এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ২২ মে, ২০২৫

বাংলাদেশে ডিপ্লোমা ডিগ্রি: শিক্ষার নামে প্রতারণা না কি সম্ভাবনার অপচয়?

 বাংলাদেশে ডিপ্লোমা ডিগ্রি: শিক্ষার নামে প্রতারণা না কি সম্ভাবনার অপচয়?


📌ভূমিকা

ডিপ্লোমা ডিগ্রি হলো সাধারণত কম সময়ের মধ্যে কোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা অর্জনের কোর্স। পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোতে এই ডিগ্রি তরুণদের দ্রুত কর্মজীবনে প্রবেশে সহায়তা করে। কিন্তু বাংলাদেশের বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। এখানে ডিপ্লোমা ডিগ্রি এক ধরনের শিক্ষাবাণিজ্যে পরিণত হয়েছে, যার ফলশ্রুতিতে হাজারো শিক্ষার্থী সময়, অর্থ এবং ভবিষ্যৎ—সবকিছু হারাচ্ছে।


বাংলাদেশে প্রচলিত ডিপ্লোমা ডিগ্রিসমূহ:

১. পলিটেকনিক (Diploma in Engineering):

✅চার বছরের কোর্স।

✅ইলেকট্রিক্যাল, মেকানিক্যাল, সিভিল, কম্পিউটার প্রভৃতি বিষয়ে শিক্ষা।

✅অনেক প্রতিষ্ঠান মানহীন, ল্যাব/মেশিন নেই, শিক্ষক অনভিজ্ঞ।


২. আইএইচটি (IHT - Institute of Health Technology):

✅ল্যাব টেকনোলজি, ফিজিওথেরাপি, ডেন্টাল, ফার্মেসি ইত্যাদিতে ডিপ্লোমা।

✅অনেক ছাত্র-ছাত্রী কোর্স শেষ করে বেকার, চাকরির ব্যবস্থা নেই।


৩. ম্যাটস্ (MATS - Medical Assistant Training School):

✅সাড়ে চার বছরের মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট কোর্স।

✅গ্রামীণ পর্যায়ে চিকিৎসা সহকারী হিসেবে কাজের সুযোগ কমে আসছে।

✅সরকারি নিয়োগ সীমিত, বেসরকারি চাহিদা প্রায় শূন্য।


৪. কৃষি ডিপ্লোমা (Diploma in Agriculture):

✅চার বছর মেয়াদী কৃষি শিক্ষাক্রম।

✅সরকারি চাকরিতে সীমিত সুযোগ, মাঠ পর্যায়ে কর্মসংস্থান খুবই কম।

✅প্রযুক্তি ও বাজার ভিত্তিক কৃষি শিক্ষার অভাব রয়েছে।


মূল সমস্যাসমূহ:

১. মানহীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও পাঠ্যসূচি:

➡️প্রায় ৮০% বেসরকারি ডিপ্লোমা কলেজ-ইনস্টিটিউটে পর্যাপ্ত ল্যাব, শিক্ষক ও পরিবেশ নেই।

➡️সিলেবাস পুরাতন, বাস্তব চাহিদার সাথে মিল নেই।


২. চাকরির সংকট:

➡️সরকারি নিয়োগ বছরে গুটিকয়েক।

➡️বেসরকারি খাতে কাজের সুযোগ খুব সীমিত, বেতনও নগণ্য।

➡️অধিকাংশ ডিপ্লোমা পাস শিক্ষার্থী বছরের পর বছর বেকার থাকছে।


৩. উচ্চশিক্ষায় বৈষম্য:

➡️অনেক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীদের ভর্তি নেয় না।

➡️যে কয়টি নেয়, সেখানেও আসন সংখ্যা কম, প্রতিযোগিতা চরম।


৪. প্রাতিষ্ঠানিক ও সরকারি তদারকি নেই:

➡️কোনো রকম নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই চলছে নতুন নতুন ইনস্টিটিউট।

➡️শিক্ষার্থীরা পরে বুঝছে—তাদের সার্টিফিকেটের বাস্তবে কোনো মূল্য নেই।


ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারীদের অভিজ্ঞতা:


⏩ “আমি চার বছর ইলেকট্রিক্যাল পলিটেকনিকে পড়েছি। চাকরি পাইনি, কোথাও ইন্টার্ন করতেও দেয় না। এখন দোকানে বসে মোবাইল সারাই করি।”

— এক ডিপ্লোমাধারীর ভাষ্য


⏩“ম্যাটস থেকে পাস করার পর ২ বছর হয়ে গেছে, কোথাও চাকরি পাইনি। বেসরকারি ক্লিনিকে চাই ২ বছরের অভিজ্ঞতা, কিন্তু কোথা থেকে আসবে?”

— ম্যাটস পাস এক তরুণীর অভিযোগ

সম্ভাবনার অপচয়:


বাংলাদেশের তরুণদের মাঝেও দক্ষতা, আগ্রহ ও পরিশ্রম করার মানসিকতা আছে। কিন্তু ভুল পথে ঠেলে দিলে সেই শক্তি ক্ষয়ে যায়। ডিপ্লোমা ডিগ্রির আড়ালে হাজার হাজার শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ ধ্বংস হচ্ছে কেবল:


👉অভিভাবকদের অজ্ঞতার কারণে,

👉ব্যবসায়িক মনোভাবসম্পন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কারণে,

👉এবং সরকারি তদারকির অভাবে।


উপায় কী?

১. সচেতনতা বাড়ানো: অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের জানানো দরকার—ডিপ্লোমা মানেই চাকরি নয়।

২. মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনুমোদন দেওয়া: যাচাই ছাড়া নতুন প্রতিষ্ঠান খোলায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া দরকার।

৩. শিল্প/চাকরি সংযোগ নিশ্চিত করা: প্রতি ডিপ্লোমা কোর্সের সাথে সংশ্লিষ্ট খাতের নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

৪. বিকল্প পথ তৈরি করা: যেমন — আইটি, ফ্রিল্যান্সিং, স্মার্ট কৃষি, স্মল বিজনেস মডেল শেখানো।


উপসংহার:

বাংলাদেশে যেভাবে ডিপ্লোমা ডিগ্রির বিস্তার ঘটেছে, তা উন্নয়নের নয়, বরং একটি লুকানো বেকারত্বের ফাঁদ।

অভিভাবকদের এখনই সচেতন হওয়া প্রয়োজন — শুধু সার্টিফিকেট নয়, দরকার বাস্তবমুখী শিক্ষা ও দক্ষতা।

আপনার সন্তানের জীবন নিয়ে গেম খেলবেন না। জেনে-শুনে সিদ্ধান্ত নিন।

 সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ : ২১-০৫-২০২৫ খ্রি: 

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ : ২১-০৫-২০২৫ খ্রি: 


আজকের সংবাদ শিরোনাম: 


দেশের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত - দেশে স্থিতিশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতি বজায় রাখার ওপর প্রধান উপদেষ্টার গুরুত্বারোপ।


অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সমর্থনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত নরওয়ের।


দেশে ইন্টারনেট সেবাদানকারী মার্কিন প্রতিষ্ঠান স্টারলিংকের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু - এর ফলে জাতীয় নিরাপত্তা কোনোভাবেই বিঘ্নিত হবে না - বললেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী।


আগামী জাতীয় বাজেটে সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ্য ভাতা প্রদানের বিষয়টি বিবেচনা করছে সরকার - জানালেন অর্থ উপদেষ্টা।


ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে ইশরাক হোসেনকে শপথ না পড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে রিটের শুনানী শেষ - আদেশ আজ।


ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে আজ থেকে ট্রেনের অগ্রিম টিকেট বিক্রি শুরু - টিকেট পাওয়া যাবে অনলাইনে।


ইসরাইলী অবরোধের ফলে ত্রাণের অভাবে গাজায় আগামী ৪৮ ঘণ্টায় হাজার হাজার শিশু মারা যেতে পারে - জাতিসংঘ মানবাধিকার বিষয়ক প্রধানের হুশিয়ারী।


আজ শারজায় তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মোকাবেলা করবে বাংলাদেশ।

গাভী কেন বার বার গরম হয় এই বিষয়ে আজকে আলোচনা করবো ইনশাআল্লাহ!

 👉 গাভী কেন বার বার গরম হয় এই বিষয়ে আজকে আলোচনা করবো ইনশাআল্লাহ!


আপনারা জানেন, যখন কোনো গাভী সঠিক সময়ে অর্থাৎ (১৮-২১ দিন) গরম হয় ও কোনো প্রকার  অসুস্থতার লক্ষণ থাকে না এবং কমপক্ষে ২ বার প্রজনন করানোর পরেও গর্ভধারণে ব্যর্থ হয় তখন তাকে বার বার গরম হওয়া গাভী বলে।

মাঠ পর্যায়ে কাজের অভিজ্ঞতায় দেখেছি যে ৩ বার প্রজনন করানোর পরেও গর্ভধারণে ব্যর্থ হওয়া গাভীর হার প্রায় ১০.০১%। বাণিজ্যিক ডেইরি ফার্মে চারটি প্রধান সমস্যার মধ্যে বার বার গরম হওয়া একটি অন্যতম সমস্যা। এতে করে বাছুর প্রদানের সংখ্যা কমে যায়। বার বার প্রজনন করানো ও চিকিৎসা করানোর খরচ বেড়ে যায়। অনেক সময় উন্নত মানের গাভী অকালে বাতিল করতে হয়, ফলে খামারি মানসিক চাপে পড়েন ও অর্থনৈতিকভাবে খুব ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকেন। 


কি কি কারণে গাভী বার বার গরম হয়

১। বাস্তবপক্ষে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভুল সময়ে প্রজনন করানোর ফলে হয়ে থাকে

২। গাভীতে প্রজনন তন্ত্রের বার্সা ও ডিম্বনালির জটিলতা ও জরায়ু সংক্রমণের কারণে হয়ে থাকে

৩। লুটিয়াল গ্রন্থির কার্যকারিতা তাড়াতাড়ি বন্ধ হলে বা স্বাভাবিক বা নিয়মিত ঋতুচক্রের মতো করপাছ লুটিয়াম স্বল্পস্থায়ী হলে এমন হতে পারে 

৪। ডিম দেরিতে নিঃসরিত হলে এবং প্রজননে বীজের মান ভালো না হলে।  

৫। পূর্বেই ভ্রƒণ মারা গেলে বা দুর্বল/নিম্নমানের ভ্রƒণ সৃষ্টি হলে

৬। জরায়ুর পরিবেশ ভালো না থাকলে

৭। Precocious puberty ও Luteolyse হলে, এই জটিল বিষয়টি ভালোভাবে জানতে একজন ভেটেরিনারি ডাক্তারের সাথে আলোচনা করবেন

৮। জরায়ু সংক্রমণ হলে সাধারণত ষাঁড় দ্বারা মিলনের সময়, অস্বাস্থ্যকর কৃত্রিম প্রজনন ও প্রসবের সময় ও পরে জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত হয়ে থাকে

৯। এছাড়াও কিছু বিষয় বার বার গরম হওয়াকে প্রভাবিত করে যেমন-ওলান প্রদাহ রোগ,  বার বার গরম হওয়ার হার বৃদ্ধি করে ও উৎপাদন কমিয়ে দেয়। গাভীর দুধ উৎপাদন বৃদ্ধির ওপর। বাচ্চা প্রদানের সংখ্যার ওপর। জটিল প্রসবের ঘটনা ইত্যাদি 

১০। প্রথম প্রজনন করানোর আগে চিকিৎসা দেয়া, যেটা মাঠ পর্যায়ে অনেক হাতুড়ে পল্লী চিকিৎসক করে থাকেন। এটা করা কখনো নয়। 


প্রতিরোধ

১. সঠিক সময়ে প্রজনন করতে হবে। গরম হওয়ার ১৫ ঘণ্টা পরে ও ১৮ ঘণ্টার মধ্যে

২. গাভী গরম হলে গাভীর Progesterone level খুব কমে যায়  এবং estrogen level বেড়ে যায়। সেক্ষেত্রে   Progesteron এর মাত্রা নির্ণয় করে সঠিক চিকিৎসা দেয়া যায়

৩. ভেটেরিনারি ডাক্তারের পরামর্শে প্রয়োজনে ২ বার প্রজনন করানো যেতে পারে

৪. প্রজনন করানোর পর কমপক্ষে ৩০ সেকেন্ড গাভীর ক্লাইটোরিসে ম্যাসেজ দিতে হবে

৫. প্রজননকারীকে সতর্কতার সাথে গর্ভে বাচ্চা আছে কিনা তা দেখে নিয়ে তারপর প্রজনন করতে হবে

৬. প্রজনন করানোর সময় গাভীকে কোনো প্রকার ধকল দেয়া যাবে না যেমন- মাজায় পিটানো, সিমেন স্ত্রা গাভীর নাকে চেপে ধরে রাখা, অনেক দূর হেঁটে নিয়ে যাওয়া, খাদ্য পরিবর্তন করা/ না দেওয়া

৭. গাভিকে সকল প্রকার পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য দিতে হবে

৮. ভালো বীজ ও দক্ষ প্রজননকারী দ্বারা প্রজনন করাতে হবে

৯. প্রজনন করানোর পর গাভীকে ঠাণ্ডা জায়গায় রাখতে হবে


চিকিৎসা

১. প্রাথমিকভাবে গাভীর গরম হওয়ার সময় রেকর্ড করে বিশ্লেষণ করে দেখতে হবে গাভীটি কাছাকাছি সময়ে গরম হচ্ছে অথবা দেরিতে গরম হচ্ছে কিনা?

২. যদি ৩ বার প্রজনন করানোর পরও গর্ভধারণ না করলে আবার প্রজনন করানোর আগে ভালোভাবে ভেটেরিনারি ডাক্তার কে দিয়ে গাভিকে পরীক্ষা করে ভেটেরিনারি ডাক্তারকে দিয়ে ও এসিআই সিমেন দ্বারা  এআই (কৃত্রিম প্রজনন) করাতে হতে। কারণ এসিআই  সিমেনের গর্ভধারণ হার বাংলাদেশের মধ্যে সর্বাধিক। 

৩. প্রজনন করানোর সময় গাভীকে  ভেটেরিনারি ডাক্তারের পরামর্শে হরমোনাল ড্রাগ ( Inj. Godorel -Synthetic GnRH 50 mcg) অথবা  প্রজনন করানোর ২১ দিন আগে থেকে Ferti Boost খাওয়ানো যেতে পারে। 

৪। জরায়ুতে গরম হওয়ার সময় ৮ম ঘণ্টা ও ১৪তম ঘণ্টায়  Eagle Long PS ( Penicillin G)  প্রয়োগ করা যেতে পারে।

 

গবাদি পশু সম্বন্ধে যেকোনো পরামর্শ নিতে যোগাযোগ করুন। 

জিনিয়া ডেইরি ফার্ম 

01830180230 ইমো হোয়াটসঅ্যাপ

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ : ২০-০৫-২০২৫ খ্রি: 

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ : ২০-০৫-২০২৫ খ্রি: 


আজকের সংবাদ শিরোনাম: 


দেশের লুণ্ঠিত অর্থ ও সম্পদ ব্যবস্থাপনায় তহবিল গঠনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিলেন প্রধান উপদেষ্টা।


শেখ পরিবারসহ ১০টি শিল্প গ্রুপের প্রায় পৌনে দুই লাখ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে সরকার - জানালেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব।


এ পর্যন্ত ৩৩টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে প্রাথমিক পর্বের আলোচনা শেষ করেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।


তেসরা জুনের মধ্যে শ্রমিকদের বেতন ও মে মাসের মধ্যে ঈদ বোনাস পরিশোধের জন্য তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের প্রতি আহ্বান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার।


শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সারা জীবনের স্মৃতি রক্ষায় জিয়া স্মৃতি জাদুঘরকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেওয়া হবে - জানালেন সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা।


অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আলোচনা শুরু করবে রাশিয়া ও ইউক্রেন - রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ফোনালাপের পর বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।


শারজায় দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে বাংলাদেশকে ২ উইকেটে হারালো সংযুক্ত আরব আমিরাত।

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ : ১৯-০৫-২০২৫ খ্রি: 

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ : ১৯-০৫-২০২৫ খ্রি: 


আজকের সংবাদ শিরোনাম: 


আগামী অর্থবছরের জন্য দুই লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার এডিপি অনুমোদন –মাতারবাড়ি সমুদ্রবন্দর ছাড়া সরকার আর কোনো মেগাপ্রকল্প গ্রহণ করবে না - মন্তব্য পরিকল্পনা উপদেষ্টার।


জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বৈঠক – দেশ গঠনে সকল ইতিবাচক সিদ্ধান্তে একমত এবং জাতীয় স্বার্থে সংস্কার চায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী  বললেন দলটির নায়েবে আমির।


পারস্পরিক স্বার্থে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য অব্যাহত থাকবে - জানালেন বাণিজ্য উপদেষ্টা।


বাংলাদেশের বিমান পরিবহন ও অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ কানাডার।


স্বৈরাচার শেখ হাসিনার অবৈধ সম্পদের তদন্ত শুরু করেছে দুদক।


গাজার উত্তরাঞ্চলে সব সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা বন্ধ।


সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে টাইব্রেকারে বাংলাদেশকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে শিরোপা জিতলো ভারত।

বুধবার, ২১ মে, ২০২৫

ড.ইউনুস!,,,,,

 ড.ইউনুস! 

বাংলার ইতিহাসে গত ৯০ বছরে জন্ম নেয়া একমাত্র গ্লোবাল সেলিব্রেটি হলেন প্রফেসর মোহাম্মদ ইউনুস। শতকরা ৮৩% লোকই জানেন না কে ড.মোহাম্মদ ইউনুস!


পৃথিবীতে সবচেয়ে সম্মানজনক পুরস্কার নোবেল, সেটা নিশ্চয়ই জানেন? সম্মানসূচক হিসেবে নোবেলের পরে কোন পুরস্কারের অবস্থান তা কি জানেন? সম্মানসূচকে, 


১.নোবেল

২.অ্যামেরিকার প্রসিডেন্সিয়াল এওয়ার্ড

৩.মার্কিন কংগ্রেশনাল এওয়ার্ড


পৃথিবীর ইতিহাসে উপরের ৩ টা পুরস্কারই জিতেছেন এমন মানুষ আছে বা ছিলেন ১২ জন!বুঝতেই পারছেন পরের লাইনটা কি হবে,


হ্যা, সেই ১২ জনের একজন প্রফেসর ড.মোহাম্মদ ইউনুস 🧡


মেসিকে নিশ্চয়ই চিনেন! যদি বলি এই লিওনেল মেসি লাইনে দাড়িয়ে ছিলেন প্রফেসর ড.ইউনুসের জন্য,বিশ্বাস হয়,না হলেও সত্য! 


'অলিম্পিক গেমস' পৃথিবীর সম্মানজনক প্রতিযোগিতার একটি। আর অলিম্পিকে সবচেয়ে সম্মানিত মেহমান হলেন মশাল বাহক, জাপানে অনুষ্ঠিত ২০২০ অলিম্পিকে মশাল বাহক ছিলেন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইউনুস💖


বর্তমানে বিশ্বের লিডিং ইন্টালেকচুয়ালের যেকোনো তালিকায় টপ ১০ এর ভিতরে থাকেন ড.ইউনুস। মুসলিম বিশ্বে নোবেল বিজয়ী ইউনুসের বিকল্প খুজে পাওয়া টা খুবি কঠিন,কিন্তু তিনি আমাদের বাংলাদেশের! এদেশে আর এমন ইউনুস জন্মাবে কিনা আজও সন্দেহ! 


১. মাইক্রোসফটের বিল গেটস নিজে গাড়ি ড্রাইভ করে প্রফেসর ইউনুসকে পুরো সিলিকন ভ্যালি শহর দেখিয়েছিলেন।


২. কোর্ট-কাছাড়ির ৮ তলার এজলাশে তাঁকে যখনই হাজিরা দিতে হত সেসময় কোর্ট বিল্ডিং এর লিফট বন্ধ করে দেয়া হত। ৮২ বছরের অশিতিপর এই আসামীকে প্রতিবারই হেঁটে হেঁটে ৮ তলায় যেতে হত। এবং এই ঘটনা নাকি ৪০ বারের মত ঘটেছে।

শাকুর মজিদ

নাট্যকার,লেখক,স্থপতি।

সারা পৃথিবীর ১০৭টা ইউনিভার্সিটিতে মুহাম্মদ ইউনূস সেন্টার আছে। ইউনিভার্সিটিগুলো নিজেদের উদ্যোগে এটা করেছে। এর প্রধান কারণ হচ্ছে তাঁর মাইক্রো-ফাইনান্স। যেটা তাঁকে এবং তাঁর গ্রামীন ব্যাংকে নোবেল শান্তি পুরষ্কার এনে দিয়েছিল।


ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসকে বিশ্রীভাবে 'সুদখোর' ঢাকা হয় বারবার। মজার ব্যাপার হচ্ছে- মুহাম্মদ ইউনূসকে যারা পছন্দ করেন তাদের বেশীরভাগও জানেন না, মুহাম্মদ ইউনূসের সুদের ব্যবসা নাই। গ্রামীণ ব্যাংক তার প্রতিষ্ঠিত হলেও গ্রামীন ব্যাংকে তাঁর এক টাকার মালিকানাও নাই, শেয়ারও নাই। কখনোই ছিল না।


জিনিসটা আপনার-আমার কাছে আশ্চর্যজনক মনে হতে পারে। কিন্তু এটাই সত্যি। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মাইক্রো-ফাইনান্সের ধারণার মূল ভিত্তিই হচ্ছে এটা।

এই ব্যবসার কেউ মালিক হতে পারবে না। সম্পূর্ণ নন-প্রফিট তথা অলাভজনক।

এটাকে বলে সামাজিক ব্যবসা। নির্দিষ্ট কোনো মালিক নাই। জনগণই এর মালিক।

বাইর থেকে অনুদানের টাকা এনে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ড মুহাম্মদ ইউনূস। নিজে এটি প্রতিষ্ঠা করলেও প্রতিষ্ঠানে তার এক পয়সার মালিকানাও রাখেননি। বরং এর ২৫% মালিকানা সরকারের, বাকি মালিকানা গরীব মানুষের। নিজের প্রতিষ্ঠিত ব্যাংকে ড. মুহাম্মদ ইউনূস মাত্র ৩০০ ডলার বেতনে চাকরী করতেন।

তিনি যে নিজের কোনো শেয়ার রাখেননি তা না, কোম্পানীকে এমনভাবে প্রতিষ্ঠা করেছেন যাতে কেউ এর একক মালিক হতে না পারে। কোম্পানী অধ্যাদেশ ২৮ ধারা অনুযায়ী তিনি এটি রেজিস্ট্রেশন করেন।


শুধু যে গ্রামীন ব্যাংকে তিনি মালিকানা রাখেননি তা কিন্তু না। জর্জ সরোস, টেলিনরদের এনে তিনি গ্রামীন টেলিকম প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর কথায় টেলিনর বাংলাদেশে আসে। তাঁর কথায় তাঁর বিলিয়নিয়ার বন্ধুরা গরীবদের উন্নতির জন্য ফান্ড দেয়। তিনি গ্রামীন টেলিকম প্রতিষ্ঠা করেন। সেটাও অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবেই। অনেকেই জানেন না গ্রামীন টেলিকমকে নন ফর প্রফিট কোম্পানী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন ড মুহাম্মদ ইউনূস। সেখানেও তিনি নিজের জন্য ১% মালিকানাও রাখেননি। তিনি চাইলে ইজিলি ১০-১৫ পার্সেন্ট মালিকানা নিজের জন্য রেখে দিতে পারতেন। অথচ লাভের এক টাকাও যাতে নিজের কাছে না আসে, সেটা নিশ্চিত করেন তিনি।


তাঁর প্রতিষ্ঠিত সরকার নিয়ন্ত্রিত গ্রামীণ ব্যাংকে এখনো সুদের হার বাংলাদেশে সর্বনিম্ন। অথচ স্বাভাবিকভাবে আপনার মনে হবে গ্রামীন ব্যাংকের মত সুদ বোধহয় কেউ নেয় না। আর নিশ্চয় এই টাকায় প্রফিট করেন ড ইউনূস!


আসলে আমাদের দেশের মানুষ এসব কল্পনাও করতে পারেন না, একজন মানুষ ব্যবসা করবে অথচ সেখান থেকে নিজে কোনো লাভ করবে না। এমন কথা আমরা ভাবতেই পারিনা। আমরা ভাবতে পারি কেবল টাকা কামানোর কথা।

যেমনভাবে ড মুহাম্মদ ইউনূস বলেন- টাকা কামানোতে আছে সুখশান্তি, অন্যের উপকারে আছে প্রশান্তি। ওনার ভাষায় 'নিজের জন্য টাকা কামানো হয়তো হ্যাপিনেস, অন্যের উপকার হচ্ছে সুপার হ্যাপিনেস।'


মুহাম্মদ ইউনূস মনে করেন, সবাই এককভাবে সম্পত্তির মালিক হতে থাকলে গরীব আরো গরীব হয়ে যাবে, ধনী আরো ধনী হবে। ফলে বিশ্বব্যবস্থা অচল হয়ে পড়বে। এই বিশ্বাস থেকেই ওনি সব ননপ্রফিট বা অলাভজনক প্রতিষ্ঠান তৈরী করে গেছেন, নিজের কোনো মালিকানা রাখেননি।

এরকমটা কি আপনি ভাবতে পারেন? আপনি বাংলাদেশের যেকোনো কোম্পানী দেখেন, তাদের সব নিজেদের মালিকানা।

কোম্পানীর কথা বাদ দেন, এনজিও ব্র‍্যাক দেখেন! মালিকানা ফজলে হাসান আবেদের পরিবারের। বড় বড় পদে পরিবারের সদস্যরা আছে।

কিন্তু মুহাম্মদ ইউনূস সেটা করেননি। তাঁর প্রতিষ্ঠিত কোম্পানীতে নিজের বা পরিবারের কাউকে রাখেননি।


অথচ ড মুহাম্মদ ইউনূস চাইলে এসব ব্যবসায় নিজের মালিকানা রেখে ইজিলি বিলিয়নিয়ার হয়ে যেতে পারতেন। খুব ইজিলি।

তাঁর প্রায় সব বন্ধুবান্ধব বিলিয়নিয়ার, মাল্টি বিলিয়নিয়ার। তিনি সেদিকে যাননি।


অনেকে প্রশ্ন করতে পারেন, তাহলে ড মুহাম্মদ ইউনূসের আয়ের উৎস কী?

আমি নিশ্চিত, এটাও অনেকে জানেন না।

ড মুহাম্মদ ইউনূস হচ্ছেন পৃথিবীর ওয়ান অব দ্যা হায়েস্ট পেইড স্পীকার। স্পীচ দেয়ার জন্য ওনাকে টাকা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ওনার বক্তব্য শোনার জন্য খরচ করতে হয় ৭৫ হাজার থেকে ১ লাখ ডলার মত। কখনো আরো বেশী।

বিশ্বের নামীদামী প্রতিষ্ঠান গুলো ওনাকে নিয়ে যান ওনার বক্তব্য শুনতে।

ওনাকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের পরিকল্পনার জন্যও ডাকা হয়।

২০২৪ সালের ফ্রান্সে অনুষ্ঠিতব্য প্যারিস অলিম্পিকের আয়োজক কমিটির ৩ জনের একজন হচ্ছে মুহাম্মদ ইউনূস। সেখানে আরেকজন প্রেসিডেন্ট ম্যাঁখ্রো।

২০২৬ ইতালী অলিম্পিকের জন্য ইতালীয়ানরা ওনাকে পাওয়ার জন্য তদবির করছে। যাতে ওনি পরামর্শ দেন।


এদিকে আমরা মনে করি গ্রামীন ব্যাংক আর গ্রামীন টেলিকমের মত ওনার প্রতিষ্ঠিত কোম্পানী থেকে টাকা পান তিনি। যেন গ্রামীন ব্যাংকের সুদগুলো সরকার খায় না, ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস খায়। এরা কখনো প্রকাশ্যে স্বীকারই করে না যে, এগুলোতে তার ০.০১% শেয়ারও নাই।


ওনি একটা বিশ্ববিদ্যালয় করতে চেয়েছিলেন বাংলাদেশে, কিন্তু অনুমতি পাননি। একটা আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় হতো। ওনি বললে পৃথিবীর সেরা সেরা প্রফেসররা সেখানে এসে ক্লাস নিয়ে যেতো। ওনি ডাকলে এমনকি বিল গেটস কিংবা আমেরিকান প্রেসিডেন্টও তাঁর ইউনিভার্সিটিতে স্পীচ দিতে চলে আসতো।

কিন্তু সেটা হতে দেয়া হয়নি। তাঁকে ইউনিভার্সিটি করতে দেয়া হয়নি।


ড মুহাম্মদ ইউনূসকে যত জানবেন, আপনার মনে হবে- দেশ এবং জাতি হিসেবে আমরা ড মুহাম্মদ ইউনূসকে ডিজার্ভই করিনা।


একটা প্রশ্ন করি, আপনি কি জানতেন মুহাম্মদ ইউনূস গ্রামীনব্যাংক কিংবা গ্রামীন টেলিকমের মত ওনার প্রতিষ্ঠিত কোম্পানীতে নিজের জন্য কোনো শেয়ার রাখেননি?

আসুন যোগ্য ব্যক্তিকে সম্মান করতে শিখি।

 Collected..

#drmohammedyounus #Bangladesh #follower #everyone Highlight's Ⓜ️ Team 0-1

ঘুমের লক্ষনের উপর হোমিওপ্যাথি ঔষধঃ➪

 🌹☃︎ঘুমের লক্ষনের উপর হোমিওপ্যাথি ঔষধঃ➪

✩কিছু জিজ্ঞাসা করলে উত্তর দিতে দিতে ঘুমিয়ে পড়ে – ব্যাপ , হায়োস ।

۞চেয়ারে বসলেই ঘুম পায় – নেট – ফস ।

۞সন্ধ্যাবেলায় বসে থাকলেই ঘুম পায় – নাক্স – ভম ।

۞ বিকেলবেলায় ঘুম পায় – ক্যাল্কে – কার্ব ।

۞পড়তে বসলে ঘুম পায় – কলচি , নেট – মিউর ।

𖣘 বসলেই ঘুম পায় – সিনা , নেট – মিউর , নাক্স – ভম , সিপিয়া ।

𖧷খাওয়ার পরেই ঘুম পায় – এগারি , ক্যাল্কে-কার্ব , ক্যাপ্সি , চায়না , কেলি-কার্ব , নাক্স – ভম , ফস , রাস- টক্স , সালফ , কার্ব – ভেজ , একোন ।

𑁍 খাওয়ার পর দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না, ঘুম পায় – ম্যাগ – কার্ব ।

❁খাওয়ার পর দাঁড়ালে ঘুম পায় - ম্যাগ – কার্ব ।

❁খাওয়ার পর কথা বললে ঘুম পায় - ম্যাগ – কার্ব ।

☼︎ বমির পর ঘুম পায় – ইথুজা , এ-টাট , ইপি , স্যানিকি ।

𖣔সর্বদা অত্যন্ত ঘুমঘুম ভাব – নাক্স- ম , ফাইসসটিগমা ।

𖣔হাসি ঠাট্টার পর ঘুম পায় – ফস ।

۞সকালে ঘুম পায় – ক্যাল্কে – কার্ব , ক্যাল্কে – ফ , কোনি , গ্রাফাই , নাক্স-ভম , সিপিয়া , সালফ ।

߷প্রসবের পর প্রসূতিদের ঘুম পায় – ফেলানড্রি ।

۞হাঁটতে হাঁটতে ঘুম পায় – একোন ।

۞মলত্যাগের পর ঘুম পায় – ইথুজা , নাক্স-ম , সালফ ।

** কথা বলতে বলতে ঘুম পায় – চেলিডো , ম্যাগ-কার্ব , প্লাম্বাম ।

𖣔লিখতে বসলে ঘুম পায় – এসিড-ফস

- H . C . Allen . M . D .

Cd

ঢাকা শহরে ভাড়া বাসায় থাকলে কত খীচ

 গত বিশ বছর  ধরে ঢাকায় ভাড়া বাসায় থাকা আবু সুফিয়ান হিসেবে করে দেখলো যে গত ২০ বছরে মোট বাসা ভাড়া বাবদ খরচ হয়েছেঃ ২০বছর x ১২মাস x ১৫০০০টাকা= ৩৬লাখ টাকা। তিনি যে বাসাগুলোতে ছিলেন সেগুলোর গড় সাইজ ছিলো ১০০০ স্কয়ার ফিট। তিনি যেসব এলাকায় ছিলেন সেখানে ১০০০স্কয়ার ফিট রেডি ফ্ল্যাটের মূল্য গড়ে ৬০/৭০লাখ টাকা। আর যদি বুকিং সিস্টেমে ধীরে ধীরে কিস্তি দিতে দিতে ৫/৬বছর মেয়াদী নিয়মে কেনা হতো তাহলে খরচ পড়তো ৫০/৬০লাখের মতো। আর যদি শেয়ার সিস্টেমে নিজেরা নিজেরাই ফ্ল্যাট বানাতো তাহলে খরচ পড়তো ৩৫/৪০লাখ টাকা। (এগুলো বর্তমান আনুমানিক দাম।)  সুফিয়ান সাহেব চিন্তা করলেন যে আমি যদি ভাড়া বাসায় না থেকে ২০বছর আগে থেকে একটা ফ্ল্যাটের মালিক হতে পারতাম তাহলে মনে হয় আমার এই ৩৬লাখ টাকা বেঁচে যেতো। এবার তিনি চিন্তা করতে লাগলেন যে ২০বছর আগে আমাকে ফ্ল্যাটের মালিক হতে হলে তারও ৫বছর আগে থেকে বিনিয়োগ শুরু করতে হতো, তারপর পরবর্তী ৫বছর কিস্তি চালিয়ে যেতে যেতে ভাগ্য ভালো হলে সঠিক সময়ে ফ্ল্যাটের মালিক হতে পারতাম। আর যদি ২০ বছর আগে এককালীন ৪০লাখ টাকা দিয়ে রেডি ফ্ল্যাট কিনতে পারতাম তাহলে প্রতি মাসে ভাড়ার টাকাটা সেভ হতো এবং এই ২০ বছরে সেইভ হতো প্রায় ৩৬লাখ টাকা। তার চিন্তাটা সে তার বন্ধু মিলনের সাথে শেয়ার করলো।  সবকিছু শুনার পর মিলন তাকে কয়েকটি প্রশ্ন করলো। যেমনঃ ১. আপনার ২০ বছর আগে কেনা ফ্ল্যাটটির বর্তমান মূল্য কত? এটার দাম কতটুকু বেড়েছে? এটা একটি পূরাতন ফ্ল্যাট যা ওল্ড মডেল হিসেবে গন্য এবং ২০বছরের পূরাতন হওয়ার কারনে এটাকে কেউ খুব একটা মূল্যায়ন করবে কি? ২. ২০ বছর আগে স্বর্ণের দাম কতো ছিলো? ২০ বছর আগে ৪০লাখ টাকার স্বর্ণ কিনলে বর্তমানে কত দামে বেচতে পারতেন? ৩. ২০বছর আগে ফ্ল্যাট না কিনে যদি জমি কিনতেন হোক সেটা আপনার গ্রামে, তাহলে সেই জমির দাম বর্তমানে কত গুন হতো? ৪. ২০ বছর আগে যদি আপনি ১০লাখ টাকায় জমি লিজ নিয়ে ৩০লাখ টাকার গাছ লাগাতেন তাহলে সেই গাছগুলার বর্তমান দাম কয় কোটি হতো? ৪. ২০ বছর আগে আপনি যখন ব্যবসা শুরু করেন তখন আপনার ব্যবসায় প্রাথমিক বিনিয়োগ কত ছিলো? সেই ব্যবসায় যদি এই ৪০লাখ টাকা যোগ করতে পারতেন, আজকে আপনার ব্যবসাটা কত বড় হতো? ৫. তাহলে ভাবুন মাত্র ১৫০০০টাকা সেইভ করতে গিয়ে একসাথে ৪০লাখ টাকা ব্লক করে রাখাটা কি পরিমাণ বোকামী হতো?  এসব প্রশ্নের উত্তর চিন্তা করে আবু সুফিয়ান সাহেবের মাথা খুলে গেলো। তার মধ্যে আর ৩৬লাখ টাকার আফসোস কাজ করলো না। আসলে এই হিসাবটা কেউ করেনা যে বর্তমান সময়ে ৫০লাখ টাকার ফ্ল্যাট থেকে ১৫০০০টাকা ভাড়া পেতে কষ্ট হয়ে যায়। তারপর, ফ্ল্যাটের দাম সেভাবে বাড়েনা। ধরেন, কেউ ২০২০সালে ৫০ লাখ টাকা দিয়ে একটা ১০০০স্কয়ার ফিটের ফ্ল্যাট কিনলো, তো সেটা ২০২৫ সালে এসে বিক্রি করার চেষ্টা করলো। ২০২৫ সালে নতুনভাবে কিনতে গেলে ১০০০স্কয়ারফিটের ফ্ল্যাটের দাম হয়তো ১০লাখ টাকা বেশি হবে। এখন ২০২০সালের ফ্ল্যাটটি যদি ২০২৫ সালে কেউ ৬০লাখে বি্ক্রি করার চেষ্টা করে, একজন ক্রেতা কেনো নতুন ফ্ল্যাট না কিনে পূরাতন ফ্ল্যাট কিনতে যাবে? বরং সে পূরাতন ফ্ল্যাটটি ৪০/৪৫লাখ টাকায়ও কিনবে কিনা সন্দেহ আছে।   ফ্ল্যাট কেনার আইডিয়াটা খুব একটা ভালো আইডিয়ানা। আপনি যে টাকা দিয়ে ফ্ল্যাটের মালিক হবেন সেটা দিয়ে যদি ১. স্বর্ণ কিনেন, ২. জমি কিনেন, ৩. জমি লিজ নিয়ে গাছ লাগান অথবা ৪. নিজের রানিং ব্যবসায় বিনিয়োগ করেন তাহলে অনেক অনেক অনেক বেশি রিটার্ণ পাবেন। যদি পৃথিবীতে সবচেয়ে কম রিটার্ণের কোনা বস্তু থাকে তাহলে সেটা হলো ফ্ল্যাট। এর চেয়ে কম রিটার্ণের বস্তু যদি খুঁজে পান তাহলে জানাতে পারেন।  এবার আবু সুফিয়ান সাহেব ফ্ল্যাট না কিনতে পারার আফসোস থেকে বেরিয়ে আসলেন এবং স্বীকার করলেন যে ঢাকা শহরে এককালীন অনেক টাকা খরচ করে ফ্ল্যাটের মালিক হওয়ার চাইতে সারাজীবন ভাড়াটিয়া হিসেবে কাটিয়ে দেয়াটাই উত্তম…  #Bangladeshcivilengineeringbyashik #copied

গাড়ির ইঞ্জিন পার্টস এর নাম ও কাজ – একদম বিস্তারিত জানুন,,,,,,

 গাড়ির ইঞ্জিন পার্টস এর নাম ও কাজ – একদম বিস্তারিত জানুন


গাড়ির ইঞ্জিন হলো একটি জটিল যন্ত্রাংশের সমষ্টি যা একসাথে কাজ করে একটি গাড়িকে চালনা করার শক্তি সরবরাহ করে। অনেকেই গাড়ি ব্যবহার করলেও ইঞ্জিনের ভেতরে কোন কোন পার্টস আছে এবং সেগুলো কী কাজ করে, তা জানেন না। আজকের এই পোস্টে আমরা আলোচনা করব গাড়ির ইঞ্জিনের গুরুত্বপূর্ণ পার্টস, তাদের কাজ এবং কেন এসব জানাটা গুরুত্বপূর্ণ।


🔹 ইঞ্জিন পার্টস এর তালিকা ও তাদের কাজ


১. সিলিন্ডার (Cylinder)= সিলিন্ডার হচ্ছে ইঞ্জিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এখানে জ্বালানি ও বায়ু মিশ্রণ পুড়ে শক্তি তৈরি হয়। চার সিলিন্ডার, ছয় সিলিন্ডার বা আট সিলিন্ডার যুক্ত ইঞ্জিন হতে পারে।


২. পিস্টন (Piston)= পিস্টন হলো সিলিন্ডারের ভেতরে চলমান একটি ধাতব বস্তু, যা জ্বালানি দহন থেকে উৎপন্ন শক্তিকে নিচে ঠেলে দেয়। এটি ক্র্যাংকশ্যাফট ঘোরাতে সহায়তা করে।


৩. ক্র্যাংকশ্যাফট (Crankshaft)= ক্র্যাংকশ্যাফট পিস্টনের উপরে নিচে চলাচলকে ঘূর্ণনশীল গতিতে রূপান্তর করে, যা গাড়ির চাকার ঘূর্ণনে কাজে লাগে।


৪. ক্যামশ্যাফট (Camshaft)= ক্যামশ্যাফট ভালভ খোলার ও বন্ধ করার কাজ করে। এটি নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী ইনটেক এবং এক্সহস্ট ভালভ নিয়ন্ত্রণ করে।


৫. ভালভ (Valves)= ভালভ দুটি ধরণের হয়: ইনটেক ও এক্সহস্ট। ইনটেক ভালভ জ্বালানি ও বায়ুকে ইঞ্জিনে প্রবেশ করতে দেয়, এবং এক্সহস্ট ভালভ দহন শেষে গ্যাস নির্গত করে।


৬. স্পার্ক প্লাগ (Spark Plug)= পেট্রোল ইঞ্জিনে স্পার্ক প্লাগ থাকে, যা বায়ু ও জ্বালানির মিশ্রণে আগুন ধরায় এবং দহন শুরু করে।


৭. ফুয়েল ইনজেক্টর (Fuel Injector)= ফুয়েল ইনজেক্টর জ্বালানিকে সঠিক পরিমাণে এবং নিখুঁতভাবে সিলিন্ডারে প্রবেশ করায়। এটি আধুনিক গাড়িতে কার্বুরেটরের বিকল্প।


৮. কার্বুরেটর (Carburetor)= পুরাতন গাড়িতে ব্যবহৃত হয়। এটি বায়ু ও জ্বালানির সঠিক অনুপাতে মিশ্রণ তৈরি করে ইঞ্জিনে পাঠায়।


৯. রেডিয়েটর (Radiator)= ইঞ্জিন ঠান্ডা রাখার জন্য রেডিয়েটর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি কুল্যান্টের সাহায্যে ইঞ্জিনের অতিরিক্ত তাপ বাইরে বের করে দেয়।


১০. ওয়াটার পাম্প (Water Pump)= ওয়াটার পাম্প কুল্যান্টকে ইঞ্জিনের ভেতরে প্রবাহিত করে, যাতে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।


১১. টাইমিং বেল্ট / চেইন (Timing Belt / Chain)=ক্যামশ্যাফট ও ক্র্যাংকশ্যাফটকে সঠিক সময়ে ঘোরানোর দায়িত্ব পালন করে টাইমিং বেল্ট বা চেইন। যদি এটি ছিঁড়ে যায়, তাহলে ইঞ্জিনের বড় ক্ষতি হতে পারে।


১২. অয়েল পাম্প (Oil Pump)=ইঞ্জিন অয়েলকে প্রতিটি চলমান অংশে সরবরাহ করে। এটি ইঞ্জিনকে লুব্রিকেট করে ঘর্ষণ কমায় ও তাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।


১৩. এয়ার ফিল্টার (Air Filter)= বাইরের বাতাসে থাকা ধুলো ও ময়লা পরিশোধন করে ইঞ্জিনে পরিষ্কার বাতাস সরবরাহ করে।


১৪. এক্সহস্ট ম্যানিফোল্ড (Exhaust Manifold)= দাহ্য গ্যাসগুলোকে একত্র করে এগুলো এক্সহস্ট পাইপে পাঠায় এবং বাইরে বের করে দেয়।


১৫. ইঞ্জিন কন্ট্রোল ইউনিট (ECU)= এটি একটি কম্পিউটার ইউনিট যা ইঞ্জিনের বিভিন্ন সেন্সর থেকে ডেটা নিয়ে পুরো ইঞ্জিন পরিচালনা করে।


কেন এইসব পার্টস সম্পর্কে জানা জরুরি?

অনেক সময় ইঞ্জিনে সামান্য সমস্যা দেখা দিলেও আমরা গুরুত্ব দেই না। কিন্তু যদি আপনি জানেন কোন পার্টস কী কাজ করে, তাহলে প্রাথমিক সমস্যা আপনি নিজেই চিহ্নিত করতে পারবেন। এতে সময় ও খরচ দুই-ই বাঁচে।


গাড়ির ইঞ্জিন রক্ষণাবেক্ষণের টিপস:

প্রতি ৫,০০০ থেকে ১০,০০০ কিমি পর ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করুন।নিয়মিত এয়ার ফিল্টার পরিষ্কার বা পরিবর্তন করুন। কুল্যান্টের স্তর পর্যবেক্ষণ করুন। টাইমিং বেল্ট বা চেইনের অবস্থা চেক করুন। ECU ত্রুটি দেখালে অবহেলা না করে মেকানিক দেখান।


উপসংহার= গাড়ির ইঞ্জিন হলো যেকোনো গাড়ির প্রাণ। এর প্রতিটি যন্ত্রাংশ একে অপরের সাথে সমন্বিতভাবে কাজ করে। আপনি যদি চালক হন বা নতুন গাড়ি কিনতে আগ্রহী, তাহলে ইঞ্জিন পার্টসের নাম ও কাজ জানা আপনার জন্য ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। এতে আপনি নিজের গাড়ির যত্ন নিতে পারবেন আরও সচেতনভাবে এবং ত্রুটি চিহ্নিত করতে পারবেন প্রাথমিক পর্যায়েই।


#গাড়িরইঞ্জিন #ইঞ্জিনপার্টস #গাড়িমেইনটেন্যান্স #অটোমোবাইল #কারইঞ্জিন #গাড়িরযন্ত্রাংশ #ইঞ্জিনরক্ষণাবেক্ষণ #কারমেকানিক #গাড়িবিশ্লেষণ #গাড়িরখবর #গাড়িতথ্য #কারটেকনোলজি #ইঞ্জিনসার্ভিস #গাড়িকিরখেয়ালরাখবেন #অটোমেকানিকস #গাড়িরনতুনচিন্তা #গাড়িরইঞ্জিনপারফরম্যান্স #ইঞ্জিনশিক্ষা #গাড়িউন্নয়ন #কারইঞ্জিনগাইড #বাংলাগাড়িব্লগ #গাড়িরবিস্তারিততথ্য #গাড়িউপকরণ #কারকেয়ারবাংলা #গাড়িরবিশেষজ্ঞ

পটুয়াখালী পৌর শহরের পাওয়ার হাউজ এলাকার একতা সড়কের বাসিন্দা ও অত্র এলাকার বড় সুদী কারবারি কাজী জাকির ও কাজী রিপন ।

 পটুয়াখালী পৌর শহরের পাওয়ার হাউজ এলাকার একতা সড়কের বাসিন্দা ও অত্র এলাকার বড় সুদী কারবারি কাজী জাকির ও কাজী রিপন ।


আওয়ামী সরকারের সাবেক এমপি ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শাজাহান উকিলের ঘনিষ্ঠ সহযোগী কাজী জাকির ও তার এপিএস ছিল কাজী রিপন। 


নুনু আনতে পান্তা ফুরোয় এমন পরিবারের ছেলে কাজী জাকির ও কাজী রিপন।

তবে এমপি শাজাহান উকিলের কাছের লোক হিসেবে পরিচিত  ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দূর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র কয়েক বছরেই কোটি কোটি টাকা দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জন করে বনে যায় এলাকায় বড় সুদি ব্যবসায়ী।


 সেই সকল টাকা দিয়ে শুরু হয় সুদের কারবার।

  কাজী জাকির ও কাজী রিপনের রয়েছে বেশ কয়েকজন মহিলা ও পুরুষ সুদী এজেন্ট, জামাল, সুফি, খাজিদা পারভিন, ফারুক, দেলোয়ার সহ অনেকেই। 

 

যাদের মাধ্যমে সুদের টাকা বিনিয়োগ ও লেনদেন করা হয়।  

বিশেষ কৌশলে টাকা যেই নিবে  সুদের টাকা নিতে তার পরিবারের মহিলাদের থেকে সাদা চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর দিয়ে কাজী জাকির ও কাজী রিপনের কাছে জমা দিতে হয়।

শতকরা হিসেবে ১০থেকে ২০শতাংশ হারে পর্যন্ত সুদ  নিয়ে থাকে।

 সময়মতো সুদের টাকা দিতে ব্যার্থ হলে গভীর রাতে মহিলাদের নিয়ে টানাটানি শুরু হয় তার পালিত সন্ত্রাসী দিয়ে।

তাছাড়া প্রতিদিনের সুদের টাকা প্রতিদিন রাতে দিতে হবে, এভাবেও চড়া সুদে টাকা দিয়েছে এলাকায় ও নিউমার্কেট এবং এলাকার বাইরে অনেক মানুষকে। 

সময়মতো সুদ ও সুদের টাকা পরিশোধ করতে না পারায় অনেক নারী ও মহিলা শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। 

 কিন্তু সাদা স্ট্যাম্প ও চেকের পাতায় সই জমা দিয়ে টাকা নেয়ার কারণে আইনগত সহায়তা নিতে পারছে না ভুক্তভোগীরা। 

 কাজী জাকির ও কাজি রিপনের কথার অবাধ্য হলে সাদা চেকে বড় অংকের টাকার পরিমাণ লিখে মামলা দেয়া হয় ভুক্তভোগীদের বিরুদ্ধে। 

 স্বাক্ষর সহ  সাদা স্টাম্পে তাদের নিজেদের লোকদের স্বাক্ষী বানিয়ে মনগড়া টাকা আদান-প্রদান  উল্লেখ করে মামলা  হয়।

 ইতিমধ্যেই কমপক্ষে আট থেকে দশ জনের জনের বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনার ও সাথে সাদা স্ট্যাম্পে ব্যবসায়িক কাজে টাকা নিয়েছে স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি  বন্ধক রেখে এমন লিখে মামলা দায়ের করেছে পটুয়াখালী সদর আদালতে কাজী জাকির ও কাজী রিপন । 

তাছাড়া নিউমার্কেট মাছ বাজারের এক মাছ ব্যবসায়ী সুদের টাকা পরিশোধ করতে না পেরে বিষপানে আত্মহত্যা করে। 

কাজী জাকির ও কাজী রিপন তার অবৈধ টাকা দিয়ে কিছু পালিত সন্ত্রাসী লালন পালন করে আসছিলো, সুদের টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হলে মারধর ও হেনস্তার শিকার হতে হয় এদের হাতে। 

সুদের টাকার গরমে আইনের শাসনকে তোয়াক্কা না করে এলাকায় অনেক অপকর্ম অপরাধের মূল হোতা ছিল এই কাজী জাকির ও কাজী রিপন।

 

থানা পুলিশ অদৃশ্য শক্তির কারনে সব সময়ই ছিল নিশ্চুপ।

এদের সুদের টাকার জালে আটকা পড়ে হাজারো মানুষ হয়েছ সর্বহারা নিঃস্ব। 

এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছে বেশ কিছু লোক।

 দৃশ্যমান কোনো ব্যবসা বাণিজ্য না থাকলেও 

এদের বিপুল পরিমাণ  অবৈধ অর্থের উৎস কি..? 

সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন পটুয়াখালীবাসী। 


 পটুয়াখালী পুলিশ প্রশাসনের কাছে দাবি ভুক্তভোগীদের সই সহ চেক ও স্টাম্প গুলো উদ্ধার করে অসহায় মানুষগুলোর হাতে ফিরিয়ে দেয়ার আকুল আবেদন জানিয়েছেন অসহায় ভুক্তভোগীরা।

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...