এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ৮ মে, ২০২৫

ভালো পুরুষদের খুঁজে পাওয়া কঠিন নয় - তাদের প্রলুব্ধ করা কঠিন

 “ভালো পুরুষদের খুঁজে পাওয়া কঠিন নয় - তাদের প্রলুব্ধ করা কঠিন”


একটি সাধারণ ভুল ধারণা রয়েছে যে ভালো পুরুষরা খুব বিরল এবং যেন অদৃশ্য হয়ে গেছে। কিন্তু সত্যটা হলো – ভালো পুরুষদের খুঁজে পাওয়া কঠিন নয়। তারা কেবল এমন জিনিসে প্রভাবিত হয় না যা কেবল বাইরের মোহ তৈরি করে।


একজন গভীর চিন্তার মানুষ তার পছন্দ নির্ধারণ করেন সাময়িক আকর্ষণের উপর নয়। তিনি গভীরতা, চরিত্র এবং তার মূল্যবোধ ও দৃষ্টিভঙ্গির সাথে মানানসই কাউকে খুঁজে নেন। যদি একজন সত্যিকারের ভালো পুরুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে আপনি সংগ্রাম করেন, তবে হয়তো আপনার পদ্ধতি বদলানোর সময় এসেছে।


যা কাজ করে না:

 • আকর্ষণীয় ও উন্মুক্ত পোশাক: এগুলো হয়তো অনেকের নজর কাড়ে, কিন্তু ভালো পুরুষ কেবল বাইরের চেহারা নয়, বরং গভীর সংযোগ খোঁজেন।

 • সোশ্যাল মিডিয়ার নাটক: অতিরঞ্জিত পোস্ট বা বেছে নেওয়া সেলফি হয়তো লাইক পায়, কিন্তু সত্যিকারের সম্মান বা আগ্রহ জাগাতে ব্যর্থ।

 • উপকরণবাদিতা বনাম অর্থ: বিলাসবহুল জিনিস বা ব্র্যান্ড পছন্দ প্রদর্শন একজন মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষকে মুগ্ধ করে না।


যা কাজ করে:

 1. চরিত্র বনাম চেহারা: একজন ভালো পুরুষ খেয়াল করেন আপনি অন্যদের সাথে কেমন আচরণ করেন, আপনার বিনয় এবং সহানুভূতি। একটি সহানুভূতিশীল মন দীর্ঘস্থায়ী ছাপ ফেলে।

 2. মেধা বনাম সৌন্দর্য: মেধা মানে কেবল ডিগ্রি বা শব্দভাণ্ডার নয়; এটি কৌতূহল, প্রজ্ঞা এবং অর্থবহ কথোপকথন করার ক্ষমতা। তার মনকে প্রভাবিত করুন, তার প্রশংসা পাবেন।

 3. মূল্যবোধ বনাম ভোগবাদ: গভীর মানসিকতার একজন পুরুষ এমন নারীকেই পছন্দ করেন যার স্পষ্ট মূল্যবোধ ও লক্ষ্য আছে। তাকে আপনার বিকাশের প্রতি ভালোবাসা, আপনার বিশ্বাসের প্রতি অঙ্গীকার, বা আপনার জীবনের কোনো মহৎ উদ্দেশ্য দেখান।

 4. স্থিতিশীলতা বনাম বিশৃঙ্খলা: নাটক ছাড়া স্থিতিশীলতা ভালো পুরুষদের কাছে আকর্ষণীয়। তারা এমন কাউকে খোঁজেন যে জীবনের চ্যালেঞ্জগুলোকে শান্তভাবে মোকাবিলা করতে পারে, না যে অপ্রয়োজনীয় বিশৃঙ্খলা তৈরি করে।

 5. আত্মবিশ্বাস বনাম সাদৃশ্য: নিজেকে নির্দ্বিধায় উপস্থাপন করুন। একজন ভালো পুরুষ এমন নারীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল যে নিজের মূল্য জানে এবং প্রয়োজনে একা থাকার সাহস রাখে।


ভালো পুরুষকে আকৃষ্ট করার গোপন রহস্য:


একজন ভালো পুরুষ চান না আপনি নিজেকে পাল্টান; তিনি চান আপনি আপনার আসল রূপে থাকুন – সৎ, সাহসী এবং স্বকীয়তায় পরিপূর্ণ।


তিনি পরিপূর্ণতা খুঁজছেন না; বরং এমন কাউকে খুঁজছেন যিনি তার যাত্রাকে পরিপূরক করবেন, যার মূল্যবোধ ও লক্ষ্য তার সাথে মিলে যায়। তিনি লক্ষ্য করবেন আপনার নীরব শক্তি, অন্যদের সাথে আপনার আচরণ এবং জীবনের উত্থান-পতন কিভাবে আপনি সামাল দেন।


তাই, যদি আপনি একটি অর্থপূর্ণ সম্পর্কের জন্য আগ্রহী হন, তাহলে ক্ষণস্থায়ী বাহ্যিক গুণাবলীর চেয়ে আপনার অন্তর্নিহিত গুণাবলী গড়ে তোলার উপর বেশি মনোযোগ দিন। আপনার কাজ, মেধা এবং মূল্যবোধ পোশাক বা সোশ্যাল মিডিয়ার চেয়ে জোরালোভাবে কথা বলুক।


সৌন্দর্যের চেয়ে কৌশলী হন। কারণ যখন একজন ভালো পুরুষ আপনাকে একবার লক্ষ্য করবে, তখন তিনি আপনার প্রতিটি দিক – ভিতর এবং বাইরের – গভীরভাবে মূল্যায়ন করবেন।

সংগৃহীত।

পেয়ারার মিলিবাগ/ছাতরা পোকা।

 ফসলঃ- পেয়ারা


পোকার নামঃ- পেয়ারার মিলিবাগ/ছাতরা পোকা।


পোকার স্থানীয় নামঃ- ছাতরা পোকা


পোকা চেনার উপায় : দুধের মত সাদা বর্ণের এবং মোম জাতীয় পাউডার দ্বারা নরম দেহ আবৃত থাকে।


ক্ষতির ধরণঃ- এরা কচি ফল, পাতা ও ডালের রস চুষে নেয়, ফলে গাছ দুর্বল হয়। পোকার আক্রমণে পাতা, ফল ও ডালে সাদা সাদা তুলার মত দেখা যায়। অনেক সময় পিঁপড়া দেখা যায়। এর আক্রমণে অনেক সময় পাতা ঝরে যায় এবং ডাল মরে যায়।


আক্রমণের পর্যায়ঃ- বাড়ন্ত পর্যায়, চারা, পূর্ণ বয়স্ক।


ফসলের যে অংশে আক্রমণ করেঃ- কাণ্ড , পাতা , ডগা


পোকার যেসব স্তর ক্ষতি করেঃ- লার্ভা , পূর্ণ বয়স্ক


ব্যবস্থাপনাঃ-

আক্রমণ বেশি হলে ইমিডাক্লোরোপ্রিড জাতীয় কীটনাশক (যেমন এডমায়ার অথবা টিডো ৭-১০ মিলিলিটার / ২মুখ) ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে স্প্রে করতে হবে ১০ দিন পরপর ২/৩ বার। কীটনাশক স্প্রে করায় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।


বালাইনাশক সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন


বালাইনাশক ব্যবহারে সতর্কতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন


পূর্ব-প্রস্তুতিঃ-

নিয়মিত বাগান পরিদর্শন করুন।


অন্যান্যঃ-

সাবানযুক্ত পানি স্প্রে করা যায় অথবা আধাভাঙ্গা নিমবীজের পানি (১ লিটার পানিতে ৫০ গ্রাম নিমবীজ ভেঙ্গে ১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে ছেঁকে নিতে হবে) আক্রান্ত গাছে ১০ দিন পর পর ৩ বার স্প্রে করলে পোকা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এছাড়াও তামাকের গুড়া (১০গ্রাম), সাবানের গুঁড়া (৫গ্রাম) ও নিমের পাতার রস  প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে ব্যবহার করা যায়। আক্রান্ত অংশ পোকাসহ তুলে ধ্বংস করতে হবে। খুব জোরে পানি স্প্রে করেও প্রাথমিক অবস্থায় এ পোকা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।


তথ্যের উৎসঃ-

সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা ও বিভিন্ন ফসলের ক্ষতিকারক পোকামাকড় দমন, কীটতত্ত্ব বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, ২০১৭।


ফসলের বালাই ব্যবস্থাপনা, মোঃ হাসানুর রহমান, দ্বিতীয় সংস্করণ, জানুয়ারী ২০১৩।


পেয়ারা চাষের উন্নত কলাকৌশল, ড. এম. এ. রহিম ও ড. মোঃ শামসুল আলম মিঠু, ২০১০, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।

আমাদের ছোট পরিবার: সাইকোলজি অফ লাইফ  সংগৃহীত

 জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে হুমায়ুন ফরীদি প্রচুর বাকী খেতেন। তার সময়কার দোকানদাররা এখনো ওইসব বাকী নিয়ে অভিযোগ নয়, বরং তারা গর্ব করেন! কথিত আছে যে, ফরীদিকে একবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে সুমন নামে একজন ঠাট্টাচ্ছলে বলেছিলেন আপনি আলবেরুনীর ক্যান্টিনে ৩১৯ টাকা বাকী রেখেছেন, শোধ করে যাবেন! জবাবে তিনি উত্তর দেন, ‘আমি এইটা শোধ করব না।’ সবাই বলে উঠল, "কেন কেন?" উনি তখন উত্তরে বলেন, "আমি এই ক্যান্টিন, হল, ক্যাম্পাস, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের মানুষগুলোর কাছে


আজীবন ঋণী থাকতে চাই। "


.........................


অভিনেতা হুমায়ুন ফরিদী তখন হুতাপাড়ায় ছিলেন। পরিবার থেকে জরুরী কল পেয়ে রাত দুইটার পর ঢাকায় রওনা হন। নিজেই চালাচ্ছিলেন গাড়ি। সারাপথে অঝোরে বৃষ্টি। তার মাঝেই রওনা হয়েছিলেন ফরিদী।


বহুদূর চলে আসার পর খেয়াল হলো প্রোডাকশন বয় ইসমাইলকে কিছু টিপস দেয়ার কথা ছিলো। অপেক্ষা করতে বলেছিলেন। ছেলেটা টাকার আশায় বসে থাকবে।


হুমায়ুন ফরিদী সেই বৃষ্টির রাতেই গাড়ি ব্যাক করিয়ে ফিরে এলেন হুতাপাড়া। ইসমাইলকে টিপস দিয়ে তারপর আবার গাড়ি চালিয়ে ফিরেছিলেন ঢাকা। সেই ঝুম বৃষ্টির মাঝেই..


.


কথা খেলাপ করার মানুষ ফরিদী ছিলেননা...!


.........


লেখক হুমায়ুন আহমেদ তার এক লেখায় একবার লিখেছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে বহু লোক একজনকে ঘিরে আছে, সবাই তার কথা মন্ত্রমুগ্ধের মতো শুনছে, হাসছে, হাত তালি দিচ্ছে... দেখে মনে হলো শব্দের জাদুকর! কাছে গিয়ে দেখি ঝাকড়া চুলের এক তাগড়া যুবক! কথা বলার মাঝেই একটা আর্ট ছিলো! অন্য যেকোনো দশটা মানুষ থেকে সহজেই তাকে আলাদা চেনা যেতো! মানুষ টা হুমায়ুন ফরীদি!


...............


তিনি ছিলেন একাধারে শিল্পী, কবি, অভিনেতা, নাট্যশিল্পী, আবৃত্তিকার এবং মুক্তিযোদ্ধা।


এখান থেকে কি শিক্ষা পেয়েছেন বলে যান! 


আমাদের ছোট পরিবার: সাইকোলজি অফ লাইফ 

সংগৃহীত

ভেনিস: পানির নিচে বনভূমির ওপর ভাসমান এক শহর

 ভেনিস: পানির নিচে বনভূমির ওপর ভাসমান এক শহর


৪২১ খ্রিস্টাব্দ থেকে ভেনিস শহরটি কোটি কোটি কাঠের খুঁটির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। ইস্পাত বা কংক্রিট নয়, বরং মূলত এল্ডার কাঠ এবং কিছু ওক কাঠ দিয়ে পুরো শহরটি তৈরি করা হয়েছে।


লবণাক্ত পানির সংস্পর্শে এসব কাঠের খুঁটি পাথরের মতো শক্ত হয়ে গেছে। শুধুমাত্র সেন্ট মার্কস ক্যাম্পানাইল তৈরিতে ব্যবহৃত হয়েছে ১ লক্ষ কাঠের খুঁটি, আর বিশাল বাসিলিকা ডেলা সালুতে গড়তে লেগেছে ১০ লাখের বেশি খুঁটি! সেই সময়ের দক্ষ নির্মাণশ্রমিকরা এগুলো সমুদ্রের তলায় পুঁতে দিয়ে এক বিস্ময়কর ‘জলমগ্ন বন’ তৈরি করেছিলেন।


এই কাঠামো প্রায় তিন মিটার গভীর পর্যন্ত বিস্তৃত, যেখানে খুঁটিগুলো অর্ধ মিটার ব্যবধানে বসানো হয়েছে। পানির স্তর থেকে ১.৬ মিটার নিচে এই অসাধারণ মধ্যযুগীয় প্রকৌশল ১,৫০০ বছর পরও ভেনিস শহরকে দৃঢ়ভাবে ধরে রেখেছে, যা পৃথিবীর অন্যতম বিস্ময়কর নগরী।


#মনোবিজ্ঞান_ও_প্রযুক্তির_কথা



বুধবার, ৭ মে, ২০২৫

নিউক্লিয়ার বোমা বিস্ফোরণের পর প্রথম ৩০ সেকেন্ডের মধ্যেই  বিস্ফোরণের কেন্দ্রে তাপমাত্রা এক থেকে কয়েক মিলিয়ন ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছায়।

 নিউক্লিয়ার বোমা বিস্ফোরণের পর প্রথম ৩০ সেকেন্ডের মধ্যেই  বিস্ফোরণের কেন্দ্রে তাপমাত্রা এক থেকে কয়েক মিলিয়ন ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছায়।

আশেপাশের মানুষ ও জীবজন্তু তৎক্ষণাৎ পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

বাড়িঘর, গাছপালা, যানবাহন, যা কিছু দাহ্য সব জ্বলে ওঠে বা গলে যায়।


শকওয়েভ (Shockwave)

প্রচণ্ড শব্দ ও চাপে কংক্রিটের বাড়ি পর্যন্ত ধসে পড়ে।

বিস্ফোরণস্থলের কাছাকাছি মানুষদের দেহ ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়।


 তেজস্ক্রিয়তা (Radiation):

গামা রে এবং নিউট্রনের প্রবাহ তাৎক্ষণিকভাবে আশেপাশের সব জীবকে মরণব্যাধিতে আক্রান্ত করে।

Radiation sickness দেখা দেয়: বমি, রক্তপাত, শরীরের কোষ ধ্বংস, কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যু।


নিউক্লিয়ার ফায়ারবল ও মাশরুম ক্লাউড

কয়েক কিলোমিটার উচ্চতায় মাশরুম আকারে ধোঁয়া ও ধ্বংসাবশেষের স্তম্ভ সৃষ্টি হয়। দূর থেকে দেখা যায়—এক ভয়াল মেঘের পাহাড় উঠছে আকাশে।


 তেজস্ক্রিয়তা বিস্তার ও দীর্ঘস্থায়ী রোগ

Chernobyl ও Hiroshima–Nagasaki-এর মতো স্থানে দেখা গেছে, বহু বছর পরেও মানুষ ক্যান্সার, জন্মগত ত্রুটি ও অন্যান্য জটিল রোগে ভোগে।

তেজস্ক্রিয় ধূলিকণা বাতাসে ও মাটিতে ছড়িয়ে পড়ে, ফলে ফসল উৎপাদন বন্ধ, পানীয় জল দূষিত, ও পরিবেশ ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।


 নিউক্লিয়ার উইন্টার (Nuclear Winter)

অনেকগুলো নিউক্লিয়ার বোমা ব্যবহার হলে (যেমন বিশ্বযুদ্ধের ক্ষেত্রে), বাতাসে ধোঁয়ার স্তর এত বেশি হবে যে সূর্যালোক পৃথিবীতে পৌঁছাবে না।

এর ফলে গ্লোবাল কুলিং, খাদ্য সংকট ও ব্যাপক মৃত্যুর সম্ভাবনা থাকে।


 এলাকার মানবশূন্যতা 


চেরনোবিল (Chernobyl, 1986)

বিস্ফোরণের পর ৩০ কিলোমিটার এলাকা 'এক্সক্লুশন জোন' হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ২০২৫ সালেও এই অঞ্চল মানবশূন্য – গাইডেড ট্যুর ছাড়া প্রবেশ নিষিদ্ধ।


প্রকৃতি ধীরে ধীরে ফিরলেও, মানব বসবাস কমপক্ষে ২০০-৩০০ বছর অনিরাপদ।

আধুনিক হাইড্রোজেন বোমা ব্যবহারে

যে এলাকা আঘাতপ্রাপ্ত হবে, তা ৫০০–১০০০ বছর পর্যন্ত মানব বসবাসের অযোগ্য হতে পারে।


মাটি, জল ও বায়ু এত বেশি দূষিত হবে যে সাধারণ কোনো প্রযুক্তিতে সহজে পরিশুদ্ধ করা যাবে না।


নিউক্লিয়ার বোমা একটি তাৎক্ষণিক ধ্বংসযজ্ঞের মাধ্যম হলেও, তার আসল ভয়াবহতা ধীরে ধীরে প্রকৃতি, মানবসভ্যতা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গ্রাস করে। এটি শুধু একটি অঞ্চল ধ্বংস করে না, বরং পুরো পৃথিবীর পরিবেশ, স্বাস্থ্য ও খাদ্যশৃঙ্খলকে বিপর্যস্ত করে তোলে।


সংগৃহীত

গল্প অভিশপ্ত পরী পর্ব __১৫  #লেখক__মোঃ__নিশাদ 

 গল্প অভিশপ্ত পরী

পর্ব __১৫ 

#লেখক__মোঃ__নিশাদ 


আজ একটু পর তোমার আমার বিয়ে হবে। 


মায়ামনির কথায় বিষয়টা কেমন স্বপ্ন স্বপ্ন মনে হচ্ছিলো। একটা পরীর সাথে আমার বিয়ে তাও যেমন তেমন পরী না পরীর রানির সাথে। 


মায়ামনির কথায় আমি ওর প্রসাদটা ঘুরে ঘুরে দেখছিলাম। কত সুন্দর করে সাজিয়েছে সব জায়গা। আমাদের বিয়ে উপলক্ষে ও অনেক জ্বীন পরীকেও দাওয়াত করছে। 


আমি বেশ কিছুক্ষন আশপাশটা ঘুরে দেখে আবার প্রসাদে ফিরলাম। প্রসাদে ফিরে দেখলাম মায়ামনিকে খুব সুন্দর করে সাজানো হইছে ওর দিকে তাকাতেই যেনো চোখ সরাতে পারছিনা। 


এদিকে আমাকে দেখে মায়ামনি আমার কাছে এসে আমাকে সুন্দর একটা পোশাক দিয়ে বললো যাও এটা পড়ে নাও। এটা আমার নিজ হাতে বানানো রেশমি কাপড়ের একটা সুন্দর পোশাক। 


মায়ামনির কথায় ওর দেয়া পোশাকটা নিয়ে একটা ঘরে গেলাম আর সেটা পরে ফেললাম। আসলেই সেই পোশাকটা অনেক নরম ও সুন্দর ছিলো। 


আমি সুন্দর পোশাকটা পরার পর মায়ামনির সামনে আসি। তখন মায়ামনি আমাকে নিয়ে যায় বিশেষ একটা জায়গায় যেখানে আমাদের বিয়ে হবে। 


আমরা সেই জায়গায় যাওয়ার পর আমাদের বিয়ে হবে। এমন সময় একটা পরী আহ*ত অবস্থায় সেখানে এসে মায়ামনিকে বললেন। 


 রানী মা সাবধান হয়ে যায় বিপদ আসছে। 

সেই পরীর কথায় মায়ামনি আমাকে বললেন নিশাদ উঠো ঘরের ভিতরে যাও তারাতারি। 


ওর কথায় আমি কিছু বুঝতে না পেরে ওকে জিজ্ঞেস করবো কি হইছে ঠিক তখনি সেখানে এসে উপস্থিত হলেন। অভি*শপ্ত পরী ও মায়ামনিকে ভালোবাসা সেই জ্বীন। ওরা দুজনে তাহলে একসাথে হইছে। 


ওরা সেখানে এসে অভি*শপ্ত পরী বললো। 

কিহহ বিয়ের আয়োজন। হা হা হা এরকম একটা বিয়ের আয়োজন আমিও করছিলাম কিন্তু সেটা তুই হতে দিসনি মায়ামনি৷ আজ আমিও তোর আর ওর বিয়ে হতে দিবোনা৷ 


অভি*শপ্ত পরীর কথায় সেই জ্বীন ও বললো, আমি তোমাকে অন্য কারো হতে দিবোনা তুমি সুধু আমার হবে। আমার সাথেই তোমার বিয়ে হবে মায়ামনি। 


ওঁদের দুজনের কথা শুনে মায়ামনি রেগে গিয়ে বললেন। 

তোদের এতবড় সাহস আমার রাজ্যে আমার প্রসাদে এসে আমাকেই হুমকি দিচ্ছিস। এই বন্ধি করো এঁদের দুজনকে আজ এঁদের অনেক বড় শাস্তি দিবো। 


মায়ামনির আদেশে দুজন পরী অভি*শপ্ত পরীর দিকে এগিয়ে যেতে মহূর্তে অভি*শপ্ত পরী ওঁদের আঘাত করে আহ*ত করে ফেললেন। 


এটা দেখে আরো কয়েকটা পরী এগিয়ে যাওয়ায় তাঁদেরকে ও আঘাত করে আহ*ত করলেন অভি*শপ্ত পরী। 


এটা দেখে মায়ামনি নিজেই ঝাঁপিয়ে পড়লেন অভি*শপ্ত পরীর উপর কিন্তু এতেও কোন লাভ হলোনা মায়ামনি অভিশপ্ত পরীর সাথে পেরে উঠলোনা। উল্টো অনেক আহ*ত হয়ে পড়ে রইলো সেখানে। 


এমন অবস্থায় অভি*শপ্ত পরী বললেন। 

নিজেকে খুব শক্তিশালি ভাবিস তাইনা মায়ামনি।


তুই সেদিন আমাকে অনেক মে*রেছিলি৷ আমি গ্রামের সবার মাঝে রোগ ছড়িয়েছিলাম বলে তুই সবাইকে আবার সুস্থ করছিলি৷ আমি তোর কাছে আঘাত পাবার পর নিজেকে আরো শক্তিশালী করতে আমার নিজের ছেলেকে আমি শয়তা*নের নামে বলি দিয়েছি।  আমার ছেলেকে বলি দিয়ে আমি অনেক সাধনা করে নিজেকে করেছি অনেক শক্তিশালী। মায়ামনি এখন তুই কেনো তোর মত আরো দুজন আসলেও আমার সাথে পারবেনা৷ আমি তোর সামনেই কাল এই ছেলেকে বিয়ে করবো। তুই পারলে যা ইচ্ছে করিস। 


কথাটা বলে অভি*শপ্ত পরী আমার কাছে আসলেন আর আমাকে ধরলেন। আমি তখন নিজেকে ছাড়ানোর অনেক চেষ্টা করছিলাম কিন্তু পারিনি। আমি মায়ামনিকে চিৎ*কার করে ডাকছিলাম। মায়ামনি ও আমাকে ছাড়তে চায়নি, ওদিকে সেই জ্বীনটা মায়ামনিকে ধরে রেখেছিলো। 


অভি*শপ্ত পরী তখন মায়ামনির চোখের সামনে আমাকে সেখান থেকে ধরে নিয়ে চলে গেলো। 


কি থেকে কি হয়ে গেলো। ভেবেছিলাম অভি*শপ্ত পরী আর কখনও আসবেনা৷ কিন্তু মায়ামনির ভালোবাসা জ্বীনটা আর পরী যে এক হবে এটা ভাবতে পারিনি। অভি*শপ্ত পরী এখন অনেক শক্তিশালী ওর সাথে মায়ামনি ও পারছেনা তাহলে কি সত্যি সত্যি অভি*শপ্ত পরী আমাকে বিয়ে করবে।  


অভি*শপ্ত পরী আমাকে ধরে নিয়ে আসার পর। ওদিকে আমার মা বাবা আমাকে রাতে বাড়িতে ফিরতে না দেখে সকালে ঈমাম সাহেবের কাছে যান। 


ঈমাম সাহেবের কাছে যাওয়ার পর ওনাকে সব খুলে বলে। সব শুনে ঈমাম সাহেবের একটু সন্দেহ হয়। পরে ওনি মা বাবাকে নিয়ে ওনার যে বন্ধু। হুজুর ওনার কাছে যান। 


হুজুরের কাছে যাবার পর  হুজুরকে সব ঘটনা খুলে বলে। সব শুনে হুজুর কিছুক্ষন সময় নেন আর ওনার সাথে থাকা দুজন জ্বীনকে দিয়ে খবর নিয়ে জানতে পারেন আমার ও মায়ামনি পরীর বিষয়। 


হুজুর সব তথ্য নিয়ে মা বাবাকে বলে, কথাটা শুনে হয়তো অবাক হবেন। আপনার ছেলে আছে পরীদের রাজ্যে। একটা পরীকে ও ভালোবাসে আর ওকে সে বিয়ে করবে। 


হুজুরের কথায় মা বাবা তো পুরাই অবাক হয়ে যান। আমি পরীদের রাজ্যে আছি শুনে ওনারা হুজুরকে বলেন আমাকে যেনো ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। 


মা বাবার অনুরোধে হুজুর বলেন ওকে ঐ পরীর রানী ইচ্ছে করে ফিরিয়ে না আনলে ওকে নিয়ে আসা যাবেনা। আমার সাথে থাকা জ্বীনেরা বলছে আপনার ছেলে নিশাদ এখন বিপদে আছে, অভি*শপ্ত পরীর কবলে পড়ছে আপনার ছেলে। 


এই কথা শুনে মা তো কান্না করতে থাকে। এদিকে বাবা হুজুরকে বলেন। হুজুর আপনার কাছে অনুরোধ করি আমার ছেলেটাকে ফিরিয়ে আনুন ওকে সাহায্য করুন৷ 


বাবার অনুরোধে হুজুর মা বাবাকে শান্ত করে বলে ঠিক আছে আমি আমার দিক থেকে যথেষ্ট চেষ্টা করবো আপনার ছেলেকে সাহায্য করে ফিরিয়ে আনার। আপনারা চিন্তা করবেন না। পরীর রানী থাকতে নিশাদের ক্ষতি অন্য কেউ সহজে করতে পারবেনা। আপনারা বাড়ি যান আমি আজকে রাতে আপনার ছেলেকে ফিরিয়ে নিয়ে আসার ব্যাবস্তা করবো। 


হুজুরের কথায় মা বাবা চিন্তায় চিন্তায় বাড়িতে ফিরে আসে। 

এদিকে আমি অভি*শপ্ত পরীর কাছে বন্ধি। 


আমাকে বন্ধি করে রাখায় আমি পরীকে বলি। 

আপনি কি চান আমার কাছে। আপনি তো এখন অনেকটা শক্তিশালী হইছেন এখন আমার ও মায়ামনির জিবন থেকে চলে যান। 


আমার কথায় অভি*শপ্ত পরী বলে চলে যাবো। 

না আমার এখনো অনেক কাজ বাকি। আমাকে তোরা অনেক অপমান করছিস। আঘাত করছিস। আমি কাউকে ছাড়বোনা। আগে তোর আর মায়ামনির বিচার হবে তারপর আমি আবারে গ্রামের মানুষের পিছনে লাগবো। 


আমি অনেক শক্তিশালী হইছি ঠিকি কিন্তু এখনো বুড়ো রয়ে গেছি। আমি তোকে বিয়ে করলে। আর তোর র*ক্ত আমার শরীলে লাগলে আমি ফিরে পাবো আমার রুপ হয়ে যাবো যুবতী। 


ওর কথায় আমি বললাম না আমিতো ইচ্ছে করে আপনাকে বিয়ে করবোনা। 


 বিয়ে করবিনা। আমাকে বিয়ে না করলে সব হাড়াবি। তোর ভালোবাসা মায়ামনিকে মে*রে ফেলবো সাথে তোর মা বাবা ও গ্রামবাসী সবাইকে। এখন তোর মা বাবা সহ গ্রামবাসীর মধ্যে রোগ ছড়াতে তো পারবোনা কিন্তু তুই আমাকে ইচ্ছে করে বিয়ে না করলে সবাইকে ভয় দেখিয়ে মা*রবো। আস্তে আস্তে পুরু গ্রাম শেষ করে দিবো। এখন বল তুই রাজি কিনা। 


অভি*শপ্ত পরীর কথায় মাথা ঘুরতে লাগলো। 

সবাইকে বাঁচাতে আমি উপায় না পেয়ে ওকে বিয়ে করতে রাজি হলাম। 


তারপর _______


পরের পর্ব হবে শেষ পর্ব।

সাদা’স্রাব মেয়েদের এমন একটি ভয়ং’কর রো’গ,

 সাদা’স্রাব মেয়েদের এমন একটি ভয়ং’কর রো’গ,

যেটি দীর্ঘদিন থাকার কারনে মেয়েদের যো’নি পথে ক্যা’ন্সার পর্যন্তও হতে পারে,

কিন্তু আমরা এটিকে কিছুই মনে করতেছি না, বা মনে করলেও, কার্যকর কনো পদক্ষেপ নিচ্ছি না।

শুধুমাত্র এই সাদা’স্রাব থেকেই মেয়েদের প্রায় ৬০ থেকে ৭০% রো’গ সৃষ্টি হয়ে থাকে,

অথছ আমরা এটিকে একেবারে সাধারন রো’গ ভেবেই বসে আছি, অথবা ল’জ্জায় কাউকে কিছু বলতে পারতেছিনা।

অনেকেতো এমনও আছে, যারা আসলে এই রো’গটি সম্পর্কে কিছু জানেই না।

এই সমস্যার সবচেয়ে বড় উপ’সর্গ বা লক্ষ’ণ হল, এই রো’গের কারণে জ’রায়ু থেকে সাদা, হলুদ, হাল্কা নীল কিংবা লাল রঙের এবং দু’র্গন্ধ’যুক্ত চট’চটে তরল নির্গ’মন হয়। এছাড়া সাদা-স্রাব হলে মেয়েদের শরী’রে আরও অনেক রকম উপ’সর্গ দেখা দিতে পারে।

যেমন—

* যো’নিদেশে চু’লকানি

* স্মৃ’তিভ্রংশ

* খিদে কমে যাওয়া ও মাথা ঘো’রা

* হাত, পা, কোমর ও শ্রোণিদেশে ব্য’থা

* পায়ের পেশিতে টান ধরা

* ব’মি ব’মি ভাব, কনও কখনও ব’মি হওয়া

* বার বার প্রস্রা’ব করা

* প্রস্রা’ব না হওয়া এবং পেট ভা’রী বোধ হওয়া

* বিষ’ন্নতা এবং খিট’খিটে ভাব

যদি আপনি নিজের শরীরে এই সব লক্ষণগুলি দেখতে পান তাহলে দেরি না করে যত শীঘ্রই সম্ভব এটির সমধান নেয়া উচিত। যা আপনাকে ইন’ফেক’শন বা আরো বড় ধরনের ক্ষ’তি থেকে বাচিয়ে দিবে।

টাকার গুরুত্ব তখনই বোঝা যায়, যখন আপনার আদরের সন্তান দোকানে দাঁড়িয়ে একটা খেলনা পছন্দ করে, কিন্তু আপনি সেটা কিনে দিতে ব্যর্থ হন!

 টাকার গুরুত্ব তখনই বোঝা যায়, যখন আপনার আদরের সন্তান দোকানে দাঁড়িয়ে একটা খেলনা পছন্দ করে, কিন্তু আপনি সেটা কিনে দিতে ব্যর্থ হন!


টাকার গুরুত্ব তখনই বোঝা যায়, যখন কোনো অনুষ্ঠানে গিয়ে দেখেন শুধুমাত্র অর্থনৈতিক দৈন্যতার কারণে আপনাকে কম গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।


টাকার গুরুত্ব তখনই বোঝা যায়, যখন শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে বুঝতে পারেন, আপনার তুলনায় অন্য জামাইকে বেশি আদর আপ্যায়ন করা হচ্ছে, কারণ সে ধনী।


টাকার গুরুত্ব তখনই বোঝা যায়, আপনার স্ত্রীর ছোট ছোট ইচ্ছেগুলো আপনি পূরণ করতে পারেন না, আর এজন্য সে আপনাকে উঠতে বসতে খোঁটা দেয়।


পরিবার নিয়ে রেস্টুরেন্টে খেতে গেলে, বিল দেওয়ার সময় বুঝবেন টাকা কতটা জরুরি।


যখন আপনার কাছে টাকা নেই বলে বন্ধুরাও আপনাকে মূল্যায়ন করে না, তখন উপলব্ধি করবেন কেন টাকা দরকার।


যখন দেখবেন, আপনার টাকা নেই বিধায় আত্মীয়স্বজন আপনার সাথে দূরত্ব বজায় রেখে চলে, তখন স্পষ্ট হবে টাকার মূল্য।


বিপদের সময় দেখবেন, আপনার টাকা কম বলে কেউ আপনার পাশে থাকে না, আপনার প্রতি সহানুভূতি দেখায় না! তখন সত্যিকার অর্থে বুঝবেন টাকার প্রয়োজনীয়তা।


টাকার অভাবই মানুষকে শেখায় এর গুরুত্ব। তাই নিজের অবস্থান শক্তিশালী করতে হলে, টাকা কামাই করতে শিখুন। কারণ, জীবনের ৮০% সমস্যার সমাধান টাকা দিয়েই সম্ভব!

ভয়ংকর বাড়বকুণ্ড!,,,,,,,,আজকের এরপর থেকে বাড়বকুণ্ড সমুদ্র সৈকত পরিপূর্ণ ভাবে বয়কট করা হলো, এবং সবাই বয়কট করে ফেলেন।

 ভয়ংকর বাড়বকুণ্ড! 

৬ মে ২০২৫, মঙ্গলবার।  রাত ১:২০ মিনিটের কথা।

তার আগের বিস্তারিত শুনাই, একটা ইভেন্ট শেষে মোটামুটি ৪ দিন আমরা ৪ জন বাড়বকুণ্ড সমুদ্র সৈকতে ক্যাম্পিং এ আছি।


৫ই মে শেষ, ৬ই মে'র ঠিক দেড়টার দিকে যখন আমাদের রান্না প্রায় শেষ, আমরা তখন ফটোশুট করতে থাকি, কারণ পরেরদিন সকলেই বের হয়ে যাবো। 

রিফাত ভাই ছবি তুলে তরকারি দেখতে গিয়েছে, আমি আর শুভ ভাই তখন একটু দুরে ছবি তোলাতে ব্যস্ত।


হঠাৎ কয়েকটা মানুষ দুর থেকে অন্ধকার থেকে ছুুটে এসেছে। 

বয়স সর্বোচ্চ তাদের ১৭/১৮। ৪ জন এসেছে তারা। সবার মুখে কাপড় দিয়ে ঢাকা, হাতে ছুরি,রান্দা, চাইনিজ কুড়াল।

এসেই আমাদের ঘিরে সবাইকে এক করে ফেললো। কোনো কথা বলার আগেই তারা আমাদের ফোন নিয়ে নিলো। 

কিছু বলতে নিলেই কো*প দিবে এমন একটা অবস্থা। 


ভাবভঙ্গি গুরুতর বুঝে আমরা ৪ জনই যা আছে সব দিয়ে দি। এর পর তাঁবু সব আউলায় তন্নতন্ন করে সব খুঁজে। যা ভাল্লাগে তাই নিয়ে নেয়। 

তারপর মানিব্যাগ থেকে সব টাকা নিয়ে সবার ফোন ফেরত দিয়ে দেয়,শুধু আমার ফোনটা নিয়ে যায়।


ঘড়ির কাঁটায় তখন ১: ৩৪ মতো। জাস্ট ১৪ মিনিটের একটা ভয়াবহ পরিস্থিতিতে আমরা সবাই হতভম্ব। 

প্রতিটা মানুষ বাকরূদ্ধ। 

ওরা থ্রেড দিয়ে গেলো ভোরের আলোর পরে তোদের যেনো না দেখি। 

এদিকে আমাদের রাতের রান্না ওরা লাথি দিয়ে ফেলে দিয়েছে, সারাদিন না খাওয়া আমরা, রাতের না খেয়ে আমরা বসে তখন,

৪টা মানুষ বাকরূদ্ধ হয়ে মাটিতে বসে আছি।


কোনোমতে একটু শুলাম। ঘুম তো আসেনা, মোটামুটি সকাল হতেই চোখে আর ঘুম নেই।

সকাল হলো, কারো পকেটে কানা পয়সাও নেই।


এলাকার একছেলে যে আমাদের সাথে রাতে ছিলো, ওকে বললাম কিছু খাবার বাকিতে নিয়ে আসো।

সে নিয়ে আসলো। খাবার তো আর গলা দিয়ে নামে না কারো।


বেলা ১১ টা পার হয়েছে। যে ছেলে কয়েকদিন আমাদের কে এই খাবারে,ইত্যাদিতে সাহায্য করছিলো, ও বললো যারা এ কাজ করেছে সবাইকে চিনি। নাম্বারও আছে!

ওকে বুঝিয়ে বললাম যে তাদের কল করো,করে বলো ফোনটা দিয়ে দিতে,টাকা যা লাগে দিবো।


ও চলে গেলো, ঘন্টায় ঘন্টায় ওকে কল দিয়ে আপডেট চাই,ও কেমন কথা ঘুরায়। দুপুর ৩ টার দিকে, আমরা তখন বাড়বকুণ্ড ইউনি গ্যাসের সামনে দাঁড়ানো,

মহিউদ্দিন নামে এক জেলে আছে, যার থেকে আমরা বিগত কয়েকবছর ধরেই মাছ নিয়ে থাকি।

তাকে কল দিয়ে সব ঘটনা বললাম। সে আমাদের মেম্বারের বাড়ি নিয়ে গেলো। 

সে কি এক অবস্থা ভয়ংকর এক না খাওয়া ২ দিনের পর মেম্বারের দোকানে, বের হলো যে ডাকাতি করছে,তাদের একজন মেম্বারের ভাতিজা,একজন ঐ যে ছেলে আমাদের খাবারে সাহায্য করতো 'রাকিব' তার চাচাতো ভাই। আর দুইজন ওদের বন্ধু ইত্যাদি। 


মেম্বার এই লোক প্রচন্ড রকম ভালো, মোটামুটি গন্যমান্য সকলকে কল দিয়ে ম্যানেজ করার চেষ্টা করলো, কোনোভাবেই কিচ্ছু হচ্ছে না এদিকে।

মোটামুটি মাথা নষ্ট হয়ে আছে আমার। যারা ডাকাতি করছে এরা পুরা এলাকার নাম্বার ওয়ান ডাকাত, সবাই বলতেছে শুকরিয়া আদায় করেন যে কাউকে কোনো কোপ দেয়নাই। 


মোটামুটি ২ ঘন্টার বিশাল ঝামেলা চলছে৷ ঐ ছেলের বাপ কল দিয়ে বলতেছে, ফোনটা দিয়ে যা!

ঐ ছেলে বলে তুই কে? কেনো কল দিছোস? বাসায় আসলে সবার আগে তোকে কোপাবো! 

আল্লাহ'র কাছে শুকরিয়া আদায় করলাম,এমন ভয়ংকর মানুষদের থেকে আল্লাহ বাঁচায় আনছে, তারপর তারা বললো ফোন দিবে টাকা লাগবে!

এটা নিয়ে আরো একঘন্টা ঝামেলার পর মোটামুটি একসময় ফোনটা হাতে পেলাম। 


পেয়ে ফোনের আসল যে জিনিস, সেসব আর কিছুই বাকি থাকলো না, তারা ফোন ফ্লাশ দিয়েও দিছিলো।

কোনো ডকুমেন্টস থেকে কোনো কিচ্ছু নাই ফোনে। সাথে সিম ২টাও ভেঙ্গে ফেলছে।


খোদার শুকরিয়া আদায় করে আমরা ৪ জন অনেক সতর্কে বাড়বকুণ্ড থেকে সীতাকুণ্ড বাজারে এসে মাত্র বসলাম।


ক্ষয়ক্ষতির হিসাবে,আমার পাওয়ার ব্যান্কটা নিয়ে গেছে, সাথে ক্যাশ একটা ভালো বড় অংক চলে গেছে। আর সবচেয়ে বড় জিনিস, সবাই নিরাপদ ছিলো,কারো উপর কোনো এট্যাক হয়নি। 


সবশেষ একটা কথা, আজকের এরপর থেকে বাড়বকুণ্ড সমুদ্র সৈকত পরিপূর্ণ ভাবে বয়কট করা হলো, এবং সবাই বয়কট করে ফেলেন।

ভুলেও ঐসাইডে আর যেয়েন না।

পুরো এলাকার এসব বখাটে পোলাপান গরম হয়ে আছে,ওদের এলাকা থেকে ফোন উদ্ধার করে আনা চাট্টিখানি কথা নয়!


কেউ ভুলেও বাড়বকুণ্ড ঘুরতে আর যাবেন, কথার আগে কোপ দিয়ে বসবে।

আল্লাহ সকলকে সব স্থানে নিরাপদ রাখুক 


নাঈম। ৬ই মে ২০২৫,  সীতাকুণ্ড বাজার।

গার্মেন্টস চাকরির জন্য প্রয়োজনীয় বিষয়সমূহ

 গার্মেন্টস চাকরির জন্য প্রয়োজনীয় বিষয়সমূহ


১. মৌলিক শিক্ষাগত যোগ্যতা


কমপক্ষে এসএসসি/এইচএসসি পাশ (বিভিন্ন পদের জন্য ভিন্ন হতে পারে)


টেক্সটাইল বা গার্মেন্টস সংশ্লিষ্ট ডিপ্লোমা (যদি থাকে, অগ্রাধিকার পাওয়া যায়)


২. গার্মেন্টস প্রসেস সম্পর্কে ধারণা


Cutting → Sewing → Finishing → Packing


Knit, Woven ও Denim প্রোডাকশন সম্পর্কে ধারণা


স্টাইল, স্যাম্পল, এবং সাইজ সেট বোঝা


৩. গুণগতমান (Quality) সম্পর্কিত জ্ঞান


Quality Control (QC) ও Quality Assurance (QA) এর কাজ


Defect চিনতে পারা (Stain, Hole, Uneven Stitch ইত্যাদি)


Inline ও Final Inspection বোঝা


৪. মেশিন ও টুলসের ব্যবহার


সেলাই মেশিনের ধরন (Single Needle, Overlock, Flatlock)


Pressing, Ironing, Folding ইত্যাদি সম্পর্কে ধারণা


Measuring tape, Snap tester, Needle detector এর ব্যবহার


৫. নিরাপত্তা ও শ্রম আইন


শ্রমিকের অধিকার, ওভারটাইম আইন


ফ্যাক্টরির নিরাপত্তা নীতিমালা (Fire drill, PPE ব্যবহার)


৬. কমিউনিকেশন ও আচরণ


সিনিয়র ও সহকর্মীদের সাথে ভদ্র ব্যবহার


সমস্যা হলে রিপোর্ট করা ও টিমওয়ার্কের দক্ষতা


মৌলিক ইংরেজি জ্ঞান (Buyer-এর সাথে যোগাযোগে সহায়ক)


৭. সময়ানুবর্তিতা ও নিয়ম-শৃঙ্খলা


নির্ধারিত সময়মতো উপস্থিতি


ডিউটির নিয়ম মেনে চলা


Attendance, Leave policy জানা


---


অতিরিক্ত দক্ষতা (Priority Skills):


Microsoft Excel/ERP সিস্টেমের প্রাথমিক জ্ঞান


5S, Kaizen, Lean Management এর ধারণা


ইংরেজিতে রিপোর্ট লেখা বা ইমেইল করা

ন্যানো-স্কেলে কোয়ান্টাম সুপারপজিশন: সোডিয়াম কণার 'একই সঙ্গে দুই জায়গায়' থাকার নতুন প্রমাণ,,,মুস্তাকীম ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ন্যানো-স্কেলে কোয়ান্টাম সুপারপজিশন: সোডিয়াম কণার 'একই সঙ্গে দুই জায়গায়' থাকার নতুন প্রমাণ ~ কোয়ান্টাম জগতের সবচেয়ে বিস্ময়কর ধার...