এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ২ মার্চ, ২০২৫

সুপারি মানব দেহের জ

 💊সুপারি মানব দেহের জন্য কতটা ভয়ঙ্কর? কেন সুপারি বর্জন করবেন?


সুপারি আমাদের দেশে অধিকাংশ ক্ষেত্রে পানের সাথেই গ্রহণ করা হয়। অতিথি পরায়ন বাংলাদেশের মানুষের অন্যতম অনুষঙ্গ পান-সুপারি। কিন্তু অনেকে নেশা হিসেবেও সুপারি ব্যবহার করে। 

ভারত, মিয়ানমার, ইন্দোনেশিয়ার পর বাংলাদেশ বিশ্বে চতুর্থ সুপারি উৎপাদনকারী দেশ। কিন্তু স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে সুপারি কোনোভাবে স্বাস্থ্য সম্মত নয় বরং তা মানব দেহের জন্য মারাত্মক হুমকি। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও গবেষকগণ সতর্ক করেছেন।

 সুতরাং সুপারি খাওয়া, চাষাবাদ, বিপণন ও ব্যবসা সম্পূর্ণ বর্জন করা উচিৎ। 

আল্লাহ তাওফিক দান করুন। আমিন।


❑ সুপারি খাওয়ার লাভ-ক্ষতি বিষয়ে লিখেছেন, প্রফেসর কর্নেল ডঃ জেহাদ খান

[হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, ইবনে সিনা হাসপাতাল-ঢাকা]


এ বিষয়ে তার লিখিত আর্টিকেল থেকে অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো:


আমাদের দেশে কটি বিয়ের অনুষ্ঠানও অনেক সময় যেন অর্থহীন হয়ে যায় যদি ভূরিভোজনের পর সেখানে পান সুপারির আয়োজন না থাকে।


পান সুপারি খেলে শরীর কিছুটা গরম হয়, কর্মদক্ষতা ও মনের সতর্কতা বৃদ্ধি পায়। যেমন- একজন ড্রাইভার গাড়ি চালানোর সময় ঘুম পেলে গাড়ি থামিয়ে একটি পান খেয়ে নেন, তাতে তার ঘুম চলে যায়।


পান সুপারি ও রকমারি জর্দার গুণাগুণ নিয়ে কিছু ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান নানা রকম প্রচারণা করে থাকে। এমনকি কোনো কোনো প্রখ্যাত আলেমও এগুলোর মধ্যে অনেক উপকারিতা খুঁজে পেয়েছেন (বেহেশতি জেওর, নবম খণ্ড)। হিন্দু ধর্মের ও বৌদ্ধ ধর্মের কোনো কোনো শাখার কিছু ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পান সুপারির ব্যবহার অপরিহার্য বিবেচনা করা হয়। পান সুপারি সহজলভ্য ও সস্তা। এর ব্যবহারও ব্যাপক। কোনো বৃদ্ধ লোকের দাঁত নড়বড়ে হলে বা না থাকলে পান সুপারিকে হামান দিস্তা দিয়ে গুঁড়ো করে খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। তবুও পান তার খাওয়া চাই। আমার এক আত্মীয়া প্রায় প্রতি ঘণ্টায় পান খান।

কয়েকজন রোগীর সাথে আলাপচারিতায় জানা যায়, তারা সিগারেট ছাড়তে সক্ষম হয়েছেন, কিন্তু পানের নেশা ছাড়তে পারেননি।


পান সুপারির উপকারিতা নিয়ে বৈজ্ঞানিক কোনো গবেষণা হয়নি। এর অপকারিতার ওপর অনেক গবেষণা হয়েছে। পানের সাথে যেসব উপাদান ব্যবহার করা হয় তা হচ্ছে সুপারি, চুন, খয়ের, জর্দা, লবঙ্গ প্রভৃতি। এসব উপাদানের বেশির ভাগই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক।


 ✪ সুপারিতে অ্যারেকোলিন (Arecoline), অ্যারেকাইডিন (Arecaidine), গাভাকাইনসহ (Gavacaine) বেশ কিছু ক্ষারজাতীয় পদার্থ রয়েছে, যা রক্তনালীকে সঙ্কুচিত করে।


 ✪ সুপারিতে অ্যাডরেনালিন আছে। ফলে নিয়মিত ও অতিরিক্ত সুপারি ব্যবহার করলে উচ্চ রক্তচাপ, বুক ধড়ফড় করা, ডায়াবেটিস বেড়ে যাওয়া, হাঁপানি বৃদ্ধি পাওয়া এবং হৃদরোগের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। 


 ✪ আসলে সুপারি প্রতিটি অঙ্গের ক্ষতি করতে পারে। লিভার ইনজুরি, কিডনি রোগ, বিপিএইচ, ইনফার্টিলিটি, হাইপারলিপিডোমিয়া, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া, মানসিক রোগ বৃদ্ধি পাওয়া, দাঁতের মাড়ি ক্ষয় ও দাঁত পড়ে যাওয়া ইত্যাদির সাথে সুপারি জড়িত। গর্ভবতী মায়েদের ক্ষেত্রে অকালে সন্তান প্রসব (Preterm birth), শিশুর ওজন ও উচ্চতা কম হতে পারে। 


 ✪ সুপারির সাথে মেটাবলিক সিন্ড্রোম ও Obesity বা স্থূলতা জড়িত। 

সুপারির সাথে ক্যান্সারের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। 


 ✪ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সুপারিকে কারসিনোজেন (ক্যান্সারের উপাদান) হিসেবে উল্লেখ করেছে। 


 ✪ আন্তর্জাতিক ক্যান্সার গবেষণা সংস্থা (IARC) সুপারিকে ১৯৮৫ সাল থেকে ‘কারসিনোজেন’ হিসেবে গণ্য করে আসছে। 


 ✪ ২০০৯ সালে ৩০ জন বিজ্ঞানী আন্তর্জাতিক ক্যান্সার গবেষণা সংস্থায় নিশ্চিত করেছেন, সুপারিতে ক্যান্সার জীবাণু রয়েছে। 


পৃথিবীর যেসব এলাকায় সুপারি ব্যবহার করা হয়, বিশেষ করে ভারতীয় উপমহাদেশে মুখের ও খাদ্যনালীর ক্যান্সার সবচেয়ে বেশি। এ অঞ্চলে এক লাখ লোকের মধ্যে ২০ জনের এবং সব ধরনের ক্যান্সারের মধ্যে শতকরা ৩০ জনের শুধু মুখের ও খাদ্যনালীর ক্যান্সার হয়ে থাকে। আমারই পরিচিত তিনজন আলেম ছিলেন যারা প্রচুর পান-সুপারি খেতেন এবং তারা মুখের ও খাদ্যনালীর ক্যান্সারে মৃত্যুবরণ করেছেন। 


 ✪ যুক্তরাষ্ট্রের সিডিসি (CDC) নির্ভরযোগ্য, গবেষণাধর্মী প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে মৃত্যুর প্রধান কারণ হচ্ছে ক্যান্সার।


 ✪ সিডিসির তথ্য অনুযায়ী, সুপারির সাথে Oral submucous fibrosis, মুখের ক্যান্সার, নেশা (Addiction), প্রজনন সমস্যা প্রভৃতি জড়িত। 


 ✪ যুক্তরাষ্ট্রের আরেকটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান এফডিএ (ঋউঅ), সুপারিকে বিষাক্ত গাছের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং সুপারিকে চিবানো বা খাওয়ার জন্য নিরাপদ মনে করে না।


লেখক:

কর্নেল অব. অধ্যাপক ডা. জেহাদ খান

এমডি, এমসিপিএস, এফসিপিএস

এফআরসিপি (গ্ল্যাসগো, এফএসিসি (ইউএসএ)

পােস্ট ফেলোশিপ ট্রেনিং ইন কার্ডিওলজি (জার্মান ও ইন্ডিয়া)

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ও কার্ডিওলজিস্ট এক্স ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট, সিএমএইচ, ঢাকা। 

[উৎস: medivoicebd-সংক্ষেপায়িত)


❑ এ ব্যাপারে উন্মুক্ত বিশ্বকোষ উইকিপিডিয়ায় বলা হয়েছে:


◆ “সুপারি একটি ক্ষতিকর ও নেশা উদ্রেককারী দ্রব্য। কিছু লোক শুধু সুপারি কুচি খেয়ে নেশা করে।”


◆ কাচা সুপারি খেলে অনেক সময় মাথা ঘোরে।


◆ কাচা সুপারিতে ০.১-০.৫/ অ্যালকালয়েড থাকে, যার কারণে মাথা ঘোরে।


◆ প্রতি ১০০ গ্রাম সুপারিতে আছে ২৮৯ ক্যালরি শক্তি যোগানোর ক্ষমতা।


◆ 'আন্তর্জাতিক ক্যান্সার গবেষণা এজেন্সী'র মতে, সুপারি এক ধরনের কার্সিনোজেন (বিষ), যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।


◆ সুপারিসহ পান খেলে মুখের ক্যন্সার হতে পারে।


◆ ক্রিমি, রক্ত আমাশয়, অজীর্ণ ইত্যাদি রোগ নিরাময়েও সুপারি উপকারী।


◆ এর রসে এরিকোলিন ইত্যাদি উপবিষ ভারত উপমহাদেশে মুখের ক্যান্সারের একটি অন্যতম কারণ।


◆ কাঁচা সুপারি চিবালে শরীরে গরম অনুভূত হয়, এমনকি শরীর ঘামিয়ে যেতে পারে।


◆ সুপারি খেলে তাৎক্ষণিক যেসব সমস্যা দেখা যায় সেগুলো হল-হাঁপানি বেড়ে যেতে পারে ও হাইপারটেনশন বা রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে।


❑ dhakatribune লিখেছে, ক্যান্সার থেকে বাঁচতে পান-সুপাড়িকে না বলুন। ক্যান্সার গবেষণায় আন্তর্জাতিক সংস্থা আইএআরসি-এর মতে, যারা পানের সাথে তামাকজাতীয় দ্রব্যাদি গ্রহণ করেন তাদের সাধারণের চেয়ে পাঁচগুণ বেশি ওরাল ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা থাকে। 

[dhakatribune]


সংকলক:

 আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানি।


#mohammodali

Lপৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বিখ্যাত ছবি: ‘Bliss’

 📸 পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বিখ্যাত ছবি: ‘Bliss’✨


কম্পিউটার স্ক্রিন খুললেই একসময় চোখে পড়ত সেই চিরচেনা ছবিটি—এক টুকরো শান্ত সবুজ পাহাড় আর নির্মল নীল আকাশ। এই ছবিটি বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের মনের মণিকোঠায় স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে। উইন্ডোজ এক্সপি-র ডিফল্ট ওয়ালপেপার হিসেবে ব্যবহৃত এই ছবি ‘Bliss’ কে পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি দেখা ছবি বলে মনে করা হয়।  

 ছবির পেছনের গল্প:১৯৯৬ সালের একটি সাদামাটা দিন। মার্কিন ফটোগ্রাফার চার্লস ও'রিয়ার ক্যালিফোর্নিয়ার নাপা ভ্যালি এবং সোনোমা কাউন্টি এলাকায় গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছিলেন। হঠাৎই তার চোখে পড়ে একটি অসাধারণ দৃশ্য—মেঘহীন নীল আকাশ, উজ্জ্বল সূর্যের আলোয় ঝলমলে সবুজ ঘাসে ঢাকা পাহাড়। দৃশ্যটি এতটাই মোহনীয় ছিল যে চার্লস আর স্থির থাকতে পারলেন না। তিনি তার Mamiya RZ67 ফিল্ম ক্যামেরা হাতে তুলে নিলেন এবং ক্যামেরার লেন্সে বন্দি করলেন এই মনোমুগ্ধকর দৃশ্য।  চমকপ্রদ ব্যাপার হলো, ছবিটিতে কোনো এডিটিং বা ফটোশপের ছোঁয়া ছিল না। এটি ছিল প্রকৃতির খাঁটি সৌন্দর্যের একটি অবিচ্ছেদ্য মুহূর্ত।  

 ছবির সফর: ওয়েস্টলাইট থেকে মাইক্রোসফট

ছবি তোলার পর চার্লস এটি জমা দেন স্টক ফটো এজেন্সি Westlight-এ। বছর দুয়েক পরে, ১৯৯৮ সালে, মাইক্রোসফট উইন্ডোজ এক্সপির জন্য নিখুঁত ওয়ালপেপারের সন্ধান করছিল। এই ছবিটি তখন তাদের নজরে আসে।  শোনা যায়, মাইক্রোসফট ছবিটির স্বত্ব কিনতে ১ লাখ মার্কিন ডলার খরচ করেছিল। যদিও প্রকৃত লেনদেনের অঙ্ক কখনও প্রকাশ্যে আসেনি।  বিল গেটস এবং তার টিম এই ছবিটিকে উইন্ডোজ এক্সপির ডিফল্ট ওয়ালপেপার হিসেবে নির্বাচিত করেন। পরবর্তী সময়ে এটি শুধু একটি কম্পিউটার ব্যাকগ্রাউন্ড নয়, বরং ডিজিটাল যুগের অন্যতম প্রতীক হয়ে ওঠে। উইন্ডোজ এক্সপি ছিল মাইক্রোসফটের অন্যতম সফল অপারেটিং সিস্টেম। আনুমানিক ১০০ কোটিরও বেশি ডিভাইসে এই ছবি দেখা গেছে।  

 চার্লস ও'রিয়ার এই ছবির পর ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছিলেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, “আমি কখনও ভাবিনি যে এই ছবি পৃথিবীর সবচেয়ে বিখ্যাত ছবি হয়ে উঠবে। এটি যেন এক অলৌকিক মুহূর্ত ছিল।" ‘Bliss’ শুধুমাত্র একটি ছবি নয়, এটি প্রযুক্তি, প্রকৃতি এবং স্মৃতির মেলবন্ধন। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, কখনও কখনও সবচেয়ে সাধারণ মুহূর্তও হয়ে উঠতে পারে ইতিহাসের অংশ।  

আজও, যখন কেউ ‘Bliss’-এর দিকে তাকায়, মনে হয় যেন আমরা এক ঝলক নির্মল প্রকৃতির দিকে তাকিয়ে আছি—যেখানে নেই কোনো ব্যস্ততা, নেই কোনো শব্দদূষণ।  🌿🌤️

স্ত্রীর সঙ্গে যে ১২ বিষয় কখনো শেয়ার করবেন না 🚫🚫

 স্ত্রীর সঙ্গে যে ১২ বিষয় কখনো শেয়ার করবেন না 🚫🚫

স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক গভীর বন্ধুত্বের মতো হলেও কিছু বিষয় আছে, যা সঙ্গীর সঙ্গে শেয়ার করলে তা সম্পর্কের মধ্যে অস্বস্তি বা সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। এখানে এমন অন্তত ১২টি বিষয় তুলে ধরা হলো, যা স্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা না করাই ভালো:


১. আত্মীয়দের গোপন সমস্যা: আপনার আত্মীয়দের কোনো গোপন সমস্যা, যা আপনি জানেন। তাদের অনুমতি ছাড়া শেয়ার করা উচিত নয়।


২. আগের সম্পর্কের কথা: আপনার অতীতের প্রেম বা সম্পর্ক নিয়ে অপ্রয়োজনীয় তথ্য শেয়ার করলে তা বর্তমান সম্পর্কে অবিশ্বাসের জন্ম দিতে পারে।


৩. বন্ধু বা সহকর্মীর ব্যক্তিগত তথ্য: অন্যের ব্যক্তিগত বিষয় আপনার স্ত্রীর সঙ্গে শেয়ার করবেন না। এতে স্ত্রীর সঙ্গে আপনারও সম্পর্কে সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।


৪. অফিসের গোপন তথ্য: আপনার কাজের গোপন কৌশল বা তথ্য শেয়ার করলে তা পেশাগতভাবে সমস্যার কারণ হতে পারে।


৫. অপ্রয়োজনীয় সমালোচনা: তার (স্ত্রী) পরিবারের, বন্ধুবান্ধবের বা পছন্দের কোনো বিষয়ের অতিরিক্ত সমালোচনা করবেন না। এতে স্ত্রীর সঙ্গে আপনার সম্পর্কের অবনতি হতে পারে।


৬. আর্থিক সমস্যা বা ঋণের অবস্থা: আপনার আর্থিক সমস্যা বা ঋণ সম্পর্কিত জটিলতা তাকে অযথা মানসিক চাপ দিতে পারে। তবে কোনো বড় আর্থিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সঙ্গীকে জানানো গুরুত্বপূর্ণ।


৭. অন্য নারীর প্রশংসা: কোনো নারী সহকর্মী বা বন্ধুর অতিরিক্ত প্রশংসা করলে তা ঈর্ষা বা অবিশ্বাসের জন্ম দিতে পারে।


৮. তার শারীরিক বা মানসিক দুর্বলতা নিয়ে আলোচনা: তার কোনো শারীরিক বা মানসিক সীমাবদ্ধতার কথা সামনে তুলে আনলে তা আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দিতে পারে।


৯. তার পেশাগত দক্ষতার বিষয়: তার ক্যারিয়ার বা পেশাগত দক্ষতা নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করা সম্পর্কের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।


১০. গোপন পরিকল্পনা: আপনার গোপন সঞ্চয় বা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, যা তাকে জানানো হলে ভুল–বোঝাবুঝির কারণ হতে পারে।


১১. যৌন জীবন সম্পর্কে: যৌন জীবন নিয়ে অতিরিক্ত বিস্তারিত আলোচনা করা সম্পর্কের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি করতে পারে।


১২. অতীতের গোপন ক্ষোভ: কোনো পুরনো ক্ষোভ বা কষ্ট স্ত্রীর কাছে বলা সম্পর্কের মধ্যে উত্তেজনা এবং মানসিক চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ ০২-০৩-২০২৫ খ্রি:। 

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ ০২-০৩-২০২৫ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


শুরু হলো সংযম ও আত্মশুদ্ধির মাস পবিত্র মাহে রমজান- দেশবাসীকে প্রধান উপদেষ্টার শুভেচ্ছা।


রমজানে দ্রব্যমূল্য সহনীয় রাখতে অগ্রাধিকারভিত্তিতে কাজ করছে সরকার – জানালেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব - রমজানকে ঘিরে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অলআউট অ্যাকশন শুরু।


দলীয় পরিচয় নয় বরং অপরাধ বিবেচনায় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নির্দেশ - বিজিবির নবগঠিত উখিয়া ব্যাটালিয়নের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু।


নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজ দেশে উদযাপিত হচ্ছে জাতীয় ভোটার দিবস। 


বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় নতুন রাজনৈতিক দল ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’কে বিএনপি’র অভিনন্দন।


রমজানে গাজায় সাময়িক যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধির মার্কিন প্রস্তাবে সম্মত ইসরাইল।


করাচিতে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ইংল্যান্ডকে সাত উইকেটে হারিয়ে সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকা –দুবাইয়ে আজ ভারতের মোকাবেলা করবে নিউজিল্যান্ড।

ধান চাষীদের ব্লাস্ট সতর্কতা ‼️

 ⚠️ ধান চাষীদের ব্লাস্ট সতর্কতা ‼️

বর্তমান সময়ের মেঘলা আকাশ গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি, দিনে ও রাতের তাপমাত্রা পার্থক্য ধানের পাতা ব্লাস্ট রোগের অনুকূল পরিবেশ । 


মাঠ পরিদর্শন করে অনেক কৃষকের জমি পাতা ব্লাস্ট রোগের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে এবং অনেক ভাই ইনবক্সে ছবিগুলো পাঠিয়ে এই সমস্যার সমাধান জানতে চেয়েছেন।


✅ #এই_সমস্যার_সমাধান_ও_পরামর্শ:

✍️ পাতা ব্লাস্ট রোগ চিনিবার উপায়: 

       আক্রান্ত পাতায় প্রথমে ছোট ছোট কালচে 

       বাদামি দাগ দেখা যায়। আস্তে আস্তে 

       দাগগুলো বড় হয়ে মাঝখানটা ধূসর বা

       সাদা ও কিনারা বাদামি রং ধারণ করে। 

        দাগগুলো একটু লম্বাটে হয় এবং দেখতে 

       অনেকটা চোখের মত। একাধিক দাগ মিশে 

      গিয়ে শেষ পর্যন্ত পুরো পাতাটি শুকিয়ে মারা 

      যেতে পারে।

✍️ নিচের পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করলে পাতা ব্লাস্ট রোগ হবে না : 

     ১) ধানের চারা রোপণের আগে শেষ চাষের 

          সময় সঠিক পরিমাণে এ‌ম‌ওপি সার প্রয়োগ 

           করতে হবে।

       ২) সুস্থ এবং রোগমুক্ত ধানের জমি থেকে 

             সংগৃহীত বীজ ব্যবহার করতে হবে।

✍️ ব্লাস্ট রোগ দেখা দিলে প্রাথমিক পর্যায়ে কি কি করণীয়:: 

        ১. ব্লাস্ট রোগের প্রাথমিক অবস্থায় জমিতে 

             ১-২ ইঞ্চি পানি ধরে রাখতে পারলে এ 

              রোগের ব্যাপকতা অনেকাংশে হ্রাস পায়।

        ২.  পাতা ব্লাস্ট রোগ দেখা দিলে বিঘা প্রতি 

               অতিরিক্ত ৫-৭  কেজি পটাশ সার উপরি 

               প্রয়োগ করতে হবে

🚨 এলার্ট : প্রতি গোছায় দুই একটি পাতয় পাতা ব্লাস্ট 

            রোগ দেখা দিলে অনুমোদিত ছত্রাকনাশক 

            ব্যবহার করে দমন করতে হবে।

✍️ ব্লাস্ট রোগ দমনে অনুমোদিত ছত্রাকনাশক সমূহ: 

       ১) বীর ৭০ ডব্লিউপি

              প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম 

       ২) এমিস্টার টপ ৩২৫ এস সি

               প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি

       ৩) ফিলিয়া ৫২৫ এস ই

                প্রতি লিটার পানিতে ২ মিলি

       ৪) নাটিভো ৭৫wg.

                  প্রতি লিটার পানিতে ০.৬ গ্রাম

       ৫) ব্লাস্টিন৭৫wdg. 

                  প্রতি লিটার পানিতে ০.৬ গ্রাম

       ৬) স্ট্রমিন৭৫wg. 

                 প্রতি লিটার পানিতে ০.৬ গ্রাম

এছাড়াও ব্লাস্ট রোগ দমনে অনুমোদিত যে কোন ছত্রাকনাশক ব্যবহার করেও দমন করতে পারেন।


একবার ছত্রাকনাশক ব্যবহারে ব্লাস্ট রোগ দমন হয় না তাই একবার ছত্রাকনাশক ব্যবহারের ৭-১০ দিন পর দ্বিতীয় বার ছত্রাকনাশক ব্যবহার করুক।


আশাকরছি এখন আপনি নিজেই এই সমস্যা মোকাবেলা করতে পারবেন। যদি আপনার জমিতে কোন সমস্যা থেকে থাকে তাহলে আমাদের কমেন্ট বক্সে লিখতে পারেন, আমরাই চেষ্টা করবো আপনাকে সঠিক পরামর্শ দিয়ে পাশে থাকতে।


সোহেল রানা 

উপসহকারী কৃষি অফিসার

সদর, ময়মনসিংহ 


সময়োচিত আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য পেতে Shuhal Rana  আইডি অনুসরণ করুন 


#ধান 

#চাষ 

#পদ্ধতি 

#agriculture 

#paddy 

#rice 

#AgricultureTips  

#fungicide 

#DAE

তারাবীর নামাজ পড়ার নিয়ম,,,,,

 🔲 তারাবীর নামাজ ২০ রাকাত আদায় করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা। রাসূল সল্লল্ল-হু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম সহ সমস্ত সাহাবায়ে কেরাম, তাবেঈন, তাবে তাবেঈন ২০ রাকাত তারাবীর নামাজ আদায় করেছেন। সুতরাং বিনা কারনে ইচ্ছাকৃতভাবে অলসতার ধরুন তারাবীর নামাজ ত্যাগ করা জায়েজ নেই, এতে সুন্নত তরক করার কারনে গুনাহ হবে। [মুসান্নাফে ইবনে আবি শাঈবা- ৭৭৭৪]


🔸 হাদীসে পাকে বর্ণিত আছে, রাসূল সল্লল্ল-হু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমাদানের ভিতরে এবং বাহিরে (রাত্রিবেলায়) সর্বমোট ১১ রাকাত নামাজ আদায় করতেন। আর সেটি হচ্ছে ৮ রাকাত তাহাজ্জুদ এবং ৩ রাকাত বেতের। [সহীহ বুখারী- ৩৫৬৯]


⭕ উপরোক্ত হাদীসে রমাদানের “ভিতরে এবং বাহিরে” শব্দটির উল্লেখ রয়েছে। তাহলে রমাদানের বাহিরে যেটা তাহাজ্জুদ, সেটা রমাদানের ভিতরে তারাবী হয় কিভাবে..?? আমাদের দেশের আহলে হাদীস ভাইয়েরা এখানে এসে হাদীসের ভুল ব্যাখ্যা করে থাকেন, আর তাহাজ্জুদের হাদীসকে তারাবীর হাদীস বলে প্রচার করে দেন.!!


🔹 এতে মানুষ ভুল জেনে কম আমল করে আর বেশি সওয়াব অর্জন করার ফজিলত থেকে বঞ্চিত হয়.!! তাই এই ব্যাপারে খুব বেশি সাবধানতা অবলম্বন করা চাই। তারাবীর নামাজ ২০ রাকাত আদায় করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা যেটা কিনা ১০০ এরও অধিক সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমানিত.!


🔲 আর রমাদান মাসে প্রতিটি নেক আমলের সওয়াব ১০-৭০০ গুনের চেয়েও বেশি পরিমান বাড়িয়ে দেওয়া হয়। তাই রমাদান মাসে আমলের ব্যাপারে কোনো প্রকার অলসতা, অবহেলা কিংবা গাফলতি করা যাবে না।


🔸 সুতরাং তারাবীর নামাজ ২ রাকাত করে সর্বমোট ২০ রাকাত আদায় করতে হবে। তবে অসুস্থতার ধরুন কারো পক্ষে যদি ২০ রাকাত তারাবীর নামাজ আদায় করা সম্ভব না হয়, তাহলে সে সাধ্য মোতাবেক ৪/৮/১০/১২...২০ রাকাত নামাজ আদায় করতে পারবে।


 ⭕ মৌখিকভাবে আরবীতে কোনো প্রকার নিয়ত করার কথা কুরআন হাদীসে বর্ণিত নেই। কারন নিয়ত অন্তরের সাথে সংশ্লিষ্ট, মুখের সাথে নয়। তাই নিয়ত করার ক্ষেত্রে মনে মনে স্মরণ করতে হবে, আমি ২ রাকাত তারাবীর নামাজ আদায়ের নিয়ত করলাম, আল্ল-হু আকবার..।


🔹 তারাবীর নামাজের ২ অথবা ৪ রাকাত পর পর কিংবা একেবারে ২০ রাকাত নামাজ আদায় করা শেষে দোয়া করা যাবে। তবে এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো দোয়া নেই, নিজের মতো করে যে কোনো প্রকার দোয়া করা যাবে ইন শা আল্লাহ ✅


🔲 এশার ৪ রাকাত ফরজ, ২ রাকাত সুন্নত এবং ২০ রাকাত তারাবীর নামাজ আদায় করে সর্বশেষ ৩ রাকাত বেতের নামাজ আদায় করতে হবে। তবে নিয়মিত তাহাজ্জুদ আদায়ের অভ্যাস থেকে থাকলে শেষ রাত্রিতে তাহাজ্জুদ আদায় করে এরপরে বেতের নামাজ আদায় করতে হবে।

শনিবার, ১ মার্চ, ২০২৫

কিংবদন্তি সাহিত্যিক সৈয়দ মুজতবা আলী-কে অবিরাম শ্রদ্ধা | ভালো থাকবেন পরপারে💕

 পিএইচডি করতে তিনি পাড়ি দিয়েছিলেন জার্মানি | যে বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করতেন সেই সময়ে আইনস্টাইন সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। একবার সেই শহরে এক কৌতুক প্রতিযোগিতার আয়োজন হল | স্থানীয় জার্মান ভাষায় | আর সেই প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান পেলেন এক বাঙালি | ভাবা যায় !


একবার এক রাষ্ট্রদূত তাঁর সাথে সাক্ষাত করে আলাপ করলেন। পরে সেই রাষ্ট্রদূত বলেছিলেন, “আমি জীবনে এত অল্প সময়ের মধ্যে পৃথিবীর এত বিষয়ে আলাপ শুনি নাই, যেটা উনি আমাকে শুনিয়েছিলেন অল্প কয়েক ঘন্টার মধ্যে।"


১৭ টি ভাষা ছিল তাঁর দখলে | ১৭ টি ভাষাতেই তিনি কথা থেকে শুরু করে লিখতে পর্যন্ত পারতেন | "গীতা" সম্পূর্ণ মুখস্থ | কবিগুরুর "গীতবিতান" শেষ থেকে শুরু সম্পূর্ণ মুখস্থ | একবার এক অনুষ্ঠানে এক পুরোহিত সংস্কৃত ভাষায় গীতা সম্বন্ধে বক্তব্য রাখছিলেন | উনি ধরে ফেললেন কিছু জায়গায় ভুল বলেছেন ওই পুরোহিত | দাঁড়িয়ে সমস্ত বক্তব্য মূল সংস্কৃত ভাষায় কী হবে তা মুখস্থ বলে গেলেন | উপস্থিত দর্শকেরা হতবাক |


তিনি সৈয়দ মুজতবা আলী | হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় "বঙ্গীয় শব্দকোষ” রচনা করেছিলেন | সেই হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় মারা যাবার পূর্বে বলেছিল, “আমার অভিধান যদি কোনো সময় সংশোধন করার প্রয়োজন হয় তাহলে যেন সৈয়দ মুজতবা আলী সেটা করে।” এর মাধ্যমেই বোঝা যায় সৈয়দ মুজতবা আলী-র বাংলা ভাষায় কত গভীর দখল ছিল |


রসবোধ ছিল খুব বেশি | মৃত্যুর আগে অবধিও তা বজায় ছিল | বলেছিলেন,"আমার মৃত্যুর পর সবাইকে বলবে আলী সাহেব তার বেস্ট বইটা লেখার কথা ভাবছিলেন। কিন্তু কী করবেন, উনার তো প্যারালাইসিস হয়ে ডান হাতটা অবশ হয়ে গেল। হাতটা ভালো থাকলে তিনি দেখিয়ে দিতেন সৈয়দ মুজতবা আলীর বেস্ট বই কাকে বলে।"

তাঁর লেখা পড়লে অনুধাবন করা যায় তাঁর লেখনীর গভীরতা, তাঁর জীবনতৃষ্ণার প্রতি ভালবাসা। সৈয়দ মুজতবা আলী-র মত সাহিত্যিক বাংলা সাহিত্যে বিরল | 

 কিংবদন্তি সাহিত্যিক সৈয়দ মুজতবা আলী-কে অবিরাম শ্রদ্ধা | ভালো থাকবেন পরপারে💕

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ০১-০৩-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০১-০৩-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


দেশের আকাশে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে --- আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে সংযম ও আত্মশুদ্ধির মাস --- দেশবাসীকে প্রধান উপদেষ্টার শুভেচ্ছা।


 রমজানে দ্রব্যমূল্য সহনীয় রাখতে অগ্রাধিকারভিত্তিতে কাজ করছে সরকার – জানালেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব --- রমজানকে ঘিরে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আজ থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অলআউট অ্যাকশন শুরু।


 দলীয় পরিচয় নয় বরং অপরাধ বিবেচনায় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নির্দেশ --- বিজিবির নবগঠিত উখিয়া ব্যাটেলিয়ানের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু।


  নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আগামীকাল দেশে উদযাপিত হবে জাতীয় ভোটার দিবস।


 বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় নতুন রাজনৈতিক দল ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’কে বিএনপি’র অভিনন্দন।


 যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত খনিজ চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে প্রস্তুত ইউক্রেন, তবে এর জন্য প্রয়োজন ওয়াশিংটনের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা – বললেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। 


 এবং করাচিতে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে এখন সেমিফাইনালে ওঠার লক্ষ্যে  ইংল্যান্ডের মোকাবেলা করছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

জায়ফল এবং জয়িত্রী একই ফলের দুটি ভিন্ন মশলা উপাদান। 

 জায়ফল এবং জয়িত্রী একই ফলের দুটি ভিন্ন মশলা উপাদান। এই দুটি মশলাই তাদের সুগন্ধ, স্বাদ এবং ঔষধি গুণের জন্য দীর্ঘকাল ধরে মূল্যবান। ভারত হচ্ছে জায়ফলের প্রধান ভোক্তা এবং বিশ্বের শীর্ষ সরবরাহকারীদের মধ্যে অন্যতম। জায়ফল এবং জয়িত্রী উভয়ই মিরিস্টিকা ফ্র্যাগ্রান্স (Myristica fragrans) গাছের ফল থেকে পাওয়া যায়। জায়ফল হল বীজের শুকনো শাঁস, আর জয়িত্রী হল শুকনো জালির মতো আবরণ (অ্যারিল) যা শুকনো শাঁসকে ঘিরে থাকে।


এর ইতিহাস বেশ আকর্ষণীয় এবং প্রাচীন। জায়ফল জয়িত্রীর আদি উৎস হচ্ছে ইন্দোনেশিয়ার মালাক্কা এবং বান্দা দ্বীপপুঞ্জে। এই মশলা বহু শতাব্দী ধরে এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। প্রাচীনকাল থেকেই এই মশলাগুলোর ঔষধি গুণ এবং সুগন্ধের জন্য মূল্যবান ছিল। মধ্যযুগে, জায়ফল এবং জয়িত্রী ইউরোপে অত্যন্ত মূল্যবান মশলা হিসেবে পরিচিত লাভ করে। যা মূলত আরব বণিকদের মাধ্যমে ইউরোপে আমদানি করা হতো। সেখানে এই মশলাগুলোর উচ্চ মূল্যের কারণে, ধনী এবং অভিজাত ব্যক্তিদের মধ্যে ব্যবহার মূলত সীমাবদ্ধ ছিল। সপ্তদশ শতাব্দীতে, ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক যাযাবর ব্যবসায়ী জায়ফল জয়িত্রীর বাণিজ্য করার জন্য প্রতিযোগিতা শুরু করে। সেই সময় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এই মশলাগুলোর উৎপাদন এবং বাণিজ্যের উপর একচেটিয়া অধিকার প্রতিষ্ঠা করে। 


জায়ফল এমন একটি মশলা যা গরম, আর্দ্র জলবায়ুতে এবং সুনিষ্কাশিত মাটি প্রয়োজন হয়। এটি বীজ রোপণ প্রক্রিয়া বা কলম দ্বারা বংশবিস্তার হয়ে থাকে। জায়ফল গাছের জন্য বার্ষিক কমপক্ষে ১৫০ সেমি বৃষ্টিপাত প্রয়োজন হয়। এই গাছ আংশিক ছায়া এবং  উচ্ছস্থলযুক্ত উপত্যকা উপযুক্ত, যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৩০০ মিটার উচ্চতা পর্যন্ত হতে পারে। শুষ্ক আবহাওয়া এবং জলাবদ্ধতা এই গাছের উপযুক্ত নয়। বর্ষার শুরুতে জায়ফল গাছ রোপণ হয়।  এঁটেল দোআঁশ, বেলে দোআঁশ এবং লাল ল্যাটেরাইট মাটিতে ভালো জন্মে। বীজ বপনের ৪০ দিন পর অঙ্কুরোদগম শুরু হয় এবং ৯০ দিন পর্যন্ত তা স্থায়ী হয়।  


জায়ফল সাধারণত আকার এবং মানের উপর ভিত্তি করে গ্রেড করা হয়। আরো মজার ব্যাপার হচ্ছে এই ফল গাছে পাকলে ফলের মাঝ বরাবর ফেটে যায় এবং তা সেদিনই গাছ থেকে  পেড়ে নিতে হয়। ফল পাড়ার মরসুম হলে যার দরুন প্রতিনিয়ত চাষিদের খেয়াল রাখতে হয়। ফল সংগ্রহ হলে সেদিনই তা ভালো করে ধুয়ে উপরে মাংসল অংশ জায়ফল থেকে আলাদা করে নিতে হয় না হলে জায়ফল জয়িত্রীর গুণগত মান এবং দাম দুটোই নিম্ন মানের হয়ে যাবে। এর মূল কারণ হচ্ছে ফলে দ্রুত ফাঙ্গাস আক্রম হয়ে থাকে, যার কারণে ফল থেকে দ্রুত ভেতরের দানা কে আলাদা করে নিতে হয়। 


ইন্দোনেশিয়া, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ভারত জায়ফলের প্রধান ভোক্তা এবং এই মশলার উল্লেখযোগ্য উৎপাদকও। ভারতের প্রধান উৎপাদনকারী অঞ্চলগুলির মধ্যে রয়েছে কেরালা, তামিলনাড়ু এবং কর্ণাটক। ভারতে জায়ফলের প্রতি কেজির দাম প্রায় ৪০০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে এবং জয়িত্রীর প্রতি কেজির দাম প্রায় ১০০০ টাকা থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। তবে, এই দামগুলি পরিবর্তনশীল এবং বাজার পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে। যাদের বাগান আছে তাদের বাৎসরিক ট্রানওভার ২ থেকে ৩ কোটি টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। কিন্তু প্রান্তিক শ্রমিকের বেতন বা মজুরি ১০ থেকে ১২ হাজার টাকার বেশি নয়। 


যাই হোক এই উভয় মশলাই আমাদের রন্ধনশৈলীতে ব্যবহৃত হয়, জয়িত্রী তীব্র স্বাদযুক্ত হয়ে থাকে আর জায়ফল সামান্য তেঁতো-মিষ্ঠ ভাব থাকে। এগুলি ঐতিহ্যবাহী ওষুধে এবং প্রয়োজনীয় তেল উৎপাদনেও ব্যবহৃত হয়। জায়ফল অনেক মিষ্টি এবং নোনতা খাবারে ব্যবহৃত হয়। জয়িত্রী সাধারণত নোনতা খাবারে বেশি ব্যবহৃত হয়। আবার আমাদের বাঙালি খাবারের বিরিয়ানি, মটন, চিকেনের মতো রান্নার উপাদানে এর ব্যাপক ব্যবহার চোখে পরে। 

👇

By Chef Moonu 

👇

#chefmoonuskitchen #chefmoonu #moonuandco #travellermoonu #thefoodietraveller #chefjobs #chef #kolkata #dhakacity #cocktails #kolkatafood #kolkatablogger #foodlovers #foodblogger @top fans

গাছের গোড়ায়, টবে পিঁপড়ের উপদ্রব থেকে রক্ষার কার্যকরী পদ্ধতি কি? ছবি সহ বিস্তারিত আলোচনা:

 

গাছের গোড়ায়, টবে পিঁপড়ের উপদ্রব থেকে রক্ষার কার্যকরী পদ্ধতি কি? ছবি সহ বিস্তারিত আলোচনা:

গাছের গোড়ায় বা টবে পিঁপড়ের উপদ্রব হলে তা গাছের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, বিশেষ করে যদি পিঁপড়ারা আফিড বা মিলিবাগের মতো কীটপতঙ্গ নিয়ে আসে। নিচে কিছু কার্যকরী ও প্রাকৃতিক পদ্ধতি দেওয়া হলো, যেগুলো দিয়ে পিঁপড়ের সমস্যা সমাধান করা যায়।

পিঁপড়ের উপদ্রব দূর করার কার্যকরী পদ্ধতি:

১. পাথর চুন বা ছাই ব্যবহার করুন:

গাছের গোড়ায় অথবা টবের চারপাশে সামান্য পরিমাণে চুন বা কাঠের ছাই ছড়িয়ে দিন। এটি পিঁপড়ের চলাচল বাধাগ্রস্ত করবে।

২. লবণ পানি স্প্রে করুন:

১ লিটার পানিতে ২ টেবিল চামচ লবণ মিশিয়ে স্প্রে করুন। এটি পিঁপড়াদের গাছের গোড়া থেকে দূরে রাখবে।

৩. ভিনেগার ও পানি মিশ্রণ:

সমপরিমাণ ভিনেগার ও পানি মিশিয়ে টবের চারপাশে স্প্রে করুন।
এটি পিঁপড়াদের পথ বাধাগ্রস্ত করবে এবং গন্ধের কারণে তারা ফিরে আসবে না।

৪. দারুচিনি গুঁড়া বা লবঙ্গ ছড়িয়ে দিন:

টবের মাটিতে দারুচিনি গুঁড়া অথবা লবঙ্গ ছড়িয়ে দিলে পিঁপড়ে দূরে থাকবে। কারণ এগুলোর তীব্র গন্ধ পিঁপড়ারা সহ্য করতে পারে না। যদিও এটা কিছুটা ব্যয়বহুল।

৫. ঝালযুক্ত দ্রব্য ব্যবহার করুন (লাল মরিচ গুঁড়া বা হলুদ):

সামান্য পরিমাণ শুকনো লাল মরিচের গুঁড়া বা হলুদ ছিটিয়ে দিন।
এটি পিঁপড়ার চলাচল বন্ধ করবে।

৬. সাবান পানি স্প্রে করুন:

১ লিটার পানিতে ১ চা-চামচ লিকুইড সাবান মিশিয়ে গাছের গোড়ায় স্প্রে করুন। এটি পিঁপড়াদের জন্য ক্ষতিকর এবং দ্রুত দূর করবে।

৭. টবের নিচে পানির বেড়াজাল তৈরি করুন:

যদি সম্ভব হয়, টবের নিচে অল্প পানি দিয়ে একটি পাত্র রাখুন। পিঁপড়ে গাছে উঠতে পারবে না।

৮. বোরিক অ্যাসিড ও চিনি ব্যবহার করুন

সমপরিমাণ বোরিক অ্যাসিড ও চিনি মিশিয়ে গাছের চারপাশে রাখলে পিঁপড়া আকৃষ্ট হয়ে খেয়ে ফেলবে এবং তাদের কলোনি নষ্ট হবে।

তবে এটি ব্যবহারের সময় সতর্ক থাকতে হবে, বিশেষ করে যদি বাড়িতে শিশু বা পোষা প্রাণী থাকে।

৯. নিম তেল স্প্রে করুন :

নিমের পাতা বা ফল দিয়ে প্রস্তুত তেল গাছে স্প্রে করুন। এগুলো তেতো স্বাদের হওয়ায় পিঁপড়ে দূরে থাকবে।
#garden #trees #everyone #highlights #rooftop #agriculture

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...