এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

রঞ্জনা! প্রকৃতির এক অনিন্দ্য সুন্দর দান

 রঞ্জনা! প্রকৃতির এক অনিন্দ্য সুন্দর দান


। গাছ জুড়ে সবুজ পাতার ফাঁকে থোকায় থোকায় রক্ত বিন্দুর ছোঁয়া যেন সবুজের কপোলে সিধুরে লাল টিপ৷ শৈশবে আমরা একে রক্ত চন্দনের বীজ বলে জানতাম। মা কাকীমার নারিকেল তেলের শিশিতে প্রথম দেখা। একটা সময় ছিলো সবাই খোলা নারিকেল তেল ব্যবহার করতেন। এখনও কেউ কেউ করেন। তখন কাঁচে শিশিতে করে তেল আনা হতো ছটাকের দরে। হাঁস মার্কা রজনীগন্ধা তেল আর তিব্বত কদুর তেল ছিলো গরীবের বিলাসিতা। আমাদের কাছে ওই কাঁচে শিশি ছিলো বিস্ময়কর এক খেলনা। তেল মাঝে দুয়েকটা লাল দাদা কি এক বিস্ময় নিয়ে দেখতাম আমরা। আর দেখতাম ছেকড়ার দোকানে রক্ত লাল বীজ দিনে রতি রতি সোনা ওজন করত তখন। বহুদিন এই বীজের সন্ধান করেও মিলেনি কোথায়। কাজের সূত্রে ভারত থেকে বীজ আনিয়ে কাজ করেছিলাম। কিন্তু হাতের নাগালের বাইরে থাকায় সাহস হতো না এত দাম দিয়ে বীজ সংগ্রহ করে কাজ করার। মুশকিল হলো বীজ ছিদ্র করা। তবু শখের বসে কিছু কাজ করতাম।  তারপর খুঁজতে খুঁজতে একদিন সন্ধান পেলাম আমার শহরে। Monjurul Azim Palash দা'কে ধন্যবাদ না দিলেই নয়। ওনিই পরিচয় করিয়ে দিলেন সরল দা'র সাথে। সরল দা সাদরে আমন্ত্রণ জানালেন বীজ সংগ্রহ করতে। মজার ব্যাপার হলো মুন্সেফ বাড়ীর সেই পুরাতন দুতলা বাড়ীটা কতোবার দেখেছি কতো ছবি তুলেছি কখনও চোখে পড়েনি রঞ্জনাকে। এই বাড়ী আমাদের কুমিল্লার তথা ঘোটা বাংলাদেশের ইতিহাসের সাক্ষী।  সরল দা'র মা ছিলেন রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা।  


আজ অনেক দিন বাদে আবার সরল দা'কে বিরক্ত করতে গেলাম।  নিজ হাতে বীজ তুলে দিলেন গাছ থেকে। আমাকে  তুলতে দিচ্ছিলো যদি ছাদ থেকে পরে যাই! বীজ তুলে ব্যাগে পুরতেই সরলদা বললেন পাশে ওই কামরাঙা গাছ খেলে নিয়ে যান। বীজের সাথে বড়ো বড়ো কামরাঙাও উপহার পেলাম।  প্রকৃতির এই দান আমার জন্য আশীর্বাদ।  


বাড়ীতে প্রবেশ করতেই দেখি ডেভেলপারদের সাইনবোর্ড টানানো। জিজ্ঞেস করলাম এই বাড়ী কি প্রমোটারকে দিয়ে দিবেন নাকি। ওনি মৃদু স্বরে জবাব দিলেন এক প্রকার কথা চলছে।  আফসোস পুরনো বলে আর কিছু রইলো হয়তো আর থাকবে না। এই বাড়ী এই গাছও একদিন থাকবে না। থেকে যাবে এই সব দিনগুলি। আমাদের নানা রঙের দিনগুলি.....


প্রিয়ড টু মনোপজ ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ১২ বছর বয়সে যদি আপনার পিরিয়ড শুরু হয়, তাহলে মনোপজ পর্যন্ত আপনার জীবনে প্রায় ৪৫৬- ৪৬৮ বার পিরিয়ড আসবে, এতোবার কোনো প্রেমিকও প্রেমিকার কাছে আসে না। যাই হোক, প্রতি মাসে পিরিয়ড প্রায় ৪-৭ দিন স্থায়ী হয়। গড়ে ৫ দিন করে হলেও সারাজীবনে পিরিয়ড নিয়ে কাটাতে হয় ২,২৮০ দিন! ৫৪,৭২০ ঘন্টা! এই সময়ের মধ্যে আপনি ২,৭৩৬ বার হ্যারী পটার সিরিজ দেখে ফেলতে পারেন।


পার সাইকেল যদি আপনি ১৫-২০ টার মতো স্যানিটারি ন্যাপকিন ইউজ করেন, পিস প্রতি প্যাডের দাম যদি গড়ে ৭-৮ টাকা হয়, তাহলে প্রতি মাসে প্যাডের পেছনে ব্যয় হয় প্রায় ১৫০ টাকা। সারাজীবনে ব্যয় হয় ৬৮,০০০-৭০,০০০ টাকা, যা দিয়ে ৫৫-৬০ বছরের জন্য নেটফ্লিক্সের সাবস্ক্রিপশন কেনা যায়। কতোগুলো আইসক্রিম আর কতোগুলো বার্গার কেনা যায়, তার হিসাব করলে মাথা ঘুরবে।  


পিরিয়ডকালীন সময়ে ন্যাপকিন বাদেও পেইন কিলার, হটব্যাগ, প্যান্টি, পছন্দের খাবার, চকোলেট অর্থাৎ কমফোর্ট প্রোডাক্টের পেছনে সারাজীবনে মোট ব্যয় হয় প্রায় ২ থেকে আড়াই লাখ টাকা!  যা দিয়ে ২টা আইফোন ১২ প্রো ম্যাক্স কেনা যায়। 


সুতরাং পিরিয়ড লজ্জার নয় বরং একটা খুব এক্সপেনসিভ জিনিস। চিল্লায়ে বলার মতো জিনিস। 


(vitamin stree এর ইউটিউব চ্যানেলে এরকম একটা ভিডিও দেখছিলাম। নিজের মতো করে লিখলাম।)

সংগ্রহঃ-Nahida Nishi

অনবরত রিল বা শর্টস দেখার কারণে আপনার মস্তিষ্কে কী ঘটছে, জানেন 

 অনবরত রিল বা শর্টস দেখার কারণে আপনার মস্তিষ্কে কী ঘটছে, জানেন 😲

শেষ কবে এমন একটা দিন কাটিয়েছেন, যেদিন ফেসবুক, ইউটিউব বা ইনস্টাগ্রামে একটিও রিল বা শর্টস দেখেননি?

প্রশ্নের উত্তর দেওয়াটা কঠিনই হওয়ার কথা। কারণ, স্বল্পদৈর্ঘ্যের এসব ভিডিও আমাদের জীবনযাপনের অংশ হয়ে গেছে। মজা করে অনেকে এমনও বলেন, ‘রাত ১১টায় ইউটিউবে একটা শর্টস দেখতে শুরু করেছিলাম। “একটু পর” দেখি রাত ৩টা বাজে!’

ফেসবুকে একটি রিলের দৈর্ঘ্য হতে পারে সর্বোচ্চ তিন মিনিট। ইনস্টাগ্রামে ৯০ সেকেন্ড। ইউটিউবের একেকটি শর্টস অবশ্য এক মিনিটের বেশি নয়। এই স্বল্পদৈর্ঘ্যের ভিডিওগুলোই আমাদের একরকম নেশায় ফেলে দেয়। একবার দেখা শুরু করলে আমরা দেখতেই থাকি। কিন্তু অনবরত রিল বা শর্টস দেখার কারণে আপনার মস্তিষ্কে কী ঘটছে, সেটা কি জানেন?


সম্প্রতি চীনের গবেষকেরা একটি বিশ্লেষণে জানিয়েছেন, এই অভ্যাস আমাদের মস্তিষ্কে, মানসিক স্বাস্থ্যে ও আচরণে কী কী প্রভাব ফেলে।


শিক্ষাবিষয়ক মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম সাইয়ের (PSY) মনোবিজ্ঞানী অ্যান্ড্রি রাইজিক বলছেন, ছোট ছোট ভিডিও দেখার অভ্যাস মানুষের মস্তিষ্কে নানা রকম পরিবর্তন আনতে পারে। এসব পরিবর্তনের মধ্যে একটি হলো, আরও বেশি হিংসাত্মক বা পরশ্রীকাতর হয়ে পড়া। অন্যের সাফল্য বা জীবনযাত্রা দেখে হিংসা অনুভব করা।


২০২৪ সালে চীনের ইন্টারনেট উন্নয়নের ৫৪তম পরিসংখ্যান প্রতিবেদন অনুসারে, শুধু চীনেই শর্টস ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১ বিলিয়ন ছাড়িয়ে গেছে, যা চীনের মোট ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর ৯৫ শতাংশের বেশি। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশ কিশোর–কিশোরী ও বয়স্ক ব্যক্তি।

চীনের তিয়ানজিন নরমাল ইউনিভার্সিটির বিশেষজ্ঞরা ১১২ কলেজশিক্ষার্থীর ওপর একটি গবেষণা করেছিলেন। রিল বা শর্টস আমাদের মস্তিষ্কে কী প্রভাব ফেলে, তা-ই উঠে এসেছে এ গবেষণায়—


১. ঈর্ষা ও আসক্তি

ঈর্ষাকাতর মানুষের রিল বা শর্টসে আসক্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি। অনেক সময় তাঁরা নেতিবাচক আবেগ থেকে মনকে ভুলিয়ে রাখতে কিংবা অন্যের সঙ্গে নিজেকে তুলনা করতে বারবার শর্টসের কাছে ফিরে যান।


২. মস্তিষ্কের পরিবর্তন

শর্টসে আসক্ত ব্যক্তিদের মস্তিষ্কে কিছু পরিবর্তন দেখা যায়। বিশেষ করে মস্তিষ্কের যে অংশগুলো আবেগ নিয়ন্ত্রণ ও সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে, সেই অংশে। তার মানে এই নয় যে শর্টস বা রিল আমাদের মস্তিষ্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করে; বরং এই অভ্যাস মস্তিষ্কের কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করে।


৩. জিনের ভূমিকা

গবেষণায় এমন কিছু জিন পাওয়া গেছে, যেগুলোর কার্যকারিতা ছোট ছোট ভিডিওর আসক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত। এতে বোঝা যায়, এ ধরনের আসক্তির প্রবণতা আংশিকভাবে জন্মগতও হতে পারে।


৪. কিশোর-কিশোরীরা বেশি ঝুঁকিতে

কিছু নির্দিষ্ট জিন বয়ঃসন্ধিকালে বেশি সক্রিয় থাকে, এর ফলে কিশোর–কিশোরীদের শর্টস বা রিলসে আসক্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি।


১. বদলে যেতে পারে পুরস্কার গ্রহণের অভ্যাস

যেসব রিল বা শর্টসে দৃশ্য দ্রুত পরিবর্তন হয় বা যা আমাদের আবেগকে নাড়া দেয়, সেগুলো মস্তিষ্ককে একরকম ‘পুরস্কৃত’ করে। একে বলা যেতে পারে মস্তিষ্কের ‘রিওয়ার্ড সিস্টেম’। মস্তিষ্ক যদি এ ধরনের উদ্দীপনায় অভ্যস্ত হয়ে পড়ে, তাহলে সে এ রকম ‘পুরস্কার’ আরও চাইতে শুরু করে। ফলে ভিডিও দেখার আসক্তি বাড়ে।


২. মনোযোগ হ্রাস

আমাদের মস্তিষ্কের ‘প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স’ অংশটি পরিকল্পনা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ছোট ছোট ভিডিও বেশি দেখলে এই অংশের কার্যক্ষমতা কমতে পারে, ফলে ভিডিও দেখা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে যায়। ফলে পরিকল্পনা করা কঠিন বলে মনে হয়।


৩. তথ্য গ্রহণের ধরন বদলে যেতে পারে

মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে ছোট ভিডিও ও খণ্ডিত তথ্যের সঙ্গে মানিয়ে নিতে অভ্যস্ত হয়ে যেতে পারে। এর ফলে দীর্ঘ ও জটিল বিষয়ে মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হতে পারে এবং ধীরগতির তথ্য প্রক্রিয়াকরণেও সমস্যা দেখা দিতে পারে।


৪. আবেগ নিয়ন্ত্রণের সমস্যা হতে পারে

অনেকে নেতিবাচক আবেগ, যেমন দুঃখ বা ঈর্ষা থেকে বাঁচতে শর্টস বা রিল দেখে, যা স্বল্প মেয়াদে কাজ করলেও দীর্ঘ মেয়াদে নেতিবাচক আবেগ আরও বাড়িয়ে দেয়।

সব মিলিয়ে গবেষণা বলছে, স্বল্পদৈর্ঘ্যের ভিডিওর কিছু ইতিবাচক দিক থাকতে পারে, তবে অতিরিক্ত দেখলে অভ্যাসগত পরিবর্তন আসা স্বাভাবিক। আবার এ ধরনের অভ্যাস সবার ওপর একই রকম প্রভাব ফেলবে, তা-ও নয়। ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্য ও ব্যবহারের ধরন অনুযায়ী ফল আলাদা হতে পারে।


এ বিষয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন, তবে সচেতন থাকাটা জরুরি, বিশেষ করে কিশোর–কিশোরীদের জন্য।

সূত্র : ডেভ ইউএ

সংসারের টুকিটাকি কিছু  টিপস জেনে নিন-

 সংসারের টুকিটাকি কিছু  টিপস জেনে নিন-


১। সাদা মোজা ধোয়ার জন্য গুড়া সাবানের সঙ্গে ১ চা চামচ সাদা সিরকা মিশিয়ে নিন। এতে মোজা যেমন সাদা হবে তেমনি মোলায়েম থাকবে।


২। ওয়াশিং মেশিনে কাপড় ধোয়ার সময় ওয়াশিং পাউডারের সঙ্গে ১ চামচ বরিক পাউডার মিশিয়ে দিন। এতে ধোয়ার পর কাপড় সব একসঙ্গে জট পাকাবে না।


৩। সাদা কাপড় থেকে হালকা কোন দাগ তোলার জন্য কাপড় ধোয়ার পর ২টি পাতি লেবুর রস আধা বালতি পানিতে মিশিয়ে ভিজা কাপড় ডুবিয়ে দিন। ১০ মিনিট পর তুলে না নিংড়ে মেলে দিন।


৪। বলপেনের দাগ কাপড় থেকে তুলতে চাইলে কাচা মরিচের রস ঘষে ঘষে দাগের ওপর লাগিয়ে শুকিয়ে নিন। তারপর গুঁড়া সাবান দিয়ে কাপড় ধুয়ে নিন। দাগ চলে যাবে।


৫। তেল চিটচিটে তাক বা কাঠের র‍্যাক পরিষ্কার করা জন্য ১ কাপ পানিতে ১ চা চামচ সরিষার তেল মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ মসলিনের কাপড় দিয়ে ঘষে ঘষে মুছে নিন। তাকগুলো চমৎকার হয়ে উঠবে।


৬। ওয়াশ বেসিন বা সিল্ক বেসিন পরিষ্কার করার জন্য খানিকটা ফ্ল্যাট সোডা যেমন কোক-পেপসি ইত্যাদি ঢেলে দিন। ৫ মিনিট পর মুছুন। দেখুন কেমন নতুনের মত চকচকে হয়ে উঠেছে।


৭। হাঁড়ি-পাতিল থেকে পোড়া ও কালো দাগ তোলার জন্য সিরিষ কাগজে গুঁড়া সাবান লাগিয়ে ঘষুন। তারপর ধুয়ে নিন। পোড়া দাগ চলে যাবে।


৮। পুরোনো হাঁড়ি থেকে তেল কালির দাগ তোলার জন্য চা পাতা বা কফি দিয়ে ঘষুন। দেখবেন দাগ চলে যাবে।


৯। মশা, মাছি ও পিপড়ার উপদ্রব থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ঘর মোছার পানিতে সামান্য ডিজেল মিশিয়ে নিন। উপদ্রব বন্ধ হয়ে যাবে।


১০। ঘরের মেঝে বা যেকোন মোজাইক পরিষ্কার করার জন্য পানিতে কেরোসিন মিশিয়ে নিন ও এই পানি দিয়ে ঘর মুছে নিন। এতে মেঝে চকচক করবে।


১১। রান্নাঘরের কেবিনেট বা কাউন্টার যদি মার্বেল পাথরের হয় তাহলে পরিষ্কার করার জন্য খাবার সোডা পানিতে গুলে রাতে লাগিয়ে রাখুন। সকালে পানিতে সাদা সিরকা মিশিয়ে কাপড় দিয়ে মুছে নিন। সব দাগ চলে যাবে।


১২। রান্নাঘর থেকে পোড়া বা যেকোন গন্ধ দূর করতে চাইলে একটি পাত্রে কিছুটা সিরকা চুলায় চাপান। শুকান অবধি জ্বাল করুন।


১৩। বারান্দা বা জানালার গ্রিল পরিষ্কার করার জন্য প্রথমে শুকনা কাপড় দিয়ে মুছে নিন। তারপর আধা কাপ কেরোসিন তেলের সঙ্গে সরিষার তেল মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ তুলোয় দিয়ে লাগিয়ে নিন। এতে গ্রিলে ময়লা বা জং লাগবে না।


১৪। বাসনকোসনে কোন কিছুর কষ লাগলে টক দই বা দুধের সর দিয়ে ঘষে ধুয়ে নিলে দাগ দূর হয়ে যাবে।


১৫। চিনেমাটির পাত্রে দাগ পড়লে লবণ পানি দিয়ে সহজেই পরিষ্কার করা যায়।


১৬। নারকেল ভাংগার পূর্বে কিছু সময় পানিতে ভিজিয়ে রাখলে নারকেলটি সমান দু'ভাগে ভেঙে যাবে।


১৭। সেদ্ধ ডিমের খোসা তাড়াতাড়ি এবং ভাল ভাবে ছাড়াতে চাইলে ফ্রিজের ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।


১৮। পাটালী গুড় শক্ত রাখতে চাইলে গুড়টি মুড়ির মাঝে রাখুন।


১৯। আদা টাটকা রাখার জন্য বালির মাঝে রেখে দিন।


২০। ঘি-এ সামান্য লবণ মিশিয়ে রাখলে অনেকদিন পর্যন্ত ভালো থাকবে।


২১। বিস্কুট টাটকা এবং মচমচে রাখার জন্য কৌটার মাঝে এক চামুচ চিনি অথবা ব্লটিং পেপার রেখে দিন।


২২। অপরিপক্ক লেবু থেকে রস পাওয়ার জন্য ১৫মিনিট গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।


২৩। রান্না তাড়াতাড়ি করার জন্য মসলার সাথে ক'ফোটা লেবুর রস মিসিয়ে দিন, দেখবেন সবজি তাড়াতাড়ি সেদ্ধ হয়ে যাচ্ছে।


২৪। সবজির রঙ ঠিক রাখতে ঢাকনা দিয়ে জ্বাল না দেয়াই ভালো। আর কিছু সবজি আছে যেগুলো সামান্য সেদ্ধ করে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললেও রান্নার পরও রঙ ঠিক থাকে।


২৫। কড়াইতে গরম তেলে কিছু ভাজার সময়, যা দেবেন তার সঙ্গে সামান্য লবন দিল। তাহলে আর তেল ছিটবেনা।


২৬। খেজুরের গুড় দিয়ে পায়েস করতে গিয়ে অনেক সময় দুধটা ফেটে যায়। দুধ ঘন হয়ে গেলে নামিয়ে একটু ঠান্ডা করে তারপর গুড় মেশাবেন। ভালো করে নেড়ে আবার কিছুটা ফুটিয়ে নেবেন, দুধ ফাটবে না।


২৭। চিনেবাদাম ও কাজুবাদাম তেলে ভেজে পরে রান্নায় ব্যবহার করুন। খাবারের স্বাদ বাড়বে।


২৮। সেমাই বা মিষ্টিজাতীয় খাবারে অনেকে বাদাম ব্যবহার করেন। বাদামে যদি তেল মেখে পরে তাওয়ায় ভাজেন তাহলে তেল কম লাগবে। নয়তো শুকনো ভাজতে গেলে তেল বেশি লাগবে।


২৯। ওল, কচু অথবা কচুশাক রান্না করলে তাতে কিছুটা তেঁতুলের রস বা লেবুর রস দিয়ে দিন। তাহলে খাওয়ার সময় গলা চুলকানোর ভয় থাকবে না।


৩০। কেক বানাতে যদি ডিমের পরিমাণ কম হয়, তার বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন কর্নফ্লাওয়ার।


৩১। অনেক সময়ই তাড়াতাড়ি স্যুপ রান্না করতে গিয়ে তা পাতলা হয়ে যায়। তখন দুটো আলু সেদ্ধ করে স্যুপে মিশিয়ে ফোটালে স্যুপ ঘন হবে।


৩২। আলু ও ডিম একসঙ্গে সেদ্ধ করুন। দুটো দুই কাজে ব্যবহার করলেও সেদ্ধ তাড়াতাড়ি হবে।

খামার করার আগেই ঠিক করবেন আপনার খামার কোন ক্যাটাগরির হবে।

 খামার করার আগেই ঠিক করবেন আপনার খামার কোন

ক্যাটাগরির হবে।


১। দুধের খামার।

২। মোটাতাজাকরন ।

৩। বাছুর উৎপাদন।

এই তিনটা থেকে আপনি কোন টা করবেন একটু ভাবুন।

১। আপনার খামার যদি শহরের আশপাশে হয়।

আপনার এলাকায় যদি দুধের দাম ৫০ টাকা +হয়(প্রতি লিটার)

তাহলে আপনি ফ্রিজিয়ান অথবা জার্সিছ ১৫/১৬ লিটার দুধের গাভি দিয়ে শুরু করতে পারেন। উন্নত জাতের দুধের গাভী পালন করতে হলে আপনাকে প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে এবং সঠিক সেবা যত্ন করা সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। পর্যাপ্ত পরিমাণ কাঁচা ঘাসের চাষ করতে হবে।

২। মোটাতাজাকরন এটি আপনি ৩ মাস ৬ মাস ১ বছর  মেয়াদে করতে পারেন।চাইলে ষাঁড় গরু দিয়ে করতে পারেন শাহিওয়াল সিন্ধি ব্রাহমা ফ্রিজিয়ান ক্রস জাতের গরু দিয়েও করতে পারেন।

অথবা দেশি ক্রস শুকনা গরু দিয়েও করতে পারেন। দেশি গরু দিয়ে করলে তিন মাস মেয়াদি করতে হবে।

৩। বাছুর ‌উৎপাদন-আপনার এলাকা যদি গ্রামে হয় ।

আপনার এলাকায় যদি দুধের দাম কম হয়।

আপনি বাছুর উৎপাদন করতে পারেন।

বাছুর উৎপাদন করার জন্য কিনবেন দেশীয় বা শাহিওয়াল জাতের লম্বাচওড়া জাতের দেশীয় হলে ২০ মাস বয়সের আর শাহিওয়াল হলে ১৩ - ১৪ মাসের বকনা।

এই বকনা গুলো হিটে আসলে শাহিওয়াল বীজ দিবেন।

এই বকনা গুলো গাভী হলে যা দুধ পাবেন তা দিয়ে বাছুরকে একটু বেশি দুধ খাইয়েও দুধ বিক্রি করে গাভীর খরচ ও রাখাল খরচ ওঠবে।

বকনা না কিনে আপনি প্রেগন্যান্ট গরু কিনতে পারেন যেগুলো তিন থেকে পাঁচ লিটার দুধ দিতে পারে এরকম গরু গুলো কিনে প্রেগন্যান্ট অবস্থায় পালন করে বাচ্চা দেয়ার পরে বাছুর বড় হলে বিক্রি করে দিতে পারেন।

আপনি ঠিকমতো মা ও বাছুর লালন পালন করতে পারলে পেতে পারেন একটি ভালো মানের বাছুর।

বাছুরটা যদি হয় ষাঁড় তাহলেতো সোনার হরিণ হাতে পেয়ে গেলেন ইনশাআল্লাহ।

লেখা গুলো ভালো লাগলে পেইজটাকে ফেলো দিয়ে রাখতে পারেন।


সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ ২২-০২-২০২৫ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ ২২-০২-২০২৫ খ্রি:।

 

আজকের শিরোনাম:


নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে গভীর শ্রদ্ধায় ভাষা শহীদদের স্মরণ করলো জাতি।


আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও অমর একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের ফুলেল শ্রদ্ধা জানালেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা।


সকল মাতৃভাষার উন্নয়ন ও সংরক্ষণের জন্য সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ - বললেন ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস।


সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা এবং সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে যৌথ পরিদর্শন ব্যতিরকে স্থাপনা নির্মাণ না করতে সম্মত বাংলাদেশ-ভারত।


মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজা পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যাত - এটি সহিংসতার আঞ্চলিক চক্রকে স্থায়ী করবে - মন্তব্য আরব নেতাদের। 


করাচিতে আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে আফগানিস্তানকে ১০৭ রানে পরাজিত করলো দক্ষিণ আফ্রিকা - লাহোরে আজ ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে অস্ট্রেলিয়া।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ:  ২০-০২-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ:  ২০-০২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে গভীর শ্রদ্ধায় ভাষা শহীদদের স্মরণ করলো জাতি।


আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও অমর একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের ফুলেল শ্রদ্ধা জানালেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা।  


সকল মাতৃভাষার উন্নয়ন ও সংরক্ষণের জন্য সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ --- বললেন ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস।


বাংলায় ধর্মীয় মূ্ল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় হাজী শরীয়তুল্লার অবদান অবিস্মরণীয় --- বললেন ধর্ম উপদেষ্টা ।


ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজা নিয়ন্ত্রণ পরিকল্পনার বিরুদ্ধে উপায় খুঁজে বের করতে আরব নেতারা সমবেত হয়েছেন রিয়াদে।


এবং করাচিতে আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৩১৬ রানের জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করছে আফগানিস্তান।

শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব হয়েছে কিনা যেভাবে বুঝবেন

 💥 শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব হয়েছে কিনা যেভাবে বুঝবেন: ক্যালসিয়ামের গুরুত্ব শরীর গঠনের জন্য অনেক। ক্যালসিয়াম শরীরের হাড় মজবুত করতে জরুরী। কেটে গেলে রক্ত জমাট বাঁধতে সহায়ক। এটি শরীরের বিকাশ ও মাংশপেশী গঠনে প্রয়োজন।


ক্যালসিয়াম প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায় দুগ্ধজাত খাবারে। যেমন দুধ, চিজ, দই, সামুদ্রিক খাবারে এবং সবুজ সবজিতে। বর্তমানে আমরা সবাই অস্বাস্থ্যকর খাবার, জাঙ্ক ফুড, পিঁজা, ভাজাভুজি, বার্গার এবং তেলেভাজা নিয়ে মেতে উঠেছি যা পুষ্টি নষ্ট করছে।


ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেল্থ প্রস্তাব দিয়েছে যে পুরুষ ও মহিলা সবারই প্রতিদিন ১০০০ MG করে ক্যালসিয়াম দরকার।ক্যালসিয়ামের অভাবে আমাদের শরীরে যে মারাত্মক প্রভাব পড়ে বা যে লক্ষণগুলো দেখা তা হলোঃ-


১। পায়ে খেঁচুনি ধরাঃ যদি আপনারা আপনাদের পায়ে খেঁচুনি ধরা অনুভব করেন, তাহলে এটা ক্যালসিয়ামের অভাবের প্রথম লক্ষণ। এর প্রতিকারে আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে যে আপনার রোজকার খাবারে যথেষ্ট ক্যালসিয়াম রয়েছে। তাছাড়া, ক্লেভেলান্ড ক্লিনিক বলেছে যে শোয়ার আগে পা প্রসারিত করুন তাতে ব্যথা কিছু কম লাগবে। এটা কি বিশ্বাস করেন? না করলে একবার চেষ্টা করে দেখুন!


২। দাঁতের গর্তঃ আগের চেয়ে দাঁতের গর্ত বাড়ছে? শুধু মিষ্টিকে দোষ দেবেন না। যখন আমাদের শরীর খাবার থেকে যথেষ্ট ক্যালসিয়াম পায় না, এটি অন্যান্য উৎস থেকে খোঁজে, যেমন আমাদের দাঁত।


৩। অসাড় অবস্থাঃ পায়ে খেঁচুনি ধরার মতো ক্যালসিয়ামের অভাবের জন্যে আমাদের হাতের স্প্ল্যাশাল স্নায়ু নষ্ট হয়ে যায়। যদি আপনি আগুলের ওপর অস্থিরতা বা ঝলকানি সংবেদন অনুভব করেন তাহলে এখুনি ক্যালসিয়ামের পরিমাণ পরীক্ষা করান।


৪। ভঙ্গুর নখঃ দাঁত ও শরীরের মতো নখেও ক্যালসিয়াম থাকে। অতএব, একটি ক্যালসিয়াম-অনাহারী শরীর পুষ্টির জন্য সেখান থেকে ক্যালসিয়াম নেবে। এটার জন্যে আমাদের নখ ভঙ্গুর হয়ে যায়, যদি না আমরা বেশি ক্যালসিয়াম গ্রহণ না করি।


৫। ঘুমের অসুবিধাঃ মেডিকেল তথ্য আনুসারে ক্যালসিয়াম সেরোটোনিন তৈরি করতে সাহায্য করে, যা কিনা ঘুমের জন্যে দায়ি। যখন আপনি গভীর ঘুমে যান, তখন আপনার ক্যালসিয়ামের লেভেল বেড়ে যায়। সুতরাং যদি আপনি রাতে কম ঘুমান তাহলে আপনার শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব বাড়বে।


৬। বাজে অঙ্গ বিন্যাসঃ কম ক্যালসিয়াম মানে, দুর্বল হাড় এবং দুর্বল হাড় মানে দুর্বল শরীর। আপনার শরীর এই দুর্বলতার জন্যে জবুথবু হয়ে যাবে। এই বাজে অঙ্গ-বিন্যাসের জন্যে পিঠে ও কাঁধে ব্যাথা বাড়বে।


৭। হৃদরোগের আক্রমণঃ জৈবপ্রযুক্তি জাতীয় কেন্দ্র বলছে যে ক্যালসিয়াম পেশী সংকোচন এবং নিউরোট্রান্সমিটার রিলিজ দরকারি। সুতরাং ক্যালসিয়ামের অভাব হৃদরোগের আক্রমণের কারন হতে পারে।


৮। স্মৃতিশক্তি হ্রাসঃ রিমোট কোথায় মনে করতে পারছেন না? ক্যালসিয়ামের অভাবের জন্যে স্নায়বিক উপসর্গগুলি হয় যেমন স্মৃতিশক্তি হ্রাস ও ভুলে যাওয়া।


অনেক খাবার রয়েছে যেগুলো নিয়মিত খেতে পারলে শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি মিটিয়ে হাড় মজবুত করবে! আসুন এ বিষয়ে সবিস্তারে জেনে নেওয়া যাক…


১. মজবুত হাড় পেতে নিয়মিত ব্রোকলি খেয়ে যেতে পারেন। ক্যালসিয়ামে ভরপুর এই সবজিটি শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে।


২. টক জাতীয় ফল হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। কমলালেবু, বাতাবি লেবু, পাতিলেবুর মতো যে কোন লেবুতেই থাকে ভিটামিন সি আর সাইট্রিক অ্যাসিড যা শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে।


৩. শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি মেটাতে সয়াবিন খুবই উপকারি! এক কাপ (১০০ গ্রাম) সয়াবিনে প্রায় ১৭৫ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে। তাই নিয়মিত সয়াবিন খান। উপকার পাবেন।


৪. শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণে নিয়মিত ঢেঁড়স খেয়ে দেখুন। ৫০ গ্রাম ভেন্ডি বা ঢেঁড়সে প্রায় ১৭২ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে।


৫. কাঠ বাদামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম। এক মুঠো (১০০ গ্রাম) কাঠ বাদামে প্রায় ২৬৬ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম রয়েছে। তাই শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দ্রুত পূরণ করতে প্রতিদিন খেতে পারেন এক মুঠো কাঠ বাদাম।


৬. শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি মেটাতে তিলের বীজ খুবই উপকারী! কারণ তিলের বীজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম। ১০০ গ্রাম কাঁচা তিলের বীজে ১ হাজার মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম রয়েছে।

#dailylife #highlight #healthtips #Bangladesh #follower #everyone #followers #highlights #viralpost

বাংলা ভাষাকে রক্ষা করেছিলেন ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বখতিয়ার খিলজি

 হাজার বছর আগে বাঙ্গালি জাতির মুখের ভাষা ‘বাংলা’কে কেড়ে নিয়েছিলো দক্ষিণ ভারত থেকে আগত সেন রাজারা। সেন রাজাদের হিন্দু পণ্ডিতরা ফতওয়া জারি করেছিলো, “যারা বাংলা ভাষা বলবে ও শুনবে তারা ‘রৌরব’ নামক নরকে যাবে।” ঐ সময় তুর্কি বংশোদ্ভূত ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খিলজী নির্যাতিত বাঙালীদের মুক্ত করতে এগিয়ে আসেন এবং ১২০৪ সালে মাত্র ১৮ জন ঘোড়সওয়ারী নিয়ে সেন রাজাকে পরাজিত করে বাংলাকে স্বাধীন করেন। বক্তারা বলেন, ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খিলাজীর বাংলা বিজয়ের মাধ্যম দিয়ে সেইদিন শুধু ভূমির বিজয় হয়নি, সাথে মুক্ত হয়েছিলো বাঙ্গালীদের মুখের ভাষা ‘বাংলা’।


ভাষাবিদ দীনেশ চন্দ্র সেন বলেন, “মুসলমান সম্রাটগণ বর্তমান বঙ্গ-সাহিত্যের জন্মদাতা বললে অত্যুক্তি হয় না। বঙ্গ-সাহিত্য মুসলমানদেরই সৃষ্ট, বঙ্গ-ভাষা বাঙালি মুসলমানের মাতৃভাষা।” অধ্যাপক ও গবেষক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, “যদি বাংলায় মুসলিম বিজয় ত্বরান্বিত না হতো এবং এদেশে আরো কয়েক শতকের জন্য পূ্র্বের শাসন অব্যাহত থাকতো, তবে বাংলা ভাষা বিলুপ্ত হয়ে যেত এবং অবহেলিত ও বিস্মৃত-প্রায় হয়ে অতীতের গর্ভে নিমজ্জিত হতো।”


মধ্যযুগে মুসলিম শাসকদের রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলা ভাষার যে সাহিত্য চর্চা শুরু হয়, তার মাধ্যমে বাংলা ভাষা একটি পরিপূর্ণ ভাষা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার যোগ্যতা অর্জন করে।


বাংলা ভাষাকে কলুষিত করার চেষ্টা পরবর্তীতে যুগে যুগে আরো হয়। ১৮শ’ সনে ব্রিটিশরা কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠা করে বাংলা ভাষার আরবী ও ফারসী শব্দ বাদ দিয়ে সংস্কৃত শব্দ প্রবেশের উদ্দেশ্যে সাহিত্য চর্চা শুরু করে। তারা দেখাতে চায়, “বাংলা ভাষার সাথে মুসলমানদের কোন সম্পর্ক নেই”।


মুসলিমদের হেয় প্রতিপন্ন করতে প্রচার করা হয়, বাংলা ভাষায় প্রথম কুরআন শরীফ অনুবাদ নাকি গিরিশ চন্দ্র সেন করেছে। অথচ ১৮৮৬ সালে গিরিশ চন্দ্র সেনের অনুবাদের বহু পূর্বে ১৮০৮ সালে বাংলা ভাষায় কুরআন শরীফের আংশিক অনুবাদ করেন মাওলানা আমীরুদ্দীন বসুনিয়া। এরপর ১৮৩৬ সনে মৌলভী নাঈমুদ্দীন পূর্ণাঙ্গ কুরআন মাজীদের বাংলা অনুবাদ সম্পন্ন করেন। অথচ এ ইতিহাস প্রচার করা হয় না।

ফেইসবুক গল্প

 গদাধর বাবু দীর্ঘদিন স্কুলে শিক্ষকতা করে অবসর নিয়েছেন । পেনশন পান। ওতে স্বামী স্ত্রীর ভালো ভাবেই চলে যায়। উনি কলকাতায় একটি সুন্দর ফ্ল্যাট কিনেছেন,,এখন ওখানেই থাকেন। ছেলে মেয়েরা বাইরে থাকে। সুপ্রতিষ্ঠিত।

              গদাধর বাবুর গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার খুব ইচ্ছে হল,,,সেইমত গোছগাছ করে ফেললেন,, কিন্তু,ওনার চিন্তা হল,, এতদিন ফ্ল্যাটটা ফাঁকা পড়ে থাকবে,,,যদি চোর ঢোকে,,টাকাপয়সা,সোনার গহনা তো কিছু পাবে না,তখন যদি জিনিষপত্র তছনছ করে দেয়, নষ্ট করে দেয়,, তাতে ও তো অনেক ক্ষতি! অনেক ভেবে উনি একটি উপায় বের করলেন। 

               সেন্টার টেবিলের উপর দুটি ৫০০ টাকার নোট পেপার ওয়েট চাপা দিয়ে রেখে দিলেন,, সঙ্গে একখান চিঠি,,,

" সম্মানীয়,চোর সাহেব,,

                      আমি কিছু দিনের জন্য আমার গ্রামের বাড়িতে যাইতেছি।  ইত্যবসরে,  আপনি যদি দয়া করিয়া আমার ফ্ল্যাটে পদার্পন করেন,,তো আপনার দুঃখ  হইতে পারে,,কারন, টাকা কড়ি,সোনাদানা কিছুই পাইবেন না,,,কারন,আমি একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক, সামান্য কিছু পেনশন পাই,তাহাতেই সংসার চালাই,,, আপনার কঠোর পরিশ্রম ফলপ্রসূ না হওয়ায়  দুঃখ  হইবে,সেটা প্রচন্ড রাগ,রোষে পরিণত হইতে পারে,আর রাগের মাথায় আমার কষ্টার্জিত জিনিষপত্র ভাঙচুর করিয়া ফেলা খুবই স্বাভাবিক। তাই, সামান্য উপহার হিসেবে ১০০০ টাকা রাখিয়া গেলাম, আর ফ্রিজে একটি ব্রিটানিয়া কেক এবং একটি বিয়ারের বোতল রাখিয়া গেলাম,, আপনার কঠোর পরিশ্রমের ফলে ক্ষুধা লাগিলে খাইয়া  লইবেন।

            তবে, আমি আপনাকে কিছু টিপস্ দিতেছি,,,স্কুলে অসংখ্য ছাত্র দের অদ্যাবধি অনেক টিপস্ দিয়াছি,,তারা এখন সব বিশাল ব্যক্তি হইয়া গিয়াছে, আপনার ও  আশা করি কাজে লাগিবে,,,

১নং ,   আমার ফ্ল্যাটের মুখোমুখি  সি ব্লকের ৬                                                      তলায় রমেশ বাবু থাকেন,ওনার একটি ছোট দোকোন  ছিল,,এখন 

              উনি মিনিষ্টার,,,প্রচুর টাকার মালিক।

২নং,,,উহার  ৫ তলায় সুরেশ বাবুর  

           হাওলার ব্যবসা,,লাখ লাখ টাকার

            কারবার।

৩নং,,,  ওহার পাশে সি ব্লকের  ৪ তলায়  হেলারাম

            বাবু কারখানার মালিক,

৪নং,,,,,উহার নীচে পাচুবাবুর তেজারতির ব্যবসা

            টাকার কমি নাই।

এইসব বাড়ি গুলি আপনি পরিদর্শন করিতে পারেন,,,,আপনার পরিশ্রম বিফল হইবে না,, তাছাড়া ওনারা কেউই ইডি, সিবিআই এর ভয়ে পুলিশে খবর দিবেন না,,,সে বিষয়ে আপনি নিশ্চিন্ত থাকিতে পারেন।"

      ব্যস,চিঠি লেখা শেষ, চিঠিটি টাকার সঙ্গে পেপার ওয়েট দিয়ে চাপা দিয়ে রাখলেন এবং খুশী মনে গদাধর বাবু সস্ত্রীক গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন। সেখানে ছোটবেলার বন্ধু দের সঙ্গে জমিয়ে আড্ডা মারলেন,, গ্রামের টাটকা শাকসবজি, পুকুরের টাটকা পোনা মাছ, সকালে খেজুর রস, খেজুর গুড়,পাটালি খেয়ে মাস দুই পর কলকাতায় ফিরে এলেন।

            ফ্ল্যাটে ঢুকেই অবাক,,, কিছুই হয় নি,,সব ঠিকঠাক আছে। হঠাৎ,ডাইনিং টেবিলের দিকে তাকাতেই নজর পড়ল,,, টেবিলের উপর দুটো ৫০০ টাকার বান্ডিল রয়েছে,তার নীচে একখান চিরকুট,,

       " সম্মানীয় মাষ্টার মশাই,

   প্রণাম। আপনার টিপস্ দারুন কাজে লেগেছে,,,ঐ ফ্লাটগুলি পরিদর্শন করে প্রচুর টাকা ও সোনাদানা সংগ্রহ করতে পেরেছি,,এখন পর্যন্ত কোন সমস্যা হয় নি।  তাই,উপঢৌকন হিসেবে এক লাখ টাকা রেখে গেলাম। আর,ফ্রিজে দুটো ব্লাক লেবেল whiskey র বোতল এবং দুকেজি 

Dry fruit এর প্যাকেট রেখে গেলাম।  মাঝে মাঝে এমনি টিপস্ দিলে খুবই বাধিত হব।  আমাদের মত গরীব, পিছিয়ে পড়া,খেটে খাওয়া মানুষদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য আপনি নিশ্চয়ই সচেষ্ট থাকবেন।"

           আপনার কথামত" চোর সাহেব"

                             🙏 নমস্কার নেবেন।

😂😂😂😂😂

✍️ সংগৃহীত

হাসতে থাকুন ভালবাসতে থাকুন আর অবশ্যই কমেন্ট করবেন এবং follow করে পাশে থাকবেন আপনাদের সুস্মিতা 😁😁

#everyone

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...