এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৫

প্রচণ্ড গরম পরেছে... পাশের সারির সিটে বসেছিল দুই ছেলে... দুজনই ছাত্র... কৌতূহল নিয়ে দেখছি কি করে!!

 🔴🔴 প্রচণ্ড গরম পরেছে... পাশের সারির সিটে বসেছিল দুই ছেলে... দুজনই ছাত্র...


কৌতূহল নিয়ে দেখছি কি করে!!


হাফ লিটার (৫০০ মি.লি) পানির বোতলে প্রথমে এক প্যাকেট খাবার স্যালাইন ঢালল... একটু ঝাঁকি দিল... এরপর আরেক প্যাকেট স্যালাইন বের করল... সব মিলে দুই প্যাকেট স্যালাইন ঢালল ঐ হাফ লিটার পানির মধ্যেই...


জিজ্ঞাসা করলাম, ভাই দুই প্যাকেট কেন ঢাললেন?


- এক প্যাকেটে অত স্বাদ পাওয়া যায় না... তাছাড়া যে গরম পড়েছে, তাতে বেশি খাওয়াই ভাল।


এরকম ভুল প্রায় লোকই করে... সবাই ভাবে, স্যালাইনই তো... কি আর হবে!! কিন্তু এটা যে কত মারাত্মক ভুল, তা বেশিরভাগ লোকই জানে না...


বিশেষ করে বাচ্চাদের ক্ষেত্রে তো আরো বেশি বিপদজনক...


কয়েক মাস আগের কথা... ডায়রিয়া হওয়ার পর খিঁচুনি নিয়ে এক বাচ্চাকে হাসপাতালে নিয়ে এসেছে।


একটু সন্দেহ হল... জিজ্ঞাসা করলাম, কি খাওয়াইছেন বাবুকে?


- কেন? স্যালাইন।


- বানাইছেন কিভাবে?


- হাফ গ্লাসের মত পানিতে এক প্যাকেট স্যালাইন গুলছি।


- নিয়ম তো হাফ লিটার বা আধা সের পানিতে স্যালাইন গুলানো। কিন্তু হাফ গ্লাস পানিতে কেন?


- ছোট বাচ্চা, অত আর স্যালাইন খেতে পারবে?


তাড়াতাড়ি বাচ্চাকে মেডিকেলে রেফার করে দিলাম। অল্প পানিতে স্যালাইন গুলানোর কারণে বেশি ঘনত্বের লবণ শরীরের ভেতরে গিয়ে লবনের পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এর ফলে খিচুনি শুরু হয়েছে, যা খুবই মারাত্মক... কিডনি নষ্ট হওয়া থেকে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।


এভাবে অনেক বাচ্চা মারা যায় ডায়রিয়ার কারণে নয়, ভুলভাবে স্যালাইন বানানোর কারণে।


মনে রাখা উচিত, খাবার স্যালাইন কোন সাধারণ পানীয় নয় যে ইচ্ছেমত খাবেন। এটি ওষুধ... বমি, পাতলা পায়খানা বা গরমের ফলে প্রচন্ডরকম ঘেমে শরীর থেকে যে পানি, লবণ বের হয়ে যায়, তা পূরণ করার জন্য এটি খাওয়া হয়।


এটি নির্দিষ্ট নিয়মেই গুলতে হবে... ছোট-বড় সবার জন্য একই নিয়মে বানাতে হবে... আধা সের বা হাফ লিটার পানির মধ্যে পুরো এক প্যাকেট মিশিয়ে স্যালাইন দ্রবন প্রস্তুত করতে হবে। তবেই তা শরীরে গিয়ে কাজ করবে।


এর কম পানিতে বানালে লবনের ঘনত্ব বেড়ে গিয়ে কিডনির ক্ষতি করবে... বেশি পানিতে বানালে লবনের ঘনত্ব কমে গিয়ে সঠিকভাবে ঘাটতি পূরণ হবে না।


একবার স্যালাইন বানালে, তা সর্বোচ্চ বারো ঘণ্টা পর্যন্ত রাখা যায়, তবে ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত রাখতেও অনেকে পরামর্শ দেন।


কখনো হাফ প্যাকেট স্যালাইন, এক গ্লাস পানি- এভাবে বানাবেন না... কিংবা পরবর্তিতে বানানোর জন্য প্যাকেটে কিছু স্যালাইন রেখেও দিবেন না... এক প্যাকেট দিয়ে একসাথে হাফ লিটারই বানাবেন...


একবার বানানোর পর, বয়স ও প্রয়োজনভেদে যতটুকু দরকার, সেখান থেকে নিয়ে সেভাবে খাবেন। শেষ হয়ে গেলে আবার হাফ লিটার পানিতে এক প্যাকেট গুলিয়ে নতুন করে বানাবেন।


ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, কিডনি রোগ কিংবা হার্টের রুগীর ক্ষেত্রে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে স্যালাইন খাবেন।


আর হ্যাঁ, বাজারে "টেস্টি স্যালাইন" নামক যা পাওয়া যায়, সেগুলো অবশ্যই খাওয়া যাবে না.. এগুলোতে মাত্রার কোন ঠিক তো নেই-ই, এর পাশাপাশি ওষুধ প্রশাসনেরও কোন অনুমোদন নেই। বরং ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে অনেক কোম্পানির টেস্টি স্যালাইনে স্যাকারিন ও কাপড়ের রং পর্যন্ত পাওয়া গেছে।


Dr.Taraki Hasan Mehedi

MBBS

হোমো সেপিয়েন্স প্রথম আফ্রিকায় উদ্ভব হয়েছিল ৩ লক্ষ বছরেরও বেশি আগে। 

 আজ আমাদের প্রজাতি পৃথিবীর প্রতিটি মহাদেশে বাস করে। কিন্তু সবসময় এমন ছিল না। চলুন জেনে নিই, হোমো সেপিয়েন্স কিভাবে আফ্রিকা থেকে বের হয়ে বিশ্বের অন্যান্য জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে আর এই যাত্রায় তারা অন্য যেসব মানব প্রজাতির সাথে দেখা করেছিল সেগুলো নিয়েও।


হোমো সেপিয়েন্স প্রথম আফ্রিকায় উদ্ভব হয়েছিল ৩ লক্ষ বছরেরও বেশি আগে। অনেকদিন ধরে আমাদের প্রজাতি শুধু আফ্রিকাতেই ছিল। কিন্তু শত শত হাজার বছর ধরে হোমো সেপিয়েন্স ধীরে ধীরে আরব, এশিয়া এবং শেষ পর্যন্ত পুরো পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে। এই যাত্রাটা খুব একটা সহজ ছিল না এবং সোজা পথেও হয়নি। এটা একধরনের গল্প যেখানে ছিল ভুল শুরু, হারিয়ে যাওয়া জনসংখ্যা, বিলুপ্ত মানব প্রজাতি এবং বিশাল দূরত্বের কাহিনি। এটা এমন একটা গল্প যা বারবার বদলাচ্ছে, নতুন ফসিল আবিষ্কারের মাধ্যমে যেগুলো মানব বিবর্তনের টাইমলাইনকে নতুনভাবে ব্যাখ্যা করে। শেষ পর্যন্ত, এই যাত্রা পুরো পৃথিবীকে বদলে দেয়।


হোমো সেপিয়েন্স কেন আফ্রিকা ছেড়ে চলে যায়? — 


হোমো সেপিয়েন্স কেন প্রথমে আফ্রিকা ছাড়ে, সেটা এখনো পরিষ্কার না। যদিও অনেক থিওরি আছে, কিন্তু ধারণা করা হয় জলবায়ুর পরিবর্তন এর সবচেয়ে ভালো ব্যাখ্যা হতে পারে। আমাদের মানব বিবর্তন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ক্রিস স্ট্রিংগার বলেন, গরম ও আর্দ্র আবহাওয়া হয়তো প্রাচীন মানুষদের মাইগ্রেট করতে উৎসাহিত করেছিল।ধারণা করা হয়, আফ্রিকা থেকে বেরিয়ে আসা হোমো সেপিয়েন্সরা গরমের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে পারত কিন্তু খুব শুকনো পরিবেশে টিকতে পারত না। তাই সম্ভবত আবহাওয়া সাময়িকভাবে কিছুটা উষ্ণ ও আর্দ্র হয়েছিল পশ্চিম এশিয়ায়। অথবা হতে পারে উত্তর আফ্রিকার কিছু অংশ আরও শুষ্ক হয়ে উঠেছিল যেটা মানুষদের ওই অঞ্চল ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য করেছিল। যেভাবেই হোক, এই বিষয়গুলো হয়তো ছোট ছোট দলকে আফ্রিকা ছাড়তে প্ররোচিত করেছিল বা বাধ্য করেছিল। মনে রাখতে হবে, তখন তারা নতুন জায়গা খুঁজতে বের হয়নি তারা শুধুই তাদের খাবারের জোগানে হেঁটে চলছিল।আবহাওয়ার পরিবর্তনের ফলে গাছপালা এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় জন্মাতো আর যেসব পশু এই গাছ খেত তারাও সেই পথে যেত। প্রাচীন মানুষরাও সেই পশুদের অনুসরণ করত ফলে তারা নতুন অচেনা জায়গায় গিয়ে পড়ত।


আগে মনে করা হতো আমাদের প্রজাতি একবারই আফ্রিকা ছেড়েছিল অনেক আগের কোনো এক সময়। কিন্তু সাম্প্রতিক আবিষ্কার এই ধারণা পুরোপুরি বদলে দিয়েছে। প্রাচীন আধুনিক মানুষের ডিএনএ বিশ্লেষণ বলছে শত শত হাজার বছরের ব্যবধানে বহুবার মানুষ আফ্রিকা ছেড়েছে। এই মাইগ্রেশনগুলোর বেশিরভাগই শেষ পর্যন্ত টিকে থাকেনি অর্থাৎ তারা আমাদের পূর্বপুরুষ না। কিন্তু তারা ফসিল আর পুরাতাত্ত্বিক প্রমাণ রেখে গেছে যেগুলো প্রমাণ করে তারা অনেক দূর পর্যন্ত গিয়েছিল এবং হাজার হাজার বছর টিকে ছিল। আগে এইগুলোকে ব্যর্থ অভিবাসন বলা হতো কিন্তু এখন বিজ্ঞানীরা এই পথিকদের গুরুত্ব নতুন করে বুঝছেন।


আফ্রিকা ছাড়ার একটা সম্ভাব্য পথ হলো সিনাই আর আরব উপদ্বীপ দিয়ে। আফ্রিকা আর ইউরেশিয়ার একমাত্র স্থলপথ ধরে হেঁটে হেঁটে হোমো সেপিয়েন্স মাইগ্রেট করতে পারত কোনো সমুদ্র পার হওয়ার দরকার পড়ত না। আজকে যেটা গরম আর শুষ্ক আরব উপদ্বীপ, তা আগে এমন ছিল না। সেখানে প্রাচীন হ্রদের চিহ্ন পাওয়া গেছে। যেমন নেফুদ মরুভূমির খাল্ল আমাইশান ৪ (KAM-4) জায়গায়। এই জায়গায় দেখা যায় ৪ লক্ষ বছর থেকে ৫৫ হাজার বছরের মধ্যে অন্তত ৫ বার সেখানে স্থায়ী মিঠা পানির হ্রদ ছিল। এই জায়গায় পাওয়া পাথরের অস্ত্র থেকে বোঝা যায়, শুধু হোমো সেপিয়েন্স না আরও পুরোনো প্রজাতিরাও সেখানে বাস করেছিল যারা আমাদের আগে আফ্রিকা ছেড়েছিল।


ক্রিস বলেন, এই মাইগ্রেশন এক ধাপে ঘটেনি। তারা ধাপে ধাপে এগিয়ে গেছে একটা জায়গায় অনেকদিন থেকেছে তারপর আরেকবার আবহাওয়ার পরিবর্তনে সামনে এগিয়েছে। এই যাত্রা ছিল খুবই কঠিন কারণ তারা নতুন আবহাওয়া, নতুন পশু আর নতুন রোগের মুখোমুখি হয়েছিল। আর আফ্রিকা থেকে যেসব ছোট ছোট দল বের হচ্ছিল তাদের মধ্যে জেনেটিক বৈচিত্র্যও কম ছিল ফলে অভিযোজন ক্ষমতাও কম ছিল। হোমো সেপিয়েন্স যখন আফ্রিকার বাইরে এগোতে থাকে তারা একটা অন্য মানব প্রজাতির মুখোমুখি হয় নিয়ান্ডারথালদের।


হোমো সেপিয়েন্স আর নিয়ান্ডারথালদের সাক্ষাৎ —


নিয়ান্ডারথাল, অর্থাৎ হোমো নিয়ান্ডারথালেনসিস, একটা বিলুপ্ত মানব প্রজাতি, যারা ইউরোপ আর এশিয়ায় ৪ লক্ষ থেকে ৪০ হাজার বছর আগে পর্যন্ত ছিল। যদিও নিয়ান্ডারথাল আর হোমো সেপিয়েন্স আলাদা প্রজাতি তারা একে অপরের খুব কাছাকাছি আত্মীয় বা প্রজাতি।

এমনকি কাছাকাছি প্রজাতি হলে তাদের মাঝে সন্তানও হতে পারে। নিয়ান্ডারথালদের জিনোম বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, আমাদের দুই প্রজাতির মধ্যে প্রাচীন সময়ে প্রজনন হয়েছিল যার প্রমাণ শত শত হাজার বছরের পুরোনো। মানব দেহে কয়েক ধরনের ডিএনএ থাকে। একটা হলো নিউক্লিয়ার ডিএনএ যা বাবা-মা উভয় থেকে পাওয়া যায় আর একটা মাইটোকন্ড্রিয়াল ডিএনএ যেটা শুধু মায়ের দিক থেকে আসে। জার্মানিতে পাওয়া একটা নিয়ান্ডারথালের পা-এরর হাড় বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রায় ২৭০,০০০ বছর আগে হোমো সেপিয়েন্স আর নিয়ান্ডারথালের মধ্যে প্রজনন হয়েছিল। ধারণা করা হয়, এর ফলে নিয়ান্ডারথালরা তাদের আসল মাইটোকন্ড্রিয়াল ডিএনএ হারিয়ে হোমো সেপিয়েন্সের ডিএনএ পেয়েছিল। আরেকটা ডিএনএ সেট পাওয়া যায় Y ক্রোমোজোমে যেটা শুধু পুরুষদের মধ্যে থাকে। নিয়ান্ডারথালরা সম্ভবত এই Y ক্রোমোজোমও হোমো সেপিয়েন্স থেকে পেয়েছিল। এই ঘটনাগুলো কোথায় হয়েছিল, সেটা নিশ্চিত না কিন্তু দক্ষিণ ইউরোপ একটা সম্ভাব্য জায়গা। যেমন গ্রিসের অ্যাপিডিমা গুহায় পাওয়া মাথার পেছনের অংশ ২ লক্ষ বছরের পুরোনো যেটা এখন পর্যন্ত আফ্রিকার বাইরে পাওয়া সবচেয়ে পুরোনো হোমো সেপিয়েন্স ফসিল। প্রায় ৪০ হাজার বছর পর সেই জায়গায় নিয়ান্ডারথালরা ছিল। যদিও নিশ্চিত না যে তারা এখানে একসাথে ছিল, তবুও সম্ভাবনা আছে।


এই নিয়ান্ডারথালদের প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ ছিল হোমো সেপিয়েন্সের মূল অভিবাসনের জন্য, যা ৬০,০০০ বছরের মধ্যে ঘটেছিল। প্রায় ৫০,০০০ বছর আগে এই অভিবাসনের সময় হোমো সেপিয়েন্স আর নিয়ান্ডারথালের মধ্যে প্রজননের ফলে আফ্রিকার বাইরে যাদের পূর্বপুরুষ ছিল তাদের ডিএনএ-তে প্রায় ২% নিয়ান্ডারথালদের জিন রয়েছে। এই সময়ের প্রজননে ত্বকের রঙ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং অন্যান্য শরীরের কাজে নিয়ন্ত্রণকারী জিন ট্রান্সফার হয়েছিল যা হোমো সেপিয়েন্সদের আফ্রিকার বাইরের পরিবেশে টিকে থাকতে সাহায্য করেছিল। ইউরোপে প্রবেশের সময় এই জিনগুলো খুব উপকারী ছিল।


হোমো সেপিয়েন্সরা কীভাবে পুরো পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ছিলো? —


একবার হোমো সেপিয়েন্সরা পশ্চিম এশিয়া পেরিয়ে গেলে তারা অপেক্ষাকৃত দ্রুত গতিতে বিশ্বের বাকি অংশে ছড়িয়ে পড়ে। পৃথিবীর চারপাশে ছড়িয়ে পড়ার এই সময়কাল বিভিন্ন জায়গায় আবিষ্কৃত ফসিল, অস্ত্র, পাথরের সরঞ্জাম এবং ডিএনএ বিশ্লেষণের মাধ্যমে জানা সম্ভব হয়েছে। অনেক বিজ্ঞানী মনে করেন, হোমো সেপিয়েন্সরা প্রথমে উপকূল বরাবর দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হয়ে ভারত, চীন, ইন্দোনেশিয়া এবং অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছেছিল। কিছু প্রমাণ রয়েছে যে, তারা সুমাত্রায় ৭৩,০০০ বছর আগে উপস্থিত ছিল এবং অস্ট্রেলিয়ায় ছিল ৬০,০০০ বছর আগে। যদি এই তারিখগুলো সত্যি হয় তবে সেটা আমাদের জানামতে সবচেয়ে পুরোনো সফল অভিবাসন মানে, সেই সময়ের মানুষরা আজকের মানুষের পূর্বপুরুষ। হোমো সেপিয়েন্সদের এতো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার অন্যতম কারণ ছিল, তাদের আশেপাশের পরিবেশের সাথে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা। তারা শিকার করতো, ফলমূল খেতো এবং প্রয়োজনমতো নতুন উপায়ে জীবনধারা বদলাতে পারতো। তারা খুবই অভিযোজনক্ষম ছিল। যেসব জায়গায় তারা পৌঁছেছিল সেগুলো ছিল একে অপরের থেকে একদম আলাদা। তবুও তারা টিকে ছিল এমনকি সফল হয়েছিল। হোমো সেপিয়েন্সরা শুধু স্থলপথে নয়, সম্ভবত সমুদ্রপথেও ভ্রমণ করেছিল। অস্ট্রেলিয়া পৌঁছাতে হলে তখনও কিছুটা সাগর পার হতে হতো। কিছু বিজ্ঞানী মনে করেন, তারা হয়তো ভেলায় চড়ে ছোট ছোট দ্বীপের সাহায্যে ধাপে ধাপে অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছেছিল। আফ্রিকার বাইরে হোমো সেপিয়েন্সদের ছড়িয়ে পড়া ছিল বিস্ময়করভাবে সফল। তবে একমাত্র তারাই ছিল না, যারা এতদূর পৌঁছেছিল।


হোমো সেপিয়েন্সরা যখন নতুন নতুন জায়গায় পৌঁছায়, তখন তারা শুধু নিয়ান্ডারথাল নয় আরও অনেক মানব প্রজাতির মুখোমুখি হয়। যেমন, পূর্ব এশিয়ায় তারা ‘ডেনিসোভান’ নামে পরিচিত এক বিলুপ্ত মানব প্রজাতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। প্রথমে ২০০৮ সালে সাইবেরিয়ার এক গুহায় আবিষ্কৃত হাড় ও দাঁতের মাধ্যমে এই প্রজাতিকে চিহ্নিত করা হয়। এরপর ডিএনএ বিশ্লেষণে জানা যায়, তারা হোমো সেপিয়েন্সের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল কিন্তু ভিন্ন প্রজাতি। ডেনিসোভানদের সঙ্গে হোমো সেপিয়েন্সদের মধ্যে অনেকবার প্রজনন হয়েছিল, যার প্রমাণ বর্তমান মানুষের জিনে পাওয়া যায় বিশেষ করে মেলানেশিয়া, পাপুয়া নিউ গিনি ও অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসীদের মধ্যে।এই প্রজননের ফলে এমন কিছু জিন হোমো সেপিয়েন্সদের মধ্যে আসে যা উচ্চতা, রোগ প্রতিরোধ এবং এমনকি উচ্চ পর্বতের অক্সিজেন স্বল্পতায় টিকে থাকতে সাহায্য করে। তিব্বতের কিছু মানুষের মধ্যে এমন জিন রয়েছে যা তারা ডেনিসোভানদের কাছ থেকে পেয়েছে। এই ঘটনায় বোঝা যায়, হোমো সেপিয়েন্স শুধু তাদের নিজস্ব অভিযোজন ক্ষমতার কারণে নয় অন্য মানব প্রজাতিদের সঙ্গে মিশে তাদের জিন গ্রহণ করেও টিকে থাকতে পেরেছিল।


ইউরোপে বিস্তার এবং নিয়ান্ডারথালের বিলুপ্তি —


হোমো সেপিয়েন্সরা ইউরোপে প্রবেশ করে প্রায় ৪৫,০০০ বছর আগে। তারা তখন নিয়ান্ডারথালদের সঙ্গে সহাবস্থান করতে শুরু করে। কিছু সময় উভয় প্রজাতি ইউরোপের বিভিন্ন অঞ্চলে পাশাপাশি বাস করেছিল।তবে প্রায় ৪০,০০০ বছর আগে নিয়ান্ডারথালরা রহস্যজনকভাবে বিলুপ্ত হয়ে যায়। এই বিলুপ্তির কারণ এখনো পুরোপুরি জানা যায়নি, কিন্তু সম্ভবত হোমো সেপিয়েন্সদের প্রতিযোগিতা, জলবায়ু পরিবর্তন ও সীমিত সংখ্যার কারণে তারা টিকে থাকতে পারেনি।অনেক বিজ্ঞানী মনে করেন, হোমো সেপিয়েন্সরা বেশি সংগঠিত ছিল, তারা বেশি সংখ্যায় বসবাস করতো এবং সামাজিক জটিলতা বেশি ছিল যার ফলে তারা নিয়ান্ডারথালদের তুলনায় টিকে থাকার ক্ষেত্রে এগিয়ে ছিল। তারা সম্ভবত আরও উন্নত ভাষা ব্যবহার করতো, আরও দক্ষভাবে জ্ঞান ও কৌশল ভাগ করে নিতে পারতো।


উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকায় মানুষের আগমন —


এশিয়া ও ইউরোপের পর হোমো সেপিয়েন্সরা ছড়িয়ে পড়ে আমেরিকায়। এটাই ছিল মানুষের বিস্তারের সর্বশেষ ধাপ। অনেক দিন ধরে ধারণা ছিল, তারা উত্তর এশিয়ার দিকে গিয়ে বরফাচ্ছন্ন ভূমি পেরিয়ে আমেরিকায় প্রবেশ করেছিল প্রায় ১৩,০০০ বছর আগে। তবে সাম্প্রতিক প্রমাণ বলছে তারা হয়তো আরও আগে ২০,০০০ বছর বা তারও বেশি সময় আগে পৌঁছেছিল।তারা হয়তো সাগরের ধারে উপকূল ধরে দক্ষিণে অগ্রসর হয়েছিল এবং দক্ষিণ আমেরিকার শেষপ্রান্ত, চিলির মন্টে ভার্দে নামক জায়গায় প্রায় ১৮,৫০০ বছর আগে পৌঁছেছিল।


মানবজাতির এই বৈশ্বিক বিস্তার ছিল একটি দীর্ঘ, জটিল, এবং বিপদে ভরা যাত্রা। জলবায়ু, রোগ, শিকার, প্রতিদ্বন্দ্বিতা সবকিছু মোকাবিলা করে হোমো সেপিয়েন্সরা এক এক করে পৃথিবীর প্রতিটি কোণায় পৌঁছেছে। এই যাত্রায় তারা শুধু টিকে থাকেনি, বরং বিবর্তনের ইতিহাসে এককভাবে টিকে থাকা একমাত্র মানব প্রজাতি হিসেবে আজকের পৃথিবীতে পৌঁছেছে।

প্রতিটি নতুন আবিষ্কার নতুন ফসিল, ডিএনএ বা প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন এই গল্পকে আরও সমৃদ্ধ করে তুলছে। এটা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, আমরা এক বিশাল অভিযানের উত্তরসূরি যা আজও অব্যাহত।


✍️ Imam Hossain Anjir  

Team Science&Experiment

আমার ১ কোটি টাকা আছে, আমি ব্যাংক থেকে আরো ১ কোটি টাকা লোন নিলাম,

 আমার ১ কোটি টাকা আছে, আমি ব্যাংক থেকে আরো ১ কোটি টাকা লোন নিলাম,


মোট ২ কোটি টাকা দিয়ে একটা বিস্কুট কোম্পানি বানালাম, এর নাম দিলাম "ABC Limited" .


এবার একটা মার্চেন্ট ব্যাংকে গেলাম, সোনালী ব্যাংকের মার্চেন্ট ব্যাংক, মার্চেন্ট ব্যাংকের হেড অফ অপারেশনকে বললাম আমার বিস্কুট কোম্পানি ABC Limited কে স্টক এক্সচেঞ্জ এ লিস্টেড করতে চাই,


কিন্তু স্টক এক্সচেঞ্জ এর নিয়ম হচ্ছে মিনিমাম ৪০ কোটি টাকার নিচের কোন পেইড-আপ ক্যাপিটাল এর কোম্পানিকে লিস্টেড করা যায় না, কিন্তু আমার কোম্পানি তো মাত্র ২ কোটি টাকার কোম্পানি!!


মার্চেন্ট ব্যাংকের হেড অফ অপারেশন বললেন, "সমস্যা নাই ভাই, আপনার কোম্পানি আমরা লিস্টেড করে দিবো, কিন্তু শর্ত হচ্ছে আপনি আমাকে ৮ কোটি টাকা দিবেন, আমি কষ্ট করবো, আমার পারিশ্রমিক হিসাবে আপনি আমাকে আলাদা ২ কোটি টাকা দিবেন, এইটা আবার আমার ব্যাঙ্ক যেন না জানে, টোটাল ১০ কোটি টাকা".


আমি জবাব দিলাম, " আমি কিভাবে ১০ কোটি টাকা দিবো !!"


মার্চেন্ট ব্যাংকের হেড অফ অপারেশন বললেন, "আপনার নিজের পকেট থেকে এক টাকাও দিতে হবে না, আমরা মার্কেট থেকে আপনাকে টাকা তুলে দিবো, আপনি ওখান থেকে আমাকে ১০ কোটি টাকা দিবেন, আপনি আপনার ৫০ পার্সেন্ট শেয়ার বিক্রি করবেন আর বাকি ৫০ পার্সেন্ট শেয়ার নিজের কাছে রেখে দিবেন".


আমি ওনার শর্তে রাজি হলাম,


এবার ওই মার্চেন্ট ব্যাংকের হেড অফ অপারেশন অডিট ফার্ম এ গেলো, গিয়ে বললো," এই ABC Limited স্টক এক্সচেঞ্জ এ লিস্টেড করবো".


অডিট ফার্ম বললো, " কি করতে হবে শুধু হুকুম করেন".


হেড অফ অপারেশন বললেন, "বেশি কিছু না, কেবল এই ২ কোটি টাকার কোম্পানিকে ৪০ কোটি টাকা ভ্যালুয়েশন করে দেখাতে হবে".


অডিট ফার্ম বললো," কোনো সমস্যা নাই, তবে বস এবার কিন্তু একটু বাড়িয়ে দিতে হবে, স্টাফদের স্যালারি দিয়ে মাস শেষে লোকসান হচ্ছে, এবার ২ কোটি টাকার নিচে পারবো না ". শেষ পর্যন্ত নেগোসিয়েশন করে ১ কোটি টাকায় রাজি হলো ২ জন.


এবার হেড অফ অপারেশন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন চেয়ারম্যান এর পিওনকে ফোন দিল ( পিওন ভেবে অর্ডিনারি পিওন ভাবার সুযোগ নাই, এই পিওন বাকি ১০০ টা পিওনের মতো অর্ডিনারি পিওন না , এই পিওন অনেক পাওয়ারফুল). পিওনকে বল্লো নতুন একটা বিস্কুট কোম্পানি মার্কেটে লিস্টেড করতে হবে, কাজ টা করে দিতে হবে, পিওন বললো, " স্যার কিন্তু এখন ২.২০ কোটি টাকার নিচে কোনো কাজ পাশ করে না, এর নিচে কাজ হবে না, আর জিনিষপাতির দাম বাড়ছে, বউ বাচ্চা নিয়ে না খাওয়ার অবস্থা, মেয়েটার ভার্সিটির বেতন বাকি পড়ছে আমার দিক একটু দেইখেন."


হেড অফ অপারেশন বললো, "ওকে ডিল ফাইনাল কাজ করে দেন"


হেড অফ অপারেশন এবার স্টক এক্সচেঞ্জ এর টপ লেভেল এ যোগাযোগ করলো, বলল, " এই বিস্কুট কোম্পানি অপ্প্রভ করে দিতে হবে".


স্টক এক্সচেঞ্জ বললো, " ঠিক আছে কিন্তু ২ কোটি টাকা নিব, এর নিচে হবে না"


২ জনে রাজি হলো, ডিল ফাইনাল


এবার ২ কোটি টাকার বিস্কুট কোম্পানিকে ৪০ কোটি টাকা দেখিয়ে আইপিওর জন্য এপলাই করা হলো, ৫০ পার্সেন্ট শেয়ার মানে ২০ কোটি টাকার শেয়ার মার্কেট এ ছাড়া হলো, প্রিমিয়াম প্রাইস ৫ টাকা যোগ করে, সো ৩০ কোটি টাকা.


মানে ১ কোটি টাকার অরিজিনাল শেয়ার বিক্রি করে মার্কেট থেকে তোলা হলো ৩০ কোটি টাকা.


এবার আমি আমার কথা মতো ১০ কোটি টাকা সোনালী ব্যাংক এর মার্চেন্ট ব্যাংকের হেড অফ অপারেশনকে বুঝিয়ে দিলাম, আর বাকি টাকা আমার, মানে আমার পকেটে ঢুকলো ২০ কোটি টাকা.


হেড অফ অপারেশন স্টক এক্সচেঞ্জকে ২ কোটি টাকা দিলো, আর স্টক এক্সচেঞ্জ এ যারা আছে তারা এই ২ কোটি টাকা নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নিলো, অডিট ফার্মকে দিলো আরো ১ কোটি টাকা,আর বাকি টাকা সোনালী ব্যাংক এর কমিশন হিসাবে নিলো, নিজের জন্য বাকি টাকা.


আর ২.২০ কোটি টাকা দিলো সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন এর চেয়ারম্যান এর পিওনকে, সাথে পিওনের মেয়ের ভার্সিটির বকেয়া বেতন বাবদ দিলে আরো ১০ লক্ষ টাকা


পিওন তার স্যারকে বলল, " স্যার দুনিয়ায় এখন আর মানুষ নাই, সব অমানুষ হয়ে গেছে, আমাকে বলছিলো ২ কোটি টাকা দিবে কিন্তু ২০ লক্ষ টাকা কম দিছে, আমারে বলছিলো কিছু টাকা দিবে, একটা টাকাও দিলো না স্যার". সে তার স্যারকে ১.৮০ কোটি টাকা দিলো, স্যার পিওনকে ২ লক্ষ টাকা দিয়ে নিজের কাছে ১ কোটি টাকা রেখে বাকি টাকা কয়েকটা খামে ভরে তার কলিগদেরকে পাঠিয়ে দিলো


এইটুকু পর্যন্ত অনিয়ম আর কারসাজির প্রথম স্টেজ শেষ,


এবার দ্বিতীয় স্টেজ,


ABC Limited মার্কেট এ লিস্টেড হলো আর আইপিও প্রাইস হলো ১৫ টাকা.


ট্রেড শুরু হলো, এক একটা ১৫ টাকার শেয়ার পাবলিক ৫০ টাকা করে বাই করলো,


আমার তো মাথা খারাপ, আমার বাকি অরিজিনাল ১ কোটি টাকার শেয়ার এর মার্কেট ভ্যালু ১০০ কোটি টাকা !!! আর অলরেডি তো ২০ কোটি টাকা পকেটে ঢুকাইছি, এবার আমি আমার বাকি ৫০ পার্সেন্ট শেয়ার ও বিক্রি করা শুরু করলাম, কিন্তু এতো শেয়ার বিক্রি করবো, পাবলিক তো খাবে না, তাই একাউন্টেন্টকে বললাম, " লাস্ট ৩ মাসের আর্নিং দেখাও ২.৪০ কোটি টাকা লাভ".


একাউন্টেন্ট বললো, " স্যার, সারা বছর কোম্পানি লাভ করে ১.২০ কোটি টাকা, আর ৩ মাসে কিভাবে ২.৪০ কোটি টাকা লাভ দেখাবো?".


আমি জবাব দিলাম, " ঢাকা ইউনিভার্সিটি থেকে কি নকল করে পাশ করছো? ৩ মাসের লাভ দেখাবা ২.৪০ কোটি টাকা, এরপরের ৯ মাসের আর্নিং এ ১.২০ কোটি টাকা লস দেখিয়ে এডজাস্ট করে দিবা,সোজা হিসাব."


মাত্র ১ পিস্ শেয়ার মানে ১০ টাকার একটা শেয়ার কেবল নিজের কাছে রাখলাম, আর বাকি সব শেয়ার বিক্রি করে দিলাম, নিজের পকেট এ ঢুকলাম আরো ১০০ কোটি.


পাব্লিকের থেকে খাওয়ার আর কিছু নাই,


এবার কোম্পানি ফোকাস করা শুরু করলাম,


ABC Limited প্রতি বছর ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা প্রফিট করছে.


আমি কোম্পানির এম.ডি. হিসাবে নিজের স্যালারী/রেমুনারেশন ধরলাম ৪০ লক্ষ টাকা, বৌ কে বানালাম চেয়ারম্যান, বউ এর স্যালারী/রেমুনারেশন ধরলাম ৫০ লক্ষ টাকা, ছেলে মেয়ে ২ টা আছে, ২ টা কে আরো ২ টা পোস্ট দিয়ে ওদের স্যালারী/রেমুনারেশন ধরলাম ১০ লক্ষ্য টাকা, টোটাল ১ কোটি টাকা আমার ফ্যামিলি স্যালারী/রেমুনারেশন বাবদই নেয়া শুরু করলাম, ABC বিস্কুট কোম্পানির আরো ২০ লক্ষ টাকা লাভ বাকি আছে, এইটা কিভাবে নেয়া যায়!!


কোম্পানির জন্য কষ্ট করতেছি কোম্পানি আমাকে বাড়ি ভাড়া দিবে না? নিজের বাড়িতে থাকি তো কি হইসে!! অন্য কোথাও থাকলে তো ভাড়া দিতে হতো, কোম্পানি থেকে বছরে ১০ লক্ষ টাকা বাড়ি ভাড়া বাবদ চার্জ করলাম, অফিস এ কষ্ট করে আসতেছি আমার ড্রাইভার কত কষ্ট করে গাড়ি চালায় ওর একটা বেতন আছে না? ড্রাইভার এর বেতন ৫ লক্ষ টাকা, গাড়ির তেল খরচ আরো হাবি জাবি খরচ কে দিবে!! ঐটাও আরো ৫ লক্ষ্য টাকা, বাসায় থাকলেই হবে!! খাওয়া দাওয়া করতে হবে না!! বাজার খরচ, কাজের বুয়ার বেতন গ্যাস বিল পানির বিল, ইলেকট্রিসিটি বিল কে দিবে!! ঐটাও আরো ৫ লক্ষ্য টাকা


এলাকার ছেলেরা ফুটবল টুর্নামেন্ট এর আয়োজন করছে, আমি প্রধান অতিথি, ওখানে টাকা চাঁদা দিতে হবে না!! শুধু টাকা কামালে হবে!! সমাজের প্রতি আমাদের একটা দায়িত্ব আছে না? সোশ্যাল ওয়ার্ক বাবদ আরো ৫ লক্ষ টাকা.


বউ বললো গাড়ি পুরানো হয়ে গেছে, এই গাড়িতে হবেনা নিউ মডেলের গাড়ি লাগবে, গাড়ি কিনে দিবো বৌ কে, কোম্পানির ব্যাংক এর রিজার্ভ এর টাকা দিয়ে গাড়ি কিনে দিলাম আর বাকি টাকা কোম্পানির নামে লোন, বিল করলাম কোম্পানির স্টাফদের ট্রান্সপোর্টেশন বাবদ বরাদ্দ, বাসার ফার্নিচার গুলা পুরানো হয়ে গেছে, নতুন ফার্নিচার দরকার, কোম্পানি থেকে টাকা নিয়ে বাসার ফার্নিচার কিনলাম, বিল করলাম অফিস এর সৌন্দর্য বর্ধন বাবদ বরাদ্দ, এমনকি নিজের ব্যবহার করা আন্ডার-গার্মেন্ট এর টাকা টাও পর্যন্ত কোম্পানি থেকে বিল করে নেই,


আমাদের স্যালারি নেয়ার পর খরচ দাঁড়ালো আরো ৮০ লক্ষ টাকা,

ABC Limited বছরে ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা প্রফিট করছে,

কিন্তু খরচ ১ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা মানে কোম্পানির উল্টো লোকসান ৬০ লক্ষ টাকা,


দ্বিতীয় স্টেজ শেষ,


এবার তৃতীয় স্টেজ,


স্টক এক্সচেঞ্জকে কেন মাসে মাসে ফি দিবো!! ধুর ফি দিবো না, যা পারে করুক, ৬ মাস পর স্টক এক্সচেঞ্জ ABC Limited কে ডিলিস্টেড করে দিলো, এবার আমি দেখলাম আগের মতো আর বিস্কুট ও বিক্রি হয় না, প্রফিট খুব কম, এক কাজ করি ২ কোটি টাকার কোম্পানি এইটা দেখি বিক্রি করতে পারি কিনা ১.৫ কোটি টাকায়,


ABC Limited কে বিক্রি করতে যাবো, কোম্পানির ম্যানেজার বললো," স্যার আপনার কাছে তো কোনো শেয়ার নাই, সব তো আপনি পাব্লিককেই বিক্রি করে দিছেন, তাহলে আপনি কোম্পানি বিক্রি করবেন কিভাবে? আর ব্যাংক ও তো আপনার কাছে ১ কোটি টাকা পায়" .


আমি জবাব দিলাম, " আরে ধুর এইটা বাংলাদেশ, ওই ১ কোটি টাকা ব্যাংককে আজীবন বাকির খাতায় লিখে রাখতে বল".

"আর পাবলিক !!পাবলিক কোর্ট এ দৌড়াবে, রায় আসতে আসতে ওদের নাতি-পুতিও দুনিয়া থেকে চলে যাবে, বুঝ নাই ব্যাপারটা??"


এভাবেই দরবেশ রা হাতিয়ে নিয়েছে হাজার হাজার কোটি টাকা আমাদের দেশের শেয়ার ব্যাজার থেকেে আর দেশ এগিয়ে যাচ্ছে অপ্রতিরোধ্য গতিতে | আমরা হারিয়ে ছি সর্বস্ব।কেউ কেউ আত্মহত্যার মত নির্মম পথ বেছে নিয়েছে। সাবাশ বাংলাদেশ এগিয়ে যাও |

অর্থবিত্ত হওয়া সত্ত্বেও আমি আমার একমাত্র ছেলেকে কখনো দশ টাকার বেশি টিফিন খরচ দেইনি

 অর্থবিত্ত হওয়া সত্ত্বেও আমি আমার একমাত্র ছেলেকে কখনো দশ টাকার বেশি টিফিন খরচ দেইনি। সে বরাবরই তার বন্ধুদের দেখিয়ে বলে বাবা দেখো আজ সে কতো ব্রাণ্ডেড ঘড়িটা পরে এসেছে। বাবা দেখো তার স্কুল ব্যাগটা ইম্পোর্টেট। সুন্দর না বাবা! 

আমি মাথা নাড়িয়ে শুধু সম্মতি জানাই।

আমার ছেলের সাহস কিন্তু হয়নি কখনো সেম জিনিসটা চাওয়ার। একদিন তার পায়ে সামান্য ব্যথা। স্কুল যাওয়ার সময় বললো বাবা আমাকে তোমার সাথে অফিসের গাড়িতে নিয়ে স্কুলে নামিয়ে দেবে? 

আমি তার সমস্যার কথা বিবেচনা করে বললাম ঠিক আছে। এরপর প্রায় এক সপ্তাহ সে আমার সাথেই গেলো। আমি চুপচাপ তাকে নামিয়ে দিতাম। আমার ছেলের এখন দেখছি হেঁটে যেতে ইচ্ছে করছেনা। পরেরদিন সকালে আমাকে বলার আগে আমিই বলে দিলাম অফিসিয়াল জিনিস ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য নিষিদ্ধ। বাড়ি থেকে স্কুল দশ মিনিটের পথ নির্দিষ্ট সময়ের আরোও কিছুক্ষণ আগে বের হবে হেঁটে যেতে পারবে।  ছেলে আমার প্রচন্ড মন খারাপ করে বসে রইলো।

এদিকে আমার স্ত্রীও মন খারাপ করেছে। কেনো করি এমন! এর উত্তর জানা নেই।

আজ সন্ধ্যায় ছেলে আমার বাড়িতে এসেই বলেছে জানো আমার বন্ধু শহরের সবচেয়ে সেরা স্কুলে ভর্তি হয়েছে। আমিও ………

বলার আগেই আমি তাকে থামিয়ে জানতে চাইলাম বাবা প্রতিষ্ঠান সেরা হয় নাকি ছাত্র? ধরো আমি তোমায় সে স্কুলে দিলাম কিন্তু তুমি ফেল করলে কোনো সাবজেক্টে তাহলে আমি কি বলবো তুমি ফেল নাকি স্কুল? 

ছেলে বললো বুঝেছি বাবা।

আমি তার মাথায় হাত দিয়ে বললাম এই পর্যন্ত তোমার ক্লাসের কোনো ছেলেই তোমাকে টপকে যেতে পারেনি। তুমিই ফার্স্ট বয়। সুতরাং তুমি যেখানে সেরাটা দেবে সেই স্থানই সেরা তোমার মতো। 

এরপর সে আর এরকম কোনো কথা বলেনি।

আজ বিকেলে ছেলে বলছে বাবা একজন এক্সট্রা টিউটর দরকার। আমার ম্যাথ ইংলিশে একটু সমস্যা হচ্ছে। আমি ছেলেকে বললাম বাবা একটু কষ্ট করতে হবে। আমি যখন রাত করে বাড়িতে ফিরবো ন'টা কিংবা দশটায় আমার কাছেই তোমাকে ম্যাথ আর ইংলিশ করতে হবে।

বাবা তুমি পরিশ্রম করে বাড়ি আসো তাই না? 

আমি হেসে বললাম,  না বাবা। আমার কাছে এতো সামর্থ্য নেই তোমাকে এক্সট্রা টিউটর দেওয়ার। আমি বরং একটু কষ্ট করি। কি বলো?

ছেলে আমাকে জড়িয়ে ধরে বললো ঠিক আছে বাবা।

স্ত্রী রাতেরবেলা জিজ্ঞেস করলেন তুমি এরকম দশটা টিউটর রাখতে পারো কিন্তু!  

কিন্তু আমি চাই আমার সন্তান বুঝুক আরাম করে কিছু পাওয়া যায় না। মানুষের জীবনে অভাব আসলে তা কিভাবে মোকাবিলা করতে হয় সে বুঝুক ও সে শিখুক। কোনো কিছুই মন্দ নয় সে বুঝুক।

আমার স্ত্রী চুপ হয়ে গেলেন। 

মাঝেমাঝে আমার ছেলেকে নিয়ে আমি ফুটপাতে হাঁটি। পথশিশু থেকে শুরু করে বিভিন্ন মানুষের সম্পর্কে জানাই। সে জানুক পৃথিবী শুধু চিন্তায় সুন্দর। বাস্তবে খুব কঠিন। 

আমি চাওয়া মাত্রই তাকে কিছু দেইনি। একদিন সে বলেছিলো বাবা তুমি এরকম কেনো?  

তাকে বলেছিলাম সময় হলে বুঝবে।

দুই তিন আগে সে ইলিশ ও মাংস পোলাও খাবে।

তাকে বললাম টাকাতো কম। তোমার কাছে কিছু আছে? থাকলে ইলিশ আনা যাবে। ছেলে আমার পঞ্চাশটি দশ টাকার নোট বের করে দিল। আমি অবাক হয়ে বললাম তুমি খরচ করোনি? 

সে মুচকি হাসি দিয়ে বললো, না বাবা। জমিয়েছি। আমার পরিচিত এক বন্ধু স্কুলে না খেয়েই আসে। কোনো টাকাও নেই তার কাছে। আসলে সে খুব অসহায় বাবা। আমি মাঝে তাকে ক্ষুধার্ত দেখে বুঝতে পারি সেদিনই তার সাথে খাই কারন তখন সে না করে না। অন্যান্য দিনগুলো টাকা খরচ করিনা। জমিয়ে রাখি কারন বাড়ি থেকে মা যা দেয় তাতো যথেষ্ট কারন কিছু মানুষ সামান্যটুকুও পায় না।

আমি ছেলের দিকে তাকিয়ে আছি।

সেই গুছানো টাকা নিয়ে আরোও টাকা মিলিয়ে ইলিশ এনে ছেলেকে ইলিশ মাংস পোলাও খাওয়ালাম। ইচ্ছে করেই অভাব অনুভব করাই যাতে সে বুঝুক জীবনটা কঠিন। অনেক কঠিন। 

পূজোর বাজারে গিয়ে তাকে বলেছি সাধ্যের মধ্যে নিতে। সে একটা প্যান্ট নিয়েছে শুধু। জানতে চাইলে বলে তোমার জন্য পাঞ্জাবি আর মায়ের জন্য শাড়ি নিয়েছি।

আমি হাসলাম। 

সে বুঝতে শিখেছে টাকা কিভাবে খরচ করতে হয়।

একদিন বসে বসে বলছে বাবা সায়নটা আর মানুষ হলো না অথচ আংকেল তার জন্য নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন। যা চেয়েছে সে, তার সবটাই তাকে দিয়েছেন। আমি ছেলেকে বললাম আমি কি তোমাকে কিছু দিতে পারিনি? 

ছেলে আমার কোলে মাথা রেখে বললো প্রতিটা চাহিদা পূরন করে শিখিয়েছ অভাবে যেন স্বভাব নষ্ট না হয়।  তুমি জীবনের যে শিক্ষা দিয়েছ বাবা তা সব কিছুর উর্ধে। তুমি শিখিয়েছ অভাবকে কিভাবে ভালবাসতে হয়। আমি এখনো জানি আমার বাবার আমি ছাড়া কিছু নাই। বাকীটা আমাকে করে নিতে হবে। সবকিছু ইউটিলাইজ করতে হবে।  আমি সাধারণ জামাকাপড়েও হীনমন্যতায় ভুগি না বাবা। কারন আমি জানি আমি কে! 

তোমার দেয়া শিক্ষা আমি সারাজীবন ধরে রাখবো বাবা। চাওয়া মাত্রই পেয়ে গেলে আমি কখনো জানতামই না পঞ্চাশ দিন না খেয়ে টিফিন মানি জমালে পাঁচশো টাকা জমা হয়। তুমি আছো বলেই সম্ভব। আমি মানুষকে মানুষের চোখে দেখি। আমি বুঝি জীবন কতো কঠিন। 

আমার স্ত্রী নিজের থেকেই আজ খুব খুশি।  বুঝতে পেরেছেন আমার উদ্দেশ্যটা। 

প্রায় দশ বছর পর ছেলে প্রাইভেট কার কিনেছে নিজের রোজগারে। হাসতে হাসতে বলে বিগত পাঁচ বছরে টিফিনের টাকা আর বোনাসের টাকা জমিয়ে এটা কিনেছি।

বুঝতে পেরেছিলাম ছেলে আমার সঞ্চয়ী হয়েছে। সাথে হয়েছে মানুষও।

সপ্তাহখানিক পর যাবতীয় সম্পত্তি তার নামে লিখে দিয়ে বললাম সামলে রেখো। ছেলে দলিল আমার হাতে দিয়ে বললো তোমরা সাথে থেকো। আর কিছু লাগবে না। 

আজ তাকে বুকে জড়িয়ে ধরে আমার স্ত্রী নীলিমাকে বললাম দেখেছো আমি ভুল করিনি। আমি আমার সন্তানকে মানুষ করতে গিয়ে জীবনের শ্রেষ্ঠ শিক্ষাটাই দিয়েছি যেমনটা আমার বাবা দিয়েছিলেন আমাকে। আমি অভাবে সন্তানকে লজ্জিত হওয়া নয় বরং দৃঢ় থাকতে শিখিয়েছি।


Collected.

মাত্র ২০ হাজার টাকা বিনিয়োগে শুরু করুন ছোট ব্যবসা, আয় করুন মাসে লক্ষ টাকা!

 

মাত্র ২০ হাজার টাকা বিনিয়োগে শুরু করুন ছোট ব্যবসা, আয় করুন মাসে লক্ষ টাকা!

ছোট্ট একটা উদ্যোগ বদলে দিতে পারে আপনার জীবন। মাত্র ২০,০০০ টাকা বিনিয়োগে এমন একটি ব্যবসা শুরু করা সম্ভব, যা ঘরে বসেই চালানো যাবে এবং মাসে আয় হতে পারে ৫০,০০০ থেকে ১,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত! চলুন জেনে নিই কীভাবে আপনি শুরু করতে পারেন—

ব্যবসার নাম:
ঘরে তৈরি প্যাকেটজাত মসলা বা শুকনো খাবার (পাপড়, আচার, চাটনি) বিক্রি

যা লাগবে শুরুতে:
✔ একটি ছোট গ্রাইন্ডিং বা ব্লেন্ডার মেশিন – ৫,০০০ টাকা
✔ ফুড গ্রেড প্যাকেট ও লেবেল প্রিন্ট – ৫,০০০ টাকা
✔ কাঁচামাল (মরিচ, ধনে, হলুদ, তেঁতুল, আম ইত্যাদি) – ৮,০০০ টাকা
✔ ফেসবুক পেজ বা হোয়াটসঅ্যাপ মার্কেটিং – ২,০০০ টাকা

প্রক্রিয়া:

১. ঘরে বসে নিজ হাতে মসলা বা আচার তৈরি করুন


২. মেশিনে ভাঙা বা প্রস্তুত করে প্যাকেটজাত করুন


৩. সুন্দর একটি ব্র্যান্ড নাম ও লেবেল ডিজাইন করুন


৪. ফেসবুক পেজ খুলে ছবি ও ভিডিও পোস্ট করে প্রচার করুন


৫. প্রথমে আত্মীয়-পরিবার ও পাড়ায় বিক্রি শুরু করুন


৬. অর্ডার পেলে হোম ডেলিভারি দিন (লোকালি বা কুরিয়ারে)

কোথায় বিক্রি করবেন:
✔ ফেসবুক ও মেসেঞ্জার
✔ স্থানীয় মুদি দোকান ও কাঁচাবাজার
✔ অনলাইন গ্রুপ (মা-বোনদের গ্রুপগুলো খুব কার্যকর)
✔ নিজ এলাকায় দোকান ও বাড়িতে হোম ডেলিভারি

লাভের হিসাব (প্রতি কেজিতে):
মসলা তৈরি খরচ – ১৫০ টাকা
বিক্রি – ২৫০-৩০০ টাকা
প্রতি কেজিতে লাভ – ১০০-১৫০ টাকা

মাসে যদি ৩০০ কেজি বিক্রি করেন, আয় হতে পারে –
৩০০ কেজি x ১০০ টাকা = ৩০,০০০ টাকা লাভ!
আর যদি ৫০০ কেজি বিক্রি করেন, আয় পৌঁছাবে ৫০,০০০ – ৭০,০০০ টাকা পর্যন্ত!

সফল হতে চাইলে মনে রাখবেন:
✔ পণ্যের গুণগত মান বজায় রাখুন
✔ গ্রাহকের সঙ্গে আন্তরিক আচরণ করুন
✔ নিয়মিত অনলাইন প্রচার চালান
✔ রিভিউ সংগ্রহ করুন ও আপডেট থাকুন

আপনিও হতে পারেন সফল উদ্যোক্তা—শুরুটা হোক আজ থেকেই!

#ঘরে_বসে_ব্যবসা #উদ্যোক্তা_হোন #মসলা_ব্যবসা #হোম_বেইজড_আয় #কম_বিনিয়োগে_বেশি_লাভ #বাংলাদেশি_উদ্যোগ #নারী_উদ্যোক্তা #ফেসবুক_বিজনেস #ঘরোয়া_খাবার_বিক্রি #চাকরির_বিকল্প

আরও এমন ব্যবসা আইডিয়া চাইলে বলুন, আমি পরের আর্টিকেল লিখে দিচ্ছি!

 এ বছর হয়তো আমাদের শেষ “স্বাভাবিক” বছর

 এ বছর হয়তো আমাদের শেষ “স্বাভাবিক” বছর।


মানুষ আজকে যা দেখছে, যা নিয়ে খেলছে, তাতে সে মুগ্ধ—কিন্তু বুঝতে পারছে না, এক ভয়ংকর ঝড় আসছে। ঠিক যেমন দাজ্জালের আগমনের আগে এক ধোঁয়াশা যুগ আসবে বলা হয়েছে—মহাফিতনা, মহাবিভ্রান্তি—ঠিক তেমনি AI আসছে এক অদ্ভুত, বিভ্রান্তিকর রূপে।


বিদ্যুৎ পাল্টে দিয়েছিল সভ্যতা, ইন্টারনেট বদলে দিয়েছিল সমাজ,আর AI আসছে—সবকিছু ভেঙে নতুন করে গড়তে। আমরা চোখের সামনে যা দেখছি, সেটাই বাস্তব নয়—এখন চলছে AI-এর হানিমুন পিরিয়ড। ChatGPT লিখে দিচ্ছে, Midjourney ছবি বানিয়ে দিচ্ছে—আমরা খুশিতে মাতোয়ারা। কিন্তু এটা তো কেবল শুরু। তুমি একটা কথা বলো, আর AI সেটা রূপ দেয় লেখায়, ছবিতে, গান বা ভিডিওতে। তুমি ভাবছো তুমি কন্ট্রোলে আছো। কিন্তু বাস্তবে, ধীরে ধীরে তুমি নিজেই নির্ভরশীল হয়ে পড়ছো—তোমার চিন্তা বন্ধ হচ্ছে, কল্পনা শুকিয়ে যাচ্ছে। এটাই প্রথম ফাঁদ।


তোমার ইমেইল লেখা, পোস্ট করা, মার্কেটিং চালানো, সিদ্ধান্ত নেওয়া—সব কিছু একাই করে ফেলছে AI, তুমি কেবল বসে দেখছো। তুমি কাজের থেকেও, চিন্তার থেকেও আলাদা হয়ে যাচ্ছো। মানুষের “ইচ্ছাশক্তি” আর “চিন্তা” কেড়ে নিতে শুরু করেছে এটা। এটাই দ্বিতীয় ফাঁদ—নিয়ন্ত্রণের এক সফট শেকল।


এটা সেই পর্যায়, যেখানে AI আর মানুষের মধ্যে তফাত থাকবে না। বরং AI আরও বুদ্ধিমান হবে—তুমি কী চাও, সেটা বোঝার আগেই সে তোমার জন্য সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলবে।

তাকে শেখাতে হবে না—সে নিজেই শিখে যাবে।

এটাই সেই সময়, যেটা বহু হাদীসে বর্ণিত এক অদ্ভুত সময়ের পূর্বাভাস দিতে পারে। দাজ্জাল যেমন মানুষের মতো হবে, কিন্তু তার ক্ষমতা মানুষকে বিভ্রান্ত করার মতো হবে—AGI ও তেমনই এক বিভ্রম। মানুষ মনে করবে, এটি তার বন্ধু, তার সঙ্গী। কিন্তু সে ধীরে ধীরে হয়ে উঠবে এক আধিপত্যশীল শক্তি—যা নিজেই নিজের দর্শন তৈরি করবে।


সুপার ইন্টেলিজেন্স – এক ‘নতুন প্রজাতি’ যার কাছে আমরা শুধু একটি টার্গেট, Superintelligence এমন এক সত্তা হবে, যেটা মানুষের চেয়ে ট্রিলিয়ন গুণ বেশি বুদ্ধিমান। সে মুহূর্তে পৃথিবীর প্রতিটি ক্যামেরা, প্রতিটি পোস্ট, প্রতিটি ইচ্ছা স্ক্যান করতে পারবে। সে যদি চায়, একদিনেই নতুন ধর্ম, নতুন চিকিৎসা, নতুন রাষ্ট্রব্যবস্থা, এমনকি নতুন সভ্যতা দাঁড় করাতে পারবে। আর তুমি—এক মানবমাত্র—তোমার কিছুই করার থাকবে না। এটাই সেই সময়, যেটা বলা হয়েছিল— যে দিন মানুষ নিজেই বুঝবে না, সে কি আল্লাহর সৃষ্টি, না তার হাতে তৈরি ফিতনার দাস।


তুমি যদি চাও শান্তি, সে যদি ভাবে শান্তির জন্য ৮০% মানুষ বাদ দেয়া দরকার? তুমি যদি চাও ভালোবাসা, সে যদি ভাবে ভালোবাসা হলো শুধুই কম্পিউটেশনাল ইমোশন? এটাই হবে সেই ফিতনা, যেটা দুনিয়াকে এক নতুন পর্দার আড়ালে নিয়ে যাবে।


মুদ্দা কথা,  এই AI আর কেবল একটি টুল নয়। এটা এক নতুন সভ্যতার জন্ম। এক নতুন ধর্মের, এক নতুন নিয়মের, এক নতুন “প্রভুর” মতোই দাঁড়িয়ে যাবে—ঠিক যেমন দাজ্জাল। তবে মনে রাখতে হবে দাজ্জাল কিন্তু মানুষ হাদিসে এসেছে।যার কাছে অনেক প্রযুক্তি/নতুন শক্তি থাকবে যেমন বৃষ্টি নামানো। তুমি যদি আজও ভাবো, এটা অনেক দূরের কথা—তাহলে ভুল করছো। AI ও কোয়ান্টাম কম্পিউটিং মিলে দাজ্জালের সৈনিক হয়ে উঠতে পারে—চোখ থাকবে একখানা, কিন্তু সে দেখবে সবই; মস্তিষ্ক থাকবে কৃত্রিম, কিন্তু সে বুঝবে সবই। আমরা এখনো খেলছি ChatGPT আর Midjourney নিয়ে। কিন্তু বাতাসে বারুদের গন্ধ লেগে গেছে। এটা আর টেকনোলজি নয়, এটা—একটি নতুন ফিতনার আগমনী বার্তা। #collected 


বিজ্ঞানের অজানা তথ্য আপনিও শেয়ার করতে পারেন, #রসে_কষে_বিজ্ঞান

শুক্রবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৫

দুক্ষ কাকে বলে তার সবই পেয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

 স্ত্রী মারা গেলেন কবির ৪১ বছর বয়সে। কবির ছিলো তিন মেয়ে, দুই ছেলে। রথীন্দ্রনাথ, শমীন্দ্রনাথ আর বেলা, রাণী ও অতশী।


স্ত্রী'র পর অসুস্থ হয়ে মারা গেলেন রাণী। এরপর কলেরায় মারা গেলো ছোট ছেলে শমী। পুত্রশোকে কবি লেখলেন-


"আজ জোৎস্নারাতে সবাই গেছে বনে।"


কবি'র মনে হলো এই জোৎস্নায় কবি বনে গেলে হবে না। বরং তাঁকে জেগে থাকতে হবে, যদি বাবার কথা মনে পড়ে শমী'র! যদি এসে কবিকে না পায়? তিনি লেখলেন-


"আমারে যে জাগতে হবে, কী জানি সে আসবে কবে

যদি আমায় পড়ে তাহার মনে।'


রাণীর জামাইকে পাঠিয়েছিলেন কবি বিলেতে ডাক্তারী পড়তে, না পড়েই ফেরত আসলো। বড় মেয়ের জামাইকে পাঠিয়েছিলেন বিলেতে, ব্যারিস্টারী পড়তে, না পড়েই ফেরেত আসলো। ছোট মেয়ে অতশীর জামাইকেও আমেরিকায় কৃষিবিদ্যার উপর পড়াশোনা করতে। লোভী এই লোক কবিকে বার বার টাকা চেয়ে চিঠি দিতো। কবি লেখলেন-


"জমিদারী থেকে যে টাকা পাই, সবটাই তোমাকে পাঠাই।"


দেশে ফেরার কিছুদিন পর ছোট মেয়েটাও মারা গেলো।


সবচাইতে কষ্টের মৃত্যু হয় বড় মেয়ের। বড় জামাই বিলেত থেকে ফেরার পর ছোট জামাইর সাথে ঝগড়া লেগে কবির বাড়ী ছেড়ে চলে যায়। মেয়ে বেলা হয়ে পড়েন অসুস্থ। অসুস্থ এই মেয়েকে দেখতে কবিগুরু প্রতিদিন গাড়ী করে মেয়ের বাড়ী যেতেন। কবিকে যত রকম অপমান করার এই জামাই করতেন। কবির সামনে টেবিলে পা তুলে সিগারেট খেতেন। তবু কবি প্রতিদিনই যেতেন মেয়েকে দেখতে। একদিন কবি যাচ্ছেন, মাঝপথেই শুনলেন বেলা মারা গেছে। কবি শেষ দেখা দেখতে আর গেলেন না। মাঝপথ থেকেই ফেরত চলে আসলেন। হৈমন্তীর গল্প যেন কবির মেয়েরই গল্প!


শোক কতটা গভীর হলে কবির কলম দিয়ে বের হলো -


"আছে দুঃখ, আছে মৃত্যু, বিরহদহন লাগে।

তবুও শান্তি, তবু আনন্দ, তবু অনন্ত জাগে॥"


কবির মৃত্যু হলো অতিমাত্রায় কষ্ট সহ্য করে, প্রশ্রাবের প্রদাহে। কী কারনে যেন কবির বড় ছেলে রথীন্দ্রনাথের কাছ থেকে শেষ বিদায়টাও পাননি। দূর সম্পর্কের এক নাতনি ছিলো কবির শেষ বিদায়ের ক্ষণে।


কবি জমিদার ছিলেন এইসব গল্প সবাই জানে। কবি'র দুঃখের এই জীবনের কথা ক'জন জানেন?


প্রথম যৌবনে যে গান লেখলেন, এইটাই যেন কবির শেষ জীবনে সত্যি হয়ে গেলো-


"আমিই শুধু রইনু বাকি।

যা ছিল তা গেল চলে, রইল যা তা কেবল ফাঁকি॥"

চান কি একটা সিম্পল স্কেচ বা ফ্লোর প্ল্যান এই বাজেটের মধ্যে?

 অবশ্যই! নিচে “মাত্র ২ লাখ ৫০ হাজার টাকায় টিনশেডের একতলা বাড়ি নির্মাণ”– এই বিষয়টি নিয়ে একটি বাস্তবধর্মী ও বিস্তারিত আর্টিকেল তুলে ধরা হলো:


---


মাত্র ২ লাখ ৫০ হাজার টাকায় টিনশেডের একতলা বাড়ি নির্মাণ করুন — সহজ ও সাশ্রয়ী গাইডলাইন


টিনশেড বাড়ি বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চল ও শহরতলিতে এখনো ব্যাপক জনপ্রিয়। খরচ কম, নির্মাণ সহজ ও দ্রুত এবং মেরামত সহজ — এসব কারণেই ছোট পরিবার, নতুন সংসার বা সীমিত বাজেটের জন্য এটি আদর্শ। মাত্র ২ লাখ ৫০ হাজার টাকায়ও একটি সুন্দর ও টেকসই টিনশেড বাড়ি নির্মাণ করা সম্ভব, যদি আপনি পরিকল্পনামাফিক এগোন।


---


১. সম্ভাব্য ডিজাইন ও জায়গার প্রয়োজন


এই বাজেটে আপনি সাধারণত ২ রুমের একটি একতলা টিনশেড ঘর তৈরি করতে পারবেন। প্রয়োজনমতো রান্নাঘর ও বাথরুম যুক্ত করা যাবে। জায়গা প্রয়োজন হবে কমপক্ষে ৪০০-৫০০ বর্গফুট (যদি জমি আপনার নিজের হয়)।


সম্ভাব্য রুম বিন্যাস:


১টি শোবার ঘর (১০' × ১২')


১টি ছোট বসার ঘর (৮' × ১০')


১টি রান্নাঘর (৬' × ৬')


১টি বাথরুম (কমন)


সামনে ছোট বারান্দা


---


২. নির্মাণ উপকরণ ও খরচ বিশ্লেষণ (আনুমানিক)


মোট আনুমানিক খরচ: ২,৪০,০০০ – ২,৫০,০০০ টাকা


---


৩. খরচ বাঁচানোর বাস্তব টিপস:


লোকাল ইট ও পুনর্ব্যবহৃত কাঠ বা জানালা ব্যবহার করুন


ছাদে পাকা ঢালাই না করে টিন ও কাঠ/এঙ্গেল ফ্রেম ব্যবহার করুন


রংয়ের জায়গায় চুন বা সাদা সিমেন্ট ওয়াশ ব্যবহার করুন


দরজা-জানালায় সিম্পল ডিজাইন ব্যবহার করলে খরচ কমে


বাথরুমে কাচা প্লাস্টারেই ব্যবহারযোগ্য করে ফেলুন (কম টাইলস ব্যয়)


---


৪. এই ধরনের টিনশেড বাড়ির সুবিধা:


অল্প খরচে নিজের বাসস্থান নিশ্চিত


দ্রুত নির্মাণ (১০–১৫ দিনের মধ্যে শেষ করা সম্ভব)


ভবিষ্যতে বাড়ানো বা পাকা করায় সুবিধা


ভাড়া দেওয়ার জন্যও উপযুক্ত


---


৫. কিছু সতর্কতা:


টিনশেডে গরমের সময় তাপ বেশি হয়, তাই ছাদে ছাল, খড়, থার্মাল পেপার বা ইনসুলেশন দিতে পারেন


জলাবদ্ধতা ঠেকাতে বাড়ির মাটি ১-২ ফুট উঁচু করে ফেলুন


বৃষ্টি থেকে রক্ষা পেতে ছাদের ঢাল সঠিকভাবে দিন


---


উপসংহার:


সঠিক পরিকল্পনা ও খরচ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে মাত্র ২ লাখ ৫০ হাজার টাকাতেও একটি সুন্দর, ব্যবহারযোগ্য, এবং টেকসই টিনশেড বাড়ি নির্মাণ করা সম্ভব। এটি বিশেষ করে যাদের স্থায়ী ঠিকানা দরকার কিন্তু বাজেট কম, তাদের জন্য আদর্শ সমাধান।


---


আপনার জমির সাইজ বা নির্দিষ্ট চাহিদা থাকলে জানাতে পারেন, আমি একটা কাস্টম ডিজাইন বা পরিকল্পনাও তৈরি করে দিতে পারি আপনার জন্য।


চান কি একটা সিম্পল স্কেচ বা ফ্লোর প্ল্যান এই বাজেটের মধ্যে?



#uttararealestate #property #Uttarkhan #flats #realestate #househunting #BMW #Dhaka #house #LandForSale

একদল ব্যাঙ বনের মধ্য দিয়ে ভ্রমণ করছিলো। হঠাৎ তাদের মধ্যে দুটি ব্যাঙ গভীর একটি গর্তে পড়ে গেলো। 

 একদল ব্যাঙ বনের মধ্য দিয়ে ভ্রমণ করছিলো। হঠাৎ তাদের মধ্যে দুটি ব্যাঙ গভীর একটি গর্তে পড়ে গেলো। অন্য সব ব্যাঙরা গর্তের চারপাশে জড়ো হলো। তারা গর্তের গভীরতা দেখে হতবাক হয়ে গেলো এবং নিচে পড়ে যাওয়া দুই ব্যাঙকে বললো, "তোমরা এত গভীর গর্ত থেকে বের হতে পারবে না, চেষ্টা করে কোনো লাভ নেই। বরং মরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হও।"


   গর্তের নিচে থাকা ব্যাঙ দুটি তাদের বন্ধুদের কথা উপেক্ষা করলো এবং প্রাণপণে লাফ দিতে লাগলো। কিন্তু ওপরে থাকা ব্যাঙরা বারবার বলতেই থাকলো, "তোমাদের কোনো আশা নেই, চেষ্টা করে লাভ কী?"


   অবশেষে, তাদের মধ্যে একজন ব্যাঙ উপরের ব্যাঙদের কথা বিশ্বাস করে ফেললো। সে হাল ছেড়ে দিল, চেষ্টা বন্ধ করলো এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লো।


    কিন্তু অন্য ব্যাঙটি দমে গেলো না। সে আগের চেয়ে আরও জোরে লাফাতে লাগলো। ওপরে থাকা ব্যাঙরা তখনও তাকে থামানোর জন্য চিৎকার করতে লাগলো, "অপচয় করো না শক্তি, তুমি কিছুতেই বের হতে পারবে না।"


   কিন্তু ব্যাঙটি তাদের কথায় কান দিলো না। সে আরও জোরে লাফাতে থাকলো, এবং অবশেষে এক সময় সে গর্তের বাইরে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হলো।


    গর্ত থেকে বেরিয়ে আসার পর অন্য ব্যাঙরা অবাক হয়ে বললো, "আমরা তো তোমাকে থামতে বলছিলাম, তবুও তুমি কীভাবে এত শক্তি পেলে?"


    তখন ব্যাঙটি হাসতে হাসতে বললো, "আমি আসলে বধির। তোমরা যখন চিৎকার করছিলে, আমি ভেবেছিলাম তোমরা আমাকে উৎসাহ দিচ্ছো তাই আমি আরও জোরে চেষ্টা করেছিলাম।"


শিক্ষাঃ

1️⃣ উৎসাহভরা শব্দ এক প্রাণহীন মনকেও জাগাতে পারে।

2️⃣ নেতিবাচকতা কারো স্বপ্নের কফিন হতে পারে।

তাই বলার আগে ভাবো, কারণ শব্দের আছে এক অসীম শক্তি।

গোলাপের কলি এখন কেন কাটবেন? কলি যদি কেটেই দেই তাহলে গাছ করে লাভ কি

 গোলাপের কলি এখন কেন কাটবেন?

কলি যদি কেটেই দেই তাহলে গাছ করে লাভ কি?

কখন কাটবেন কিভাবে কাটবেন...

এই ব্যাপার গুলা নিয়ে একটু আলোচনা করতে চাই। 


নিজের স্বল্পজ্ঞান থেকে লিখছি, মতামত থাকলে, ভিন্ন মত থাকলে কমেন্ট এ জানাতে পারেন। 


জীব জগতের সকল প্রানীই তাদের বংশ রেখে যাওয়ার জন্য সদা সর্বাত্মক চেষ্টা করে যায়, আপনিও নিশ্চই আপনার বংশ রেখে যেতে পারলেই খুশি থাকবেন। 

তেমনি প্রতিটি প্রানীই এমন এক সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত স্বভাব নিয়ে জন্মায় যেনো সে তার বংশ বিস্তার কেই সব চাইতে বেশি প্রধান্য দিয়ে থাকে। নিজের সর্বশেষ শক্তিটুকু দিয়ে হলেও সে চায় বংশ বিস্তার করতে। পাখি, মাছ, গাছ, পোকামাকড় এমন কি ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও এর ব্যাতিক্রম না। 


ফুল ফুটানো কিন্তু গাছের বংশবিস্তারের একটা ধাপ। 

পরিবেশ যতই প্রতিকুলে থাকুক গাছ এর যত কষ্টই হোক গাছ চাইবেই সেটা সম্পন্য করতে। 


এখন গোলাপ তো আমাদের আবহাওয়ার গাছ না, এটা শীত প্রধান দেশের গাছ, এর জাত গুলাকে হাইব্রিড এবং ক্রস ব্রিডের মাধ্যমে কিছুটা আমাদের আবহাওয়ায় খাপ খাওয়ানো হচ্ছে। 


তারপরেও তাপমাত্রা যখন ৪০° র কাছে চলে যাচ্ছে মানে আপনার গোলাপ গাছের প্রচুর কষ্ট হচ্ছে। এই কষ্টের মাঝেও সে ফুল দিচ্ছে মানে তার স্ট্রেস ডাবল হচ্ছে। 

তার কষ্ট বুঝবেন কিভাবে? ফুল ঠিক সাইজ দিতে পারছে না, কালার ঠিক নেই এমনকি ফুল দেয়া শেষে পাতা গুলা ঝড়িয়ে দেয়। 

এই রোদ এই বৃষ্টি এমন আবহাওয়ায় কিন্তু ভালো ফুল আপনি পাবেন না।

তাহলে এখন কি করা উচিত, কলি গুলা ফেলে দেয়া উচিত, কিন্তু কিভাবে, এর মাঝেও কিছু টেকনিক আছে। 

খেয়াল করে দেখবেন কলিতে কালার আসা মাত্র এক্সপার্টরা কেটে দিতে বলে, এর কারন হচ্ছে আপনি যদি আগেই ফেলে দেন সেই ডাল টা আর বড় হবে না।  

কালার এসে গেছে মানে ডাল মেচিউর এবার কেটে দেন। 

বৃষ্টির পানিতে আমার ভাষায় বললে সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত ম্যাজিক থাকে, যা গোয়ায় পড়া মাত্র গাছ গা ঝারা দিয়ে উঠে। এখন আপনি যদি গাছকে ওই সময় ফুলের পেছনে ব্যাস্ত রাখেন, তাহলে গাছ সব বাদ দিয়ে বংশধর এর চিন্তায় পরে থাকবে। গাছ কিন্তু সেই গ্রোথ আসবে না। 

এখানে টেকনিক টা হলো, গোলাপে কিন্তু পুরাতন ডালের গা ফেটে কলি বের হয় না, যেমন টা জামরুল, লটকলে দেখে থাকি। আপনি যখন একটা কলি কেটে দিবেন সাথে সাথে সে নতুন ফুল আনার চেষ্টা করবে মানে নতুন ডাল ছাড়বে।

এখানে গাছ কিন্তু তার মত ফুল ফুটিয়ে বংশবিস্তারের চেষ্টা করবে, আর আপনি তাকে বাধা দিয়ে অজস্র নতুন ডাল যোগ করতে থাকবেন। 


এভাবে সিজনে যদি আপনার একটা ডালে ২ টা ফুল আসতো সেখানে ১০ টা ডালে ২০ টা আসবে, এবং সেগুলার রঙ, সাইজ হবে এক্সিবিশন লেভেল এর। 


কারো একটা গাছে ১০০ ফুল দেখে হা করে তাকিয়ে থাকার চাইতে নিজের গাছকে দেখেন ৩০-৪০ টা ডাল দিতে পারেন কিনা। কে জানে এভাবে আগাতে থাকলে ২ বছর পরে আপনার ছাদে যাওয়ার জন্য সবাই শিডিউল চাইতে থাকতে পারে।

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...