এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ১১ মে, ২০২৫

ধনী হতে গেলে কি মানতে হবে। শোনো, ভাইয়েরা! ধনীরা লুকিয়ে রেখেছে গোপন রহস্য—কিন্তু আমি তা ফাঁস করে দেবো।

 ধনী হতে গেলে কি মানতে হবে।

শোনো, ভাইয়েরা! ধনীরা লুকিয়ে রেখেছে গোপন রহস্য—কিন্তু আমি তা ফাঁস করে দেবো।


ধনীরা কপালে ভর করে ধনী হয়নি। তারা হঠাৎ করে টাকার ওপর পড়ে যায়নি। তারা এমন একটা খেলা খেলেছে, যা তোমাকে কেউ শেখায়নি। আর তারা তোমাকে সেটা শেখাতেও চায় না—কারণ তুমি একবার নিয়ম শিখে ফেললে, তখনই তুমি হয়ে উঠবে হুমকি।


কিন্তু আমার এই প্রোফাইলটা আমি বানাইনি কোনও দুর্বল লোকের জন্য। এটা শুধুই তাদের জন্য, যারা ভাঙতে চায় শিকল, যারা নিজের জীবন পাল্টাতে চায়। তাই শুনো, শুধু নিজের জন্য নয়—তোমার বন্ধুবান্ধব, ভাইবোনদের জন্যও। এই ৭টা গোপনীয় সত্য যদি তুমি মনপ্রাণ দিয়ে কাজে লাগাও, তাহলে ১২ মাসের মধ্যেই তুমি হয়ে উঠতে পারো একজন মিলিয়নিয়ার। কারণ এটা শুধু স্বপ্ন নয়—এটা তোমার বাঁচার পথ।


1️⃣ ধনীরা কখনো সময়ের বিনিময়ে টাকা নেয় না, তারা “মূল্য” দিয়ে সম্পদ গড়ে। তুমি যখন সকাল-সন্ধ্যা চাকরি করো, তখন তারা এমন সিস্টেম বানায় যা ২৪/৭ কাজ করে—ইনভেস্টমেন্ট, ডিজিটাল অ্যাসেট, বিজনেস। সময় সীমিত, কিন্তু সিস্টেম সীমাহীন। পার্থক্যটা বুঝো।


2️⃣ ঋণ খারাপ নয়—মূর্খতা খারাপ।

ধনীরা “ভালো ঋণ” দিয়ে সাম্রাজ্য বানায়: প্রপার্টি, যন্ত্রপাতি, বিজনেস ক্যাপিটাল। আর তুমি “খারাপ ঋণ” নিয়ে দেখাও: আইফোন, নাইটক্লাব, গাড়ি। ঋণ যদি টাকা না আনে, সেটা দাসত্ব।


3️⃣ ৯-৫ খেতে দেবে—কিন্তু মালিকানা তোমায় মুক্তি দেবে।

তারা চাকরির আয় দিয়ে বিজনেস শুরু করে। তুমি সেই আয় দিয়ে শো-অফ করো। একদিকে গড়ে উঠে সাম্রাজ্য, আরেকদিকে জমে দায়। নিজের কিছু তৈরি করো—যেটুকু থাকে, সেখান থেকেই শুরু করো।


4️⃣ তোমার নেটওয়ার্কই তোমার সম্পদ।

তারা কখনো হতাশ, নেগেটিভ মানুষের সঙ্গে সময় কাটায় না। প্রতিটি বন্ধু দেয় কিছু না কিছু: জ্ঞান, যোগাযোগ, মূলধন। যদি তোমার আশেপাশের লোকেরা তোমায় টানছে না, তারা তোমার শক্তি খাচ্ছে। কেটে ফেলো।


5️⃣ নীরবতা ধনীদের কৌশল।

তারা ঢাকঢোল বাজায় না। তারা ছায়ার মতো চলে, বজ্রের মতো আঘাত হানে। তুমি যখন সোশাল মিডিয়ায় ফেক লাইফ দেখাও, তারা তখন জমি, শেয়ার, ব্যবসা কিনে নিচ্ছে। চুপচাপ কাজ করো, ঝড় তুলে দাও।


6️⃣ ধনীরা প্রতিদিন আর্থিক শিক্ষায় বিনিয়োগ করে।

তারা বই পড়ে, কোর্স করে, মাস্টারমাইন্ডে যায়। আর তুমি? নাটক, ফুটবল, পর্ন দেখো। আজকের দিনে জ্ঞানই নতুন টাকা। শিখো, নইলে গরিব থাকো।


7️⃣ তারা বিক্রি করে। শেষ কথা।

প্রতিটা মিলিয়নিয়ারই বিক্রেতা। কেউ পণ্য বিক্রি করে, কেউ ব্র্যান্ড, কেউ সার্ভিস, কেউ স্কিল। যদি তুমি বিক্রি করতে না পারো, তাহলে কে তোমায় কিনবে।

জীবনের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য জানতে সুপার ফর্মুলাটি পেতে হোয়াটসআ্যপ চ্যানেলে জয়েন হোন। https://whatsapp.com/channel/0029Vb6JtlzIt5rohdhlTy0S


আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে যুক্ত হয়ে

 "ব্রেইনকে ট্রেইন করে হয়ে উঠুন সবার সেরা" লিংক।

https://t.me/dbsdss


@Shariful Islam Razu 

@Shariful.fans

বস্তুটির নাম— ভ্যানভেরা (vanvera). ১৯-শতকের ইতালিতে তুমুল জনপ্রিয় মেশিন ছিল এটি, বিশেষ করে ভেনিস শহরের সম্ভ্রান্ত পরিবারগুলোয়।

 বস্তুটির নাম— ভ্যানভেরা (vanvera). ১৯-শতকের ইতালিতে তুমুল জনপ্রিয় মেশিন ছিল এটি, বিশেষ করে ভেনিস শহরের সম্ভ্রান্ত পরিবারগুলোয়।


ভ্যানভেরা ব্যবহৃত হতো একটি সভ্য-উদ্দেশ্যে— জৈব-বায়ুত্যাগ, খাঁটি বাংলায় 'পাদ'-এর সুললিত শব্দ ও বিমোহিত ঘ্রাণ থেকে পারিপার্শ্বিক পরিবেশকে মুক্ত রাখতে।


এই বস্তুর উৎপত্তি মূলত প্রাচীন মিশর এবং রোমে, প্রায় একইসাথে, সুপ্রাচীন কালে। তখন এর নাম ছিল— প্রাল্লো (prallo). ফেরাউন ও সম্রাটদের দীর্ঘসময় ধরে চলমান উৎসবগুলোয় প্রাল্লো ব্যবহৃত হতো পাদের ধ্বনি ও গন্ধ লুকিয়ে পরিবেশকে স্বচ্ছন্দ রাখার দায়িত্বে।


প্রাল্লোর গঠন ছিল এরকম— ডিম্বাকৃতির সিরামিক বা কাঠের ফাঁপা গোলক, একপ্রান্তে মাউথপিসের মতো অংশ যেটা নিতম্বগুহার মুখে চাপা থাকতো, অপরপ্রান্ত উন্মুক্ত যেখানটা দিয়ে শব্দ ও ঘ্রাণ বেরিয়ে যেতো 'প্রক্রিয়াজাত' হয়ে। প্রক্রিয়াজাত বলতে— বিকট শব্দটি বেরুতো পথপরিক্রমার ফলস্বরূপ দুর্বল-ধ্বনি হয়ে, এবং দুর্গন্ধ বেরুতো সুঘ্রাণ হয়ে, কারণ গোলকটির ভিতরে রাখা হতো সুঘ্রাণযুক্ত ভেষজ লতাপাতা।


মিশর ও রোমের বাইরে প্রাল্লো জনপ্রিয় হতে পারেনি, ফলে একসময় বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিলো বস্তুটি। কিন্তু ১৬-শতকের দিকে এসে, এটি ভ্যানভেরা নাম নিয়ে ব্যবহৃত ও জনপ্রিয় হতে শুরু করলো ভেনিসের সম্ভ্রান্তশ্রেণিতে। ২-ধরণের ভ্যানভেরা ছিল ভেনিসেঃ


একটির নাম— ভ্যানভেরা দা পাসেজ্জিয়ো, যেটা তৈরি হতো লেদার দিয়ে। এটি বহনযোগ্য ভ্যানভেরা। এর একপ্রান্ত নিতম্বদেশের সাথে আরামসে আটকে থাকতো, এবং এটায় একটি নাতিদীর্ঘ টিউব লাগানো ছিল যেটির শেষপ্রান্তে একটি ব্লাডার যুক্ত ছিল পাদবায়ু সংরক্ষিত হওয়ার জন্য। ব্লাডারটায় একটি ছোট্ট ছিদ্র থাকতো, ছিদ্রটিকে খোলা-বাঁধার জন্য ছিল একটি সুতা। সুতায় টান দিয়ে ছিদ্রটি উন্মুক্ত করে পাদটুকু দূরে গিয়ে ফেলে আসা হতো সুযোগ এলেই। এই ভ্যানভেরা স্কার্ট বা প্যান্টের ভিতরে পরা হতো, থিয়েটার বা সামাজিক অনুষ্ঠানাদিতে যাওয়ার সময়।


দ্বিতীয় বায়ুত্যাগী-মেশিনটার নাম ছিল— ভ্যানভেরা দা অ্যালকোভা। অ্যালকোভার টিউবটি ছিল লম্বা এবং এর প্রান্তে ব্লাডার থাকতো না। এটি ঘরে ব্যবহার করা হতো, বহনযোগ্য ছিল না। দীর্ঘ টিউবটির শেষপ্রান্ত জানালা দিয়ে বাইরের দিকে বের করে রাখা হতো ঘ্রাণ চলে যাওয়ার জন্য। এই ভার্সনটি প্রধানত পুরুষেরা ব্যবহার করতেন, বিয়ের প্রথম রাতে টেনশনে-অস্থিরতায় পেদেটেদে দেওয়ার পরে অস্বস্তিকর ঘ্রাণ-শব্দ এড়িয়ে চলার জন্য।


২০-শতকের শুরুর দিক থেকে ভ্যানভেরার ব্যবহার কমে গেলো, সম্ভ্রান্ত-শ্রেণির পোশাকের ধরণ পাল্টে যাওয়ার ফলস্বরূপ; এবং পারফিউমের উন্নতির ফলে। কিন্তু, পাদ-শিল্পের মোহময়তাকে আমরা ছেড়ে থাকতে পারলাম কই!


তথ্যসূত্রঃ উইয়ার্ড, স্ট্রেঞ্জ, এণ্ড ইন্টারেস্টিং থিংস।

© Salahuddin ahmed jewel

চৌকস হওয়ার জাপানি কৌশল

 চৌকস হওয়ার জাপানি কৌশল


জাপান শুধু প্রযুক্তি বা সৌজন্যর দেশ নয় , তাদের সংস্কৃতিতে লুকিয়ে আছে এমন কিছু বুদ্ধিদীপ্ত অনুশীলন , যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে সহজ , সুন্দর ও সচেতন করতে পারে । বাড়াতে পারে মনোযোগ ও বুদ্ধিমত্তা । এখানে এমন পাঁচটি জাপানি কৌশল নিয়ে লিখেছেন এম এম মুজাহিদ উদ্দীন 


শিরিতরি কৌশল:


একদিন বিকেলে রিমি আর ওর ভাই খেলার ছলে শুরু করল শব্দখেলা । রিমি বলল ‘ চাঁদ ’ । ওর ভাই বলল ‘ দুধ ’ । এরপর রিমি বলল “ ধনুক ’ । এইভাবেই চলতে লাগল শব্দের পেছন ধরে নতুন শব্দ বলার খেলা । এটাই জাপানি ‘ শিরিতরি ’ — একটি জনপ্রিয় শব্দখেলা । এতে প্রথম ব্যক্তি একটি শব্দ বলেন এবং পরের ব্যক্তি সেই শব্দের শেষ অক্ষর দিয়ে আরেকটি শব্দ বলেন । এভাবে ঘুরে ঘুরে খেলা চলতে থাকে । যে মনে রাখতে পারে না বা ভুল করে , সে বাদ । আর যে ঠিক ঠিক মনে রেখে শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি শব্দ বলতে পারে , সে- ই জয়ী হয় । সত্যজিৎ রায় পরিচালিত ‘ অরণ্যের দিনরাত্রি ' সিনেমায় একটি দৃশ্য আছে । সেখানে চরিত্ররা বনে বেড়াতে গিয়ে ‘ শিরিতরি ’ খেলে । এই খেলায় মজা যেমন আছে , তেমনি আছে মনোযোগ আর স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর গুণ । পরিবারের সবাই মিলে সপ্তাহে এক দিন শিরিতরি খেলুন । সময় বেঁধে নিন যে কম সময়ে বেশি শব্দ বলবে , সে জিতবে । ছোটদের ভাষা শেখানোর জন্য এটি এক অসাধারণ কৌশল । কানজি ভিজ্যুয়ালাইজেশন তরুণ ছাত্র অর্ণব জাপানি ভাষা


শিখতে গিয়ে দেখল , অক্ষরগুলো মুখস্থ করতে কষ্ট হচ্ছে । একদিন শিক্ষক তাঁকে বললেন , ' তুমি প্রতিটি কানজি অক্ষরের ভেতর একটা ছবি কল্পনা করো । ” অর্ণব ‘ mori ’ শব্দটির মধ্যে তিনটি গাছ কল্পনা করল । বুঝল , এটা মানে ঘন বন । ‘ hazashi ' মানে দুটি গাছ । অর্থাৎ জঙ্গল । এভাবেই প্রতিটি প্রতীক ছবির রূপে রূপান্তর করে মনে রাখা হয় । এই কৌশলই হলো কানজি ভিজ্যুয়ালাইজেশন ।


মোজিতসুকি:


নতুন বছরে জাপানের একটি গ্রামে উৎসব হচ্ছে । সবাই মিলে তৈরি করছে মোচি - চালের কেক । একজন মুগুর দিয়ে চাল পেষণ করছে , আরেকজন সময়মতো হাত ঢুকিয়ে চালের ভেতর পানি ও ছন্দ দিচ্ছে । একটুও ভুল হলে হতে পারে আঘাত , তাই দুজনের ভেতর গড়ে ওঠে এক অদ্ভুত তালমেল । এটাই হলো মোজিতসুকি । শুধু রান্না নয় , এটি সম্মিলিত মনোযোগ ও ছন্দ শেখায় । দলগত


জাপানিরা ইতিহাস প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বাঁচিয়ে রাখেন গল্পের ছলে । বাড়ির বয়স্করা ছোটদের পূর্বপুরুষদের গল্প শোনান । তাঁদের ইতিহাস বই , রান্নার বই , নৃতত্ত্বের বই — এ রকম নানা কিছু গল্পের মতো করে বলা বা লেখা হয় ।

কাজের মধ্যে কীভাবে আস্থা ও সময়জ্ঞান তৈরি হয় , এটি তার এক জীবন্ত উদাহরণ ।


জাজেন ফোকাস:


রাফি পড়ার টেবিলে বসে আছে , কিন্তু মন একদমই বসছে না । তখন সে শিখল ‘ জাজেন ’ । প্রতিদিন মাত্র পাঁচ


মিনিট সে চুপচাপ চোখ আধা বন্ধ করে বসে থাকে , শুধু শ্বাস গোনে । প্রথমে অস্থির লাগলেও ধীরে ধীরে রাফি দেখল , মনোযোগ বাড়ছে , অস্থিরতা কমছে । এভাবেই জাজেন বা জেন ধ্যান আমাদের শেখায় নিজেকে সামলানো , মনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া । জাপানিরা ধ্যানকে দৈনন্দিন কাজের অন্তর্ভুক্ত করে ফেলেছে । এই কাজটা নামাজের মাধ্যমেও হয় । তাই নামাজ পড়া বা ইবাদত করা যেতে পারে । অমুসলিম হলে ধ্যান বা ধর্মীয় প্রার্থনা করা যেতে পারে । প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ( যেমন ভোরবেলা বা রাতে ঘুমানোর আগে ) ৫ মিনিট জাজেন করুন ।


কোজিজি:


আকাশ প্রতিদিন সকালে এক কাপ চা বানায় । তিনি সেই চা বানানোতেই তার যত্ন , মনোযোগ , ধৈর্য — সব ঢেলে দেয় । আর এই ছোট ছোট কাজের মধ্য দিয়ে সে খুঁজে পায় শান্তি ও আনন্দ । এটাই হলো কোজিজি ছোট জিনিস , ছোট কাজ , ছোট শব্দ ; যেগুলোর মাঝে লুকিয়ে থাকে বড় উপলব্ধি । জাপানিরা মনে করে , জীবন শুধু বড় সিদ্ধান্তে নয় , ছোট অভ্যাসে তৈরি হয় । জাপানিরা ইতিহাস প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বাঁচিয়ে রাখেন গল্পের ছলে । বাড়ির বয়স্করা ছোটদের পূর্বপুরুষদের গল্প শোনান । তাঁদের ইতিহাস বই , রান্নার বই , নৃতত্ত্বের বই — এ রকম নানা কিছু গল্পের মতো করে বলা বা লেখা হয় । ইতিহাসের নানা ঘটনা আশ্রয় করে বানিয়ে ফেলা হয় সিনেমাও । ফলে সেগুলো আর বিরক্তিকর লাগে না , বরং ‘ ইন্টারেস্টিং ’ লাগে । আবার মনে রাখাও সহজ হয় ।

-দৈনিক আজকের পত্রিকা 

✍️এম এম মুজাহিদ উদ্দীন

লেখক: ভাইভা বোর্ডের মুখোমুখি, 

ব্যাংকার'স ভাইভা বোর্ড, 

মুজাহিদ'স ভাইভা সাজেশন, 

ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার,

লেসন ফ্রম বুকস। 


#japan #SmartHacks #japaneseculture

হাছন রাজা: বিলাসিতা থেকে বৈরাগ্যের এক বিস্ময়কর যাত্রা :-

 হাছন রাজা: বিলাসিতা থেকে বৈরাগ্যের এক বিস্ময়কর যাত্রা :-


তিনি ছিলেন বিলাসী জমিদার।

বড় ভাই ও পিতার মৃত্যুতে অল্প বয়সেই ৬ লাখ বিঘা জমির বিশাল সাম্রাজ্যের দায়িত্ব এসে পড়ে তাঁর কাঁধে। কিন্তু এত ভূসম্পত্তি পেয়ে তিনি হারিয়ে গেলেন ভোগবিলাসে। নারী-নেশা-নৃত্যগীত—এই ছিল তাঁর জীবনের মূল সুর।


নারীর প্রতি ছিল প্রবল আকর্ষণ। নিজেই লিখেছেন,

“সর্বলোকে বলে হাছন রাজা লম্পটিয়া।”


একদিন দেখা পেলেন এক হিন্দু রমণী—দিলারাম।

রূপে মোহিত হয়ে উপহার দিলেন নিজের গলার সোনার চেইন। প্রেমে পড়ে লিখলেন বিখ্যাত সেই পঙ্‌ক্তি:


“ধর দিলারাম, ধর দিলারাম, ধর দিলারাম, ধর।

হাছন রাজারে বান্ধিয়া রাখ, দিলারাম তোর ঘর!”


কিন্তু পরিবারের আভিজাত্যের খাতিরে মা সেই প্রেমকে মানতে পারলেন না।

দিলারামকে তাড়িয়ে দিলেন।

মায়ের উপর অভিমান করে হাছন রাজা আরও ডুবে গেলেন বাইজি আর মদে।

লখনৌ থেকে আগত অপূর্ব রূপসী বাইজি পিয়ারির প্রেমে পড়লেন।

তার রূপে মাতোয়ারা হয়ে লিখলেন:


“নেশা লাগিল রে। বাঁকা দুই নয়নে নেশা লাগিল রে...”


প্রজারা ধীরে ধীরে জমিদার হাছন থেকে দূরে সরে গেল।

তিনি পরিচিত হলেন এক নিষ্ঠুর, নির্দয় শাসক হিসেবে।


ঠিক তখনই—ঘটল এক অলৌকিক ঘটনা।

ছেলেকে পথভ্রষ্ট দেখে মা এক রাতে বাইজির ছদ্মবেশে ছেলের জলসায় হাজির হলেন।

জমিদার হাছন মায়ের পায়ে পড়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন।


এই লজ্জা, আত্মদহন আর এক আধ্যাত্মিক স্বপ্ন পুরোপুরি বদলে দিল তাঁর জীবন।

প্রেম-ভোগ-নেশা ছেড়ে হাছন রাজা হয়ে উঠলেন এক সাধক, এক বাউল।


সাদামাটা জীবন, স্রষ্টার প্রেমে মগ্ন মন, প্রজাদের প্রতি দরদ।

রচে গেলেন একের পর এক কালজয়ী গান—


“লোকে বলে বলেরে, ঘর বাড়ি ভালা নায় আমার”

“মাটিরো পিঞ্জিরার মাঝে বন্দী হইয়া রে”

“সোনা বন্দে আমারে দেওয়ানা বানাইলো রে”

...আরও অসংখ্য হৃদয়ছোঁয়া গান।


তিনি নিজেই বুঝতে পেরেছিলেন—

“একদিন তোর হইবোরে মরণ”—এ গানেই ফুটে উঠেছে তাঁর অনুশোচনা।


শেষ বয়সে সম্পত্তি বিলিয়ে দরবেশি জীবন বেছে নেন।

প্রতিষ্ঠা করেন স্কুল, মসজিদ, আখড়া—অগণিত জনহিতকর প্রতিষ্ঠান।


জীবনের শেষ প্রান্তে এসে হাছন রাজা বুঝেছিলেন,

কে তাঁকে বাউল বানিয়েছে—তা হয়তো তিনি বলেননি,

কিন্তু আকাশের দিকে তাকিয়ে বলেছিলেন—

"আমি সেই অদৃশ্যের বাঁধা ঘুড়ি!"


হাছন রাজার জীবন গল্প নয়, এক অনন্ত শিক্ষা।

ভোগ থেকে ত্যাগ, মোহ থেকে মোক্ষের যে যাত্রা—

তা আমাদের জন্য এক অনুপ্রেরণা।

অল্প পুঁজিতে যেসব ব্যবসা শুরু করা যায়, তার মধ্যে অনেকগুলো লাভজনক ও টেকসই হতে পারে যদি ঠিকভাবে পরিকল্পনা ও পরিশ্রম করা যায়। 

 অল্প পুঁজিতে যেসব ব্যবসা শুরু করা যায়, তার মধ্যে অনেকগুলো লাভজনক ও টেকসই হতে পারে যদি ঠিকভাবে পরিকল্পনা ও পরিশ্রম করা যায়। 

নিচে কিছু ব্যবসার ধারণা দেওয়া হলো:

১. ফাস্ট ফুড বা স্ট্রিট ফুড ব্যবসা: 


পুঁজি: ৫,০০০–২০,০০০ টাকা

অবস্থান: স্কুল, কলেজ, অফিস এলাকার কাছে।

পপুলার আইটেম: চটপটি, ফুচকা, স্যান্ডউইচ, পুরি, নুডলস ইত্যাদি।


২. ঘরোয়া হস্তশিল্প বা হ্যান্ডমেইড পণ্য: 


পুঁজি: ২,০০০–১০,০০০ টাকা

জিনিসপত্র: জামদানি, নকশিকাঁথা, পুঁতির গয়না, হ্যান্ড পেইন্টেড পণ্য।

অনলাইন বা লোকাল মার্কেটে বিক্রয় করা যাবে। 


৩. ফ্রিল্যান্সিং বা ডিজিটাল সার্ভিস:

পুঁজি: একটি কম্পিউটার ও ইন্টারনেট সংযোগ।

কাজ: গ্রাফিক ডিজাইন, কনটেন্ট রাইটিং, ভিডিও এডিটিং, ওয়েব ডিজাইন।

প্ল্যাটফর্ম: Fiverr, Upwork, Freelancer


৪. অনলাইন রিসেলিং ব্যবসা:


পুঁজি: ৩,০০০–১৫,০০০ টাকা

পণ্য: পোশাক, কসমেটিক্স, জুতা, ব্যাগ ইত্যাদি

ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম পেইজ দিয়ে শুরু করা যায়।


৫. কাচা বাজার পণ্য বা সবজি বিক্রি: 


পুঁজি: ১,০০০–৫,০০০ টাকা

ভ্রাম্যমাণ বা নির্দিষ্ট জায়গায় করা যাবে।

লোকাল কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি কিনে বিক্রি করলে লাভ বেশি হয়। 


৬. প্রিন্টিং ও ফটোকপি সার্ভিস:


পুঁজি: ১০,০০০–২৫,০০০ টাকা (পুরাতন মেশিন কিনলে আরও কমে)

স্কুল/কলেজ/দপ্তর এলাকায় করলে চাহিদা বেশি। 


৭. পোল্ট্রি বা কোয়েল পাখির খামার (ছোট আকারে)


পুঁজি: ৫,০০০–১৫,০০০ টাকা

জায়গা: বাড়ির আঙিনায় বা ছাদে শুরু করা যায়।

নিয়মিত যত্ন নিলে লাভজনক হবে। 

____________________ 

প্রিয় বন্ধু, এগুলোর ভেতর যে ব্যবসা আপনি শুরু করতে আগ্রহী, সে ব্যাপারে বিস্তারিত জানুন। আমার পরামর্শ চাইলে স্পেসিফিক ডিটেইলস কন্টেন্ট লিখবো, আলাদা আলাদা ব্যবসা সম্পর্কিত। 

আর যারা উচ্চ ডিগ্রীধারী, বেকার বসে আছেন, বড় বেতনের চাকরি না হলে কোনো ধরণের কাজ করবেন না, বা কোটি কোটি টাকার ব্যবসা না হলে শুরু করবেন না, ছোটখাটো কাজ শুরু করতে আত্মসম্মানে লাগছে, তাদের জন্য এই পোস্ট না। আপনারা ইগনোর করুন।

আমি তাদের জন্য লিখেছি যারা ছোটোখাটো কাজ শুরু করে হালাল উপায়ে উপার্জন করতে আগ্রহী। যে কোনো কাজ সংক্রান্ত ব্যাপারে আমি সার্বিক পরামর্শ দিতে আগ্রহী, যতটুকু আমার পড়াশোনা, জ্ঞান, বিশ্লেষণ এবং অভিজ্ঞতা আছে।।

নায়ক মান্নার সকল নায়িকা।

 নায়ক মান্নার সকল নায়িকা।


১। ফারজানা ববি (পাগলী)

২। শেলী কাদের (ফুলশয্যা)

৩। নিপা মোনালিসা (তওবা)

৪। রেহেনা জলি (নিষ্পাপ)

৫। রোজিনা (আজ তোমার কাল আমার)

৭। নাসরিন (টাকা পয়সা)

৮। অঞ্জু (যন্ত্রনা)

৯। সুনেত্রা (জাদরেল বউ)

১০। দিলারা (অগ্নি পুরুষ)

১১। রানী (ছোট বউ)

১২। অরুনা বিশ্বাস (গরিবের বউ)

১৩। চম্পা (কাশেম মালার প্রেম)

১৪। কবিতা (অগ্নি তুফান)

১৫। সুচরিতা (দাঙ্গা)

১৬। নূতন‌ (নাগিনী সাপিনী)

১৭। লিলি (নাগিনী সাপিনী)

১৮। জিন্নাত (রূপের রানী গানের রাজা)

১৯। অঞ্জলী (আলো আমার আলো)

২০। বনশ্রী (মহাভূমিকম্প)

২১। শাহনাজ (আন্দোলন) 

২২। রেবেকা (আন্দোলন)

২৩। তৃষ্ণা (শেষ সংগ্রাম)

২৪। শিল্পী (রাজপথের রাজা)

২৫। সাথী (সাক্ষী প্রমাণ)

২৬। দিতি (আজকের সন্ত্রাসী)

২৭। শাবনুর (চিরঋণী)

২৮। সন্ধ্যা (গুন্ডা পুলিশ)

২৯। শাবনাজ (দেশদ্রোহী)

৩০। মৌসুমী (লুটতরাজ)

৩১। শানু (হাতিয়ার)

৩২। একা (তেজী)

৩৩। ঋতুপর্ণা (দেশ দরদী)

৩৪। পপি (কে আমার বাবা)

৩৫। শাবজান (গণধোলাই)

৩৬। মুনমুন (রাজা)

৩৭। ময়ূরী (রাজা)

৩৮। সূচিত্রা (নাজায়েজ)

৩৯। অন্তরা (নাজায়েজ)

৪০। তামান্না (আমার প্রতিজ্ঞা)

৪১। আফরিন (কিলার)

৪২। সিমলা (ভেজা বিড়াল)

৪৩। কেয়া (রংবাজ বাদশা)

৪৪। মহিমা (ঈমানদার মাস্তান)

৪৫। পূর্ণিমা (সুলতান)

৪৬। শাহনূর (শেষ যুদ্ধ)

৪৭। পলি (ফায়ার)

৪৮। নিশি (আলীবাবা) 

৪৯। রচনা ব্যানার্জি (ভাইয়া)

৫০। সুজানা (বাদশা কেন চাকর)

৫১। জুমেলিয়া (টপ সম্রাট)

৫২। শিনা (রুস্তম)

৫৩। বৈশাখী (আব্বাস দারোয়ান)

৫৪। মৌমিতা (আব্বাস দারোয়ান)

৫৫। সুমনা সোমা (রাজধানী)

৫৬। সুমি (তেজী পুরুষ)

৫৭। নেহা (আমাদের সন্তান)

৫৮। শাকিবা (বাঁচাও দেশ)

৫৯। নদী (এক রোখা)

৬০। জনা (আমি একাই একশ)

৬১। নূপুর (মাথা নষ্ট)

৬২। নিপুন (রিক্সাওয়ালার প্রেম)

৬৩। অপু বিশ্বাস (মেশিনম্যান)

৬৪। স্বাগতা (শত্রু শত্রু খেলা)

৬৫। রেসি (অবুঝ শিশু)

৬৬। অহনা (চাকরের প্রেম)

৬৭। আন্না (জীবন নিয়ে যুদ্ধ) 


বিঃদ্রঃ - কেউ বাদ পড়লে অথবা অতিরিক্ত নাম থাকলে বলতে পারেন, কারেকশন যোগ্য।


#MMahim #Manna

বিয়ের সময় জঘন্য নিয়ম 

 বিয়ের সময় জঘন্য নিয়ম 

____________________________

১. বিয়ের গোসল দেয় ভাবিরা, অথচ স্বামী মারা গেলে স্ত্রীকে গোসল দিতে দেয়না।


২. বিয়ে করলেন আপনি, আর বিয়ের অনুষ্ঠানে আপনার হাত ধুয়ে দিবে আপনার শালি। বউকে কোলে করে ঘরে নিয়ে যাবে আপনার ছোটভাই, মানে দেবর। অবাক নয় কি??!!!!


৩. বিয়ের সম্পর্ক যৌবনের সাথে, ক্যারিয়ার গড়ার জন্য পড়ে রয়েছে আজীবন। 

অথচ আমাদের দেশে বলা হয় আগে ক্যারিয়ার গড়ো তারপর বিয়ে কর। পরিণতিতে পার্কে পার্কে অবাধ প্রেমলীলা, ধর্ষণের সেঞ্চুরি আর ডাস্টবিন গুলোতে বেওয়ারিশ শিশু লাশের ছড়াছড়ি যা কুকুর, কাক আর শকুন মিলে ভাগাবাটি করে খায়।


৪. বিয়ে করে বউকে খাওয়াবি কী????? 

কথাবার্তা শুনে মনে হয় বউ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ খাদক যার ক্ষুধা নিবারণ করা দু:সাধ্য।


৫. ওয়াজ মাহফিল শুনলে মনে হয় পর্দা শুধু নারীদের জন্য। অথচ আল কুরআনে সর্বপ্রথম পুরুষের পর্দার কথা বলা হয়েছে।


৬. বিয়ে মানেই মেয়ের বাবার উপর খরচের পাহাড় চাপিয়ে দেয়া। অথচ ইসলামে দাওয়াত খাওয়ানোর দায়িত্ব বর পক্ষের, কন্যা পক্ষের নয়।


৭. আমাদের দেশে বরপক্ষ যৌতুক নেয়, মোহরানা না দিয়ে বাসর রাত্রে স্ত্রীর নিকট ক্ষমা চায়। অথচ ইসলামি বিধান মতে স্ত্রীরা মোহরানার হক্বদার, যৌতুক তো সম্পুর্ণ হারাম।


৮. কতিপয় হুজুরের কথাবার্তা শুনে মনে হয় সেবা পাওয়ার হক্বদার শুধুই স্বামী। অথচ রাসুলুল্লাহ (সা) বলেছেন তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই আল্লাহর কাছে উত্তম যে তার স্ত্রীর নিকট (দ্বীনের ক্ষেত্রে) উত্তম।


৯. বিয়ের অনুষ্ঠানে বরের হাতে স্বর্ণের আংটি না পরালে মান সম্মান থাকেনা, অথচ পুরুষদের জন্য স্বর্ণ ব্যবহার হারাম।


১০. পুরুষদের কাপড় থাকবে টাখনুর উপরে, আর মেয়েদের কাপড় থাকবে টাখনুর নিচে। অথচ বাস্তবতা???????


১১. আলেম-ওলামারা শুধু পিতা-মাতার খেদমতের হাদিস বয়ান করে থাকে, অথচ সন্তান লালন-পালনের অনেক হাদিস রয়েছে যে ব্যপারে এক অজানা নিরবতা। দুই একজন হুজুর এ ব্যপারে কথা বললেও সর্বোচ্চ সন্তানকে দ্বীনি শিক্ষাদানের গুরুত্ব পর্যন্তই সীমাবদ্ধ।


১২. বিয়ের ব্যপারে হাজারো বাধা বিপত্তি থাকলেও ব্যভিচার একেবারেই সহজলভ্য।


১৩. কতিপয় লোকের কাণ্ড কারখানা দেখলে মনে হয় যে, কন্যাকে- বোনকে সম্পত্তি ফাঁকি দিতে পারা সবচেয়ে বড় ক্রেডিট। ভাবখানা এমন যে, পুত্র সন্তানদের জন্ম দিয়েছে নিজ ঘরে, আর কন্যাদের কচু বাগানে।


১৪. রাসুলুল্লাহ (সা) তাক্বওয়া ভিক্তিক পাত্র-পাত্রী নির্বাচন করতে বলেছেন, আর আমরা করছি চেহারা আর সম্পত্তি ভিক্তিক।

কোন ভুল হলে ক্ষমা করবেন।

পলাশ সাহা এর সুই*সাইড নোটের ফরেনসিক ব্যাখ্যা"

 "পলাশ সাহা এর সুই*সাইড নোটের ফরেনসিক ব্যাখ্যা"


"পলাশ স্যারের নোট দেখে তার মাকে বেশি অপরাধী মনে হচ্ছে আমার, উনার সম্পর্কে ভালো করে  তদন্ত করা দরকার" মো: মিরাজ হোসেন ( ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ) 


হাতের লেখা বিশ্লেষণ করে ব্যক্তির মানসিক অবস্থা নির্ণয় করা যায়। হ্যান্ডরাইটিং অ্যানালাইসিস বা গ্রাফোলজির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো "Margin" বিশ্লেষণ। মার্জিন থেকে বোঝা যায় ব্যক্তির past নাকি future এ বেশি focus করে এবং তার স্বাধীনচেতা এবং insecurity feeling কেমন।  একটি ব্যক্তির হাতের লেখার মার্জিন যদি এলোমেলো হয়—যেমন কখনো দূরে, কখনো মাঝখানে, আবার দূরে চলে যায়—তবে তা নির্দেশ করে যে ব্যক্তিটি প্রথমে  Independent মনোভাব নিয়ে শুরু করলেও কিন্তু পরে নিরাপত্তার খোঁজে থাকে ( insecurity feeling)। এখানে লেখকের ভেতরে একটি অনিশ্চয়তা বা অস্থিরতা বিরাজ করছে, যা লেখার বিন্যাসেই প্রকাশ পাচ্ছে।


শব্দের আকার ও লাইনের গঠন:

যদি শব্দ গুলো বড় বড় আকারে লেখা হয়, তা বোঝায় যে লেখকের মধ্যে Attention Seeking Behavior রয়েছে। লেখার Baseline যদি বেশি Wavy হয়, বিশেষ করে Heavy Wavy বা শব্দ হঠাৎ উপরে নিচে অবস্থা করে লাইনে , তখন তা Emotional Instability বা চরম আবেগগত অস্থিরতার ইঙ্গিত দেয়।


এই লেখাটি উপরের দিকে আসতে আসতে Arcade Handwriting-এর রূপ নিচ্ছে, যা লেখকের মধ্যে একটি Protective Tendency বা নিজেকে এবং নিজের আবেগকে ঢেকে রাখার প্রবণতা প্রকাশ করে।অন্যদের প্রতি কেয়ারও বোঝা যাচ্ছে।


অক্ষরের গঠন ও বানান:

কিছু নির্দিষ্ট অক্ষর যেমন "যা", "তা", "ন"—এই অক্ষরগুলোর গঠন তুলনামূলক বড় এবং শেষের দিকটা মোটা বা স্পষ্টভাবে শেষ হয়েছে, যা প্রকাশ করে লেখক বেশি আশাবাদী এবং অতিরিক্ত প্রত্যাশা করে থাকেন অন্যদের থেকে। কিন্তু অতিরিক্ত প্রত্যাশা অনেক সময় হতাশার জন্ম দিতে পারে।


Ascending Baseline:

নোটে কিছু লাইন আছে যা উপরের দিকে উঠে যাচ্ছে, যেমন:

"দিদি যেন কো-অর্ডিনেট করে"

"স্বর্ণ বাদে যা আছে তা মায়ের জন্য"

এই Ascending লাইনগুলোর মাধ্যমে লেখকের আশাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পাচ্ছে। উনার দিদির উপর বিশ্বাস বা আস্থা অনেক। 


সংবেদনশীল সম্পর্কের ইঙ্গিত:

নোটের প্রথম লাইনে লেখা ছিলো—

"আমার মৃ*ত্যুর জন্য মা এবং বউ কেউ দায়ি না"

এখানে "মা" শব্দটি একটু নিচে লেখা হয়েছে, যা Negative Emotion connection  প্রকাশ করে।


অন্যদিকে, "বউ" শব্দটি একটু উপরে ও ছোট করে লেখা হয়েছে, যা তুলনামূলকভাবে বেটার সম্পর্কের ( Positive Emotional Connection)  ইঙ্গিত দেয়।


 তবে এখানে কাউকে এককভাবে দায়ী করা যাবে না।


আরেকটি লাইন ছিলো—

"কাউকে ভালো রাখতে পারলাম না"

এখানে "ভালো রাখতে" অংশটি Ascending এবং "পারলাম না" অংশটি Descending, যা লেখকের ভেতরের হতাশা ও ব্যর্থতার অনুভূতি প্রকাশ করে।


লেখার গঠন ও ভঙ্গি:

লেখার Angular Formation “মা” শব্দে কম থাকলেও “বউ” শব্দে তা স্পষ্টভাবে এসেছে, যা ভিন্ন আবেগ প্রকাশ করছে।

তাছাড়া এ লেখাটির Consistency নেই, কখনো শব্দ বড়, কখনো ছোট।


ই-কার, আ-কার ইত্যাদির Sharpness বোঝায় যে লেখকের খোঁচা মেরে কথা বলার স্বভাব থাকতে পারে।


বাংলা হ্যান্ড রাইটিং অ্যানালাইসিস এখনো গবেষণার প্রাথমিক স্তরে রয়েছে। এই লেখাতে কিছু "র" অক্ষর বামদিকে ঝুঁকে রয়েছে, তা যদি ইংরেজি গ্রাফোলজির আলোকে এনালাইসিস করা হয়, দেখা যায় যে লেখকের মনোযোগ অতীতের দিকে রয়েছে।


হাতের লেখা একজন মানুষের মানসিক অবস্থা, আবেগ, সম্পর্ক ও প্রত্যাশার বিষয়ে অনেক কিছু বলে দেয়। উপরের এই লেখাটি বিশ্লেষণে এসকল তথ্যগুলো সহজেই বুঝা যাচ্ছে।


যারা আত্ম*হত্যা করে, তাদের নোটের মধ্যে নিচের বিষয়গুলো কমন পাওয়া যায়:

1. অনেক বেশি চাপ দিয়ে লেখা ( heavy pressure) 

2. হঠাৎ করে কোন নির্দিষ্ট শব্দ বারবার উপরে বা নিচে অবস্থা করছে

3. হাতের লেখার লাইন নিচের দিকে নেমে যাচ্ছে। (Descending Baseline) 

4. লাইনের শেষ শব্দ হঠাৎ করে নিচে নেমে যাওয়া। 

5.  হাতের লেখা কখনো  বাম দিকে, কখনো ডান দিকে (multi slant) কোণ করে লেখা। 

6.  হাতের লেখা বা নিজের সাইনে অনেক কাটাকাটি থাকে। ( Negative Pastosity)

7.  হাতের লেখা অনেক বেশি উপরে বা নিচে কানেকশন থাকে ( deep or arcade connection) 

8.  শব্দের শেষর অক্ষর বেশি টান দেওয়া থাকে (big ending stroke)

9.   যদি একাকিত্ব অনুভব করে তাহলে এক শব্দ থেকে  অন্য শব্দের মধ্যে এবং এক লাইন থেকে অন্য লাইনের মধ্যে অনেক বেশি দূরত্ব থাকবে (  wide letter & line space)

10.   হঠাৎ করে অক্ষর এর সাইজ বড় বা ছোট হবে।( variable size)


বিশ্লেষক:

মো: মিরাজ হোসেন 

পিএইচডি গবেষক,  হস্তাক্ষর বিশ্লেষক, ফরেনসিক সাইকোলজিস্ট

পরিচালক: বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ফরেনসিক সাইকোলজি এন্ড সাইন্সেস

রাণীকে দুরারোগ্য ব্যাধি থেকে মুক্ত করার জন্য কবিরাজ-হাকিমের পরামর্শে ৩৬৫টি পুকুর খনন করেছেন পাল বংশের রাজা চান্দিলাল পাল!

 রাণীকে দুরারোগ্য ব্যাধি থেকে মুক্ত করার জন্য কবিরাজ-হাকিমের পরামর্শে ৩৬৫টি পুকুর খনন করেছেন পাল বংশের রাজা চান্দিলাল পাল!


মমতাজের স্মৃতিতে বাদশা শাহজাহানের তাজমহল নির্মাণের মতন যুগে যুগে এমন অনেক ভালোবাসার অমর কাহিনী আমাদের লোকগাথায় বিবৃত হয়েছে।

লোকমুখে প্রচলিত তেমনি একটি অমর প্রেমের কাহিনীর নির্দশন হচ্ছে নওগাঁ জেলা শহর থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরে ধামইরহাট উপজেলার ইসবপুর ইউনিয়নের চক-চান্দিরা গ্রামে কথিত পাল বংশের রাজা চান্দিলাল পাল কর্তৃক খননকৃত ৩৬৫টি পুকুর। ৮ কিলোমিটার জায়গায় জুড়ে বিস্তৃত পাশাপাশি  পুকুরগুলো পূর্ব -পশ্চিম ও উত্তর-দক্ষিণে লম্বা এবং কিছু পুকুর চৌকোনাকৃতি।


জনশ্রুতি আছে যে, অষ্টাদশ শতাব্দীতে এই অঞ্চলের রাজা, রাজা চান্দিলাল পাল প্রথম রাণীর উপস্থিতিতেই প্রেমে পড়ে প্রচণ্ড ভালোবেসে দ্বিতীয় বিয়ে করেন এবং এই দ্বিতীয় রাণীকেও প্রাসাদে নিয়ে আসেন। কিন্তু ভাগ্যের বিড়ম্বনায় মধুচন্দ্রিমা কেটে উঠার আগেই দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হন দ্বিতীয় রাণী।


রাণীর রোগ নিরাময়ের জন্য রাজা চান্দিলাল রাজ্যের সব কবিরাজ-হাকিমকে ডেকেও কোনো সুফল না পেয়ে যখন দিশেহারা তখন তিনি পাশের রাজ্যের এক দক্ষ হাকিমের খবর পান। তিনি দূত মারফত হাকিমকে নিজ রাজ্যে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানান। হাকিম আসার পর রাণীর রোগ সম্পর্কে সব শুনে হাকিম রাজাকে পরামর্শ দেন, রাণীকে সুস্থ করতে চাইলে রাজাকে ৩৬৫টি পুকুর খনন করতে হবে এবং রাণীকে প্রতিদিন একটি করে পুকুরে গোসল করাতে হবে, তাহলে রাণী দুরারোগ্য ব্যাধি থেকে মুক্তি পাবেন।


হাকিমের কথায় রাজা চিন্তায় পড়ে যান। এত অল্প সময়ে কীভাবে এত পুকুর খনন করবেন?ভালোবেসে বিয়ে করা প্রিয়তমা স্ত্রী বলে কথা। হাকিমের পরামর্শ অনুযায়ী রাজা দ্রুত রাজ্যের সব প্রজাকে দিয়ে পুকুর খননের কাজ শুরু করেন। দিনে একটি পুকুর খনন করা শেষ হয় আর রাণী সেখানে গোসল করেন। এক বছর পর রাণী কঠিন দুরারোগ্য রোগ থেকে মুক্তি পান।


বর্তমানে চকচান্দিরা গ্রামে, ৩৬৫টির প্রতিটি পুকুরের পাড়ে বন বিভাগের সুবিশাল সবুজ বনায়ন। বনের গাছের ডালে বিভিন্ন পাখির কলরব শুনতে পাওয়া যায়। এ ছাড়াও পাশে ১ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে রয়েছে বন বিভাগের নজরকাড়া সৌন্দর্যের নিজস্ব সবুজ বনায়ন।


প্রায় আট কিলোমিটার জুড়ে ৩৬৫টি পুকুর ছাড়াও, দুই রাণীর গোসলের জন্য আলাদা দুটি পুকুর খনন করা হয়েছিল, যে দুটি এখন ‘দুই সতীনের পুকুর’ নামে পরিচিত। পুকুর দুটিতে গোসল করতে নামলে ইট-পাথরসহ অনেক মূল্যবান বস্তুর দেখা পাওয়া যায়।


শিহাব আহমেদ শাহীন এর ওয়াল থেকে নেয়া

কারক ও বিভক্তি মনে রাখার কৌশল

 কারক ও বিভক্তি মনে রাখার কৌশল


কারক ছয় প্রকার: 

১. কর্তৃকারক

২. কর্মকারক

৩. করণকারক

৪. সম্প্রদান কারক

৫. অপাদান কারক

৬. অধিকরণ কারক


সংজ্ঞা: যে কাজ করে, তাকে কর্তা বা কর্তৃকারক বলে।

উদাহরণ:

আমি ভাত খাই।

বালকেরা মাঠে ফুটবল খেলছে।


মনে রাখার কৌশল:

“কে” বা “কারা” দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই কর্তৃকারক।

উদাহরণ:

কে ভাত খায়? → আমি

কারা ফুটবল খেলছে? → বালকেরা


২. কর্মকারক


সংজ্ঞা: কর্তা যাকে অবলম্বন করে কার্য সম্পাদন করে, সেটি কর্ম বা কর্মকারক।

উদাহরণ:

আমি ভাত খাই।

হাবিব সোহেলকে মেরেছে।


মনে রাখার কৌশল:

“কি” বা “কাকে” দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটি কর্মকারক।

উদাহরণ:

আমি কি খাই? → ভাত

হাবিব কাকে মেরেছে? → সোহেলকে


৩. করণকারক


সংজ্ঞা: ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র বা উপকরণকে করণকারক বলে।

উদাহরণ:

নীরা কলম দিয়ে লেখে।

সাধনায় সিদ্ধি লাভ হয়।


মনে রাখার কৌশল:

“কীসের দ্বারা” বা “কী উপায়ে” দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটি করণকারক।

উদাহরণ:

নীরা কীসের দ্বারা লেখে? → কলম

কী উপায়ে সিদ্ধি লাভ হয়? → সাধনায়


৪. সম্প্রদান কারক


সংজ্ঞা: স্বত্ব ত্যাগ করে দান বা অর্চনা বোঝালে সম্প্রদান কারক হয়।

উদাহরণ:

ভিক্ষারীকে ভিক্ষা দাও।

গুরুজনে কর নতি।


মনে রাখার কৌশল:

“কাকে” দিয়ে প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায়, তবে স্বত্ব ত্যাগ থাকতে হবে।

উদাহরণ:

কাকে ভিক্ষা দাও? → ভিক্ষারীকে

কাকে নতি কর? → গুরুজনে


৫. অপাদান কারক


সংজ্ঞা: "হতে", "থেকে" বোঝালে অপাদান কারক হয়।

উদাহরণ:

গাছ থেকে পাতা পড়ে।

পাপে বিরত হও।


মনে রাখার কৌশল:

“কোথা থেকে” বা “কি হতে” প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই অপাদান কারক।

উদাহরণ:

কোথা থেকে পাতা পড়ে? → গাছ থেকে

কি হতে বিরত হও? → পাপ থেকে


৬. অধিকরণ কারক

সংজ্ঞা: ক্রিয়ার সময় বা স্থান বোঝালে অধিকরণ কারক হয়। 

উদাহরণ:

আমরা রোজ স্কুলে যাই।

প্রভাতে সূর্য ওঠে।


মনে রাখার কৌশল:

“কোথায়” বা “কখন” দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই অধিকরণ কারক।

যেমন:

কোথায় যাই? → স্কুলে

কখন সূর্য ওঠে? → প্রভাতে


শুদ্ধ ভাষাচর্চা—শুভাচ

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...