এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ৫ মে, ২০২৫

ভুলেও যে গাছ লাগাবেন না কিংবা অপরকে লাগানো থেকে বিরত রাখবেন

 💥🚫ভুলেও যে গাছ লাগাবেন না কিংবা অপরকে লাগানো থেকে বিরত রাখবেন: চারদিকে গাছ রোপনের হিড়িক পড়েছে। কেউ বুঝে আবার কেউ না বুঝেই, কেউ প্রচারণার জন্য সস্তা গাছ লাগাচ্ছে কেউ আবার ট্রেন্ডিং এর কারনে।


গাছ বা বনকে বলা হয় পরিবেশের রক্ষাকবচ। তবে এই গাছেই আবার হয়ে উঠতে পারে পরিবেশের জন্য বিপদজনক কারণ সব গাছেই যে অক্সিজেন দেয় এবং কার্বন ডাই অক্সাইড গ্রহণ করে ব্যপারটা কিন্তু এমন নয়।


এমন অনেক গাছ আছে যারা পরিবেশ থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করাসহ আরো নানাভাবে অনেক ক্ষতি করে থাকে। যেমন:- ইউক্যালিপটাস, আকাশমনি, শিশু ইত্যাদি ইত্যাদি।


আপনারা যারাই গাছ রোপণ কিংবা বিতরণ করবেন তারা অবশ্যই ইউক্যালিপটাস, আকাশমনি, শিশু ইত্যাদি চারা বাদে রোপণ করার চেষ্টা করবেন। সস্তায় গাছ লাগিয়ে পরিবেশের বিপদ টেনে আনবেন না প্লিজ।

ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি গাছের ক্ষতিকর প্রভাব অনেক।

 

ইউক্যালিপটাস গাছ প্রচুর অক্সিজেন শোষণ করে এবং নাইট্রোজেন ত্যাগ করে। প্রচুর পানি শোষণ করার ফলে এই গাছ আশ পাশের জমির পানি শুষে নেয়। এই গাছের আশ পাশে অন্য প্রজাতির গাছ জন্মাতে পারে না। এ গাছ মাটিকে শুষ্ক করে ফেলে, ফলে মাটির উর্বরতা কমে যায়। আর এ গাছ কেটে ফেললেও মাটির উর্বরতা ফিরে আসতে দীর্ঘ সময় লাগে।

তাই চেষ্টা করবেন কিছু টাকা বাড়িয়ে ফলজ এবং ঔষধি গাছ রোপণ করতে, এক্ষেত্রে- আম গাছ, নীম গাছ, তাল গাছ আদর্শ হতে পারে.......

বিশেষজ্ঞারা বলছেন, তালগাছে কার্বনের স্তর বেশি থাকায় তা বজ্রপাত নিরোধে সহায়তা করে। কারণ, তালগাছের বাকলে পুরু কার্বনের স্তর থাকে। 


তালগাছের উচ্চতা ও গঠনগত দিক থেকেও বজ্রপাত নিরোধে সহায়ক। তালগাছের পাশাপাশি নারকেল গাছ, সুপারি গাছের মতো উচ্চতা সম্পন্ন গাছ বজ্রপাত নিরোধে বেশ কার্যকর।


অনলাইন সংগৃহীত তথ্য

আমন মৌসুমে উচ্চ ফলনশীল কি কি জাত আবাদ করবেন?

 আমন মৌসুমে উচ্চ ফলনশীল কি কি জাত আবাদ করবেন?

#ব্রিধান১০৩ দানা লম্বা চিকন ও সাদা

জীবনকাল: ১৩৩দিন

বিঘা প্রতি ফলন: ২৪-২৫ মন (শুকনো)


#ব্রিধান৯৫ (দানা মাঝারি মোটা ও সাদা)

জীবনকাল: ১২৫ দিন

বিঘা প্রতি ফলন: ২০-২২ মন (শুকনো)


#ব্রিধান৯৪ (চাল মাঝারি মোটা ও সাদা) 

জীবনকাল: ১৩৪ দিন

বিঘা প্রতি ফলন: ২০-২৩ মন (শুকনো)


#ব্রিধান৯৩ (চাল মাঝারি মোটা ও সাদা) 

জীবনকাল: ১৩৪ দিন

বিঘা প্রতি ফলন: ১৯-২৩ মন (শুকনো)


#ব্রিধান৯০ (চাল চিকন ও সাদা সুগন্ধি) 

জীবনকাল: ১২২ দিন

বিঘা প্রতি ফলন: ১৫-১৬ মন (শুকনো)


#ব্রিধান৮৭ (দানা লম্বা ও চিকন)

বিঘা প্রতি ফলন: ২২ মন (শুকনো)

জীবনকাল: ১২৭ দিন


#ব্রিধান৮০ (চাল মোটা ও সাদা সুগন্ধি) 

জীবনকাল: ১৩০-১৩৫ দিন

বিঘা প্রতি ফলন: ১৬-১৮ মন (শুকনো)


#ব্রিধান৭৯ (চাল লম্বা ও মোটা) বন্যা সহনশীল 

জীবনকাল: ১৩৫ দিন

বিঘা প্রতি ফলন: ১৭-১৮ মন (শুকনো)


#ব্রি ধান৭৫ (দানা মাঝারী চিকন) 

জীবনকাল:১১০-১১৫ দিন 

বিঘা প্রতি ফলন: ১৮ মন (শুকনো)


ব্রি ধান৭১ (মাঝরি লম্বা ও সাদা)

জীবনকাল: ১১৪-১১৭ দিন

বিঘা প্রতি ফলন: ১৭-২০ মন


#ব্রিধান৭০ (চাল লম্বা চিকন ও সাদা সুগন্ধি যুক্ত) 

জীবনকাল: ১৩০ দিন

বিঘা প্রতি ফলন: ১৫-১৬ মন (শুকনো)


#ব্রিধান৫২ (চাল লম্বা ও মোটা) বন্যা সহনশীল 

জীবনকাল: ১৪৫ দিন

বিঘা প্রতি ফলন: ১৬-১৮ মন (শুকনো)


#ব্রি ধান৫১ (চাল মাঝারি চিকন স্বচ্ছ ও সাদা) বন্যা সহনশীল 

জীবনকাল:১৪৫ দিন

বিঘা প্রতি ফলন: ১৬-১৮ মন (শুকনো)


#ব্রি ধান৪৯ (চাল মাঝারি মোটা ও সাদা)

জীবনকাল: ১৩৫ দিন

বিঘা প্রতি ফলন: ১৫-১৮ মন (শুকনো)


#ব্রি ধান৩৪ (দানা চিকন সুগন্ধি) 

জীবনকাল: ১৩৫ দিন।

বিঘা প্রতি ফলন: ১৩-১৪ মন


#ব্রি হাইব্রিড ধান৬ (চাল লম্বা ও চিকন)

জীবনকাল:১১০-১১৫ দিন 

বিঘা প্রতি ফলন: ২২ মন (শুকনো)


#ব্রি ধান৫১ (চাল মাঝারী চিকন স্বচ্ছ ও সাদা)

জীবনকাল: ১৪৫ দিন 

বিঘা প্রতি ফলন: ১৭ মন (শুকনো)


#ব্রি হাইব্রিড ধান৪ (দানা চিকন লম্বা ও সাদা) 

জীবনকাল: ১২৭ দিন। 

বিঘায় ফলন: ২০-২২ মন।


#ব্রি হাইব্রিড ধান৬ (দানা চিকন) 

জীবনকাল: ১১০-১১৫ দিন। 

বিঘায় ফলন:২২-২৩ মন


কৃষি বিষয় জানতে এবং কৃষি বিষয় পরামর্শ পেতে এই পেজের সঙ্গে থাকুন ধন্যবাদ।

পুরো বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে ছোঁ'য়া'চে রো'গ ‘স্ক্যা'বি'স

 পুরো বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে ছোঁ'য়া'চে রো'গ ‘স্ক্যা'বি'স’ 😥

স্ক্যাবিস (Scabies) একটি ছোঁয়াচে ত্বকের রোগ। এটি Sarcoptes scabiei নামক ক্ষুদ্র মাকড়সার (mite) কারণে হয়ে থাকে। এই মাকড়সা ত্বকের উপরিভাগে গর্ত তৈরি করে এবং ডিম পাড়ে, যার ফলে ত্বকে তীব্র চুলকানি এবং ফুসকুড়ি দেখা দেয়।

স্ক্যাবিসের প্রধান লক্ষণগুলো হলো:

 * তীব্র চুলকানি: বিশেষ করে রাতে চুলকানি বাড়ে।

 * ফুসকুড়ি: ছোট ছোট লালচে দানা বা ফোস্কার মতো দেখা যায়।

 * গর্তের চিহ্ন: ত্বকের উপর ছোট, আঁকাবাঁকা, ধূসর বা সাদা রঙের সরু রেখা দেখা যেতে পারে, যা মাকড়সার তৈরি করা গর্ত।

স্ক্যাবিস সাধারণত নিম্নলিখিত স্থানগুলোতে বেশি দেখা যায়:

 * আঙুল ও পায়ের আঙুলের মাঝে

 * কবজি

 * কনুই ও হাঁটুর ভাঁজে

 * বগলের নিচে

 * কোমর

 * নিতম্ব

স্ক্যাবিস অত্যন্ত ছোঁয়াচে এবং সরাসরি চামড়ার সংস্পর্শে আসা, অথবা আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহার করা কাপড়, বিছানা ইত্যাদির মাধ্যমে ছড়াতে পারে।

যদি আপনার মনে হয় আপনার স্ক্যাবিস হয়েছে, তাহলে একজন ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ডাক্তার সাধারণত শারীরিক পরীক্ষা এবং প্রয়োজনে ত্বকের নমুনা নিয়ে রোগ নির্ণয় করতে পারেন। স্ক্যাবিসের চিকিৎসার জন্য বিশেষ ধরনের ক্রিম বা লোশন পাওয়া যায় যা মাকড়সা এবং তাদের ডিম ধ্বংস করে। পরিবারের সকল সদস্য এবং ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদেরও একই সময়ে চিকিৎসা করানো উচিত, এমনকি তাদের লক্ষণ না থাকলেও। এছাড়া, ব্যবহৃত কাপড় ও বিছানা গরম পানিতে ধুয়ে বা ভালোভাবে পরিষ্কার করে জীবাণুমুক্ত করা জরুরি।

✍️ সংগৃহিত

@followers

থানকুনি পাতার – যাদুকরী গুন জানুন

 থানকুনি পাতার – যাদুকরী গুন জানুন

✦✦✦

চোখের সামনে যা দেখি, সবকিছুর পেছনেই আছে স্বাস্থ্যবান মন ও শরীর। আর এই স্বাস্থ্য ফিরে পেতে থানকুনি পাতা হতে পারে আপনার সেরা সঙ্গী!


কি মিলবে এই সবুজ পাতায়?

১. স্মৃতিশক্তি বাড়ায় – ছাত্রছাত্রীদের জন্য দুর্দান্ত!

২. পাকস্থলীর সমস্যা দূর করে – গ্যাস, অ্যাসিডিটি, পেট ফাঁপা সহজেই নিয়ন্ত্রণে আসে।

৩. ক্ষত সারাতে সাহায্য করে – প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক!

৪. রক্ত পরিশোধন করে – ভেতর থেকে শরীর পরিষ্কার রাখে।

৫. ত্বকে আনে উজ্জ্বলতা – নিয়মিত খেলে ত্বকে জেল্লা ফিরে আসে।


ব্যবহার কীভাবে করবেন?


সকালে খালি পেটে ৫-৭টি পাতা চিবিয়ে খান


থানকুনি পাতার রস এক চামচ করে পান করুন


পাতার পেস্ট ত্বকে লাগিয়ে নিন সরাসরি


সতর্কতা: অতিরিক্ত খাওয়া এড়িয়ে চলুন। চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।


প্রকৃতির কাছে ফিরে যান, সুস্থতা ফিরে পান।

– সুনীল চন্দ্র রায়


#থানকুনি

#প্রাকৃতিকচিকিৎসা

#ভেষজউপকারিতা

#আয়ুর্বেদ

#প্রাকৃতিকউপায়

#থানকুনিপাতা

#ভেষজচিকিৎসা

#ঘরোউপচার

#ভালথাকুনপ্রাকৃতিকভাবে

#Herbalremedyforhighbloodsugar 

#HealthyLivingঅবশ্যই

সময় হিরার চেয়েও দামী — একটি ভাবনামূলক প্রবন্ধ সময়—

 সময় হিরার চেয়েও দামী — একটি ভাবনামূলক প্রবন্ধ সময়—একটি শব্দ, যার ভেতর লুকিয়ে আছে মহাবিশ্বের নীরব ধাবন, জীবনের অদৃশ্য স্রোত, আর প্রতিটি প্রাণের নিঃশ্বাস। মানুষ জন্মলগ্ন থেকে মৃত্যুর অন্তিম প্রহর পর্যন্ত সময়ের হাতে বাঁধা এক যাত্রী মাত্র। সে চায় বা না-চায়, সময় এগিয়ে চলে আপন গতিতে, কারও জন্য এক মুহূর্ত থেমে থাকে না। হীরা যেমন দ্যুতিময়, মূল্যবান, তেমনি সময়ও দামী—তবে তার মূল্য হীরারও ঊর্ধ্বে। হীরা হারালে আবার পাওয়া যায়, কিন্তু হারানো সময় ফিরে আসে না। আর সেই জন্যই বলা হয়—সময় হিরার চেয়েও দামী।


হীরার দীপ্তি চোখে পড়ে, তার দাম টাকায় মাপা যায়। কিন্তু সময়ের মূল্য টাকার কষাঘাতে ধরা পড়ে না। সময়ের প্রতিটি মুহূর্ত অদৃশ্য অথচ জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন। যে ব্যক্তি সময়কে সঙ্গী করে, শৃঙ্খলা আর অধ্যবসায়ের পথে চলে, সে জীবনের প্রতিটি ধাপে সাফল্যের ছোঁয়া পায়। ইতিহাস আমাদের দেখিয়েছে—নেপোলিয়ন থেকে নিউটন, রবীন্দ্রনাথ থেকে আব্দুল কালাম—সময়ের প্রতিটি মুহূর্তকে সোনায় রূপান্তর করার মাধ্যমেই তাঁরা হয়েছিলেন কালজয়ী।


কিন্তু সময় কারও জন্য অপেক্ষা করে না। সে নীরবে চলে চলে, ঝরে পড়ে পত্রপল্লবের মতো। সময়ের অপচয় মানে জীবনের অপচয়। একজন ছাত্র যদি পাঠ্যসময়কে অলসতায় হারিয়ে ফেলে, ভবিষ্যতে তার গন্তব্য হয় অনিশ্চিত। কর্মজীবনে সময়ের অপব্যবহার ব্যক্তিকে নামিয়ে দেয় ব্যর্থতার অন্ধকারে। এমনকি পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্কেও সময়ের যথাযথ বিনিয়োগ না হলে তৈরি হয় দূরত্ব, ক্ষয়ে যায় ভালোবাসা।


সময় যে শুধু কাজের উপকরণ তা নয়—এটি সম্পর্ক, স্নেহ, শিল্প, সাধনা, ও মানবিকতার প্রাণ। একটি সকালের মৃদু আলো যেমন জীবনের সূচনা নির্দেশ করে, তেমনি সময়ের সদ্ব্যবহার আমাদের জীবনকে করে তোলে পরিপূর্ণ ও অর্থবহ।


সময় এক মহামূল্যবান রত্ন, যার দীপ্তি হীরার চাইতেও উজ্জ্বল, যার গরিমা শব্দে প্রকাশ করা দুঃসাধ্য। সময়ই একমাত্র সম্পদ, যা সকলের কাছে সমান, অথচ যার ব্যবহারে গড়ে ওঠে পার্থক্য—বড় আর ছোট, সফল আর ব্যর্থ, স্মরণীয় আর বিস্মৃত মানুষদের মাঝে। তাই আমাদের উচিত, প্রতিটি মুহূর্তকে শ্রদ্ধার সঙ্গে গ্রহণ করা, সময়কে শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করা। মনে রাখতে হবে—হীরা দিয়ে সময় কেনা যায় না, কিন্তু সময় দিয়ে অর্জন করা যায় হাজার হীরার মূল্য।।


#জীবন_চক্র

একটা বিয়ের দাওয়াতে গিয়েছিলাম। আমার পাশে একগ্রুপ অপরিচিতা ভাবি বসেছিলো। তাদের আলোচনার বিষয়বস্তু থেকে আমি "বিয়ে খাওয়ার" কিছু টেকনিক জানলাম। তাদের আলোচ্য বিষয়বস্তুর সারমর্ম, 

 একটা বিয়ের দাওয়াতে গিয়েছিলাম। আমার পাশে একগ্রুপ অপরিচিতা ভাবি বসেছিলো। তাদের আলোচনার বিষয়বস্তু থেকে আমি "বিয়ে খাওয়ার" কিছু টেকনিক জানলাম। তাদের আলোচ্য বিষয়বস্তুর সারমর্ম, 

*বিয়ের দাওয়াতে অতি অবশ্যই ফার্স্ট ব্যাচে বসতে হবে৷ তা না হলে, "বিয়ে খাওয়াই" বৃথা৷ 

*দাওয়াতে যথাসম্ভব ঢিলা কিন্তু গর্জিয়াস ড্রেস পরিধান করে আসতে হবে।

*পানি তো ভুলেও খাওয়া যাবে না।

*বিয়েবাড়িতে ঢুকে ভুলেও কফি খাওয়া যাবে না। কফি হচ্ছে ক্ষুধা নষ্ট করার একটা ফাঁদ।

*বেছে বেছে শুধু কাচ্চির মাংস নিতে হবে এবং বাচ্চার প্লেটে টাল করে তুলে দিতে হবে৷ ভুলেও রাইস নেওয়া যাবে না৷ রাইস নিলে গিফটের টাকা উসুল হবে না।


এই সার্কেলের পাশে খেতে হবে ভেবেই হাত-পা ঠান্ডা হয়ে গেলো। আমি আন্ডাবাচ্চা নিয়ে আরেকটা টেবিলে গিয়ে ঘাঁটি গাড়লাম। আপারা আলোচনায় যে ট্রেইলার দেখিয়েছেন, আসল সিনেমা যে খাবার সার্ভের পরে শুরু হবে, তা আর বোঝার বাকি রইলো না।


খাবার যখন সার্ভ করা হলো তখন আশেপাশে তাকিয়ে দেখি যে, একেকজন গেস্ট দুই গ্লাস ভরতি করে বোরহানি নিয়েছেন। অথচ এক গ্লাসও শেষ করতে পারেনি অধিকাংশই। ২ গ্লাস মানে হচ্ছে হাফ লিটার বোরহানি। যা অধিকাংশ মানুষের পক্ষেই শেষ করা সম্ভব হয় না।


এরপর আসি পোলাও বা কাচ্চির কথায়। মহাস্মার্ট, শিক্ষিত (ভাবসাবে তো তাই মনে হয়) মানুষজনকেও দেখলাম প্লেটে টাল করে কাচ্চির মাংস, রোস্ট আর আলু নিয়েছে৷ ইভেন আশেপাশে থেকে এমন কথাও কানে এসেছিলো যে, "বিয়েবাড়িতে রাইস খায় কোন ছাগলে?"


অথচ খাওয়া শেষে উঠে দেখি যে,সবার প্লেটেই টাল করে মাংস, কাবাব আর রোস্ট রয়েই গিয়েছে। এতো খাবার নষ্ট হয়েছে যে, তা দিয়ে আরেক ব্যাচ মানুষ ইজিলি খেতে পারবে। খাওয়া শেষে হাত ধুতে যখন উঠলাম, দেখি এক আপা ব্যাগে জালি কাবাব ভরছেন, তার মুখে নোবেলবিজয়ীর হাসি। 


আমার শুধু হোস্টের মুখটা চোখের সামনে ভেসে উঠলো৷ হোস্ট হচ্ছেন আমার দূরসম্পর্কের এক ফুপা। যিনি কি না তার পার্থিব জীবনের সমস্ত সঞ্চয় সহ আরো লোন নিয়ে এই বিয়ের আয়োজনের জন্য খরচ করে ফেলেছেন।

গ্রীষ্মকালেও টমেটোর টনটন ফলন!

 🍅☀️ গ্রীষ্মকালেও টমেটোর টনটন ফলন!

জানুন গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষের আধুনিক ও লাভজনক পদ্ধতি! 💰🌱


শীতকালীন ফসল টমেটো এখন চাষ হচ্ছে গরমেও!

সঠিক জাত, পরিচর্যা আর পরিকল্পনায় ১ শতকে হতে পারে ৩৫০ কেজি পর্যন্ত ফলন! 😲

চলুন জেনে নেই সফল গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষের পরিপূর্ণ গাইডলাইন 👇


🌤️ জলবায়ু উপযোগিতা:

✅ গড় তাপমাত্রা: ২০°–২৫°C

✅ রাতে তাপমাত্রা ২৩°C এর নিচে হলে ফলন ভাল হয়

🚫 বেশি গরম বা বাতাসের আর্দ্রতা = ফুল ঝরা + রোগ বৃদ্ধি


🌱 মাটি ও জমি প্রস্তুতি:

🔹 আলো বাতাস চলাচলযোগ্য দোআঁশ বা এটেল দোআঁশ

🔹 পানি না জমা জমি

🔹 চাষ করে মাটি ঝুরঝুরে করুন

🔹 বিঘাপ্রতি কার্বোফুরান ৩ কেজি প্রয়োগ


🧬 উপযুক্ত জাত:

BARItomato-৫, ৬, ১১, ১৪

BARI Hybrid Tomato-৪, ৮, ১০

Mintoo Hybrid ✅


📅 বীজ বপনের সময়: এপ্রিল – জুন (বৈশাখ – আষাঢ়)


🌱 বীজতলা ও চারা ব্যবস্থাপনা:

📌 প্রতি শতকে ১ গ্রাম বীজ

📌 চারা গজানোর ১০-১২ দিন পর ২য় বীজতলায় হার্ডেনিং

📌 অতিরিক্ত বৃষ্টি বা রোদে পলি শেড ব্যবহার করুন (৪.৫ মাইক্রন দেশি পলি)


🛠️ বেড তৈরির নিয়ম:

১ মি. চওড়া ও ১৫-২০ সে.মি. উঁচু বেড

দুই বেডের মাঝে ৩০ সে.মি. নালা


🌾 সার ব্যবস্থাপনা (প্রতি শতকে):

🔸 গোবর: ৪০ কেজি

🔸 ইউরিয়া: ১২০০ গ্রাম

🔸 টিএসপি: ৮০০ গ্রাম

🔸 পটাশ: ৭৫০ গ্রাম

🔸 জিপসাম: ২২০ গ্রাম

🔸 জিংক: ২০ গ্রাম

🔸 বোরন: ২৫ গ্রাম


📌 জমি তৈরির সময় গোবর + টিএসপি + জিপসাম + জিংক + বোরন + ১/৩ পটাশ

📌 চারা রোপনের ১৫, ২৫, ৪০ দিনে আলাদা করে ইউরিয়া ও পটাশ প্রয়োগ


🧪 হরমোন প্রয়োগ (ফুল ঝরা রোধে):

⏰ সকাল ৯টা–১১টার মধ্যে

📌 ৪সিপিএ জাতীয় হরমোন (ভেজিমেক্স/প্রোটোজিম/বলবান/এস্টার)

💧 প্রতি লিটার পানিতে ২ মি.লি. হারে স্প্রে


🧑‍🌾 বিশেষ পরিচর্যা:

✔️ ১ম ফুলের নিচের সব কুশি ছেঁটে ফেলুন

✔️ গাছকে বাঁশ বা খুঁটি দিয়ে ঠেকনা দিন


🍅 ফলন সম্ভাবনা:

📌 ২০০–৩৫০ কেজি/শতক

📌 ৫০–৯০ টন/হেক্টর জাত ভেদে


🏡 টিপস:

স্থায়ীভাবে বিনিয়োগকারী উদ্যোক্তারা পলি হাউজ করে চাষ করুন

➡️ সারা বছর চাষযোগ্য উচ্চ মূল্যের ফসল: ক্যাপসিকাম, তরমুজ, রকমেলন, লেটুস ইত্যাদি


🟢 ফলন বাড়াতে জেনে বুঝে চাষ করুন

💬 শেয়ার করুন যেন অন্যরাও লাভবান হয়


#টমেটোচাষ #গ্রীষ্মকালীনটমেটো #সবজিচাষ #AgroTips #SmartFarmer #TomatoFarming #HighYield #GreenBusiness #পলি_হাউজ #অর্গানিকচাষ #BangladeshAgriculture

স্বামী-স্ত্রী কখনো দীর্ঘদিন দূরে থাকবেন না। .

 স্বামী-স্ত্রী কখনো দীর্ঘদিন দূরে থাকবেন না।

.

বিয়ের পর দয়া করে স্বামী-স্ত্রী বেশিদিন দূরে থাকবেন না। বিস্বাস করুন ভালো থাকার জন্য অনেক বেশি টাকার দরকার একদম-ই নেই। দরকার আপনার ভালোবাসার।

.

জীবন থেকে যে একটা সেকেন্ড চলে যায় সেটা আমরা আর কখনো ফিরে পাই না। আর আপনি বছরের পর বছর স্ত্রী, সন্তান রেখে বহুদূরে পরে আছেন!

.

এই কি জীবন? কোথায় সুখ? কোথায় আপনার স্ত্রীর জন্য ভালোবাসা? কোথায় সন্তানের জন্য স্নেহ?

.

হ্যাঁ, টাকা-পয়সা জীবনে অনেক দরকার কিন্তু; ভেবে দেখেন তো সারাদিনে ৩০০ টাকা রোজগার করা মানুষটা যখন দিনশেষে বাসায় ফিরে তার সামনে পানি দেওয়ার জন্য একজন মানুষ আছে, সে রাতে তার স্ত্রী, সন্তানদের পাশে ঘুমাতে পারে, তার অসুস্থতায় তার স্ত্রী তাকে সেবা করে, তার সন্তান দূর থেকে তাকে দেখে দৌড়ে এসে কোলে ওঠে।

.

কোনো নারীর জীবন থেকে এমন সময় কেঁড়ে নিবেন না যে সময়টায় সে শুধু আপনাকে কাছে চায়।

.

বাইরে গেলে যখন তার চোখে পরে পাঞ্জাবি পরা কোনো এক ছেলে তার প্রিয়তমার হাত ধরে রাস্তা পার করে দিচ্ছে, তখন আপনার স্ত্রীর ভেতর থেকে দীর্ঘস্বাস বের হওয়া ছাড়া আর কিছু-ই করার থাকে না।

..

আপনি সারাদিন মাথার ঘাম পায়ে ফেলে টাকা রোজগার করে বউকে দামী শাড়ি আর গহনা-ই পরিয়ে গেলেন। কিন্তু যে সময়গুলো আপনারা হারিয়েছেন সেটা আর আসবে না কোনোদিন। উত্তপ্ত প্রেম টাকার তলায় চাপা দিয়ে দিলেন।

.

আপনার সন্তান যখন রাস্তায় দেখে কোনো বাবা তার ছেলেকে রঙিন বেলুন কিনে দিচ্ছে, তখন সে আপনাকে খোঁজে।

.

 সন্তান যখন দেখে তার বয়সী বাচ্চা তার বাবার হাত ধরে মাদ্রাসাই যাচ্ছে তখন সে আপনাকে খুব মিস করে। 

সন্তানের জন্য মাসে এতো হাজার টাকা না পাঠিয়ে হাত ধরে মাদ্রাসাই দিয়ে আসুন।

.

 সে আপনার আদর্শে বড় হবে। তখন সে আপনার কাছে ৫ টাকার প্রয়োজনে ১০ টাকা চাইবে না। বরং ১০ টাকার কাজ টা ৫ টাকায় মিটমাট করার চেষ্টা করবে।

.

কাজের চাপে আপনি সারাদিনে বউকে মনে করার তেমন সময়ও পান না অনেক সময়। এদিকে দুপুরের নাওয়া-খাওয়া শেষ করার পর আপনার স্ত্রীর অলস বিকালে আর সন্ধ্যা নেমে আসতে চায় না। 

জানালা দিয়ে সে বাইরে তাকিয়ে দূরের ঐ নীল আকাশে রং বেরঙের কত কী দেখে। দেখে না শুধু আপনাকে।

.

মাঝরাতে ঘুম ভাঙার পর বাম পাশে আপনাকে না পেয়ে বুকে আকাশ সমান বোঝা নিয়ে আপনার স্ত্রী ঘুমিয়ে যায়। এভাবেই আপনার বয়স ৫০ পেড়িয়ে যাবে, স্ত্রীর চোখ ধূসর হয়ে আসবে।

.

হলো না আপনাদের কদম হাতে বৃষ্টিতে ভেজা।

আর হলো না আঁকাবাকা রাস্তায় পা মিলিয়ে সামনে হাটা। হলো না সন্তান বুকে নিয়ে ঘুমানো।

হলো টাকার পাহাড়, বিষের পাহাড়, বিষাদের পাহাড়। যার চাপায় পিষে যাবে কতগুলো রঙিন স্বপ্ন, পিষে যাবে স্ত্রীর প্রেম, খসে যাবে আপনার যৌবন।

হাওড়া ব্রিজ, বর্তমানে "রবীন্দ্র সেতু" নামে পরিচিত, ভারতের অন্যতম ঐতিহাসিক ও প্রকৌশলগত কৃতিত্বের নিদর্শন। 

 হাওড়া ব্রিজ, বর্তমানে "রবীন্দ্র সেতু" নামে পরিচিত, ভারতের অন্যতম ঐতিহাসিক ও প্রকৌশলগত কৃতিত্বের নিদর্শন। এটি হুগলি নদীর উপর অবস্থিত একটি ক্যান্টিলিভার সেতু, যা পশ্চিমবঙ্গের দুই গুরুত্বপূর্ণ শহর—কলকাতা ও হাওড়াকে সংযুক্ত করে। ১৯৪৫ সালে নির্মিত এই ব্রিজটি শুধু যোগাযোগের পথ নয়, বরং ভারতের প্রযুক্তিগত অগ্রগতির প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হয়।


✅ ১৯৪৫ সালের হাওড়া ব্রিজ

i. হাওড়া ব্রিজের নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৯৩৬ সালে এবং শেষ হয় ১৯৪২ সালে। তবে জনসাধারণের জন্য এটি আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হয় ১৯৪৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি।

ii. এটি একটি ক্যান্টিলিভার টাইপের সেতু, যেখানে মূল সাপোর্ট ছাড়াই মাঝ বরাবর বিশাল আকৃতির স্প্যান টিকে আছে। সে সময় এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম ক্যান্টিলিভার ব্রিজ ছিল।

iii. সম্পূর্ণ সেতুটি প্রায় ২৬,৫০০ টন উচ্চমানের ইস্পাত দিয়ে তৈরি, যার মধ্যে ২৩,০০০ টন ইস্পাত সরবরাহ করেছিল ভারতের তৎকালীন টাটা স্টিল কোম্পানি।

iv. ব্রিজ তৈরির সময় কোনো নাট-বল্টু ব্যবহার করা হয়নি, বরং পুরো সেতুটি রিভেটিং প্রযুক্তির মাধ্যমে সংযুক্ত করা হয়।


✅ ২০২৫ সালের হাওড়া ব্রিজ

i. প্রতিদিন প্রায় ১ লক্ষের বেশি যানবাহন এবং ৫ লক্ষের বেশি পথচারী এই সেতু ব্যবহার করেন, যা একে বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত সেতু হিসেবে তুলে ধরে।

ii. দীর্ঘদিনের ভার বহনের ফলে সেতুটির নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ অপরিহার্য, এবং আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে ব্রিজটির স্থায়িত্ব রক্ষায় কাজ করছে কলকাতা পোর্ট ট্রাস্ট।

iii. ২০২৫ সালে সেতুটিকে আধুনিক LED আলো ও আলোকসজ্জা দিয়ে সৌন্দর্যায়িত করা হয়েছে, যার ফলে এটি রাতের কলকাতায় এক অনন্য দৃশ্যপট তৈরি করে।

iv. হাওড়া ব্রিজ শুধু একটি যাতায়াত মাধ্যম নয়, বরং কলকাতার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আধুনিকতার এক অবিচ্ছেদ্য প্রতীক।


✅ উপসংহার

হাওড়া ব্রিজ কেবল ইস্পাতের একটি স্থাপনা নয়, এটি একটি জাতির প্রকৌশল দক্ষতা, ঐতিহ্য ও গর্বের প্রতিচ্ছবি। সময়ের সাথে সাথে এর রূপ বদলালেও এর গুরুত্ব ও গৌরব আজও অক্ষুণ্ণ রয়েছে।


#HowrahBridge #RabindraSetu #KolkataHeritage #IndianEngineering #HooghlyRiverBridge #HistoricalStructure #WestBengalLandmark #IncredibleIndia

মজার দেশ – যোগীন্দ্রনাথ সরকার

 মজার দেশ

– যোগীন্দ্রনাথ সরকার

এক যে আছে মজার দেশ,

সব রকমে ভালো,

রাত্তিরেতে বেজায় রোদ,

দিনে চাঁদের আলো।

আকাশ সেথা সবুজবরণ

গাছের পাতা নীল;

ডাঙ্গায় চরে রুই কাতলা

জলের মাঝে চিল!

সেই দেশেতে বেড়াল পালায়,

নেংটি-ইঁদুর দেখে;

ছেলেরা খায় ‘ক্যাস্টর-অয়েল’-

রসগোল্লা রেখে!

মণ্ডা-মিঠাই তেতো সেথা,

ওষুধ লাগে ভালো;

অন্ধকারটা সাদা দেখায়,

সাদা জিনিস কালো!

ছেলেরা সব খেলা ফেলে

বই নে বসে পড়ে;

মুখে লাগাম দিয়ে ঘোড়া

লোকের পিঠে চড়ে !

ঘুড়ির হাতে বাঁশের লাটাই,

উড়তে থাকে ছেলে;

বড়শি দিয়ে মানুষ গাঁথে,

মাছেরা ছিপ ফেলে !

জিলিপি সে তেড়ে এসে,

কামড় দিতে চায়;

কচুরি আর রসগোল্লা

ছেলে ধরে খায়!

পায়ে ছাতি দিয়ে লোকে

হাতে হেঁটে চলে!

ডাঙ্গায় ভাসে নৌকা-জাহাজ,

গাড়ি ছোটে জলে!

মজার দেশের মজার কথা

বলবো কত আর;

চোখ খুললে যায় না দেখা

মুদলে পরিষ্কার।

ন্যানো-স্কেলে কোয়ান্টাম সুপারপজিশন: সোডিয়াম কণার 'একই সঙ্গে দুই জায়গায়' থাকার নতুন প্রমাণ,,,মুস্তাকীম ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ন্যানো-স্কেলে কোয়ান্টাম সুপারপজিশন: সোডিয়াম কণার 'একই সঙ্গে দুই জায়গায়' থাকার নতুন প্রমাণ ~ কোয়ান্টাম জগতের সবচেয়ে বিস্ময়কর ধার...