এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৫

চার্লি চ্যাপলিন।

 ১৯৭২ সালে ৮৩ বছর বয়সে যখন অস্কার নিতে মঞ্চে ওঠেন , টানা বারো মিনিট হাততালির ঝড় বয়ে যায় অস্কার মঞ্চে। অস্কারের ইতিহাসে সেটাই ছিল দীর্ঘতম অভ্যর্থনা। আবেগে প্রায় কিছুই তিনি বলতে পারেননি সে দিন। 


ব্রিটিশ এই কিংবদন্তি মাত্র ১৮ বছর বয়সে ইংল্যান্ডে কুড়ানো তুমুল জনপ্রিয়তাকে সঙ্গী করে পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে। সেই দেশ কত চেয়েছে তাকে নাগরিকত্ব দিতে। তিনি নেননি। তিনি কখনই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হতে চাননি। পরে যুক্তরাষ্ট্র একসময় 'কমিউনিস্ট' বলে 'গালি দিয়ে' তার জন্য দরজা বন্ধ করে দেয়। তাই বাকি জীবন কাটানোর জন্য তিনি বেছে নিয়েছিলেন সুইজারল্যান্ডকে। 


যখন খ্যাতির শীর্ষে তখন একবার দুই দিনের জন্য জন্মভূমি ইংল্যান্ডে গেলেন। আর এই সময়ের মধ্যে ঘটে গেল অবাক কাণ্ড। মাত্র দু’দিনে তাঁর কাছে প্রায় ৭৩ হাজার চিঠি আসে !


তাঁর আত্মজীবনীতে লিখেছেন, তাঁর কাছে সৌন্দর্য মানে নর্দমায় ভেসে যাওয়া একটা গোলাপ ফুল। এই যে বীভৎস দ্বন্দ্ব থেকে সৃষ্টি হওয়া সৌন্দর্য, এখানেই বাস্তবতার সব নিষ্ঠুর দরজা খুলে যায়। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি দুঃসহ শৈশব বয়ে নিয়ে বেড়িয়েছেন। যেখানে তাঁর মাতাল বাবা, মাকে নির্যাতন করত ছোট্ট শিশুটির সামনেই। একসময় সেই বাবা মাকে ছেড়ে যায়, তাতে সামান্য সময়ের জন্য হাঁপ ছেড়ে বাঁচেন । কিন্তু কতক্ষণের জন্য? পরেরবার খিদে লাগার আগেপর্যন্ত! 


মা কখনও সস্তা নাটকে অভিনয় করতেন, কখনও সেলাই করতেন, কখনও বা মা–ছেলে মিলে ভিক্ষা করতেন। কখনও নরম নিষ্পাপ হাতে দিব্যি চুরি করতেন। এর মাঝেই অসুখে পড়ে ভুগে মারা যান মা। আর তাঁর নির্বাক কমেডি নাড়া দিতে থাকে সমগ্র ইংল্যান্ডকে। তাই তো তিনি বলেছেন, সত্যিকারের কমেডি তখনই করা যায়, যখন নিজের সব দুঃখ, বঞ্চনা সফলভাবে গিলে ফেলা যায়। 


আর তাঁর জনপ্রিয়তা ?


রাশিয়ার এক ভক্ত নভোবিজ্ঞানী তাঁর আবিষ্কৃত উপগ্রহের নাম রাখেন ৩৬২৩ চ্যাপলিন ! আর এদিকে জাঁদরেল চলচ্চিত্র নির্মাতা জঁ লুক গদার চ্যাপলিনকে তুলনা করেছিলেন লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির সঙ্গে।


তিনি কমেডিয়ান নন, অভিনেতা নন, সব ছাপিয়ে তিনি মহান শিল্পীর ঢিলেঢালা কোট গায়ে এক তুখোড় বিপ্লবী। তিনি চার্লি চ্যাপলিন।

ধ্রুবতারা ধ্রুব নয় - তা নিজেও পরিবর্তিত হয়

 ধ্রুবতারা ধ্রুব নয় - তা নিজেও পরিবর্তিত হয়


ধ্রুবতারা - নামটি শুনলেই উত্তর দিগন্তের খুব স্বপ্লোজ্জ্বল মিটিমিটি করে জ্বলতে থাকা একটি তারার কথা মনে হয়। সুদূর প্রাচীনকাল থেকেই এ তারাটি খুব বিখ্যাত, পরিচিত। কারণ, রাতের আকাশে অন্য সকল তারাদেরকে আমরা স্হান পরিবর্তন করতে দেখলেও, এটিই একমাত্র তারা যাকে খালি চোখে স্হান পরিবর্তন করতে দেখা যায় না। তাই, রাতের অন্ধকার, গহীন জঙ্গল কিংবা অন্ধকার গভীর মহাসাগরে নাবিকরা এ ধ্রুবতারাকে লক্ষ্য করে দিক চিহ্নিত করে যাত্রা করতেন। যুগের পর যুগ কিংবা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ধ্রুবতারাকে অপরিবর্তিত দেখালেও কালের পরিক্রমায় ধ্রুবতারারও স্হান পরিবর্তিত হয়। শুধু তাই না, ধ্রুবতারারুপে যে তারা দেখি সেখানে অন্য তারাও চলে আসে! কিভাবে, তা জানার আগে প্রথমে কিছু বিষয় সম্পর্কে দেখি।


ধ্রুবতারার পরিচয়


রাতের আকাশে অন্য সকল তারার মতোই ধ্রুবতারাও একটি সাধারণ তারা ই। এর ইংরেজী নাম Polaris এবং এটি উরসা মাইনর নক্ষত্রমন্ডলের সবচেয়ে উজ্জ্বল তারা বিধায় সে হিসেবে এর নাম আলফা উরসা মাইনোরিস। এর বাংলা নাম ধ্রুবতারা দেবার কারণ হলো, এর অপরিবর্তনীয় ধ্রুব অবস্হান। পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৪৪০ আলোকবর্ষ। এটি আকারে ও ভরে প্রায় আমাদের সূর্যের মতোই। তবে এর পৃষ্ঠ তাপমাত্রা সে তুলনায় খানিকটা বেশি। তাই মোটের উপর এর উজ্জ্বলতা সূর্যাপেক্ষা খানিকটা বেশি।


ধ্রুবতারা কেন ধ্রুব? কেন একে সর্বদা একই স্হানে দেখা যায়?


আমরা আকাশের সকল তারাকেই পূর্ব আকাশে উদীত হয়ে পশ্চিম আকাশে অস্ত যেতে দেখি কেন? কারণ, পৃথিবী তার নিজ অক্ষে ক্রমাগত পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে ঘুরছে। একই সাথে পৃথিবীপৃষ্ঠ গোলাকার হওয়ায় আমরা বিষুবীয় অঞ্চল থেকে যেসব তারাদের খাঁড়া মাথার উপর দিয়ে অতিক্রম করতে দেখি, যদি উত্তর মেরুর দিকে অগ্রসর হতে থাকি, তবে সেসব তারাদেরাে ক্রমেই দক্ষিণ দিকে হেলে আকাশ অতিক্রম করতে দেখবো। একইভাবে, যদি দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হই, তবে তাদেরকে উত্তর আকাশে হেলে অতিক্রম করতে দেখবো। এখন, যদি আমরা বিষুবী অঞ্চল হতে ক্রমেই উত্তর দিকে যেতে থাকি এবং একেবারে পৃথিবীর ঘূর্ণন অক্ষের উত্তর মেরুবিন্দুতে পৌঁছে যাই, তবে দেখবে ধ্রুবতারা ঠিক আমাদের মাথার উপরে এবং তার চারপাশে তাকে কেন্দ্র করেই সকল তারারা যেন ঘুরছে।


এর অর্থ হচ্ছে, পৃথিবী নিজ অক্ষে ঘুরার কারণে তার ঘূর্ণন অক্ষ মহাশূণ্যের দিকে ঠিক সে বরাবর মুখ করে রয়েছে, যে বরাবর পোলারিস অবস্থিত। অন্যকথায়, আমাদের স্বাপেক্ষে ধ্রুবতারার অবস্হান মহাশূণ্যে এমন জায়গায়, পৃথিবীর ঘূর্ণন অক্ষের উত্তর মেরু যেন ঠিক সে বরাবরই মুখ করে রয়েছে। তাই, আমাদের চোখে ইল্যুশন আকারে ধ্রুবতারাকে অপরিবর্তনীয় অবস্হায় অবস্থান করতে দেখায় এবং এ কারণেই এর বাংলা নাম ধ্রুবতারা।


ধ্রুবতারা কি আকাশে সত্যিই স্হির?

উত্তর হচ্ছে, না। ধ্রুবতারাকে একটি বৃত্তাকার পথে ঘুরতে দেখায়। কিন্তু তা খুবই খুবই ক্ষুদ্র পথে। পৃথিবীর ঘূর্ণন অক্ষের উত্তর মেরু বিন্দু মহাশূণ্যের দিকে ঠিক যে রেখা বা, বিন্দু বরাবর অবস্থিত, ধ্রুবতারা সে বিন্দু হতে প্রায় ০.৭° দূরে অবস্থিত। উদাহরণস্বরূপ, আমরা রাতের আকাশে চাঁদকে যে গোলাকার চাকতির আকারে দেখি, তার ব্যাস প্রায় ০.৫°। অর্থ্যাৎ, যদি আমরা ধরি, দৃশ্যমান চাঁদের ব্যাসের এক প্রান্ত বরাবর পৃথিবীর ঘূর্ণন অক্ষের উত্তর মেরুরেখা অবস্হিত, তবে ধ্রুবতারার অবস্হান হবে চাঁদের ব্যাসের অপর প্রান্ত থেকেও খানিকটা দূরে। প্রতিদিন তাই পৃথিবী নিজ অক্ষে ঘুরার কারণে ধ্রুবতারাও আকাশে একটি বৃত্তাকার পথে আবর্তন করে। তবে খালি চোখে এটি বোঝা যায় না। কারণ, এ পথ খুবই ক্ষুদ্র। তবে স্টার ট্রেইল ফটোগ্রাফির মাধ্যমে বোঝা যায়।


কিন্তু মজার বিষয় হলো, ধ্রুবতারার নিজের অবস্হানও ধ্রুব নয়! প্রায় ২৭,০০০ বছর পর পর তার স্হান পরিবর্তিত হয়। অর্থ্যাৎ, প্রতি ২৭,০০০ বছর পর পর ধ্রুবতারা নামে আমরা যে তারা দেখি, সেখানেই অন্য তারাকে ধ্রুবতারারুপে দেখা যায়। কিভাবে ও কেন তা ঘটে, সে সম্পর্কে পরবর্তী পোষ্টে আলোচনা করা হবে।


বিষয়টি আমার প্রকাশিত জ্যোতির্বিজ্ঞানে হাতেখড়ি বই থেকে নেয়া।

দিনাজপুরের ঘুঘুডাঙ্গা ইউনিয়নের বাস্তব ঘটনার উপর ভিত্তি করে

 ⛔তিনটি হাড়ি⛔


(✍️দিনাজপুরের ঘুঘুডাঙ্গা ইউনিয়নের বাস্তব ঘটনার উপর ভিত্তি করে✍️)


দিনাজপুর জেলার ঘুঘুডাঙ্গা ইউনিয়নের উত্তর পাশে এক অখ্যাত গ্রাম—ভোঁপাড়ী। মানুষের মুখে মুখে ফেরে এই গ্রামের এক পোড়োবাড়ির ভয়াল গল্প। আজ থেকে প্রায় ৫০ বছর আগে এখানে ঘটে গিয়েছিল এমন একটি ঘটনা, যা রাত হলেই বাতাসে চাপা কান্না আর ফিসফাস হয়ে ফিরে আসে। আর সেই গল্পের কেন্দ্রবিন্দু—তিনটি হাড়ি এবং তাতে বন্দি তিনটি জীন।


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকসংস্কৃতি বিভাগের গবেষক রফিকুল হক লোককাহিনি ও গ্রামীণ তন্ত্র-মন্ত্র নিয়ে গবেষণা করছিলেন। তার সঙ্গে ছিল দুই ছাত্র, তানিম ও মারুফ। তারা খবর পান, দিনাজপুরের ঘুঘুডাঙ্গা ইউনিয়নের ভোঁপাড়ী গ্রামে একটি পোড়োবাড়ি আছে যেখানে নাকি তিনটি জীন বন্দি।


গ্রামে পৌঁছে তারা সাক্ষাৎ পান বৃদ্ধ আজাহার আলীর সাথে। তিনি একমাত্র ব্যক্তি যিনি ১৯৭২ সালের সেই অভিশপ্ত ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী। তার চোখে যেন ধরা পড়ে সত্তর বছরের হতভাগ্য ইতিহাস। তিনি বলেন:


> “ওই হাড়িগুলো কেউ ছোঁয় না। খোদা কসম, যেই ছুঁয়েছে, তার আর দুনিয়ায় ফেরা হয়নি। ওদের নাম নিলেও শরীর কাঁপে। হাড়ির ভেতরে বন্দি করা হয়েছে তিনটা জীন—ইবলিস, হাফসা আর রায়ান। ওরা একেকজন একেক রকম বিভীষিকার প্রতীক।”


রফিকুল এই সাবধানবাণীকে গবেষণার অতিরঞ্জন ভেবে উড়িয়ে দেন। তারা সেদিন রাতে পোড়োবাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। গ্রামের লোকেরা বারবার নিষেধ করলেও তিনজনের কৌতূহল ছিল দমে যাওয়ার নয়।


পোড়োবাড়ির রান্নাঘরে তারা খুঁজে পান তিনটি মাটির হাড়ি। প্রতিটির গায়ে খোদাই করা আছে জটিল আরবি লিপি, কুফরি মন্ত্র ও প্রতিটি জীনের নাম। সেই সাথে প্রতিটি হাড়ির ঢাকনার ওপরে একটি সিলমোহর খোদাই করা ছিল—একটি চোখ, একটি সাপ ও একটি থুতনিবিহীন মুখ।


আজাহার আলী ব্যাখ্যা করেন, “এই প্রতীকগুলো জীনদের ক্ষমতা বোঝায়। চোখ প্রতীক ইবলিসের—সে মানুষের অন্তরের ঘৃণা ও লোভ দেখে। সাপ প্রতীক হাফসার—সে কাম ও মায়ার বিষ ছড়ায়। আর থুতনিবিহীন মুখ রায়ানের—কারণ সে কণ্ঠরুদ্ধ মৃত্যুর প্রতীক।”


তারা একে একে খুলে ফেলে তিনটি হাড়ির ঢাকনা। বাতাস হঠাৎ ভারী হয়ে ওঠে, আর ঘরের মোমবাতির আলো নিভে যায়।


ইবলিস—আগুনের জীন, ছিল মধ্যপ্রাচ্যের প্রাচীন আগ্নেয়গিরির গুহায়। সে একসময় এক রাজাকে হিংস্র করে তুলেছিল, যার ফলে এক রাতেই ৩০০ মানুষ মারা যায়।


হাফসা—সুন্দরী নারীজীন, একসময় একজন তুর্কি সুফি সাধকের শিষ্যবেশে ঢুকে তার জীবন ধ্বংস করে দেয়। সে বিভ্রান্তির দেবী, পুরুষদের মন থেকে সংসারের ভালোবাসা শুষে নেয়।


রায়ান—ছায়ার জীন, ছিল পারস্যের এক সমাধিতে। একবার সে একজন শিশুকে প্রতি রাতে স্বপ্নে এসে কাঁদতে বাধ্য করেছিল। ৩৬ দিন পরে সেই শিশু ঘুমেই মারা যায়।


এই তিন জীনকে বন্দি করেছিলেন আফগান তান্ত্রিক আল-খাত্তাব। তিনি ১৯৭১ সালে যুদ্ধ শেষে গ্রামে এসে গোপন সাধনায় লিপ্ত হন। সাত রাতের কুফরি মন্ত্রে, নিজের রক্ত দিয়ে বানান তিনটি সিলমোহর। তিনি সতর্ক করে বলেছিলেন, “এই মুদ্রা না ভাঙা পর্যন্ত ওরা বন্দি থাকবে। তবে যারা এগুলো ভাঙবে, তারাই হবে ওদের পরবর্তী বাসস্থান।”


রাত ৩টার দিকে পোড়োবাড়ি কেঁপে ওঠে। তানিম চিৎকার করে বলে, “আমার চোখ! আমি দেখতে পাচ্ছি আগুন!” তার মুখ গলে যায়, হাড় বেরিয়ে পড়ে। মারুফ খালি চোখে দেখে হাফসাকে, তার হাত ধরে সে এগোয় এবং বাড়ির ছাদ থেকে লাফ দেয়। তার দেহ খুঁজে পাওয়া যায় দিঘির পাশে, ঠোঁটে হাসি।


রফিকুল অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায় বটগাছের নিচে। তার জ্ঞান ফিরে আসে পরবর্তী সপ্তাহে, কিন্তু সে তখন ছিল দিনাজপুর মানসিক হাসপাতালে।


ডা. শওকত হাসান, যিনি তখন হাসপাতালের ইনচার্জ ছিলেন, জানান:


> “রফিকুল সারা দিন দেয়ালের দিকে তাকিয়ে থাকত। সে বারবার বলে, ‘ওরা এখন আমার ভিতরে... আমার চোখ দিয়ে দেখছে... আমার কণ্ঠ দিয়ে বলছে।’ আমরা তাকে থেরাপি দিয়েছি, কিন্তু কিছুদিন পর সে সম্পূর্ণ নির্বাক হয়ে যায়। শুধু মাঝে মাঝে সে হাড়ির মতো ঠোঁট গোল করে ফুঁ দেয়, যেন কিছু ফেরাচ্ছে।”


রহিম চাচা:


> “আমার বাবা বলত, রাতে ওই বাড়ির জানালা থেকে এক শিশু হাত বাড়িয়ে দিত। কিন্তু সেখানে তো কেউ থাকে না। ১৯৯১ সালে আমার মামা ওই বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়ার পর পাগল হয়ে যায়।”


হাজেরা খালা:


> “আমরা ছোট থাকতে রাতে হাড়ির ঢাকনা খুলে হালকা আওয়াজ পেতাম। মা বলতেন, ‘চুপ করো, হাফসা গান ধরেছে।’”


মৃত গোরস্থান পাহারাদারের ছেলে, জব্বার:


> “আমার আব্বা বলতেন, ওই পোড়োবাড়ির ভেতরে তিনটা ছায়া হাটে। তারা নাম ধরে ডাকে। একবার তুমি সাড়া দিলে, আর ফিরে আসা হয় না।”


ভোঁপাড়ী গ্রামের লোকেরা জানে, এই ঘটনা বানানো নয়। তার প্রমাণ—আজও কেউ পোড়োবাড়ির পাশ দিয়ে যায় না। বাড়ির দেয়ালে রক্তে লেখা দেখা যায় আরবি শব্দ—"اخرج من هنا" (এখান থেকে চলে যাও)। রাত নামলেই বাতাস ভারী হয়ে ওঠে, এবং তিনটি হাড়ির গল্প আবার নিঃশব্দে ফিরে আসে।


আমাদের সমাজে এমন কিছু ঘটনা আছে, যেগুলো বিশ্বাস হওয়ার মতো নয়। কিন্তু বিশ্বাস করা না করা সম্পূর্ণ আপনার ব্যাপার।


যার সাথে ঘটে, শুধু সে-ই জানে—ভয়ের গভীরতা কতটা হতে পারে।


#সংগৃহীত

মার্সে প্রাচীন সভ্যতা ছিল? হার্ভার্ড বিজ্ঞানীর চাঞ্চল্যকর দাবি! 

 মার্সে প্রাচীন সভ্যতা ছিল? হার্ভার্ড বিজ্ঞানীর চাঞ্চল্যকর দাবি! 

🚀 এক অজানা সভ্যতার রহস্য

একজন হার্ভার্ড বিজ্ঞানী ড. জন ব্র্যান্ডেনবার্গ দাবি করেছেন যে মঙ্গল গ্রহে (Mars) একসময় একটি উন্নত প্রাচীন সভ্যতা ছিল, যা একটি পরমাণু হামলায় ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল! তার মতে, মঙ্গলের মাটিতে ইউরেনিয়াম ও থোরিয়ামের অস্বাভাবিক মাত্রা এবং লাল গ্রহের বায়ুমণ্ডলে নিউক্লিয়ার বিস্ফোরণের চিহ্ন এই তত্ত্বকে সমর্থন করে।  

💥 এলিয়েন আক্রমণের ইঙ্গিত?

ড. ব্র্যান্ডেনবার্গের গবেষণা অনুযায়ী, মঙ্গলের সিভিলাইজেশন হয়তো কোনো শক্তিশালী extraterrestrial (বহিঃস্থ প্রাণী) জাতির দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিল। তিনি মঙ্গলের কিছু এলাকায় "গ্লাসি" পৃষ্ঠের সন্ধান পেয়েছেন, যা পৃথিবীতে পরমাণু পরীক্ষার স্থানের মতো দেখতে।  

🔍 বিজ্ঞানী সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়া

এই দাবি নিয়ে বিজ্ঞানীমহলে বিতর্ক চলছে। অনেকেই এটিকে কনস্পিরেসি থিওরি বলে উড়িয়ে দিচ্ছেন, আবার কেউ কেউ মনে করছেন মঙ্গল নিয়ে আরও গভীর গবেষণা প্রয়োজন। নাসার Perseverance রোভার ও ভবিষ্যতের মিশন হয়তো এই রহস্যের সমাধান করতে পারে।  

🌌 মার্সের রহস্য উন্মোচনে আগ্রহী?  

মঙ্গলগ্রহ নিয়ে মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। ড. ব্র্যান্ডেনবার্গের এই দাবি যদি সত্যি হয়, তাহলে এটি মানব ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আবিষ্কারগুলোর একটি হতে পারে!  


#মঙ্গল #Mars #এলিয়েন #Alien #নিউক্লিয়ারহামলা #AncientCivilization #SpaceMystery #হ্যার্ভার্ড #ConspiracyTheory #বিজ্ঞান  


📌 আপনার মতামত জানান!মার্সে সভ্যতা ছিল বলে আপনি কি বিশ্বাস করেন? কমেন্টে লিখুন! 👇

সিঙ্গাপুরে একটি স্কুলের প্রিন্সিপাল পরীক্ষার আগে অভিভাবকদের কাছে একটি চিঠি লিখেছেন, চিঠিটির বাংলায় অনুবাদ :

 সিঙ্গাপুরে একটি স্কুলের প্রিন্সিপাল পরীক্ষার আগে অভিভাবকদের কাছে একটি চিঠি লিখেছেন, চিঠিটির বাংলায় অনুবাদ :


প্রিয় অভিভাবক,

কয়েক দিনের মধ্যেই আপনার সন্তানের পরীক্ষা শুরু হবে। আমি জানি, আপনারা খুব আশা করছেন যে, আপনাদের ছেলে-মেয়েরা পরীক্ষায় খুব ভালো রেজাল্ট করবে।


👉একটা বিষয় মনে রাখবেন যে, যারা পরীক্ষা দিতে বসবে, তাদের মধ্যে একজন নিশ্চয়ই ভবিষ্যতে শিল্পী হবে, যার গণিত শেখার কোনো দরকার নেই।


👉একজন নিশ্চয়ই ভবিষ্যতে উদ্যোক্তা হবে, যার ইতিহাস কিংবা ইংরেজি সাহিত্যে পাণ্ডিত্যের প্রয়োজন নেই।


👉একজন সংগীতশিল্পী হবে, যে রসায়নে কত নম্বর পেয়েছে তাতে তাঁর ভবিষ্যতে কিছু আসে-যায় না ৷


👉একজন খেলোয়াড় হবে, তাঁর শারীরিক দক্ষতা পদার্থবিজ্ঞান থেকে বেশি জরুরি।


👉যদি আপনার ছেলে বা মেয়ে পরীক্ষায় খুব ভালো নম্বর পায়, সেটা হবে খুবই চমৎকার। কিন্তু যদি না পায়, তাহলে প্লিজ, তাদের নিজেদের ওপর বিশ্বাস কিংবা সম্মানটুকু কেড়ে নেবেন না।


👉তাদেরকে বুঝিয়ে বলবেন যে, পরীক্ষার নম্বর নিয়ে যেন তারা মাথা না ঘামায়, এটা তো একটা পরীক্ষা ছাড়া আর কিছুই নয়। তাদেরকে জীবনে আরো অনেক বড় কিছু করার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।


👉আপনি আপনার সন্তানকে আজই বলুন যে, সে পরীক্ষায় যত নম্বরই পাক, আপনি সব সময় তাকে ভালোবাসেন এবং কখনোই পরীক্ষার নম্বর দিয়ে তার বিচার করবেন না!


👉প্লিজ, এই কাজটি করুন, যখন এটা করবেন দেখবেন যে, আপনার সন্তান একদিন পৃথিবীটাকে জয় করবে!


👉একটি পরীক্ষা কিংবা একটি পরীক্ষায় কম নম্বর কখনোই তাদের স্বপ্ন কিংবা মেধা কেড়ে নিতে পারবে না ৷


👉প্লিজ, আরেকটা কথা মনে রাখবেন যে, এই পৃথিবীতে কেবল ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, অফিসার, প্রফেসর বা আইনজীবীরাই একমাত্ৰ সুখী মানুষ নন!

পৃথিবীর শেষ প্রান্ত নরওয়ের ”প্রাইকেস্টোলেন

 পৃথিবীর শেষ প্রান্ত নরওয়ের ”প্রাইকেস্টোলেন



♦️কখনো কি মনে প্রশ্ন জাগে যে আমাদের এই পৃথিবীর শেষ কোথায়? বা আসলেই পৃথিবীর কোনো শেষ আছে কিনা? একজন মানুষের পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত যেতে কতক্ষন সময় লাগতে পারে? অনেকেই হয়তো ভাবতে পারেন পুরো পৃথিবী পাড়ি দিতে একজন মানুষের সারা জীবন কেটে যাবে। যেহেতু পৃথিবীটা গোলাকার, তাই এর শেষ প্রান্ত বলে আসলে কিছু নেই, এমন ধারণাও আমাদের মধ্যে কাজ করে। কিন্তু আমাদের গ্রহটা যেহেতু গোলাকার, তাই এর শেষ প্রান্ত বলে আসলে কিছু নেই। তবে নরওয়েতে একটি পাহাড় চূড়া আছে, যেখানে গেলে মনে হবে আপনি হয়তো পৃথিবীর শেষ প্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছেন। এই জায়গার নাম ‘প্রাইকেস্টোলেন’। এটি ‘পালপিট রক’ হিসেবেও পরিচিত।


♦️প্রাইকেস্টোলেন নরওয়ের বিখ্যাত পর্যটন কেন্দ্র। প্রাইকেস্টোলেন নামের অপার্থিব এই জায়গাটি নরওয়ের রোগাল্যান্ড প্রদেশের স্ট্র্যান্ড পৌরসভায় অবস্থিত। এটি একটি পাহাড়ের একটি খাড়া ধার যা লিউসেফর্ড থেকে ৬০৪ মিটার অর্থাৎ এক হাজার ৯৮২ ফুট উপরে অবস্থিত। প্রাইকেস্টোলেন একটি দীর্ঘ সরু সামুদ্রিক খাঁড়ির পাশে অবস্থিত।ধারণা করা হয়, প্রায় ১০ হাজার বছর আগে বরফ যুগে সুবিশাল হিমবাহের প্রভাবে জায়গাটি এমন আকৃতি লাভ করেছে। অতীতে প্যাগান ধর্মের লোকেরা এখানে উপাসনা করতো। ১৯০০ সালে সর্বপ্রথম এই জায়গায় পর্যটন ব্যবস্থা চালু হয়। দুই হাজার ফুট উঁচুতে থাকা পাহাড়চূড়াটি প্রায় ৮২ বর্গ ফুট প্রশস্ত। এখানে পৌঁছাতে পায়ে হেঁটে প্রায় চার কিলোমিটার পাহাড়ি পথ পাড়ি দিতে হয়।প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অক্ষুণ্ণ রাখতে এখানে কোনো পরিবেষ্টনী দেয়া হয়নি। এর ফলে দর্শনার্থীরা ভয়ংকর সৌন্দর্য সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারে। শীতকালে এখানকার শ্বেতশুভ্র প্রকৃতি দেখে মনেই হবে না এটি আমাদের গ্রহের কোনো জায়গা। বিখ্যাত ট্রাভেল গাইড প্রতিষ্ঠান লোনলি প্ল্যানেটের মতে, প্রাইকেস্টোলেন পৃথিবীর সবচেয়ে শ্বাসরুদ্ধকর ভিউ পয়েন্ট।


 ♦️এমনিতেই নরওয়ের বাতাস পৃথিবীর সবচেয়ে বিশুদ্ধ বাতাসগুলোর মধ্যে অন্যতম। তার মধ্যে পালপিট রক এলাকার বাতাস বিশুদ্ধতম। সেজন্য এখানকার বাতাস বোতলজাত করে বিক্রিও করা হয়। এখানকার আট লিটারের বোতল বাতাসের দাম প্রায় এক হাজার ৫০০ টাকা।দুঃসাহসী পর্যটকেরা নানা রকমের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এখানকার রোমাঞ্চ আরো বাড়িয়ে নিতে পারে। বেস জাম্পিং, উইংসুট, রোপ ওয়াকিং, ক্লিফ হ্যাঙ্গিং বা ফ্রি হ্যাঙ্গিংয়ের মতো নানান ধরনের একশন স্পোর্টস বেশ জনপ্রিয়। সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক পপ কালচারের মাধ্যমে বিশেষ এই প্রাকৃতিক জায়গাটি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।


♦️২০১৪ সালে ভাইকিংস টেলিভিশন ধারাবাহিকের একটি দৃশ্য এখানে ধারণ করা হয়। সেখানে দেখা যায়, গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র পালপিট রকের কিনারায় বসে আছে। ২০১৭ সালে মিশন ইম্পসিবল ৬ চলচ্চিত্রের শুটিংয়ের কারণে প্রাইকেস্টোলেন এক সপ্তাহ পর্যটকদের জন্য বন্ধ ছিল। হলিউড অভিনেতা টম ক্রুজকে এখানে দুর্দান্ত অ্যাকশন দৃশ্যে অভিনয় করতে দেখা যায়।তারপর থেকে প্রতিবছর প্রায় তিন লাখেরও বেশি লোক প্রাইকেস্টোলেনে ঘুরতে আসে নয়নাভিরাম। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে জায়গাটির বিখ্যাত পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। শুধু প্রাইকেস্টোলেনই নয়, নরওয়েসহ সমগ্র স্ক্যান্ডিনেভিয়া অঞ্চলই ছবির মতো সুন্দর।


#sciencefacts #norway #norwaytravel

মেডোরিনাম

 📢📢📢📢📢  মেডোরিনাম


📢📢📢📢📢

.

মেডোরিনাম একটি নোসোড এবং হোমিওপ্যাথিক মেটেরিয়া মেডিকার অন্যতম শ্রেষ্ঠ পলিক্রেষ্ট ঔষধ। গনোরিয়া ভাইরাস থেকে এটি প্রস্তুত করা হয়। মেডোরিনাম হল সাইকোটিক মায়াজমের জীবন্ত প্রতিরূপ। জীবনে যে বয়সে সংগ্রাম করার ক্ষমতা, মনোভাব লক্ষিত হয় তখন সোরা কিন্তু যখন মোকাবেলা করার মনোভাব হারিয়ে আপোস করে চলার মনোভাব এসে যায় তখন সেটাকে সাইকোসিস অবস্থা বলতে পারেন। সুস্থ  প্রতিযোগীতা বাদ দিয়ে নীতিহীন ভাবে জেতার বা টিকে থাকার চেষ্টা হচ্ছে সাইকোসিস। সোরা হচ্ছে সাইকোসিসের মা। একজন সুস্থ যুবক অবৈধ মেলামেশার ফলে গনোরিয়ায় আক্রান্ত হলে দ্রুত সারার জন্য ইঞ্জেকশনের মতো ভুল চিকিৎসায় সুস্থ্যতার নামে সাইকোসিসে আক্রান্ত হচ্ছে। যার ফলে দৈহিক ও মানসিক সকল ক্রিয়াসমূহে অত্যন্ত দুর্বলতা দেখা দেয়।


উৎসঃ    নোসোড।


প্রুভারঃ ডা. সোয়ান অতঃপর ডা. এলেন,

           রেনডেল, ফিংক, নর্টন, ফ্যারিংটন, ফ্রন্ট।


মায়াজমঃ এন্টিসোরিক, এন্টিসাইকোটিক,

              এন্টিসিফিলিটিক, এন্টি-টিউবারকুলার। 


কাতরতাঃ প্রথম অবস্থায় গরমকাতর।

               টিউবারকুলার অবস্থায় শীতকাতর

             (পরিণতির কারণে শীতকাতর হয়ে পড়ে)


পার্শ্বঃ   উপরে ডানপার্শ্ব, নিচে বাম পার্শ্ব।


নির্দেশক / চরিত্রগত লক্ষণঃ

১. বংশগত প্রমেহদোষ ও উপযুক্ত ঔষধের

    ব্যর্থতা।

২. জ্বালা, ব্যথা ও স্পর্শকাতরতা।

৩. ব্যস্ততা ও ক্রন্দনশীলতা।

৪. সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত মেডোরিনামের

    বৃদ্ধি। পাখার বাতাস ভালো লাগে। সকালে

    খারাপ থাকে, বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত খুব

    ভালো থাকে।

৫. গনোরিয়ার প্রাথমিক অবস্থা অপেক্ষা

    গনোরিয়ার কুফল বা গনোরিয়ার গৌণ

    অবস্থায় মেডোরিনাম অধিক ফলপ্রদ।

৬. হাতে পায়ে জ্বালা, ব্রক্ষতালুতে জ্বালা,

    প্রদাহযুক্ত স্থানে জ্বালা, হিমাঙ্গ অবস্থাতেও

    জ্বালা।

৭. মেডোরিনাম অত্যন্ত গরমকাতর বটে কিন্তু

    অবস্থা বিশেষে বাতের ব্যথা গরম প্রয়োগেই

    প্রশমিত হয়।

৮. মেডোরিনামের পায়ের তলাটি বড়ই

    স্পর্শকাতর হয় যাহার ফলে সে হাটিতে পারে

    না। ইহার পায়ের তলায় যে কড়া হয় তাহা

    অতীব স্পর্শকাতর।

৯. মেডোরিনামের একটি বিশেষ লক্ষণ হাটু এবং

     কনুইয়ে ভর করে থাকলে শ্বাসকষ্টের উপসর্গ

     হ্রাস পায়।

১০. সাইকোসিসের পীড়া দিনের বেলায় বৃদ্ধি পায়,

       গ্রীষ্মকালে বৃদ্ধি পায় কিন্তু বর্ষাকালে এই

       রোগী অনেকটা ভালই থাকে তাহার বাত

       পীড়াটি ব্যতীত।

১১. মেডোরিনাম থুজার চাইতে খোলামেলা, বেশি

       বেহায়া।

১২. দীর্ঘ মেয়াদী চিকিৎসা দিলে সমস্যা, কারণ

      এদের সব কিছুতে তাড়াহুড়া। রোগ সারতে

      দেরি হলে অধৈর্য্য হয়ে যায়, দ্রুত ফল চায়।

১৩. কোন শিশু বিকলাঙ্গ বা নির্বোধ হলে যদি

      দেখা যায় সেই শিশুর বাবা মা বিশেষ করে মা

      গরমকাতর, পিপসা বেশী, ঘাম বেশী, পাখার

      বাতাস খুব পছন্দ করে তবে সেই শিশুকে

      মেডোরিনাম দিলে দারুণ কাজ করে।

১৪. মেডোরিনামের শিশু গ্রীষ্মকাল আসিলেই

       নানাবিধ পেটের পীড়ায় কষ্ট পাইতে থাকে।

১৫. সারা শরীরে চুল, লবণ, ঝাল, টক, মিষ্টি, চর্বি

       একযোগে পছন্দ হলে মেডোরিনাম ভাবুন।

১৬. খুব সতর্ক দৃষ্টি। মুখ মন্ডল তৈলাক্ত,

       চকচকে।

১৭. অবরুদ্ধ প্রমেহের কুফলে বাত হইলে ইহা

       একটি প্রথম শ্রেণীর ঔষধ।

১৮. মাথা ঘোরা এত প্রবল যে প্রায় প্রত্যেক

       রোগীর মধ্যে ইহা বর্তমান থাকে।

১৯. মেডোরিনামের রোগীর বজ্রপাতের সময়

       তাহার পদদেশে একটা বেদনা অনুভূতি হয়।

২০. সমুদ্র তীরে তাহার স্বাস্থ্যের উন্নতি।

২১. খুব বেশি পিপসা কিন্তু জ্বরের কোন অবস্থায়

        পিপাসা থাকে না।

২২. প্রচণ্ড ক্ষুধা। সে খায় দায় অথচ শুকিয়ে যায়।

২৩. সহজে ঠাণ্ডা লাগে, সর্দি তাহার নাসিকাতে

      সর্বদাই থাকে। শীতকালে পায়ের তলায় ঘর্ম

      হয়।

২৪. মাসিকের সময় প্রচণ্ড কষ্ট হয়, যৌনসম্ভোগে

      কোন আনন্দ পান না, দেহে ও মনে শুধু 

      কষ্ট আর যন্ত্রণা।

২৫. ঘন ঘন মূত্র ত্যাগ, শয্যা মূত্র, ক্ষীণ মূত্র ধারা,

       অতি মূত্র বা ডায়াবেটিকস।

২৬. প্রচণ্ড কোষ্ঠকাঠিন্য, পিছন দিকে অনেকটা

      হেলে চাপ দিলে তবে মল ত্যাগ হয়।

২৭. গাড়ী বা নৌকা ভ্রমনে শিরপীড়া  ও গা বমি

      বমি ভাব।

২৮. মাদকাশক্তি নিরসনে এটি একটি উপকারী

       ঔষধ।

২৯. স্রাবের দাগ কাপড় হইতে ধুইয়া ফেলিলেও

       উঠিতে চাহে না।

৩০. এই রোগীর হিমাঙ্গ অবস্থায় ঘর্ম হইতে থাকে

       তবুও বাতাস চায়।

৩১. চক্ষু প্রদাহে আলোক একেবারে অসহ্য।

৩২. মেডোরিনামের রোগী হাঁটুর উপর ভার দিয়া

      বালিশে মুখ গুঁজিয়া শুইলে উপশম। বাতের

      ব্যথা নড়াচড়ায় বৃদ্ধি পায়। আক্রান্ত স্থান

      টিপিয়া দিলে উপশম।

৩৩. ঘন ঘন স্বপ্নদোষ, ধাতুদৌর্বল্য, ধ্বজভঙ্গ

      পীড়াতে ইহার ব্যবহার বড়ই ফলপ্রদ।


মানসিক চরিতগতঃ

১. স্মৃতিশক্তি এত দুর্বল যে, কথা কহিতে কহিতেই

    ভুলিয়া যায় সে কি বলিতেছিল। বহু পরিচিত

    লোকের নাম বা ঠিকানা মনে থাকে না। কখনও

    কখনও রোগী নিজের নাম ভুলে যায়।

২. মেডোরিনাম রোগ যন্ত্রণায় অস্হির হইয়া এবং

     মৃত্যুভয়ে কাতর হইয়া কাঁদিতে থাকে, প্রার্থনা

     করিতে থাকে। ব্যাকুলতা, উদ্বেগ ও আশঙ্কা। 

৩. রোগী না কাঁদিয়া বা চক্ষুর জল না ফেলিয়া

     কিছুই বলিতে পারে না।

৪. অত্যন্ত বাচালতা। শরীরের সর্বত্র পোকা হাঁটার

     অনুভূতি।

৫. যেন কেহ তাহার পিছনে দাঁড়াইয়া আছে, যেন

    কেহ ফিস-ফিস করিয়া তাহাকে কি বলিতেছে।

    যেন কেহ তাহাকে আসবাবপত্রের পিছন থেকে

    দেখছে।

৬. শিশুরা গায়ে হাত দেওয়া পছন্দ করে না।

৭. অযোগ্যতাকে ঢেকে রাখার জন্য মনে উদ্বেগ

    কাজ করে তখন উদ্বেগের বহিঃপ্রকাশ স্বরূপ

    সারাক্ষণ পা নাড়ায় বার বার হাত ধোয়।

   টেনশন হলে বার বার দাঁত দিয়ে নখ কাটে। মনে

   অপরাধ বোধ কাজ করে বার বার হাত পরিষ্কার

    করার মধ্য দিয়ে এটা প্রকাশ পায়।

৮. এদের মেজাজ কর্কশ, অহংকারী, স্বার্থপর ও

    কৃপণ, সমালোচনা দিয়ে নিজের দুর্বলতাকে

    আড়াল করার চেষ্টা করে।

৯. কারো সাথে সাক্ষাতের সময় নির্ধারণ করা

    থাকলে, যতোক্ষণ সে মানুষের সাক্ষাত না হয়

    ততোক্ষণ এরা অস্হির হয়ে থাকে পায়চারী

    করতে থাকে দেখা হলে সব ঠিক।

১০. অন্যমনষ্ক থাকে ফলে হঠাৎ কোন শব্দ হলে

      বা ধাক্কা লাগলে চমকে উঠে। এই রোগীর

      পীড়ার কথা মনে পড়িলে বৃদ্ধি। 

১১. এরা যেমন নিষ্ঠুর হয় তেমনি দয়ালু,

       অতিথিপরায়ন হয়। স্নানে ইচ্ছা। 

১২. যেহেতু সারাক্ষণ ক্ষতির আশঙ্কায় থাকে তাই

       ভয়ের স্বপ্ন দেখে, কুকুর,  সাপ কামড়াচ্ছে

       ইত্যাদি।

১৩. এই ঔষধের কোন কোন রোগী সহজেই

       রাগান্বিত হয় আবার কোন কোন রোগী

       পালসের মত অতিশয় বিনয় নম্র এবং শীতল

       মেজাজের হইয়া থাকে।

১৪. দ্রুত কথা বলে বা কাজ করে। হিংস্র, নীচ

       মন, কঠোর আবেগ প্রবণ।

১৫. বজ্র, ভূত, প্রেত, জীন প্রভৃতি এবং অন্ধকার

      রাত্রির ভীতি তাহার মধ্যে অতি উত্তমরূপেই

      লক্ষিত হয়।


ইচ্ছাঃ লবন, ঝাল, মিষ্টি, তামাক, উত্তেজক পদার্থ


বৃদ্ধিঃ ঠাণ্ডায়, দিবাভাগে, সূর্যোদয় হতে সূর্যাস্ত

         পর্যন্ত, ভোর ৩ - ৪ টায়, স্পর্শে, বন্ধ ঘরে,

         রোগের চিন্তায়, বজ্রপাতে ও ঝড়ের পূর্বে।


হ্রাসঃ মুক্ত হাওয়ায়, সূর্যাস্তে, পেটের উপর শয়নে,

         পিছনে বাঁকলে, পাখার বাতাসে, খুব জোরে

         ঘর্ষণে, সমুদ্রতীরে।


সতর্কতাঃ

১. ডা. বোরিক বলেন - এই নোসোড ঔষধটি

    অবশ্যই ঘনঘন পুনঃপ্রয়োগ করবে না।

আপনি একজন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক হলে, এলোপ্যাথি চিকিৎসার এদিক গুলো আপনার জানা দরকার।

 আপনি একজন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক হলে, এলোপ্যাথি চিকিৎসার এদিক গুলো আপনার জানা দরকার।

এতে করে আপনি রোগীকে এবং সাধারণ মানুষকে বোঝাতে সক্ষম হবেন, কেন এলোপ্যাথি চিকিৎসার চাইতে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নিরাপদ। 


এলোপ্যাথি চিকিৎসার ভয়ংকর দিকগুলি:

১. পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (Side Effects)

প্রায় সব এলোপ্যাথিক ওষুধেরই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকে। যেমন:

অ্যান্টিবায়োটিকস লিভার ও কিডনির ওপর প্রভাব ফেলে।


পেইন কিলার (NSAIDs) গ্যাস্ট্রিক আলসার, কিডনি সমস্যা বা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।


স্টেরয়েডস ব্যবহারে হরমোনাল ভারসাম্যহীনতা, হাড় ক্ষয়, ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।


২. রেসিস্ট্যান্স (Drug Resistance)

অতিরিক্ত বা অযথা অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে ব্যাকটেরিয়া রেজিস্ট্যান্ট হয়ে যায়, ফলে পরবর্তীতে কার্যকর চিকিৎসা কঠিন হয়ে পড়ে।


উদাহরণ: MRSA (Methicillin-Resistant Staphylococcus Aureus)—একটি অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্ট ব্যাকটেরিয়া।


৩. ইমিউন সিস্টেমে প্রভাব (Impact on Immunity)


কিছু ওষুধ যেমন কেমোথেরাপি বা ইমিউনোসাপ্রেসেন্ট ড্রাগস রোগীর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল করে ফেলে, ফলে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে।


৪. লং-টার্ম ডিপেন্ডেন্সি (Long-term Dependency)

অনেক এলোপ্যাথিক ওষুধ দীর্ঘমেয়াদে গ্রহণ করলে রোগী নির্ভরশীল হয়ে পড়ে।


যেমন: অ্যান্টি-ডিপ্রেসেন্টস, স্লিপিং পিলস, ইত্যাদি।


৫. অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ক্ষতি (Organ Toxicity)

দীর্ঘমেয়াদি ওষুধ ব্যবহারে লিভার, কিডনি, হার্ট ইত্যাদি অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।


উদাহরণ: Paracetamol-এর অতিরিক্ত ডোজ লিভার ফেইলিওর ঘটাতে পারে।


৬. হিউম্যান মাইক্রোবায়োমে প্রভাব (Effect on Gut Microbiome)


অনেক ওষুধ, বিশেষ করে অ্যান্টিবায়োটিক, শরীরের উপকারী ব্যাকটেরিয়াও ধ্বংস করে ফেলে, যা পাচন ও রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।


শুধু একজন চিকিৎসকের নয় বরং সাধারণ মানুষেরও খারাপ দিক গুলোর কথা জানা দরকার।

একজন হোমিওপ্যাথি ডাক্তারের এ বিষয়গুলো জানতেই হবে: 

 একজন হোমিওপ্যাথি ডাক্তারের এ বিষয়গুলো জানতেই হবে: 


১। হোমিওপ্যাথি বিরোধী:

"হোমিওপ্যাথিক ওষুধে তো কার্যকর কোনো রাসায়নিক উপাদান থাকে না! এত পাতলা করে দেওয়া হয় যে কিছুই থাকে না। কিভাবে তা কাজ করে?"


হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার:

আপনি ঠিকই বলেছেন, হোমিওপ্যাথিক ওষুধ অনেক উচ্চমাত্রায় ডাইলিউট করা হয়। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে—এই ওষুধে ন্যানোপর্যায়ে মূল পদার্থের কণিকা (nanoparticles) থেকে যায় যা কোষে গিয়ে কাজ করে।

২০১০ সালে IIT Bombay-এর গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, এসব কণিকা সক্রিয় থাকে এবং জৈবিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। কাজেই, এটি কেবল জল নয়, বরং তথ্যবাহক (information carrier) হিসেবে কাজ করে।


২। হোমিওপ্যাথি বিরোধী:

"হোমিওপ্যাথি আসলে প্লাসেবো—মনস্তাত্ত্বিক ভরসা ছাড়া আর কিছু নয়।"


হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার:

এই বক্তব্য  সঠিক নয়। যদি প্লাসেবো হতো, তাহলে শিশুরা, পশুপাখি কিংবা অচেতন রোগীদের ক্ষেত্রে ফলাফল কীভাবে আসে?

Arnica, Belladonna, Aconite ইত্যাদি ওষুধ ব্যবহারে এমন রোগীদের মধ্যে দ্রুত আরোগ্যের প্রমাণ পাওয়া গেছে, যেখানে কোনো মানসিক প্রত্যাশা ছিল না।

এছাড়া বহু ডাবল-ব্লাইন্ড ট্রায়াল এবং মেটা-অ্যানালাইসিসেও হোমিওপ্যাথির কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়েছে।


৩। হোমিওপ্যাথি বিরোধী:

"তবে তো গবেষণা কম। প্রমাণ তো বেশি নেই।"


হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার:

বর্তমানে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে হাজার হাজার হোমিওপ্যাথিক গবেষণা হয়েছে ও হচ্ছে।

উদাহরণস্বরূপ, Swiss Health Technology Assessment (2011) রিপোর্টে হোমিওপ্যাথিকে নিরাপদ, কার্যকর এবং ব্যয়সাশ্রয়ী চিকিৎসা পদ্ধতি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

ভারত, জার্মানি, ব্রাজিল, ইউকে সহ বহু দেশে সরকারিভাবে হোমিওপ্যাথিক হাসপাতাল ও গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে।


৪। হোমিওপ্যাথি বিরোধী :

"হোমিওপ্যাথি ধীরে কাজ করে—তীব্র বা জটিল রোগে তো সময় নেই!"


হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার:

এটি একটি ভুল ধারণা। হোমিওপ্যাথি ধীরে কাজ করে ক্রনিক বা পুরনো রোগে, কারণ রোগ অনেক গভীরে যায়। আর এসব রোগ হোমিওপ্যাথিতে নির্মূল হয় কিন্তু এ্যালোপ্যাথিতে আরোগ্য হয়না শুধু উপশম হয় মাত্র। তাহলে কাজ দ্রুত কোন চিকিৎসা করলো? নিশ্চিয় হোমিওপ্যাথি।  তাছাড়া একিউট রোগে (যেমন জ্বর, সর্দি, ব্যথা, ইনফ্লুয়েঞ্জা, খাদ্যে বিষক্রিয়া) হোমিওপ্যাথিক ওষুধ দ্রুত ফল দেয়।

যেমন: Colocynthis দিয়ে পেট ব্যথা ১০ মিনিটের মধ্যে উপশম হতে দেখা গেছে। Pantago দিয়ে কানের ব্যাথা ২মিনিটে আরোগ্য হতে দেখা গেছে। 


৫। হোমিওপ্যাথি বিরোধী :

"তুমি বললে, এক রোগে একাধিক ব্যক্তির ভিন্ন-ভিন্ন ওষুধ হতে পারে। এতে তো চিকিৎসা পদ্ধতির নিশ্চয়তা নেই!"


হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার:

বরং এখানেই হোমিওপ্যাথির বৈজ্ঞানিক সৌন্দর্য। এটি Individualization-এর উপর ভিত্তি করে, যেটা আধুনিক Personalized Medicine-এর ধারণার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।

উদাহরণস্বরূপ, তিনজন ডিপ্রেশনের রোগীকে তিনটি ভিন্ন ওষুধ (যেমন: Ignatia, Natrum Mur, Aurum Met) দেওয়া হতে পারে, কারণ তাদের মানসিক অবস্থা ও অভিজ্ঞতা আলাদা।


৫। হোমিওপ্যাথি বিরোধী:

"তবে হোমিওপ্যাথির নিজস্ব প্রতিরোধমূলক শক্তি তৈরির কোনো প্রমাণ আছে?"


হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার:

অবশ্যই। হোমিওপ্যাথিতে Nosodes নামক ওষুধ থাকে, যেগুলো রোগের জীবাণু থেকেই তৈরি—যেমন Tuberculinum, Psorinum, Influenzinum।

এটি অনেকটা ভ্যাকসিনের মতোই: জীবাণুকে ক্ষীণমাত্রায় প্রয়োগ করে শরীরের নিজস্ব প্রতিরোধ ক্ষমতা সক্রিয় করা হয়।

তফাৎ শুধু এতটুকু, হোমিওপ্যাথিতে এটা করা হয় potentization পদ্ধতিতে, ইনজেকশন বা কৃত্রিম রাসায়নিক নয়।


মোটকথা: 

 হোমিওপ্যাথি আধুনিক বিজ্ঞানের আলোয় তার যথাযথ যুক্তি দাঁড় করাচ্ছে এবং বিজ্ঞান যত উন্নত হবে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসাই, প্রকৃত চিকিৎসা তার প্রমাণিত হবে। সত্যের পিছনে সর্বযুগে পুঁজিবাদীরা ষড়যন্ত্র করছে করবেই, তবে সত্য বিজয়ী হবেই হবে ইনশাআল্লাহ! ✌️💪


আপনাদেরকে কেউ কি এ ধরনের বিভ্রান্তিমূলক যুক্তি দেয়, তাহলে  কমেন্ট করে জানান @সেরা ফ্যান।

হ্যানিম্যান হোমিওপ্যাথির জনকের ২৭০তম জন্মদিনের শুভেচ্ছা

 হ্যানিম্যান

হোমিওপ্যাথির জনকের ২৭০তম জন্মদিনের শুভেচ্ছা



সে সময় ছিল একা, ছিলো না আলো,

চিকিৎসার নামে চলতো কেবল দেহে বিষের ঢল।

চিকিৎসক হয়েও হৃদয়টা তার কাঁদতো,

রোগী বাঁচে না কেন?—প্রশ্নে প্রাণটা দগ্ধ হতো।


হ্যানিম্যান! এক নাম, এক বিপ্লবের ধ্বনি,

যে শুনলো প্রকৃতির ভাষা, নিঃশব্দ ও ধ্বনি।

“সমরূপে সমারোগ”—তোমার সেই তত্ত্ব,

বদলে দিলো চিকিৎসা, জাগালো নতুন রক্ত।


তুমি লিখলে Organon, এক-একটি বাক্যে আস্থা,

প্রতিটি শব্দ যেন মানবতার প্রতি এক ভালোবাসা।

তুমি বললে, “রোগী নয়, রোগের কারণ ধরো,”

চিকিৎসা নয়, করো আরোগ্য—এই হৃদয় দিয়ে চলো।


তোমার পথে ছিলো কাঁটা, বিদ্রূপ আর তুচ্ছতা,

তবু তুমি দমে যাওনি—নেতৃত্বে ছিলো নিষ্ঠা।

ছোট ছোট ডোজ, অথচ তার প্রগাঢ় প্রভাব,

বিজ্ঞানীরা চমকে যায়, তবু হৃদয়ে তার স্নেহস্নান।


আজও ঘরে ঘরে বাজে তোমার পদধ্বনি,

হোমিওপ্যাথির প্রতিটি বর্ণে লেখা তোমার ঋণ।

তুমি নেই, তবু আছো, প্রতিটি বোতলে প্রাণ,

যেখানে রোগ নয়, রোগীকে দেখা হয়—সেই খানেই হ্যানিম্যান।


ডা:মো:জাকির হোসেন

বি এইচ এম এস ( ঢাবি)


বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...