এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

আমারে নিবা মাঝি লগে? ক্যান মাঝি গোস্বা করো ক্যান!

 আমারে নিবা মাঝি লগে?

ক্যান মাঝি গোস্বা করো ক্যান!


১৯৯৩ সাল ভারতের প্রখ্যাত নির্মাতা গৌতম ঘোষ পরিচালিত যৌথ প্রযোজনার সিনেমা 'পদ্মা নদীর মাঝি'। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত এই সিনেমা বাংলাদেশের অন্যতম কালজয়ী সিনেমা। ছবিটি ভারতেও একাধিক শাখায় জাতীয় পুরস্কার পায়,বাংলাদেশে পায় মোট ৫টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।  কুবের মাঝি চরিত্রে রাইসুল ইসলাম আসাদের অনবদ্য অভিনয় উনাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়,কপিলা চরিত্রে রুপা গাঙ্গুলীও দারুণ অভিনয় করেছেন,প্রথমে এই চরিত্রে অভিনয়ের অফার পান সুবর্ণা মুস্তাফা। তবে সবাইকে চমকে দেন মালা রুপী চম্পা।  তার দক্ষ অভিনয়ে সবাইকে চমকে দেন। যদিও এই চরিত্রে প্রথমে অভিনয়ের কথা ছিল  মমতা শংকরের। আনোয়ারার মেয়ে মুক্তি অভিনয় করেন গোপী চরিত্রে,হোসেন মাঝি হয়ে রুপালী পর্দায় আসেন ভারতের প্রবাদপ্রতিম অভিনেতা উৎপল দত্ত।


জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার: 

১.সেরা চলচ্চিত্র(আশীর্বাদ চলচ্চিত্র)

২.সেরা অভিনেতা(রাইসুল ইসলাম আসাদ) 

২.সেরা অভিনেত্রী(চম্পা) 

৩.সেরা শিল্প নির্দেশক(মহিউদ্দিন ফারুক) 

৪.সেরা রুপসজ্জাকর(আলাউদ্দিন)


১৯৯৩ সালের ১২ ই ফেব্রুয়ারী মুক্তি পায়। 


ছবিতে 'পদ্মা নদীর মাঝি' সিনেমার দৃশ্যে রুপা গাঙ্গুলী,রাইসুল ইসলাম আসাদ ও চম্পা। (লেখাঃ 

হৃদয় সাহা)

১৯৮০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ক্লাসিক বলিউড অ্যাকশন ছবি রাম বলরামের সেটে অমিতাভ বচ্চন, ধর্মেন্দ্র এবং আমজাদ খানকে একসাথে দেখা গিয়েছিল। প্রতিভাবান বিজয় আনন্দ পরিচালিত এই ছবিটি ভারতীয় সিনেমার কিছু বড় নামকে একত্রিত করেছিল, 

 ১৯৮০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ক্লাসিক বলিউড অ্যাকশন ছবি রাম বলরামের সেটে অমিতাভ বচ্চন, ধর্মেন্দ্র এবং আমজাদ খানকে একসাথে দেখা গিয়েছিল। প্রতিভাবান বিজয় আনন্দ পরিচালিত এই ছবিটি ভারতীয় সিনেমার কিছু বড় নামকে একত্রিত করেছিল, যা এটিকে তার সময়ের একটি অত্যন্ত প্রতীক্ষিত মুক্তিতে পরিণত করেছিল। রাম বলরাম ছিল দুই ভাইয়ের রোমাঞ্চকর গল্প যারা দুঃখজনক পরিস্থিতিতে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে কিন্তু পরে তাদের পরিবারকে ধ্বংসকারী দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য পুনরায় একত্রিত হয়।


অমিতাভ বচ্চন, যিনি তার বিশাল পর্দার উপস্থিতি এবং গভীর ব্যারিটোন কণ্ঠের জন্য পরিচিত, তিনি রামের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন, যিনি একজন সাহসী এবং ধার্মিক পুলিশ অফিসার যিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলেন। বলিউডের 'হি-ম্যান' ধর্মেন্দ্র, বলরামের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন, বিদ্রোহী এবং রাস্তার স্মার্ট ছোট ভাই, যিনি আরও আবেগপ্রবণ কিন্তু ন্যায়বিচারের জন্য সমানভাবে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এই দুই অভিনেতার মধ্যে রসায়ন ছিল ছবির সবচেয়ে বড় আকর্ষণগুলির মধ্যে একটি, কারণ তারা ইতিমধ্যেই শোলে এবং চুপকে চুপকে-এর মতো অতীতের ব্লকবাস্টার ছবিতে দুর্দান্ত বন্ধুত্ব ভাগ করে নিয়েছিলেন।


 বলিউডের অন্যতম আইকনিক খলনায়ক আমজাদ খান এই ছবিতে একটি শক্তিশালী নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। শোলে ছবিতে গব্বর সিং-এর কিংবদন্তি চরিত্রের পর, আমজাদ খান তীব্র এবং খলনায়ক চরিত্রের জন্য জনপ্রিয় অভিনেতা হয়ে ওঠেন। রাম বলরাম-এ তার অভিনয় আলাদা ছিল না, কারণ তিনি ছবিতে এক তীব্র হুমকির অনুভূতি এনেছিলেন, যা ভালো এবং মন্দের মধ্যে দ্বন্দ্বকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছিল।


পরিচালক বিজয় আনন্দ তার স্টাইলিশ গল্প বলার, আকর্ষণীয় আখ্যান এবং আকর্ষণীয় সিনেমাটিক কৌশলের জন্য পরিচিত ছিলেন। জনি মেরা নাম এবং গাইডের মতো চলচ্চিত্রের সাথে, তাকে তার সময়ের সেরা পরিচালকদের একজন হিসেবে বিবেচনা করা হত। রাম বলরাম-এ, তিনি অ্যাকশন, নাটক এবং আবেগকে নির্বিঘ্নে মিশ্রিত করেছিলেন, দর্শকদের শেষ অবধি ধরে রেখেছিলেন।


কিংবদন্তি জুটি লক্ষ্মীকান্ত-পেয়ারেলালের সুরে নির্মিত ছবির সঙ্গীত সিনেমার আবেদনকে আরও বাড়িয়ে তুলেছিল। গানগুলি সুরেলা এবং প্রাণবন্ত ছিল, যা ছবির রোমাঞ্চকর আখ্যানকে পুরোপুরি পরিপূরক করে তুলেছিল।  শক্তিশালী সংলাপ, মনোমুগ্ধকর অ্যাকশন সিকোয়েন্স এবং তারকাখচিত অভিনেতাদের সমন্বয়ে, রাম বলরাম একটি স্মরণীয় চলচ্চিত্র হয়ে ওঠে যা এখনও বলিউড প্রেমীদের হৃদয়ে একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে।

সৌজন্যে : Olden Indian Cinema. 

Collected : #jjadda 🥰

বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

ইন্না-লিল্লাহ! কি ভ*য়ং*ক*র সংবাদ দেখুন। আমার আত্মা কেঁপে উঠেছে। ভয়ে কাঁপছি! এটা এড়িয়ে যাবেন কিভাবে?

 ইন্না-লিল্লাহ! কি ভ*য়ং*ক*র সংবাদ দেখুন। আমার আত্মা কেঁপে উঠেছে। ভয়ে কাঁপছি! এটা এড়িয়ে যাবেন কিভাবে?

________

গাইয়ুন ! 

আপনি কি জানেন গাইয়ুন কি ?

ইবনে মাসুদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন গাইয়ুন হল জা*হা*ন্না*মে*র এক অত্যন্ত গভীর ও ভয়ংকর  উপত্যকার নাম । কেন এই উপত্যকা এত ভ*য়ং*ক*র এত জঘন্য ? 

জাহান্নামে মানুষের আকার হবে অনেক বড় । বসা অবস্থায় এক জা*হা*ন্না*মী*র আকার হবে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার ! তার চামড়া এবং মাংস হবে অত্যন্ত পুরু । তার দেহে থাকবে অনেক মাংস । জাহান্নামের আ*গুনে এই মাংস পুড়ে যখন হাড় বেরিয়ে যাবে তখন তা আবার মাংস দিয়ে পূর্ণ করে দেওয়া হবে । দুনিয়াতে আমরা দেখছি মানুষ আ*গু*নে পুড়ে গেলে সেখানে পুঁজ জমে। 

জা*হা*ন্না*মে*র মানুষ বারবার আ*গু*নে পুড়বে আর বারবার পুঁজ জমা হবে । সেই পুঁজ কোথায় গিয়ে জমা হবে জানেন ? তা জমা হবে জাহান্নামের গাইয়ুন উপত্যকায় । কারা থাকবে গাইয়ুনে ? যারা সময় মতো, সঠিকভাবে, নিখুত ভাবে সালাত আদায় করেনি ! 

.__________

সাকার !

আপনি কি জানেন সাকার কি ?

সাকার হল জা*হা*ন্না*মে*র আরেকটি জঘন্য উপত্যকার নাম ।

সাকার হলো তাদের অবস্থান যারা দুনিয়াতে সালাত আদায় করবে না ।

সাকারবাসীদের সম্পর্কে আল্লাহ সুবাহানুওতায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেছেন, 

'আমি দাখিল করব সাকারে । তুমি কি জানো সে সাকার কি ?যা জীবীতও রাখবে না আবার একেবারে মৃত করেও ছাড়বে না । গায়ের চামড়া ঝলসিয়ে দেবে । সেখানে নিয়োজিত আছে ১৯ জন ফেরেস্তা ।‌' (সূরা মুদ্দাসসির:২৬-৩০)

._______

ওয়াইল !

আপনি কি জানেন ওয়াইল কি?

ওয়াইল জা*হা*ন্না*মে*র আরেকটি ভয়ানক উপত্যকা। 

'অতএব ওয়াইল সেসব সালাত আদায়কারীর জন্য যারা তাদের সালাত সম্পর্কে বেখবর।

(সূরা মাউন:০৪-০৫)


সাহাবীদের মতে ওয়াইল এমন একটি জায়গা যেখানে জা*হা*ন্না*মী*দে*র সাপ আর জীবজন্তুরা খেয়ে ফেলবে।তারপর তাদের দেহ পূর্ব অবস্থায় ফিরে আসবে । পুনরায় সাপ আর জীবজন্তুরা তাদেরকে খেয়ে ফেলবে।পুনরায় দেহ ফিরে পাবে। এ চলতেই থাকবে। 

ওয়াইল সম্পর্কে আল্লাহ সুবহানাওতায়ালা আরও বলেছেন,

যখন তাদেরকে বলা হবে নত হও তখন তারা নত হয় না।সেদিন মিথ্যা আরোপকারীদের জন্য ওয়াইল হবে । 

(মুরসালাত:৪৮-৪৯)

আল্লাহ জাহান্নামের কঠিন আজাব থেকে হেফাজত করুন।

আমিন  

~~~(....)~~~


©️ শেয়ার করে দিবেন

#পোস্ট #salafi

টক্সিক মানুষ চিনেন?▫️▫️-- সৎ সঙ্গে স্বর্গ বাস,অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ - ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 টক্সিক মানুষ চিনেন?▫️▫️

আপনার খুব ক্লোজ কেউ আছে, যাকে দেখে মনে হয় সবকিছু ঠিকঠাক, কিন্তু ভিতরে ভিতরে তিনি আপনাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। 


টক্সিক মানুষের উপস্থিতি ধীরে ধীরে আপনার জীবনে বিষের মতো কাজ করে। প্রথমে হয়তো টের পাবেন না,

কিন্তু একটা সময় মনে হবে-আপনার চারপাশটা ভারী,

মনটা ক্লান্ত। হঠাৎ একটা দিন বুঝবেন,এই ভারটা আসলে মানুষেরই তৈরি। 


কিন্তু কীভাবে বুঝবেন যে কেউ টক্সিক?▫️▫️

এমন কিছু আচরণ আছে,যেগুলো যদি লক্ষ্য করেন, তাহলে বুঝতে পারবেন আপনার জীবনের মানুষটি আসলে আপনার জন্য কতটা ক্ষতিকারক। চলুন, টক্সিক মানুষের আচরণগুলো একটু ভালোভাবে বিশ্লেষণ করি।


১. সবকিছুতে খুঁত ধরার অভ্যাস।▫️▫️

টক্সিক মানুষ এমনভাবে সমালোচনা করে,যেন আপনি কিছুই জানেন না,পারেন না। আপনার ভালো কাজেও তারা ভুল খুঁজে পায়। মজার ব্যাপার হলো,এই সমালোচনা মোটেও গঠনমূলক নয়। বরং,তারা আপনাকে ছোট করার জন্যই এটা করে।


২. কথা দিয়ে আপনাকে বেঁধে ফেলে।▫️▫️

তারা এমনভাবে কথা বলে বা কাজ করে যে আপনি নিজের ওপর বিশ্বাস হারাতে শুরু করেন। তারা আপনাকে দোষারোপ করে নিজের সুবিধামতো পরিস্থিতি গড়ে তোলে। সবসময় মনে হবে আপনি তাদের ইচ্ছার ক্রীড়নক হয়ে গেছেন।


৩. আপনাকে সবসময় ভুল প্রমাণ করার চেষ্টা।▫️▫️

তারা আপনার সিদ্ধান্ত বা কাজ নিয়ে সবসময় সন্দেহ প্রকাশ করে। হয়তো আপনি নিশ্চিত ছিলেন একটা বিষয়ে,কিন্তু তাদের কথায় সেটা ভুল বলে মনে হতে শুরু করবে।


৪. তাদের সমস্যার জন্য আপনি দায়ী!▫️▫️

তারা সবসময় ভিকটিম। সব সমস্যার দায় তাদের না,

বরং পৃথিবীর! তারা কখনো নিজের দোষ স্বীকার করবে না,বরং আপনাকেই দায়ী করবে। আপনি সবসময় অপরাধবোধে ভুগবেন।


৫. কথায় কথায় অভিযোগ।▫️▫️

তাদের চারপাশে সবকিছুই যেন খারাপ। সবকিছুতে তারা অভিযোগ করে। এই নেতিবাচক মানসিকতা ধীরে ধীরে আপনার জীবনেও ছাপ ফেলে।


৬. আপনার অনুভূতি নিয়ে খেলা।▫️▫️

তারা কখনোই আপনার সুখ বা দুঃখ নিয়ে ভাবে না। আপনার কষ্ট,আপনার সুখ-কিছুতেই তাদের কিছু যায় আসে না। এমনকি যখন তারা আপনাকে আঘাত করে,

তখনও তাদের মনের কোণায় বিন্দুমাত্র মায়া জন্মায় না।


৭. আপনার ভালো দেখলে অস্বস্তি বোধ করা।▫️▫️

আপনার সফলতা দেখলে তারা কখনোই আনন্দিত হয় না। বরং ঈর্ষান্বিত হয়। আপনার অর্জনকে হালকা করে দেখা,ঠাট্টা করা বা আপনাকে নিচু করার চেষ্টা তারা চালিয়ে যায়।


৮. আচরণে একধরনের দ্বিচারিতা।▫️▫️

একদিন তারা খুব মিষ্টি,আবার পরের দিন হুট করেই দুর্ব্যবহার। এই অস্থিরতা আপনাকে সবসময় একটা মানসিক চাপের মধ্যে রাখে। আপনি বুঝতেই পারবেন না,কখন কীভাবে তাদের সঙ্গে মিশতে হবে।


৯. শুধু নেওয়ার অভ্যাস, কিছুই না দেওয়া।▫️▫️

টক্সিক মানুষের কাছে সম্পর্ক মানে শুধু নেওয়া। তারা আপনাকে ব্যবহার করবে,আপনাকে থেকে সুবিধা নেবে,কিন্তু বিনিময়ে কিছু দেবে না।


১০. আপনার "না"কে গুরুত্ব না দেওয়া।▫️▫️

তারা আপনার ব্যক্তিগত সীমানাকে রেসপেক্ট করে না। আপনার সময়,মতামত বা আরামের কোনো মূল্যই তাদের কাছে নেই।


টক্সিক সম্পর্ক থেকে বের হয়ে আসা সহজ নয়,কিন্তু এটা অত্যন্ত জরুরি। জীবনের প্রতিটা মুহূর্তই মূল্যবান। এমন মানুষের সঙ্গে সময় নষ্ট করার চেয়ে নিজের মানসিক শান্তি এবং সুখকেই প্রাধান্য দিন।


মনে রাখবেন,যারা আপনাকে ভালোবাসে,তারা কখনো আপনাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলবে না।।


---- সৎ সঙ্গে স্বর্গ বাস,অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ ----

হাইব্রিড লম্বা জাতের চমক ঢেঁড়স

 🌺 হাইব্রিড লম্বা জাতের চমক ঢেঁড়স 🎋


☘️  বপন সময়ঃ সারা বছর


☘️ জাতটি হলুদ স্বচ্ছ-শিরা রোগ বা হলুদ মোজাইক রোগ সহনশীল।


☘️ গাছ খাটো আকৃতির এবং উচ্চ তাপমাত্রা ও বৃষ্টিতে ভালোভাবে টিকে থাকে।


☘️ ৪০-৪৫দিনে ফসল সংগ্রহ করা যায় এবং ফলের রঙ সবুজ।


☘️  প্রতিটি গিটে গিটে ঢেঁরস হয়ে থাকে। বাজারে প্রাপ্ত অন্যান্য খাটো জাতের তুলনায় এই জাতের ফলন বেশি।


☘️ ঢেঁড়স তোলার সময় হাতে কাঁটার আঘাত লাগে না তাই ফল তোলা খুব সহজ।


☘️ ফল পরিপক্ক হওয়ার ২-৩ দিন পরেও সতেজ, চকচকে ও কচি থাকে।


#বীজ #seeds #হাইব্রিড #hybrid #ঢেঁরস

তৃপ্তিতে_আসক্ত_নিদ্র🧡 পর্ব________1 কাঠ গোলাপ 2 ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ভাইয়া বলো তুমি আমার সাথে ওসোব করলা । বল না ভাইয়া চুপ করে থেকো না । তুমি কি আমায় করছো । ওটাকে ওসব করা বলে ।(তৃপ্তি)


তৃপ্তির কোন কথার উওর না দিয়ে । নিদ্র আগে নিজের রুমের দরজা লাগালো । তারপর তৃপ্তির কাছে এসে তার দু'হাত তৃপ্তির দু'গালে রেখে তৃপ্তির চোখের পানি মুছে দিলো । তৃপ্তি আবার বললে উঠলোঃ- 


:তুমি কি আমাকে রেপ করলা ভাইয়া । কেন করালা এটা ।(তৃপ্তি)


তৃপ্তির দিকে একটু যুকে তৃপ্তির গোলাপি রাংঙ্গা ঠোঁট দুটোকে নিজের দখলে করে নেয় নিদ্র । তৃপ্তি ঠাই দারিয়ে রয়, তার কোন হেল দোল নেই । তৃপ্তির সভাব কিছু'টা বাচ্চাদের মতো । সব কিছু বুঝে উঠতে তার অনেক সময় লাগে । কিন্তু পরা লেখার বেপারে সিরিয়াস । পরা লেখার বেপারে তাকে কেও কিছু বলতে পারবে না । SSC পাস করে ইন্টার ফাস্ট ইয়ারে ভর্তি হয়েছে তৃপ্তি । তৃপ্তির কোমরে এক হাত রেখে তৃপ্তির শরীরের সাথে নিজের শরীর মিশিয়ে নেয় নিদ্র । কিছু সময় পর হবার পর তৃপ্তির ঠোঁট দু'টো থেকে উঠে এসে নিদ্র । এতপর শক্ত করে নিজের বুকের সাথে জরিয়ে ধরে তৃপ্তিকে নিদ্র ।সদ্র সাওয়ার নেওয়া নিদ্রর বুকে বিন্দু বিন্দু পানি লেগে থাকা লোমশো বুকে নাক ডুকিয়ে তৃপ্তিও জরিয়ে ধরে নিদ্রকে ।


:+বলনা ভাইয়া কাল তুমি কি আমাকে রেপ করছিলে ।(তৃপ্তি)


কিছুটা জোরালো কন্ঠে বললো তৃপ্তি । তৃপ্তির মাথার কেশ কালো চুলে চুমু দিয়ে নিদ্র বললোঃ-


:+কে বলছে তোকে । আমি তোকে রেপ করছি ।(নিদ্র)


:+আমার এক ফ্রেন্ড বলছে । কোন মেয়ের সাথে যদি জোর করে কোন ছেলে শারীরিক সম্পর্ক করে ওটাকে নাকি রেপ মানে ধর্ষণ করা বলে ।(তৃপ্তি)


:+হুম এটা সত্য কোন ছেলে যদি জোর করে কোন মেয়ের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে তাহলে ওটাকে রেপ বলে ।(নিদ্র)


:+তাহলে তুমি,,,,,,।(তৃপ্তি)


:+না আমি আমার এই পিচ্চি টাকে আদর করছি।(নিদ্র)


:+এটাকে আদর বলে । আমি অনেক বেথা পেয়েছি না ।(তৃপ্তি)


:+আমি আমার এই পিচ্চি টাকে ওই সময় এমন অবস্থায় দেখে নিজেকে সামলাতে পারিনি । এই পিচ্চি টাযে একটা রসগোল্লা । আর আমি তোকে ওভাবে দেখে নিজেকে সমলাতে পারিনি । তুই যে আমার কলিজার সাথে মিসে আছিস ।(নিদ্র)


:+তোমার কথার আগা গোরা কিছু আমি বুজতেচ্ছি না।(তৃপ্তি)


:+তোকে বুঝতে হবে না ।(নিদ্র)


এই বলে নিদ্র তৃপ্তিকে কোলে তুলে নিলো । এরপর নিজের বেডের উপর এনে শুয়িয়ে দিল ।


 

------------------------------------


:+আরিয়ান ভাই নাকি ।(রনি)


:+হয় ভাই ।(আরিয়ান)


:+এখানে বসে বসে কি করেন ।(রনি)


:+এক ফকিন্নি হারামির জন্য অপেক্ষা করছি।(আরিয়ান)


:+ও আচ্ছা । তো সেকি এসেছে ।(রনি)


:+হুম আসছে।সামনেই দ্বারিয়ে আছে ।(আরিয়ান)


:+হা হা হা । তা ভাই আজ কি গল্প বলবেন।(রনি)


:+আপনি কি রকম গল্প সুনবেন ।(আরিয়ান)


:+একটা রোমান্টিক লাভ ইস্টুরি ।(রনি)


:+ওকেয়ে। (আরিয়ান)


:+অনেক রোমাঞ্জ থাকতে হবে কিন্তু।(রনি)


:+ওকে ওকে।অনেক রোমাঞ্চই থাকবে ।(আরিয়ান)


:+তা গল্পের নাম কি ভাই।(রনি)


:+উমমমমমম।🤔(আরিয়ান)


:+কি ভাবছেন বড় ভাই।(রনি)


:+কিছু না।(আরিয়ান)


:+তো বলেন গল্পের নাম।(রনি)


:+ওকেয়ে । গল্পের নাম 

✅তৃপ্তিতে_আসক্ত_নিদ্র ।(আরিয়ান)


:+বাহহ । ভাই গল্পটা জোস হবে মনে হচ্ছে ।(রনি)


:+জোস হবে কিনা যনি না । আমার পাঠক/পাঠিকারা যদি পছন্দ করে তাহলে তোকে আমি পুরো গল্প'টাই সুনাবো ।(আরিয়ান)


:+ভাই আমার আর তর সইছে না । সুরু করেন গল্প'টা ।(রনি)


:+ওকে। তহলে প্রথম থেকে সুরু করি ।(আরিয়ান)


:+হু হু প্রথম থেকেই সুরু করেন।(রনি)


---------------------------------------


:+মওম আমি যাচ্ছি।(নিদ্র)


:+সাবধানে যাস । আর গিয়ে ফোন করিস।(আমেনা)


:+ঠিক আছে মওম।(নিদ্র)


:+রাস্তায় রেস্টুরেন্টে দুপুরে খেয়েনিস ।(ফরহাদ)


(পরিচয় তো আপনাদের আগেই দিয়ে দিয়েছি । নতুন করে কি আবার দিতে হবে  ফরহাদ / আমেনা নিদ্রর কি হয় । ওকে দিয়ে দিচ্ছি  নিদ্রর বাব মা । এবার গল্পে ফেরা যাক ।)


:+ঠিক আছে পাপা ।(নিদ্র)


:+ঠিক ঠাক ভাবে যেতে পারবি তো ।(আমেনা)


:+কেন আমাকে কি বাচ্চা মনে হয় ।(নিদ্র)


:+না মনে আজ অনেক বছর পরে আমাদের গ্রামের বাড়ি যাচ্ছিস তাই হয়তো একটু টেনশন হচ্ছে ঠিক ভাবে যেতে পারবি কি না । আচ্ছা আমি তোর চাচাকে বলবো তোর জন্য যেন একটু সামনে এগোয় ।(ফরহাদ)


:+হয় আমি তো উনার মেয়ের যামাই আমার জন্য সামনে এগোবে  । চেয়ারম্যান সাহেবের সময়ই হবে না । আর পাপা তুমিও না । এখন আধুনিক যুগ । আধুনিক যুগে কেও হারিয়ে যায় । আর আমি তো নিজেদের গারি নিয়ে যাচ্ছি লোকেশন টেক করে চলে যাবো ।(নিদ্র)


:+হুম হইছে আর আধুনিকতা দেখাতে হবে না । এবার যান লেট হইছে । অনেক দুর যেতে হবে । (আমেনা)


:+ওকে মওম বায়  । বায় পাপা ।(নিদ্র)


:+সাবধানে যাস আর গিয়ে ফোন করিস  । আর রাস্তায় তো আমি ফোন করবোই । গারি সাইড করে ফোন রিসিপ করিস ।(ফরহাদ)


:+ওকে পাপা ।(নিদ্র)


বলে বাসা থেকে গারি নিয়ে বেরিয়ে পরলো নিদ্র । দীর্ধ ১০ ঘন্টা যার্নি করতে হবে তার,,,,,,,।


চলবে,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,


(কপি করা নিশেদ)


তৃপ্তিতে_আসক্ত_নিদ্র🧡

পর্ব________1


কাঠ গোলাপ 2

কাজের বুয়ার কাহিনীঃ

 ✅ কাজের বুয়ার কাহিনীঃ

আমাদের বাসার কাজের বুয়া (৫৪) মাসে ১৭ হাজার টাকা আয় করেন। উনি আমাদের বাসায় সকাল ৯ টায় আসার আগে একটা মেসে রুটি বানান। সেখানে তিনি ভোর ৬ টায় পৌঁছে ৮ টার মধ্যে রুটি বানানো শেষ করে ৯ টার মধ্যে আমাদের বাসায় আসেন। সেই মেস থেকে আমাদের বাসার রিকশা ভাড়া ৪০ টাকা। এই দূরত্ব তিনি হেঁটে হেঁটে আসেন বলেই ৫০ মিনিট লেগে যায়।


-রুটি বানানোর জন্য তিনি মাসিক ২৫০০ টাকা পান ও সকালে নাস্তা সেখানেই করেন।


আমাদের বাসায় ৩টা কাজ করেন- (১) কাপড় ধোয়া (২) ঘর মোছা ও (৩) রাতে ও সকালের ময়লা বাসন কোসন হাড়ি পাতিল ধোয়া। এই ৩ কাজ করতে ওনার ১ ঘন্টা ১০ থেকে ১৫ মিনিট সময় লাগে।

-এই ৩ কাজের জন্য তিনি আমাদের কাছ থেকে ২৩০০ টাকা পান।


এরপরে তিনি চলে যান একটি অফিসে। সেখানে তিনি দুপুরের খাবার রান্না করেন ও সেখানি দুপুরের খাওয়া সেরে নেন। সেখানে তিনি রান্না বাবদ ২৪০০ টাকা (৮ জনের জন্য ৩০০ টাকা করে) বেতন পান। মাসের ১৫/১৬ দিন অফিসের বেঁচে যাওয়া খাবার দিয়ে উনি রাতের খাবার ম্যানেজ করেন। এই খাবার তিনি বাসায় নিয়ে আসেন।


উপরের ৩ কাজ মিলিয়ে ওনার মাসিক বেতন দাঁড়ায় ৭২০০ টাকা ও প্রায় ৩ বেলা খাবারই ফ্রী অর্থাৎ মাসে ১৫ বেলা ওনাকে নিজ খরচে খেতে হয়। এই ১৫ দিন রাতে উনি নিজেই রান্না করেন।


উনি দুপুরে অফিস থেকে ফিরে বাসায় এসে ঠিক ২ ঘন্টা ঘুমান। বিকালে তিনি মাটির চুলা ও অন্যান্য সরঞ্জামাদী নিয়ে বেরিয়ে পড়েন। 


সন্ধ্যার পরে কোন না কোন রাস্তার পাশে ওনাকে পিঠা বানাতে দেখা যায়। কখনো পিঠা, কখনো পেঁয়াজু ইত্যাদি বানিয়ে সেখান থেকে গড়ে ৩০০ টাকা লাভ বের করেন। অর্থাৎ এই ব্যবসা থেকে ওনার আয় হয় মাসে ৯ হাজারের মত। তবে চাঁদাবাজদের ঝামেলা, পুলিশের হয়রানী ও গোলযোগ পূর্ণ আবহাওয়ার কারণে মাঝে মাঝে তিনি ব্যবসা করতে পারেন না।


 বিশেষ করে বর্ষাকালে ওনার ব্যবসা প্রায় বন্ধই থাকে। সে সময় তিনি অবশ্য হোটেলে মশলা বাটার কাজ নেন।


ওনার বিয়ে হয়েছিল ১৬ বছর বয়সে। স্বামী মারা গেছে যখন মেয়ের বয়স ১২ ও ছেলের বয়স ৮। গ্রামে খাবার দাবার না পেয়ে বাচ্চা দুটিকে সাথে করে শহরে নিয়ে এসেছিলেন। ওনার নাতনী এই বছর এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে।


ওনার কথা বলেছি এই কারণে, উনি প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা জমান। সেই জমানো টাকা দিয়ে প্রতি ৩/৪ মাস পর পর ওনার এলাকার জমি কিনেন। আজ এই জমির বায়না তো কাল সেই জমির রেজিষ্ট্রেশন। এরপরে আরেক জমি বন্ধক দিয়েছেন। 


আরেক জমি বন্ধক থেকে ছাড়িয়েছেন। এই কাজ তিনি গত ২৫ বছর ধরে করছেন। ২৫ বছর আগে ওনার আয় কম ছিল, জমির দামও কম ছিল। এখন ওনার আয় বেড়েছে, জমির দামও বেড়েছে।


সম্পূর্ণ খালি হাতে যে মহিলা ২৫ বছর আগে গ্রাম ছেড়েছেন আজ তিনি গ্রামের ৮ বিঘা জমির মালিক। ওনার একটা জমি আছে যেটার মার্কেট প্রাইস এখন ৪৫ লক্ষ টাকা। ২ টা জমি আছে এখন মার্কেট প্রাইস ৩০ লক্ষ টাকা। সেদিন ওনার সাথে হিসাব করে দেখলাম ওনার অর্জিত সম্পদের বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১ কোটি টাকা!!

জিজ্ঞেস করলাম "এত সম্পদ থাকার পরেও এত কষ্ট করেন কেন?"


উনি উত্তর দিলেন "কষ্ট করতে করতে সহ্য হয়ে গেছে। এখন আর বসে থাকতে ভাল লাগে না। এছাড়া একটা সময় আসবে তখন তো আর কষ্ট করা যাবে না, শরীর কুলোবে না। তাই এখন কাজ করি।"

এই মহিলা ২৫ বছর চাকরি+ব্যবসা করে প্রায় ১ কোটি টাকা সম্পদের মালিক হয়েছে অথচ ১৪ বছর চাকরি করে আমি ফইন্নি ফইন্নিই রয়ে গেলাম। হঠাৎ মনে হল, বয়স এখনো শেষ হয় নি। আমাদের বুয়া ২৯ বছর বয়সে স্ট্রাগল শুরু করে এই পর্যায়ে এসেছে। আমারও তো এখনো অনেক সুযোগ রয়েছে। কাজে লাগাই না কেন?

.

লেখা: ফখরুল ইসলাম

#everyone #viral #trending #followers #virals #foryou #follower #trend #Bangladesh #highlight

খেলাঘরে তুমি আমি  #প্রতীপ_চন্দ্র_তিয়াশ  পর্ব--1 (খেলা ঘরে তুমি আমি) ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 শ্যা'লিকার লাল টকটকে ব্লা*উজটা খুলতে খুলতে তাকে জিজ্ঞেস করলাম : 

---তোমার আমাকে মেনে নিতে কোনো আপত্তি নেই তো? 


পারমিতা আমার প্রশ্নের কোনো উত্তর না দিয়ে চুপ করে বসে রইলো,ওরদিকে তাকিয়ে দেখি লজ্জায় মুখটা লাল হয়ে আছে।


---কী হলো,কোনো কথা বলছো না কেনো?


---দুলাভাই আরেকটু সময় দিন আমায়,আমার ভালো লাগছে না কিছুই। 


পারমিতার মুখ থেকে কথাটা শুনে আর এক মূহুর্ত দেরি করলাম না আমি,ব্লা*উজের ফি*তাগুলো বাঁধতে বাঁধতে বললাম 


---তোমার ইচ্ছের বিরুদ্ধে আমি ভুলেও স্পর্শ করবো না তোমায়,এইটুকু বিশ্বাস রাখতে পারো।


--আমি জানতাম আপনি আমার মনের অবস্থাটা ঠিক বুঝবেন দুলাভাই।


---তুমি কি এখনো আমায় দুলাভাই বলেই ডাকবে?দেখো আমি সবকিছু মানতে রাজি,এটা কিন্তু একদম মানবো না।


---দুলাভাই ডাকবো না তো কি ডাকবো,অভ্যাস হয়ে গেছে যে। 


---এই অভ্যাসটাকেই পরিবর্তন করতে হবে,আমি আমি এখন আর তোমার দুলাভাই নই,তা তুমি আমার শ্যা*লিকা।আল্লাহপাকের ইচ্ছেতে আমাদের ভেতরে একটা সম্পর্ক তৈরী হয়েছে।তাই এখন থেকে আমরা দুজন স্বামী স্ত্রী!


---আচ্ছা,আপুর ম*রে যাওয়াটাও কি আল্লাহপাকের ইচ্ছেতে হয়েছে দুলাভাই...সরি অর্ণব...

একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে পারমিতা আমায় প্রশ্ন করে। 


---হয়তো তাই। 


---আপু বেঁচে থাকলে আজকের এই দিনটা দেখতে হতো না,আমি কি পারবো ওর মতো সমস্ত দ্বায়িত্ব পালন করতে? 


---আমি মিথিলার সাথে বিয়ের দিন থেকে তোমায় দেখে আসছি,তোমায় চিনেছি।সেই কারনে আমার যথেষ্ট ভরসা আছে,তুমি নিশ্চয়ই পারবে।


আমি পারমিতাকে আরোও কিছু বলতে যাবো ঠিক তখন একটা শব্দ আমাদের ভেতরে ছেদ সৃষ্টি করে।হ্যাঁ,আমার আর মিথিলার ছেলে সন্তান রিসালাত ঘুম থেকে জেগেই কেঁদে উঠলো।আমাদের ফুলসজ্জার খাট থেকে খানিকটা দূরেই দোলনায় ওকে শুইয়ে রাখা হয়েছিলো।রিসালাতের জন্মের সময়ে ওর মা মিথিলা অর্থাৎ আমার প্রথম পক্ষের স্ত্রী মা রা যায়।এরপর আমার আর মিথিলার পরিবার রিসালাতের দ্বায়িত্ব ওর খালার কাঁধে তুলে দেয়।সেই সূত্রে আজ পারমিতা আমার সদ্য বিবাহিতা স্ত্রী।আমরা পরস্পর বৈবাহিক বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছি।আমি খাট থেকে নামতে যাবো ঠিক তখন পারমিতা আমায় থামিয়ে দিলো।


---অর্নব আপনি বসুন,আমি দেখছি। 


এই বলে পারমিতা গিয়ে রিসালাতকে কোলে তুলে নিলো।পারমিতার কোলের ছোঁয়া পেয়ে আমার ছেলে মূহুর্তেই কান্না ভুলে হাত পা ছোড়াছুড়ির খেলায় মেতে উঠলো।এই দৃশ্য দেখার থেকে আনন্দের আর কি হতে পারে।পারমিতাকে বিয়ে করা নিয়ে আমার মনের ভেতরে আপত্তি থাকলেও আজ মনে হচ্ছে আমি বাবা মায়ের কথা শুনে ভুল করিনি।বিশেষ করে আমার বাবার,উনিই বেশী এই বিয়েটা জোরাজুরি করেছেন আমায়।


আমি আর পারমিতা রিসালাতকে মাঝখানে নিয়ে শুয়ে পড়লাম।


---বাহহহ,পারমিতা।ছেলে তো দেখছি এই কয়দিনে ভালোই চিনে ফেলেছে তোমায়,কোন মন্ত্রে বশ করলে বলো? 


--মায়েদের মন্ত্র দিয়ে বশ করতে হয় না জনাব।তাছাড়া আমার মনে হয় না,মিথিলা আপু ওকে যতোটা মায়ের আদর ভালোবাসা দিতো,আমি তার সিকিভাগও দিতে পারবো।


---আমার তো মনে হয় একটু বেশিই পারবে,আর শুধু ছেলেকে নিয়ে চিন্তা করলে হবে,তার বাবাকে নিয়েও একটু চিন্তা করো। 

এই বলে আমি একটা হাসি দিলাম।


পরেরদিন সকালবেলা।

ঘুম থেকে জেগে দেখতে পাই পারমিতা নেই আমার পাশে।আমার পাশে রিসালাত অঘোরে ঘুমুচ্ছে।পারমিতাকে দুবার ডাক দিলাম,কোনো সাড়াশব্দ এলো না।বোধহয় কিচেনে আছে,তাই আমার শব্দ ওর কানে পৌঁছায়নি।বিছানা থেকে উঠে রুম থেকে বেরিয়ে যাবো ঠিক তখন পারমিতার ফোনটা বেজে ওঠে।আমি প্রথমবার কলটা ইগনোর করি,কিন্তু নম্বরটা থেকে কনটিনিউয়াসলি কল এসেই যাচ্ছিলো।তাই বাধ্য হয়ে রিসিভ করলাম,ঠিক তখন ওপাশ থেকে একটা রুক্ষ কন্ঠস্বর ভেসে আসে। 


---কি ব্যপার পারমিতা?তোমার কথায় আমি তোমার বোনকে অপারেশনের নাম করে মে*রে ফেললাম।এতো বড়ো একটা রিস্ক নিলাম শুধু তোমার জন্যে,সেই তুমি টাকা নিয়ে ঘোরাচ্ছো আমায়...এর ফল কি হতে পারে জানো তুমি? 


লোকটার কথা শুনে আমার পুরো শরীরটা এক ঝটকায় কেঁপে উঠলো,হাত থেকে ফোনটা মেঝেতে পড়ে গড়াগড়ি খেতে লাগলো... 


চলবে...  


গল্পের নাম : খেলাঘরে তুমি আমি

 #প্রতীপ_চন্দ্র_তিয়াশ

 পর্ব--1

(খেলা ঘরে তুমি আমি)

পরকীয়া ঠেকানোর বিরল পথ- 

 পরকীয়া ঠেকানোর বিরল পথ- 😂


মধ্যযুগের ফ্রান্সের একটি শহরের মহিলাদের মধ্যে অদ্ভুত অভ্যাস ছিল।শহরের সকল বিবাহিত মহিলারা তাদের স্বামীর সকালের নাস্তায় সামান্য পরিমানে 

বি* ষের ডো-জ দিয়ে রাখতো। 


আর স্বামী সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে আসলে সঙ্গে সঙ্গে  সেই বি*ষের প্রতিষেধক দেওয়া হতো। এর ফলে স্বামীর শরীরের কোনো ক্ষ*তি হতো না। 


এই অদ্ভুত ও অস্বাভাবিক কাজটি করার কারণ ছিলো, যেনো তারা নিজ গৃহ ছাড়া কোথাও যেন না থাকে, নিজের স্বামীকে কাছে রাখার জন্য মহিলারা এই কাজ করতো। 


যদি তারা বেশি সময় অন্য কোথাও থাকে, তাহলে পুরুষের শেষ পর্যন্ত বমি বমি ভাব, মাথাব্যথা, বিষণ্নতা, বমি, ব্যথা বা শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গের সম্মুখীন হতে শুরু করতো। 


পুরুষ তার স্ত্রীর কাছে অর্থাৎ বাড়ি ফিরতে যত দেরি করবে, সে তত বেশি অসুস্থ হয়ে পড়বে। এবং অবশেষে যখন তিনি বাড়িতে ফিরে আসেন,  স্ত্রী অজান্তেই তাকে সেই বিষের প্রতিষেধক দিতেন।

সংগৃহীত

আমার বিয়ের বয়স আজ প্রায় ১৫ বছর হল! বাচ্চা ৩ টা! ফেইসবুক গল্প

 আমার বিয়ের বয়স আজ প্রায় ১৫ বছর হল! বাচ্চা ৩ টা!

স্বাভাবিকভাবেই ১৫ বছর আগের রূপ যৌবন না থাকারই কথা!

তার উপর বাচ্চাগুলো সিজারিয়ান! তাই এখন আর বউ এর প্রতি আকর্ষণ নাই বললেই চলে!

বউকে এখন বুয়ার মতই লাগে!


সকাল থেকে সবগুলো বাচ্চাকে নাস্তা করাও, স্কুলে পাঠাও, ঘরের বাকী সবার নাস্তা বানাও! এরমাঝে দুপুরে খাবারের মেন্যু ঠিক করো! তারপর দুপুরের রান্না শুরু! এর মাঝে বাচ্চারা স্কুল থেকে আসা শুরু করে! আবার কাউকে নিয়েও আসতে হয়!

দুপুরের খাবারের পর্ব শেষ হতে না হতে আবার বিকেলের নাস্তা!


বাচ্চাদের পড়া, রাতের খাবার, খুচরা বাজার, অসুস্থ সদস্যদের সেবা! এভাবে অনবরত দিনরাত্রি চলে!

আর মিঃ দেখেন যে সব ঠিকঠাকমতো চলছে!

নিজের খেদমত, বাচ্চাদের দেখাশোনা, বাবা মায়ের খেদমত সবই চলছে! শুধুমাত্র সামান্য ব্যত্যয় ঘটলেই সিংহ পুরুষের গর্জন শুরু হয়! একটা সময় মনেই হয়না এই মেয়েটিকে বিভিন্নভাবে পছন্দ করে ঘরে আনা হয়েছে! মনে হয়, ২/৩ টা কাজের মানুষ রাখলেই এই কাজগুলো সঠিকভাবে আঞ্জাম দেয়া যায়!


লাবণ্য হারিয়ে যাওয়া শারীরিক এবং মানসিকভাবে বিপর্যস্ত মহিলাটিকে আর লাস্যময়ী লাগেনা! ঘরের চাইতে বাইরে সময় কাটানোই শ্রেয় মনে হয়! যারা ধর্ম চর্চা করেন, তারা খুঁজে খুঁজে স্বামীর অধিকারের আয়াত এবং হাদীস বের করেন!

কিন্তু স্ত্রী অধিকারের আয়াত ও হাদীস এড়িয়ে চলেন।

কখনো কখনো অসহ্য বেদনায় কষ্ট মুখ দিয়ে উদগীরণ হলে সিংহ পুরুষের হুংকার - বের হয়ে যাও ঘর থেকে,

দরজা খোলা আছে!

শুধু মেয়েটি বলতে পারেনা "আমার ১৫ বছর আগের আমাকে ফেরত দাও।"


নিদারুণ বাস্তবতা থেকে কথাগুলা লিখা।কেমন লাগলো, পড়ার পর প্লিজ কমেন্টে জানাবেন অবশ্যই।

নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন

 নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন 🌺 আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশই অবিশ্বাস্যভাবে সুনির্দিষ্ট এবং জটিল, বিশেষ করে যখন ...