এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ৮ মে, ২০২৫

বৃটিশদের তৈরি চট্টগ্রামের মানচিত্র

 চট্টগ্রামের ইতিহাসকে কেন্দ্র করে এই পুরাতন মানচিত্রটি এক অনন্য ঐতিহাসিক দলিল। এটি শুধু ভৌগোলিক সীমারেখা নয়, বরং সময়ের গায়ে লেখা এক গল্প, যেখানে চট্টগ্রামের সমৃদ্ধ অতীত, উপকূলভিত্তিক জীবনধারা, এবং বহির্বিশ্বের সঙ্গে তার সম্পর্ক স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। মানচিত্রটি মূলত ঔপনিবেশিক যুগে ইংরেজ কর্তৃক তৈরি—সম্ভবত ১৮শ বা ১৯শ শতকে। এই মানচিত্রে চট্টগ্রামের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রাচীন নাম ও অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে, যা আজকের আধুনিক নামগুলোর সঙ্গে তুলনা করলে স্পষ্ট হয় কিভাবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শহরের রূপান্তর ঘটেছে।


প্রথমেই চোখে পড়ে "ISLAMABAD" নামটি—যেটি বর্তমান কক্সবাজার জেলার দক্ষিণাংশে অবস্থিত একটি প্রাচীন জনপদের নির্দেশ করে। এটি ছিল আরাকানদের শাসনকালে চট্টগ্রামের দক্ষিণ সীমান্তবর্তী একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। মানচিত্রে এর আশপাশে দেখা যাচ্ছে “PUTTURAH” (সম্ভবত পটিয়া) ও “CUDDURBAZAR” (সম্ভবত বর্তমান চন্দনাইশ বা চকরিয়ার কোনো বাজার অঞ্চল)। এগুলো তখন চট্টগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য ও বসতি অঞ্চল ছিল।


মানচিত্রের পশ্চিম অংশে স্পষ্টভাবে চিহ্নিত "SUNDEEP I." ও "COMAREE I." দ্বীপগুলো, যা যথাক্রমে সন্দ্বীপ ও কুমিরা। সন্দ্বীপ ছিল একটি বাণিজ্যিকভাবে অত্যন্ত সমৃদ্ধ দ্বীপ, যেখান থেকে চাল, লবণ, মাছসহ বিভিন্ন পণ্য পাঠানো হতো উপকূলীয় বাংলায় এবং বাইরের জাহাজে। আর দক্ষিণে রয়েছে "MASCULL I." (মহেশখালী) ও "KUTTUPDEA I." (কুতুবদিয়া)—যেগুলো আজও বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় ভূখণ্ডে জীবন্ত বাস্তবতা।


চট্টগ্রামের পূর্ব অংশে "HIGH MOUNTAINS" ও “WOODY HILLS” বলে যে এলাকা চিহ্নিত, তা বর্তমান পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের অংশ। এই অঞ্চলে পাহাড়ি জনগোষ্ঠী যেমন চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা বসবাস করত। তাদের স্বাধীন জীবনধারা, নিজস্ব শাসনব্যবস্থা, এবং পাহাড়-নদী নির্ভর সংস্কৃতি চট্টগ্রামের মূল ভূখণ্ডের জীবনধারার সঙ্গে এক অপূর্ব বৈচিত্র্য তৈরি করেছিল।


মানচিত্রে "TULKUDDER" নামটি আজকের কুতুবদিয়া বা চকরিয়ার দক্ষিণাংশের কোনো অংশ হতে পারে। এর আশপাশে থাকা নদ-নদী এবং "SUNKAR R." (সম্ভবত সাঙ্গু নদী) নির্দেশ করছে চট্টগ্রামের নদীবিধৌত উপকূলীয় অঞ্চলের গুরুত্ব, যা প্রাকৃতিক সম্পদ ও পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে একদম অপরিহার্য ছিল।


উত্তরের দিকে দেখা যায় “WOOD CHEERAH” অঞ্চলটি—সম্ভবত বর্তমান রাউজান-রাঙ্গুনিয়া এলাকায় অবস্থিত কোনো প্রাচীন জনপদের ইঙ্গিত। এখানে চিহ্নিত রয়েছে “Wuddigong”, “Lungchungya”, “Kopara” ইত্যাদি নাম, যেগুলো বিভিন্ন পাহাড়ি বা উপত্যকাভিত্তিক বসতিগুলোর পূর্ব রূপ।


মানচিত্রটি স্পষ্ট করে দেয় যে, চট্টগ্রাম ছিল এক বহুস্তরবিশিষ্ট জনপদ। উপকূল, পাহাড়, দ্বীপ, নদী এবং বন্দর—all in one place। মানচিত্রে ব্যবহৃত নামগুলোর মধ্যে কিছু ব্রিটিশরা স্থানীয় উচ্চারণ অনুযায়ী লিখেছে, যেমন—“Comaree” (কুমিরা), “Barnacool” (বরকল?), “Edgemy” (এদগারগুড়ি বা অনুরূপ)। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, কীভাবে স্থানীয় সংস্কৃতি ও ভাষা তখনকার বিদেশি মানচিত্রকারদের নজরে এসেছিল এবং তারা তাদের নিজস্ব ভাষায় তা লিপিবদ্ধ করেছে।


চট্টগ্রামের ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হলো ১৬৬৬ সালে মুঘল সেনাপতি শাইস্তা খাঁ আরাকানদের পরাজিত করে অঞ্চলটি মুঘল সাম্রাজ্যে অন্তর্ভুক্ত করেন। এরপর ১৭৬০ সালে ব্রিটিশরা নবাব মীর কাশিমের কাছ থেকে এই অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং তখন থেকেই চট্টগ্রামের ভূপ্রকৃতি ও প্রশাসনিক গঠন নিয়ে নানা গবেষণা ও মানচিত্র তৈরি শুরু হয়।


এই মানচিত্রটি আমাদের সামনে তুলে ধরে সেই চট্টগ্রামকে—যেখানে প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য, বাণিজ্যিক কেন্দ্রীয়তা, বহুজাতিক জনগোষ্ঠীর সহাবস্থান এবং রাজনৈতিক সংঘাত সব মিলিয়ে এক জটিল কিন্তু আকর্ষণীয় ইতিহাস সৃষ্টি করেছে।


চট্টগ্রাম মানে শুধু একটি শহর নয়—এটি হলো পূর্ববাংলার দরজা, পাহাড় আর সাগরের মিলনস্থল, সংস্কৃতি আর অর্থনীতির মোহনা। আর এই মানচিত্র সেই ইতিহাসের নিরব সাক্ষী—যার প্রতিটি রেখা, প্রতিটি নাম যেন ইতিহাসের বুক চিরে উঠে আসা এক চিরন্তন চিহ্ন।

নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর আক্রমণ কেন হয়েছিল? কেন তাকে একেবারে ধুলিস্যাৎ করে দেওয়া হয়েছিল?  বখতিয়ার খলজিকে চিকিৎসা করে সুস্থ করার পরিণামে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পূর্ণ রূপে ধ্বংস হয়েছিল। 

 নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর আক্রমণ কেন হয়েছিল? কেন তাকে একেবারে ধুলিস্যাৎ করে দেওয়া হয়েছিল? 


বখতিয়ার খলজিকে চিকিৎসা করে সুস্থ করার পরিণামে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পূর্ণ রূপে ধ্বংস হয়েছিল। 


নালন্দার পরিচয় :

নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় কোন রাজার দূর্গ ছিল না, কোনো খাজানা (কর) সংগ্রহ করে রাখার জায়গা ছিল না। ছিল শিক্ষার প্রচার প্রসার করার এক ইউনিভার্সিটি নালন্দা স্থাপনা পঞ্চম শতাব্দীতে হয় বলে মনে করা হয়, এটি ছিল বিশ্বের সবথেকে পুরনো ইউনিভার্সিটির মধ্যে একটি। বর্তমানে বিহারে এটি অবস্থিত। সংস্কৃতির তিন শব্দ -' না' ' আলম ' এবং ' দা ' থেকে নালন্দা হয়েছে। যার অর্থ হলো স্তব্ধ না হওয়া জ্ঞানের প্রবাহ।


সারাবিশ্ব থেকে বিশেষ করে জাপান চীন রাশিয়া ইন্দোনেশিয়া পার্শিয়া তুর্কী শ্রীলঙ্কা থেকে অধ্যায়ন করতে প্রচুর বিদ্যার্থীরা আসতো নালন্দা তে। ১০০০০ সন্ন্যাসী এবং ১৫১০ জন আচার্য ছিলেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার জন্য বিদ্যার্থীদের কোনো টাকা দিতে হতো না। হর্ষবর্ধন বসুবন্দু ধর্মপাল নাগার্জুন পদ্মসম্ভব হিউয়েন সাঙ এর মত লোক পড়াশোনা করেছেন এই নালন্দাতে। শোনা যায় আর্যভট্টও একসময় এই ইউনির্ভাসিটিতর প্রধান ছিলেন। এভাবেই ৮০০ বছর ধরে সারা বিশ্বকে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করে চলেছিল নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়। যদিও নালন্দা আক্রমণ একবার নয় তিন তিনবার হয়েছিল। 

বখতিয়ার খলজি কেন সম্পূর্ণ রূপে ধ্বংস করেছিলেন? খিলজি একবার প্রচুর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন, অনেক চিকিৎসা পরও কোন উন্নতি হচ্ছে না দেখে একজন পরামর্শ দেন নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান আচার্য রাহুল শ্রীভদ্র এর চিকিৎসা করতে পারেন। উনার থেকে একবার চিকিৎসা করে দেখা যেতে পারে। 


বখতিয়ার খলজির কোন অমুসলিমের থেকে চিকিৎসা করার ইচ্ছে ছিল না ( বর্তমানে আমরা দেখতে পাই)  তাই প্রথমে এই প্রস্তাব এড়িয়ে যান। কিন্তু পরবর্তীতে স্বাস্থ্যের উন্নতি না হওয়ায় ডাক পড়ে রাহুল শ্রীভদ্ররের। 


রাহুল শ্রীভদ্র খিলজির কাছে গিয়ে উনার শরীরের পর্যবেক্ষণ করার পর খিলজী শর্ত রাখেন উনি রাহুল শ্রীভদ্ররের দেওয়া কোন ওষুধ খাবেন না। এভাবে উনি রাহুল শ্রীভদ্র কে তাচ্ছিল্য করতে চান এবং হি n du দেরও ছোট দেখাতে চেয়েছিলেন।


রাহুল শ্রীভদ্র উনার শর্তে রাজি হয়েছিলেন এবং কুরআনের কয়েকটি পৃষ্ঠা তাকে প্রতিদিন পড়তে বলেন। খিলজি প্রতিদিন তাই করতে থাকেন, কিছু দিন মধ্যেই সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যান। 

রাহুল শ্রীভদ্র কোরআনের ওই পাতা গুলির মধ্যে ওষুধ মিশিয়ে দেয়,  যা প্রতিদিন পড়বার সময় খিলজির নাক অবধি পৌঁছে যেত।


করেকদিনের মধ্যেই খিলজি এ বিষয়টি জানতে পারেন, তখন তার মনে প্রবল হিংসা হয় এবং তিনি চিন্তা করতে থাকেন এই  ' কাফেরদের ' কাছে কিভাবে মুসলিম হাকিমের থেকেও বেশি জ্ঞান হলো?  ঠিক এর পরই উনি প্রতিজ্ঞা করেন জ্ঞানের ভান্ডার নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়কে সম্পূর্ণ রূপে ধ্বংস করার। 


রাহুল শ্রীভদ্র সমেত হাজারো বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের জ্ঞানের ভান্ডার ছিল এখানকার লাইব্রেরি। আসলে তখন নালন্দার ছিল বিশ্বের সবথেকে বড় গ্রন্থগার, যার নাম ছিল ধর্মগঞ্জ। এখানে প্রায় ৯০ লক্ষ বই ছিল। এই সমস্ত কিছু জেনেই খিলজি নালন্দার উপর আক্রমণ করেন। 

কয়েক হাজার বৌদ্ধ সন্ন্যাসী কে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়, অনেক বিদয়ার্থীদের জীবন্ত জ্বালানো হয়েছিল এবং এরপরেই নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। ইতিহাসবিদ মিনহাজ সিরাজ তার বই তাবাকাত-ই-নাসারীতে লিখেছেন  এই লাইব্রেরির সব সম্পূর্ণভাবে জ্বলতে সময় লেগেছিল তিন মাস। এর থেকেই বুঝতে পারেন কত বড় ছিল -এই লাইব্রেরি সংগ্রহশালা। যার মধ্যে বেশিরভাগ বইছিল আরিজিনাল, যার কোন কপি অন্য জায়গায় ছিল না। 


খিলজী শুধু নালন্দাকেই ধ্বংস করেননি, করেছিলেন ভারতবর্ষের জ্ঞানের ভান্ডারকে। যা আজো চলে বর্তমান যুগে শিক্ষা ব্যবস্থা কে ধ্বংস করার জন্য সেই খিলজির বংশধরেরা। 

এর জন্য আমি মনে করি একজন ভুল মানুষকে চিকিৎসার ফল হিসেবে নালন্দাকে ধ্বংস হতে হয়েছে। সেই বংশধরেরা বর্তমানেও বিরাজমান 

-

বি.দ্রঃ সংগৃহীত

ক্যান্সার_চিকিৎসায়_নতুন_দিগন্ত

 #ক্যান্সার_চিকিৎসায়_নতুন_দিগন্ত 


লেখা আর ছবি যদি আপনাদের পছন্দ হয় তাহলে রসায়ন এর সাথে থাকবেন। চলুন তাহলে এ সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নেই......


বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি এমন একটি বৈপ্লবিক প্রযুক্তির উদ্ভাবন করেছেন যা ক্যান্সার চিকিৎসার পদ্ধতিকে আমূল পরিবর্তন করে দিতে পারে। তারা ডিএনএ-ভিত্তিক ন্যানোরোবট তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন, যা ক্যান্সার কোষকে সুনির্দিষ্টভাবে লক্ষ্য করে ধ্বংস করতে পারে, অথচ শরীরের সুস্থ টিস্যুর কোনো ক্ষতি করে না। এই আবিষ্কার ক্যান্সার চিকিৎসায় এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে। ডিএনএ হলো এমন একটি অণু যা সহজে ভাঁজ করে বিভিন্ন কাঠামো তৈরি করা যায়। গবেষকরা এই বৈশিষ্ট্য কাজে লাগিয়ে এমন ক্ষুদ্র রোবট তৈরি করেছেন, যা রক্তপ্রবাহে চলাফেরা করতে পারে এবং কেবলমাত্র ক্যান্সার কোষের উপস্থিতি শনাক্ত করে এর প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে।


এই ন্যানোরোবটগুলোর গঠন এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে তারা শরীরে ভ্রমণ করে নির্দিষ্ট ধরনের প্রোটিন বা রাসায়নিক সংকেতের মাধ্যমে ক্যান্সার কোষ চিনে ফেলতে পারে। একবার লক্ষ্য শনাক্ত হলে, রোবটটি সক্রিয় হয়ে যায় এবং এর ভেতরে থাকা ওষুধ ক্যান্সার কোষের মধ্যে প্রবেশ করিয়ে দেয়, কোষটিকে ধ্বংস করে দেয়। এই প্রক্রিয়াটি এতটাই নিখুঁত যে পাশের সুস্থ কোষগুলো কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। এটি ক্যান্সার চিকিৎসার প্রচলিত পদ্ধতির তুলনায় অনেক বেশি কার্যকর এবং নিরাপদ। কেমোথেরাপির মতো চিকিৎসায় অনেক সময় ভালো কোষও আক্রান্ত হয়, যার ফলে নানা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়, যেমন দুর্বলতা, চুল পড়া, বমি ইত্যাদি। কিন্তু এই ডিএনএ ন্যানোরোবট ব্যবহারে এসব ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যাবে।


গবেষণার প্রাথমিক ধাপে এই ন্যানোরোবটগুলো পরীক্ষামূলকভাবে প্রাণীর শরীরে প্রয়োগ করা হয়েছে এবং ফলাফল অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক হয়েছে। দেখা গেছে, এটি অত্যন্ত সুনির্দিষ্টভাবে ক্যান্সার কোষকে টার্গেট করে এবং খুব অল্প সময়ের মধ্যে কার্যকর প্রতিক্রিয়া দেখাতে সক্ষম। বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, ভবিষ্যতে এটি মানুষের শরীরেও নিরাপদভাবে ব্যবহার করা সম্ভব হবে। বর্তমানে এই প্রযুক্তি নিয়ে আরও গভীর গবেষণা চলছে যাতে এটি ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত করা যায়।


এই উদ্ভাবনের মাধ্যমে চিকিৎসা বিজ্ঞানে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে পারে। কেবল ক্যান্সার নয়, ভবিষ্যতে এই ধরনের ন্যানোরোবট ব্যবহার করে অন্যান্য রোগ যেমন ভাইরাস সংক্রমণ, প্রদাহ বা জিনগত রোগের চিকিৎসাও করা যেতে পারে। এটি এমন একটি প্রযুক্তি যা রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা — দুই ক্ষেত্রেই ব্যবহারযোগ্য। তদুপরি, ন্যানোরোবট প্রযুক্তি ব্যবহারে ওষুধের মাত্রা কমিয়ে আনা যায়, ফলে খরচ কমে এবং রোগীর উপর চাপও হ্রাস পায়।


সব মিলিয়ে ডিএনএ-ভিত্তিক ন্যানোরোবট একটি যুগান্তকারী আবিষ্কার, যা আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতিকে আরও উন্নত, সুনির্দিষ্ট এবং মানবদেহের সঙ্গে আরও উপযোগী করে তুলবে। এই প্রযুক্তি একদিন ক্যান্সারের মতো জটিল রোগকেও একটি নিয়ন্ত্রিত ও নির্ভরযোগ্যভাবে চিকিৎসাযোগ্য পদ্ধতিতে পরিণত করতে পারে।


অসংখ্য ধন্যবাদ লেখাটি পড়ার জন্য! 


#cancertreatment #robots #chemotherapy #medicine #clinicaltrials #research

কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাওয়া অপার সম্ভাবনাময় ফসল ঢেমশি।

 কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাওয়া অপার সম্ভাবনাময় ফসল ঢেমশি। যার চাষ আবার নাটোরের লালপুরে পদ্মা নদীর চরাঞ্চলে শুরু হয়েছে। তুলনামূলক কম খরচ ও সময়ে ফলন দেওয়ায় ঢেমশি নতুন করে আশা জাগাচ্ছে। এরই মধ্যে বিলুপ্তপ্রায় এ ফসলের চাষ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে কৃষি বিভাগ।


নব্বইয়ের দশক বা তারও আগে এ অঞ্চলে ঢেমশি চাষ হতো। চলতি বছর উপজেলার বিলমাড়িয়া পদ্মার চরে ৩০ শতক জমিতে ঢেমশি চাষ হচ্ছে। জমিতে ফুল ফুটেছে। কিছু ফুলে ফসল ধরেছে। অল্প কিছুদিনের মধ্যে ঢেমশি ফল ঘরে তোলা যাবে। ঢেমশির বৈজ্ঞানিক নাম ‘ফ্যাগোপাইরাম এস্কুলেন্টাম’। এটি এমন একটি উদ্ভিদ, যা শস্যদানা সদৃশ বীজের জন্য চাষ করা হয়। দেখতে অনেকটা সরিষা দানার মতো। ইংরেজিতে ‘বাকহুইট’ বা ‘কমন বাকহুইট’ নামে পরিচিত।


ঢেমশির চাল বা আটা খেলে ডায়াবেটিক, ব্লাড প্রেসার, অ্যাজমা, হার্টের রোগের ঝুঁকি কমে বা নিরাময় করে।দুর্ভাগ্য হলেও সত্য, বহু আগে আমাদের দেশে এর চাষাবাদ হলেও কালের বিবর্তনে তা হারিয়ে যেতে বসেছে। হারিয়ে যাওয়ার কারণ হলো উচ্চ মূল্যের ফসলের আর্বিভাব, খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন, সর্বোপরি কৃষকের ন্যায্যমূল্য না পাওয়া। পৃথিবীর উন্নত দেশ চীন, জাপান, আমেরিকাসহ নানা দেশে ঢেমশির কদর অনেক বেশি। সেসব দেশে চাষাবাদ, প্রসেসিংসহ নানা পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে যাচ্ছে সরকার।


ঢেমশির চাল এবং আটায় আছে অতিমাত্রায় প্রোটিন, মিনারেল এবং ফাইবার। যা আমাদের জন্য উত্তম খাদ্য। আরও আছে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, কপার, ফসফরাস, পটাশিয়াম, সোডিয়াম, জিংক, ভিটামিন (বি১, বি২, বি৩, বি৬, বি১২) ও সেলেনিয়ামসহ নানা পুষ্টিকর উপাদান।


তথ্যসূত্র : প্রথম আলো। 

(অনুমতি ছাড়া রিপোস্ট করবেন না)

#ঢেমশি #ঢেমশির_চাল

#বাংলার_তথ্যপট(বাংলার তথ্যপট সম্পর্কে জানুন কমেন্টে)

ভালো পুরুষদের খুঁজে পাওয়া কঠিন নয় - তাদের প্রলুব্ধ করা কঠিন

 “ভালো পুরুষদের খুঁজে পাওয়া কঠিন নয় - তাদের প্রলুব্ধ করা কঠিন”


একটি সাধারণ ভুল ধারণা রয়েছে যে ভালো পুরুষরা খুব বিরল এবং যেন অদৃশ্য হয়ে গেছে। কিন্তু সত্যটা হলো – ভালো পুরুষদের খুঁজে পাওয়া কঠিন নয়। তারা কেবল এমন জিনিসে প্রভাবিত হয় না যা কেবল বাইরের মোহ তৈরি করে।


একজন গভীর চিন্তার মানুষ তার পছন্দ নির্ধারণ করেন সাময়িক আকর্ষণের উপর নয়। তিনি গভীরতা, চরিত্র এবং তার মূল্যবোধ ও দৃষ্টিভঙ্গির সাথে মানানসই কাউকে খুঁজে নেন। যদি একজন সত্যিকারের ভালো পুরুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে আপনি সংগ্রাম করেন, তবে হয়তো আপনার পদ্ধতি বদলানোর সময় এসেছে।


যা কাজ করে না:

 • আকর্ষণীয় ও উন্মুক্ত পোশাক: এগুলো হয়তো অনেকের নজর কাড়ে, কিন্তু ভালো পুরুষ কেবল বাইরের চেহারা নয়, বরং গভীর সংযোগ খোঁজেন।

 • সোশ্যাল মিডিয়ার নাটক: অতিরঞ্জিত পোস্ট বা বেছে নেওয়া সেলফি হয়তো লাইক পায়, কিন্তু সত্যিকারের সম্মান বা আগ্রহ জাগাতে ব্যর্থ।

 • উপকরণবাদিতা বনাম অর্থ: বিলাসবহুল জিনিস বা ব্র্যান্ড পছন্দ প্রদর্শন একজন মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষকে মুগ্ধ করে না।


যা কাজ করে:

 1. চরিত্র বনাম চেহারা: একজন ভালো পুরুষ খেয়াল করেন আপনি অন্যদের সাথে কেমন আচরণ করেন, আপনার বিনয় এবং সহানুভূতি। একটি সহানুভূতিশীল মন দীর্ঘস্থায়ী ছাপ ফেলে।

 2. মেধা বনাম সৌন্দর্য: মেধা মানে কেবল ডিগ্রি বা শব্দভাণ্ডার নয়; এটি কৌতূহল, প্রজ্ঞা এবং অর্থবহ কথোপকথন করার ক্ষমতা। তার মনকে প্রভাবিত করুন, তার প্রশংসা পাবেন।

 3. মূল্যবোধ বনাম ভোগবাদ: গভীর মানসিকতার একজন পুরুষ এমন নারীকেই পছন্দ করেন যার স্পষ্ট মূল্যবোধ ও লক্ষ্য আছে। তাকে আপনার বিকাশের প্রতি ভালোবাসা, আপনার বিশ্বাসের প্রতি অঙ্গীকার, বা আপনার জীবনের কোনো মহৎ উদ্দেশ্য দেখান।

 4. স্থিতিশীলতা বনাম বিশৃঙ্খলা: নাটক ছাড়া স্থিতিশীলতা ভালো পুরুষদের কাছে আকর্ষণীয়। তারা এমন কাউকে খোঁজেন যে জীবনের চ্যালেঞ্জগুলোকে শান্তভাবে মোকাবিলা করতে পারে, না যে অপ্রয়োজনীয় বিশৃঙ্খলা তৈরি করে।

 5. আত্মবিশ্বাস বনাম সাদৃশ্য: নিজেকে নির্দ্বিধায় উপস্থাপন করুন। একজন ভালো পুরুষ এমন নারীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল যে নিজের মূল্য জানে এবং প্রয়োজনে একা থাকার সাহস রাখে।


ভালো পুরুষকে আকৃষ্ট করার গোপন রহস্য:


একজন ভালো পুরুষ চান না আপনি নিজেকে পাল্টান; তিনি চান আপনি আপনার আসল রূপে থাকুন – সৎ, সাহসী এবং স্বকীয়তায় পরিপূর্ণ।


তিনি পরিপূর্ণতা খুঁজছেন না; বরং এমন কাউকে খুঁজছেন যিনি তার যাত্রাকে পরিপূরক করবেন, যার মূল্যবোধ ও লক্ষ্য তার সাথে মিলে যায়। তিনি লক্ষ্য করবেন আপনার নীরব শক্তি, অন্যদের সাথে আপনার আচরণ এবং জীবনের উত্থান-পতন কিভাবে আপনি সামাল দেন।


তাই, যদি আপনি একটি অর্থপূর্ণ সম্পর্কের জন্য আগ্রহী হন, তাহলে ক্ষণস্থায়ী বাহ্যিক গুণাবলীর চেয়ে আপনার অন্তর্নিহিত গুণাবলী গড়ে তোলার উপর বেশি মনোযোগ দিন। আপনার কাজ, মেধা এবং মূল্যবোধ পোশাক বা সোশ্যাল মিডিয়ার চেয়ে জোরালোভাবে কথা বলুক।


সৌন্দর্যের চেয়ে কৌশলী হন। কারণ যখন একজন ভালো পুরুষ আপনাকে একবার লক্ষ্য করবে, তখন তিনি আপনার প্রতিটি দিক – ভিতর এবং বাইরের – গভীরভাবে মূল্যায়ন করবেন।

সংগৃহীত।

পেয়ারার মিলিবাগ/ছাতরা পোকা।

 ফসলঃ- পেয়ারা


পোকার নামঃ- পেয়ারার মিলিবাগ/ছাতরা পোকা।


পোকার স্থানীয় নামঃ- ছাতরা পোকা


পোকা চেনার উপায় : দুধের মত সাদা বর্ণের এবং মোম জাতীয় পাউডার দ্বারা নরম দেহ আবৃত থাকে।


ক্ষতির ধরণঃ- এরা কচি ফল, পাতা ও ডালের রস চুষে নেয়, ফলে গাছ দুর্বল হয়। পোকার আক্রমণে পাতা, ফল ও ডালে সাদা সাদা তুলার মত দেখা যায়। অনেক সময় পিঁপড়া দেখা যায়। এর আক্রমণে অনেক সময় পাতা ঝরে যায় এবং ডাল মরে যায়।


আক্রমণের পর্যায়ঃ- বাড়ন্ত পর্যায়, চারা, পূর্ণ বয়স্ক।


ফসলের যে অংশে আক্রমণ করেঃ- কাণ্ড , পাতা , ডগা


পোকার যেসব স্তর ক্ষতি করেঃ- লার্ভা , পূর্ণ বয়স্ক


ব্যবস্থাপনাঃ-

আক্রমণ বেশি হলে ইমিডাক্লোরোপ্রিড জাতীয় কীটনাশক (যেমন এডমায়ার অথবা টিডো ৭-১০ মিলিলিটার / ২মুখ) ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে স্প্রে করতে হবে ১০ দিন পরপর ২/৩ বার। কীটনাশক স্প্রে করায় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।


বালাইনাশক সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন


বালাইনাশক ব্যবহারে সতর্কতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন


পূর্ব-প্রস্তুতিঃ-

নিয়মিত বাগান পরিদর্শন করুন।


অন্যান্যঃ-

সাবানযুক্ত পানি স্প্রে করা যায় অথবা আধাভাঙ্গা নিমবীজের পানি (১ লিটার পানিতে ৫০ গ্রাম নিমবীজ ভেঙ্গে ১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে ছেঁকে নিতে হবে) আক্রান্ত গাছে ১০ দিন পর পর ৩ বার স্প্রে করলে পোকা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এছাড়াও তামাকের গুড়া (১০গ্রাম), সাবানের গুঁড়া (৫গ্রাম) ও নিমের পাতার রস  প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে ব্যবহার করা যায়। আক্রান্ত অংশ পোকাসহ তুলে ধ্বংস করতে হবে। খুব জোরে পানি স্প্রে করেও প্রাথমিক অবস্থায় এ পোকা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।


তথ্যের উৎসঃ-

সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা ও বিভিন্ন ফসলের ক্ষতিকারক পোকামাকড় দমন, কীটতত্ত্ব বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, ২০১৭।


ফসলের বালাই ব্যবস্থাপনা, মোঃ হাসানুর রহমান, দ্বিতীয় সংস্করণ, জানুয়ারী ২০১৩।


পেয়ারা চাষের উন্নত কলাকৌশল, ড. এম. এ. রহিম ও ড. মোঃ শামসুল আলম মিঠু, ২০১০, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।

আমাদের ছোট পরিবার: সাইকোলজি অফ লাইফ  সংগৃহীত

 জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে হুমায়ুন ফরীদি প্রচুর বাকী খেতেন। তার সময়কার দোকানদাররা এখনো ওইসব বাকী নিয়ে অভিযোগ নয়, বরং তারা গর্ব করেন! কথিত আছে যে, ফরীদিকে একবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে সুমন নামে একজন ঠাট্টাচ্ছলে বলেছিলেন আপনি আলবেরুনীর ক্যান্টিনে ৩১৯ টাকা বাকী রেখেছেন, শোধ করে যাবেন! জবাবে তিনি উত্তর দেন, ‘আমি এইটা শোধ করব না।’ সবাই বলে উঠল, "কেন কেন?" উনি তখন উত্তরে বলেন, "আমি এই ক্যান্টিন, হল, ক্যাম্পাস, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের মানুষগুলোর কাছে


আজীবন ঋণী থাকতে চাই। "


.........................


অভিনেতা হুমায়ুন ফরিদী তখন হুতাপাড়ায় ছিলেন। পরিবার থেকে জরুরী কল পেয়ে রাত দুইটার পর ঢাকায় রওনা হন। নিজেই চালাচ্ছিলেন গাড়ি। সারাপথে অঝোরে বৃষ্টি। তার মাঝেই রওনা হয়েছিলেন ফরিদী।


বহুদূর চলে আসার পর খেয়াল হলো প্রোডাকশন বয় ইসমাইলকে কিছু টিপস দেয়ার কথা ছিলো। অপেক্ষা করতে বলেছিলেন। ছেলেটা টাকার আশায় বসে থাকবে।


হুমায়ুন ফরিদী সেই বৃষ্টির রাতেই গাড়ি ব্যাক করিয়ে ফিরে এলেন হুতাপাড়া। ইসমাইলকে টিপস দিয়ে তারপর আবার গাড়ি চালিয়ে ফিরেছিলেন ঢাকা। সেই ঝুম বৃষ্টির মাঝেই..


.


কথা খেলাপ করার মানুষ ফরিদী ছিলেননা...!


.........


লেখক হুমায়ুন আহমেদ তার এক লেখায় একবার লিখেছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে বহু লোক একজনকে ঘিরে আছে, সবাই তার কথা মন্ত্রমুগ্ধের মতো শুনছে, হাসছে, হাত তালি দিচ্ছে... দেখে মনে হলো শব্দের জাদুকর! কাছে গিয়ে দেখি ঝাকড়া চুলের এক তাগড়া যুবক! কথা বলার মাঝেই একটা আর্ট ছিলো! অন্য যেকোনো দশটা মানুষ থেকে সহজেই তাকে আলাদা চেনা যেতো! মানুষ টা হুমায়ুন ফরীদি!


...............


তিনি ছিলেন একাধারে শিল্পী, কবি, অভিনেতা, নাট্যশিল্পী, আবৃত্তিকার এবং মুক্তিযোদ্ধা।


এখান থেকে কি শিক্ষা পেয়েছেন বলে যান! 


আমাদের ছোট পরিবার: সাইকোলজি অফ লাইফ 

সংগৃহীত

ভেনিস: পানির নিচে বনভূমির ওপর ভাসমান এক শহর

 ভেনিস: পানির নিচে বনভূমির ওপর ভাসমান এক শহর


৪২১ খ্রিস্টাব্দ থেকে ভেনিস শহরটি কোটি কোটি কাঠের খুঁটির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। ইস্পাত বা কংক্রিট নয়, বরং মূলত এল্ডার কাঠ এবং কিছু ওক কাঠ দিয়ে পুরো শহরটি তৈরি করা হয়েছে।


লবণাক্ত পানির সংস্পর্শে এসব কাঠের খুঁটি পাথরের মতো শক্ত হয়ে গেছে। শুধুমাত্র সেন্ট মার্কস ক্যাম্পানাইল তৈরিতে ব্যবহৃত হয়েছে ১ লক্ষ কাঠের খুঁটি, আর বিশাল বাসিলিকা ডেলা সালুতে গড়তে লেগেছে ১০ লাখের বেশি খুঁটি! সেই সময়ের দক্ষ নির্মাণশ্রমিকরা এগুলো সমুদ্রের তলায় পুঁতে দিয়ে এক বিস্ময়কর ‘জলমগ্ন বন’ তৈরি করেছিলেন।


এই কাঠামো প্রায় তিন মিটার গভীর পর্যন্ত বিস্তৃত, যেখানে খুঁটিগুলো অর্ধ মিটার ব্যবধানে বসানো হয়েছে। পানির স্তর থেকে ১.৬ মিটার নিচে এই অসাধারণ মধ্যযুগীয় প্রকৌশল ১,৫০০ বছর পরও ভেনিস শহরকে দৃঢ়ভাবে ধরে রেখেছে, যা পৃথিবীর অন্যতম বিস্ময়কর নগরী।


#মনোবিজ্ঞান_ও_প্রযুক্তির_কথা



বুধবার, ৭ মে, ২০২৫

নিউক্লিয়ার বোমা বিস্ফোরণের পর প্রথম ৩০ সেকেন্ডের মধ্যেই  বিস্ফোরণের কেন্দ্রে তাপমাত্রা এক থেকে কয়েক মিলিয়ন ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছায়।

 নিউক্লিয়ার বোমা বিস্ফোরণের পর প্রথম ৩০ সেকেন্ডের মধ্যেই  বিস্ফোরণের কেন্দ্রে তাপমাত্রা এক থেকে কয়েক মিলিয়ন ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছায়।

আশেপাশের মানুষ ও জীবজন্তু তৎক্ষণাৎ পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

বাড়িঘর, গাছপালা, যানবাহন, যা কিছু দাহ্য সব জ্বলে ওঠে বা গলে যায়।


শকওয়েভ (Shockwave)

প্রচণ্ড শব্দ ও চাপে কংক্রিটের বাড়ি পর্যন্ত ধসে পড়ে।

বিস্ফোরণস্থলের কাছাকাছি মানুষদের দেহ ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়।


 তেজস্ক্রিয়তা (Radiation):

গামা রে এবং নিউট্রনের প্রবাহ তাৎক্ষণিকভাবে আশেপাশের সব জীবকে মরণব্যাধিতে আক্রান্ত করে।

Radiation sickness দেখা দেয়: বমি, রক্তপাত, শরীরের কোষ ধ্বংস, কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যু।


নিউক্লিয়ার ফায়ারবল ও মাশরুম ক্লাউড

কয়েক কিলোমিটার উচ্চতায় মাশরুম আকারে ধোঁয়া ও ধ্বংসাবশেষের স্তম্ভ সৃষ্টি হয়। দূর থেকে দেখা যায়—এক ভয়াল মেঘের পাহাড় উঠছে আকাশে।


 তেজস্ক্রিয়তা বিস্তার ও দীর্ঘস্থায়ী রোগ

Chernobyl ও Hiroshima–Nagasaki-এর মতো স্থানে দেখা গেছে, বহু বছর পরেও মানুষ ক্যান্সার, জন্মগত ত্রুটি ও অন্যান্য জটিল রোগে ভোগে।

তেজস্ক্রিয় ধূলিকণা বাতাসে ও মাটিতে ছড়িয়ে পড়ে, ফলে ফসল উৎপাদন বন্ধ, পানীয় জল দূষিত, ও পরিবেশ ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।


 নিউক্লিয়ার উইন্টার (Nuclear Winter)

অনেকগুলো নিউক্লিয়ার বোমা ব্যবহার হলে (যেমন বিশ্বযুদ্ধের ক্ষেত্রে), বাতাসে ধোঁয়ার স্তর এত বেশি হবে যে সূর্যালোক পৃথিবীতে পৌঁছাবে না।

এর ফলে গ্লোবাল কুলিং, খাদ্য সংকট ও ব্যাপক মৃত্যুর সম্ভাবনা থাকে।


 এলাকার মানবশূন্যতা 


চেরনোবিল (Chernobyl, 1986)

বিস্ফোরণের পর ৩০ কিলোমিটার এলাকা 'এক্সক্লুশন জোন' হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ২০২৫ সালেও এই অঞ্চল মানবশূন্য – গাইডেড ট্যুর ছাড়া প্রবেশ নিষিদ্ধ।


প্রকৃতি ধীরে ধীরে ফিরলেও, মানব বসবাস কমপক্ষে ২০০-৩০০ বছর অনিরাপদ।

আধুনিক হাইড্রোজেন বোমা ব্যবহারে

যে এলাকা আঘাতপ্রাপ্ত হবে, তা ৫০০–১০০০ বছর পর্যন্ত মানব বসবাসের অযোগ্য হতে পারে।


মাটি, জল ও বায়ু এত বেশি দূষিত হবে যে সাধারণ কোনো প্রযুক্তিতে সহজে পরিশুদ্ধ করা যাবে না।


নিউক্লিয়ার বোমা একটি তাৎক্ষণিক ধ্বংসযজ্ঞের মাধ্যম হলেও, তার আসল ভয়াবহতা ধীরে ধীরে প্রকৃতি, মানবসভ্যতা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গ্রাস করে। এটি শুধু একটি অঞ্চল ধ্বংস করে না, বরং পুরো পৃথিবীর পরিবেশ, স্বাস্থ্য ও খাদ্যশৃঙ্খলকে বিপর্যস্ত করে তোলে।


সংগৃহীত

গল্প অভিশপ্ত পরী পর্ব __১৫  #লেখক__মোঃ__নিশাদ 

 গল্প অভিশপ্ত পরী

পর্ব __১৫ 

#লেখক__মোঃ__নিশাদ 


আজ একটু পর তোমার আমার বিয়ে হবে। 


মায়ামনির কথায় বিষয়টা কেমন স্বপ্ন স্বপ্ন মনে হচ্ছিলো। একটা পরীর সাথে আমার বিয়ে তাও যেমন তেমন পরী না পরীর রানির সাথে। 


মায়ামনির কথায় আমি ওর প্রসাদটা ঘুরে ঘুরে দেখছিলাম। কত সুন্দর করে সাজিয়েছে সব জায়গা। আমাদের বিয়ে উপলক্ষে ও অনেক জ্বীন পরীকেও দাওয়াত করছে। 


আমি বেশ কিছুক্ষন আশপাশটা ঘুরে দেখে আবার প্রসাদে ফিরলাম। প্রসাদে ফিরে দেখলাম মায়ামনিকে খুব সুন্দর করে সাজানো হইছে ওর দিকে তাকাতেই যেনো চোখ সরাতে পারছিনা। 


এদিকে আমাকে দেখে মায়ামনি আমার কাছে এসে আমাকে সুন্দর একটা পোশাক দিয়ে বললো যাও এটা পড়ে নাও। এটা আমার নিজ হাতে বানানো রেশমি কাপড়ের একটা সুন্দর পোশাক। 


মায়ামনির কথায় ওর দেয়া পোশাকটা নিয়ে একটা ঘরে গেলাম আর সেটা পরে ফেললাম। আসলেই সেই পোশাকটা অনেক নরম ও সুন্দর ছিলো। 


আমি সুন্দর পোশাকটা পরার পর মায়ামনির সামনে আসি। তখন মায়ামনি আমাকে নিয়ে যায় বিশেষ একটা জায়গায় যেখানে আমাদের বিয়ে হবে। 


আমরা সেই জায়গায় যাওয়ার পর আমাদের বিয়ে হবে। এমন সময় একটা পরী আহ*ত অবস্থায় সেখানে এসে মায়ামনিকে বললেন। 


 রানী মা সাবধান হয়ে যায় বিপদ আসছে। 

সেই পরীর কথায় মায়ামনি আমাকে বললেন নিশাদ উঠো ঘরের ভিতরে যাও তারাতারি। 


ওর কথায় আমি কিছু বুঝতে না পেরে ওকে জিজ্ঞেস করবো কি হইছে ঠিক তখনি সেখানে এসে উপস্থিত হলেন। অভি*শপ্ত পরী ও মায়ামনিকে ভালোবাসা সেই জ্বীন। ওরা দুজনে তাহলে একসাথে হইছে। 


ওরা সেখানে এসে অভি*শপ্ত পরী বললো। 

কিহহ বিয়ের আয়োজন। হা হা হা এরকম একটা বিয়ের আয়োজন আমিও করছিলাম কিন্তু সেটা তুই হতে দিসনি মায়ামনি৷ আজ আমিও তোর আর ওর বিয়ে হতে দিবোনা৷ 


অভি*শপ্ত পরীর কথায় সেই জ্বীন ও বললো, আমি তোমাকে অন্য কারো হতে দিবোনা তুমি সুধু আমার হবে। আমার সাথেই তোমার বিয়ে হবে মায়ামনি। 


ওঁদের দুজনের কথা শুনে মায়ামনি রেগে গিয়ে বললেন। 

তোদের এতবড় সাহস আমার রাজ্যে আমার প্রসাদে এসে আমাকেই হুমকি দিচ্ছিস। এই বন্ধি করো এঁদের দুজনকে আজ এঁদের অনেক বড় শাস্তি দিবো। 


মায়ামনির আদেশে দুজন পরী অভি*শপ্ত পরীর দিকে এগিয়ে যেতে মহূর্তে অভি*শপ্ত পরী ওঁদের আঘাত করে আহ*ত করে ফেললেন। 


এটা দেখে আরো কয়েকটা পরী এগিয়ে যাওয়ায় তাঁদেরকে ও আঘাত করে আহ*ত করলেন অভি*শপ্ত পরী। 


এটা দেখে মায়ামনি নিজেই ঝাঁপিয়ে পড়লেন অভি*শপ্ত পরীর উপর কিন্তু এতেও কোন লাভ হলোনা মায়ামনি অভিশপ্ত পরীর সাথে পেরে উঠলোনা। উল্টো অনেক আহ*ত হয়ে পড়ে রইলো সেখানে। 


এমন অবস্থায় অভি*শপ্ত পরী বললেন। 

নিজেকে খুব শক্তিশালি ভাবিস তাইনা মায়ামনি।


তুই সেদিন আমাকে অনেক মে*রেছিলি৷ আমি গ্রামের সবার মাঝে রোগ ছড়িয়েছিলাম বলে তুই সবাইকে আবার সুস্থ করছিলি৷ আমি তোর কাছে আঘাত পাবার পর নিজেকে আরো শক্তিশালী করতে আমার নিজের ছেলেকে আমি শয়তা*নের নামে বলি দিয়েছি।  আমার ছেলেকে বলি দিয়ে আমি অনেক সাধনা করে নিজেকে করেছি অনেক শক্তিশালী। মায়ামনি এখন তুই কেনো তোর মত আরো দুজন আসলেও আমার সাথে পারবেনা৷ আমি তোর সামনেই কাল এই ছেলেকে বিয়ে করবো। তুই পারলে যা ইচ্ছে করিস। 


কথাটা বলে অভি*শপ্ত পরী আমার কাছে আসলেন আর আমাকে ধরলেন। আমি তখন নিজেকে ছাড়ানোর অনেক চেষ্টা করছিলাম কিন্তু পারিনি। আমি মায়ামনিকে চিৎ*কার করে ডাকছিলাম। মায়ামনি ও আমাকে ছাড়তে চায়নি, ওদিকে সেই জ্বীনটা মায়ামনিকে ধরে রেখেছিলো। 


অভি*শপ্ত পরী তখন মায়ামনির চোখের সামনে আমাকে সেখান থেকে ধরে নিয়ে চলে গেলো। 


কি থেকে কি হয়ে গেলো। ভেবেছিলাম অভি*শপ্ত পরী আর কখনও আসবেনা৷ কিন্তু মায়ামনির ভালোবাসা জ্বীনটা আর পরী যে এক হবে এটা ভাবতে পারিনি। অভি*শপ্ত পরী এখন অনেক শক্তিশালী ওর সাথে মায়ামনি ও পারছেনা তাহলে কি সত্যি সত্যি অভি*শপ্ত পরী আমাকে বিয়ে করবে।  


অভি*শপ্ত পরী আমাকে ধরে নিয়ে আসার পর। ওদিকে আমার মা বাবা আমাকে রাতে বাড়িতে ফিরতে না দেখে সকালে ঈমাম সাহেবের কাছে যান। 


ঈমাম সাহেবের কাছে যাওয়ার পর ওনাকে সব খুলে বলে। সব শুনে ঈমাম সাহেবের একটু সন্দেহ হয়। পরে ওনি মা বাবাকে নিয়ে ওনার যে বন্ধু। হুজুর ওনার কাছে যান। 


হুজুরের কাছে যাবার পর  হুজুরকে সব ঘটনা খুলে বলে। সব শুনে হুজুর কিছুক্ষন সময় নেন আর ওনার সাথে থাকা দুজন জ্বীনকে দিয়ে খবর নিয়ে জানতে পারেন আমার ও মায়ামনি পরীর বিষয়। 


হুজুর সব তথ্য নিয়ে মা বাবাকে বলে, কথাটা শুনে হয়তো অবাক হবেন। আপনার ছেলে আছে পরীদের রাজ্যে। একটা পরীকে ও ভালোবাসে আর ওকে সে বিয়ে করবে। 


হুজুরের কথায় মা বাবা তো পুরাই অবাক হয়ে যান। আমি পরীদের রাজ্যে আছি শুনে ওনারা হুজুরকে বলেন আমাকে যেনো ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। 


মা বাবার অনুরোধে হুজুর বলেন ওকে ঐ পরীর রানী ইচ্ছে করে ফিরিয়ে না আনলে ওকে নিয়ে আসা যাবেনা। আমার সাথে থাকা জ্বীনেরা বলছে আপনার ছেলে নিশাদ এখন বিপদে আছে, অভি*শপ্ত পরীর কবলে পড়ছে আপনার ছেলে। 


এই কথা শুনে মা তো কান্না করতে থাকে। এদিকে বাবা হুজুরকে বলেন। হুজুর আপনার কাছে অনুরোধ করি আমার ছেলেটাকে ফিরিয়ে আনুন ওকে সাহায্য করুন৷ 


বাবার অনুরোধে হুজুর মা বাবাকে শান্ত করে বলে ঠিক আছে আমি আমার দিক থেকে যথেষ্ট চেষ্টা করবো আপনার ছেলেকে সাহায্য করে ফিরিয়ে আনার। আপনারা চিন্তা করবেন না। পরীর রানী থাকতে নিশাদের ক্ষতি অন্য কেউ সহজে করতে পারবেনা। আপনারা বাড়ি যান আমি আজকে রাতে আপনার ছেলেকে ফিরিয়ে নিয়ে আসার ব্যাবস্তা করবো। 


হুজুরের কথায় মা বাবা চিন্তায় চিন্তায় বাড়িতে ফিরে আসে। 

এদিকে আমি অভি*শপ্ত পরীর কাছে বন্ধি। 


আমাকে বন্ধি করে রাখায় আমি পরীকে বলি। 

আপনি কি চান আমার কাছে। আপনি তো এখন অনেকটা শক্তিশালী হইছেন এখন আমার ও মায়ামনির জিবন থেকে চলে যান। 


আমার কথায় অভি*শপ্ত পরী বলে চলে যাবো। 

না আমার এখনো অনেক কাজ বাকি। আমাকে তোরা অনেক অপমান করছিস। আঘাত করছিস। আমি কাউকে ছাড়বোনা। আগে তোর আর মায়ামনির বিচার হবে তারপর আমি আবারে গ্রামের মানুষের পিছনে লাগবো। 


আমি অনেক শক্তিশালী হইছি ঠিকি কিন্তু এখনো বুড়ো রয়ে গেছি। আমি তোকে বিয়ে করলে। আর তোর র*ক্ত আমার শরীলে লাগলে আমি ফিরে পাবো আমার রুপ হয়ে যাবো যুবতী। 


ওর কথায় আমি বললাম না আমিতো ইচ্ছে করে আপনাকে বিয়ে করবোনা। 


 বিয়ে করবিনা। আমাকে বিয়ে না করলে সব হাড়াবি। তোর ভালোবাসা মায়ামনিকে মে*রে ফেলবো সাথে তোর মা বাবা ও গ্রামবাসী সবাইকে। এখন তোর মা বাবা সহ গ্রামবাসীর মধ্যে রোগ ছড়াতে তো পারবোনা কিন্তু তুই আমাকে ইচ্ছে করে বিয়ে না করলে সবাইকে ভয় দেখিয়ে মা*রবো। আস্তে আস্তে পুরু গ্রাম শেষ করে দিবো। এখন বল তুই রাজি কিনা। 


অভি*শপ্ত পরীর কথায় মাথা ঘুরতে লাগলো। 

সবাইকে বাঁচাতে আমি উপায় না পেয়ে ওকে বিয়ে করতে রাজি হলাম। 


তারপর _______


পরের পর্ব হবে শেষ পর্ব।

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...