এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৫

 🍃আর্নিকামন্ট-✴ Arnicamont--


--🎋

---🫒--- ৫ম কবিতা----🫒---

ছন্দে ছন্দে আর্নিকার লক্ষন মনে রাখার সহজ কৌশল।


বেটে মোটা সতেজ বটে

লালচে আভার মুখ।

ছুয়ে দিলে ছটকে পড়ে,

স্পর্শেতে পায় দুখ।


রক্তনালী,মাংসপেশী

কিংবা স্নায়ূমন্ডলে,

পোকার মত অনুভূতি

ভিতর ভিতর খুব জ্বলে।


মাথা ঘোরা জ্বর কিংবা

আঘাতজনিত ব্যথা

নিশ্চিন্তে প্রয়োগ করবেন,

আর্নিকামন্ট সেথা


অস্হিরতা,ভয়,আতঙ্ক

স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে,

অনেক অনেক অসুখ সাড়ায়

আর্নিকামন্ট একসাথে।


টাইফয়েড জ্বরের ক্ষেত্রে

দুর্গন্ধযুক্ত শ্বাস,

রাত্রী হলেই বৃদ্ধি ঘটে

ভীষন সর্বনাশ।


মানষিক চাপ,শারিরীক আঘাত

ইন্দ্রিয়শক্তির ক্ষয়,

ক্রোধ,ভয় আর দুংখ তাহার

সারাটা সময়।


মাংস,দুধ বা ব্র্যান্ডি খাবার

খেতে চায়না মোটে,

অনেক ব্যথা ভিতরে তাহার

পুরাতন কোন চোটে।


বাত ব্যথা,মচকানো বা

অনেকদিনের আঘাতে

আর্নিকামন্ট প্রয়োগ করলে

আরাম হবে সাথে সাথে।


🎍 উৎসাহ পেলে আরো লিখতে চাই 👻 🪡


🍃 Dr.Md.Forhad Hossain 

D.H.M.S(B.H.😎,DHAKA

Pdt(Hom)

Consultant:Homoeopathic  Medicine 

🍎চেম্বার:জার্মান হোমিও কেয়ার

LSD রোগে আতংকিত হয়ে এন্টিবায়োটিক ইনজেকশন দিয়ে গরু মারবেন না!

 LSD রোগে আতংকিত হয়ে এন্টিবায়োটিক ইনজেকশন দিয়ে গরু মারবেন না!


1) গরুর LSD রোগে প্রথম সপ্তাহে বেশী ঔষধ ব্যবহার করবেন না, এ সময় গরুর নিজের রোগ দমন সক্ষমতা দিয়ে রোগকে মোকাবেলায় সুযোগ দিতে হবে।কতটুকু মোকাবেলা করতে পারছে, এটা খেয়াল করে সাপোর্ট চিকিৎসা দিতে হবে। ভয়ে অগ্রীম চিকিৎসা করতে গিয়ে পিছিয়ে যাবেন।

2) এই সময়/ প্রথম দুই সপ্তাহ কোন প্রকার এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করবেন না, কারন এটা ভাইরাস ঘটিত রোগ, ব্যকটেরিয়া ঘটিত রোগ না।

3) প্রথম সপ্তাহে যত বেশী ঔষধ খাওয়াবেন, এই রোগ ভাল হতে তত বেশী সময় লাগবে; ক্ষতি বেশী হবে, শেষে চিকিৎসা ব্যয় বাড়বে, তথাপি ও গরু-বাছুর বাঁচানো কঠিন হবে।

4) এ সময় আপনার প্রধান কাজ হল একটি থার্মোমিটার হাতের কাছে রাখা, জ্বর মাপা ও জ্বর নিয়ন্ত্রনে রাখা, ফাষ্টভেট/পাইরালজিন এসব ট্যবলেট খাওয়ান প্রতি আট ঘন্টা পরপর দিনে তিনবার। কম করে হলে দিনে 2-3 বার গোসল করাবেন, শরীর মুছে দিতে হবে, জ্বর 104 থেকে নীচে রাখতে হবে।

5) এই সময় খাবার সোডা বড় গরুর জন্য 30 গ্রাম,বাছুর হলে 15 গ্রাম, নিমপাতা পরিমান মত,জিংক সিরাপ বাছুরকে 50 মিলি, বড় গরুকে 100 মিলি করে 15-20 দিন খাওয়াতে থাকুন। এতে এ রোগের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কম হবে।

6) গোটা গুলো মোটামুটি দৃশ্যমান হতে সুযোগ দিতে হবে, এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই, এ সময় গরুর রোগ প্রতিরোধশক্তি এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে ফাইট করছে এটা জোর করে বন্ধ করতে না যেয়ে একটু সময় দিন ও পরে নন স্টেয়রয়েড এন্টিহিস্টামিন ইনজেকশন দিতে পারেন। এসময় এষ্টাভেট/রেনাসিন ইনজেকশন 100 কেজি বডি ওয়েটের জন্য 8-10 সিসি পরপর  তিন দিন/ এক দিন পরপর তিন বার দিতে পারেন। এ সময় রেজিঃ ভেটের পরামর্শ নিবেন।

7) এ সময় খাবার স্বাভাবিক রাখুন,ইলেকট্রোলাইটস/ডেক্সড্রোজ ও মিনারেলস সাপোর্ট দিতে পারেন। ওর স্যালাইন,লেবুর রস, ক্যালসিয়াম, এমাইনোভেট প্লাস সিরাপ এসব দিয়ে এনার্জি ও পুষ্ঠি সাপোর্ট দিতে হবে। এতে গরুর রোগ প্রতিরক্ষা তৈরীতে সহায়তা হবে।

8)  এ সময় No lumpy, Lumpy cure, FRA C12 এসব পাউডার খাওয়াতে পারেন। এতে ভাইরাস ভেতর থেকে দূর্বল হয়ে যাবে।

9) নিমপাতা সিদ্ধ পানি, পটাশের পানি, স্যাম্পু, টিমসেন/ GPC8 /FAM 30 এসব দিয়ে গোসল করাতে হবে।


উল্লেখিত পরামর্শ গরু পালনকারী ভাই ও বোনেরা সঠিক ভাবে পালন করলে ভয়ানক LSD রোগ থেকে আপনার গরু দ্রুত সুস্থ্য হয়ে উঠবে ইনশাআল্লাহ্!


(আগে ভাল করে পড়ুন এরপর ফলো করুন )।মনজুরুল ইসলাম

সদ্যজাত নয়, সদ্যোজাত

 ⚪সদ্যজাত নয়, সদ্যোজাত⚪


‘সদ্য’ মানে সবে, এইমাত্র, ইদানীং; আর ‘জাত’ (উচ্চারণ ‘জাতো’) মানে জনিত, জন্মিত, যে জন্মেছে। তাই এইমাত্র জন্মেছে অর্থে কেউ কেউ লেখেন ‘সদ্যজাত’ (সদ্য+জাত=সদ্যজাত), এইমাত্র মরেছে বুঝাতে লেখেন ‘সদ্যমৃত’ (সদ্য+মৃত=সদ্যমৃত)। ভুল লেখেন। শুদ্ধ শব্দ হল ‘সদ্যোজাত’ ও ‘সদ্যোমৃত’। ও-কার লাগবে। কী কারণে ও-কার লাগবে, এই লেখায় সেটাই আমরা বুঝে নেবার চেষ্টা করব।


‘সদ্য’ শব্দটি আসলে ‘সদ্যঃ’। শেষে বিসর্গ (ঃ) আছে। এটা সংস্কৃত ভাষার শব্দ। অবশ্য বাঙলায় লেখার সময় আমরা বিসর্গ বাদ দিই। কেননা আধুনিক বাঙলা বানানের নিয়ম বলে—শব্দের অন্তে অবস্থিত বিসর্গ বর্জনীয়; যেমন ক্রমশঃ>ক্রমশ, প্রায়শঃ>প্রায়শ, কার্যতঃ>কার্যত, মূলতঃ>মূলত, প্রথমতঃ>প্রথমত, মনঃ>মন, ছন্দঃ>ছন্দ, সদ্যঃ>সদ্য।


দেখা যাচ্ছে, সংস্কৃত ‘সদ্যঃ’ শব্দকে বাঙলায় আমরা ‘সদ্য’ করে নিয়েছি। লিখছি—আবেদনপত্রের সঙ্গে সদ্য তোলা দুই কপি ছবি জমা দিতে হবে। সদ্য প্রয়াত নূরুল ইসলাম ছিলেন একজন কীর্তিমান অর্থনীতিবিদ। কানাডার সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী বাইসাইকেল চালিয়ে বাজার করতে যান।


তা হলে বাঙলা ‘সদ্য’ শব্দকে ‘জাত’ শব্দের সঙ্গে সন্ধি করে ‘সদ্যজাত’ লিখলে কী সমস্যা? সমস্যা হল, ‘জাত’ শব্দটিও তৎসম বা সংস্কৃত। আর সংস্কৃত শব্দের সঙ্গে কেবল সংস্কৃত শব্দেরই সন্ধি হতে পারে, এবং অবশ্যই সংস্কৃত সন্ধির নিয়মে। তাই যখন আমরা সংস্কৃত ‘জাত’ শব্দের সঙ্গে ‘সদ্য’ শব্দকে সন্ধিবদ্ধ করতে যাই, তখন শ্রেণির টানে ফিরে আসে তার মূল রূপ ‘সদ্যঃ’; কেননা ‘সদ্য’ সংস্কৃত না হওয়ায় ‘জাত’ শব্দের সঙ্গে তার সন্ধি হবার নয়। তাই সন্ধি হবে সদ্যঃ+জাত। আর নিয়ম বলে, সন্ধির সময় ‘সদ্যঃ’ শব্দশেষের বিসর্গ (ঃ) ও-কারে রূপান্তরিত হবে। অতএব সদ্যঃ+জাত=সদ্যোজাত।


এই রূপান্তর অস্বাভাবিক বা উদ্ভট কিছু নয়। এটা প্রচলিত ও প্রতিষ্ঠিত। আমরা যারা সন্ধির নিয়মটিয়ম বড় একটা খেয়াল করি না, তারাও এতে অভ্যস্ত। মনের ভাব বুঝাতে আমরা লিখি ‘মনোভাব’, মনের যোগ অর্থে ‘মনোযোগ’, মনের রোগ ‘মনোরোগ’, মনের নিবেশ ‘মনোনিবেশ’, মনের বিজ্ঞান ‘মনোবিজ্ঞান’। ও-কার ছাড়া ‘মনযোগ’, ‘মনরোগ’, ‘মনবিজ্ঞান’ ইত্যাদি কেউ লিখি না। কারণ ‘মন’ শব্দটি মূলত ‘মনঃ’, পরের শব্দের সঙ্গে সন্ধির সময় তার বিসর্গ ফিরে এসেছে এবং বদলে গিয়ে ও-কার হয়েছে।


পদের শেষের এই বিসর্গ আদতে র্ ও স্, যা বিসর্গরূপে লিখিত হয় এবং কিছুটা হ-ধ্বনিরূপে উচ্চারিত হয়। অর্থাৎ বিসর্গ হল র্ এবং স্-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। তাই বিসর্গকে দুভাগে ভাগ করা হয়: ১. র্-জাত বিসর্গ, ২. স্-জাত বিসর্গ।


১. র্-জাত বিসর্গ: পদের শেষে র্-এর স্থানে যে বিসর্গ হয় তাকে বলে র্-জাত বিসর্গ। যেমন: অন্তর্=অন্তঃ; প্রাতর্=প্রাতঃ; পুনর্=পুনঃ; নির্=নিঃ; স্বর্=স্বঃ; দুর্=দুঃ।


২. স্-জাত বিসর্গ: পদের শেষে স্-এর স্থানে যে বিসর্গ হয় তাকে বলে স্-জাত বিসর্গ। যেমন: মনস্=মনঃ; পুরস্=পুরঃ; শিরস্=শিরঃ; বয়স্=বয়ঃ; যশস্=যশঃ; আশিস্=আশিঃ; তেজস্=তেজঃ; জ্যোতিস্=জ্যোতিঃ; ধনুস্=ধনুঃ; চক্ষুস্=চক্ষুঃ।


সন্ধির সময় এই দুই প্রকার বিসর্গ কখনো ‘শ্’ হয় (নিঃ+চিহ্ন=নিশ্চিহ্ন), কখনো ‘ষ্’ হয় (চতুঃ+টয়=চতুষ্টয়), কখনো ‘স্’ হয় (নিঃ+তার=নিস্তার), কখনো ‘র্/রেফ’ হয় (নিঃ+অক্ষর=নিরক্ষর, অন্তঃ+গত=অন্তর্গত, কখনো তার পূর্বস্বর দীর্ঘ হয় (নিঃ+রব=নীরব), কখনো কিছুই হয় না (মনঃ+কষ্ট=মনঃকষ্ট), কখনো বিসর্গ গায়েব হয়ে যায় (অতঃ+এব=অতএব) এবং দুটি স্থানে বিসর্গ ও-কার হয়ে যায় (ততঃ+অধিক=ততোধিক, ছন্দঃ+বদ্ধ=ছন্দোবদ্ধ)। আমাদের আলোচ্য শব্দ ‘সদ্যোজাত’, যাতে বিসর্গটি ও-কার হয়েছে। কাজেই এখানে আমরা বিসর্গসন্ধির শুধু সেই দুটি নিয়মই আলোচনা করব, যেখানে বিসর্গটি ও-কার হয়ে যায়।


এক. অ-কার ও বিসর্গের পরে অ-কার এলে সেই অ-কার ও বিসর্গ মিলে ও-কার হয় (অ+ঃ+অ=ও); ও-কার পূর্ববর্ণে যুক্ত হয় এবং পরবর্তী অ-কার লুপ্ত হয়। যেমন—

ততঃ+অধিক=ততোধিক; বয়ঃ+অধিক+বয়োধিক; মনঃ+অভিলাষ=মনোভিলাষ; যশঃ+অভিলাস=যশোভিলাস, যশঃ+অভীপ্সা=যশোভীপ্সা।


দুই. অ-কার ও (স্-জাত) বিসর্গের পরে বর্গের ৩য়, ৪র্থ, ৫ম বর্ণ অথবা য, র, ল, ব, হ-এর কোনো একটি এলে অ-কার ও বিসর্গ মিলে ও-কার হয়; ও-কার পূর্ববর্ণে যুক্ত হয়। যেমন—

মনঃ+গত=মনোগত; মনঃ+গ্রাহী=মনোগ্রাহী; মনঃ+জ=মনোজ; মনঃ+জগৎ=মনোজগৎ; মনঃ+জ্ঞ=মনোজ্ঞ; মনঃ+দুঃখ=মনোদুঃখ; মনঃ+নয়ন=মনোনয়ন; মনঃ+নিবেশ=মনোনিবেশ; মনঃ+নীত=মনোনীত; মনঃ+বল=মনোবল; মনঃ+বাঞ্ছা=মনোবাঞ্ছা; মনঃ+বাসনা=মনোবাসনা; মনঃ+বিকার=মনোবিকার; মনঃ+বিজ্ঞান=মনোবিজ্ঞান; মনঃ+বৃত্তি=মনোবৃত্তি; মনঃ+বেদনা=মনোবেদনা; মনঃ+ভাব=মনোভাব; মনঃ+মতো=মনোমতো; মনঃ+মালিন্য=মনোমালিন্য; মনঃ+যোগ=মনোযোগ; মনঃ+রম=মনোরম; মনঃ+হর=মনোহর; অধঃ+গত=অধোগত; তপঃ+বন=তপোবন; তপঃ+ভঙ্গ=তপোভঙ্গ; তিরঃ+ধান=তিরোধান; তিরঃ+ভূত=তিরোভূত; সদ্যঃ=জাত=সদ্যোজাত; সদ্যঃ+মৃত=সদ্যোমৃত; সদ্যঃ+মুক্ত=সদ্যোমুক্ত; অধঃ+মুখ=অধোমুখ; ছন্দঃ+বদ্ধ=ছন্দোবদ্ধ; পুরঃ+হিত=পুরোহিত; বয়ঃ+বৃদ্ধ=বয়োবৃদ্ধ; সরঃ+জ=সরোজ; নভঃ+মণ্ডল=নভোমণ্ডল; যশঃ+লিপ্সা=যশোলিপ্সা; শিরঃ+রত্ন=শিরোরত্ন। এভাবেই ত্রয়োদশ, ভূয়োদর্শী, শিরোদেশ, যশোগাথা, যশোগান, যশোদা, যশোভাগ, যশোমতী, যশোরশ্মি, যশোরাশি, যশোলাভ, যশোহানি, শিরোধার্য, শিরোমণি, শিরোরুহ, পুরোধা, তেজোদৃপ্ত, শ্রেয়োধর্মী, সর্বতোভাবে, তেজোগর্ভ, তেজোদীপ্ত, তেজোদৃপ্ত, তেজোবান, তেজোময়, তেজোহীন, সরোবর, সরোরুহ, অকুতোভয়, পয়োদ, পয়োধি, পয়োধর, অধোরেখ, অধোগতি, অধোগামী, অধোদৃষ্টি, অধোদেশ, অধোনমিত, অধোবদন, অধোবাস, অধোমুখ, স্বতোবিরুদ্ধ ইত্যাদি।


──────────────

⚪হকের বকবক ॥ #ভাষা, #ব্যাকরণ, #শুদ্ধিপত্র ॥ ১৪-০৪-'২৫।

একটি শহরে বিদ্যুতের খুঁটিগুলো যদি বিভিন্ন রঙে সাজানো থাকে, তাহলে সেটি নিশ্চয়ই দৃষ্টিনন্দন এবং কার্যকরী উদ্দেশ্যে করা হয়েছে!

 একটি শহরে বিদ্যুতের খুঁটিগুলো যদি বিভিন্ন রঙে সাজানো থাকে, তাহলে সেটি নিশ্চয়ই দৃষ্টিনন্দন এবং কার্যকরী উদ্দেশ্যে করা হয়েছে! 🌈  


### **রঙের সম্ভাব্য অর্থ বা উদ্দেশ্য:**  

1. **এলাকা চিহ্নিতকরণ:**  

   - বিভিন্ন রঙ বিভিন্ন জোন বা ওয়ার্ড নির্দেশ করতে পারে (যেমন: লাল = বাণিজ্যিক এলাকা, নীল = আবাসিক, সবুজ = পার্ক)  


2. **বিভিন্ন পরিষেবা বা সংস্থা:**  

   - বিদ্যুৎ বিভাগ, টেলিকম কোম্পানি, বা পৌরসভার নিজস্ব রঙের কোড থাকতে পারে (যেমন: হলুদ = বিদ্যুৎ লাইন, সাদা = ফাইবার অপটিক)।  


3. **নিরাপত্তা বা সতর্কতা:**  

   - উজ্জ্বল রঙ (লাল/কমলা) বিপজ্জনক এলাকা বা উচ্চ ভোল্টেজ লাইন বোঝাতে পারে।  


4. **শিল্প ও সৌন্দর্য্য:**  

   - শুধু শহরের সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য স্থানীয় শিল্পীরা খুঁটিগুলোকে রঙিন করে থাকতে পারেন (যেমন: মিউরাল, প্যাটার্ন)।  


5. **সাংস্কৃতিক বা উৎসব:**  

   - জাতীয় দিবস, পূজা, বা ঈদের মতো উৎসবে থিম অনুযায়ী খুঁটিগুলো সাজানো হতে পারে।  


### **বাংলাদেশ/ভারতের প্রেক্ষাপটে:**  

- কিছু শহরে (যেমন: ঢাকা, কলকাতা) নির্দিষ্ট এলাকায় খুঁটিগুলো রঙিন করা হয় **দিকনির্দেশনা** বা **স্থানীয় পরিচয়** হিসাবে।  

- গ্রামীণ এলাকায় রঙিন খুঁটিগুলো **স্কুল, হাসপাতাল**, বা গুরুত্বপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করতে সাহায্য করে।  


আপনি কি কোনো নির্দিষ্ট শহর বা রঙের প্যাটার্নের কথা ভাবছেন? 😊

সাহারা মরুভূমি থেকে প্রাপ্ত মমিদুটি মানুষের ডিএনএ সম্পর্কে গবেষকদের ধারণাই পাল্টে দিয়েছে

 " সাহারা মরুভূমি থেকে প্রাপ্ত মমিদুটি মানুষের ডিএনএ সম্পর্কে গবেষকদের ধারণাই পাল্টে দিয়েছে "


🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺


❤️❤️আজ থেকে প্রায় সাত হাজার বছর আগের মমি হাতে পেলেন গবেষকরা। এটিকে পাওয়া গিয়েছে সাহারা মরুভূমি থেকে। তবে এখান থেকে উঠে এসেছে অন্য তথ্য।সাহারা মরুভূমিতে রয়েছে টাকারকোড়ি পাহাড়। সেখান থেকেই পাওয়া গিয়েছে সাত হাজার বছর আগের এই মমিটি।💚💚 


💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠


❤️❤️আর এই মমিকে বিশ্লেষণ করে একেবারে অবাক করা তথ্য পেয়েছেন গবেষকরা। তারা দুটি মমি পেয়েছেন। সেখানে একটি পুরুষ এবং নারীর মমি রয়েছে। তবে দেখা গিয়েছে সেই সময়ের মমির যে ডিএনএ রয়েছে তা থেকে বর্তমান যুগের মানুষের ডিএনএ-র কোনও মিল নেই। মমি দুটির ডিএনএ সম্পূর্ণ আলাদা।💚💚


💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠


❤️❤️গবেষকরা মনে করছেন সাহারা সেইসময় সবুজে ভরা ছিল। তাকে সকলে তখন গ্রিন সাহারা বলে ডাকত। এই মমিগুলি সেই সময়ের বলেই মনে করা হচ্ছে। উত্তর আফ্রিকার মানুষের এই মমিগুলি থেকে এবার উঠে আসতে পারে অবাক করা তথ্য। আর এই সমস্ত তথ্য হয়তো সাহারা মরুভূমির কিছু অজানা কথা মানুষের সামনে উঠে আসতে পারে।💚💚


💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠


❤️❤️গবেষকরা মনে করছেন ১৪ হাজার ৮০০ বছর থেকে শুরু করে ৫ হাজার ৫০০ বছর আগে আফ্রিকার যে সভ্যতা ছিল তারা এই মমিগুলি তৈরি করেছিল। সেইসময় পৃথিবীতে জলের পরিমান অনেক বেশি ছিল। তাই সাহারা সেইসময় সবুজ ছিল। ফলে সেখানে কৃষিকাজ অতি সহজেই হত। সেইসময় যারা এখানে বাস করত তারা সাহারাকে নিজেদের বাসভূমি হিসেবে বেছে নিয়েছিল। তারা মমি তৈরি করে চমকে দিয়েছিল সকলকে।💚💚


💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠

 

❤️❤️তবে যে দুটি মমি পাওয়া গিয়েছে সেগুলির ডিএনএ থেকে দেখা গিয়েছে এগুলি বর্তমান মানুষের ডিএনএ থেকে একেবারে আলাদা। কেন এমন অবস্থা তৈরি হল সেটা নিয়েই এবার চিন্তায় পড়েছেন গবেষকরা। গবেষকরা পরীক্ষার মাধ্যমে জানতে পেরেছেন যদি মানুষের চরিত্র এক থাকে। তাহলে আলাদা ডিএনএ তৈরি হতে পারে না। সেখানে এমন আলাদা ডিএনএ কেন তৈরি হবে। তাহলে কী এজন্য পরিবেশ বিরাট প্রভাব ফেলেছিল।💚💚  


💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠

 

❤️❤️প্রসঙ্গত এটা ঠিক যে প্রকৃতি সর্বদাই বিবর্তনের পথে চলে। সেখানে সেই সময়ের যে ডিএনএ তৈরি হয়েছিল তা এখনকার থেকে ছিল একেবারে আলাদা। ফলে এটাকে প্রকৃতির খেলা বলেই মনে করছেন অনেকে। তবে সেইসময় মানুষ যেভাবে মমি তৈরি করেছিল সেটা বিরাট অবাক করেছে গবেষকদের। কারণ এর গঠন প্রকৃতি ছিল মিশরীয়দের মমি তৈরি থেকে অনেকটাই পৃথক।💚💚


💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠


✴️✴️✴️স্থিরচিত্র সৌজন্যে::-- sangbadsarabela.com


#জ্ঞানওবিজ্ঞান #জ্ঞানওবিজ্ঞানফেসবুকপেজ #fbviral

#fbpost #fbpost2025 #unbelievable #amazing #amazingfacts #unknown #unknownfacts #quiz #quiztime #generalknowledge #mummy #Saharadesert #greenSahara #amazingmummy #DNA

রবিবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৫

ভুমি ক্রয় বায়না দলিলের তুলনামূলক শর্তসমুহ (নমুনা):- 

 ✅ ভুমি ক্রয় বায়না দলিলের তুলনামূলক শর্তসমুহ (নমুনা):- 


আপনারা আরো কিছু শর্ত নিজের মতো করে যুক্ত বা বাতিল করতে পারেন।


♦️ শর্তাবলী (Terms & Conditions):

১) আর্থিক লেনদেনঃ সকল প্রকার লেনদেন ব্যাঙ্ক একাউন্টে করা বাধ্যতামূলক।


দলিল গ্রহিতাঃ আলফাজ উদ্দিন, সোনালি ব্যাংক লিঃ, একাউন্ট: ৬৭৫৬২১৩২, শাখাঃ চট্টগ্রাম।


দলিল দাতাঃ নুর চাম্পা বেগম, ব্রাক ব্যাংক লিঃ, একাউন্ট: ৫৫৪৫৪৪৫৪৫৪৫৪, শাখাঃ চট্টগ্রাম।


 ২) দলিলের মেয়াদঃ মেয়াদ দুই বছর; ক্রেতাকে অবশ্যই ৬ মাসের মধ্যে কিস্তি কিংবা এককালীন পরিশোধে বাধ্য থাকিবে। ক্রেতা কর্তৃক সমুদয় অর্থ পরিশোধ ও দখল বুঝিয়ে নেওয়ার পরে:

 ক) সম্পত্তি হস্তান্তর আংশিক সম্পন্ন হইয়াছে গণ্য হইবে, 

খ) মূল ভূমি রেজিষ্ট্রেশন আনুষ্ঠানিকতা মাত্র বলিয়া গণ্য হইবে, 

গ) ভূমি বিক্রেতা তৃতীয় কোন পক্ষের নিকট বায়না, বিক্রয়, বন্ধক, ঋণ, আমমোক্তার নিয়োগ ইত্যাদি ক্ষমতা লোপ পাইবে, 

ঘ) মেয়াদ ফুরিয়ে গেলেও, এই দলিল বাতিলের জন্য কেউ আদালতের শরণাপন্ন হতে পারিবেন না। 


৩) ক্ষতিপুরণ বিক্রেতার পক্ষেঃ ক্রেতা অনিবার্য কারণে ৬ মাসের মধ্যে সমুদয় অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে, অবশিষ্ট অপরিশোধিত অর্থের মাসিক ১০% হারে একাউন্টে ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য থাকিবেন।


৪) ক্ষতিপূরণ ক্রেতার পক্ষেঃ ঘটনা/প্রেক্ষাপট যাই হোক, ক্রেতা তফসিলে উল্লেখিত সম্পত্তি উন্নয়ন, ভোগ দখল, রেজিঃ খাজনা, মালিকানা সংক্রান্ত কোন প্রকার বাধাগ্রস্থ/ঝামেলায় পড়িলে বা বিক্রেতা ভূমি রেজিস্ট্রেশনে কালক্ষেপণ, টালবাহানা, প্রতারণা, তথ্য গোপন করিলে অথবা অর্থ ফেরতের জন্য ক্রেতা, আদালতের দ্বারস্থ হইলে সমুদয় অর্থ বুঝিয়ে পাওয়ার দিন পর্যন্ত সমুদয় অর্থের ২০% মাসিক হারে, আইনি খরচসহ ক্ষতিপূরণ দিতে বিক্রেতা বাধ্য থাকিবে।


৫) দলিল বাতিলের কারণঃ ক্রেতা অনিবার্য ও যতার্থ কারণসমুহ নোটিশ দ্বারা অবহিত না করিলে। মেয়াদ কালিন সময়ে অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে; বিক্রেতাকে মেয়াদ উত্তীর্ণ ও বকেয়ার  জন্য কোন প্রকার ক্ষতিপূরণ প্রদানে ব্যর্থ হলে। পারস্পরিক বুঝাপড়া ও আদালতের মাধ্যমে।


৬) বিক্রেতার দায়বদ্ধতাঃ ঘটনা ও প্রেক্ষাপট যাই হোক নিরংকুশ স্বত্বের বিক্রেতা, ক্রেতাকে সীমানা প্রাচির নির্মান, ভোগদখল, রেজিঃ-খারিজ, উকিল নোটিশে শরিক ও ওয়ারিশদের সই-স্বাক্ষর-টিপসই সংগ্রহে সহযোগিতা করিতে বাধ্য থাকিবেন। বায়না নামার তারিখ হতে জমি সংক্রান্ত সকল সরকারি কর ক্রেতা বহন করিবেন ও সরকার বা কোন প্রতিষ্ঠান ভূমি অধিগ্রহণ করিলে ক্রেতা তাহা ভোগ করিবেন।


৭) মৃত্যুকালীন নির্দেশনাঃ ক্রেতা বা বিক্রেতার মৃত্যুতে বায়না নামা বাতিল হইবে না। বিক্রেতার মৃত্যুতে, 

ক) তার ওয়ারিশ ও শরিকগণ ক্রেতাকে ভোগ দখলে কোন রুপ হস্তক্ষেপ বা বাধাগ্রস্থ করতে পারিবেনা, 

খ)  ক্রেতা সমুদয় অর্থ উল্লেখিত ব্যাংক একাউন্টে পরিশোধ সাপেক্ষে আদালতের মাধ্যমে নিজ/ওয়ারিশ/মনোনিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নামে মালিকানা ডিক্রী লইতে পা্রিবেন। 


ক্রেতার মৃত্যুতে, ক) বিক্রেতার সকল অবশিষ্ট অর্থ তার ব্যাংক একাউন্টে ওয়ারিশগন পরিশোধ করিবেন, 

খ) ধর্মীয় রীতিতে ওয়ারিশগণকে তাদের অংশ বিক্রেতা ভূমি রেজিস্ট্রেশন করিয়া দিবেন, 

গ) ওয়ারিশন আদালতের মাধ্যমে ডিক্রী লইতে পারিবেন, 

ঘ) ক্রেতার ওয়ারিশগণ অর্থ পরিশোধে অক্ষম হইলে, আলাপ-আলোচনা বা আদালতের মাধ্যমে ক্রেতার ওয়ারিশগণ ধর্ম অনুযায়ী, অনধিক দুই বছরে অর্থের অংশ ফেরত পাইবেন।

মানুষ কূট ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত করে; কিন্তু তারা জানে না যে মন্দ কর্মের ফল মন্দই হয় এবং তার শাস্তি শেষ পর্যন্ত কূট ষড়যন্ত্রকারীর ওপরই বর্তায়। যা তারা অনেক সময় দুনিয়া থেকেই ভোগ করতে শুরু করে।

 মানুষ কূট ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত করে; কিন্তু তারা জানে না যে মন্দ কর্মের ফল মন্দই হয় এবং তার শাস্তি শেষ পর্যন্ত কূট ষড়যন্ত্রকারীর ওপরই বর্তায়। যা তারা অনেক সময় দুনিয়া থেকেই ভোগ করতে শুরু করে।


তারা অভিশপ্ত।


আমাদের নবীজি (সা.) তাদের অভিশাপ দিয়েছেন। প্রিয় নবীজি (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো মুমিনের ক্ষতিসাধন করে অথবা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে সে অভিশপ্ত। (তিরমিজি, হাদিস : ১৯৪১)


যারা অন্যের বিরুদ্ধে কূটচক্রান্ত করে, অন্যকে কোণঠাসা করে দিতে চায়, কিংবা আর্থিকভাবে, মানসিকভাবে বা শারীরিকভাবে অক্ষম করে দিতে চায়, তাদের চক্রান্ত সব সময় কাজ না-ও করতে পারে, কিন্তু তাদের এই পাপের শাস্তিস্বরূপ মহান আল্লাহ তাদের ক্ষতি অবশ্যই করবেন, যা ঠেকানোর ক্ষমতা পৃথিবীর কারো থাকবে না। মজলুমের একবিন্দু চোখের পানি সুনামি হয়ে জালিমকে ধ্বংসের সাগরে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যায়, কিন্তু জালিম তা অনুভব করতে পারে না।


আবু সিরমা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি অন্য কারো ক্ষতিসাধন করে, আল্লাহ তাআলা তা দিয়েই তার ক্ষতিসাধন করেন। যে ব্যক্তি অন্যকে কষ্ট দেয়, আল্লাহ তাআলা তাকে কষ্টের মধ্যে ফেলেন। (তিরমিজি,  হাদিস : ১৯৪০)


সবচেয়ে বড় কথা হলো, এ ধরনের লোক কিয়ামতের দিন দেউলিয়া হয়ে যাবে। সেদিন তাদের কূটচাল, প্রভাব কিছুই কাজে আসবে না। হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে, আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) সাহাবিদের প্রশ্ন করেন, তোমরা কি জানো, দেউলিয়া কে? তাঁরা বলেন, হে আল্লাহর রাসুল (সা.), আমাদের মধ্যে দেউলিয়া হচ্ছে ওই ব্যক্তি, যার দিরহামও (নগদ অর্থ) নেই, কোনো সম্পদও নেই।


রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, আমার উম্মতের মধ্যে ওই ব্যক্তি হচ্ছে দেউলিয়া যে কিয়ামত দিবসে নামাজ, রোজা, জাকাতসহ বহু আমল নিয়ে উপস্থিত হবে এবং এর সঙ্গে সে কাউকে গালি দিয়েছে, কাউকে মিথ্যা অপবাদ দিয়েছে, কারো সম্পদ আত্মসাৎ করেছে, কারো রক্ত প্রবাহিত (হত্যা) করেছে, কাউকে মারধর করেছে ইত্যাদি অপরাধও নিয়ে আসবে। সে তখন বসবে এবং তার নেক আমল থেকে এই ব্যক্তি কিছু নিয়ে যাবে, ওই ব্যক্তি কিছু নিয়ে যাবে। এভাবে সম্পূর্ণ বদলা (বিনিময়) নেওয়ার আগেই তার সৎ আমল নিঃশেষ হয়ে গেলে তাদের গুনাহ তার ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে, তারপর তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। (তিরমিজি, হাদিস : ২৪১৮)

Borhan Vlog2.0

ব্রাজিলে মাটির নিচে থাকা এই সুড়ঙ্গগুলি মানুষের তৈরি নয় জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা

 " ব্রাজিলে মাটির নিচে থাকা এই সুড়ঙ্গগুলি মানুষের তৈরি নয় জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা "


🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺


❤️❤️পাতালঘর’ কি শুধু মানুষ বানায়, বানাতে পারে কিংবা তাদেরই বানানোর প্রয়োজন পড়ে? ব্রাজিলের ঘটনা অন্তত তা বলছে না।মাটির নীচে এক অজানা জগৎ রয়েছে সে দেশে। যার স্রষ্টা বা পরিকল্পক আর যে-ই হোক, মানুষ নয়। অন্তত এমনটাই ধারণা বিজ্ঞানীদের।অজস্র অদ্ভুত আকৃতির সব সুড়ঙ্গ রয়েছে ব্রাজিলের মাটির নীচে।💚💚


💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠


❤️❤️তবে এই পাতাল জগৎ আড়ালেই ছিল লক্ষাধিক বছর। প্রকাশ্যে আসে ২০০০ সালের পর। এক ভূবিজ্ঞানী তাঁর যাতায়াতের পথে হঠাৎই সন্ধান পান ওই সুড়ঙ্গের।এক একটির দৈর্ঘ্য ২০০০ ফুট। উচ্চতা ৬ ফুটেরও বেশি। আকারে প্রশস্ত এই সুড়ঙ্গগুলিতে ঢোকা বা বেরনোর একাধিক রাস্তা রয়েছে। কোনও কোনও প্রবেশপথ ১৫ ফুটেরও বেশি প্রশস্ত।💚💚


💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠


❤️❤️রিও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হেইনরিখ ফ্র্যাঙ্ক সেই ভূবিজ্ঞানী যিনি প্রথম মাটির নীচে ওই সুড়ঙ্গপথ আবিষ্কার করেন। একটি নির্মীয়মাণ বাড়ির গর্ভে উদ্ধার হওয়া গর্তের আকৃতি প্রকৃতি দেখে ফ্র্যাঙ্কের কৌতূহল হয়। তিনি ঠিক করেন ওই গর্তের ভিতর প্রবেশ করবেন তিনি। তারপরই সুড়ঙ্গ-রহস্যের উদ্ঘাটন।💚💚


💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠


❤️❤️তবে এ কথা ঠিক যে ফ্র্যাঙ্কের আগে এই ধরনের সুড়ঙ্গ কেউ লক্ষ করেননি, তা নয়। তবে কেউ এগুলিকে গুরুত্ব দেননি। প্রাকৃতিক গুহা বলে ভেবে নেওয়া হয়েছিল সুড়ঙ্গগুলিকে।ফ্র্যাঙ্কই প্রথম জানান, গুহার মতো দেখতে সুড়ঙ্গগুলি প্রাকৃতিক নয়। সেগুলিকে বানানো হয়েছে। তবে যারা বানিয়েছে, তারা মানুষ নয়।💚💚


💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠


❤️❤️ফ্র্যাঙ্ক বলেন, সুড়ঙ্গের ভিতর প্রবেশ করে তিনি দেখেছেন তার দেওয়াল জুড়ে রয়েছে শক্ত নখের আঁচরের দাগ, যা মানুষের হতে পারে না।এরপর সুড়ঙ্গগুলি নিয়ে গবেষণা শুরু করেন ভূবিজ্ঞানী। জানতে পারেন ব্রাজিলের মাটির নীচে এমন অন্তত হাজার দেড়েক সুড়ঙ্গপথ রয়েছে। আর প্রত্যেকটিরই বৈশিষ্ট্য এক। প্রত্যেকটি সুড়ঙ্গই একাধিক প্রবেশ পথ বিশিষ্ট গুহার মতো।💚💚


💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠


❤️❤️ফ্র্যাঙ্ক তাঁর অভিজ্ঞতা দিয়ে জানান, এই সুড়ঙ্গ কোনও প্রাগৈতিহাসিক প্রাণীর তৈরি করা। সেই প্রাণী ডাইনোসর বা ম্যামথদের সমসাময়িকও হতে পারে।ফ্র্যাঙ্কের ধারণা, এই প্রাগৈতিহাসিক প্রাণীটি গ্রাউন্ড শ্লথ হতে পারে, আবার আর্মাডিলো নামের পিপিলিকাভুকও হতে পারে।বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ, প্রাগৈতিহাসিক যুগে ডাইনোসর বা ম্যামথের মতো প্রাণীরা খোলা আকাশের নীচে থাকত বলেই ধারণা ছিল এতদিন।💚💚 


💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠


❤️❤️এই প্রথম জানা গেল, এই সময়ের প্রাণীদের কেউ কেউ ‘ঘর’-এর ব্যবস্থাও করত।ফ্র্যাঙ্কের মতে, বিষয়টি গবেষণা করার মতো। শুধু তাই নয়, এ বিষয়ে সতর্ক হলে এই প্রাগৈতিহাসিক প্রাণীদের তৈরি ঘর সংরক্ষণও করা যাবে। মানুষের তৈরি স্থাপত্যের পাশাপাশি প্রাগৈতিহাসিক প্রাণীর তৈরি ‘ঘর’ দেখার মতো বিষয় হবে বলেই মনে করেন ফ্র্যাঙ্ক।💚💚


💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠


❤️❤️একইসঙ্গে তিনি জানান সতর্ক না হলে নির্মাণ কাজের চাপে ওই সুড়ঙ্গগুলি নষ্ট হয়ে যাবে বলেও জানিয়েছেন ভূবিজ্ঞানী। নিজের উদ্যোগেই সংরক্ষণের কাজ শুরুও করেছেন তিনি।তবে এই প্রক্রিয়ায় তাঁদের কাছে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে সময়। ব্রাজিলের মাটির নীচে থাকা প্রায় দেড় হাজার সুড়ঙ্গের প্রত্যেকটির বৈশিষ্ট্য বিচার করা সহজ কাজ নয়। তবে ফ্র্যাঙ্ক জানিয়েছেন, তাঁরা চেষ্টা চালাচ্ছেন এবং আশা করছেন আরও অনেকে এ ব্যাপারে তাঁদের সাহায্য করতে এগিয়ে আসবেন।💚💚


💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠


✴️✴️✴️স্থিরচিত্র সৌজন্যে::-- ampproject.org


#জ্ঞানওবিজ্ঞান #জ্ঞানওবিজ্ঞানফেসবুকপেজ #fbviral

#fbpost #fbpost2025 #unbelievable #amazing #amazingfacts #unknown #unknownfacts #quiz #quiztime #generalknowledge #Brazil #cave #tunnel #Prehistoricaltunnel #freehistoricalanimal #ancientplace

মৃত্যু শয্যায় মহাবীর আলেকজেন্ডার তার সেনাপতিদের ডেকে বলেছিলেন, আমার মৃত্যুর পর আমার তিনটা ইচ্ছা তোমরা পূরণ করবে।

 🍀 মৃত্যু শয্যায় মহাবীর আলেকজেন্ডার তার সেনাপতিদের ডেকে বলেছিলেন, আমার মৃত্যুর পর আমার তিনটা ইচ্ছা তোমরা পূরণ করবে।


★ আমার প্রথম অভিপ্রায় হচ্ছেঃ

শুধু মাত্র আমার চিকিৎসকরাই আমার 

কফিন বহন করবেন।


★আমার ২য় অভিপ্রায় হচ্ছেঃ

আমার কফিন যে পথ দিয়ে যাবে সেই পথে 

আমার অর্জিত সকল সোনা ও রুপা ছড়িয়ে দিবে।


★ আর শেষ অভিপ্রায় হচ্ছেঃ 

কফিন বহনের সময় আমার দুই হাত 🙌

কফিনের বাইরে ঝুলিয়ে রাখবে।'


🥷 ⚔️ 🗡️ তার সেনাপতি তখন তাঁকে এই বিচিত্র 

অভিপ্রায় কেন করছেন প্রশ্ন করলেন ??


দীর্ঘ শ্বাস গ্রহণ করে আলেকজান্ডার বললেন, 

আমি দুনিয়ার 🌍 সামনে তিনটি শিক্ষা 

রেখে যেতে চাই।


★ আমার চিকিৎসকদের কফিন বহন করতে এই কারনে বলেছি, যে যাতে লোকে বুঝতে পারে চিকিৎসক ক্ষমতাহীন, তারা মৃত্যুর থাবা থেকে মানুষকে রক্ষা করতে অক্ষম।


★ যাবার পথে সোনা-দানা ছড়িয়ে রাখতে বলেছি এই কারণে ,, সোনা-দানার একটা কণাও আমার সঙ্গে যাবে না। এগুলো পাওয়ার জন্য সারাটা জীবন ব্যয় করেছি ।কিন্তু নিজের সঙ্গে কিছুই নিয়ে যেতে 

পারছি না। মানুষ বুঝুক এসবের 

পেছনে ছোটা মানে সময়ের অপচয়।'


★ কফিনের বাইরে আমার দুই হাত বাহিরে 

রাখতে বলেছি ,,, মানুষকে বুঝানোর জন্য যে,, পৃথিবীতে খালি হাতে এসেছি আজ পৃথিবী 

থেকে খালি হাতেই চলে যাচ্ছি।


#গল্পেরআসর #মোটিভেশনাল

নূহ নবীর নৌকা‌ এখন কোথায়?

নূহ নবীর নৌকা‌ এখন কোথায়?


সেমেটিক ধর্মবিশ্বাসীদের মতে, নূহ বা নোয়াহ ছিলেন একজন নবী, যাকে সৃষ্টিকর্তা পাঠিয়েছিলেন মানবজাতির পথপ্রদর্শক হিসেবে।


ইহুদি, খ্রিস্টান ও ইসলাম ধর্মকে সেমেটিক ধর্ম বলা হয়।


এসব ধর্মের অনুসারীরা বিশ্বাস করেন যে, সৃষ্টিকর্তার নির্দেশে নূহ এমন একটি নৌকা বানিয়েছিলেন, মহাপ্লাবনের সময় যেটিতে আশ্রয় নিয়ে মানুষ ও পৃথিবীর অন্যান্য প্রাণিকূল নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষা করেছিল।


কিন্তু মহাপ্লাবনের পর বিশাল আকৃতির সেই নৌকার পরিণতি ঠিক কী হয়েছিল? সেটির অস্তিত্ব কি এখনও টিকে আছে?


যদি টিকে থাকে, তাহলে নৌকাটি ঠিক কোথায় রয়েছে?- এমন নানান প্রশ্ন শত শত বছর ধরে মানুষের মনকে আচ্ছন্ন করে রেখেছে।


এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেতে অনুসন্ধানও কম চালানো হয়নি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অনুসন্ধান চালানো হয়েছে তুরস্কের আরারাত পর্বতে, যেটির উচ্চতা পাঁচ হাজার মিটারেরও বেশি।


কারণ মহাপ্লাবনের পর এই পর্বতেই নূহের নৌকা নোঙর ফেলেছিল বলে খ্রিস্টানদের ধর্মগ্রন্থ বাইবেলে উল্লেখ করা হয়েছে।


১৯৫৯ সালে তুরস্কের পূর্বাঞ্চলে পাহাড়ের ওপরে জাহাজ আকৃতির একটি স্থান সন্ধান পান ক্যাপ্টেন ইলহান দুরুপিনার নামে এক মানচিত্রকর। অনেকেই দাবি করেন, এটাই নূহ নবীর নৌকার ধ্বংসাবশেষ।


মন্তব্য?👎

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...