এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৫

স্ক্যাবিস (Scabies)  এক ধরনের চর্মরোগ

 ****  স্ক্যাবিস (Scabies)  এক ধরনের চর্মরোগ। এটি Sarcoptes scabiei নামক ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র পরজীবী মাইটের কারণে হয়ে থাকে এবং তীব্র চুলকানি ও ফুসকুড়ির সৃষ্টি করে।


**** স্ক্যাবিসের কারণ:


1. পরজীবী মাইট – Sarcoptes scabiei ত্বকের নিচে ঢুকে ডিম পাড়ে, যা ত্বকের প্রতিক্রিয়ার ফলে চুলকানি ও ফুসকুড়ি তৈরি করে।


2. সংক্রমণ – সংক্রামিত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসলে, একসঙ্গে ঘুমালে, যৌন সম্পর্কের মাধ্যমে অথবা পোশাক, বিছানার চাদর ও তোয়ালের মাধ্যমে ছড়াতে পারে।


**** লক্ষণ:

- প্রচণ্ড চুলকানি, বিশেষ করে রাতে বেশি হয়।

- লালচে ফুসকুড়ি বা গুটি (বুদবুদ বা ক্ষত হতে পারে)।

- আঙুলের ফাঁকে, কবজি, কনুই, বগল, কোমর, নাভির চারপাশ, যৌনাঙ্গ, বুক ও নিতম্বে বেশি দেখা যায়।

- শিশুদের ক্ষেত্রে তালু ও পায়ের পাতায় হতে পারে।

- দীর্ঘমেয়াদী হলে চামড়া মোটা ও খসখসে হতে পারে।


**** প্রতিকার ও চিকিৎসা:


✅ ঔষধ ও মলম:


1. Permethrin 5% ক্রিম – আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে ৮-১০ ঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলতে হয়।


2. Ivermectin ট্যাবলেট – গুরুতর ক্ষেত্রে মুখে খাওয়ার ওষুধ হিসেবে দেওয়া হয়।


3. Sulfur ointment – কিছু ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে শিশু ও গর্ভবতী নারীদের জন্য।


4. Antihistamines (যেমন Cetirizine, Loratadine) – চুলকানি কমানোর জন্য।


✅ বাড়িতে করণীয়:


ব্যবহৃত বিছানার চাদর, জামাকাপড়, তোয়ালে গরম পানিতে ধুয়ে ভালোভাবে শুকিয়ে নিন।


পরিবারের সবাইকে চিকিৎসা নিতে হবে, কারণ স্ক্যাবিস সহজেই ছড়ায়।


নখ ছোট করে কাটতে হবে যাতে চুলকানোর সময় জীবাণু সংক্রমণ না হয়।


আক্রান্ত ব্যক্তি ও তার ব্যবহার্য জিনিসপত্র বিশেষভাবে পরিষ্কার রাখা জরুরি।


**** সতর্কতা:


নিজে ওষুধ ব্যবহার না করে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া ভালো।


চিকিৎসা শুরু করলে চুলকানি কমতে কয়েক সপ্তাহ লাগতে পারে।


অপরিষ্কার বা ভিড়যুক্ত জায়গায় সাবধান থাকতে হবে, কারণ এটি খুব দ্রুত ছড়ায়।

কিছু মানুষ আছেন যারা সচেতনভাবেই তাদের ফোনটি সাইলেন্ট মুডে রাখেন

 বর্তমান ডিজিটাল যুগে যেখানে ফোনের রিংটোন ও নোটিফিকেশন এক মুহূর্তের জন্যও থামে না, সেখানে কিছু মানুষ আছেন যারা সচেতনভাবেই তাদের ফোনটি সাইলেন্ট মুডে রাখেন— এমনকি গুরুত্বপূর্ণ কলের অপেক্ষায় থাকলেও। এই অভ্যাস শুধু কাকতালীয় নয়, বরং এটি তাদের জীবনধারার একটি সচেতন সিদ্ধান্ত।


এ ধরনের ব্যক্তিদের কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায়, যা তাদের কর্মপদ্ধতি, ব্যক্তিগত সম্পর্ক এবং মানসিক প্রশান্তির ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। চলুন, জেনে নেওয়া যাক সর্বদা ফোন সাইলেন্টে রাখা ব্যক্তিদের ৮টি আকর্ষণীয় অভ্যাস—

১. তারা নিজেদের সময় ও মনোযোগের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখেন।


ফোনের প্রতিটি নোটিফিকেশন বা রিংটোনের ওপর নির্ভরশীল না থেকে, তারা নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী মেসেজ ও কল চেক করেন। এটি তাদের কাজের প্রতি মনোযোগী করে তোলে এবং অপ্রয়োজনীয় ব্যাঘাত এড়াতে সাহায্য করে।


২. গুরুত্বপূর্ণ কলের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা রাখেন।


সাইলেন্ট ফোন মানে দায়িত্বহীনতা নয়। তারা গুরুত্বপূর্ণ কল মিস না করার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা রাখেন, যেমন— বন্ধু বা পরিবারের সদস্যদের কলের আগে মেসেজ করতে বলা, নির্দিষ্ট সময়ে কল চেক করা, বা ক্যালেন্ডারে রিমাইন্ডার সেট করা।


৩. এলোমেলো নোটিফিকেশনের ওপর নির্ভরশীল নন।


তারা টু-ডু লিস্ট বা ডিজিটাল ক্যালেন্ডারের সাহায্যে কাজের তালিকা তৈরি করেন, যাতে রিংটোন বা নোটিফিকেশন ছাড়াই কাজের ধারা অব্যাহত থাকে। এটি তাদের সংগঠিত ও স্বনির্ভর হতে সহায়তা করে।


৪. বাস্তব জীবনের মুহূর্তে গভীরভাবে উপস্থিত থাকেন। 


যেহেতু তাদের ফোনের স্ক্রিন ক্রমাগত জ্বলজ্বল করে না, তাই তারা সামনাসামনি কথোপকথনে গভীর মনোযোগ দিতে পারেন। এটি তাদের সামাজিক ও পারিবারিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করে।


৫. তারা সুস্পষ্টভাবে সীমারেখা নির্ধারণ করেন।


সাইলেন্ট মুডে ফোন রাখার কারণে কেউ ভুল বোঝাবুঝির শিকার না হয়, সে জন্য তারা আগেভাগেই পরিচিতদের জানিয়ে দেন— “আমার ফোন সাধারণত সাইলেন্টে থাকে, তাই মেসেজ করুন”। এটি যোগাযোগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা তৈরি করে।


৬. তারা "ফিয়ার অব মিসিং আউট" (FOMO) থেকে মুক্ত। 


অনেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু মিস হওয়ার ভয়ে ফোনের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল থাকেন, কিন্তু সাইলেন্ট মুড অনুসরণকারীরা বুঝতে পারেন যে সত্যিই জরুরি কিছু হলে মানুষ অন্য উপায়েও যোগাযোগ করবে। ফলে তারা অযথা উদ্বেগ থেকে মুক্ত থাকতে পারেন।


৭. তারা প্রতিদিন ছোট ছোট বিরতি নিয়ে ডিজিটাল সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।


সব সময় ফোন বাজছে না বলে তারা নির্বিচারে ডিজিটাল বিশ্বে ডুবে থাকেন না। তারা বই পড়া, কাজ করা বা অবসর উপভোগ করার সময় সম্পূর্ণভাবে সেটিতে মনোযোগ দিতে পারেন।


৮. তারা নির্দিষ্ট সময়ে গভীরভাবে সংযোগ স্থাপন করেন। 


সাইলেন্ট ফোন মানে যোগাযোগ এড়ানো নয়। বরং তারা নির্দিষ্ট সময়ে ফোন চেক করে আরও মনোযোগী হয়ে উত্তর দেন, যা কথোপকথনকে আরও তাৎপর্যময় করে তোলে।

_________________

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ

শুক্রবার, ২৮ মার্চ, ২০২৫

মহিলার বয়স মাত্র ২৯ বছর। সিজারিয়ান সেকশনের মাধ্যমে বাচ্চা জন্ম দেয়ার কয়েকদিন পর  গাইনী ডিপার্টমেন্টে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন জ্বর নিয়ে এবং এর সাথে তখনই/পরবর্তীতে Diarrhoea দেখা দেয়। 

 মহিলার বয়স মাত্র ২৯ বছর। সিজারিয়ান সেকশনের মাধ্যমে বাচ্চা জন্ম দেয়ার কয়েকদিন পর  গাইনী ডিপার্টমেন্টে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন জ্বর নিয়ে এবং এর সাথে তখনই/পরবর্তীতে Diarrhoea দেখা দেয়। 


ঐ সময় জ্বরের কারণ হিসেবে underlying Infection চিন্তা করে পেশেন্ট কে হসপিটালে ভর্তির পরামর্শ দেয়া হয়। সেলাইয়ের জায়গার একটা অংশ কিছুটা আদ্র থাকায় সেখানে ইনফেকশন চিন্তা  করা হয়। প্রথমে এম্পেরিয়াল এন্টিবায়োটিক শুরু করা হয় কিন্তু রোগীর তেমন উন্নতি নেই। বরং শরীরের গলার নিচে-বুকে-পিঠে বিভিন্ন জায়গায় Rash দেখা। গাইনোকলজিস্ট Antibiotic এর Drug Reaction চিন্তা করে Antibiotic বন্ধ করেন। 


পরবর্তীতে আদ্র জায়গা থেকে Swab নিয়ে কালচারের জন্য পাঠানো হয় কিন্তু কালচারে কোন গ্রোথ ছিল না। পরবর্তীতে কয়েক দফায়  এন্টাবায়োটিক পরিবর্তন করা হয়। এর পাশাপাশি ব্লাড কালচার করা হয় সেখানেও কোনো গ্রোথ পাওয়া যায় নি। এছাড়া জ্বরের কারণ খোঁজার জন্য টিবি সহ সম্ভাব্য অন্যান্য পরীক্ষাও করা হয় কিন্তু কোনো ক্লু পাওয়া যায়নি।


যেহেতু ডেঙ্গু সিজন চলছে ডেঙ্গু টেস্টও করা হয়েছিল ডেঙ্গু টেস্ট নেগেটিভ, Platelet count নরমাল। 


এর মধ্যে মেডিসিন ডিপার্টমেন্টে কল দেয়া হয় মেডিসিনের সিনিয়র ডাক্তার এসেও কোনো ক্লোজ খুঁজে পাচ্ছেন না। 

এন্টিবায়োটিক পরিবর্তন করা হল কিন্তু উন্নতি নেই। 


এর মধ্যে রোগীর CBC পরীক্ষায় দেখা যায় যে wbc কাউন্ট দিন দিন কমে যাচ্ছে। জন্ডিস দেখা দিয়েছে, বিলিরুবিন বেশি। এলবুমিন ও কমে যাচ্ছে। 


Procalcitonin level, HBsAg, Anti HCV সহ অনেক টেস্ট করা হয়েছিল সব নরমাল। এদিকে Albumin দিয়েও Albumin লেভেল নরমালে রাখা যাচ্ছে না বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক ট্রাই করেও রোগীর কোন উন্নতি হচ্ছে না

কিন্তু কেন এমন হলো তার কোন ব্যাখ্যা ও দিতে পারছেন না ডাক্তাররা। 


সবশেষে উনারা বলেন যে, Septicemia থেকে Multiorgan failure এর দিকে যাচ্ছে পেশেন্ট। 


ঐ মুহূর্তে ডা. খাইরুল ভাইয়ার ডাক পড়ে। ভাইয়া ওয়ার্ডে গিয়ে পেশেন্ট কে দেখেন। একেবারে শুরু থেকে হিস্ট্রি নেন এবং প্রশ্ন করে পাওয়া একটা ক্লু থেকে ডায়াগনোসিস করেন। সেই মুহূর্তে ভাইয়া মোবাইলে থাকা পেশেন্টের Rash এর ছবি টা আমাকে দেখান। 


পেশেন্টের হিস্ট্রি + Rash এর ছবি টা দেখে আমার মনে পড়ে যায় ১/২ বছর আগে বিশিষ্ট হেমাটোলজিস্ট Prof. Dr. Akhil Ranjon Biswas  স্যারের শেয়ার করা দুটি কেইস হিস্ট্রি পড়েছিলাম Haematology Society of Bangladesh এর ওয়েবসাইটে। এবং এই পেশেন্টের Rash ও স্যারের শেয়ার করা পেশেন্টের Rash এর ছবির সাথে মিলে যাচ্ছে। 


তখন ভাই কে জিজ্ঞেস করলাম, উনার ডায়াগনোসিস কি Blood Transfusion Associated GVHD(Graft Versus Host Disease)?  


তখন ভাই জানালেন যে পেশেন্টের সিজারের সময় ব্লাড ডোনেট করে তার আপন ভাই। কেউ আসলে সেই হিস্ট্রি টা নেন নি। সবাই আসলে সিজার পরবর্তী জ্বরের কারণ হিসেবে Infective cause চিন্তা করছিলেন। তাই কোনো কনক্লুসনে আসতে পারছিলেন না কেইস টি নিয়ে। যেহেতু অনেক টেস্ট অলরেডি করা হয়ে গেছে এবং ভাইয়াও অতীতে এমন কেইস দেখেছেন তাই উনি আগ বাড়িয়ে ব্লাড ট্রান্সফিউসন হিস্ট্রি নিয়েছেন এবং ডায়াগনোসিস করতে পেরেছিলেন। আর বাইরে থেকে এলবুমিন দেয়া সত্ত্বেও পেশেন্টের এলবুমিন লেভেল কমে যাচ্ছিল তার  কারণ হিসেবে ভাইয়া বললেন এক্ষেত্রে Protein loosing Enteropathy হয়। 


কিন্তু GVHD এর মর্টালিটি রেইট যেহেতু অনেক বেশি, এই পেশেন্ট আসলে সার্ভাইভ করার সম্ভাবনা খুব কম ছিল। (আমি পূর্বে যে দুটো কেইস পড়েছিলাম সেই দুজনই মারা যান। একজনের ক্ষেত্রে ব্লাড ডোনার ছিলেন আপন ভাই, আরেকজনের ক্ষেত্রে আপন ছেলে।) 


এই মহিলার শেষ CBC তে WBC count ছিল মাত্র ২৩০/মাইক্রো লিটার (!!!)। Neutrophil 08%,  Lymphocyte 90%. ESR= 45.


পরবর্তীতে তাকে হেমোটলজি ওয়ার্ডে ট্রান্সফার করা হয়। ভাইয়া আমাকে নিয়ে যান হেমোটলজি ওয়ার্ডে ভর্তি এই  পেশেন্ট দেখানোর জন্য এবং ঐ সময় অধ্যাপক ডা. আখিল রন্জন বিশ্বাস স্যারও ওয়ার্ডে রাউন্ড দিচ্ছিলেন। কিন্তু এই পেশেন্টের বেডে গিয়ে পেশেন্ট কে পাওয়া যায় নি। কারণ উনিও GVHD এর মত একটি Grievous condition এর নিকট হার মেনে মৃত্যুবরণ করেছেন। 


আল্লাহ মেহেরবানী করে রোগী কে বেশেহত নসীব করুন। 

ডা. খাইরুল ভাইয়া কে অসংখ্য ধন্যবাদ কেইস টি শেয়ার করার জন্য। এর আগে TA-GVHD এর সেইম আরেকটি কেইস ভাইয়া ডায়াগনোসিস করেন যেখানে Open Heart Surgery এর পর পেশেন্টের জ্বর এবং Rash দেখা দেয়। সার্জারীর সময় নিকটাত্মীয় থেকে রক্ত নেন ঐ পেশেন্ট এবং কয়েকদিনের মধ্যেই মরণঘাতী এই রোগে মৃত্যুবরণ করেন। 


Take_Home_Message: 

নিকটাত্মীয় থেকে রক্ত নেয়া থেকে বিরত থাকুন। নিকটাত্মীয়ের রক্ত মৃত্যুর কারণ হতে পারে। সাধারনত Blood Transfusion এর ২ দিন থেকে ৩০ দিন পর এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। Immunocompromised গ্রহীতার ক্ষেত্রে রিস্ক সবচেয়ে বেশি থাকে, তবে দৃশ্যত সুস্থ গ্রহীতার ক্ষেত্রেও Rarely এমনটা ঘটে থাকে। 


এর বিস্তারিত ব্যাখা দিতে গিলে অনেক বড় হয়ে যাবে লেখা। সংক্ষেপে বললে, নিকটাত্মীয়ের সাথে আপনার HLA matching থাকায় আপনার রক্তে থাকা T cell(প্রতিরক্ষা কোষ) ডোনারের রক্তে থাকা T cell কে নিজের/Self হিসেবে মনে করবে, তাই তাকে কিছু করবে না। কিন্তু ডোনারের T cell আপনার শরীরে প্রবেশের পর আপনার দেহ কোষগুলো কে Non self/Foreign হিসেবে মনে করবে এবং বিভিন্ন অঙ্গের কোষ গুলো ধ্বংস করতে শুরু করবে। যাতে মৃত্যুর সম্ভাবনা উন্নত বিশ্বেই ৯০% এর বেশি। তবে মাত্র ১% এরও কম কেইসে এটা ঘটে থাকে, অর্থাৎ খুব রেয়ার। কিন্তু হলে  যেহেতু রক্ষা নেই, তাই নিকটাত্মীয়ের রক্ত এভয়েড করাই যুক্তিযুক্ত। 


বোঝার সুবিধার্থে সাধারন ভাষায় বললে,

বাইরের রাষ্ট্রের কেউ বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে গেলে বিজিবি তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। কিন্তু ধরুন বাংলাদেশ বিজিবির পোশাক পরে পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রের সৈনিকরা এদেশে প্রবেশ করল এবং বাংলাদেশ বিজিবি  ঐ সকল সৈনিক কে নিজেদের লোক মনে করে কিছুই  করল না। এই সুযোগে ঐ সৈনিকরা এদেশে বংশবৃদ্ধি করলো এবং বাংলাদেশের সাধারন মানুষ দের মারতে থাকলো। ঠিক এটাই ঘটে TA-GVHD তে।   

*বিজিবি= গ্রহীতার রক্তের T cell(প্রতিরক্ষা কোষ) 

*সৈনিক= দাতার রক্তের T cell(প্রতিরক্ষা কোষ)


♦বিশেষ করে আপন ভাই/বোন, বাবা /মা, ছেলে/ মেয়ে, ভাতিজা/ভাতিজি,  ভাগিনা/ভাগিনী  থেকে রক্ত নেয়া থেকে বিরত থাকুন। আপন ভাতিজা থেকে রক্ত নিয়ে TA-GVHD হয়ে মারা গেছেন এমন কেইসও আছে।


এফসিপিএস মেডিসিনে গোল্ড মেডেল পাওয়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক Dr. Khairul Islam  (MBBS,MCPS,FCPS) ভাই। ভাই শুধু ডিগ্রীধারী বিশেষজ্ঞই নন, ক্লিনিসিয়ান হিসেবেও খুবই ভালো। একাডেমিক ও মানবিক একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। ভাইয়ের সাথে দেখা হলে সবসময় বিভিন্ন কেইস নিয়ে অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। কেইস নিয়ে কৌতুহল থাকায় শুনতে/জানতে ভালো লাগে এবং থিংকিং ক্যাপাবিলিটি বাড়ানোর চেষ্টা করি। সেদিন ভাইয়া একটা অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন।


বি: দ্র: ইংরেজিতে একটা কথা আছে,, Knowledge increases by Sharing, not by Saving! এই সিরিজের সবগুলো লিখাই একাডেমিক আলোচনার জন্য। প্রাসঙ্গিক কোনো তথ্য/অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চাইলে করতে পারেন। 

Dr. Fahim Uddin

Khulna Medical College

Session: 2012-2013 


♣যদি ইমার্জেন্সি সিচুয়েশনে কোনো ডোনার খুঁজে না পাওয়া যায় তখন নিকটাত্মীয় থেকেও বাধ্য হয়ে ব্লাড নিতে হয়, তবে সেক্ষেত্রে ডোনারের ব্লাড Irradiation করে গ্রহীতার শরীরে দেওয়া হয়।


পড়াশেষে Done লিখুন এবং জনস্বার্থে শেয়ার করুন।©

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২৮-০৩-২০২৫ খ্রি

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২৮-০৩-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


বেইজিং এ প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং এর বৈঠক --- বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গাদের সম্মানজনক প্রত্যাবর্তনে সহায়তায় চীনের প্রতি আহ্বান।


জলবিদ্যুৎ, পূর্বাভাস এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করতে সম্মত বাংলাদেশ ও চীন --- বেইজিং এ যৌথ বিবৃতি প্রকাশ।


ঢাকা ও বেইজিং এর মধ্যে ৯ চুক্তি স্বাক্ষর।


সারাদেশে পালিত হলো পবিত্র রমজান মাসের শেষ শুক্রবার জুমাতুল বিদা ।


ঈদের টানা ৯ দিনের ছুটিতে রাজধানী ছাড়া অব্যাহত রয়েছে নগরবাসীর --- অনেকেই ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন শেষ মুহুর্তের কেনাকাটায়।


ক্ষমতা ধরে রাখতে শেখ হাসিনা দেশকে কারবালায় পরিনত করেছিল --- মন্তব্য বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী আহমেদের।


শক্তিশালী সাত দশমিক সাত মাত্রার ভূমিকম্পে মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডে জরুরি অবস্থা জারি --- ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের আশঙ্কা।


এবং চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরেছেন ক্রিকেটার তামিম ইকবাল।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ২৮-০৩-২০২৪

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ২৮-০৩-২০২৪


আজকের সংবাদ শিরোনাম


চীনে চারদিনের সরকারি সফরের অংশ হিসেবে এখন বেইজিংয়ে অবস্থান করছেন প্রধান উপদেষ্টা --- আজ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিং পিং-এর সঙ্গে।


রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে এশিয়ার দেশগুলোকে এক হতে হবে --- চীনের হাইনানে বোয়াও ফোরামে বললেন প্রধান উপদেষ্টা।


সম্মেলনে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও যৌথ সমৃদ্ধির জন্য সুস্পষ্ট রোড ম্যাপ তৈরি করতে এশীয় দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানালেন ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস। 


ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা আল্লাহর নৈকট্য ও রহমত লাভের আশায় ইবাদত বন্দেগির মধ্য দিয়ে অতিবাহিত করলেন পবিত্র লাইলাতুল কদর।


শুরু হয়েছে পবিত্র ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষ্যে টানা নয় দিনের ছুটি --- প্রিয়জনের টানে ঢাকা ছাড়ছেন নগরবাসী।


জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে ২৯টি নতুন প্রকল্প অনুমোদিত।


২০২০ সালের ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করে বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনকে মেয়র ঘোষণা করেছে আদালত।


এবং যুদ্ধ বন্ধের চুক্তিতে উপনীত হতে ইউক্রেনকে একটি অস্থায়ী প্রশাসনে ন্যাস্ত করতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের অভিমত।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২৭ - ০৩-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২৭ - ০৩-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে এশিয়ার দেশগুলোকে এক হতে হবে --- চীনের হাইনানে বোয়াও ফোরামে বললেন প্রধান উপদেষ্টা।


সম্মেলনে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও যৌথ সমৃদ্ধির জন্য সুস্পষ্ট রোড ম্যাপ তৈরি করতে এশীয় দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানালেন ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস।  


বাংলাদেশে আরও গম ও সার রপ্তানি করতে রাশিয়ার আগ্রহ।


আজ পবিত্র লাইলাতুল কদর --- ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা আল্লাহর নৈকট্য ও রহমত লাভের আশায় ইবাদত বন্দেগির মধ্য দিয়ে অতিবাহিত করছেন এ রাত ।


আগামীকাল শুরু হচ্ছে পবিত্র ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষ্যে টানা নয় দিনের ছুটি --- প্রিয়জনের টানে ঢাকা ছাড়ছে নগরবাসী।


জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে ২৯টি নতুন প্রকল্প অনুমোদিত।


২০২০ সালের ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করে বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনকে মেয়র ঘোষণা করেছে আদালত।


এবং গাজায় ইসরাইলের হামলা অব্যাহত -- ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ২৫ ফিলিস্তিনি নিহত।

আমরা যা দেখি, তা আসলে ১৫ সেকেন্ড আগেই ঘটে গেছে—এই কথা শুনতে একটু অদ্ভুত লাগতে পারে, কি

 আমরা যা দেখি, তা আসলে ১৫ সেকেন্ড আগেই ঘটে গেছে—এই কথা শুনতে একটু অদ্ভুত লাগতে পারে, কিন্তু বিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে এটাকে ব্যাখ্যা করা সম্ভব।  


যখন আমরা কোনো কিছুর দিকে তাকাই, তখন আসলে সেই বস্তু থেকে আলো বেরিয়ে এসে আমাদের চোখে পৌঁছায়। চোখ সেই আলোকে গ্রহণ করে সেটাকে বৈদ্যুতিক সংকেতে পরিণত করে মস্তিষ্কে পাঠায়। এরপর মস্তিষ্ক সেই সংকেত বিশ্লেষণ করে আমাদের সামনে একটা ছবি তৈরি করে। এই পুরো প্রক্রিয়া খুব দ্রুত হয়, কিন্তু এতে সামান্য পরিমাণ সময় লেগে যায়। সাধারণত, আমাদের মস্তিষ্ক এবং চোখ একসঙ্গে কাজ করে মাত্র কয়েক মিলিসেকেন্ডের মধ্যে পুরো বিষয়টি সম্পন্ন করে ফেলে, কিন্তু অনেক দূরের কোনো বস্তু দেখলে এই সময় অনেক বেশি হতে পারে।  


আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় তিন লক্ষ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে। যদি আমরা খুব কাছের কিছু দেখি, তাহলে তার আলো আমাদের চোখে আসতে খুবই কম সময় লাগে। কিন্তু যদি আমরা অনেক দূরের কোনো কিছুর দিকে তাকাই, তাহলে তার আলো আমাদের কাছে পৌঁছাতে কিছুটা সময় নেয়। যেমন ধরো, সূর্যের আলো পৃথিবীতে পৌঁছাতে ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড সময় লাগে। অর্থাৎ, আমরা যে সূর্য দেখি, সেটি আসলে ৮ মিনিট আগের সূর্যের চেহারা।  


আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এত বড় সময়ের দেরি অনুভব হয় না, কারণ আমাদের চারপাশের বস্তুর আলো খুব দ্রুত আমাদের চোখে পৌঁছায় এবং মস্তিষ্কও খুব দ্রুত তথ্য বিশ্লেষণ করে ফেলে। তবে তত্ত্বগতভাবে, আমরা সবসময় অতীতকেই দেখি। আমাদের চোখ থেকে মস্তিষ্ক পর্যন্ত সংকেত পৌঁছাতে এবং সেটাকে সম্পূর্ণরূপে বোঝাতে কিছুটা সময় লাগে। তাই আমরা যা কিছু দেখছি, তা আসলে একটু আগেই ঘটে গেছে।  


এটা এমন, যেন আমরা একটি লাইভ ভিডিও কল দেখছি, যেখানে ইন্টারনেট একটু স্লো, আর কিছু দৃশ্য আমাদের কাছে কয়েক সেকেন্ড দেরিতে পৌঁছাচ্ছে। বাস্তবে হয়তো এই দেরি ১৫ সেকেন্ড নয়, তবে কিছুটা দেরি যে হচ্ছে, তা বিজ্ঞান নিশ্চিত করে। মহাবিশ্বের বৃহৎ প্রেক্ষাপটে, আমরা আসলে অতীত দেখছি, বর্তমান নয়।

জানুন আর একজন মহাকাশচারীর অজানা কাহিনী

 জানুন আর একজন মহাকাশচারীর অজানা কাহিনী


পৃথিবীকে ৫ হাজার বার প্রদক্ষিণ করা এই মানুষ টার সাথে ৩১১ দিন ধরে কেউ যোগাযোগ করেনি। কারন এই মানুষটা যে দেশের নাগরিক ছিল সেই দেশ টাই পৃথিবীর মানচিত্র থেকে উধাও হয়ে যায়। তাই বাধ্য হয়েই ৩১১ দিন ধরে ৫ হাজার বার পৃথিবীকে চক্কর কাটতে হয়েছিল। হতভাগা এই মহাকাশ চারির নাম সর্গেই কনস্ট্যানটিনোভিচ ক্রিকালেভ । প্রথম জীবনে যিনি ছিলেন একজন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। পরবর্তীকালে তিনি রকেট সায়েন্টিস্ট হিসাবে যোগদান করেন,তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের মহাকাশ গবেষণাকেন্দ্রে । ধিরে ধিরে তিনি প্রশিক্ষন নিয়ে হয়ে উঠেন একজন মহাকাশচারি।মোটামুটি ভাবে আমরা সবাই জানি মহাকাশে প্রতিটি দেশেরই কিছু স্যাটেলাইট এবং কিছু দেশের স্পেসেস্টেশন থাকে, সেখানে কিছু যান্ত্রিক সমস্যা দেখা দিলে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পৃথিবী থেকে ইঞ্জিনিয়ার দের মহাশূন্যে পাঠানো হয়।

সেই কারণে ১৯৯১ সালের মে মাসে ক্রিকালেভ কে পৃথিবী থেকে মহাশূন্যে পাঠানো হয় MIR স্পেস স্টেশনটির রুটিন চেক আপের জন্য। ক্রিকালেভ মহাশূন্যে পারি দেয়ার সময় থেকেই সোভিয়েত ইউনিয়ন জুরে শুরু হয় রাজনৈতিক চাপানউতর। ফলে ক্রিকালেভ যে মাত্র পাঁচ মাসের জন্য মহাশূন্যে থাকতে গেছিল।কিন্তু দেশের মধ্যে রাজনৈতিক ঝামেলা এবং বৈদেশিক চাপে ভেঙ্গে পড়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন, তৈরি হয় রাশিয়ান ফেডারেশন নামে এক নতুন দেশ, যার ফলে আগের সমস্ত কাজকর্ম স্থগিত হয়ে যায়।ক্রিকালেভের কাছে শুধু একটাই রেডিও বার্তা পৌছায়, এখন আর কেউ তোমার মিশনের দায়িত্বে নেই। এবার যতদিন না নতুন করে কেউ তোমার সাথে যোগাযোগ করে তুমি অপেক্ষা করো। এর পর পৃথিবীর সাধে সম্পুর্ন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।এবার ভাবুন পৃথিবী থেকে ৪০০-৪৫০০ কিলোমিটার উপরে আপনি শুধু একা, কথা বলার কেউ নেই, আর কোনো দিন পৃথিবীতে ফিরতে পারবেন কিনা তারও নিশ্চয়তা নেই।

          

      এদিকে খাবার ক্রমশ ফুরিয়ে আসছে, অক্সিজেন লেবেলও কমে আসছে, পৃথিবী থেকে সম্পূর্ণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। এবার ভাবুন রোজ ৪০০ কিলোমিটার উপর থেকে আপনি দিন ও রাত্রি হতে দেখছেন, প্রত্যেক দিন প্রায় ১৬ বার গোটা পৃথিবীর চারিদিকে ঘুরছেন,অথচ পৃথিবীর থেকে কেউ আপনার সাথে যোগাযোগ টুকু করছে না।এমন নির্জন এবং ভয়ঙ্কর জেলখানায় ৩১১ দিন কাটিয়েছেন ক্রিকালেভ।

   

     এবার আসি এর কারণ কি ছিল? পৃথিবী ছেড়ে যাওয়ার সময় ক্রিকালেভ ছিলেন সোভিয়েত ইউনিয়নের নাগরিক কিন্তু মহাশূন্যে থাকা কালীন সময়ে ক্রিকালেভর দেশটাই উধাও হয়ে গেছিল । পৃথিবী থেকে একটা গোটা দেশ উধাও হয়ে যায়, তাই টেকনিক্যালি ক্রিকালেভর কোনো দেশেরই নাগরিকত্ব ছিল না, তাই তাকে ফিরিয়ে আনতে কেউই উদ্যোগ নেয়নি।সে প্রতিদিন পৃথিবীতে রেডিও সিগন্যাল পাঠাতো যাতে অপর প্রান্ত থেকে কেউ সারা দেয়। এই ভাবেই কেটে যাক প্রায় দশটা মাস।

        

    অবশেষে আচমকা পৃথিবী থেকে সারা আসে এবং ১৯৯২ সালের মার্চ মাসে ৩১১   দিন মহাশূন্যে জেল কাটানোর পর পৃথিবীতে ফিরে আসেন। কিন্তু টানা প্রায় দশ মাস মহাশূন্যে থাকার ফলে ক্রিকালেভের চেহারা, ওজন, দৈহিক ক্ষমতা এবং মানসিক অবস্থা অনেকটাই পাল্টে যায়, প্রায় আট মাস সময় লেগেছে তাকে পুরোপুরি সুস্থ্য হতে।এর পরেও তিনি বহু বার মহাকাশে গেছেন। বর্তমানে তিনি রাশিয়ায় অবসর জীবন যাপন করছেন।


#science #astronaut #radiostation #SunitaWilliams #spacestation 

#sergei_krikalev 

#sovietunion #india

#bengali #astronautsinspace #astronautlife #fbpost #viral

আসেন এক জমিদারের নাতির পারিবারিক কাহিনী শুনি।  

 আসেন এক জমিদারের নাতির পারিবারিক কাহিনী শুনি।  


সেই কথিত জমিদারের নাম তজির উদ্দিন, বাড়ি পঞ্চগড় জেলার আটোয়ারি উপজেলার ৩ নং আলোয়াখোয়া ইউনিয়নে। এলাকার মানুষজন তাকে চিনতো “জুয়ারি তজির” নামে। তার নেশাই ছিলো জুয়া খেইলা বেড়ানো। তবে সেই জুয়া খেইলাও ভাগ্যের কোন খুব বেশি পরিবর্তন করতে পারেন নাই। ভিটে বাড়ি আর সাকুল্যে ৩/৪ বিঘা কৃষি জমিই ছিলো তার মোট সহায় সম্পত্তি। শেষ বয়সে অনেক কস্টে জীবন কাটাইসেন, কেননা তার ছয় সন্তানের কেউই তার দেখভাল করে নাই। 


তজির উদ্দিন ও তার স্ত্রী আকেদার তিন ছেলে ও তিন মেয়ে। ছেলেদের নাম রাজু, সাজু এবং শাহজাহান। মাশাল্লাহ তিনজনের একজনেরও স্থায়ী আয় উপার্জনের কোন বন্দোবস্ত নাই। টুকটাকা কৃষিকাজ আর এদিক সেদিক দালালি করে জীবন ধারণ করতো। মান্ধাতার আমলের টিনের ঘরে ছিলো তাদের বসবাস। মেঝ পোলা সাজু মিয়ার ঘরেই জন্ম নেয় আমাদের আলোচিত জমিদারের নাতি সারজিস আলম। 


সারজিসের নানাবাড়ি নোয়াখালী। স্বভাবতই প্রশ্ন আসতে পারে সাজু মিয়া লক্ষীপুর থেকে নোয়াখালী গিয়ে কিভাবে বিয়ে করলো? আসলে সাজু মিয়া যায় নাই। সারজিসের নানা মক্তবের হুজুর হিসেবে সারজিসদের এলাকাতেই থাকতো। উনার মেয়ে বাকেরাকে বিয়ে করে সারজিসের বাবা। তবে বিয়েটা সাধারণ বিয়ে ছিলো না, ছিলো সালিশী বিয়া। কারণ সারজিস তখন তার মায়ের পেটে। আর গভীরে গেলাম না, বুদ্ধিমানের জন্য ইশারাই কাফি! 


সারজিসের বাবা চলতো মূলত দালালি করে। বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, ভিজিএফ কার্ড, আশ্রয়ন প্রকল্পের বাড়ি এসব পাইয়ে দিবে বলে এলাকার নিরীহ লোকজনের থেকে টাকা নিয়ে মেরে দেয়াই ছিল তার মূল পেশা। ভুক্তভোগী অনেকে উপজেলা চেয়ারম্যান এবং ইউএনও এর কাছে লিখিত অভিযোগও করসে এটা নিয়ে। এর পাশাপাশি লুচ্চামি এবং লাম্পট্যের জন্যও উনি বিখ্যাত। বছর দুয়েক আগেও ক্লাস নাইনের এক মেয়েকে চাপে পড়ে বিয়ে করে ঘরে তুলসিলো, কিছুদিন পর আবার তাড়িয়েও দিসে। 


সারজিস পড়াশোনা করসে পাল্টাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে। বাপের পদাঙ্ক অনুসরণ করে ক্লাস নাইনে থাকতেই এক মেয়ের সাথে ইটিশ পিটিশ করার কারণে সালিশ-দরবার তার বিরুদ্ধেও হইসিলো। এসএসসি পাশ করার পর মানুষজনের অনুদানের টাকায় বিএএফ শাহীন কলেজে পড়তে ঢাকায় আসে। কলেজে পড়াকালীন থাকতো মেসে, চারজন মিলে এক রুম শেয়ার করে। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ৫ই আগস্ট পরবর্তী সেই জমিদারের নাতি সারজিসকে আপনারা সবাই চিনেন এবং জানেন।      


এবার সারজিসের বর্তমান হাল হকিকত নিয়ে কিছু বলি। ৫ই আগস্টের পর আলাদিনের চেরাগ পাওয়া সারজিসকে আর ঠেকায় কে? তার পরিবারকে পঞ্চগড় থেকে ঢাকায় নিয়ে আসছে। তাদের ঢাকায় এখন দুইটা বাসা। একটা এলিফ্যান্ট রোডের তেলের পাম্পের পাশে এবং আরেকটা সেগুন বাগিচায়। কিছুদিন আগে বিয়ে করসে স্কুল পড়ুয়া এক মেয়েকে, স্বভাবতই যেটা বাল্যবিবাহ হবার কথা। এর আগে অবশ্য ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া এক মেয়ের (সঙ্গত কারণেই নাম গোপন রাখলাম) সাথে দীর্ঘ প্রেমের সম্পর্ক ছিলো, মেয়ের বাবার নাম হামিদুল। হাতে টাকা কড়ি আসার পর সেই মেয়েকে বাদ দিয়ে বাচ্চা এক মেয়েকে বিয়ে করসে। সার্বক্ষনিক চলাচল করে হাইব্রিড এস্কোয়ার ব্রান্ডনিউ গাড়িতে। মাঝে মাঝে ল্যান্ডক্রুজারেও চড়তে দেখা যায়। 


সারজিসের বাপ ও চাচাদের দাপটে এলাকার মানুষজনের নাভিশ্বাস উঠার অবস্থা। বিশেষত যারা অভিযোগ করসিলো সেই ভুক্তভোগীরা এলাকাছাড়া। সারজিসের বাপ তো এখন বড় লেভেলের দালাল। পূর্ব অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সচিবালয়ে নানান তদ্বির, টেন্ডারবাজি, কমিশন আর বদলি বাণিজ্য করেই দিন কাটে তার। সারজিসের দুই মামা সুজন আর সুমনও সারজিসের কল্যাণে করে পিঠে খাচ্ছে। আর নিজে কি পরিমান কামাইসে সেটার হিসাব বের হইতে বেশিদিন সময় লাগবে না। দেখা যাবে তাদের কেউই প্রকাশ কইরা দিল ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে!  


এই হইলো আমাদের জমিদারের নাতি সারজিস আলমের আমলনামা। আর সে কিনা ফেসবুকে বক্তব্য দেয় তার দাদা যে পরিমাণ সম্পদ রেখে গেসে তা দিয়ে একটা ইলেকশনও করে ফেলতে পারবে! অল্প বয়সে একটা পোলা এতো বড় বাটপার কেমনে হয় সেটা নিয়ে কিছুটা দ্বিধায় ছিলাম। বাপের ঠিকুজি পাওয়ার পর সেই দ্বিধা ভঙ্গ হইসে। এ তো এক্কেরে বাপকা বেটা, সিপাইকা ঘোড়া। ভন্ডামি আর বাটপারি জন্মগত ভাবেই নিয়ে আসছে, বাকিটা ডাস্টবিন শফিকের ট্রেনিং!


(আপনি যা বলসেন তার প্রমাণ কি? উপরে ঠিকানা ঠিকুজি সব দেয়া আছে, ইচ্ছা থাকলেই খোঁজ নিতে পারবেন। আর নাইলে জমিদারের নাতিকে বলেন তার বাপ-দাদার ইনকাম ট্যাক্স ফাইলটা প্রকাশ করতে)

গোপন_টিপস: টমেটো, মরিচ, বেগুন, গোলাপ ইত্যাদি গাছকে শক্তিশালী ও অধিক ফলনশীল করার কৌশল:

 #গোপন_টিপস: টমেটো, মরিচ, বেগুন, গোলাপ ইত্যাদি গাছকে শক্তিশালী ও অধিক ফলনশীল করার কৌশল:

গাছের ভালো ফলনের জন্য পর্যাপ্ত পুষ্টি সরবরাহ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাসায়নিক সার ব্যবহার না করেও আপনি সহজেই প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে গাছের বৃদ্ধি ও উৎপাদন বাড়াতে পারেন। এখানে ব্যবহৃত প্রতিটি উপাদানের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা এবং এদের উপকারিতা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো—

🧪 উপাদান ও তাদের ভূমিকা--

১. এপসম লবণ (Epsom Salt) - ১ টেবিল চামচ:

✅ কেন দরকার?
👉এপসম লবণ ম্যাগনেশিয়াম সালফেট (MgSO₄) সমৃদ্ধ। ম্যাগনেশিয়াম গাছের ক্লোরোফিল গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, যা গাছের সবুজাভ ও সুস্থ বৃদ্ধি নিশ্চিত করে। এছাড়া, এটি ফুল ও ফলের গুণমান বৃদ্ধি করে।

↗️ উপকারিতা:
✅ গাছের সবুজ রং বৃদ্ধি করে, কারণ ম্যাগনেশিয়াম ফটোসিন্থেসিসে সহায়ক।
✅ টমেটো ও মরিচ গাছে অধিক পরিমাণে ফুল ও ফল ধরতে সাহায্য করে।
✅ সালফার গাছের এনজাইম সক্রিয়তা বাড়িয়ে ফসলের গুণগত মান বৃদ্ধি করে।

২. বেকিং সোডা (Baking Soda) - ১ টেবিল চামচ:

✅ কেন দরকার?
👉 বেকিং সোডা মাটির অম্লতা (pH) সামান্য হ্রাস করে, যা ছত্রাকজনিত রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। বিশেষ করে টমেটো ও বেগুনের পাতায় যে পাউডারি মিলডিউ, ব্লাইট ও ছত্রাকের আক্রমণ হয়, তা প্রতিরোধে এটি কার্যকর।

↗️ উপকারিতা:
✅ ছত্রাকজনিত রোগ কমায়।
✅ পাতা ও ফুলের রঙ সতেজ রাখে।
✅ মাটির অম্লতা নিয়ন্ত্রণ করে, যাতে গাছ প্রয়োজনীয় পুষ্টি সহজে গ্রহণ করতে পারে।

৩. ডিমের খোসা (Crushed Eggshells) - ১ টেবিল চামচ:

✅ কেন দরকার?
ডিমের খোসায় প্রচুর ক্যালসিয়াম কার্বোনেট (CaCO₃) থাকে, যা মাটির ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করে এবং ব্লোসসম-এন্ড রট (Blossom End Rot) প্রতিরোধ করে।

↗️ উপকারিতা:
✅ ফলের পচন (ব্লোসসম-এন্ড রট) প্রতিরোধ করে।
✅ মাটির ক্যালসিয়ামের পরিমাণ বৃদ্ধি করে, যা গাছের শিকড়কে মজবুত করে।
✅ এটি ধীরে ধীরে ক্ষয় হয়, ফলে দীর্ঘ সময় ধরে মাটিতে পুষ্টি সরবরাহ করে।

৪. কলার খোসা (Banana Peel) - ১টি (চূর্ণ করে):

✅ কেন দরকার?
👉কলার খোসায় প্রচুর পটাশিয়াম (K) ও ফসফরাস (P) থাকে, যা গাছের ফুল ও ফল ধরার হার বাড়ায় এবং গাছকে রোগ প্রতিরোধী করে।

↗️ উপকারিতা:
✅ ফলন বৃদ্ধি করে, কারণ পটাশিয়াম গাছের শক্তি উৎপাদনে সহায়তা করে।
✅ গাছের শিকড়ের বৃদ্ধি উন্নত করে এবং মাটির স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
✅ ফসফরাস গাছের ফুল ধরার হার বাড়িয়ে দ্রুত ফল ধরতে সাহায্য করে।

৫. ২ লিটার পানি।

🔄 কিভাবে ব্যবহার করবেন?

1️⃣ সব উপকরণ ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।
2️⃣ মিশ্রণটি ২৪ ঘণ্টা রেখে দিন, যাতে পুষ্টি ভালোভাবে পানির সাথে মিশে যায়।
3️⃣ প্রতি ২ সপ্তাহ পর পর গাছের গোড়ায় এই তরল সার ঢালুন।
4️⃣ সকালবেলা বা সন্ধ্যায় প্রয়োগ করুন, যাতে রোদে পুষ্টি নষ্ট না হয়।

🌱 অতিরিক্ত টিপস:

✅ মালচিং (Mulch) ব্যবহার করুন: গাছের গোড়ায় খড়, শুকনো পাতা বা কাঠের গুঁড়ো বিছিয়ে রাখলে মাটির আর্দ্রতা ধরে রাখা সহজ হয়।
✅ সঠিক জলসেচ দিন: বেশি পানি দিলে শিকড় পচে যেতে পারে, তাই নিয়ন্ত্রিতভাবে পানি দিন।
✅ গাছের পুরনো ও হলুদ পাতাগুলো ছেঁটে ফেলুন, যাতে বাতাস চলাচল ভালো হয় এবং রোগ কমে।
✅ টমেটো, মরিচ, ও বেগুন গাছে খুঁটি দিন, যাতে গাছের ডাল ভেঙে না যায়।

↗️এই প্রাকৃতিক সার কেন গুরুত্বপূর্ণ?

✅ এটি সম্পূর্ণ জৈবিক, ফলে মাটির স্বাস্থ্য নষ্ট হয় না।
✅ রাসায়নিক সারের তুলনায় সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব।
✅ দীর্ঘমেয়াদে মাটির গুণমান বাড়ায় ও ফসলের স্বাদ উন্নত করে।
✅ ফলন বেশি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত হয়।

↗️ উপসংহার:
এই প্রাকৃতিক সারটি টমেটো, মরিচ, বেগুন ইত্যাদি গাছের জন্য অত্যন্ত কার্যকর। এটি গাছের বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ফলন নিশ্চিত করে। নিয়মিত এই মিশ্রণ ব্যবহার করলে আপনি সহজেই উচ্চ ফলনশীল, স্বাস্থ্যকর ও সুগন্ধি সবজি উৎপাদন করতে পারবেন!

আপনার সবজির বাগানে এই মিশ্রণ ব্যবহার করে দারুণ ফলাফল পেতে পারেন! 🌿🍅🫑🍆🧅

#প্রাকৃতিকসার #সবজিবাগান #জৈবসার #গার্ডেনিং #অর্গানিকফার্মিং @topfans #everyonefollowers

সকলের জন্য শুভ কামনা -- চাষা আলামিন জুয়েল।

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...