এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৫

❌নির্জন লাইব্রেরির ১৩ নম্বর বই⛔ (✍️একটি ভয়ঙ্কর, কুফুরি, বাস্তবধর্মী অভিজ্ঞতা✍️) আসসালামু আলাইকুম, আমি আপনাদের ভুতের কাহিনী পেইজের একজন নিয়মিত ফলোয়ার। আমরা সব সময় আপনাদের পেজের গল্পগুলো পড়ে থাকি। সত্যি বলতে, আপনাদের গল্পগুলো পড়তে খুবই ভালো লাগে। অনেকদিন ধরেই ভাবছিলাম একটা সত্যিকারের ঘটনা শেয়ার করব, যেটা আমাদের পরিবারের সঙ্গে ঘটেছিল। আজ সেই ঘটনার ভার নিয়ে লিখতে বসেছি। এই ঘটনা কল্পনা নয়, কাকতালীয়ও নয়—এটা একটি বইয়ের অভিশপ্ত প্রভাব, যা আমাদের পরিবারে এখনো রয়ে গেছে। ঘটনাটা ২০১৪ সালের জুন মাসের। আমি তখন এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছি। শহরের হট্টগোল আর চাপ থেকে একটু দূরে পড়ার সুবিধার জন্য আমরা গ্রামের বাড়ি গিয়েছিলাম—পাবনার আটঘরিয়া থানার একটা ছোট্ট গ্রাম, নাম বিলচাপড়া। আমার নানা ছিলেন একসময় স্কুল শিক্ষক, তাঁর রেখে যাওয়া পুরনো লাইব্রেরি এখনো আছে গ্রামের বাজারের পাশে। লাইব্রেরিটার নাম সিরাজ মেমোরিয়াল পাঠাগার—একটা কাঠের পুরনো ঘর, দুঃখে-চাপা চেহারা, জানালায় মরিচা ধরা শিক। বাইরের একপাশে বিশাল একটা বটগাছ, যার নিচে কিশোর বয়সে খেলতাম। লাইব্রেরিটার অন্দরমহল নিঃসঙ্গ, কেমন যেন একটা সাড়া না-দেয়া শ্বাস থাকে ভেতরে ঢুকলেই। আমার খালাতো ভাই রিজভী একদিন হঠাৎ বলল, “চল লাইব্রেরিতে যাই, ভূগোলের পুরনো ম্যাপ বই খুঁজে আনি।” আমরা দুই ভাই হাঁটতে হাঁটতে লাইব্রেরিতে ঢুকলাম। বিকেলের শেষ আলো তখন জানালার ফাঁক দিয়ে ধুলোর ভেতর ফোঁটা ফোঁটা পড়ছে। বইয়ের তাকগুলো দেখে মনে হয়, শত বছর ধরে কেউ স্পর্শ করেনি। তখনই একটা তাকের কোণায় চোখে পড়ল একটা মোটা বই। কালো চামড়ার মলাট, ধূলিতে ঢেকে যাওয়া, কিন্তু তার উপর সাদা রঙে লেখা — “১৩” কোনো লেখক নেই, প্রকাশকের নাম নেই, এমনকি বইয়ের নামটুকুও না। রিজভী বলল, “এইটা তো একদম সিনেমার মতন। একটা বই, নাম নাই, লেখা নাই, শুধু একটা নম্বর।” আমি বললাম, “তাকের উপরে তো লেখা আছে—‘এই বই বাইরে নেয়া নিষিদ্ধ।’” সে হেসে বলল, “আরে ভাই, পুরনো পাগলের লেখা। দেখি তো কী আছে!” বইটা লাইব্রেরি থেকে নিয়ে আসা হলো আমাদের বাড়ির পিছনের পুরোনো টিনের ঘরে। আমরা তিনজন — আমি, রিজভী আর আমাদের ছোট মামা — বইটা নিয়ে বসলাম। প্রথম পাতায় ছিল আরবি হরফে কিছু লেখা—কিন্তু সেটা কোনো দোয়া-কালাম মনে হচ্ছিল না। পাশের পাতাগুলোতে আঁকা ছিল বিকৃত মুখের ছবি, উল্টো চোখ, খুলি, পচা দাঁতের রেখাচিত্র, আর কিছু কালো প্রতিমা-সদৃশ জিনিস যাদের মানুষও বলা যায় না। একটা পাতায় লেখা ছিল: “এই বইয়ের ১৩টি পৃষ্ঠা খোলা মানে ১৩টি ঘুমন্ত আত্মাকে জাগানো। যে একবার পঞ্চম পাতায় পৌঁছায়, তার ঘুম আর কোনোদিন হয় না।” আমরা তখনো হেসেছি। অন্ধবিশ্বাস বলে উড়িয়ে দিয়েছি। কিন্তু রাত নামার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয় অদ্ভুত ঘটনা। রিজভী হঠাৎ চিৎকার করে উঠল। আমরা গিয়ে দেখি, ও বিছানায় পড়ে গিয়ে ফিসফিস করে কাঁদছে—“ও বলছে… চোখে তাকাতে নিষেধ ছিল… আমি দেখছি… আমার ভুল হয়েছে…” তার গা গরম হয়ে গেল, শরীর লালচে, ঠোঁট কাঁপছে। গ্রামের ডাক্তার এল, কিন্তু সে শুধু বলল, “এ জ্বর না… ভয় পেয়েছে ছেলেটা।” আমাদের মাথায় তখনো সেভাবে কিছু আসে নাই। পরদিন সকালে বইটা ওর বিছানার পায়ের কাছে পড়ে ছিল—আমরা তো আগের রাতে জানালার পাশে রেখে এসেছিলাম! তৃতীয় দিন দুপুরে আমার মা এসে বললেন, “এই বইটা কেমন জানি অশুভ লাগছে, কোরআন শরীফ নিয়ে বসি।” মা সূরা ফালাক পড়ে বইটির উপর ফুঁ দিতে না দিতেই বইটা দাউ দাউ করে আগুনে জ্বলে উঠল। আমরা আঁতকে উঠি। পানি ঢাললাম, কিন্তু আগুন নিভলো না। জ্বলার পরে দেখি, বইটার পাতাগুলো ছাই হয়ে যায়নি। শুধু চামড়ার মলাট একটু পোড়েছে। বাকিটা অক্ষত। আমার নানা জীবিত থাকতে একটা কথা বলতেন — “লাইব্রেরির শেষ তাকের ‘অনার্থ’ বই কেউ খুলবে না। সেটা পড়া মানে নিজের সত্তা অন্য কারো হাতে তুলে দেয়া।” তখন বুঝিনি কথার মানে। আমরা বাধ্য হয়ে গ্রামের একজন হুজুরকে ডাকি। তিনি এসে বইটা দেখে কিছুক্ষণ নীরব থাকেন। তারপর তিনি বললেন: “এইটা মানুষের বই না। এইটা ‘সুলায়মানী কুফুরি বংশের’ খাতা। প্রতিটি পৃষ্ঠা একটা আত্মাকে জাগায়। ১৩ নম্বর মানে পুরো ১৩টি আত্মার শেষ একত্র ফর্ম—একটা গনশক্তি, যেটা মানুষের শরীর দখল করতে পারে।” আমরা তাকে জিজ্ঞেস করলাম, “এটা নষ্ট করা যাবে না?” তিনি বললেন, “না। এই ধরনের বই আগুনে পুড়ে না, পানিতে ডোবে না, শুধু সিল করা যায়। এবং সিল করতে হলে নির্দিষ্ট সময় ও স্থানে তা করা দরকার।” আমরা তখন তার পরামর্শে, লাল কাপড়ে মুড়িয়ে বইটি সেই লাইব্রেরির পিছনের বটগাছের গোড়ায় পুঁতে ফেলি, তার আগে কয়েকটি বিশেষ দোয়া পড়ে। তবে ঘটনা এখানেই শেষ হয়নি। তার পর থেকে প্রতি বছর ১৩ জুলাই, রাত ১:১৩ মিনিটে ঠিক জানালার নিচে একটা অদ্ভুত ছায়ামূখ দাঁড়িয়ে থাকে। মা একদিন শুধু এক ঝলক দেখেছিলেন—একটা মুখ, যেটার চোখ নেই, কিন্তু গভীর খালি কোটরে কাঁদছে। আরও ভয়াবহ কথা হচ্ছে — রিজভী এখনো স্বপ্নে সেই বই দেখতে পায়। ওর বিছানার নিচে মাঝে মাঝে পাতাগুলো ছড়িয়ে পড়ে। যখনই পাতাগুলো একত্র হয়, ওর শরীরে চামড়ার নিচে লেখা গুলি ফুটে ওঠে—সাদা রঙে, উল্টো অক্ষরে। গতবছর আমরা আবার একজন পীর সাহেব ডেকে এনেছিলাম। তিনি বলেছিলেন— “বইটা এখনো পাঁজরের নিচে ঘুমিয়ে আছে। কেউ যদি আবার ১৩টি পৃষ্ঠা পড়ে ফেলে, সেই আত্মারা আবার মুক্তি পাবে। এবং এবার আর কিছুই থামাতে পারবে না।” আমরা এখন সেই লাইব্রেরির দিকে তাকাই না। সেই বটগাছের নিচে কেউ বসে না। তবে আজও প্রতিটি বাতাসে কেমন যেন পাতার উল্টানোর শব্দ পাওয়া যায়… এটা কোনো গল্প না। আমার পরিবার আজও এই ঘটনার ছায়া বয়ে বেড়াচ্ছে। ১৩ নম্বর বই হয়তো আজও কারো ঘরে যেতে চায়, কোনো নতুন পাঠক খুঁজছে… যে আবার খুলে ফেলবে পঞ্চম পৃষ্ঠা… এইবারের মতো এখানেই শেষ করলাম। দয়া করে ১৩ সংখ্যাটিকে হালকা ভাবে নিবেন না। কিছু সংখ্যার পেছনে ইতিহাস না থাকলেও, কুফুরি ছায়া ঠিকই লুকিয়ে থাকে। শেষ।

 ⛔নির্জন লাইব্রেরির ১৩ নম্বর বই⛔

(✍️একটি ভয়ঙ্কর, কুফুরি, বাস্তবধর্মী অভিজ্ঞতা✍️)


আসসালামু আলাইকুম,


আমি আপনাদের ভুতের কাহিনী পেইজের একজন নিয়মিত ফলোয়ার। আমরা সব সময় আপনাদের পেজের গল্পগুলো পড়ে থাকি। সত্যি বলতে, আপনাদের গল্পগুলো পড়তে খুবই ভালো লাগে। অনেকদিন ধরেই ভাবছিলাম একটা সত্যিকারের ঘটনা শেয়ার করব, যেটা আমাদের পরিবারের সঙ্গে ঘটেছিল।

আজ সেই ঘটনার ভার নিয়ে লিখতে বসেছি।

এই ঘটনা কল্পনা নয়, কাকতালীয়ও নয়—এটা একটি বইয়ের অভিশপ্ত প্রভাব, যা আমাদের পরিবারে এখনো রয়ে গেছে।


ঘটনাটা ২০১৪ সালের জুন মাসের।

আমি তখন এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছি। শহরের হট্টগোল আর চাপ থেকে একটু দূরে পড়ার সুবিধার জন্য আমরা গ্রামের বাড়ি গিয়েছিলাম—পাবনার আটঘরিয়া থানার একটা ছোট্ট গ্রাম, নাম বিলচাপড়া।


আমার নানা ছিলেন একসময় স্কুল শিক্ষক, তাঁর রেখে যাওয়া পুরনো লাইব্রেরি এখনো আছে গ্রামের বাজারের পাশে।

লাইব্রেরিটার নাম সিরাজ মেমোরিয়াল পাঠাগার—একটা কাঠের পুরনো ঘর, দুঃখে-চাপা চেহারা, জানালায় মরিচা ধরা শিক। বাইরের একপাশে বিশাল একটা বটগাছ, যার নিচে কিশোর বয়সে খেলতাম।


লাইব্রেরিটার অন্দরমহল নিঃসঙ্গ, কেমন যেন একটা সাড়া না-দেয়া শ্বাস থাকে ভেতরে ঢুকলেই। আমার খালাতো ভাই রিজভী একদিন হঠাৎ বলল,

“চল লাইব্রেরিতে যাই, ভূগোলের পুরনো ম্যাপ বই খুঁজে আনি।”

আমরা দুই ভাই হাঁটতে হাঁটতে লাইব্রেরিতে ঢুকলাম। বিকেলের শেষ আলো তখন জানালার ফাঁক দিয়ে ধুলোর ভেতর ফোঁটা ফোঁটা পড়ছে।

বইয়ের তাকগুলো দেখে মনে হয়, শত বছর ধরে কেউ স্পর্শ করেনি।


তখনই একটা তাকের কোণায় চোখে পড়ল একটা মোটা বই। কালো চামড়ার মলাট, ধূলিতে ঢেকে যাওয়া, কিন্তু তার উপর সাদা রঙে লেখা —

“১৩”


কোনো লেখক নেই, প্রকাশকের নাম নেই, এমনকি বইয়ের নামটুকুও না।

রিজভী বলল,

“এইটা তো একদম সিনেমার মতন। একটা বই, নাম নাই, লেখা নাই, শুধু একটা নম্বর।”

আমি বললাম, “তাকের উপরে তো লেখা আছে—‘এই বই বাইরে নেয়া নিষিদ্ধ।’”

সে হেসে বলল, “আরে ভাই, পুরনো পাগলের লেখা। দেখি তো কী আছে!”


বইটা লাইব্রেরি থেকে নিয়ে আসা হলো আমাদের বাড়ির পিছনের পুরোনো টিনের ঘরে। আমরা তিনজন — আমি, রিজভী আর আমাদের ছোট মামা — বইটা নিয়ে বসলাম।

প্রথম পাতায় ছিল আরবি হরফে কিছু লেখা—কিন্তু সেটা কোনো দোয়া-কালাম মনে হচ্ছিল না।

পাশের পাতাগুলোতে আঁকা ছিল বিকৃত মুখের ছবি, উল্টো চোখ, খুলি, পচা দাঁতের রেখাচিত্র, আর কিছু কালো প্রতিমা-সদৃশ জিনিস যাদের মানুষও বলা যায় না।


একটা পাতায় লেখা ছিল:

“এই বইয়ের ১৩টি পৃষ্ঠা খোলা মানে ১৩টি ঘুমন্ত আত্মাকে জাগানো।

যে একবার পঞ্চম পাতায় পৌঁছায়, তার ঘুম আর কোনোদিন হয় না।”


আমরা তখনো হেসেছি। অন্ধবিশ্বাস বলে উড়িয়ে দিয়েছি।


কিন্তু রাত নামার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয় অদ্ভুত ঘটনা।

রিজভী হঠাৎ চিৎকার করে উঠল।

আমরা গিয়ে দেখি, ও বিছানায় পড়ে গিয়ে ফিসফিস করে কাঁদছে—“ও বলছে… চোখে তাকাতে নিষেধ ছিল… আমি দেখছি… আমার ভুল হয়েছে…”


তার গা গরম হয়ে গেল, শরীর লালচে, ঠোঁট কাঁপছে।

গ্রামের ডাক্তার এল, কিন্তু সে শুধু বলল, “এ জ্বর না… ভয় পেয়েছে ছেলেটা।”

আমাদের মাথায় তখনো সেভাবে কিছু আসে নাই।

পরদিন সকালে বইটা ওর বিছানার পায়ের কাছে পড়ে ছিল—আমরা তো আগের রাতে জানালার পাশে রেখে এসেছিলাম!


তৃতীয় দিন দুপুরে আমার মা এসে বললেন,

“এই বইটা কেমন জানি অশুভ লাগছে, কোরআন শরীফ নিয়ে বসি।”

মা সূরা ফালাক পড়ে বইটির উপর ফুঁ দিতে না দিতেই বইটা দাউ দাউ করে আগুনে জ্বলে উঠল।

আমরা আঁতকে উঠি। পানি ঢাললাম, কিন্তু আগুন নিভলো না।


জ্বলার পরে দেখি, বইটার পাতাগুলো ছাই হয়ে যায়নি। শুধু চামড়ার মলাট একটু পোড়েছে। বাকিটা অক্ষত।


আমার নানা জীবিত থাকতে একটা কথা বলতেন —

“লাইব্রেরির শেষ তাকের ‘অনার্থ’ বই কেউ খুলবে না। সেটা পড়া মানে নিজের সত্তা অন্য কারো হাতে তুলে দেয়া।”

তখন বুঝিনি কথার মানে।


আমরা বাধ্য হয়ে গ্রামের একজন হুজুরকে ডাকি। তিনি এসে বইটা দেখে কিছুক্ষণ নীরব থাকেন।

তারপর তিনি বললেন:

“এইটা মানুষের বই না। এইটা ‘সুলায়মানী কুফুরি বংশের’ খাতা। প্রতিটি পৃষ্ঠা একটা আত্মাকে জাগায়।

১৩ নম্বর মানে পুরো ১৩টি আত্মার শেষ একত্র ফর্ম—একটা গনশক্তি, যেটা মানুষের শরীর দখল করতে পারে।”


আমরা তাকে জিজ্ঞেস করলাম, “এটা নষ্ট করা যাবে না?”

তিনি বললেন, “না। এই ধরনের বই আগুনে পুড়ে না, পানিতে ডোবে না, শুধু সিল করা যায়। এবং সিল করতে হলে নির্দিষ্ট সময় ও স্থানে তা করা দরকার।”


আমরা তখন তার পরামর্শে, লাল কাপড়ে মুড়িয়ে বইটি সেই লাইব্রেরির পিছনের বটগাছের গোড়ায় পুঁতে ফেলি, তার আগে কয়েকটি বিশেষ দোয়া পড়ে।


তবে ঘটনা এখানেই শেষ হয়নি।


তার পর থেকে প্রতি বছর ১৩ জুলাই, রাত ১:১৩ মিনিটে ঠিক জানালার নিচে একটা অদ্ভুত ছায়ামূখ দাঁড়িয়ে থাকে।

মা একদিন শুধু এক ঝলক দেখেছিলেন—একটা মুখ, যেটার চোখ নেই, কিন্তু গভীর খালি কোটরে কাঁদছে।


আরও ভয়াবহ কথা হচ্ছে — রিজভী এখনো স্বপ্নে সেই বই দেখতে পায়। ওর বিছানার নিচে মাঝে মাঝে পাতাগুলো ছড়িয়ে পড়ে।

যখনই পাতাগুলো একত্র হয়, ওর শরীরে চামড়ার নিচে লেখা গুলি ফুটে ওঠে—সাদা রঙে, উল্টো অক্ষরে।


গতবছর আমরা আবার একজন পীর সাহেব ডেকে এনেছিলাম। তিনি বলেছিলেন—

“বইটা এখনো পাঁজরের নিচে ঘুমিয়ে আছে। কেউ যদি আবার ১৩টি পৃষ্ঠা পড়ে ফেলে, সেই আত্মারা আবার মুক্তি পাবে। এবং এবার আর কিছুই থামাতে পারবে না।”


আমরা এখন সেই লাইব্রেরির দিকে তাকাই না।

সেই বটগাছের নিচে কেউ বসে না।

তবে আজও প্রতিটি বাতাসে কেমন যেন পাতার উল্টানোর শব্দ পাওয়া যায়…


এটা কোনো গল্প না।

আমার পরিবার আজও এই ঘটনার ছায়া বয়ে বেড়াচ্ছে।

১৩ নম্বর বই হয়তো আজও কারো ঘরে যেতে চায়, কোনো নতুন পাঠক খুঁজছে… যে আবার খুলে ফেলবে পঞ্চম পৃষ্ঠা…


এইবারের মতো এখানেই শেষ করলাম।

দয়া করে ১৩ সংখ্যাটিকে হালকা ভাবে নিবেন না।

কিছু সংখ্যার পেছনে ইতিহাস না থাকলেও,

কুফুরি ছায়া ঠিকই লুকিয়ে থাকে।


শেষ।

তিনি ছিলেন বিলাসী জমিদার।

 তিনি ছিলেন বিলাসী জমিদার। বড় ভাই ও বাবার মৃত্যুর পর অল্প বয়সেই ৬ লাখ বিঘা জমির বিশাল এলাকার জমিদারির দায়িত্ব ন্যস্ত হয় তাঁর উপর। কিন্তু উত্তরাধিকার সূত্রে এত ভূসম্পত্তির মালিক হয়ে চরম ভোগবিলাসে মত্ত হয়ে পড়েন তিনি। 


নারীর প্রতি ছিল প্রবল টান। নিজেই লিখেন, “সর্বলোকে বলে হাছন রাজা লম্পটিয়া”।   একদিন চোখে পড়ল দিলারাম নামের সুন্দরী এক হিন্দু যুবতী। রূপে মুগ্ধ হয়ে বিলিয়ে দিলেন নিজের গলার সোনার চেইন। সুদর্শন জমিদারের অমূল্য উপহার পেয়ে দিলারামও তাঁকে হৃদয় বেদিতে পূজার আসনে বসালেন। প্রেমে মজে হাছন রাজা লিখলেন, 


'ধর দিলারাম, ধর দিলারাম, ধর দিলারাম, ধর। 

হাছন রাজারে বান্ধিয়া রাখ, দিলারাম তোর ঘর!'


কিন্তু পারিবারিক আভিজাত্য ও বংশগৌরবের কথা ভেবে যুবক জমিদারের মা দিলারামকে গ্রামছাড়া করলেন। 

মায়ের উপর রাগ করে হাছন রাজা নারী আসক্তি আরও বাড়িয়ে দেন। 


বাইজি আর আকণ্ঠ শরাবে ডুবে গেলেন। প্রতি বর্ষায় নৌকার বহর নিয়ে চলে যেতেন হাওরে। থাকতো নাচ-গানের ব্যবস্থা। এরপর লখনৌ থেকে আসা সুন্দরী বাইজি পিয়ারির প্রেমে পড়েন। পিয়ারির রূপে মুগ্ধ হয়ে লিখেন, 

'নেশা লাগিল রে। বাঁকা দুই নয়নে নেশা লাগিল রে। হাছন রাজা পিয়ারির প্রেমে মজিলোরে...'


আর এভাবেই প্রজাদের কাছ থেকে দূরে সরে যান হাছন। পরিচিত হয়ে ওঠেন অত্যাচারী নিষ্ঠুর জমিদার হিসেবে।

মা দেখলেন, ছেলে যেভাবে এগোচ্ছে, পতন অনিবার্য। ছেলেকে বিকৃত পথ থেকে ফিরিয়ে আনতে একদিন বাইজির ছদ্মবেশে মা নিজেই ছেলের জলসা ঘরে গিয়ে হাজির হলেন। মায়ের পায়ে পড়লেন জমিদার হাছন। লজ্জায় ও মনোকষ্টে নারী ও নেশার পথ থেকে অনেকটাই ফিরে আসেন।এরপর আধ্যাত্নিক এক স্বপ্ন-দর্শন জীবনকে আমূল পাল্টে দেয়। শুধরাতে শুরু করলেন ভুল-ত্রুটি। 


সাধারণ হয়ে ওঠে পোশাক-আশাক ও চলাফেরা। প্রজাদের খোঁজ খবর নিতে থাকেন। মগ্ন হলেন সৃষ্টিকর্তার প্রেমে। রচনা করেন একের পর এক কালোত্তীর্ণ গানঃ 


‘লোকে বলে বলেরে, ঘর বাড়ি ভালা নায় আমার’, 'কানাই তুমি খেল খেলাও কেনে', 'মাটিরো পিঞ্জিরার মাঝে বন্ধী হইয়া রে', 'বাউলা কে বানাইলো রে', 'আগুন লাগাইয়া দিলো কনে', 'সোনা বন্দে আমারে দেওয়ানা বাইনালে' সহ অসংখ্যা বিখ্যাত গান।  


ছেড়ে দেন জীব হত্যাও। গানে প্রকাশ পেতে থাকে অতীতের ভুলগুলো। লিখেন, 'একদিন তোর হইবোরে মরণ'!

তাঁকে বৈরাগ্য পেয়ে বসে। বাউল হয়ে উদাসীন হয়ে যান বিষয়-সম্পত্তি নিয়ে। সম্পত্তি বিলিবণ্টন করে পুরোপুরি দরবেশ-জীবন যাপন শুরু করেন। প্রতিষ্ঠা করেন হাছন এম. ই. হাই স্কুল, অনেক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও আখড়া। 

হাছনকে বাউলা কে বানিয়েছে, সে কথা সরাসরি লিখে না গেলেও অদৃশ্য নিয়ন্ত্রকের হাতে বাঁধা ঘুড়ির কথা বলেছেন তিনি। আসলে হাছন রাজা ছিলেন অতি সুদর্শন। লম্বা দেহ, সূচালো খাড়া নাক, জ্যোতির্ময় পিঙ্গলা চোখ এবং ঘন চুলের কারণে অনেকের মধ্যেই তাকে আলাদা করে চোখে পড়তো। তাঁর এই অপূর্ব দৈহিক গঠন চরম আকর্ষিত করতো নারীদের।

নিজেকে শক্ত করে গড়ে নিন,, এই স্বার্থপর দুনিয়াতে খারাপ পরিস্থিতিতে তোমার পাশে কেউ থাকবে না.....!!

 ⭕ বুড়ি মরে গেল।

বুড়োটা ভাঁজ হয়ে থাকা চামড়ার মাঝে ছোট্ট বসে যাওয়া চোখখানা দিয়ে দেখলো...

কিছু জল চোখের কোণ থেকে ঝরে পড়লো...


'লোক দেখানো শোক'

চললো কিছুদিন, তারপর যেন এক নাটকের সমাপ্তি ঘটলো...


তার ব্যবহৃত শাড়ি নিয়ে মেয়েদের ভাগাভাগি চললো। কেউ বালিশের কভার বানাবে, কেউ বিছানার চাদর হিসেবে ব্যবহার করবে, কেউ কানের দুল নেবে, কেউ বালাজোড়া......


যার যার নিজের সংসারে যেন একটা বোঝা নেমে গেল...


বুড়ো একা বসে বসে দেখে তাদের কান্ডকারখানা...


মনের বাজারে স্মৃতির দর'কষাকষি করতে করতে সেটাও একসময় বিক্রি হয়ে যায় মস্তিকের কোন এক ফাঁক ফোকরে...


যে যার কাজে ব্যস্ত হয়ে যায়, বুড়ো একা হয়ে পড়ে, হাতের লাঠিখানায় ভর করে এদিক সেদিক পায়চারী করে...


সেদিন ছোট নাতনী এসে বলে গেল "দাদু দাদু, তুমি মরে গেলে কিন্ত এই লাঠিখানা আমার, আমি খেলবো.!"


এদিক থেকে বৌমা দৌড়ে আসে "দাঁড়া, তোকে আজ মেরে ফেলবো। এসব কথা বলতে নেই, বলেছি না.?


বুড়ো হাসে...

যে বৌমার এমন শাসন সেও গোপনে প্রতিবেশির কাছে গল্প করে বুড়োটার খালি কষ্ট, মরে গেলেই বাঁচে...


সেদিন নাতি তার বন্ধুদের নিয়ে তার ছোট ঘরে আড্ডা দিচ্ছে আর বলছে "দাদুর অবস্থাও বেশি ভাল না। কিছুদিনের মধ্যে উইকেট পড়ে যেতে পারে। তখন ওই ঘর আমার, তখন জমিয়ে আড্ডা হবে.!"


বুড়ো শুধু আকাশের দিকে তাকিয়ে দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে...


দুই ছেলের মাঝে তো প্রায়দিন ঝগড়া লেগেই থাকে,

বুড়ো কার কাছে ক'দিন খাবে এই  নিয়ে...


বুড়োটা আজ কারো বাবা নয়, আজ কারো শ্বশুর নয়, কারো দাদুও নয়,

সে আজ শুধুই এক বোঝা...


আজ বুড়োর জন্মদিন। গত বছর বুড়িটা বেঁচে ছিল, তাও একটু পায়েশ রেঁধে খাইয়েছিলো...

আজ সারাটা দিন গেল, কেউ কিছুই বললো না...


কিই বা বলবে.! যার মৃত্যুর জন্য সকলে মুখিয়ে আছে, কি বা দরকার তাকে সেই জন্মের কথা মনে করিয়ে দেওয়ার.!


অথচ কিছুদিন আগে কত লোক খাইয়ে নাতনীর জন্মদিন পালন করা হলো...


বুড়োর  হিসেব টা জমা পড়ে আছে, কারণ তার মৃত্যুর পরেও তো অনেক মানুষকে খাওয়াতে হবে...


সেখানেও দুই ভাইয়ের ঝগড়া হবে খরচ করা নিয়ে...


বুড়িটার বেলা তে তো তাই হয়েছিল...


বুড়ো ভাবে, কিসের এ জীবন.? কাদের জন্য এতকিছু.!


বুড়ো চশমাটা চোখ থেকে নামিয়ে একটু মুছে নেয়। কেমন যেন ঝাপসা হয়ে যাচ্ছে... 


আকাশের দিকে তাকিয়ে বুড়ো একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়লো,

মনে মনে এটাই বললো "পৃথিবীর সমগ্র বাবা যেন বাবা হয়েই বাঁচে, বোঝা হয়ে নয়...!"


নিজেকে শক্ত করে গড়ে নিন,, এই স্বার্থপর দুনিয়াতে খারাপ পরিস্থিতিতে তোমার পাশে কেউ থাকবে না.....!!

# collected

বলেন দেখি, ইউটিউব, ফেসবুক, টিকটক আসলে কীসের ব্যবসা করে?

 বলেন দেখি, ইউটিউব, ফেসবুক, টিকটক আসলে কীসের ব্যবসা করে?


ধরেন, ইউটিউব। ওরা ভিডিও বানায়? 

- না।


তো কী করে?

উত্তর হলো, ওরা ভিডিও রাখার জন্য একটা ওয়েবসাইট রেখে দিয়েছে। সেখানে আপনি-আমি ভিডিও আপলোড দিই। সবাই দেখে। এটাই ওদের বিজনেস।


এবার বলেন, ভিডিওগুলো কোথায় থাকে?

- ওয়েবসাইটে? 

- না। তাহলে কোথায় থাকে?


- সহজ করে বলি, ধরেন আপনার অফিসের পাঁচটা কম্পিউটার। একটাতে কিছু তথ্য রেখে, বাকিগুলোতে একটা লোকাল কানেকশন দিয়ে দিলেন। হয়ে গেল, সবগুলো কম্পিউটার থেকে এবার আপনি ঐ তথ্য দেখতে পাবেন। 


ইউটিউব, ফেসবুক ঠিক এই কাজটাই করে। আপনার - আমার আপলোড করা সকল তথ্য, ছবি, ভিডিও ওরা এরকম কোন কম্পিউটার মেমোরিতে রেখে দেয়। এরপর এটা ওয়েবে লিংক করে দেয়। আপনার অফিসের পাঁচটা কম্পিউটারের মতো এখানে কোটি কোটি মোবাইল -কম্পিউটার কানেক্টেড হয়। এরপর সবাই নিজ নিজ মোবাইল -কম্পিউটার থেকে তথ্য -ছবি-ভিডিও দেখে, কাজ করে। এটাই সবকিছু।


তাহলে ইউটিউব -ফেসবুক মূলত একটা বা কয়েকটি বড় মেমোরি কার্ড 🙂


আসলেই তাই। কোটি কোটি ট্রিলিয়ন গিগাবাইট বা জিবির মেমোরি কার্ড। সাথে কিছু সিস্টেম বা প্রটোকল বা নিয়ম। 


নিচের ছবিটি বিশ্বের প্রথম দিকের মেমোরি কার্ড। ১৯৫৬ সালে আইবিএম এটি তৈরি করে। এর ধারণক্ষমতা ছিল ৫ মেগাবাইট বা ৫ এমবি (এখন আপনি পকেটে নিয়ে ঘুরেন ৫ টেরাবাইট বা আরো বেশি 😄)


যাইহোক, এই মেমোরিকার্ড তথ্য প্রযুক্তির এক মহা উদ্ভাবন। স্টোরেজ করার ক্ষমতা ই প্রযুক্তিকে করেছে আকর্ষণীয়, সহজলভ্য।


হ্যাপি লার্নিং 🙂


#jonayedhossain #Bangladesh

জীবনকে বদলে দেয়ার মত অনেক গল্পই আপনি শুনবেন কিন্তু...

 জীবনকে বদলে দেয়ার মত অনেক গল্পই আপনি শুনবেন কিন্তু...


রাজা না খেয়ে মরে গেলে ও কখনো ভিক্ষা করে না 

ঈগল পাখি কখনো মরা প্রাণী'র মাংস খায় না 

কারন কি জানেন? এটা তাদের আত্মসন্মানবোধ বা ইগো অথবা বলা যায় 'স্ট্রং মেন্টালিটি ' 


মেন্টালি স্ট্রং হতে চাইলে অযাচিত আগ্রহ কমিয়ে দিন।মেপে কথা বলুন ও চলুন। কেউ যদি বলে 'বেশি কথা বলে, তবে তার সাথে কথা বলা কমিয়ে দিন। 

যখন বুঝবেন আপনার সব অভিযোগ আপনার বিপরীতেই যাবে, আপনার কথা অন্যের কাছে কেবলমাত্র শব্দ দূষণ তখন শুধু শুনুন। বলতে চাইবেন না। কথা বলতে চাওয়া , দেখা করতে চাওয়ার যে তেষ্টা, তা একবার পার করে ফেললেই জীবনটা অনেক অন্যরকম হয়ে যায়। ভয়ঙ্কর কথা বলার ইচ্ছেরা গলাকে আঁকড়ে ধরে না।


একসাথে পথ চলার ইচ্ছের দায় যে আপনার একার নয় এটা বুঝে গেলেই ঘ্যানঘেনে ভাবটা চলে যাবে।


 "তাকে ভালোবাসি কিন্ত একসাথে যাপন চাই না" কারো প্রতি এইরকমভাবে আগ্রহ চলে যাবার মতো কঠিন আর কিছু নেই। আগ্রহ চলে গেলেই..."হলেই হলো" এমন একটা ভাব নিয়ে দিব্য ঘুরে বেড়ানো যায়। কে কি বলল, কে কি ভাবলো এগুলো নিয়ে বিরাট রকমের মাথাব্যথা আর হয় না। মনে হয়, যে যেটা জানে জানুক, সমস্যা নেই। কেউ আমার লাইফটা লিড করছে না। 


অন্যের কাছে গুড ভাইভস্ বজায় রাখার জন্য মানুষ অনেক কিছু হারিয়ে ফেলে। এমনকি গুড ভাইভস্ বজায় রাখতে রাখতে অনেকে মাঝবয়সে এসে জীবন অবধি হারিয়ে ফেলে।

আর যারা জীবন হারায়নি, তারা নিজেকে গুছিয়ে নেবার অদম্য প্রয়াস করতে করতে হাঁপিয়ে গিয়েও হাল ছাড়েনা। 


নিজের মধ্যে প্রচন্ড পজিটিভিটি আনতে আনতে একটা সময় টের পাবেন আপনার চারপাশটা নেগেটিভিটিতে ভরে গেছে। পজেটিভ মানুষ যেমন দেখতে সুন্দর তেমনই তার স্ট্রাগেল বেশি।

"অনুভূতি দিয়ে কিছু হয় না। মনের ভাব প্রকাশের জন্য শব্দ প্রয়োজন, বাক্য প্রয়োজন।" ছোটোবেলার পড়া এই সহজ ব্যাকরণ টা এইবারে আয়ত্ব করে নিন। 🤔ঝগড়াঝাটির স্কিলটা নিজে থেকেই কমিয়ে দিন। শব্দ-বাক্যের ঘনঘটা কমে আসলে মন খারাপগুলো থিঁতিয়ে যায়।


নিজের কাছে পরাজিত হয়ে আবার উঠে দাঁড়াতে পারলে দেখবেন এই উঠে দাঁড়ানোটা ভয়ঙ্কর শক্ত ।  এর মধ্যে ছিঁটেফোঁটা বাড়তি ইমোশন থাকবে না।


যেখানে আপনি গুরুত্ব পাচ্ছেন না সেখান থেকে চুপচাপ সরে আসুন। ঈগলের মতো সাহস করে সম্পর্কের সুতো গুলো এক এক করে নিজেই ছিঁড়ে ফেলুন। কোনো মেকি বাঁধন রাখবেন না। যে কাজটা করতে যাচ্ছেন তাতে সবচেয়ে বেশি..

পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন পরীক্ষার প্রশ্ন এনালাইসিস এবং সাজেশন zakari's ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন পরীক্ষার প্রশ্ন এনালাইসিস এবং সাজেশন


মোট ৮০ মার্কের পরীক্ষা হয়। 

বাংল-২০

ইংরেজি-২০

সাধারণ জ্ঞান-২০

গনিত ও মানসিক দক্ষতা-২০


পরীক্ষাটি হবে লিখিত পদ্ধতিতে। ১০-২০ গ্রেডের নন-ক্যাডার পরীক্ষার মতই হবে প্রশ্ন প্যাটার্ন। সময় যেহেতু ২ ঘন্টা দিয়েছে ৮০ নম্বরের জন্য সেহেতু খুব ইলাবোরেট প্রশ্ন হবে না।


বাংলা সাজেশন:

প্রশ্ন গুলো সব এম সি কিউএর মতই হবে শুধু অপশন থাকবে না এই আর কি।


✳️ বাংলায় সন্ধি বিচ্ছেদ আসবে।

- [ ] কারক বিভক্তি নির্ণয় 

- [ ] বাক্য রূপান্তর আসতে পারে। জটিল থেকে সরল বা যৌগিক এই টাইপ।

- [ ] বানান শুদ্ধি আসবে অথবা বাক্য শুদ্ধি( বিসিএস এর মত)

- [ ] ভাব সম্প্রসারণ একটা দিতে পারে অথবা অনুচ্ছেদ ও দিতে পারে।

- [ ] এক কথায় প্রকাশ আসতে পারে

- [ ] এছাড়াও সমাস, বিপরীত শব্দ এগুলো দিতে পারে কিন্তু উপরে যেগুলো বললাম সেগুলোই দেওয়ার সম্ভাবনা বেশি।


ইংরেজি সাজেশন :


ইংরেজিতেও একটি ছোট প্যারাগ্রাফ অথবা ফোকাস রাইটিং দিবে একটুকু সিওর থাকেন।

ইম্পর্ট্যান্ট টপিক গুলো পরে দিচ্ছি।


- [ ] Voice change খুব গুরুত্বপূর্ণ। 

- [ ] Transformation of sentence দিতে পারে একাধিক। একটা sentence  দিয়ে বলবে simple, complex , affirmative , negative য়ে পরিবর্তন করুন।

- [ ] Preposition দিবে fill in the gaps টাইপ।

- [ ] Idioms বাংলা অর্থ ও বাক্য রচনা দিতে পারে অথবা ফিল ইন দ্যা গ্যাপস দিবে।

- [ ] Synonym antonym 

- [ ] Translation অবশ্যই দিবে। এক্ষেত্রে passage translation অথবা sentence translation দিতে পারে।

- [ ] Narration ও Correction দিতে পারে। Narranation দিয়ে direct to indirect change টাইপ দিবে হয়তো।

- [ ] subject verb agreement অথবা Right form of verb দিয়ে fill in the gap আসতে পারে।


ম্যাথ সাজেশন: 


- [ ] Algebra থেকে একটা প্রশ্ন থাকার চান্স অনেক বেশি।

- [ ] Interest, 

✳️profit loss, 

✅percentage , 

✅time and work, 

এই চ্যাপ্টার গুলো না দেখে পরীক্ষায় বসা যাবে না।


জিকে সাজেশন : 

এটা নিয়ে বলার তেমন কিছু নাই। ১০-৪৫ বিসিএস এর প্রিভিয়াস প্রশ্ন গুলো অবশ্যই দেখবেন। 


অবশ্যই সব প্রশ্ন গুলো লিখে আসবেন। মাথায় রাখিবেন রিটেন টা ঠিক মত দিতে পারলেই ভাইবা দিয়ে চাকরি। সো সিরিয়াসলি রিটেন দেন। English Paragraph বা বাংলা অনুচ্ছেদ এর জন্য লেখার জায়গা দিয়ে দেওয়া হবে সুতরাং আগেই ভেবে নিবেন কি কি লিখবেন। 


শুভকামনা রইলো

IFtear Shawon

অফিসার, জনতা ব্যাংক পিএলসি।

৪৪ তম বিসএস ভাইবা প্রার্থী

৪৫ ও ৪৬ লিখিত প্রার্থী

তিক্ত ইতিহাস  ফেরদৌস আহমেদ,,,,, md Fardos ahmed

 আমি আর কবিতা লিখবো না।

আমি এখন ইতিহাস লিখব, একটা যুগের ইতিহাস ,একটা জাতির ইতিহাস।


ইতিহাসের প্রথম পাতায় আমি কিছুই না লিখে ,সেখানে এক জোড়া জুতো এনে রেখে দেব।


সেই জুতো ,

যে গুলো মানুষ চুরি হয়ে যাওয়া  ভয়ে উপাসনা করার সময় উপাসনালয়ের ভিতরে নিয়ে রাখতে হয়।

পরবর্তী প্রজন্ম এগুলো দেখেই বুঝতে পারবে আমাদের চরিত্র কেমন ছিল।


আমি গ্রামের বাজারে গিয়ে দশজন গিরস্তের কাছ থেকে দশ ফোঁটা দুধ কিনে এনে রেখে দেব এখানে।

আমি জানি ,রহস্য উদঘাটনের জন্য মানুষ এগুলোকে রান্না করা শুরু করবে।

অনেকক্ষণ রান্না করার পরও যখন এখান থেকে মালাই হবে না, দই মাখন  হবে না, মানুষ তখন বুঝতে পারবে আমাদের বেচাকেনার মান কেমন ছিল, ব্যবসায়ীক নৈতিকতা কেমন ছিল।


বর্তমান সময়ের সবচেয়ে সুন্দর ও চাকচিক্যময় কিছু উপাসনালয়কে আমি রেখে দেব এর ভিতর।

ইতিহাস পাঠকরা যখন দেখবে উপাসনালয় গুলো সোনা রুপা মোড়ানো, আর উপাসনালয়ের সামনে বসে থাকা ভিক্ষুকদের কারো মুখে খাবার নেই ,কারো গায়ে  পোশাক নেই।

পাটকরা তখন আমাদের ধর্মীয় জ্ঞান এবং গোড়ামী দুটো সম্বন্ধেই পরিষ্কার ধারণা লাভ করতে পারবে।


আমি টাটকা নতুন কয়েকটা ১০০ টাকার নোট এনে ইতিহাস বইয়ের পাতার সাথে গেঁথে রেখে দেব।

এটা দেখে পাঠকরা প্রথমে কিছু বুঝতে পারবে না, ভালো করে উল্টিয়ে পাল্টিয়ে দেখার পর তারা লক্ষ্য করবে যে ,প্রতিটি টাকার এক কোনে পোড়া। তখন তারা বুঝতে পারবে এগুলো দিয়ে যুবকরা নেশা করত।


আমি হাসপাতাল থেকে ইচ্ছে করে ফেলে দেওয়া কিছু ভ্রুন, খাল, বিল, জঙ্গল থেকে ফেলে দেওয়া নবজাতকের কিছু রক্ত মাংস হাড় এনে রেখে দেব এখানে।

বইয়ের পাতা খুলতেই ওরা কান্না শুরু করে দেবে, ওরা চিৎকার করে বলবে আমরা নির্দোষ ছিলাম , আমাদেরকে অন্যায় ভাবে হত্যা করেছিল ওরা।

ওদের কথা শুনে জ্ঞানী মূর্খ সবাই আমাদের বর্বরতা সম্বন্ধে অনুমান করতে পারবে।


বন্দিসহ আস্ত একটা জেলখানা এনে আমি রেখে দেবো এর ভিতর।

মানুষেরা যখন দেখবে এর ভিতর কোন অপরাধী নেই,আছে শুধু রাজনীতির প্রতিহিংসার শিকার এবং ক্ষমতাসীনদের চক্রান্তে স্বীকার কিছু নিরপরাধ মানুষ।

তখন বুঝতে পারবে আমাদের রাজনৈতিক অবস্থা এবং বিচার ব্যবস্থা কেমন ছিল।


কোন এক সুন্দরী বধুর সুন্দর হাতে লেখা একটা প্রেমের চিঠি এনে রেখে দেবো এখানে।

চিঠির ভাষায় মানুষ আবেগ আপ্লুত হয়ে যাবে, তবে চিঠির ঠিকানা দেখার পর সবাই হতভম্ব হয়ে যাবে।

মানুষ যখন দেখবে এ চিঠি বধু তার স্বামীকে লিখেনি ,লিখেছে তার গোপন প্রেমিককে, তখন তারা আমাদের পারিবারিক অবস্থার কথা ভালোভাবে বুঝতে পারবে।


একজন পিতা আরেকজন পুত্রকে এনে রেখে দেবো এখানে আমি।

মানুষ যখন দেখবে বৃদ্ধ পিতা বৃদ্ধাশ্রমে পড়ে কাঁদছে, কিন্তু তার সম্পদশালী ছেলে তার কোন খোঁজ খবর নিচ্ছে না, তখন তারা আমাদের স্নেহপরায়ণতা ও দায়িত্বশীলতা সম্বন্ধে জানতে পারবে।


আমি বিশ্বকাপসহ বড় বড় কিছু প্রতিযোগিতার পুরস্কারের ট্রফি থেকে কিছু সোনা রুপা এনে রেখে দেবো এখানে।

ইতিহাস পাঠকরা যখন দেখবে দুনিয়া জুড়ে অসংখ্য মানুষ খাদ্য পানীয় এবং চিকিৎসার অভাবে ভুগছে, কিন্তু মানুষেরা এদিকে দৃষ্টিপাত না করে সবাই প্রতিযোগিতার ট্রফি নিয়ে কাড়াকাড়ি করছে, পাঠকরা তখন আমাদের বুদ্ধি বিবেকের জীর্ণতা ও রুগ্নতা সম্বন্ধে ধারণা করতে পারবে।


শিক্ষাগুরুর যৌন নিপীড়নের শিকার হয়ে আত্মহত্যা করা কোন এক কিশোরীর ফাঁসির দড়িটা এনে রেখে দেবো আমি। সাথে তার লেখা চিরকুটটিও থাকবে।

ইতিহাস পাঠকরা চিরকুটটি পড়ে যা বোঝার তাই বুঝবে।


রাস্তার ধারে পড়ে থাকা মা হয়ে যাওয়া পাগলিটাকেও আনবো আমি।

ইতিহাস পাঠক পাগলীর পেটে থাকা বাচ্চার বাবার সন্ধান না পেয়ে, বুঝতে পারবে সে যুগে নারীর ইজ্জত কতটা নিরাপদ ছিল।


সর্বশেষ পাতায় আমি আমার কলমটা রেখে দেবো।

মানুষেরা কলমটি হাতে নেওয়ার পর যখন এটার মধ্য থেকে কালি না পড়ে চোখের পানি পড়বে ,রক্ত পড়বে,তখন তারা বুঝতে পারবে সে যুগে সত্য কথা বলার কলম এবং কবি কোনটাই নিরাপদ ছিল না।


তিক্ত ইতিহাস 

ফেরদৌস আহমেদ

গল্প - পানির উপরে লাশ,,,,ভুতের বাড়ি ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 #গল্প - পানির উপরে লাশ


#লেখক - Mohammad ovi 


আমাদের গ্রামের বাড়ি নড়াইলে। বাস থেকে নেমে ১৫ মিনিট মেঠো পথ দিয়ে হেঁটে যেতে হয়। আমি প্রতি ১৫ দিনে একবার করে যেতাম বাড়িতে। এখন দেশের বাইরে থাকি তাই যাওয়া হয় না। আপনাদের সাথে যেদিনের কথা শেয়ার করবো তখন আমি ইন্টারে পড়তাম। ঢাকা কলেজে। কলেজ হটাত একদিন বিকালের দিকে বন্ধ দিলো কিছু রাজনৈতিক কারণে। ভাবলাম বাসায় চলে যাবো। মাকে ফোন করে জানালাম। কিন্তু সেদিন বাসায় রাতে আমাকে আনতে যাবার মতো কেউ ছিল না। তাই মা বললেন আসিস না। আমি তবু জিদ করে গেলাম।বাস থেকে নেমে হাঁটা ধরলাম বাড়ির দিকে। রাস্তা পরিষ্কার। তখন শীতের শুরু। তাই মানুষজন একদমই নেই। রাস্তায় কিছুদূর যাবার পর একটা ডোবা পড়ে। তার পাশেই এক বিশাল তাল গাছ। এখানে নাকি অনেকেই খারাপ জিনিস দেখেছে। যদিও আমার সাথে কখনো এমন কিছু ঘটে নি। এবার অনেকদিন পরে বাসায় যাচ্ছি, তাই আনন্দিত ছিলাম।ঠিক ডোবার পাশে আসার সাথে সাথে হটাত পানিতে কি যেন ঝাঁপিয়ে পড়ার আওয়াজ পেলাম। আকাশে চাঁদ ছিল। মোটামুটি ভালোই দেখা যাচ্ছিলো। সেই আলোয় দেখলাম পানিতে একটা মানব দেহ ভাসছে। সাদা কাপড় পড়া। মানে কিভাবে বুঝাব বুঝতেছি না। আসলে সেটা এক মেয়ের দেহ। শরীরে শাড়ি পড়া, কিন্তু পুরো শরীর ঢাকা না। মনে হলো কেউ মেরে হয়তো ফেলে দিয়েছে। সারা শরীরে ভয়ের একটা স্রোত বয়ে গেলো। আগেই বলেছি আমার ভুতের ভয় নেই, তবে এসব ব্যাপার এড়িয়ে চলি আমি। চারপাশে তাকিয়ে দেখলাম কেউ আছে কিনা। যেহেতু আমি এই মাত্র পানিতে এটা ফেলার আওয়াজ শুনেছি তাহলে অবশ্যই যে ফেলেছে সে আছে আশেপাশে। ডোবার পুরোটা দেখা যায় রাস্তা থেকে। অবাক হয়ে দেখলাম আশেপাশে কেউ নেই। কি করবো ভাবতেছি, এমন সময় হটাত দেখলাম সেই দেহটা টুপ করে পানিতে ডুবে গেলো। কেউ যেন নিচ থেকে টেনে নিয়ে গেলো। দেহটা ডুবল খাড়া হয়ে। যারা কুঁচ দিয়ে মাছ শিকার করেছেন তারা বুঝবেন আমি কি বুঝাতে চাচ্ছি। কুঁচ মারার পর তা যেমন সোজা পানিতে ডুবে যায় তেমন। দেহটা ভাসতে ভাসতে হটাত পানির উপর প্রায় দাঁড়িয়ে পড়লো। এরপর আস্তে আস্তে ডুবে গেলো।আমার মাথা ঘুরাচ্ছিল। আল্লাহর নাম নিয়ে চিৎকার করতে করতে এক দৌড়ে বাসার দিকে যেতে লাগলাম। জানি না সেদিন কিভাবে বাসায় পৌঁছে ছিলাম। আধুনিক ছেলে হয়ে এমন অদ্ভুত ব্যাপার বিশ্বাস করার কিছু নেই। কিন্তু এরপরেও আমার সাথে খুব ভয়ানক কিছু ব্যাপার ঘটে। যাতে আমি বিশ্বাস করতে বাধ্য হই যে এরা আছে। অবশ্যই আছে।


(সমাপ্ত)

গার্মেন্টসে চাকুরি পাওয়া আগের মত সহজ নেই। এখানে অনেক কিছু বিবেচনা করে চাকুরিতে নিয়োগ দেয়া হয়। 

 গার্মেন্টসে চাকুরি পাওয়া আগের মত সহজ নেই। এখানে অনেক কিছু বিবেচনা করে চাকুরিতে নিয়োগ দেয়া হয়। 


কোয়ালিটি কন্ট্রোলার সম্পর্কিত কিছু প্রশ্ন এবং উত্তরঃ- 


প্রশ্ন-১. কোয়ালিটি ইন্সপেক্টর(QI) কি? 

উত্তর : কোয়ালিটি শব্দের অর্থ গুণ বা মান এবং ইন্সপেক্টর শব্দের অর্থ পরিদর্শক অর্থাৎ কোয়ালিটি ইনস্পেক্টর(QI) অর্থ হল মান পরিদর্শক। 


প্রশ্ন-২. গার্মেন্টস (Garments) অর্থ কি ? 

উত্তর : গার্মেন্টস অর্থ হল পোশাক। 


প্রশ্ন-৩. AQL এর পূর্ণরূপ কি? 

উত্তর : AQL এর পূর্ণরূপ হল Acceptable Quality Lebel অর্থাৎ গুণগত মানের গ্রহণযোগ্য অবস্থা। 


প্রশ্ন-৪. DTM এর Full Meaning কি? 

উত্তর : DTM এর Full Meaning হল– Dying to Match অর্থাৎ রঙের সাথে মিল থাকা। 


প্রশ্ন-.৫ HPS এর Full Meaning কি?

উত্তর : High Point Shoulder. 


প্রশ্ন-৬. এসপিআই (SPI) কি?

উত্তর : এসপিআই (SPI) হল Stitch Per Inchi (এক ইঞ্চিতে কয়টি সেলাই)। 


প্রশ্ন-৭. CB এর Full Meaning কি?

উত্তর : Centre Back 


প্রশ্ন-৮. GTM(জিটিএম) এর Full Meaning কি?

উত্তর : GTM(জিটিএম) এর Full Meaning হচ্ছে Garments Total Management (গার্মেন্টস মোট ব্যবস্থাপনা)। 


প্রশ্ন-৯. LPS এর Full Meaning কি?

উত্তর : LPS এর Full Meaning হল Low Point shoulder. 


প্রশ্ন-১০. ডিফেক্ট বা অল্টার কত প্রকার?

উত্তর : ডিফেক্ট বা অল্টার তিন প্রকার। যথাঃ (১). Major Problem (২). Minor Problem (৩). Critical Problem 


গার্মেন্টস কোয়ালিটি ইন্টারভিউ প্রশ্ন । গার্মেন্টস কোয়ালিটি বিভাগে চাকরি নিতে গেলে ইন্টারভিউতে যেইসব প্রশ্ন করা হয়ে থাকে নিছে আরও কিছু প্রশ্ন দেওয়া হল। 


প্রশ্ন-১১. ব্রকেন স্টিচ কি?

উত্তর : দুইটি বন্ধনী জোড়া দেওয়াই হচ্ছে সেলাই । আর এই সেলাই এর কোন একটি স্টিচ কেটে গেলে তাকে বলা হয় ব্রকেন স্টিচ। 


প্রশ্ন-১২. স্কিপ স্টিচ(skip stich) কি?

উত্তর : সেলাইকৃত নিচের সুতা যদি উপর এর সুতাকে না ধরতে পারে এক্ষেত্রে তাকে বলা হয় স্কিপ স্টিচ(skip stich)। 


প্রশ্ন-১৩. প্লিট কি?

উত্তর : সেলাইকৃত বস্তুতে সেলাই এর সময় কুঁচি পড়লে তাকে বলা হয় প্লিট। 


প্রশ্ন-১৪. ওপেন স্টিচ(open stich) কি?

উত্তর : সেলাই এর সময় কিছু জায়গায় সেলাই এরিয়ে গেলে বা সেলাই না হলে তাকে বলা হয় ওপেন স্টিচ(open stich)। 


প্রশ্ন-১৫. একটি ইঞ্চি টেপে কত(সেঃমিঃ) cm থাকে?

উত্তর : একটি ইঞ্চি টেপে ১৫০(সেঃমিঃ) cm থাকে। 


প্রশ্ন-১৬. একটি ইঞ্চি টেপে কত ইঞ্চি(inch) থাকে?

উত্তর : একটি ইঞ্চি টেপে 60 ইঞ্চি(inch) থাকে। 


প্রশ্ন-১৭. একটি ইঞ্চি টেপে কত ফুট(fit) থাকে?

উত্তর : একটি ইঞ্চি টেপে ৫ ফুট(fit) থাকে। 


প্রশ্ন-১৮. ১০ mm(মিঃমিঃ) সমান কত cm?

উত্তর : ১০ mm(মিঃমিঃ) সমান 1 cm. 


প্রশ্ন-১৯. এক ইঞ্চি সমান কত cm?

উত্তর : এক ইঞ্চি = ২.৫৪ cm(সেমিঃ).


প্রশ্ন--২০. ১ মিটার সমান কত cm? 

উত্তর : ১ মিটার সমান ১০০ cm. 


প্রশ্ন-২১. ১ মিটার সমান কত ইঞ্চি? 

উত্তর : ১ মিটার সমান 39.37 ইঞ্চি।


১.ডিফেক্ট কত প্রকার?

উত্তর =তিন প্রকার 1 মেজর. মাইনর. ক্রিটিক্যাল.


২ ফেব্রিকdefect কি কি?

উত্তর.. fabric fault.fabric hole.fabric slap. fabric Run. colour contamination.


৩ iron defect কি ?

উত্তর =যে ডিফেক্ট আয়রন এর মাধ্যমে হয় তাকে আইরন ডিফেক্ট বলে যেমন crease mark shining mark.


4. Iron ক্ষেত্রে কত সংকেত তাপমাত্রা কত ডিগ্রী বুঝায় ?

উত্তর = 110 ডিগ্রী তাপমাত্রা বুঝায় ১৫০ ডিগ্রি তাপমাত্রা বুঝায়.

210 ডিগ্রি তাপমাত্রা বুঝায়..


৫. lay কি?

উত্তর lay হল কাপড়ের প্রতিস্থাপন


৬.shade কাকে বলে?

উত্তর =একই কাপড়ের মধ্যে রংয়ের পরিবর্তন হলে তাকে shade বলে


7.cutt mark কাকে বলে?

উত্তর. cutt mark হল সেলাইয়ের আগে. সেলাইয়ের জন্য cutting থেকে যে mark

দেওয়া হয় তাকে cutt mark বলে.


8.লাইনে blue ও black card বলতে কি বুঝ?

উত্তর = লাইনে blue card হল technical problem.black card হল mechine problem.


9. Zipper কয়টি অংশ?

উত্তর= জিপারের পাঁচটি অংশ

১. zipper tape

2.zipper teeth

3.Runner

4.puller

5.stopper


10.A.Q.L ফুল মিনিং কি?

উত্তর =acceptable quality level.


11.নিডেল কত প্রকার ও কি কি? এবং কোন নিডেল কোন কাজে ব্যবহার করা হয়?

উত্তর =মেডেল তিন প্রকার

১.sharp neddle

2. Ball point neddle.

3. Universal neddle.

Sharp neddle lock stc.ball point neddle chain looper.এবং universal

neddle ভয় কাজে ব্যবহার করা হয়


১২. ওয়াস কত প্রকার ও কিকি?

উত্তর = Wash 5 প্রকার 1.Normal wash. 2.Enzyme wash.3.silicon wash 4.stone wash. 5.garment wash.


১৩.marker কত প্রকার ও কি কি?

উত্তর= marker 5 প্রকার

১.group marker

2.solid Makkar

3.lay way marker

4. all garments one way marker

5. salty Marka.


14. Fusing কত প্রকার ও কি কি?

উত্তর = ফিউজিং দুই প্রকার

১. cotton fusing

2. paper fusing


14. মেশিনে গেজ ব্যবহার করা হয় কেন?

উত্তর =সুইং অ্যালাউন্স ঠিক রাখার জন্য মেশিনে গেজ ব্যবহার করা হয়।


১৫.মোকআপ কি? কেন ব্যবহার করা হয়?

উত্তর = mock up কাজের নমুনা এবং কাজের নমুনা বোঝার জন্য mock up ব্যবহার করা হয়।


১৬.trim card কি?trim card কেনো ব্যবহার করা হয় ?

উত্তর স্টার শুরু করার জন্য যেসব পণ্য বা উপাদান ব্যবহার করা হয় সেসব উপাদানের approval card হল trim card


16. process ও part পার্থক্য কি?

উত্তর.

যা সেলাই করা হয় তা হল process ও যাকে সেলাই করা হয় তা হল part.ও


17. 1 ইঞ্চিতে কত সেঃ মিঃ?

উত্তর 1 ইঞ্চিতে ২.৫৪ সেন্টিমিটার


১৮.1 ইঞ্চিতে কত সুতা?

উত্তর.১ ইঞ্চিতে৮ সুতা.


১৯. measurement tape কি?

উত্তর=measurement tape হল পরিমাপ করার ফিতা।


২০. measurement tape কি কি আছে?

উত্তর =measurement tape ১৫০০ মিলিমিটার 150 সেন্টিমিটার 60 ইঞ্চি 480 সুতা 1.66 গজ 5 ফুট


২১. কিছু শব্দের ফুলমিনিংসঃ-


SP= shoulder point


Hps=high point shoulder


DN=double needle


BND=back neck drop


FND=Front neck drop


GSM= Gram square meter


UPC=unic price code


PPM=pre production meeting


SPI=stitch per inchi


22.Contrastকাকে বলে?

উত্তর=ফেব্রিক কালার থেকে সুতার কালার ভিন্ন হলে তাকে contrast বলে.


23. সীম অ্যালাউন্স কি?

উত্তর গার্মেন্টসের বর্ধিত অংশকে সীম অ্যালাউন্স বলে।


24.stitch কত প্রকার কি কি?

উত্তর দুই প্রকার:

1. চেইন স্টিচ

2.লক স্টিচ


25. thread কত প্রকার ও কি কি?

উত্তর= thread 4 প্রকার

1.Cotton thread

2.polyester thread

3.silicon thread

4.lylon thread


26. H&M VIP =Order Red VIP Blue VIP .

27. KPI= key performance indicator

28. SRM =Supplier Relationship Manegement.

29. QS=H&M Quality system

30. SPI = Stitch Per Inchi.

31. DHU= Defect Hundred Unit

32. RN= Registration Number

33. CA= Identification number

34. RQS =Requirment for quality system

35. RFT= Right fist time.

36. QMS= Quality manegement system

বই : পর্দা গাইডলাইন  লেখক : মাওলানা তানজীল আরেফীন আদনান  উমেদ প্রকাশ থেকে প্রকাশিত

 📍বারান্দায় কাপড় শুকোতে দেয়া আমাদের মা-বোনদের নিত্যদিনের অভ্যাস। বিশেষত শহুরে ফ্ল্যাটে বারান্দা ছাড়া উপায়ও নেই যেন। তবে এ ক্ষেত্রে অনেকেই মস্তবড় ভুলটি করে বসেন। শহরের ঘিঞ্জি এলাকায় তারা বারান্দায় কাপড় শুকোতে দিয়ে রাখেন, এমনকি পরিধেয় বিশেষ পোশাকটিও তারা বারান্দায় উন্মুক্তভাবে রোদে দেন। এতে কিছু সমস্যা হতে পারে।

.

যেমন আশেপাশের ফ্ল্যাট থেকে এসব কাপড়ের দিকে লোলুপ দৃষ্টি দেয়া হয়। এরপর এটা সীমা ছাড়িয়ে ইভটিজিংয়ে পরিণত হয়। ইভটিজিং না হলেও দুশ্চরিত্র ব্যক্তিরা এসব কাপড় দেখেই অনেক মাপজোখ করে ফেলে। এরপর থেকে অসৎ উদ্দেশ্যে বারবার উঁকিঝুঁকি মারতে থাকে।

.

এ জন্য উত্তম হলো, বারান্দায় বড় কাপড় দিয়ে পর্দা লাগিয়ে দেয়া। কমপক্ষে গাঢ় কালারের নেট-জাতীয় পর্দা হলেও লাগিয়ে নেয়া যেতে পারে। এরপর বারান্দায় কাপড় শুকানো। অথবা বারান্দায় দুই স্তর করে রশি লাগানো। সামনের দিকে পুরুষদের কাপড় দিয়ে ভেতরের দিকে মহিলাদের কাপড় শুকাতে দেয়া। এতে করে বাইরে থেকে শুধু পুরুষদের কাপড়গুলোই দেখা যাবে।

.

কাপড় শুকানোর পর রশিতে তা ফেলে না রাখা। অনেকেই একদিন গোসল করে কাপড় শুকাতে দেয়ার পর পরদিন গোসলের সময় রশি থেকে কাপড় আনতে যান। আবার কেউ কেউ ছাদেও সারারাত ধরে কাপড় ফেলে রাখেন। এতেও বদজিনের আছর পড়ার সমূহ আশঙ্কা থাকে।

.

এ ক্ষেত্রে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কাপড় পরার সময় সব সময় বিসমিল্লাহ বলে পরা। পোশাক-আশাক খোলা ও পরিধানের সময় দুআ পড়া। এবং নিরাপত্তার দুআসমূহের ওপর আমল করা।


বই : পর্দা গাইডলাইন 

লেখক : মাওলানা তানজীল আরেফীন আদনান 

উমেদ প্রকাশ থেকে প্রকাশিত


বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...