এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৫

বাঘের রাঁধুনি উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী

 বাঘের রাঁধুনি

উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী


এক বাঘের বাঘিনী মরে গিয়েছিল। মরবার সময় বাঘিনী বলে গিয়েছিল, 'আমার দুটো ছানা রইল, তাদের তুমি দেখো।'

বাঘিনী মরে গেলে বাঘ বললে, 'আমি কী করে বা ছানাদের দেখব, কী করে বা ঘরকন্না করব।'

তা শুনে অন্য বাঘেরা বললে, 'আবার একটা বিয়ে কর, তাহলে সব ঠিক হয়ে যাবে।'

বাঘও ভাবলে, 'একটা বিয়ে করলে হয়। কিন্তু আর বাঘিনী বিয়ে করব না, তারা রাঁধতে-টাঁধতে জানে না। এবারে বিয়ে করব মানুষের মেয়ে, শুনেছি তারা খুব রাঁধতে পারে।'


এই মনে করে সে মেয়ে খুঁজতে গ্রামে গেল। সেখানে এক গৃহস্থের একটি ছেলে আর একটি মেয়ে ছিল। বাঘ সেই মেয়েটিকে ধরে এনে, তার ছানা দুটোকে বললে, 'দেখ রে, এই তোদের মা।'

ছানা দুটো বললে, 'লেজ নেই, দাঁত নেই, রোঁয়া নেই, ডোরা নেই-ও কেন আমাদের মা হবে! ওটাকে মেরে দাও আমরা খাই!'

বাঘ বললে, 'খবরদার! অমন কথা বলবি তো তোদের ছিঁড়ে টুকরো-টুকরো করব।' তাতে ছানা দুটো চুপ করে গেল। কিন্তু সেই মেয়েটিকে তারা একেবারেই দেখতে পারত না। আর কথায়-কথায় খালি বলত, 'আর একটু বড় হলেই আমাদের গায়ে জোর হবে, তখন তোর ঘাড় ভেঙে তোকে খাব।'


সেই মেয়েটির দুঃখের কথা আর কি বলব। বাঘ যখন বাড়ি থাকে না, তখন সে তার মা-বাপ আর ভাইয়ের জন্য গড়াগড়ি দিয়ে কাঁদে। বাঘ এলে তার ভয়ে চুপ করে থাকে। এমনি তার দিন যায়।

আর তার মা-বাপ তো কেঁদে-কেঁদে অন্ধই হয়ে গেল। তার ভাইটিও দিন কতক খুব কাঁদলে, তারপর তার মা-বাপকে বললে, 'শুধু ঘরে বসে কাঁদলে কী হবে? আমি চললুম, দেখি বোনের সন্ধান করতে পারি কিনা।' এই বলে সে ঘর থেকে বেরিয়ে, খালি বনে-বনে ঘুরতে-ঘুরতে শেষে সেই বাঘের বাড়ি এসে তার বোনকে পেল।

বোনটি তো তাকে দেখেই কাঁদতে-কাঁদতে বললে, 'ও দাদা তুমি কেন এলে? বাঘ এলেই যে তোমাকে ধরে খাবে!'

ভাই বললে, 'খায় খাবে! আমি তোকে না নিয়ে ফিরছি না। এখন আমাকে লুকিয়ে রাখ, তারপর দেখব এখন।'

তখন তারা দুজনে মিলে রান্নাঘরে গর্ত খুঁড়ল। মেয়েটি সেই গর্তের ভিতরে তার ভাইকে বসিয়ে, শিল চাপা দিয়ে রাখল।

তার পরেই বাঘ এসে, তার ছানা দুটোকে নিয়ে খেতে বসল। ছানা দুটো ভালো করে খাচ্ছে না, খালি বলছে—

'বাবাগো বাবা, তোর কি শালা? মোর কি মামা?

মা'র কি সোদর ভাই?

শিলের তলে কুমকুম করে— তুলে দে না খাই!'


বাঘ সেদিন কার উপরে চটে এসেছিল, তাই ছানা দুটোর কথা শুনেই, ঠাস-ঠাস করে তাদের দুটো চড় মারল। তারা কী বলছে তা ভেবে দেখল না। খাওয়া শেষ হলে সে মেয়েটিকে বলল, 'আজ পিঠে করিস, বিকেলে খাব। দেখিস যেন ভালো হয়।' এই বলে সে আবার বেরিয়ে গেল।

বাঘ চলে গেলে পর মেয়েটি শিলের তলা থেকে তার ভাইকে বার করল। তারপর দুজনে খাওয়া-দাওয়া সেরে, উনুন ধরিয়ে তার উপর কড়ায় করে তেল চড়াল। তারপর বাঘের ছানা দুটোকে কেটে, উনুনের উপর ঝুলিয়ে রেখে, তারা সেখান থেকে ছুটে পালাল।


বাঘের ছানা উনুনের উপর ঝুলছে, আর ঝ্যাঁৎ-ঝ্যাঁৎ করে রক্তের ফোঁটা তপ্ত তেলে পড়ছে।

বিকেলে বাঘ ফিরে এসে ঘরে ঢুকবার আগেই সেই শব্দ শুনতে পেল। শুনে সে বললে, বাঃ রে বা! ঐ পিঠে হচ্ছে। পিঠে যদি ভালো হয় তো ভালো, নইলে আমরা তিন বাপ-বেটায় মিলে রাঁধুনী হতভাগীকে ছিঁড়ে খাব!'

তারপর ঘরে ঢুকেই তো দেখল কি রকম পিঠে হচ্ছে! তখন বাঘ 'হালুম হালুম' করে ঘরময় খুঁজতে লাগল। কিন্তু গৃহস্থের মেয়েকে আর কোথায় পাবে। সে ততক্ষণে তার ভাইকে নিয়ে, মা-বাপের কাছে গিয়ে উপস্থিত হয়েছে। আর গ্রামের সকল লোক ছুটে এসে তাদের নিয়ে কী আনন্দই যে করছে কী বলব!

জান্নাতে যাওয়ার সহজ মাধ্যমগুলো জেনে নিনঃ

 জান্নাতে যাওয়ার সহজ মাধ্যমগুলো জেনে নিনঃ


১- প্রত্যেক ওযুর পর কালেমা শাহাদত পাঠ করুন  (আশ্‌হাদু আল্লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্‌দাহু লা- শারী কা লাহূ ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান ‘আব্দুহূ ওয়া রাসূলুহূ)


এতে জান্নাতের ৮টি দরজার যে কোন দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। 

২- প্রত্যেক ফরজ সলাত শেষে আয়াতুল কুরসি পাঠ করুণ এতে মৃত্যুর সাথে সাথে জান্নাতে যেতে পারবেন।  

৩- প্রত্যেক ফরজ সলাত শেষে ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ, ৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ্‌, ৩৩ বার আল্লাহু আকবার এবং ১ বার (লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর) পাঠ করুন এতে আপনার অতীতের সব পাপ ক্ষমা হয়ে যাবে। 

সেই সাথে জাহান্নাম থেকেও মুক্তি পেয়ে যাবেন কেননা দিনে ৩৬০ বার এই তাসবিহগুলো পড়লেই জাহান্নাম থেকে মুক্ত রাখা হয় আর এভাবে ৫ ওয়াক্তে ৫০০ বার পড়া হচ্ছে। 

৪- প্রতিরাতে সূরা মুলক পাঠ করুণ এতে কবরের শাস্তি থেকে মুক্তি পেয়ে যাবেন। 

৫- রাসুল (সাঃ)-এর উপর সকালে ১০ বার ও সন্ধ্যায় ১০ বার দরুদ পড়ুন এতে আপনি নিশ্চিত রাসুল (সাঃ)-এর সুপারিশ পাবেন। 

৬- সকালে ১০০ বার ও বিকালে ১০০ বার সুবহানাল্লাহিল আজিম ওয়া বিহামদিহি পরলে সৃষ্টিকুলের সমস্ত মানুষ থেকে বেশী মর্যাদা দেওয়া হবে। 

৭- সকালে ১০০ বার ও সন্ধ্যায় ১০০ বার সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি পাঠ করলে কিয়ামতের দিন তার চেয়ে বেশী সওয়াব আর কারো হবে না। 

৮- সকালে ও বিকালে ১০০ বার সুবহানাল্লাহ, ১০০ বার আলহামদুলিল্লাহ্‌, ১০০ বার আল্লাহু আকবার এবং ১০০ বার লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর পাঠ করলে অগণিত সওয়াব হবে। 

৯- বাজারে প্রবেশ করে- (লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু য়্যুহয়ী ওয়া য়্যুমীতু ওয়া হুয়া হাইয়ুল লা য়্যামূত, বিয়াদিহিল খাইরু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর)পাঠ করুণ এতে ১০ লক্ষ পুণ্য হবে, ১০ লক্ষ পাপ মোচন হবে, ১০ লক্ষ মর্যাদা বৃদ্ধি হবে এবং জান্নাতে আপনার জন্য ১ টি গৃহ নির্মাণ করা হবে। 

১০- বাড়িতে সালাম দিয়ে প্রবেশ করুণ এতে আল্লাহ তা’লা নিজ জিম্মাদারিতে আপনাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।

১১- জামাতে ইমামের প্রথম তাকবীরের সাথে ৪০ দিন সলাত আদায় করুন এতে আপনি নিশ্চিত জাহান্নাম থেকে মুক্তি পেয়ে যাবেন। 

১২- প্রতিমাসের আয়ের একটা অংশ এতিমখানা বা মসজিদ মাদ্রাসা বা গরিব-দুখি, বিধবা ও দুস্থদের মাঝে দান করবেন হোক সেটা অতি অল্প এতে আপনি আল্লাহ তা’লার কাছে জিহাদকারির সমতুল্য হবেন। 

১৩- মহিলারা ৫ টি কাজ করবেন, ১- ৫ ওয়াক্ত সলাত ২- রমজানের সিয়াম, ৩- লযযাস্থানের হেফাজত, ৪- স্বামীর আনুগত্য করুণ এবং ৫।সঠিকভাবে পর্দা করুনন এতে জান্নাতের যে কোন দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। 

১৪- মসজিদে ফজরের সলাত আদায় করে বসে দোয়া জিকির পাঠ করুণ এবং সূর্য উঠে গেলে ২ রাকাত চাস্তের সলাত আদায় করুণ এতে প্রতিদিন নিশ্চিত কবুল ১ টি হজ্জ ও উমরার সওয়াব পাবেন। 

(বি দ্রঃ শির্ক, বিদআত ও হারাম ভক্ষণ থেকে দূরে না থাকলে কোন দোয়াই কবুল হয় না)

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ : ২২-০৪-২০২৫ খ্রি:

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ : ২২-০৪-২০২৫ খ্রি:


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


আর্থনা সামিট-২০২৫ এ যোগ দিতে চার দিনের সফরে কাতার পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা।


বাংলাদেশ অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জলবায়ু সহিষ্ণু অর্থনীতি গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ - এসক্যাপ সম্মেলনে ভিডিও বার্তায় বললেন অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস।


জুলাই আন্দোলন চলাকালে মানবতা বিরোধী অপরাধের মামলায় প্রথম তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল - চানখাঁরপুলে গুলি কোরে ৬ জনকে হত্যার ঘটনায় আট আসামি চিহ্নিত।


সেপ্টেম্বরের মধ্যে দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার - জানালেন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা।


সংবাদপত্রের গুণগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে টাস্কফোর্স গঠন করা হবে - জানালেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা।


ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের সর্বোচ্চ ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিসের প্রয়াণ - প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসসহ বিশ্বনেতাদের শোক।


সিলেটে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে গতকালের এক উইকেটে ৫৭ রান নিয়ে আজ আবার ব্যাটিং শুরু করবে বাংলাদেশ।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২০-০৪-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২০-০৪-২০২৫ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


চট্টগ্রামে ব্যবসায়িক কার্যক্রম উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রায় ১৩ হাজার পাঁচশো কোটি টাকা ব্যয়ে বে-টার্মিনাল মেরিন অবকাঠামো প্রকল্প একনেকে অনুমোদন।


জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে আরো বেশি বাংলাদেশি নারী নিয়োগের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার।


আর্থনা শীর্ষ সম্মেলনে যোগদানের জন্য অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস আগামীকাল দোহার উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবেন।


চট্টগ্রাম ও চীনের ইউনান প্রদেশের মধ্যে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচনের প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশ ও চীনের।


জাতীয় ঐক্য কমিশনের সাথে বিএনপির বৈঠক - রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধির পক্ষে মত।


গত তিনটি নির্বাচনে অনিয়মের সাথে জড়িত কর্মকর্তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি এনসিপির।


একে অপরের বিরুদ্ধে ৩০ ঘন্টার ইস্টার যুদ্ধবিরতি ভঙ্গের অভিযোগ রাশিয়া ও ইউক্রেনের।


আজ সিলেটে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথমটিতে স্বাগতিক বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম দিনের খেলা শেষে জিম্বাবুয়ে ১২৪ রানে পিছিয়ে।

চাকরির ইন্টারভিউতে যে ১৩টি কথা কখনোই বলবেন না

 চাকরির ইন্টারভিউতে যে ১৩টি কথা কখনোই বলবেন না


আপনার কি কখনও এমন হয়েছে যে, চাকরির জন্য ইন্টারভিউ দিয়েছেন এবং ভেবেছেন খুব ভাল করেছেন—কিন্তু সময় পার হয়ে গেলেও নিয়োগকর্তার কাছ থেকে উত্তর পাননি? 


এমনটা হওয়ার কারণ হতে পারে, আপনি এমন কিছু বলেছেন যা তাদের মনে সন্দেহের সৃষ্টি করেছে। তাই, চাকরির ইন্টারভিউতে কী বলতে হবে এবং কী বলা উচিত নয়—দুটিই জানা খুব জরুরি।


এমন কিছু বাক্য আছে যা প্রথম সাক্ষাতেই বললে আপনাকে আত্মকেন্দ্রিক, নিরাপত্তাহীন বা এমনকি মরিয়া মনে হতে পারে। আপনি কি জানেন এই বাক্যগুলি কী কী? 

.


চাকরির ইন্টারভিউতে যা বলা উচিত নয় 


ইন্টারভিউয়ারের সাথে কথোপকথনের সময় আপনি যে শব্দ এবং বাক্য ব্যবহার করেন তা আপনার কোম্পানিতে যোগদানের সম্ভাবনাকে প্রভাবিত করে। কিছু বিশ্লেষণে জানা গেছে যে ইন্টারভিউয়ের সময় মানুষের আচরণ, যেমন আপনি কী বলছেন এবং কীভাবে বলছেন, তা কোনো পদের জন্য আপনার যোগ্যতা সবচেয়ে বেশি থাকা সত্ত্বেও চাকরি পাওয়া বা না পাওয়ার ওপর প্রভাব ফেলে। নিচে, আমরা এমন ১৩টি অভিব্যক্তি উল্লেখ করব যা যেকোনো মূল্যে এড়িয়ে চলা দরকার।


১. “আমার আগের বস খুব খারাপ ছিলেন”


চাকরির ইন্টারভিউতে সবচেয়ে কঠিন প্রশ্নগুলির একটা হল—আপনার আগের বা বর্তমান বসের সঙ্গে সম্পর্ক কেমন ছিল। অনেক সময় অভিজ্ঞতা ভাল না হলেও সরাসরি খারাপ বলা ঠিক না।


আপনার আগের বস বা চাকরি সম্পর্কে খারাপ কিছু বললে আপনাকে নেতিবাচক, অবিশ্বস্ত বা আনুগত্যহীন মনে হবে। এতে রিক্রুটারের মনে হতে পারে আপনি ভবিষ্যতেও এমন কিছু বলবেন।


এর বদলে এমনভাবে বলুন, যাতে বোঝায় আপনি শেখার সুযোগ পেয়েছেন, চ্যালেঞ্জ সামলেছেন এবং সম্পর্ক ঠিক রাখার চেষ্টা করেছেন। 


যেমন: “আমি আমার আগের বসের কাছ থেকে কাজ সম্পর্কে অনেক কিছু শিখেছি। আমাদের হয়ত দৃষ্টিভঙ্গি আলাদা ছিল, কিন্তু আমরা সবসময় একটা সমঝোতায় পৌঁছাতে পেরেছি।”


২. “আমার কোনো দুর্বলতা নেই”


চাকরির ইন্টারভিউতে এটা এমন একটা কথা, যা একদমই বলা উচিত না। কারণ সবারই কিছু না কিছু ত্রুটি থাকে, আর সেটা অস্বীকার মানে নিজেকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা।


এই ধরনের উত্তর ইন্টারভিউয়ারের কাছে আপনাকে অপ্রামাণিক আর অবিশ্বস্ত মনে করাতে পারে। মনে হতে পারে আপনি সত্য লুকাতে পারেন বা ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও এমন করবেন।


তাই আপনার দুর্বলতা স্বীকার করুন, তবে সততার সাথে আর বুঝিয়ে বলুন আপনি কীভাবে সেটা নিয়ে কাজ করছেন। 


যেমন: “আমি জানি, কিছু কিছু সময় প্রজেক্ট শেষ করতে গিয়ে সাহায্য চাইতে একটু দ্বিধা হয় আমার। তবে এখন বুঝি, ঠিক সময়ে হেল্প চাইলে কাজও সহজ হয়, দেরিও কমে যায় আর টিমের লোকজনকে কাছ থেকে বুঝতেও পারি।”


৩. “আমার এই চাকরিটা দরকার”


কথার ভঙ্গিটা এমন যেন কারও কাছে অনুনয় করা হচ্ছে, তাই না? ইন্টারভিউয়ারও ঠিক তেমনটাই মনে করবেন। এতে আপনাকে একরকম মরিয়া মনে হবে। আর সেটা বরং ক্ষতি করবে আপনার।


এমন ভাব দেখালে মনে হতে পারে আপনি শুধু একটা চাকরি চান, এই কোম্পানিতে কাজ করার তেমন ইচ্ছা নাই। নিয়োগকর্তারা এমনও ভাবতে পারেন যে পরে অন্য অফার পেলে আপনি এখানে আর থাকবেন না।


আর একটা সমস্যা হল, আপনি যদি নিজেই বোঝান যে যেকোনো কিছুতেই রাজি, তাহলে আপনাকে কম সুযোগ-সুবিধা দিয়ে কাজ করিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতেও তারা পিছপা হবেন না।


তাই এর বদলে বলুন আপনি কী কী পারেন আর কীভাবে ওই কাজটা আপনাকে মানায়। 


যেমন: “গ্রাহক পরিষেবা ক্ষেত্রে আমার ৭ বছরের অভিজ্ঞতা আছে। আমি নিজেকে একজন বিশ্লেষণাত্মক, উদ্যোগী আর সহানুভূতিশীল ব্যক্তি ভাবি, যে মন দিয়ে অন্যের কথা শুনতে পারে। এই স্কিলগুলি রোজ কাজেই লাগে যখন মানুষের সঙ্গে ডিল করতে হয়।”


৪. “আমি পারফেকশনিস্ট” বা “আমি ভীষণ নিখুঁতভাবে কাজ করি”


“পারফেকশনিস্ট” শব্দটি এমন একটি শব্দ যা সন্দেহের উদ্রেক করে এবং এটি একটি বহুল ব্যবহৃত মিথ্যার মত শোনায়। যিনি ইন্টারভিউ নিচ্ছেন, তিনি ভাবতে পারেন, আপনি আসল দুর্বলতাটা ঢাকার চেষ্টা করছেন।


অনেকেই যখন তাদের দুর্বলতা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয় তখন এই উত্তর দেন। 


এর কাছাকাছি কিন্তু আরেকটু স্মার্ট উত্তর হতে পারে এরকম:


“আমি খুব ডিটেলে কাজ করি, খুঁটিনাটি সব খেয়াল রাখি। মাঝে মাঝে এ কারণে কাজ শেষ করতে একটু বেশি সময় লেগে যায়। তবে আমি চেষ্টা করছি যাতে কোয়ালিটি ঠিক রেখে কাজটা সময়ে শেষ করা যায়, একটা ব্যালান্স আনার চেষ্টা করছি।”


৫. “আমার টিমে আমিই সেরা ছিলাম”


“আপনার সম্পর্কে বলুন”—ইন্টারভিউয়ের সবচেয়ে কঠিন প্রশ্নগুলির একটা, তাই না? এটা ঠিক যে আপনি আপনার ভাল কাজগুলি বা অন্যদের চেয়ে কোথায় আপনি আলাদা, সেটা বলতে চাইবেন। কিন্তু খেয়াল রাখুন যেন বেশি ভাব দেখাতে গিয়ে বাড়াবাড়ি না হয়ে যায়, তাহলে আপনাকে দাম্ভিক মনে হতে পারে।


সবচেয়ে ভাল হয় যদি আপনি আপনার অভিজ্ঞতার একটা ছোট সামারি তৈরি রাখেন। সেখানে বলুন আপনি কী ধরনের কাজ খুঁজছেন আর ইন্টারভিউয়ের পদের সাথে সেটার মিল কোথায়। একটা সহজ উত্তর, যা প্রায় সব জায়গায় কাজে দেবে, সেটা হতে পারে এইরকম:


“আমি একজন (আপনার পেশা), আমার প্রায় X বছরের কাজের অভিজ্ঞতা আছে। আগে আমি (আপনার সবচেয়ে জরুরি আগের কাজগুলি)-র দায়িত্বে ছিলাম আর সেখান থেকে (আপনার সবচেয়ে ভাল স্কিলগুলি)-র মত দক্ষতা অর্জন করেছি। আমার মনে হয়, এই দক্ষতাগুলি কোম্পানির খুব কাজে আসবে।”


৬. “আমার কোনো অভিজ্ঞতাই নেই”


হ্যাঁ, সৎ থাকা ভাল, কিন্তু ইন্টারভিউতে সরাসরি এটা বলে দিলে চাকরিদাতাদের কাছে কিন্তু ব্যাপারটা ভাল শোনায় না। এটা একটা রেড ফ্ল্যাগের মত, আর তারা ভাববে পদের জন্য যে জ্ঞান দরকার, তা আপনার নেই।


তাহলে অভিজ্ঞতা না থাকলে ইন্টারভিউতে কী বলবেন? 


বুদ্ধি করে আপনার সেই স্কিলগুলির কথা বলুন যা ওই পদের সাথে যায়, আর দেখান যে আপনি শিখতে খুব আগ্রহী। আপনি যদি ছাত্র হন বা প্রথম চাকরি খুঁজছেন, তাহলে ইন্টার্নশিপ বা প্রাসঙ্গিক কোনো ভলান্টিয়ার কাজের অভিজ্ঞতা থাকলে সেটা বলুন:


“আমি X প্রোগ্রামটা ভাল পারি আর X ভাষায় আমার X লেভেলের দক্ষতা আছে। আমি X কোম্পানিতে ইন্টার্নশিপও করেছি। আমি আপনাদের টিমে কাজ করতে আর শিখতে খুব আগ্রহী, আর এখন আমি পদের জন্য জরুরি X স্কিলের ওপর একটা কোর্সও করছি।”


৭. “আমার সিভি থেকে দেখে নিন”


ইন্টারভিউতে আপনার সিভি থেকেই কোনো প্রশ্ন আসতে পারে, কিন্তু তার উত্তরে এটা বলা একদমই ঠিক না। যিনি ইন্টারভিউ নিচ্ছেন, তিনি আসলে আপনার মুখ থেকে শুনতে চান যে ওই অভিজ্ঞতা বা স্কিল নিয়ে আপনার কী বলার আছে বা আপনি কীভাবে কাজ করেন।


আবার, সিভিতে যা লেখা আছে, শুধু সেটাই মুখে বলাটাও কিন্তু যথেষ্ট নয়। আসলে তারা চায় আপনি বিষয়টা নিয়ে আরেকটু গুছিয়ে বলুন। ধরুন, প্রশ্নটা আপনার আগের কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে। আপনি এভাবে বলতে পারেন:


“X কোম্পানিতে কাজ করার সময় আমার দায়িত্ব ছিল (আপনি যে কাজগুলি করেছেন তা বলুন)। এই কাজটা করতে গিয়ে আমার (কাজের সাথে জড়িত স্কিলের নাম) স্কিলটা ভালভাবে তৈরি হয়েছে।”


৮. “এই কোম্পানিটি আসলে কী করে?”


ইন্টারভিউতে এই প্রশ্ন করাটা বিরাট বড় রেড ফ্ল্যাগ! এটা শুনেই বোঝা যায় আপনি কোম্পানির ব্যাপারে কিছুই জানেন না, আর ইন্টারভিউয়ার ভাববেন যে এই চাকরিটায় আপনার তেমন আগ্রহই নেই।


ইন্টারভিউতে ভাল করতে হলে, আপনি যে কোম্পানি আর পদের জন্য আবেদন করছেন, সে বিষয়ে একটু রিসার্চ করে যাওয়াটা কিন্তু খুবই জরুরি, আর এটা সবসময় আগেই করে রাখা উচিত। হ্যাঁ, পদের বিবরণে এমন কিছু থাকতে পারে যা আপনার কাছে পরিষ্কার নয়। সেক্ষেত্রে, প্রশ্নটা এভাবে গুছিয়ে করুন:


“আমি জেনেছি যে আপনাদের কোম্পানি X সেক্টরে কাজ করে আর এর প্রায় X বছরের অভিজ্ঞতা আছে। পদের বিবরণে দেখলাম যে এখানে মূলত X এরিয়া নিয়ে কাজ করতে হবে, কিন্তু আপনি কি X কাজটা নিয়ে আরেকটু বুঝিয়ে বলতে পারবেন?”


৯. “আমার খুব নার্ভাস লাগছে” / “আমি একটু অস্বস্তি বোধ করছি”


জীবনে কখনও না কখনও নার্ভাস আমরা সবাই হই। কিন্তু ইন্টারভিউতে এইচআর বা ইন্টারভিউয়ারকে এটা বলাটা বুদ্ধিমানের কাজ না। কারণ তারা আপনাকে আত্মবিশ্বাসী নয় এমন একজন ভাবতে পারে, যিনি চাপ সামলাতে পারেন না।


আজকাল বেশিরভাগ চাকরিতেই চাপ সামলানোর ক্ষমতা আর যেকোনো পরিস্থিতিতে মাথা ঠাণ্ডা রাখাটা জরুরি। আপনি নার্ভাস, এটা বললে ঠিক তার উল্টাটাই প্রমাণ হয়। তাই, এই কথাটা মনে মনেই রাখুন আর বরং এই কৌশলটা কাজে লাগান—লম্বা শ্বাস নিন, মনে মনে ১ একে ৫ গুনুন, আর ধীরে ধীরে গুছিয়ে কথা বলার চেষ্টা করুন। এতে মাথাটা গুছিয়ে নিতে আর টেনশন কমাতে সুবিধে হবে।


১০. “আমি জানি না” / “আমার কোনো আইডিয়া নেই”


ইন্টারভিউতে এমন কোনো প্যাঁচানো প্রশ্ন আসতেই পারে, যা শুনে আপনি থমকে যান। কিন্তু তার উত্তরে সরাসরি এটা বলা একদম উচিত না। 


এতে মনে হতে পারে যে আপনি ইন্টারভিউয়ের জন্য ভালভাবে তৈরি হননি আর হঠাৎ আসা সমস্যা সামলাতে আপনি তেমন পটু নন।


তাই সরাসরি “জানি না” না বলে, বরং এমন একটা বাক্য ব্যবহার করুন যাতে উত্তরটা মনে মনে গুছিয়ে নেওয়ার একটু সময় পাওয়া যায়। 


যেমন: “আমার কাছে এই প্রশ্নটির গুরুত্ব অনেক। আমার মনে হয় যে...(এরপর আপনার উত্তর শুরু করুন)।”


১১. “স্যালারি কত পাব?”


হ্যাঁ, চাকরি তো মানুষ টাকা আয়ের জন্যই করে, এটা ঠিক। কিন্তু প্রথম ইন্টারভিউতেই, বিশেষ করে শুরুতেই, এই প্রশ্নটা না করাই ভাল। এতে একটা খারাপ ধারণা তৈরি হয়—ইন্টারভিউয়ার ভাবতে পারেন, আপনার কাছে টাকাই সব, কাজটা বড় নয়।


ছুটি বা বোনাসের ব্যাপারেও একই কথা—এগুলি নিয়ে একেবারে শুরুতে কথা বলা ঠিক না, বরং পরের দিকের আলোচনার বিষয়। অবশ্য, ইন্টারভিউয়ার নিজে থেকে বললে আলাদা কথা। যদি তারা নিজে থেকে না বলেন, তাহলে ইন্টারভিউয়ের একদম শেষে, যখন কাজটা নিয়ে সব পরিষ্কার হয়ে গেছে, তখন সরাসরি বেতন না জিজ্ঞেস করে বরং এভাবে সুবিধাগুলি নিয়ে জানতে চাইতে পারেন:


“কাজটা নিয়ে আমাদের যা কথা হল, সব মিলিয়ে আমার খুব ভাল লেগেছে। এবার আমি যদি কোম্পানির বেতন কাঠামো আর অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাগুলি নিয়ে আরেকটু জানতে পারতাম, ভাল হত।”


১২. “আমার কোনো প্রশ্ন নেই”


ইন্টারভিউয়ের শেষে ইন্টারভিউয়াররা প্রায়ই জিজ্ঞেস করেন, “আপনার কিছু জানার আছে?” আপনি হয়ত অবাক হবেন, কিন্তু এক্ষেত্রে ‘না’ বলাটা অনেকসময় ‘হ্যাঁ’ বলার চেয়েও খারাপ হতে পারে। কারণ? এতে মনে হয়, কোম্পানি বা কাজের পরিবেশ নিয়ে আপনার কোনো আগ্রহ বা কৌতূহলই নেই।


কাজটার প্রতি আপনার যে আসল আগ্রহ আছে, তা দেখানোর সবচেয়ে ভাল উপায় হল পদটা বা কোম্পানির কাজকর্ম নিয়ে একটি-দুটি প্রশ্ন করা। যদি তখন চট করে মাথায় কিছু না আসে, তাহলে এই ধরনের প্রশ্ন করতে পারেন:


“এখানে সাধারণত কাজের দিনটা কেমন কাটে?”, “কোম্পানি কি কর্মীদের স্কিল বাড়ানোর জন্য কোনো সুযোগ দেয়?”, “এই পদের জন্য কোন সফটওয়্যারগুলি বেশি ব্যবহার করা হয়?”


১৩. “আমার ইন্টারভিউ কেমন হল?”


চাকরির ইন্টারভিউতে কী বলা একদমই উচিত না, এটা তার একটা ক্লাসিক উদাহরণ। দেখুন, যেমন কিছু প্রশ্ন ইন্টারভিউয়ারের আপনাকে করা উচিত না, তেমনি কিছু প্রশ্ন ভদ্রতার খাতিরে আপনারও করা উচিত না।


এই প্রশ্নটা ইন্টারভিউয়ারকে বেশ অস্বস্তিতে ফেলে দেয়। কারণ আপনি যেমনটা আশা করছেন, তারা হয়ত তক্ষুনি কোনো মতামত দিতে পারবেন না, আর অনেকে এটাকে অভদ্রতাও মনে করেন। তাই এই প্রশ্ন না করে, বরং ইন্টারভিউ শেষ করার সময় এভাবে বলতে পারেন:


“আজ আপনার সাথে কথা বলে আমার খুব ভাল লেগেছে। আমার সিভি বা অভিজ্ঞতা নিয়ে যদি পরে আপনার কিছু জানার প্রয়োজন হয়, তাহলে অবশ্যই যোগাযোগ করবেন। যেকোনো বিষয় পরিষ্কার করতে পারলে আমারও ভাল লাগবে।”

.


বোনাস টিপস: এই ভুলগুলিও এড়িয়ে চলুন


আগে যে বাক্যগুলির কথা বললাম, সেগুলি ছাড়াও আরও কিছু আচরণ বা কথা বলার ধরন আছে যা ইন্টারভিউতে এড়িয়ে চলা উচিত, যদি আপনি ভাল ইম্প্রেশন তৈরি করতে চান। যেমন, কথা বলার সময় বেশি বেশি “উমম”, “ইয়ে”, “মানে”—এই ধরনের শব্দ ব্যবহার করবেন না। এগুলি শুনলে মনে হয় আপনি নার্ভাস বা আপনার আত্মবিশ্বাস কম। তার বদলে, একটু ধীরে (কিন্তু সাবলীলভাবে) কথা বলুন, এতে আপনাকে বেশি আত্মবিশ্বাসী মনে হবে।


আর হ্যাঁ, ইন্টারভিউয়ারের সাথে বেশি ফ্রি হয়ে যাওয়া বা অতিরিক্ত ইনফরমাল আচরণ করাটাও কিন্তু ঠিক না, কারণ অনেক সময় এটা অসম্মানজনক মনে হতে পারে। অবশ্য যদি ইন্টারভিউয়ার নিজেই খুব সহজ বা ইনফরমাল ভাবে কথা শুরু করেন, তাহলে অন্য ব্যাপার।


#চাকরি #ইন্টারভিউ #টিপস

পরিবহনের সুপারভাইজার নিয়োগ

 ✅ চলমান নিয়োগ কার্যক্রম সংক্রান্ত নির্দেশনাঃ


📎 চলছে "সুপারভাইজার" পদে আমাদের নতুন নিয়োগ কার্যক্রম প্রক্রিয়া। আগামী ১৫ই মে, ২০২৫খ্রীঃ তারিখ রোজ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত অত্র নিয়োগের আবেদন কার্যক্রম চলমান থাকবে। 


তবে..........🤔


অত্র আবেদনটি সম্পূর্ণরূপে স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রযুক্তিগত পন্থায় সম্পাদিত হচ্ছে নিজ নিজ ঘরে বসে, হাতে থাকা Android Mobile Phone দিয়েই। নিম্নে অনলাইন পদ্ধতিতে আবেদন প্রক্রিয়ার লিংকটি তুলে দেওয়া হলঃ


🌐 আবেদনের লিংকঃ https://jobs.bdjobs.com/jobdetails.asp?id=1356858&fcatId=20&ln=1&fjs=wa 


প্রসঙ্গতঃ অত্র বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ্যে আসবার পর বেশ কিছু মেসেজ ও মন্তব্য আসছে এমন জিজ্ঞাসার সুরে-

👉 কিভাবে আবেদন করবো......!

👉 হেড অফিস কোথায়......!

👉 কি কি কাগজ জমা দিতে হবে.......!

👉 কোথায় গিয়ে দিয়ে আসবো......!

👉 আমি ঢাকার বাহিরে থাকি, কিভাবে জমা দেবো....!

👉 আমি তো আবেদন করতে পারি না.......!

এমন আরও কিছু অবান্তর জিজ্ঞাসা, যেগুলোর কোন যৌক্তিকতাই নেই।


🔸 এমতাবস্থায় এই ধরনের ও সকল চাকুরীপ্রার্থীর উদ্দেশ্যে জানানো যাচ্ছে যে, অত্র চলমান সার্কুলারটি একটি প্রযুক্তিগত প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পাদনযোগ্য মাধ্যম।  অত্র প্রক্রিয়ায় আবেদন কার্যক্রম রাখবার উদ্দেশ্যই হচ্ছে আমরা যুগোপযোগী, প্রযুক্তিগত জ্ঞানসম্পন্ন, আধুনিক মননশীল, কর্মঠ, দায়িত্বপরায়ণ, সৎ ও নিষ্ঠাবান প্রার্থী চাচ্ছি, প্রযুক্তির বাহিরে থাকা প্রার্থীদের অত্র আবেদনে যুক্ত হবার প্রসঙ্গে কামনা রাখা হয়নি।


Android Mobile Phone ব্যবহার করে অত্র দাপ্তরিক ফেসবুক পেইজে মেসেজ করতে সক্ষম ব্যক্তি অনলাইনে প্রক্রিয়াগত পদ্ধতি অনুসরণ করে আবেদন সম্পন্ন করায় অক্ষম, এমন প্রার্থী আগামীর চাহিদা পূরণে ও প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনার উন্নয়নকল্পে যে চাহিদার প্রেক্ষিতে এই পদ্ধতি অনুসরণ করা, তা বাঁধাগ্রস্ত হবে বলে আমরা এধরণের প্রার্থীদের আবেদনে অংশ নেওয়া হতে বিরত থাকবার আহ্বান রাখছি। 


📍 যোগ্যতা আপনার, ব্যবস্থাপনা আমাদের 💯


🗓️ আবেদনের শেষ তারিখঃ ১৫ ই মে, ২০২৫খ্রীঃ


🚍 "হানিফ এন্টারপ্রাইজ"-এর সাথে একীভূত হয়ে আপনার পথচলায় অগ্রীম শুভকামনা থাকছে!


সর্বদা সর্বময় যাতায়াতে সাথেই থাকুক সকলের প্রিয় অপারেটর "হানিফ এন্টারপ্রাইজ"!!


যাত্রীসেবাই "হানিফ এন্টারপ্রাইজ"-এর মূল ব্রত!!!


🖥️ ঘরে বসে টিকেট কাটুন অনলাইনেঃ 

https://www.hanif-enterprise.com/ 


♦️ আমাদের সম্পর্কে নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের অফিসিয়াল পেইজের সাথে থাকুন। ফেসবুক পেইজ লিংক- https://www.facebook.com/Hanif.Enterprise.Official/


♦️ আপনাদের মুল্যবান মতামত ও অভিজ্ঞতা গুলো আমাদের অফিসিয়াল  গ্রুপে শেয়ার করুন। ফেসবুক গ্রুপ লিংক- https://www.facebook.com/groups/hanif.enterprise.official/


দয়া করে কারো, ইনবক্সে যাবেন নাহ, কেউ যদি ইনবক্সে গিয়ে, প্রতারিত হয়ে থাকেন, এ-র দায়ভার কোম্পানি বহন করবেনা। ধন্যবাদ। 📍


অনেকেই কমেন্টে এসে, আপনাকে বেশি বেতনের লোভ দেখাবে, সেই লোভে পা দিবেন নাহ।📍

ঋণ :- জীবনের ধ্রুবতারা (আনন্দ পাবলিশার্স) কিছুমিছু ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ১৯৩৯ সাল। ‘তাসের দেশ’ পুনরাভিনয়ের প্রস্তুতি চলছে। রবীন্দ্রনাথ তখন ‘কোনার্ক’ বাড়িতে থাকেন। সারা দুপুর কয়েকটি গানে সুর দিয়ে, ভৃত্যকে পাঠালেন তাঁর এক ছাত্রের কাছে। ছাত্রটি তখন ছাত্রছাত্রীদের গান শেখাচ্ছিল ক্লাসে। ভৃত্যটিকে দিয়ে সে গুরুদেবকে বলে পাঠাল, “আমি ক্লাস শেষ করেই যাচ্ছি। একটু দেরি হবে।”

গুরুদেবের কাছে ছাত্রটির যেতে প্রায় আধ ঘণ্টা দেরি হয়। গিয়ে সে দেখে, যে ঘরে বসে লিখতেন, সেখানেই লেখার টেবিলের উপরে গানের খাতা খুলে রেখে চুপ করে বসে আছেন রবীন্দ্রনাথ। মুখ গম্ভীর। কিছুই বলছেন না, তাকাচ্ছেনও না ছাত্রটির দিকে। কিছুক্ষণ পর গানের খাতাটি দিয়ে কবি তাঁকে পাশের মোড়াটিতে বসতে বললেন। বিরক্ত যে তিনি হয়েছেন সেটা পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে। কিন্তু কারণ জিজ্ঞেস করতেও ছেলেটির সাহস হচ্ছে না। মোড়ায় বসে সে গুরুদেবের কাছ থেকে একটি কলম ও কয়েকটি কাগজ চেয়ে নিয়ে যখন নতুন গান ক’টি কপি করে নিচ্ছে, তখন কবি গম্ভীর কণ্ঠে অনুযোগ জানালেন, সারা দুপুর নতুন সুর দেওয়া গানগুলি মনে রাখার জন্য গেয়ে গেয়ে ক্লান্ত তিনি। ছেলেটিকে খবর দেওয়া সত্ত্বেও সে এল দেরি করে! ক্লাস থাকলেও কেন সে তা বন্ধ করে আসেনি— তাই গুরুদেবের রাগ হয়েছে ছাত্রটির প্রতি। “সত্যি আমার অন্যায় হয়েছে!” বলে ছাত্রটি গুরুদেবের কাছে সব ক’টি গান শিখে নিয়ে গাইতে শুরু করল। তখন রবীন্দ্রনাথ খুব খুশি। ভৃত্যকে ডেকে ছাত্রটিকে ভাল করে খাইয়ে দিতে বললেন। খেতে খেতে নানা কথা হল দু’জনের মধ্যে।

দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর ও রমা করের মৃত্যুর পর রবীন্দ্রনাথ হাতে লেখা যাবতীয় নতুন গানের কপি যাঁর হাতে প্রথমে ধরিয়ে দিতেন, এ ছাত্রটিই সেই শান্তিদেব ঘোষ | জন্মের পর বাবা কালীমোহন ছেলের নাম রেখেছিলেন শান্তিময়। কালীমোহনের সঙ্গে তখন শান্তিনিকেতনের বেশ আত্মিক সম্পর্ক। জানা যায় শান্তিনিকেতনের পরিবেশই এমন নাম রাখার কারণ। ১৯৩০-এর দশকের মাঝামাঝি নিজের হাতে লেখা নৃত্য-গীত-আবৃত্তির একটি অনুষ্ঠানের কর্মসূচিতে রবীন্দ্রনাথ তাঁর শান্তিদেব নামকরণ করেন। কবি বলেছিলেন এটিই ভাল, এটিই থাকুক। তার পর থেকে শান্তিময় নামটি ধীরে ধীরে মুছে গিয়ে শান্তিদেব হয়ে যায়।

ম্যাট্রিকুলেশনের গণ্ডি পার না হলেও প্রবল ইচ্ছেশক্তির জোরে শান্তিদেব ভারতীয় নাট্যশাস্ত্র, নৃত্যশাস্ত্র ও সঙ্গীতশাস্ত্রে পারদর্শী হওয়ার পাশাপাশি নিজের চেষ্টায় সংস্কৃত, মালয়লম ও ইংরেজি ভাষা আয়ত্ত করেছিলেন। নির্ভরযোগ্য স্বরলিপিকার, সঙ্গীত-শিক্ষক ও অসামান্য গায়ক শান্তিদেব সুরকার হিসেবেও দক্ষ ছিলেন। নৃত্য উপস্থাপনার ক্ষেত্রে কখনও কথাকলির সঙ্গে মণিপুরি, কখনও বা ডান্ডিয়া বা জারি নাচ একত্রিত করেছিলেন তিনি।

শান্তিদেব ঘোষের প্রথম রেকর্ডিং হিন্দুস্থান মিউজিক্যাল পার্টির হয়ে ‘জনগণমন’ ও ‘যদি তোর ডাক শুনে’। পরে সেনোলায় রেবা মজুমদারের সঙ্গে ‘আমার প্রাণের মানুষ’ ও ‘বাকি আমি রাখব না’। রবীন্দ্রপ্রয়াণের পরে এইচ এম ভি থেকে তাঁর ‘কৃষ্ণকলি আমি তারেই বলি’ ও ‘বসন্তে কি শুধু’-সহ বহু গান বিখ্যাত হয়ে আছে বাঙালি মনে।

রেকর্ডের পাশাপাশি তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যাও কম নয়— রবীন্দ্রসঙ্গীত, রবীন্দ্রসঙ্গীত বিচিত্রা, জাভা ও বালির নৃত্যগীত, রূপকার নন্দলাল, ভারতীয় গ্রামীণ সংস্কৃতি, রবীন্দ্রনাথের পূর্ণাঙ্গ শিক্ষাদর্শে সঙ্গীত, নৃত্য ও অভিনয়ের স্থান, মিউজিক অ্যান্ড ডান্স ইন রবীন্দ্রনাথ টেগোর’স এডুকেশনাল ফিলজফি, জীবনের ধ্রুবতারা।

পদ্মভূষণে সম্মানিত, ললিতকলার অ্যাকাডেমির ফেলো, প্রবন্ধ সাহিত্যে আনন্দ পুরস্কারপ্রাপ্ত শান্তিদেব কবিগুরুর স্নেহধন্য ছিলেন। রাশিয়ার পদক, বিশ্বভারতীর দেশিকোত্তম, বর্ধমান ও রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিলিট, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আলাউদ্দীন পুরস্কার, টেগোর রিসার্চ সোসাইটির ‘রবীন্দ্রতত্ত্বাচার্য’ সম্মানে সম্মানিত হয়েছিলেন শান্তিদেব ঘোষ।

বার্ধক্যজনিত কারণে শান্তিদেব ঘোষের মৃত্যু হয় ১ ডিসেম্বর ১৯৯৯ কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে। স্ত্রী ইলা দেবীর ইচ্ছানুযায়ী শান্তিনিকেতনে শেষকৃত্য সম্পন্ন হয় তাঁর।

প্রয়াণদিবসে শ্রদ্ধার্ঘ্য |


ঋণ :- জীবনের ধ্রুবতারা (আনন্দ পাবলিশার্স)

পান্তাবুড়ির কথা উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী 

 (পড়ুন ভালো লাগবে) 


পান্তাবুড়ির কথা

উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী 


এক যে ছিল পান্তাবুড়ি, সে পান্তাভাত খেতে বড্ড ভালোবাসত।

এক চোর এসে রোজ পান্তাবুড়ির পান্তাভাত খেয়ে যায়, তাই বুড়ি লাঠি ভর দিয়ে রাজার কাছে নালিশ করতে চলল।

পান্তাবুড়ি পুকুর ধার দিয়ে যাচ্ছিল। একটা শিঙিমাছ তাকে দেখতে পেয়ে বললে, 'পান্তাবুড়ি, কোথায় যাচ্ছ?'

পান্তাবুড়ি বললে, 'চোরে আমার পান্তাভাত খেয়ে যায়, তাই রাজার কাছে নালিশ করতে যাচ্ছি!'

শিঙিমাছ বললে, 'ফিরে যাবার সময় আমাকে নিয়ে যেও, তোমার ভালো হবে।'

পান্তাবুড়ি বললে, 'আচ্ছা।' 


তারপর পান্তাবুড়ি বেলতলা দিয়ে যাচ্ছে। একটা বেল মাটিতে পড়ে ছিল, সে বললে, 'পান্তাবুড়ি, কোথায় যাচ্ছ?'

পান্তাবুড়ি বললে, চোরে আমার পান্তাভাত খেয়ে যায়, তাই রাজার কাছে নালিশ করতে যাচ্ছি।'

বেল বললে, 'ফিরে যাবার সময় আমাকে নিয়ে যেও, তোমার ভালো হবে।' 

পান্তাবুড়ি বললে, 'আচ্ছা।' 


তারপর পান্তাবুড়ি পথের ধারে খানিকটা গোবর দেখতে পেলে। 

গোবর বললে, 'পান্তাবুড়ি, কোথায় যাচ্ছ?'

পান্তাবুড়ি বললে, 'চোরে আমার পান্তাভাত খেয়ে যায়, তাই রাজার কাছে নালিশ করতে যাচ্ছি।'

গোবর বললে, 'ফিরে যাবার সময় আমাকে নিয়ে যেও, তোমার ভালো হবে।'

পান্তাবুড়ি বললে, 'আচ্ছা।' 


তারপর খানিক দূর গিয়ে পান্তাবুড়ি দেখলে, পথের ধারে একখানা ক্ষুর পড়ে রয়েছে।

ক্ষুর বললে, 'পান্তাবুড়ি, কোথায় যাচ্ছ?'

পান্তাবুড়ি বললে, 'চোরে আমার পান্তাভাত খেয়ে যায়, তাই রাজার কাছে নালিশ করতে যাচ্ছি।'

ক্ষুর বললে, 'ফিরে যাবার সময় আমাকে সঙ্গে নিও, তোমার ভালো হবে।'

পান্তাবুড়ি বললে, 'আচ্ছা।'

তারপর পান্তাবুড়ি রাজার বাড়ি গিয়ে দেখলে, রাজামশাই বাড়ি নেই। কাজেই সে আর নালিশ করতে পেল না। 


বাড়ি ফিরবার সময় তার ক্ষুর আর গোবর আর বেল আর শিঙিমাছের কথা মনে হল। সে তাদের সকলকে তার থলেয় করে নিয়ে এল। 


পান্তাবুড়ি যখন বাড়ির আঙিনায় এসেছে, তখন ক্ষুর তাকে বললে, 'আমাকে ঘাসের

উপর রেখে দাও।'

তাই বুড়ি ক্ষুরখানাকে ঘাসের উপর রেখে দিল।

তারপর যখন সে ঘরে উঠতে যাচ্ছে, তখন গোবর বললে, 'আমাকে পিঁড়ির উপর রেখে দাও।'

তাই বুড়ি গোবরটাকে পিঁড়ির উপর রেখে দিলে।

বুড়ি যখন ঘরে ঢুকল তখন বেল বললে, 'আমাকে উনুনের ভিতরে রাখ।' শুনে বুড়ি তাই করলে।

শেষে শিঙিমাছ বললে, 'আমাকে তোমার পান্তাভাতের ভিতরে রাখ।' বুড়িও তাই করলে। 


তারপর রাত হলে বুড়ি রান্না-খাওয়া সেরে ঘুমিয়ে রইল।

ঢের রাত্রে চোর এসেছে। সে তো আর জানে না, সেদিন বুড়ি কী ফন্দি করেছে। সে এসেই পান্তাভাতের হাঁড়িতে হাত ঢুকিয়ে দিল। সেখানে ছিল শিঙিমাছ। সে চোরের বাছাকে এমনি কাঁটা ফুটিয়ে দিল যে তার দুই চোখ দিয়ে জল পড়তে লাগল।

শিঙিমাছের খোঁচা খেয়ে চোর কাঁদতে-কাঁদতে উনুনের কাছে গেল। তার ভিতরে ছিল বেল। চোর যেই আঙুলে তাত দেবার জন্য উনুনে হাত ঢুকিয়েছে, অমনি পটাশ করে বেল ফেটে, তার চোখেমুখে ভয়ানক লাগল।

তখন সে ব্যথা আর ভয়ে পাগলের মতো হয়ে, যেই ঘর থেকে ছুটে বেরুবে অমনি সেই গোবরে তার পা পড়েছে। তাতে সে পা হড়কে ধপাস করে সেই গোবরের উপরেই বসে পড়ল।

তারপর গোবর লেগে ভূত হয়ে, বেটা গিয়েছে ঘাসে পা মুছতে। সেইখানে ছিল ক্ষুর, তাতে ভয়ানক কেটে গেল। তাতে আরও 'ও মা গো! গেলুম গো!' বলে না চেঁচিয়ে বাছা যান কোথায়?

তা শুনে পাড়ার লোক ছুটে এসে বললে, 'এই বেটা চোর! ধর বেটাকে। মার বেটাকে। কান ছিঁড়ে ফেল!'

তখন যে চোরের সাজাটা! (সংগ্রহীত)

সোমবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৫

আমার মাঝে মাঝে মনে একটা প্রশ্ন জাগে।

 আমার মাঝে মাঝে মনে একটা প্রশ্ন জাগে।


তামিল চোল রাজারা খুব ব​ড় যোদ্ধা ছিল বটে এবং অনেকেই বলে যে অর্ধেক দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় তাদের সাম্রাজ্য বিস্তার ছিল, তাও বঙ্গোপসাগর বা বে অফ বেঙ্গলের নামটা চোল বা তামিঝদের উপরে না হ​য়ে বে অফ বেঙ্গল কেন? যেই সাম্রাজ্য ও জাতির গুরুত্ব বেশি, ইতিহাসে তো তাদের উল্লেখ বেশি থাকার কথা। তাহলে কি আদতে তামিলদের থেকেও বাঙালিদের বিশেষ করে বাঙালি বণিক ও নৌযোদ্ধাদের গুরুত্ব বেশি ছিল?


এক স্থানে শুনেছিলাম যে চোলদের বিভিন্ন তাম্রপত্র ও মন্দিরগাত্রে ওদের সমস্ত সেনাবাহিনীর রেজিমেন্টের উল্লেখ থাকলেও নৌসেনার উল্লেখ নেই, সেটা কেমন করে হল? যে জাতির নৌবাহিনী ইন্দোনেশিয়া অবধি গেছিল তাদের নিজেদের কাগজে তাদের নৌসেনার উল্লেখ নেই কেন?


এদিকে আমাদের গ্রামের বাড়ি ম​য়নাগ​ড়ের রাজা বাহুবলীন্দ্রদের কুলদেবতা শ্যামসুন্দর জিউর মন্দিরেরগাত্রে ব​ড় ব​ড় নৌকা ও তার উপরে চ​ড়ে থাকা নৌসেনার চিত্র পাওয়া যায় (ছবি দ্রষ্টব্য)।


তাহলে কি ইতিহাসের একটা অধ্যায় আমরা এখনো আবিষ্কার করিনি? কারণ ইতিহাসে তাম্রলিপ্ত বন্দরের উল্লেখ তো সেই সুপ্রাচীন কাল থেকে ১৩শতক অবধি পাওয়া যায়। ম​য়নাগ​ড় থেকে তাম্রলিপ্ত বন্দরের দুরত্ব ২৬ কিলোমিটার। এই বন্দর থেকে যেমন বণিকরা যেতেন তেমন নিশ্চই নৌবাহিনীও যেতেন অন্য স্থানে? তাদের ইতিহাস কোথায় গেল?


আবার এরই সাথে যুক্ত ইতিহাসের আরেকটা অধ্যায় হল মগধ কলিঙ্গ যুদ্ধ। এই যুদ্ধ কি এমনি এমনি সংগঠিত হ​য়েছিল? মগধ কি ওড়িশার বীচ ঘুরতে আক্রমণ করেছিল? নাকি এর পিছনে ছিল একটা অর্থনৈতিক কারণ? কোন বিশেষ বন্দর ও তার ট্রেড রুটকে কন্ট্রোল করার ইচ্ছা না থাকলে এত ব​ড় যুদ্ধ কেউ করে? সেই বন্দর যে তাম্রলিপ্ত আর সেই ট্রেড রুট যে দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তর কলিঙ্গ থেকে জাভা সুমাত্রা বোর্নিও তা বলাই বাহুল্য।


বাংলার ইতিহাসের একটা বিরাট অধ্যায় হল তার নৌবাহিনী, নৌসেনা ও বহির্বাণিজ্য। এখানে বাংলার বণিকসমাজের একটা বিরাট ভূমিকা আমরা কখনোই আলোচনা করিনা। অথচ করা উচিত। বাংলার উন্ন​য়নের সব থেকে বেশি প্রাপ্য কাদের? অবশ্যই বাঙালি বণিকদের।


অথচ জমিদারবাড়ির ইতিহাসের ভিড়ে বাংলার প্রাচুর্য্যের ইতিহাস হারিয়ে গেছে। হারিয়ে গেছে বাংলার নৌবাহিনী ও নৌসেনার ইতিহাস। হারিয়ে গেছে চাঁদ সদাগরের মতন বণিকদের ইতিহাস যাদের হাত ধরে বিশ্বের সব থেকে প্রাচুর্য্যে ভরা দেশ হ​য়েছিল এই বাংলা।

হুট করেই দেখবেন পিসি অন্যজন চালায়! ডাটা হারিয়ে হয়ে যাবেন নিশ্চিত ?

 📊 হুট করেই দেখবেন পিসি অন্যজন চালায়! ডাটা হারিয়ে হয়ে যাবেন নিশ্চিত ?

🛡 আবার দেখবেন ভাইরাসের আক্রমণ?  

❌ এইসকল সমস্যা কিন্তু বলে কয়ে আসেনা, ভাবতেও পারবেন না কখন বিপদ নেমে আসে, 

✅ তবে আপনার দআশে পিসি মাস্টার আছে, প্রিমিয়াম অ্যান্টিভাইরাস সহ আপনার পিসিকে রক্ষা করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ! 🛡

👨‍💻 PC-MASTER ডিভাইসটির ইউনিক ফিচার সমূহঃ 👇

✅ Windows 7,8.1,10,11 Activate

✅ Xp, Kali Linux Update 2024

✅ Genuine Windows Setup

✅ Premium Data Recovery

✅ Premium AntiVirus Win

✅ Partition Mastery Wizard

✅ Android 11 Setup for Win

✅ All Driver Setup for Windows

✅ Photoshop Licence 7+19+21

✅ Illustrator Licence 10+19+21

✅ Premier Pro 2024 Version

✅ Camtasia 2021 Version

✅ MS Office Licence 7+21

✅ Bijoy Bayanno Licence

✅ Internet Download Manager

✅ UEFI+Legecy or GPT+MBR Supported

✅ Software BackUp + Support

✅ Windows BackUp and Recovery

✅ Win Update On/Off Tools

✅ Win Optimization Tools

✅ Ransomware Protect Tools

✅ 1-2 Years Program Guarantee

✅ 5 Years Pendrive Guarantee

✅ Lifetime Remotely Support


এছাড়াও আমাদের PC-MASTER পেনড্রাইভের সিস্টেম ফাইল গুলি ডিলিট প্রটেক্ট করা, ভাইরাস প্রটেক্ট করা এবং এক্সট্রা স্পেস ইউজেবল সুবিধা রয়েছে। আরো বিস্তারিত জানতে আমাদের ওয়েবসাইট টি ভিজিট করতে পারেন। ধন্যবাদ। লিংকঃ 👇

https://www.pcmasterbd.com/pc-master-pendrive

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...