে রেডিওর কাছে। স্থানীয় জিল্লার খন্দকার নামের এক ব্যক্তি রেডিওটি কিনেছিলেন। তিনি দিনে দুবার করে তাঁর বাড়িতে যান। কিছুতেই তাঁরা দিতে চান না। ২০১০ সালে জিল্লার খন্দকার মারা গেলে রেডিওটা তাঁর ছেলে আমজাদের কাছে ছিল। তাঁর কাছে গেলে তিনি বলতেন বাবা মারা যাওয়ার আগে কোথায় রেখে গেছে জানেন না। তবু হাল ছাড়েন না আলতাফ। 


পাশের চেংটিয়া গ্রামের নির্মাণশ্রমিকের সহকারী হাবিবুর আলী শেখ, পাঁচ বিঘা জমি বিক্রি করে রেডিও কেনার বিষয়টি তিনিও জানেন। তাঁর ভাষ্যমতে, তখন তাঁর পুরো জ্ঞান হয়েছে। আলতাফ হোসেনের বাবা রেডিও কিনে আনলেন। গ্রামের শত শত মানুষ এসে সেই রেডিওতে ভাষণ শুনছেন, গান শুনছেন—এসব তিনি নিজের চোখে দেখেছেন।


২০২২ সালের ২৬ জানুয়ারি সকাল সাতটায় ৫০০ টাকার একটা নোট নিয়ে তিনি আমজাদের কাছে গিয়ে অনুনয় করে বলেন, রেডিওটা ফেরত না দিলে আপনার বাবা কবরে কষ্ট পাবেন। এ কথা শুনে টাকা ছাড়াই আমজাদ তাঁর হাতে রেডিওটি তুলে দেন। আলতাফ হোসেন বলেন, পাঁচ বছর বয়স থেকে তিনি রাখালি করছেন। সারা জীবন শুধুই কষ্ট। এ জন্য বিয়ে করতেও দেরি হয়েছে। মেয়েটা ৩ বছর আগে এইচএসসি পাস করেছে। ছেলেটা ছোট। তখনও রাখালিই করছেন। সংসারই চলে না। বাবার রেডিওর সেই আওয়াজ ভুলতে পারেন না। মন চায় রেডিওটা বাজাতে। আটটা ব্যাটারির দাম এখন ৪০০ টাকা। বিদ্যুতে শুনবেন, তার জন্য মিস্ত্রির কাছে নিতে হবে। সে সামর্থ্যও যে তাঁর নেই। বলতে বলতে আলতাফ হোসেন রেডিওটা বুকের কাছে ধরেন। তাঁর চোখ ভিজে ওঠে।

মনিষীদের বানী ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ✍️✍️✍️

১. কেউ বিশ্বাস ঘাতকতা করছে?

👤চুপ হয়ে যান।

২.কেউ যন্ত্রণা দিচ্ছে? 

👤চুপ হয়ে যান। 

৩.কেউ অনেক ভালবাসার পরও প্রাপ্যটা দেয়নি? 

👤চুপ হয়ে যান। 

৪.কোন মানুষ অনেক অপমান করছে?

👤চুপ হয়ে যান। 

৫.কেউ ঠকিয়ে গেছে? 

👤চুপ হয়ে যান। 

৬.কেউ আপনাকে নিয়ে তুমুল মিথ্যা দোষারোপ করছে? 

👤চুপ হয়ে যান। 


👀এমন নিরব হয়ে যান, সে মানুষগুলো যেনো আর কখনই আপনার শব্দ কিংবা ছায়া না দেখে। মৃত হয়ে যান তাদের কাছে। 

প্রতিজ্ঞা করুন আর কখনই ঘুরে তাকাবেন না। শুধু এই প্রতিজ্ঞাটা করতে পারলে আপনি কষ্ট পাবেন না। এই যে নিরবতা আপনাকে দম বন্ধ করা আর্তনাদ দিবে কিন্তু অপর পক্ষকে দিবে আফসোস। 

আসলে আমরা হারাবার ভয়ে শব্দ দিয়ে প্রতিবাদ করি।

কিন্তু আপনি জানেন কি? 

যে মানুষগুলো আপনাকে মানুষ বলে মূল্যায়ন করেনি , আপনাকে দমবন্ধ কান্নার অনুভূতি দিয়েছে তারা আপনার কেউ না। 


👀তাই নিজের স্বার্থে বাঁচুন, নিজেকে ভালোবাসুন,,

আপনার একজন "সৃষ্টিকর্তা" আছেন।

সকল দুঃখ, কষ্ট, চাওয়া,পাওয়া'র কথা সৃষ্টিকর্তাকে বলুন তিনি সব কিছুর সমাধান করবেন।

জিকির ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ১. “সুবহানাল্লাহ”(سبحان الله⁦)/ (3বার)

২.“আলহামদুলিল্লাহ”(الحمد لله)/ (3বার)

৩.“লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ”(لأ إله إلا الله)/(3বার)

৪.“আল্লাহু আকবার”(الله اكبر)/(3বার)

৫.“আস্তাগফিরুল্লাহ”(استغفر الله)/ (3বার)

৬.“আল্লাহুম্মাগফিরলি”(اللهم اغفر لي)/(3বার)

৭.“ইয়া রব্বিগফিরলি”(يا رب اغفر لي)/ (3বার)

৮.“আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান-নার”(اللهم اجرني من النار)/(3বার)

৯.“সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম”(صلى الله عليه وسلم)/(3বার)

১০.“লা হাওলা ওয়ালা কুউওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ”(لا هول ولا قوه الا بالله)/(3বার)

১১.“লা ইলাহা ইল্লা আংতা সুবহানাকা ইন্নি কুংতু মিনায জোয়ালিমিন”(لأ إله إلا أنت سبحانك إني كنت من الظالمين)/(3বার)

১২.“লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাঃ”(لأ إله إلا الله محمد رسول الله صلى الله عليه وسلم)/(3বার)


পড়া শেষে আলহামদুলিল্লাহ 😊ো

মুখীকচু কিভাবে আবাদ করবেন

 আপনারা মুখীকচু কিভাবে আবাদ করবেন?


আবহাওয়া ও জলবায়ু


✔ মুখীকচু খরিপ মৌসুমের ফসল, উষ্ণ ও আর্দ্র এলাকায় ভালো জন্মে।

✔ জলাবদ্ধতা সহ্য করতে পারে না।

✔ উত্তম বৃদ্ধির জন্য তাপমাত্রা: ৩০°-৩৪°C

✔ অঙ্কুরোদগমের উত্তম তাপমাত্রা: ২৫°-২৮°C


উন্নত জাত


✔ বারি মুখীকচু-১ (বিলাসী): উচ্চ ফলনশীল, সুস্বাদু, গলা চুলকায় না, জীবনকাল ২১০-২৮০ দিন, ফলন ২৫-৩০ টন/হেক্টর।

✔ বারি মুখীকচু-২: মুখী ধূসর রঙের, সহজে সিদ্ধ হয়, জীবনকাল ২৫-৩০ টন/হেক্টর।

✔ বারি মুখীকচু-৩: মুখী মসৃণ ও সুস্বাদু, গাছ প্রতি ২৫-৩০টি মুখী, ফলন ৩৫-৪০ টন/হেক্টর।


জমি নির্বাচন ও প্রস্তুতি


✔ উঁচু, সুনিষ্কাশিত, রৌদ্রজ্জ্বল জমি উপযোগী।

✔ দোঁ-আশ ও বেলে দোঁ-আশ মাটি উত্তম।

✔ জমি গভীরভাবে চাষ করে ঝুরঝুরে করতে হবে।


বীজ, রোপণ সময় ও পদ্ধতি


✔ রোপণ সময়: জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি (উত্তম সময়), ডিসেম্বর-মার্চ (বিকল্প সময়)।

✔ বীজের ওজন: ২০-৩০ গ্রাম।

✔ বীজ হার: শতক প্রতি ২ কেজি, হেক্টর প্রতি ৭০০-১০০০ কেজি।

✔ রোপণ দূরত্ব: সারি থেকে সারি ৬০ সেমি, গাছ থেকে গাছ ৪৫ সেমি।

✔ রোপণ পদ্ধতি: একক সারি ও ডাবল সারি পদ্ধতি (ডাবল সারিতে ফলন ২০% বেশি)।


সার ব্যবস্থাপনা (শতক প্রতি)


✔ গোবর সার: ৫০-৬০ কেজি

✔ ইউরিয়া: ১২০০ গ্রাম

✔ টিএসপি: ৭৫০ গ্রাম

✔ পটাশ: ১৩০০ গ্রাম

✔ জিপসাম: ৫০০ গ্রাম

✔ দস্তা ও বোরন: ৫০ গ্রাম


✔ অর্ধেক ইউরিয়া ও পটাশ ৩৫-৪০ দিন ও ৬৫-৭৫ দিন পর উপরি প্রয়োগ করতে হবে।


সেচ ও পরিচর্যা


✔ খরা মৌসুমে ১০-২০ দিন পরপর সেচ দিতে হবে।

✔ বর্ষাকালে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশন করতে হবে।

✔ গোড়ায় মাটি দেওয়া: ৪০-৪৫ দিন ও ৮০-৯০ দিনে।

✔ আগাছা দমন: প্রতি মাসে আগাছা পরিষ্কার করতে হবে।


পোকামাকড় দমন


✔ শোষকপোকা ও জাবপোকা: ইমিডাক্লোরোপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক (এডমায়ার, ইমপেল, গেইন) ১ মি.লি./লিটার হারে স্প্রে।

✔ পাতা মোড়ানো পোকা: কারটাপ্রিড ৯৫ এসপি ১ গ্রাম/লিটার হারে স্প্রে।

✔ কাটুইপোকা: ক্লোরোপাইরিফস+সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক (নাইট্রো ৫৫ ইসি, সেতারা ৫৫ ইসি) ১ মি.লি./লিটার হারে স্প্রে।


রোগ দমন


✔ পাতা ঝলসানো ও দাগ রোগ: কার্বেন্ডাজিম গ্রুপের ছত্রাকনাশক (কাজিম, নোইন) ২ গ্রাম/লিটার হারে স্প্রে।


ফসল সংগ্রহ ও ফলন


✔ পরিপক্ক মুখী সংগ্রহ: ৬-৭ মাস পরে, যখন পাতা হলুদ হয়ে যায়।

✔ ফলন: হেক্টর প্রতি ২৫-৩০ টন (জাতভেদে ৩৫-৪০ টন পর্যন্ত)।


---


আপনারা কি মুখীকচু চাষ করতে চান? মন্তব্যে জানান!


#কৃষি #মুখীকচু #উচ্চফলন #কৃষি_পরামর্শ

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ ১৯-০২-২০২৫ খ্রি:। 

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ ১৯-০২-২০২৫ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


বাংলাদেশে ভুটানের জলবিদ্যুৎ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে যৌথ বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ থিম্পুর।


সরকারের মূল লক্ষ্য শেখ হাসিনাকে দেশে এনে বিচার করা - বললেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব।


শেষ হলো তিনদিনব্যাপী জেলা প্রশাসক সম্মেলন - জনগণকে সেবা প্রদান ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ।


জুলাই অভ্যুত্থানকে সামগ্রিক বিপ্লবে পরিণত করতে হবে – ‘তারুণ্যের উৎসব-২০২৫’ উপলক্ষে প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে বললেন উপদেষ্টা মোহাম্মদ মাহফুজ আলম।


জুলাই-আগস্ট গণহত্যার অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে ২০শে এপ্রিল তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের।


ভারত তিস্তা নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা না দিলে জাতিসংঘসহ সব আন্তর্জাতিক অঙ্গণে দাবী তুলে ধরা হবে - বললেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ।


রাশিয়া বলেছে, ইউক্রেনে ন্যাটো দেশগুলোর শান্তিরক্ষী মেনে নেবে না মস্কো।


আজ করাচিতে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির নবম আসরের উদ্বোধনী ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের মোকাবেলা করবে স্বাগতিক পাকিস্তান।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ১৮-০২-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ১৮-০২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


ভুটানের জলবিদ্যুৎ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে যৌথ বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ থিম্পুর।


সরকারের মূল লক্ষ্য শেখ হাসিনাকে দেশে এনে বিচার করা, জাতিসংঘের রিপোর্ট প্রকাশের পর প্রচণ্ড চাপ তৈরি হয়েছে, বেশিরভাগ ভারতীয় চান না শেখ হাসিনা ভারতে থাকুক --- বললেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব।


জনগণকে সেবা প্রদান ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার জন্য জেলা প্রশাসকদের প্রতি আইন উপদেষ্টার আহ্বান।


জুলাই অভ্যুত্থানকে সামগ্রিক বিপ্লবে পরিণত করতে হবে – ‘তারুণ্যের উৎসব-২০২৫’ উপলক্ষে প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে বললেন উপদেষ্টা মোহাম্মদ মাহফুজ আলম।


জুলাই-আগস্ট গণহত্যার অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ ৪৫ জনের বিরুদ্ধে ২০শে এপ্রিল তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের।


ভারত তিস্তা নদীর পানির নায্য হিস্যা না দিলে জাতিসংঘসহ সব আন্তর্জাতিক অঙ্গণে দাবী তুলে ধরা হবে --- বললেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ।


ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানে রিয়াদে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে ফলপ্রসূ বৈঠক অনুষ্ঠিত --- প্রয়োজনে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলতে প্রস্তুত রুশ প্রেসিডেন্ট --- জানালো ক্রেমলিন।

ভবনের ঝুঁকি এড়াতে কেন গভীর ফাউন্ডেশন জরুরি?  ইনসাফ বিল্ডিং ডিজাইন ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ভবনের ঝুঁকি এড়াতে কেন গভীর ফাউন্ডেশন জরুরি? 🏗️


একটি ভবনের স্থায়িত্ব নির্ভর করে এর ভিত্তির (Foundation) উপর। যদি ফাউন্ডেশন দুর্বল হয়, তাহলে ভবিষ্যতে ভবন হেলে পড়তে পারে বা দেবে যেতে পারে, যা মারাত্মক দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। নিচের ছবিটি দেখলে বুঝতে পারবেন, কীভাবে নরম ও দুর্বল মাটির ওপর অগভীর ফাউন্ডেশন ভবনের ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে।


গভীর ফাউন্ডেশন কেন প্রয়োজন?

✔ মাটির ধরন বুঝতে হবে: কাদাযুক্ত (Clay Soil), সিল্ট বা বালুমিশ্রিত (Silt & Clay) মাটি ভবনের ওজন সঠিকভাবে বহন করতে পারে না।

✔ নরম মাটিতে সাধারণ ফাউন্ডেশন কাজ করে না: দুর্বল মাটির স্তরে যদি ফাউন্ডেশন রাখা হয়, তাহলে ভবন ধীরে ধীরে হেলে পড়ে বা বসে যেতে পারে।

✔ শক্ত মাটির স্তর পর্যন্ত পাইল বসালে স্থিতিশীলতা পাওয়া যায়: যখন ফাউন্ডেশন পাথর বা শক্ত বালির স্তর পর্যন্ত (Rocky Soil) পৌঁছায়, তখন ভবন নিরাপদ থাকে এবং হেলে পড়ার ঝুঁকি থাকে না।


গভীর ফাউন্ডেশনের সুবিধা:

✅ ভবনের হেলে পড়া বা দেবে যাওয়ার ঝুঁকি কমে যায়

✅ উঁচু ভবন বা বড় স্থাপনার জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। তবে চূড়ান্ত নিরাপত্তা একমাত্র আল্লাহ তায়ালার হাতে।

✅ ভূমিকম্প বা অতিরিক্ত ওজনের চাপ সহ্য করতে পারে

✅ দীর্ঘস্থায়ী ও মজবুত কাঠামো তৈরি হয়


📌 আপনার ভবন নিরাপদ রাখতে চাইলে সঠিক ডিজাইন ও ফাউন্ডেশন ব্যবহার করুন!


🏡 বাড়ি নির্মাণের সঠিক পরিকল্পনার জন্য আমাদের সাথে পরামর্শ করুন! 🏗️


📞 ফোন করুন:

📲 +8801939-294938 | +8801958-140774 | +8801997-900700

🌐 ওয়েবসাইট: www.insaflimited.com

📌 ফেসবুক পেজ: fb.com/ibdcbd

📌 ফেসবুক গ্রুপ: fb.com/groups/insafbuildingdesignconsultant


#StructuralEngineering #DeepFoundation #SafeConstruction #BuildingStability #Piling #CivilEngineering #RajukApproval #BuildingPermit #ConstructionSolutions #EngineeringServices

মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

শীত শেষ গরমে এখন হবে আচারের সমাহার।

 🪷🪷শীত শেষ গরমে এখন হবে আচারের সমাহার।

একসাথে রইলো কাঁচা আমের ১০ রকমের আচার রেসিপি--📌📌📌


🔸🔸(১) টক-ঝাল-মিষ্টি আমের আচার🔸🔸


✍️ উপকরণঃ

▪️কাঁচা আম - ১ কেজি

▪️সিরকা আধা কাপ

▪️লেবুর রস ব্যবহার করতে পারেন।

▪️সরিষার তেল এক কাপ

▪️রসুনবাটা দুই চা-চামচ

▪️ আদাবাটা দুই চা-চামচ

▪️হলুদ্গুড়া দুই চা-চামচ

▪️চিনি তিন টেবিল-চামচ

▪️লবণ পরিমাণমতো।


👉মসলার জন্যঃ

▪️ মেথি গুঁড়া এক চা-চামচ,

▪️ জিরা গুঁড়া দুই চা-চামচ, 

▪️মৌরি গুঁড়া এক চা-চামচ,

▪️রাঁধুনি গুঁড়া দুই চা-চামচ,

▪️সরষেবাটা তিন টেবিল-চামচ, 

▪️শুকনা মরিচ গুঁড়া দুই টেবিল-চামচ, 

▪️কালো জিরা গুঁড়া এক চা-চামচ।


👉প্রস্তুত প্রণালিঃ 


▪️খোসাসহ কাঁচা আম টুকরো করে লবণ দিয়ে মেখে একরাত রেখে দিতে হবে। 


▪️পরের দিন ধুয়ে আদা, হলুদ, রসুন মাখিয়ে কিছুক্ষণ রোদে রাখুন। 


▪️এরপর সসপ্যানে আধা কাপ তেল দিয়ে আমগুলো নাড়া-চাড়া করতে থাকুন, গলে গেলে নামিয়ে ফেলুন। 


▪️অন্য একটি  সসপ্যানে বাকি তেল দিয়ে চিনিটা গলিয়ে ফেলুন। কম আঁচে চিনি গলে গেলে সব মসলা দিয়ে (মৌরি,মেথি গুঁড়া ছাড়া) আম কষিয়ে নিতে হবে। আম গলে গেলে মৌরি গুঁড়া, মেথি গুঁড়া দিয়ে নামিয়ে ফেলতে হবে।


------------//-------------//----------------


🔸🔸(২) আম-রসুনেরআচার🔸🔸


✍️উপকরণঃ

▪️খোসা ছাড়া কাঁচা আমের টুকরা দুই কাপ

▪️সরিষার তেল এক কাপ

▪️রসুনছেঁচা এক কাপ

▪️মেথি এক টেবিল-চামচ

▪️মৌরি এক টেবিল-চামচ

▪️জিরা এক টেবিল-চামচ

▪️কালো জিরা দুই চা-চামচ

▪️সিরকা আধা কাপ

▪️হলুদগুঁড়া দুই চা-চামচ

▪️শুকনা মরিচ ১০-১২টি

▪️চিনি দুই টেবিল-চামচ

▪️লবণ পরিমাণমতো।


👉প্রস্তুত প্রণালীঃ 


▪️আমের টুকরো গুলোতে লবণ মাখিয়ে একরাত রেখে দিতে হবে। 


▪️পরের দিন ধুয়ে কয়েক ঘণ্টা রোদে দিতে হবে।


▪️রেসিপির সব মসলা মিহি করে বেটে নিতে হবে। এরপর চুলায় সসপ্যানে তেল দিয়ে বসাতে হবে। তেল গরম হলে রসুন দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়িয়ে, তারপর বাটা মসলা দিয়ে নাড়তে হবে।


▪️তারপর আম দিয়ে নাড়িয়ে নিতে হবে। কিছুক্ষণ রান্না করার পর আম নরম হলে, চিনি দিয়ে নাড়িয়ে নামাতে হবে। 


▪️এরপর আচার ঠাণ্ডা হলে বোতলে ভরে, বোতলের মুখ পর্যন্ত তেল দিয়ে ঢাকতে হবে। এরপর কয়েকদিন রোদে দিতে হবে।


----------------//-------------//------------


🔸🔸(৩) আম-পেঁয়াজের ঝুরি আচার🔸🔸


✍️ উপকরণঃ

▪️কাঁচা আমের ঝুরি এক কাপ

▪️পেঁয়াজ কুচি এক কাপ

▪️জিরাগুঁড়া দুই চা-চামচ

▪️কালো জিরাগুঁড়া আধা চা-চামচ

▪️সরষেগুঁড়া এক টেবিল-চামচ

▪️মরিচগুঁড়া দুই চা-চামচ

▪️সরিষার তেল আধা কাপ

★লবণ পরিমাণ মতো।


👉প্রস্তুত প্রণালীঃ  


▪️আমের ঝুরি এবং পেঁয়াজের কুচি আলাদাভাবে একদিন রোদে ভালোভাবে শুঁকিয়ে নিতে হবে।


▪️তারপরের দিন বাকি সব উপকরণগুলি দিয়ে, ভালোভাবে হাত দিয়ে মাখিয়ে বোতলে ভরে কয়েক দিন রোদে দিতে হবে।


-------------//-------------//--------------


🔸🔸৪)আমের নোনতা আচার🔸🔸


 ✍️উপকরণঃ

▪️আমের টুকরো ৪ কাপ,

▪️লবণ ২ চামচ,

▪️কালোজিরার গুঁড়া ১ চা-চামচ,

▪️শুকনা মরিচ ৩টা,

▪️মৌরি গুঁড়া আধা চা-চামচ,

▪️হলুদ গুঁড়া ১ চা-চামচ,

▪️পাঁচফোড়ন ১ চা- চামচ,

▪️সরষের তেল ২ কাপ।


👉 প্রস্তুত প্রণালিঃ

▪️আমের খোসা ফেলে লম্বা টুকরো করে লবণ পানিতে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। 


▪️এরপর পানি ঝরিয়ে এতে হলুদ ও প্রয়োজনমতো লবণ দিয়ে কড়া রোদে কয়েক ঘণ্টা রেখে মৌরি গুঁড়া ও কালোজিরার গুঁড়া দিয়ে আবার রোদে দিন।


▪️শুকনা নরম আম বোতলে ঢুকিয়ে নিন। গরম তেলে পাঁচফোড়ন ভেজে তেল ও পাঁচফোড়ন আমের বোতলে ঢেলে দিয়ে কয়েক দিন বোতলের মুখে পাতলা কাপড়ে বেঁধে রোদে দিন। 


---------------//--------------//-----------


🔸🔸(৫)খোসাসহ আমের আচার🔸🔸


✍️ উপকরণঃ

▪️আম ১০টা,

▪️সরষে বাটা ২ চামচ,

▪️পাঁচফোড়ন বাটা ১ চামচ,

▪️সিরকা আধা কাপ,

▪️হলুদ গুঁড়া ১ চা-চামচ,

▪️মরিচ গুঁড়া ১ চা-চামচ,

▪️লবণ স্বাদমতো,

▪️চিনি ১ কাপ,

▪️তেজপাতা ২টা,

▪️শুকনা মরিচ ৩টা,

▪️সরষের তেল ১ কাপ।


,👉 প্রস্তুত প্রণালিঃ


▪️আম খোসাসহ টুকরো করে হলুদ ও লবণ মাখিয়ে ৮-১০ ঘণ্টা রোদে দিন। এবার হলুদ, মরিচ, সরষে, পাঁচফোড়ন ও অর্ধেক সিরকা আমের সঙ্গে মিশিয়ে আবার রোদে দিন।


▪️শুকিয়ে এলে বাকি সিরকা, চিনি, তেজপাতা ও শুকনা মরিচ দিয়ে বোতলে ঢুকিয়ে রোদে দিন। তেল ভালোভাবে গরম করে ঠান্ডা হলে আচারের বোতলে ঢেলে কয়েক সপ্তাহ রোদে দিন।


---------------//-----------//-------------


🔸🔸(৬)আমের মোরব্বা🔸🔸


✍️উপকরণঃ

▪️আম ১০টা,

▪️চিনি ২ কাপ,

▪️পানি ১ কাপ,

▪️লবণ আধা চা-চামচ,

▪️এলাচ ৩টা,

▪️দারচিনি ২ টুকরো,

▪️তেজপাতা ২টা,

▪️চুন ১ চা-চামচ।


👉প্রস্তুত প্রণালিঃ


▪️আমের খোসা ফেলে দুই টুকরো করে নিন। এবার টুথপিক দিয়ে আমের টুকরো ভালোভাবে ছিদ্র করে নিন। চুনের পানিতে আম ৭-৮ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। আম তুলে পরিষ্কার পানিতে কয়েকবার ধুয়ে নিন।


▪️এবার চিনির সিরায় সব উপকরণ দিয়ে ফুটে উঠলে আম ছেড়ে দিন। অল্প আঁচে রাখুন। আম নরম হলে চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করে বোতলে ঢুকিয়ে রাখুন।


-----------//--------------//---------------


🔸🔸(৭)আমের ঝাল আঁচার🔸🔸


✍️উপকরণঃ

▪️আম ১ কেজি, 

▪️সিরকা ১ কাপ,

▪️সরিষার তেল দেড় কাপ, 

▪️সরিষা বাটা ১ টেবিল চামচ, 

▪️হলুদ গুঁড়ো ১ চা চামচ,

▪️মরিচ বাটা ১ টেবিল চামচ, 

▪️আদা কুচি ১ টেবিল চামচ,

▪️পাঁচফোড়ন গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ,

▪️আস্ত পাঁচফোড়ন আধা চা চামচ,

▪️ লবণ ১ টেবিল চামচ, 

▪️চিনি ১ টে চামচ,

▪️ রসুন কোয়া ১৬টি, 

▪️কাঁচামরিচ ১০টি, 

▪️রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ।


👉প্রস্তুত প্রনালীঃ


▪️আম খোসাসহ ছোট ছোট টুকরা করে কেটে ১ টেবিল চামচ লবণ মাখিয়ে ভালো করে ধুয়ে পানি নিংড়ে নিতে হবে।


▪️অল্প হলুদ, লবণ মাখিয়ে এক দিন রোদে দিতে হবে।


▪️কড়াইতে তেল গরম হলে আস্ত পাঁচফোড়ন ছাড়তে হবে। পাঁচফোড়ন ভাজা সুগন্ধ বের হলে রসুন বাটা, আদা কুচি দিয়ে ১ মিনিট নাড়তে হবে। মরিচ, হলুদ, লবণ ও সামান্য সিরকা দিয়ে ভালো করে কষিয়ে আম দিয়ে নাড়তে হবে। 


▪️আম আধা সেদ্ধ হলে বাকি সিরকা, চিনি, সরিষা বাটা, কাঁচা মরিচ, রসুন কোয়া দিয়ে আরও ১৫ মিনিট অল্প আঁচে নাড়তে হবে।ভাজা পাঁচফোড়ন গুঁড়ো দিয়ে ২ মিনিট নেড়ে আচার চুলা থেকে নামাতে হবে।


▪️আচার ঠান্ডা হলে কাচের বয়ামে রেখে দিন।


------------//-----------//----------------


🔸🔸(৮.) কাশ্মিরি আচার🔸🔸


✍️ উপকরণ: 

▪️আম ৫ কেজি। 

▪️চিনি ৩ কেজি। 

▪️ভিনিগার ১ বোতল (৬৫০ মি.লি.)। 

▪️শুকনামরিচ ২৪, ২৫টি। 

▪️আদাকুচি ৬ টেবিল-চামচ। 

▪️লবণ স্বাদ মতো।


👉প্রস্তুত প্রনালীঃ

▪️আম ছিলে ধুয়ে কিছুক্ষণ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। 


▪️]তারপর কিউব করে কেটে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন।  


▪️শুকনামরিচ কাঁচি দিয়ে চিকন করে কেটে দানা বাদ দিন। আদা চিকন করে কুচি করুন। তারপর চুলায় হাঁড়িতে চিনি ও ভিনিগার দিয়ে সব বসান।


▪️যদি আচারে লাল লাল ভাব আনতে চান তবে চিনি কিছুটা কমিয়ে খেজুরের গুড় দিতে পারেন। এরপর শুকনা মরিচ, আদা ও লবণ দিতে হবে।


▪️জ্বাল দিয়ে ঘন হয়ে আসলে, তাতে আমের টুকরা দিয়ে দিন। সিরা ঘন হয়ে আসলে চুলার আঁচ কিছুক্ষণ কমিয়ে রাখতে হবে।


▪️আম সিদ্ধ হয়ে গলে যাওয়ার আগেই নামিয়ে কাচের বোতলে ভরে রাখুন। ঠাণ্ডা হলে বোতলের মুখ বন্ধ করে রেখে দিন।


------------//-------------//---------------


🔸🔸(৯)কাঁচাআমের চাটনি🔸🔸


👉উপকরনঃ

▪️কাঁচাআম আধা কেজি। 

▪️দেশিপেঁয়াজ-কুচি ৪ টি

▪️কালিজিরা  ১ চা-চামচ। 

▪️শুকনা মরিচ ৮টি। 

▪️তেঁতুল ১ টেবিল-চামচ। 

▪️চিনি ৪ টেবিল-চামচ।

▪️রসুনের কোয়া ১০টি। 

▪️লবণ স্বাদমতো।

▪️সরিষার তেল পরিমাণমতো। 

▪️কাঁচের বোতল আচার রাখার জন্য।


👉 প্রস্তুত প্রনালীঃ


▪️পেঁয়াজ ছুলে নিন। আমের ছোকলা ছিলে পরিষ্কার করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখতে হবে। 


▪️এরপর পেঁয়াজ এবাং আম মিহিকুচি করে কাটুন। একটা ডালায় আম আর পেঁয়াজের কুচি নিয়ে তাতে কালোজিরা, শুকনা মরিচ, রসুনের কোয়া, তেঁতুল, চিনি, লবণ আর অল্প সরিষার তেল দিয়ে মাখিয়ে তিন থেকে চার দিন রোদে শুকাতে হবে।


▪️বাদামি রং এবং ঝরঝরে হলে কাঁচের জারে ভরে সরিষার তেল দিয়ে আবার রোদে দিতে হবে।


-------------//-----------//-----------------


🔸🔸(১০) আমসত্ত্ব🔸🔸


✍️উপকরণঃ

▪️পাকা আম এক কেজি

▪️চিনি দুই কাপ


👉প্রস্তুত প্রনালীঃ

▪️পাকা আম খোসা ছড়িয়ে একটু চটকে নিন।


▪️হালকা আঁচে একটু সিদ্ধ করে নিন।


▪️আম মিষ্টি না টক সে অনুযায়ী চিনি মিশিয়ে দিন।


▪️একটি গোল থালায় তেল মাখিয়ে একপ্রস্থ আম লেপে দিয়ে রোদে দিন। শুকিয়ে গেলে আবার একপ্রস্থ দিন। এভাবে যতটুকু মোটা করতে চান সে অনুযায়ী আম দিন।


▪️ভালোভাবে শুকিয়ে গেলে কৌটায় ভরে রেখে দিন। রোদের ব্যবস্থা না থাকলে গ্যাসের চুলার নিচে রেখেও আমসত্ত্ব করা যাবে।

রেসিপি ভালো লাগলে শেয়ার করে রাখুন আপনার টাইমলাইনে। #ইউনিক ও নতুন নতুন রেসিপি পেতে আমার পেইজে নিয়মিত লাইক কমেন্ট ও ফলো দিয়ে পাশে থাকুন। ❤️


#fyp #fb #foryou #StarsEverywhere #trend #view #instagood #trendingpost #recipe #viralshorts #instagram #প্রয়োজনীয়_কিছু_টিপস #reelsvideo #photographychallengechallenge #followersreels #fbreels #viralreels #highlightseveryone #followerseveryonehighlights

পেঁয়াজের পাতা হলুদ হলে কি করবেন এবং ফলন বৃদ্ধি হওয়ার উপায় জানুন । Onion Diseases

 পেঁয়াজের পাতা হলুদ হলে কি করবেন এবং ফলন বৃদ্ধি হওয়ার উপায় জানুন । Onion Diseases


Mithu Seeds একটি নির্ভরযোগ্য বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান । Mithu Seeds এর পরিচালক আমি মোঃ শফিকুল ইসলাম। আমরা নিজস্ব জমিতে নিজস্ব উপায়ে শতভাগ অরজিনাল সুখ সাগর পেঁয়াজের দানা চাষ করি।এই সুখ সাগর পেঁয়াজের দানা শতভাগ গ্যারান্টি সহকারে কৃষকদের কাছে বিক্রয় করা হয়। এছাড়াও আমাদের নির্ধারিত ডিলারদের কাছে Mithu Seeds এর অরজিনাল সুখ সাগর পেঁয়াজের দানা পেয়ে যাবেন।

সুখ সাগর হাইব্রিড এবং গ্রীষ্মকালীন নাসিক জাতের পেঁয়াজ 

বীজ বা দানা ক্রয় করতে কল করুন 


Mithu Seeds Pvt Ltd এর পরিচালক

মোঃ শফিকুল ইসলাম (মিঠু) 

আনন্দবাস । মুজিবনগর । মেহেরপুর 

মোবাইলঃ ০১৮১২-৬০০৯৯৫ ( WhatsApp ) /০১৭১৫-৪৯৪৮৭৯ (সকাল ১০ থেকে রাত ৯ টা) 

এবং ভিজিট করুন www.mithuseeds.com


Mithu Seeds কোম্পানির নিজস্ব জমিতে উৎপাদিত অরজিনাল সুখ সাগর দানার পাশাপাশি ইন্ডিয়ান প্যাকেটজাত সুখ সাগর যেমনঃ জিরাট সুখ সাগর, কলস সীডস এর সুখ সাগর ( KSP 106) দানা, মহারাষ্ট্রের হাই ব্রিড সুখ সাগর দানা এর সুখ সাগর দানা শতভাগ গ্যারান্টি সহকারে কৃষকদের কাছে বিক্রয় করা হয়।


এছাড়াও Mithu Seeds কোম্পানিতে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের দানা, বর্ষাকালীন পেঁয়াজের দানা, বারি ৫ পেঁয়াজের দানা, ডার্ক রেড পেঁয়াজের দানা, কলস সীডের কিং, নাসিক রেড এন ৫৩, নাসিক হাইব্রিড পেঁয়াজের দানা  শতভাগ গ্যারান্টি সহকারে কৃষকদের কাছে বিক্রয় করা হয়।

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬ 

► সুখ সাগর পেঁয়াজ বপন পদ্ধতিতে পেঁয়াজ উৎপাদন হবে ১৬০ থেকে ২০০ মন পর্যন্ত। (সর্বোচ্চ হিসাব ) উৎপাদন ভাল না হলে আনুমানিক তাও আপনি ১০০ মন পেঁয়াজ পাবেন।( সর্বনিম্ন হিসাব ) এক একটি পেঁয়াজের ওজন সর্বোচ্চ ১০০ থেকে ২০০ গ্রাম পর্যন্ত হয়ে থাকে । 


►নাসিক জাতের পেঁয়াজ সম্পর্কে ২ টি কথাঃ সুখ সাগর থেকে নাসিক জাতের পেঁয়াজের ফলন অনেক বেশি। খরচ একই। লাভ বেশি। ( এলাকা ভিত্তিক উপরের হিসাব অনুযায়ী খরচ কম বা বেশি হতে পারে) 

#সুখ_সাগর_পেয়াজ #sukh_sagor_peyaj #onion #mithuseeds #onionseeds #onionfarming

ধানের মাজরা পোকার আক্রমন ও দমন ব্যবস্থাপনা।

 ধানের মাজরা পোকার আক্রমন ও দমন ব্যবস্থাপনা।


বাংলাদেশে তিন ধরনের মাজরা পোকা ধানের ক্ষতি করে থাকে : হলুদ মাজরা, কালো মাথা মাজরা এবং গোলাপী মাজরা পোকা।

এই পোকাগুলোর কীড়ার রং অনুযায়ী তাদের নামকরণ করা হয়েছে। এদের আকৃতি ও জীবন বৃত্তান্তে কিছুটা পার্থক্য থাকলেও ক্ষতির ধরণ এবং দমন পদ্ধতি একই রকম। হলুদ মাজরা পোকা প্রধানত বেশী আক্রমণ করে। নিম্নে হলুদ মাজরা পোকার বিবরণ দেয়া হলো:


পূর্ণ বয়স্ক হলুদ মাজরা পোকা এক ধরনের মথ। স্ত্রী পোকার পাখার উপরে দুটো কালো ফোঁটা আছে। পুরুষ মথের পাখার মাঝখানের ফোঁটা দুটো স্পষ্ট নয় তবে পাখার পিছন দিকে ৭-৮ টা অস্পষ্ট ফোঁটা আছে।


হলুদ মাজরা পোকার স্ত্রী মথ ধান গাছের পাতার আগার দিকে গাদা করে ডিম পাড়ে। এক সপ্তাহের মধ্যে ডিম ফুটে কীড়া বের হয়। কীড়ার রং সাদাটে হলুদ।


কীড়াগুলো কান্ডের ভিতরে প্রবেশ করে ৩ থেকে ৪ সপ্তাহে পুত্তলিতে পরিণত হয়। তবে শীতকালে কীড়ার স্থিতিকাল ৮ সপ্তাহ পর্যন্ত হতে পারে। পুত্তলিগুলো এক থেকে দেড় সপ্তাহের মধ্যে বয়স্ক পোকায় পরিণত হয় এবং কান্ডের ভিতর থেকে বের হয়ে আসে।


ক্ষতির ধরণঃ


# মাজরা পোকা শুধুমাত্র কীড়া অবস্থায় ধান গাছের ক্ষতি করে থাকে।


# সদ্য ফোঁটা কীড়াগুলো দু’চারদিন খোল পাতার ভিতরের অংশ খাওয়ার পর ধান গাছের কান্ডের ভিতর প্রবেশ করে।


# কান্ডের ভিতর থেকে খাওয়ার সময় এক পর্যায়ে মাঝখানের ডিগ কেটে ফেলে। ফলে মরা ডিগের সৃষ্টি হয়। গাছের শীষ আসার আগে এরকম ক্ষতি হলে তাকে ‘মরা ডিগ’ বলে।


# আর গাছে থোর হওয়ার পর বা শীষ আসার সময় ডিগ কাটলে শীষ মারা যায় বলে একে ‘মরা শীষ’ বলে। ‘মরা শীষ’ এর ধান চিটা হয় এবং শীষটা সাদা হয়ে যায়।


# বোরো, আউশ এবং আমন এই তিন মৌসুমেই এই পোকার আক্রমণ দেখা যায়।


জৈবিক পদ্ধতিতে দমন:


★ মাজরা পোকার ডিমের গাদা সংগ্রহ করে নষ্ট করে ফেলা।

ক্ষেতে ডাল-পালা পুঁতে দিয়ে পোকা খেকো পাখির সাহায্যে পোকার সংখ্যা কমানো যায়।


★ সন্ধ্যার সময় আলোক ফাঁদের সাহায্যে মথ আকৃষ্ট করে মেরে ফেলা।


রাসায়নিক পদ্ধতিতে দমন:


★ রোগাক্রান্ত হলে নিম্নোক্ত কীটনাশক বীজতলা বা জমিতে প্রয়োগ করতে হবে।


সমাধান:


ধানের জমিতে ১০০ টির মধ্যে ১০-১৫ টি মরা কুশি অথবা ৫ টি মরা শীষ পাওয়া গেলে অনুমোদিত কীটনাশক যেমন: ভিরতাকো ৪০ ডব্লিউজি ৭৫ গ্রাম/হেক্টর হারে অথবা কার্বোফুরান গ্রুপের কীটনাশক যেমন: ফুরাডান ৫ জি ১০ কেজি/হেক্টর হারে বা ব্রিফার ৫জি ১০ কেজি/হেক্টর হারে অথবা ডায়াজিনন গ্রুপের কীটনাশক। এছাড়া বেল্ট এক্সপার্ট, বাতির, কার্ট্রাপ্রিড, এসিপ্রিড প্লাস, ডাক্সার্কাব, মারশাল, ব্রাভো, সানটাপ ব্যবহার করতে পারেন।


#মাজরা  #ব্লাস্ট #রোগ #দমন #stemborer #Blast #pest #control #বোরো

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...