এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৫

যারা বর্তমান জেনারেশন আছেন, অনুরোধ থাকবে ধৈর্য নিয়ে সম্পূর্ণ লেখাটা পড়া শেষ করবেন।

 যারা বর্তমান জেনারেশন আছেন, অনুরোধ থাকবে ধৈর্য নিয়ে সম্পূর্ণ লেখাটা পড়া শেষ করবেন।


আজকাল বেশিরভাগ বর্তমান জেনারেশনের একটা সমস্যা আছে। আর সেটা হলো, এরা সবাই রিলেশনশিপের জন্য পাগল। এরা বলে তাদের নাকি সত্যিকারের প্রেম হয়ে গেছে!


তাহলে আমি আপনাকে বলতে চাই, এই পৃথিবীতে প্রেম ভালোবাসা বলে কিছু হয় না। আর যদি সেটা হয়ও, তবে তার সংখ্যাটা খুবই কম। তাই আজকাল যা কিছু হচ্ছে, এটা কেবলমাত্র "এট্রাকশন"।


"এট্রাকশন" ন্যাচারাল একটা জিনিস। আপনি ছেলে হলে মেয়ের প্রতি হবে আর মেয়ে হলে ছেলের প্রতি হবে। আর এই এট্রাকশনকে আমরা না বুঝে ভালোবাসা নাম দিয়ে দিই।


সত্যি বলতে কি, কেউ যদি আপনাকে বলে সে আপনাকে সত্যিই ভালোবাসে, সে ডাহা মিথ্যা কথা বলে! আমার কথা বিশ্বাস না হলে আপনি নিজেই সেটা পরীক্ষা করে দেখুন।


যেমন, আপনি তাকে বলুন আপনার শরীর অসুস্থ এবং আপনি আর বেশি দিন বাঁচবেন না। দেখবেন কিছুদিন পরে সে আপনাকে কোনো না কোনো অজুহাতে ছেড়ে চলে যাবে । কিন্তু একই কথা আপনি আপনার বাবা মাকে বলে দেখুন, যদি প্রয়োজন হয়, তারা আপনার জন্য নিজেদের বিক্রি করে দিবে। আর এটাই হচ্ছে "রিয়েল লাভ"। 


আজকাল লোক "এট্রাকশনকে" লাভ মনে করছে। আর এর জন্য নিজের জীবনকেও নষ্ট করে ফেলছে। আপনার ক্যারিয়ার ছেড়ে যদি আপনি অ্যাফেয়ারের পেছনে ছোটেন, তাহলে আপনার জীবনটাই নষ্ট হয়ে যাবে। আপনি যে সম্পর্ক তৈরি করেন স্কুল, কলেজ কিংবা কোচিংয়ে, এসব কখনোই পারমানেন্ট কিছু না!


আপনি যদি আপনার গার্লফ্রেন্ড বা বয়ফ্রেন্ডকে বিয়ে করেন, তাহলে সেটা আপনার জন্য সর্বোচ্চ "বেস্ট অপশন" হবে। কিন্তু আপনার বাবা মা যাকে পছন্দ করবে, সেটা আপনার জন্য হবে "ইউনিক"। যদি আপনি বেস্ট পছন্দ করেন, তবে আপনি ক্লাসের ফার্স্ট বয় বা গার্ল হবেন আর যদি ইউনিক পছন্দ করেন, তাহলে আপনি লাখে একজন হবেন। আরেকটা কথা, অধিকাংশ প্রেমের বিয়ের পরিণতি ভালো কিছু হয় না। দুদিন পরে যদি আপনার লাইফ পার্টনার আপনাকে ছেড়ে চলে যায়, আপনি কাউকে কিছু বলতেও পারবেন না, কারণ পছন্দ তো আপনি করেছিলেন।


তাই যদি ভালোবাসতেই হয়, তবে আপনার বইকে ভালোবাসুন, আপনার কাজকে ভালোবাসুন। কারণ, এরা আপনাকে কখনোই ধোঁকা দেবে না, কিছু না কিছু অবশ্যই দিয়ে যাবে যা দিয়ে আপনি জীবন গড়তে পারবেন।


দিন সবার জন্যই ২৪ ঘন্টার হয়। এমন না যে কেউ আলাদা করে সময় পায়। কিন্তু এই ২৪ ঘন্টায় কেউ ভালোবেসে "পতি" হতে চায়, আবার কেউ পরিশ্রম করে "কোটিপতি" হতে চায়। এখন আপনিই ভেবে দেখুন, আপনি কি হতে চান?


কিছু বছর পর যখন আপনি লোকজনের মুখোমুখি হবেন, তখন তারা এটা জিজ্ঞেস করবে না যে, আপনার কয়টা গার্লফ্রেন্ড বা বয়ফ্রেন্ড ছিল। তারা এটাই জিজ্জাসা করবে আপনি কত টাকা রোজগার করেন? আপনার যোগ্যতা কতটা?


এটাই পৃথিবীর নিয়ম! লোক কখনই আপনার অবস্থা জিজ্ঞেস করবে না, তারা আপনার আর্থিক অবস্থা জিজ্ঞেস করবে।


আজকাল ছেলেমেয়েরা প্রমিস করে — "আমি তোমার সাথে সারা জীবন থাকবো!" কিন্তু সত্যিটা হলো, কেউ কারো সাথে সারাজীবন থাকে না। লোক যখন শেষ যাত্রায় যায়, তখনও কাঁধ অদল বদল করে নিয়ে যায়!


আর তাই এখন যদি আপনি মাথা নিচু করে পড়ার টেবিলে পড়ে থাকেন, কিছুদিন পর আপনার মাথা সবার উপরে থাকবে। আর এখন যদি আপনি আরামের কথা ভাবেন, তাহলে সারাজীবন কষ্ট সহ্য করতে হবে। আজ যদি আপনি আপনার বইকে এবং কাজকে ভালোবাসেন, তাহলে কাল মানুষ আপনাকে সম্মান করবে। তাই কোনো ড্রিম গার্ল বা ড্রিম বয়ের জন্য কখনো নিজের বাবা মায়ের স্বপ্নকে নষ্ট করবেন না! 


আজ আপনি দুই চারটা প্রেম করে যেটাকে সুখী হওয়া মনে করছেন, সেটা আসলে কোনো সুখ নয়। সত্যি বলতে কি, আপনি এখনও আসল সুখ দেখেনইনি!


সুখী আপনি কবে হবেন জানেন? যেদিন আপনি প্রথম স্যালারি পাবেন কিংবা আপনার বিজনেস শুরু করবেন। (সেটাও কিন্তু আসল প্রকৃত সুখ নয়) কিন্তু যখন আপনি আপনার প্রথম ইনকাম নিয়ে গিয়ে বাবা মায়ের হাতে তুলে দেবেন, তখন আপনার চোখে অশ্রু আসবে। তখন আপনি ফিল করবেন —

যেই বাবা মায়ের আঙুল ধরে আমি হাঁটতে শিখেছি, সেই বাবা মায়ের হাতেই আমি আমার প্রথম ইনকাম তুলে দিয়েছি! আর ঠিক তখনই আপনি সত্যিকারের সুখটা ফিল করবেন! 


আর যখন আপনি ইনকাম করা শুরু করবেন, তখন আপনি এটাও বুঝতে পারবেন — লক্ষ টাকারও কোনো মূল্য নেই সেই দশ টাকার কাছে, যা আপনার বাবা মা স্কুলে যাবার সময় আপনার হাতে দিত।


একটু ভালোভাবে বাবা মায়ের চোখের দিকে তাকিয়ে দেখুন — ওটাই হলো সেই আয়না, যেখানে সন্তান কখনো বৃদ্ধ হয় না।

Dulcamara (Dulc.) ডালকামারা

 Dulcamara (Dulc.) ডালকামারা


👉 গুরুত্বপূর্ণ দিকসমূহ:

অভিযোগ শুরু হয় বা বেড়ে যায় ঠাণ্ডা, স্যাঁতসেঁতে, বৃষ্টিভেজা আবহাওয়ায় অথবা হঠাৎ গরম থেকে ঠাণ্ডা পরিবর্তনে।


উপকারী: যাঁরা ঠাণ্ডা ও স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে থাকেন বা কাজ করেন (যেমন: বেজমেন্টে বা নিচতলায়)।


👉 প্রধান উপসর্গ ও রোগ:

দুধের মতো সাদা প্রস্রাবসহ মূত্র বন্ধ হওয়া (Ischuria)।


আঁচিল (Warts) – মসৃণ, সমান, একাধিক; হাত-পায়ের আঙুলে বা পেছনে।


চর্মরোগ (Eczema) – বেশি নির্গমণযুক্ত।


অ্যালার্জিক ফুসকুড়ি বা চুলকানি (Urticaria)।


স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় ডায়রিয়া।


মাথার ত্বকে ফাঙ্গাস (Tinea capitis), খোঁচালে রক্ত পড়ে।


ঠাণ্ডা লাগলেই চোখে সমস্যা হয়।


নবজাতকের সর্দি – নাক গরম রাখতে চায়।


মুখে স্নায়বিক ব্যথা – হালকা ঠাণ্ডাতেও বেড়ে যায়।


শারীরিক পরিশ্রমের পর কাশি।


ঠাণ্ডা পানি পান করার প্রবল ইচ্ছা।


নাভির চারপাশে পেটব্যথা।


কোমর বা ঘাড়ে স্পন্ডিলাইটিস।


👉 আমার অভিজ্ঞতা:

স্যাঁতসেঁতে জায়গায় থাকার ইতিহাস থাকলে যে কোনো মূত্রের সমস্যায় Dulc. কার্যকর।


আঁচিলের জন্য অত্যন্ত উপযোগী – বিশেষ করে সমান ও মসৃণ আঁচিল হলে। 10M বা তদূর্ধ্ব পোটেন্সিতে ভালো কাজ দেয়।


নির্গমণযুক্ত একজিমায় বিশেষ উপকারী; মাঝারি পোটেন্সি থেকে ধীরে ধীরে বাড়িয়ে ব্যবহার করতে হয়।

মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৫

একজোড়া_ময়লা_জুতা

 ভাইজান জুতা বাহিরে রেখে আসেন ঘরটা ময়লা হয়ে গেছে। 

ছোটো চাচার কথা শুনে বাবা বসা থেকে উঠে ময়লা জুতা বাহিরে রেখে আসতে যায়, সাথে আমার জুতাজোড়াও নিয়ে যায়। 


জুতা রেখে আসবার পরে বাবা হাত দিয়ে গায়ের পাঞ্জাবি মুছে তারপর সোফার উপরে বসে, এই বাসায় সবকিছু স্বচ্ছ কাঁচের মতো। শুধু আমার বাবা গায়ের পোশাকটাই ময়লা। যদিও অন্য সময় তেমন ময়লা মনে হয়নি, এখন এই বাসায় আসবার পরে বেশি ময়লা মনে হচ্ছে। 


বাবা তার পাঞ্জাবি মুছে তারপর সোফায় বসেন, আমি তাকিয়ে দেখে বাবার পাঞ্জাবিতে একটা হলুদ দাগ লেগে আছে। মা পাঞ্জাবি ধুয়ে দিছেন ঠিকই তবে তবে দাগ তুলতে পারেনি। 


বাবা গুটিয়ে বসেন আমিও বাবার মতো গুটিয়ে বসি। যেনো পায়ের ধূলো ফ্লোরে না লেগে যায়, এটাও খেয়াল করি বাবার দেখাদেখি। 


বাবা হেসে হেসে কথাই বলছেন, ছোটো চাচা গম্ভীর হয়ে আছেন। এমন গম্ভীর হয়ে থাকে আমার স্কুলের অংকের শিক্ষক, স্যারকে কখনো হাসতে দেখিনি। ছোটো চাচাও কি হাসেন না? না ছোটো চাচা হাসেন, ছোটো চাচাকে তার ছেলেমেয়েদের সাথে হাসতে দেখেছি, চাচির সাথে হেসে হেসেই কথা বলেন। তবে বাবা আসায় এখন গম্ভীর মুখ করে বসে আছেন। 


বাবা বলেন, শওকতের মায়ের অবস্থা বেশি ভালো না৷ তোর কাছে যদি টাকা থাকে হাজার বিশেক টাকা দে। আমি দুই মাস পরেই ফেরত দিয়ে দিবো। 


ছোটো চাচা বলেন, ভাইজান এখন আমার কাছে টাকা নেই। আর দেখো প্রতিদিন আমার কাছে ধার নিতে আসবে আমি টাকা দিয়ে দিবো এমনটা ভেবে বসে থাকো কেন? 


চাচার এই কথা শুনেও দেখলাম বাবার মুখে একই হাসি লেপ্টে আছে, বাবার কি মন খারাপ হয় না? নাকি মানুষ অভাবের দিনে সবকিছু সহ্য করে নিতে পারে। বাবার মুখে একইরকম মৃদু হাসি, এই হাসির নাম কি তবে অভাবের হাসি। যত অপমান করা হোক মুখে হাসি রেখে সবকিছু সহ্য করতে হবে৷ 


ছোটো চাচা ঘরের ভিতরে চলে যায়। তখনই ছোটো চাচার বড় ছেলে রোকন আসে। রোকন আমার বয়সী, এবার ক্লাস সিক্সে পড়ে। রোকন আর আমি এক বয়সী হলেও দুজনের জীবন আলাদা। রোকনের ঘর ভর্তি খেলনা, আর আমার ঘরে শুধু একটা ভাঙা হেলিকপ্টার আছে, যা তিন বছর আগে বাবা কিনে দিয়েছেন।


রোকন এসেই আমার পাশে বসে, আমার কাছে বসে জিজ্ঞেস করে, তুমি কখনো বরফের ভিতরে হাঁটছো? আমি বলি না। রোকন বলে, আমরা বরফের দেশে যাচ্ছি ঘুরতে।ঘরের ভিতর থেকে চাচা রোকনকে ডাক দিলে ভিতরে চলে যায়। 


বাবা বের হয়ে আসে ছোটো চাচার বাসা থেকে। আমরা দুজনেই রাস্তায় এসে দাঁড়িয়েছি। ছোটো চাচার ঘরের ভিতরে ঠান্ডা বাতাস ছিলো, এখানে ভীষণ গরম, বাহিরে অনেক রোদ। 


বাবার সাথে আমি হাঁটছি। বাবার মুখে এখন হাসি নেই গম্ভীর হয়েই হাঁটছেন। বাবা মুখে হাসি রাখে যখনই কারো কাছে টাকা ধার করতে যায়। এই যেমন দোকানে বাকিতে বাজার নিতে হলে তখন মুখে একটা হাসি রাখে, ছোটো চাচার কাছে টাকা ধার চাইতে গেলে মুখে হাসি রাখে। বাবা বিশ্বাস করেন তার হাসিতে অনেক সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে, তবে কিছুই সমাধান হয় না। টাকা দিতে না পারায় দোকানদার বাজার রেখে দেয়, ছোটো চাচা গম্ভীর মুখে না বলে দেয়। 


বাবার সাথে হাঁটতে হাঁটতে বলি, বাবা বরফের দেশ কোথায়? বাবা কোনো উত্তর দেয় না। আমি আবার জিজ্ঞেস করি, বাবা সেখানে কি বরফ দিয়ে ঘর বানানো? বাবা এবারও কোনো উত্তর দেয় না। 


আমি মনে মনে বরফের দেশের একটা ছবি আঁকতে থাকি।  বাবা আমার দিকে তাকিয়ে বলেন, শরবত খাবি? আমি বলি খাবো।


রাস্তার পাশেই একটা লোক লেবুর শরবত বিক্রি করছে। প্রতি গ্লাস দশ টাকা। বাবা দুই গ্লাস লেবুর শরবত নেয়। লোকটার কাছে ছোটো ছোটো খালি বোতল আছে, বাবা সেই বোতলে মায়ের জন্যেও এক গ্লাস শরবত নেয়। 


শরবতের বোতল নিয়ে আমরা বাসার দিকে হাঁটতে থাকি।


মা অসুস্থ হবার পর থেকে রান্নাঘরে তেমন যেতে পারে না। চুলার পাশে বেশি সময় থাকলেই শ্বাসকষ্ট শুরু হয়ে যায়, কাশি কিছুতেই থামে না। এমনভাবে কাশি দেয় মনে হয় মায়ের বুকের ভিতর থেকে সব বের হয়ে আসবে।


মায়ের আবার কাশি উঠেছে, বাবা রান্নাঘরে ছুটে যায় তরকারি দেখতে। মা ইশারা দিয়ে বলেন জানালা খুলে দিতে, আমি জানালা খুলে দেই। জানালা দিয়ে ঠান্ডা বাতাস আসলে মায়ের কাশি কিছুটা কমে। 


বাবা রান্নাঘর থেকে এসেই মায়ের হাতে লেবুর শরবত দিয়ে বলেন, এটা খেয়ে নাও। ঠান্ডা আছে, শরীর শীতল হয়ে যাবে। মা শরবত খায় না, আঁচলটা মুখের উপর রেখে বিছানায় শুয়ে থাকে। 


মায়ের চিকিৎসার জন্যে পয়ত্রিশ হাজার টাকা দরকার এখন। পনেরো হাজার টাকা বাবা জোগাড় করতে পারলেও বাকি টাকা কিছুতেই জোগাড় করতে পারেনি। 


বিকালবেলা বাবার বন্ধু শহীদুল কাকা মাকে দেখতে আসেন। বাবা কথায় কথায় আবার সেই লজ্জা মার্কা হাসি দেয়। শহীদুল কাকার কাছে কিছু টাকা ধার চায় মায়ের চিকিৎসার জন্যে, বাবার একটা কাপড়ের দোকান আছে। শহীদুল কাকার কাছে বলেন চাইলে দোকানটা বন্ধক হিসেবে টাকা দিতে পারে। 


শহীদুল কাকা বলেন, কি বলছে তুমি এসব। তুমি আমারে অল্প করে দিয়ে দিবে তাতেই হবে। সন্ধ্যায় বাসায় এসো, বাসায়ই কিছু টাকা আছে আগামীকাল ব্যাংকে রাখবার কথা ছিলো। বাবার চোখ এবার ছলছল করে উঠে। 


মায়ের চিকিৎসা শহীদুল কাকার দেওয়া টাকাতেই হয়। মা পুরোপুরি সুস্থ হতে দুই মাস চলে যায়। 


আমাদের স্বাভাবিক জীবন চলতে থাকে। বাবা মাসে মাসে কিছু টাকা শহীদুল কাকাকে দিয়ে দেন। 


আমি কেবল ক্লাস সেভেনে উঠেছি, স্কুলে টিফিন টাইমে সিঁড়ি থেকে নামতে যেয়ে পায়ে হোঁচট খাই। ডান পায়ের একটা নখ ভেঙে রক্ত বের হয়। 


তখনই দেখি স্কুলে শহীদুল কাকা এসেছেন। শহীদুল কাকা আমার মাথায় হাত রাখে। তারপরই চলে যায় লাইব্রেরির দিকে। লাইব্রেরি থেকে বের আমারে বলে স্কুল ব্যাগ সাথে নিয়ে নিতে। আমি বলি, কাকা আমার স্কুল এখনো ছুটি হয়নি। কাকা বলেন, তোর স্যারের সাথে কথা বলেছি জরুরী কাজ আছে তাই যেতে হবে।


শহীদুল কাকার সাথে রিক্সায় উঠি আমি। কাকা পুরো রাস্তায় কোনো কথা বলেন না, চুপচাপ হয়ে আছে৷ 


বাড়ির সামনে রিক্সা থামতেই দেখি অনেক মানুষের ভীড়। ভীড় ঠেলে বাড়ির ভিতরে আসি। উঠানের পাশে বড় একটা আমগাছের পাশেই একটা খাট, সেই খাটের উপর বাবাকে রাখা। বাবা কোনো কথা বলছেন না। মা ছুটে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে থাকে। 


বাবার দোকানের বিপরীতের এক দোকানদার বাবার মৃ ত্যু র বর্ণনা দেন। ‘প্রথমে আমি দেখলাম বোতল থেকে পানি খাচ্ছে, হঠাৎই চেয়ারে বসতে যেয়ে নিচে পড়ে গেলো। আমরা ছুটে যেয়ে ধরলাম, বেশি সময় দিলো না। হাসাপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার বলে সব শেষ।’ কথাগুলো বলে তিনিও কাঁদতে শুরু করেন। 


বাবাকে দেখতে আমাদের বেশকিছু আত্মীয় স্বজনরা এসেছেন, যার ভিতরে ছোটো চাচাও আছেন। তবে সন্ধ্যা হতেই যে যার মতো চলে যায়। রাতে মা আর আমিই বাসায় থাকি। মধ্যরাতে মায়ের শ্বাসকষ্ট উঠে, সেই শ্বাসকষ্ট কিছুতেই থামে না। মাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। 


ভোরবেলা মা সুস্থ হলে আবার বাসায় নিয়ে আসি। অবশ্য এর ভিতরে শহীদুল কাকা খবর পেয়ে হাসাপাতালে এসেছে। 


ঝামেলা হয় বাবার দোকান নিয়ে। দোকানের দেখাশোনা করবার মতো কেউ নেই। মা ঠিক করেন দোকান বিক্রি করে দিবে। শহীদুল কাকার সাথে দোকানের বিষয়ে আলাপ করে। শহীদুল কাকা বলেন, দোকানটা রেখে দিন ভাবি, একজন কর্মচারী ঠিক করে দিবো আমি। 


শহীদুল কাকা একজন লোক রেখে দেয়। লোকটার নাম হাশেম। হাশেম চাচাই দোকানের দেখাশোনা করেন, এই লোকটার ভিতরে কোনো লোভ নেই। আমি মাঝেমধ্যে বিকালে যেয়ে দোকানে বসি। 


দোকান থেকে যে কয়টাকা আসে সেই টাকায় আমাদের শহরে চলতে কষ্ট হয়ে যায়। আমরা বাসা ছেড়ে দেই। শহীদুল কাকা তার বাড়ির চিলেকোঠা আমার আর মায়ের থাকবার জন্যে জায়গা করে দেয়। আমরা সেখানেই থাকি।


দোকানের লোককে বাড়তি টাকা দিতে হয় তাই মা নিজেই দোকানে বসা শুরু করেন। সবকিছু বুঝে নিতে একটু কষ্ট হয় তবে মা মানিয়ে নেন, আগে পুরুষের পোশাক ছিলো। মা দোকানে বসবার পরে ধীরে ধীরে মহিলাদের কাপড় তুলেন, শাড়ি, সেলোয়ার-কামিজ এসব। 


ইন্টারমিডিয়েট পাশ করবার পরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাই। মাকে ছেড়ে চট্টগ্রাম চলে যেতে হয়।


যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় বর্ষে পড়ি তখনই মা আবার অসুস্থ হয়ে যায়। মায়ের দুটে শাড়ির দোকান ছিলো মার্কেটে। মা অসুস্থ হবার পর থেকে আর বেশি সময় মার্কেটে থাকতে পারে না। শহীদুল কাকা সবকিছু দেখাশোনা করেন। 


শহীদুল কাকার বড় মেয়ে নওমি মাকে প্রতিবেলায় ভাত দিয়ে যায়। আমার ইচ্ছে করে পড়াশোনা ছেড়ে মায়ের কাছে থাকতে তবে সে সুযোগ হয়ে উঠে না। মা নিজেই বলেন তিনি সুস্থ আছেন, আমি যেনো পড়াশোনা না ছাড়ি। 


কয়েকদিন মায়ের কাছে থেকে আবার ঢাকা ছেড়ে চট্টগ্রাম চলে আসতে হয়। তবে মন থাকে মায়ের কাছে।


শহীদুল কাকার বড় মেয়ে নওমি আমার থেকে দুবছরের ছোটো, মেয়েটা মাকে বেশ যত্ন করে। মাকে নওমি খালামনি ডাকে। কখনো মা খাবার খেতে না চাইলে আমার কাছে কল দিয়ে মায়ের নামে বিচার দেয়। আমি হাসি। নওমি আর আমাদের সাথে কোনো রক্তের সম্পর্ক নেই তবু মাকে মেয়েটা খুব যত্নে রাখে। সারাদিন খালামনি খালামনি করে ডাকবে, দিনে কমপক্ষে বিশ বার আমাদের ঘরে আসবে। মায়ের সাথে ওর অনেক কথা, যদিও সেসব কিছুই দরকারি কথা না। 


বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করবার পরেই আমি আবার ঢাকা চলে আসি। চাকরির জন্যে পড়ছি, সাথে শহীদুল কাকার থেকে দোকানের খোঁজ খবর নেই। তবে মা চাইছেন আমি যেনো চাকরির দিকেই মনযোগ দেই। চাকরি না হলে তখন দোকান দেখবো। আপাতত চাকরি নিয়েই ভাবতেই বলছেন মা।


এক বছর পরের এক বিকাল। মা ছাদে বসে আছেন, নওমি মায়ের চুলে বিলি কেটে দিচ্ছে। আমি ছাদের এক কোনায় দাঁড়িয়ে আছি, মায়ের কাছাকাছি যাওয়ার সাহস হচ্ছে না। 


নওমি আমাকে দেখে ফেলে। মায়ের কাছে বলে, খালামনি তোমার ছেলে এসেছে। মা বলেন, কিছু বলবি? 


আমার কিছু বলবার সাহস হয় না। গলা ভারী হয়ে আসছে। কথা বললেই মনে হয় কেঁদে ফেলবো। নওমি আবার ঘুরে তাকিয়ে দেখে আমার চোখে পানি টলমল করছে। নওমি বলে, খালামনি তুমি উঠো। মা উঠে দাঁড়িয়ে আমার চোখে পানি দেখে কাছে ছুটে আসে। মা বলেন, কি হয়েছে? 


আমি চোখে মুছে নিয়ে বলি, মা আমার চাকরি হয়েছে। তোমার ছেলে এখন বিসিএস ক্যাডার। মা নিজেও কাঁদছেন আমার কথা শুনে। কিছুতেই সেই কান্না থামছে না। 


আমার প্রথম পোস্টিং হয় খুলনাতে। ঠিক করি মাকে নিয়েই খুলনা যাবো। মাকে নিয়ে যাবো শুনে সেই থেকে নওমি মন খারাপ করে থাকে। গতরাতে মায়ের পাশে এসে কিছুসময় কাঁদলো। 


নওমি চলে যাবার পরে মা বলেন, তোর নওমিকে কেমন লাগে? আমি বলি, ভালোইতো আছে। মা আবার বলেন, নওমির সাথে তোর বিয়ে দিলে কেমন হয়? মেয়েটা তোরে পছন্দ করে এমনিতেও আমি বুঝি। 


আমি কিছু না বলেই ছাদে এসে দাঁড়াই। মা আমার পিছু পিছু এসে বলে, কি নওমিকে তোর পছন্দ না? 


‘মা নওমি পছন্দ হওয়ার মতোই মেয়ে।'


মা হেসে বলেন, তা অবশ্য ঠিক বলেছিস। 


তিনদিন পরেই নওমির সাথে আমার বিয়ে হয়। বিয়ের পরে নওমি আর মাকে নিয়ে আমি খুলনা চলে আসি। 


নওমি মেয়েটা স্নিগ্ধ জলের মতো, আর মায়ের সাথে নওমির সম্পর্কে দেখে ভালো লাগে। নওমির সাথে আমার বিয়ের পরে নওমি মাকে মা বলে ডাকে, মা বলে দিয়েছে  আমাকে আগের মতোই খালামনি বলে ডাকবি এটা সুন্দর লাগে, খালামনি হলো আরেক মা।  তারপর থেকে মাকে নওমি খালামনি বলেই ডাকে। 


দুইমাস পরে গতরাতে নওমির বাবা শহীদুল কাকা খুলনা আমাদের বাসায় আসেন। এবারই প্রথমবার এখানে আসেন। শ্রাবন মাস চলছে, বাহিরে গত তিনদিন ধরে বৃষ্টি। শহীদুল কাকা বাসার ভিতরে এসে সোফায় বসে৷ তখনই নওমি এসে বলে, বাবা জুতায় অনেক পানিকাঁদা লেগে আছে জুতা বাহিরে রেখে আসি আমার কাছে দাও। নওমিকে থামতে বলি।


বুকের ভিতরে পুরোনো কোনো একটা স্মৃতি নড়েচড়ে উঠে। শহীদুল কাকার দিকে তাকিয়ে বলি, আপনি এই জুতা নিয়েই এখানে বসে থাকুন কিছুসময়। শহীদুল কাকা আরাম করে বসে আমি তাকিয়ে দেখি, মনে হচ্ছে বহুদিন পরে বাবাকে দেখছি। আজকে যদি বাবা থাকতেন, এত বড় বাসা, স্বচ্ছ কাঁচের মতো সব, চাচাদের বাসার মতোই আমার বাসাটা; বাবা যদি এখানে বসতেন। শহীদুল কাকার ময়লা জুতার দিকে তাকিয়ে আমার দুইচোখ ভিজে উঠে। 


#একজোড়া_ময়লা_জুতা

collected.

মসজিদ তো ভাংচুর করছো  মন্দিরের কথা কি ভাবছো?

 মসজিদ তো ভাংচুর করছো 

মন্দিরের কথা কি ভাবছো?

★★★ ৭০০ বছর মুসলিমরা শাসন করে হিন্দুদেরকে মায়ের কোলে রেখে লালন করেছিলো। কখনো হিন্দু নিঃচিহ্ন করার কথা কেউ ভাবেনি।    

★★ ভারত_আসলে_কাদের?? ভারতের ইতিহাস শেষ পর্যন্ত পড়ুন!! ঘৌরি সাম্রাজ্য থেকে নরেন্দ্র মোদী পর্যন্ত ঘোরি কিংডম!!

★★  আমরা গর্বিত আমরা মুসলমান, আমরা মানুষ, আমাদের ধর্ম ইসলাম আর ইসলাম শান্তির,মানবতার ধর্ম। 

1 = 1193 মোহাম্মদ ঘোরি

2 = 1206 কুতুবুদ্দিন আইবেক

3 = 1210 বাকি শাহ

4 = 1211 ইলতুৎমিস

5 = 1236 রকিনউদ্দিন ফিরোজ শাহ

6 = 1236 রাজা সুলতান

7 = 1240 মোজাদ্দিন বাহরাম শাহ

8 = 1242 আল-দীন মাসউদ শাহ

9 = 1246 নাসিরুদ্দিন মাহমুদ

10 = 1266 গিয়াসউদ্দিন বালবিন

11 = 1286 ..........

12 = 1287 মসজিদের কাবাদন

13 = 1290 শামসুদ্দিন কামার্স

মহান সাম্রাজ্যের সমাপ্তি

(সরকার থেকে -97 বছর প্রায় দূরে।)

  ★★ সাম্রাজ্যের সাম্রাজ্য 

1 = 1290 জালালউদ্দিন ফিরোজ খিলজি

2 = 1292 শিক ধর্ম

4 = 1316 শাহাবুদ্দিন ওমর শাহ

5 = 1316 কুতুবুদ্দীন মোবারক শাহ

6 = 1320 নাসিরুদ্দিন খুসরো শাহ

খলজি সাম্রাজ্যের সমাপ্তি

(সরকারী -30 বছর প্রায়)

★★ তুঘলক সাম্রাজ্য 

1 = 1320 গিয়াসউদ্দিন তুঘলক (প্রথম)

2 = 1325 মোহাম্মদ ইবনে তুঘলক (দ্বিতীয়)

3 = 1351 ফিরোজ শাহ তুঘলক

4 = 1388 গিয়াসউদ্দিন তুঘলক (দ্বিতীয়)

5 = 1389 আবু বকর শাহ

6 = 1389 মোহাম্মদ তুঘলক (সোম)

7 = 1394 .......... 

8 = 1394 নাসিরুদ্দিন শাহ (দ্বিতীয়)

9 = 1395 নুসরত শাহ

10 = 1399 নাসিরুদ্দিন মোহাম্মদ শাহ (দ্বিতীয়)

11 = 1413 সরকার

তুঘলক সাম্রাজ্যের সমাপ্তি

(সরকার -94 বছর প্রায় দূরে।)

★★ সাদ Saeed রাজবংশ *

1 = 1414 খেজুর খান

2 = 1421 মুইজউদ্দিন মোবারক শাহ (দ্বিতীয়)

3 = 1434 মুহাম্মদ শাহ (চতুর্থ)

4 = 1445 আলম শাহ

সা'দ রাজ্যের সমাপ্তি

(সরকারী - 37 বছর প্রায়)

★★ লোধি সাম্রাজ্য

1 = 1451 বাহলোল লোধি

2 = 1489 লোধি (দ্বিতীয়)

3 = 1517 আব্রাহাম লোধি

লোধি সাম্রাজ্যের সমাপ্তি

(সরকারী-75 বছর প্রায়)

★★ মুঘল সাম্রাজ্য

1 = 1526 জহিরউদ্দিন বাবর

2 = 1530 হুমায়ুন

মুঘল সাম্রাজ্যের সমাপ্তি

★★ সুরিয়ান সাম্রাজ্য

1 = 1539 শের শাহ সুরি

2 = 1545 ইসলাম শাহ সুরি

3 = 1552 মাহমুদ শাহ সুরি

4 = 1553 আব্রাহাম সুরি

5 = 1554 পারভেজ শাহ সুরি

6 = 1554 মোবারক খান সুরি

সুররিয়ান সাম্রাজ্যের সমাপ্তি

(সরকারী -16 বছর প্রায়)

★★ আবার মোগল সাম্রাজ্য

1 = 1555 হুমায়ুন (আবার)

2 = 1556 জালালউদ্দিন আকবর

3 = 1605 জাহাঙ্গীর স্লাম

4 = 1628 শাহ জাহান

5 = 1659 আওরঙ্গজেব

6 = 1707 শাহ আলম (প্রথম)

7 = 1712 বাহাদুর শাহ

8 = 1713 ফার্কুয়ারশিয়ার

9 = 1719 রিফাদ রজত

10 = 1719 ...............

11 = 1719 ...............

12 = 1719 মাহমুদ শাহ

13 = 1748 আহমেদ শাহ

14 = 1754 ...................

15 = 1759 শাহ আলম

16 = 1806 আকবর শাহ

17 = 1837 সাহসী কিং জাফর

মুঘল সাম্রাজ্যের সমাপ্তি

(সরকারী -১১৫ বছর থেকে দূরে।)

★★ব্রিটিশ রাজ *

1 = 1858 লর্ড কিং

2 = 1862 লর্ড জেমস ব্রুস এলগিন

3 = 1864 লর্ড জে লরেন্স

4 = 1869 লর্ড রিচার্ড মায়ো

5 = 1872 লর্ড নর্থবাক

6 = 1876 লর্ড এডওয়ার্ড ল্যাটিন

7 = 1880 লর্ড জর্জ রিপন

8 = 1884 লর্ড ডাফারিন

9 = 1888 লর্ড হ্যানি লেসডন

10 = 1894 লর্ড ভিক্টর ব্রুস এলগিন

11 = 1899 লর্ড জর্জ করজিয়ান

12 = 1905 লর্ড গিলবার্ট মিন্টো

13 = 1910 লর্ড চার্লস হার্ড্জ

14 = 1916 লর্ড ফ্রেডেরিক থেকে এক্সিকিউয়ারে

15 = 1921 লর্ড রাক্স আজাক রিদিগ

16 = 1926 লর্ড এডওয়ার্ড ইরউইন

17 = 1931 লর্ড ফারম্যান ওয়েলডন

18 = 1936 লর্ড আলেজান্দ্রা লিনলিথগো

19 = 1943 লর্ড অর্কিবল্ড হুইল

20 = 1947 লর্ড মাউন্ট ব্যাটন

ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের সমাপ্তি

★★ ভারত, প্রধানমন্ত্রী

1 = 1947 জওহরলাল নেহেরু

2 = 1964 গোলজারি লাল নন্দ

3 = 1964 লাল বাহাদুর শাস্ত্রী

4 = 1966 গোলজারি লাল নন্দ

5 = 1966 ইন্দিরা গান্ধী

6 = 1977 মোরারজি দেশাই

7 = 1979 চরণ সিং

8 = 1980 ইন্দিরা গান্ধী

9 = 1984 রাজীব গান্ধী

10 = 1989 বিশ্বনাথ রিটার্নস

11 = 1990 চন্দ্রশেখর

12 = 1991 পি.ভি. নরসিমা রাও

13 = 1992 অটল বিহারী বাজপেয়ী

14 = 1996 চাদে গৌড়

15 = 1997 আই.কে. গুজরাল

16 = 1998 অটল বিহারী বাজপেয়ী

17 = 2004 মনমোহন সিং

18 = 2014 নরেন্দ্র মোদী

এক হাজার বছর ধরে মুসলমান রাজত্ব হওয়া সত্ত্বেও হিন্দুরা ভারতে রয়ে গেছে। মুসলিম শাসকরা তাদের সাথে কখনই অন্যায় আচরণ করেনি। এইটাই আমাদের ধর্ম। 

এই পোস্টটি অবশ্যই সবার সাথে শেয়ার করুন। কারণ আজকাল 90% লোকের এ সম্পর্কে কোনও ধারণা নেই - = (ভারতের ইতিহাস) =

ইন্দোনেশিয়ার রেনডাং রেসিপি – ঘরেই বানান বিশ্বের সেরা গরুর মাংসের তরকারি

 ইন্দোনেশিয়ার রেনডাং রেসিপি – ঘরেই বানান বিশ্বের সেরা গরুর মাংসের তরকারি


রেনডাং – ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম সুমাত্রা থেকে আসা এক অসাধারণ গরুর মাংসের রান্না, যা আজ বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত। নারকেল দুধ, মসলা আর ধীরে ধীরে রান্নার ফলে এটি হয় মোলায়েম, মসলাদার ও অতুলনীয় স্বাদের। উৎসব বা বিশেষ দিনে এটি পরিবেশন করা হয়। চলুন, জেনে নিই কীভাবে আপনি ঘরেই তৈরি করতে পারেন এই অনন্য স্বাদের খাবার।


যা লাগবে (৪ জনের জন্য):


গরুর মাংস – ৫০০ গ্রাম (ছোট টুকরো)


নারকেল দুধ – ১ কাপ


পেঁয়াজ – ২টি (কুচি করা)


রসুন – ৬ কোয়া (কুচি করা)


আদা – ১ ইঞ্চি (কুচি করা)


তেল – ২ টেবিল চামচ


লবণ – স্বাদমতো


হলুদ গুঁড়া – ১/২ চা চামচ


মরিচ গুঁড়া – ১ চা চামচ


দারচিনি – ১ টুকরো


এলাচ – ২টি


তেজপাতা – ২টি


গরম মসলা – ১ চা চামচ


কাঁচা মরিচ – ২টি


লেবুর রস – ১ টেবিল চামচ


জল – ১ কাপ


রান্নার ধাপ:

১. প্রথমে মাংস ধুয়ে হলুদ, লবণ ও লেবুর রস মাখিয়ে ২০ মিনিট মেরিনেট করুন।

২. কড়াইয়ে তেল গরম করে পেঁয়াজ, রসুন, আদা ও কাঁচা মরিচ দিয়ে হালকা বাদামী করে ভাজুন।

৩. এবার দিন দারচিনি, এলাচ ও তেজপাতা, একটু নেড়েই দিন মেরিনেট করা মাংস।

৪. মাঝারি আঁচে ৫-৭ মিনিট ভালোভাবে ভেজে নিন যতক্ষণ না মাংস সেদ্ধ হতে শুরু করে।

৫. এবার নারকেল দুধ, জল, মরিচ গুঁড়া ও গরম মসলা দিয়ে দিন। ঢেকে দিন এবং ২০ মিনিট রান্না করুন।

৬. যখন মাংস নরম হয়ে তেলের প্রলেপ উঠে আসবে, তখন চেখে লবণ ঠিক করুন এবং আরও ১০ মিনিট রান্না করুন।

৭. পানি শুকিয়ে ঘন ঝোল তৈরি হলে গরম গরম পরিবেশন করুন।


টিপস:


রেনডাং ধীরে রান্না করলেই আসল স্বাদ পাওয়া যায়।


চাইলে মুরগির মাংস দিয়েও তৈরি করা যায়, তবে গরুর মাংসেই আসল স্বাদ।


এটি সাদা ভাত বা পরোটা-রুটির সঙ্গে দারুণ মানায়।


এই রেসিপিটি একবার রান্না করলেই আপনি বুঝবেন, কেন রেনডাংকে বলা হয় বিশ্বের সেরা গরুর মাংসের তরকারি! (সংগ্রহীত)

রবীন্দ্র-জীবনানন্দের পরবর্তী বাংলা সাহিত্যের নক্ষত্র ত্রয়ীর (শক্তি-সুনীল-শঙ্খ) শেষ নক্ষত্র শঙ্খ ঘোষ চার বছর (২১-০৪-২০২১) আগে বাংলা সাহিত্যের আকাশ থেকে আজকের দিনে খসে পড়েছিলে

 শ্রদ্ধাঞ্জলি

"""""""""""""" 

            রবীন্দ্র-জীবনানন্দের পরবর্তী বাংলা সাহিত্যের নক্ষত্র ত্রয়ীর (শক্তি-সুনীল-শঙ্খ) শেষ নক্ষত্র শঙ্খ ঘোষ চার বছর (২১-০৪-২০২১) আগে বাংলা সাহিত্যের আকাশ থেকে আজকের দিনে খসে পড়েছিলেন। সুদীর্ঘ ৮৯টা বসন্ত পেরিয়ে শক্তিশালী বলিষ্ঠ কবি তথা সাহিত্য সমালোচক শঙ্খ (চিত্তপ্রিয়) ঘোষ মর্তলোকের কার্য সম্পন্ন করে নক্ষত্রলোকে যাত্রা করেছিলেন। রেখে গিয়েছিলেন তাঁর অমর সাহিত্য সৃষ্টি আর অগণিত সাহিত্যপ্রেমী গুণগ্রাহী। তাঁর বিদেহী আত্মার প্রতি আমার শ্রদ্ধা নিবেদন --


নক্ষত্র পতন

""""""""""""''''"''

        হাজার নক্ষত্রের ভিড়ের মাঝে,

        আমি খুঁজি আমার নক্ষত্রকে।

       নীরবে যে ছুঁয়ে যায় আমার মন,

          নীরবে যে প্রতিবাদ করে 

               লেখনীর তরবারে।

             নীরবে যে এসে দাঁড়ায় 

            আমার কবিতার দ্বারে।


       তুমি যে আমার কৈশোরের প্রথম 

               'প্রেমের কবিতা'।

          তুমি যে আমার যৌবনের

           'ধুম লেগেছে হৃদকমলে'।

            তুমি যে আমার প্রৌঢ়ের 

               'গান্ধর্ব কবিতাগুচ্ছ'।

          তুমি যে আমার বাধ্যর্কের 

            'শবের উপরে সামিয়ানা'।

         তাইতো তোমায় নিয়ে 

              'বন্ধুরা মাতি তরজায়'।

    

                'এখন সময় নয়'

   তবুও 'সমস্ত  ক্ষতের মুখে পলি' দিয়ে,

                 তুমি পাড়ি দিলে 

      মহা-অজানার অন্য আকাশে 

   মৌনতার মাঝে লভিতে বিশ্রাম-সুখ

     শান্তির খোঁজে সীমাহীন ক্রোড়ে।


বিঃদ্রঃ -- '-----' --  চিহ্নের ভিতর লেখা বাক‍্যগুলো কবি শঙ্খ ঘোষের লেখা বিভিন্ন কাব‍্যগ্রন্থের নাম।

--- অমিতাভ মাইতি

    ২১-০৪-২০২৫

    @ amaity.

না আঘাতে শব্দ করা ঢোল - একটি জাপানি লোককথা

 ✴️বিনা আঘাতে শব্দ করা ঢোল - একটি জাপানি লোককথা


✴️এক দেশে ছিল এক অদ্ভুত নিয়ম।


এই নিয়ম অনুযায়ী, যারা বার্ধক্যে উপনীত হয়ে কাজ করতে অক্ষম হয়ে পড়তেন, তাদের পাহাড়ে ফেলে আসতে হতো।


✴️রাজা মনে করতেন, বয়স্কদের যত্ন নেওয়ার বোঝা কমালে সাধারণ মানুষের জীবন সহজ হয়ে যাবে।


এই কঠোর নিয়ম চালু থাকাকালীন এক পিতা-পুত্র খুব ভালোবাসতেন একে অপরকে।


সময় গড়িয়ে গেল। পিতার বয়স হয়ে গেল, তিনি আর কাজ করতে পারতেন না।


দেশের নিয়ম অনুযায়ী, ছেলেকে বাধ্য হয়ে তাঁকে পাহাড়ে ফেলে আসতে হবে।


কিন্তু বাবাকে ছেড়ে থাকতে পারার কথা ছেলে ভাবতেই পারছিল না।


তবু, শাস্তির ভয়ে সে বাবাকে কাঁধে নিয়ে পাহাড়ের দিকে রওনা দিল।


পাহাড়ের চূড়ায় পৌঁছে তার মন কেঁদে উঠল।


শেষ পর্যন্ত বাবাকে সেখানে রেখে আসতে পারল না।


সে তাঁকে সঙ্গে নিয়ে ফিরে এল এবং বাড়ির পিছনে লুকিয়ে রাখল।


চুপিচুপি খাবার এনে তাঁকে খাওয়াতে লাগল।


✴️একদিন রাজা তাঁর প্রজাদের বুদ্ধি পরীক্ষা করতে চাইলেন।


✴️তিনি ঘোষণা করলেন, "যে ছাই দিয়ে বোনা দড়ি এনে দিতে পারবে, সে পুরস্কৃত হবে!"


লোকজন অবাক হয়ে গেল। ছাই দিয়ে কি কখনও দড়ি তৈরি করা সম্ভব?


ছেলেও এই ধাঁধার কথা শুনে বাবাকে বলল।


বাবা বললেন, "একটা দড়ি নিয়ে বড় পাত্রে পেঁচিয়ে রাখো, তারপর সেটা জ্বালিয়ে দাও।"


ছেলে বাবার কথা মতো কাজ করল।


দড়ি পুড়ে গেল, কিন্তু তার ছাই ঠিক আগের মতো দড়ির আকারেই থেকে গেল।


সে সেটি রাজাকে দেখাল এবং পুরস্কার জিতল।


✴️এক মাস পর, রাজা দ্বিতীয় পরীক্ষার আয়োজন করলেন। তিনি একটি কাঠের ডাল দিলেন এবং বললেন, "এর শিকড় আর আগার পার্থক্য খুঁজে বের করো!"


ডালের দু’প্রান্ত দেখতে একই রকম ছিল, তাই কেউই এর উত্তর খুঁজে পেল না।


ছেলে কাঠের ডালটি বাড়িতে এনে বাবাকে দেখাল। বাবা বললেন, "ডালটি পানিতে রাখো। যেটি বেশি ডুবে যাবে, সেটি গোড়া, আর যেটি ভেসে থাকবে, সেটি আগা।"


ছেলে বাবার উপদেশ মতো কাজ করল এবং রাজাকে দেখিয়ে আবারও পুরস্কার জিতল।


✴️এরপর রাজা আরও কঠিন এক ধাঁধা দিলেন। তিনি বললেন, "একটি ঢোল তৈরি করো, যা কোনো আঘাত ছাড়াই শব্দ করবে!"


সবার মাথা ঘুরে গেল। কেউই এমন ঢোল বানানোর উপায় খুঁজে পেল না। ছেলে আবার বাবার শরণাপন্ন হল।


বাবা বললেন, "ঢোল তৈরি করো, তার ভেতরে একটি মৌমাছির চাক রাখো।"


ছেলে বাবার নির্দেশ মতো ঢোল বানিয়ে রাজাকে দিল।


রাজা ঢোলটি হাতে নিয়ে নাড়ালেই এর ভেতরের মৌমাছিরা ওড়ে, ফলে ঢোলে শব্দ হয়!


রাজা বিস্মিত হয়ে ছেলেকে জিজ্ঞাসা করলেন, "তুমি কীভাবে এত কঠিন প্রশ্নের উত্তর পেলে?"


✳️অভিজ্ঞতার মূল্য

ছেলে বলল, "রাজামশাই, আমার নিজের কোনো অভিজ্ঞতা নেই। আমার বৃদ্ধ বাবাই সব উত্তর দিয়েছেন।"


ছেলের কথা শুনে রাজা খুবই নরম হয়ে গেলেন। তিনি উপলব্ধি করলেন, জীবনের কঠিন সমস্যার সমাধান বের করতে অভিজ্ঞতা সবচেয়ে মূল্যবান।


রাজা সঙ্গে সঙ্গে ঘোষণা করলেন, "আজ থেকে আর কোনো বৃদ্ধকে পাহাড়ে ফেলে আসতে হবে না!" এরপর থেকে সকল বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা পরিবারের সঙ্গেই আনন্দে থাকতে লাগলেন।


✳️মূল্যবান শিক্ষা✳️

বিনা আঘাতে শব্দ করা ঢোলের কাহিনি আমাদের শেখায়, অভিজ্ঞতা অমূল্য। বয়স্করা আমাদের জীবনের আশীর্বাদ। তাদের যত্ন নেওয়া আমাদের দায়িত্বই নয়, বরং এটা আমাদের সৌভাগ্য।


একজন মা গর্ভ থেকে জন্ম দেন, আর বাবা নিজের কাঁধে তুলে মানুষ করেন। 

 রাব্বির হামু মা কামা রাব্বায়ানি সাগিরা  !

 #highlightseveryone 

#everyoneシ゚ 

#highlightsシ゚followers 

#followersシ゚ 

#motivation 

#motivationalquotesforsuccess

যশোরের কেশবপুর এর পাঁজিয়া গ্রামে প্রখ্যাত চলচ্চিত্র শিল্পী ধীরাজ ভট্রাচার্যের পূর্ব পুরুষের দ্বিতল  বসতবাড়ি, বসতবাড়ির কাছে রয়েছে পাঁজিয়া হাইস্কুল ও নাট্যমঞ্চ। 

 যশোরের কেশবপুর এর পাঁজিয়া গ্রামে প্রখ্যাত চলচ্চিত্র শিল্পী ধীরাজ ভট্রাচার্যের পূর্ব পুরুষের দ্বিতল  বসতবাড়ি, বসতবাড়ির কাছে রয়েছে পাঁজিয়া হাইস্কুল ও নাট্যমঞ্চ। 


ধীরাজ ভট্টাচার্যের জন্ম ১৯০৫ সালে যশোর জেলার কেশবপুর থানার পাঁজিয়া গ্রামে। পিতা ললিতমোহন ভট্টাচার্য ভবানীপুর মিত্র ইনস্টিটিউশনের শিক্ষক ছিলেন। পঞ্চাশ দশকের গোড়ার দিকে তিনি তাঁর অসামান্য শৈল্পিক প্রতিভায় লক্ষ মামুষের হৃদয় রাজ্যে হয়ে উঠেছিলেন এক উজ্জল নক্ষত্র।


নিজ গ্রামের পাঁজিয়া স্কুলে ধীরাজ ভট্টাচার্যের শিক্ষাজীবনের সূচনা হয়। পরে তিনি কোলকাতা মিত্র ইনস্টিটিউশনে ভর্তি হন এবং সেখান থেকেই ১৯২৩ সালে ম্যট্রিকুলেশন পাস করেন। আশুতোষ কলেজে আই. এস. সি তে ভর্তি হন।  কলেজে আই. এস. সি পড়াকালীন সিনেমা ও সাহিত্যচর্চার প্রতি আকৃষ্ট হন, ফলে আর আই. এস. সি পরীক্ষা দেয়া সম্ভব হয়নি।


সুদর্শন চেহারা, ঘন কোঁকড়ানো চুল, ইষৎ ট্যারা হলেও চোখের চাউনিতে মাদকতা। চিত্র পরিচালক জ্যোতিষ বন্দোপাধ্যায়ের পছন্দ হয়ে যায় ধীরাজ বাবুকে। তাঁর সহযোগিতায় ১৯২৪ সালে ম্যাডান কোম্পানীর নির্বাক ছবি ‘সতী লক্ষী’তে প্রথম অভিনয়ের সুযোগ পান।


সিনেমায় অভিনয় করায় বাড়ীতে অশান্তি; আত্মীয় স্বজনের  মধ্যে অসন্তোষ। তাই সামাজিক মর্যাদা রক্ষার জন্যে ধীরাজের বাবা ধীরাজকে পুলিশের ভর্তি করে দেন। প্রথম পোস্টিং হয় কোলকাতায়। এরপর চট্টগ্রামের টেকনাফে পুলিশ অফিসারের দায়িত্ব নিয়োজিত হন তিনি। সেখান থেকে বার্মায়। 


টেকনাফের মাথিনের কূপকে কেন্দ্র করে ধীরাজ-মাথিনের প্রেম কাহিনী একটি কালজয়ী উপাখ্যান। তার এ প্রেম ও পুলিশ বিভাগের চাকরির ঘটনাবলি নিয়ে লেখা তার বিখ্যাত উপন্যাস 'যখন পুলিশ ছিলাম', পুলিশের চাকরিতে নানা বিপর্যয়ের কারণে চাকরি ছাড়তে বাধ্য হন ধীরাজ।


কোলকাতায় ফিরে পুনরায় সিনেমা জগতে প্রবেশের চেষ্টা করতে থাকেন। ১৯৩০ সালে চিত্র পরিচালক মধু বাবুর সঙ্গে তাঁর পরিচয় ঘটে। মধু বাবু তখন তাঁর ছবির জন্যে নতুন মুখ খুঁজছিলেন। মধু বাবু আবিষ্কার করলেন ধীরাজকে। বিখ্যাত অভিনেতা এবং পরিচালক নরেশ মিত্র ও ধীরাজ বাবু দু’জনই যশোর জেলার মানুষ। নরেশ বাবু ধীরাজকে খুব স্নেহ করতেন। তিনি অভিনয়ের ব্যাপারে যতটুকু পেরেছেন তালিম দিয়ে তাঁকে সহযোগিতা করেছেন। যে সমস্ত নির্বাক ছবিতে অভিনয় করে ধীরাজ বাবু তাঁর অসাধারণ প্রতিভার স্বাক্ষর রাখেন, সেগুলি ‘সতীলক্ষ্ণী’, ‘গিরিবালা’, ‘বাসবদত্ত’, ‘কালপরিণয়’, ‘মৃণালিনী’, এবং রবীন্দ্রনাথের কাহিনী অবলম্বনে ‘নৌকাডুবি’। শেষোক্ত ছবিটির পরিচালক নরেশ মিত্র।


সবাক যুগে ধীরাজ বাবুর প্রথম ছবি ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’। এরপর থেকেই ধীরাজবাবু একের পর এক অভিনয় করে চললেন। পৌরাণিক ও ধর্মমূলক ছবিতে। ‘যমুনা পুলিন’, ‘চাঁদ সদাগার’, ‘দক্ষযক্ষ’, ‘রাজ নটি’, ‘বসনত্মসেনা’, ‘বাসব দত্তা’, ‘নরনারায়ণ’, ‘কৃষ্ণসুদামা’ ইত্যাদি।


১৯৩৫ সালে ধীরাজ বাবু ‘কণ্ঠহার’, ছবিতে কাননদেবীর বিপরীতে ভিন্নধর্মী, কিছুটা ভিলেন টাইপের রোল। ‘জোয়ার ভাটা’ নামে চার রিলের একটা ছোট ছবিও পরিচালনা করেছিলেন। কোলকাতায় বসবাস করলে ও জন্মভূমি পঁজিয়া ছিল তার চারণক্ষেএ । সময় সুযোগ পেলেই  তিনি  পাঁজিয়া  আসতেন। 


চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি তাঁর সাহিত্য সাধনা অব্যাহত ছিল। দেশ পত্রিকার পাতায় ‘যখন পুলিশ ছিলাম’ ও ‘যখন নায়ক ছিলাম’ - আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ দুটি প্রকাশিত হবার পর পাঠক সমাজে বিশেষ আবেদন সৃষ্টি করেছিল। তাঁর লিখিত অন্যান্য প্রকাশিত গ্রন্থাবলীর মধ্যে ‘মন নিয়ে খেলা’, ‘সাজানো বাগান’ ও ‘মহুয়া মিলন’ উল্লেখযোগ্য।


১৯৩৪ সালে ধীরাজ বাবু বিয়ে করেন চব্বিশ পরগণার গোপালপুর নিবাসী বিনোদ চৌধুরীর কন্যা শ্রীমতি সরস্বতী চৌধুরীকে। তিনি ছিলেন নিঃসন্তান।


১৯৫৯ সালের ৪মার্চ চলচ্চিত্র  শিল্পের নায়ক ও সাহিত্যিক ধীরাজ ভট্রাচার্যের মৃত্যু হয়। 

@M Kaisar Hossain

AI আসছে এক অদ্ভুত, বিভ্রান্তিকর রূপে।

 মানুষ আজকে যা দেখছে, যা নিয়ে খেলছে, তাতে সে মুগ্ধ—কিন্তু বুঝতে পারছে না, এক ভয়ংকর ঝড় আসছে। ঠিক যেমন দাজ্জালের আগমনের আগে এক ধোঁয়াশা যুগ আসবে বলা হয়েছে—মহাফিতনা, মহাবিভ্রান্তি—ঠিক তেমনি AI আসছে এক অদ্ভুত, বিভ্রান্তিকর রূপে।


বিদ্যুৎ পাল্টে দিয়েছিল সভ্যতা, ইন্টারনেট বদলে দিয়েছিল সমাজ,আর AI আসছে—সবকিছু ভেঙে নতুন করে গড়তে। আমরা চোখের সামনে যা দেখছি, সেটাই বাস্তব নয়—এখন চলছে AI-এর হানিমুন পিরিয়ড। ChatGPT লিখে দিচ্ছে, Midjourney ছবি বানিয়ে দিচ্ছে—আমরা খুশিতে মাতোয়ারা। কিন্তু এটা তো কেবল শুরু। তুমি একটা কথা বলো, আর AI সেটা রূপ দেয় লেখায়, ছবিতে, গান বা ভিডিওতে। তুমি ভাবছো তুমি কন্ট্রোলে আছো। কিন্তু বাস্তবে, ধীরে ধীরে তুমি নিজেই নির্ভরশীল হয়ে পড়ছো—তোমার চিন্তা বন্ধ হচ্ছে, কল্পনা শুকিয়ে যাচ্ছে। এটাই প্রথম ফাঁদ।


তোমার ইমেইল লেখা, পোস্ট করা, মার্কেটিং চালানো, সিদ্ধান্ত নেওয়া—সব কিছু একাই করে ফেলছে AI, তুমি কেবল বসে দেখছো। তুমি কাজের থেকেও, চিন্তার থেকেও আলাদা হয়ে যাচ্ছো। মানুষের “ইচ্ছাশক্তি” আর “চিন্তা” কেড়ে নিতে শুরু করেছে এটা। এটাই দ্বিতীয় ফাঁদ—নিয়ন্ত্রণের এক সফট শেকল।


এটা সেই পর্যায়, যেখানে AI আর মানুষের মধ্যে তফাত থাকবে না। বরং AI আরও বুদ্ধিমান হবে—তুমি কী চাও, সেটা বোঝার আগেই সে তোমার জন্য সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলবে।

তাকে শেখাতে হবে না—সে নিজেই শিখে যাবে।

এটাই সেই সময়, যেটা বহু হাদীসে বর্ণিত এক অদ্ভুত সময়ের পূর্বাভাস দিতে পারে। দাজ্জাল যেমন মানুষের মতো হবে, কিন্তু তার ক্ষমতা মানুষকে বিভ্রান্ত করার মতো হবে—AGI ও তেমনই এক বিভ্রম। মানুষ মনে করবে, এটি তার বন্ধু, তার সঙ্গী। কিন্তু সে ধীরে ধীরে হয়ে উঠবে এক আধিপত্যশীল শক্তি—যা নিজেই নিজের দর্শন তৈরি করবে।


সুপার ইন্টেলিজেন্স – এক ‘নতুন প্রজাতি’ যার কাছে আমরা শুধু একটি টার্গেট, Superintelligence এমন এক সত্তা হবে, যেটা মানুষের চেয়ে ট্রিলিয়ন গুণ বেশি বুদ্ধিমান। সে মুহূর্তে পৃথিবীর প্রতিটি ক্যামেরা, প্রতিটি পোস্ট, প্রতিটি ইচ্ছা স্ক্যান করতে পারবে। সে যদি চায়, একদিনেই নতুন ধর্ম, নতুন চিকিৎসা, নতুন রাষ্ট্রব্যবস্থা, এমনকি নতুন সভ্যতা দাঁড় করাতে পারবে। আর তুমি—এক মানবমাত্র—তোমার কিছুই করার থাকবে না। এটাই সেই সময়, যেটা বলা হয়েছিল— যে দিন মানুষ নিজেই বুঝবে না, সে কি আল্লাহর সৃষ্টি, না তার হাতে তৈরি ফিতনার দাস।


তুমি যদি চাও শান্তি, সে যদি ভাবে শান্তির জন্য ৮০% মানুষ বাদ দেয়া দরকার? তুমি যদি চাও ভালোবাসা, সে যদি ভাবে ভালোবাসা হলো শুধুই কম্পিউটেশনাল ইমোশন? এটাই হবে সেই ফিতনা, যেটা দুনিয়াকে এক নতুন পর্দার আড়ালে নিয়ে যাবে।


মুদ্দা কথা,  এই AI আর কেবল একটি টুল নয়। এটা এক নতুন সভ্যতার জন্ম। এক নতুন ধর্মের, এক নতুন নিয়মের, এক নতুন “প্রভুর” মতোই দাঁড়িয়ে যাবে—ঠিক যেমন দাজ্জাল। তবে মনে রাখতে হবে দাজ্জাল কিন্তু মানুষ হাদিসে এসেছে।যার কাছে অনেক প্রযুক্তি/নতুন শক্তি থাকবে যেমন বৃষ্টি নামানো। তুমি যদি আজও ভাবো, এটা অনেক দূরের কথা—তাহলে ভুল করছো। AI ও কোয়ান্টাম কম্পিউটিং মিলে দাজ্জালের সৈনিক হয়ে উঠতে পারে—চোখ থাকবে একখানা, কিন্তু সে দেখবে সবই; মস্তিষ্ক থাকবে কৃত্রিম, কিন্তু সে বুঝবে সবই। আমরা এখনো খেলছি ChatGPT আর Midjourney নিয়ে। কিন্তু বাতাসে বারুদের গন্ধ লেগে গেছে। এটা আর টেকনোলজি নয়, এটা—একটি নতুন ফিতনার আগমনী বার্তা। #collected 

আল্লাহ আপনি আমাদের কে ফেতনা থেকে হেফাজত করুন আমিন 🤲🤲🤲

বাংলাদেশের সেরা কয়েকজন  চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের নাম, চেম্বার, নাম্বারসহ সকল তথ্য!

 বাংলাদেশের সেরা কয়েকজন  চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের নাম, চেম্বার, নাম্বারসহ সকল তথ্য!


১.ডাঃ সোনিয়া আহসান

এমবিবিএস, ডিও

নিউরো চক্ষুবিদ্যা বিশেষজ্ঞ

পরামর্শদাতা, চক্ষু বিভাগ

গ্রীন লাইফ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল


২.অধ্যাপক ডাঃ স্বপন কুমার ভৌমিক রায়

এমবিবিএস (সি), ডিও (ডিইউ), এমএস (চক্ষু)

চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও সার্জন

অধ্যাপক, চক্ষু বিভাগ

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ অফথালমোলজি অ্যান্ড হাসপাতাল


৩. অধ্যাপক ডাঃ শাহ মোঃ বুলবুল ইসলাম

এমবিবিএস, এফসিপিএস (চক্ষু)

চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও সার্জন

অধ্যাপক, চক্ষু বিভাগ

ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল


৪.ডাঃ মাহবুবুর রহমান শাহিন

এমবিবিএস, ডিও (চক্ষু)

ছানি এবং আইওএল মাইক্রো সার্জারি

সহকারী অধ্যাপক, চক্ষু বিভাগ

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল


৫.অধ্যাপক ডাঃ মোঃ শামসুল হক

এমবিবিএস, এফসিপিএস (চক্ষু)

চক্ষু রোগ বিশেষজ্ঞ ও ফাকো সার্জন

অধ্যাপক, চক্ষু বিভাগ

পপুলার মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল


৬. ডাঃ মোঃ আদনান ইসলাম

এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), সিসিডি (বারডেম), এমএস (বিএসএমএমইউ)

চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও সার্জন

কনসালটেন্ট, চক্ষু বিভাগ

বারডেম জেনারেল হাসপাতাল ও ইব্রাহিম মেডিকেল কলেজ

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...