এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ১৭ মে, ২০২৫

হিমালয়ের কোলে পড়ে আছে একটি পা। জুতো আছে। মোজাও আছে। মোজার গায়ে সেলাই করা একটি নাম--AC IRVIN। ঠিক একশো বছরের নিঃসঙ্গতা নিয়ে পড়ে আছে পা-টি।।এই পা হয়তো প্রথম এভারেস্টের শিখর ছুঁয়েছিল। ইতিহাস সব কিছু জানে না। জানার কথাও নয়। 

 হিমালয়ের কোলে পড়ে আছে একটি পা। জুতো আছে। মোজাও আছে। মোজার গায়ে সেলাই করা একটি নাম--AC IRVIN। ঠিক একশো বছরের নিঃসঙ্গতা নিয়ে পড়ে আছে পা-টি।।এই পা হয়তো প্রথম এভারেস্টের শিখর ছুঁয়েছিল। ইতিহাস সব কিছু জানে না। জানার কথাও নয়। 


বেচাকেনা চুকিয়ে, লেনাদেনা মিটিয়ে এসি স্যান্ডি আরভিন হিমালয়ে বিলীন হয়েছিলেন ১৯২৪ সালে। কিন্তু তাঁর পা-টি এখনও পড়ে আছে। দেহের বাকি অংশ কোথায় ? কেউ জানে না। শুধু পা-টি আছে বরফের কোলে। পৃথিবীর সবচেয়ে আলোচিত রহস্যের সাক্ষী হয়ে। 


কে এই এসি আরভিন ? একজন ব্রিটিশ পর্বত অভিযাত্রী। তিনি এবং জর্জ ম্যালোরি একশো বছর আগে প্রথম এভারেস্টের চূড়ায় ওঠেন বলে জনশ্রুতি। কিন্তু স্রেফ প্রমাণের অভাবে তাঁরা সেই স্বীকৃতি পাননি। দুর্গম হিমালয়ে মিলিয়ে গিয়েছিলেন অকুতোভয় দুই প্রাণ। এন্ড্রু কোমিন 'স্যান্ডি' আরভিনের বয়স তখন ২২। ম্যালোরির ৩৭। কুয়াশায় ঘেরা, বরফ আচ্ছাদিত হিমালয়ে কোথায় হারিয়ে গেলেন তাঁরা ? আজও পৃথিবীর সেরা রহস্য সেটি। 


কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক স্কুলশিক্ষক ম্যালোরি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ছিলেন ফ্রান্সে। যুদ্ধের পর দেশে ফেরার পরই পাহাড়ের নেশা চেপে বসে ম্যালোরির। বারবার ছুটে গিয়েছেন হিমালয়ের কোলে। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, 'বারবার হিমালয়ে যান কেন ?' 


যে-উত্তরটি দিয়েছিলেন ম্যালোরি তা আজও সোনার অক্ষরে খোদাই করা আছে--কেন যাই ? ম্যালোরির দেহ পাওয়া যায় ১৯৯৯ সালে। আমেরিকার এক অভিযাত্রী দল তাঁর দেহ খুঁজে পায়। ৭৫ বছর ধরে হিমালয়ে পড়ে আছে একটি দেহ। কোমরে দড়ির দাগ। শুধু কাছে নেই ম্যালোরির স্ত্রীর ছবিটি। প্রিয়তমার এই ছবিটি এভারেস্টের চূড়ায় রেখে আসার কথা ছিল। সন্দেহ আরও বাড়ে। তা হলে কি এভারেস্টের চূড়াতেই আছে স্ত্রীর ছবিটি ? 


তেনজিং নোরগে এবং এডমন্ড হিলারি নন, এভারেস্টে প্রথম ওঠেন ম্যালোরি-আরভিন জুটি? সব রহস্যের কিনারা হয় না। এবং হয় না বলেই পৃথিবী এত সুন্দর। আরভিনের পা খুঁজে পাওয়া যায় গত মাসে। এক পর্বত অভিযাত্রী ও সিনেমা নির্মাতার দলের নজরে আসে জুতো-মোজা পরা একটি পা পড়ে আছে। ম্যালোরির দেহাবশেষ যেখানে মিলেছিল তার বেশ খানিক নীচে শুয়ে আছে আরভিনের পা। ওই দলের সদস্য জিমি চিন বলেন, 'মোজাটা তুলে দেখি একটা লাল রঙের লেবেল। তাতে সেলাই করা আছে আরভিনের নাম।' দেহের বাকি অংশ নেই। নেই আরভিনের কোডাক ক্যামেরাটাও। এই ক্যামেরার হদিস পেলে হয়তো ইতিহাস অন্যরকম ভাবে লেখা হতো।


আরভিনের পায়ের খবর শুনে কেঁদে ফেলেন জুলি সামার্স। জুলি আরভিনের বংশধর এবং তাঁর জীবনীকারও বটে। তাঁর কথায়, 'আমি ছোটবেলা থেকে আমি হারিয়ে যাওয়ার কথা শুনে এসেছি। যেদিন ম্যালোরির দেহ মিলল, সেদিন ভেবেছিলাম আরভিনের দেহও নিশ্চয় পাওয়া যাবে।' ম্যালোরির দেহ উদ্ধারের ২৫ বছর পর মিলল আরভিনের পা। ঘটনাচক্রে সেই অভিযানের একশো বছর পরে। হয়তো আরও ২৫ বছর পর এভারেস্টের চূড়ায় কেউ খুঁজে পাবে এক নারীর ছবি। প্রচণ্ড তুষারঝড়েও যে-ছবিটি বরফের গায়ে লেগে আছে এক না-লেখা ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে। সেই নারীর নাম রুথ  ম্যালোরি। জর্জ ম্যালোরির স্ত্রী।


কবি জানতেন, তাঁর পায়ের চিহ্ন একদিন পড়বে না এই বাটে। কিন্তু আরভিন কি জানতেন, তিনি নন, তাঁর পায়ের চিহ্নও নয়, তাঁর পা-টিই পড়ে থাকবে বরফে ঢাকা হিমালয়ের কোলে? একটা জুতো-মোজা পরা পা কত উথালপাতাল দেখল পাহাড়ে। ঝড় বয়, প্রবল ঠান্ডায় কাঁপতে থাকে চরাচর, কিন্তু পা-টি শুয়ে থাকে একা। একশো বছর ধরে। 


একশো বছরের নিঃসঙ্গতা নিয়ে হয়তো অন্য কাহিনি লিখবে কেউ। হয়তো কোনও নতুন অভিযাত্রী বলবে, 'কেন যাই ? বিকজ ইট ইজ দেয়ার।' হিমালয় তো থাকবেই, যেমন আছেন ম্যালোরি-আরভিন।


#Collected_Post

যে অর্থনীতি সমাজের দায়িত্ববান লোকেরা বোঝে না, তা ঐ মাছ ব্যবসায়ী বোঝেন ।

প্রতিদিন সকালে মাছ কিনতে কিনতে বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীর সাথেই বন্ধুত্ব হয়ে গেছে । এইরকম এক মৎস্য ব্যবসায়ী সেদিন যা বললেন তা শুনে আমি স্তম্ভিত ! যা বললেন, তা যতটা সম্ভব অবিকৃতভাবে তুলে ধরার চেষ্ঠা করলাম।


"বুঝলে দাদা, আমাদের এখানে সরকারী চাকরী-বাকরী একেবারে কমে গেছে, বাজারের অবস্থা খুব খারাপ । সামনে আমাদের খুব খারাপ দিন আসছে । বেশ কিছু কাস্টমার চাকরী থেকে অবসর নেওয়ার পর আর আগের মত মাছ নেয় না । কিন্তু সে জায়গায় নতুন চাকরী পেয়ে যে কাস্টমার তৈরী হবে, তা একেবারেই হয় নি । সামনে আরও কয়েকজন চাকরীম্যান রিটায়্যার করবেন । তাই সামনে আরও কঠিন দিন আসছে ।" 


"দাদা ভাবছো মাছ তো কেনেন সবাই । তাহলে সরকারী চাকরীর সঙ্গে এর সম্পর্কটা কি ? তাহলে শোনো দাদা, সত্যি কথাই বলি । তোমাদের মত খরিদ্দার আমাদের বাজারের আসল সম্পদ । শুধু মাছ নয়, সারা বাজার, এমনকি সব ধরনের মিস্ত্রী সবাই নির্ভর করে তোমাদের উপরই । তোমরা আছো বলেই সকাল সকাল মাছ বেচে এগারোটা-সাড়ে এগারোটার মধ্যে বাড়ি চলে যেতে পারি । নইলে বেলা একটা-দেড়টা পর্যন্ত বসে থাকতে হত । তোমরা বড়লোক (ধনী) নও, তবে তোমাদের পকেটে মাসকাবারী পয়সা থাকে । 


তোমাদের মত চাকরীম্যানরা সকাল সাতটা-সাড়ে সাতটার আগে বাজারে আসে, অফিস যাওয়ার তাগিদে দরদাম বা যাচাই করে ঘুরে-ফিরে বাজার করার মত সময় সকাল বেলা তাদের হাতে খুব-একটা থাকেনা । পাইকারী 250-300 টাকা কেজির মাছ কিনে 350 থেকে 400 টাকা কেজিও তাদের বিক্রি করি সকাল সাড়ে আটটা পর্যন্ত, ফলে প্রথমে ঘরের দান উঠে যায় সহজে । সব খরচ বাদ দিয়ে 400-500 টাকা লাভ হয়ে গেলেই আমি সন্তুষ্ট । 

"এরপর বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাকী মাছ 200 টাকা, 180 টাকা এমনকি শেষে কেনা দামে 150 টাকায় বিক্রি করতে পারি । শেষ বেলায় খালি করে বাড়ি যাওয়া নিয়ে কথা । তখন লাভ যা হওয়ার হয়ে গেছে চাকরীম্যানদের থেকে ।


যেসব লোক একটু পরে বাজারে আসেন, তাদের কম দামে মাছ বিক্রি করতে পারি শুধু তোমাদের মত কাকভোরের চাকরীম্যান কাস্টমার থাকার জন্যই । তোমাদের চাকরীর পয়সা কিন্তু শুধু আমরা খাই না । যারা আমাদের কাছে পরে 150 টাকায় মাছ কেনে, তারাও তোমাদের পয়সা খায় । কারণ তোমাদের কাছে প্রথমে বেশি দাম পেয়ে যাই বলেই তো শেষ বেলায় কেনা দামেরও কম দামে মাছ বেচতে পারি ।"


দেখো না, আমাদের এখানে নতুন চাকরী-বাকরী পাওয়া তো বন্ধই হয়ে গেছে, সাধারণ মানুষ সবার অবস্থা খারাপ হয়ে গেছে এবং আরও যাবে । তোমাদের মতো চাকরীম্যানদের হাতে টাকা না থাকলে সামান্য মিস্ত্রীরাও কাজ পাবেনা ।


এবার আমি বললাম একজনকে চাকরী দিয়ে মাসে ত্রিশহাজার টাকা মাইনে না দিয়ে ঐ টাকায় তোমাদের মত ব্যবসায়ী বা মিস্ত্রীদের 30 জনকে মাসিক একহাজার টাকা করে ভাতা দেওয়া হলে ক্ষতি কি ?


উত্তরে তিনি বললেন, "ঐ ভিক্ষার পয়সা চাই না । ওতে জল গরম হবে না । সমাজের শিক্ষিত মানুষের হাতে সরকার পয়সা তুলে দিলে সেই পয়সা ঘুরে-ফিরে আমাদের হাতেই চলে আসে । আমরা নিজেদের সামর্থ মত সেই পয়সাই অধিকার করে নিই । আমাদের কাছে সেটাই ভালো পথ । চাকরী বন্ধ হলে আমার ছেলেটাকে যে লেখাপড়া শেখাচ্ছি, সেও তো চাকরী পাবে না । আমার মতই তাকেও টেনশন-এ দিন কাটাতে হবে প্রতিদিন ।


শোনো দাদা, একটা ইঁটের বাড়ি তুমি তিন ইঞ্চি গাঁথনী দিয়েও করতে পারো । কিন্তু তাতে দশ ইঞ্চি পিলার দিতেই হবে । তুমি যদি ভাবো দশ ইঞ্চি পিলারে সিমেন্ট-স্টোন চিপস্ খরচ না করে পুরোটাই তিনইঞ্চি গেঁথে ঘরের সংখ্যা একটা বাড়াবো তাহলে পুরো বাড়িটাই ভেঙে পড়বে । তাই বাজার (হয়তো বলতে চাইছে সমাজ) ঠিক রাখতে গেলে শিক্ষিত মানুষকে তাদের প্রাপ্য দিতেই হবে । তারা পেলে আমরাও পাবো । তাদের হাত থেকে আমরা পেলে সেটা হবে আমাদের 'অর্জন' করা পয়সা, কিন্তু সেই পয়সা সরকারের হাত থেকে ভাতা হিসাবে পেলে সেটা হবে 'ভিক্ষা' ।"


ওনার কথা শুনে আমার চোখ খুলে গেছে, যে অর্থনীতি সমাজের দায়িত্ববান লোকেরা বোঝে না, তা ঐ মাছ ব্যবসায়ী বোঝেন ।


An Animesh

এক রূপে লুকানো ছিল হাজারো যোদ্ধার মৃত্যু,,,,

 “এক রূপে লুকানো ছিল হাজারো যোদ্ধার মৃত্যু…”


হেলেন ও ট্রয় নগরীর ইতিহাস: মিথ না কি বাস্তবতা?


তিন হাজার বছরেরও আগের একটি কাহিনি আজও মানুষকে বিস্মিত করে। মাত্র একজন নারীর কারণে শুরু হয়েছিল ইতিহাসের অন্যতম বিখ্যাত যুদ্ধ—ট্রোজান যুদ্ধ। এই নারীর নাম হেলেন। সৌন্দর্যের প্রতীক হিসেবে হেলেন এতটাই পরিচিত যে, তাকে নিয়েই বলা হয়: “The face that launched a thousand ships.” অর্থাৎ, যার রূপে মুগ্ধ হয়ে এক হাজার জাহাজ যুদ্ধে নেমেছিল।


কিন্তু কে ছিলেন এই হেলেন? তিনি কি কেবল কল্পকাহিনির চরিত্র, নাকি বাস্তবেই এমন একজন নারীর অস্তিত্ব ছিল? ট্রয় নগরী কি আদৌ ছিল? চলুন খুঁটিয়ে দেখা যাক।


হেলেন: রূপের দেবী না ইতিহাসের চরিত্র?


গ্রিক পুরাণ অনুযায়ী, হেলেন ছিলেন দেবরাজ জিউস ও রানী লেডার কন্যা। জন্ম থেকেই তিনি ছিলেন অতুলনীয় রূপসী। তার সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে অনেক রাজপুত্র তাকে বিবাহ করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু হেলেন বিয়ে করেন স্পার্টার রাজা মেনেলাউসকে।


তবে গল্প মোড় নেয় তখন, যখন ট্রয়ের রাজপুত্র প্যারিস হেলেনকে সঙ্গে নিয়ে পালিয়ে যায় ট্রয়ে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মেনেলাউস গ্রিসের অন্যান্য রাজাদের সঙ্গে নিয়ে বিশাল এক সেনাবাহিনী নিয়ে ট্রয় আক্রমণ করেন। এই ঘটনাই জন্ম দেয় ট্রোজান যুদ্ধের, যা প্রায় ১০ বছর স্থায়ী ছিল।


হেলেন ছিলেন কে?


হেলেন শব্দটি এসেছে প্রাচীন গ্রিক ভাষা থেকে, যার অর্থ “জ্বলন্ত” বা “আলোপ্রদীপ”। এর সাথে তাঁর সৌন্দর্যের উপমা মিলিয়ে দেখা হয়। তবে অনেক গবেষকের মতে, হেলেন শুধুমাত্র একজন নারী ছিলেন না, বরং একধরনের উর্বরতা ও নারীত্বের প্রতীকী দেবী ছিলেন।


স্পার্টার দক্ষিণ-পূর্বে থেরেপনি নামক স্থানে হেলেনের মন্দির আবিষ্কৃত হয় ১৮৩৩ এবং ১৮৪১ সালে। মন্দির আবিষ্কৃত হওয়া মানেই বোঝা যায়—কোনো সময়ে তাঁকে দেবীর মর্যাদা দিয়ে পূজা করা হতো। আর সাধারণ মানুষকে তো আর দেবীর মতো পূজা করা হতো না। এ থেকেই ধারণা করা যায়, হেলেন কেবল একজন রূপসী নারীই ছিলেন না, ছিলেন পৌরাণিক গুরুত্বসম্পন্ন এক দেবীর প্রতিরূপ।


ট্রয় নগরী: হোমারের কল্পনা নাকি বাস্তব নগরী?


গ্রিক মহাকবি হোমার তার বিখ্যাত মহাকাব্য ইলিয়াড-এ ট্রয় নগরী ও ট্রোজান যুদ্ধের বিশদ বিবরণ দিয়েছেন। তবে অনেক গবেষক এই বিবরণকে কল্পকাহিনি বলে মনে করতেন। কারণ হোমারের বর্ণনায় দেব-দেবী, অলৌকিক শক্তি ইত্যাদির প্রচুর উল্লেখ ছিল।


তবে এই সংশয় কাটে হাইনরিখ স্লাইম্যান নামে এক জার্মান প্রত্নতত্ত্ববিদের হাতে। তিনি ১৮৭০-এর দশকে তৎকালীন তুরস্কের হিসারলিক অঞ্চলে খনন শুরু করেন এবং আশ্চর্যজনকভাবে খুঁজে পান ধ্বংসপ্রাপ্ত এক নগরী, যা বহুস্তর বিশিষ্ট এবং প্রাচীন স্থাপত্যে ভরপুর। এই স্থানটিকেই গবেষকরা চিহ্নিত করেন প্রাচীন ট্রয় নগরী হিসেবে।


এর তুর্কি নাম ত্রুভা, এবং এটি তুরস্কের কানাক্কালে প্রদেশে অবস্থিত। ১৯৯৮ সালে ইউনেস্কো ট্রয় নগরীকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।


হেলেন হয়তো আজও বিতর্কের বিষয়—তিনি কি মানুষ ছিলেন, না দেবীর রূপ? তবে ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব প্রমাণ করেছে, ট্রয় নগরী কল্পনা নয়, বাস্তব ছিল। আর হেলেনকে কেন্দ্র করেই সেই নগরীতে হয়েছিল রক্তক্ষয়ী এক যুদ্ধ, যা আজও সাহিত্যে, নাটকে ও সিনেমায় ফিরে ফিরে আসে।


তাঁর সৌন্দর্য শুধু ইতিহাস সৃষ্টি করেনি, সৃষ্টি করেছে একটি সাংস্কৃতিক কল্পলোক, যেখানে বাস্তব ও পুরাণ মিশে একাকার।


Copyright: Mahmudul Hasan Jahid 


#love #helen #history #war #MahmudulHasanJahid

এটা সত্যি, কিন্তু তোমার খ্যাতি তার চেয়েও বেশি। পৃথিবী তোমার প্রশংসা করে, অথচ কেউ তোমাকে বোঝে না।

 (১) অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের স্ত্রী প্রায়শই তাকে কাজে যাওয়ার সময় আরও পেশাদার পোশাক পরার পরামর্শ দিতেন। আইনস্টাইন সবসময় বলতেন, "আমি এটা কেন পরবো? ওখানে সবাই আমাকে চেনে।" কিন্তু যখন তাকে প্রথমবারের মতো একটি বড় সম্মেলনে যোগ দিতে হলো, তখন তার স্ত্রী তাকে একটু সাজতে অনুরোধ করলেন। এর উত্তরে আইনস্টাইন বললেন, "আমি এটা কেন পরবো? ওখানে কেউ আমাকে চেনে না!"


(৩) আইনস্টাইনকে প্রায়শই আপেক্ষিকতার তত্ত্ব ব্যাখ্যা করতে বলা হত। তিনি একবার ব্যাখ্যা করেছিলেন, "এক মিনিটের জন্য গরম চুলায় হাত রাখলে এক ঘন্টার মতো মনে হবে। এক ঘন্টার জন্য একটি সুন্দরী মেয়ের সাথে বসে থাকলে এক মিনিটের মতো মনে হবে। এটাই আপেক্ষিকতা!"


(৪) যখন আলবার্ট আইনস্টাইন প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন, একদিন বাড়ি ফেরার সময় তিনি তার বাড়ির ঠিকানা ভুলে যান। ট্যাক্সি ড্রাইভার তাকে চিনতে পারেনি। আইনস্টাইন ড্রাইভারকে জিজ্ঞাসা করলেন, তিনি আইনস্টাইনের বাড়ি চেনেন কিনা। ড্রাইভার বলল, "আইনস্টাইনের ঠিকানা কে না জানে? প্রিন্সটনের সবাই জানে। তুমি কি তার সাথে দেখা করতে চাও?" আইনস্টাইন উত্তর দিলেন, "আমি আইনস্টাইন। আমি আমার বাড়ির ঠিকানা ভুলে গেছি, তুমি কি আমাকে সেখানে নিয়ে যেতে পারবে?" ড্রাইভার তাকে তার বাড়িতে নামিয়ে দিল এবং ভাড়াও নিল না।


(৫) একবার আইনস্টাইন প্রিন্সটন থেকে ট্রেনে ভ্রমণ করছিলেন। টিকিট চেকিং কন্ডাক্টর যখন তার কাছে এলেন, আইনস্টাইন তার জ্যাকেটের পকেটে হাত দিলেন কিন্তু টিকিটটি খুঁজে পেলেন না। তারপর সে তার প্যান্টের পকেটটা পরীক্ষা করল, কিন্তু সেখানেও সেটা ছিল না। এরপর সে তার ব্রিফকেসে খুঁজল, কিন্তু টিকিটটি পেল না। তারপর সে তার সিটের কাছে তাকাল, কিন্তু এখনও টিকিট খুঁজে পেল না।


কন্ডাক্টর বললেন, "ডঃ আইনস্টাইন, আমরা জানি আপনি কে। আমি নিশ্চিত আপনি টিকিট কিনেছেন। চিন্তা করবেন না।" আইনস্টাইন প্রশংসাসূচক মাথা নাড়লেন। কন্ডাক্টর এগিয়ে গেলেন। যখন সে অন্যদিকে তাকাল, তখন সে দেখতে পেল যে মহান বিজ্ঞানী নিচু হয়ে সিটের নীচে টিকিট খুঁজছেন।


কন্ডাক্টর তৎক্ষণাৎ ফিরে এসে বললেন, "চিন্তা করবেন না, ডঃ আইনস্টাইন। আমি জানি আপনি কে। আপনার টিকিটের প্রয়োজন নেই। আমি নিশ্চিত আপনি টিকিট কিনেছেন।" আইনস্টাইন উত্তর দিলেন, "যুবক, আমি জানি আমি কে। কিন্তু আমি জানি না আমি কোথায় যাচ্ছি।"


(৬) যখন আইনস্টাইন চার্লি চ্যাপলিনের সাথে দেখা করেছিলেন:


#আইনস্টাইন বলেছিলেন,


"তোমার শিল্প সম্পর্কে যা আমাকে সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করে তা হল এর সর্বজনীনতা। তুমি একটা কথাও বলো না, তবুও পৃথিবী তোমাকে বোঝে।"


এর উত্তরে চার্লি চ্যাপলিন বললেন,


"এটা সত্যি, কিন্তু তোমার খ্যাতি তার চেয়েও বেশি। পৃথিবী তোমার প্রশংসা করে, অথচ কেউ তোমাকে বোঝে না।"

কঠিন সময়টাই তোমার সবচেয়ে বড় সুযোগ

 ‼️কঠিন সময়টাই তোমার সবচেয়ে বড় সুযোগ!


হ্যাঁ, তুমি এখন ঠিক সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে আছো যেখান থেকে ইতিহাস শুরু হয়! যেদিকে তাকালে অনেকে হাল ছেড়ে দেয়, সেখানেই তুমি শুরু করছো তোমার জয়যাত্রা! মনে রেখো, জীবনের সব চেয়ে অন্ধকার সময়েই তারার আলো সবচেয়ে উজ্জ্বল হয়ে জ্বলে ওঠে!


যখন সবাই মুখ ফিরিয়ে নেয়, তখনই তোমার মনোবল পরীক্ষা হয়। আর যারা এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়, তারাই হয় নির্মাতা—নিজের ভাগ্যের, সময়ের, ভবিষ্যতের!

তুমি হয়তো আজ খালি হাতে, কিন্তু তোমার ভেতরে আছে সাফল্যের তৃষ্ণা। সেই তৃষ্ণা যে কোনো বাধাকে গলিয়ে ফেলতে পারে!


---


তোমাকে যা করতে হবে: সাফল্যের ৭টি দুরন্ত কৌশল


১. সুস্পষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করো:

একটা লক্ষ্য ঠিক করো যা তোমার রক্তে আগুন ধরায়! লিখে রাখো, প্রতিদিন চোখে পড়বে এমন জায়গায় রাখো।


২. সময়ের সর্বোচ্চ ব্যবহার করো:

সময় হচ্ছে সোনা নয়, সময় হচ্ছে জীবন। প্রত্যেকটা মিনিট যেন হয় প্রস্তুতির ইট। ফোকাসড থাকো, ডিস্ট্র্যাকশন কাটাও।


৩. প্রতিদিন ১% উন্নতি করো (Kaizen টেকনিক):

দৈনিক ছোট ছোট উন্নতিই দীর্ঘমেয়াদে বিশাল সাফল্য গড়ে। প্রতিদিন নিজেকে জিজ্ঞেস করো—“আজ আমি কতটুকু এগোলাম?”


৪. আত্মনিয়ন্ত্রণ এবং কঠোর অনুশীলন:

নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে শিখো—খাবার, ঘুম, কথাবার্তা, মোবাইল—সব কিছুতে শৃঙ্খলা আনো।


৫. মনোযোগ এবং ধৈর্যের সংমিশ্রণ গড়ে তোলো:

তুমি একদিনে সেরা হবে না। কিন্তু যদি প্রতিদিন চুপচাপ grind করো, তাহলে একদিন হঠাৎ করে তুমি আলোচনায় চলে আসবে।


৬. ব্যর্থতাকে সিঁড়ি বানাও, দেয়াল নয়:

প্রতিবার পড়ে যাওয়ার পর উঠে দাঁড়াও—আরও শক্ত হয়ে! ব্যর্থতা মানে শিক্ষা, শুধরে এগিয়ে যাও।


৭. পজিটিভ পরিবেশ তৈরি করো:

নিজেকে সেই মানুষদের সঙ্গে রাখো যারা তোমাকে সামনে টানে, নিচে নয়। ভালো বই পড়ো, অনুপ্রেরণামূলক ভিডিও দেখো, জ্ঞানী মানুষের গল্প শুনো।


তুমি আলাদা! তুমি সেই ঝড়ের নাবিক!


বিশ্বাস করো, এই সময়টা একদিন তোমার সবচেয়ে প্রিয় সময় হয়ে উঠবে, কারণ এটাই তোমাকে তৈরি করছে অসম্ভবকে সম্ভব করার মতো একজন যোদ্ধা হিসেবে।

তুমি শুধু বেঁচে থাকছো না, তুমি গড়ে তুলছো ভবিষ্যতের এক উজ্জ্বল আলো—যেটা একদিন হাজারো মানুষকে জাগাবে, আগুন ধরাবে তাদের মাঝেও।


তোমার নামে একদিন শুধু স্থাপনা নয়, 

মানুষের মনেও স্থাপিত হবে অমর স্মৃতি!


ভেঙে পড়ো না… এগিয়ে চলো!


তুমি পারবেই। কারণ, তুমি থামার জন্য আসোনি—তুমি এসেছো ইতিহাস গড়তে ।


👉 ইমাম আল-গাজ্জালী’র ফালসাফাহ্

ক্রিয়েটিভ আইডিয়া” পেতে চান? মাত্র ৪টা সহজ উপায়!

 “ক্রিয়েটিভ আইডিয়া” পেতে চান? মাত্র ৪টা সহজ উপায়!


ভালো একটা আইডিয়া বদলে দিতে পারে জীবন। হতে পারে নতুন একটি উদ্যোগের শুরু, অথবা নিজের ভেতরে জেগে ওঠা নতুন এক সম্ভাবনা।কিন্তু আমরা অনেকেই ভাবি, “আমার মাথায় কি কোনো দিন এমন অসাধারণ কিছু আসবে?”


এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়েই টেড মঞ্চে উঠে আসেন গবেষক ও বক্তা রিচার্ড সেন্ট জন।তার বক্তব্যের সারমর্ম হলো, ভালো আইডিয়ার জন্য অসাধারণ মেধা নয়, প্রয়োজন চারটি সাধারণ অভ্যাস।


চলুন, দেখে নিই সেই চারটি উপায়।


১. 💡 সমস্যা খুঁজে নিন, সেখানেই লুকিয়ে আছে সম্ভাবনা


বড় বড় অনেক উদ্ভাবনই এসেছে খুব সাধারণ কিছু সমস্যা থেকে।


ব্যবসায়ী রিচার্ড ব্র্যানসন একবার বিমানবন্দরে আটকে পড়েন। তাঁর পুয়ের্তো রিকো যাওয়ার ফ্লাইট বাতিল হয়ে যায়।তখন তিনি একটি চার্টার প্লেন ভাড়া করেন এবং সেখানে অন্য যাত্রীদের টিকিট বিক্রি করে দেন। শুধু সমস্যা সমাধানই নয়, লাভও হয় তাঁর।এখান থেকেই শুরু হয় ভার্জিন আটলান্টিক এয়ারলাইন।


সংগীতশিল্পী স্যাম স্মিথ এক সময় প্রেমে ব্যর্থ হয়ে মনভাঙার কষ্টে ভেঙে পড়েছিলেন।সেই কষ্ট থেকেই তিনি লেখেন তাঁর বিখ্যাত গান Stay With Me, যেটি পরে চারটি গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড জিতে নেয়।কষ্টের সময়ও ভাবনার জন্ম হতে পারে, যদি সেটিকে প্রকাশ করার সুযোগ দেওয়া যায়।


২. 👂 মন দিয়ে শুনুন, ছোট কথা থেকেও আসতে পারে বড় কিছু


চিকিৎসক ড. জিন ক্যারাথার্স এক রোগীর চোখের পাতায় ইনজেকশন দিচ্ছিলেন মাসল স্প্যাজম বন্ধ করার জন্য।রোগী হঠাৎ বললেন, “আপনি কপালে ইনজেকশন দেন না কেন?”ডাক্তার বললেন, “ওখানে তো খিচুনি নেই।”রোগী আবার বললেন, “জানি, তবে আপনি যখন কপালে দেন, তখন আমার মুখে খুব প্রশান্ত একটা ভাব চলে আসে।”


এই কথাটাই জিন মন দিয়ে শুনলেন। মাথায় এলো নতুন ধারণা, বোটক্স শুধু চিকিৎসায় নয়, রূপচর্চায়ও কাজে লাগতে পারে।এই ছোট্ট কথোপকথন থেকেই তৈরি হয় নতুন একটি বোটক্স ট্রিটমেন্ট, যা পরে ব্যবহার করেন কোটি মানুষ।


৩. 👁️ চোখ মেলে দেখুন, যেটা সবাই দেখে, সেটাই দেখুন অন্যভাবে


একদিন কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ায় বসে খাবার খাচ্ছিলেন পদার্থবিজ্ঞানী রিচার্ড ফাইনম্যান।এক ছাত্র হঠাৎ করে একটি প্লেট ছুঁড়ে ফেলে। প্লেটটি ঘুরতে ঘুরতে বাতাসে ভেসে যাচ্ছিল।ফাইনম্যান লক্ষ করলেন, প্লেটের ওপর থাকা কর্নেল মেডালিয়নটি ঘুরছে প্লেটের চেয়ে দ্রুত গতিতে।এতেই তাঁর কৌতূহল জাগে। তিনি এই ঘূর্ণনের ব্যাখ্যা খুঁজতে গিয়ে তৈরি করেন একটি তত্ত্ব, যা তাঁকে এনে দেয় নোবেল পুরস্কার।


সবাই হয়তো সেই দৃশ্য দেখে ভুলে যেতেন।কিন্তু কেউ কেউ দেখেন আর ভাবেন। সেখানেই জন্ম নেয় নতুন জ্ঞান।


৪. 🖊️ ভাবনা এলে লিখে ফেলুন, নইলে তা হারিয়ে যাবে


একটি গুরুত্বপূর্ণ আইডিয়া অনেক সময় আসে হঠাৎ। আর যদি সেটা ধরে না রাখা যায়, তবে তা চিরতরে হারিয়ে যেতে পারে।


ল্যারি পেইজ, গুগলের সহপ্রতিষ্ঠাতা, ২৩ বছর বয়সে ঘুম থেকে উঠে একটা অদ্ভুত চিন্তা করেন“পুরো ওয়েব যদি নামিয়ে রেখে শুধু লিংকগুলো রাখা যায়?”এই চিন্তা মাথায় এসেই তিনি কলম তুলে বিস্তারিত লিখে ফেলেন।পরবর্তীতে সেই ধারণা থেকেই তৈরি হয় গুগল।


অন্য কেউ হলে হয়তো ভেবে রাখতেন “সকালে লিখবো।”কিন্তু তখন আর সেই চিন্তাটা ফিরেও নাও আসতে পারত।


- অনুবাদ ও পুনর্লিখনঃ রিচার্ড সেন্ট জনের টেড টকের আলোকে

রহস্যে মোড়ানো প্রাচীন শহর: মোহেঞ্জোদাড়ো ও হরপ্পা

 “যেখানে প্রাচীনতা আর আধুনিকতার অবিশ্বাস্য মিশ্রণ—আর সেখানেই লুকিয়ে আছে ইতিহাসের এক নিখোঁজ অধ্যায়!”


রহস্যে মোড়ানো প্রাচীন শহর: মোহেঞ্জোদাড়ো ও হরপ্পা


প্রায় ৪ হাজার বছর আগের কথা। তখনকার পৃথিবীতে যখন অনেক জায়গাই ছিল অজানা, অন্ধকারে ঢাকা, তখন সিন্ধু নদীর তীরে গড়ে উঠেছিল এক বিস্ময়কর নগরসভ্যতা—সিন্ধু উপত্যকা সভ্যতা।

এই সভ্যতার দুটি প্রধান শহর—মোহেঞ্জোদাড়ো ও হরপ্পা—আজও ইতিহাস গবেষকদের কাছে এক রহস্যের নাম। উন্নত নগর ব্যবস্থাপনা, অপরিচিত লিপি আর হঠাৎ পতন—সবকিছুই যেন ইতিহাসে লেখা এক রহস্য-রোমাঞ্চ উপন্যাস!


সভ্যতার অগ্রগতি

 • পরিকল্পিত নগর: সোজা রাস্তা, ইটের তৈরি বহুতল ঘর, রীতিমতো সুগঠিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা।

 • The Great Bath: বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন স্নানাগার—ধর্মীয় বা সামাজিক আচার পালনের স্থান হতে পারে।

 • চিত্রলিপি: হরপ্পার লিপি এখনো সম্পূর্ণ পাঠোদ্ধার হয়নি—এটি সভ্যতাটিকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে।

 • আন্তর্জাতিক বাণিজ্য: মেসোপটেমিয়া পর্যন্ত তাদের ব্যবসা প্রসারিত ছিল, পাওয়া গেছে সে সময়ের সিল।


হঠাৎ পতনের রহস্য


এই মহাসভ্যতা হঠাৎ করেই নিঃশেষ হয়ে যায়—কেন?

বিভিন্ন গবেষণা থেকে উঠে আসে বেশ কিছু সম্ভাব্য কারণ:

 1. ভূমিকম্প ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ: অনেক স্থাপনার ধ্বংসাবশেষে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

 2. নদীর পথ পরিবর্তন: সিন্ধু ও তার উপনদীগুলোর পথ বদলালে পানি সংকটে সভ্যতা টিকতে পারেনি।

 3. আক্রমণ নাকি অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা?

কেউ বলেন, আর্যদের আক্রমণ সভ্যতা ধ্বংস করেছিল, আবার অনেকে বলেন—নিজস্ব দুর্বলতাই ছিল কারণ।


অজানা ভাষা ও ধর্ম


সভ্যতার এক অন্যতম রহস্য—তাদের লিপি।

আজও কেউ তা পুরোপুরি পাঠোদ্ধার করতে পারেনি।

তাদের ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়েও গবেষণায় মিলছে নানা দৃষ্টিভঙ্গি—প্রকৃতি পূজা, মাতৃদেবী, পশুপূজার চিহ্ন সবই রহস্যে ঘেরা।


মোহেঞ্জোদাড়ো ও হরপ্পা যেন অতীতের নিঃশব্দ প্রহরী, যাদের দেয়ালে লেখা আছে ইতিহাসের হারিয়ে যাওয়া কাহিনি।

আমরা শুধু অনুমান করতে পারি, কিন্তু নিশ্চিতভাবে বলতে পারি না—এই সভ্যতার পতনের সঠিক কারণ কী ছিল!


#MohenjoDaro #AncientDiscoveries #history

মোহাম্মদপুরে ফটোগ্রাফারকে কুপিয়ে হত্যা

 মোহাম্মদপুরে ফটোগ্রাফারকে কুপিয়ে হত্যা


রাজধানীর মোহাম্মদপুরে দুর্বৃত্তের ধারাল অস্ত্রের আঘাতে নুর ইসলাম (২৬) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি পেশায় ফটোগ্রাফার ছিলেন। তার সঙ্গে থাকা দুটি ক্যামেরা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।


শুক্রবার (১৬ মে) রাত আটটার দিকে মোহাম্মদপুর পুলপাড় দূর্গা মন্দিরের গলিতে এই ঘটনা ঘটে।


নিহতের বড় ভাই ওসমান গনি জানান, তাদের বরিসাল জেলার আগৈলঝড়া থানার সুজনকাঠি গ্রামে। বাবার নাম আবুল ফকির। বর্তমানে ধানমন্ডি শংকর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় থাকেন তারা। নুর ইসলাম ডে ইভেন্টের ফটোগ্রাফার ছিলেন। রাতে ফোন কলে তিনি খবর পান, তার ছোট ভাইকে মোহাম্মদপুর এলাকায় দুর্বৃত্তরা কুপিয়েছে। পরে তিনি ঢাকা মেডিকেলে এসে ভাইয়ের লাশ দেখতে পান।


তিনি বলেন, ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত আমি এখনো জানি না। তবে যতটুকু শুনেছি, নুর ইসলাম এবং তার বন্ধু ইমনকে নিয়ে রিকশায় করে মোহাম্মদপুর দূর্গা মন্দির গলি দিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাদের পথরোধ করে তার ক্যামেরা এবং মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। বাধা দিলে নুর ইসলাম কুপিয়ে আহত করে। একপর্যায়ে তার সঙ্গে থাকা দুটি ফোন এবং মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে চলে যায়। এরপর তার বন্ধু এবং স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাংলাদেশ মেডিকেলে নিয়ে যায়।


ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে স্বজনরা ওই যুবককে হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ওই যুবকের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত রয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ: ১৬-০৫-২০২৪ খ্রি:

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ

তারিখ: ১৬-০৫-২০২৪ খ্রি:


আজকের শিরোনাম:


আগামী বছরগুলোতে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি কর্মী নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মালয়েশিয়া - জানালেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া।


ঈদ-উল আযহাকে সামনে রেখে দূরপাল্লার বাসের আগাম টিকিট বিক্রি শুরু - নির্ধারিত ভাড়া অনুসরণের নির্দেশনা।


ঈদকে সামনে রেখে এবারে রাজধানীতে বসবে ২১টি পশুরহাট - কোরবানির পশুরহাটে থাকবে মোবাইল ভেটেরিনারি ক্লিনিক - বললেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা।


বিএসএফ এর ফের পুশইনের চেষ্টা স্থানীয়দের সহায়তায় রুখে দিয়েছে বিজিবি।


ইস্তাম্বুলে প্রথমবারের মতো রাশিয়া ও ইউক্রেনের কর্মকর্তাদের মুখোমুখি বৈঠক।


ইসরাইলের ত্রিমুখী হামলায় গাজায় নিহত আরও একশো ফিলিস্তিনি ।


ভারতের অরুণাচলে সাফ অনুর্ধ্ব-১৯ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপে নেপালকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ।

শুক্রবার, ১৬ মে, ২০২৫

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে হুমায়ুন ফরীদি প্রচুর বাকী খেতেন

 🍁জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে হুমায়ুন ফরীদি প্রচুর বাকী খেতেন। তার সময়কার দোকানদাররা এখনো ওইসব বাকী নিয়ে অভিযোগ নয়, বরং তারা গর্ব করেন! কথিত আছে যে, ফরীদিকে একবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে সুমন নামে একজন ঠাট্টাচ্ছলে বলেছিলেন আপনি আলবেরুনীর ক্যান্টিনে ৩১৯ টাকা বাকী রেখেছেন, শোধ করে যাবেন! জবাবে তিনি উত্তর দেন, ‘আমি এইটা শোধ করব না।’ সবাই বলে উঠল, "কেন কেন?" উনি তখন উত্তরে বলেন, "আমি এই ক্যান্টিন, হল, ক্যাম্পাস, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের মানুষগুলোর কাছে


আজীবন ঋণী থাকতে চাই। "


অভিনেতা হুমায়ুন ফরিদী তখন হুতাপাড়ায় ছিলেন। পরিবার থেকে জরুরী কল পেয়ে রাত দুইটার পর ঢাকায় রওনা হন। নিজেই চালাচ্ছিলেন গাড়ি। সারাপথে অঝোরে বৃষ্টি। তার মাঝেই রওনা হয়েছিলেন ফরিদী।


বহুদূর চলে আসার পর খেয়াল হলো প্রোডাকশন বয় ইসমাইলকে কিছু টিপস দেয়ার কথা ছিলো। অপেক্ষা করতে বলেছিলেন। ছেলেটা টাকার আশায় বসে থাকবে।


হুমায়ুন ফরিদী সেই বৃষ্টির রাতেই গাড়ি ব্যাক করিয়ে ফিরে এলেন হুতাপাড়া। ইসমাইলকে টিপস দিয়ে তারপর আবার গাড়ি চালিয়ে ফিরেছিলেন ঢাকা। সেই ঝুম বৃষ্টির মাঝেই..


কথা খেলাপ করার মানুষ ফরিদী ছিলেননা...!


লেখক হুমায়ুন আহমেদ তার এক লেখায় একবার লিখেছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে বহু লোক একজনকে ঘিরে আছে, সবাই তার কথা মন্ত্রমুগ্ধের মতো শুনছে, হাসছে, হাত তালি দিচ্ছে... দেখে মনে হলো শব্দের জাদুকর! কাছে গিয়ে দেখি ঝাকড়া চুলের এক তাগড়া যুবক! কথা বলার মাঝেই একটা আর্ট ছিলো! অন্য যেকোনো দশটা মানুষ থেকে সহজেই তাকে আলাদা চেনা যেতো! মানুষ টা হুমায়ুন ফরীদি!


তিনি ছিলেন একাধারে শিল্পী, কবি, অভিনেতা, নাট্যশিল্পী, আবৃত্তিকার এবং মুক্তিযোদ্ধা।


🍁এখান থেকে কি শিক্ষা পেয়েছেন বলে যান! 

#lifestyle #actor

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...